Tag: ec

ec

  • Lok Sabha Election 2024: ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    Lok Sabha Election 2024: ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিভিপ্যাটের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে পদক্ষেপ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের প্রেক্ষিতে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Lok Sabha Election 2024)। সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের এই মর্মে নির্দেশও দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

    নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ (Lok Sabha Election 2024)

    ফল ঘোষণার পরে পঁয়তাল্লিশ দিন সংরক্ষণ করা হবে ওই ইউনিট। সিম্বল লোডিং ইউনিটকে গোলাপি কাগজে করে ট্রাঙ্কে সংরক্ষিত করে রাখতে হবে। সিলের ওপর স্বাক্ষর করবেন সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের সব প্রার্থী। ওই সব ইউনিটকে সুরক্ষিত রাখবেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার কিংবা জেলা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। পুরো প্রক্রিয়াটির ভিডিওগ্রাফি করতে হবে।

    কী বলছেন আধিকারিক?

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের এক আধিকারিক (Lok Sabha Election 2024) বলেন, “সিম্বল লোডিং ইউনিটে প্রার্থীদের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক থাকে। সেখান থেকে তথ্য প্রবেশ করানো হয় ভিভিপ্যাটে। পরে সেই ভিভিপ্যাটগুলি পাঠানো হয় বুথে। এর অর্থ হল, সিম্বল লোডিং ইউনিট ও ভিভিপ্যাটের তথ্য এক হবে। তাই ভিভিপ্যাট নিয়ে সংশয় থাকলে সিম্বল লোডিং ইউনিট যাচাই করলেই সঠিক তথ্য মিলবে। এমতাবস্থায় ভিভিপ্যাটের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালিকাণ্ডে হাইকোর্টে রিপোর্ট দিল সিবিআই, কী বলল তদন্তকারী সংস্থা?

    প্রসঙ্গত, ইভিএমের সঙ্গে সব ভিভিপ্যাট গণনার দাবি তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছিল অ্যাসেসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস নামের একটি সংগঠন। ২৬ এপ্রিল ওই মামলার রায় ঘোষণা করতে গিয়ে শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, ভিভিপ্যাট নিয়ে সংশয় দূর করতে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণ করতে হবে। গণনায় দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্রার্থী তা যাচাই করার আবেদন করতে পারবেন। শীর্ষ আদালত এও জানিয়েছিল, ইভিএমে প্রতীক আপলোড করার পর তা একেবারে সিলড ও নিরাপদ রাখতে হবে মেশিনে। সিলে স্বাক্ষর করতে পারেন প্রার্থী ও তাঁদের এজেন্টরা। সিলড মেশিনটি ফল ঘোষণার পর পঁয়তাল্লিশ দিন পর্যন্ত স্টোররুমে সংরক্ষিত করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের সেই নির্দেশ মেনেই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Polls 2024: নির্বাচন পিছল জম্মু-কাশ্মীরের অনন্তনাগ-রাজৌরি কেন্দ্রে, কবে ভোট জানেন?

    Lok Sabha Polls 2024: নির্বাচন পিছল জম্মু-কাশ্মীরের অনন্তনাগ-রাজৌরি কেন্দ্রে, কবে ভোট জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন (Lok Sabha Polls 2024) পিছল জম্মু-কাশ্মীরের অনন্তনাগ-রাজৌরি কেন্দ্রে। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল ৭ মে। নয়া শিডিউল অনুযায়ী, সেটাই হবে ২৫ মে। প্রথমে ঠিক ছিল তৃতীয় দফায় নির্বাচন হবে অনন্তনাগ-রাজৌরি কেন্দ্রে। নয়া সূচি অনুযায়ী, নির্বাচন হবে ষষ্ঠ দফায়। নির্বাচন কমিশনের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা এই কেন্দ্রে নির্বাচন পিছানোর জন্য অনুরোধ করেছিলেন।

    নির্বাচন হবে ষষ্ঠ দফায় (Lok Sabha Polls 2024)

    যোগাযোগ ব্যবস্থার সমস্যা, পরিবহন জনিত সমস্যা-সহ একাধিক সমস্যা রয়েছে এই কেন্দ্রে। এসব কারণে প্রচারও ঠিকঠাক করতে পারছে না রাজনৈতিক দলগুলি। তাই নির্বাচন (Lok Sabha Polls 2024) পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই কারণেই তৃতীয় দফা থেকে নির্বাচন পিছিয়ে নিয়ে গিয়ে করা হল ষষ্ঠ দফায়। এলাকার রাস্তাঘাটের হাল কেমন, এই অঞ্চলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসই বা কী স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এসবও জানতে চেয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    কী বললেন ওমর?

    তবে জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী ন্যাশনাল কনফারেন্সের ওমর আবদুল্লা এবং পিডিপির মেহবুবা মুফতি অবশ্য নির্বাচন স্থগিত না করতে অনুরোধ করেছিলেন নির্বাচন কমিশনকে। ওমর বলেন, “এমন কোনও পদক্ষেপ করা উচিত নয় বলে আমি নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করেছিলাম। তৃতীয় দফায় নির্বাচন স্থগিতের দাবি করেনি সব রাজনৈতিক দল। কিছু মানুষ নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লিখেছিলেন। যদিও তাঁরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না।” তাঁর প্রশ্ন, “আমি যদি তামিলনাড়ুর কোনও লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচন পিছনোর অনুরোধ করি কমিশনকে, তাহলে কী তারা শুনবে?”

    আরও পড়ুুন: কোভিশিল্ড পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া! করোনাকালে টিকা নিয়েছিলেন যাঁরা, তাঁদের কতটা বিপদ?

    অনন্তনাগ-রাজৌরি কেন্দ্রে ন্যাশনাল কনফারেন্স প্রার্থী মিঞা আলতাফের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছেন মুফতি স্বয়ং। তিনি বলেন, “তাঁরা সবাই আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন। কারণ তাঁরা চান না আমি লোকসভায় যাই। লোকজন ধর্ম ও দল ভুলে আমার সমর্থনে এগিয়ে আসছেন। তাই নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করে তারা আমায় রুখতে চাইছে।” প্রসঙ্গত, পাঁচটি রাজনৈতিক দল ও তিন নির্দল প্রার্থীর তরফে এই কেন্দ্রে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর (Lok Sabha Polls 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Recruitment Scam: হাইকোর্টের রায়ে বিপাকে নির্বাচন কমিশন, ভোটের ডিউটি করবেন কারা?

    SSC Recruitment Scam: হাইকোর্টের রায়ে বিপাকে নির্বাচন কমিশন, ভোটের ডিউটি করবেন কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারি (SSC Recruitment Scam) মামলায় যুগান্তকারী রায় দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে সোমবার বাতিল হয়েছে ২০১৬ সালের প্যানেল। চাকরি খুইয়েছেন ২৩ হাজার ৭৫৩ জন। হাইকোর্টের নির্দেশে দেখা দিয়েছে জটিলতা। বিপাকে পড়েছে নির্বাচন কমিশন।

    কী হবে চাকরি খোয়ানোদের নিয়ে? (SSC Recruitment Scam)

    এবার লোকসভা নির্বাচন হবে সাত দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হয়ে গিয়েছে ১৯ এপ্রিল, শুক্রবার। পরের দফার নির্বাচন হবে ২৬ এপ্রিল। এই দফায় যাঁরা ভোটের ডিউটিতে যাবেন, তাঁদের ট্রেনিং হয়ে গিয়েছে। ভোট নিতে যাওয়ার আগে যে প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়, তাও নিয়েছেন তাঁরা। তবে হাইকোর্টের এদিনের রায়ে চাকরি গিয়েছে এঁদের অনেকেরই। এমতাবস্থায় তাঁরা ভোটের ডিউটিতে (SSC Recruitment Scam) যেতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। চাকরি খোয়ানো অযোগ্য শিক্ষকরা ভোটের ডিউটিতে যেতে পারবেন কিনা, চাকরি না থাকায় তাঁরা আদৌ যেতে রাজি হবেন কিনা, যেহেতু হাইকোর্টের নির্দেশের পর থেকে তাঁরা আর সরকারি কর্মী নন, তাই তাঁদের দিয়ে নির্বাচন করানো যাবে কিনা, এসব হাজারো প্রশ্ন উঠছে।

    কী বলছে কমিশন?

    রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের অ্যাডিশনাল সিইও অরিন্দম নিয়োগী বলেন, “আমাদের ভোটকর্মীদের মধ্যে একটা অংশ শিক্ষক। তবে ভোট কর্মীদের ২০-২৫ শতাংশ রিজার্ভ থাকে। তাই তাঁদের দিয়েই ভোট করিয়ে নিতে পারব।” তিনি বলেন, “রিজার্ভ ফোর্সে থাকা ভোট কর্মীদের ডিসি অফিসে রিপোর্ট করার চিঠি চলে গিয়েছে। তাঁরা ডিসি অফিসে চলে যাবেন। ভোটের ডিউটি বণ্টনের দিন যাঁরা অনুপস্থিত থাকবেন, তাঁদের রিজার্ভ ভোট কর্মী দিয়ে রিপ্লেস করা হবে।”

    আরও পড়ুন: ‘‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি’’, নিয়োগ-মামলায় হাইকোর্ট

    প্রসঙ্গত, হাইকোর্টের নির্দেশে যাঁদের চাকরি গিয়েছে, তাঁদের মধ্যে ১২ হাজার ৯৪৬ জন সহকারি শিক্ষক পদে চাকরি পেয়েছিলেন। নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক পদে যাঁরা চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে নিয়োগপত্র পেয়েছিলেন ৫ হাজার ৭৫৬ জন। গ্রুপ সি পদে নিয়োগ করা হয়েছিল ২ হাজার ৬৭ জনকে। আর গ্রুপ ডি পদে নিয়োগপত্র পেয়েছিলেন ৪ হাজার ৫৫০ জন (SSC Recruitment Scam)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok sabha elections 2024: প্রথম দফায় কমেছে ভোটদানের হার, কত শতাংশ জানেন?

    Lok sabha elections 2024: প্রথম দফায় কমেছে ভোটদানের হার, কত শতাংশ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলছে অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন (Lok sabha elections 2024)। এবার নির্বাচন হবে সাত দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হয়েছে ১৯ এপ্রিল। সব মিলিয়ে নির্বাচন হয়েছে দেশের ১০২টি লোকসভা কেন্দ্রে। তবে এবার ভোটদাতার হার কম। উনিশের নির্বাচনে যেভাবে হাত উপুড় করে ভোট দিয়েছিলেন ভোটাররা, এবার এখনও তা হয়নি।

    কী বলছে নির্বাচন কমিশন? (Lok sabha elections 2024)

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ১৯ এপ্রিল, প্রথম দফার নির্বাচনে ভোট পড়েছে প্রায় ৬৫.৫ শতাংশ। অথচ উনিশের লোকসভা নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৭০ শতাংশ। এদিন যেসব কেন্দ্রে নির্বাচন হয়েছে, সেগুলি ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে দেশের ২১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। তবে সেসব রাজ্যে কত (Lok sabha elections 2024) ভোট পড়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। নির্বাচন কমিশন যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তা ১৯টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের।

    কমছে ভোট

    প্রথম দফায় নির্বাচন হয়েছে তামিলনাড়ুর ৩৯টি আসনেই। দেখা গিয়েছে, এ রাজ্যে ভোটদানের হার কমেছে ৩ শতাংশ। গত লোকসভা নির্বাচনে যেখানে ভোট পড়েছিল ৭২.৪৪ শতাংশ, সেখানে এবার পড়েছে ৬৯.৪৬ শতাংশ। উত্তরাখণ্ডের পাঁচটি আসনেও নির্বাচন হয়েছে। এখানে মতদানের হার কমেছে প্রায় ৬ শতাংশ। রাজস্থানের ২৫টি কেন্দ্রের মধ্যে প্রথম দফায় নির্বাচন হয়েছে ১২টিতে। ভোট দানের হার কমেছে সেখানেও। এখানেও ছ’শতাংশ ভোট কম পড়েছে। ভোট দানের হার সামান্য বেড়েছে মাও অধ্যুষিত ছত্তিশগড়ের বস্তারে। এখানে গতবার ভোট পড়েছিল ৬৬.২৬ শতাংশ। সেখানে এবার ভোট দিয়েছেন ৬৭.৫৩ শতাংশ মানুষ।

    আরও পড়ুন: “বাম-কংগ্রেস একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ”, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    এবারই প্রথম মাও হুমকি উপেক্ষা করে নির্বিঘ্নে নির্বাচন হয়েছে বস্তারের ২৬টি গ্রামে। মেঘালয়ের দু’টি আসনেও নির্বাচন হয়েছে। ভোট দানের হার ৭১ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৭৪ শতাংশ। উনিশের নির্বাচনের প্রথম দফায় ভোট পড়েছিল ৬৯.৫ শতাংশ। সেবারও নির্বাচন হয়েছিল সাত দফায়। ২০১৪ সালে নির্বাচন হয়েছিল ন’দফায়। সেবার প্রথম দফায় ভোট পড়েছিল ৬৯ শতাংশ। নির্বাচন কমিশন আরও বেশি করে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে একই অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তরুণ ভোটারদের আরও বেশি করে মতদানের অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও (Lok sabha elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের উৎসব শুরু, প্রথম দফার ভোটগ্রহণ চলছে দেশে

    Lok Sabha Election 2024: বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের উৎসব শুরু, প্রথম দফার ভোটগ্রহণ চলছে দেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গিয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের উৎসব (Lok Sabha Election 2024)। আজ, শুক্রবার ১৯ এপ্রিল থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে ভোট উৎসব। এবার নির্বাচন হবে সাত দফায়। প্রথম দফার নির্বাচনই শুরু হয়ে গিয়েছে এদিন সকাল সাতটায়। লোকসভার ৫৪৩টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে সাত দফায়। প্রথম দফায় নির্বাচন হচ্ছে দেশের ১০২টি আসনে। ২১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে এই কেন্দ্রগুলি।

    ভোট-আখ্যান (Lok Sabha Election 2024)

    এদিন উত্তরপূর্বের দুই রাজ্যে চলছে বিধানসভা নির্বাচনও। এই রাজ্যগুলি হল সিকিম ও অরুণাচল প্রদেশ। অরুণাচল প্রদেশের চিন সীমান্ত ঘেঁষা একটি গ্রামে মাত্র একজন ভোটারের ভোট নিতে চলে গিয়েছেন পোলিং অফিসাররা। পাহাড়ের পাকদণ্ডী বেয়ে ৩৯ কিলোমিটার রাস্তা পায়ে হেঁটে বুথে পৌঁছেছেন তাঁরা। তৈরি হয়েছে আস্ত একটি বুথও। প্রথম দফায় ভোট করানোর দায়িত্বে রয়েছেন ১৮ লাখ নির্বাচন কর্মী। নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) বিঘ্নহীন করতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সারাদেশে ৩৬১ জন অবজারভার। তার মধ্যে ১২৭ জন জেনারেল অবজারভার, ৬৭ জন পুলিশ অবজারভার, ১৬৭ জন এক্সপেন্ডিচার অবজারভার। ৪৬২৭ ফ্লাইং স্কয়ার্ড, ২০২৮ ভিডিও সার্ভেলেন্স টিম। ১৩৭৪ ইন্টার স্টেট, ১৬২ ইন্টারন্যশনাল বর্ডার চেকিং। ভোটগ্রহণ পর্ব শুরু হয়েছে সকাল সাতটায়। চলবে সন্ধে ছ’টা পর্যন্ত। বুথ খোলা হয়েছে ১.৮৭ লাখ। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, এদিন যাঁরা মতদান করবেন, তাঁদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮.৪ কোটি, মহিলা ৮.২৩ কোটি। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১১ হাজার ৩৭১ জন। প্রথম ভোট দিচ্ছেন ৩৫.৬৭ লক্ষ। ২০-২৯ বছর বয়সি ভোটারের সংখ্যা ৩.৫১ কোটি। এই দফায় ১৬২৫ প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে।

    কোথায় কত আসনে ভোট

    এদিন তামিলনাড়ুর ৩৯টি আসনেই ভোট হচ্ছে। নির্বাচন হচ্ছে উত্তরাখণ্ডের ৫টি, অরুণাচলের ২টি, মেঘালয়ের ২টি, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের ১টি, মিজোরামের ১টি, নাগাল্যান্ডের ১টি, পুদুচেরির ১টি, সিকিমের ১টি এবং লাক্ষাদ্বীপের ১টি আসনেও। এদিনই মতদান করবেন রাজস্থানের ১২টি, উত্তরপ্রদেশের ৮টি, মধ্যপ্রদেশের ৬টি, আসাম এবং মহারাষ্ট্রের ৫টি করে, বিহারের ৪টি এবং পশ্চিমবঙ্গের ৩টি কেন্দ্রের ভোটাররাও। ভোট দিচ্ছেন ত্রিপুরা, ছত্তিশগড় এবং জম্মু-কাশ্মীরের ১টি করে কেন্দ্রের ভোটাররাও।

    আরও পড়ুুন: দিনহাটাতেই ‘বন্দি’ থাকতে হবে উদয়নকে, ফরমান কমিশনের, বিপাকে তৃণমূল!

    হিংসাদীর্ণ মণিপুরে লোকসভার আসন রয়েছে ২টি – একটি ইনার মণিপুর, অন্যটি আউটার মণিপুর। বিশেষ পরিস্থিতির কারণে আউটার মণিপুরে নির্বাচন হবে দু’দফায়। ইনার মণিপুর আসনে নির্বাচন হচ্ছে এদিনই। আউটার মণিপুরে নির্বাচন হবে ১৯ এপ্রিল ও ২৬ এপ্রিল (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Elections 2024: রাজ্যপালকে কোচবিহারে যেতে নিষেধ করল কমিশন, কেন জানেন?

    Lok Sabha Elections 2024: রাজ্যপালকে কোচবিহারে যেতে নিষেধ করল কমিশন, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে কোচবিহার যেতে নিষেধ করল নির্বাচন কমিশন (Lok Sabha Elections 2024)। মঙ্গলবার রাজভবনের তরফে কমিশনকে রাজ্যপালের কোচবিহার সফরসূচির বিষয়ে জানানো হয়। তার পরেই রাজ্যপালকে যেতে নিষেধ করে কমিশন। রাজভবনে ইমেইল করে তা জানিয়েও দেওয়া হয়। 

    কমিশনের বক্তব্য (Lok Sabha Elections 2024)

    শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল প্রথম দফার লোকসভা নির্বাচন। এই দফায় নির্বাচন হবে উত্তরবঙ্গের তিন আসনেও। ১৭ এপ্রিল সন্ধে ছ’টায় শুরু হয়ে গিয়েছে সাইলেন্স পিরিয়ড। ভোটের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন নিরাপত্তা কর্মীরা (Lok Sabha Elections 2024)। এমতাবস্থায় হাই প্রোফাইল কোনও ব্যক্তি সেখানে গেলে তাঁর নিরাপত্তার প্রয়োজন হবে। সেই কারণে প্রয়োজন হবে ফোর্সের। এই মুহূর্তে যা দেওয়া সম্ভব নয় বলেই কমিশনের বক্তব্য।

    সাইলেন্স পিরিয়ড

    প্রসঙ্গত, সাইলেন্স পিরিয়ড শুরু হয়ে গেলে কোনও নির্বাচনী কেন্দ্রে রাজনৈতিক কোনও ব্যক্তিত্ব যিনি ওই কেন্দ্রের ভোটার নন, তিনিও যেতে পারেন না। যেতে পারেন না হাই প্রোফাইল কোনও ব্যক্তিত্বও। রাজ্যপালের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যপালকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত থাকতে হয় জেলাশাসক, পুলিশসুপারকে। তাঁরা সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়বেন নির্বাচনের কাজে। এই সব কারণে রাজ্যপালকে কোচবিহার সফরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে কমিশনের তরফে (Lok Sabha Elections 2024)।

    আরও পড়ুুন: রাম নবমীর শোভাযাত্রায় বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে পা মেলালেন তৃণমূল নেত্রী!

    শুক্রবার যে তিনটি আসনে লোকসভা নির্বাচন হবে, তার একটি কোচবিহার। এই কেন্দ্রে বিজেপির বাজি বিদায়ী মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। এই কেন্দ্রেরই শীতলকুচি, ভেটাগুড়ি-সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আসছে অশান্তির খবর। দিনহাটা থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল।

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গ সফরে যেতে চেয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। নির্বাচনের দিন কোচবিহারে থেকে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ভোট প্রক্রিয়ার অগ্রগতি দেখতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে কমিশনের তরফে নিষেধ করায় আপাতত স্থগিত হয়ে গেল রাজ্যপালের কোচবিহার সফর (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: কেন্দ্রীয় বাহিনী বা রাজ্য সশস্ত্র পুলিশ, কার কী ভূমিকা জানাল কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: কেন্দ্রীয় বাহিনী বা রাজ্য সশস্ত্র পুলিশ, কার কী ভূমিকা জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। ১৯ এপ্রিল হবে প্রথম দফার নির্বাচন। এবার নির্বাচন হবে সাত দফায়। শেষ দফার ভোট হবে ১ জুন। প্রথম দফায় দেশের বেশ কিছু আসনের সঙ্গে এদিন নির্বাচন হবে বাংলার তিনটি আসনেও। এই তিনটি আসনই অবশ্য উত্তরবঙ্গে। নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) বিঘ্নহীন করতে চেষ্টার কসুর করছে না জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছে গুচ্ছ নির্দেশিকা। যেসব কেন্দ্রে প্রথম দফায় নির্বাচন হবে, সেসব জায়গায় ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটের মুখে আসতে পারে আরও কয়েক কোম্পানি। পর্যাপ্ত পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় নির্বাচনের কাজে লাগানো হতে পারে রাজ্য সশস্ত্র পুলিশকেও।

    ডুজ (Lok Sabha Election 2024)

    নির্বাচন চলাকালীন পর্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী কিংবা রাজ্য সশস্ত্র পুলিশ কার কী করণীয়, তা জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। এগুলি হল,

    ১) পোলিং স্টাফ, ভোটার ও পোলিং এজেন্টদের সঙ্গে ভদ্র, সৌজন্যমূলক ও সহযোগিতামূলক আচরণ করতে হবে। প্রসাইডিং অফিসারের আদেশ মেনে চলতে হবে। দায়িত্বের সময় সতর্ক থাকতে হবে।

    ২) ভোট কেন্দ্র বা (Lok Sabha Election 2024) ভোট প্রাঙ্গনে ঘটতে থাকা যে কোনও দুর্ঘটনা বা ঘটনার মোকাবিলা করুন দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে।

    ৩) জনগণকে নিরাপদ বোধ করুন। আস্থার বোধ তৈরি করুন, যাতে তাঁরা নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারেন।

    ৪) নির্বাচনী প্রচার চলাকালীন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও নির্বাচনী প্রার্থীদের নিরাপত্তা বজায় রাখুন। তাঁদের নিরাপত্তার জন্য সর্বদা সতর্ক থাকুন।

    ৫)ভোটকেন্দ্র বা পোস্টের যথাযথ প্রতিরক্ষা স্থাপন করতে হবে।

    ৬) ভোট কেন্দ্রের প্রবেশ গেটে দাঁড়ান। প্রিসাইডিং অফিসার ডাকলেই বুথে প্রবেশ করুন।

    ৭)ভোটকেন্দ্রে পৌঁছানোর পর ভোটকেন্দ্র প্রাঙ্গন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরিদর্শন করুন (Lok Sabha Election 2024)।

    ৮) ভোট দেওয়ার জন্য লাইনকে সাবধানতার সঙ্গে নিয়ন্ত্রিত করা উচিত।

    ৯) ভোটকেন্দ্রে দুর্নীতিবাজদের শনাক্ত করার জন্য সতর্ক থাকুন এবং যদি এমন কিছু লক্ষ্য করা যায়, তাহলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মাধ্যমে ডিইও/আরও, সেক্টর অফিসার এবং পর্যবেক্ষককে অবহিত করুন।

    ১০) পোলিং স্টাফ/ইভিএম নিয়ে আসা এবং ডি-ডি-এর সময়, এসকর্ট করার সময় অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

    ১১) অসদাচরণ/আইন-শৃঙ্খলাভঙ্গের আশঙ্কা প্রিসাইডিং অফিসার/সেক্টর অফিসারের নজরে আনতে হবে।

    ১২) কোনও চরমপন্থী হামলার ক্ষেত্রে আদেশের জন্য অপেক্ষা করবেন না এবং হুমকিকে নিরপেক্ষ করতে কার্যকরভাবে প্রতিক্রিয়া করুন।

    ১৩) নিম্নলিখিত ব্যক্তিরা ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারেন – ক) নির্বাচক, খ) প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট এবং পরিচয়পত্র সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি প্রার্থীর একজন করে পোলিং এজেন্ট।

    ১৪) নিরপেক্ষভাবে আপনার দায়িত্ব পালন করুন।

    ডোন্টজ

    নির্বাচনী দায়িত্বের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্যের সশস্ত্র পুলিশ কী কী করবেন না।

    ১) নির্বিচারে (Lok Sabha Election 2024) গুলি চালানোর পন্থা অবলম্বন করবেন না। গুলি চালানো উচিত আত্মরক্ষার শেষ অবলম্বন হিসেবে। ভোটার ও ইভিএমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যও।

    ২) আপত্তিজনক শব্দ ব্যবহার করবেন না এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে বলপ্রয়োগ করবেন না।

    ৩) কারও সঙ্গে খুব বেশি বন্ধুত্ব করবেন না। ভোটগ্রহণ কর্মী বা বহিরাগত কারও কাছ থেকে চা, সিগারেট বা কোনও অনুগ্রহ গ্রহণ করবেন না। ভোট কেন্দ্রে ধূমপান করবেন না।

    ৪) পোলিং স্টাফ, কাগজপত্র এবং ইভিএম সুরক্ষার জন্য শক্তি ব্যবহার করতে দ্বিধা করবেন না যা আপনার প্রাথমিক দায়িত্ব।

    ৬) আপনার নির্ধারিত ডিউটি পয়েন্ট (পোলিং স্টেশন/প্রাঙ্গন) ছেড়ে যাবেন না।

    ৬) অপ্রয়োজনীয় কথা বলবেন না, প্রিসাইডিং অফিসারের দেওয়া সমস্ত আদেশ/নির্দেশ মেনে চলুন

    ৭) একটি নির্দিষ্ট বিভাগ বা বর্ণের লোকদের একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সাথে পরিচিতি দেখাবেন না।

    ৮) কোনও পক্ষ থেকে কোনও অনুগ্রহ গ্রহণ করবেন না বা এমনভাবে কাজ করবেন না, যা এগিয়ে যেতে সহায়তা করতে পারে

    কোনও দল বা প্রার্থীর জয়ে সম্ভাবনাকে। কোনওভাবেই কোনও ভোটারকে প্রভাবিত করবেন (Lok Sabha Election 2024) না।

    ৯) নিরাপত্তা প্রদান করা ছাড়া ভোট কেন্দ্রে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে ফেলবেন না। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখবেন।

    ১০) কোনও নির্বাচনী সভা সংগঠিত বা তাতে অংশগ্রহণ করবেন না। সভা চলাকালীন কোনও রাজনৈতিক অগ্রগতিতে সহায়তা করবেন না।

    ১১) কোনও ব্যক্তি/দলকে ভোট দিতে বলবেন না/অনুরোধ করবেন না। আপনার রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং অনুভূতিগুলি দেখানো/শেয়ার করবেন না (Lok Sabha Election 2024)।

     

    আরও পড়ুুন: মোদির সভায় জন সুনামি, ভিড়ের প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: ১ মার্চ থেকে প্রতিদিন বাজেয়াপ্ত হয়েছে ১০০ কোটি টাকা, জানাল কমিশন

    Lok Sabha Elections 2024: ১ মার্চ থেকে প্রতিদিন বাজেয়াপ্ত হয়েছে ১০০ কোটি টাকা, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালো টাকা উদ্ধারে জোর দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Lok Sabha Elections 2024)। তার ফলও মিলল হাতে হাতে। জানা গিয়েছে, মার্চ মাস থেকে এ পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে ১০০ কোটি টাকা করে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দাবি, ১ মার্চ থেকে প্রতিদিন ১০০ কোটি টাকা করে বেআইনি নগদ বাজেয়াপ্ত করছেন কমিশনের আধিকারিকরা। কমিশন জানিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনের আগে এখনও পর্যন্ত ইডি বাজেয়াপ্ত করেছে ৪ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা। জারি করা বিবৃতিতে কমিশন জানিয়েছে, দেশের ৭৫ বছরের লোকসভা নির্বাচনের ইতিহাসে এই প্রথম সর্বাধিক নগদ অর্থ বাজেয়াপ্ত করেছে কমিশন। ভোটারদের প্রভাবিত করতেই এই অর্থ ব্যবহার করা হচ্ছিল বলেও খবর কমিশন সূত্রে।

    ফোর ‘এম’-এর বিরুদ্ধে লড়াই (Lok Sabha Elections 2024)

    ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। নির্বাচন হবে সাত দফায়। শেষ দফার নির্বাচন হবে ১ জুন। ফল ঘোষণা ৪ জুন। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করার সময়ই নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছিল, তাদের লড়াই ফোর ‘এম’-এর বিরুদ্ধে। এই ফোর ‘এম’ হল, ‘মানি পাওয়ার’, ‘মাসল পাওয়ার’, ‘মিসইনফর্মেশন’ এবং ‘মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট’ লঙ্ঘন। কমিশন জানিয়েছিল, এই লড়াই তাদের কাছে চ্যালেঞ্জিং। নির্বাচনে মানি পাওয়ার ব্যবহার করে যাতে কোনওভাবেই ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা না হয়, সেজন্য একাধিক কড়া পদক্ষেপ করা হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে। তার জেরেই ফি দিন বাজেয়াপ্ত হচ্ছে ১০০ কোটি করে টাকা।

    মাদক ও খয়রাতি

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় এবার মাদক ও খয়রাতি বেড়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন। কমিশন এ পর্যন্ত বাজেয়াপ্ত করেছে ২,০৬৮.৮ কোটি টাকার মাদক। উদ্ধার হওয়া খয়রাতি দ্রব্যের মূল্য ১,১৪২.৪৯ কোটি টাকা। ৪৮৯.৩ কোটি টাকার মদও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে (Lok Sabha Elections 2024)।

    আরও পড়ুুন: বিজেপির ‘সঙ্কল্পপত্রে’ করা হয়েছে কোন কোন সঙ্কল্প, জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: ভোটে মূল প্রতিপক্ষ পুলিশ! নিয়ন্ত্রণের আর্জি শুভেন্দুর, পুলিশ পর্যবেক্ষকের দ্বারস্থ বিজেপি

    Lok Sabha Election 2024: ভোটে মূল প্রতিপক্ষ পুলিশ! নিয়ন্ত্রণের আর্জি শুভেন্দুর, পুলিশ পর্যবেক্ষকের দ্বারস্থ বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের কাছে সুষ্ঠু  গণতান্ত্রিক পরিবেশে ভোটের (Lok Sabha Election 2024) আর্জি জানাল বিজেপি। এই নিয়ে রাজ্যের পুলিশ পর্যবেক্ষক অনিল শর্মার দ্বারস্থ হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) কথায়, “আসন্ন নির্বাচনে রাজ্যে পুলিশই প্রধান প্রতিপক্ষ।” তাই সোমবার তিনি পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে তিনি আর্জি জানালেন নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষকের কাছে।

    শুভেন্দুর আবেদন

    লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Election 2024) বাংলার জন্য অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অনিলকুমার শর্মাকে বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসাবে নিয়োগ করেছে কমিশন। বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অলোক সিনহাকে। সোমবার বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষকের সঙ্গে দেখা করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সহ বিজেপির তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল। সেখানেই বাংলার নির্বাচনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন তাঁরা। সোমবার দলের আরও দুই নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় এবং শিশির বাজোরিয়াকে নিয়ে কলকাতার সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর অফিসার্স ইন্সটিটিউটে যান শুভেন্দু। সেখানে রাজ্যের বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক অনিল শর্মাকে রাজ্যের উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তাদের উপরে নিয়ন্ত্রণের আর্জি জানান শুভেন্দু। 

    কী বললেন শুভেন্দু

    সোমবার বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষকের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে শুভেন্দু বলেন, ‘‘২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই ৬১টি এফআইআর করেছে। ১৫টি রাজ্যে ভোট হয়েছে, বাংলার মতো কোথাও হিংসা হয়নি। পঞ্চায়েত ভোটে আদালতের নির্দেশে ৮২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছিল। কিন্তু বাহিনীকে বসিয়ে রাখা হয়েছে। ৫৫ জন খুন হয়েছেন পঞ্চায়েত নির্বাচনে। বহু পঞ্চায়েতে ভোটই দিতে পারেননি ভোটাররা।’’ কেন্দ্রীয় সংস্থার কর্তাদের উপরে হামলা নিয়েও সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘‘এর আগে সন্দেশখালিতে ইডি আক্রান্ত হয়েছে, আদালত হস্তক্ষেপ করেছে। এনআইএ-র উপর হামলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন পদক্ষেপ করুক।’’

    আরও পড়ুন: ভোটে ব্যবহৃত গাড়িতে জিপিএস ট্র্যাকিং, আরও চার আয়-ব্যয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ কমিশনের

    ভোট পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আর্জি

    লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) পরবর্তী সময়ে হিংসার ঘটনা রুখতে তৎপর বিজেপি ৷ নির্বাচনের পরেও যাতে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকে, এই আর্জি নিয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে চিঠি দিতে চলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ৷ শুধু রাজ্যপাল নন, ভোটের পরেও রাজ্যে যাতে এক মাস কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ন রাখা হয়, এই মর্মে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব এবং রাজ্যের মুখ্যসচিবকেও চিঠি দিচ্ছেন তিনি । শুভেন্দু বলেন, “বাংলা একমাত্র রাজ্য যেখানে একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর ১০ হাজার হিংসার ঘটনা ঘটেছে। দেশের যে পনেরোটি রাজ্যে বিজেপি শাসক সেখানে ভোটের আগে বা পরে কোনো সন্ত্রাসের ছবি নেই। এই রাজ্যে  প্রার্থী খুন হয়েছে, ভোট দিতে পারেনি বহু গ্রামের মানুষ। তাই এখানে ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA Attacked: এনআইএ-র উপর হামলা! মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন

    NIA Attacked: এনআইএ-র উপর হামলা! মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূপতিনগরে এনআইয়ের (NIA Attacked) উপর হামলার ঘটনায় মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল নির্বাচন কমিশন। পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা নির্বাচন দফতর থেকে রিপোর্ট চাওয়ার পাশাপাশি জেলার পুলিশ সুপারের রিপোর্টও চাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক ও  নবান্নর থেকেও রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। ভূপতিনগরের ঘটনায় রাজ্য পুলিশের ডিজি, পুলিশ সুপার (পূর্ব মেদিনীপুর), এসডিপিও ও ভূপতিনগরের ওসি-র বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার জন্য কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। 

    কী ঘটেছিল

    ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে ভয়াবহ বিস্ফোরণ কেঁপে উঠেছিল পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগর। ওই বিস্ফোরণে তিনজনের মৃত্যু হয়। আদালতের নির্দেশে বিস্ফোরণের তদন্ত করছে এনআইএ (NIA Attacked)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ভূপতিনগর বিস্ফোরণ কাণ্ডের তদন্তে শনিবার ভোরে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন আধিকারিকরা। সেখান থেকে দু’জন অভিযুক্তকে আটক করে গাড়িতে তোলার পরই গ্রামবাসীদের একাংশ হামলা চালায়। গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। ঘটনায় দুজন আধিকারিক জখম হয়েছেন। ভূপতিনগর বিস্ফোরণ কাণ্ডে সম্প্রতি আটজনকে এনআইএ-র কলকাতার দফতরে হাজির দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। অভিযুক্তরা হাজিরা না দেওয়ায় শনিবার ভোরে গ্রামে পৌঁছন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুন: “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এনআইএ-র উপর হামলা হয়েছে”, ভূপতিনগরের ঘটনায় সরব সুকান্ত-শুভেন্দু

    কমিশনের রিপোর্ট তলব

    ভোটের মুখে রাজ্যে এনআইএর (NIA Attacked) উপর হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন নির্বাচন কমিশন। শনিবারেই পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা নির্বাচন দফতর ও জেলার পুলিশ সুপারের রিপোর্ট তলব করে নির্বাচন কমিশন। একইসঙ্গে ঘটনার রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক ও  নবান্নর থেকেও। শান্তিপূর্ণ লোকসভা ভোটের জন্য ইতিমধ্যেই রাজ্যে এসেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজ্যেপ্রথম দফায় ভোট ১৯ এপ্রিল। তার আগে রাজ্যে কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের উপর হামলা মেনে নিতে পারছে না নির্বাচন কমিশন। তাই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share