Tag: ED

ED

  • Kriti Verma: ২৬৩ কোটির আর্থিক কেলেঙ্কারি! ইডির নজরে ‘বিগবস’ খ্যাত অভিনেত্রী

    Kriti Verma: ২৬৩ কোটির আর্থিক কেলেঙ্কারি! ইডির নজরে ‘বিগবস’ খ্যাত অভিনেত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একসময় তিনি চাকরি করতে আয়কর দফতরে। ছিলেন আয়কর আধিকারিক। পুরানো পেশা ছেড়ে এসেছিলেন অভিনেত্রী হতে। বিগ বস থেকে রোডিসের মতো হাই ভোলটেজ রিয়্যালিটি শোয়ের প্রতিযোগী কৃতি ভর্মার নাম রয়েছে ইডির চার্জশিটে। ২৬৪ কোটি টাকা আর্থিক তছরুপের মামলায় আগেই নাম জড়িয়েছিল কৃতির। এবার টিডিএস কেলেঙ্কারিতে তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

    ইডির চার্জশিটে কার কার নাম

    টেলিভিশনের পরিচিত মুখ কৃতি। বেশ কয়েকমাস ধরেই ছিলেন ইডির নজরে৷ এবার টিডিএস কেলেঙ্কারিতে চার্জশিট জমা দিয়েছে ইডি৷ সেই চার্জশিটেই নাম উঠে এসেছে কৃতির। ইডির জমা দেওয়া চার্জশিটে মোট ১৪ জনের নাম রয়েছে৷ সেই অভিযুক্তদের মধ্যেই নাম রয়েছে অভিনেত্রী কৃতি ভর্মা ও তার প্রাক্তন প্রেমিক ভূষণ পাটিল, প্রাক্তন আয়কর পরিদর্শক তানাজি মন্ডল অধিকারী এবং রাজেশ শেট্টি সহ আরও অনেকেরই নাম রয়েছে৷ একের পর এক আর্থিক কেলেঙ্কারিতে নাম জড়াচ্ছে বিনোদন জগতের তরকাদের। বাঙালি অভিনেত্রী নুসরত জাহান থেকে শুরু করে দক্ষিণী ছবির প্রযোজক রবিন্দর চন্দ্রশেখরনের বিরুদ্ধে উঠেছে আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ। সেই তালিকায় নয়া সংযোজন কৃতি।

    আরও পড়ুন: নারদকাণ্ডে ফের নাড়াচাড়া! ম্যাথু স্যামুয়েলকে কলকাতায় তলব সিবিআইয়ের

    কৃতির নামে কী অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, দিল্লি নিবাসী কৃতি ছিলেন আয়কর আধিকারিক। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের প্রাক্তন জিএসটি-র ইন্সপেক্টরের পদে ছিলেন৷ ২০১৮-তে সেই পেশা ছেড়ে গ্ল্যামার দুনিয়ার পা রেখেছিলেন। রিয়্যালিটি শোয়ের সৌজন্যে এখন ছোট পর্দার বেশ পরিচিতও মুখ হয়ে উঠেছেন অভিনেত্রী কৃতি ভর্মা। অভিযোগ,২৬৩ কোটি টাকা তছরুপের মূল চক্রী নাকি আয়কর পরিদর্শক তানাজি। কৃতির বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি নিজের ঊর্ধ্বতনের লগইনের অধিকার অপব্যবহার করে তছরুপের টাকা পাঠান ভূষণ পাটিলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। যিনি কৃতির প্রেমিক। তছরুপের এই টাকা ব্যবহার করে গুরুগ্রামে ১.০২ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি কিনেছিলেন তিনি। পরে সেই সম্পত্তি তিনি ১.১৮ কোটি টাকায় বিক্রি করেন। সেই টাকা যায় কৃতির ব্যঙ্ক অ্যাকাউন্টে। অভিযোগ, এই বিপুল পরিমাণ টাকা এ দিক-ও দিক করে মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় ফ্ল্যাট কিনে রেখেছেন কৃতি। গোটা বিষয়টি তদন্তাধীন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: অনুব্রত-মামলার শুনানি এবার দিল্লিতে, দুই সুটকেসে ফাইল নিয়ে গেল ইডি

    Anubrata Mondal: অনুব্রত-মামলার শুনানি এবার দিল্লিতে, দুই সুটকেসে ফাইল নিয়ে গেল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল্পনা চলছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। এবার সেটাই বাস্তবায়িত হতে চলল। আসানসোল থেকে দিল্লিতে সরল গরু পাচার মামলা। দু’টি সুটকেসে ফাইল ভর্তি করে দিল্লি নিয়ে গেলেন ইডির দুই আধিকারিক। মূলত, দুটি সুটকেসে থাকা ফাইলে গরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) এবং অন্যদের সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য রয়েছে। বুধবার সেই ফাইল আসানসোল থেকে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে নিয়ে গেল ইডি। বুধবার ইডির দুই আধিকারিক এসেছিলেন আসানসোল আদালতে। সঙ্গে দুই সিআইএসএফ কর্মী ছিলেন। দু’টি সুটকেসে তাঁরা বেরিয়ে যান।

    দিল্লিতে মামলা স্থানান্তর নিয়ে কী নির্দেশ দিয়েছিল আদালত?

    গত ৬ সেপ্টেম্বর গরু পাচার মামলা আসানসোল থেকে দিল্লির আদালতে স্থানান্তরের নির্দেশ দেয় আদালত। এই মামলায় অভিযুক্ত হিসাবে নাম রয়েছে বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) ও তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল, প্রাক্তন দেহরক্ষী সহগল হোসেনের। এ ছাড়া এনামুল হক, বিএসএফ কমান্ড্যান্ট সতীশ কুমার-সহ বেশ কয়েক জন রয়েছেন। তাঁদের বেশির ভাগই এখন তিহাড় জেলে বন্দি। গত ২৮ জুলাই আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে ইডির তরফে ৪৪ (১/সি) নম্বর ধারায় এই মামলা স্থানান্তরের জন্য আবেদন করে ইডি। দুই দফায় ঘণ্টা দেড়েক ধরে ইডির আবেদনের ভিত্তিতে এই মামলার শুনানি হয়। তৃতীয় বারের শুনানিতে ইডির আর্জি গ্রহণ করে আদালত। বিচারক নির্দেশ দেন, গরু পাচার মামলার শুনানি এখন থেকে দিল্লির আদালতে হবে। ফলে, তৃণমূল নেতা অনুব্রত যে মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন, তার যাবতীয় শুনানি হবে সেখানে।

    এ বার দিল্লির আদালতে গরু পাচার মামলার শুনানি!

    বেশ কয়েকবার অনুব্রত (Anubrata Mondal) তিহাড় থেকে আসানসোলের সংশোধনাগারে তাঁকে ফেরানোর আর্জি জানিয়ে বলেন, তিনি অসুস্থ। রোগা হয়ে যাচ্ছেন। তাঁকে বাংলায় ফেরানো হোক। কিন্তু, ওই তৃণমূল নেতার আবেদনের আর শুনানি হয়নি আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে। এ বার দিল্লির আদালতে গরু পাচার মামলার শুনানির তোড়জোড় শুরু করল কেন্দ্রীয় সংস্থা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED on Abhishek Banerjee: কিছু প্রশ্ন রয়েছে, তাই তলব করা হয়েছে অভিষেককে, হাইকোর্টে জানাল ইডি

    ED on Abhishek Banerjee: কিছু প্রশ্ন রয়েছে, তাই তলব করা হয়েছে অভিষেককে, হাইকোর্টে জানাল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সরাসরি রক্ষাকবচ মিলল না তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। রক্ষাকবচ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক। মামলা যতক্ষণ বিচারাধীন, ততক্ষণ যেন ইডি কোনও পদক্ষেপ না করে, আদালতের কাছে এমনই আবেদন জানান তৃণমূল নেতার আইনজীবী।

    “নির্দেশনামায় কেন নতুন শব্দবন্ধ লিখতে যাব?”

    ইডির (ED on Abhishek Banerjee) আইনজীবীর মৌখিক প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে ইডির আধিকারিকরা এই মামলার শুরু থেকে কোনও কড়া পদক্ষেপ করেননি। মঙ্গলবার ফের শুনানি হয় এই মামলার। মামলা ওঠে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। তিনি বলেন, “এই মামলার শেষ মুহূর্তে নির্দেশনামায় কেন নতুন শব্দবন্ধ লিখতে যাব? কালকেও আমার বিচার্য বিষয় একই থাকবে।  জামিনের মামলা শুনানির জন্য আমার কাছেই আসবে।” প্রসঙ্গত, ইসিআইআর খারিজের দাবিতে যখন মামলা চলছে, তখন ১০ সেপ্টেম্বর অভিষেককে নতুন করে সমন পাঠানো হয়েছে।

    অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন

    ১৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাঁকে। অভিষেকের আইনজীবী জানান, বুধবার তাঁর (অভিষেকের) বিশেষ একটি বৈঠক রয়েছে। তিনি বলেন, “এটা বিদ্বেষপূর্ণ আচরণ। কাল তাঁকে গ্রেফতারও করা হতে পারে। এই ধরনের হয়রানির মানে কি?” ইডির আইনজীবী বলেন, “সমন পাঠানো মানে কড়া পদক্ষেপ নয়। তিনি অভিযুক্ত নন।  ইডির (ED on Abhishek Banerjee) কিছু প্রশ্ন রয়েছে। তাই তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। সমন পাঠানোর ক্ষেত্রে আমাদের কোনও বাধা নেই। গ্রেফতার করতে আমাদের কোনও সমনের দরকার নেই।  আমরা যখন ইচ্ছা গিয়ে গ্রেফতার করতে পারি। গ্রেফতারির জন্য সমন পাঠানো হয়েছে এই আশঙ্কা অমূলক।” তিনি বলেন, “এই আদালতের অন্য এজলাসেও মামলা চলছে।  সেখানে আমাদের রিপোর্ট দিতে হবে। তাই জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘টাকা সরানোর ট্রানজিট পয়েন্ট দুবাই’’! মমতার বিদেশ সফর নিয়ে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    বিচারপতি ঘোষ বলেন, “ইসিআইআর খারিজের মূল মামলায় অভিষেক এবং ইডির বক্তব্যের লিখিত আকারে খুশি (ED on Abhishek Banerjee) নয় আদালত। ১৯ সেপ্টেম্বর নতুন করে লিখিত আকারে বক্তব্য পেশ করতে হবে।” অভিষেকের আইনজীবীর উদ্দেশে তিনি বলেন,  “আপনি এমন কিছু নির্দেশনামার উল্লেখ করেছেন যা আপনার বিপক্ষে যেতে পারে। আপনি মুখে যা বলেছেন এবং লিখিত আকারে যা জমা দিয়েছেন তার মধ্যে বেশ কিছু অসঙ্গতি রয়েছে। অনেক বক্তব্য লিখিত আকারে দেননি।” এদিন রিপোর্ট জমা দিল সিএফএসএল। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে  ১৯ সেপ্টেম্বর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Manik Bhattacharya: পার্থর মতো স্কুল রয়েছে মানিকেরও! হাইকোর্টে বিস্ফোরক দাবি ইডির

    Manik Bhattacharya: পার্থর মতো স্কুল রয়েছে মানিকেরও! হাইকোর্টে বিস্ফোরক দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের স্কুলের হদিশ মিলেছিল। এবার প্রাক্তন পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যেরও (Manik Bhattacharya) স্কুলের সন্ধান পেলেন ইডি আধিকারিকরা। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে এমনই দাবি করল ইডি। মানিককে আদালতে হাজির করানোর অনুমিতও চেয়েছিলেন তাঁর আইনজীবী। যদিও বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, আপাতত এর প্রয়োজন নেই। প্রসঙ্গত, হাইকোর্টে শুনানির সময় কোনও অভিযুক্তকে নিয়ে আসা হয় না।

    মানিকেরও স্কুলের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে?

    আদালতে ইডির আইনজীবী বলেন, “আমরা একটা স্কুলের সন্ধান পেয়েছি। পার্থর মতো মানিকেরও স্কুলের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।” মানিকের আইনজীবী অবশ্য জানান, যে স্কুলের কথা বলা হচ্ছে, সেটি সরকারি স্কুল এবং তা একশো বছরের পুরনো। মানিকের মালিকানাধীন কোনও বেসরকারি স্কুল নেই।

    নিয়োগ দুর্নীতির ‘কিংপিন’

    এর আগে মানিককে (Manik Bhattacharya) নিয়োগ দুর্নীতির ‘কিংপিন’ বলে আদালতে দাবি করেছিল ইডি। একাধিকবার জামিনের আবেদন জানানো হলেও, তা খারিজ করে দিয়েছে আদালত। ইডির তদন্ত নিয়ে এদিনও অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি ঘোষ। ইডির আইনজীবীর উদ্দেশে তাঁর প্রশ্ন, “দু সপ্তাহ সময় চাওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে কী করেছেন?” ২৭ সেপ্টেম্বর হবে এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী বাবলি চট্টোপাধ্যায়ের নামে পিংলায় রয়েছে বিসিএম ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। খিরিন্দা মৌজায় সাড়ে তিন একর জমিতে ওই ইংরেজি মাধ্যম স্কুলটি রয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, পার্থের জামাই কল্যাণময় ভট্টাচার্য তাঁর মামার কাছ থেকে জমি লিজ নিয়ে স্কুলটি করেছিলেন। পার্থ নিজেও দু’ বার গিয়েছিলেন স্কুলটিতে। ইডির দাবি, এরকম একটি স্কুল রয়েছে মানিকেরও।

    আরও পড়ুুন: ফ্ল্যাট প্রতারণাকাণ্ডে তলব পেয়ে ফাইল হাতে ইডি দফতরে নুসরত জাহান, কী তথ্য পেশ?

    এদিকে, এদিন বিচারপতি ঘোষের এজলাসে শুনানি হয়নি মানিক (Manik Bhattacharya) ও তাঁর ছেলে সৌভিকের জামিনের আবেদনের। অগাস্টে মানিকের স্ত্রী শতরূপা ভট্টাচার্যকে নিয়োগ মামলায় জামিন দেয় আদলত। তার পর থেকেই বিচারপতি ঘোষের এজলাসে জামিনের আবেদন করতে শুরু করেন নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় অভিযুক্তরা। এই তালিকায় পার্থর পাশাপাশি রয়েছেন মানিক ও তাঁর পুত্র সৌভিকও। ২৭ সেপ্টেম্বর হবে এই মামলার শুনানি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nusrat Jahan: ফ্ল্যাট প্রতারণাকাণ্ডে তলব পেয়ে ফাইল হাতে ইডি দফতরে নুসরত জাহান, কী তথ্য পেশ?

    Nusrat Jahan: ফ্ল্যাট প্রতারণাকাণ্ডে তলব পেয়ে ফাইল হাতে ইডি দফতরে নুসরত জাহান, কী তথ্য পেশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্ল্যাট প্রতারণাকাণ্ডে ইডির মুখোমুখি তৃণমূল (TMC) নেত্রী নুসরত জাহান (Nusrat Jahan)। মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১১টা নাগাদ সল্টলেকে ইডির দফতরে নথি হাতে পৌঁছন তৃণমূলের অভিনেত্রী-সাংসদ। এদিন ১১টায় তাঁকে তলব করেছিল ইডি। তৃণমূল নেত্রী এলেন মিনিট ১৫ আগেই।

    নুসরতকে কেন তলব?

    গড়িয়াহাটের রিয়েল এস্টেট সংস্থা ‘সেভেন সেন্সেস ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রাইভেট লিমিটেডে’র বিরুদ্ধে অভিযোগ, ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে তারা ৫০০ জন প্রবীণ ব্যক্তির কাছ থেকে ২৪ কোটি টাকা তুলেছে। তার পর দীর্ঘ দিন কেটে গেলেও, ফ্ল্যাট দেওয়া হয়নি তাঁদের। দু’ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই সংস্থার ডিরেক্টর ছিলেন তৃণমূল নেত্রী নুসরত (Nusrat Jahan)। ঘাসফুল চিহ্নে জয়ী হয়ে তিনি হয়েছেন সাংসদ। এই নুসরতের নামেই ইডির দফতরে অভিযোগ জানান প্রতারিতদের কয়েকজন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তলব করা হয় তৃণমূলের তারকা-নেত্রীকে।

    হাজিরা এড়িয়েছেন রাকেশ, কে তিনি?

    তৃণমূল নেত্রীর আগে তলব করা হয়েছিল ওই সংস্থার অন্যতম ডিরেক্টর রাকেশ সিংহকেও। তবে শারীরিক অসুস্থতা ও নথি জোগাড়ে সময় চেয়ে হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন রাকেশ। মঙ্গলবার হাজির হয়েছেন নুসরত। বুধবার তলব করা হয়েছিল ওই সংস্থার আর এক ডিরেক্টর রূপলেখা মিত্রকেও। নথি জোগাড়ে সময় চেয়েছেন তিনিও। তৃণমূল নেত্রী নুসরতকে কী কী প্রশ্ন করা হবে, আগে থেকেই তা প্রস্তুত করে রেখেছিলেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুুন: ‘কনভয়ের গতিবিধির ওপর নজরদারি করছে রাজ্য’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    জানা গিয়েছে, তৃণমূল নেত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হবে ‘সেভেন সেন্সেস ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রাইভেট লিমিটেডে’র সঙ্গে তিনি কীভাবে যুক্ত, সংস্থায় কোন কোন বিষয় দেখতেন তিনি। এর পাশাপাশি জানতে চাওয়া হবে সংস্থার ডিরেক্টর হিসেবে তিনি কি দায়িত্বে ছিলেন, ফ্ল্যাট তৈরির চুক্তি সংক্রান্ত তথ্য তাঁর জানা ছিল কিনা। নুসরত (Nusrat Jahan) এই প্রশ্নগুলির কী উত্তর দেন, তা দেখেই করা হবে পরবর্তী প্রশ্ন।

    এদিকে, সোমবারও আলিপুরের জজ কোর্টে হাজির হননি নুসরত। আর্থিক প্রতারণার মামলায় অভিযুক্ত নুসরতের এদিন আদালতে উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। যদিও হাজিরা এড়িয়ে যান তৃণমূল নেত্রী। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ৪ ডিসেম্বর। সেদিন তাঁকে সশরীরে আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেন বিচারক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • ED Notice: ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে প্রতারণা! নুসরতের সঙ্গে আরও এক অভিনেত্রীকে তলব ইডির 

    ED Notice: ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে প্রতারণা! নুসরতের সঙ্গে আরও এক অভিনেত্রীকে তলব ইডির 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্ল্যাট বিক্রির নামে প্রতারণা মামলায় এবার অভিনেত্রী রূপলেখা মিত্রকে তলব করল ইডি। মামলায় আগেই নাম জড়িয়েছিল টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তথা তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহানের। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, যে কোম্পানির মাথায় ছিলেন রাকেশ সিং এবং নুসরত জাহান, ওই কোম্পানির ডিরেক্টর পদে ছিলেন রূপলেখাও। তদন্তকারীদের দাবি, ওই কোম্পানি বাজার থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা তুলে নয়ছয় করেছে। 

    কে এই রূপলেখা

    বুধবার রূপলেখাকে তলব করেছে ইডি। রূপলেখা জানিয়েছেন, নোটিস হাতে পেলে তিনি ইডির মুখোমুখি হবেন। সূত্রের খবর, যে সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, সেই সংস্থার ডিরেক্টর পদে ছিলেন রূপলেখা। ইন্ডাস্ট্রিতে খুব বেশি নাম না করলেও টলিপাড়ায় একাধিক ছবিতে ছোটখাটো চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল রূপলেখাকে। ‘ইচ্ছে’ এবং ‘কলি’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন তিনি। তা ছাড়া ওড়িয়া ছবিতেও দেখা গিয়েছিল তাঁকে।

    কী অভিযোগ

    ফ্ল্যাট দুর্নীতি মামলায় নিয়ে রীতিমতো তোলপাড় রাজনৈতিক মহল। প্রথম বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পাণ্ডা এই নিয়ে সরব হয়েছিলেন। নুসরতের বিরদ্ধে মুখ খুলেছিলেন তিনি। শঙ্কুদেব পণ্ডার অভিযোগ ছিল, “প্রবীণদের অর্থ নিয়ে চিটিংবাজি চলছে। তাঁদের পয়সা নিয়ে ফ্ল্যাট কেনা হচ্ছে। অন্যদিকে, যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন নুসরত জাহান। নায়িকা তথা সাংসদ বলেন, “আমি দিনভর কাজে ব্যস্ত থাকি। কলকাতায় এসে যদি জানতে পারি এই ধরনের কোনও নোটিশ এসেছে সেক্ষেত্রে অবশ্যই যাবতীয় পদক্ষেপ করব।” পাশাপাশি তাঁকে ডাকা হলে তিনি অবশ্যই যাবেন বলে জানান এই তারকা সাংসদ।

    আরও পড়ুন: ‘সংবিধান বলছে যা ইন্ডিয়া, তাই ভারত’! নাম-বিতর্কে মন্তব্য বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের

    নুসরত স্পষ্ট জানান, সংশ্লিষ্ট সংস্থার থেকে তিনি ঋণ বাবদ কিছু টাকা নিলেও তা সুদ সমেত ফেরত দিয়েছেন। তাঁর কাছে যাবতীয় নথি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এই সংস্থার ডিরেক্টরের দায়িত্বে থাকা রাকেশ সিংকে তলব করেছে এই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এরই মধ্যে নতুন করে এক অভিনেত্রীর নাম সামনে আসায় শোরগোল পড়েছে। বেলঘরিয়ার রূপলেখার ফ্ল্যাট আছে একটি। সেখান থেকে সংবাদমাধ্যমকে রূপলেখা জানিয়েছেন, বর্তমানে তিনি এবং রাকেশ অন্য একটি সংস্থার ডিরেক্টর। ওই সংস্থার সঙ্গে তাঁদের আর কোনও সম্পর্ক নেই।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Moloy Ghatak: ২৪-ঘণ্টার নোটিশে কলকাতাতেই মলয় ঘটককে জেরা! নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের 

    Moloy Ghatak: ২৪-ঘণ্টার নোটিশে কলকাতাতেই মলয় ঘটককে জেরা! নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৪-ঘণ্টার নোটিশে কলকাতাতেই রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে জেরা করতে পারবে ইডি। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)। কয়লা পাচার মামলায় নাম জড়িয়েছে আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের। এর আগে একাধিকবার আইনমন্ত্রীকে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। এমনকী, জুনের ২৬ তারিখেও তাঁকে দিল্লিতে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ১২ বার হাজিরা এড়িয়ে গেছেন তিনি। 

    ২৪ ঘণ্টার নোটিশেই জেরা

    আদালতের নির্দেশ, কোনও মামলায় জেরার প্রয়োজন হলে কলকাতায় গিয়ে আইনমন্ত্রীকে জেরা করতে পারবেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কর্তারা। তবে ২৪ ঘণ্টার নোটিশেই এই জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে। এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে কলকাতা থেকে আসানসোলে মলয়ের একাধিক ঠিকানায় হানা দেয় সিবিআই। কয়লা মামলার তদন্ত সূত্রে মলয়ের আসানসোলের বর্তমান বাড়ি, পৈতৃক বাড়িতে বিরাট অভিযান চালিয়েছিল সিবিআই। এমনকী রাজভবনের মন্ত্রী কোয়ার্টারের যে ফ্লোরে মলয় থাকেন সেখানেও হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বেশ কয়েক জন ইসিএল আধিকারিকের গ্রেফতারির পর মলয়ের বিরুদ্ধে কয়লা পাচার কাণ্ড মামলার তদন্তে নামে সিবিআই। মলয় আদতে আসানসোলের বাসিন্দা এবং আসানসোল উত্তর কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়কও তিনি। এরপর বিষয়টি নিয়ে মলয় সুপ্রিম কোর্টে যান। শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, বাংলার আইনমন্ত্রীকে অন্তত ১৫ দিনের সময় দিয়ে ডাকতে হবে। তবে, এবার দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশে ২৪ ঘণ্টার নোটিশেই মলয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীর ‘এক দেশ এক নির্বাচন’-এর সুরে গলা মেলালেন পিকেও, এ কীসের ইঙ্গিত?

     মামলা খারিজ সম্ভব নয়

    সূত্রের খবর, ইডির বহু বার তলবের পরেও দিল্লি যাননি মলয়। এর পর ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মলয়। সেই মামলার প্রক্ষিতে এদিন বিচারপতি দীনেশকুমার শর্মা এই নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে চিকিৎসককে সঙ্গে নিয়ে ই়ডি দফতরে যেতে পারবেন মলয়। কয়লা পাচারকাণ্ডে ইডি ইসিআইআর (ইডির মামলা) করেছিল। ওই ইসিআইআর খারিজের আবেদন জানিয়েছিলেন মলয়। মঙ্গলবার সেই আবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্ট জানিয়েছে, মামলা খারিজ সম্ভব নয়। সম্প্রতি রাজ্য বিধানসভায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন মন্ত্রী মলয়। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। সেই কথা মাথায় রেখেই আদালত জানিয়েছে, চিকিৎসককে সঙ্গে নিয়ে ইডি দফতরে যেতে পারবেন মলয়। এই মামলায় শুনানির পরবর্তী দিন ৭ ফেব্রুয়ারি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED: ফ্ল্যাট কেলেঙ্কারি মামলায় এবার ইডির তলব নুসরতকে, আরও বিপাকে তৃণমূল

    ED: ফ্ল্যাট কেলেঙ্কারি মামলায় এবার ইডির তলব নুসরতকে, আরও বিপাকে তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বসিরহাটের সাংসদ তৃণমূলের (TMC) নুসরত জাহানকে তলব করল ইডি (ED)। ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার মামলায় তৃণমূলের এই নেত্রীকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আগামী মঙ্গলবার হাজির হতে বলা হয়েছে তাঁকে। নুসরতের সঙ্গে সঙ্গে তলব করা হয়েছে সেভেন সেন্সেস ইনফ্রাস্ট্রাকচারের আর এক ডিরেক্টর রাকেশ সিংহকেও। তাঁকেও হাজিরা দিতে হবে মঙ্গলবার।

    প্রতারণার অভিযোগ

    প্রবীণ নাগরিকদের ফ্ল্যাট বিক্রি করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠেছিল সেভেন সেন্সেস ইনফ্রাস্ট্রাকচারের বিরুদ্ধে। ২০১৪-’১৫ সালে ৪০০-রও বেশি প্রবীণ নাগরিক ওই সংস্থায় সাড়ে ৫ লক্ষ করে টাকা দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল তাঁদের প্রত্যেককে এক হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাট দেওয়া হবে। অভিযোগ, তাঁরা ফ্ল্যাট পাননি, ফেরত পাননি টাকাও। ইডি সূত্রে খবর, সংস্থার বিরুদ্ধে যখন প্রতারণার অভিযোগ ওঠে, তখন অন্যতম ডিরেক্টর পদে ছিলেন তৃণমূল নেত্রী নুসরত। সেই কারণেই নুসরতকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি। ইডির তরফে এ নিয়ে পৃথক একটি ইসিআইআর (ECIR) দায়ের করা হতে পারে।

    আত্মবিশ্বাসী ছিলেন নুসরত

    নুসরতের বিরুদ্ধে আদালতে দায়ের হয়েছিল মামলা। বিজেপির অভিযোগ, শমন পেয়েও হাজিরা দেননি তৃণমূলের তারকা নেত্রী। প্রতারণার টাকায় নুসরত পাম অ্যাভেনিউয়ে ফ্ল্যাট কেনেন বলেও অভিযোগ। ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে প্রতারণার এই মামলায় ইডি (ED) তাঁকে ডাকবে না বলেই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন নুসরত। এক পার্টিতে অভিনেতা যশ দাশগুপ্তের পাশে দাঁড়িয়ে সে কথা জোর দিয়ে জানিয়েওছিলেন তৃণমূল নেত্রী। নিয়োগ কেলেঙ্কারির একটি মামলার সূত্রে এর আগে যুব তৃণমূলের সভানেত্রী সায়নী ঘোষকে কিছু দিন আগে তলব করেছিল ইডি। এবার ডাক পড়ল তৃণমূলের আরও এক নেত্রীর। যার জেরে যথেষ্ট বিব্রত রাজ্যের শাসক দল।

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীর ‘এক দেশ এক নির্বাচন’-এর সুরে গলা মেলালেন পিকেও, এ কীসের ইঙ্গিত?

    অভিযোগ ওঠার পরে পরেই সাংবাদিক সম্মেলনে নুসরত বলেছিলেন, “আমি দুর্নীতির সঙ্গে কোনওভাবেই জড়িত নই। বলা হচ্ছে, আমি দুর্নীতির টাকা নিয়ে নিজের বাড়ি কিনেছি, এই অভিযোগ মিথ্যে। আমি ওই সংস্থা থেকে একটি ঋণ নিয়েছিলাম। সুদ সমেত সেই ঋণ শোধ করে দিয়েছি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • ED: ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের কেওয়াইসি কার নামে? জানতে চাইছে ইডি

    ED: ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের কেওয়াইসি কার নামে? জানতে চাইছে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর নামে রয়েছে পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। এই অ্যাকাউন্টগুলি কার নামে নথিপত্র জমা দিয়ে খোলা হয়েছিল, তা জানতে চাইছে ইডি (ED)। ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ কী ধরণের কাজ করত, তাও জানার চেষ্টা করছেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’ হানা 

    সোমবার সকালে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর নিউ আলিপুরের অফিসে যান ইডির তদন্তকারীরা। তল্লাশি চলে ১৮ ঘণ্টা ধরে। ইডি সূত্রে খবর, তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর নথি ও কয়েকটি হার্ড ডিস্ক। সেগুলিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে বলে মনে করছে ইডি। তদন্তকারীরা জেনেছেন, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর নামে যে পাঁচটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে, সেগুলিতে লেনদেন হচ্ছে ২০১২ সাল থেকে। এই অ্যাকাউন্টগুলি কার নামে খোলা হয়েছিল, তা জানতে ব্যাঙ্কগুলির কাছ থেকে যাবতীয় নথি চেয়ে পাঠিয়েছেন তদন্তকারীরা। ওই অ্যাকাউন্টগুলির কেওয়াইসি কার নামে রয়েছে, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে (ED)।

    সিইও পদে কারা

    শুধু তাই নয়, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর সিইও পদে কারা, কোন সময় ছিলেন, তাও খতিয়ে দেখছেন ইডির তদন্তকারীরা। সংস্থার কাজকর্মে তাঁদের কী ভূমিকা ছিল, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে, বুধবার এক প্রেস বিবৃতিতে ইডি জানিয়েছে, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংস্থার সিইও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ইডির দাবি, ২০১২ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র ডিরেক্টর ছিলেন অভিষেক।

    ইডির (ED) দাবি, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর মাধ্যমে নিয়োগ কেলেঙ্কারির কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। নির্মাণ সংস্থা মার্লিন গ্রুপকে অ্যালুমিনিয়ামের জানালা বিক্রি করে পাওয়া কাটমানিও জমা পড়েছে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র অ্যাকাউন্টে। ইডি সূত্রে খবর, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর অফিস থেকে উদ্ধার হওয়া হার্ড ডিস্ক ফরেনসিক তদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে সিএফএসএলে। সেগুলি থেকে গুরুত্বপূর্ণ বহু তথ্য মিলতে পারে বলে অনুমান তদন্তকারী আধিকারিকদের।

    আরও পড়ুুন: গ্রিসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছে ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে। বর্তমানে জেলে রয়েছেন তিনি। এই ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনিও। ‘কাকু’র সঙ্গে আর কোন কোন রাঘব-বোয়াল ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন, তা-ই জানতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Money Siphoning Case: ৫০ কোটির ‘তছরুপ’! সমবায় সমিতির দুর্নীতির তদন্তেও ইডি-সিবিআই

    Money Siphoning Case: ৫০ কোটির ‘তছরুপ’! সমবায় সমিতির দুর্নীতির তদন্তেও ইডি-সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের (Money Siphoning Case) অভিযোগ উঠেছিল উত্তরবঙ্গের ‘আলিপুরদুয়ার মহিলা ঋণদান সমবায় সমিতি’র বিরুদ্ধে। বছর তিনেক ধরে আর্থিক তছরুপের তদন্ত করছিল সিআইডি। সিআইডির তদন্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে আর্থিক তছরুপের তদন্তভার ইডি এবং সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ১২ অক্টোবর ওই দুই সংস্থাকে তদন্তের রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশও দেন তিনি।

    টাকা তছরুপের অভিযোগ

    আলিপুরদুয়ার শহরের নিউটাউন এলাকায় রয়েছে ‘আলিপুরদুয়ার মহিলা ঋণদান সমবায় সমিতি’। এই সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ, বাজার থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা তুলেছিলেন (Money Siphoning Case) সমিতির সঙ্গে জড়িত লোকজন। পরে আর তা ফেরত দেননি বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও, আমানতকারীদের টাকা কারা কারা ধার নিয়েছে, কত টাকা উদ্ধার করা হয়েছে, তার কোনও তালিকাই প্রস্তুত করতে পারেনি সিআইডি। প্রয়োজনীয় কোনও তথ্যও জোগাড় করতে পারেনি সিআইডি। প্রত্যাশিতভাবেই কিনারা হয়নি তদন্তের। টাকাও ফেরত পাননি আমানতকারীরা। বছর তিনেক ধরে তদন্ত করে মাত্র ৬ জনকে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা।

    তছরুপ হয়েছে ৫০ কোটি টাকা

    বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। কল্পনা দাস সরকার নামে এক মামলাকারীর অভিযোগ, ‘আলিপুরদুয়ার মহিলা ঋণদান সমবায় সমিতি’তে ২১ হাজার ১৬৩ জন টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। তাঁর দাবি, সব আমানতকারীর আমানতের পরিমাণ ৫০ কোটি টাকা। টাকা জমা দেওয়ার সময় সমিতি জানিয়েছিল, ওই টাকা বাজারে ঋণ হিসেবে খাটানো হবে। টাকা ফেরত পাওয়ার সময় হলে বিনিয়োগকারীরা জানতে পারেন, সমিতিই ‘বিলুপ্ত’ হয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুুন: “ধর্ষকদের এনকাউন্টার করা হোক”! শিলিগুড়ির ঘটনা প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

    এদিন সিআইডিকে ভর্ৎসনা করে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “এই আর্থিক তছরুপের (Money Siphoning Case) ঘটনায় বিরাট প্রতারণা চক্র কাজ করেছে। প্রায় তিন বছর ধরে তদন্ত করার পরেও সিআইডি এই তদন্তের কিনারা করতে ব্যর্থ হয়েছে।” তিনি বলেন, “সিআইডির হাত থেকে তদন্তের ভার সিবিআই ও ইডিকে দেওয়া হচ্ছে। ২৫ অগাস্ট থেকেই এই দুই সংস্থা তদন্ত শুরু করে দেবে। তদন্তের স্বার্থে কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ করা এবং প্রয়োজনে হেফাজতে নেওয়ার ব্যাপারেও তাদের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকবে। সিআইডির আর তদন্ত করার কোনও প্রয়োজন নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share