Tag: Dharmendra Pradhan

Dharmendra Pradhan

  • Dharmendra Pradhan: অভিযোগ করেছিলেন শুভেন্দু, মিড-ডে মিলের ‘পর্যালোচনা’ করতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় দল

    Dharmendra Pradhan: অভিযোগ করেছিলেন শুভেন্দু, মিড-ডে মিলের ‘পর্যালোচনা’ করতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকার ও সরকার পোষিত স্কুলগুলিতে মিড-ডে মিলে নানা দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল বাংলায়। তা নিয়ে কেন্দ্রের কাছে নালিশ করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তার জেরে রাজ্যে মিড-ডে মিলের পর্যালোচনা করতে টিম পাঠাচ্ছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। দিন কয়েক আগে আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছিল কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। এবার আসছে মিড-ডে মিল কেমন চলছে, তা দেখতে। চলতি মাসেই বৈঠক হবে রাজ্যের সঙ্গে। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan) বলেন, সম্প্রতি জাতীয় স্তরের বেশ কিছু সংবাদপত্রে বাংলার মিড-ডে মিল (Mid-day meal) প্রকল্পে নানা অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তা ছাড়া বাংলার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও বেশ কিছু তথ্য ভারত সরকারের গোচরে এনেছিলেন। তার পরেই কেন্দ্রীয় সরকার এই বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    কেন্দ্রের এই দল…

    জানা গিয়েছে, চলতি মাসেই আসছে কেন্দ্রের এই দল। দলে থাকবেন পুষ্টিবিদ, কেন্দ্রীয় আধিকারিক এবং রাজ্যের আধিকারিকরা। রাজ্যের জন্য বরাদ্দ অর্থ স্কুলগুলিতে ঠিক মতো পৌঁছচ্ছে কিনা, প্রধানমন্ত্রী পোষণ শক্তি মিশন প্রকল্পে রাজ্যে পরিকাঠামো কেমন, রান্নাঘরের পরিকাঠামো সহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখতে এই দলটি আসছে বলে সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুুন: আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন ‘ডু অর ডাই ম্যাচ’! প্রতিটি বুথকে দুর্গ বানানোর কথা বললেন শুভেন্দু

    প্রসঙ্গত, গত বছরই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রী পোষণ প্রকল্পের পক্ষে মত দেয়। এই প্রকল্পে দেশের ১১ লক্ষ ২০ হাজারেরও বেশি সরকারি এবং সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের পড়ুয়াদের মিড-ডি মিল দেওয়া হয়। পাঁচ বছরের জন্য এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পের জন্য ১ লক্ষ ৩১ হাজার কোটি টাকা খরচের কথাও জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। সরকারের মিড-ডে নামের যে প্রকল্প রয়েছে, তার সঙ্গে যুক্ত করা হয় এই প্রকল্পকে। রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই প্রকল্পের সিংহভাগ ব্যয় বহন করে কেন্দ্র। সেখানেই দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় আসছে কেন্দ্রীয় দল।

    কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী (Dharmendra Pradhan) বলেন, মিড-ডে মিলের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে স্কুল পড়ুয়াদের দৈহিক বৃদ্ধি। যা সামগ্রিকভাবে বৌদ্ধিক বৃদ্ধিকে প্রভাবিত করে। তাই বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন শুভেন্দু। এ নিয়ে ট্যুইটও করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Dharmendra Pradhan: পড়ুয়ারা পড়বে দেশের সেনা জওয়ানদের বীরত্বের কাহিনী, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান

    Dharmendra Pradhan: পড়ুয়ারা পড়বে দেশের সেনা জওয়ানদের বীরত্বের কাহিনী, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে স্কুলের পাঠ্যসূচি সম্পর্কে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। স্কুলের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে ভারতীয় সেনা জওয়ানদের বীরত্বের কাহিনী। একথা জানিয়েছেন খোদ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। তবে কেন এমন দাবি করলেন তিনি, এই নিয়ে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে পড়ুয়াদের মধ্যে।

    জানা গিয়েছে, খুব কম বয়স থেকেই শিশুরা যাতে দেশের সেনা জওয়ান, তাঁদের বীরত্ব, আত্মত্যাগ সম্পর্কে জানতে পারে তার জন্যই এই পদক্ষেপ। প্রতিরক্ষামন্ত্রকের “বীর গাথা” (Veer Gatha) প্রজেক্টে বক্তব্য রাখার সময়েই এই বড়সড় সিদ্ধান্তের কথা জানান কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। তিনি সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, “দেশের প্রতি সন্তানদের যাতে খুব কম বয়সেই দায়িত্ববোধ এসে যায় সেই দিকে ভেবেই শিক্ষা মন্ত্রক ও প্রতিরক্ষামন্ত্রক এই আলোচনা করছে। শিশুদের পাঠ্যক্রমে ভারতের সেনা জওয়ানদের বীরত্ব ও গত ৭৫ বছরে ভারতের বীর গাথার কাহিনি পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি আলোচনা করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন? জানুন কী করবেন আর কী করবেন না

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বীর গাঁথা প্রজেক্টটি ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ (‘Azadi Ka Amrit Mahotsav’)-এর একটি অংশ হিসাবে চালু করা প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হল দেশের সেনা বাহিনীর বীরত্বপূর্ণ কাজ এবং আত্মত্যাগ সম্পর্কে শিশুদের সচেতন করা ও তাদের অনুপ্রাণিত করা। গত বছর অর্থাৎ ২০২১-এর অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত আয়োজন করা হয়েছিল ‘বীর গাথা প্রতিযোগিতা’-র। যেখানে দেশের মোট ৪,৭৮৮ টি স্কুল থেকে প্রায় ৮.০৪ লক্ষ পড়ুয়া উৎসাহিত ছিল তাদের অনুপ্রেরণামূলক গল্প, বিভিন্ন প্রবন্ধ, কবিতা, ছবি আঁকা এবং মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তুলে ধরার জন্য। এদের মধ্যে ২৫ জন পড়ুয়াকে বেছে নেওয়া হয়েছে ও তাদের “সুপার ২৫” হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। যে সকল পড়ুয়া এই প্রতিযোগিতায় সাফল্য পেয়েছে তাদের “সুপার সেনা”-র তকমা দেওয়া হয়েছে। যদিও পরে শিক্ষামন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন যে, দেশের সেনাদের সম্মানে এই প্রতিযোগিতার নাম পরিবর্তন করে ‘সেনা সুপার ২৫’ করা উচিত। এই অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ‘বীরগাথা’ প্রতিযোগিতার ২৫ জনকে বিশেষ পুরষ্কারে ভূষিত করেন।

     

  • NIRF Rankings 2022: এনআইআরএফ তালিকায় দেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইআইটি মাদ্রাজ, সেরা কলেজ মিরান্ডা হাউজ  

    NIRF Rankings 2022: এনআইআরএফ তালিকায় দেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইআইটি মাদ্রাজ, সেরা কলেজ মিরান্ডা হাউজ  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের এনআইআরএফ র‍্যাঙ্কিং (NIRF India Rankings 2022)। শুক্রবার ‘ইন্ডিয়া র‌্যাঙ্কিং ২০২২’ (National India Ranking Framework) প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। সার্বিক র‍্যাঙ্কিং-এর ভিত্তিতে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির প্রথমস্থানে রয়েছে আইআইটি মাদ্রাজ। যদিও এনআইআরএফ-২০২২ অনুযায়ী ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ ব্যাঙ্গালোর দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে। 

    বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দিল্লির জহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়। তৃতীয় স্থানে রয়েছে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। চতুর্থ স্থানে রয়েছে কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। আগের বছর এই স্থানে ছিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। এবার অষ্টম স্থানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় আছে। পঞ্চম স্থানে রয়েছে কোয়েম্বত্তুরের অমৃত বিশ্ব বিদ্যাপীঠ। ষষ্ঠ স্থানে জায়গা করে নিয়েছে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়।

    আরও পড়ুন: কুয়েট পরীক্ষায় বসছেন? জেনে নিন এই নিয়মগুলি

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির নিরিখে আইআইটি বম্বে তৃতীয় স্থানে এবং আইআইটি দিল্লি চতুর্থ স্থানে রয়েছে। কানপুর আইআইটি রয়েছে পঞ্চম স্থানে। 

    কলেজগুলির মধ্যে প্রথম দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের মিরান্ডা হাইজ। দ্বিতীয় স্থানে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু কলেজ। তৃতীয় স্থানে রয়েছে চেন্নাইয়ের প্রেসিডেন্সি কলেজ। চেন্নাইয়ের লয়লা কলেজ রয়েছে চতুর্থ স্থানে। পঞ্চম স্থানে রয়েছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের লেডি শ্রীরাম কলেজ।

    আরও পড়ুন: উদ্বোধনের আগেই হেলে পড়ল বিশ্ববিদ্যালয় ভবন! কাঠগড়ায় পূর্ত দফতর

    একনজরে দেশের প্রথম দশ বিশ্ববিদ্যালয় 

    ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স, বেঙ্গালুরু
    জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়
    জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়
    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়
    অমৃত বিশ্বপীঠ
    বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়
    মণিপাল অ্যাকাডেমি
    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
    ভেল্লোর ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, ভেল্লোর
    হায়দ্রাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় 

    আইআইটিগুলির মধ্যে প্রথম আইআইটি মাদ্রাজ। দ্বিতীয় স্থানে আইআইটি দিল্লি। তৃতীয় স্থানে রয়েছে আইআইটি বম্বে। চতুর্থ স্থানে আইআইটি কানপুর এবং পঞ্চম স্থানে আইআইটি খড়গপুর। 

    ফার্মেসি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে দিল্লির জামিয়া হামদারদ প্রথম। দ্বিতীয় হায়দ্রাবাদের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ফার্মেসি এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ। তৃতীয় স্থানে রয়েছে চণ্ডীগড়ের পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়। মোহালির ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ফার্মাসিউটিকাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ চতুর্থ স্থানে রয়েছে। পঞ্চম স্থানে পিলানির বিড়লা ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্স। 

     

     

     

  • PM Shri School: বদলে যাচ্ছে পঠন-পাঠনের ধারণা? মডেল স্কুল তৈরির ভাবনা কেন্দ্রের

    PM Shri School: বদলে যাচ্ছে পঠন-পাঠনের ধারণা? মডেল স্কুল তৈরির ভাবনা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলে যাচ্ছে পঠন-পাঠনের হাল হকিকত। ভবিষ্যতের পড়ুয়াদের জন্যে মডেল স্কুল তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্র। নাম ‘পিএম শ্রী স্কুল’ (PM Shri School)।

    গুজরাতে আয়োজিত দুদিন ব্যাপী জাতীয়স্তরের শিক্ষামন্ত্রী সম্মেলনে (National School Education Ministers’ Conference) বৃহস্পতিবার এমনই ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী (Union Education Minister) ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। তিনি বলেন, “নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে (National Education Policy) পরীক্ষাগার হিসেবে দেখা হচ্ছে এধরনের স্কুলগুলিকে।” তিনি আরও বলেন, “স্কুল শিক্ষা হল শিশুদের ভিত্তি। যার উপর ভিত্তি করে ভারত আগামীতে জ্ঞান-ভিত্তিক অর্থনীতিতে পরিণত হবে। আমরা ‘প্রধানমন্ত্রী শ্রী স্কুল’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছি। যা ভবিষ্যতের পড়ুয়াদের সব রকমের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করবে।”

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রের সঙ্গে ফের ‘সংঘাতে’ রাজ্য, জাতীয় শিক্ষানীতি পর্যালোচনায় গঠিত ১০ সদস্যের কমিটি 

    এদিনের অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ছাড়াও বিভিন্ন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষামন্ত্রী জানান, “এই স্কুলগুলি জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০-র ল্যাবরেটরি হিসেবেও ব্যবহার করা হবে। একবিংশ শতকে দাঁড়িয়ে, প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকতে সকলের যে দক্ষতা ও জ্ঞানের প্রয়োজন রয়েছে, তা প্রদান করবে স্কুলগুলি।”   

    তাই শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে এবং পিএম শ্রী স্কুলগুলিকে মডেল হিসেবে তুলে  ধরতে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের কাছ থেকে পরামর্শও চান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। নয়া জাতীয় শিক্ষা নীতির গুরুত্ব বর্ণনা করতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “প্রি-স্কুল থেকে মাধ্যমিক স্তরের ক্ষেত্রে ৫+৩+৩+৪ নীতি অনুসরণ করে চলা হচ্ছে। যেখানে কম বয়স্কদের শিক্ষা, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও প্রাপ্তবয়স্কদের শিক্ষা, এই তিন দিকেই সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে মাতৃভাষায় শিক্ষা অর্জনের ওপরেও জোর দেওয়া হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: প্রকাশিত ‘নীট-পিজি ২০২২’-এর ফল, জেনে নিন কীভাবে দেখবেন

    ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, “আগামী ২৫ বছর আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ের মধ্যেই ভারতকে জ্ঞান ভিত্তিক অর্থনীতিতে পরিণত করতে হবে। এই লক্ষ্যে আমাদের মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। একে অপরের অভিজ্ঞতা ও সাফল্য থেকে শিক্ষা নিয়ে শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও উন্নত করে তুলতে হবে।”  

    বুধবার গুজরাতের গান্ধীনগরে জাতীয় শিক্ষামন্ত্রীদের সম্মেলন শুরু হয়েছে। সেখানে নতুন শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের উপরই বেশি করে জোর দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী এদিন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) প্রয়োজন অনুভব করে ৩৪ বছরের পুরোনো শিক্ষানীতিতে বদল এনেছেন। শিক্ষাই দেশের সব থেকে বড় সম্পদ। জাতীয় শিক্ষা নীতির (NEP 2020) প্রয়োজন উপলব্ধি করে বিভিন্ন রাজ্য নরেন্দ্র মোদির ভাবনার সাথে এক মত হয়েছে।”

     

LinkedIn
Share