Tag: Drinking Water

Drinking Water

  • Tiredness: ‘লাঞ্চ ব্রেক’-এর পরেই কাজে অনীহা! কোন খাবারে দূর হবে দিনভর ক্লান্তি?

    Tiredness: ‘লাঞ্চ ব্রেক’-এর পরেই কাজে অনীহা! কোন খাবারে দূর হবে দিনভর ক্লান্তি?

    মাধ্যম ডেস্ক: সকাল থেকে একনাগাড়ে কাজ! এনার্জিও ভরপুর। কিন্তু দুপুরের সাময়িক বিরতি সব কিছু বিগড়ে দেয়।‌ লাঞ্চ ব্রেকের পরেই কাজের গতি কমে যায়। অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে ঝিমিয়ে থাকতে হয়। কথা বলা বা কাজ করার এনার্জি পাওয়া যায় না। তরুণ প্রজন্মের অনেকেই এই সমস্যায় ভোগেন। যার ফলে তাদের কাজের জায়গায় যথেষ্ট ভোগান্তির শিকার হতে হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এর অন্যতম কারণ ক্লান্তি! শরীরের পেশি, স্নায়ু এবং মস্তিষ্ক ক্লান্ত (Tiredness) হয়ে যায়। আর তার জন্যই কাজের প্রতি অনীহা তৈরি হয়। মনোযোগ নষ্ট হয় এবং কাজের গতিও শ্লথ হয়ে যায়। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, খাবারের (Food) তালিকায় সামান্য রদবদল পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে।‌ দূর করতে পারে দিনভর ক্লান্তি। কিন্তু কী রদবদলের পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদরা (Tiredness)?

    সঙ্গে থাকুক কয়েকটা খেজুর

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, খাবার খাওয়ার মাঝে অনেকটা সময় বিরতি থাকলে শরীর বাড়তি ক্লান্ত (Tiredness) হয়ে যায়। সকালের জলখাবার এবং দুপুরে অফিসের লাঞ্চ ব্রেকের মাঝে অনেকটা বিরতি থাকে। এর ফলে অনেকের শরীর বেশি ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তারপরে অনেকটা বেশি‌ পরিমাণ খাবার একসঙ্গে খেয়ে ফেললে কাজের গতি কমে যায়। তাই পুষ্টিবিদদের একাংশ বলেন, নিয়মিত সঙ্গে থাকুক কয়েকটা খেজুর। খেজুর সহজেই খাওয়া যায়, তাই কাজের ফাঁকে একটা খেজুর খেতে বেশি সময় নষ্ট হয় না। লাঞ্চ ব্রেকের আগেই তাই সহজেই খেজুর খাওয়া যায়। আর খেজুরে (Food) থাকে আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামের মতো নানান রকমের খনিজ পদার্থ। এর ফলে এই খাবার মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখতে‌ বিশেষ সাহায্য করে। তাই ক্লান্তি বোধ দূর হয়।

    সপ্তাহে দুদিন এক চামচ ঘিয়ের তৈরি খাবার

    শরীর ক্লান্ত (Tiredness) হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন বি ১২-র অভাব। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ হাড়ের সমস্যায় ভুগছেন। পেশির নানান সমস্যাও বাড়ছে। আর তার ফলেই কাজের প্রতি মনোযোগ কমছে। মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ছে। তাই পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, সপ্তাহ অন্তত দু’দিন এক চামচ ঘি-য়ে তৈরি সবজি লাঞ্চের মেনুতে থাকুক। তাঁরা বলেন, শরীরে ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন বি ১২ সবচেয়ে সহজে পূরণ করে ঘি। তাই অন্তত দুদিন এক চামচ ঘি (Food) শরীরে পৌঁছলে ভিটামিনের চাহিদা পূরণ হবে। এর ফলে ক্লান্তি দূর হবে।

    কার্বোহাইড্রেট এবং ভিটামিনের ব্যালান্স ডায়েট জরুরি

    তরুণ প্রজন্মের রোগা হওয়ার চাহিদা এবং তার জন্য অপরিকল্পিত ডায়েট ক্লান্তি বোধ (Tiredness) আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে বলেই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে তরুণ প্রজন্মের অনেকেই সারাদিন সম্পূর্ণ কার্বোহাইড্রেট মুক্ত খাবার খাচ্ছেন। এর ফলে শরীরে এনার্জির জোগান‌ হচ্ছে না। তার ফলেই ক্লান্তি বোধ বাড়ছে। মস্তিষ্কও সক্রিয় থাকছে না। তাঁদের পরামর্শ, লাঞ্চে কার্বোহাইড্রেট এবং ভিটামিনের ব্যালান্স ডায়েট জরুরি। রুটি, ডাল, সবজি জাতীয় খাবার (Food), তার সঙ্গে সামান্য ফল থাকলে শরীর এনার্জি সহজেই পাবে। এতে ক্লান্তি বোধ কমবে।

    পর্যাপ্ত জল জরুরি

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে ক্লান্তি বোধ গ্রাস করে জলের ঘাটতি হলে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেকেই বাইরে থাকলে খুব কম পরিমাণে জল খান (Food)। এর ফলে খাবার খাওয়ার পরেই শরীরের বিভিন্ন পেশির সক্রিয়তা আরও কমে যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেলে শরীরের সমস্ত পেশি সক্রিয় থাকে। তখন ক্লান্তি (Tiredness) বোধ কম হয়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Increasing Pain: ঘুম থেকে উঠেই ক্লান্তি, বাড়ছে যন্ত্রণা! কেন হচ্ছে এই সমস্যা?

    Increasing Pain: ঘুম থেকে উঠেই ক্লান্তি, বাড়ছে যন্ত্রণা! কেন হচ্ছে এই সমস্যা?

    মাধ্যম ডেস্কঃ ঘুম ভাঙার পরেই ক্লান্তি বোধ কিংবা একটা অবসন্নতা গ্রাস করে নিচ্ছে। অথবা ঘুম ভেঙেই শরীরে তীব্র যন্ত্রণা (Increasing Pain), মাথার ভিতরে অস্বস্তি (Tired)! কোনও কাজেই মনোযোগ দেওয়া যাচ্ছে না, কিংবা হাত-পায়ের জোর পাওয়া যাচ্ছে না।‌ তাই কাজ করার ইচ্ছেও তৈরি হচ্ছে না। ঘুম থেকে উঠে অনেকেই এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সকালে উঠে বহু মানুষ একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন। আর এই ভুক্তভোগীদের মধ্যে তরুণ প্রজন্মের সংখ্যা বেশি। ক্লান্তি বোধ কিংবা কাজ করার মতো প্রয়োজনীয় শক্তির অভাব যে দেখা দিচ্ছে, তার রেশ থাকছে দিনভর। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়ছে। তবে চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি বিষয়ে নজর দিলেই এই ধরনের সমস্যা কমতে পারে। কেন‌ বাড়ছে এই সমস্যা?

    রাতে পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব (Increasing Pain)!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাতে পর্যাপ্ত ঘুম না হলে নানান শারীরিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। আর তার জেরেই বাড়তে পারে ক্লান্তি। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রাপ্তবয়স্কদের রাতে সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে এখন ঘুমের জন্য বরাদ্দের সময়  কমছে। কম বয়সিদের রাত জাগার প্রবণতা বাড়ছে। এর ফলে রাতের জন্য ঘুমের বরাদ্দ সময় কম হচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাতে অপর্যাপ্ত ঘুম শরীরে হরমোনের ভারসাম্যের অভাব (Tired) ঘটায়। পাশাপাশি মস্তিষ্কের ক্লান্তি (Increasing Pain) বাড়ায়। রাতে ঠিকমতো ঘুম না হলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমে। এর জেরে শরীরে ক্লান্তি বাড়ে।

    অনিয়মিত ঘুমের রুটিন!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশের ঘুমের নির্ধারিত সময় নেই। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, একেক দিন ঘুমের জন্য একেক সময় বরাদ্দ। এর ফলে বায়োলজিক্যাল ক্লক ঠিকমতো মানিয়ে নিতে পারছে না। শরীরের স্নায়ু ও পেশির আরামের সময় ঠিক থাকছে না। এর ফলেই শরীরে যন্ত্রণা দেখা দিচ্ছে। স্নায়ু ও পেশি দিনভর সক্রিয় থাকার জন্য নির্দিষ্ট সময়ে পর্যাপ্ত বিশ্রাম জরুরি। সেটা না থাকার জেরেই ঘুম থেকে উঠেও ক্লান্তিবোধ ও দূর্বলতা (Tired) গ্রাস করছে।

    দিনের অধিকাংশ সময়ে বসে থাকা!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ অধিকাংশ সময়ে ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটারে কাজ করেন। এর ফলে তাদের একভাবেই বসে থাকতে হয়। এই অভ্যাস অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর (Increasing Pain)। তাঁরা জানাচ্ছেন, একনাগাড়ে বসে থাকার জেরে শরীরের বিভিন্ন পেশির কার্যকারিতা ঠিকমতো হয় না। অনেক সময়েই এর জেরে রাতে ঘুম হয় না। তাই তাঁদের পরামর্শ, ক্যালোরি বার্ন হয় এমন কিছু কাজ নিয়মিত করা জরুরি।

    শরীরে জলের ঘাটতি!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, জল পর্যাপ্ত না খেলে ঘুম থেকে উঠে একাধিক শারীরিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। শরীরে জলের অভাব থাকলে হজমের গোলমাল হতে পারে, স্নায়ু দূর্বল হতে পারে, অন্ত্রের নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই শরীরে জলের অভাব হলেও ঘুম থেকে উঠে নানান সমস্যা হতে পারে।

    কীভাবে এই সমস্যার মোকাবিলা সম্ভব?

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় যোগাভ্যাসের জন্য বরাদ্দ প্রয়োজন। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত যোগাভ্যাস করলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে। পাশপাশি শারীরিক কসরত করলে পেশি ও সক্রিয় থাকে। এর ফলে শরীরের একাধিক সমস্যা কমবে আবার ঘুমও ভালো হবে।

    রাতে নির্দিষ্ট সময় ঘুমের জন্য বরাদ্দ করতে হবে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমের অভ্যাস করতে হবে। এতে শরীর ভালো থাকবে। বিশেষত মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে এই অভ্যাস খুবই জরুরি।

    মশলাদার খাবার খাওয়া চলবে না

    বেশি রাতে অতিরিক্ত মশলাদার খাবার খাওয়া চলবে না বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সকালে নানান শারীরিক সমস্যা কমাতে বিশেষত ঘুম থেকে উঠে বমিভাব বা পেটের সমস্যার মতো জটিলতা এড়াতে হলে রাতে হালকা খাবার খাওয়ায় অভ্যস্ত হতে হবে। এতে পাকস্থলী, লিভার ও অন্ত্র ও সুস্থ (Tired) থাকবে।

    দিনভর পর্যাপ্ত জল খেতে হবে। যাতে রাতে ঘুমের মধ্যে শরীরে জলের ঘাটতি না দেখা দেয়। রাতের ঘুম অন্তত সাত ঘণ্টা হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। না হলে শরীরে হরমোনের ভারসাম্যের অভাব (Increasing Pain) হবে। নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Viruses: শীতে বাতাসে সক্রিয় একাধিক ভাইরাস, কীভাবে সন্তানের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াবেন?

    Viruses: শীতে বাতাসে সক্রিয় একাধিক ভাইরাস, কীভাবে সন্তানের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আবহাওয়ার পারদ কমছে! শীতের দাপট রাজ্য জুড়ে। তবে তার মধ্যেই বাতাসে সক্রিয় একাধিক ভাইরাস (Viruses)! তাই সর্দি-কাশি-জ্বরের মতো রোগের দাপট বাড়ছে। ভোগান্তি বাড়ছে শিশু এবং প্রবীণদের। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রোগ প্রতিরোধ শক্তি কম থাকলেই ভাইরাসের কবলে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে‌। তাই যে কোনও ভাইরাসঘটিত অসুখকে মোকাবিলা করতে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ানোর দিকেই নজর দিতে বলছেন বিশেষজ্ঞ মহল। কোন অভ্যাস ভাইরাসের বিরুদ্ধে টক্কর দেওয়ার শক্তি বাড়াবে? চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি বিষয়ে নজর দিলেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। খাবারের পাশপাশি কয়েকটি সুঅভ্যাস বজায় রাখলে শরীর সুস্থ থাকবে।

    প্রতিদিন যোগাভ্যাস (Viruses)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পরিবারের শিশু থেকে প্রবীণ সদস্য, প্রত্যেকের নিয়মিত যোগাভ্যাস করা উচিত। তাঁরা জানাচ্ছেন, যোগাভ্যাস রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে এবং শরীর সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। নিয়মিত যোগাভ্যাস করলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। এর ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতাও স্বাভাবিক থাকে। এছাড়া, মস্তিষ্কের ক্ষমতাও বাড়ে। এতে স্নায়ু সক্রিয় থাকে। তাছাড়া, যোগাভ্যাস নিয়মিত করলে ফুসফুসের কার্যকারিতা ভালো হয়। এর ফলে যে কোনও সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। শরীরের একাধিক হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে। তাই শরীর ও মন সক্রিয় থাকে। এর ফলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি (Child’s immunity) বাড়ে।

    জল খাওয়া জরুরি

    রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে জল খুবই প্রয়োজনীয়। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শরীরের প্রত্যেক কোষে প্রতিরোধ শক্তি সহজেই পৌঁছে দিতে সাহায্য করে জল। তাই শরীরে পর্যাপ্ত জল থাকলে, যে কোনও রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করা সহজ হয়। তাই নিয়মিত পর্যাপ্ত জল খাওয়া জরুরি। শরীর যাতে ডিহাইড্রেট না‌ হয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে।

    পর্যাপ্ত ঘুম খুবই জরুরি

    শরীর সুস্থ রাখতে, রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে ঘুম খুবই জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, যে কোনও রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য শরীরের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দরকার। নিয়মিত ঠিকমতো ঘুম না হলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। তখন যে কোনও রোগে আক্রান্ত (Viruses) হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ঘুমের সময় শরীরের একাধিক অংশ সক্রিয় হয়ে ওঠে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ কোষগুলো আরও সক্রিয় ও কার্যকরী হয়ে ওঠার ক্ষমতা গড়ে তোলে। তাই ঠিকমতো ঘুম না হলে অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে। নিয়মিত আট ঘণ্টা ঘুম জরুরি।

    সন্তানের মেনুতে কোন খাবার রাখলে বাড়বে প্রতিরোধ শক্তি? (Viruses)

    এই আবহাওয়ায় শিশুদের সুস্থ রাখতে খাবারে বিশেষ নজরদারি জরুরি বলেই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুদের রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে তুলতে খাবারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাঁদের পরামর্শ, শিশুদের খাবারে অতিরিক্ত পরিমাণ শর্করার ব্যবহার কমানো উচিত। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ শিশুই মিষ্টিজাতীয় খাবার খেতে পছন্দ করে। তাই তাদের খাবারেও অতিরিক্ত পরিমাণে মিষ্টি দেওয়া হয়। কিন্তু এই বাড়তি শর্করা শরীরের জন্য ক্ষতিকারক। এতে স্থূলতায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে। 
    নিয়মিত মেনুতে পালং শাক, বাঁধাকপি, গাজরের মতো সবজি থাকা জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে ভিটামিনের জোগান ঠিকমতো রাখতে হবে। তাই সবজি নিয়মিত খেতে হবে। তাহলে শরীর সহজেই ভিটামিন পাবে। 
    প্রোটিন রোগ প্রতিরোধ শক্তি (Viruses) বাড়াতে বাড়তি সাহায্য করে। তাই শিশুদের ফি-দিনের খাবারের তালিকায় ডিম, মাছ, চিকেন, পনীর জাতীয় খাবার রাখতে হবে। তবে পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, মনে রাখতে হবে এই ধরনের প্রোটিন জাতীয় খাবার রান্নায় অতিরিক্ত তেল এবং মশলা ব্যবহার চলবে না। তাহলে এর পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যাবে। 
    আপেল, কমলালেবু, কিউই জাতীয় ফল নিয়মিত খাওয়া জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের ফলে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এই দুই উপাদান রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত এই ধরনের ফল খেলে শরীর সুস্থ (Child’s immunity) থাকে‌।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: পুজোর ছুটিতে ডাক্তারবাবুরা! আগাম কাদের সতর্কতা জরুরি? কী পরামর্শ মেনে চলবেন? 

    Durga Puja 2024: পুজোর ছুটিতে ডাক্তারবাবুরা! আগাম কাদের সতর্কতা জরুরি? কী পরামর্শ মেনে চলবেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আর মাত্র কয়েকদিন! তার পরেই ঢাকে কাঠির আওয়াজ! দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2024) সময় দেশ-বিদেশে অনেকেই ছুটি কাটাতে যান‌। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরাও সেই তালিকায় রয়েছেন। রোগীদের একাংশের দুশ্চিন্তা, ‘ছুটির সময়ে’ বড় বিপদ রুখবেন কীভাবে?! তবে দিন কয়েকের মোকাবিলার উপায় বলছেন বিশেষজ্ঞ মহল! আসুন, দেখে নিই, কী পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা?

    ডায়াবেটিসের বিপদ রুখতে পেট খালি রাখলে চলবে না (Durga Puja 2024)

    তরুণ প্রজন্ম থেকে প্রবীণ নাগরিক, ডায়াবেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা অনেক। সব বয়সের অধিকাংশ মানুষ এই রোগে ভুগছেন! পুজোর কদিন শরীরের বাড়তি বিপদ আটকাতে তাঁদের সতর্কতা জরুরি বলেই পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের একাংশের। তাঁরা জানাচ্ছেন, পুজোর সময় অনেকেই অনিয়ম করেন। বিশেষ করে খাওয়া নিয়ে অনিয়ম হয় সবচেয়ে বেশি। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস আক্রান্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো নির্দিষ্ট সময়ে ওষুধ খাওয়ায় যেন কোনও নড়চড় না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, ওষুধের সময়ে হেরফের হলে রক্তে শর্করার পরিমাণ ওঠা-নামা করতে পারে। এর জেরে শরীরে নানা রকম অস্বস্তি, এমনকী চেতনা হারানোর মতো উপসর্গও দেখা দিতে পারে। তবে, ওষুধের পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়ার দিকেও নজর দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস আক্রান্তদের রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ রাখতে নির্দিষ্ট সময় অন্তর খাবার খাওয়া জরুরি। মিষ্টিজাতীয় খাবার একেবারেই এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ফল ও সব্জি এবং পরিমিত প্রাণীজ প্রোটিন নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখা দরকার। বাড়তি দুশ্চিন্তা না করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    হৃদরোগের বিপদ ঠেকাতে নুনের পরিমাণে রাশ

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হৃদরোগের সমস্যা বাড়ছে। বিশেষত হার্ট অ্যাটাকের মতো গুরুতর রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন কম বয়সিরাও। তাই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা জরুরি। উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ওষুধ খাওয়া দরকার। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, যাঁরা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন, পুজোর সময়ে যাতে কোনও ভাবেই ওষুধে অবহেলা না হয়, সেটা মনে রাখা দরকার। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। পাশপাশি খাবারে নজরদারি দরকার। বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, পুজোর সময়ে (Durga Puja 2024) অনেকেই লাগাতার চটজলদি খাবার খান। অতিরিক্ত প্রাণীজ প্রোটিন এবং তেলেভাজা খাওয়ার জেরে সমস্যা হতে পারে। বিশেষত যারা কোলেস্টেরল এবং উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের জন্য বাড়তি সতর্কতা জরুরি। বিভিন্ন চটজলদি খাবারে বাড়তি নুন দেওয়া থাকে। তাই সেগুলো এড়িয়ে যেতে হবে। নুন খাওয়ার পরিমাণে রাশ  টানলেই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমবে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    জ্বরে ভরসা থাকুক প্যারাসিটামলে (Durga Puja 2024)

    আবহাওয়ার খামখেয়ালির জেরে পুজোর মধ্যেও‌ বাড়তে পারে জ্বর, সর্দি-কাশির দাপট। অনেকেই ভোগান্তি কমাতে ইচ্ছেমতো অ্যান্টিবায়োটিক খান। এটা অত্যন্ত বিপজ্জনক বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, যথেচ্ছ অ্যান্টিবায়োটিক শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। তাই ইচ্ছেমতো অ্যান্টিবায়োটিক একেবারেই খাওয়া উচিত নয়। বরং শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে জ্বর হলে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ছাড়া কোনও ভাবেই অন্য কোনও ওষুধ খাওয়া যাবে না।

    জল এবং স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে সতর্কতা জরুরি

    পুজোর সময়ে (Durga Puja 2024) অনেকেই সারাদিন বাইরে থাকেন (Holiday)! নানা ধরনের খাবার খাওয়ার পাশপাশি বিভিন্ন জায়গা থেকে জল খান। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, জল পরিশ্রুত কিনা সেদিকে নজরদারি জরুরি। জল পরিশ্রুত না হলে পেটের মারাত্মক সমস্যা শুরু হতে পারে। বিশেষত শিশুদের ক্ষেত্রে বাড়তি নজরদারি জরুরি। তাই বাইরে বেরোলে সঙ্গে পরিশ্রুত জল রাখা দরকার। বাইরে থাকলেও পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেতে হবে। না হলে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি তৈরি হবে। পাশপাশি খাওয়ার আগে হাত পরিষ্কার করার মতো স্বাস্থ্যবিধির প্রাথমিক শর্ত পূরণ করা জরুরি। তাহলে নানান বড় অসুখ আটকানো সহজ হবে।

    শারীরিক পরিস্থিতি জটিল হলে অবশ্যই হাসপাতাল

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সরকারি কিংবা বেসরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সব সময় চালু থাকে। তাই পুজোর সময়েও (Holiday) শারীরিক পরিস্থিতি অবনতি ঘটলে বাড়তি ঝুঁকি নেওয়া উচিত নয়। অনেক সময়েই বহির্বিভাগ অনিয়মিত হলেও জরুরি বিভাগের পরিষেবা চালু থাকে। তাই সমস্যা জটিল মনে হলে যে কোনও হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি হয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Drinking water: গরমে বেশি জল খেয়ে বিপদ বাড়ছে না তো? কী সতর্কবার্তা দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা? 

    Drinking water: গরমে বেশি জল খেয়ে বিপদ বাড়ছে না তো? কী সতর্কবার্তা দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    গরমের দাপট অব্যাহত। নাজেহাল বঙ্গবাসী। ৩৭-৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা হলেও ৪৫-৫০ ডিগ্রির মতো উত্তাপ অনুভব হচ্ছে। আর এই গরমের মোকাবিলা করতে চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, বেশি পরিমাণে জল (Drinking water) খেতে হবে। কিন্তু সকলের জন্যই কি এই পরামর্শ চলবে? কিছু এমন শারীরিক সমস্যা রয়েছে, যাদের দেহে অতিরিক্ত জল বাড়তি বিপদ তৈরি করে। জেলে মেপে না খেলে হতে পারে নানান ক্ষতি।

    এই গরমে অতিরিক্ত পানীয় কাদের জন্য বিপজ্জনক? (Drinking water)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হার্ট কিংবা কিডনির সমস্যায় আক্রান্তদের শরীরে অতিরিক্ত জল বাড়তি বিপদ তৈরি করে। এঁদের শরীরে দু’লিটারের বেশি জল ইনটেক বিপজ্জনক। এতে শরীরে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের পরিমাণে হেরফের হতে পারে। এর জেরে রক্ত সঞ্চালনের সময়েও সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। আবার কিডনির সমস্যা বাড়িয়ে তোলে অতিরিক্ত জল। যাঁরা কিডনির সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের অতিরিক্ত পানীয় (Drinking water) কিডনির কার্যকারিতা বাড়ায়। এর জেরে নানান শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। কলকাতার একাধিক বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, এই গরমে কিডনি ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে। প্রায় ১৮ থেকে ২০ শতাংশ রোগীভর্তি বেড়েছে। হৃদরোগ কিংবা কিডনির সমস্যার পাশাপাশি রক্তের জটিল রোগে আক্রান্তদের জন্যও বিপদ বাড়াচ্ছে এই ভয়ানক গরম। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীর থেকে অতিরিক্ত জল বেরিয়ে যাওয়ার জেরে রক্তের ঘনত্ব বাড়ছে‌। এর জেরে রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা হচ্ছে। আবার, রক্ত জমাট বাঁধার আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল? (Drinking water)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই গরমে সব বয়সীদের জন্য নানান শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। ডায়েরিয়া থেকে অ্যাজমা রোগী, সকলের হয়রানি বাড়াচ্ছে অস্বস্তিকর এই আবহাওয়া। তবে, হৃদরোগ ও কিডনি রোগীদের জন্য বাড়তি বিপদ। তাই তাদের এই সময়ে দরকার বিশেষ যত্ন। বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, এই পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করবেন, তার জন্য দরকার চিকিৎসকের ঠিকমতো পরামর্শ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেক সময়েই রোগীর নিয়মিত ওষুধের ডোজ পরিবর্তন করা হয়। যাতে এই গরমে তাঁদের ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমে।

    তাঁরা আরও জানাচ্ছেন, এই গরমে অতিরিক্ত ঘাম হচ্ছে। তাই যাদের কম জল খেতে হয়, তাদের ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে। তাই কতখানি জল খাওয়ার পরিমাণ বাড়ানো যাবে, সে ব্যাপারেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। প্রয়োজন হলে তরমুজ, ডাবের মতো রসালো ফল কতটা খাওয়া যাবে, সে নিয়েও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেক সময়েই এই গরমে এক থেকে দেড় লিটার অতিরিক্ত জল (Drinking water) খাওয়া যেতে পারে। কারণ, রোগীর যাতে ডিহাইড্রেশন না হয়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Drinking Water: জলেই মুশকিল আসান! জল খেলে কোন কোন রোগের মোকাবিলা সহজ হবে? 

    Drinking Water: জলেই মুশকিল আসান! জল খেলে কোন কোন রোগের মোকাবিলা সহজ হবে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ব্যস্ত জীবনে বাড়ছে একাধিক রোগের ঝুঁকি। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন সেই ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলেছে। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি সহজ বিষয় নজরে রাখলেই এই ব্যস্ত জীবনেও শরীর সুস্থ রাখা সম্ভব। আর তার মধ্যে অন্যতম হল জল খাওয়া। জল (Drinking Water) স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি। এমন একাধিক রোগ রয়েছে, যা পর্যাপ্ত জল খেলে সহজেই এড়ানো সম্ভব। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ছোট থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে সুস্থ জীবনের পথ অনেকটাই সহজ হয়। এখন দেখে নেওয়া যাক, কোন রোগ এড়িয়ে চলা সহজ করে পর্যাপ্ত জল খাওয়ার অভ্যাস?

    হজম ক্ষমতা বাড়ায় জল (Drinking Water)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে পর্যাপ্ত জল থাকলে হজমের ক্ষমতা বাড়ে। হজমের গোলমালের অন্যতম কারণ পাকস্থলী এবং অন্ত্রের কার্যকারিতা ঠিকমতো না থাকা। জল ঠিকমতো খেলে অন্ত্র, পাকস্থলী সুস্থ থাকে। তাদের কার্যকারিতা বাড়ে। ফলে, হজম ক্ষমতাও বাড়ে, শরীর সুস্থ থাকে।

    স্থূলতা কমাতে জল জরুরি

    স্থূলতা এড়াতে এবং মেদ ঝরাতে জল খুবই উপকারী। কারণ, জল শরীরে পর্যাপ্ত থাকলে স্থূলতার ঝুঁকি কমে। তবে এক্ষেত্রে কিছু বিশেষ উপায়ে জল খাওয়া জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, ভারী খাবার খাওয়ার আগে একটু বেশি পরিমাণে জল খেতে হবে। এতে খাওয়ার অতিরিক্ত ইচ্ছে কমবে। ফলে বাড়তি খাওয়া হবে না। এতে শরীরে মেদ কম জমবে। পাশপাশি সকালে খালি পেটে জলে লেবু ও মধু মিশিয়ে খেলে সহজেই মেদ কমে। স্থূলতা কমাতে তাই জল (Drinking Water) অত্যন্ত উপকারী।

    লিভারের রোগের ঝুঁকি কমায় জল (Drinking Water)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, লিভার সুস্থ রাখার চাবিকাঠি জল। পরিশ্রুত জল না খেলে যেমন জন্ডিস, হেপাটাইটিস সহ একাধিক লিভারের রোগের ঝুঁকি বাড়ে। তেমনি পরিশ্রুত পর্যাপ্ত জল লিভারকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। লিভারের কার্যকারিতা বাড়ায়। এতে হজমের অসুবিধা কমে। একাধিক রোগের ঝুঁকিও কমে।

    হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় জল

    বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, ভারত গ্রীষ্মপ্রধান দেশ। তাই হিট স্ট্রোকের মতো সমস্যায় এই দেশের অধিকাংশ মানুষ কমবেশি চিন্তিত। তবে পর্যাপ্ত জল খেলে এই বিপদ কাটবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডিহাইড্রেশনের কারণে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। তাই জল (Drinking Water) পর্যাপ্ত খেলে এই রোগের ঝুঁকি কমবে।

    ত্বক ভালো রাখে জল

    ত্বকের শুষ্কতা কমাতে, ত্বক উজ্জ্বল এবং মসৃণ রাখতে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার জল। ত্বকরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিকাংশ ত্বকের সমস্যার কারণ জল‌ কম খাওয়ার অভ্যাস। নিয়মিত পর্যাপ্ত জল খেলে ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল হয়। ত্বকের রোগ কম হয়।

    পর্যাপ্ত জল বলতে কী বলা হয়? 

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশ অনুযায়ী, প্রাপ্ত বয়স্কদের নিয়মিত অন্তত ৪-৫ লিটার পরিশ্রুত জল (Drinking Water) খাওয়া জরুরি। একাধিক রোগ এড়াতে এই জল খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করতেই হবে। শিশুদের দিনে অন্তত ২-৩ লিটার জল খেতে হবে বলেই‌ জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Summer: ভ্যাপসা গরমে ঘামে নাজেহাল! কোন ঘরোয়া উপাদান সঙ্গে রাখলে সুস্থ থাকবে শরীর? 

    Summer: ভ্যাপসা গরমে ঘামে নাজেহাল! কোন ঘরোয়া উপাদান সঙ্গে রাখলে সুস্থ থাকবে শরীর? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    হঠাৎ তাপমাত্রা বেড়ে গিয়েছে। তার সঙ্গে বেড়েছে অস্বস্তি। ঘামের জেরে নাজেহাল হচ্ছেন অনেকেই। ছোট থেকে বড়, সব বয়সিরাই হঠাৎ গরম আর ঘামের জেরে অতিরিক্ত ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত ঘামের জেরে অনেকেই দুর্বল হয়ে পড়ছেন। কাজ ঠিকমতো করতে পারছেন না। স্কুল যাতায়াত করেই পড়ুয়ারা ক্লান্ত। তার জেরে পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারছে না। তাই বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, কয়েকটি ঘরোয়া উপাদান নিত্যসঙ্গী করলেই ঘামে নাজেহাল হওয়া (Summer) কমানো যায়। এবার দেখা যাক, ঘাম আর গরমকে হারাতে কোন ঘরোয়া উপাদানকে নিত্যসঙ্গী করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা।

    মৌরি ভেজানো জল

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত সকালে ঘুম থেকে উঠে মৌরি ভেজানো জল অন্তত এক গ্লাস খাওয়া দরকার। তাঁরা জানাচ্ছেন, মৌরি শরীর ঠান্ডা রাখে। মৌরি ভেজানো জল এই শুষ্ক আবহাওয়ায় শরীরকে ঠান্ডা রাখবে। পাশপাশি জলের চাহিদা মেটাবে। ডিহাইড্রেশনের (Summer) ঝুঁকি কমবে। এই আবহাওয়ায় শরীরে জলের জোগান দেওয়া জরুরি। তাই মৌরি ভেজানো জল বিশেষ উপকারী।

    নিয়মিত এক গ্লাস তরমুজের রস! (Summer)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত এক গ্লাস তরমুজের রস খেলে ঘামের সঙ্গে মোকাবিলা করা সহজ হবে। তাঁদের পরামর্শ, শিশুরা স্কুল থেকে ফেরার পরে অন্তত এক গ্লাস তরমুজের রস দেওয়া দরকার। তরমুজের মতো রসালো ফল শরীরে জলের চাহিদা মেটানোর পাশপাশি ঘামের ক্লান্তি দূর করতেও সক্ষম। কারণ, তরমুজে রয়েছে প্রচুর শর্করা। তাই তরমুজ খেলে সহজেই শরীর এনার্জি ফিরে পায়। ঘামের জেরে শরীরের যে দুর্বলতা তৈরি হয়, তরমুজ তা দূর করতে সক্ষম।

    অতিরিক্ত প্রাণীজ প্রোটিন আপাতত বাদ, পাতে থাকুক সবুজ সব্জি!

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, হঠাৎ ভ্যাপসা গরমে শরীরে অস্বস্তি বাড়ছে। এর জেরে হজমের সমস্যা দেখা যাচ্ছে। তাই শরীর সুস্থ রাখতে অতিরিক্ত প্রাণীজ প্রোটিন আপাতত বন্ধ রাখা জরুরি। তাঁদের পরামর্শ, মটন কারি, কাতলা কালিয়ার মতো অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবার এই আবহাওয়ায় বাড়তি সমস্যা তৈরি করতে পারে। বরং পটল, পেঁপে, কাঁচকলা, লাউয়ের মতো সবুজ সব্জির তরকারি নিয়মিত খেলে বাড়তি উপকার (Summer)। এগুলো শরীর ঠান্ডা রাখে। হজম সহজে হয়। ফলে, শরীরে অস্বস্তি কমে। ঘাম কম হয়।

    ইচ্ছেমতো আইসক্রিম আর প্যাকেটজাত নরম পানীয় থাকুক নিয়ন্ত্রণে!

    হঠাৎ অস্বস্তিকর গরমে অনেকেই আরাম পাচ্ছেন আইসক্রিম আর নরম পানীয়তে। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এর জেরে বিপদ বাড়ছে‌। শ্বাসনালীর উপরের অংশে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে। এর জেরে কাশি, গলাব্যথা এমনকি শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে (Summer)। তাই এই আবহাওয়ায় এই ধরনের খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “পানীয় জলের টাকাও হজম করেছে শাহজাহান-উত্তম-শিবু”, শাস্তির দাবি গ্রামবাসীদের

    Sandeshkhali: “পানীয় জলের টাকাও হজম করেছে শাহজাহান-উত্তম-শিবু”, শাস্তির দাবি গ্রামবাসীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির তৃণমূল দুষ্কৃতীরা পানীয় জলটুকুও দেয়নি বলে অভিযোগ তুলে বিস্ফোরক হয়েছেন গ্রামের প্রতিবাদী মহিলারা। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) দাড়ির জঙ্গলের মানুষের পানীয় জল আনতে যেতে হয় প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে। বাড়ির কাছে কল বসলেও এক বছরের বেশি সময় ধরে জল আসছে না বলে অভিযোগ তোলেন তাঁরা। ঘরে ঘরে জল পৌঁছানোর প্রকল্পের গোটা টাকাটাই হজম করে নিয়েছে তৃণমূলের পলাতক নেতা শাহজাহান শেখ এবং তাঁর অনুগামী শিবু-উত্তমরা।

    এলাকার মানুষের অভিযোগ কী (Sandeshkhali)?

    এলাকার মানুষের অভিযোগ, সন্দেশখালির (Sandeshkhali) সরকারি জলের প্রকল্পের গোটা টাকা হজম করেছে শাহজাহান-উত্তম-শিবুরা। গ্রামবাসীরা হাতেনাতে প্রমাণ দিয়ে বলছেন, “এই যে কল আছে, পাইপ আছে কিন্তু নেই জল। সন্দেশখালির বিরাট এলাকা জুড়ে একই অবস্থা। এলাকার মানুষের পানীয় জলের সুবিধার কোনও বিশেষ ব্যবস্থা করেনি প্রশাসন এবং তৃণমূলের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা। গ্রীষ্মের গরমে এই জলের সঙ্কটে হাহাকার ব্যাপক মাত্রা নেবে। কিন্তু প্রশাসনকে বলে কী লাভ? প্রশাসন চলে শাহজাহানের কথায়।”

    মুখ খুললেই রক্ষা নেই

    এলাকার (Sandeshkhali) বাসিন্দাদের বক্তব্য হল, “এক বছরের বেশি সময় হয়ে গেল পাইপ বসানো হয়েছে। কিন্তু জল নেই। আগেও পাইপ বসানো হয়েছিল কিন্তু জল নেই। মাত্র একটাই টিউবওয়েল। আর এলাকার ১০০টি পরিবার জল খায়। এলাকার নেতা হলেন শিবু-উত্তম। অভিযোগ, সমস্যার কথা বলে বলে লাভ নেই। রাত হলেই বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার করে ওরা। মুখ খুললেই রক্ষা নেই। আমরা নিরুপায়।”

    শিবু-উত্তমরাই মেরে খাচ্ছে টাকা

    আরও এক বাসিন্দা (Sandeshkhali) বলেন, “এলাকায় জলের ভীষণ সমস্যা। পানীয় জল নেই। অনেক দূর থেকে জল আনতে হয়। নির্বাচনের সময় নিজেদের পছন্দের জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করার জন্য ভোট দিতে দেয় না এই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। আমাদের জন্য সরকারের বরাদ্দ টাকা শিবু-উত্তমরাই মেরে খাচ্ছে। পানীয় জলের টাকা, ঘরের টাকা সব কিছু লুট করেছে এই তৃণমূলের নেতারা। গ্রেফতার হয়েছে, এবার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই ওদের।”

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Picnic: শীতের দুপুরে পিকনিক, কোন পাঁচটি বিষয়ে নজর না দিলে হতে পারে বিপদ?

    Picnic: শীতের দুপুরে পিকনিক, কোন পাঁচটি বিষয়ে নজর না দিলে হতে পারে বিপদ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাপমাত্রার পারদ নীচের দিকে। তার সঙ্গে রয়েছে একাধিক ছুটি! তাই সপ্তাহান্তে বা ছুটির দিনে বন্ধু আর পরিবারের সঙ্গে হৈ হৈ করে চলছে পিকনিক (Picnic)।‌ শীতের মরশুমে উৎসবের তালিকায় আরেক উৎসব হল এই পিকনিক। কিন্তু চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, কয়েকটি বিষয়ে নজর না রাখলেই ঘটতে পারে বিপদ। মারাত্মক স্বাস্থ্যসঙ্কটও তৈরি হতে পারে। তাই পিকনিকের মরশুমে কয়েকটি বিষয়ে বাড়তি নজরদারির পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কোন দিকে নজরদারি জরুরি? (Picnic) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বনভোজনে খাওয়ার আগে স্বাস্থ্যবিধিতে বিশেষ নজরদারি জরুরি। বিশেষত হাত পরিষ্কারে বিশেষ নজরদারি জরুরি।‌ অনেক ক্ষেত্রেই খোলা জায়গায় খাওয়া হয়। তাই যে থালায় খাওয়া হচ্ছে, তা আগে ঠিকমতো পরিষ্কার করা হচ্ছে কিনা, সেটা খেয়াল‌ রাখা দরকার। পাশপাশি, হাত পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে নজরদারি জরুরি।‌ কারণ, এই ধরনের বিষয়গুলো এড়িয়ে গেলে একাধিক রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষত পেটের সমস্যা, ডায়রিয়ার মতো বিপদ‌ বাড়তে পারে। তাই হাত পরিষ্কারের দিকে বিশেষ নজরদারি জরুরি (Picnic)। 
    জলের ব্যবহারের দিকে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, জলবাহিত রোগ বিপদ বাড়ায়। তাই বনভোজনের রান্নায় পরিশ্রুত জল ব্যবহার হচ্ছে কিনা, সেদিকে নজরদারি জরুরি। খাওয়ার জল পরিশ্রুত কিনা, সেটাও নিশ্চিত করতে হবে। কারণ, জল থেকে জন্ডিস সহ একাধিক রোগের ঝুঁকি তৈরি হয়। 
    বনভোজনের জায়গায় শৌচালয় রয়েছে কিনা, তা পরিচ্ছন্ন কিনা, সেগুলোতে বিশেষ নজরদারি জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেক বনভোজনের জায়গায় এই দিকটি একেবারেই গুরুত্ব দেওয়া হয় না। শৌচাগারে পর্যাপ্ত জল থাকে না। আর এর জেরেই ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফেকশনের মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ে। তাই এগুলোর দিকে নজরদারি জরুরি।

    অতিরিক্ত মদ্যপান? (Picnic)

    শীতের পিকনিকে অনেকের কাছেই মদ্যপান উদযাপনের অংশ। কিন্তু অতিরিক্ত মদ্যপান স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকারক।‌ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ কিংবা ডায়াবেটিস আক্রান্তদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। মদ্যপান যে কোনও বড় বিপদ তৈরি করতে পারে। তাই মদ্যপান এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।‌
    পাশপাশি খাওয়ার ক্ষেত্রেও সতর্ক হতে হবে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পিকনিকের মরশুমে অনেকেই অতিরিক্ত মাংস কিংবা তেলেভাজা খান। এর ফলে একাধিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। হজমের অসুবিধা ছাড়াও হৃদরোগ বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে অতিরিক্ত পরিমাণ মাংসের পদ কিংবা তেলমশলা জাতীয় খাবার খেলে স্বাস্থ্যের একাধিক সমস্যা হতে পারে। তাই কতখানি খাবার খাবেন, সে সম্পর্ক সতর্ক থাকা জরুরি। তবেই সুস্থভাবে উদযাপন সম্ভব (Picnic)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Drinking Water: ৭৫ বছরের বৃদ্ধা, টানা ৫০ বছর দিব্যি বেঁচে আছেন চিনি মেশানো জল খেয়ে!

    Drinking Water: ৭৫ বছরের বৃদ্ধা, টানা ৫০ বছর দিব্যি বেঁচে আছেন চিনি মেশানো জল খেয়ে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জলই জীবন”। প্রাণী জগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা হল জল (Drinking Water)। কিন্তু আপনি কি সারা জীবন শুধু জল খেয়েই কাটাতে পারবেন? উত্তর অবশ্যই, না। আর শুধু জল খেয়ে মানুষের বাঁচার মেয়াদই বা কতদিন হতে পারে! কিন্তু যদি এমনটা হয়, শুধুমাত্র জল খেয়েই ৫০ বছর বেঁচে আছেন একজন? এমনটাই ঘটেছে বাস্তবে। জানা গিয়েছে, বুই তি লোই নামক বছর ৭৫ এর ভিয়েতনামের এক মহিলা বিগত ৫০ বছর ধরে শুধুমাত্র জল খেয়েই জীবন যাপন করছেন। আর এই খবর সম্প্রতি নেট দুনিয়াতে ছড়িয়ে পড়তেই উত্তাল গোটা বিশ্ব। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বিগত ৫০ বছর তিনি কোনও খাবারই মুখে দেননি। কিন্তু কোনও খাবার ছাড়া তিনি কীভাবে বেঁচে আছেন, এই প্রশ্ন সবাইকে ভাবাচ্ছে। কারণ, তাঁর শারীরিক কোনও পরিবর্তন বা রোগজ্বালাও নেই।

    কেন এমন সিদ্ধান্ত তাঁর? (Drinking Water)

    ১৯৬৩ সালে ভিয়েতনামে এক যুদ্ধের সময় স্থানীয় অন্যান্য মহিলা সৈন্যদের সঙ্গে চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য তিনিও পাহাড়ে ওঠেন। কিন্তু এর পরে শুরু হয় বিপত্তি। হঠাৎ বজ্রপাত শুরু হওয়াতে তিনি সেখানেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন ও গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। অন্যদিকে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ আরও বাড়তে থাকে, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে তাঁদের পাহাড়ের ওপর আটকে থাকতে হয়। পরে জ্ঞান ফিরলেও তিনি এই ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা থেকে নিজেকে ভুলিয়ে রাখতে পারেননি। তিনি জানান, সেই মুহূর্তে জ্ঞান ফেরার পর থেকেই কিছু খেতে পারতেন না। তখন এক বন্ধু তাঁকে মিষ্টি পানীয় খাওয়াতে শুরু করেন। এর কিছু দিন পর আস্তে আস্তে তিনি অন্যান্য খাবারও খেতে শুরু করেন। কিন্তু খাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অসুস্থতা আরও বাড়ছিল। এমনকী খাবারের গন্ধ নাকে এলে বমি পর্যন্ত আসছিল বুইয়ের। এরপর ১৯৭০ সাল থেকে তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে, তিনি আর খাবার খাবেন না। আর নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য তিনি সম্পূর্ণ পানীয়ের ওপর নির্ভরশীল হন। চিনি যুক্ত পানীয় (Drinking Water) তিনি খেতে শুরু করেন। যার ফলে এর থেকেই তাঁর শরীরে শক্তি উৎপন্ন হয়।

    ঘর ভর্তি শুধু পানীয়ের বোতল (Drinking Water)

    বুইয়ের বাড়িতে গেলে দেখা যায়, তাঁর বাড়ির বিভিন্ন প্রান্তে এবং রান্নাঘরে নানা রকম পানীয়ের (Drinking Water) বোতল। এমনকী ফ্রিজের ভিতর পানীয় বোতল ছাড়া আর কিছু থাকে না। বর্তমানে বুইয়ের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনার সূত্রে বাইরে থাকেন। বাড়িতে তিনি একাই থাকেন। তাই রান্না করারও কোনও প্রয়োজন পড়ে না বলেই তিনি জানান। তাই গোটা ঘর ভর্তি পানীয়ের বোতলই তাঁর বেঁচে থাকার একমাত্র রসদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share