Tag: DRDO

DRDO

  • Nishant Agarwal: পাকিস্তানের গুপ্তচর! ব্রহ্মস অ্যারোস্পেসের তরুণ ইঞ্জিনিয়ার নিশান্তের যাবজ্জীবন

    Nishant Agarwal: পাকিস্তানের গুপ্তচর! ব্রহ্মস অ্যারোস্পেসের তরুণ ইঞ্জিনিয়ার নিশান্তের যাবজ্জীবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভারতের অন্যতম সেরা সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্রহ্মসের প্রাক্তন ইঞ্জিনিয়ার (Ex-Brahmos Engineer) নিশান্ত অগরওয়ালকে (Nishant Agarwal) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল আদালত। অভিযোগ, পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের হয়ে চরবৃত্তি করেছেন তিনি। সোমবার নাগপুরের জেলা আদালত নিশান্ত আগরওয়ালকে এই সাজা দেয়। পাশাপাশি, তাঁকে সরকারি গোপনীয়তা আইনে ১৪ বছরের কারাদণ্ড এবং ৩০০০ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

    কী অভিযোগ

    ব্রহ্মস অ্যারোস্পেস প্রাইভেট লিমিডেটের মেধাবী কর্মী তথা কৃতি বিজ্ঞানী (Ex-Brahmos Engineer) ছিলেন নিশান্ত (Nishant Agarwal)। নাগপুরের ব্রহ্মস অ্যারোস্পেস প্রাইভেট লিমিডেটের প্রযুক্তি সংক্রান্ত গবেষণার অন্যতম বিজ্ঞানী ছিলেন তিনি। অভিযোগ, সেখানে চার বছর কাজ করার সময় গুপ্তচর বৃত্তিতে জরিয়ে পড়েন নিশান্ত। পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচারের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। নেহা শর্মা এবং পূজা রঞ্জন নামে দুটি ফেসবুক প্রোফাইলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন নিশান্ত। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, দুটিই ছিল ফেক প্রোফাইল। পিছনে ছিল পাকিস্তানি গোয়েন্দারা। ইসলামাবাদ থেকে আইএসআই এজেন্টরাই ওই প্রোফাইল দুটি চালাত। 

    আরও পড়ুন: এনডিএ জোট এগিয়ে ২৯২ আসনে, দিল্লির মসনদে ফের মোদি?

    কীভাবে টার্গেট নিশান্ত

    পুলিশ সূত্রে খবর, অনলাইনে কার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, সেই বিষয়ে উদাসীন ছিলেন নিশান্ত (Nishant Agarwal)। এর ফলেই তিনি আইএসআই-এর সহজ টার্গেট হন। ২০১৮ সালে উত্তরপ্রদেশ এবং মহারাষ্ট্র পুলিশের সন্ত্রাস দমন শাখা গ্রেফতার করে তাঁকে। নাগপুর দায়রা আদালতে বিচারক এম ভি দেশপাণ্ডে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের দায়ে সোমবার দোষী সাব্যস্ত করে নিশান্ত আগরওয়ালকে। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (Ex-Brahmos Engineer) সেরা তরুণ বিজ্ঞানীর পুরস্কার জিতেছিলেন নিশান্ত। তিনি এই কাজ করতে পারেন, তা তাঁর সহকর্মীরা ভাবতেই পারছেন না। সোমবার অতিরিক্ত দায়রা বিচারক এমভি দেশপাণ্ডে জানিয়েছেন, ফৌজদারি বিধির ২৩৫ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে নিশান্তকে। এ ছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তি আইনেও দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে তাঁকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BrahMos Missiles: আরও চাপে চিন! ফিলিপিন্সে পোঁছল ভারতের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র

    BrahMos Missiles: আরও চাপে চিন! ফিলিপিন্সে পোঁছল ভারতের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কূটনৈতিক এবং সামরিক ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ করল ভারত। চিনকে চাপে রাখতে ইতিমধ্যেই ফিলিপিন্সের সঙ্গে সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ওই চুক্তির আওতায় শুক্রবার সকালেই ফিলিপিন্সে প্রথম দফায় পৌঁছল ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র (BrahMos Missiles)। ইতিমধ্যেই চিনকে নিশানায় রেখে লাদাখ ও অরুণাচলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র বসিয়েছে ভারত। এবার এই জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র চলে গেল ফিলিপিন্সের নৌ বাহিনীর হাতেও।

    সর্ববৃহৎ সামরিক রফতানি চুক্তি 

    ফিলিপিন্সের সঙ্গে এখনও পর্যন্ত সর্ববৃহৎ সামরিক রফতানি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারত (India-Philippines Relations)। শুক্রবার ভোরেই ফিলিপিন্সে পৌঁছে যায় ভারতের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র। ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF C-17) বিমানে চাপিয়ে ফিলিপিন্সে ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার রাতে নাগপুর থেকে রওনা দেয় বায়ুসেনার ওই বিমান। শুক্রবার ভোরে ফিলিপিন্সের রাজধানী ম্যানিলায় পৌঁছয়। এর সঙ্গে ছিল তিনটি সাধারণ বিমানও। যাতে ছিল অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম এবং ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের সহায়ক যন্ত্রাংশ।

    কেন ফিলিপিন্সে ব্রহ্মস

    ফিলিপিন্সের উপকূলীয় নিরাপত্তার কাজে ভারতে তৈরি ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হবে। পশ্চিম ফিলিপিন্স সাগরে আধিপত্য নিয়ে চিনের সঙ্গে সংঘাত রয়েছে ফিলিপিন্সের। সেই আবহে ভারতের সঙ্গে ফিলিপিন্সের এই সামরিক চুক্তিতে চিনের উপর চাপ বাড়বে বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা। ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে যৌথ উদ্যোগে গঠিত ব্রহ্মস এরোস্পেস সংস্থায় তৈরি ব্রহ্মস ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের চেয়েও দ্রুতগামী। স্থলভূমির পাশাপাশি ডুবোজাহাজ, জাহাজ, যুদ্ধবিমান থেকে ছোড়া সম্ভব। এই ক্ষেপণাস্ত্রই এবার শোভা পাবে ফিলিপিন্সের নৌ বাহিনীর সমর সম্ভারে। 

    কবে হয়েছিল চুক্তি

    ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে ফিলিপিন্সের সঙ্গে সামরিক চুক্তির ঘোষণা করে ভারত। চুক্তি যদিও ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বরই স্বাক্ষরিত হয়।  বিদেশে সামরিক সরঞ্জাম রফতানির ক্ষেত্রে ফিলিপিন্সের সঙ্গে এই চুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রথম অন্য দেশের সঙ্গে সামরিক সরঞ্জাম রফতানির এত বড় চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল ভারত।  যা শুক্রবার বাস্তব রূপ পেল। মোট ২,৭০০ কোটি টাকার বিনিময়ে ভারতের সঙ্গে সামরিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ফিলিপিন্স। ওই চুক্তির আওতায় ২৯০ কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র  প্রযুক্তি কিনছে তারা। ক্ষেপণাস্ত্রের তিনটি ব্যাটারিও তাদের বিক্রি করছে ভারত। গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে ফিলিপিন্স নৌসেনার ২১ সৈনিককে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ballistic Missile: সতর্ক থাকুক পাকিস্তান, চিন! ‘অগ্নি প্রাইম’ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ ভারতের

    Ballistic Missile: সতর্ক থাকুক পাকিস্তান, চিন! ‘অগ্নি প্রাইম’ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন প্রজন্মের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (Ballistic Missile) ‘অগ্নি প্রাইম’-এর (Agni-Prime) সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করল ভারত। বৃহস্পতিবার ওড়িশা উপকূলে এপিজে আবদুল কালাম দ্বীপে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণের কথা প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বিবৃতি

    মন্ত্রকের বিবৃতি বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রের (Ballistic Missile) পরীক্ষার সময় সমস্ত কার্যকারিতা তথা উদ্দেশ্য সফল হয়েছে। সেনার স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ড (এসএফসি) এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) যৌথভাবে অগ্নি প্রাইম ব্যালেস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা চালিয়েছে। বুধবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ ক্ষেপণাস্ত্রটিকৃ উৎক্ষেপণ করা হয়। চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহানের সামনেই এই উৎক্ষেপণ হয়। ছিলেন ডিআরডিও (DRDO) ও সেনার উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও। সফল পরীক্ষার জন্য ডিআরডিও, এসএফসি এবং সেনাকে অভিনন্দন জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণে সেনা বাহিনীর শক্তি কয়েক গুণ বাড়ল। 

    অগ্নি প্রাইমের শক্তি

    অগ্নি প্রাইম মিসাইল (Ballistic Missile) হল অগ্নি সিরিজের নতুন প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র। এই ক্ষেপণাস্ত্রের ওজন ১১,০০০ কেজি। ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০০০ কিলোমিটার দূরের যে কোনও লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে সক্ষম। ৩৪.৫ ফুট লম্বা ক্ষেপণাস্ত্রটিকে এক বা মাল্টিপল ইন্ডিপেন্ডেন্টলি টার্গেটেবল রিএন্ট্রি ভেহিক্যল (MIRV) ওয়ারহেডের সঙ্গে লাগানো যেতে পারে। এই ক্ষেপণাস্ত্র একসঙ্গে একাধিক লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করতে পারে।

    আরও পড়ুন: ‘দলের কোনও দিশা নেই, সনাতন ধর্ম বিরোধী’, ইস্তফা দিলেন কংগ্রেস মুখপাত্র গৌরব বল্লভ

    তাওয়াং এবং অরুণাচলে চিনের সঙ্গে সংঘাতের আবহেই এই ব্যালাস্টিক মিসাইলের সফল পরীক্ষা করল ভারত। দূরপাল্লার এই মিসাইসল প্রয়োজন পড়লে চিনের রাজধানী বেজিংয়েও আঘাত হানতে সক্ষম বলে জানা নিয়েছে। এই মিসাইলের সফল পরীক্ষার মধ্য দিয়ে পাকিস্তান ও চিনকে প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি বলে মত আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের। যদিও সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারেই এই পরীক্ষা করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • DRDO: পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ, গ্রেফতার ডিআরডিও আধিকারিক

    DRDO: পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ, গ্রেফতার ডিআরডিও আধিকারিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক ডিআরডিও (DRDO) অফিসারের বিরুদ্ধে উঠল গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ। পাক রমণীর সঙ্গে সম্পর্কস্থাপনের অভিযোগও উঠেছে। গ্রেফতার করা হয়েছে ডিআরডিও’র সেই সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসারকে। জানা গিয়েছে, গত একবছর ধরে এক পাকিস্তানি মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তাঁর। মধুচক্রের ফাঁদে পড়ে শত্রুদেশের ওই মহিলাকে নিজের নগ্ন ছবি-ভিডিয়ো থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, সব পাঠিয়েছেন তিনি। শনিবার বালাসোর পুলিশ গ্রেফতার করেছে তাঁকে। আইজি (ইস্টার্ন রেঞ্জ) হিমাংসু লাল জানিয়েছেন, ওই টেকনিক্যাল অফিসার বালাসোর জেলার চাঁদিপুরে ডিআরডিওর ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জে নিযুক্ত ছিলেন। বছর খানেক আগে ওই পাকিস্তানি মহিলার সঙ্গে যোগাযোগ হয় তাঁর। অল্প দিনেই সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি।

     

    কী জানা গেল? 

    পুলিশের তরফে (DRDO) জানানো হয়েছে, গ্রেফতার হওয়া অফিসার অশ্লীল ছবি ও ভিডিওর বিনিময়ে পাকিস্তানি মহিলা এজেন্টের সঙ্গে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের গোপন তথ্য শেয়ার করেছিলেন। জানা গিয়েছে, মধুচক্রটি অপারেট হত রাওয়ালপিন্ডি থেকে। সেখান থেকেই এ দেশের বিভিন্ন সরকারি আধিকারিক, বিশেষ করে যারা দেশের সুরক্ষা ব্যবস্থা সংক্রান্ত সংস্থার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের টার্গেট করা হয়। 

    পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গোপন তথ্য পাওয়ার জন্য এ দেশের প্রকৌশলী ও সুরক্ষা ব্যবস্থার আধিকারিকদের গুপ্তচর হিসেবে কাজে লাগানোর জন্য এই ধরনের ফাঁদ পাতা হচ্ছে। এই কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে সুন্দরী তরুণীদের। উল্লেখ্য, এটি ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জ থেকে তথ্য ফাঁসের প্রথম ঘটনা নয়। অতীতেও একই অভিযোগে বেশ কয়েকজন অফিসার গ্রেফতার হয়েছেন।

    আরও পড়ুন: সংখ্যালঘু ভোটও পাবে বিজেপি! সাগরদিঘি উপনির্বাচনে তৃণমূল তৃতীয় স্থানে থাকবে, দাবি শুভেন্দুর  

    গ্রেফতার হওয়া আধিকারিকের নাম (DRDO) বাবুরাম। ডিআরডিও আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, আইটিআর-এ প্রায় সমস্ত মিসাইল পরীক্ষার সময়ই উপস্থিত ছিলেন বাবুরাম। তাছাড়া ডিআরডিও কর্মী এবং বিজ্ঞানীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার দায়িত্বও ছিল তাঁর উপর। মিসাইল উৎক্ষেপণে অতি স্পর্শকাতর, গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত তথ্যও থাকত বাবুরামের কাছেই। সেই বাবুরামই এবার পুলিশের হেফাজতে। অভিযোগ, হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ওই মহিলা পাক চরের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে বাবুরামের। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তাঁর ফোন। ডিআরডিও-র গোপন তথ্য কতখানি পাকিস্তানের কাছে পৌঁছেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     

      

  • Agni-5 MIRV: ‘অগ্নি-৫’ মার্ভ ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম উড়ান, ‘মিশন দিব্যাস্ত্র’-এর সাফল্যে প্রশংসা মোদির

    Agni-5 MIRV: ‘অগ্নি-৫’ মার্ভ ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম উড়ান, ‘মিশন দিব্যাস্ত্র’-এর সাফল্যে প্রশংসা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় বড় সাফল্য পেল ভারত। সোমবার, ৫ হাজার কিলোমিটার পাল্লার দেশীয় আন্তঃমহাদেশীয় ‘অগ্নি-৫’ ক্ষেপণাস্ত্রের মাল্টিপল ওয়ারহেড প্রযুক্তির (Agni-5 MIRV) সফল পরীক্ষা করল ভারত। অত্যাধুনিক মার্ভ প্রযুক্তির (একই ক্ষেপণাস্ত্রে একাধিক ওয়ারহেড লাগিয়ে উৎক্ষেপণ) প্রথম টেস্ট ফ্লাইট (Mission Divyastra) করা হয়েছে। এর ফলে, বিশ্বের হাতে গোনা কয়েকটি দেশের এলিট তালিকায় ঢুকে পড়ল ভারত। এই সাফল্যের জন্য দেশের বিজ্ঞানীদের বাহবা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    কী এই মার্ভ প্রযুক্তি?

    অত্যাধুনিক প্রযুক্তির জন্য, একটি ক্ষেপণাস্ত্রের মাথায় বসানো রয়েছে একাধিক ওয়ারহেড। এক-একটি ওযারহেড আলাদা আলাদা টার্গেট বা লক্ষ্যে নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। ফলে, একটি নয়, একইসঙ্গে একাধিক ‘টার্গেট’-কে নিশানা করতে সক্ষম একটি ক্ষেপণাস্ত্র (Agni-5 MIRV)। এটিকে সামরিক পরিভাষায় বলা হয় ‘মাল্টিপল ইন্ডিপেনডেন্টলি টার্গেটেবল রি-এন্ট্রি ভেহিক্যল’ বা সংক্ষেপে মার্ভ। দীর্ঘদিন ধরে এই প্রযুক্তির ওপর গবেষণা চালাচ্ছিলেন ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ডিআরডিও) বিজ্ঞানীরা। অবশেষে এল সাফল্য। 

    কতটা শক্তিশালী ‘অগ্নি-৫’ ক্ষেপণাস্ত্র?

    ‘অগ্নি-৫’ হল ভারতে তৈরি ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল (আইসিবিএম) বা আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র। এটি ৫ হাজার কিলোমিটার বা তার চেয়েও বেশি দূরের লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম। ভূমি থেকে ভূমিতে উত্ক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, পরমাণু অস্ত্র বইতে পারে ‘অগ্নি-৫’ (Agni-5 MIRV)। এই ব্যালিস্টিক মিসাইলটির ওজন ৫০ টন। দেড় হাজার কিলোগ্রামের বেশি পরমাণু অস্ত্র বহণ করতে সক্ষম। এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের কর্মসূচিকে ‘মিশন দিব্যাস্ত্র’ (Mission Divyastra) নাম দেওয়া হয়েছিল। এই প্রকল্পের ডিরেক্টর একজন মহিলা। শুধু তাই নয়, ওই মিশনের ক্ষেত্রে মহিলারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলে সূত্রের খবর। 

    ডিআরডিও-র প্রশংসা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    এই সাফল্যে দেশের প্রতিরক্ষা বিজ্ঞানীদের ভূয়সী প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। মোদি ট্যুইতে বলেছেন, ‘‘মিশন দিব্যাস্ত্রর (Mission Divyastra) জন্য আমাদের ডিআরডিও-র বিজ্ঞানীদের জন্য গর্বিত, মাল্টিপল ইন্ডিপেন্ডেন্টলি টার্গেটেবল রি-এন্ট্রি ভেহিক্যল প্রযুক্তি সহ দেশীয়ভাবে তৈরি অগ্নি-৫ ক্ষেপণাস্ত্রের (Agni-5 MIRV) প্রথম পরীক্ষামূল উড়ান।’’ 

    ‘মিশন দিব্যাস্ত্র’-র সাফল্যে প্রশংসা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কণ্ঠেও। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, ‘‘মিশন দিব্যাস্ত্রর (Mission Divyastra) আওতায় ‘অগ্নি-৫’-এর (Agni-5 MIRV) এই উড়ান বৃহত্তর ভূ-কৌশলগত ভূমিকা এবং ক্ষমতার দিশায় ভারতের অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। দেশীয়ভাবে নির্মিত এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি আত্মনির্ভর ভারতের পথে একটি দৃঢ় পদক্ষেপ। আমি এই বিরাট কৃতিত্বের জন্য টিম ডিআরডিও-কে আমার আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমি নিশ্চিত তাঁরা তাঁদের শ্রেষ্ঠত্ব এবং স্বনির্ভরতার সন্ধানে দ্রুত এগিয়ে যাবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukhoi-30 MKI: অত্যাধুনিক রেডার থেকে উন্নত অস্ত্র, আরও শক্তিশালী হচ্ছে বায়ুসেনার সুখোই-৩০

    Sukhoi-30 MKI: অত্যাধুনিক রেডার থেকে উন্নত অস্ত্র, আরও শক্তিশালী হচ্ছে বায়ুসেনার সুখোই-৩০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও শক্তিশালী হচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) প্রধান স্তম্ভ সুখোই-৩০ এমকেআই (Sukhoi-30 MKI) যুদ্ধবিমান। রুশ-নির্মিত এই যুদ্ধবিমানের বড় আধুনিকীকরণে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিমানে যেমন যুক্ত হতে চলেছে নতুন রেডার, মিশন কন্ট্রোল সিস্টেম। তেমনই এতে বাড়ানো হচ্ছে ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সক্ষমতা এবং আধুনিক ও পরবর্তী প্রজন্মের অস্ত্রবহণের ক্ষমতা। 

    ৬০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ

    সূত্রের খবর, এই বিশাল প্রকল্পের জন্য ৬০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Ministry of Defence)। রাষ্ট্রায়ত্ত যুদ্ধবিমান উৎপাদনকারী সংস্থা হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL) ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (DRDO) — যৌথভাবে এই আধুনিকীকরণের কাজ করবে। পাশাপাশি, এই প্রকল্পে সরঞ্জাম সরবরাহকারী হিসেবে যুক্ত হবে দেশের বেসরকারি সংস্থাও। 

    ২ পর্বে হবে আধুনিকীকরণ

    সম্প্রতি, দুদিকের শত্রু থেকে দেশের আকাশকে রক্ষা করতে এবং আধুনিক যুদ্ধবিমানের প্রয়োজনীয়তাকে মাথায় রেখে এই প্রকল্পকে দ্রুত সম্পন্ন করতে উদ্যোগী হয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। জানা গিয়েছে, মোট ২ পর্বে এই প্রকল্প সম্পন্ন করা হবে। প্রথম পর্বে যুদ্ধবিমানের (Sukhoi-30 MKI) এভিয়োনিক্স ও রেডার সিস্টেম উন্নত করা হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে উন্নত করা হবে ফ্লাইট কন্ট্রোল সিস্টেমকে।

    ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর ওপর জোর

    প্রতিরক্ষায় ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর ওপর জোর দিচ্ছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার। এর ফলে, দেশীয় প্রযুক্তি ও অস্ত্র-সরঞ্জাম উৎপাদন থেকে শুরু করে কেনা ও ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। জানা গিয়েছে, আধুনিকীকরণের সিংহভাগে পুরনো সেকেলে রুশ সরঞ্জামকে সরিয়ে দেশীয় সিস্টেম ও প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। 

    দেশীয় রেডার ও ইডব্লু সিস্টেম

    যেমন, সুখোই-৩০ এমকেআই (Sukhoi-30 MKI) যুদ্ধবিমানে ব্যবহৃত রুশ রেডারের তুলনায় অনেক বেশি সক্ষম দেশীয় ‘উত্তম’ রেডার। এর পাল্লাও অনেকটাই বেশি। আধুনিকীকরণের প্রথম পর্যায়ে বিমানে নতুন ধরনের ইলেক্ট্রনিক ওয়ারফেয়ার (ইডব্লু) সিস্টেম বসানো হবে। এর ফলে, শত্রুর যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে শুরু করে শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্রগুলিকে অকেজো করা আরও সহজ হবে। পাশাপাশি, আকাশ থেকে আকাশ ও আকাশ থেকে ভূমিতে থাকা লক্ষ্যবস্তুকে নির্ভুল টার্গেট করতে বসানো হচ্ছে দেশে তৈরি অত্যাধুনিক মানের নতুন ইনফ্রা-রেড ট্র্যাক অ্যান্ড সার্চ সিস্টেম।

    দেশেই তৈরি হচ্ছে আরও সুখোই

    ভারতীয় বায়ুসেনায় (Indian Air Force) ২৭০-এর বেশি সুখোই-৩০ এমকেআই (Sukhoi-30 MKI) যুদ্ধবিমান রয়েছে, যা রাশিয়া থেকে কিনেছে ভারত। জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে ৯০টি বিমানের আধুনিকীকরণ হবে, যা শুরু হতে চলেছে চলতি বছরেই। পরের ধাপে ধীরে ধীরে সবকটি বিমানের আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এর পাশাপাশি, ১১ হাজার কোটি টাকায় আরও ১২টি যুদ্ধবিমান কিনেছে ভারত। প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে সেগুলি তৈরি হচ্ছে এদেশেই। হ্যাল-এর কারখানায় সেগুলি উৎপাদন হচ্ছে, যাতে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত দেশীয় যন্ত্রাংশ ব্যবহার করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Junput: দিঘার কাছে জুনপুটে হবে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ, শুরু হয়েছে তৎপরতা

    Junput: দিঘার কাছে জুনপুটে হবে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ, শুরু হয়েছে তৎপরতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘার কাছে জুনপুটে (Junput) ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ হতে চলেছে। ওড়িশার চাঁদিপুর বা অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ হলেও এ রাজ্যে এমন উদ্যোগ এই প্রথম। পূর্ব  ফেব্রুয়ারির শেষে বা মার্চের গোড়াতেই এখান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করার কথা কেন্দ্রীয় সংস্থা ডিআরডিও-র (ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন)। তবে গোড়ায় কিছুই জানতেন না বাসিন্দারা। কয়েক দিন ধরে লঞ্চিং প্যাড তৈরি হচ্ছে, বসেছে বোর্ড।

    এলাকাবাসীদের সরানোর উদ্যোগ (Junput)

    কাঁথি থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে জুনপুট (Junput)। জুনপুটে তৈরি হয়েছে নতুন বোল্ডারের রাস্তা। টিনের ছাউনি দেওয়া লঞ্চিং প্যাডের পাশে বসেছে জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থার বোর্ড। তার এক দিকে চলছে উপকূলরক্ষী বাহিনীর রেডার স্টেশন তৈরির কাজ। এখান থেকে দু’কিলোমিটারের মধ্যেই হরিপুর। ২০০৬ সালে সেখানে পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরির ঘোষণা হয়েছিল। স্থানীয় মৎস্যজীবীরা তখন কমিটি গড়ে আন্দোলনে নামেন। পাশে ছিল তৎকালীন বিরোধী দল তৃণমূল। শেষে পিছু হটেছিল তদানীন্তন বাম সরকার। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জুনপুটে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের জন্য কাঁথি-১ ব্লকের বিরামপুট এবং দেশপ্রাণ ব্লকের চেচড়াপুট গ্রামে এর মধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে এই নিয়ে। সংশ্লিষ্ট দুই ব্লক প্রশাসন এবং ভূমি দফতর সমীক্ষা করে রিপোর্ট কাঁথির মহকুমাশাসকের দফতরে জমা দিয়েছে। ওই দুই গ্রাম থেকে ১৫৫০ জন পূর্ণবয়স্ক এবং ৩৭০ জন নাবালককে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। গবাদি পশুর ক্ষতির আশঙ্কায় সাড়ে ১২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    মৎস্যজীবীরা কী বললেন?

    পূর্ব মেদিনীপুর মৎস্যজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক দেবাশিস শ্যামলের মতে, “জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হতে বসেছে। ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ হলে সামুদ্রিক মাছের ঘাটতি হবেই।” জুনপুটে (Junput) মৎস্যজীবী প্রধান এলাকার বাসিন্দাদের আশঙ্কা, এতে দূষণ বাড়বে। বিপন্ন হবে জীবন-জীবিকা।

    জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের কী বক্তব্য?

    পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক তনবীর আফজল মানছেন, “ফেব্রুয়ারি শেষে বা মার্চের গোড়ায় ডিআরডিও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করবে। একটা রকেট ছাড়া হবে বালেশ্বর থেকে। আর একটা জুনপুট থেকে। কীভাবে মাঝ-আকাশে একটা ক্ষেপণাস্ত্র কী করে আরেকটাকে ধ্বংস করে, সেই সংক্রান্ত গবেষণার জন্য জেলার এই জায়গাটি বেছেছে ডিআরডিও। এ জন্য রাজ্য সরকার জমি দিয়েছে। সব রকম সহযোগিতা করা হয়েছে।” মহকুমাশাসক শৌভিক ভট্টাচার্য বলেন, “ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের সময় সাময়িকভাবে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে সব নিয়ন্ত্রণ করবে ডিআরডিও। কিছু মানুষকে কয়েক ঘণ্টার জন্য সরে যেতে হবে। ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাও রয়েছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Zorawar: নজরে চিন! দেশে তৈরি লাইট ব্যাটল ট্যাঙ্ক ‘জোরাবর’-এর পরীক্ষা শুরু লাদাখে

    Zorawar: নজরে চিন! দেশে তৈরি লাইট ব্যাটল ট্যাঙ্ক ‘জোরাবর’-এর পরীক্ষা শুরু লাদাখে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভর ভারত-এর আরও একটি সাফল্য। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হাল্কা যুদ্ধট্যাঙ্ক  ‘জোরাবর’-এর (Zorawar) পরীক্ষা শুরু হল প্রৃত নিয়ন্ত্রণরেখা লাগোয়া লাদাখের পার্বত্য এলাকায়। 

    কেন এই ট্যাঙ্কের প্রয়োজন হল?

    চিন-সীমান্তের সুরক্ষা মজবুত করার জন্য সেখানে যুদ্ধট্যাঙ্ক মোতায়েন করা যে অবশ্যম্ভাবী, তা টের পেয়েছিল ভারত। সেই অনুযায়ী, বর্তমানে ব্যবহৃত দেশীয় ‘অর্জুন’, রুশ টি-৯০ (ভীষ্ম), টি-৭২ (অজেয়) ট্যাঙ্কগুলি অত্যন্ত ভারী হওয়ায় সেগুলিকে ওই দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে তুলে নিয়ে গিয়ে মোতায়েন করা ভীষণই কষ্টসাধ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল সেনার কাছে। শুধু তাই নয়, ওই যুদ্ধট্যাঙ্কগুলি লাদাখের মতো প্রতিকূল আবহাওয়ায় বেশিদিন কার্যকর থাকছিল না।

    অন্যদিকে, চিনারা ওই জায়গায় হাল্কা ট্যাঙ্ক মোতায়েন করা শুরু করেছিল। যা রীতিমতো চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল ভারতীয় সেনার কাছে। প্রাথমিকভাবে, রুশ নির্মিত বিএমপি-২ ‘ইনফ্যান্ট্রি ফাইটিং ভেহিকল’ দিয়ে পরিস্থিতি ধরে রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল। এক সময় স্থির করা হয়েছিল, রাশিয়ার কাছে এই বিএমপি আমদানি করা হবে। কিন্তু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভর হতে। 

    ওজন মাত্র ২৫ টন! অসাধ্যসাধন ডিআরডিও-র

    এই প্রেক্ষিতে ভারতের কাছে এই প্রতিকূলতা বা সমস্যার একটাই সমাধান ছিল। তা হল, যদি ভারতের হাতে এমন একটা হাল্কা ট্যাঙ্ক থাকে, যা সহজেই সেখানে মোতায়েন করা সম্ভব হয়। সেনার এই প্রয়োজনীয়তা এবং দাবিকে মান্যতা দিয়ে চার বছর আগে এক নতুন ধরনের ট্যাঙ্ক (Light Battle Tank) তৈরির কাজ শুরু করে দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা— ডিআরডিও। চার বছরের প্ররিশ্রম ও প্রচেষ্টার ফসল হিসেবে তৈরি হয়েছে মাত্র ২৫ টন ওজনের লাইট ব্যাটল ট্যাঙ্ক ‘জোরাবর’ (Zorawar)। বলা যেতে পারে, রেকর্ড সময়ে এই ট্যাঙ্ক তৈরি করতে সমর্থ হয়েছে ডিআরডিও। 

    গবেষণায় চারটি বিষয়ে জোর…

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, জোরাবর তৈরির সময় চারটি বিষয়কে মাথায় রাখা হয়েছে। প্রথমত, ট্যাঙ্কটি হাল্কা (Light Battle Tank) হতে হবে যাতে দুর্গম রুক্ষ পার্বত্য অঞ্চলে তাকে মোতায়েন করতে ঝক্কি না পোহাতে হয় সেনাকে। দ্বিতীয়ত, ট্যাঙ্কটি এমন হতে হবে যাতে প্রতিকূল পরিস্থিতি, পরিবেশ ও আবহাওয়ায় যেন সমান সচল থাকে এর কার্যকারিতা। তৃতীয়, এই ট্যাঙ্ককে দ্রুত এক জায়াগা থেকে আরেক জায়গায় স্থানাস্তর করা যাবে। চতুর্থ, এই ট্যাঙ্ককে উভচর হতে হবে। অর্থাৎ, স্থলের পাশাপাশি জলেও সচল থাকবে এমন ট্যাঙ্ক (Zorawar)।

    চিনা আগ্রাসনের মোকাবিলা অনেক সহজ হবে

    আপাতত, ডিআরডিও এই ট্যাঙ্কের ট্রায়াল শুরু করেছে। এটা হচ্ছে উৎপাদনী মহড়া। যা চলবে প্রায় চার মাস। তাতে উত্তীর্ণ হলে, এই ট্যাঙ্কটি (Light Battle Tank) তুলে দেওয়া হবে ভারতীয় সেনার হাতে। তারা আবার এর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে। যা ইউজার-ট্রায়াল বা ব্যবহারকারী মহড়ার অঙ্গ হবে। একবার সেনা জোরাবরকে ফিট ঘোষণা করলেই, দ্রুত এই ট্যাঙ্কের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হবে। এই ট্যাঙ্ক (Zorawar) হাতে আসলে ভারতীয় সেনার পক্ষে এলএসি-তে চিনা আগ্রাসনের মোকাবিলা অনেক সহজ হবে বলে সামরিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DRDO: আত্মনির্ভর ভারত! উচ্চগতির দেশীয় স্টেলথ চালকবিহীন যুদ্ধবিমানের সফল পরীক্ষামূলক উড়ান

    DRDO: আত্মনির্ভর ভারত! উচ্চগতির দেশীয় স্টেলথ চালকবিহীন যুদ্ধবিমানের সফল পরীক্ষামূলক উড়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভরতার লক্ষ্যে আরও এক কদম এগলো ভারত। শুক্রবার, সফলভাবে সম্পন্ন হলো সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি চালকবিহীন যুদ্ধবিমানের পরীক্ষামূলক উড়ান। এই বিমানের নাম রাখা হয়েছে অটোনমাস ফ্লাইং উইং টেকনোলজি ডেমনস্ট্রটর। দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ডিআরডিও-র (DRDO) তত্ত্বাবধানে তৈরি হওয়া এই স্টেলথ চালকবিহীন যুদ্ধবিমানের (Flying Wing UAV) পরীক্ষাটি হয়েছে কর্নাটকের চিত্রদূর্গে অবস্থিত অ্যারোনটিক্যাল টেস্ট রেঞ্জে।

    সামরিক আত্মনির্ভরতার লক্ষ্যে ভারত

    দীর্ঘদিন ধরেই দেশীয় চালকবিহীন যুদ্ধবিমান তৈরির প্রচেষ্টা চালাচ্ছে ভারত (DRDO)। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের দাবি, অদূর ভবিষ্যতে এটিই হবে ভারতীয় বায়ুসেনার অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। বিশ্বের সামরিক শক্তিশালী দেশগুলির তালিকায় টিকে থাকতে তূণীরে সশস্ত্র স্টেলথ ড্রোন (Flying Wing UAV) বিমানের প্রয়োজনীয়তা ক্রমশ বাড়ছে। যে কারণে, চালকবিহীন যুদ্ধবিমান তৈরিকে বিরাট গুরুত্ব দিয়ে দেখছে মোদি সরকার। সেই দিক দিয়ে এই পরীক্ষামূলক উড়ান যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ ও অর্থবহ। সামরিক প্রযুক্তিতে ভারত যে এখন প্রথম সারিতে প্রবেশ করতে চলেছে, এদিনের সফল উড়ান তারই প্রমাণ। এই পরীক্ষার ফলে, বিশ্বের হাতে গোনা কয়েকটি শক্তিশালী দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো ভারত, যাদের হাতে এই প্রযুক্তি রয়েছে।

    সপ্তম প্রোটোটাইপের বাজিমাত

    ডিআরডিও-র (DRDO) অ্যারোনটিক্যাল ডেভেলপমেন্ট এসটাবলিশমেন্ট নির্মিত এই উচ্চগতির স্টেলথ ড্রোন বিমানের প্রথম পরীক্ষামূলক উড়ান হয়েছিল গত বছর জুলাই মাসে। এদিনের উড়ান ছিল বিমানটির সপ্তম প্রোটোটাইপের পরীক্ষা। ডিআরডিও সূত্রে জানা গিয়েছে, এই উড়ানে নতুন উন্নত অ্যারোডায়নামিক কন্ট্রোল সিস্টেম, আধুনিকতম গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন, ইন্টিগ্রেটেড রিয়েল-টাইম ও হার্ডওয়ার-ইন-লুপ সিমুলেশনের পরীক্ষা হয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এই ড্রোনের (Flying Wing UAV) সফল মহড়ার জন্য় অভিনন্দন জানিয়েছেন। এই জটিল যন্ত্র ভারত দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি করতে পারায় দেশের সশস্ত্র বাহিনী আরও শক্তিশালী হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DRDO: হেলিকপ্টার থেকে মিসাইল নিক্ষেপ, দেশে তৈরি প্রথম জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা সফল

    DRDO: হেলিকপ্টার থেকে মিসাইল নিক্ষেপ, দেশে তৈরি প্রথম জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা সফল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভর ভারত-এর লক্ষ্যে আরও একটি পদক্ষেপ। পরীক্ষামূলক উড়ানে সফল দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি নৌসেনার জন্য নির্মিত প্রথম কোনও জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র (Anti Ship Missile)। দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও-র (DRDO) সহযোগিতায় মঙ্গলবার এই পরীক্ষা করে ভারতীয় নৌসেনা। এদিন একটি সি-কিং ৪২বি হেলিকপ্টার থেকে ছোড়া হয় দেশে তৈরি প্রথম কোনও জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রকে। এদিনের পরীক্ষাটি মূলত ছিল গাইডেড ফ্লাইট ট্রায়াল। এই পরীক্ষায় পুরোপুরি সফল নতুন ক্ষেপণাস্ত্রটি।

    পোশাকি নাম এনএএসএম

    দীর্ঘদিন ধরেই আকাশপথে জাহাজে হামলা চালানোর মত, দেশিয় প্রযুক্তিতে তৈরি বিভিন্ন পাল্লার ক্রুজ মিসাইল (Anti Ship Missile) নির্মাণ নিয়ে গবেষণা ও পরীক্ষা করছে নৌসেনা। গত অক্টোবর মাসে, ডিআরডিও-নির্মিত (DRDO) দূর পাল্লার জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের (এলআরএএসএম) পরীক্ষা নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দিয়েছিল। তখনই খবরে প্রকাশিত হয়েছিল যে, নৌসেনা ৫০০ কিলোমিটার পাল্লার একটি নতুন জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র (এনএএসএম) নিয়ে গবেষণা করছে যা পরবর্তীকালে ৩৫০-৪০০ কিমি পাল্লার সুপারসনিক ব্রহ্মস জাহাজ-বিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের জায়গা নেবে। অচিরে, এদিন দেখা দেখা মিলল সেই ক্ষেপণাস্ত্রের।

    এএসএম ইন্টারসেপ্টর মিসাইল তৈরি ভারতের

    এর আগে, ২০২২ সালের মার্চ মাসে স্বল্প-পাল্লার জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের (Anti Ship Missile) পরীক্ষা চালিয়েছিল ভারত। ৩৮০ কেজি ওজনের ওই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা প্রায় ৫৫ কিমি। সেগুলিকে অ্যাটাক হেলিকপ্টার থেকে নিক্ষেপ করা যায়। তার দুমাস আগে, অর্থাৎ ২০২২ সালের মার্চ মাসে যুদ্ধজাহাজ আইএনএস বিশাখাপত্তনম থেকে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি মাঝারি পাল্লার ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা করে শত্রুর ছোড়া জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র নিষ্ক্রিয় করার যোগ্যতা অর্জন করেছে ভারত (DRDO)। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share