Tag: Donald Trump

Donald Trump

  • Donald Trump: ৯০ দিন স্থগিত ট্রাম্পের নয়া শুল্কনীতি, একমাত্র ব্যতিক্রম চিন, শুল্ক বাড়ল ১২৫ শতাংশ

    Donald Trump: ৯০ দিন স্থগিত ট্রাম্পের নয়া শুল্কনীতি, একমাত্র ব্যতিক্রম চিন, শুল্ক বাড়ল ১২৫ শতাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার নয়া শুল্কনীতি বিতর্ক ছড়িয়েছিল। এবার ৯০ দিনের জন্য তা স্থগিত রাখলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তবে চিনের (China) ক্ষেত্রে শুধু ব্যতিক্রম। সেদেশে শুল্কনীতি নিয়ে এই স্থগিতাদেশের সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে না। তবে বিশ্বের বাকি সব দেশের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। অন্য দেশগুলিকে শুল্কে আপাতত স্বস্তি দিলেও চিনের উপর শুল্ক আরও বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, চিনা পণ্যের উপর এ বার ১২৫ শতাংশ হারে শুল্ক ধার্য্য হবে। এনিয়ে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘‘আশা করি ভবিষ্যতে কোনও এক জায়গায় গিয়ে চিন বুঝতে পারবে যে আমেরিকা ও অন্যান্য দেশকে শোষণ করা গ্রহণযোগ্য নয়।’’

    বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর ‘পারস্পরিক শুল্কে’র কথা ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

    আমেরিকার বাজারে বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর ‘পারস্পরিক শুল্কে’র কথা ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তালিকায় চিন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলি যেমন ছিল, পাশাপাশি ভারত বা ইজরায়েলের মতো আমেরিকার মিত্র দেশও ছিল। এই আবহে গত সপ্তাহেই হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়, এই শুল্কনীতির বিষয়ে অনেক দেশ ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করতে চাইছে। হোয়াইট হাউসের অর্থনৈতিক কাউন্সিলের অধিকর্তা কেভিন হ্যাসেট সেসময় জানিয়েছিলেন, ৫০টিরও বেশি দেশ ইতিমধ্যে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। ঘটনা হল, গত বেশ কয়েক দিন ধরেই ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সংক্রান্ত আলোচনা চলছে আমেরিকার। গত বুধবার বিকেলেও ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছিলেন, শুল্ক এবং বাণিজ্য প্রসঙ্গে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা চলছে।

    গত সপ্তাহে বিক্ষোভ আমেরিকায়

    ট্রাম্পের (Donald Trump) শুল্কনীতি ঘিরে আমেরিকার অন্দরেও নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। এই আবহে গত সপ্তাহেই আমেরিকায় ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতির বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখা যায়। আন্দোলনে নামেন আমেরিকার নাগরিকরা। হাজার হাজার মানুষ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে ট্রাম্প সরকারের নানা নীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। নিউ ইয়র্ক, ওয়াশিংটন ডিসি-সহ আমেরিকার সমস্ত বড় শহরে মার্কিন জনতা ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান। এই বিক্ষোভগুলির মধ্যে অন্যতম ইস্যু ছিল শুল্কনীতিও।

    শুল্কনীতির প্রভাব আমেরিকার শেয়ার বাজারে

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের (Donald Trump) সাম্প্রতিক শুল্কনীতিতে অন্য দেশগুলির ওপরে যেমন প্রভাব পড়েছে। একইভাবে প্রভাব পড়েছে মার্কিন মুলুকেও। আমেরিকার শেয়ার বাজারে এমন পরিস্থিতিতে এক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। জানা যাচ্ছে, ওয়াল স্ট্রিটের শেয়ার মার্কেটের টালমাটাল পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি, শুল্কনীতির জন্য আমেরিকার বাজারে পণ্যের দামও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন অনেকজনই।

    ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের পরেই বিশ্বব্যাপী শেয়ার বাজারে হাল আবার ফিরতে শুরু করেছে

    এই পরিস্থিতিতেই বড় ঘোষণা করতে শোনা গেল ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। চিন ছাড়া বাকি সব দেশের ওপর নয়া শুল্কনীতি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন ট্রাম্প। যদিও কী কারণে এমন সিদ্ধান্তের পথে হাঁটালেন ট্রাম্প, সেবিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি। এনিয়ে কোনও ব্যাখ্যা এখনও পর্যন্ত হোয়াইট হাউস থেকে মেলেনি। তবে সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বুধবার ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের পরেই বিশ্বব্যাপী শেয়ার বাজারে হাল আবার ফিরতে শুরু করেছে। আমেরিকার শেয়ার বাজারের দু’টি সূচক ‘এস অ্যান্ড পি ৫০০’ এবং ‘ন্যাসড্যাক’ ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে ‘দ্য গার্ডিয়ান’।

    চিনের সঙ্গে চলছে তীব্র কূটনৈতিক সংঘাত

    প্রসঙ্গত, গত জানুয়ারি মাসেই ট্রাম্প দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় ফেরেন। এর পর থেকেই চিনের সঙ্গে আমেরিকার কূটনৈতিক সম্পর্ক একেবারে তলানিতে চলে যায়। দু’দেশের শুল্ক সংঘাত শুরু হতেই কূটনৈতিক লড়াই আরও বাড়তে থাকে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের শুরুর দিকেই চিনা পণ্যের উপর ২০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছিল আমেরিকা। এরপরে তা আরও ৩৪ শতাংশ বৃদ্ধি করেন ট্রাম্প। কূটনৈতিক টানাটানিতে পাল্টা মার্কিন পণ্যের উপর ৩৪ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা করে চিন। এরপরে ট্রাম্প আরও ৫০ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি করেন চিনা পণ্যের উপর। এই আবহে মোট শুল্কের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে হয় ১০৪ শতাংশ। ট্রাম্প ৫০ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি করতেই ফের পাল্টা দেয় চিন। করে চিন। মার্কিন পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপায় বেজিং। এই পরিস্থিতি দাঁড়ায়, আমেরিকার বাজারে চিনা পণ্যে ১০৪ শতাংশ শুল্ক এবং চিনা বাজারে মার্কিন পণ্যে ৮৪ শতাংশ শুল্ক! এরপরে চিনা পণ্যের ওপর শুল্ক বৃদ্ধি করে ১২৫ শতাংশ করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, “বিশ্ব বাজারের প্রতি কোনও সম্মান দেখায়নি চিন।” সেই কারণেই চিনের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।

  • China India Relation: মার্কিন ‘শুল্ক জুজু’ ঠেকাতে এবার ভারতের সাহায্য চাইল চিন

    China India Relation: মার্কিন ‘শুল্ক জুজু’ ঠেকাতে এবার ভারতের সাহায্য চাইল চিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন ‘শুল্ক জুজু’ প্রতিহত করতে এবার ভারতের সাহায্য চাইল চিন (China India Relation)। চিনা পণ্যের ওপর ১০৪ শতাংশ শুল্ক (Trade War) আরোপ করেছে আমেরিকার ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। ভারতে অবস্থিত চিনা দূতাবাসের মুখপাত্র ইউ জিং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক পদক্ষেপের সমালোচনা করে বলেন, “চিনের স্থিতিশীল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উদ্ভাবন এবং শক্তিশালী উৎপাদন ভিত্তি বাকি বিশ্বের জন্য ইতিবাচক পরিসর তৈরি করেছে।” তিনি বলেন, “চিন-ভারত অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক পারস্পরিক সুবিধার ওপর প্রতিষ্ঠিত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের অপব্যবহারে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলি তাদের উন্নয়নের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই সমস্যাগুলি কাটিয়ে উঠতে একত্রিত হওয়া উচিত বিশ্বের দুই বৃহত্তম উন্নয়নশীল দেশের। বাণিজ্য ও শুল্ক যুদ্ধে কেউ বিজয়ী হয় না। সব দেশের উচিত সত্যিকারের বহুপাক্ষিকতার পথ অনুসরণ করা।”

    ইউ জিংয়ের বক্তব্য (China India Relation)

    সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে তিনি লেখেন, “স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করে এমন একটি ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত চিনা অর্থনীতি। গোটা বিশ্বের ওপর আমাদের অর্থনীতি ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। ক্রমাগত আপগ্রেডেড শিল্প ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে চিনা উৎপাদন। গবেষণা, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও উদ্ভাবনের ওপর একটি শক্তিশালী ফোকাসের ওপর নির্মিত আমাদের অর্থনীতি। অর্থনৈতিক বিশ্বায়ন ও বহুপাক্ষিকতার দৃঢ় সমর্থক চিন। এই বহুপাক্ষিকতাই বিশ্ব অর্থনীতিতে শক্তিশালী প্রেরণা জুগিয়েছে। আমরা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থা রক্ষার জন্য বাকি বিশ্বের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাব।” মার্কিন শুল্ক আরোপের আগেই আমেরিকাকে তোপ দেগেছিল চিন। বলেছিল, “ভুলের ওপর ভুল করছে আমেরিকা। আরও একবার আমেরিকার ব্ল্যাকমেইল করার চরিত্রটি প্রকাশ্যে চলে এল।” বেজিং জানিয়ে দিয়েছিল, “আমেরিকা যদি এভাবেই চলার কথা ভাবে, তাহলে চিনও শেষ পর্যন্ত লড়াই করবে।”

    শুল্ক যুদ্ধ

    প্রসঙ্গত, গত বুধবারও চিনের ওপর ৩৪ শতাংশ পারস্পরিক শুল্ক চাপিয়েছিল আমেরিকা। এর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে চিন শুক্রবার একই হারে শুল্ক চাপিয়ে দেয় মার্কিন পাণ্যের ওপর। চিনের এই পদক্ষেপের পরেই ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন, চিন যদি এই শুল্ক প্রত্যাহার না করে তাহলে মঙ্গলবারের মধ্যে আরও ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপানো হবে চিনা পণ্যের ওপর (China India Relation)। সেই মতো মঙ্গলবার বেজিংয়ের ওপর চাপানো হয় আরও ৫০ শতাংশ শুল্ক। প্রথমে ২০ শতাংশ শুল্ক ছিল, পরে দুধাপে চাপানো হয় আরও ৩৪ ও ৫০ শতাংশ। সব মিলিয়ে চিনের ঘাড়ে (Trade War) মোট শুল্কের বোঝা চাপল ১০৪ শতাংশ।

    ভারতের অবস্থান

    চিনের ওপর ১০৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করলেও, ভারতীয় পণ্যের ওপর ট্রাম্প প্রশাসন ২৬ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি করেছে। এটি কার্যকর হয়েছে আজ, বুধবার থেকে। গত সপ্তাহেই ট্রাম্পের এই পাল্টা শুল্ক ঘোষণার পর থেকে বাজার ধসের মুখে থাকায় এদিন গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে চলেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। সেখানে এই প্রভাব কমানোর কৌশল নির্ধারণ করা হবে। চিন যখন আমেরিকার সঙ্গে সংঘাতের রাস্তায় হাঁটছে, তখন ভারত-সহ বেশিরভাগ দেশই আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ মিটিয়ে নিতে আগ্রহী। নয়াদিল্লির তরফে সক্রিয় বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। একের পর এক দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠকের আর্জি জানিয়েছে (China India Relation)।

    সতর্ক পদক্ষেপ

    ভারতের জন্য একটি ইতিবাচক দিক হল, ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে ভারতকে সেমিকন্ডাক্টর, তামা এবং ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য আমদানিতে এই শুল্ক থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প বারবার ভারতকে বাণিজ্য সম্পর্কের “বড় অপরাধী” বলে অভিহিত করেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় অর্ধেক জেনেরিক ওষুধই পাঠানো হয় ভারত থেকে। তবে অটো পার্টস, রত্ন ও গয়নার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে রফতানি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। সূত্রের খবর, শুল্কের প্রভাব কমানোর জন্য প্রয়োজনে রফতানিকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে ভারত। জানা গিয়েছে, ভারত এই ইস্যুতে সতর্ক পদক্ষেপ করছে। ভারত আমেরিকার ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করার পথে হাঁটছে না। এর বদলে মোদি সরকার (Trade War) সক্রিয়ভাবে ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে কাজ করছে। এই বাণিজ্য চুক্তি ঘোষণা করা হয়েছিল এই বছরের শুরুতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমেরিকা সফরের সময়। মার্চ মাসে দুই দেশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির (বিটিএ) শর্তাবলীতে রাজি হয়েছিল।

    উল্লেখ্য, এর আগেও ট্রাম্পের শুল্কনীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নয়াদিল্লিকে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিল বেজিং। চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের মতে, গত বছর রাশিয়ায় চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকের পর থেকে ভারত ও চিনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতি হয়েছে। ভারত ও চিনের শক্তির কথা বলতে গিয়ে হাতি ও ড্রাগনের উপমা ব্যবহার (Trade War) করেছিলেন চিনের বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেছিলেন, “ড্রাগন ও হাতির মধ্যে সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক দুই দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। ড্রাগন আর হাতিকে এক সঙ্গে নাচিয়ে দিতে হবে (China India Relation)।”

  • Donald Trump: ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ আমেরিকায়, হাজার-হাজার মানুষ রাস্তায়

    Donald Trump: ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ আমেরিকায়, হাজার-হাজার মানুষ রাস্তায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) দ্বিতীয় বার প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমেরিকার কুর্সিতে বসেছেন গত জানুয়ারি মাসেই। এই আবহে তাঁর নীতির বিরুদ্ধে সরব হয়ে রাস্তায় নেমেছেন হাজার হাজার আমেরিকান। শনিবার সকাল থেকেই ভিড় উপচে পড়েছে নিউ ইয়র্ক, কলোরাডো, হিউস্টন, লস অ্যাঞ্জেলেস ও ওয়াশিংটনের রাস্তাতে। সেখানে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে স্লোগান দিতে দিতে মিছিল করছেন আমেরিকার মানুষ। জানা যাচ্ছে, আমেরিকার (USA) ৫০টি প্রদেশের অন্তত ১২০০টি এলাকায় শনিবার এইরকমের মিছিল এবং জমায়েত হয়েছে। ক্ষমতায় আসার পর একাধিক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। প্রশাসনে পর পর কর্মীছাঁটাই, অভিবাসীদের দেশে ফেরত পাঠানো, মার্কিন নাগরিকত্বের জন্য নয়া নিয়ম চালু, শুল্ক নীতি- এই প্রতিটি সিদ্ধান্তেই ছড়িয়েছে বিতর্ক। এই আবহে মসনদে বসার ৩ মাসের মধ্যেই দেখা গেল বিক্ষোভ।

    কী বলছেন বিক্ষোভকারীরা?

    ম্যানহাটনে ট্রাম্প-বিরোধী (Donald Trump) মিছিলে হাঁটতে হাঁটতে এক প্রতিবাদী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমার ভীষণ ভীষণ রাগ হচ্ছে। বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত একদল মানুষ নিজেদের ইচ্ছামতো আমাদের দেশটাকে চালাচ্ছেন। আমাদের দেশ আর মহান নেই।’’ অন্যদিকে ওয়াশিংটনের রাস্তায় স্লোগান দিতে দিতে এক প্রৌঢ় বলেন, ‘‘নিউ হ্যাম্পশায়ার থেকে বাসে করে আমরা প্রায় ১০০ জন এখানে প্রতিবাদ (USA) জানাতে এসেছি। এই প্রশাসনের জন্য বিশ্ব জুড়ে বন্ধুদের হারাচ্ছি আমরা। সকলের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হচ্ছে। দেশের মধ্যেও তারা বিভাজন তৈরি করছে। আমাদের সরকারকে ওরা ধ্বংস করে দিচ্ছে।’’

    নীতি বদলাবে না সাফ জানালেন ট্রাম্প (Donald Trump)

    সবচেয়ে বড় প্রতিবাদী জমায়েত দেখা গিয়েছে সেদেশের রাজধানী ওয়াশিংটনেই। হোয়াইট হাউসের অদূরে ন্যাশনাল মলে কয়েক হাজার মানুষ জড়ো হয়েছেন। আমেরিকার নানা প্রান্ত থেকে প্রতিবাদ জানাতে রাজধানীতে এসেছেন তাঁরা। ট্রাম্প-বিরোধী স্লোগানে মুখরিত হয়েছে ওয়াশিংটন। কিছু রিপোর্ট বলছে, শুধু ওয়াশিংটনেই ২০ হাজার মানুষ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে জমায়েতে শামিল হয়েছেন। কোনও কোনও রিপোর্টে দাবি, সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। তবে ট্রাম্প (Donald Trump) অবশ্য কোনও বিরোধিতায় আমল দিচ্ছেন না। হোয়াইট হাউসে বসে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ‘‘আমার নীতি কখনও বদলাবে না।’’

  • Donald Trump: চড়া শুল্ক হার আরোপ ট্রাম্পের, বিপাকে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা, লাভ হতে পারে ভারতের?

    Donald Trump: চড়া শুল্ক হার আরোপ ট্রাম্পের, বিপাকে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা, লাভ হতে পারে ভারতের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ৩৭ শতাংশ করল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) সরকার। এতদিন বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক ছিল। সেটাই বাড়িয়ে করা (India) হয়েছে ৩৭ শতাংশ। বাংলাদেশের পাশাপাশি শ্রীলঙ্কার পণ্যের ওপরও চড়া হারে শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন এই দ্বীপরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করেছে ৪৪ শতাংশ। একলপ্তে এতটা শুল্কহার বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কিত বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার পোশাক ব্যবসায়ীরা। শ্রীলঙ্কার জয়েন্ট অ্যাপারেল অ্যাসোসিয়েশন ফোরামের অ্যাডভাইজার তুলি কুরে বলেন, “আমাদের শোকবার্তা লিখতে হবে। ৪৪ শতাংশ কিন্তু চাট্টিখানি কথা নয়।”

    ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা (Donald Trump)

    দুই দেশেরই ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, তাঁরা হয়তো আর বড় পোশাক প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে পারবেন না। তাঁদের অর্ডার চলে যাবে কম শুল্কযুক্ত ও বড় শিল্প শক্তিসম্পন্ন দেশগুলিতে। বাংলাদেশের প্রধান দুই রফতানি বাজারের একটি হল আমেরিকা। বাংলাদেশের প্রধান রফতানি পণ্য রেডিমেড পোশাকের একটি বড় অংশ রফতানি হয় এই দেশটিতে। আমেরিকায় ফি বছর বাংলাদেশের রফতানির পরিমাণ প্রায় ৮৪০ কোটি মার্কিন ডলার, এর সিংহভাগই রেডিমেড পোশাক। গত বছর ট্রাম্পের দেশে বাংলাদেশ থেকে রেডিমেড পোশাক রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ৭৩৪ কোটি মার্কিন ডলার। উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের রিটেইলারদের একটা বড় অংশ বাংলাদেশের পোশাক রফতানিকারী শাহিদুল্লা আজিমের খদ্দের। তিনি বলেন, “আমরা জানতাম যে কিছু একটা আসছে, কিন্তু আমরা কখনওই এতটা সাংঘাতিক কিছু আশা করিনি। এটি আমাদের ব্যবসা এবং হাজার হাজার শ্রমিকের জন্য ভয়ঙ্কর।”

    কী বলছেন বাংলাদেশের পোশাক সরবরাহকারীরা?

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বাংলাদেশের পোশাক সরবরাহকারীরা, যাঁদের ক্লায়েন্ট গ্যাপ ইনকর্পোরেশন এবং ভিএফ কর্প, বলেন, “ট্রাম্পের আচমকা ঘোষণার কয়েক (India) ঘণ্টার মধ্যেই আমরা সরকারি সাহায্য চাইতে শুরু করেছি।” বিদেশি ক্রেতাদের ধরে রাখতে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে দরাদরি করতে ব্যবসায়ীরা নিজেদের দেশের সরকারি কর্তাদের চাপ দিচ্ছেন বলেও খবর। রেডিমেড পোশাক শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি মোট রফতানি আয়ের ৮০ শতাংশ। এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন বাংলাদেশের ৪০ লাখ মানুষ। বার্ষিক জিডিপিতে এর অবদান প্রায় ১০ শতাংশ।

    সরকারের কাছে সাহায্য চেয়েছি

    আজিম বলেন, “আমার কোম্পানিতে কাজ করেন (Donald Trump) ৩ হাজার ২০০ শ্রমিক। এক ধাক্কায় এতটা খরচ বেড়ে যাওয়ায় কমতে পারে অর্ডারের পরিমাণ। সেক্ষেত্রে আমার পাশাপাশি বিপদে পড়বেন আমার কোম্পানির শ্রমিকরাও।” বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক প্রতিনিধি বলেন, “শুল্কের বোঝা থেকে সুরক্ষার জন্য আমরা শুক্রবারই সরকারের কাছে সাহায্য চেয়েছি। সরকারি কর্তারা আমাদের বিষয়টি বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন।” এই অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন আড়াই হাজারেরও বেশি কারখানা। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলাম বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রফতানি গন্তব্য। বাণিজ্যের বিষয়ে ঢাকা ওয়াশিংটনের সঙ্গে কাজ করছে। আশাকরি, আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর সমাধান হবে”।

    ভারতের পৌষমাস!

    বাংলাদেশের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হলেও, ট্রাম্প প্রশাসন ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৬ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। পাকিস্তানের পণ্যের ওপর আরোপ করা (India) হয়েছে ২৯ শতাংশ শুল্ক। চিনা পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করা হয়েছে ৩৪ শতাংশ। এই ‘বাণিজ্য যুদ্ধে’র জেরে (Donald Trump) বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার যখন সর্বনাশ, তখন ভারতের হতে চলেছে পৌষ মাস। পোশাক প্রস্তুতকারী সংস্থা ইভিন্সের আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরীর আশঙ্কা, “গত বছরের রাজনৈতিক সংকটের পর থেকে আমেরিকার সরবরাহকারীরা বাংলাদেশের চেয়ে ভারতের বাজারে বেশি খোঁজখবর করছে। এতে আদতে আরও বেশি করে লাভবান হবে ভারত। কারণ, তাদের ওপর ট্রাম্প শুল্ক আরোপ করেছেন ২৭ শতাংশ।” ইভিন্স গ্রুপের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, তাদের ক্লায়েন্ট হিসেবে রয়েছে টমি হিলফিগার এবং লিভাই স্ট্রস অ্যান্ড কোম্পানি। তারা শার্ট, ডেনিম ও সুতো নিয়ে কাজ করে। চৌধুরী বলেন, “বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলির মধ্যে থাকবে।”

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানিতে ভারতের অবদান ৬-৭ শতাংশ, যা বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের তুলনায় অনেক কম (Donald Trump)। তবে, ইউনাইটেড স্টেটস ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, গত বছরের রাজনৈতিক সংকটের জেরে শীর্ষ ৩০টি মার্কিন পোশাক ব্র্যান্ড বাংলাদেশের বদলে ভারতের (India) বাজারের দিকে ঝুঁকছে।

    ইউনূস শুনতে পাচ্ছেন?

  • Donald Trump: “মোদি আমার মহান বন্ধু, অত্যন্ত বুদ্ধিমান”, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

    Donald Trump: “মোদি আমার মহান বন্ধু, অত্যন্ত বুদ্ধিমান”, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) আমার মহান বন্ধু। তিনি অত্যন্ত বুদ্ধিমান।” কথাগুলি যিনি বললেন তিনি মোদির কোনও স্তাবক নন, বিজেপির কোনও নেতা-মন্ত্রীও নন, সাধারণ মানুষ তো ননই। শুক্রবার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সম্পর্কে এমন মন্তব্যই করলেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্পের গলায় শোনা গেল মোদি-স্তুতি। এই বৈঠকেই তিনি ভারতের উচ্চ শুল্ক নীতির প্রতি তাঁর অবস্থানও পুনর্ব্যক্ত করেন।

    ‘তোমাদের একজন মহান প্রধানমন্ত্রী আছেন’ (Donald Trump)

    ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদী সম্প্রতি এখানে এসেছিলেন, এবং আমরা সবসময় খুব ভালো বন্ধু। ভারত বিশ্বের সর্বোচ্চ শুল্ক আদায়কারী দেশগুলির মধ্যে একটি। তারা খুব স্মার্ট। তিনি একজন অত্যন্ত বুদ্ধিমান মানুষ এবং আমার একজন মহান বন্ধু। আমাদের মধ্যে খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। আমি মনে করি ভারত ও আমাদের দেশের মধ্যে সম্পর্ক খুব ভালোভাবেই গড়ে উঠবে। আমি বলতে চাই, তোমাদের একজন মহান প্রধানমন্ত্রী আছেন।”

    ‘শুল্ক রাজা’

    প্রসঙ্গত, ২ এপ্রিল থেকে আমেরিকা ভারত-সহ বেশ কয়েকটি দেশের ওপর পারস্পরিক শুল্ক বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ট্রাম্প ধারাবাহিকভাবে ভারতের বাণিজ্য নীতির সমালোচনা করেছেন। তিনি একে ‘শুল্ক রাজা’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। ভারতের আমদানি শুল্ককে ‘অত্যন্ত অন্যায্য ও কঠিন’ বলে বর্ণনা করেছেন। এর আগে একটি বিবৃতিতে ট্রাম্প (Donald Trump) বলেছিলেন, “ভারতের সঙ্গে আমার খুব ভালো সম্পর্ক আছে। ভারত সম্পর্কে আমার একমাত্র সমস্যা হল তারা বিশ্বের অন্যতম উচ্চ শুল্ক আরোপকারী দেশ। আমি মনে করি, তারা সম্ভবত এই শুল্কগুলি যথেষ্ট পরিমাণে কমিয়ে দেবে। কিন্তু ২ এপ্রিল থেকে আমরা তাদের ওপর সেই একই শুল্ক আরোপ করব, যা তারা আমাদের ওপর আরোপ করে।”

    এ প্রসঙ্গে ভারতের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং বলেন, “১২-১৩ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী মোদীর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় ভারত ও আমেরিকা দুই দেশই দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ককে গভীরতর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা ন্যায্যতা, জাতীয় নিরাপত্তা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিশ্চিত করে।” তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নতুন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন – ‘মিশন ৫০০’ – যার লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে পণ্য ও সেবার দ্বিমুখী বাণিজ্যের পরিমাণ ৫০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা… উভয় পক্ষ ২০২৫ সালের শরৎকালের মধ্যে একটি পারস্পরিকভাবে উপকারী, বহু-ক্ষেত্রীয় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির (বিটিএ) প্রথম কিস্তি নিয়ে আলোচনা করার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন।”

    কীর্তি বলেন, “দুই সরকারই এই আলোচনাগুলি এগিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় আছে এবং বিটিএ-র জন্য একটি কাঠামো (PM Modi) গড়ে তুলতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। এর লক্ষ্য হল পণ্য ও সেবা খাতে বাণিজ্য সম্প্রসারণ করা, পাশাপাশি বাজার প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, শুল্ক ও অ-শুল্ক বাধা কমানো এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের একীকরণকে গভীরতর করা (Donald Trump)।”

  • Trumps Cabinet: ট্রাম্প প্রশাসনে ঠাঁই একাধিক ভারতপন্থীর, কাঁপন ধরছে পাকিস্তানের বুকে!

    Trumps Cabinet: ট্রাম্প প্রশাসনে ঠাঁই একাধিক ভারতপন্থীর, কাঁপন ধরছে পাকিস্তানের বুকে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে ২০ জানুয়ারি শপথ নেবেন রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trumps Cabinet)। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ের পর থেকেই ঘুঁটি সাজাতে শুরু করে দিয়েছেন ট্রাম্প। ট্রাম্প ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন। মন্ত্রিসভায় কারা ঠাঁই পাবেন, তা নিয়েই জোর কদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন আমেরিকার ভাবী প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্পের এই প্রস্তুতি-পর্বই কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে পাকিস্তানের বুকে।

    ট্রাম্প প্রশাসনে কারা (Trumps Cabinet)

    তাঁর মন্ত্রিসভায় যাঁরা জায়গা পাবেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছে বিলিয়নিয়র, আগ্রাসী বক্তা, ইন্দো-মার্কিন এবং কিছু ‘বিতর্কিত’ ব্যক্তিত্ব। পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক ‘এক্সপ্রেস ট্রিবিউন’ জানিয়েছে, পাকিস্তান হয়ত আমেরিকার বিদেশ নীতির অগ্রাধিকারের তালিকায় নেই। তবে ইসলামাবাদ এবং রাওয়ালপিন্ডির নীতিনির্ধারকরা এ খবরে অবাক হয়েছেন। ট্রাম্পের দ্বিতীয় দফার প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ পদে কারা জায়গা পাচ্ছেন সেদিকে নিবিড়ভাবে নজর রাখছেন তাঁরা। পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যমের দাবি, পাকিস্তান মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নেতার ভারত এবং ইসলামাবাদ সম্পর্কিত বিবৃতিগুলো নিয়ে উদ্বিগ্ন। ট্রাম্প প্রশাসনে জায়গা পাচ্ছেন মার্কো রুবিও, জন রেটক্লিফ এবং মাইক ওয়াল্টজ। এই তিনজনই চিন বিরোধী কঠোর অবস্থানে অনড়। এঁরা বেজিংয়ের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণাত্মক মনোভাব পোষণ করেন। এই চিন আবার পাকিস্তানের ‘সব মরশুমের বন্ধু’। ফলে, পাকিস্তান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে গিয়ে একটি কঠিন পরিস্থিতিতে পড়তে পারে।

    গুরুত্বপূর্ণ পদ

    ট্রাম্প ইতিমধ্যেই (Trumps Cabinet) তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির প্রধান এবং বিদেশ ও প্রতিরক্ষা সচিবদের নিয়োগ করেছেন। এই পদগুলি পাকিস্তান তো বটেই বিশ্ববাসীর কাছেও গুরুত্বপূর্ণ। এবার দেখে নেওয়া যাক, ট্রাম্প প্রশাসনে যাঁরা ঠাঁই পাবেন, পাকিস্তান সম্পর্কে তাঁরা কীরূপ মনোভাব পোষণ করেন।

    মাইক ওয়াল্টজ

    মাইক ওয়াল্টজকে দেখা যেতে পারে ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে। পাকিস্তান সম্পর্কে পক্ষপাতদুষ্ট বক্তব্য দেওয়ার জন্য তিনি পরিচিত। এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ওয়াল্টজ মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রাক্তন সদস্য। সফর করেছেন আফগানিস্তান ও পশ্চিম এশিয়া। পাকিস্তান যাতে সীমান্তবর্তী সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আরও শক্তিশালী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, তাই পাকিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি করার কথাও বলেছেন তিনি।

    তুলসী গ্যাবার্ড

    ট্রাম্প তুলসী গ্যাবার্ডকে জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক পদে মনোনীত করেছেন। এই পদে যিনি বসেন, তিনি পরিচালনা করেন ১৮টি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা। এর মধ্যে রয়েছে ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি, ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন এবং সিআইএ-ও। এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের রিপোর্ট অনুযায়ী, গ্যাবার্ডের মনোনয়ন পাকিস্তানের পক্ষে স্বস্তিদায়ক নাও হতে পারে। গ্যাবার্ড প্রাক্তন ডেমোক্রেটিক কংগ্রেসওম্যান। পরে তিনি যোগ দেন ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিতে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি ট্রাম্পের হয়ে গলাও ফাটিয়েছেন। তুলসী ভারত-প্রেমী হিসেবেই পরিচিত। সন্ত্রাসবাদ প্রশ্নে তিনি বরাবর ভারতের পাশে থেকেছেন। ইসলামাবাদকে তার মাটি থেকে জঙ্গি হুমকির মোকাবিলা করার জন্য বলেছিলেন তুলসী। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পাকিস্তানের বালাকোটে এয়ারস্ট্রাইক চালায় ভারতীয় বিমানবাহিনী। তার আগে কাশ্মীরের পুলওয়ামায় ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর ভয়াবহ আক্রমণ করেছিল জঙ্গিরা। তার প্রেক্ষিতেই এয়ারস্ট্রাইক চালায় ভারতীয় বিমানবাহিনী। পাকিস্তান কীভাবে আল-কায়দার নেতা ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দিয়েছিল, তাও জানিয়েছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: নিজ্জর হত্যা নিয়ে ‘মানহানিকর প্রচার’, কানাডাকে কড়া জবাব ভারতের

    মার্কো রুবিও 

    সেনেটর মার্কো রুবিও বিদেশ নীতি বিশেষজ্ঞ। তিনি নির্বাচিত প্রেসিডেন্টের বিদেশমন্ত্রীর পদে মনোনীত হয়েছেন। প্রেসিডেন্টের প্রধান বৈদেশিক নীতি উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। দেশের শীর্ষ কূটনীতিকও হয়েছিলেন। তিনি নেতৃত্ব দেবেন স্টেট ডিপার্টমেন্টের। বৈঠক ও বিশ্ব ব্যাপী নানা বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি। এই রুবিও জুলাই মাসে মার্কিন সেনেটে একটি পাকিস্তানবিরোধী এবং ভারতপন্থী বিল প্রস্তাব করেছিলেন (Trumps Cabinet)। চিনের ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাড়তি প্রভাব মোকাবিলায় ইউএস-ইন্ডিয়া ডিফেন্স কো-অপারেশন অ্যাক্ট দুটি দেশের প্রতিরক্ষা জোটকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রস্তাবিত হয়েছিল। প্রতিরক্ষা, মহাকাশ, প্রযুক্তি এবং অর্থনৈতিক বিনিয়োগে সহযোগিতার সঙ্গে এটি এও সুপারিশ করেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে আমেরিকান নিরাপত্তা সহায়তা প্রদান করুক। আমেরিকার উচিত প্রযুক্তিগত স্থানান্তরের দিক থেকে ভারতকে ইউএস চুক্তি সহযোগী এবং ন্যাটো দেশগুলির মতোই বিবেচনা করা (Trumps Cabinet)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Tulsi Gabbard: তুলসী গ্যাবার্ডের হিন্দু প্রেম, কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্য, ভারত প্রেমের বড় প্রমাণ

    Tulsi Gabbard: তুলসী গ্যাবার্ডের হিন্দু প্রেম, কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্য, ভারত প্রেমের বড় প্রমাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ধর্মকে ভালোবেসে তাঁর মা হিন্দু হয়েছিলেন। সন্তানদের নাম দিয়েছিলেন হিন্দুদের নামে। এহেন এক মার্কিন মহিলার এক সন্তান তুলসি গ্যাবার্ড (Tulsi Gabbard) বর্তমানে খবরের শিরোনামে। অবশ্য এই প্রথম নয়, এর আগেও তিনি এসেছিলেন খবরের হেডলাইনে। সেবার মার্কিন দেশে সফর করাকালীন (Donald Trump) ভারতের প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিয়েছিলেন গীতা। তখনই প্রকাশ পেয়েছিল তুলসীর গীতা-প্রেম। তিনি বলেছিলেন, “হিন্দু ধর্ম শ্রেষ্ঠ ধর্ম, গীতা শ্রেষ্ঠ ধর্মগ্রন্থ।”

    তুলসীই প্রথম হিন্দু মার্কিন কংগ্রেসে (Tulsi Gabbard)

    এক সময় তুলসী ছিলেন ডেমোক্র্যাট পার্টির প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী। পরে যোগ দেন ট্রাম্পের দল রিপাবলিকানে। সদ্য সমাপ্ত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি প্রচার করেছেন ট্রাম্পের হয়ে। তার জেরে জুটেছে পুরস্কারও। ট্রাম্প তাঁকে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ পদে বসিয়ে দিয়েছেন। তুলসী প্রথম হিন্দু হিসেবে মার্কিন কংগ্রেসে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন। সারা জীবন নিরামিষ খেয়ে আসছেন। শপথগ্রহণ করেছিলেন পবিত্র হিন্দু ধর্মগ্রন্থ ভাগবত গীতায় হাত রেখে। হিন্দু ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তাঁর মা হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। তুলসীকেও বড় করেছিলেন সেই ধর্মের আদর্শেই। সেই কারণেই তুলসীও মনে-প্রাণে মায় ধর্মেও হিন্দু (Tulsi Gabbard)। হাওয়াইয়ের প্রতিনিধিত্ব করেছেন তুলসী। তিনি কেবল হাউজের প্রথম হিন্দু সদস্যই হননি, কংগ্রেসে প্রতিনিধিত্বকারী প্রথম আমেরিকান সামোয়ানও হয়েছিলেন। তুলসি (Tulsi Gabbard) সেনাবাহিনীর এক অভিজ্ঞ সদস্য। দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে মার্কিন সেনাবাহিনীতে কাজ করেছেন। তিনি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রতিনিধিত্ব করেছেন। আর্মি ন্যাশনাল গার্ডে কাজ করার সুবাদে ইরাক ও কুয়েতে মোতায়েন ছিলেন তুলসি। দু’বছর ধরে হাউস হোমল্যান্ড সিকিউরিটি কমিটিতেও কাজ করেছেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘‘ওপারে ইউনূস আর এপারে মমতা, দুই-ই এক’’, শ্যামপুরের সভা থেকে তোপ শুভেন্দুর

    তুলসীর জনপ্রিয়তা

    ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান-দুই দলেই তুলসীর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। সে কথা স্বীকারও করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, “ডেমেক্র্যাট প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে, একজন প্রাক্তন প্রার্থী হিসেবে তাঁর উভয় দলের মধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে–তিনি এখন গর্বিত রিপাবলিকান।” তুলসীর ভারত-প্রেম বেশ পুরানো। ২০১৪ সালে প্রথম হিন্দু-আমেরিকান কংগ্রেসওম্যান তুলসী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আন্তর্জাতিক যোগ দিবস প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে সমর্থনের অঙ্গীকার করেছিলেন। এক বিবৃতিতে তুলসী বলেছিলেন, “আমি প্রধানমন্ত্রী মোদির রাষ্ট্রসঙ্ঘে আহ্বানকে সমর্থন করার জন্য একটি প্রস্তাব পাশ করার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। তুলসী এবং মোদি-দুজনেই একমত হন যে যোগব্যায়াম শুধুমাত্র শারীরিক অনুশীলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একটি জীবনধারা সচেতনতা এবং বিশ্বদৃষ্টি, যা স্বাস্থ্যের উন্নতি, শান্তির প্রচার এবং (Donald Trump) বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলির সমাধান প্রদান করতে পারে।” তিনি এও বলেছিলেন, “প্রাচীন বৈদিক গ্রন্থগুলিতে আধুনিক বিশ্বের জন্য যে বিশাল জ্ঞান রয়েছে, তা পশ্চিমি বিশ্বকে বিস্মিত করবে।” আন্তর্জাতিক যোগ দিবস প্রতিষ্ঠায় মোদির প্রস্তাবের পক্ষে জোরালো সওয়ালও করেছিলেন তুলসী।

    কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্য

    কাশ্মীর নিয়েও তুলসী সুন্দর মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “কাশ্মীরের জটিল ইতিহাস বোঝা আমাদের মতো বাইরের লোকদের পক্ষে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি বলেন, “অনেক পরিবার তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে এবং এখনও ফিরে আসতে পারেনি। অঞ্চলটির নীতিগুলি ঐতিহাসিকভাবে অধিকার, বিশেষ করে নারীদের অধিকার সীমিত করেছিল।” তুলসীর মতে, সাম্প্রতিক পরিবর্তনগুলো নতুন আশা এবং উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে মানবাধিকার ও নাগরিক স্বাধীনতার ক্ষেত্রে। তিনি বলেন, “এই সমস্যার চূড়ান্ত সমাধান ভারতের অভ্যন্তর থেকেই আসা উচিত। এটি একটি সার্বভৌম দেশের পরিস্থিতি… যা সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের দ্বারা সমাধান করতে হবে, যাদের নিজেদের ভবিষ্যৎ এখানে নির্ভর করছে।”

    কী বললেন তুলসী

    তুলসী (Tulsi Gabbard) বলেন, “আজ হিন্দু আমেরিকানদের প্রোফাইলিং এবং লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে… আগামীকাল কি মুসলিম বা ইহুদি আমেরিকানদের পালা আসবে?” তিনি বলেন, “এটি ধর্মীয় এবং জাতিগত প্রোফাইলিংয়ের ক্ষেত্রে একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে। অতীতের নির্বাচনে আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা আমার ধর্মবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে ভীতি সঞ্চারের চেষ্টা করেছে।” তিনি মনে করিয়ে দেন, তাঁর রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বীরা হিন্দুধর্মকে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে দাবি করেছিলেন। এই ধরনের বিভাজনমূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে সতর্ক করে তুলসী বলেন, “ধর্মীয় বিদ্বেষ এবং হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘু ধর্মগুলোর প্রতি ভীতি সঞ্চারের প্রচেষ্টা এখনও রয়ে গেছে।”

    হিন্দু নিধনযজ্ঞ নিয়ে মন্তব্য

    বাংলাদেশে হিন্দু নিধনযজ্ঞ দেখে তুলসী বলেছিলেন, “এই ধরনের ঘৃণা ও হিংসা দেখে আমার হৃদয় ভেঙে গিয়েছে।” বাংলাদেশের সরকারকে হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ-সহ সকল ধর্মীয় সংখ্যালঘুকে ঘৃণার জিহাদি শক্তি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি। তুলসী বলেন, “এই ধরনের হিংসা বিশ্বাসের মৌলিক নীতিগুলির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে। ঈশ্বর হলেন ভালোবাসা এবং তাঁর প্রকৃত সেবকরা সেই ভালোবাসা পৃথিবীতে (Donald Trump) ধারণ ও প্রকাশ করে (Tulsi Gabbard)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Vivek Ramaswamy: মার্কিন ক্যাবিনেটের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসছেন বিবেক রামস্বামী, কেন তাঁকে বাছলেন ট্রাম্প?

    Vivek Ramaswamy: মার্কিন ক্যাবিনেটের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসছেন বিবেক রামস্বামী, কেন তাঁকে বাছলেন ট্রাম্প?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টিম ট্রাম্পে (Donald Trump) জায়গা পাচ্ছেন ‘গর্বিত হিন্দু’ বিবেক রামস্বামী (Vivek Ramaswamy)। আগামী ২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাই ইতিমধ্যেই ঘুঁটি সাজাতে শুরু করেছেন তিনি। তাঁর মন্ত্রিসভায় কারা ঠাঁই পাবেন, তা ঠিক করতে শুরু করে দিয়েছেন রিপাবলিকান এই নেতা। শপথ গ্রহণের জন্য অপেক্ষা না করেই মন্ত্রিসভার সদস্যদের বাছাই করার কাজ শুরু করে দিয়েছেন ট্রাম্প।

    টিম ট্রাম্পে জায়গা (Vivek Ramaswamy)

    তখনই জানা গিয়েছে, টিম ট্রাম্পে জায়গা পেয়েছেন ‘গর্বিত হিন্দু’ বিবেক রামস্বামী। প্রথমে রিপাবলিকান পার্টিতে প্রেসিডন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার দৌড়ে ছিলেন রামস্বামী। পরে সরে দাঁড়িয়ে সমর্থন করেন ট্রাম্পকে (Donald Trump)। তার পর থেকে সময় যত গড়িয়েছে ট্রাম্পের সঙ্গে রামস্বামীর সম্পর্কের গাঁটছড়া ততই মজবুত হয়েছে। রামস্বামীকে (Vivek Ramaswamy) দেশপ্রেমিক আখ্যা দিয়েছেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের মতো তিনিও বলেছিলেন, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে অবৈধ অভিবাসীদের স্বদেশে ফেরত পাঠাবেন। তিনি বলেছিলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাসকারীদের প্রতি কোনও ধরনের নমনীয়তা দেখানো হবে না। তাদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানো হবে। আমরা এই অবৈধ বসবাসকারীদের এ দেশে থাকতে দেব না। তাদের সন্তানদের মার্কিন নাগরিকত্বও বাতিল করব।”

    ‘গর্বিত হিন্দু’

    নিউ হ্যাম্পশায়ারের এক ভোটার রামস্বামীর (Vivek Ramaswamy) ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়েছিলেন। রামস্বামীর স্পষ্ট জবাব, “আমি হিন্দু। হিন্দু ধর্ম নিয়ে আমি গর্বিত। নিজের ধর্মীয় পরিচয় লুকোতে রাজি নই। আমার মতে, এতে ধর্মীয় স্বাধীনতার লড়াইয়ে আমি আরও বেশি করে তৎপর হতে পারব। কেরিয়ারের জন্য মিথ্যে কথা বলব না।” হার্ভার্ড ও ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক রামস্বামীর বয়স মাত্রই ৩৯। এই অল্প বয়সেই তিনি বিলিয়নেয়ার। তিনি ট্রাম্পের (Donald Trump) অন্যতম প্রধান সমর্থক। মনেপ্রাণে কট্টর পুঁজিবাদী। ভারতীয় অভিবাসী পিতামাতার সন্তান হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেন রামস্বামী। তিনি তাঁর বায়োটেক কোম্পানি রোভ্যান্ট সায়েন্সেসের মাধ্যমে প্রচুর সম্পদ অর্জন করেছেন। প্রযুক্তি, ক্রিপ্টোকারেন্সি, ও সম্পদ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করেছেন। ‘এক্সেলেন্স ক্যাপিটালিজম’ শব্দটিকে জনপ্রিয় করেছেন তিনি। এই ধারণা সামাজিক ও রাজনৈতিক লক্ষ্যগুলির চেয়ে ব্যবসায়িক অগ্রাধিকারকে উৎসাহিত করে।

    আরও পড়ুন: ইউনূসের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মামলা দায়ের আওয়ামি লিগের

    রামস্বামীর বায়োটেক থেকে রাজনীতিতে স্থানান্তর শুরু হয় ২০২১ সালে। এ বছরই প্রকাশিত হয় তাঁর বই— ওক, ইঙ্ক (ইনকর্পোরেশন)। এই বইতে তিনি কর্পোরেট আমেরিকার সামাজিক ইস্যুতে মনোযোগ দেওয়ার প্রবণতার সমালোচনা করেন। কট্টর পুঁজিবাদের সমর্থক হলেও রামস্বামী (Vivek Ramaswamy) যাপন করেন অতি সাধারণ মানের জীবন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

     
     
  • Tulsi Gabbard: ট্রাম্প প্রশাসনে মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান হচ্ছেন তুলসী গ্যাবার্ড, চেনেন তাঁকে?

    Tulsi Gabbard: ট্রাম্প প্রশাসনে মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান হচ্ছেন তুলসী গ্যাবার্ড, চেনেন তাঁকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্মসূত্রে তিনি হিন্দু নন। ভারতের সঙ্গে তাঁর নাড়ির যোগটুকুও নেই। তবে নাম শুনলে মনে হতে পারে তিনি ভারতীয়। সেই তিনিই প্রকাশ্যে ভারতকে ভালোবাসার কথা বলেন। তাঁর মতে, হিন্দু ধর্ম শ্রেষ্ঠ ধর্ম, গীতা শ্রেষ্ঠ ধর্মগ্রন্থ। এই তিনি হলেন তুলসী গ্যাবার্ড (Tulsi Gabbard)।

    তুলসী গ্যাবার্ড (Tulsi Gabbard)

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে গীতা উপহার দিয়ে এক সময় খবরের শিরোনামে চলে এসেছিলেন তিনি। ফের এলেন এতদিন পর। কারণ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি গলা ফাটিয়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) হয়ে। বুধবার তুলসীকে তাঁর প্রশাসনে ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স ডিরেক্টর জাতীয় গোয়েন্দা প্রধানের পদে নিয়োগ করেছেন আমেরিকার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (এখনও অবশ্য শপথ নেননি ট্রাম্প)। তাঁর অধীনে ১৮টি বিভিন্ন গোয়েন্দা বিভাগ কাজ করবে। এক সময় ডেমোক্র্যাট পার্টির প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ছিলেন তুলসি। ট্রাম্প তাঁকে ‘গর্বিত রিপাবলিকান’ অভিধায় ভূষিত করেছেন। ট্রাম্পের মতে, গোয়েন্দা সম্প্রদায়ে তিনি ‘নির্ভীক চেতনা’ নিয়ে আসতে পারবেন।

    কী বললেন ট্রাম্প?

    সম্প্রতি জারি করা এক বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেন, “ডেমেক্র্যাট প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে, একজন প্রাক্তন প্রার্থী হিসেবে তাঁর উভয় দলের মধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে – তিনি এখন গর্বিত রিপাবলিকান।” ট্রাম্প বলেন, “আমি জানি তুলসী তাঁর সুদীর্ঘ কর্মজীবনে যে নির্ভীক মানসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তা আমাদের গোয়েন্দা টিমেও বয়ে আনবেন। তিনি আমাদের সাংবিধানিক অধিকারগুলির পক্ষে কথা বলবেন এবং শক্তির মাধ্যমে শান্তি স্থাপন করবেন। তুলসী আমাদের সকলকে গর্বিত করবেন!”

    গোয়েন্দা ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর নির্দিষ্ট কোনও অভিজ্ঞতা নেই। তবে তুলসি (Tulsi Gabbard) সেনাবাহিনীর একজন অভিজ্ঞ সদস্য। দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে মার্কিন সেনাবাহিনীতে কাজ করেছেন তিনি। তিনি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২০১৩ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত হাওয়াইয়ের দ্বিতীয় জেলার কংগ্রেসওম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আর্মি ন্যাশনাল গার্ডে কাজ করার সুবাদে ইরাক ও কুয়েতে মোতায়েন ছিলেন তুলসী। দু’বছর ধরে হাউস হোমল্যান্ড সিকিউরিটি কমিটিতেও কাজ করেছেন।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পরেও দেড় কোটি টাকা ঢুকেছিল কুন্তলের অ্যাকাউন্টে!

    নাম শুনলেই তাঁকে ভারতীয় বলে মনে হতে পারে। তবে তিনি ভারতীয় নন। তাঁর মা হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর সন্তানদের হিন্দু নাম দিয়েছিলেন। তুলসি নিজেও (Donald Trump) হিন্দু হিসেবেই পরিচয় দিতে ভালোবাসেন। যদিও তিনি আমেরিকান সামোয়ান বংশোদ্ভূত। তবুও শপথ নেওয়ার সময় তুলসীর (Tulsi Gabbard) হাতে ছিল ভগবদ্গীতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

     

  • ISKCON: ট্রাম্পের বিপুল জয়ে উদ্বিগ্ন ইউনূস, ইসকনকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ নাও করা হতে পারে

    ISKCON: ট্রাম্পের বিপুল জয়ে উদ্বিগ্ন ইউনূস, ইসকনকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ নাও করা হতে পারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর ব্যাপক আক্রমণের ঘটনা ঘটতে থাকে। এমন অবস্থায় প্রতিবাদ জানাতে দিকে দিকে শুরু হয় বিক্ষোভ সমাবেশ। ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিপুল জনসমাগম হয়। সেই জনজোয়ার নজর কাড়ে গোটা বিশ্বের। এই দুই সমাবেশেই উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিল ইসকন। এরপরে ইসকনের ওপর বাংলাদেশ সরকার নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে, এমন খবর রটে যায়। জল্পনার অবশ্য বিশেষ কিছু কারণও ছিল। বাংলাদেশে বর্তমানে ইউনূস সরকারের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে জামাত-বিএনপির এবং হেফাজতে-ইসসামের হাতে। সেই মৌলবাদীরা সম্প্রতি ইসকনকে নিষিদ্ধ করার দাবি তোলে। চট্টগ্রামে বিপুল জনসমাগমের পরেই এক মৌলবাদী সমাজ মাধ্যমে ইসকন (ISKCON) বিরোধী পোস্ট করে। সংস্থাকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানায়। যার ফলে অশান্ত হয় চট্টগ্রাম। এই ঘটনায় ৫৮২ জনকে আটক করে পুলিশ। প্রশাসনের তরফ থেকেও বলা হয়, ধৃতরা প্রত্যেকেই ইসকনের সদস্য। অনেকে বলতে থাকেন, আসলে প্রশাসন অশান্তি ছড়ানোর জন্য মৌলবাদীদের বদলে ইসকনকে দায়ী করছে মূলত দুটি কারণে- প্রথমতঃ বাংলাদেশের প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ বর্তমানে মৌলবাদীদের হাতে এবং দ্বিতীয়তঃ সে কারণেই ইসকনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে মৌলবাদীদের খুশি করতে চায় বাংলাদেশের প্রশাসন। তার পরেই যেন খেলা ঘুরতে শুরু করে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট (Donald Trump) নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যখন তিনি প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ছিলেন, তখনই বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছিলেন। তাই ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই উদ্বেগে রয়েছে বাংলাদেশের ইউনূস সরকার। এমন অবস্থায় ওয়াকিবহাল মনে করছে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ইসকনের (ISKCON) বিরুদ্ধে কোনওরকম শাস্তিমূলক ব্যবস্থা অন্ততপক্ষে আর নিতে পারবে না।

    ইউনূস আত্মবিশ্বাসী ছিলেন কমলা হ্যারিস প্রেসিডেন্ট হবেন

    বিশ্লেষকরা জানাচ্ছেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূসের সঙ্গে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। অনেকের ধারণা, ইউনূসকে বাংলাদেশে ক্ষমতার মসনেদ বসাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল ডেমোক্র্যাটরা। ২০২৪ সালের মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে ইউনূস আত্মবিশ্বাসী ছিলেন যে, ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিস জিতবেন। ইউনূস ভেবেছিলেন, ডেমোক্র্যাট রাষ্ট্রপতির অধীনে যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থাকে সেক্ষেত্রে তাঁর সোনায় সোহাগা হবে। বাংলাদেশে ধর্মীয়ভাবে সংখ্যালঘুদের ওপর যে ধরনের নির্যাতন চলছে, সে নিয়ে মার্কিন প্রশাসন কোনও কথা বলবে না। একইসঙ্গে কট্টরপন্থী ইসলামিক মৌলবাদীদের সঙ্গে ইউনূসের যোগকেও উপেক্ষা করে চলবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাই আশা ছিল কমলা হ্যারিস প্রেসিডেন্ট হবেন। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প বিপুল ভোটে জয়ী হতেই সে আশা ভেঙে যায়। বাংলাদেশে ধর্মীয়ভাবে হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনায় গত ৩১ অক্টোবরই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে, এর প্রতিবাদ জানিয়ে পোস্ট করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। ট্রাম্পের ওই পোস্টে ইউনূস ও তাঁর কট্টর মৌলবাদী ইসলামপন্থী বন্ধুরা খুবই অস্বস্তিতে পড়ে যান। নিজের পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘‘হিন্দু খ্রিস্টান ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে যে বর্বর অত্যাচার হচ্ছে বাংলাদেশে, তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। বাংলাদেশ বর্তমানে উপদ্রুত অঞ্চলে পরিণত হয়েছে।’’

    কী বলছেন আওয়ামী লিগের নির্বাসিত নেতা?

    ট্রাম্পের এমন ট্যুইটবাণ ইউনূসকে হজম করতে হয়। তিনি তখনও আশায় মগ্ন ছিলেন যে কমলা হ্যারিস প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন। কিন্তু এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণভাবে বদলে গিয়েছে। ইউনূস সরকার আশঙ্কিত যে কোনও মুহূর্তে নতুন মার্কিন প্রশাসন, বাংলাদেশের হিন্দু সহ অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনায় নিয়ে ফের সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। ইউনূস নিজেও জানেন, এক্ষেত্রে তাঁর ডেমোক্র্যাট বন্ধুরা কিছুই করতে পারবেন না। স্বরাজ্য পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, এক আওয়ামী লিগের নির্বাসিত নেতা দাবি করেছেন, ‘‘ডোনাল্ড ট্রাম্পের জমানায় ইউনূস ও তাঁর প্রশাসনকে কঠিন তদন্তের মুখোমুখি হতে হবে। কোনওভাবেই আর কট্টর ইসলামপন্থী মৌলবাদীদের প্রতি নরম হতে পারবে না ইউনূস।’’ আওয়ামী লিগের ওই নেতার আরও দাবি, ‘‘ইউনূস নিজেও জানেন যে ধর্মীয়ভাবে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা যদি হয় তবে সেখানে নজরদারি চালাতে থাকবে ট্রাম্প প্রশাসন এবং তিনি নিজেও মৌলবাদীদের খুশি করার মতো পদক্ষেপ করতে পারবেন না।’’

    মার্কিন দেশে রয়েছেন প্রচুর ইসকন (ISKCON) ভক্ত

    প্রসঙ্গত, অনেকেই বলছেন যে, ইউনূস প্রশাসন ইসকনের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না। কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইসকনের প্রচুর প্রভাবশালী ভক্ত রয়েছেন। এই তালিকায় রয়েছেন শিল্পপতি থেকে বিভিন্ন পেশাদাররা, যাঁরা প্রত্যেকেই রিপাবলিকানদের ঘনিষ্ঠ। এমনকী, খোদ ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইসকনের সুসম্পর্ক রয়েছে। আবার বেশ কিছু প্রভাবশালী ইসকন ভক্তের সঙ্গে ডেমোক্র্যাটিক পার্টিরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ‘‘ট্রাম্পের সঙ্গে বহু পুরনো এবং দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ইসকনের। মার্কিন মুলুকে ইসকনের রথযাত্রার সূচনার নেপথ্যে বিরাট ভূমিকা ছিল ট্রাম্পের। ইসকনের রথযাত্রার অন্যতম বড় পৃষ্ঠপোষকও ট্রাম্প। 

    ট্রাম্প ও ইসকনের (ISKCON) ইতিহাস 

    ৪৮ বছর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প জগন্নাথের রথ তৈরির জন্য মুফতে জায়গা দিয়েছিলেন। ১৯৭৬ সাল। মার্কিন মুলুকে প্রথমবার রথযাত্র উৎসবের উদ্যোগ চলছে। রথ কোথায় তৈরি করা হবে, তা নিয়ে ইসকনের কর্তারা যখন ধন্দে, তখনই প্রায় ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন ট্রাম্প। জানা যায়, ইসকনের কর্তারা নিউইয়র্ক শহরের ধনী ব্যক্তিদের কাছে রথ বনানোর জন্য জায়গা চেয়ে অনুনয়-বিনয় করছেন। কেউ তাঁদের জায়গা দিচ্ছেন না। জায়গার খোঁজে তাঁরা যখন হন্যে হচ্ছেন, তখনই একদিন তাঁরা গেলেন ট্রাম্পের কাছে। সব শুনে তাঁর সেক্রেটারি বললেন, ওঁর সঙ্গে দেখা করে অনুরোধ জানাতে পারেন। তবে তাতে কাজ হবে না। ইসকনের কর্তারা ট্রাম্পের সেক্রেটারির হাতেই তাঁর জন্য নিয়ে যাওয়া মহাপ্রসাদ তুলে দিয়ে এসেছিলেন। এর কয়েক দিন পরেই এসেছিল ট্রাম্পের সই করা চিঠি। তার পরেই তাঁর একটি ফার্ম হাউসে শুরু হয় রথ তৈরির কাজ। মার্কিন মুলুকে সেই প্রথম গড়ায় রথের চাকা। ফলে, আমেরিকায় এখন ট্রাম্প ক্ষমতায় চলে আসার ফলে, বাংলাদেশে ইউনূস সরকারের ইসকনকে নিষিদ্ধ করার দুরভিসন্ধি হয়ত সম্ভব হবে না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share