Tag: ED

ED

  • SSC Scam: সুপ্রিম ধাক্কা! শিক্ষক-নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে অভিষেক-রুজিরাকে দিল্লিতে তলব করতে পারে ইডি

    SSC Scam: সুপ্রিম ধাক্কা! শিক্ষক-নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে অভিষেক-রুজিরাকে দিল্লিতে তলব করতে পারে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (SSC Scam) তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এবার দিল্লিতেও তলব করতে পারবে ইডি। সোমবার এমনই অভিমত প্রকাশ করল শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম দুয়ারে (Supreme Court) খারিজ হয়ে গেল অভিষেক ও রুজিরার আর্জি। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির সমনে হাজিরা দিল্লির পরিবর্তে শুধু কলকাতায় করা হোক, অভিষেক ও রুজিরার এই আবেদন খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট।

    সুপ্রিম নির্দেশ

    তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট এই কেলেঙ্কারির মামলায় (SSC Scam) অভিষেক ও রুজিরাকে তলব করেছিল। তাঁরা সেই তলবকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। সোমবার বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদী এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চ তৃণমূল সাংসদের আর্জি খারজি করে দেয়। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগে একাধিকবার অভিষেক এবং রুজিরাকে দিল্লিতে তলব করে ইডি। কিন্তু তাঁরা হাজিরা এড়িয়ে যান। এর ফলে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেক এবং রুজিরাকে দিল্লিতে তলব করতে পারবে ইডি। 

    আরও পড়ুন: ‘‘আশা করছি, বিচার পাব’’, সুপ্রিম-শুনানির আগে মন্তব্য নির্যাতিতার মায়ের

    দিল্লিতে যেতে বাধা কোথায়

    প্রসঙ্গত, দিল্লিতে ডেকে অভিষেক এবং রুজিরাকে জেরা করতে চেয়েছিল ইডি। তাঁদের যুক্তি ছিল, নিরাপত্তার কারণে কলকাতায় অভিষেক এবং রুজিরাকে জেরা করায় সমস্যা দেখা দিতে পারে। অভিষেক ও রুজিরার অবশ্য যুক্তি ছিল, তাঁদের বাড়িতে ছোট ছোট দুই সন্তান আছে। এদিকে কলকাতায় ইডির পূর্ণাঙ্গ দফতর আছে। তাহলে কেন তাঁদের দিল্লিতে তলব করা হবে? এর আগে এর আগে কয়লা পাচার মামলায় আর্থিক তছরূপের অভিযোগের তদন্তেও ইডি তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। দিল্লিতে গিয়েও ইডির সদর দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিষেক। এর আগে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলার অন্তর্বর্তী রায়ে অভিষেককে সাময়িক স্বস্তি দেয় শীর্ষ আদালত। অন্তর্বর্তী রায়ে বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদী এবং বিচারপতি সতীশ চন্দ্রের বেঞ্চের তরফে জানানো হয়েছিল, অভিষেক বা রুজিরাকে দিল্লিতে তলব করা যাবে না। গত ১৩ আগস্ট মামলার শুনানি শেষ হয়। সেদিনও অন্তর্বর্তী রায় বহাল রাখে শীর্ষ আদালত। তবে চূড়ান্ত রায়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের আর্জি খারিজ করল শীর্ষ আদালত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: সন্দীপ ঘোষের আরও এক জোড়া ফ্ল্যাটের হদিশ, ইডি হাজির শ্যালিকার বাড়িতেও

    RG Kar Incident: সন্দীপ ঘোষের আরও এক জোড়া ফ্ল্যাটের হদিশ, ইডি হাজির শ্যালিকার বাড়িতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্য-সিন্ডিকেটের মাথা! আরজি করে (RG Kar Incident) আর্থিক দুর্নীতির হোতা প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh) বেলেঘাটার বাড়িতে একাধিকবার তল্লাশি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। ইতিমধ্যেই ক্যানিংয়ে সন্দীপের একটি বাংলার হদিশ পাওয়া গিয়েছে। এবার মিলল বেলেঘাটায় আরও দুটি ফ্ল্যাটের সন্ধান। সেখানেও হাজির এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। একই সঙ্গে কলকাতা এয়ারপোর্টের কাছে একটি আবাসনে হানা দিয়েছে ইডি। সেখানে সন্দীপ ঘোষের শ্যালিকা থাকেন বলে জানা যাচ্ছে। 

    সন্দীপের শ্যালিকাও ইডির নজরে

    জানা গিয়েছে, সন্দীপের (Sandip Ghosh) শ্যালিকা ইএসআই হাসপাতালের চিকিৎসক। এয়ারপোর্ট ২ নম্বর গেট এলাকার মিলনপল্লিতে তাঁর বাড়ি। গত ৯ অগাস্ট, অর্থাৎ আরজি করে (RG Kar Incident) তরুণী চিকিৎসকের ক্ষত-বিক্ষত দেহ উদ্ধার হওয়ার পর ওই ঠিকানায় চলে আসেন শ্যালিকার বাবা-মা অর্থাৎ সন্দীপের শ্বশুর ও শাশুড়ি। সংশ্লিষ্ট এলাকাতেই একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেন তাঁরা। সেখানেই বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালায় ইডি, জিজ্ঞাসাবাদও করা হয় বলে সূত্রের খবর। শুক্রবার সকালে সন্দীপ ঘোষের শ্বশুরবাড়ি চন্দননগরে পৌঁছে গিয়েছিল ইডি। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বাড়িটিতে তালা দেওয়া। কাউকে দেখতে না পেয়ে ফিরে যান আধিকারিকরা। এয়ারপোর্টের ঠিকানা পাওয়া যায় সেখান থেকেই। এরপরে ইডি আধিকারিকরা এদিন দুপুরে এয়ারপোর্ট সংলগ্ন মিলনপল্লি এলাকায় শ্যালিকার ফ্ল্যাটে পৌঁছে যান। 

    আরও পড়ুন: ফের নির্যাতিতার বাড়িতে সিবিআই, দীর্ঘক্ষণ কথা, পুলিশের বিরুদ্ধে কী বললেন বাবা-মা?

    বেলেঘাটায় আরও দুটি ফ্ল্যাট

    এদিকে, বেলেঘাটায় যে চারতলা বাড়িতে সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh) থাকেন, তার অদূরেই রয়েছে সন্দীপের আরও দুটি ফ্ল্যাট। গ্যারাজে রয়েছে ঝাঁ চকচকে গাড়িও। এই দুটি ফ্ল্যাটের হদিশ পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বেলেঘাটা আইডি হাসপাতাল সংলগ্ন একটি আবাসনের দুটি ফ্ল্যাটই যে সন্দীপের তা জানিয়েছেন আবাসনের কেয়ারটেকার। গ্রাউন্ড ফ্লোরে অর্থাৎ নীচের তলায় একটি ফ্ল্যাট অফিস হিসেবে ব্যবহার করতেন সন্দীপ। এছাড়াও তিন তলায় আরও একটি ফ্ল্যাট রয়েছে বলেও জানিয়েছেন ওই কেয়ারটেকার। তবে সেখানে খুব বেশি যেতেন না সন্দীপ ঘোষ। মাঝে মধ্যে গিয়ে থাকতেন। আবাসনের পার্কিং স্পেসে এসইউভি গাড়িটি দেখেই বোঝা যাচ্ছে, তার বয়স বেশি নয়। কেয়ারটেকার জানান, ৩-৪ মাস আগে ওই গাড়িটি কেনা হয়েছিল। তারপর থেকে এই গ্যারাজেই থাকত। বেলেঘাটা সংলগ্ন এইটুকু জায়গার মধ্যে কেন সন্দীপের তিনটি ফ্ল্যাট তা-ও ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: বাড়িতে সাত ঘণ্টা তল্লাশির পর ইডির হাতে আটক সন্দীপের ‘পিএ’ প্রসূন

    RG Kar Incident: বাড়িতে সাত ঘণ্টা তল্লাশির পর ইডির হাতে আটক সন্দীপের ‘পিএ’ প্রসূন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে (RG Kar Incident) আর্থিক দুর্নীতি মামলায় কলকাতা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর প্রসূন চট্টোপাধ্যায়কে আটক করল ইডি ৷ সন্দীপ ঘোষের পিএ বলে পরিচিত প্রসূনের সুভাষগ্রামের বাড়িতে শুক্রবার সকালে হানা দেয় ইডি। সেখানে প্রায় সাত ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর প্রসূনকে আটক করা হয়েছে ৷ সূত্রের খবর, তাঁকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ক্যানিংয়ের নারায়ণপুর মৌজায় সন্দীপের দ্বিতল ‘সঙ্গীতাসন্দীপ ভিলা’ বাংলোয়।

    ৭ ঘণ্টা তল্লাশির পর আটক

    শুক্রবার সকাল পৌনে ৭টা নাগাদ উত্তর ২৪ পরগনার সুভাষগ্রামে প্রসূনের বাড়িতে যান ইডির বেশ কয়েক জন আধিকারিক। তার পর টানা তল্লাশি শুরু হয়। দুপুর ২টো নাগাদ প্রসূনকে আটক করে বাড়ির বাইরে নিয়ে আসা হয়। প্রায় ৭ ঘণ্টা তল্লাশি চালানোর পর তাঁকে আটক করা হয়েছে। প্রসূনের বাড়ির বাইরে স্থানীয় কয়েক জন ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগান দেন। 

    কে এই প্রসূন?

    ‘সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ’ হিসাবেই পরিচিত ছিলেন প্রসূন। প্রসূন ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর হিসাবে কাজ করতেন। প্রসূন নিজেকে সন্দীপ ঘোষের পিএ বলে পরিচয় দিতেন। অভিযোগ, তিনি নাকি ন্যাশনাল মেডিক্যালে রেজিস্টার খাতায় নিজের নাম এন্ট্রি করে চলে যেতেন আরজি করে। ঘটনার দিনও খাতায় তাঁর সই ছিল বলে অভিযোগ। প্রসঙ্গত, আরজি কর-কাণ্ডে ঘটনার দিন যাঁদের ক্রাইম সিনে দেখা গিয়েছিল, সেই তালিকায় ছিল প্রসূন চট্টোপাধ্যায়ের নাম। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। 

    আরও পড়ুন: আরজি কর আর্থিক দুর্নীতিকাণ্ডে চলবে সিবিআই তদন্ত, সুপ্রিম-ধাক্কা সন্দীপ ঘোষের

    প্রসূনের প্রতিপত্তি

    সন্দীপ ঘোষের সঙ্গে প্রসূনের সম্পর্ক প্রায় সবারই জানা। একজন ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের এত প্রতিপত্তি কীভাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুভাষগ্রামে তিনতলা বাড়ি রয়েছে প্রসূনের। সেখানেই এদিন তল্লাশি চালানো হয়। এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, মাত্র কয়েক বছরেই প্রসূনে সম্পত্তি বাড়ে উল্লেখযোগ্যভাবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: সাতসকালে সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে হানা ইডির, তালা খুলে ঢুকলেন অফিসাররা

    RG Kar Incident: সাতসকালে সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে হানা ইডির, তালা খুলে ঢুকলেন অফিসাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআইয়ের পর এবার সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh) দুয়ারে পৌঁছে গেল ইডিও (ED)। আরজি করের (RG Kar Incident) আর্থিক দুর্নীতি মামলায় সন্দীপের বাড়িতে তল্লাশির জন্য যায় ইডি। তবে দরজা বাইরে থেকে তালাবন্ধ থাকায় কিছু সময় অপেক্ষা করার পর শুক্রবার সিজিও কমপ্লেক্সে ফিরে যান ইডির আধিকারিকরা। পরে ফিরে এসে তালা খুলে ঢোকেন ইডি আধিকারিকরা। বাইরে পাহারায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। শুধু সন্দীপের বাড়ি নয়, এদিন আরও তিন জায়গায় হানা দেন ইডি অফিসাররা।

    সন্দীপ-দুয়ারে ইডি

    শুক্রবার সকাল ৭টা নাগাদ সন্দীপের বেলেঘাটার বাড়ির সামনে পৌঁছন ইডির আধিকারিকরা। আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালে যে আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে, তার তদন্তেই সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে হাজির ইডি। তবে তালা বন্ধ থাকায় ইডি আধিকারিকরা ঢুকতে পারেননি।  ইডি আধিকারিকরা প্রায় ৪৫ মিনিট অপেক্ষা করার পর ফিরে যান সিজিও কমপ্লেক্সে। ফের ফিরে আসেন। খোলা হয় তালা। ৯টা ১৫ মিনিটে সন্দীপের বাড়ির ভিতরে ঢোকেন তদন্তকারীরা। ইডি সূত্রের খবর, দুর্নীতি সংক্রান্ত কিছু নথিপত্রের সন্ধান পেতেই এই তল্লাশি। 

    উল্লেখ্য, টানা ১৫ দিন সিবিআইয়ের জেরার মুখোমুখি হওয়ার পর গত সোমবার সন্ধ্যায় আরজি করের আর্থিক দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হন সন্দীপ। এছাড়া, সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ ২ ব্যবসায়ী বিপ্লব সিং এবং সুমন হাজরাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার করা হয় সন্দীপের নিরাপত্তারক্ষী আফসার আলিকেও। আরজি করের আর্থিক দুর্নীতি মামলায় সিবিআই এফআইআর করার পরেই ইডির তরফে সন্দীপের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত ইসিআইআর করা হয়। 

    আরও পড়ুনঃ ‘কেড়ে নেওয়া হোক বিনীতের পুলিশ মেডেল’, রাষ্ট্রপতি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি শুভেন্দুর

    ইডির তল্লাশি সন্দীপ ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে

    সন্দীপ ঘোষের পাশাপাশি, এদিন তাঁর শাগরেদ বিপ্লব সিং ও কৌশিক কোলের বাড়িতেও ইডি তল্লাশি চলছে বলে জানা গিয়েছে। আরজি কর হাসপাতালের মেডিক্যাল সাপ্লায়ার ছিলেন বিপ্লব সিং। আর্থিক দুর্নীতিতে তিনিও জড়িত বলে সন্দেহ। বিপ্লবের সহকারী কৌশিক কোলে। তাঁর বাড়িতেও তল্লাশি চলছে। তল্লাশি চলছে সুভাষগ্রামে প্রসূন চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতেও। ইডির তদন্তকারীদের সঙ্গে রয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরাও। প্রসূন ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর হিসাবে কাজ করতেন। ‘সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ’ হিসাবেই পরিচিত ছিলেন তিনিও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: মিলে গেল মোদির গ্যারান্টি, বাংলায় দুর্নীতির টাকা ফেরত দিতে শুরু করল ইডি

    PM Modi: মিলে গেল মোদির গ্যারান্টি, বাংলায় দুর্নীতির টাকা ফেরত দিতে শুরু করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় একাধিক দুর্নীতির টাকা ফেরত দেওয়া হবে, লোকসভা নির্বাচনের আগে এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি কথা রাখলেন। টাকা ফেরাতে শুরু করল কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। রোজভ্যালির আমানতকারীদের টাকা ফেরতের প্রক্রিয়া শুরু হল। অ্যাসেট ডিসপোজাল কমিটিকে ১৯ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আদালতের নির্দেশেই টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হল।

    মোদির প্রতিশ্রুতি

    লোকসভা ভোটের প্রচারে একাধিকবার বাংলায় এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। সেই প্রচার সভা থেকেই টাকা ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “এতদিন পর্যন্ত আবাস যোজনা-সহ বিভিন্ন দুর্নীতির তদন্তে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে। এই টাকা বাংলার মানুষের হাতে কীভাবে ফিরিয়ে দেওয়া যায়, তারই আইনি উপায় খুঁজছি আমরা। ক্ষমতায় ফিরলে, আইনি উপায়েই বাংলার মানুষকে সেই ৩০০০ কোটি টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হবে।” রাজ্যে দুর্নীতির টাকা ফেরানোর কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর। বৃহস্পতিবারই রোজভ্যালি মামলায় বাজেয়াপ্ত করা ১৯.৫০ কোটি টাকা ফেরাল ইডি। আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য প্রথম ধাপ হিসেবে এই টাকা তুলে দেওয়া হল বিশেষ কমিটির হাতে। 

    আরও পড়ুন: ভয় পাচ্ছে চিন-পাকিস্তান! পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম দ্বিতীয় ডুবোজাহাজ পেল নৌসেনা

    দ্রুত পদক্ষেপ ইডির

    ইডি (ED) সূত্রে খবর, সংস্থার তিন উচ্চপদস্থ অফিসার, স্পেশাল ডিরেক্টর সুভাষ আগরওয়াল, জয়েন্ট ডিরেক্টর সুদেশ শেওরান এবং ডেপুটি ডিরেক্টর অজয় লুহাচ অ্যাসেট ডিসপোজাল কমিটির অফিসে যান। সেখানে জরুরি বৈঠক হয়। সেখানে আমানতকারীদের টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার একটি সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, রোজভ্যালির যে টাকা এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল, তার মধ্যে থেকে ১৯ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা অ্যাসেট ডিসপোজাল কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে মাথায় রেখে আগেই এই কমিটি তৈরি করা হয়েছিল। তারাই এবার আমানতকারীদের ফেরত দেবে ওই টাকা। আমানতকারীরা বৈধ কাগজ দেখালে তাঁদের টাকা দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর জন্য হাইকোর্টের নির্দেশে ওয়েবসাইটও খোলা হয়, যেখানে নিজেদের নথিপত্র জমা দিয়ে টাকা ফেরত চেয়ে আবেদন করতে পারেন আমানতকারীরা। সেই নথি যাচাই করে আমানতকারীদের প্রাপ্য টাকা মিটিয়ে দেওয়া হবে বলে ঠিক হয়। ইডি (ED) সূত্রে খবর, ধাপে ধাপে বাজেয়াপ্ত করা আরও টাকা ফেরত দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ED: আরও চাপে সন্দীপ! আরজি করের দুর্নীতির তদন্তে কোমর বেঁধে নামছে ইডি?

    ED: আরও চাপে সন্দীপ! আরজি করের দুর্নীতির তদন্তে কোমর বেঁধে নামছে ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে চিকিৎসক পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনায় প্রথম থেকেই এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের স্ক্যানারে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। টানা ১১ দিন সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হয়েছে সন্দীপকে। এমনকী সিবিআই তাঁর বাড়িতে পর্যন্ত তল্লাশি চালায়। বাড়ি থেকে সবুজ কাপড়ে ভরে নথিও নিয়ে আসে তারা। এবার আরও চাপে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক তছরূপের অভিযোগের তদন্তে নামতে চলেছে ইডি (ED)। সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে জমা পড়া অভিযোগের নথিপত্র সংগ্রহ করে দিল্লি পাঠিয়ে দিয়েছেন কলকাতার ইডির আধিকারিকরা। দিল্লি থেকে সবুজ সংকেত এলেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে তদন্ত শুরু করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    দুর্নীতির তদন্তে ইডি! (ED)

    সিবিআই-এর পর এবার আরজি কর দুর্নীতিতে (RG Kar Scam) মামলা রুজু করল ইডি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তরফে ইসিআইআর (এনফোর্সমেন্ট কেস ইনফরমেশন রিপোর্ট) দায়ের করা হয়েছে। এই ইসিআইআর হল, কোনও মামলায় অভিযোগ দায়ের করে ইডির (ED) নিজেরই সেই তদন্তের পথে পা বাড়ানো। বলা হয়, পিএমএলএ অ্যাক্টে (প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট) ব্যবস্থা গ্রহণের আগে সাধারণত ইডি এই ইসিআইআর দায়ের করে। সিবিআইয়ের এফআইআর-এর ভিত্তিতেই এই ইসিআইআর দায়ের করেছে তারা। অভিযুক্ত হিসেবে প্রথম নামই সন্দীপ ঘোষের। কিছুদিন আগেই সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক দুর্নীতি-সহ বিভিন্ন দুর্নীতির মামলায় ইডির তদন্ত চেয়ে মামলার আবেদন করেন আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার (নন মেডিক্যাল) আখতার আলি। বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের এজলাসে আর্জি জানান তিনি। মামলা দায়ের করার অনুমতিও দেয় কোর্ট। অন্যদিকে, আরজি করে চিকিৎসক পড়ুয়ার ধর্ষণ-খুনের মামলার পাশাপাশি এই আখতার আলিরই দায়ের করা দুর্নীতির মামলারও তদন্তভার সিবিআইকে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে দু’টি মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। তাই, এবার আর্থিক দুর্নীতির মামলার তদন্তভার ইডির হাতে যে কোনও সময়ই যেতে পারে।

    আরও পড়ুন: ‘‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ দমন নয়’’, মমতাকে সুপ্রিম-নির্দেশ মনে করালেন রাজ্যপাল

    নথি সংগ্রহ করেছে ইডি

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত শুরু করতে সোমবার সিবিআইয়ের কাছে থেকে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করেছেন আধিকারিকরা। টালা থানায় গিয়ে আরজি কর মেডিক্যালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার এফআইআর-এর কপি সংগ্রহ করেছেন তাঁরা (ED)। সমস্ত নথি পাঠানো হয়েছে দিল্লির প্রবর্তন ভবনে। সেখানকার কর্তারা নির্দেশ দিলে কলকাতায় সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ইসিআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করবেন আধিকারিকরা। প্রসঙ্গত, শুক্রবার সিবিআইকে আরজি কর মেডিক্যালে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তভার দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি একাধিক গুরুতর অভিযোগ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে মেডিক্যাল বর্জ্য পাচার, মানবদেহ পাচার, ছাত্রদের কাছ থেকে টাকা আদায় ও ঘনিষ্ঠদের স্টল বিলির অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Saket Gokhale: অর্থ নয়ছয়ের মামলায় তৃণমূল সাংসদ সাকেতের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন ইডির

    Saket Gokhale: অর্থ নয়ছয়ের মামলায় তৃণমূল সাংসদ সাকেতের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অর্থ নয়ছয়ের মামলায় তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ সাকেত গোখলের (Saket Gokhale) বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করল কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। আহমেদাবাদের বিশেষ আদালতে মঙ্গলবার বেআইনি আর্থিক লেনদেন (পিএমএলএ) সংক্রান্ত (Money Laundering Charges) আইনে তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    কী জানাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি?

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, সাকেতের (Saket Gokhale) বিরুদ্ধে এক কোটি সাত লক্ষ টাকা অপব্যবহার করার অভিযোগ মিলেছে। তদন্তকারী সংস্থা আরও জানিয়েছে, এই অর্থ ক্রাউড ফান্ডিং-এর মাধ্যমে জনতার কাছ থেকে পাওয়া দান হিসাবে সংগ্রহ করা হয়েছিল। সাকেতের বিরুদ্ধে অভিযোগ, যে উদ্দেশ্যের কথা জানিয়ে ওই অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা সেখানে ব্যয় করার কোনও তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ব্যক্তিগত কারণে ওই অর্থ ব্যয় করেছিলেন বলে ইডির অভিযোগ।

    ২০২২ সালের ডিসেম্বরে সাকেতকে (Saket Gokhale) আহমেদাবাদ পুলিশ গ্রেফতার করেছিল ইডি

    মঙ্গলবার তাদের অফিসিয়াল এক্স-বার্তায় জানিয়েছে, পিএমএলএ আইনে চার্জ গঠন এড়িয়ে যেতে ফৌজদারি (Money Laundering Charges) দণ্ডবিধির (ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা) ৩০৯ ধারায় সাংসদ সাকেত (Saket Gokhale) যে আবেদন জানিয়েছিলেন, আহমেদাবাদের বিশেষ পিএমএলএ আদালত তা খারিজ করে দিয়েছে। প্রসঙ্গত, এই মামলাতে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে সাকেতকে আহমেদাবাদ পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। পরে মামলায় তদন্তের ভার পেয়ে তাঁকে হেফাজতে নিয়েছিল ইডি।

    সম্প্রতি সাকেতকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করে দিল্লি হাইকোর্ট

    সম্প্রতি, অবসরপ্রাপ্ত কূটনীতিক লক্ষ্মী পুরীর দায়ের করা মামলায় তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সাকেত গোখলেকে ৫০ লক্ষ টাকা জরিমানা করে দিল্লি হাইকোর্ট। সঙ্গে সোশ্যাল মডিয়ায় সাকেতকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে বলে নির্দেশ দেন বিচারপতি। প্রাক্তন কূটনীতিক লক্ষ্মী পুরী ব্যক্তিগত সম্পর্কে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর স্ত্রী। ২০২১ সালের ১৩ ও ২৬ জুন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে সাকেত গোখলে দাবি করেন লক্ষ্মী পুরীর সুইৎজারল্যান্ডে আয় বহির্ভূত সম্পত্তি রয়েছে। সেই পোস্টে মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীকেও উল্লেখ করেন তিনি। অভিযোগ অস্বীকার করে সাকেত গোখেলের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে মানহানির মামলা করেন লক্ষ্মী পুরী। আদালতে তিনি জানান, সাকেত গোখেলের অভিযোগ ভিত্তিহীন। এতে তাঁর মানহানি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ED: সমাজবাদী পার্টির সাংসদের ২৫০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    ED: সমাজবাদী পার্টির সাংসদের ২৫০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমাজবাদী পার্টির সাংসদের কয়েকশো কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি (ED)। কেবল তাই নয়, বাবু সিং কুশওয়াহা নামে সমাজবাদী পার্টির ওই নেতার জমিতে থাকা নির্মাণও ভেঙে দিয়েছেন (NRHM Scam) ইডির আধিকারিকরা। কুশওয়ার যে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি, সেটা রয়েছে উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের কানপুর রোডে।

    এনআরএইচএম কেলেঙ্কারি (ED)

    কেন এই পদক্ষেপ ইডি-র? জানা গিয়েছে, ন্যাশনাল রুরাল হেল্থ মিশন কেলেঙ্কারি মামলার তদন্ত করছে ইডি। এই মামলায় কুশওয়াহার যোগ প্রকাশ্যে এসেছিল আগেই। এই ঘটনারই তদন্তে নেমে সমাজবাদী পার্টির ওই নেতার ২৫০ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ইডি। এই সম্পত্তিতে থাকা সব বেআইনি নির্মাণও বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার লোকজন।

    সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত

    প্রসঙ্গত, এনআরএইচএম কেলেঙ্কারির সময় কুশওয়াহা ছিলেন উত্তরপ্রদেশের বিএসপি সরকারের পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী। এই মামলায় ইতিমধ্যেই চার বছর জেলও খেটেছেন তিনি। এবার বাজেয়াপ্ত করা হল তাঁর সম্পত্তি। গ্রেফতার হওয়ার আগে কুশওয়াহা ছিলেন মায়াবতীর বিএসপিতে। জেল থেকে জামিনে বেরিয়ে তিনি অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে জৌনপুরে প্রার্থী হন সমাজবাদী পার্টির। জিতেও যান। তার পর এদিন তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি (ED)।

    আরও পড়ুন: বিধ্বস্ত ওয়েনাড়ে নাকি ‘স্মরণীয় দিন’ কাটিয়েছেন শশী! তুলোধনা করল বিজেপি

    ২০১১ সালে ন্যাশনাল রুরাল হেল্থ মিশনে ব্যাপক কেলেঙ্কারি হয়েছিল বলে অভিযোগ। ওই সময় উত্তরপ্রদেশের কুর্সিতে ছিল মায়াবতী সরকার। বিএসপি সরকারের বিরুদ্ধে ১০ হাজার কোটিরও বেশি টাকা কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠে। তদন্তে নেমে সিবিআই গ্রেফতার করে কয়েকজন স্বাস্থ্য কর্তাকে। গ্রেফতার করা হয় কুশওয়াহাকেও। কেবল এই কেলেঙ্কারিই নয়, আয় বহির্ভুত সম্পত্তি মামলায়ও দোষী সাব্যস্ত হন সমাজবাদী পার্টির এই সাংসদ। জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে ২৫টি। ইতিমধ্যেই দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ৮টি মামলায়।

    উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি দিল্লি, হরিয়ানা এবং মধ্যপ্রদেশ-সহ বিভিন্ন এলাকার ৬০টিরও বেশি জায়গায় অভিযান চালিয়েছিল সিবিআই। সেই সময় অভিযান চালানো হয়েছিল কুশওয়াহার (ED)  বাড়িতেও।এর পরেও একাধিকবার (NRHM Scam) হয়েছে অভিযান।,

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ED: তৃণমূল নেতার রাইস মিলই রেশন দুর্নীতির আখড়া! বাজেয়াপ্ত খাদ্য দফতরের সিল যুক্ত নথি

    ED: তৃণমূল নেতার রাইস মিলই রেশন দুর্নীতির আখড়া! বাজেয়াপ্ত খাদ্য দফতরের সিল যুক্ত নথি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার দুই ২৪ পরগনার একাধিক জায়গায় ইডি (ED) আধিকারিকরা একসঙ্গে হানা দেন। ৪০ জনের একটি টিম বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত হয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে অভিযান শুরু করে। মূলত, রেশন দুর্নীতির (Ration Scam) তদন্তেই এই অভিযান। উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গায় তৃণমূলের ব্লক সভাপতি আনিসুর রহমান ওরফে বিদেশের বাড়িতে দিনভর তল্লাশি চালায় ইডি। বিদেশের বাড়ি লাগোয়া রয়েছে রাইস মিল। এই মিলের মালিক বিদেশ ছাড়াও তাঁর ভাই চালকল ব্যবসায়ী আলিফ নূর মুকুল। তাঁদের ভাঙড়ে একটি রাইস মিল রয়েছে। দেগঙ্গার পাশাপাশি সেখানেও হানা দিয়েছিল ইডি।

    দেগঙ্গার রাইস মিল থেকে কী মিলল? (ED)

    মঙ্গলবার তৃণমূল নেতার বাড়ির পাশাপাশি তাঁর রাইস মিলে হানা দেওয়ার সময় সেখানে লাইন দিয়ে খাদ্য দফতরের ট্রাক নজরে পড়ে ইডি (ED) আধিকারিকদের। ফলে, খাদ্য দফতরের সঙ্গে এই রাইস মিলের যোগ রয়েছে তা তদন্তকারী আধিকারিকরা আঁচ করেছিলেন।  রাইস মিলের কর্মীরাও খাদ্য দফতরে চাল সরবরাহ করার কথা স্বীকার করে নেন। ফলে, ইডি আধিকারিকরা কড়া নজরদারির মধ্যে দিয়ে রাইস মিলে তল্লাশি অভিযান চালান। সূত্রের খবর, বিদেশ ও মুকুলের বাড়ি লাগোয়া রাইস মিল থেকে উদ্ধার হয় রাজ্য সরকারের খাদ্য দফতরের সিল যুক্ত নথি। উদ্ধার হয় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রহমানের চালকলের নথিও। মুকুল ও বিদেশ হলেন বাকিবুরের মামাতো ভাই। কীভাবে খাদ্য দফতরের নথি বিদেশের চালকলে? তাহলে কি রেশন দুর্নীতির (Ration Scam) আখড়া ছিল তৃণমূলের ব্লক সভাপতি বিদেশের রাইস মিল? উঠছে প্রশ্ন। মঙ্গলবারই দেগঙ্গা ব্লকের বেড়াচাপায় পিজি হাইটেক রাইস মিলে অভিযান চালায় ইডি। এই মিলেরই মালিক মুকুল ও বিদেশ। ইডি সূত্রে খবর, এই দুই ভাইয়ের চালকল ছাড়াও আবাসিক মিশন রয়েছে। এছাড়া বি.এড, ডিএল এড কলেজ রয়েছে।

    আরও পড়ুন: জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠ বারিকের রাজারহাটের ফ্ল্যাট থেকে ২০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    মোবাইল বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি

    ইডি (ED) আধিকারিকরা বেরিয়ে যাওয়ার পর তৃণমূলের ব্লক সভাপতি আনিসুর রহমান বলেন, “ইডি যা যা নথি চেয়েছে সবটাই দিয়েছি। দেশের দায়িত্বশীল নাগরিক, বাংলার দায়িত্বশীল নাগরিক ও তৃণমূল কংগ্রেসের দায়িত্বশীল কর্মী হিসাবে বলতে পারি যখন যখন যে ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন হবে আমরা করব। একটা মোবাইল নিয়ে গিয়েছে। কিছুই পায়নি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ED: জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠ বারিকের রাজারহাটের ফ্ল্যাট থেকে ২০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    ED: জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠ বারিকের রাজারহাটের ফ্ল্যাট থেকে ২০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ঘনিষ্ঠ আব্দুল বারিক বিশ্বাসের ডেরায় হানা দেয় ইডি (ED)। বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে তাঁর উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বসিরহাটের সংগ্রামপুরের বাড়ি এবং রাজারহাটে ফ্ল্যাটে সাত সকালে হাজির হন ইডি আধিকারিকরা। দিনভর চলে তল্লাশি অভিযান। আর তাঁর বাড়়ি থেকে ইডি আধিকারিকরা কী কী বাজেয়াপ্ত করেছেন তা নিয়ে রাজ্যবাসীর বাড়তি আগ্রহ ছিল।

    রাজারহাটের ফ্ল্যাট থেকে কী মিলল? (ED)

    মঙ্গলবার ভোরে বসিরহাটের সংগ্রামপুরে বারিকের বাড়িতে ইডি (ED)  আধিকারিকরা আসেন। বেলা ২টো ২০ মিনিট নাগাদ বেরিয়ে যান তাঁরা। বারিকের রাইসমিলে প্রায় ১৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট অভিযান চালানোর পর সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিট নাগাদ বেরিয়ে যান ইডি আধিকারিকেরা। ইডি সূত্রে খবর, রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্তে বারিকের বসিরহাটের বাড়ি এবং রাজারহাটের ফ্ল্যাটে গিয়েছিলেন তাঁরা। সেখান থেকে মঙ্গলবার প্রায় ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে ইডি। ফ্ল্যাট থেকে প্রায় ৯ ঘণ্টা ২০ মিনিট পর বেরিয়ে যান ইডির আধিকারিকেরা।

    আরও পড়ুন: টোকিও-র পর গীতাই ছিল আশ্রয়, খেলার সঙ্গে পড়াশোনাতেও উজ্জ্বল মনু

    ট্রাক চালক থেকে কোটিপতি!

    স্থানীয় সূত্রের দাবি, এক সময় বারিক ছিলেন ট্রাকচালক। হতদরিদ্র পরিবার। পাচারচক্রে হাত পাকানোর পর তাঁর হাতে কোটি কোটি টাকা আসে। এরপরই প্রতিবেশীদের কাছে থেকে ৫ কাঠা জায়গা কিনে সংগ্রামপুরে (North 24 Parganas) অট্টালিকা তৈরি করেন। সিসি ক্যামেরা মোড়া তাঁর বাড়ি রাজপ্রাসাদকে হার মানাবে। বারিকের বিরুদ্ধে সোনা পাচারেরও অভিযোগ উঠেছিল। ২০১৫ সালে প্রচুর সোনা-সহ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল শুল্ক দফতর। কয়েক বছরের জন্য জেলেও গিয়েছিলেন। পরে, জামিনে মুক্তি পান। সূত্রের খবর, জেল থেকে বেরিয়ে পাচারের বদলে একাধিক ব্যবসা শুরু করেন বারিক। ইটভাটা, কয়লা, ট্রাকের ব্যবসা শুরু করেন। ওই সূত্রের দাবি, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও চালু করেন তিনি। এর পর ধীরে ধীরে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পায় বারিকের। অভিযোগ, সেই সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক সভা- সমাবেশে নেতাদের সঙ্গে তাঁকে দেখা গিয়েছিল। সূত্রের দাবি, সেই সময়ে জ্যোতিপ্রিয়ের সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠতা’ তৈরি হয় বারিকের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share