Tag: ED

ED

  • SSC Scam: অর্পিতার ৩১টি পলিসির জন্য দেড় কোটি টাকা প্রিমিয়াম দিতেন পার্থ! চার্জশিটে দাবি ইডির

    SSC Scam: অর্পিতার ৩১টি পলিসির জন্য দেড় কোটি টাকা প্রিমিয়াম দিতেন পার্থ! চার্জশিটে দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ও  অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee)বিরুদ্ধে ১৭২ পাতার চার্জশিট জমা দিল ইডি৷ সোমবার ব্যাঙ্কশাল কোর্টে পার্থ ও অর্পিতার বিরুদ্ধে প্রথম চার্জশিট পেশ করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ৫৮ দিনের মাথায় পেশ করা ইডির চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে,অর্পিতার ৩১টি জীবনবিমার রয়েছে। জানা গিয়েছে, চার্জশিটে যে জীবনবিমার উল্লেখ করা হয়েছে তার বার্ষিক প্রিমিয়াম দেড় কোটি টাকা। বেশিরভাগ প্রিমিয়ামই ৫০ হাজার টাকার এবং কয়েকটির প্রিমিয়াম ৪৫ হাজার টাকা। সেগুলোর অধিকাংশেরই নমিনি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। প্রিমিয়ামের টাকাও দিতেন তিনিই। 

    আরও পড়ুন: সুবীরেশের গ্রেফতারির পরই উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে পোড়ানো হচ্ছে ‘নথি’! ভিডিও প্রকাশ সুকান্তর

    ইডি সূত্রে খবর,  জেরায় পার্থ তাঁর সঙ্গে অর্পিতার ঘনিষ্ঠতার কথা অস্বীকার করেছিলেন৷ কিন্তু এই এলআইসি পলিসিগুলি অন্য কথা বলছে। এই পলিসিগুলি পার্থ-অর্পিতার ঘনিষ্ঠতা প্রমাণ। চার্জশিটে ইডি উল্লেখ করেছে,পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মোবাইল থেকেই অধিকাংশ তথ্য পেয়েছে তাঁরা৷ সেই তথ্য মিলিয়ে দেখা হয়েছে পার্থর ব্যাংকের লেনদেনের সঙ্গেও৷ ইডি জানিয়েছে, পার্থ এবং অর্পিতার ১০৩ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে তারা৷ 

    আরও পড়ুন: একে অপরকে দিচ্ছেন দোষ, নিজামে পার্থ-সুবীরেশদের একসঙ্গে বসিয়ে জেরা করতে পারে সিবিআই

    ইডির দাবি, অর্পিতার বেলঘরিয়ার ক্লাব টাউন ও টালিগঞ্জের ডায়মন্ড সিটির ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া কোটি কোটি টাকার মালিক পার্থ চট্টোপাধ্যায়। জেরায় ইডির কাছে এ কথা স্বীকার করেছে অর্পিতা। ইডি-কে একটি লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে অর্পিতা জানিয়েছেন, ‘আমার ও মায়ের নিরাপত্তার কথা ভেবে এতদিন সব তথ্য গোপন করেছিলাম। সব টাকা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। টাকার উৎস বলতে পারবেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ই।’ অন্যদিকে গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদে পার্থবাবু সব দায় চাপিয়েছেন দফতরের আধিকারিকদের ঘাড়ে। তাঁর কথায়, নিয়োগ প্রক্রিয়া দেখতেন শিক্ষা দফতর। তিনি শুধু সই করে দিতেন। তাঁর ভূমিকা ছিল খুবই সীমিত। তিনি আধিকারিকদের উপর ভরসা রেখেছিলেন। তাহলে প্রশ্ন এত টাকা এল কোথা থেকে? 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Partha Manik Connection: ‘মানিক ইজ টেকিং মানি…’, অভিযোগ পেয়েও চেপে গিয়েছিলেন পার্থ! দাবি ইডির

    Partha Manik Connection: ‘মানিক ইজ টেকিং মানি…’, অভিযোগ পেয়েও চেপে গিয়েছিলেন পার্থ! দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে (SSC Recruitment Scam) আরও জড়িয়ে গেলেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) এবং পলাশিপাড়ার বিধায়ক তথা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাচার্য (Manik Bhattacharya)। পার্থ এবং মানিকের মেসেজ চালাচালির হদিশ পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (ED)। তার পরেই ঝুলি থেকে বেরিয়ে এসেছে বেড়াল!

    পার্থের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট পেশ করেছে ইডি। সেখানেই উল্লেখ করা হয়েছে কয়েকটি মেসেজের। তার একটি হল, এক ব্যক্তি পার্থকে লিখেছেন, দাদা মানিক ভট্টাচার্য ইজ টেকিং মানি যা তা ভাবে। কোভিডের সময় প্রাইভেট কলেজগুলো থেকে ছাত্র পিছু ও ৫০০ টাকা করে নিয়েছে। ছাত্ররা দিতে না পারলে কলেজকে ধমকি দিয়েছে, তাদের হয়রান করছে। নদিয়ায় টেটের ইন্টারভিউ শেষ হয়েছে। কিন্তু ও চেয়ারম্যানকে বলেছে, ফাঁকা সাইন করা ডকুমেন্ট মাস্টার শিট জমা দিতে। ইন্টারভিউয়ের কোনও নম্বর লিখতে বারণ করছে। আবার ও টাকা নিয়ে করবে। আবার কেস হবে। আবার পার্টি খাস্তা হবে। প্লিজ এটা দেখুন। লাভ। ইডির দাবি, পরে এই মেসেজটি পার্থ রি-ফরোয়ার্ড করেন।

    আরও পড়ুন : পার্থ-অর্পিতার ১০৩ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত! এসএসসি মামলায় চার্জশিট পেশ ইডি-র

    শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারির তদন্তে নেমে ২৩ জুলাই পার্থকে গ্রেফতার করে ইডি। মানিককে গ্রেফতার করা না হলেও, তাঁকে ইতিমধ্যেই জেরা করেছেন তদন্তকারীরা। তার পরেই উঠে আসছে পার্থ-মানিক মেসেজ চালাচালির কথা। আদালতে পেশ করা চার্জশিটে এরকম কয়েকটি মেসেজের উল্লেখ করেছে ইডি। চার্জশিটে ইডির তদন্তকারীরা বলেছেন, ২০২০ সালের ১২ ডিসেম্বর পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে একটি মেসেজ পাঠান মানিক। পলাশিপাড়ার বিধায়ক লেখেন, দশ মিনিট দিস, কাল বাড়ি যাব। মেসেজ পেয়ে পার্থ লেখেন ওকে। ২০২১ সালের ১০ জানুয়ারি পার্থকে অন্য একটি মেসেজে মানিক লেখেন, ইন্টারভিড স্টার্টেড অল ওভার দ্য স্টেট। পার্থ লেখেন টিকেএস। তদন্তকারীদের দাবি, টিকেএস লিখে মানিককে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন পার্থ।

    জনৈক ব্যক্তি মানিক সম্পর্কে পার্থকে সতর্ক করে দিলেও রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী কোনও ব্যবস্থা নেননি বলে অভিযোগ। উল্টে তিনি মেসেজটি ফরওয়ার্ড করে দেন বলে ইডির দাবি। এদিকে, নিয়ম অনুযায়ী, গ্রেফতারির ৬০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হয় চার্জশিট। এক্ষেত্রে গ্রেফতারির ৫৮ দিনের মাথায় পার্থ ও তাঁর ঘনিষ্ট অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিল ইডি। ব্যাংকশাল কোর্টে বিশেষ সিবিআই আদালতে এই চার্জশিট জমা দিয়েছে ইডি। তার পরেই প্রকাশ্যে এসেছে মেসেজের খবর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • SSC Scam: রাজসাক্ষী হচ্ছেন অর্পিতা! চার্জশিটে কী বলল ইডি?

    SSC Scam: রাজসাক্ষী হচ্ছেন অর্পিতা! চার্জশিটে কী বলল ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (SSC Scam) রাজসাক্ষী হতে চাইলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee)। সোমবার সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে পেশ করা চার্জশিটে এই দাবি করেছে ইডি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) সূত্রে খবর,তদন্তকারী আধিকারিকরা আলিপুর মহিলা সংশোধনাগারে অর্পিতাকে জেরা করতে যান। সেখানেই এই তথ্য পেয়েছেন তাঁরা। অর্পিতার এই আর্জি যদি ইডি মেনে নেয় তাহলে তদন্তে নয়া মোড় আসতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। জানা যেতে পারে কোটি কোটি টাকার উৎসও। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তাই যতই বলুন, যে তিনি শুধু স্বাক্ষর করেছেন, তাঁর দফতরের কর্মীরা বিষয়টি জানেন, তা আদপে ভুল প্রমাণিত হচ্ছে। অর্পিতার বয়ান যদি সত্যি হয় তাহলে কোটি টাকার উৎস সম্পর্কে বিশদে বলতে পারবেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীই। এমনই অভিমত বিশেষজ্ঞদের।

    আরও পড়ুন: অর্পিতার ৩১টি পলিসির জন্য দেড় কোটি টাকা প্রিমিয়াম দিতেন পার্থ! চার্জশিটে দাবি ইডির

    ইডি চার্জশিটে জানিয়েছে, পার্থের স্ত্রী বাবলি চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পরে বিভিন্ন কোম্পানিতে বাবলির শেয়ার অর্পিতার নামে হস্তান্তর করা হয়েছিল। পার্থ-ঘনিষ্ঠ এক হিসাবরক্ষক অর্পিতাকে চাপ দিয়ে ওই শেয়ার হস্তান্তর করার বিষয়ে সম্মতি আদায় করেছিলেন, বলে লিখিত বয়ানে জানিয়েছেন অর্পিতা। ওই হিসাবরক্ষক তাঁকে বলেছিলেন, ‘পার্থের মেয়ে বিদেশে আছেন। কলকাতায় ফিরলে ওই শেয়ার তাঁর নামে ফেরত দেওয়া হবে। আপাতত অর্পিতার নামে হস্তান্তর করা হচ্ছে।’

    আরও পড়ুন: একে অপরকে দিচ্ছেন দোষ, নিজামে পার্থ-সুবীরেশদের একসঙ্গে বসিয়ে জেরা করতে পারে সিবিআই

    অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট থেকে নগদ প্রায় ৪৯.৮০ কোটি টাকা এবং পাঁচ কোটি টাকার গয়না মিলেছিল। এই বিষয়ে অর্পিতা জানিয়েছেন, এগুলি সবই পার্থের। নেপাল, তাইল্যান্ড, বাংলাদেশ, সিঙ্গাপুর, হংকং, মালয়েশিয়া এবং আমেরিকার প্রচুর মুদ্রাও মিলেছিল অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে। যা নানা সময়ে নানা ব্যক্তি এসে রেখে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন অর্পিতা। তিনি এই টাকা-পয়সার উৎস সম্পর্কে কিছুই জানেন না যা জানেন প্রাক্তন মন্ত্রীই জানেন, বলে দাবি অর্পিতার। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • PFI: পিএফআই-এর বিরুদ্ধে বাংলা সহ ১০ রাজ্যে ইডি-এনআইএ যৌথ হানা, গ্রেফতার ১০০

    PFI: পিএফআই-এর বিরুদ্ধে বাংলা সহ ১০ রাজ্যে ইডি-এনআইএ যৌথ হানা, গ্রেফতার ১০০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্যে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (Popular Front Of India)-র বিরুদ্ধে যৌথভাবে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA) এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে শুরু হয়েছে অভিযান। রাজ্য পুলিশের সহযোগিতায় দুই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা উত্তরপ্রদেশ, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গানা, কর্নাটক এবং তামিলনাড়ু সহ দশটি রাজ্যে একযোগে অভিযানে নেমেছে।

    এখন অবধি ১০০ জনেরও বেশি শীর্ষস্থানীয় পিএফআই নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়ার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত এমন ব্যক্তিদেরই গ্রেফতার করা হয়েছে। গোয়েন্দাদের দাবি, অভিযুক্তরা সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপে আর্থিক সাহায্য করা, সন্ত্রাসবাদীদের জন্য ট্রেনিং ক্যাম্পের আয়োজন করা এবং সাধারণ মানুষদের এই নিষিদ্ধ সংগঠনে যোগ দেওয়ার জন্য মগজ ধোলাই করার মতো অসামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল।  কলকাতাতেও চলছে এনআইএ ও ইডি-র তল্লাশি অভিযান। গতকাল গভীর রাতে পার্ক সার্কাসে পিএফআই নেতা শেখ মোক্তারের বাড়িতে হানা দেয় এনআইএ। চলছে তল্লাশি। 

    আরও পড়ুন: অবশেষে এনআইএ-এর জালে মাওবাদী নেতা সম্রাট চক্রবর্তী, জানেন কীভাবে?  

    পিএফআই-র বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে অর্থ সাহায্য, প্রশিক্ষণ শিবির চালানো এবং এই নিষিদ্ধ সংগঠনে যোগদানের জন্য মৌলবাদী ধারণায় অন্যদের উদ্বুদ্ধ করার অভিযোগ রয়েছে। এখন পর্যন্ত পিএফআই-র বিরুদ্ধে এটাই সবচেয়ে বড় ক্র্যাকডাউন বলে দাবি করছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।      

    এদিন সকাল থেকেই তিলজলার অফিসে তল্লাশি চালাচ্ছেন এনআইএ গোয়েন্দারা। এর আগে ওই অফিসে তল্লাশি চালায় ইডি। ওই অফিস থেকে কীভাবে জঙ্গি কার্যকলাপ চালানো হত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ২০২০ সালে বেঙ্গালুরুর সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে পিএফআইয়ের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ। এছাড়া, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে উত্তরপ্রদেশে হিংসায় উস্কানি ও মদত দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। 

    আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদীদের খোঁজে দক্ষিণের দুই রাজ্যে ৩৮ জায়গায় তল্লাশি এনএইএ-র 

    পিএফআই এক বিবৃতিতে বলেছে, “পিএফআই-র জাতীয়, রাজ্য এবং স্থানীয় নেতাদের বাড়িতে অভিযান চালানো হচ্ছে। রাজ্য কমিটির অফিসেও অভিযান চালানো হচ্ছে। ভিন্নমতের কণ্ঠকে স্তব্ধ করার জন্য এজেন্সিগুলিকে ব্যবহার করার জন্য ফ্যাসিবাদী শাসনের পদক্ষেপের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি আমরা।”

    কেরলের মঞ্জেরিতে পিএফআই চেয়ারম্যান ও এম এ সালেমের (OMA Salam) বাড়িতেও সকাল থেকে অভিযান চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর কেরালাতেই ৫০-এর বেশি জায়গায় অভিযান চালাচ্ছে। 

    এর আগে অন্ধ্রপ্রদেশে এবং তেলাঙ্গানার প্রায় ৪০টি জায়গায় তল্লাশি চালায় এনআইএ। গ্রেফতার করা হয় পিএফআই-এর চার নেতাকে। সেই তল্লাশিতে বেশ কিছু নথি এবং ডিজিটাল ডিভাইস উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবারের গ্রেফতারির পরেই বৃহস্পতিবারের দেশজোড়া অভিযান।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Amit Malviya: কেন্দ্রীয় এজেন্সির অপব্যবহার মন্তব্যে মমতাকে মোক্ষম জবাব মালব্যর

    Amit Malviya: কেন্দ্রীয় এজেন্সির অপব্যবহার মন্তব্যে মমতাকে মোক্ষম জবাব মালব্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির (BJP) কোনও নেতা মায় প্রধানমন্ত্রীরও প্রয়োজন নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) শংসাপত্রের। এমনই জানিয়ে দিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্য (Amit Malviya)। সিবিআই (CBI) এবং ইডি (ED) এই দুই কেন্দ্রীয় সংস্থার যথেচ্ছ ব্যবহারের বিরুদ্ধে এক সময় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার তিনি এ ব্যাপারে ক্লিন চিট দেন প্রধানমন্ত্রীকে। যদিও তিনি এজন্য দোষারোপ করেন বিজেপি নেতৃত্বকে। তার প্রেক্ষিতেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্য জানিয়ে দেন বিজেপির কোনও নেতা মায় প্রধানমন্ত্রীরও প্রয়োজন নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শংসাপত্রের।

    রাজ্যে একাধিক কেলেঙ্কারির তদন্তের দায় বর্তেছে ইডি এবং সিবিআইয়ের ওপর। তদন্তে নেমে এই দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তার পরেই  একাধিকবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিরোধীদের দমাতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগে সোচ্চার হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তবে সোমবার এ ব্যাপারে তিনি ক্লিনচিট দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরাও দেশ ছেড়ে পালাচ্ছেন। তাঁরা পালাচ্ছেন ইডি এবং সিবিআইয়ের অপব্যবহারের ভয়ে। আমি মনে করি না যে মোদি এটা করেছেন। মমতা বলেন, আপনারা অনেকেই জানেন না যে সিবিআই প্রধানমন্ত্রীকে রিপোর্ট করে না। এরা রিপোর্ট করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে। মমতা বলেন, কিছু বিজেপি নেতা ষড়যন্ত্র করছে এবং তাঁরা প্রায়ই নিজাম প্যালেসে যাতায়াত করেন। প্রসঙ্গত, কলকাতায় সিবিআই দফতর রয়েছে এই নিজাম প্যালেসেই।

    আরও পড়ুন : কৃষিক্ষেত্রে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমাতে আসছে ‘প্রধানমন্ত্রী প্রণাম’ প্রকল্প

    মুখ্যমন্ত্রীর এই মোদি-স্তুতি ও বিজেপি নেতাদের দোষারোপ করাকেই নিশানা করেছেন পদ্ম নেতা অমিত মালব্য। ট্যুইট বার্তায় তিনি বলেন, বিজেপির কোনও নেতা মায় প্রধানমন্ত্রীরও প্রয়োজন নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শংসাপত্রের। তাঁর পুরো সরকার, পদস্থ মন্ত্রীরা, দলের ওপরতলার নেতারা এবং গোটা পরিবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার রাডারে রয়েছেন। কারণ আদালতের নির্দেশে চলছে তদন্ত। একের পর এক দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়েছে শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীর নাম। লুঠ হয়েছে গরিব মানুষের টাকা। এই লুঠ, এই দুর্নীতির জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে জবাবদিহি করতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • SSC Scam: বোনকে চাকরি, স্ত্রীর নামের শেয়ারও অর্পিতাকে দেন পার্থ! চার্জশিটে দাবি ইডির

    SSC Scam: বোনকে চাকরি, স্ত্রীর নামের শেয়ারও অর্পিতাকে দেন পার্থ! চার্জশিটে দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Recruitment Scam) মামলায় আরও বেকায়দায় রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। ইডির (ED) চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বোনকে চাকরি দিয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। অর্পিতার অনুরোধেই তাঁর চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন পার্থ। স্কুল শিক্ষা অধিকর্তার অফিসে চাকরি করেন তিনি। নাম সঙ্গীতা ধর। তাঁর আসল নাম সঙ্গীতা মুখোপাধ্যায়। বিয়ের পরে ধর হয়েছেন। ইডির দাবি, জেরায় সঙ্গীতাকে চাকরি দেওয়ার বিষয়টি স্বীকারও করে নিয়েছেন পার্থ। সঙ্গীতাকে অর্পিতার বোন হিসেবেই চিনতেন তিনি। স্ব-ক্ষমতাবলে তিনি সঙ্গীতার চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন বলেও জেরায় স্বীকার করেছেন অর্পিতা-ঘনিষ্ঠ পার্থ। 

    ইডির আরও দাবি, অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া প্রায় ৫০ কোটি টাকা পার্থের বলেও জেরায় স্বীকার করেছেন অর্পিতা। ওই টাকা রাখার জন্য অর্পিতা নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টও ব্যবহার করতে দিতেন পার্থকে। ইডি সূত্রে খবর, অর্পিতার মতো সঙ্গীতাও পার্থের অফিস, বাড়ি সম্পর্কে অনেক কিছুই জানতেন। ভুয়ো নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিষয়টিও সঙ্গীতা জানতেন। চার্জশিটে ইডির আরও দাবি, শিক্ষামন্ত্রী থাকাকালীন চাকরি বিক্রিতে যুক্ত ছিলেন পার্থ। কালো টাকা সাদা করার চেষ্টা করা হয় চারটি সংস্থাকে সামনে রেখে।

    আরও পড়ুন : পার্থ-অর্পিতার ১০৩ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত! এসএসসি মামলায় চার্জশিট পেশ ইডি-র

    অর্পিতার দাবি, তাঁর নামে যে অংশীদারি কোম্পানি খোলা হয়েছিল, সেই সংস্থায় অর্পিতার কোনও বিনিয়োগ ছিল না। তাঁর এও দাবি, অনন্ত টেক্সফ্যাব প্রাইভেট লিমিটেড নামে পার্থর কোম্পানির রেজিস্টার্ড অফিস যে তাঁর ক্লাবটাউনের ফ্ল্যাট, সেটাই জানা ছিল না তাঁর। অর্পিতার আরও দাবি, ওই সংস্থায় পার্থের স্ত্রী বাবলি চট্টোপাধ্যায়ের শেয়ার ছিল। বাবলি প্রয়াত হওয়ার পরে সেই শেয়ার তাঁর নামে হস্তান্তর করা হয়। চার্জশিটে ইডিও এও জানিয়েছে, অর্পিতা একটি ফর্মাল আবেদন করেছেন। এসব ব্যাপারে যে তাঁর দায় নেই, তা বিবেচনা করার আর্জি জানিয়েছেন তিনি। অর্পিতার এই আবেদন থেকেই কেউ কেউ মনে করছেন রাজসাক্ষী হতে চাইছেন অর্পিতা। তবে তিনি রাজসাক্ষী হবেন কিনা, তা বলবে সময়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • PFI: মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলাদেশ, মুসলিম অধ্যুষিত দেশগুলিতে রমরমা পিএফআইয়ের

    PFI: মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলাদেশ, মুসলিম অধ্যুষিত দেশগুলিতে রমরমা পিএফআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র ১৬ বছর। ইতিমধ্যেই কেবল ভারত (India) নয়, মুসলিম অধ্যুষিত দেশগুলিতে জাল বিস্তার করেছে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া, সংক্ষেপে পিএফআই (PFI)। বৃহস্পতিবারই দেশজুড়ে পিএফআই নেতা-কর্মীদের বাড়ি ও অফিসে চালানো হয়েছে তল্লাশি অভিযান। বাজেয়াপ্ত হয়েছে প্রচুর নথিপত্র এবং নগদ টাকা। তার পরেই উঠে আসছে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। গোয়েন্দাদের দাবি, ভারত ছাড়াও একাধিক মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্রে জাল বিস্তার করেছে পিএফআই।

    ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পরে তিনটি মুসলিম সংগঠন একত্রিত হয়ে তৈরি করা হয় পিএফআই। ২০০৬ সালে কেরলে গঠিত এই সংগঠনের নাম ছিল ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ফ্রন্ট। পরবর্তী কালে মানিথা নীতি পাসারাই, কর্নাটক ফোরাম ফর ডিগনিটি সহ তিনটি সংগঠন মিলিত হয়ে তৈরি হয় পিএফআই। দেশবিরোধী ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গেই যুক্ত ছিল এই সংগঠন। বিভিন্ন রাজ্যে এই সংগঠনের শাখাও রয়েছে।

    বৃহস্পতিবার গোটা দেশের ১৩টি রাজ্যে পিএফআইয়ের অফিসগুলিতে তল্লাশি চালায় এনআইএ (NIA) এবং ইডি (ED)। এই দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে সাহায্য করেছে বিভিন্ন রাজ্য পুলিশও। পিএফআইয়ের ৪৫ জন নেতা সহ গ্রেফতার করা হয়েছে প্রায় দুশোজনকে। সূত্রের খবর, উপসাগরীয় দেশগুলিতে পিএফআই তিনটি নামে সংগঠন চালায়। এগুলি হল ইন্ডিয়া ফ্র্যাটারনিটি ফোরাম (IFF), ইন্ডিয়ান সোশ্যাল ফোরাম (ISF) এবং রিহ্যাব ইন্ডিয়ান ফাউন্ডেশন (RIF)। বিদেশে ভারত বিরোধী নানা কাজে লিপ্ত এই সংগঠনগুলি।

    আরও পড়ুন : টার্গেট আরএসএস? সংঘের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি চালাত পিএফআই! চক্রান্ত ফাঁস

    জানা গিয়েছে, ইন্ডিয়া ফ্র্যাটারনিটি ফোরাম এবং ইন্ডিয়ান সোশ্যাল ফোরাম মধ্য প্রাচ্যে পোক্ত সংগঠন গড়ে তুলেছে। দেশবিরোধী কার্যকলাপ চালানোর জন্য অর্থ সংগ্রহ করছে তারা। জামাত-ই-ইসলামির ধর্মীয় কয়েকজন নেতা এবং পিআইএফ নেতারা প্রায়ই সংযুক্ত আরব আমিরশাহি পরিদর্শন করেন। কেবল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি নয়, ওমান, কাতার, কুয়েত, তুরস্ক, পাকিস্তান মায় বাংলাদেশেও জাল বিছিয়েছে পিএফআই। বাহরিন, শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপেও পা রেখেছে এই সংগঠন। পিএফআইয়ের এক ক্যাডারকে গ্রেফতার করা হয় লখনউ থেকে। তখনই জানা যায় বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ ভারতে বিস্ফোরণ ঘটানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • ED Chargesheet: পার্থ-অর্পিতার ১০৩ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত! এসএসসি মামলায় চার্জশিট পেশ ইডি-র

    ED Chargesheet: পার্থ-অর্পিতার ১০৩ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত! এসএসসি মামলায় চার্জশিট পেশ ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের (Partha Chatterjee) গ্রেফতারির ৫৮ দিনের মাথায় চার্জশিট পেশ করল ইডি (ED Filed Chargee sheet on SSC Case)। সোমবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে চার্জশিট পেশ করা হয়। সূত্রের খবর, তাতে রয়েছে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য।পার্থ-অর্পিতার (Arpita Mukherjee) ১০৩ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে চার্জশিটে উল্লেখ করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। 

    আরও পড়ুন: এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডে এবার সিবিআই হেফাজতে পার্থ, সঙ্গী কল্যাণময়

    গত ২৩ জুলাই গ্রেফতার করা হয়েছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে। দু দফায় অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল প্রায় ৫০ কোটি টাকা। সেই টাকার উৎস কী, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পরে পার্থ ও অর্পিতার নামে থাকা একাধিক সম্পত্তির হদিশ পান ইডি আধিকারিকরা। 

    আরও পড়ুন: কুয়েটের সঙ্গে জেইই এবং নীট সংযুক্তিকরণের পথে ইউজিসি? জানুন বিস্তারি‘‘আমি ওদের বিশ্বাস করেছিলাম…’’, সিবিআই জেরায় দাবি পার্থর, ওরা কারা?

    ইডির পেশ করা চার্জশিট সম্পর্কে এই বিষয়গুলি জেনে নিন:

    • মোট ১৭২ পাতার চার্জশিট পেশ করেছে ইডি।
    • ট্রাঙ্কে ভরে নথি নিয়ে গিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা।
    • চার্জশিটে রয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের নাম।
    • নিয়োগ দুর্নীতিতে ১০৩ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে চার্জশিটে বলে হয়েছে।
    • ৪০ টি অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে চার্জশিটে জানিয়েছে ইডি। যার মোট মূল্য ৪০.৩৩ কোটি টাকা।
    • মোট ৪৮.২২ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
    • বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৩৫ টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, যাতে টাকার পরিমান ৭ কোটি ৮৯ লক্ষ টাকা রয়েছে।
    • বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে ফ্ল্যাট, বাগানবাড়ি, জমি, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট।
    • বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তির মধ্যে অনেকগুলিই রয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের নামে। এ ছাড়া শেল কোম্পানির নামেও রয়েছে বেশ কিছু সম্পত্তি।
    • গত ২৭ ও ২৮ জুলাই অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের একাধিক ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৫০ কোটি নগদ টাকা ও প্রায় ৫ কোটি টাকার সোনা ও গয়না বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • ED: পুনরুদ্ধার ২৩ হাজার কোটি টাকা! কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির মধ্যে এগিয়ে ইডি

    ED: পুনরুদ্ধার ২৩ হাজার কোটি টাকা! কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির মধ্যে এগিয়ে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্থিক তছরুপ আইন (PMLA) লাগু হয়েছিল ২০০৫ সালে। তার পরেই এই আইনে অভিযুক্তদের ধরতে মাঠে নেমে পড়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। জানা গিয়েছে, এ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা চার্জশিট পেশ করেছে ৯৯২টি অভিযোগে।

    অন্যান্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির চেয়ে সবার ওপরে রয়েছে ইডি। ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট আইনে (FEMA) ইডি এ পর্যন্ত ৮ হাজার শোকজ নোটিশ পাঠিয়েছে। যে সকল অভিযুক্তের সম্পত্তি এজেন্সি অ্যাটাচ করেছে ইডি, সেই সম্পত্তি বিক্রি করে ২৩ হাজার কোটি টাকা ফিরিয়ে দিয়েছে বিভিন্ন ব্যাংককে। কেবল আর্থিক তছরুপ নয়, ইডি তদন্ত করছে যাঁরা ফেমা (FEMA) এবং ফিউজিটিভ ইকনোমিক অফেন্ডার্স অ্যাক্টেও অভিযুক্ত তাঁদের। 

    যদিও আর্থিক তছরুপ কেলেঙ্কারিতে প্রচুর পরিমাণ মামলা বকেয়া পড়ে রয়েছে, তা সত্ত্বেও ১৭ বছরের পুরানো একটি আইনে এ পর্যন্ত ২৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পেরেছে ইডি। এসব করতে গিয়ে নানা সময়ে একাধিক প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকে হুমকি পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা। তার পরেও অবশ্য দমানো যায়নি ইডিকে। ২০০৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত ইডি আর্থিক তছরুপ আইনে তদন্ত করেছে নথিভুক্ত ৫ হাজার ৪০০ মামলা।  সরকারি তরফের অভিযোগ অথবা চার্জশিট পেশের ক্ষেত্রে দ্রুততার সঙ্গে তদন্ত শেষ করেছে ইডি। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই কাজ শেষ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা।  ইডি ১ হাজার ৭০০ অ্যাটাচমেন্ট অর্ডার ইস্যু করেছে। এক লক্ষ কোটির বেশি সম্পত্তিও অ্যাটাচ করেছে কেন্দ্রীয় এই সংস্থা। 

    আরও পড়ুন : দুয়ারে ইডি-সিবিআই! জেলে যেতে পারেন? নেতাদের জন্য রইল শরীর ঠিক রাখার টোটকা

    কুখ্যাত তিনটি আর্থিক কেলেঙ্কারিরও তদন্ত করছে ইডি। এই তিনটি কেলেঙ্কারির মূল হোতা হলেন বিজয় মালিয়া, নীরব মোদি ও মেহুল চোকসি। এই তিনজনের ১৯ হাজার কোটিও বেশি টাকার সম্পত্তি অ্যাটাচ করেছে ইডি। এর মধ্যে ইডি বিক্রিও করেছে প্রচুর সম্পত্তি। উদ্ধার করেছে ১৫ হাজার কোটি টাকা। এই অর্থ পাঠানো হয়েছে বিভিন্ন ব্যাংকে। শুধু তাই নয়, এসবিআইয়ের নেতৃত্বে কয়েকটি ব্যাংকের কনসর্টিয়াম ইডি যে সম্পত্তি হস্তান্তর করেছে, তা বিক্রি করে পেয়েছে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • ED: কেঁচো খুঁড়তে কেউটে! গার্ডেনরিচে কোন সূত্রে মিলল ১৭.৩২ কোটি টাকা?

    ED: কেঁচো খুঁড়তে কেউটে! গার্ডেনরিচে কোন সূত্রে মিলল ১৭.৩২ কোটি টাকা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  একেই কি বলে কেঁচো খুঁড়তে কেউটে! প্রায় দেড় বছর আগের এক মোবাইল গেমিং অ্যাপ প্রতারণার তদন্তে নেমে মিলল যখের ধন! উদ্ধার কোটি কোটি টাকা! আসলে আর্থিক তছরুপ মামলায় (PMLA) শনিবার রাজ্যের ৬ জায়গায় হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (ED)। মোবাইল অ্যাপ (Mobile App) সংক্রান্ত প্রতারণার মামলায় হানা দিয়ে চোখ ছানাবড়া হয়ে যায় তদন্তকারী দলের। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গণনায় মেলে ১৭.৩২ কোটি টাকা। বাজেয়াপ্ত হয় প্রচুর নথি ও নগদ টাকা। 

    কিন্তু কীসের ভিত্তিতে শুরু হয়েছিল তদন্ত? ইডি সূত্রে খবর, গত বছর ১৫ ফেব্রুয়ারি মাসে পার্কস্ট্রিট থানায় প্রতারণার একটি অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ফেডারেল ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। অভিযোগের আঙুল তোলা হয় জনৈক আমির খান ও আরও কয়েকজনের দিকে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তে নামে ইডি।

    জানা গিয়েছে, জনৈক নিশার আহমেদ খানের ছেলে আমির খান ই-নাগেটস নামে একটি মোবাইল গেমিং অ্যাপ্লিকেশন লঞ্চ করে। লোক ঠকানোর জন্যই পাতা হয়েছিল এই ফাঁদ। প্রথম দিকে অ্যাপ ব্যবহারকারীরা কমিশন সহ পুরস্কৃত হতেন। পুরস্কারের টাকা এবং কমিশন জমা হত ওয়ালেটে। টাকাও তোলা যেত কোনও রকম ঝুট-ঝামেলা ছাড়াই। এভাবে আমির অ্যাপ ব্যবহারকারীদের বিশ্বাস অর্জন করত। পরে মোটা টাকা কমিশন ও পারচেজ অর্ডারের লোভে বড় অঙ্কের টাকা লগ্নি করতে শুরু করেন অ্যাপ ব্যবহারকারীরা। এভাবে বিরাট অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর অ্যাপ থেকে আর টাকা তোলা যেত না। সিস্টেম আপগ্রেডেশন সহ নানা অছিলায় অ্যাপে সমস্যা হচ্ছে বলে বলা হত। পরে সার্ভার থেকে অ্যাপ ব্যবহারকারীর সমস্ত তথ্য মুছে ফেলা হত। তখনই প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারতেন অ্যাপ ব্যবহারকারীরা।

    আরও পড়ুন : শনিবাসরীয় সকালে কলকাতার তিন জায়গায় হানা ইডি-র, কী উঠে এল?

    এদিন তদন্ত করতে গিয়ে ইডির আধিকারিকরা এ সংক্রান্ত প্রচুর নথি বাজেয়াপ্ত করেছেন। আমিরের ডেরা থেকে উদ্ধার হয়েছে ১৭.৩২ কোটি টাকা। তবে মূল চক্রী আমির খানকে গ্রেফতার করা যায়নি। সে কোথায় গা-ঢাকা দিয়েছে, তাও জানা যায়নি। এদিন গার্ডেনরিচে আমিরের বাড়ি থেকে প্রথমে অন্তত সাত কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেন ইডির আধিকারিকরা। পরে নিউটাউনে তার অফিস থেকেও মেলে বেশ কয়েক কোটি টাকা। সব মিলিয়ে টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় ১৭.৩২ কোটি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
     
LinkedIn
Share