Tag: Dilip Ghosh

Dilip Ghosh

  • Dilip Ghosh: ‘‘জার্সির রঙ গেরুয়া হলে মুখ্যমন্ত্রী কি গঙ্গায় ঝাঁপ দেবেন’’, মমতাকে কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘জার্সির রঙ গেরুয়া হলে মুখ্যমন্ত্রী কি গঙ্গায় ঝাঁপ দেবেন’’, মমতাকে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপে ভারতীয় দল গেরুয়া জার্সি পরে কেন প্র্যাকটিস করবে? শুক্রবার পোস্তাতে ব্যবসায়ী সমিতির জগদ্ধাত্রী পূজার উদ্বোধনে এই প্রশ্ন তোলেন মমতা। এ নিয়ে শনিবারই মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। দিলীপবাবু বলেন, ‘‘ভারতীয় টিমের জার্সির রঙ যদি গেরুয়া হয় তাহলে মুখ্যমন্ত্রী কি গ্যালারি থেকে ঝাঁপ দেবে নাকি গঙ্গায় ঝাঁপ দেবেন?  এদেশকে গেরুয়া হিসেবে লোকে চেনে। ভারতের জার্সির রং গেরুয়াই করা উচিত। এতদিন কেন করেনি সেটাই প্রশ্ন।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী শুধু বলতেই পারেন কিছু করার ক্ষমতার ওনার নেই।’’

    আরও পড়ুুন: জমির দালাল থেকে তৃণমূলের প্রধান, রকেট গতিতে উত্তরণই কাল হল রূপচাঁদের

    দলীয় কাজে মুর্শিদাবাদে দিলীপ ঘোষ

    প্রসঙ্গত দলীয় সংগঠনের কাজে এখন মুর্শিদাবাদের রয়েছেন দিলীপ ঘোষ। শনিবার সকালেই প্রাত ভ্রমণে বের হন বিজেপি নেতা। তখনই বহরমপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি (Dilip Ghosh) এবং সেখানেই তিনি বলেন, ‘‘হল্যান্ডের লোকেরাও তো গেরুয়া পরে ওটা কি হিন্দু রাষ্ট্র হয়ে গেছে নাকি? উনি শুধু কটাক্ষই করতে পারবেন। আর কিছু পারবেন না।’’

    আরও পড়ুন: ব্যক্তিস্বার্থে নয়, সমষ্টির জন্য কাজ করাকেই ধর্ম বলে, জানালেন আরএসএস নেতা মনমোহন বৈদ্য

    কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ইস্যু পাচ্ছেন না মুখ্যমন্ত্রী

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জার্সির রঙের সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্ক দূরদূরান্ত পর্যন্ত নেই। কারণ ২০১১ সালে লাল জার্সি পরে প্র্যাকটিস করত ধোনি বাহিনী। সেবার বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারতীয় দল। খুব স্বাভাবিকভাবে এখন যদি কেউ প্রশ্ন তোলেন জার্সির রঙ লাল কেন? তা অবান্তর প্রশ্ন ছাড়া কিছুই নেই। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দুর্নীতি ইস্যুতে কোনঠাসা মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কোনও ইস্যু খুঁজে না পাওয়াতেই শেষ পর্যন্ত ক্রিকেটের গেরুয়াকরণ নিয়ে সোচ্চার হচ্ছেন মাননীয়া। কোনও কোনও মহলের মতে, এক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রীর আক্রমণের লক্ষ্য বোর্ডের সচিব জয় শাহ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Dilip Ghosh: ‘‘ভাই-ভাইপো, বাড়ির কুকুর-বিড়াল দুর্নীতিতে যুক্ত’’, মমতাকে নিশানা দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘ভাই-ভাইপো, বাড়ির কুকুর-বিড়াল দুর্নীতিতে যুক্ত’’, মমতাকে নিশানা দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারই কলকাতায় ছিল বিজেপির অমৃত কলস যাত্রা। কর্মসূচির শেষে সমাবেশ থেকে রাজ্যের শাসক দলকে দুর্নীতি ইস্যুতে তীব্র আক্রমণ শানান বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। দিলীপের নিশানায় এদিন ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও। রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককেও তীব্র আক্রমণ করেন বিজেপি সাংসদ। এর পাশাপাশি এদিন নাম না করে অনুব্রত মণ্ডলকেও একহাত নেন বিজেপি নেতা।

    জ্যোতিপ্রিয় প্রসঙ্গ তুলে তীব্র আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীকে

    সম্প্রতি টানা ২১ ঘণ্টা তল্লাশির পরে ইডির হাতে গ্রেফতার হন রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। রবিবার দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ইডির হাতে ধৃত জ্যোতিপ্রিয়র প্রসঙ্গ তুলে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রীকে। তিনি বলেন, ‘‘কোনও বালু-ভালু কিছু করতে পারবে না। বাকি জীবনটা জেলে থাকতে হবে। বিপি হোক, সুগার হোক, মাথা ঘুরে যাক আর পেট ফুলে যাক-ছাড়া পাবেন না। বাঘে ছুঁলে ১৮ ঘা আর ইডি ছুঁলে কত ঘা? গুনে আসুন গিয়ে। দিদি, এই পাপ আপনার পাপ। আপনার ভাই–ভাইপো, বাড়ির কুকুর-বিড়াল দুর্নীতিতে যুক্ত। সবার নাম আসছে। শুধু সময়ের অপেক্ষা। কোমরে দড়ি পরতেই হবে।’’

    নিশানা অনুব্রতকেও

    গরু পাচার মামলায় বর্তমানে তিহাড় জেলে বন্দি রয়েছেন বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। গত বছরেই সিবিআই তাঁকে গ্রেফতার করে। অনুব্রতর সঙ্গে একই অভিযোগে তিহাড়ে রয়েছেন তাঁর কন্যা সুকন্যা মণ্ডলও। এদিন অনুব্রতকে এক হাত নেন মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, ‘‘মাগুর বিক্রি করত যে, সে’ও নেতা। দিদি আপনার বিরাট কন্ট্রিবিউশন। সেও ৫০০ কোটি টাকার মালিক। দিদি আপনি পার্থবাবু, জ্যোতিপ্রিয়বাবুর মতো মন্ত্রী দিয়েছেন। গলায় দড়ি দিন। পাপ ভোগ করতে হচ্ছে। ‘বালু’ বলেছিল, দিলীপ ঘোষ ঢুকলে ঠ্যাং ভেঙে দেব, আমি এখনও দুপায়ে দাঁড়িয়ে আছি। উনিই এখন জেলের পথে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘পশ্চিমবঙ্গের মানুষ দেখতে চাইছেন অভিষেকের গ্রেফতারি’’, তীব্র আক্রমণ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘পশ্চিমবঙ্গের মানুষ দেখতে চাইছেন অভিষেকের গ্রেফতারি’’, তীব্র আক্রমণ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের মানুষ দেখতে চাইছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কবে গ্রেফতার হবেন! ঠিক এই ভাষাতেই তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। সোমবারই খড়গপুরে ‘চায়ের সঙ্গে চর্চা’-এর একটি অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন মেদিনীপুরের সাংসদ। সেখানেই তাঁকে এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করতে শোনা গেল। কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ধর্না কর্মসূচি নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দিল্লিতে চলছে তাদের অবস্থান। এনিয়েও রীতিমতো কটাক্ষ শোনা গেল বিজেপি সাংসদের গলায়।

    হাল্লাগোল্লা করে হাওয়া তোলার চেষ্টা করছে তৃণমূল 

     অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে তৃণমূলের অবস্থান কর্মসূচিকে ‘ডু অর ডাই’ আন্দোলন বলে অভিহিত করেছিলেন। এনিয়ে দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) কটাক্ষ, ‘‘দিল্লি পৌঁছলে তো ডু অর ডাই। তার আগেই তো অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে মারা যাচ্ছেন মানুষরা। যাঁদেরকে লোভ দেখিয়ে এসি বাসে নিয়ে গিয়েছেন। তাঁরা নিশ্চিন্তে আগে দিল্লি পৌঁছন। তার আগে তো ধরনাকারি টিচাররা পৌঁছে যাচ্ছেন। আসলে দিদি প্রধানমন্ত্রী হবে এটা কেউ খাচ্ছে না। তাই দিল্লিতে হাল্লাগোল্লা করে হাওয়া তোলার চেষ্টা করছে। যাতে বোঝাবে টিএমসি লড়াইতে আছে।’’

    পুরো পশ্চিমবাংলার মানুষ দেখতে চাইছে অভিষেক কবে অ্যারেস্ট হবে  

    অন্যদিকে, দিল্লি যাত্রার আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ছিল যে কোনও কর্মীর গায়ে হাত পড়লে তৃণমূল ছেড়ে কথা বলবে না। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত মন্ত্রীকে গ্রেফতারির দাবিও তোলেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। এ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) মন্তব্য, ‘‘এসব ফাঁকা আওয়াজ দিয়ে কি লাভ। পুলিশ দিয়ে কাউকে গ্রেফতার করতে পারেন। সাংবাদিকদের ছাড়ছেন না, বিরোধীদের ছাড়ছেন না। তার বেশি কিছু করতে পারবেন না। কারণ আপনাদের পিছনে কোন লোক নেই। যাঁদেরকে টিকিট দিয়েছেন, যাঁরা লুটপাট করে খাচ্ছে, তাঁরাই দিল্লি যাচ্ছে। কয়েকটা গুন্ডা, বদমাশ, সমাজবিরোধী। আর দু’‌একটা দুর্নীতিগ্রস্ত নেতা। কে আছে ওনাদের সঙ্গে?‌ পুরো পশ্চিমবাংলার মানুষ দেখতে চাইছে অভিষেক কবে অ্যারেস্ট হবে। সে আবার অন্যকে অ্যারেস্ট করার কথা বলছে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: বিদেশে তো উনি সদলবলে বেড়াতে গিয়েছিলেন, মমতা ফিরতেই সরাসরি আক্রমণ দিলীপের

    Dilip Ghosh: বিদেশে তো উনি সদলবলে বেড়াতে গিয়েছিলেন, মমতা ফিরতেই সরাসরি আক্রমণ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশে তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সদলবলে ঘুরতে গিয়েছিলেন, মুখ্যমন্ত্রীর স্পেন সফর সম্পর্কে এভাবেই কটাক্ষ করলেন বিজেপির সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এর আগেও বিদেশ সফর করেছেন মুখ্যমন্ত্রী কিন্তু বাংলাতে তার ফলাফল হয়েছে অশ্বডিম্ব তাই দিলীপ ঘোষের দাবি যে ভুল নয় তা স্বীকার করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। মেদিনীপুরের সাংসদের আরও প্রশ্ন, এই সফর থেকে বাংলার সার্বিক কোনও লাভ হল কি?

    কী বললেন দিলীপ ঘোষ

    শনিবার দিল্লি থেকে কলকাতা ফেরেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। বিমানবন্দরের গেটে সাংবাদিকরা তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘‘আমি জানিনা অনেকেরই ছবি দেখলাম। ওনার সঙ্গে যাঁরা গিয়েছিলেন তাঁরা কিসের বিশেষজ্ঞ! কি তাঁদের বিশেষত্ব! কেন সাধারন মানুষের লাখ লাখ টাকা খরচ করে বিদেশে বেড়াতে নিয়ে যাওয়া হল ওদেরকে।’’ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির (Dilip Ghosh) আরও দাবি, স্পেন থেকে ফুটবল আনতে ওনার সঙ্গে যারা গিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে তো কোনও ফুটবলার ছিলেন না। যদি প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে যাওয়া যেত, তাহলেও বোঝা যেত। কিন্তু যারা কখনও ফুটবল খেলেননি সেই সমস্ত মহামানবরা গিয়েছিলেন ওদের সঙ্গে। 

    রাজ্যে ফিরে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    অন্যদিকে, ১২ দিনের সফর শেষে কলকাতায় ফিরলেন মুখ্যমন্ত্রী। শনিবারই কলকাতায় ফেরেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শিল্প এবং কর্মসংস্থানের দিক থেকে পিছনের সারিতে চলে গিয়েছে রাজ্য। সিন্ডিকেট এবং তোলাবাজির কারণে কোনও ছোটখাটো শিল্প-এর সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তাঁর সফর সফল হয়েছে এবং বিনিয়োগও আসছে। তিনি আরও বলেন, ‘‘মাদ্রিদ, বার্সেলোনা, দুবাইতে আমরা বাণিজ্য সম্মেলন করেছি। এত সফল কর্মসূচি আমি খুব কম দেখেছি।’’ প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রীর বিদেশ সফরে ইংল্যান্ড থেকে মাদ্রিদে হাজির হয়েছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। কলকাতার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে স্পেনের মাদ্রিদে গিয়ে ঘোষণা করতে হল যে শালবনিতে তিনি ইস্পাত কারখানা করবেন। এর আগেও মুখ্যমন্ত্রী এমন বিদেশ সফর করেছেন কিন্তু তার ফলাফল কিছু হয়নি কোনও বিনিয়োগও আসেনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘ভারতে কোনও ইন্ডিয়া থাকবে না, পছন্দ না হলে দেশের বাইরে যাবেন’’, হুঁশিয়ারি দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘ভারতে কোনও ইন্ডিয়া থাকবে না, পছন্দ না হলে দেশের বাইরে যাবেন’’, হুঁশিয়ারি দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি ক্ষমতায় এলে সব উপড়ে ফেলবে। রাস্তাঘাটে কোনও গোলামির চিহ্ন রাখা যাবে না। কলকাতার রাস্তায় এখনও কিছু ব্রিটিশদের মূর্তি রয়েছে। সবই সরিয়ে দেওয়া হবে। দেশের নাম বদলে ইন্ডিয়া থেকে ভারত করা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, দেশকে যারা পরাধীন করে রেখেছিল, তাদের কোনও চিহ্ন দেশে থাকবে না। আর তাই ভারতে কোনও ইন্ডিয়া থাকবে না। ভারতে ভারত থাকবে। আর যাঁদের তা পছন্দ হবে না, তাঁরা ভারতের বাইরে যাবেন।

    বামেদের নিয়ে কী বললেন বিজেপি সাংসদ? (Dilip Ghosh)

    এদিন বামেদের একহাত নিয়ে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, সিপিএমের লোকেদের খুব কষ্ট, যাঁরা চিরদিন বিদেশের তাঁবেদারি করেছেন। চামচাগিরি করতে গিয়ে বলছেন চিন আমার বাপ। বিভিন্ন শহরের নাম পালটেছে, বিদেশিরা বলতে পারত না বলে। সব পালটে দেব আমরা। কোনও বাপের ব্যাটার হিম্মত নেই আটকে রাখার। ইন্ডিয়া পালটে ভারত হবে । যার পছন্দ হবে না সে বাইরে যাবে। খড়্গপুর শহরের ডিভিসি মার্কেটে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে চা চক্রে যোগ দিয়ে একের পর এক হুঙ্কার দেন সাংসদ দিলীপ ঘোষ। চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, মুম্বইয়ের মতো বহু রাজ্য ও শহর ব্রিটিশদের দেওয়া নাম পরিবর্তন করেছে বলে তিনি বলেন, এখানকার শাসক দলের বন্ধুরা জানেই না ভারত কী, ইন্ডিয়া কেন বলছে, এর পিছনে ইতিহাস কী রয়েছে?

    রাজ্যের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত নিয়ে কী বললেন দিলীপ? (Dilip Ghosh)

    কলকাতার রাস্তায় ব্রিটিশদের মূর্তির প্রসঙ্গে বিজেপি সাংসদ (Dilip Ghosh) বলেন, কলকাতার বহু রাস্তাঘাটে ব্রিটিশদের বহু মূর্তি ছিল, কোথায় সব এখন। সেগুলি তুলে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হাউজে রাখা হয়েছে। এখনও বেশ কয়েকটা রয়ে গিয়েছে । বিজেপি ক্ষমতায় এলে সব উপড়ে ফেলব আমরা। মিউজিয়ামের রাখার জিনিস মিউজিয়ামে থাকবে, রাস্তাঘাটে থাকবে না। সকালে উঠে আমাদের ছেলেপুলেরা দেখবে বিদেশিদের মুখ, এ চলবে না। এ দিন রাজ্যের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত নিয়েও মুখ খোলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, রাজ্যপাল তাঁর যেটা দায়িত্ব সেটাই করছেন। যারা ভয় পেয়ে যাচ্ছে, চুরি করছে তারা গালাগালি করছে। তিনি সাংবিধানিক প্রধান। সংবিধান মেনে চললেই হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘লেনিনের সঙ্গে যোগ নেই ভারতের’’, মূর্তি সরানোর সওয়াল সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘লেনিনের সঙ্গে যোগ নেই ভারতের’’, মূর্তি সরানোর সওয়াল সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার লেনিনের মূর্তি সরানোর পক্ষে সরব হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পরাধীনতার চিহ্ন মুছে ফেলা উচিত, এ কথা আগেই বলেছিলেন দিলীপ ঘোষ। এবার সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) কণ্ঠে শোনা গেল সেই একই কথা। 

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) রবিবার বলেন, ‘‘ব্রিটিশদের স্মৃতি সৌধ ভেঙেছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু। লেনিনের যে এত মূর্তি রয়েছে কী অবদান আছে লেনিনের? লেনিনের সঙ্গে ভারতের আত্মার কোনও যোগ নেই। তার চেয়ে আমরা রবি ঠাকুরের মূর্তি বানাবো, বিবেকানন্দের মূর্তি বানাবো, রাজা রামমোহন রায়ের মূর্তি বানাবো। দিলীপ ঘোষকে সরাসরি সমর্থন করে সুকান্ত বলেন, ‘‘বিজেপি বা দিলীপ ঘোষকে দোষী করছেন, সেই দোষে কি নেতাজিও দোষী? পরাধীনতার চিহ্ন মুছে ফেলতে সিঙ্গাপুরে নেতাজি ইংরেজদের একটি স্মৃতিসৌধ ভেঙে ফেলেছিলেন। তাহলে কি নেতাজি ভুল কাজ করেছিলেন? ভারতবাসীর জীবনে লেনিনের কি অবদান রয়েছে? আমার জীবনে তো কোনও অবদানই নেই লেনিনের, আমার পূর্বপুরুষের জীবনেও লেনিনের কোনও অবদান ছিল না। তাই এগুলো রাখার কোন দরকার নেই।’’ 

    সুকান্তর আগে দিলীপ ঘোষও একই সওয়াল করেছিলেন

    প্রসঙ্গত, সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) আগে এই একই সওয়াল করতে শোনা গিয়েছিল বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষকেও। তিনি বলেছিলেন, ‘‘কোথাও ব্রিটিশ, কোথাও মোঘল যারা আমাদের দেশকে এক হাজার বছর ধরে পরাধীন করে রেখেছিল, তাদের কোনও স্মৃতি সৌধ ভারতে থাকবে না। কোনও বাপের বেটার হিম্মত থাকলে তারা রুখে দেখাক। কলকাতার রাস্তাঘাটে ব্রিটিশের বহু মূর্তি রয়েছে। বিজেপি একবার ক্ষমতায় এলে গোলামীর কোন চিহ্ন রাখা হবে না।’’ প্রসঙ্গত আমার দেশ আমার মাটি কর্মসূচিতে রবিবার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি থেকে মাটি সংগ্রহ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) সেখানেই তিনি এই মন্তব্য করেন। সারা দেশ জুড়েই চলছে এই বিজেপির কর্মসূচি। এই কর্মসূচিতে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, ছাড়াও শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির বাড়ি, কালীঘাটের মন্দির থেকে মাটি সংগ্রহ করে দিল্লি পাঠানো হবে। সেখানে তৈরি হবে অমৃত বাটিকা। স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসবে এই অমৃত উদ্যান তৈরি করার জন্য সারা দেশের বিভিন্ন গ্রাম, শহর এবং পবিত্র স্থানগুলির মাটি সংগ্রহের কাজ চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: ‘‘কাশ্মীরের মতো যাদবপুরও ঠান্ডা হবে’’, তোপ দিলীপের

    Jadavpur University: ‘‘কাশ্মীরের মতো যাদবপুরও ঠান্ডা হবে’’, তোপ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুরে (Jadavpur University) ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় সারা রাজ্য। এই আবহে উত্তর ২৪ পরগনার দলীয় সভা থেকে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘কাশ্মীর ঠান্ডা হয়েছে, যাদবপুরও কাল ঠান্ডা হয়ে যাবে।’’ এ প্রসঙ্গে বিজেপি সাংসদ উদাহরণ টানেন দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং তিনি বলেন, ‘‘যেখানে যেখানে সন্ত্রাসবাদী, সমাজবিরোধী শক্তি মাথাচাড়া দিয়েছে, তা আমরা শেষ করে দিতে পেরেছি। দেখে আসুন জেএনইউ। ওখানেও প্রকাশ্যে মদ, গাঁজা খাওয়া হতো। প্রকাশ্যে আজাদি আজাদি স্লোগান তোলা হতো। সবাইকে আজাদ করে দেওয়া হয়েছে।’’ পাশাপাশি মেদিনীপুরের সাংসদের আরও দাবি, বাংলায় বিজেপি সরকার এলে যাদবপুরে (Jadavpur University) বিবেকানন্দের স্ট্যাচু তৈরি হবে, আর ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান চলবে।

    তৃণমূল-কংগ্রেস-সিপিএমের জাতীয় স্তরে জোটকেও এদিন নিশানা করেন দিলীপ ঘোষ 

    একইসঙ্গে রাজ্যের বুদ্ধিজীবীদেরও এদিনের সভা থেকে তোপ দাগেন বিজেপি সাংসদ। উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায় একটি দলীয় সভা ছিল বিজেপির এবং সেখানেই দিলীপ ঘোষের বক্তব্যে উঠে আসে যাদবপুর (Jadavpur University) প্রসঙ্গ। তৃণমূল-কংগ্রেস-সিপিএমের জাতীয় স্তরে জোটকেও এদিন নিশানা করে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘আগামী নির্বাচনে মোদির বিরুদ্ধে লড়াই করবে সবাই, কিন্তু অন্যায়-অবিচার, খুন, ধর্ষণের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে কেউ লড়বে না। সেই বাংলা তৈরি করা হচ্ছে। তাই তৃণমূল চুপ করে আছে।’’ ছাত্রমৃত্যু প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের আরও মন্তব্য, ‘‘ওখানে (Jadavpur University) খুন যেই করুক, এই কাজে তো বিজেপি ছিল না। সিপিএম আছে, নকশালরা আছে, কংগ্রেসের সংগঠন আছে, তৃণমূলও আছে। এবার কিন্তু বিজেপির দিকে কেউ আঙুল তুলতে পারবে না।’’

    দেশবিরোধী শক্তির আখড়া যাদবপুর (Jadavpur University)

    পাশাপাশি এদিন বাংলার যাদবপুর (Jadavpur University), দিল্লির জেএনইউ এবং হায়দরাবাদের ওসমানিয়া ইউনিভার্সিটি একই তারে জোড়া আছে বলেও তোপ দাগেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, এই সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতেই বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি বারবার মাথা দিয়ে উঠছে। এরাই ভারতকে টুকরো করার স্লোগান তোলে। তাঁর কথায়, ‘‘যাদবপুর (Jadavpur University) দেশবিরোধী শক্তির আখড়া হয়ে উঠেছে। যেসব রাজনৈতিক সংগঠন কখনও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে পারে না, যাদের রাজনৈতিক শক্তি নেই, তারাই জেনইউ এবং যাদবপুরে রয়েছে। আমার আপনার বাড়ির ছেলে কখনও কমিউনিজম কী জানে না, নকশাল রাজনীতি বোঝে না, কিন্তু সে ওখানে গিয়ে অতি বাম হয়ে যায়! আসলে সেই পরিবেশ তৈরি করে রাখা হয়েছে।’’ প্রসঙ্গত ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে যাদবপুরে আক্রান্ত হয়েছিলেন তৎকালীন বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। এ প্রসঙ্গ টেনে দিলীপ বলেন, ‘‘ওই সময় (Jadavpur University) বাবুল-অগ্নিমিত্রা পলের উপর আক্রমণ করা হয়েছিল। বাবুলকে থাপ্পড় মারা হয়েছিল। তৎকালীন রাজ্যপাল তাঁকে গিয়েছিলেন উদ্ধার করতে। তাঁকেও কালো পতাকা দেখিয়ে গাড়ি আটকানো হয়েছিল। তারপর আমাদের লোকেরা গিয়ে অফিস উড়িয়ে দিয়েছিল, যেখানে তারা বসে মদ খেতো।’’

    কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী 

    অন্যদিকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান কলকাতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলকে নিশানা করলেন। যাদবপুরকাণ্ডে (Jadavpur University) কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মৃত্যুর দায় এড়াতে পারেন না।’’ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী জানান, যাদবপুর (Jadavpur University) দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। তবে এটা পরিষ্কার হোক যে র‍্যাগিং রুখতে ইউজিসি-র গাইডলাইনকে মানা হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এর দায় নিতে হবে। কোনও ছাত্রকে র‍্যাগিং করার অধিকার নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: বেঙ্গালুরুর বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য চোরদের বাঁচানো, তোপ দাগলেন দিলীপ ঘোষ

    Paschim Medinipur: বেঙ্গালুরুর বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য চোরদের বাঁচানো, তোপ দাগলেন দিলীপ ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) সদর ব্লকের মালিদা গ্রামে ভোট পরবর্তী হিংসার শিকার হওয়া বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। রাজ্যের শাসক শিবিরকে একাধিক ইস্যুতে তোপ দাগলেন দিলীপ ঘোষ। এছাড়াও খড়্গপুরে চায়ে পে চর্চায় যোগদান করে বিভিন্ন বিষয়ে বেঙ্গালুরুতে বিরোধীদের বৈঠকের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন।

    কৌস্তুভ রায়ের গ্রেফতার সম্পর্কে কী বললেন?

    দিলীপ ঘোষ মালিদা গ্রামে (Paschim Medinipur) তৃণমূলের সন্ত্রাসে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে হিংসার কথা সবিস্তারে শোনেন। সেই সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের সবরকম সাহয্যের আশ্বাস দেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কৌস্তুভ রায়ের গ্রেফতার প্রসঙ্গে বলেন, আর্থিক প্রতারণা মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছে বলে শুনেছি। পিনকন চিটফান্ড কাণ্ডে নাম জড়ায় এই তৃণমূল নেতার। তার মোবাইল থেকে একাধিক প্রভাবশালীর নাম মিলেছে। এই ব্যক্তি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অনেকবার বিদেশে যাত্রা করছে। এমনকি বিদেশে যাতায়াত করার সময় কয়েকবার আর্থিক লেনদেনে ধরাও পড়েছে। তৃণমূলের অন্যতম রাখব বোয়াল এই ব্যক্তি। অনেক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে সে। ধরা যখন পড়েছে আরও অনেক তৃণমূল নেতার নাম উঠে আসবে।

    চায়ে পে চর্চাতে কী বললেন?  

    মঙ্গলবার সকালে খড়্গপুরে (Paschim Medinipur) দিলীপ ঘোষ চায়ে পে চর্চার মধ্যে সাংবাদিকদের বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট লুঠ, ছাপ্পা ভোট, গণনার দিন ব্যালট ছিনতাই সব রকম অপকর্ম রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল করছে। শুধু এই করেই ক্ষান্ত হয়নি। গণনার পর থেকেই বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে আক্রমণ করছে তৃণমূল। এমনকি বিজেপির জয়ী প্রার্থীরাও ঘরছাড়া হয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্রকে সবদিক থেকে হরণ করছে তৃণমূল।

    বেঙ্গালুরুতে বিরোধীদের বৈঠকের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, গত ১৯ এর লোকসভার আগেও বিরোধীদের নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক করেছেন, মাছ ভাত খাইয়েছেন, কিন্তু লাভ কিছুই হয়নি বরং একডজন সিট কমে গেছে। মোদির বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে সিপিএম আজ অপ্রাসঙ্গিক। সবটাই অস্তিত্বের জন্য লড়াই করছেন। কে কার বিরুদ্ধে লড়াই করছেন কেউ কিছুই জানেন না। তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে এতো তৃণমূল বিরোধী মানুষ পঞ্চায়েত নির্বাচনে খুন হলেন। কিন্তু কোনও জাতীয় দলের নেতারা কিছু বলছেন না এই বৈঠকে! নিজের দলের মানুষরাই মারা যাচ্ছেন। অথচ দলের নেতারা নির্বাক! অত্যন্ত লজ্জার ঘটনা। এই বেঙ্গালুরুর বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য হল চোরদের বাঁচানো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভাইপোকে বাঁচাতে বৈঠক করছেন আর বাকিরা নিজেদের পরিবারকে বাঁচাতে বৈঠক করছেন মোদির বিরুদ্ধে। তিনি আরও বলেন, বিচারপতিদের নামে যেভাবে তৃণমূলের নেতারা প্রকাশ্যে বক্তব্য রাখছেন, তাতে সাধারণ মানুষের মনে বিচার ব্যবস্থার প্রতি সন্দেহ তৈরি করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: “মুখ্যমন্ত্রীর কাজ গভর্নর করছেন” ‘চায়ে পে চর্চা’ থেকে মন্তব্য দিলীপ ঘোষের

    Birbhum: “মুখ্যমন্ত্রীর কাজ গভর্নর করছেন” ‘চায়ে পে চর্চা’ থেকে মন্তব্য দিলীপ ঘোষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তারাপীঠ (Birbhum) এলাকায় “চায়ে পে চর্চা” কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিলীপ ঘোষ বিজেপির কর্মী এবং প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বললেন। আর সেখান থেকেই শাসক দল তথা তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ করলেন। ছাড় পাননি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। অন্যদিকে, এদিন রাজ্যপালের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।

    রাজ্যাপাল নিয়ে কী বললেন (Birbhum)?

    বীরভূমে (Birbhum) দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যে ১২ হাজার নির্দল প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। ওরাও তো তৃণমূল! তৃণমূল দলটা চোরে ভর্তি। তাই নিজেদের মধ্যে “খুনোখুনি” করে চলেছে। আরও হত্যালীলা দেখতে পাবেন। কারণ পুলিশ তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে, আর কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। দিলীপ ঘোষ রাজ্যপাল প্রসঙ্গে জানান, মুখ্যমন্ত্রীর কাজটা গভর্নর করছেন! নিহত ও আহতদের বাড়িতে যাচ্ছেন। এমন দিন এসেছে যে বাংলার রাস্তায় বোমা-বন্দুক পড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। আইএসএফ ও তৃণমূল সংর্ঘষ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ দুই দলকেই কটাক্ষ করেন।

    ছাপ্পা ভোট প্রসঙ্গে কী বললেন?

    নির্বাচনে হবে বিজেপির জয়। কিন্তু তৃণমূল ভুয়ো কাগজপত্র আর বল প্রয়োগ করে নির্বাচনে জয়ী হাওয়ার কৌশল করছে। ছাপ্পা ভোট দেওয়ার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস অতিরিক্ত ব্যালট ছাপিয়েছে। শাসক দলের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ আনেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তারাপীঠে (Birbhum) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, বুথে যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকে, তৃণমূল কংগ্রেস ভোট লুট করবেই। সরকারি কর্মচারীরা ভয়ে ভোট করতে যাবে না। এক্সট্রা ব্যালট যেগুলি ছাপানো হয়েছে, সেগুলি ঢোকানো হবে। আর এভাবেই জিততে চাইছে তৃণমূল।

    নির্বাচনী প্রচারে দিলীপ বীরভূমে (Birbhum)

    শনিবার বীরভূমের ভোট প্রচারে এসেছেন দিলীপ ঘোষ। সকাল থেকেই সেখানে বিভিন্ন কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। সকাল ন’টায় তারাপীঠ (Birbhum) কড়কড়িয়া মোড়ে চা চক্রে অংশগ্রহণ করেন তিনি। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রশ্নের উত্তরে এক হাত নেন শাসকদল তৃণমূলকে। তিনি বলেন, বিজেপির কোনও দুষ্কৃতী নেই, কোনও আশ্রিত নেই। তৃণমূলের এত ভালো ছাতা থাকতে আমাদের কাছে আশ্রয় নেবে কেন? সব গুন্ডারা তৃণমূলের আশ্রয়েই আছে। তারাই আলাদা আলাদা দল হয়ে মারামারি করছে। সব জায়গায় তৃণমূল নিজেদের মধ্যেই খুনোখুনি, মারামারি করছে, ভয় দেখানো হচ্ছে সর্বত্র। ভয় না দেখিয়ে তৃণমূল জিততে পারবে না! তবে তৃণমূল এবার হারবে। তাই হারার ভয়ে লোককে ভয় দেখাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: ‘‘একবারের জন্যও হিংসা বন্ধের আবেদন করেননি মুখ্যমন্ত্রী’’! তোপ দিলীপের

    Purba Bardhaman: ‘‘একবারের জন্যও হিংসা বন্ধের আবেদন করেননি মুখ্যমন্ত্রী’’! তোপ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে পঞ্চায়েতগুলিতে টিএমসি রয়েছে। শুধুই দুর্নীতি হয়েছে এত বছর ধরে। কিন্তু প্রধান, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য-কারও বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর হয়নি। ঠিক এই ভাবেই পূর্ব বর্ধমানে (Purba Bardhaman) গিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

    কী বললেন দিলীপ ঘোষ (Purba Bardhaman)?

    নির্বাচনী প্রচারে (Purba Bardhaman) এসে দিলীপ ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চান না দুর্নীতি বন্ধ হোক। তিনি দুর্নীতি করাচ্ছেন এবং তিনিই দায়িত্ব নিয়ে হিংসা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। একবারের জন্য রাজনৈতিক হিংসা বন্ধের কথা বলেননি। তিনি মাথার ওপর বসে বসে সমস্ত দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন। আজ সায়নী ঘোষের ইডিতে হাজিরা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চুরি করার পর অনেকেই এমন কথা বলেন! এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, যাদের ইডি ডেকেছে, এখন কোথায় আছে খোঁজ নিয়ে দেখুন। এক অনুষ্ঠানে তৃণমূল নেত্রী শশী পাঁজা এদিন বলেছেন, বিজেপি চক্রান্ত করে সিবিআইকে লেলিয়ে দিচ্ছে। উত্তরে দিলীপ ঘোষ বলেন, যেখানে বিজেপি রাজ্যে রয়েছে, সেখানে দুর্নীতি সব থেকে কম হয়েছে। আর যেখানে বিজেপি নেই, সেখানে দুর্নীতি সব থেকে বেশি হচ্ছে।

    মনোনয়ন নিয়ে কী বললেন?

    দিলীপ ঘোষ বলেন, আমাদের প্রার্থীদের ইচ্ছে করে বিডিও অফিস থেকে নাম বাতিল করা হয়েছে। উলুবেড়িয়া প্রসঙ্গে বলেন, বিরোধীদের মনোনয়ন বাতিল নিয়ে হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। তৃণমূলের দুর্নীতি পঞ্চায়েত নির্বাচনেও হয়েছে। অধিকাংশ বিরোধীদের মনোনয়ন বাতিলে বিডিও-এসপিরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। বান্ডিল করে বিডিও অফিস থেকে মনোনয়নপত্র তুলে, বাড়িতে নিয়ে গিয়ে পূরণ করে আবার বিডিও অফিসে জমা করেছে তৃণমূলের নেতারা। বিডিও সাহেবরা ভালো করে নজরই দেননি। কারণ তৃণমূলের মনোনয়ন ছিল বলে কথা। সৌদি আরব থেকেও পঞ্চায়েতে মনোনয়ন হয়েছে। ঠিক এই ভাবেই পূর্ব বর্ধমানে (Purba Bardhaman) এসে তৃণমূল সরকারের প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন দিলীপ ঘোষ।

    বাহিনী প্রসঙ্গে কী বললেন?

    সাংবাদিক সম্মেলনে দিলীপ ঘোষ (Purba Bardhaman) আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত এগারো বছরে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন যে আজ সরকারি কর্মচারীরা বলেছেন, সেন্ট্রাল ফোর্স ছাড়া ভোট করতে যাবেন না। তাই তৃণমূলের তৈরি করা শাসন কাঠামো এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে আমাদের জনমত গড়ে তুলতে হবে। তৃণমূলকে হারানোর জন্যই বিজেপি লড়ছে। তিনি আরও বলেন, নবজোয়ারের নামে স্কুল-কলেজ বন্ধ করে রাজনীতি করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকাল-বিকেল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে গালিগালাজ করেন, আবার বিপদে পড়লে সেই বাহিনীর কাছে গিয়েই আশ্রয় নিতে হয় তাঁকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share