Tag: Dilip Ghosh

Dilip Ghosh

  • Dilip Ghosh: ‘‘রাষ্ট্র বিরোধীরা রামের বিরুদ্ধে মিছিল করবে’’, মমতার সংহতি কর্মসূচিকে কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘রাষ্ট্র বিরোধীরা রামের বিরুদ্ধে মিছিল করবে’’, মমতার সংহতি কর্মসূচিকে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সকালেই ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণ করতে গিয়ে ফের মমতা সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। মেদিনীপুরের সাংসদ জানান, রাষ্ট্র বিরোধীদের নিয়ে রামচন্দ্রের বিরুদ্ধে সংহতি মিছিল করছে তৃণমূল। পাশাপাশি দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে উঠে আসে নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত মিডলম্যান প্রসন্ন রায়ের কথাও। প্রসঙ্গত, পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ এই ‘মিডলম্যান’ নিয়োগ দুর্নীতিতে আগেই গ্রেফতার হয়েছিলেন। সম্প্রতি জামিনে মুক্ত হন তিনি। এবং বৃহস্পতিবারে তাঁর (প্রসন্ন রায়ের) একাধিক আস্তানায় তল্লাশি চালায় ইডি।

    রাষ্ট্র বিরোধীদের নিয়ে তৃণমূলের মিছিল

    তৃণমূলের সংহতি মিছিল নিয়ে দিলীপের (Dilip Ghosh) মন্তব্য, ‘‘আগে তৃণমূল নিজেদের মধ্যে সংহতি করুক। সংহতির নামে হিন্দু বিরোধীদের এককাট্টা করার চেষ্টা হচ্ছে। আমার মনে হয় না কোনও হিন্দু এই সংহতি মিছিলে যাবে। যারা তৃণমূলের উচ্ছিষ্টভোগী, এই করেই খাচ্ছে আর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, এরকম কিছু লোক যাবে। আর যারা সিএএ পাস হওয়ার পর সারা বাংলায় আগুন জ্বালিয়ে ট্রেন, বাস, রেল, জাতীয় সড়ক অচল করেছিল, সেই সমস্ত রাষ্ট্রবিরোধীদের নিয়ে এখানে রামের বিরুদ্ধে মিছিল হবে।’’ প্রসঙ্গত, মমতার সংহতি মিছিল থেকে সম্প্রীতির পরিবেশ নষ্ট হতে পারে এই অভিযোগ আগেই তুলছেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন দিলীপ ঘোষের কথাতেও দেখা গেল বিরোধী দলেনেতারই সুর।

    প্রসঙ্গ নিয়োগ দুর্নীতি ও প্রসন্ন রায়

    নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির তল্লাশি অভিযান নিয়ে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘আগে তার বিরুদ্ধে যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই আগের বার তিনি জামিন পেয়েছিলেন। কিন্তু ইডি মনে করছে আরও তথ্য প্রমাণ পাওয়া যাবে। তাই ফের তদন্ত হচ্ছে। জাল এতো বড় যে কে যুক্ত আর কে নয়, অনেকে অজান্তে যুক্ত হয়ে পড়েছে। কে সুবিধা পেয়েছে কে পায়নি, এভাবেই বিশাল বিস্তার হয়েছে। তার কিনারা খোঁজার চেষ্টা চলছে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED Raid: ‘‘ব্যাগ গোছাতে শুরু করুন’’, ইডি হানায় খোঁচা শুভেন্দুর, ‘‘খেলা শুরু হয়েছে’’, কটাক্ষ দিলীপের

    ED Raid: ‘‘ব্যাগ গোছাতে শুরু করুন’’, ইডি হানায় খোঁচা শুভেন্দুর, ‘‘খেলা শুরু হয়েছে’’, কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুর নিয়োগ দুর্নীতি (Municipality Recruitment Scam) মামলায় শুক্রবার সকালে তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রী থেকে শুরু করে বিধায়ক, কাউন্সিলরদের বাড়িতে হানা দিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। সব জায়গায় একযোগে চলছে তল্লাশি (ED Raid)। এই নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাল প্রধান বিরোধী দল বিজেপি (BJP)। একদিকে যেমন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা খোঁচা দিয়ে বললেন, ‘‘ব্যাগ গোছাতে শুরু করুন’’। অন্যদিকে, দলেরই আরেক নেতা তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ, ‘‘খেলা শুরু হয়েছে’’। 

    আরও পড়ুন: পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মন্ত্রী সুজিত বসু, বিধায়ক তাপস রায়ের বাড়িতে হানা ইডি-র

    ইডি হানায় তৃণমূলকে কটাক্ষ শুভেন্দু-দিলীপের

    শুভেন্দু এদিন বলেন, ‘‘ইডি আধিকারিকরা তথ্য প্রমাণ পেয়েছে বলেই আজকের এই পুণ্য দিনে পুণ্য কাজ করতে বেরিয়ে পড়েছে।’’ তিনি অভিযোগ করেন, দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু সরাসরি পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে (Municipality Recruitment Scam) যুক্ত। শুভেন্দু বলেন, ‘‘সুজিত বসুর দুই ঘনিষ্ঠ আত্মীয়, দুই শ্যালকের দুই স্ত্রী কামারহাটিতে পুরসভায় চাকরি পেয়েছে। ব্যাগ গোছাতে শুরু করুন। সঙ্গে শীতের জিনিসও রাখবেন।’’ গেরুয়া শিবিরের আরেক নেতা তথা মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষও খোঁচা দেন। তিনি বলেন, ‘‘স্লোগান শুনতাম খেলা হবে, খেলা হবে। কবে হবে? এখন খেলা শুরু হয়েছে। খেলা চলবে। এই যে দুর্নীতি রন্দ্রে রন্ধ্রে ছেয়ে গেছে পশ্চিমবাংলায় যারা করেছে তারা তো ছাড় পাবে না। দুর্নীতি মুক্ত বাংলা করার জন্য যে লড়াই চলছে, তা চলতে থাকবে।’’

    তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রী-বিধায়কদের বাড়িতে অভিযান

    পুর নিয়োগ দুর্নীতি (Municipality Recruitment Scam) মামলায় শুক্রবার সাতসকালে রাজ্যের বিভিন্ন মন্ত্রী-বিধায়ক-কাউন্সিলরের বাড়িতে হানা দিয়েছে ইডির (ED Raid) একাধিক দল একদিকে, রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর (Sujit Bose) লেকটাউনের দু’টি বাড়িতে হানা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা। অন্যদিকে, বউবাজারে তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায়ের (Tapas Roy) বাড়িতেও উপস্থিত হয়েছে একটি টিম। সেখানেও চলছে তল্লাশি। পাশাপাশি, বিরাটির খলিসাকোটা পল্লীতে উত্তর দমদম পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সলির সুবোধ চক্রবর্তীর বাড়িতেও হানা দিয়েছে ইডি। সব জায়গায় একযোগে চলছে অভিযান। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “মুষল পর্ব চলছিলই, সেটা প্রকাশ্যে এল”, তৃণমূলকে নিশানা দিলীপের

    Dilip Ghosh: “মুষল পর্ব চলছিলই, সেটা প্রকাশ্যে এল”, তৃণমূলকে নিশানা দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মুষল পর্ব আগেই চলছিল। কাল সেটা প্রকাশ্যে এল।” বয়ঃ-তত্ত্ব নিয়ে তৃণমূলের ‘বুয়া-ভাতিজা’র দ্বন্দ্বের বহিঃপ্রকাশকে মঙ্গলবার এই ভাষাতেই ব্যাখ্যা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।

    তৃণমূলকে আক্রমণ দিলীপের

    নবীন-প্রবীণ দ্বন্দ্ব নিয়ে অশান্তি শুরু হয়েছে তৃণমূলে। ঘটনার জেরে বেসামাল ঘাসফুল শিবির। একেই নিশানা করেছেন দিলীপ। বলেন, “কোনও দলের যদি ভাবাদর্শ বা কর্মপদ্ধতি না থাকে, কোনও বড় উদ্দেশ্য না থাকে, তাহলে তা বেশিদিন টেকে না। তৃণমূলের অবস্থাও তা-ই। মানুষ সিপিএমের অত্যাচার থেকে বাঁচার হাতিয়ার হিসেবে এদের এনেছিল। কেবল ক্ষমতা ও টাকা যদি কোনও পার্টির উদ্দেশ্য হয়, তাহলে তার কী পরিণতি হয়, আমরা দেখতে পাচ্ছি।” এর পরেই বিজেপি সাংসদ বলেন, “মুষল পর্ব আগেই চলছিল। কাল সেটা প্রকাশ্যে এল। নেতাদের সঙ্গে স্বার্থের সম্পর্ক। সেটা ফুরিয়ে গেলেই শেষ। তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস যেই থাকুক, তাতে আমাদের সুবিধা-অসুবিধা কিছু নেই। এই দল তো একদিন যাবেই। বিজেপি একটা লক্ষ্য নিয়ে চলে। লক্ষ লক্ষ কর্মী পরিশ্রম করেন। আমরা ভোটে জিতে মানুষকে উন্নয়ন দিই।”

    কটাক্ষ ফিরহাদকেও

    মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের ‘বিলম্বিত বোধদয়’কেও এদিন কটাক্ষ করেন দিলীপ। তিনি (Dilip Ghosh) বলেন, “ভোট এলে এরকম হয়। একটু ক্ষমা-টমা চায়। সিবিআই, ইডি কাজ করলে বা চোর ধরলে রাস্তায় নামেন কেন? পদ থেকে লোকগুলিকে সরান না কেন? এটা দ্বিচারিতা নয়? দোষীদের আড়াল করা বন্ধ করুন। ওঁনারা নিজেদের মধ্যে আগে বিচার করুন। বেশিরভাগ লোক জেলে। কেউ কেউ বেইলে (জামিনে)। কেউ লিস্টে আছে। তাই উনি কী বললেন, সেটা নিয়ে রাজ্যের মানুষ খুব একটা ভাবিত নন। এগুলো সবই পাবলিক জানে। পরিস্থিতি খারাপ দেখে উনি এখন এগুলি বলছেন।”

    আরও পড়ুুন: গোল্ডি ব্রারকে ‘জঙ্গি’ তকমা কেন্দ্রের, শুনবেন গ্যাংস্টারের কীর্তি?

    তৃণমূলের জনসংযোগ প্রসঙ্গে বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি বলেন, “আগে পার্টি বাঁচান। তারপর তো জনসংযোগ। মানুষ তো এবার এলাকায় গেলে গাছে বেঁধে রাখবে। চাকরির দাবিতে, ডিএ-র দাবিতে সর্বত্র ধর্না চলছে। এরপর আবার উন্নয়ন!” কামদুনি মামলার শুনানি প্রসঙ্গে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “বিজেপি কামদুনির আন্দোলনকারীদের পাশে রয়েছে। আইনি সমর্থন করছি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Dilip Ghosh: “পশ্চিমবঙ্গের মানুষ গণেশ-গাধা দুই-ই বিসর্জন দেবেন”, মহুয়া প্রসঙ্গে মন্তব্য দিলীপের

    Dilip Ghosh: “পশ্চিমবঙ্গের মানুষ গণেশ-গাধা দুই-ই বিসর্জন দেবেন”, মহুয়া প্রসঙ্গে মন্তব্য দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিমবঙ্গের মানুষ গণেশ ও গাধা দুই-ই বিসর্জন দেবেন।” শনিবার কথাগুলো বললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। শুক্রবার কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের সাংসদ পদ খারিজ হয়। এদিন প্রাতর্ভ্রমণে বেরিয়ে এই প্রসঙ্গেই মন্তব্য করেন দিলীপ।

    ‘মহুয়াকে তিনবার সুযোগ দেওয়া হয়েছে’

    মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, “লোকসভার বিভিন্ন অভিযোগ খতিয়ে দেখতে একাধিক কমিটি রয়েছে। প্রিভিলেজ কমিটি রয়েছে। আমি তার সদস্য। লোকসভার কোনও সদস্যের কোনও অভিযোগ থাকলে তিনি ওই কমিটিকে জানান। অভিযোগ খতিয়ে দেখা হয়, ডাকা হয়, সাক্ষী নেওয়া হয়। তাঁরা যদি কিছু করে কমপ্লেইন করেন, তার জন্য এথিক্স কমিটি রয়েছে। এথিক্স কমিটি সব কিছু বিচার করেছে। সবার সাক্ষী নিয়েছে।” তিনি বলেন, “মহুয়া মৈত্রকে ডেকে তিনবার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। উনি কথা বলেননি, ওয়াকআউট করেছেন। সংসদের রীতি-নীতি এবং আইন অনুযায়ী সমস্ত প্রক্রিয়া হয়েছে। সেখানে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, পরে ভোট হয়েছে। সেই প্রস্তাবের ওপর আলোচনা হয়েছে, তারপরে সেখানে সমাধান হয়েছে। যা হয়েছে, তা নিয়ম মেনেই হয়েছে। সুতরাং, যাঁরা চেঁচামেচি করছেন, তাঁরা অন্যায়ের পক্ষে, চোরের পক্ষে, দুর্নীতির পক্ষে কথা বলছেন।”

    ‘আমাদের লজ্জা’

    মহুয়াকে বহিষ্কারের দিনটিকে লজ্জার দিন বলে অভিহিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “আমরাও বলছি, এটা সব চেয়ে লজ্জার দিন। একজন জনপ্রতিনিধি সংসদে ৩০-৩৫ লাখ লোকের প্রতিনিধিত্ব করেন। তাঁর আচার-আচরণ, কথাবার্তা, জীবনচরিত উদাহরণ হওয়া উচিত। আমাদের কাছে অত্যন্ত লজ্জার যে বাংলার একজন মহিলা সদস্য চুরির দায়ে সদস্যপদ খুইয়েছেন।” চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সলমন খানের সঙ্গে নাচের তালে পা মিলিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর কাজ কী ওদের সঙ্গে নাচা? চা বাগানের লোকেরা খেতে পাচ্ছেন না। রেশন পাচ্ছেন না। ওঁদের জমির পাট্টা দেওয়ার কথা ছিল। কেন্দ্রীয় সরকার বাড়ি বানিয়ে দিত। তিন প্রজন্ম ওখানে রয়েছে। অথচ আজও কিছু নেই তাঁদের। কেন এই অবস্থা হয়েছে? আর তিনি নেচে বেড়াচ্ছেন!”

    আরও পড়ুুন: “উনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়ে হাতে-পায়ে ধরবেন বাঁচার জন্য!” মমতাকে কটাক্ষ লকেটের

    মহুয়াকে বহিষ্কার করায় চটেছে কংগ্রেস। সে প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, “মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশি। মমতা ব্যানার্জির যা কষ্ট হয়েছে, অধীর চৌধুরীর তার চেয়ে বেশি কষ্ট হয়েছে। কারণ ওঁদের এখন বাঁচা-মরার প্রশ্ন। তিনটে রাজ্যে হারের পর এবার চিৎ হয়ে গিয়েছে। মহুয়া মৈত্রকে ধরে বাঁচার চেষ্টা করছেন।” এর পরেই তিনি (Dilip Ghosh) বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মানুষ গণেশ ও গাধা দুই-ই বিসর্জন দেবেন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘তৃণমূল তো ভয়ে বিধানসভার বাইরে বেরোতেই পারছে না…”! কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘তৃণমূল তো ভয়ে বিধানসভার বাইরে বেরোতেই পারছে না…”! কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকালই অমিত শাহের হাইভোল্টেজ জনসভার সাক্ষী থেকেছে তিলোত্তমা। সভায় উপচে পড়া ভিড় ভেঙে দিয়েছে অতীতের সমস্ত রেকর্ড। অমিত শাহের কলকাতা আসার দিনেই বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল পরিষদীয় দল। সেই মতো বিধানসভাতে গতকাল কালো পোশাক পরে বিক্ষোভ দেখান শাসক দলের বিধায়করা। তৃণমূল নেত্রীর নেতৃত্বে চলতে থাকে বিক্ষোভ। যানিয়ে কটাক্ষ করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। বৃহস্পতিবারই সকালে নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতর্ভ্রমণে বের হন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি। সেখানে তিনি বলেন, ‘‘তৃণমূল তো বিধানসভার বাইরে বের হতেই পারছে না। বিজেপি এবং মানুষের ভয়ে তাদেরকে বিধানসভায় ঢুকে যেতে হয়েছে। দিদিমণি এখন ওখান থেকেই ভাষণ দিচ্ছেন। বাইরে বেরিয়ে সভা করুক না একটা। তৃণমূল সারা বছর ধরে অর্থ এবং প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে একটা সভা করে (২১ জুলাই)। দুমাস আগে থেকে জেলায় জেলায় গেট করে, ফ্রি বাস, ট্রেনে করে লোক আনে। তারা ব্রিগেডে কেন করে না সভা? কত বছর আগে শেষবারের মতো ব্রিগেডে সভা করেছে! একটা করে দেখাক। আমরা তো বাৎসরিক ব্রিগেড করি।’’

    ওয়ার্ম আপ ম্যাচ

    অন্যদিকে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ গতকালের বিজেপির সমাবেশকে কটাক্ষ করেন। এনিয়ে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘ধর্মতলার এদিনের সভা ওয়ার্ম আপ ম্যাচ ছিল।’’ তৃণমূলের অন্দরের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ক্রমশই প্রকাশ্যে চলে আসছে। এ নিয়েও কটাক্ষ করতে শোনা যায় মেদিনীপুরের সাংসদকে। তাঁর (Dilip Ghosh) কথায়, ‘‘আমি জানি না কে কি করেছে? কে চোর? সেটা পাবলিক ঠিক করবে। চোরের মায়ের বড় গলা! নেতাদের মধ্যে হিম্মত নেই জনসভা করার। মুখ্যমন্ত্রীর সভা করার হিম্মত নেই। খোকাবাবু তো হারিয়ে গিয়েছেন। ছন্নছাড়া অবস্থা আজকে। তারাই আবার পার্টির মধ্যে আওয়াজ তুলছে বুড়োদের সরিয়ে যুবকদের আনো। আগে নিজেদের পার্টির ভিতরের ব্যাপারটা তারা ঠিক করে নিক। পার্টি থাকবে কিনা সেটাও আগামী দিনে বোঝা যাবে।’’

    প্রসঙ্গ নাগরিকত্ব আইন

    গতকালই অমিত শাহের বক্তব্যে উঠে আসে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় থেকে গোপাল মুখোপাধ্যায়ের (যিনি গোপাল পাঁঠা নামেই প্রসিদ্ধ) কথা। প্রসঙ্গত, জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। ১৯৫১ সালে দেশের সাধারণ নির্বাচনে দক্ষিণ কলকাতা আসনটি থেকে জয়লাভও করেন তিনি। অন্যদিকে, ১৯৪৬ সালের গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং-এর সময় কলকাতার রক্ষাকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন গোপাল মুখোপাধ্যায়। এই দুজনকে সম্মান জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ নিয়ে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘বাঙালি জাত্যাভিমান কি তুলে ধরবেন! শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় কে ছিলেন? বাঙালি ছিলেন। বাঙালির হাতেই ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠা হয়েছে, জনসঙ্ঘের। এটা ঠিক যে মানুষকে মনে করাতে হয়। বাঙালি খুব ভুলে যায়। দেশ ভাগ হয়েছে, বাঙালি নির্যাতিত হয়েছে। মা বোনেদের সম্মান গেছে। কোটি কোটি লোক উদ্বাস্তু হয়েছে। আজকের যুব সমাজ যদি এগুলো ভুলে যায় তাহলে আবার উদ্বাস্তু হতে হবে। তাই উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য সিএএ তৈরি করা হয়েছে। সেটাই উনি মনে করিয়ে দিয়েছেন। আমরাই সিএএ ইম্প্লিমেন্ট করব। সবই সময়ে হয়।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘মমতা যতদিন রয়েছেন রাজ্যে শিল্প হবে না,’’ সাফ জানালেন দিলীপ ঘোষ

    Dilip Ghosh: ‘‘মমতা যতদিন রয়েছেন রাজ্যে শিল্প হবে না,’’ সাফ জানালেন দিলীপ ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর করা শিল্প সম্মেলন নিয়ে এবার কটাক্ষ শোনা গেল বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) মুখে। সকালে প্রাতঃভ্রমণে বের হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘এর আগে যে ৭ বার সম্মেলন হয়েছে, তার নিট ফল তো কিছু দেখতে পাচ্ছি না। উনি দুটি কুমির ছানা বারবার দেখান। তাজপুর বন্দর এবং দেউচা পাঁচামি। এখনও টেন্ডার পাল্টানো হচ্ছে। আদানি হাত তুলে নিয়েছে। আর কি কেউ করবে?’’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করে মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদের আরও সংযোজন, ‘‘যতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন ততদিন রাজ্যে শিল্পের সম্ভাবনা একেবারেই নেই।’’

    শিক্ষা থেকে শিল্প, কোনও পরিবেশই নেই রাজ্যে

    প্রসঙ্গত, বুধবারই রাজ্য সরকারের উদ্যোগে দু’দিনের বাণিজ্য সম্মেলন শেষ হয়েছে। দিলীপ ঘোষ এখানেও প্রশ্ন তুলেছেন। বিজেপির (Dilip Ghosh) প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির মতে, ‘‘বাণিজ্য সম্মেলনে কোন শিল্পপতি কত টাকার বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছেন, তা অবিলম্বে প্রকাশ করা উচিত মুখ্যমন্ত্রীর।’’ ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ‘‘তৃণমূলের জমানায় রাজ্যজুড়ে সন্ত্রাসের রাজত্ব চলছে, শিক্ষা থেকে শিল্প কোনও পরিবেশই নেই এই রাজ্যে।’’ রাজ্যের শিল্পের পরিবেশ নিয়ে বলতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘এ রাজ্যে জীবন ও সম্পত্তির কোনও নিশ্চয়তা নেই। সেখানে শিল্প সম্মলেন করে কী হবে? কে আসবে রাজ্যে? আগে ইমেজ ঠিক করুক সরকার।’’

    ২৯ নভেম্বরের সভা নিয়ে কী বললেন দিলীপ?

    অন্যদিকে আগামী ২৯ নভেম্বর কলকাতাতে মহা সমাবেশের ডাক দিয়েছে বিজেপি। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বিভিন্ন সুবিধা থেকে রাজ্যের সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করেছে রাজ্যের শাসক দল। সেই বঞ্চিত উপভোক্তাদের নিয়েই ২৯ নভেম্বর সমাবেশ বিজেপির। এতে থাকার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। ইতিমধ্যে সভার অনুমতি নিয়ে শুরু হয়েছে জলঘোলা। কলকাতা পুলিশকে অনুমতি প্রদানের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সভার অনুমতি বাতিল করতে ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছে রাজ্য সরকার। এ নিয়ে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার ভাবছে সভা আটকে, বিজেপিকে আটকে দেবে। কিন্তু এভাবে বিজেপিকে রোখা যাবে না। এভাবে গণতান্ত্রিক দেশে কাউকে আটকানো যায় না।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “ডিএ-বেতন দেন না, মুখ্যমন্ত্রী শুধু ছুটি দেন”, মমতাকে তোপ দিলীপের  

    Dilip Ghosh: “ডিএ-বেতন দেন না, মুখ্যমন্ত্রী শুধু ছুটি দেন”, মমতাকে তোপ দিলীপের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মুখ্যমন্ত্রী ডিএ দেন না, বেতনও দেন না, শুধু ছুটি দেন।” সোমবার এই ভাষায়ই মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এদিন সকালে ছটপুজো উপলক্ষে পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুর শহরের মন্দিরতলা পুকুরে গিয়েছিলেন দিলীপ। সেখানে ভক্তদের সঙ্গে মাতেন ছট পুজোয়। পুজো উপলক্ষে ঘাটে আসা ভক্তদের চা-বিস্কুটও দেন দিলীপ। খরিদায় ভক্তদের সঙ্গে ঢোলও বাজাতে দেখা গেল বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতিকে।

    দিলীপের কটাক্ষ-বাণ

    ছটপুজো শেষে দিলীপ নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রীকে। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী ডিএ দেন না, বেতনও দেন না, শুধু ছুটি দেন। অন্যান্য জায়গার থেকে আমাদের এখানে কর্ম দিবস সব চেয়ে কম। সব থেকে কম দিন পড়াশোনা হয় এখানে।” রবিবার দইঘাটে ছটপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি বলেন, “ছট পুজো উপলক্ষে আমরা দুদিন করে ছুটি দিই। দিল্লি তো ছটপুজোয় ছুটি দেয় না। আমরা দুদিন করে ছুটি দিই। যাতে সকলে ভালভাবে উৎসব পালন করতে পারেন। সোমবার ছটপুজোর ছুটি দিয়েছে রাজ্য সরকার। ইদেও আমরা দুদিন ছুটি দিই। কালীপুজোয়ও ছুটি দিয়েছি আমরা। সব উৎসবে ছুটি থাকে। বাংলায় যাঁরা থাকেন, তাঁরা বাংলাকে ভালবেসে থাকেন।”

    আরও পড়ুুন: লোহিত সাগরে ছিনতাই ভারতমুখী পণ্যবাহী জাহাজ! লোপাটের নেপথ্যে হুথি?

    নওশাদকে ডিসটার্ব কেন?

    মুখ্যমন্ত্রীর এই দাবির পরেই তাঁকে নিশানা করেন দিলীপ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী ইদে তিনদিন ছুটি দেন। মুখ্যমন্ত্রী ছুটি দেন। বেতনও দেন না, ডিএ-ও দেন না। আর কেন্দ্রীয় সরকার কাজ করে, ছুটি দেয় না…এখানে ছুটি আছে বলে না বেতন, না ডিএ। রসাতলে যাচ্ছে রাজ্যটা।” রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের বাড়িতে ইডি-সিবিআইয়ের তল্লাশিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে দাবি করেছিল তৃণমূল। এদিন তারও উত্তর দিয়েছেন দিলীপ। তিনি (Dilip Ghosh) বলেন, “নিজেদের বেলায় প্রতিহিংসা। তাহলে বিরোধী দলের বিধায়ক নওশাদকে কেন এত ডিসটার্ব করা হচ্ছে? রোজ রোজ পুলিশি তলব। ইডি-সিবিআই ডাকলেই প্রতিহিংসার কথা বলা হচ্ছে। চুরিও করবেন, আবার চোখও রাঙাবেন! চোরেদের রাজত্ব আর চলতে দেওয়া যাবে না।” মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে তো মেলা-খেলা ছাড়া আর কিছু নেই। মমতা ডিভাইড অ্যান্ড রুলে বিশ্বাসী।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Dilip Ghosh: ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর ভুল চিকিৎসায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতাকেই শোকজ করা উচিত’’, কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর ভুল চিকিৎসায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতাকেই শোকজ করা উচিত’’, কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রীর ভুল চিকিৎসা হলে সাধারণ মানুষের কী হবে? কার্যত এই ভাষায় রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তোপ দাগলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। প্রয়োজনে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে শোকজ করার দাবিও তোলেন বিজেপির এই প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা বিজেপি সাংসদ। ‘মুখ্যমন্ত্রীর ভুল চিকিৎসায় স্বাস্থমন্ত্রী মমতাকেই শোকজ করা উচিত’’ দিলীপের এই কটাক্ষে  তীব্র শোরগোল পড়েছে রাজ্য জুড়ে। কার্যত মুখ্যমন্ত্রী নিজেই রাজ্যের বেহাল অবস্থা বর্ণনা করলেন। 

    কী বললেন দিলীপ (Dilip Ghosh)?

    রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর কতটা বেহাল এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ করেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, “এসএসকেএম রাজ্যের অন্যতম নামী সরকারি হাসপাতাল। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসা ভুলভাল হলে রাজ্যের মানুষের কী হবে?” রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর মমতার হাতে, তাই দিলীপের তির যে মুখ্যমন্ত্রীর দিকে ছিল তা বলার অবকাশ রাখে না।

    পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, “কেউটে হোক আর কেঁচো হোক, সাহস থাকলে বার করুন মুখ্যমন্ত্রী। সরকারের হাতে পুলিশ, সিআইডি আছে। এখন এইগুলিকে তৃণমূল সরকার ব্যবহার করছে নিজেদের দোষ চাপা দেওয়ার জন্য। সিপিএমকে শুধু হুমকি দিয়ে গিয়েছেন কিন্তু একজনকেও গ্রেফতার করতে পারেননি। উল্টে তৃণমূলের চোরেরাই জেলে যাচ্ছে।”

    মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে হাতিয়ার দিলীপের(Dilip Ghosh)

    বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলন করে এসএসকেএমের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার কথা বলেন। পায়ের চোটের কারণে একমাস চলাফেরা করতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমার পায়ের সংক্রমণ সেপটিক টাইপের হয়ে গিয়েছিল। হাতে স্যালাইন চ্যানেল করে রাখা হয়েছিল। বিছানা থেকে উঠতে পারিনি।” নিজের কালীঘাটের বাড়ি থেকেই প্রশাসনিক কাজ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। অপর দিকে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতেই রেখেছেন। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই, নিজের দফতরের কাজ নিয়ে প্রশ্ন করেছেন। আর এই একই কথা বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) মুখে শোনা গেল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘এত বড় শিল্পপতিকে ওখান থেকে সরানো ঠিক হয়নি’’, সিঙ্গুর ইস্যুতে প্রতিক্রিয়া দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘এত বড় শিল্পপতিকে ওখান থেকে সরানো ঠিক হয়নি’’, সিঙ্গুর ইস্যুতে প্রতিক্রিয়া দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘এত বড় শিল্পপতিকে ওখান থেকে সরানো ঠিক হয়নি’’, সিঙ্গুর ইস্যুতে ঠিক এই প্রতিক্রিয়াই শোনা গেল বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) মুখে। প্রসঙ্গত, গতকালই সিঙ্গুর থেকে টাটাকে উচ্ছেদ করার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারকে ১,৩০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আরবিট্রাল ট্রাইব্যুনাল। তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ, ক্ষতিপূরণ হিসেবে টাটাকে এই টাকা দেবে ‘পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগম’। উল্লেখ্য, রাজ্য থেকে ন্যানো বিদায়ের ১৫ বছর পরে সিঙ্গুর মামলায় ধাক্কা খেল মমতা সরকার। ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ, ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে পুরো ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত টাটা মোটরসকে সুদ দিতে হবে। ৭ বছরে ১১ শতাংশ সুদ ধরলে ক্ষতিপূরণের অঙ্ক দাঁড়ায় ১,৩০০ কোটি টাকা। শুধু তাই নয়, মামলার খরচ চালানোর জন্য টাটাকে বাড়তি ১ কোটি টাকা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান রয়েছে সিঙ্গুরের। গতকাল ট্রাইব্যুনালের এই নির্দেশের পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেছেন বিরোধীরা। এ প্রসঙ্গে পূর্বতন সিপিএম সরকার এবং বর্তমানে তৃণমূল সরকারকে একযোগে এদিন নিশানা করেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।

    সিপিএম-তৃণমূলকে একযোগে নিশানা দিলীপের

    দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) মতে, ‘‘এরা (সিপিএম-তৃণমূল) রাজনৈতিক স্বার্থে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে সমাজ বা দেশের কোনও লাভ হয়নি। এত বড় শিল্পপতিকে ওখান থেকে সরানো ঠিক হয়নি। তিন ফসলি জমি দেওয়াটাও ঠিক হয়নি আবার সেই জমিকে বন্ধ করে দিয়ে বেকার করে দেওয়ার কোনও মানে হয় না। সিপিএমও করেছে নিজের রাজনৈতিক স্বার্থে, টিএমসিও করেছে তাই। তার ফল ভুগতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। চাকরিও গেল, ব্যবসা গেল, জমিও গেল। এখন টাকাও যাবে! এর দায়টা কে নেবে? এর জন্য মানুষের কাছে  ক্ষমা চাইতে হবে এদের।’’

    সিঙ্গুর মামলার বর্তমান স্থিতি

    অন্যদিকে, সিঙ্গুর মামলার বর্তমান স্থিতি সম্পর্কে আইনজ্ঞদের বক্তব্য হল যে ট্রাইব্যুনালের এই রায়ের পর উচ্চতর আদালতে আবেদন করার রাস্তা বজায় থাকছে রাজ্যের। তবে আবেদন করতে গেলে রাজ্য সরকারকে মোট ক্ষতিপূরণের ৫০ শতাংশ অর্থ আগে জমা দিতে হবে। আবার তারপরেও ট্রাইব্যুনালের এই নির্দেশ যে উচ্চতর আদালত খারিজ করে দেবে, এমন সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে! কারণ অতীতের রায়গুলিতে এমনটা দেখা যায়নি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Distribution Scam: “তৃণমূলের ঝুলি থেকে বিড়াল বেরিয়েছে, খুন হতে পারেন বালু”, আশঙ্কা দিলীপের

    Ration Distribution Scam: “তৃণমূলের ঝুলি থেকে বিড়াল বেরিয়েছে, খুন হতে পারেন বালু”, আশঙ্কা দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গো-খাদ্য খেল লালু, আর মানুষের খাদ্য খেল বালু।” রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে এই ভাষায়ই কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর আশঙ্কা, “যেহেতু ঝুলি থেকে বিড়াল বেরিয়ে যাচ্ছে তৃণমূলের, তাই এঁদের হত্যাও করা হতে পারে।”

    দিলীপের আশঙ্কা

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি (Ration Distribution Scam) মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন জ্যোতিপ্রিয়। তাঁর আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমান। তদন্তে নেমে ইডি জেনেছে, এই বাকিবুরের পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে জ্যোতিপ্রিয়র পরিবারের। জ্যোতিপ্রিয়কে বাকিবুরের মুখোমুখি বসিয়ে ইডি জেরা করতে পারে বলেও সূত্রের খবর। শুক্রবার আদালতে তোলা হলে জ্যোতিপ্রিয়কে ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন ব্যাঙ্কশাল কোর্টের বিচারক। তার পরেই উত্তর ২৪ পরগনার এই তৃণমূল নেতাকে নিশানা করলেন দিলীপ। তিনি বলেন, “যেটা আশঙ্কা করা হচ্ছে, ধীরে ধীরে ঝুলি থেকে বিড়াল বেরিয়ে যাচ্ছে তৃণমূলের, সেই জন্য এঁদের হত্যাও করা হতে পারে।”

    ‘দিল্লিতে ভাল থাকবেন’

    মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের জেল সুরক্ষিত নয়, হাসপাতালও সুরক্ষিত নয়। সেজন্য আমরা বারবার বলেছিলাম, আর তার জন্য আনা হয়েছে একজনকে, পার্থবাবুকেও নিয়ে আসা হোক, ওঁকেও নিয়ে (Ration Distribution Scam) আসা হোক, সকলকেই এখানে ভাল ব্যবস্থায় থাকুন, সুস্থ থাকবেন। দিল্লির আবহাওয়া ভাল।” বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি বলেন, “যে ধরনের জীবনযাপন করতেন (জ্যোতিপ্রিয়), সেইভাবে তো আর হবে না। তবে যে একটা স্লোগান ছিল, এখন পাল্টে গিয়েছে। যব তক সিঙাড়া মে আলু হ্যায়, তব তক বিহার মে লালু হ্যায়। আমাদের এখানে এখন পাল্টে হয়েছে, গো-খাদ্য খেল লালু, আর মানুষের খাদ্য খেল বালু।”

    আরও পড়ুুন: কোটি কোটি টাকার মালিক! জ্যোতিপ্রিয়ের সম্পত্তির পরিমাণ কত জানেন?

    তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয়র পিএকেও তলব করেছে ইডি। তাঁর বাড়িতে চালানো হয়েছে তল্লাশিও। এ প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, “এখন অনেক কিছু দেখতে হবে। কত পিএ, কত চামচা, কত টাকা, কীভাবে লুঠ (Ration Distribution Scam) হয়েছে। যে মুরগি কাটতো, সে এখন ডেলিভারি বয়, যে কয়লা বিক্রি করতো, সে এখন কয়েকশো কোটি টাকার মালিক। যে মাগুর মাছ বিক্রি করতো, সে এখন ৫৫০ কোটি টাকার মালিক। এরাই তো আজ পশ্চিমবঙ্গের নেতা। পশ্চিমবাংলাকে এই দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share