Tag: Delhi

Delhi

  • Delhi Election: “‘ইন্ডি’ ব্লকের অন্ধকার দশা চলছে,” বিরোধীদের নিশানা প্রকাশ রেড্ডির

    Delhi Election: “‘ইন্ডি’ ব্লকের অন্ধকার দশা চলছে,” বিরোধীদের নিশানা প্রকাশ রেড্ডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “‘ইন্ডি’ ব্লকের (INDIA Block) অন্ধকার দশা চলছে।” দিল্লি নির্বাচনে (Delhi Election) আপ দুর্গে ধস নামানোর পর মঙ্গলবার এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা প্রকাশ রেড্ডি। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে মুখোমুখি লড়াই হয়েছিল আপ এবং কংগ্রেসের। অথচ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে হারাতে কংগ্রেসের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল ‘ইন্ডি’ জোট। এই জোটে রয়েছে আপও।

    মুখোমুখি লড়াই (Delhi Election)

    সেই আপের সঙ্গে মুখোমুখি লড়াইয়ের জেরে বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে বিজেপি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আপ এবং কংগ্রেস ঐক্যবদ্ধ হলে দিল্লি বিধানসভার অন্তত ১৩টি আসনের ফল অন্যরকম হত। তিনি জানান, জম্মু-কাশ্মীর, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র এবং দিল্লি চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনেই ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করতে ব্যর্থ হয়েছে ‘ইন্ডি’ ব্লক। প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ বলেন, “দিল্লি নির্বাচনের পর রাজনৈতিক মহল বিশ্লেষণ করছে যে ভারতের রাজনীতিতে আর কোনও নির্বাচনের জন্য ইন্ডি জোট থাকবে না। সংসদ নির্বাচনের পর ইন্ডি জোট জম্মু ও কাশ্মীর, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র এবং এখন দিল্লিতে এক সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেনি।” এর পরেই তিনি বলেন, “ইন্ডি জোটের এখন অন্ধকার দশা চলছে (Delhi Election)।”

    বিজেপি নেতার বক্তব্য

    এই বিজেপি নেতা বলেন, “এই ঘটনাগুলোই জোটের অন্দরে যে ফাটল দেখা দিয়েছে, তা প্রমাণ করে। উদাহরণস্বরূপ, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মন্তব্য। তিনি বলেছেন, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গে স্বাধীনভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে, কোনও জোটের সঙ্গে যুক্ত হবে না।” ইন্ডি জোটের অন্দরে এই কোন্দলের জন্য রেড্ডি দায়ী করেছেন কংগ্রেসকে। তাঁর দাবি, “আঞ্চলিক দলগুলি এখন নিজেদের শক্তির ওপর নির্ভর করে নির্বাচনে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, জোটের অংশ হিসেবে নয়। এসবই ইঙ্গিত করে ইন্ডি জোট ভেঙে গিয়েছে। কংগ্রেসের হাল দেখে সব দল একা একা লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, বিশেষ করে আঞ্চলিক দলগুলি।”

    প্রসঙ্গত, দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হওয়ার পর ইন্ডি জোটের দুই সদস্য দল কংগ্রেস এবং আপকে নিশানা করেছিলেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। ইন্ডি জোটের (INDIA Block) প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মহারাষ্ট্রের শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে গোষ্ঠীও (Delhi Election)।

  • Woman Chief Minister: এবার দিল্লিতে ফের মহিলা মুখ্যমন্ত্রী! কে কে রয়েছেন দৌড়ে?

    Woman Chief Minister: এবার দিল্লিতে ফের মহিলা মুখ্যমন্ত্রী! কে কে রয়েছেন দৌড়ে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৭ বছর পরে হয়েছে দিল্লি বিজয়। সেই সময় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী (Woman Chief Minister) ছিলেন প্রয়াত বিজেপি নেত্রী সুষমা স্বরাজ। তার পর দিল্লিতে (Delhi) কায়েম হয় কংগ্রেস ও আপের রাজত্ব। এবার ফের পালাবদল ঘটেছে। দিল্লির রাশ ফের এসেছে পদ্ম-পার্টির হাতে। এবারও কি তাহলে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী পেতে চলেছেন দিল্লিবাসী? চলছে নানা গুঞ্জন।

    মহিলা মুখ্যমন্ত্রী! (Woman Chief Minister)

    এক পক্ষের মতে, আরএসএসের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে এমন কাউকে বেছে নেওয়া হবে মুখ্যমন্ত্রী পদে। তবে বিজেপিরই অন্য এক অংশের মতে, এবার কোনও মহিলার মাথায় উঠতে পারে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রিত্বের তাজ। অসমর্থিত সূত্রের খবর, সামাজিকভাবে প্রতিনিধিত্বশীল পটভূমি থেকে একজনকে উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হতে পারে। দিল্লির এই নয়া মন্ত্রিসভায় মহিলা এবং দলিতদের জোরালো উপস্থিতিও দেখা যেতে পারে।

    মোদি দেশে ফিরলেই ঘোষণা!

    সদ্য সমাপ্ত দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে বিজেপি। ৭০ আসনের বিধানসভায় গেরুয়া পার্টি পেয়েছে ৪৮টি। বাকি ২২টি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি। এবার দিল্লিতে একটি আসনও পায়নি কংগ্রেস। যেহেতু দুই তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় পেয়েছে বিজেপি, তাই সরকার গড়বে পদ্ম পার্টি। তবে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে কাকে বসানো হবে, তা জানা যাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিদেশ সফর সেরে ফিরলে।

    এক প্রবীণ বিজেপি নেতার ইঙ্গিত, বিজেপি যথেষ্ট সতর্কতার সঙ্গে সম্ভাব্য বিকল্পগুলি বিবেচনা করছে। এই বিবেচনা থেকেই বেছে নেওয়া হতে পারে পূর্বাঞ্চলীয় পটভূমির কোনও প্রার্থীকে। শিখ কিংবা কোনও জাঠ নেতাকেও বসানো হতে পারে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে। কোনও মহিলাকেও মনোনীত করা হতে পারে। বিজেপির ওই নেতার কথায়, এটাই হবে সব চেয়ে উপযুক্ত (Woman Chief Minister)।

    মুখ্যমন্ত্রিত্বের দৌড়ে যেসব মহিলা এগিয়ে রয়েছেন, তাঁরা হলেন রেখা গুপ্ত। শালিমার বাগের বিধায়ক তিনি। বিজেপির মহিলা ইউনিটের জাতীয় সহ সভাপতি তিনি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে তিনি হারিয়েছেন সাড়ে ২৯ হাজারেরও বেশি ভোটে। দৌড়ে রয়েছেন গ্রেটার কৈলাশের বিধায়ক শিখা রায়, ওয়াজিপুরের বিধায়ক (Delhi) পুনম শর্মা, নজফগড়ের বিধায়ক নীলম পেহলওয়ান, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি এবং প্রয়াত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুষমা স্বরাজের মেয়ে বাঁশুরি স্বরাজ (Woman Chief Minister)।

  • BJP: আপকে দুরমুশ করে দিল্লি বিজয় হয়েছে, এবার বিজেপির মিশন ‘বাংলা চলো’

    BJP: আপকে দুরমুশ করে দিল্লি বিজয় হয়েছে, এবার বিজেপির মিশন ‘বাংলা চলো’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি বিজয় হয়েছে। এবার বিজেপির (BJP ) পাখির চোখ বাংলা। সদ্য সমাপ্ত দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দুর্গে ধস নামিয়েছে গেরুয়া পার্টি। এবার পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল সরকারকে দুরমুশ করতে চাইছে পদ্ম পার্টি (Bangla Chalo)। ২৭ বছর পরে দিল্লিতে ফের সরকার গড়েছে বিজেপি। তার পর থেকেই বাড়তি অক্সিজেন পেয়েছে বঙ্গ বিজেপি।

    তৃণমূলের মৌরসিপাট্টায়ও থাবা! (BJP)

    পদ্ম পার্টির বদ্ধমূল ধারণা, আপের দুর্গে যখন ধস নামানো গিয়েছে, তখন তৃণমূলের মৌরসিপাট্টায়ও থাবা বসানো অসম্ভব নয়। দিল্লি বিধানসভার ৭০টি আসনের মধ্যে ৪৮টিতে ফুটেছে পদ্ম। বিজেপি সূত্রে খবর, তার পরেই তারা চাইছে পূর্ব ভারতের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে তেরঙ্গা শিবিরে ধস নামানো। দিল্লির মতো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শাসিত বাংলায় প্রবেশ করাও বিজেপির পক্ষে একটি কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে, কেন্দ্রে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশের আশা করেছিল। তবে, সেবার ফল ভালো হয়নি। ২৯৪ আসনের বিধানসভায় বিজেপি মাত্র ৩টি আসনে জয় পেয়েছিল।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্গ ভেদের চেষ্টা!

    ২০১৯ সালে, বিজেপি কেন্দ্রে আরও বড় ব্যবধানে ক্ষমতায় ফিরে আসে। ততক্ষণে তারা উত্তর-পূর্ব ভারতেও যথেষ্ট শক্তিশালী ভিত তৈরি করে ফেলেছিল। ২০১৪ সালের আগে এই এলাকায় বিজেপির প্রায় কোনও প্রভাবই ছিল না। দুবছর পর বিজেপি ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্গ ভেদ করার চেষ্টা করেছিল, যদিও কোনও লাভ হয়নি।

    ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশিত হলে দেখা যায়, বিজেপি ৭৭টি আসনে জিতেছে। তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) জিতেছে ২১৫টি আসনে। এই নির্বাচনে বিজেপির ভোট ও আসন সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। যদিও তা তাদের লক্ষ্যমাত্রা ২০০ আসনের তুলনায় অনেক কম। তবে, দিল্লিতে জয়ী হওয়ার পর, পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতারা এখন মনে করছেন যে বাংলা আর “মিশন ইম্পসিবল” নয় (BJP)।

    ৮ ফেব্রুয়ারি, দিল্লিতে বিজেপির জয় উদযাপনের সময়, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে বলেছিলেন, “জাতীয় রাজধানীর পর এবার বাংলা বিজেপিকে ভোট দেবে এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করবে (Bangla Chalo)।” তিনি বলেন, “দিল্লি কি জিত হামারি হ্যায় … ২০২৬ মে বাংলা কি বারি হ্যায় …” (দিল্লির বিজয় আমাদের … ২০২৬ সালে বাংলার পালা)” (BJP)।

  • Delhi Election: “ইন্ডি জোটের আদৌ প্রয়োজন আছে কি?”, মোক্ষম প্রশ্ন উদ্ধব ঠাকরের

    Delhi Election: “ইন্ডি জোটের আদৌ প্রয়োজন আছে কি?”, মোক্ষম প্রশ্ন উদ্ধব ঠাকরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “‘ইন্ডি’ জোটের (INDIA Bloc) সদস্যরা যদি নিজেদের মধ্যে সংঘাত চালিয়ে যায় এবং বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ না হয়, তাহলে এই জোটের আদৌ কোনও প্রয়োজন আছে কি?” মোক্ষম প্রশ্নটি তুলে দিলেন শিবসেনা (ইউবিটি) সুপ্রিমো উদ্ধব ঠাকরে স্বয়ং।

    দিল্লিতে সংঘাত (Delhi Election)

    দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে (Delhi Election) আলাদা করে লড়াই করেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি এবং রাহুল গান্ধীর কংগ্রেস। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের আগে এই কংগ্রেসের নেতৃত্বেই জোটবদ্ধ হয়েছিল বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম হয়েছিল ‘ইন্ডিয়া’। জন্মলগ্ন থেকেই ‘ইন্ডি’ জোটের অন্দরে ভিন্নমতের স্রোত প্রবল। তার জেরে লোকসভা তো বটেই, তার পরবর্তীকালের বিভিন্ন নির্বাচনেও দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছেন ইন্ডি জোটের বেহাল দশা। নতুন বছরের প্রথম ভোটটি হয় ৫ ফেব্রুয়ারি, দিল্লি বিধানসভার নির্বাচন।

    জয়জয়কার বিজেপির

    এই নির্বাচনে সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ হন আপ এবং কংগ্রেস নেতারা। এতে আদতে সুবিধা হয়ে যায় বিজেপির। ৭০ আসন বিশিষ্ট দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে ৪৮টিতে জেতে পদ্ম-পার্টি। বাকি ২২টি কেন্দ্রের রাশ যায় কেজরিওয়ালের দলের হাতে। কংগ্রেস একটি আসনও পায়নি। অথচ ভোট বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, ‘ইন্ডি’ জোটের (এক্ষেত্রে আপ এবং কংগ্রেস) সদস্যরা যদি একজোট হয় লড়াই করত, তাহলে দিল্লির রাশ এবারও থাকত বিজেপি বিরোধীদের হাতেই (Delhi Election)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বিরোধী ভোট ভাগ হয়ে যাওয়ার সুফল কুড়িয়েছে গেরুয়া শিবির।

    এর পরেই ‘ইন্ডি’ জোটের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে উদ্ধবের দল। শিবসেনা (ইউবিটি)-র মুখপত্র ‘সামনা’র সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছে, “দিল্লি ও মহারাষ্ট্রে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে অনৈক্য ও বিভাজন সরাসরি বিজেপির জয়কে সহজ করে দিয়েছে। দিল্লিতে আপ ও কংগ্রেস একে অপরকে ধ্বংস করতে লড়াই করেছে। ফলে বিজেপির জয় আরও সহজ হয়েছে। যদি এই পরিস্থিতি চলতেই থাকে, তাহলে জোট গঠনের কোনও দরকার নেই। মন খুলে লড়াই করুন… নিজেদের মধ্যেই লড়াই চালিয়ে যান।” আরও লেখা হয়েছে, “যদি এই নির্বাচনের ফল থেকে কেউ কোনও শিক্ষা না নেয়, তাহলে তাদেরই স্বীকার করে নেওয়া উচিত যে তারা স্বৈরাচারী শাসনকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য (INDIA Bloc) দায়ী। এ ধরনের মহান কাজের জন্য গঙ্গায় গিয়ে স্নান করারও আর কোনও দরকার নেই (Delhi Election)।”

  • Delhi Assembly Poll 2025: “দিল্লি দেখাল মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যায় না”, বললেন শাহ

    Delhi Assembly Poll 2025: “দিল্লি দেখাল মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যায় না”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দিল্লিবাসী দেখিয়ে দিয়েছেন বারবার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না।” দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে (Delhi Assembly Poll 2025) বিজেপির জয়ের পর এমনই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “জনসাধারণ নোংরা যমুনা, নোংরা পানীয় জল, ভাঙা রাস্তা, উপচে পড়া নর্দমা, প্রতিটি রাস্তায় খোলা মদের দোকানের বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে জবাব দিয়েছেন।”

    কী বললেন শাহ (Delhi Assembly Poll 2025)

    শাহ বলেন, “দিল্লিতে এই দুর্দান্ত জয়ের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করা দিল্লির বিজেপি কর্মীদের আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।” এক্স হ্যান্ডেলে তিনি বিজেপির জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং রাজ্য সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেবাকেও অভিনন্দন জানিয়েছেন। ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন, “মহিলাদের প্রতি শ্রদ্ধা, অননুমোদিত উপনিবেশের বাসিন্দাদের আত্মসম্মান বা স্ব-কর্মসংস্থানের অপার সম্ভাবনা, মোদীজির নেতৃত্বে দিল্লি এখন একটি আদর্শ রাজধানী হয়ে উঠবে।”

    ‘মোদী কি গ্যারান্টি’

    এর পরেই (Delhi Assembly Poll 2025) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “দিল্লিতে মিথ্যার রাজত্বের অবসান হয়েছে। এই পরাজয় অহংকার ও অরাজকতার। এটি ‘মোদী কি গ্যারান্টি’ এবং মোদীজির উন্নয়নের দৃষ্টিভঙ্গিতে দিল্লিবাসীর বিশ্বাসের জয়। এই বিশাল জনাদেশের জন্য দিল্লির জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। মোদীজির নেতৃত্বে, বিজেপি তার সমস্ত প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে এবং দিল্লিকে বিশ্বের এক নম্বর রাজধানীতে পরিণত করতে বদ্ধপরিকর।” তিনি বলেন, “দিল্লির হৃদয়ে রয়েছেন মোদি। জনগণ মিথ্যা, প্রতারণা এবং দুর্নীতির ‘শিসমহল’ ধ্বংস করে দিল্লিকে আপদামুক্ত করেছেন।” তিনি বলেন, “দিল্লি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারীদের এমন একটি শিক্ষা দিয়েছে যে এটি সারা দেশের জনসাধারণকে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেওয়াদের জন্য একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।”

    প্রসঙ্গত, ৭০ আসনের দিল্লি বিধানসভায় ৪৮টি আসনে জিতেছে বিজেপি। গোহারা হেরেছেন কেজরিওয়াল স্বয়ং। তাঁর দল আম আদমি পার্টি জিতেছে মাত্র ২২টি আসন। খালি হাতে ফিরতে হয়েছে কংগ্রেসকে। অথচ এই দিল্লিতেই দশ বছর আগের নির্বাচনে কেজরিওয়ালের দল জিতেছিল ৬৭টি আসনে। ২০২০ সালে আপ জিতেছিল (Amit Shah) ৬২টি আসনে। এবার সেই দলকেই মুখের মতো জবাব দিলেন দিল্লিবাসী (Delhi Assembly Poll 2025)।

  • Delhi Poll Results: “একা একা লড়ে বিজেপি-আরএসএসকে হারানো যাবে না”, আপকে খোঁচা কংগ্রেসের

    Delhi Poll Results: “একা একা লড়ে বিজেপি-আরএসএসকে হারানো যাবে না”, আপকে খোঁচা কংগ্রেসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূতের মুখে রাম নাম নয়, পড়ুন কংগ্রেসের মুখে বিজেপি-আরএসএসের নাম! আজ্ঞে হ্যাঁ, দিল্লি নির্বাচনের ফল ঘোষণা হতেই জম্মু-কাশ্মীরের কংগ্রেস নেতার মুখে বিজেপি-আরএসএসের নাম! তাঁর সাফ কথা, “যাঁরা বিশ্বাস করেন একা একা লড়েই বিজেপি-আরএসএসকে হারানো যাবে, তাঁরা ভুল করছেন। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের (Delhi Poll Results) ফলই তার প্রমাণ।”

    আপের হার (Delhi Poll Results)

    শনিবার প্রকাশিত হয়েছে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ফল। টানা ১০ বছর ক্ষমতায় থাকার পর কুর্সি হারিয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি। আর ২৭ বছর পরে দিল্লির রাজনীতির রশি হাতে পেয়েছে পদ্ম-পার্টি। তার পরেই আপের হারের কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। এই প্রসঙ্গেই জম্মু-কাশ্মীর প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির মুখ্য মুখপাত্র রবীন্দর শর্মা নিশানা করেছেন ইন্ডি জোটের অন্যতম পার্টি আপকে।

    রবীন্দর শর্মার নিশানায় আপ

    তিনি বলেন, “দিল্লির রায় ১০ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা আপের বিরুদ্ধে, এবং প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হওয়ার কারণে। এই নির্বাচনে একা লড়ে বিজেপিকে পরাজিত করার যে উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং আত্মবিশ্বাস ছিল আপের, তার কারণেও।” তিনি বলেন (Delhi Poll Results), “আপের সুবিধাবাদের রাজনীতি, প্রতারণা এবং অতি উচ্চাকাঙ্ক্ষার রাজনীতি তাদের পরাজয়ের অন্যতম কারণ। আর এই সব কারণই প্রশস্ত করেছে বিজেপির জয়ের পথ।”

    এর পরেই কংগ্রেসের এই নেতা বলেন, “দিল্লি নির্বাচনের ফল সকলের জন্য একটি শিক্ষা, বিশেষ করে যাঁরা বিশ্বাস করেন যে তাঁরা একা লড়াই করতে পারেন বিজেপি-আরএসএস জোটের বিরুদ্ধে। এই একা একা লড়াই করতে যাওয়ার দরুন দুর্বল হয়ে পড়েছে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন জোট।” তিনি বলেন, “দিল্লি নির্বাচনের ফল স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে যে কংগ্রেস ছাড়া বিজেপি-আরএসএস জোটের বিরুদ্ধে কোনও লড়াই সম্ভব নয়। বিশেষ করে যখন তারা ক্ষমতায় থাকে এবং ইডি, সিবিআই, আইটি এবং অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মতো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখে।” দিল্লিতে কংগ্রেস একটি আসনও পায়নি। তাতে অবশ্য খেদ নেই রবীন্দরের। তিনি বলেন, “দিল্লিতে কংগ্রেসের ভোট বেড়েছে। যদিও ফল আমাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি। তবে রাজনীতি এবং নীতিতে ধারাবাহিকতার কারণে ভবিষ্যতে একটি শক্তিশালী শক্তি হিসেবে কংগ্রেসের পুনরুত্থান নিশ্চিত (Delhi Poll Results)।”

  • Delhi Elections 2025: ফেল তোষণের রাজনীতিও, দিল্লিতে মুসলমান মহল্লায়ও ফুটল পদ্ম

    Delhi Elections 2025: ফেল তোষণের রাজনীতিও, দিল্লিতে মুসলমান মহল্লায়ও ফুটল পদ্ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তুষ্টিকরণের রাজনীতিও কাজে দিল না! দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে একটি আসনও জিততে পারল না কংগ্রেস। টানা দশ বছর ক্ষমতায় থাকার পর যখন দিল্লির মসনদে আপ ক্ষমতায় এল, তখন অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ওপর ভরসা করেছিলেন মুসলমানরা। এবার সেই মুসলমানরাই হাত উপুড় করে ভোট দিলেন পদ্ম চিহ্নে (BJP)। যার জেরে মুসলিম অধ্যুষিত একটি আসনে বিপুল ভোটে জিতলেন পদ্ম-প্রার্থী (Delhi Elections 2025)।

    নির্ণায়ক শক্তি মুসলমানরাই (Delhi Elections 2025)

    ৭০ আসনের দিল্লি বিধানসভায় সাতটি আসনে নির্ণায়ক শক্তি মুসলমানরাই। এক সময় এই আসনগুলিতেই জয়ী হত কংগ্রেস। পরে কেন্দ্রগুলির রাশ যায় আপের হাতে। এবার একটি আসনে বিজেপি জিতেছে। বাকি ছটি আসনে জিততে না পারলেও, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে গেরুয়া পার্টি। যার অর্থ, কংগ্রেস নয়, বিজেপির ওপর ভরসা করছেন মুসলমানদের একটা বড় অংশও। ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, দিল্লির মুসলিম জনসংখ্যা ১২ শতাংশের বেশি। চাঁদনি চকে মুসলিম জনসংখ্যা ২৯.৭ শতাংশ, মুস্তফাবাদে এই হার ৩৯.৫ শতাংশ, মাটিয়া মহলে মুসলিম জনসংখ্যা ৬০ শতাংশ, বল্লিমারানে এই হার ৪৯.৮ শতাংশ, বাবরপুরে ৪১.১ শতাংশ, সীলমপুরে ৫৭ শতাংশ এবং ওখলাতে ৫২.৫ শতাংশ।

    ভালো ফল বিজেপির

    গত বিধানসভা নির্বাচনে এই সাতটি কেন্দ্রেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিল আপ (Delhi Elections 2025)। এবার মুস্তফাবাদ বিধানসভা কেন্দ্রে ফুটেছে পদ্ম। এই আসনে গেরুয়া প্রার্থী মোহন সিং বিস্ত জয়ী হয়েছেন ১৭ হাজারেরও বেশি ভোটে। বাকি ছটি আসনে গতবারের তুলনায় এবার ভালো ফল করেছে পদ্ম-পার্টি। চাঁদনি চক, মাটিয়া মহল, বাবরপুর, ওখলা এবং বল্লমারানেগত কেন্দ্রে গত বারের চেয়ে এবার ঢের বেশি ভোট পেয়েছে পদ্ম শিবির। চাঁদনি চকে আপের ব্যবধান ৩০ হাজার থেকে কমে হয়েছে ১৬ হাজার, বাবরপুরেও কেজরির দলের জয়ের ব্যবধান কমে হয়েছে ১৯ হাজার।

    রাজনীতির কারবারিদের একাংশের মতে, মুসলমান ভোটাররা মনে করছেন, ভরসা করার মতো কোনও কাজ কংগ্রেস করেনি। প্রচারে পাশে থাকার বার্তা দিলেও, কংগ্রেসের একাধিক নেতা আশ্রয় নিয়েছেন পদ্ম-আঁকা ছাতার তলায় (Delhi Elections 2025)। এসব কারণেই মুসলমানদেরও একটা অংশ বিজেপির ওপর ভরসা করতে শুরু করেছে। তার জেরেই মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায়ও দাপিয়ে ব্যাটিং করেছে বিজেপি। অভিজ্ঞ মহলের মতে, মোদি সরকারের তিন তালাক প্রথা রদে খুশি হয়েছেন মুসলমান মহিলারা। তারই ছাপ পড়েছে ইভিএমে (BJP)। যার জেরে মুসলিম অধ্যুষিত কেন্দ্রেও ফুটেছে পদ্ম (Delhi Elections 2025)।

  • Delhi Elections 2025: বিদায় আপের! ২৭ বছর পর দিল্লি পদ্মময়! কোন ফর্মুলায় এল জয়?

    Delhi Elections 2025: বিদায় আপের! ২৭ বছর পর দিল্লি পদ্মময়! কোন ফর্মুলায় এল জয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিভিন্ন এক্সিট পোলে দাবি করা হয়েছিল দিল্লিতে আসতে চলেছে বিজেপির সরকার (Delhi Elections 2025)। শনিবার সকাল থেকে চলছে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ফল গণনা। সেই গণনার ট্রেন্ড বলছে দিল্লিতে ডাবল ইঞ্জিন সরকার হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত বিজেপি জয়ী হলে ২৭ বছর পর দিল্লির কুর্সিতে ফের বসবে পদ্ম-পার্টি। দিল্লি বিধানসভার আসন সংখ্যা ৭০টি। এদিন বিকেল তিনটের পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, ৪৮টি আসনে জয়ী এবং এগিয়ে রয়েছে পদ্ম পার্টি। দিল্লিতে সরকার গড়তে হলে প্রয়োজন ৩৬টি আসনের। ফলে, দিল্লিতে গঠিত হচ্ছে বিজেপি সরকার, এটা নিশ্চিত। রাজ্যের শাসক দল আপের ঝুলিতে মাত্র ২৬টি আসন (তিনটের হিসেব) থাকতে পারে। আর কংগ্রেস তো পিকচারেই নেই।

    মোদির নেতৃত্বে দিল্লি দখলের লড়াই (Delhi Elections 2025)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দিল্লি দখলের লড়াইয়ে নামে বিজেপি। প্রচারে মূল বার্তা ছিল তিনটি- আপের কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি অব্যাহত রাখা, ডাবল ইঞ্জিন উন্নয়ন এবং আপের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দিল্লির মধ্যবিত্ত শ্রেণির আস্থাও হারিয়েছিল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল। তাদের দৃঢ় বিশ্বাস হয়েছিল, আপের কল্যাণমূলক রাজনীতি থেকে তাঁরা তো উপকৃত হননি, উল্টে আপ আমলে খারাপ হয়েছে দিল্লির রাস্তাঘাট, কমেছে নাগরিক সুযোগ-সুবিধা। ২০১২ সালে আম আদমি পার্টি গঠন করেন খড়্গপুর আইআইটির প্রাক্তনী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তার পরের বছরই দিল্লির কুর্সিতে বসে কেজরিওয়ালের দল (Delhi Elections 2025)। ২০১৫ সাল থেকে দিল্লির মসনদে টানা ছিল সেই দল। এবার নির্বাচনে সেই কুর্সিই খোয়াতে চলেছে কেজরিওয়ালের দল।

    দিল্লিবাসীর ক্ষোভের আগুন

    নিয়মিত যাঁরা রাজনীতির চর্চা করেন, তাঁদের বক্তব্য আপের বিরুদ্ধে দিল্লিবাসীর ক্ষোভের আগুন পুঞ্জীভূত হয়েছিল তুষের আগুনের মতো ধিকিধিকি করে। জনগণমনের সেই আঁচ পেয়েছিল আপও। তার স্পষ্ট প্রমাণ মেলে তাদের প্রার্থী তালিকায় চোখ বোলালে। শেষ মুহূর্তে প্রার্থী তালিকায় কিছু রদবদল করা হলেও, তা বিশেষ ছাপ ফেলেনি ভোটারদের মনে।

    প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার হাওয়া

    জনতার এই প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার হাওয়াই পালে লেগেছে বিজেপির নাওয়ের। সেই কারণেই গেরুয়া শিবিরের দিল্লি দখল হতে চলেছে নিছকই কেকওয়াক। এক দিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তুঙ্গ জনপ্রিয়তা এবং তাঁর প্রতিশ্রুতি পূরণের দক্ষতা যেমন বিজেপির জয়ের পথ মসৃণ করেছে তেমনি, দেশের অর্থনীতির ভোল বদলে দেওয়াও গভীর ছাপ ফেলেছে দিল্লিবাসীর মনে (Delhi Elections 2025)। তাঁদের বদ্ধমূল ধারণা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কংগ্রেস কিংবা আপ নেতাদের মতো স্বপ্ন ফেরি করে বেড়ান না, ফাঁকা আওয়াজও দেন না। তাঁর গায়ে লেগে নেই দুর্নীতির কালিও। প্রধানমন্ত্রীর এই ‘মিস্টার ক্লিন’ ইমেজও সহায়ক হয়েছে বিজেপি জয়ের পথে ছড়িয়ে থাকা কাঁটা সরাতে।

    মোদিতেই আস্থা

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একাধিক সিদ্ধান্তও বিজেপির প্রতি আস্থা বাড়িয়ে তুলেছে দিল্লিবাসীর। তিনি যে অসাধ্য সাধন করতে পারেন, তা তাঁরা টের পেয়েছেন জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপ করার পর। কংগ্রেস জমানায় প্রায় প্রতিদিন রক্তাক্ত হত ভূস্বর্গ। সেখানেই আজ বিরাজ করছে অনাবিল শান্তি। আক্ষরিক অর্থেই কাশ্মীর আজ ভূস্বর্গ। ৩৭০ ধারা বিলোপের পর কাশ্মীরে বইছে উন্নয়নের জোয়ার। এসবই দিল্লিবাসীর মনে মোদি সম্পর্কে ‘ম্যায় হুঁ না’ টাইপের একটা ধারণা তৈরি করেছে।অযোধ্যায় রাম মন্দির গড়েও দিল্লিবাসীর আস্থা অর্জন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। যুগ যুগ ধরে চলে আসা বিতর্কের অবসান ঘটিয়েছেন তিনি। অযোধ্যার রাম জন্মভূমিতেই প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে রামলালার বিগ্রহের। তার জেরেও প্রধানমন্ত্রীর ওপর দিল্লিবাসীর ভরসা বেড়েছে বই কমেনি। তিন তালাকের প্রথা রদ করাও ফেভারে গিয়েছে মোদির দলের (Delhi Elections 2025)। দিল্লির হাজার হাজার মুসলমান মহিলা দুহাত উপুড় করে ভোট দিয়েছেন পদ্ম পার্টিকে। ইভিএমের সেই ফলও জানান দিচ্ছে বিজেপির পক্ষে দিল্লি খুব বেশি দূরে নয়।

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’

    প্রধানমন্ত্রীর ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ স্লোগানও ভালো ‘খেয়েছেন’ দিল্লির ভোটাররা। মোদির রাজত্বে তরতরিয়ে উন্নতি হচ্ছে অর্থনীতির। এক সময় কোনও কিছুর জন্য নির্ভর করতে হত বিদেশের ওপর। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পে এখন সেটাই তৈরি হচ্ছে ভারতে। ফলে কমেছে বিদেশি-নির্ভরতা। বিজেপির দিল্লি বিজয় অনায়াস হয়েছে এই কারণেও। এর আগে দিল্লিতে বিজেপি ক্ষমতায় ছিল ১৯৯৮ সালে (Delhi Elections 2025)। শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সুষমা স্বরাজ। ডেমোগ্রাফি বদলে এবং তুষ্টিকরণের রাজনীতি করে দিল্লি দখল করে কংগ্রেস। মসনদে বসেন শীলা দীক্ষিত। ২০১৩ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় আসে আপ। দিল্লিবাসী সেই দলকেও ‘ঝাড়ু’ দিয়ে ঝেঁটিয়ে বিদেয় করে দিলেন।

    দিল্লি হল পদ্মময়। ক্ষমতায় আসতে চলেছে ডাবল ইঞ্জিন সরকার। উন্নয়নের রথের চাকার ধুলোয় বিরোধী না খড়কুটোর মতো উড়ে যান (Delhi Elections 2025)!

  • Delhi Election: দিল্লি বিধানসভার কুর্সিতে এবার পদ্ম, বলছে জনমত সমীক্ষা

    Delhi Election: দিল্লি বিধানসভার কুর্সিতে এবার পদ্ম, বলছে জনমত সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক দল আপকে নির্বাসনে পাঠাচ্ছেন দিল্লিবাসী (Delhi Election)! অন্তত একাধিক জনমত সমীক্ষায় (Exit Poll) উঠে এসেছে এমনই তথ্য। ৫ ফেব্রুয়ারি এক দফায় হয়েছে দিল্লির ৭০ আসনে নির্বাচন। নির্বাচনের ফল বের হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। তার আগে বিভিন্ন জনমত সমীক্ষায় প্রকাশ, দিল্লিতে এবার ফুটছে পদ্ম।

    জনমত সমীক্ষার ফল (Delhi Election)

    জেভিসির এক্সিট পোল বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৩৯ থেকে ৪৫টি আসন। আপের ঝুলিতে যেতে পারে ২২ থেকে ৩১টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ০ থেকে ২টি আসন। পি মার্কের জনমত সমীক্ষা বলছে দিল্লিতে বিজেপি পেতে পারে ৩৯ থেকে ৪৯টি আসন। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আপ পেতে পারে ২১ থেকে ৩১টি আসন। কংগ্রেসের অবস্থা শোচনীয়। সোনিয়া-রাহুল গান্ধীর দল পেতে পারে ০ থেকে ১টি আসন।

    দিল্লি পদ্মময়

    পিপলস ইনসাইটের এক্সিট পোলের (Delhi Election) রিপোর্ট অনুযায়ী, বিজেপি পেতে পারে ৪০ থেকে ৪৪টি আসন। আপ পেতে পারে ২৫ থেকে ২৯টি আসন। আর কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ০ থেকে ১টি আসন। পিপলস প্লাসের জনমত সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৫১ থেকে ৬০টি আসন। কেজরিওয়ালের দল পেতে পারে ১০ থেকে ১৯টি আসন।

    চাণক্যস স্ট্র্যাটেজি বলছে, পদ্ম পার্টির ঝুলিতে যেতে পারে ৩৯ থেকে ৪৪টি আসন। আপ পেতে পারে ২৫ থেকে ২৮টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ২ থেকে ৩টি আসন। ম্যাট্রিজের জনমত সমীক্ষা বলছে, দিল্লিতে বিজেপি পেতে পারে ৩৫ থেকে ৪০টি আসন। আপের ঝুলিতে যেতে পারে ৩২ থেকে ৩৭টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে মাত্র ১টি আসন।

    জনমত সমীক্ষার ইঙ্গিত বাস্তবায়িত হলে এবার দিল্লি হবে পদ্মময়। অবসান হবে আপ জমানার। তবে সাতটি জনমত সমীক্ষার ফল বলছে, খাস দিল্লিতেই কংগ্রেসের অবস্থা করুণ। তারা বড়জোর পাবে ১ থেকে ৩টি আসন। উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এদিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিল্লিতে (Exit Poll) ভোট পড়েছে ৫৭.৭০ শতাংশ (Delhi Election)।

  • Delhi Assembly Election 2025: ৭০ আসনে ভোট শুরু দিল্লিতে, ভোটারদের বিশেষ আর্জি প্রধানমন্ত্রীর

    Delhi Assembly Election 2025: ৭০ আসনে ভোট শুরু দিল্লিতে, ভোটারদের বিশেষ আর্জি প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হল দিল্লির ভোটগ্রহণ পর্ব (Delhi Assembly Election 2025)। বুধবার সকাল ৭টা থেকেই বুথে-বুথে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। ৭০টি বিধানসভা আসনে ৬৯৯ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ আজ। রাজধানীর ক্ষমতার রাশ কার হাতে থাকবে আজ তা ঠিক করছেন দিল্লিবাসী। ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই বুধ সকালে দিল্লিবাসীর উদ্দেশে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স হ্যান্ডেলে সকলকে গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হওয়ার বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেছেন, ‘আগে ভোট দান, তারপর বিশ্রাম।’

    প্রধানমন্ত্রী মোদির বার্তা

    হাইভোল্টেজ প্রচার শেষে নির্ধারিত সময়ে ভোট শুরু হয়েছে রাজধানীতে। সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৮ শতাংশ। দিল্লির (Delhi Assembly Election 2025) মোট ১৪ হাজার বুথে চলছে ভোটগ্রহণ। মোট ৭০ টি আসনের ভাগ্য নির্ধারণ হতে চলেছে। ফলাফল জানা যাবে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি। নির্বাচনকে ঘিরে সরগরম দিল্লির রাজনীতি। আক্রমণ, বিরোধীদের পাল্টা আক্রমণ সবমিলিয়ে জমে উঠেছে দিল্লির লড়াই। এদিন ভোটদান প্রক্রিয়া শুরুর ঠিক আগে দিল্লির ভোটারদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) লেখেন, ‘‘আজ দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের সব আসনে ভোটগ্রহণ হবে। আমি দিল্লির ভোটারদের পূর্ণ উদ্যম নিয়ে গণতন্ত্রের এই উৎসবে সামিল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি । তাঁরা যেন নিজেদের মূল্যবান ভোট দেন। প্রথমবার ভোটে দিতে যাওয়া যুব প্রজন্মের সকলকে বিশেষভাবে অভিনন্দন জানাচ্ছি। একটা জিনিস মনে রাখতে হবে, প্রথমে ভোটদান, তারপর বিশ্রাম।’’

    প্রতিশ্রুতির বন্যা

    ভোট গ্রহণ (Delhi Assembly Election 2025) শুরু হতেই আপ-এর বিদায়ী বিধায়ক ও ওখলার প্রার্থী আমানাতুল্লাহ খানের বিরুদ্ধে আদর্শ আচরণ বিধি ভাঙার অভিযোগ ওঠে। অন্য দিকে, আপ-এর অন্য এক বিদায়ী বিধায়ক দীনেশ মোহানিয়ার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয় সঙ্গম বিহার থানায়। এক মহিলা তাঁর বিরুদ্ধে অশালীন আচরণের অভিযোগ তোলেন। এবারের ভোটে কংগ্রেস, বিজেপি, আপ— সকলেই নিজেদের ইস্তেহারে ঢালাও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আম আদমি পার্টি ঘোষণা করেছে, তাদের সরকার জিতে হ্যাটট্রিক করলে প্রতি মাসে মহিলাদের ২ হাজার ১০০ টাকা করে দেওয়া হবে। পড়ুয়াদের নিখরচায় বাস যাত্রা এবং মেট্রোর ভাড়ায় ছাড় দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, পুরোহিত ও গ্রন্থীদের মাসে ১৮ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথাও বলেছে আপ। বিজেপির প্রতিশ্রুতি, কোনও চালু সরকারি প্রকল্প বন্ধ হবে না। মহিলাদের মাসে আড়াই হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। গরিবদের জন্য ৫০০ টাকায় রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার, হোলি ও দিওয়ালিতে বিনামূল্যে রান্নার গ্যাস দেওয়া হবে। কংগ্রেস আবার যুবদের চাকরি ছাড়াও, মহিলা ও বয়স্কদের জন্য নানা ঘোষণা করেছে।

LinkedIn
Share