Tag: Delhi Police

Delhi Police

  • Imran Khan: গ্রেফতার ইমরান! মোদির বিরুদ্ধে মামলা করতে চেয়ে ট্যুইট পাক অভিনেত্রীর, কী বলল দিল্লি পুলিশ?

    Imran Khan: গ্রেফতার ইমরান! মোদির বিরুদ্ধে মামলা করতে চেয়ে ট্যুইট পাক অভিনেত্রীর, কী বলল দিল্লি পুলিশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার ইসলামাবাদ হাইকোর্টের বাইরে থেকে গ্রেফতার করা হয় প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে (Imran Khan)। দলীয় নেতার গ্রেফতারির প্রতিবাদে বিক্ষোভে সামিল হয় পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের সদস্যরা। সে দেশের বিভিন্ন নেতা-নেত্রীদের বাসভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিভিন্ন জায়গায়। পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে অনেক জায়গায় সেনা নামানো হয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে, তবে লাহোর প্রভৃতি স্থানে সেনা কমান্ডোদের বাসভবনে হামলা চালানো হয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। রাওয়ালপিন্ডিতে বিক্ষোভকারীরা সেনাবাহিনীর অফিসে ঢুকে পড়ে। জানা গিয়েছে সে দেশে এখনও পর্যন্ত এই হিংসার ঘটনায় তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। সংবাদ সংস্থাগুলি জানাচ্ছে, পাকিস্তানের ইসলামাবাদ সহ বেশ কিছু এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে এবং কারফিউ জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে হেফাজতে থাকার পরে ইমরান খানকে আজকে আদালতে পেশ করা হয়। পুলিশ লাইন গেস্ট হাউসে নিয়ে আসা হয় তাঁকে। সেখানেই বসে আদালত। শুরু হয় বিচার প্রক্রিয়া। অন্যদিকে পাক প্রধানমন্ত্রীর (Imran Khan) এই গ্রেফতারিকে কেন্দ্র করে যখন পাকিস্তানের অশান্তির আগুন জ্বলছে তখন এই গোটা ঘটনার পিছনে মোদির হাত রয়েছে বলে ট্যুইট করেছেন সে দেশের অভিনেত্রী শিহর শিনওয়ারি, শুধু তাই নয়, দিল্লি পুলিশের কাছে এ বিষয়ে তিনি অভিযোগ করবেন বলেও জানিয়েছেন। এনিয়ে নেট পাড়ায় শুরু হয়েছে ট্রল। পাল্টা উত্তর দিয়েছে দিল্লি পুলিশও।

    ট্যুইটে কী লিখলেন শেহর?

    পাকিস্তানি অভিনেত্রী এদিন ট্যুইটে জানান, যে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিশে অভিযোগ জানাতে চান। কারণ পাকিস্তানে আজকে যে হিংসার ঘটনা ঘটেছে তার জন্য এরাই দায়ী। শেহরির আশা, ভারতের সুপ্রিম কোর্টে তাঁর তোলা এই অভিযোগ নিশ্চিতভাবে শোনা হবে।

    পাল্টা দিয়েছে দিল্লি পুলিশও

    শেহরির ট্যুইটের জবাবে দিল্লি পুলিশ বলছে,‘‘আমাদের উদ্বেগের কারণ হল যে পাকিস্তানের দিল্লি পুলিশের কোন বিচারালয় পাকিস্তানে নেই কিন্তু এটা জেনে অবাক লাগছে যে সে দেশে হিংসার কারণে যদি সত্যিই ইন্টারনেট বন্ধ থাকে, তাহলে আপনি ট্যুইট করলেন কীভাবে।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Wrestlers Protest: ‘‘এ জন্যই কি দেশের হয়ে পদক জিতলাম’’! মধ্যরাতে যন্তর মন্তরে পুলিশ-কুস্তিগির খণ্ডযুদ্ধ

    Wrestlers Protest: ‘‘এ জন্যই কি দেশের হয়ে পদক জিতলাম’’! মধ্যরাতে যন্তর মন্তরে পুলিশ-কুস্তিগির খণ্ডযুদ্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্দোলনরত কুস্তিগিরদের (Wrestlers) সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। বুধবার মধ্য রাতে যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar) হঠাৎ পুলিশ এবং বিক্ষোভকারীদের মধ্যে শুরু হয় কথা কাটাকাটি। শেষ পর্যন্ত তা হাতাহাতিতে পৌঁছয়। বিক্ষোভকারী কুস্তিগিরদের অভিযোগ, দিল্লি পুলিশের একটি দল মত্ত অবস্থায় বুধবার সন্ধ্যা থেকেই তাঁদের সঙ্গে অভব্য আচরণ করতে শুরু করেন। মহিলা কুস্তিগিরদের কটু ভাষায় আক্রমণ, মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। বেশ কয়েকজন কুস্তিগিরের মাথায় আঘাত করা হয়, একজন সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দুইজনের চোট গুরুতর বলেও জানা গিয়েছে।

    যন্তর মন্তরে ধুন্ধুমার 

    ভারতীয় কুস্তি সংস্থার সভাপতি ব্রিজভূষণ শরণ সিং-এর গ্রেফতারি চেয়ে দিল্লির যন্তর মন্তরে চলছে কুস্তিগিরদের আন্দোলন। কুস্তিগির বিনেশ ফোগট  বলেন, “সারা দিন বৃষ্টি হওয়ার ফলে মাটি ভিজে থাকায় আমরা বিক্ষোভস্থলে খাট পাতার চেষ্টা করছিলাম। তখনই পুলিশ আমাদের উপর হামলা করে। একজনও মহিলা পুলিশকর্মী ছিলেন না। এই সময় ধাক্কাধাক্কিতে কেউ কেউ মাথাতেও আঘাত পান।” ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পুলিশের সঙ্গে কুস্তিগিরদের বচসা, ধস্তাধস্তির ছবি ও ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। রাহুল রাও নামক এক কুস্তিগিরকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যেতেও দেখা যায়। 

    কান্নায় ভেঙে পড়লেন বীনেশ

    মধ্যরাতের সাংবাদিক বৈঠকে বীনেশ ফোগট বলেন, “ওই পুলিশ কর্মী সবাইকে ধাক্কা দিচ্ছিলেন। আমরা কেউ অপরাধী নই যে আমাদের সঙ্গে এই ধরনের ব্যবহার করা হচ্ছে”। ঘটনাস্থলে মহিলা পুলিশকর্মীর অনুপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বীনেশ। তিনি বলেন, “পুলিশকর্মীরা আমায় গালমন্দ করে এবং ধাক্কা দেয়। মহিলা পুলিশকর্মীরা কোথায় ছিল তখন? এই দিনটি দেখার জন্যই কি আমরা দেশের হয়ে এত পদক জিতলাম?” এর পরেই কান্নায় ভেঙে পড়েন বীনেশ। কুস্তিগির বজরং পুনিয়া বলেন, “সারা দেশের মানুষের আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানো উচিত। দিল্লি পুলিশ ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ না করে আমাদের উপর বলপ্রয়োগ করছে।” 

    আরও পড়ুন: কালীঘাটের পটচিত্র কিনেছিলেন পাবলো পিকাসো! বাংলার এই লোকশিল্প হারিয়ে যাচ্ছে কেন?

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি 

    বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে চারটি পদক জেতা বজরং বলেন, “আমি সরকারকে অনুরোধ করব যেন আমার সব পদক ফিরিয়ে নেওয়া হয়।” এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখেছেন বলেও জানান বজরং পুনিয়া। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সামনে চারটি দাবি রেখেছেন। তাঁদের দাবি, কুস্তিগিরদের উপর হামলাকারী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে, জলরোধী তাঁবু স্থাপনের অনুমতিও দিতে হবে।

    আটক সোমনাথ ভারতী 

    পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, সোমনাথ ভারতী নামক আম আদমি পার্টির বিধায়ককে আটক করা হয়েছে। তিনিই প্রথম বিনা অনুমতিতে বিক্ষোভস্থলে ফোল্ডিং খাট এনে পাতার চেষ্টা করেছিলেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছেই তাঁরা পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন। সোমনাথ এবং তাঁর লোকেদের সমর্থন জোগান বিক্ষোভরত কুস্তিগিরেরা। পুলিশ যথাসময়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অনভিপ্রেত ঘটনা রুখতে সক্ষম হয়েছে। ঘটনার পর দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তর এলাকা সিল করে দিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ministry of Finance: বিদেশে তথ্য পাচার! বাজেটের ঠিক আগে গ্রেফতার অর্থমন্ত্রকের অস্থায়ী কর্মী

    Ministry of Finance: বিদেশে তথ্য পাচার! বাজেটের ঠিক আগে গ্রেফতার অর্থমন্ত্রকের অস্থায়ী কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। জোর ব্যস্ততা এখন অর্থমন্ত্রকে (Espionage In Finance Ministry)। তার মধ্যেই তথ্য পাচারের অভিযোগে দিল্লি পুলিশ গ্রেফতার করল মন্ত্রকের এক কর্মীকে। যা নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। অর্থের বিনিময়ে বিদেশে তথ্য পাচারের অভিযোগে চুক্তিভিত্তিক ওই কর্মীকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। রুজু হয়েছে মামলা।

    অভিযুক্তের কাছ থেকে যা যা পাওয়া গেল

    পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তের নাম সুমিত। তিনি ডেটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে চুক্তির ভিত্তিতে নিযুক্ত হয়েছিলেন। অভিযুক্তর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। যেখানে বেশ কিছু চ্যাট দেখে পুলিশের ধারণা, ওই ব্যক্তিকে বিদেশি কোনও সংস্থা হানিট্র্যাপে ফাঁসিয়ে ব্ল্যাকমেল করেছে। তবে এই ঘটনা প্রথম নয়। কিছুদিন আগেও অর্থমন্ত্রকের তথ্য পাচারের অভিযোগ সামনে এসেছিল। তবে বাজেট অধিবেশনের আগে মন্ত্রকের কর্মীর গ্রেফতার হওয়া খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। এর ফলে অর্থ মন্ত্রকের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচারের একটি চক্র ভেঙে দিল দিল্লি পুলিশ, এমনই অনুমান বিশেষজ্ঞদের। দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর টাকার বিনিময়ে অর্থমন্ত্রকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিদেশে পাঠিয়ে দিত সুমিত। মন্ত্রকে ডেটা এন্ট্রি অপারেটার হিসেব কাজ করার ফলে বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তাঁর নাগালে ছিল। তাঁর মোবাইল ফোনটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওই মেবাইলটিকে হাতিয়ার করেই সে তথ্য পাচার করত বলে দাবি পুলিশের। বাজেট পেশের কয়েক দিন আগেই নির্মলা সীতারমনের দফতর থেকে তথ্য বেরিয়ে যাওয়ার খবরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।  ওই ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থমন্ত্রকের বেশকিছু নথিও উদ্ধার করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: সাগরদিঘিতে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা কমিশনের, কবে?

    আগামী বছর হবে লোকসভা নির্বাচন। ফলে এবছরই শেষ পূর্ণ বাজেট পেশ করার সুযোগ মোদি সরকারের। সামনে রয়েছে একাধিক রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তাই এবার জনমুখী বাজেটের সম্ভাবনা থাকছে। বাড়তে পারে আয়কর ছাড়ের সীমা। অর্থমন্ত্রী সীতারামন কয়েকদিন আগে নিজেকে মধ্যবিত্ত হিসেবে তুলে ধরেছিলেন। যা দেখে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, এবার মধ্যবিত্তের জন্য বাজেটে বড় চমক থাকতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Khalistani terrorist: দিল্লিতে খালিস্তানি জঙ্গিদের ডেরা থেকে হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধার দিল্লি পুলিশের

    Khalistani terrorist: দিল্লিতে খালিস্তানি জঙ্গিদের ডেরা থেকে হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধার দিল্লি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রজাতন্ত্র দিবসের কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা ফেলা হয়েছে রাজধানী দিল্লিকে (Khalistani terrorist)। কিন্তু এর মাঝেও সন্ত্রাসবাদীদের দৌরাত্ম লেগেই রয়েছে। তল্লাশি অভিযানের মাঝেই দিল্লি পুলিশের জালে ধরা পড়েছে দুই খালিস্তানি জঙ্গি।

    আরও পড়ুন: অভিযোগ করেছিলেন শুভেন্দু, মিড-ডে মিলের ‘পর্যালোচনা’ করতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় দল   

    প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে দিল্লির নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। চলছে তল্লাশি অভিযান (Khalistani terrorist)। সেই অভিযানেই দিল্লি পুলিশের জালে ধরা পড়েছে দুই জঙ্গি জগজিৎ ওরফে জস্সা এবং নৌশাদ। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ধৃতরা খালিস্তানি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। তাদের জেরা করেই ডেরায় হানা দেয় পুলিশ। পুলিশের স্পেশ্যাল সেল শ্রদ্ধানন্দ কলোনীর একটি বাড়িতে তল্লাশি চালায়। ধৃতরা ওই বাড়িতে ভাড়া থাকত। সেই ডেরা থেকে হ্যান্ড গ্রেনেড বাজেয়াপ্ত করে। 

    কী জানা গিয়েছে?     

    দুই জঙ্গিকে কদিন আগে দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরী থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ (Khalistani terrorist)। ধৃত জগজিৎ ওরফে জস্সা উত্তরাখণ্ডের বাসিন্দা। এই দুই জঙ্গির বাড়ি জাহাঙ্গিরপুরিতে। তাদের বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন তথা ইউএপিএ-র ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: এবার প্রাণনাশের হুমকি নিতিন গড়কড়িকে, নেপথ্যে দাউদ ইব্রাহিম!

    গোপনসূত্রে খবর পেয়ে হানা দেয় পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা কানাডানিবাসী খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হর্ষদীপ (Khalistani terrorist) ডালার নির্দেশমতো কাজ করত। কদিন আগেই কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক হর্ষদীপকে সরকারিভাবে জঙ্গি ঘোষণা করে কালো তালিকাভুক্ত করেছে। ২০১৭ সাল থেকে কানাডায় রয়েছে হর্ষদীপ।

    আরও পড়ুন: ‘দিদির সুরক্ষা কবচে’ অভিযোগ জানাতে গিয়ে জুটল তৃণমূল নেতার চড়, সঙ্গে হুমকিও 

    পুলিশের অনুমান, প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে দিল্লিতে হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল ধৃতরা (Khalistani terrorist)। জগজিতের সঙ্গে নৌশাদের যোগাযোগ পুলিশের চিন্তা বাড়াচ্ছে। একটি ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনের হয়ে কাজ করার অভিযোগে আগে গ্রেফতার হওয়া নৌশাদের সঙ্গে খালিস্তানপন্থীদের সম্পর্ক বিশদে খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Delhi Airport: এবার দিল্লি বিমানবন্দরে প্রকাশ্যে প্রস্রাব মদ্যপ যুবকের, গ্রেফতার

    Delhi Airport: এবার দিল্লি বিমানবন্দরে প্রকাশ্যে প্রস্রাব মদ্যপ যুবকের, গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি প্রস্রাব-কাণ্ডে যখন তোলপাড় দেশ, তখনই ফের এক বিমানযাত্রীর বিরুদ্ধে প্রস্রাব করার অভিযোগ উঠল। এবার বিমানে নয়, দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রকাশ্যে প্রস্রাব করে গ্রেফতার হন এক ব্যক্তি। পরে জামিনে মুক্তিও পান তিনি। সূত্রের খবর অনুযায়ী, গত ৮ জানুয়ারি দিল্লি বিমানবন্দরে ঘটনাটি ঘটে। সেইসময় মত্ত অবস্থাতে ছিলেন ওই যাত্রী। এমনকী তাঁকে থামাতে গেলে সহযাত্রীদের হুমকিও দেন বলে অভিযোগ।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ৩-এর ৬ নম্বর প্রস্থান গেটের সামনে জৌহর আলি খান নামের এক যাত্রীকে প্রস্রাব করতে দেখা যায়। তিনি সেদিন দিল্লি থেকে সৌদি আরবের দাম্মাম যাওয়ার জন্য ফ্লাইট ধরতে এসেছিলেন। তার আগেই এমন কাণ্ড ঘটায় বিহারের বাসিন্দা জৌহর আলি খান।

    প্রকাশ্যে ওই যাত্রীকে এমন কাণ্ড ঘটাতে দেখে ঘাবড়ে যান উপস্থিত সকলেই। তিনি মত্ত অবস্থায় ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এরপরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। কয়েকজন তাঁকে নিরস্ত করার চেষ্টাও করেন। কিন্তু তিনি তাঁদের হুমকি দেন ও অশালীন ভাষা প্রয়োগ এবং অভব্য আচরণ করতেও দেখা যায় বলে অভিযোগ। এর পর ঘটনার কথা জানতে পেরেই তৎপর হয় বিমান কর্তৃপক্ষ। বিমানবন্দরের পুলিশ তাঁকে গ্রেফতারও করে। যদিও পরে বন্ড দিয়ে জামিনে মুক্তি পান জৌহর।

    দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে যে, তাঁরা সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (সিআইএসএফ) কর্মীদের কাছ থেকে একটি অভিযোগ পেয়েছে যে, টার্মিনাল ৩-এর গেট নং ৬-এ মত্ত অবস্থায় এক যাত্রী প্রকাশ্যে প্রস্রাব করেছেন। এর পাশাপাশি তিনি চিৎকার করছিলেন, অশালীন গালিগালাজও করছিলেন বলে অভিযোগ। আর এই অভিযোগের ভিত্তিতেই অভিযুক্ত যাত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। আইপিসি-র ২৯৪ নম্বর ধারা এবং ৫১০ নম্বর ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। পরবর্তীতে তাঁকে জামিনও দিয়ে দেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমানে মত্ত অবস্থায় শঙ্কর মিশ্র নামের এক ব্যক্তি এক বৃদ্ধার গায়ে প্রস্রাব করায় তোলপাড় পড়ে যায়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের সামনে এল প্রস্রাব-কাণ্ড।

  • Delhi Police: অপরাধী ধরতে গিয়ে ফের আক্রান্ত পুলিশ, ছিনিয়ে নিয়ে গেল ২ অভিযুক্তকে

    Delhi Police: অপরাধী ধরতে গিয়ে ফের আক্রান্ত পুলিশ, ছিনিয়ে নিয়ে গেল ২ অভিযুক্তকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপরাধী ধরতে গিয়ে ফের আক্রান্ত পুলিশ। তবে এবার আক্রান্ত দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। পুলিশকে ঘিরে চলল বিক্ষোভ প্রদর্শন। দক্ষিণ দিল্লির নেব সারাইয়ের রাজু পার্ক এলাকার ঘটনা। রবিবার প্রকাশ্যে এসেছে শনিবারের ওই ঘটনার ভিডিও। জানা গিয়েছে, শনিবার ওই এলাকায় নাইজেরিয়ার কয়েকজন বাসিন্দাকে গ্রেফতার করতে যায় নারকোটিক্স সেল। ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় তিন নাইজেরিয়ানকে গ্রেফতারও করে পুলিশ।

    হামলা…

    নারকোটিক্স সেলের সদস্যদের দাবি, ওই সময় শতাধিক আফ্রিকাবাসী তাঁদের ঘিরে ধরে হামলা চালায়। পুলিশকে ঘিরে চলে বিক্ষোভ প্রদর্শনও। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে বিক্ষোভ প্রদর্শন। এই ডামাডোলের বাজারে সুযোগ বুঝে চম্পট দেয় দুই অভিযুক্ত। তৃতীয়জন অবশ্য নারকোটিক্স সেলের সদস্যদের নাগাল এড়াতে পারেননি। পরে তাঁকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয় থানায়। বছর বাইশের ওই তরুণের নাম ফিলিপ। নাইজেরিয়দের গ্রেফতারের সময় নারকোটিক্স সেলের সদস্যদের আক্রান্ত হওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে হামলাকারী আফ্রিকার নাগরিকদের মানববন্ধন তৈরি করে বাহিনীকে বাধা দিতে দেখা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, দড়ি দিয়েই ব্যারিকেড তৈরি করেছিলেন তাঁরা। বাধা ঠেলে এগোতে গেলে নারকোটিক্স সেলের সদস্যদের সঙ্গে নাইজিরিয়ানদের হাতাহাতি শুরু হয়। তখনই ছিনতাই করে নিয়ে চলে যাওয়া হয় দুজনকে। এর পরেই একজন অভিযুক্তকে নিয়েই সেখান থেকে চলে আসেন নারকোটিক্স সেলের সদস্যরা।

    আরও পড়ুুন: জোশীমঠের ফাটল নিয়ে কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    দিল্লি পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিক বলেন, পুলিশের প্রতিনিধি দলটি অভিযুক্ত তিনজনকে ওই এলাকা থেকে বের করে স্থানীয় থানায় নিয়ে আসার চেষ্টা করছিল। সেই সময়ই পুলিশের পথ আটকে দাঁড়ান অন্তত ১০০ জন আফ্রিকান। এর মধ্যেই তিনজনের মধ্যে দুজন পুলিশের হাত ছাড়িয়ে পালিয়ে যায়। পরে অবশ্য অভিযুক্তদের মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, এরপর ফের এদিন সন্ধে সাড়ে ৬টা নাগাদ রাজু পার্ক এলাকায় যৌথ অভিযান চালায় পুলিশ ও নার্কোটিক্স সেলের সদস্যরা। এই অভিযানে আটক করা হয় চারজনকে। এবার ফের হামলা চালানো হয় পুলিশের ওপর। এই দফায় দেড়শো থেকে দুশো জন আফ্রিকান পুলিশকে ঘিরে ধরে আক্রমণ করে। তবে এবার পুলিশও প্রস্তুত ছিল। কড়া  হাতে নিয়ন্ত্রণ করা হয় পরিস্থিতি। গ্রেফতার করা হয় ধৃত চারজনকেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Shraddha Walkar: ন্যূনতম সময়ের মধ্যে উপযুক্ত শাস্তি পাবে শ্রদ্ধা হত্যাকারী! কী বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    Shraddha Walkar: ন্যূনতম সময়ের মধ্যে উপযুক্ত শাস্তি পাবে শ্রদ্ধা হত্যাকারী! কী বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকার খুনের মামলায় এবার মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “শ্রদ্ধা ওয়ালকার খুনের ঘটনায় অভিযুক্তকে কড়া শাস্তি দেওয়া হবে। দিল্লি পুলিশ ও বিচার ব্যবস্থা সুবিচার নিশ্চিত করবে।” তিনি আরও জানান, “গোটা ঘটনার উপরে আমার নজর রয়েছে। আমি দেশবাসীকে বলতে চাই, যে ব্যক্তিই এই ঘৃণ্য কাজ করুক, আইনের সাহায্যে ন্যূনতম সময়ের মধ্যে তাঁকে শাস্তি দেওয়া হবে। সঠিক বিচার যাতে হয়, তা নিশ্চিত করবে আদালত, দিল্লি পুলিশ ও বিচারব্যবস্থা।”

    দিল্লি ও মুম্বই পুলিশের যৌথ তদন্ত 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, দিল্লি ও মুম্বই পুলিশ মিলিতভাবে শ্রদ্ধা ওয়ালকার খুনের মামলার তদন্ত করছে। দিল্লি ও মুম্বই পুলিশের মধ্যে সমন্বয়ের কোনও অভাব নেই। তিনি বলেন, “শ্রদ্ধা ওয়ালকার খুনের মামলায় সম্প্রতিই যে চিঠিটি এসেছে, তাতে দিল্লি পুলিশের কোনও ভূমিকা নেই। শ্রদ্ধা ওয়ালকার মহারাষ্ট্রের একটি থানায় ওই চিঠিটি জমা দিয়েছিলেন, যেখানে তিনি লিখেছিলেন আফতাব হয়তো তাঁকে টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলবে। সেই সময় কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। ওই বিষয় নিয়েও তদন্ত করা হবে। ওই সময় আমরা সরকারে ছিলাম না…এই ঘটনায় যেই-ই দায়ী হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।” 

    আরও পড়ুন: শ্রদ্ধা খুনে ব্যবহৃত অস্ত্রের সন্ধান মিলল! আফতাবের পলিগ্রাফ টেস্টের পরই তদন্তে নয়া দিক

    দিল্লিতে শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যা নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক সাড়া পড়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যার অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার করেছে তাঁর লিভ ইন পার্টনার আফতাবকে। সূত্রের খবর, গতকাল আফতাব আদালতে স্বীকার করে নিয়েছে শ্রদ্ধা ওয়ালকারকে হত্যার কথা। পাশাপাশি সামনে এসেছে মুম্বাইয়ের ভাসাই থানায় আফতাবের বিরুদ্ধে আগেই অভিযোগ করেছিলেন শ্রদ্ধা। কিন্তু তখন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। আর এই প্রসঙ্গ তুলে মহারাষ্ট্র সরকারকে তোপ দেগেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন অমিত শাহ রীতিমতো কড়া ভাষায় বলেন, ”শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন, তাঁকে টুকরো করে ফেলবেন তাঁর প্রেমিক। তবুও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। এর দায় যাঁর, তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।” 

    শ্রদ্ধার চিঠি

    ২০২০ সালে শ্রদ্ধা তাঁর লিভ-ইন পার্টনার আফতাব পুনাওয়ালার নামে মহারাষ্ট্র পুলিশে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন যে, আফতাব তাঁকে মাঝেমধ্যেই মারধর করে। এমনকী কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলার হুমকিও দেয়। সেইসময় দেশজুড়ে করোনা পরিস্থিতি। তখন দু’জনে মহারাষ্ট্রের ভেসাইয়ে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকতেন। সেই বছরই ২৩ নভেম্বর পুলিশকে এই চিঠিটি লিখেছিলেন শ্রদ্ধা। যার ছত্রে ছত্রে ফুটে উঠেছিল অত্যাচার, মারধরের কথা। উল্লেখ্য, মুম্বই বিজেপির প্রধান আশীষ শেলারও ২০২০ সালে শ্রদ্ধা ওয়ালকার তাঁর লিভ-ইন সঙ্গী আফতাব আমিন পুনাওয়ালার বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্র পুলিশের কাছে চিঠি লিখে যে অভিযোগ জানিয়েছিলেন, তা নিয়ে কেন পদক্ষেপ করা হয়নি, সেই বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন।

  • The Wire Editor: অনলাইন পোর্টাল দ্য ওয়্যারের সম্পাদকদের  বাড়িতে তল্লাশি! বাজেয়াপ্ত নথি

    The Wire Editor: অনলাইন পোর্টাল দ্য ওয়্যারের সম্পাদকদের বাড়িতে তল্লাশি! বাজেয়াপ্ত নথি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্য ওয়্যারের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক (The Wire Editor) সিদ্ধার্থ বরদারাজন ও সম্পাদক এম কে ভেনু, জাহ্নবী সেন এবং সিদ্ধার্থ ভাটিয়ার বাড়িতে তল্লাশি চালাল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)।  বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যর (Amit Malviya) এফআইআরের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালায়। সোমবার পুলিশের তরফে এই তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। পুলিশ সূত্রে খবর,তল্লাশির পর তাঁদের ফোন, ল্যাপটপ এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তবে কাউকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি। 

    প্রসঙ্গত,  গত শনিবার দিল্লি পুলিশ ওই নিউজ পোর্টালের ও তার চারজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে। তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ করেছিলেন মালব্য। কয়েকদিন আগে দ্য ওয়্যারে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদন নিয়ে আপত্তি জানিয়ে এফআইআর দায়ের করেছিলেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। পরে যদিও সেই প্রতিবেদনগুলি প্রত্যাহার করে নেয় ওয়্যার। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যে ফেসবুক তথা মেটা অমিত মালব্যকে কিছু বিশেষ সুবিধা দিয়েছে। এক্স-চেক নামে (X check-list on Meta) একটা প্রোগ্রামের মাধ্যমে অমিত মালব্যকে এমন সুবিধা দেওয়া হয়েছে, যার ফলে অমিত বিজেপির বিরুদ্ধে ৭০০ পোস্ট ফেসবুক থেকে নামিয়ে দিতে পেরেছিলেন। কিন্তু এই অভিযোগ অস্বীকার করে মেটা। অমিত মালব্যও এই তথ্য পুরোপুরি মিথ্যা বলে দাবি করেছিলেন।

    আরও পড়ুন: ‘রাজনীতির ঊর্ধ্বে সমাজসেবা, সবার ওপরে মাতৃত্ব…’, জানুন আরএসএসের মহিলা সংগঠনের আদর্শ

    এ প্রসঙ্গে  সিদ্ধার্থ বরদারাজন বা এম কে ভেনু এখনও কোনও মন্তব্য করেননি। সাংবাদিক বরদারাজন বলেন, আমরা পুলিশকে সহযোগিতা করেছি। তারা ডে ডিভাইস ও পাসওয়ার্ড চেয়েছিল তা তাদের দিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ চারটি ডিভাইস নিয়েছে। এর মধ্যে একটি ম্যাকবুক, দুটি আইফোন ও একটি আইপ্যাড রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Chinese Monk:  বৌদ্ধ সাধুর বেশে চিনা গুপ্তচর! জানেন দিল্লি পুলিশের কাছে কী বললেন ওই মহিলা?

    Chinese Monk: বৌদ্ধ সাধুর বেশে চিনা গুপ্তচর! জানেন দিল্লি পুলিশের কাছে কী বললেন ওই মহিলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর পরনে বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের মতো পোশাক। মাথায় চুল ছোট করে কাটা। দেখে মনে হবে যেন সন্ন্যাসিনী। সাধনাই তাঁর পথ। বোঝার উপায় নেই এই সহজ জীবনযাত্রার আড়ালে গত তিন বছর ধরে তিনি চিনের হয়ে গুপ্তচরের (China Spy)কাজ করছেন। পরিচয় দিচ্ছেন তিনি নেপালি ভিক্ষুক। দিল্লি পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, তিব্বতের রিফিউজিদের মধ্যে বসবাস করছিলেন এক চিনা মহিলা। গত তিন বছর ধরে সন্ন্যাসিনীর বেশ ধরে কাজ করছিলেন তিনি। গত সোমবার তাঁকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। তদন্ত শুরু করতেই জানা যায়, বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর ছদ্মবেশ ধরে ভারতে থাকতেন ওই মহিলা। তাঁর কাছ থেকে বেশ কিছু ভুয়ো পরিচয়পত্রও পাওয়া গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: কেদারনাথ মন্দিরে পুজো করলেন মোদি, শিলান্যাস করলেন রোপওয়ের

    পুলিশ সূত্রে খবর, উত্তর দিল্লির মজনু কা টিলা এলাকায় তিব্বতিদের শরণার্থী শিবির থেকে ওই মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত মহিলার পরিচয়পত্র ঘেঁটে পুলিশ জানতে পেরেছে, তাঁর নাম দোলমা লামা। তিনি প্রথমে নিজেকে নেপালের নাগরিক বলে জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, কাঠমান্ডুতে বাড়ি তাঁর। তবে পুলিশের দাবি, আদতে ওই মহিলার নাম কাই রুয়ো। ‘ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার’ (এফআরআরও) সূত্রে দাবি করা হয়েছে, চিনা পাসপোর্ট নিয়ে ২০১৯ সালে ভারতে এসেছিলেন কাই রুয়ো। তার পর নেপালি সন্ন্যাসিনী পরিচয় নিয়ে উত্তর দিল্লিতে থাকা শুরু করেন ওই মহিলা। ওই চিনা নাগরিককে জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে যে, তিনটি ভাষা জানেন তিনি। ইংরাজি, নেপালি ও ম্যান্ডারিন ভাষায় কথা বলতে ও বুঝতে পারেন ওই মহিলা। 

    আরও পড়ুন: দীপাবলির উপহার! ২২ অক্টোবর ৭৫ হাজার চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগপত্র তুলে দেবেন মোদি

    জেরায়, দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) কাছে তিনি জানান, চিনের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যরা তাঁকে খুন করতে চেয়েছিল। তবে সেই জন্যই তিনি ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন কিনা, তা অবশ্য স্পষ্ট করেননি ওই চিনা মহিলা। ভারতে কি চরবৃত্তির জন্যই এসেছিলেন ওই মহিলা? কেনই বা সাধু সেজে নিজেকে নেপালের বাসিন্দা বলে দাবি করলেন তিনি? ঠিক কী উদ্দেশ্যে? এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখা। তাঁদের দাবি, ভারত বিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত ছিলেন ওই মহিলা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • HC on Shaheen Bagh: শাহিনবাগের নেপথ্যে ছিল পিএফআই-এসডিপিআই! আদালতকে জানাল দিল্লি পুলিশ 

    HC on Shaheen Bagh: শাহিনবাগের নেপথ্যে ছিল পিএফআই-এসডিপিআই! আদালতকে জানাল দিল্লি পুলিশ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংশোধিত নাগরিত্ব আইনের (CAA) প্রতিবাদে শাহিনবাগে (Shaheen Bagh) যে আন্দোলন হয়েছিল তা কোনও স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন ছিল না। ছিল সংগঠিত। নিরপেক্ষ আন্দোলনও ছিল না। তার নেপথ্যে ছিল বৃহস্পতিবার দিল্লি হাইকোর্টকে (Delhi High Court) পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (PFI) ও সোশ্যাল ডেমক্রেটিক পার্টি অফ ইন্ডিয়া (SDPI)। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টকে একথাই জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। পুলিশ এও জানিয়েছে, শাহিনবাগ এবং স্থানীয় লোকজনও ওই আন্দোলন সমর্থন করেননি। পুলিশ এও জানিয়েছে, প্রতিবাদ আন্দোলন সংগঠিত করতে বিভিন্ন এলাকায় লোকজনও পাঠানো হয়েছিল।

    নাগরিকত্ব আইন লাগু হবে এই আশঙ্কায় প্রতিবাদে মুখর হয়ে ওঠে দিল্লির শাহিনবাগ এলাকা। ওই মামলায় নাম জড়ায় দিল্লির জওহরলাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উমর খলিদের। ওই মামলায় আপাতত বন্দি রয়েছেন উমর। তাঁর বিরুদ্ধে ইউএপিএ ধারায় মামলা হয়েছে। উমরের জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করতে গিয়ে পুলিশ আদালতে বেশ কিছু নথিপত্র জমা দিয়েছে। সেই মামলার শুনানি চলাকালীন এদিন হাইকোর্টকে একথা জানায় দিল্লি পুলিশ।

    আরও পড়ুন : সিএএ কবে থেকে লাগু হবে জানেন? কী বললেন অমিত শাহ?

    বিচারপতি সিদ্ধার্থ মৃদুল ও রজনীশ ভাটনগরের বেঞ্চে চলছে ওই মামলার শুনানি। এদিন সেখানেই স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অমিত প্রসাদ বলেন, শাহিনবাগে যা হয়েছিল, তাকে সংগঠিত প্রতিবাদী আন্দোলন হিসেবে দেখানো হয়েছিল। তবে এটা তা ছিল না। এটা এমন পরিস্থিতি ছিল না, যখন আচমকাই লোকজন শাহিনবাগে চলে আসে…এই প্রতিবাদী ক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছিল। পুলিশ এও জানিয়েছে, শাহিনবাগের অন্যতম প্রতিবাদী দাদিও ছিলেন না এর পিছনে। শাহিনবাগের নেপথ্যে ছিলে বিভিন্ন মানুষ এবং সংগঠনের অ্যালায়েন্স। শাহিনবাগের আন্দোলন কোনও নিরপেক্ষ আন্দোলন ছিল না।

    স্পেশাল প্রসিকিউটর এদিন আদালতে চ্যাট মেসেজ দেখান। আন্দোলন চলাকালীন ওই মেসেজ চালাচালি হয়েছিল। এর মধ্যে অভিযুক্তরাও রয়েছে। তারাই খেপিয়েছিল জনতাকে। জড়ো করেছিল লোকজনকে। তাদের সমর্থন জানিয়েছিল। তিনি জানান, শাহিনবাগের আন্দোলনের পিছনে ছিল পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া এবং সোশ্যাল ডেমক্রেটিক পার্টি অফ ইন্ডিয়া। আমি প্রথম দিনই বলেছিলাম, এর পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে। মূল চক্রীরা দৃশ্যমান এবং অদৃশ্যমান দুই ছিল। একটি দৃশ্যমান উপকরণ হল পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২৫ অগাস্ট।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
LinkedIn
Share