Tag: Delhi

Delhi

  • Delhi Bureaucrats Transfer: দিল্লিতে বিরাট প্রশাসনিক রদবদল, নেপথ্যে কারণ দুর্নীতি? 

    Delhi Bureaucrats Transfer: দিল্লিতে বিরাট প্রশাসনিক রদবদল, নেপথ্যে কারণ দুর্নীতি? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার (Manish Sisodia) বাড়িতে সিবিআই হানার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় প্রশাসনিক রদবদল (Bureaucratic Reshuffle) হল দিল্লিতে (Delhi)। ১২ জন সরকারি আধিকারিককে বদলির নির্দেশ দিলেন লেফটেল্যান্ট গভর্নর (L-G Delhi)। দিল্লি সরকারের জারি করা বদলির নির্দেশিকা অনুযায়ী, যাঁদের বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁদের মধ্যে রয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণের বিশেষ সচিব, অরুণাচল প্রদেশ-গোয়া-মিজোরাম এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ক্যাডারের ২০০৭ ব্যাচের আইএএস অফিসার, উদিত প্রকাশ রাই (Udit Prakash Rai)।  

    আরও পড়ুন: দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে সিবিআই হানা! স্বাগত ট্যুইট মণীশ, কেজরির

    দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিনাই কুমার সাক্সেনা সম্প্রতি উদিত প্রকাশ রাই- এর বিরুদ্ধে দুটি দুর্নীতি মামলায় ৫০ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ জানিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, উদিত প্রকাশ রাইকে প্রশাসনিক সংস্কার বিভাগে বিশেষ সচিব পদে বদলি করা হয়েছে। এই মুহূর্তে দিল্লির স্বাস্থ্য দফতরের দায়িত্বে সামলাচ্ছেন মণীশ সিসোদিয়া। উদিত প্রকাশ রাইয়ের জায়গায় আসতে চলেছেন ২০০৭ ব্যাচের আইএএস বিজেন্দ্র সিং রাওয়াত। 

    নির্দেশ অনুসারে, ১৯৯০ ব্যাচের অফিসার জিতেন্দ্র নারায়ণকে দিল্লি ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (ডিএফসি) এর চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক করা হয়েছে এবং দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লির জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হেমন্ত কুমারকে ডিএফসি-এর নির্বাহী পরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ফের মুম্বইয়ে জঙ্গি-নাশকতার ছক! মিলল অস্ত্রবোঝাই নৌকা, কী বলছেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী

    বিবেক পাণ্ডেকে সচিব (আইটি) হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছে এবং জিওস্পেশিয়াল দিল্লি লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং কেন্দ্রশাসিত সিভিল সার্ভিসের ডিরেক্টরের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর আগে তিনি প্রশাসনিক (সংস্কার) সচিব পদে ছিলেন। ২০০৪ ব্যাচের আইএএস শুরবীর সিংকে সমন্বয় সচিবের এর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে বিদ্যুৎ সচিবের এর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং তিনি দিল্লি সাবোর্ডিনেট সার্ভিস সিলেকশন বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে বহাল থাকবেন। 

    অফিসার গরিমা গুপ্তকে পরিবহণের বিশেষ সচিব পদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও তিনি শাহজাহানাবাদ পুনঃউন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু উন্নয়নের সচিব পদে বহাল থাকবেন বলে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে। 

    ২০০৫ ব্যাচের অফিসার আশিস মাধোরাও মোরেকে সচিব (পরিষেবা)-এর অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিনি সাধারণ প্রশাসনিক দফতর এবং মুখ্য সচিবের স্টাফ অফিসার হিসাবে তাঁর আগের দায়িত্বে বহাল থাকবেন। নারী ও শিশু উন্নয়ন অধিদফতরের পরিচালক কৃষ্ণ কুমারকে ১ সেপ্টেম্বর থেকে রেজিস্ট্রার সমবায় সমিতির অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। 

    ২০১০ ব্যাচের আধিকারিক কল্যাণ সাহাই মীনাকে নগর উন্নয়নের বিশেষ সচিব হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। নারী ও শিশু উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক কৃষ্ণ কুমারকে ১ সেপ্টেম্বর থেকে রেজিস্ট্রার সমবায় সমিতির অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    ২০১০ ব্যাচের অফিসার কল্যাণ সহায় মীনাকে নগরোন্নয়নের বিশেষ সচিব হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। এর আগে তিনি প্রশাসনিক সংস্কারের বিশেষ সচিব পদের দায়িত্বে ছিলেন। ২০১২ ব্যাচের অফিসার সোনাল স্বরূপকে লেফটেন্যান্ট গভর্নরের বিশেষ সচিব হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। এর আগে তিনি দিল্লি মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশনে অতিরিক্ত কমিশনারের পদে ছিলেন।  

  • Bypolls: দেশের পাঁচটি রাজ্যে উপনির্বাচন শান্তিপূর্ণ, বিক্ষিপ্ত অশান্তি কয়েকটি জায়গায়

    Bypolls: দেশের পাঁচটি রাজ্যে উপনির্বাচন শান্তিপূর্ণ, বিক্ষিপ্ত অশান্তি কয়েকটি জায়গায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের পাঁচটি রাজ্যে (5 States) ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের (Union Territory) তিনটি লোকসভা এবং সাতটি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার। এর মধ্যে রয়েছে পূর্ব ভারতের ত্রিপুরার (Tripura) চারটি বিধানসভা আসন।

    ত্রিপুরার চারটি বিধানসভা আসনে শাসকদল বিজেপির বিরুদ্ধে পৃথকভাবে লড়ছে তৃণমূল, বাম এবং কংগ্রেস। উল্লেখ্যযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন ত্রিপুরার ((Tripura By Elections 2022) নতুন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা (Manik Saha)। চিকিৎসকের পেশা ছেড়ে রাজনীতিতে নামা মানিক সাহাকে গত মে মাসে বিপ্লব দেবের উত্তরসূরি মনোনীত করে বিজেপি (BJP)। উপনির্বাচনে টাউন বড়দোয়ালী আসনে লড়ছেন তিনি। ২০১৮ সালে বিজেপির আশিস সাহা ওই আসনে জিতেছিলেন। এবার তিনি ইস্তফা দিয়ে কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে মানিকের প্রতিদ্বন্দ্বী।

    আরও পড়ুন: সাধারণ অটোচালক থেকে মহারাষ্ট্র রাজনীতির মধ্যমণি, কে এই একনাথ শিন্ডে?

    সংঘাতের আশঙ্কায় কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে ত্রিপুরার বিভিন্ন কেন্দ্রে। এদিন ভোট নেওয়া হচ্ছে আগরতলা, সুরমা, বড়দোয়ালি এবং যুবরাজনগর কেন্দ্রে। এই চারটি আসনেই লড়াই করছে তৃণমূল। ত্রিপুরায় করা হয়েছে মোট ২২১টি পোলিং স্টেশন। এর মধ্যে ৭৩টিকে উত্তেজনাপ্রবণ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিটি বুথে আছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। মোটের উপর নির্বাচন হয়েছে শান্তিপূর্ণ। তবে কয়েকটি জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির অভিযোগ উঠেছে। ভোট গণনা হবে রবিবার, ২৬ জুন।

    আরও পড়ুন: গুজরাট ছেড়ে একনাথ শিন্ডেরা রয়েছেন আসামে, কেন জানেন?

    ত্রিপুরা ছাড়াও ভগবন্ত মান পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় সঙ্গরুরের সাংসদ পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন তিনি।  সেখানেও আজ উপনির্বাচন চলছে। অন্য দিকে, উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা ভোটে জেতার পর সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব ও আজম খান আজমগড় এবং রামপুরের সাংসদ পদ ছাড়েন। ফলে ওই দুই কেন্দ্রেও উপনির্বাচন হচ্ছে। আম আদমি পার্টির বিধায়ক রাঘব চাড্ডা রাজ্যসভা ভোটে জেতার ফলে দিল্লির রাজেন্দ্র নগরের আসনটি ফাঁকা হয়ে গিয়ছে। সেখানেও উপনির্বাচন হচ্ছে।  অন্যদিকে ঝাড়খণ্ডে মন্ডার আসনের জেভিএম বিধায়ক বান্ধু তিরকে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন মামলায় দোষী ঘোষিত হওয়ায় বিধায়ক পদ হারিয়েছেন। অন্ধ্রপ্রদেশের একটি আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে বিধায়কের মৃত্যুর কারণে।  

  • Covid-19 Tips: ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনা-গ্রাফ, বাড়ছে উদ্বেগও, কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    Covid-19 Tips: ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনা-গ্রাফ, বাড়ছে উদ্বেগও, কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা (Coronavirus)। প্রতিদিন দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দৈনিক সংক্রমণ। অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে, হয়ত চতুর্থ ঢেউ এবার আছড়ে পড়ল বলে! কোভিড ঘিরে আবারও উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। 

    এই পরিস্থিতিতে কিছুটা হলেও আশার বাণী শুনিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের আশ্বাস, করোনার ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফ ঘিরে চিন্তার কোনও কারণ নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও, আক্রান্তরা যে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ছেন, এমনটা কিছুই হয়নি। কারণ করোনা হয়ে হাসপাতালে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যাও কম, এমনটাই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও, একইসঙ্গে করোনার থেকে বাঁচতে কোভিড নিয়মগুলি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞের কথায় কিছুটা হলেও স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পেরেছে সাধারণ মানুষ। 

    আরও পড়ুন: করোনায় একদিনে আক্রান্ত ১৩ হাজারেরও বেশি, স্বস্তি দিচ্ছে সুস্থতার হার

    সোমবার দিল্লিতে একদিনে কোভিডে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১০৬০, আর মৃত্যু হয় ৬ জনের। শুক্রবারে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৭৯৭ যা বিগত চার মাসের মধ্যে  সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল।

    চিকিৎসকদের মতে, গত সপ্তাহে সংক্রমণ বাড়লেও এতে ভয়ের কোনও কারণ নেই। কারণ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা কম এবং ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর সমস্যাও কম দেখা গিয়েছে। শুধুমাত্র বয়স্ক অথবা যাঁদের ইমিউনিটি কম বা যাঁদের আগের থেকে অসুখ রয়েছে তাঁরাই একমাত্র ভর্তি হচ্ছেন হাসপাতালে।

    বিশেষজ্ঞদের অভিমত, সাধারণ মানুষকে এই ভাইরাস নিয়েই বেঁচে থাকতে হবে এবং এর পাশাপাশি কোভিডবিধি পালন করতে হবে। যেমন— মাস্ক ব্যবহার, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, সঠিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। যাঁদের শরীরে কোভিডের কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে তাঁদের আগে থেকে আইসোলেশনে (Isolation) চলে যাওয়া উচিত বলেও পরামর্শ চিকিৎসকদের।

    আরও পড়ুন: কোভিডের ডেল্টা, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের উপর কার্যকর কোভ্যাক্সিন বুস্টার ডোজ!

    অসতর্কতা বা সচেতনতার অভাবেই গ্রাফের এই উত্থান বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। কোভিড পুরোপুরিভাবে না যাওয়ার আগেই সাধারণ মানুষ ভ্যাকেশনে (Vacation) চলে যাচ্ছেন এবং সেখানে গিয়েও কোনওপ্রকার কোভিড নিয়ম মেনে চলছেন না। তাঁদের মতে, মাস্ক ব্যবহারে অনীহা এবং সামাজিক দূরত্ব (Social Distancing) বজায় না রাখার সঙ্গে সঠিক স্বাস্থ্যবিধি (Health Guidelines) ঠিকঠাক করে না মেনে চলার জন্যই করোনার গ্রাফের এই ঊর্ধ্বগতি।

    ফলে করোনা নিয়ে চিন্তা না থাকলেও প্রতিটি মানুষকেই সতর্ক হয়ে যেতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মাস্কের (Mask) ব্যবহার মাস্ট এবং এতেই হবে সমস্যা দূর। এছাড়া শারীরিক দূরত্ববিধিও মেনে চলা থেকে শুরু করে নিয়মিত হাত ধোওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা।

  • S Jaishankar: রাশিয়া থেকে গ্যাস কেনা কি যুদ্ধে মদত নয়? পশ্চিমকে তোপ ভারতের

    S Jaishankar: রাশিয়া থেকে গ্যাস কেনা কি যুদ্ধে মদত নয়? পশ্চিমকে তোপ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেনে (Ukraine) আগ্রাসনে অভিযুক্ত রাশিয়া (Russia)। সেই রাশিয়ার সঙ্গে সুসস্পর্ক বজায় রেখে চলেছে ভারত (India)। তা নিয়ে বিভিন্ন সময় ভারতের সমালোচনা করেছে ইউরোপের দেশগুলি। এবার সেই সমালোচনারই জবাব দিল ভারত। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) শুক্রবার ইউরোপের তীব্র নিন্দা করেছেন। ইরান এবং ভেনেজুয়েলার তেল কেনার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না করার সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেছেন জয়শঙ্কর।     

    আরও পড়ুন :রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা নিয়ে পশ্চিমি দেশগুলিকে জবাব পীযূষ গোয়েলের

    চারদিনের স্লোভাকিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্র সফরে গিয়েছেন জয়শঙ্কর। সেখানেই তিনি বক্তৃতা দেন “গ্লোবসেক ২০২২ ব্রাতিস্লাভা” ফোরামে। এই ফোরামেই ইউরোপকে নিশানা করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, আজ ইউরোপ রাশিয়া থেকে তেল, গ্যাস কিনছে। নিষেধাজ্ঞার নয়া প্যাকেজ এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেখানে তার দেশীয় জনগণের কল্যাণকে বিবেচনা করা হয়েছে। সাধারণ মানুষকে বুঝতে হবে, আপনি যদি নিজের প্রতি বিবেচনাশীল হতে পারেন তবে অবশ্যই আপনি অন্যদের প্রতি বিবেচ্য হতে পারেন। 

    রাশিয়া থেকে অপরিশোধিতা জ্বালানি কেনা নিয়ে ক্রমাগত ভারতের সমালোচনা করে আসছে পাশ্চাত্য দেশগুলি। এমনকি, সম্প্রতি এমনও বলা হয়েছে যে, রাশিয়া থেকে তেল কিনে আদতে ভারত যুদ্ধে আর্থিক মদত দিচ্ছে। এপ্রসঙ্গে, কড়া জবাব দেন জয়শঙ্কর। বিদেশমন্ত্রী বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝেই রাশিয়া থেকে ইউরোপ যেখানে গ্যাস আমদানি চালু রেখেছে। শুধু ভারতের বেলায় কেন প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।

    জয়শঙ্করের প্রশ্ন, ভারত যদি রাশিয়ার তেল আমদানির মাধ্যমে যুদ্ধে আর্থিক মদত করে থাকে, তাহলে রাশিয়া থেকে ইউরোপের গ্যাস আমদানি কেন যুদ্ধে আর্থিক মদত হিসেবে দেখা হবে না? জয়শঙ্কর বলেন, ‘অর্থের বিনিময়ে ভারতে রাশিয়ার তেল এলে তা যুদ্ধে আর্থিক মদত, আর ইউরোপে গ্যাস এলে তা যুদ্ধে মদত নয়? একটু নিরপেক্ষতা তো বজায় রাখবেন। অন্যদেরও তো স্বাধীনতা থাকা উচিত।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভারতের ভারসাম্যের নীতির প্রশংসায় মোহন ভাগবত

    ভারতকে কেন গম রফতানি নিষিদ্ধ করতে হয়েছিল, এদিন সে প্রশ্নেরও জবাব দেন বিদেশমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি বলেন, গম ক্রয়কারী দেশের সরকারের অনুরোধের ভিত্তিতে কেন্দ্রের অনুমোদনের পরেই রফতানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। ভারতের বিদেশ মন্ত্রী বলেন, নয়াদিল্লি চেয়েছিল দরিদ্র দেশগুলি গম সংগ্রহ করুক। বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ইয়েমেন, সুদান এবং উপসাগরীয় দেশগুলির মতো দেশগুলি, ভারতীয় গমের ঐতিহ্যবাহী ক্রেতা বলেও জানান তিনি। প্রসঙ্গত, গম রফতানি বন্ধ করে দেওয়ায় ভারতের সমালোচনা করেছিল ইউরোপের বিভিন্ন দেশ। তখন ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছিল চিন। তারা জানিয়েছিল, ভারতের জনগণের স্বার্থে তারা গম রফতানি বন্ধ করতে পারে।

  • Air pollution: বায়ুদূষণের ফলে ভারতীয়দের আয়ু কমবে ৫ বছর! দাবি গবেষণায়

    Air pollution: বায়ুদূষণের ফলে ভারতীয়দের আয়ু কমবে ৫ বছর! দাবি গবেষণায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বায়ুদূষণের জেরে দেশবাসীর প্রত্যাশিত আয়ু কমতে পারে প্রায় পাঁচ বছর। এমনই দাবি শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন এনার্জি পলিসি ইনস্টিটিউটের (Energy Policy Institute at the University of Chicago)এয়ার কোয়ালিটি লাইফ ইনডেক্সের (একিউএলআই) নবতম রিপোর্টে এই কথা বলা হয়েছে। এই রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশের সবচেয়ে দূষিত শহর দিল্লি। দূষণের জেরে সেখানে আয়ু কমতে পারে ১০.১ বছর। অন্য দিকে,বিশ্বে বায়ুদূষণের জেরে ৯৭.৩ শতাংশ নাগরিকের জীবনই ঝুঁকির মুখে।

    ২০২০ সালে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে প্রাপ্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে ওই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ৬৩ শতাংশ ভারতীয় দেশের এমন অঞ্চলে বাস করেন, যেখানে বায়ুদূষণ জাতীয় মানের (প্রতি ঘনমিটারে ৪০ মাইক্রোগ্রাম)উপরে। তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বায়ুদূষিত দেশগুলির তালিকায় বাংলাদেশের (৭৫.৮ মাইক্রোগ্রাম/ঘনমিটার, নাগরিকদের আয়ু কমতে পারে ৬.৯ বছর) পরেই রয়েছে ভারত। দেশে বায়ুদূষণের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ রয়েছে সপ্তম স্থানে। এ রাজ্যে দূষণের পরিমাণ ৬৫.৪ মাইক্রোগ্রাম/ঘনমিটার। তার ফলে রাজ্যবাসীর আয়ু কমতে পারে ৫.৯ বছর।

    আরও পড়ুন: ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস, জেনে নিন এই দিনের তাৎপর্য

    শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই রিপোর্ট বলছে, বিশ্বে বায়ুদূষণের জেরে মানুষের আয়ু কমতে পারে ২.২ বছর। অন্য দিকে ধূমপানে ১.৯ বছর, মদ্যপানে আট মাস, অসুরক্ষিত জলের মাধ্যমে সাত মাস, এইচআইভি ৪ মাস, ম্যালেরিয়া ৩ মাস এবং সন্ত্রাসের জেরে আয়ু কমতে পারে ৯ দিন। এই গবেষণা অনুযায়ী, ২০১৩ সাল থেকে পৃথিবীতে দূষণবৃদ্ধির হারের ৪৪ শতাংশের জন্য দায়ী ভারত। ২০১৩ সালে যেখানে প্রতি ঘনমিটারে ৫৩ মাইক্রোগ্রাম দূষণ ছিল, সেটাই বর্তমানে বেড়ে হয়েছে প্রতি ঘনমিটারে ৫৫.৭ মাইক্রোগ্রাম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র বেঁধে দেওয়া সীমার (প্রতি ঘনমিটারে ৫ মাইক্রোগ্রাম) চেয়ে যা ১১ গুণ বেশি! গত বছর দূষণ বিধির ক্ষেত্রে পরিবর্তন করেছিল হু। আগে বছরে প্রতি ঘনমিটারে ১০ মাইক্রোগ্রাম দূষণ সহনশীল হিসাবে বিবেচিত হত। তা কমিয়ে করা হয়েছে প্রতি ঘনমিটারে ৫ মাইক্রোগ্রাম। দূষণবৃদ্ধির কারণ হিসাবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, কলকারখানা বৃদ্ধি, গাছ কেটে শহরাঞ্চলের প্রসারকে দায়ী করা হয়েছে। প্রতিবছরই শীতকালে প্রায় ধোঁয়াশায় ঢেকে যায় রাজধানী দিল্লি। এ বিষয়ে বারবার সতর্ক হওয়ার কথা বলেছেন পরিবেশবিদরা।

  • BJP to Rahul Gandhi: কংগ্রেসে কি গণতন্ত্র রয়েছে? পরিবারতন্ত্রই সম্বল, রাহুলকে তোপ বিজেপির

    BJP to Rahul Gandhi: কংগ্রেসে কি গণতন্ত্র রয়েছে? পরিবারতন্ত্রই সম্বল, রাহুলকে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজেকে বাঁচাতে কেন্দ্রীয় সংস্থা-প্রতিষ্ঠানগুলিকে অপমান করা বন্ধ করুন, রাহুল গান্ধীর উদ্দেশে কড়া বার্তা বিজেপির। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী শুক্রবার বিজেপির আমলে দেশে গণতন্ত্র নষ্ট হওয়ার অভিযোগ তোলেন। তারই প্রেক্ষিতে বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবি শঙ্কর প্রসাদ বলেন, রাহুল গান্ধী গণতন্ত্রের কথা বলছেন কিন্তু দেশে পরিবারতন্ত্র চালায় কংগ্রেস। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী একদা দেশে ‘ইমার্জেন্সি’ ঘোষণা করে গণতন্ত্রের পরিবেশ নষ্ট করেছিলেন বলে দাবি করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

    শুক্রবার সংসদ ভবনের বাইরে রাহুল গান্ধী-সহ একাধিক কংগ্রেস সাংসদকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্ব এবং খাদ্যপণ্যের উপর জিএসটি বসানোর প্রতিবাদে রাজধানীতে তুমুল বিক্ষোভ আন্দোলনের  ডাক দিয়েছে কংগ্রেস। সাংসদদের একটি মিছিল নিয়ে সংসদ থেকে রাষ্ট্রপতি ভবনের দিকে যাচ্ছিলেন রাহুল। বিজয় চক পৌঁছনোর আগেই তাঁকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। এ দিন সংসদ ভবন চত্বরে সনিয়া গান্ধীকেও বিক্ষোভ দেখাতে দেখা যায়। শুক্রবার পার্লামেন্টের ভেতরে ও বাইরে কংগ্রেস সংসদ সদস্যরা বিক্ষোভ করতে থাকে। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিক্ষোভের কারণে দিল্লির কয়েকটি সড়কে যান চলাচল বাধা পায়। তাই রাজপথে শান্তি বজায় রাখতে আটক করতে হয় রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, শশী তারুর-সহ কংগ্রেস নেতাদের। 

    আরও পড়ুন: মুম্বইয়ে উদ্ধার ৭০০ কেজি নিষিদ্ধ মাদক, গ্রেফতার স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ যুবক সহ ৫

    এদিন রাহুল গান্ধী বিজেপি সরকারকে আক্রমণ করে বলেন, “আমরা গণতন্ত্রের মৃত্যু দেখছি। সাত দশক ধরে আমরা এক একটা ইট জুড়ে গণতন্ত্র তৈরি করেছিলাম, তা পাঁচ বছরেই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। আমাদের চোখের সামনে গণতন্ত্রকে ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। যারাই একনায়কতন্ত্রের চিন্তাধারার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াচ্ছে, তাদের উপরই নৃশংসভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে, গ্রেফতার করা হচ্ছে, জেলে ভরা হচ্ছে এবং মারধর করা হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় কাশ্মীরে হত পরিযায়ী শ্রমিক, জখম ২

    রাহুল গান্ধীর এই আক্রমণের পাল্টা জবাব দেয় বিজেপিও। বিজেপি নেতা গৌরব ভাটিয়া বলেন, “২০১৫ সালে ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলা জামিন পেয়েছিলেন সনিয়া ও রাহুল গান্ধী। এই মামলা বহু পুরনো, তখন ওনারা অভিযোগ করেননি যে ইডিকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। নিজেরা ধরা পড়ে গিয়েছেন, এই বিষয় থেকে সাধারণের নজর ঘোরাতেই এইসব প্রচেষ্টা করছে কংগ্রেস।”

  • UNSC Meet in India: দিল্লিতে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক, কবে জানেন?

    UNSC Meet in India: দিল্লিতে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক, কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা বিশ্বেই শিরঃপীড়ার কারণ হয়ে উঠেছে সন্ত্রাসবাদ (Terrorism)। এহেন আবহে চলতি বছরের অক্টোবরে ভারতে (India) অনুষ্ঠিত হতে চলেছে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক (UNSC Meet)। এই বিশেষ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে দিল্লিতে (Delhi)। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে আয়োজনের যাবতীয় প্রস্তুতি।

    পনের সদস্য দেশ নিয়ে গঠিত রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। বিশ্বের পাঁচ শক্তিশালী দেশ চিন, ফ্রান্স, রাশিয়া, আমেরিকা এবং ব্রিটেন এই সংঘের স্থায়ী সদস্য। এই স্থায়ী সদস্যরা নিরাপত্তা পরিষদের রেজ্যুলেশন, নতুন দেশের অন্তর্ভুক্তি বা মহাসচিব প্রার্থীর নিয়োগে ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। এই নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান সদস্য দেশগুলি হল ব্রাজিল, আলবানিয়া, ঘানা, কলম্বো, আয়ারল্যান্ড, কেনিয়া, মেক্সিকো এবং নরওয়ে। আয়োজক দেশ ভারতও নিরাপত্তা পরিষদের অন্যতম সদস্য।

    আরও পড়ুন : তাইওয়ানের চারপাশে ১১টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল চিন, কেন জানেন?

    নিরাপত্তা পরিষদের সন্ত্রাসদমন শাখার ওয়েবসাইটে এই বৈঠকের খবর দিতে গিয়ে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবাদ একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সন্ত্রাসবাদের কম বেশি শিকার বিশ্বের সব দেশই। নিরাপত্তা পরিষদ মনে করছে, বিশ্বে সন্ত্রাসবাদ দমনে একযোগে কাজ করতে হবে প্রতিটি দেশকে। এবার কমিটির বৈঠক বসবে ভারতে, ২৯ অক্টোবর। নিরাপত্তা পরিষদের এটি বিশেষ বৈঠক।

    নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক সচরাচর হয় আমেরিকায়ই। অন্যান্য দেশেও হয় মাঝে মধ্যে। তবে ভারতে এই প্রথম নয়, এনিয়ে সাতবার নিরাপত্তা পরিষদের সন্ত্রাসদমন শাখার বৈঠক বসতে চলেছে ভারতে। এর আগে সন্ত্রাসদমনের বিশেষ বৈঠক হয়েছিল স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে, ২০১৫ সালের জুলাইয়ে। তার পর এবার ভারতে বসতে চলেছে এই বিশেষ বৈঠক। আয়োজক দেশ ভারতের কাছে নিরাপত্তা পরিষদের এই বিশেষ বৈঠক নিঃসন্দেহে বড় প্রাপ্তি। আলোচনার বিষয় যেহেতু সন্ত্রাসবাদ, তাই দিল্লির সুর যে সপ্তমে চড়বে, তা বলাই বাহুল্য।

    আরও পড়ুন : মালদ্বীপে ‘ইন্ডিয়া আউট’ ক্যাম্পেন আদতে মিথ্যে প্রচারের ফল, মত ভারতের বিদেশমন্ত্রকের

    এদিকে, পরিষদের তরফে জারি করা এক ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, এই বিশেষ বৈঠকে বিশেষত তিনটি বিষয়ের ওপর আলোকপাত করা হবে। এগুলি হল, সদস্য দেশগুলি যেভাবে প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে দ্রুত উন্নতি করছে এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সেই প্রযুক্তিকে ব্যবহার করছে। একই সঙ্গে আলোচনা হবে ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়াকে কীভাবে সন্ত্রাসবাদের হাতিয়ার করা হচ্ছে, তা নিয়েও। প্রসঙ্গত, এবার ভারতে হচ্ছে স্বাধীনতার পঁচাত্তর বর্ষপূর্তি উৎসব। সেই আবহেই হতে চলেছে নিরাপত্তা পরিষদের এই বৈঠক।

     

  • Job Vacancy: কর্মী নিয়োগ করবে বিদেশমন্ত্রক, জানুন বিস্তারিত

    Job Vacancy: কর্মী নিয়োগ করবে বিদেশমন্ত্রক, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। বিদেশমন্ত্রকের (MINISTRY OF EXTERNAL AFFAIRS) দিল্লির অফিসের জন্যে এক বছরের চুক্তিভিত্তিক কর্মী নেওয়া হবে।  

    অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে দেওয়া হবে পারিশ্রমিক। সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক দেওয়া হবে বছরে ১০ লক্ষ টাকা। শূন্যপদের সংখ্যা ১। শুধুমাত্র মহিলা প্রার্থীরাই এই পদের জন্যে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করার শেষ তারিখ ৩ অগাস্ট।  

    আরও পড়ুন: সিবিআইয়ে নিয়োগ, পদ সংখ্যা চার, পারিশ্রমিক ৪০ হাজার

    পদের নাম: কনস্যালটান্ট

    পদের সংখ্যা:

    বয়স সীমা: আবেদনকারীর বয়স ৫০ বছরের বেশি হওয়া যাবে না।

    যোগ্যতা:

    • আবেদনকারীকে অবশ্যই ভারতীয় হতে হবে। 
    • আবেদনকারীর এমএসসি, এমটেক অথবা তার বেশি ডিগ্রী থাকতে হবে।
    • সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে হবে আবেদনকারীকে। 
    • বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি বিভাগে কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। 
    • চিনা ভাষা জানা আবশ্যক না হলেও, চিনা ভাষা জানেন যারা তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বড় কোনও বিশ্ববিদ্যালয় বা সংস্থায় কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার পাবেন। 
    • বড় কোনও জার্নালে লেখার অভিজ্ঞতা থাকলে বা পাবলিক রিলেশনের অভিজ্ঞতা আছে যাদের তারা অগ্রাধিকার পাবেন।

    বেতন: সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক ১০ লক্ষ টাকা। কাজের অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে দেওয়া হবে পারিশ্রমিক।

    আরও পড়ুন: ৪৮১ শূন্যপদে নিয়োগ কোল ইন্ডিয়ায়, জানুন বিস্তারিত

    চুক্তির সময়: এক বছরের জন্যে চুক্তি ভিত্তিক কর্মী নিয়োগ করা হবে। পরে চুক্তির সময়সীমা বাড়ানোও হতে পারে। কোনও রকম অনিয়মের অভিযোগে উঠলে চাকরি থেকে বরখাস্তও করা হতে পারে। তার জন্যে ১ মাস আগে নোটিস দেওয়া হবে।

    কী করে আবেদন করবেন? 

    • যোগ্য প্রার্থীরা কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করে সরাসরি বিদেশমন্ত্রকের অফিসে আবেদন করতে পারেন।
    • আবেদন পত্রের সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র, বয়সের প্রমাণপত্র, পরিচয়পত্র অ্যাটাচ করে জমা দিতে হবে।
    • আবেদন পত্রের খামের মাথায় বড় বড় করে লিখতে হবে “Application for the position of Consultant in CCCS Division of Ministry of External Affairs”। 
    • Under Secretary (PF&PG), Ministry of External Affairs, Room No. 4071, Jawaharlal Nehru Bhawan, 23-D, Janpath, New Delhi-110011 – এই ঠিকানায় পাঠিয়ে দিন আবেদনপত্রটি। 
  • Delhi Fire Tragedy: দিল্লিতে বিধ্বংসী আগুনে মৃত ২৭, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    Delhi Fire Tragedy: দিল্লিতে বিধ্বংসী আগুনে মৃত ২৭, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে (Delhi) বহুতলে বিধ্বংসী আগুন। ঘটনায় ঝলসে মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের। ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে গুরুতরভাবে আহত (Injured) আরও ১২ জন। এখনও অনেকের আটকে থাকার আশঙ্কা করছে দমকল বিভাগ। ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। দমকলের ২৪টি ইঞ্জিন কয়েক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
      
    মুন্ডকা মেট্রো স্টেশনের (Mundka Metro Station) বাইরে একটি বানিজ্যিক ভবনের একতলায় একটি সিসিটিভি প্রস্তুতকারী সংস্থার অফিসে গতকাল বিকেল ৪:৪০ মিনিটে আগুন লাগে। দ্রুত সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে বলে খবর। দিল্লি পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ওই বাণিজ্যিক ভবনটিতে বেশ কয়েকটি সংস্থার অফিস রয়েছে। বিল্ডিংয়ের দোতলায় থেকে আগুন লাগে। একটি সিসিটিভি ক্যামেরা এবং রাউটার প্রস্তুতকারী সংস্থার একটি অফিস থেকেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে।”

    পুলিশ আরও জানিয়েছে, বহুতলটিতে সিসিটিভি, ওয়াইফাই রাউটার এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম তৈরি করা হয়। দমকল আধিকারিকদের অনুমান, একতলায় যেখানে জেনারেটর রাখা হয়েছিল, সেখান থেকেই আগুন ছড়িয়ে পড়তে পারে। পরে প্রথম তলা থেকে আগুন দ্বিতীয় এবং তৃতীয় তলায় ছড়িয়ে পড়ে। সেখানেই বহু মানুষ আটকে পড়েছিলেন। 

    [tw]


    [/tw]

    ওই বহুতলটি দ্রুত আগুনের গ্রাসে চলে আসে। ওপরের তলায় থাকা মানুষজন আটকে পড়েন। অনেকেই প্রাণ বাঁচাতে তিনতলা থেকে নীচে ঝাঁপ দেন। এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই বহুতলের মালিককে আটক করেছে পুলিশ।    

    শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi), দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Kejriwal) বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ আরও অনেকে। ট্যুইটারে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “দিল্লিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় অত্যন্ত মর্মাহত। মৃতদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা। আহতের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।”  

    [tw]


    [/tw]

    প্রধানমন্ত্রী অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা ও আহতদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন।  ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীও। মৃতদের নিকটাত্মীয়কে ১০ লক্ষ টাকা ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেন তিনি। 

    দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ট্যুইটে লেখেন, ”এই মর্মান্তিক ঘটনার কথা জেনে শোকাহত ও ব্যথিত। আমি প্রতিনিয়ত আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। আমাদের দুঃসাহসিক দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে এবং জীবন বাঁচাতে যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন। ঈশ্বর সবার মঙ্গল করুন।”  

    [tw]


    [/tw]

    শনিবার, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সঙ্গে ছিলেন, উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া ও মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন। তিনি বলেন, ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তিনি জানান, দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তের পর কঠোরতম সাজা দেওয়া হবে।

    রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ (Ram Nath Kovind) শোকপ্রকাশ করে লিখেছেন, “দিল্লির অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দুঃখিত। শোকস্তব্ধ পরিবারগুলিকে সমবেদনা জানাই। আহতদের আরোগ্য কামনা করি।” 

    [tw]


    [/tw]

    ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata)। তিনি লেখেন, “দিল্লি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বিপুল সংখ্যক হতাহতের খবরে শোকস্তব্ধ। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।” 

    [tw]


    [/tw]

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় আহতদের সকলকে স্থানীয় সঞ্জয় গান্ধী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।  ঘটনার পর থেকে ৬০ থেকে ৭০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। 

    এক নেটিজেন ট্যুইটারে এই ভিডিওটি পোস্ট করেন। 

    [tw]


    [/tw]

     

  • Covid 19: বাড়ছে সংক্রমণ, চতুর্থ ওয়েভের শঙ্কা, মাস্ক বাধ্যতামূলক দিল্লিতে, ৫ রাজ্যকে চিঠি কেন্দ্রের

    Covid 19: বাড়ছে সংক্রমণ, চতুর্থ ওয়েভের শঙ্কা, মাস্ক বাধ্যতামূলক দিল্লিতে, ৫ রাজ্যকে চিঠি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৪ ঘণ্টায় দেশে আবার বাড়ল কোভিডের দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা। ভারতে নতুন করে একদিনে করোনা আক্রান্ত হলেন দু’হাজার ৬৭ জন। মঙ্গলবার আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১,২৪৭ জন। অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৬৬ শতাংশ বাড়ল করোনা রোগীর সংখ্যা। দিল্লিতে এক দিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ২৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে নতুন করে ৬৩২ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

    সংক্রমণের জেরেই আবার বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে মাস্ক। বুধবার দিল্লিতে জানিয়ে দেওয়া হল এই কথা। বলা হল, আবার মাস্ক পরতেই হবে। শুধু প্রাপ্তবয়স্কদেরই নয়, শিশু, কিশোর-কিশোরীদেরও মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হল দিল্লিতে। এভাবেই আপাতত চতুর্থ ঢেউ আটকানোর কথা ভাবছে সরকার। তার সঙ্গে জোর দেওয়া হচ্ছে টিকাকরণেও।

    তবে এর মধ্যে একটি প্রশ্ন উঠেছে। স্কুল কি আবার বন্ধ হবে?

    এখনই তার কোনও আশঙ্কা নেই। এমনই বলা হয়েছে। স্কুল খোলাই থাকবে। ক্লাসও হবে নিয়ম করে। আগামী সময়ে পরিস্থিতি বিচার করে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে সরকারের তরফে। তবে রাস্তায় বেরোতে গেলে তো বটেই স্কুল পড়ুয়াদের স্কুলেও পরে থাকতে হবে মাস্ক। নতুবা জরিমানা দিতে হবে। মাস্ক না পরা অবস্থায় কাউকে দেখা গেলেই ৫০০টাকা জরিমানা ধার্য করা হবে জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।

    ভারতে করোনার চতুর্থ ঢেউ নিয়ে আশঙ্কার মাঝেই, দেশের পাঁচ রাজ্যকে চিঠি দিল কেন্দ্র। মঙ্গলবার চিঠিতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ জানান, এই রাজ্যগুলি থেকেই ভারতের মোট কেসলোড এবং উচ্চ হারে সংক্রমণের খবর আসছে। এই পাঁচটি রাজ্যের মধ্যে রয়েছে হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, মিজোরাম, মহারাষ্ট্র এবং দিল্লি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সমস্ত রাজ্যকে সংক্রমণের বিস্তারের উপর নজরদারি চালিয়ে যাওয়ার এবং কোভিড -১৯ সংক্রমণ রোধের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাজকর্মের উপর বিধি নিষেধ তুলে দেওয়ার আগে ঝুঁকির মূল্যায়ন করার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র। 

    রাজ্যগুলিকে কোভিডের টিকাকরণের উপর জোড় দিতে বলা হয়েছে।  ভিড় জায়গায় মাস্ক পরার উপর গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। চিঠিতে ভূষণ আরও বলেন, যে রাজ্যগুলিকে অবশ্যই কঠোর নজরদারি বজায় রাখতেই হবে এবং সংক্রমণের যে কোনও বিস্তারকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অগ্রিম পদক্ষেপ নিতে হবে। উদ্বেগজনক ক্ষেত্রগুলিতে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং তাৎক্ষনিক ফলোআপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন তিনি । উদ্বেগ বেড়েছে কেরলকে নিয়েও। কেরলেও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচশো ছুঁইছুঁই। সে রাজ্যে এক দিনে ৪৮৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

LinkedIn
Share