Tag: Donald Trump

Donald Trump

  • US Citizenship: নাগরিকত্ব নিয়ে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক, স্থগিতাদেশ মার্কিন আদালতের

    US Citizenship: নাগরিকত্ব নিয়ে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক, স্থগিতাদেশ মার্কিন আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  আমেরিকার নাগরিকত্ব লাভের জন্য যে সময় বেঁধে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, তা সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক। জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করার ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত স্থগিত করল আমেরিকার প্রাদেশিক আদালত। ওয়াশিংটন প্রদেশের সিয়াটেলের আদালতের বিচারক ট্রাম্পের ওই নির্দেশ কার্যকরের উপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। 

    কী বলল আদালত

    প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নেওয়ার পরেই ট্রাম্প আদেশ দিয়েছিলেন অভিবাসীদের সন্তানরা জন্মসূত্রে আর আমেরিকার নাগরিকত্ব পাবে না। রিপাবলিকান নেতার এই আদেশনামা প্রকাশিত হওয়ার পরেই এহেন নির্দেশের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে ২২টি মার্কিন প্রদেশ। আদেশনামার কড়া বিরোধিতা করে মামলা দায়ের করেছে কলম্বিয়া, সান ফ্রান্সিসকোর মতো প্রদেশগুলি। ট্রাম্পের নির্দেশের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে বস্টন, সিয়াটল, ম্যাসাচুসেটস ও নিউ হ্যাম্পশায়ারের আদালতে। বৃহস্পতিবার এই মামলা নিয়ে শুনানি ছিল সিয়াটল আদালতে বিচারক জন কোহেনরের এজলাসে। শুনানি শেষে বিচারক জানিয়ে দেন, ট্রাম্পের নির্দেশে সংবিধানের আদর্শ লঙ্ঘিত হয়েছে। 

    ট্রাম্পের নির্দেশ নামা

    আমেরিকার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশ, এখন থেকে আমেরিকায় জন্মালেই সেখানকার নাগরিকত্ব পাওয়া যাবে না। শিশুর বাবা এবং মা উভয়েই যদি আমেরিকার স্থায়ী বাসিন্দা (পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট) হন, তবে শিশুও জন্মানোর পরেই সে দেশের নাগরিকত্ব পেয়ে যাবে। কিন্তু বাবা অথবা মায়ের মধ্যে যে কোনও এক জনের যদি নাগরিকত্ব না-থাকে, সে ক্ষেত্রে সদ্যোজাতকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে না। আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারির পর আমেরিকায় এই নির্দেশ কার্যকর করার কথা জানান ট্রাম্প।

    এতদিন কী ছিল

    আমেরিকায় এত দিন যে নিয়ম প্রচলিত ছিল, তাতে বাবা অথবা মায়ের পরিচয় না-দেখেই আমেরিকায় ভূমিষ্ঠ হওয়া সন্তানকে জন্মগত ভাবে সে দেশের নাগরিকত্ব দেওয়া হত। এর পর ওই শিশুর বয়স যখন ২১ বছর পূর্ণ হয়, তখন বাবা-মায়েরও আমেরিকায় পাকাপাকি ভাবে থাকার সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়ে যায়। এই সুযোগটি বন্ধ করতে চান ট্রাম্প। ট্রাম্পের ঘোষণার পর থেকে আমেরিকায় ভারতীয় দম্পতিরা উদ্বেগে। ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সিজার চেয়ে হাসপাতালে হাসপাতালে আবেদনও করছেন অনেক অন্তঃসত্ত্বা। সময়ের আগেই সন্তান ভূমিষ্ঠ করতে তাঁরা বদ্ধপরিকর।

    ডেমোক্র্যাটদের যুক্তি

    উল্লেখ্য, বিগত প্রায় ১৫০ বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে জন্ম নেওয়া শিশুরা ‘জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব’ পেয়ে আসছেন। তবে সেই অধিকারকে বাতিল করে নির্বাহী নির্দেশিকায় সই করেন ট্রাম্প। এই নির্দেশিকা কার্যকর হওয়ার কথা ছিল ২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে। এই আবহে বিচারক ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে ‘স্পষ্টতই অসাংবিধানিক’ বলে উল্লেখ করেছেন। ১৮৬৮ সালে আমেরিকার সংবিধানে ১৪তম সংশোধনী যোগ করা হয়। সেখানে বলা হয়, আমেরিকায় জন্মালেই সেখানকার নাগরিকত্ব মিলবে। ১৯৫২ সালের অভিবাসন এবং জাতীয়তা আইনেও একই কথা বলা হয়েছে। ট্রাম্পের নির্দেশ এই আইন এবং সংবিধানের বিরোধী, আদালতে সওয়াল করেছেন বিরোধী পক্ষের আইনজীবীরা। আমেরিকার ডেমোক্র্যাট প্রদেশগুলির বক্তব্য, নাগরিকত্ব সংক্রান্ত যে নির্দেশ ট্রাম্প দিয়েছেন, তা যদি কার্যকর করা হয়, তবে দেড় লক্ষের বেশি সদ্যোজাত আমেরিকার নাগরিক হওয়ার ‘সাংবিধানিক’ অধিকার হারাবে।

    আরও পড়ুন: আমেরিকার ভিসা পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়, ওয়াশিংটনে ক্ষোভ জয়শঙ্করের

    প্রবাসী ভারতীয়দের উপর প্রভাব

    ট্রাম্পের নির্দেশ অনুযায়ী, মার্কিন মুলুকে যদি অবৈধ অভিবাসীর সন্তান জন্ম নেয়, তাহলে সেই শিশুরা আর মার্কিন নাগরিক হবেন না। এদিকে জন্ম নেওয়া শিশুর বাবা-মা যদি বৈধভাবেই আমেরিকায় গিয়ে থাকেন, কিন্তু তাঁদের মধ্যে কোনও একজন সেখানকার স্থায়ী বাসিন্দা নন, তাহলেও সেই শিশু মার্কিন নাগরিকত্ব পাবে না। এছাড়া কেউ যদি স্টুডেন্ট ভিসা, ওয়ার্ক ভিসা বা টুরিস্ট ভিসায় আমেরিকায় গিয়ে সন্তানের জন্ম দেন, তাহলেও সেই শিশু আর মার্কিন নাগরিক হবে না। এদিকে নয়া নিয়মে যে সব ভারতীদের সন্তান ১০০+ গ্রিন কার্ড ওয়েটিং লিস্টে আছে, তারা মার্কিন নাগরিক হতে পারবে না।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আমেরিকায় মেক্সিকান বংশোদ্ভূতরা সর্বোচ্চ সংখ্যায় নাগরিকত্ব পেয়েছেন। আর এখন এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা। গত ২০২২ সালে আমেরিকায় ৬৫ হাজার ৯৬০ জন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন। আর ২০২৩ সালের হিসেবে ভারতে জন্ম নেওয়া মোট ২ কোটি ৮ লাখ ৩১ হাজার ৩৩০ জন মার্কিন নাগরিকত্ব পেয়েছেন এখনও পর্যন্ত। রিপোর্ট অনুযায়ী, আমেরিকায় বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিদেশি নাগরিকদের প্রায় ৪২ শতাংশ বর্তমানে মার্কিন নাগরিক হওয়ার জন্য অযোগ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • US Citizenship: নাগরিকত্ব নিয়ে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক, স্থগিতাদেশ মার্কিন আদালতের

    US Citizenship: নাগরিকত্ব নিয়ে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক, স্থগিতাদেশ মার্কিন আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  আমেরিকার নাগরিকত্ব লাভের জন্য যে সময় বেঁধে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, তা সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক। জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করার ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত স্থগিত করল আমেরিকার প্রাদেশিক আদালত। ওয়াশিংটন প্রদেশের সিয়াটেলের আদালতের বিচারক ট্রাম্পের ওই নির্দেশ কার্যকরের উপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। 

    কী বলল আদালত

    প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নেওয়ার পরেই ট্রাম্প আদেশ দিয়েছিলেন অভিবাসীদের সন্তানরা জন্মসূত্রে আর আমেরিকার নাগরিকত্ব পাবে না। রিপাবলিকান নেতার এই আদেশনামা প্রকাশিত হওয়ার পরেই এহেন নির্দেশের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে ২২টি মার্কিন প্রদেশ। আদেশনামার কড়া বিরোধিতা করে মামলা দায়ের করেছে কলম্বিয়া, সান ফ্রান্সিসকোর মতো প্রদেশগুলি। ট্রাম্পের নির্দেশের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে বস্টন, সিয়াটল, ম্যাসাচুসেটস ও নিউ হ্যাম্পশায়ারের আদালতে। বৃহস্পতিবার এই মামলা নিয়ে শুনানি ছিল সিয়াটল আদালতে বিচারক জন কোহেনরের এজলাসে। শুনানি শেষে বিচারক জানিয়ে দেন, ট্রাম্পের নির্দেশে সংবিধানের আদর্শ লঙ্ঘিত হয়েছে। 

    ট্রাম্পের নির্দেশ নামা

    আমেরিকার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশ, এখন থেকে আমেরিকায় জন্মালেই সেখানকার নাগরিকত্ব পাওয়া যাবে না। শিশুর বাবা এবং মা উভয়েই যদি আমেরিকার স্থায়ী বাসিন্দা (পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট) হন, তবে শিশুও জন্মানোর পরেই সে দেশের নাগরিকত্ব পেয়ে যাবে। কিন্তু বাবা অথবা মায়ের মধ্যে যে কোনও এক জনের যদি নাগরিকত্ব না-থাকে, সে ক্ষেত্রে সদ্যোজাতকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে না। আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারির পর আমেরিকায় এই নির্দেশ কার্যকর করার কথা জানান ট্রাম্প।

    এতদিন কী ছিল

    আমেরিকায় এত দিন যে নিয়ম প্রচলিত ছিল, তাতে বাবা অথবা মায়ের পরিচয় না-দেখেই আমেরিকায় ভূমিষ্ঠ হওয়া সন্তানকে জন্মগত ভাবে সে দেশের নাগরিকত্ব দেওয়া হত। এর পর ওই শিশুর বয়স যখন ২১ বছর পূর্ণ হয়, তখন বাবা-মায়েরও আমেরিকায় পাকাপাকি ভাবে থাকার সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়ে যায়। এই সুযোগটি বন্ধ করতে চান ট্রাম্প। ট্রাম্পের ঘোষণার পর থেকে আমেরিকায় ভারতীয় দম্পতিরা উদ্বেগে। ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সিজার চেয়ে হাসপাতালে হাসপাতালে আবেদনও করছেন অনেক অন্তঃসত্ত্বা। সময়ের আগেই সন্তান ভূমিষ্ঠ করতে তাঁরা বদ্ধপরিকর।

    ডেমোক্র্যাটদের যুক্তি

    উল্লেখ্য, বিগত প্রায় ১৫০ বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে জন্ম নেওয়া শিশুরা ‘জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব’ পেয়ে আসছেন। তবে সেই অধিকারকে বাতিল করে নির্বাহী নির্দেশিকায় সই করেন ট্রাম্প। এই নির্দেশিকা কার্যকর হওয়ার কথা ছিল ২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে। এই আবহে বিচারক ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে ‘স্পষ্টতই অসাংবিধানিক’ বলে উল্লেখ করেছেন। ১৮৬৮ সালে আমেরিকার সংবিধানে ১৪তম সংশোধনী যোগ করা হয়। সেখানে বলা হয়, আমেরিকায় জন্মালেই সেখানকার নাগরিকত্ব মিলবে। ১৯৫২ সালের অভিবাসন এবং জাতীয়তা আইনেও একই কথা বলা হয়েছে। ট্রাম্পের নির্দেশ এই আইন এবং সংবিধানের বিরোধী, আদালতে সওয়াল করেছেন বিরোধী পক্ষের আইনজীবীরা। আমেরিকার ডেমোক্র্যাট প্রদেশগুলির বক্তব্য, নাগরিকত্ব সংক্রান্ত যে নির্দেশ ট্রাম্প দিয়েছেন, তা যদি কার্যকর করা হয়, তবে দেড় লক্ষের বেশি সদ্যোজাত আমেরিকার নাগরিক হওয়ার ‘সাংবিধানিক’ অধিকার হারাবে।

    আরও পড়ুন: আমেরিকার ভিসা পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়, ওয়াশিংটনে ক্ষোভ জয়শঙ্করের

    প্রবাসী ভারতীয়দের উপর প্রভাব

    ট্রাম্পের নির্দেশ অনুযায়ী, মার্কিন মুলুকে যদি অবৈধ অভিবাসীর সন্তান জন্ম নেয়, তাহলে সেই শিশুরা আর মার্কিন নাগরিক হবেন না। এদিকে জন্ম নেওয়া শিশুর বাবা-মা যদি বৈধভাবেই আমেরিকায় গিয়ে থাকেন, কিন্তু তাঁদের মধ্যে কোনও একজন সেখানকার স্থায়ী বাসিন্দা নন, তাহলেও সেই শিশু মার্কিন নাগরিকত্ব পাবে না। এছাড়া কেউ যদি স্টুডেন্ট ভিসা, ওয়ার্ক ভিসা বা টুরিস্ট ভিসায় আমেরিকায় গিয়ে সন্তানের জন্ম দেন, তাহলেও সেই শিশু আর মার্কিন নাগরিক হবে না। এদিকে নয়া নিয়মে যে সব ভারতীদের সন্তান ১০০+ গ্রিন কার্ড ওয়েটিং লিস্টে আছে, তারা মার্কিন নাগরিক হতে পারবে না।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আমেরিকায় মেক্সিকান বংশোদ্ভূতরা সর্বোচ্চ সংখ্যায় নাগরিকত্ব পেয়েছেন। আর এখন এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা। গত ২০২২ সালে আমেরিকায় ৬৫ হাজার ৯৬০ জন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন। আর ২০২৩ সালের হিসেবে ভারতে জন্ম নেওয়া মোট ২ কোটি ৮ লাখ ৩১ হাজার ৩৩০ জন মার্কিন নাগরিকত্ব পেয়েছেন এখনও পর্যন্ত। রিপোর্ট অনুযায়ী, আমেরিকায় বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিদেশি নাগরিকদের প্রায় ৪২ শতাংশ বর্তমানে মার্কিন নাগরিক হওয়ার জন্য অযোগ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতীয় ছোঁয়া, বাজবে শিবম গ্রুপের ঢোল-তাসা

    Donald Trump: ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতীয় ছোঁয়া, বাজবে শিবম গ্রুপের ঢোল-তাসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) শপথ নেবেন আজ সোমবার। অনুষ্ঠান হবে ভারতীয় সময় রাত ১০টা ৩০ নাগাদ। দ্বিতীয় বারের জন্য মার্কিন দেশের কুর্সিতে বসতে চলেছেন ট্রাম্প। তাঁর এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে শোনা যাবে ভারতীয় ঢোল-বাজনার আওয়াজ। জানা যাচ্ছে, ট্রাম্পের  শপথ গ্রহণে ঢোল বাদ্যিতে মুখরিত হবে ক্যাপিটল রোটান্ডা। ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েছে শিবম ঢোল তাসা গ্রুপ। দলটিতে রয়েছেন ৩০ জন যুবক-যুবতী (Indian Dhol Tasha)। এই গ্রুপই এবার আমেরিকার প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবে।

    ২০১৪ সালে তৈরি হয় এই গ্রুপ

    দলের সদস্যদের পোশাক বিধিও রয়েছে। সাদা কুর্তা, হলুদ জ্যাকেট ও পাগড়ি। এই পরেই শিবম গ্রুপকে পারফর্ম করতে দেখা যাবে। মার্কিন সেনা, মেরিন, নেভি, এয়ারফোর্স ও আমেরিকার কোস্ট গার্ড প্লাটুনের কুচকাওয়াজ চলবে। সেখানেই হাঁটতে দেখা যাবে এই দলকে। জানা গিয়েছে, মার্কিন দেশে কর্মসূত্রে থাকা যুবক-যুবতীরা ২০১৪ সালে শুরু করে এই গ্রুপ।

    ২০১৯ সালেও পারফর্ম করে এই দল

    প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১৯ সালে এই দলকে পারফর্ম করতে দেখা গিয়েছে। ওই বছরে হিউস্টনে ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য ‘হাউডি মোদি’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন, সেই সময় এই গ্রুপ পারফর্ম করেছিল। গ্রুপের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হরিশ নেহাতে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “ভারতের প্রতিনিধিত্ব ভারত-আমেরিকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বার্তাই দেবে। আমরা টেক্সাসে গরম আবহাওয়ায় পারফর্ম করতে অভ্যস্ত। ওয়াশিংটনে এখন সাব-জিরো তাপমাত্রা চলছে। এই প্রতিকূল পরিবেশেই আমাদের পারফর্ম করতে হবে।”

    নৈশভোজে নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা গেল আম্বানি দম্পতিকে

    ট্রাম্পের (Donald Trump) শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি এবং তাঁর স্ত্রী তথা রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন নীতা আম্বানি। শপথগ্রহণের পূর্বে নৈশভোজে নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁদের দেখা গিয়েছে।

    অন্যদিকে, ট্রাম্পের (Donald Trump) শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য বিশেষ আমন্ত্রণ পেয়েছেন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডধারী দীপিকা দেশওয়াল। কোভিড-১৯ অতিমারীর সময়ে, জনসেবার কারণে তাঁর নাম উঠেছিল ‘গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India US Relation: ভারত-মার্কিন সম্পর্কের নয়া সমীকরণ! ট্রাম্পের শপথের সময় সামনের সারিতে জয়শঙ্কর

    India US Relation: ভারত-মার্কিন সম্পর্কের নয়া সমীকরণ! ট্রাম্পের শপথের সময় সামনের সারিতে জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (India US Relation)। সেই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিতদের মধ্যে একদম প্রথম সারিতে বসলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর৷ এই ছবি বলে দিল ভারত-মার্কিন বদলে যাওয়া সম্পর্কের সমীকরণ। জয়শঙ্কর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ দূত হিসেবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বরাবর মধুর সম্পর্ক। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত ক্রমশ যে বিশ্বের দরবারে সামনের সারিতে উঠে এসেছে, তা বলে দিচ্ছে এই ছবি, এমনই অভিমত বিশেষজ্ঞদের।

    বদলে যাওয়া ভারতের ছবি (India US Relation)

    জয়শঙ্কর তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফটো শেয়ার করেছেন। তিনি লিখেছেন যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা তাঁর জন্য সম্মানের। এস জয়শঙ্কর ট্যুইটারে লিখেছেন, ‘ওয়াশিংটন ডিসিতে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করা একটি বড় সম্মানের বিষয়।’ শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে জয়শঙ্কর, ট্রাম্পের ঠিক সামনে বসেন। ট্রাম্পও মঞ্চ থেকে জয়শঙ্করের দিকে তাকান এবং তাঁকে সরাসরি সম্বোধন করেন। এতে বোঝা যায় এখন শুধু আমেরিকা নয়, ভারতের প্রতি বিশ্বের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে গিয়েছে। এখন সারা বিশ্বে ভারতের প্রভাব বেড়েছে। জয়শঙ্করের শেয়ার করা ছবিতে ট্রাম্পকে জয়শঙ্করের দিকে মুখ করে থাকতে দেখা যাচ্ছে।

    ভারত-বন্ধু ট্রাম্প

    ভারতের সঙ্গে বরাবরই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৷ তাঁর প্রথম মেয়াদকালে ভারতের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিও সাক্ষর করতে দেখা যায় তাঁকে ৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মার্কিন সফরের সময়ে ট্রাম্প আয়োজিত ‘হাউডি মোদি’ নিয়ে আজও চর্চা করা হয়৷ দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে একাধিক ভারতীয় বংশোদ্ভূতকে দায়িত্ব দিয়েছেন ট্রাম্প। নিরাপত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, নাগরিক অধিকার-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে তাঁদেরকে বসিয়েছেন আমেরিকার নয়া প্রেসিডেন্ট ৷ ট্রাম্প সরকারে জায়গা করে নিয়েছেন হারমিত কউর ঢিলোঁ, বিবেক রামাস্বামী, কাশ প্যাটেল, জয় ভট্টাচার্য এবং শ্রীরাম কৃষ্ণানের মতো ব্যক্তিত্বরা ৷

    বাংলাদেশ প্রশ্নে ভারতের পাশে

    বাংলাদেশে সংখ্য়ালঘু হিন্দুদের ওপর নির্যাতন নিয়ে ভারতের পাশে ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এখন তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার ফলে, ভারতের অবস্থান মজবুত হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদকালে দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন ভারত ও আমেরিকার শীর্ষ কূটনীতিক ও রাজনীতিকরা ৷ সময়ের সঙ্গে সেই সম্পর্ক আরও মজবুত হয়েছে ৷ 

    চিনের বদলে ভারত

    ভারতের শিল্পক্ষেত্রে ট্রাম্পের অধীনে মার্কিন কোম্পানিগুলির সঙ্গে এনার্জি, আইটি ও সেমিকন্ডাক্টরের মতো ক্ষেত্রে আরও শক্তিশালী সহযোগিতা পাবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার, যার বার্ষিক বাণিজ্য $১৯০ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে। দুই দেশের মধ্যে সার্ভিস সেক্টরে বাণিজ্য ২০১৮ সালে $৫৪.১ বিলিয়ন থেকে ২০২৪ সালে আনুমানিক $৭০.৫ বিলিয়ন থেকে ৩০.৩ শতাংশ উন্নীত হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প চিন-বিরোধী হিসেবে পরিচিত। তাঁর প্রথম মেয়াদে আমেরিকা ও চিনের সম্পর্কের বেশ অবনতি দেখা গিয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেই আশা করা যায়। চিনের বদলে ভারত থেকে আমদানিতে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। 

    আরও পড়ুন: ‘‘আমেরিকার সোনালি যুগ শুরু’’! প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নিয়ে দাবি ডোনাল্ড ট্রাম্পের

    অভিবাসন-নীতি 

    তবে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন-নীতি ভারতের জন্য় উদ্বেগের কারণ হতে পারে। বিপুল সংখ্যক ভারতীয় মার্কিন তথ্য়প্রযুক্তি সেক্টরে কাজ করেন। তারা ‘H-1B’ ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে ‘H-1B’ ভিসা নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন। এবারও তিনি সেই অবস্থান বজায় রাখলে সমস্যায় পড়বেন এক শ্রেণির ভারতীয়েরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: প্রথম এক্সিকিউটিভ অর্ডারে সই ট্রাম্পের, জানেন সেগুলি কী কী?

    Donald Trump: প্রথম এক্সিকিউটিভ অর্ডারে সই ট্রাম্পের, জানেন সেগুলি কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন রিপালিকান ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তার পরেই স্বাক্ষর করেছেন তাঁর প্রথম এক্সিকিউটিভ অর্ডারগুলিতে (Executive OrdersA)। এই অর্ডারগুলির মধ্যে রয়েছে ২০২১ সালের ক্যাপিটল হিল দাঙ্গায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষমা করার সিদ্ধান্ত, প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে দ্বিতীয়বার ওয়াশিংটনকে প্রত্যাহার করা, টিকটকের ওপর নিষেধাজ্ঞা ৭৫ দিন বিলম্বিত করা এবং বাইডেনের শাসন কালের মোট ৭৮টি পদক্ষেপ বাতিল করা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা এক্সিকিউটিভ অর্ডারে স্বাক্ষর করব। প্রথমত, আমি পূর্ববর্তী প্রশাসনের প্রায় ৮০টি ধ্বংসাত্মক ও চরমপন্থী এক্সিকিউটিভ অর্ডার বাতিল করব, যা ইতিহাসের অন্যতম সবচেয়ে খারাপ প্রশাসন ছিল।”

    আটটি এক্সিকিউটিভ অর্ডার (Donald Trump)

    নয়া প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর করা প্রথম আটটি এক্সিকিউটিভ অর্ডার হল- বাইডেন প্রশাসনের ৭৮টি এক্সিকিউটিভ পদক্ষেপ বন্ধ করা, দ্বিতীয়বার প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে প্রত্যাহার, সামরিক বাহিনী এবং কিছু অপরিহার্য ক্ষেত্র ছাড়া সমস্ত ফেডারেল নিয়োগ স্থগিত, ফেডারেল কর্মীদের পূর্ণকালীন শারীরিকভাবে অফিসে ফিরে আসার প্রয়োজনীয়তা (Executive Orders),  জীবনযাত্রার খরচ সংকট মোকাবিলায় প্রতিটি দফতর ও সংস্থাকে নির্দেশ দেওয়া , একটি নিয়ন্ত্রক স্থগিতাদেশ যা বুরোক্র্যাটদের রেগুলেশন জারি করতে বাধা দেয় যতক্ষণ না ট্রাম্প প্রশাসন সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পায়,  সরকারি আদেশ যা মুক্ত স্পিচ পুনরুদ্ধার করে এবং মুক্ত মতামতের সেন্সরশিপ প্রতিরোধ করে এবং পূর্ববর্তী প্রশাসনের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে সরকারের অস্ত্র ব্যবহারের অবসান (Donald Trump)।

    ক্যাপিটল হিল দাঙ্গাকারীদের ক্ষমা

    ক্যাপিটাল ওয়ান এরেনায় উদযাপনের পর, ট্রাম্প ওভাল অফিসে ফিরে যান, যেখানে তিনি আরও একাধিক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন, যার মধ্যে ২০২১ সালের ক্যাপিটল হিল দাঙ্গার জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষমার সিদ্ধান্তও অন্তর্ভুক্ত ছিল। তিনি বলেন, “এরা হল বন্দি। প্রায় ১,৫০০ জনের জন্য একটি সম্পূর্ণ ক্ষমা। আমরা আশা করি তারা আজ রাতে মুক্তি পাবে।” এই অর্ডার অনুযায়ী, ২০২১ সালের জানুয়ারি ৬ তারিখে সংঘটিত হামলায় দোষী সাব্যস্ত প্রায় ১,২৭০ জনকে ক্ষমা করা হয়েছে, বিচার বিভাগ প্রায় ৩০০টি মামলা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে এবং সবচেয়ে গুরুতর বিদ্রোহ সংক্রান্ত মামলায় অভিযুক্ত ১৪ জন আসামিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, এই দাঙ্গার ঘটনা ঘটেছিল ২০২১ সালে।

    টিকটক নিষেধাজ্ঞা

    ট্রাম্প একটি নয়া এক্সিকিউটিভ অর্ডারে টিকটক নিষেধাজ্ঞা ৭৫ দিন পিছিয়ে দিয়েছেন। এই অর্ডারে অ্যাটর্নি জেনারেলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, “আমার প্রশাসনকে টিকটক সম্পর্কিত উপযুক্ত কার্যক্রম নির্ধারণ করতে একটি সুযোগ দেওয়ার জন্য।” এটি বিচার বিভাগকে অ্যাপল, গুগল এবং অরাকলকে চিঠি (Executive Orders) পাঠানোর নির্দেশও দেয়, যারা ভিডিও-শেয়ারিং অ্যাপটির সঙ্গে কাজ করে। এতে বলা হয় যে আইন লঙ্ঘন হয়নি এবং ওপরের উল্লেখিত সময়কালে যে কোনও কার্যকলাপের জন্য কোন দায়িত্ব নেই (Donald Trump)।”

    আরও পড়ুন: প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ায় অভিনন্দন, জয়শঙ্করের হাত দিয়ে বন্ধু ট্রাম্পকে চিঠি মোদির

    হু থেকে আমেরিকার প্রস্থান

    ট্রাম্প ফের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) থেকে প্রস্থানের কথা ঘোষণা করেছেন। সংস্থার “কোভিড-১৯ মহামারি ও অন্যান্য বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংকটের ভুল ব্যবস্থাপনার” কারণে এই সিদ্ধান্ত। এর আগে ২০২০ সালে অতিমারির সময়ও তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্থান করেছিলেন হু থেকে। প্রস্থানের কারণ হিসেবে জানানো হয়েছে, “প্রয়োজনীয় সংস্কার গ্রহণে ব্যর্থতা এবং হু-এর সদস্য রাষ্ট্রগুলির অনুপযুক্ত রাজনৈতিক প্রভাব থেকে স্বাধীনতা প্রদর্শন করতে অক্ষমতা।”

    মার্কিন-মেক্সিকো সীমান্তে জাতীয় জরুরি অবস্থা

    ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে আরও কিছু এক্সিকিউটিভ অর্ডারে সই করেছেন। এর মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ সীমান্তে মেক্সিকোর সঙ্গে সীমান্তে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণাও রয়েছে। এই অর্ডারটি শুধুমাত্র দক্ষিণ সীমান্তে ফোকাস করে করা হয়েছে। এই অর্ডার বলে এখানে পেন্টাগনের অতিরিক্ত সম্পদ মোতায়েন এবং সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের উদ্যোগ নেবে। তিনি মাদক কার্টেলগুলিকে বিদেশি জঙ্গি সংস্থা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অবসান ঘটানোর উদ্দেশ্যে একটি পদক্ষেপে সই করেছেন নয়া প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প বলেন, বৈধ অভিবাসনে আমি সন্তুষ্ট।”

    ট্রাম্পের সই করা অন্যান্য এক্সিকিউটিভ অর্ডারগুলির মধ্যে ছিল কিছু মার্কিন দর্শনীয় স্থান যেমন মাউন্ট ম্যাককিনলি এবং গালফ অফ আমেরিকার পুনঃনামকরণ, কিউবাকে ফের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসী পৃষ্ঠপোষক তালিকায় পুনর্বহাল করা, হান্টার বাইডেন ল্যাপটপ চিঠিতে সই করা ৫১ জন প্রাক্তন কর্তার নিরাপত্তা অনুমোদন (Executive Orders) বাতিল করা এবং প্রাক্তন বাইডেন প্রশাসনের “মুক্ত বক্তৃতার সেন্সরশিপ” বা “আইন প্রয়োগ এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলির অস্ত্রীকরণ” সম্পর্কিত ব্যাপক তদন্ত শুরু করা (Donald Trump)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ায় অভিনন্দন, জয়শঙ্করের হাত দিয়ে বন্ধু ট্রাম্পকে চিঠি মোদির

    PM Modi: প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ায় অভিনন্দন, জয়শঙ্করের হাত দিয়ে বন্ধু ট্রাম্পকে চিঠি মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্ধু ট্রাম্পের সঙ্গে কাজ করার জন্য অপেক্ষা করছেন বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi Congratulates Donald Trump)। যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ায় ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। সোমবার ক্যাপিটল হিলে ট্রাম্পের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর৷ সংবাদমাধ্য়ম সূত্রে খবর, জয়শঙ্কর কিন্তু সেদেশে একা যাননি। সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছেন ট্রাম্পের প্রতি মোদির লেখা একটি চিঠিও। সেই চিঠি পৌঁছে দেন জয়শঙ্কর। সেই চিঠিতে কী লেখা আছে, তা অবশ্য প্রকাশ্যে আসেনি। এদিকে, দেশে বসেই ‘প্রিয় বন্ধু’ ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

    মোদির বার্তা ট্রাম্পকে

    আমেরিকার মসনদে নিজের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করতে চলেছেন রিপাবলিকান নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প (PM Modi Congratulates Donald Trump)। তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে মোদি লিখলেন, ‘‘আমার প্রিয় বন্ধু রাষ্ট্রপতি @realDonaldTrump যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম রাষ্ট্রপতি হিসাবে আপনার ঐতিহাসিক অভিষেকের জন্য অভিনন্দন! আমাদের উভয় দেশের ভালোর জন্য এবং বিশ্বের জন্য এক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে আমি আরও একবার ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছি।’’ ট্রাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর প্রধানমন্ত্রী মোদির বিশেষ দূত হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করছেন। তিনি নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্টের জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদির একটি চিঠি নিয়ে যান। এক পোস্টে জয়শঙ্কর লেখেন, ‘‘আজ ওয়াশিংটন ডিসিতে ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের বিদেশমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হিসেবে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছি।’’

    মোদি-ট্রাম্প বন্ধুত্ব

    প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi Congratulates Donald Trump) সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক বরাবরই ভালো৷ ২০১৬ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত তাঁর প্রথম মেয়াদকালে একাধিকবার ট্রাম্পের প্রশংসা করতে দেখা গিয়েছে মোদিকে৷ এমনকী, ২০১৯ সালে টেক্সাসের ‘হাউডি মোদি’ অনুষ্ঠানে একে অপরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে ওঠেন ট্রাম্প ও মোদি৷ পাল্টা ট্রাম্পের ভারত সফরের সময় মোদি সরকার করেছিল ‘নমস্তে ট্রাম্প’ অনুষ্ঠান। এমনকী, ‘বন্ধু’ ট্রাম্পের হয়ে “আব কি বার ট্রাম্প সরকার” বলতেও শোনা গিয়েছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে৷ সবমিলিয়ে, প্রথমবার মেয়াদকালে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছেন ট্রাম্প ৷ এবারও তার অন্যথা হবে না বলে মত কূটনৈতিক মহলের ৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Donald Trump: ‘‘আমেরিকার সোনালি যুগ শুরু’’! প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নিয়ে দাবি ডোনাল্ড ট্রাম্পের

    Donald Trump: ‘‘আমেরিকার সোনালি যুগ শুরু’’! প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নিয়ে দাবি ডোনাল্ড ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘আমেরিকার সোনালি যুগের শুরু হল। দেশের নাগরিকদের স্বার্থরক্ষাই হবে তাঁর প্রথম অগ্রাধিকার।’’ সোমবার আমেরিকার ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নিয়েই একথা ঘোষণা করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পর ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশবাসীর স্বার্থরক্ষায় অবৈধ অভিবাসন ঠেকানোর পাশাপাশি, আমদানি শুল্ক বাড়ানোই তাঁর ‘অস্ত্র’ বলে জানিয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প।

    আমেরিকা ফার্স্ট

    শপথের পর প্রথা মেনে আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন, জর্জ ডব্লিউ বুশ, বারাক ওবামা, জো বাইডেনদের ধন্যবাদ জানিয়ে ক্যাপিটল হিলের রোটান্ডায় সোমবার রাতে প্রেসিডেন্ট হিসাবে প্রথম বক্তৃতা করেন ট্রাম্প (Donald Trump)। সেখানে তিনি বলেন, ‘‘আজ আমেরিকার সোনালি যুগের সূচনা হল। আমি আবার ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ চালু করব। সমস্ত প্রতিবন্ধকতা দূরে সরিয়ে দেব।’’ ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির কথা প্রচারের সময় বার বার বলেই ভোটারদের মন কেড়ে নিয়েছিলেন ট্রাম্প। তাঁর নির্বাচনের স্লোগানই ছিল ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’, সংক্ষেপে ‘মাগা’। ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, এত দিন আমেরিকায় যেটুকু ভালো হয়েছে, তার মুনাফা লুটেছে শুধু ক্ষমতার অলিন্দে বসে থাকা মুষ্টিমেয় কিছু মানুষ। তিনি যদি ক্ষমতায় আসেন, সেই ছবি আমূল পাল্টে দেবেন। অন্য দেশ বা অভিবাসী নয়, অগ্রাধিকার দেবেন আমেরিকার নাগরকিদের স্বার্থরক্ষায়।

    বেআইনি অভিবাসী বিতাড়ন

    শপথ নিয়ে ফুল অ্যাকশন মোডে ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। শপথের পরেই জানালের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে মেক্সিকো সীমান্তে দেওয়াল তুলবেন। সেই সঙ্গে আমেরিকা-মেক্সিকো সীমান্তে এমার্জেন্সি ঘোষণা করে সেখানে সেনা পাঠানোর কথাও বলেছেন। বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করে ফেরত পাঠানোর কথাও জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার শপথ নিয়েই ট্রাম্পের ঘোষণা, ‘‘বেআইনি অভিবাসন এড়াতে দক্ষিণ সীমান্তে ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করব।’’ প্রেসিডেন্ট ভোটের আগে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পশ্চিম এশিয়ায় অশান্তি ঠেকাতে কূটনৈতিক পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তাঁর পূর্বসূরি বাইডেনের জমানাতেই গাজায় ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ইউক্রেনে এখনও রক্ত ঝরছে। ট্রাম্পের ঘোষণা— ‘‘আমি শান্তি এবং ঐক্য ফেরানোর কাজ করব।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: প্রথম দিনে একশোর বেশি আদেশনামায় সই করতে পারেন ট্রাম্প

    Donald Trump: প্রথম দিনে একশোর বেশি আদেশনামায় সই করতে পারেন ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই আমেরিকার ৪৭তম রাষ্টপতি হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। সূত্রের খবর, শপথ গ্রহণের দিনেই ১০০-টিরও বেশি আদেশনামায় তিনি সই করতে পারেন। প্রসঙ্গত, এই আদেশনামাগুলি আসলে তাঁর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের লক্ষ্যেই তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দ্বিতীয়বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট (US President) হিসেবে নির্বাচিত হতেই এই আদেশনামাগুলি তৈরি করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে, ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) নিজেই জানিয়েছিলেন যে প্রথম দিনেই তিনি রেকর্ড সংখ্যক আদেশনামায় স্বাক্ষর করার পরিকল্পনা নিয়েছেন।

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর করা আদেশনামা বাতিল করতে পারে না কংগ্রেস

    প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী, যে আদেশনামাগুলি রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করবেন, সেগুলিতে সে দেশের কংগ্রেসের কোনও অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না। একইসঙ্গে সে দেশের কংগ্রেস এগুলিকে বাতিলও করতে পারে না। কিন্তু এই আদেশনামাগুলির বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হওয়া যায়। ওই সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট (Donald Trump) বলেন, ‘‘আমাদের কাছে রেকর্ড সংখ্যক নথি রয়েছে। আমি শপথ গ্রহণের পরেই সেগুলিতে স্বাক্ষর করব।’’ সম্প্রতি, ক্যাপিটল হিলে রিপাবলিকান সেনেটরদের সঙ্গে ব্যক্তিগত এক বৈঠকে এমন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন ট্রাম্প নিজেই। বৈঠকে হাজির ছিলেন ট্রাম্পের প্রধান উপদেষ্টা স্টিফেন মিলারও।

    শপথ গ্রহণের উদ্দেশ্যে ওয়াশিংটন (ডিসি)-তে পৌঁছেছেন ট্রাম্প

    আমেরিকার ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন ট্রাম্প। আমেরিকার সময় অনুয়ায়ী রবিবার তিনি এবং নবনির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স শপথ নেবেন। প্রবল শীতের কারণে ‘ইন্ডোরে’ শপথ নেবেন ট্রাম্প। বায়ুসেনার বিশেষ বিমানে ফ্লোরিডার পাম বিচ থেকে আকাশপথে ওয়াশিংটন ডিসিতে পৌঁছে যান ট্রাম্প। তাঁর এই উড়ানের পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্পেশাল এয়ার মিশন ৪৭’। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস বিমানবন্দরে এসে নামে ট্রাম্পের বিশেষ বিমান। সেখান থেকে ভার্জিনিয়ার গলফ ক্লাবে যান ট্রাম্প।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: শপথ গ্রহণের আগে ওয়াশিংটন (ডিসি) পৌঁছলেন ট্রাম্প, পুড়ল আতশবাজি

    Donald Trump: শপথ গ্রহণের আগে ওয়াশিংটন (ডিসি) পৌঁছলেন ট্রাম্প, পুড়ল আতশবাজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার সন্ধ্যায় ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) শপথ গ্রহণের উদ্দেশ্যে ওয়াশিংটনে (ডিসি) পৌঁছেছেন। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন পরিবার এবং দলের নেতারা। প্রসঙ্গত, ভারতীয় সময় অনুযায়ী সোমবারই দ্বিতীয়বার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন ট্রাম্প। ওয়াশিংটন (ডিসি) (Washington) পৌঁছাতেই তাঁকে রাজকীয় অভ্যর্থনা জানানো হয়। সস্ত্রীক ট্রাম্পকে স্বাগত জানানো হয় আতশবাজি পুড়িয়ে। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে সেই ভিডিও।

    প্রবল শীতের কারণে ‘ইন্ডোরে’ শপথ নেবেন ট্রাম্প (Donald Trump)

    বর্তমানে প্রবল শৈত্যপ্রবাহ চলছে ওয়াশিংটন (ডিসি)-তে। ইতিমধ্যে সেখানকার হাওয়া অফিস তুষারপাতের সম্ভাবনাও জারি করেছে। প্রসঙ্গত, আমেরিকার ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন ট্রাম্প। মার্কিন সময় অনুয়ায়ী রবিবার তিনি এবং নবনির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স শপথ নেবেন। প্রবল শীতের কারণে ‘ইন্ডোরে’ শপথ নেবেন ট্রাম্প। বায়ুসেনার বিশেষ বিমানে ফ্লোরিডার পাম বিচ থেকে আকাশপথে ওয়াশিংটন ডিসিতে পৌঁছে যান ট্রাম্প। তাঁর এই উড়ানের পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্পেশাল এয়ার মিশন ৪৭’। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস বিমানবন্দরে এসে নামে ট্রাম্পের বিশেষ বিমান। সেখান থেকে ভার্জিনিয়ার গলফ ক্লাবে যান ট্রাম্প।

    ভুয়ো নথি ব্যবহার করে মুসিবুল হল প্রদীপ, একত্রবাস হিন্দু মেয়ের সঙ্গে, গ্রেফতার

    ক্যাপিটল হিল থেকে হোয়াইট হাউস পর্যন্ত বিশেষ কুচকাওয়াজ

    শপথ গ্রহণের দিন আমেরিকার সংসদ ভবন ক্যাপিটল হিল থেকে হোয়াইট হাউস পর্যন্ত বিশেষ কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই শোভাযাত্রায় পারফর্ম করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে টেক্সাসের ইন্দো-আমেরিকান ঢোল ব্যান্ড ‘শিবম ঢোল তাশা পাঠক’কে। ইতিহাস তৈরি করে দ্বিতীয়বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট (Donald Trump) নির্বাচিত হয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বসতে চলেছেন হোয়াইট হাউসের কুর্সিতে। কুর্সিতে বসার আগে ট্রাম্পকে ভরসা রাখতে দেখা গিয়েছে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের ওপর। একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের মনোনীত করছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Hindenburg Research: সরোসের সঙ্গে যোগসাজস! বন্ধ হয়ে যাচ্ছে হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ সংস্থা, জন্ম একঝাঁক প্রশ্নের

    Hindenburg Research: সরোসের সঙ্গে যোগসাজস! বন্ধ হয়ে যাচ্ছে হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ সংস্থা, জন্ম একঝাঁক প্রশ্নের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্ধ হয়ে যাচ্ছে হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ (Hindenburg Research) সংস্থা। ‘স্বল্পায়ু’ এই সংস্থার প্রকাশ করা রিপোর্টের প্রেক্ষিতে বড়সড় বিপদে পড়েছিল বিভিন্ন সংস্থা। বিপদে পড়েছিল ভারতের আদানি গোষ্ঠীও। শেয়ার বাজারে পতনের পাশাপাশি আইনি ঝামেলায়ও জড়িয়ে পড়ে গৌতম আদানির সংস্থা। পরবর্তীকালে সেবি প্রধান ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধেও বড় অভিযোগ এনেছিল এই সংস্থা। এহেন আলোড়ন ফেলা একটি সংস্থার ঝাঁপই (Shut Down) বন্ধ হতে চলেছে। হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের প্রতিষ্ঠাতা ন্যাথান অ্যান্ডারসন জানান, এই সংস্থা তাঁর জীবনের একটি অধ্যায়, গোটা জীবন নয়। ভেবেচিন্তেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।  

    ন্যাথান অ্যান্ডারসনের নোট (Hindenburg Research)

    বুধবার হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি ব্যক্তিগত নোটে ন্যাথান অ্যান্ডারসন বলেন, “কাজের অত্যন্ত তীব্র এবং কখনও কখনও সর্বগ্রাসী প্রকৃতিই আমার এই সিদ্ধান্তের নেপথ্য কারণ।” প্রসঙ্গত ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ। অ্যান্ডারসন লিখেছেন, “এটি অত্যন্ত তীব্র, এবং কখনও কখনও সর্বগ্রাসী ছিল। প্রায়ই ঘুমের মধ্যে আমি নতুন কোনও তদন্তের ধারা নিয়ে ভাবতে ভাবতে জেগে উঠি, অথবা কোনও সম্পাদনার বিষয়ে যা দিনে আমার অজান্তে আমাকে অস্থির করেছিল। অথবা সব কিছুর সাধারণ চাপের কারণে। আমরা ভীতিহীন নই—আমরা কেবল সত্যের প্রতি বিশ্বাস রাখি এবং আশা করি এটি আমাদের সঠিক পথে পরিচালিত করবে।” তিনি আরও বলেন, “অদ্ভুত, হাস্যকর এবং উদ্ভট ঘটনাগুলোর দিনও ছিল।” হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ বন্ধ করার কারণ প্রসঙ্গে অ্যান্ডারসন বলেন, “এর পেছনে কোনও নির্দিষ্ট কারণ নেই— কোনও বিশেষ হুমকি, স্বাস্থ্য সমস্যা, বা বড় কোনও ব্যক্তিগত সমস্যাও নেই।”

    রাজনৈতিক চাপানউতোর

    আদানি শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেবির প্রধানের যোগসূত্রের উল্লেখ করে রিপোর্ট প্রকাশ করে আমেরিকার বেসরকারি সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ। এ নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর যখন তুঙ্গে, তখন একটি বিবৃতি প্রকাশ করে হিন্ডেনবার্গকে পাল্টা আক্রমণ করে শিল্পপতি গৌতম আদানির সংস্থা। গত অগাস্টে আদানি শিল্পগোষ্ঠীর এক মুখপাত্র বিবৃতি দিয়ে বলেছিলেন যে, জনসমক্ষে প্রকাশিত তথ্যের কিছু মিথ্যা, ক্ষতিকর এবং বিদ্বেষমূলক অংশ নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। ব্যক্তিগত লাভের জন্য পূর্ব নির্ধারিত সিদ্ধান্তে আসা হয়েছে। হিন্ডেনবার্গকে আক্রমণ শানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, আমেরিকার এই সংস্থাটির বিরুদ্ধে একাধিকবার ভারতে আইন ভাঙার অভিযোগ উঠেছে।

    অভিযোগ ভিত্তিহীন!

    গৌতম আদানির শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে শেয়ার বাজারে অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগ তুলেছিল হিন্ডেনবার্গ। সে প্রসঙ্গ উল্লেখ করে আদানি গোষ্ঠীর তরফে বলা হয়েছিল, সবিস্তার তদন্তের পর প্রমাণিত হয়ে গিয়েছিল যে অভিযোগ ভিত্তিহীন। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টও মামলা খারিজ করে দেয় (Shut Down)। হিন্ডেনবার্গ (Hindenburg Research) মার্কিন সংস্থা। সেই সময় তারা এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছিল, আদানিরা বিদেশে যে টাকা সরিয়েছেন, তাতে অংশীদারিত্ব রয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা সেবির প্রধানের। হিন্ডেনবার্গের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, গৌতম আদানির ভাই বিনোদ আদানির বিদেশে থাকা সংস্থায় অংশীদারিত্ব রয়েছে সেবি প্রধান মাধবী পুরী বুচ ও তাঁর স্বামী ধবল বুচের। যে বছর হিন্ডেনবার্গের জন্ম হয়, সেই বছরই সেবিতে যোগ দেন মাধবী। হিন্ডেনবার্গের রিপোর্টে এও দাবি করা হয়, সেই সময় সম্ভাব্য নজরদারি এড়াতে মাধবীর নামে থাকা সমস্ত বিদেশি বিনিয়োগ নিজের নামে করে নেন তাঁর স্বামী। রিপোর্টটিকে চরিত্রহননের চেষ্টা বলে উড়িয়ে দেন বুচ দম্পতি। তবে তাতে বিতর্ক থামেনি। 

    ভারতের লোকসভা নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা!

    আদানি ও সেবির বিরুদ্ধে হিন্ডেনবার্গের রিপোর্ট প্রকাশিত হয় ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের ঠিক আগে। এই রিপোর্টকে হাতিয়ার করে মোদির বিরুদ্ধে ময়দানে নেমে পড়েছিল ইন্ডি-জোটের অংশীদাররা। তখনই, হিন্ডেনবার্গের রিপোর্ট নিয়ে জর্জ সরোসের যোগ নিয়ে একটা ইঙ্গিত মিলেছিল। সেই ইঙ্গিত জোরালো হয়ে ওঠে, যখন সরাসরি জর্জ সরোস দাবি করে বসেন যে, হিন্ডেনবার্গের রিপোর্টের জন্য নরেন্দ্র মোদিকে জবাবদিহি করতে হবে। তখন থেকেই হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টের আসল উদ্দেশ্য সামনে আসতে থাকে। বুঝতে অসুবিধা হয় না যে, বিদেশ থেকে ভারতের লোকসভা নির্বাচনকে প্রভাবিত করার ‘অপচেষ্টা’ চলছে।

    অ্যান্ডারসন-পিস-সরোস যোগসাজস ফাঁস!

    এর মধ্যেই ফাঁস হয়ে যায় ন্যাথান অ্যান্ডারসনের সরাসরি যোগাযোগের বিষয়টি। কী ছিল সেই যোগসূত্র? হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টকে হাতিয়ার করে মার্কিন আদালতে আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি এবং সাতজন অন্যান্য এক্সিকিউটিভ আধিকারিকের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও ঘুষের অভিযোগ এনেছিলেন নিউইয়র্কের ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টের মার্কিন অ্যাটর্নি ব্রিয়ন পিস। জানা যায়, এই ব্রিয়নের স্ত্রী যে সংস্থার অন্যতম শীর্ষ ডিরেক্টর, সেই (এনজিও) সংস্থাটির মালিক হলেন ব্রায়ান স্টিভেনসন, যিনি কিনা আবার সরোসের মালিকানধীন ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনের বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যও বটে। ফলে, সরোসের সঙ্গে পিস দম্পতির যোগসাজস পরিষ্কার হয়ে যায়। কাকতালীয়ভাবে, এর পরেই ব্রিয়ন পিস তাঁর পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন। 

    ঝাঁপ ফেলার সময়কাল

    উল্লেখ্য যে, নাথান অ্যান্ডারসনের হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ বন্ধ করার ঘোষণাটি এমন একটি সময়ে এল যখন দিন কয়েকের মধ্যে ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার আগেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এই সংস্থা। হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ বন্ধের সময় জন্ম দিয়েছে বহু প্রশ্নের। এই সিদ্ধান্তটি এমন একটি সময়ে এল যখন হাউস জুডিশিয়ারি কমিটির সদস্য রিপ্রেজেন্টেটিভ ল্যান্স গুডেন ১৪ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে অ্যাটর্নি জেনারেল মেরিক গারল্যান্ডকে চিঠি লিখে আদানি গ্রুপের তদন্ত সম্পর্কিত ন্যায়বিচার বিভাগের সমস্ত নথি ও রেকর্ড প্রকাশ করার দাবি জানান (Hindenburg Research)।

    কী বললেন গুডেন

    এর আগে রিপাবলিকান নেতা আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে ওঠা বিতর্কিত অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। ৭ জানুয়ারি গারল্যান্ডকে লেখা এক চিঠিতে ল্যান্স গুডেন বলেছিলেন, “অভিযোগে যেসব ঘটনার কথা বলা হচ্ছে, সেগুলি সবই ভারতে ঘটেছে। এখানে শুধুমাত্র ভারতীয় নাগরিক ও কর্তারা জড়িত, কোনও মার্কিন স্বার্থের ক্ষতি হয়নি (Shut Down)।” তিনি আরও বলেন, “যদি অভিযোগ প্রমাণিতও হয়, তবে এ ক্ষেত্রে আমেরিকা চূড়ান্ত বিচারক হতে পারে না। কারণ এতে কোনও মার্কিন পক্ষের জড়িত থাকার প্রমাণ নেই (Hindenburg Research)।”

    আরও পড়ুন: কুম্ভে আসতে চেয়েছিলেন স্টিভ জোবস, বন্ধুকে জানিয়েছিলেন, সেই চিঠি বিক্রি হল ৪.৩২ কোটিতে

    গুডেনের দাবি

    গুডেন অবশ্য দাবি করেন, “আদানি মামলার অভিযোগ, যদি প্রমাণিতও হয়, তবুও আমেরিকাকে এই বিষয়ে চূড়ান্ত এবং যথোপযুক্ত বিচারক করে তোলে না। এই ‘ঘুষ’গুলো অভিযোগ অনুযায়ী ভারতের রাজ্য সরকারের কর্তাদের কাছে, ভারতে, একটি ভারতীয় কোম্পানির ভারতীয় কর্তারা দিয়েছেন, যেখানে কোনও মার্কিন পক্ষের সরাসরি জড়িত থাকার বা ক্ষতির প্রমাণ নেই। অন্যদিকে, স্মার্টম্যাটিক একটি আমেরিকান কোম্পানি, যা আমাদের নির্বাচনের দায়িত্বে ছিল, তার কর্তারা অর্থপাচার এবং বিদেশি সরকারকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছিল ন্যায়বিচার বিভাগের অভিযোগ অনুযায়ী। তবে, আমার সহকর্মী এবং আমি বহুবার চেষ্টা করেও নির্বাচনের আগে এই বিষয়ে আপনার বিভাগ থেকে কোনও ব্রিফিং পাইনি।”

    রিপাবলিকান ওই নেতা বলেন, “যদি এই মামলাটির (Hindenburg Research) সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ থাকে, তবে বিচার বিভাগ কেন এখনও একজন আমেরিকানকেও অভিযুক্ত করেনি? এই চক্রান্তের যে অভিযোগ উঠেছে, তাতে কি কোনও আমেরিকান জড়িত ছিল না? গৌতম আদানির বিরুদ্ধে কেন বিচার বিভাগ এই মামলা পরিচালনা করছে, যখন অভিযোগের ঘটনাটি ভারতের সঙ্গে সম্পর্কিত (Shut Down)?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share