Tag: Donald Trump

Donald Trump

  • Donald Trump: ট্রাম্প একা নন, গুলিবিদ্ধ  হওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীদের তালিকা দীর্ঘ

    Donald Trump: ট্রাম্প একা নন, গুলিবিদ্ধ হওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীদের তালিকা দীর্ঘ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেনসিলভেনিয়ায় দলের প্রচার করার সময় ট্রাম্পের (Donald Trump) কান ঘেঁষে বেরিয়ে গেল গুলি। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প। আমেরিকায় ভোটের প্রচারে রাজনৈতিকদের জনসংযোগের সময়, এমনকি রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন গুলিবিদ্ধ হওয়ার গুলিবিদ্ধ হওয়ার নজির রয়েছে। ভোটের এক বছর আগে জনসংযোগে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন জন এফ কেনেডি। তাঁর ভাইপো রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র, ট্রাম্পের সাহসকে কুর্নিশ জানিয়েছেন। রবার্ট জুনিয়রের বাবা রবার্ট এ কেনেডি প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে ছিলেন। তিনিও গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন।

    খুন হওয়া প্রথম প্রেসিডেন্ট আব্রাহম লিঙ্কন  

    আমেরিকায় (America) প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সর্বপ্রথম নিহত হয়েছিলেন আব্রাহাম লিঙ্কন। যিনি ওই দেশে  কয়েক শতক ধরে চলে আসা ঘৃণ্য দাস প্রথা সমাপ্ত করেছিলেন। ১৮৬৫ সালের ১৪ এপ্রিল ওয়াশিংটনে থিয়েটার দেখার সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে মাথার পিছনে গুলি করা হয়েছিল। পরের দিন হাসপাতালে ১৪ই এপ্রিল তাঁর মৃত্যু হয়। এরপর ১৮৮১ সালের ২ জুলাই ওয়াশিংটনের একটি স্টেশনে ট্রেন ধরতে যাওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হন জেমস গারফিল্ড। সবে মাত্র ছয় মাস হয়েছিল তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন। তাঁর বুকে গুলি লেগেছিল। দীর্ঘদিন চিকিৎসার পর মৃত্যু হয় জেমস গারফিল্ডের। মার্কিন প্রেসিডেন্টদের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ইতিহাস এখানেই থেমে থাকে নি। এরপর ১৯০১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের বাফেলোতে একটি সভার পর লোকজনের সঙ্গে হাত মেলানোর সময় উইলিয়াম ম্যাককিনলে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। কিছুদিন চিকিৎসারত থাকার পর ১৪ সেপ্টেম্বর মৃত্যু হয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ তম প্রেসিডেন্টের।

    খুন হওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্টদের তালিকা দীর্ঘ  

    ১৯৩৩ সালে মায়ামিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারে গিয়েছিলেন ফ্র্যাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট । হুডখোলা গাড়িতে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন তিনি। তাঁকে লক্ষ্য করেও পরপর গুলি ছুটে আসে। যদিও বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি। ১৯৫০ সালে হোয়াইট হাউসের কাছে বেয়ার হাউসে ছিলেন তৎকালীন (America) প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্র্যুম্যান সেই বাড়িতে ঢুকে গিয়ে গুলি চালান দুই আততায়ী। আমেরিকার ৩৩ তম প্রেসিডেন্ট প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন সেবার। আততায়ী এবং হোয়াইট হাউসের এক রক্ষী নিহত হয়েছিলেন। এরপর ১৯৬৩ সালের নভেম্বরে আমেরিকার ডালাসে জনসংযোগে গিয়েছিলেন ৩৫ তম প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী জ্যাকলিন কেনেডি। হুডখোলা লিমুজিনে চড়ে জনসংযোগ করছিলেন তিনি। সেই সময় তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। সঙ্গে সঙ্গে পার্কল্যান্ড  মেমোরিয়াল হাসপাতালে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: সভায় প্রাণঘাতী হামলা, ট্রাম্পের কান ছুঁয়ে বেরিয়ে গেল গুলি! নিন্দা মোদির

    কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয় তাঁর। প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগন, জেরাল্ড ফোর্ড, জর্জ ডব্লিউ বুশকে লক্ষ্য করেও গুলি করা হয়েছিল। কিন্তু তাঁরাও প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) মতই।

    প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীরাও অতীতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন (Donald Trump)

    ট্রাম্পের মতই আমেরিকার (America) প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীদের লক্ষ্য করে অতীতে গুলি করা হয়েছে। ১৯১২ সালে মিলওয়াওকিতে প্রচারে গিয়েছিলেন থিওডোর রুজভেল্ট। তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়েছিল। ডেমোক্র্যাটের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী দৌড়ে ছিলেন রবার্ট এফ কেনেডি। ১৯৬৮ সালে তাঁকেও গুলি করে খুন করা হয়। সেই রবার্টের ছেলে রবার্ট জুনিয়র বলেন, “ট্রাম্পের (Donald Trump) সাহস অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তাঁর পরিবারকে আমি বার্তা পাঠিয়েছি। তিনি সুস্থ রয়েছেন, জেনে আমি স্বস্তি পেয়েছি। তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: সভায় প্রাণঘাতী হামলা, ট্রাম্পের কান ছুঁয়ে বেরিয়ে গেল গুলি! নিন্দা মোদির

    Donald Trump: সভায় প্রাণঘাতী হামলা, ট্রাম্পের কান ছুঁয়ে বেরিয়ে গেল গুলি! নিন্দা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট তথা প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) সভায় বন্দুকবাজদের হামলা। অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ট্রাম্প। প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্টের কান ছুঁয়ে বেরিয়ে গেল গুলি (Gunshot fired)। রক্তাক্ত হলেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর এমন প্রাণঘাতী হামলার কড়া নিন্দা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিজের এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পকে বন্ধু বলে সম্মোধন করেন। তিনি লেখেন, ‘‘প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর এমন হামলার কড়া নিন্দা জানাচ্ছি। গণতন্ত্রে হিংসার কোনও স্থান নেই।’’ এর পাশাপাশি নরেন্দ্র মোদি ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।

    ডানকান থেকে তাঁর (Donald Trump) রক্ত গড়িয়ে পড়ছিল

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৫ নভেম্বর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন রয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী। এদিন নির্বাচনী জনসভা তিনি করছিলেন পেনসিলভেনিয়াতে। হঠাৎ করেই পরপর তিনটি গুলির শব্দ শোনা যায়। এমনই সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমে কানে হাত দিয়ে বসে পড়েন। রক্ত (Gunshot fired) দেখার পর বুঝতে পারেন ঠিক কী হয়েছে! পোডিয়ামে তাঁকে আড়াল করে ঘিরে ধরেছিলেন নিরাপত্তারক্ষীরা। ডানকান থেকে তাঁর রক্ত গড়িয়ে পড়ছিল। তখনও তিনি ডান হাতের মুঠি শক্ত করে ওপরের দিকে ছুড়ে বলতে থাকেন ফাইট-ফাইট।

    নিহত মূল অভিযুক্ত

    সোশ্যাল মিডিয়াতে মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় সেই ছবি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বর্তমানে তিনি বিপদমুক্ত বলেই জানা গিয়েছে। সংবাদমাধ্যমের সামনে যে ছবি এসেছে সেখানেও দেখা যাচ্ছে ঘটনার পরেই তাঁকে দ্রুত মঞ্চ থেকে নামিয়ে আনা হয়। পরে তিনি নিজের অভিজ্ঞতার কথা ভাগও করে নেন। গুলি চলার সময় জনতাও নিচু হয়ে বসে পড়ে। সভাতে মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রাণভয়ে অনেকে দৌড়াদৌড়িও শুরু করে দেন। হোয়াইট হাউসের তরফ থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার অন্যতম মূল অভিযুক্ত এবং তাঁর একসঙ্গে একজন বর্তমানে নিহত হয়েছেন। আরও দুজন জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    এনিয়ে কী বলছেন ট্রাম্প (Donald Trump)

    ঘটনাপ্রসঙ্গে ট্রাম্প পরে সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘আমাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছিল। গুলি আমার কান ঘেঁষে বেরিয়ে গিয়েছে। ডান কানের উপরের দিকের চামড়া গুলিতে চিরে গিয়েছে।’’ ট্রাম্প আরও বলেন, ‘‘আমি সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পেরেছিলাম, কিছু একটা গোলমাল হয়েছে। কারণ আমি একটা অদ্ভুত শব্দ শুনতে পেয়েছিলাম। তার পর কানে ধারালো কিছু অনুভব করেছিলাম। অনেকটা রক্ত বেরিয়ে যাওয়ার পর বুঝলাম, আসলে কী ঘটেছে। আমাদের দেশে যে এমনটা ঘটতে পারে, ভাবতেই পারি না। বন্দুকবাজ সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। তিনি নিহত।’’ দলমত নির্বিশেষে ট্রাম্পের সভায় এই হামলার ঘটনার নিন্দা করেছেন আমেরিকার রাজনৈতিক নেতারা। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ‘‘আমেরিকায় এই ধরনের হিংসার কোনও জায়গা নেই। আমাদের একজোট হয়ে এই হিংসার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো উচিত এবং এর নিন্দা করা উচিত।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Elon Musk: নীতি বদল ইলন মাস্কের! ট্রাম্পের ভোটপ্রচারে টাকা দিলেন আমেরিকার ধনকুবের

    Elon Musk: নীতি বদল ইলন মাস্কের! ট্রাম্পের ভোটপ্রচারে টাকা দিলেন আমেরিকার ধনকুবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ‘নিরপেক্ষ নীতি’ ত্যাগ করলেন ধনকুবের ইলন মাস্ক (Elon Musk)। রিপাবলিকান পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump) রাজনৈতিক অনুদান দিলেন টেসলা কর্তা। আমেরিকার সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনে এমনই জানানো হয়েছে। তবে ট্রাম্পকে ভোটপ্রচারে সহায়তা করার জন্য মাস্ক ঠিক কত টাকা দিয়েছেন, তা ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। 

    নিরপেক্ষতার কথা! (Elon Musk)

    মাস্কের (Elon Musk) পূর্বপুরুষেরা দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আমেরিকায় গিয়েছিলেন। সেই সূত্রে মাস্করা অভিবাসনের আওতায় পড়েন। ট্রাম্প নীতিগত ভাবে অভিবাসন বন্ধ করার পক্ষপাতী। সেই ট্রাম্পকে মাস্কের অর্থসাহায্য করার ঘটনাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এতদিন, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নিরপেক্ষ স্থান বজায় রাখার পক্ষেই সওয়াল করেছিলেন ইলন। এর আগে মাস্ক দাবি করেছিলেন, তিনি রাজনৈতিক ভাবে নিজের মত সামনে আনতে চান না। তাই ট্রাম্প (Donald Trump)  কিংবা জো বাইডেন, কারও নির্বাচনী প্রচারেই তিনি অর্থব্যয় করবেন না।

    আরও পড়ুন: ব্রিটেনের কুর্সিতে লেবার পার্টি, স্টার্মার-রাজত্বে ভারত-ব্রিটেন সম্পর্ক কেমন হবে?

    কত পরিমাণ অর্থ (Donald Trump) 

    সূত্রের খবর, ট্রাম্পকে ‘উল্লেখযোগ্য’ পরিমাণে অর্থ দিয়েছেন মাস্ক (Elon Musk)। তবে নির্দিষ্ট অঙ্কটা সামনে আনা হয়নি। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ট্রাম্পের (Donald Trump) প্রচারের কাজে নিযুক্ত সংস্থা ‘আমেরিকা পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি’-কে অনুদানের টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত অনুদান পাওয়ার নিরিখে প্রতিদ্বন্দ্বী বাইডেনের তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন ট্রাম্প। সম্প্রতি ট্রাম্পের সঙ্গে প্রথম নির্বাচনী বিতর্কে নেমেছিলেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সে দিন বাইডেনের কাঁপা-কাঁপা গলা, বক্তব্যের খেই হারিয়ে ফেলা নিয়ে চর্চা শুরু হয় ডেমোক্র্যাটদের মধ্যেই। এমনকি প্রার্থী বদল করার প্রস্তাবও আসে। কিন্তু নিজের স্থানে অনড় থাকেন বাইডেন। তিনি নির্বাচনে লড়বেন এবং ট্রাম্পকে হারাবেন বলেও তাঁর বিশ্বাস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Joe Biden: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ‘পুতিন’, কমলা হলেন ‘ট্রাম্প’! কী বললেন বাইডেন?

    Joe Biden: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ‘পুতিন’, কমলা হলেন ‘ট্রাম্প’! কী বললেন বাইডেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার বক্তব্য-বিভ্রাট বাইডেনের (Joe Biden)। ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে ‘পুতিন’ বলে ডাকলেন। আবার কথায় কথায় কমলা হ্যারিসের কথা বলতে গিয়ে নিজের ভাইস প্রেসিডেন্টকে ডোনাল্ড ট্রাম্প বানিয়ে দিলেন। স্বভাবতই মার্কিন প্রেসিডেন্ট (US President) বাইডেনের শারীরিক সক্ষমতা, বয়স নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

    জেলেনস্কি হলেন ‘পুতিন’

    আমেরিকায় নেটো গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে বৈঠক চলছে। বৃহস্পতিবার সেই বৈঠকেই বক্তব্য রাখতে ওঠেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট (US President) জো বাইডেন (Joe Biden)। তাঁর পরের বক্তা ছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। বাইডেনকে বলতে শোনা যায়, “আমি এ বার মঞ্চ ছেড়ে দিতে চাই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে। যাঁর আছে সাহস, আছে কিছু করে দেখানোর ইচ্ছা। আমি প্রেসিডেন্ট পুতিনকে স্বাগত জানাচ্ছি।” নেটোর বৈঠকে পুতিন এলেন কোথা থেকে, তা ভেবেই হতচকিত হয়ে যায় বৈঠকে উপস্থিত অতিথিরা। অপ্রস্তুত দেখায় জেলেনস্কিকেও। ভুল হয়েছে বুঝতে পেরে তা সংশোধন করে নেন বাইডেনও। বলেন, “জেলেনস্কি পুতিনকে হারাবেন।”

    হ্যারিস হলেন ‘ট্রাম্প’

    শুধু একবারই নয়, বাইডেন (Joe Biden) আরও একবার মুখ ফস্কান। ওই বৈঠকেই। তিনি বলেন, “দেখুন, আমি ট্রাম্পকে ভাইস প্রেসিডেন্ট করতামই না, যদি তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্য না হতেন।” বাইডেন যখন এই মন্তব্য করছেন, তখন দর্শকাসনে বসে আমেরিকার শীর্ষ পদাধিকারীরা। অনেকেই মনে করছেন, দেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের সঙ্গে গুলিয়েছেন বাইডেন।

    আরও পড়ুন: বাজেটের আগে বিশেষ বৈঠক, অর্থনীতিবিদদের থেকে পরামর্শ নিলেন মোদি

    পরপর ভুল বাইডেনের (Joe Biden)

    প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক ‘ভুল’ করেছেন জো বাইডেন (Joe Biden)। সাক্ষাৎকার থেকে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ডিবেটে জড়িয়েছে তাঁর কথা। এরই মাঝে কয়েকদিন আগেই এক রিপোর্টে দাবি করা হয়, গত জানুয়ারি মাসে হোয়াই হাউজে এসেছিলেন পার্কিনসন রোগ বিশেষজ্ঞ। এই আবহে বাইডেনের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আরও জল্পনা বেড়েছে। এরই মাঝে এবার আন্তর্জাতিক মঞ্চেও ‘হোঁচট’ খেলেন বাইডেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নির্বাচনের প্রচারে দাঁড়িয়ে বাইডেন বলেন, ‘২০২০ সালে ট্রাম্পকে আবারও হারাব’। আর তাঁর সেই মুখ ফসকে বেরিয়ে যাওয়া কথা নিয়ে তোলপাড় নেটপাড়া। বাইডেনের পরপর ‘হোঁচট’ দেখে ইতিমধ্যেই ডেমোক্র্যাটদের প্রার্থী বদলের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে নিজের অবস্থানে অনড় থেকেছেন বাইডেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: পর্নস্টারকে ঘুষকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত ট্রাম্প! সাজা ঘোষণা ১১ জুলাই, কী আছে তাঁর কপালে?

    Donald Trump: পর্নস্টারকে ঘুষকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত ট্রাম্প! সাজা ঘোষণা ১১ জুলাই, কী আছে তাঁর কপালে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পর্নস্টারকে ঘুষ দেওয়ার (Pornstar Hush Money Trial) জন্য ব্যবসায়িক নথি জাল করার অভিযোগে দোষী (Donald Trump) সাব্যস্ত হলেন হলেন প্রাক্তন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প। নথি জালিয়াতি সংক্রান্ত ৩৪টি অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। এর সব কটিতেই দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ট্রাম্প। নীল ছবির নায়িকা স্টর্মি ড্যানিয়েলকে ঘুষ দেওয়ার জন্য জালিয়াতি মামলা হয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে। এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাজা ঘোষণা হবে ১১ জুলাই।

    দোষী সাব্যস্ত প্রথম প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট (Donald Trump)

    প্রসঙ্গত ট্রাম্প (Donald Trump) প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট যিনি ফৌজদারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। এর আগেও কতিপয় মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলেও বাকি প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিরা বেকসুর খালাস হয়েছেন। কিন্তু ভাগ্য সহায় হয়নি ট্রাম্পের। যদিও বিচার প্রক্রিয়া (Pornstar Hush Money Trial) প্রভাবমুক্ত নয়, এমনই অভিযোগ এনেছেন ট্রাম্প। তাঁর বিরুদ্ধে যা অভিযোগ তাতে মার্কিন অনুযায়ী আইন অনুযায়ী কারাদণ্ড ও জরিমানা হতে পারে। একসঙ্গে উভয়ও সাজা হওয়ার প্রাধান বিধান রয়েছে। মার্কিন আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৪ বছর প্রত্যেক অভিযোগের জন্য সাজা হতে পারে। তবে তাঁকে জরিমানা ও কমিউনিটি সার্ভিস আরোপ করে করে ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

    রাজনৈতিক চক্রান্ত অভিযোগ ট্রাম্পের

    প্রসঙ্গত প্রথম থেকেই ট্রাম্প তাঁর বিরুদ্ধে নিউইয়র্ক আদালতে আনা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছেন। ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি আলভিন ব্র্যাগ প্রথমে তাঁর মামলার তদন্ত শুরু করেছন। তিনি ডেমোক্র্যাট দলের সদস্য ছিলেন। ফলে রাজনৈতিক চক্রান্তের অভিযোগ তোলা সহজ হয় ট্রাম্প শিবিরের তরফে। মামলার তত্ত্বাবধানকারী বিচারক জুয়ান মার্চান ১১ জুলাই তাঁর শাস্তির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। চলতি বছর নভেম্বর মাসে শুরু হবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন প্রেসিডেন্ট। কিন্তু ফৌজদারি মামলায় দোষী (Donald Trump) সাব্যস্ত হওয়ার পর তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অনুষ্ঠিত হয়ে উঠতে পারে। নীল ছবির নায়িকার (Stormy Daniel) সঙ্গে সম্পর্ক এবং শেষে মুখ বন্ধ রাখার জন্য জালিয়াতি ও ঘুষের মামলায় ট্রাম্পের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শেষ পর্যন্ত তিনি রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হলেন ডেমোক্র্যাট (Democrat) দলের বাড়তি সুবিধা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আদালতের অভিযোগকে সামনে এনে তাঁর অস্বচ্ছ ভাবমূর্তি তুলে ধরে ভোটে এই বিষয়টিকে ইস্যু করতে পারে তাঁরা।

    আরও পড়ুন: লাহোর চুক্তি ভঙ্গ হয়েছিল, ‘দোষ’ কবুল পাকিস্তানের

    মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, এটা আমার জন্য মর্যাদা হানিকর আমি ন্যায় বিচার পাইনি। আমি খুবই নিরীহ মানুষ আমি লড়াই চালিয়ে যাব শেষ পর্যন্ত লড়াই করব এবং জিতবো। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তিনি পর্নতারকা ষ্টর্মি ড্যানিয়েলের সঙ্গে সহবাসের পর ২০১৬ সালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় তার মুখ বন্ধ রাখার জন্য এক লক্ষ তিরিশ হাজার ডলার ঘুষ দিয়েছিলেন (Pornstar Hush Money Trial) এবং ঘুষের দেওয়ার জন্য জন্য তার ব্যবসায়ী সংস্থার নথিপত্র জালিয়াতি করেছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: নির্বাচনে দুর্নীতির অভিযোগ! আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ ডোনাল্ড ট্রাম্পকে

    Donald Trump: নির্বাচনে দুর্নীতির অভিযোগ! আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ ডোনাল্ড ট্রাম্পকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনে কারচুপি করায় অভিযুক্ত আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। আর এই কারণে জর্জিয়ার আদালত তাঁকে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দিয়েছে। ট্রাম্প অবশ্য সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে একে বিরোধীদের অপপ্রচার বলে দাবি করেছেন। আত্মসমর্পণের জন্য আগামী ২৫ অগাস্ট পর্যন্ত সময় দিয়েছে আদালত। 

    অভিযোগ কী (Donald Trump)?

    প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump) আমেরিকার নির্বাচনে দুর্নীতি করার অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে বিচার বিভাগ। এছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে শপথ অমান্য করা এবং জালিয়াতির ষড়যন্ত্র করার অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে। ট্রাম্প নিজে জর্জিয়ার নির্বাচনী এক আধিকারিককে ১১৭৮০ টি ভোটের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ দায়ের হয়। আর তারপর জর্জিয়া গুন্ডামি-বিরোধী র‍্যাকেটিয়ারিং আইন ভাঙার অভিযোগ উঠেছে এই প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে। জানা গেছে, সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত চারটি মামলায় অভিযুক্ত ট্রাম্প। ট্রাম্পের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের তৎকালীন চিফ অফ স্টাফ মার্ক মেডোস এবং আইনজীবী রুডি জুলিয়ান নামে আরও দুজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে এই মামলায়। নিয়ম অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে নির্দেশ এদিন পড়ে শোনানো হয় আদালতেই।   

    ট্রাম্পের বক্তব্য

    আদালতের নির্দেশের বিরুদ্ধে ট্রাম্প (Donald Trump) বলেন, আগামী নির্বাচনের সময় যত এগিয়ে আসছে, তত আমার বিরোধী পক্ষ অপদস্থ করবার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। এইসব অভিযোগ ভিত্তিহীন। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এই ঘটনা আড়াই বছরের পুরাতন। আমার ভাবমূর্তির উপর কলঙ্ক লাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।  

    ২০২০ সালে ট্রাম্প জর্জিয়া প্রদেশের রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ছিলেন। উল্টো দিকে ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী ছিলেন জো বাইডেন। নির্বাচনের ফলাফল অনেকটা সময় পরে ঘোষণা হয়। বাইডেনের কাছে ট্রাম্প ১২ হাজার ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন। ঠিক তার পর থেকেই ট্রাম্প নির্বাচনী গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: যৌন কেচ্ছার পর এবার গোপন নথি ‘চুরি’-তে অভিযুক্ত ডোনাল্ড ট্রাম্প

    Donald Trump: যৌন কেচ্ছার পর এবার গোপন নথি ‘চুরি’-তে অভিযুক্ত ডোনাল্ড ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে হেরে পদ ছাড়লেও আমেরিকার গোপন নথি সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিলেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। যৌন কেচ্ছার একাধিক মামলা ট্রাম্পের (Donald Trump) বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে সামনে এসেছে। এবার নথি চুরি মামলায় তাঁকে মূল অভিযুক্ত করে তদন্ত শুরু করতে চলেছে জো বাইডেন প্রশাসন।

    অভিযোগ ঠিক কী?

    আমেরিকার অধিকাংশ সংবাদমাধ্যমই জানিয়েছে, এই তথ্য ‘চুরি’র মামলায় ট্রাম্পকে ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত করা হয়েছে। সেদেশের বিভিন্ন মহল থেকে জানা গিয়েছে, ২০২০ সালে নিরাপত্তা সংক্রান্ত একাধিক নথি আমেরিকার মহাফেজখানা থেকে নিয়ে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। কম করে প্রায় ২০০ গুরুত্বপূর্ণ নথি। অভিযোগ, সেগুলো আর ফেরত আসেনি। এনিয়ে চুরির তদন্ত শুরু হলে তদন্ত প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়ার চেষ্টাও নাকি করেন ট্রাম্প। বছর ঘুরলেই মার্কিন মুলুকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। ৭৭ বছর বয়সী ট্রাম্প ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও রিপাবলিকান দলের প্রার্থী হয়ে নামতে চলেছেন বলেই জানা যাচ্ছে। প্রসঙ্গত, মাসকয়েক আগেই পর্নতারকাকে ঘুষ দেওয়ার মামলাতেও নাম জড়িয়েছিল ট্রাম্পের (Donald Trump)। এবার আর এক আইনি বিড়ম্বনায় পড়লেন তিনি। তবে বিশেষজ্ঞ মহল বলছে, “মার্কিন ইতিহাসে প্রথম। এর আগে কোনও প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে এত মামলা দায়ের হয়নি।”

    কী বলছেন ট্রাম্প (Donald Trump)?

    এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে ভুয়ো অভিযোগ আনার জন্য বাইডেন প্রশাসনকে দুষছেন ট্রাম্প। প্রাক্তন এই রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, “দুর্নীতিগ্রস্ত বাইডেন প্রশাসন আমার আইনজীবীকে জানিয়েছে, আমি নাকি এই মামলায় অভিযুক্ত হতে চলেছি।” ট্রাম্প এ-ও লিখেছেন, “মঙ্গলবার তাঁকে মায়ামির যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালতে ডেকে পাঠানো হয়েছে।” তাঁর আরও সংযোজন, “আমি কখনও ভাবিনি যে, দেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এমন কিছু হওয়া সম্ভব।” হাউসের স্পিকার, কেভিন সমাজ মাধ্যমে ট্রাম্পের পাশেই দাঁড়িয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ৩৬ ঘণ্টা পর! সানফ্রান্সিসকো উড়ে গেল এয়ার ইন্ডিয়ার বিকল্প বিমান

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Twitter Acquisition: ট্যুইটারের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ আনলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের এমন প্রতিক্রিয়ার কারণ

    Twitter Acquisition: ট্যুইটারের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ আনলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের এমন প্রতিক্রিয়ার কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন পর ইলন মাস্কের ট্যুইটার কেনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইলন মাস্কের টুইটার অধিগ্রহণের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেছেন, বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি এমন একটি সংস্থা কিনেছেন যা বিশ্বজুড়ে মিথ্যা ও বিদ্বেষ ছড়ায়। আমরা সবাই এখন উদ্বিগ্ন যে শিশুরা ভবিষ্যতে কী ঝুঁকিতে রয়েছে। শুক্রবার তহবিল সংগ্রহের একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই মন্তব্যটি করেন।

    শুক্রবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি কারিন জিন-পিয়েরে সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden) সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘৃণাসূচক মন্তব্য ও ভুল তথ্য ছড়ানোর বিরোধিতা করেছেন। তিনি মনে করেন, ফেসবুক থেকে ট্যুইটার যে কোনও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

    যদিও ট্যুইটার অধিগ্রহণের আগে থেকেই মাস্ক বারবার বাকস্বাধীনতার পক্ষে সওয়াল করেছেন।পাশাপাশি তিনি মন্তব্য করেছেন, ট্যুইটারকে তিনি ডিজিটাল টাউনের অনুরূপ তৈরি করবেন।

    টেসলা ও স্পেস এক্সের মালিক মাস্ক ৪৪ বিলিয়ন অর্থের বিনিময়ে জনপ্রিয় এই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মটি কেনেন। তিনি সম্প্রতি ট্যুইটারেও সিইও পরাগ আগরওয়াল সহ বিপুল কর্মীদের ছাটাই করেছেন।ট্যুইটারে অধিগ্রহণ করার পর এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৭০০ ট্যুইটার কর্মীকে বরখাস্ত করেছে বিশ্বের ধনী এই শিল্পপতি।

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময়, ট্যুইটার ভুয়া খবরের অভিযোগে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump) নিষিদ্ধ করেছিল। ইলন মাস্ক প্রাক্তণ রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পুনরায় ট্যুইটারে ফিরিয়ে আনার ইঙ্গিত দিয়েছেন। এছাড়াও ট্যুইটারের একাধিক নীতির পরিবর্তন করছেন। এলন মাস্ক বর্তমানে ট্যুইটারে ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট টাকার বিনিময়ে দেবেন বলে ঘোষণা করেছেন।প্রতিমাসে ভারতীয় মুদ্রায় ১৬০০ টাকার বিনিময়ে ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট দেবার পরিকল্পনা করছে মাস্ক।বর্তমানে যে সমস্ত ট্যুইটার অ্যাকাউন্টগুলো ভেরিফায়েড (Verified Twitter Account) রয়েছে।তাদের সেই ব্লু টিক টিকিয়ে রাখার জন্য ৯০ দিনের সময় দেওয়া হবে। সেই সময় সীমার মধ্যে যদি টাকা না পেমেন্ট করা হয় তাহলে ব্লুটিক (Blue Tick) মুছে দেওয়া হতে পারে। এর আগে ট্যুইটার দেশের প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তির প্রোফাইলকে ভেরিফায়েড করত। ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে ব্লু টিক থাকলে সেই অ্যাকাউন্টকে বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে করা হত। ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে ব্লুটিক থাকলে তাঁদের ফলোয়ারের সংখ্যাও বাড়ত। তবে সংবাদমাধ্যম আদৌও এই পদক্ষেপ কার্যকর হবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Javed Akhtar Twitter: মিশেল ওবামাকে হোয়াইট হাউজে ফেরার আর্জি জানানোয় জাভেদ আখতারকে নিয়ে মিমের বন্যা

    Javed Akhtar Twitter: মিশেল ওবামাকে হোয়াইট হাউজে ফেরার আর্জি জানানোয় জাভেদ আখতারকে নিয়ে মিমের বন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার (Barack Obama) স্ত্রী মিশেল ওবামাকে আবার হোয়াইট হাউসে (White House) দেখতে চাইলেন জাভেদ আখতার। একেবারেই মজা করে নয়। আমেরিকার প্রাক্তন ফার্স্ট লেডির টুইটার পোস্টের নীচে মন্তব্য বাক্সে যথেষ্ট দৃঢ় ভাবেই বলিউডের গীতিকার লিখলেন, ‘‘ম্যাডাম, আমার কথা গুরুত্ব দিয়ে দেখুন। শুধু আমেরিকা নয়, গোটা বিশ্বই আপনাকে হোয়াইট হাউসে চাইছে।’’ কিন্তু ঠিক কী কারণে এ কথা বললেন জাভেদ, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। তাঁর মন্তব্য দেখেও তা বোঝা সম্ভব হয়নি। কিছু দিনের মধ্যে মিশেলের লেখা বই ‘দ্য লাইট উই ক্যারি’(The Light We Carry) প্রকাশিত হতে চলেছে।

    আরও পড়ুন: ছেলেকে ‘ডিভোর্স’ দিতে চাওয়ায় নৃশংসভাবে পুত্রবধূকে খুন করলেন মার্কিন প্রবাসী ভারতীয়! 

    ওই বইয়ের প্রচারে আমেরিকার কয়েকটি শহরে সফর করবেন তিনি। টুইটারে মিশেলের ওই সফর সংক্রান্ত একটি পোস্টের নীচে জাভেদ লেখেন, ‘‘মাননীয়া মিশেল ওবামা (michelle obama), আমি আপনার কোনও অল্পবয়সি পাগল ভক্ত নই। আমি ৭৭ বছরের এক জন কবি-লেখক। আমার ধারণা, প্রত্যেক ভারতীয়ই আমায় চেনেন। ম্যাডাম, আমার কথা গুরুত্ব বিবেচনা করুন। শুধু আমেরিকা নয়, গোটা বিশ্বই আপনাকে হোয়াইট হাউসে চায়। এই দায়িত্ব আপনি ঝেড়ে ফেলতে পারেন না।’

    [tw]


    [/tw]

    জাভেদ আখতারের (javed akhtar) এই ট্যুইট আসার পর থেকেই সোস্যাল মিডিয়ায় হাস্যরসাত্মক মিমের বন্যা বয়ে গিয়েছে। একজন ট্যুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, জাভেদ আখতার এটা আবার কে?

    [tw]


    [/tw]

    আরেক জন লিখেছেন আপনি জ্ঞানী বলে এখন আমেরিকার প্রাক্তন ফাস্ট লেডিকেও জ্ঞান দিচ্ছেন।

    [tw]


    [/tw]

    উল্লেখ্য, আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময়ও কিন্তু মিশেল ওবামাকে ট্যাগ করে একটি পোস্ট করেছিলেন জাভেদ আখতার। সেই সময় তিনি মিশেলকে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন।বরাবরই মিশেল ওবামাকে সুযোগ্য নেত্রী বলে মনে করেন জাভেদ আখতার। সে কথা নিজেই জানিয়েছেন অতীতে। বর্তমানে আমেরিকার শাসকের আসনে রয়েছেন ডেমোক্র্যাটরাই। জো বাইডেন (Joe Biden) এবং কমলা হ্যারিসের (Kamala Harris) নেতৃত্বেই চলছে আমেরিকা।

    মিশেল ওবামা বরাবরই বাইডেনের উপর ভরসা রেখেছেন। ২০২০ সালে জো বাইডেন যখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের এর বিরুদ্ধে লড়াই করছিলেন, তখন মিশেল ওবামা বলেন, যখনই নেতৃত্ব অথবা সান্ত্বনার আশায় আশায় আমরা হোয়াইট হাউসের দিকে তাকাই তখনই শুধু হতাশা, বিশৃঙ্খলা, ভেদাভেদ এবং সহানুভূতির অভাবই নজরে আসে। নিজের তৈরি এক অসম্ভব জগতে বাস করেন ট্রাম্প। আজ রাতে আমার কোনও একটি কথা যদি মনে রাখতে হয়, তাহলে একটাই বিষয়ে আবার বলতে চাইব।

    আপনাদের যদি মনে হয়, বর্তমান পরিস্থিতির থেকে আর খারাপ হওয়ার কিছু নেই, তাহলে বিশ্বাস করুন আরও খারাপ দিন দেখতে হতে পারে যদি না এবারের নির্বাচনে কোনও ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারি। এই বিশৃঙ্খলা শেষ করার যদি কোনও উপায় এখনও থেকে থাকে, তাঁর নাম জো বাইডেন। বাইডেনকে ভোট দিন… এর উপরে আমাদের জীবন-মরণ নির্ভর করছে।

    প্রসঙ্গত, আগামী ১৫ নভেম্বর মিশেলের ‘দ্য লাইট উই ক্যারি’ বইটি প্রকাশিত হওয়ার কথা। তার আগে ওয়াশিংটন ডিসি, আটলান্টা, শিকাগো, লস অ্যাঞ্জেলেসে সফর করবেন মিশেল। ওই সফরে আমেরিকার (America) প্রাক্তন ফার্স্ট লেডির সঙ্গী হতে চলেছেন গেইল কিং, এলিজাবেথ আলেকজান্ডার, কোনান ও ব্রায়েনের মতো তারকারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
     
  • US Presidential Election: সরে দাঁড়ালেন নিকি হ্যালি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বাইডেন-ট্রাম্পের লড়াই

    US Presidential Election: সরে দাঁড়ালেন নিকি হ্যালি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বাইডেন-ট্রাম্পের লড়াই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে (US Presidential Election) ফের মুখোমুখি হতে চলেছেন জো বাইডেন ও ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীর লড়াই থেকে সরে দাঁড়ালেন নিকি হ্যালি (Nikki Haley)। জানা গিয়েছে, সুপার টুইসডেতে আমেরিকার ১৫টি প্রদেশে ছিল রিপাবলিকান প্রার্থী বাছাইয়ের ভোট। এর মধ্যে ১৪টিতে ট্রাম্পের কাছে হারতে হয়েছে হ্যালিকে। এরপরেই রিপাবলিকান প্রার্থী হওয়ার লড়াই থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। 

    কী বললেন হ্যালি

    ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিনি নিকি হ্যালি (Nikki Haley) বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলন করন। তিনি সারা আমেরিকা থেকে যে ‘অভাবনীয় সমর্থন’ পেয়েছেন তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে যোগ করেন যে,’সময় এসেছে আমার প্রচারকে থামানোর।’ নিকি বলেন, ‘ এটাই সম্ভাব্য যে জুলাইতে আমাদের পার্টি কনভেনশনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকেই আমাদের পার্টির প্রার্থী করা হবে।’

    নিকি বলেন, ‘আমি তাকে অভিনন্দন জানাই এবং তার মঙ্গল কামনা করি।’ আগামী নভেম্বর মাসে আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। নতুন করে কোনও অঘটন না ঘটলে, ডেমোক্র্যাট জো বাইডেনের সঙ্গে রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পের লড়াইয়ের সম্ভাবনা বেশি। ভোটের ময়দান ছাড়লেও, যে ভাবনা চিন্তিায় তিনি বিশ্বাস করেন, সেই ভাবনা চিন্তাকে পূর্ণ সমর্থন যুগিয়ে যাবেন বলে জানান নিকি।

    আরও পড়ুন: জনসভায় মোদিকে ব্যক্তিগত আক্রমণ, রাহুলকে ফের সতর্ক করল নির্বাচন কমিশন

    ট্রাম্প-বাইডেন দ্বৈরথ!

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে (US Presidential Election) রিপাবলিকান প্রার্থীর দৌঁড়ে প্রথম থেকে ছিল চারজনের নাম। ডোনাল্ড ট্রাম্প ছাড়া এই তালিকায় ছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভুত বিবেক রামস্বামী, ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিস এবং সাউথ ক্যারোলিনার প্রাক্তন গভর্নর নিকি হ্যালি (Nikki Haley)। রিপাবলিকান প্রার্থী বাছাইয়ের প্রাথমিক পর্বেই ছিটকে গিয়েছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভুত রামস্বামী। সেই সময় রিপাবলিকানদের ট্রাম্পকে সমর্থন করার জন্য জানিয়েছিলেন আবেদন। গত ২১ জানুয়ারি প্রার্থী বাছাইয়ের লড়াই থেকে সরে দাঁড়াতে দেখা যায় ফ্লোরিডার গভর্নরকে।এরপর লড়াই মূলত ছিল হ্যালি ও ট্রাম্পের মধ্যেও। এবার সাউথ ক্যারোলিনার প্রাক্তন গভর্নরও সরে দাঁড়ালেন। নিকির এই সিদ্ধান্তের ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে আরও কোনও বাধা রইল না বলে মনে করছে মার্কিন ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share