Tag: ED

ED

  • ED:  শাওমির পর এবার ভিভো, ইডি-র নজরে চিনা মোবাইল সংস্থা, দেশজুড়ে তল্লাশি

    ED: শাওমির পর এবার ভিভো, ইডি-র নজরে চিনা মোবাইল সংস্থা, দেশজুড়ে তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে চিনা (China) ফোন প্রস্তুতকারক সংস্থা VIVO-র বিরুদ্ধে অভিযান চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট, সংক্ষেপে ইডি (ED)। আর্থিক লেনদেনে কারচুপির অভিযোগে বিখ্যাত ওই চিনা মোবাইল সংস্থার (Chinese mobile company) অন্তত ৪০ ঠিকানায় তল্লাশি চালাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। চিনা সংস্থাগুলির আর্থিক লেনদেনের ওপর বেশ কিছুদিন ধরেই বাড়তি নজর দিচ্ছে সরকার। সেই কারণেই এদিনের তল্লাশি বলে ইডি সূত্রের খবর।

    কেন্দ্রীয় ওই তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, দিল্লি, হরিয়ানা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ওই চিনা মোবাইল প্রস্তুতকারী সংস্থার বেশ কয়েকটি কারখানা ও শোরুম রয়েছে। সেগুলিতেও চালানো হয়েছে তল্লাশি অভিযান। সংস্থার লেনদেন ও মালিকানা সংক্রান্ত বিষয়গুলিতে কোনওরকম অনিয়ম রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতেই মূলত এই তল্লাশি অভিযান বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার।  

    আরও পড়ুন : “শান্তি ভিক্ষা চাইবে না ভারত”, চিন-পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি ডোভালের

    কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, এই চিনা স্মার্টফোন কোম্পানির বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি আরও এক চিনা সংস্থার বিরুদ্ধেও ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নিয়েছে ইডি। সংস্থাটি এদেশে একটি ব্র্যান্ডেড মোবাইল ফোন বিক্রি করে। তাদেরই একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ৫ হাজার ৫৫১ কোটি ২৭ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। বেআইনিভাবে টাকা সরানোর অভিযোগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই এই সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছিলেন ইডির গোয়েন্দারা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার আতসকাচের তলায় রয়েছে আরও এক চিনা মোবাইল প্রস্তুতকারী সংস্থা।

    আরও পড়ুন : ২ বছর পর ভারতীয়দের জন্য কোভিড ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলল চিন 

    ২০২০ সালে ভারত-চিন সীমান্তে হয় সেনা সংঘর্ষ। তার পর থেকেই দেশে চিনা সংস্থাগুলির কার্যকলাপের ওপর নজর রাখছে দিল্লি। ২০০ চিনা অ্যাপকে ইতিমধ্যেই নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ভারত সরকার। চিনা ঋণদানের অ্যাপগুলির ওপরও নজর রয়েছে কেন্দ্রের।

    আরও পড়ুন : পারমাণবিক অস্ত্রসম্ভার বাড়াচ্ছে চিন, ভারত, পাকিস্তানের হাতে কত? 

  • Rahul Gandhi: ২০ শতাংশ প্রশ্নের উত্তরে রাহুল গান্ধী কী বলেছেন, ফাঁস করল ইডি

    Rahul Gandhi: ২০ শতাংশ প্রশ্নের উত্তরে রাহুল গান্ধী কী বলেছেন, ফাঁস করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় (National Herald Case) পাঁচ দিনে পঞ্চাশ ঘণ্টারও বেশি সময় জেরা করা হয়েছে কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi)। অসুস্থ মাকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ঠায় বসে ছিলেন ইডির আধিকারিকদের সামনে। জবাবও দিয়েছেন একের পর এক প্রশ্নবাণের। তবে ইডি (ED) সূত্রে খবর, ২০ শতাংশ প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে গিয়েছেন রাহুল।

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় আর্থিক তছরুপের অভিযোগে চলতি মাসের শুরুর দিকে ইডি তলব করেছিল রাহুলকে। বিদেশ থাকায় নির্ধারিত দিনে হাজিরা দিতে না পারলেও, পরে ইডি দফতরে হাজিরা দেন এই কংগ্রেস নেতা। পাঁচ দিনে পঞ্চাশ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। মঙ্গলবারও দু দফায় জেরা করা হয় তাঁকে। এদিন সকাল থেকে টানা ন ঘণ্টা জেরার পর ছেড়ে দেওয়া হয় রাহুলকে। রাত সাড়ে আটটা নাগাদ বাড়ি ফেরেন বোন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরার সঙ্গে। এর পরে পরেই ফের ইডি দফতরে হাজির হতে বলা হয় রাহুলকে। আবারও চলে একপ্রস্ত জেরা। সব মিলিয়ে এদিন প্রায় ১২ ঘণ্টা জেরা করা হয় কংগ্রেস সাংসদকে।

    আরও পড়ুন : কেন রাহুল গান্ধীকে জেরা, ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলা কী?

    ইডি সূত্রে খবর, রাহুল বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিলেও, ২০ শতাংশ প্রশ্নের জবাব দেননি। ইডির এক আধিকারিক বলেন, তিনি প্রায় ২০ শতাংশ প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গিয়েছেন। ওই প্রশ্ন গুলির সময় তিনি জানান, তিনি খুবই ক্লান্ত। রাহুলকে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ১০ ঘণ্টা করে জেরা করা হয়েছে। ইডির এক আধিকারিক বলেন, রাহুল যে উত্তরগুলি দিয়েছেন, সেগুলি তিনি আবার খুঁটিয়ে দেখেছেন, তাই সময় লেগেছে।

    আরও পড়ুন : সোনিয়া, রাহুলকে সমন ইডি-র! ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় বিপাকে কংগ্রেস

    এদিকে, বৃহস্পতিবার ইডির দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে। তবে করোনা সংক্রমিত হওয়ায় সপ্তাহখানেক ধরে তিনি ভর্তি ছিলেন দিল্লির গঙ্গারামপুর হাসপাতালে। সম্প্রতি পান ছাড়া। এর পরেই চিকিৎসকদের পরামর্শে আপাতত বিশ্রামে রয়েছেন সোনিয়া। এমতাবস্থায় ইডির কাছে হাজিরা দিতে আরও কয়েক সপ্তাহ সময় চেয়েছেন তিনি। বুধবার সোনিয়া নিজেই ইডি আধিকারিকদের চিঠি লিখে এই আর্জি জানিয়েছেন। ইডি তাঁর সেই আবেদন মঞ্জুরও করেছে। সূত্রের খবর, সোনিয়া হাজিরা দিলে রাহুল এবং সোনিয়াকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে পারেন ইডি আধিকারিকরা।

     

  • Coal Scam: কয়লা-কাণ্ডে বিনয় ও বিকাশ মিশ্রের ১৪ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত!

    Coal Scam: কয়লা-কাণ্ডে বিনয় ও বিকাশ মিশ্রের ১৪ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal Smuggling Case) অভিযুক্ত বিনয় মিশ্র (Vinay Mishra) ও বিকাশ মিশ্রর একটি কোম্পানির নামে কেনা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (Property Seized) করল ইডি অর্থাৎ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। কয়লা দুর্নীতিতে (Coal Scam) অভিযুক্ত বিনয় ও বিকাশের ওই সম্পত্তির মূল্য আনুমানিক ১৩ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকা।

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমানের (East Burdwan) গোপীনাথপুরে হানা দিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। সেখান থেকে বিনয় ও বিকাশের দু’টি সম্পত্তি বেআইনি লেনদেন প্রতিরোধ আইন, ২০২২-এর (PMLA) আওতায় বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওই দু’টি সম্পত্তির মালিকানা রয়েছে ‘এলটিবি ইনফ্রা কনসালট্যান্ট’ নামে একটি সংস্থার হাতে। তদন্ত চলছে।

    আরও পড়ুন: পার্থ, পরেশের বাড়ি সহ ১৩ জায়গায় হানা ইডি-র, কী মিলল তল্লাশিতে?

    পশ্চিমবঙ্গের কয়লা দুর্নীতি (Bengal Coal Scam) মামলায় এর আগেই একাধিক অভিযুক্তের ২০৪ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ইডি সূত্রের খবর, তদন্তকারীরা ইতিমধ্যেই বিনয় ও বিকাশের বিপুল অঙ্কের লেনদেনের খবর পেয়েছেন। ৭৩১ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে বলে খবর। লালা ওরফে অনুপ মাঝির (Anup Majhi) মারফত এই লেনদেন হয়েছে বলে ইডির প্রাথমিক অনুমান। তবে কেবল কয়লা মামলা নয়। বিনয় মিশ্রর বিরুদ্ধে গরু পাচারেরও অভিযোগ রয়েছে,তার তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই। বিনয়ের বিরুদ্ধে আগেই হুলিয়া জারি করেছে তারা।

    আরও পড়ুন: কোটি কোটি টাকার লেনদেন! ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতে ৭ ইসিএল আধিকারিক

    এবার ইডির পালা। প্রসঙ্গত, কিংফিশারের কর্ণধার বিজয় মালিয়া (Vijay Mallya), শিল্পপতি মেহুল চোকসি (Mehul Choksi) ও নীরব মোদির (Nirav Modi) বিরুদ্ধে আইনের যে-ধারায় তদন্ত চলছে, বিনয়ের বিরুদ্ধেও সেই ধারা প্রয়োগের জন্য আইনি প্রস্তুতি শুরু করেছে ইডি। ইতিমধ্যেই দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে বিনয়ের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্তকারীরা জানান, ‘ফিউজিটিভ ইকনমিক অফেন্ডার’ (পলাতক আর্থিক অপরাধী) হিসেবে আইনের ধারায় বিনয়কে অভিযুক্ত বলে ঘোষণা করার জন্য সম্প্রতি নিম্ন আদালতে আবেদন করা হয়েছে। দেশ ও বিদেশে থাকা তাঁর সমস্ত বিষয়সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার যে আইনি প্রস্তুতি শুরু করেছিল ইডি, বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমানে হানা তারই প্রথম ধাপ বলে অনুমান।

  • Coal Smuggling: কোলে ২ বছরের ছেলে, ইডি-র তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির রুজিরা

    Coal Smuggling: কোলে ২ বছরের ছেলে, ইডি-র তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির রুজিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লাপাচারকাণ্ডে (Coal smuggling case) তলব পেয়ে শিশুসন্তানকে নিয়েই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (Enforcement Directorate) সামনে হাজিরা দিলেন রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় (Rujira Banerjee)। বুধবার,  অভিষেকে-পত্নীকে তলব করেছিল ইডি (ED)। বৃহস্পতিবার সকাল সকাল ১১টা নাগাদ কোলে ২ বছরের শিশুকে নিয়ে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে (CGO Complex) হাজির হলেন তিনি।  

    কয়লাপাচার-কাণ্ডে এর আগে একাধিক বার অভিষেক (Abhishek Banerjee) এবং রুজিরাকে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। অভিষেক দু’বার হাজিরাও দিয়েছিলেন ইডি দফতরে গিয়ে। কিন্তু রুজিরা যাননি। তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁর দু’বছরের পুত্র সন্তানকে কলকাতায় রেখে দিল্লি যাওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। তদন্তকারী অফিসাররা যদি কলকাতায় ডাকেন তাহলে তাঁর হাজিরার মুখোমুখি হতে কোনও অসুবিধা নেই।

    কিন্তু, ইডি তাদের দাবিতে অনড় থাকায় সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন রুজিরা। শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয়, কলকাতায় এসে রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে ইডি। সেইমতো, অভিষেক-পত্নীকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দিল্লি থেকে কলকাতায় এসেছেন ইডি আধিকারিকরা। 

    আরও পড়ুন: কয়লাকাণ্ডে রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের, করা হল কোন প্রশ্ন?

    কিছুদিন আগে, এই কয়লা পাচার কাণ্ড নিয়ে তাঁকে বাড়িতে গিয়ে জেরা করে এসেছিল সিবিআই (CBI)। তখনই এই টাকা লেনদেনের বিষয়টি উঠে আসে। তাই এবার রুজিরাকে জেরা করতে চায় ইডি। সূত্রের খবর, কয়লা পাচার কাণ্ডে বিদেশি লেনদেনের বিষয় নিয়ে তাঁকে জেরা করা হতে পারে। 

    ইডি সূত্রে খবর, কয়লা পাচারকাণ্ডে তদন্তের কেন্দ্রে রয়েছে ব্যাঙ্ককের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। ইডি-র দাবি, কয়লা পাচার কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি (Anup Majhi) ওরফে লালার টাকা বিভিন্ন হাত ঘুরে ব্যাংককের একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে গিয়েছে। সেখানে জমা পড়েছে কয়লা পাচারের টাকা।

    ইডি সূত্রে দাবি, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তারা জানতে পারে, বিদেশি ব্যাঙ্কে ওই অ্যাকাউন্টের মালিক রুজিরা নরুলা। ইডি-র দাবি, রুজিরা নরুলাই হলেন রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইডি সূত্রে দাবি, প্রাথমিকভাবে ওই অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন রুজিরা।

    আরও পড়ুন: কয়লা, গরুপাচার, এসএসসি দুর্নীতির তদন্তরত অফিসারকে কেন সরিয়ে দিল সিবিআই?

     

  • ED Quizzes Sonia: মেয়েকে নিয়ে ইডি দফতরে সোনিয়া, কংগ্রেসের প্রতিবাদে উত্তাল দিল্লি, প্রশ্নবাণে জর্জরিত নেত্রী

    ED Quizzes Sonia: মেয়েকে নিয়ে ইডি দফতরে সোনিয়া, কংগ্রেসের প্রতিবাদে উত্তাল দিল্লি, প্রশ্নবাণে জর্জরিত নেত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) দফতরে পৌঁছালেন কংগ্রেসের (Congress) অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi)। বৃহস্পতিবার মেয়ে প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরাকে সঙ্গে নিয়ে ইডি দফতরে যান তিনি। এদিন সোনিয়ার হাজিরা ঘিরে উত্তাল হয়ে ওঠে দিল্লি (Delhi)। বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন কংগ্রেসের অন্তত ৭৫ জন সাংসদ। তাঁদেরকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। কেবল দিল্লি নয়, আরও কয়েকটি রাজ্যেও সোনিয়াকে ইডির ‘হেনস্থা’র প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখান কংগ্রেস কর্মীরা।

    আরও পড়ুন : ইডির দফতরে হাজির সোনিয়া, কংগ্রেস কর্মীদের বিক্ষোভে উত্তাল সংসদ থেকে রাস্তা

    ন্যাশনাল হেরাল্ড (National Herald) মামলায় জুন মাসেই ইডি তলব করেছিল গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে। তলব করা হয়েছিল সোনিয়া পুত্র তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকেও (Rahul Gandhi)। বিদেশে থাকার জন্য নির্ধারিত দিনে ইডি দফতরে হাজিরা দিতে পারেননি রাহুল। পরে অবশ্য হাজিরা দেন। প্রায় পাঁচ দিন পঞ্চাশ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জেরা করা হয় রাহুলকে। লিপিবদ্ধ করা হয় তাঁর বয়ানও।

    প্রায় একই সময়ে ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল সোনিয়ারও। কিন্তু করোনা সংক্রমিত হওয়ায় নির্ধারিত দিনে ইডি দফতরে হাজিরা দিতে পারেননি তিনি। হাসপাতালে ভর্তি থাকার সময়ই চেয়ে নেন বাড়তি সময়। সেই মতো এদিন ইডি দফতরে হাজিরা দেন সোনিয়া। তারই প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে দিল্লি। বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন কংগ্রেস সাংসদরা। এঁদের মধ্যে ছিলেন রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গেও। পি চিদম্বরম, অজয় মাকেন, মানিকাম ঠাকুর, কেসি বেণুগোপাল, অধীররঞ্জন চৌধুরী, শশী তারুর, সচিন পাইলট, হরিশ রাওয়াত, অশোক গেহলট, কে সুরেশ সহ বেশ কয়েকজন সাংসদকে আটকও করে দিল্লি পুলিশ। কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ বলেন, প্রতিবাদ করায় কংগ্রেস সাংসদ এবং কর্মীদের আটক করা হয়েছে। আমাদের পুরানো দিল্লির পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ঘটনার প্রতিবাদে এদিন বেশ কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয় ট্রেন। কয়েকটি গাড়িও পোড়ানো হয় বলে অভিযোগ। 

    সূত্রের খবর,  এদিন কার্যত প্রশ্নবাণে জর্জরিত করা হয় সোনিয়াকে। জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডির পাঁচ আধিকারিক। কংগ্রেসের অভিযোগ, দলনেত্রীকে হেনস্থা করতেই এসব করা হচ্ছে। সংসদে চলছে বাদল অধিবেশন। এদিন অধিবেশনের শুরুতেই লোকসভা ও রাজ্যসভা সংসদের দুই কক্ষেই স্লোগান দিতে শুরু করেন বিরোধীরা। হট্টগোলের জেরে বেশ কিছুক্ষণের জন্য মুলতুবি ঘোষণা করা হয় সংসদের দুই কক্ষের অধিবেশন। কংগ্রেসের এই প্রতিবাদের তীব্র নিন্দা করেন কেন্দ্রীয় সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। প্রসঙ্গত, প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্টের (PMLA) আওতায় রাহুল গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপের (Money Laundering) মামলা দায়ের করেছে ইডি। সেই মামলায়ই এদিন হাজিরা দেন সোনিয়া।

     

     

  • Partha Chatterjee: অ্যারেস্ট মেমোয় মমতার নাম-নম্বর লিখলেন কেন পার্থ? জড়িয়ে দিতে নাকি বিপদের বন্ধু হিসাবে

    Partha Chatterjee: অ্যারেস্ট মেমোয় মমতার নাম-নম্বর লিখলেন কেন পার্থ? জড়িয়ে দিতে নাকি বিপদের বন্ধু হিসাবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি কেলেঙ্কারিতে (SSC scam) ইডি’র (ED) হাতে গ্রেফতারির সময় অ্যারেস্ট মেমোয় (Arrest Memo) মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ও মোবাইল নম্বর লিখে দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী তথা প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। যা নিয়ে তোলপাড় তৃণমূলের অন্দরের রাজনীতি। শুধু নাম লেখাই নয়, গ্রেফতারির রাতে ২টো থেকে সকাল পর্যন্ত অন্তত চার বার মুখ্যমন্ত্রীকে ফোনও করেছিলেন পার্থবাবু। এখানেই শেষ নয়। পরের দিন স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানিয়েও দেন, মুখ্যমন্ত্রীকে ফোনে চেষ্টা করেও যোগাযোগ করতে পারেননি তিনি।

    ইডির জেরার মুখে পার্থবাবু যে দিব্যি সচেতন রয়েছেন তা তদন্তকারী সংস্থা আদালতেই জানিয়েছে। তল্লাশি ও জেরা পর্বে পার্থবাবুর আইনজীবীও সঙ্গে ছিলেন। ফলে অ্যারেস্ট মেমোয় মুখ্যমন্ত্রীর নাম জুড়ে দেওয়া নেহাৎই কাকতালীয় নয় বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট পক্ষ। পার্থবাবুর ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, স্ত্রী ও মা মারা যাওয়ার পর নাকতলার বাড়িতে একাই থাকতেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। তাঁর মেয়ে-জামাই বিদেশে থাকেন। ফলে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া তাঁর নিকটতম আর কেই বা আছেন? মুখ্যমন্ত্রীর ডাকেই তো তিনি চাকরি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি দলের মহাসচিব, ফলে দল এসএসসি কেলেঙ্কারির পর তাঁকে ছেড়ে দিতে চাইলেও তিনি তো দল ছাড়তে পারবেন না। সে ক্ষেত্রে তৃণমূলে তাঁর একমাত্র যোগসূত্র রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অ্যারেষ্ট মেমোয় তাঁর নাম সেই কারণেই দিয়েছেন বলে পার্থবাবুর ঘনিষ্ঠ আইনজীবীরা মাধ্যমকে জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: হুইল চেয়ারে আইসিসিইউ রোগী! পার্থকে দেখে বিস্মিত হৃদরোগ চিকিৎসকদের একাংশ

    অনেকে আবার এরমধ্যে রাজনীতিও খুঁজছেন। তাঁদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিক্ষক নিয়োগ (Teacher Recruitment) নিয়ে বিধায়কদের মধ্যে যে কোটা ভাগ করে দেওয়া হয়েছিল তা এখন দিনের আলোর মতোই স্পষ্ট। কয়েক জন বিধায়কের প্যাডে সই করা চাকরি প্রার্থীদের নামের তালিকা আদালতে পর্যন্ত জমা পড়েছে। পার্থবাবুর ঘনিষ্ঠদের দাবি, শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ নিয়ে যা হয়েছে তা দলের সর্বোচ্চস্তরের সিদ্ধান্ত ছিল। গত নভেম্বরে যখন প্রথম কলকাতা হাইকোর্ট এ নিয়ে নাড়াচাড়া শুরু করে তখনই পার্থবাবু অশণি সঙ্কেত দেখেছিলেন। দলও সেই সময় থেকে পার্থবাবুর সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে থাকে। এমনকি বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে শিল্পমন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও পার্থবাবুর ভূমিকা সেভাবে চোখে পড়েনি।

    তৃণমূলের দলীয় সূত্রের খবর, পরিস্থিতি বেগতিক বুঝতে পেরে পার্থবাবু দলের অন্দরে বার্তা দেন, যদি এসএসসি কেলেঙ্কারি নিয়ে দল তাঁর পাশে না দাঁড়ায় তা হলে তিনিও মুখ খুলতে বাধ্য হবেন। এর পর দলের তরফে আইন মন্ত্রী মলয় ঘটককে বিষয়টি নিয়ে তৎপর হতে বলা হয়। ঘটনাচক্রে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ের উপর কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ স্থগিতাদেশ গিয়ে বিচারপতি রণজিৎ বাগ কমিটির তদন্ত রিপোর্ট পেশ করতে নির্দেশ দেয়। সেই কমিটির সামনে রাজ্যের স্কুল শিক্ষা সচিব জানিয়ে দেন, সব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যার প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চও সিবিআই তদন্ত বজায় রাখে।

    আরও পড়ুন: কেন অমর্ত্য সেন নিচ্ছেন না বঙ্গবিভূষণ? বিদেশে থাকার জন্যই কি, না অন্য কারণ?

    পার্থবাবু ক্রমেই বুঝতে পারছিলেন চাকরি চুরির মামলায় তাঁর পরিণতি ভাল হবে না। ঘনিষ্ঠ মহলে বলেও রেখেছিলেন, যদি দলের সমর্থন না থাকে, তা হলে মুখ খুলতে বাধ্য হব। তাঁর কাছেও যে নবান্ন (Nabanna) থেকে পাঠানো তালিকা রয়েছে সে কথাও ঠারেঠোরে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন অনেককেই। গ্রেফতারির পর অ্যারেস্ট মেমোয় মমতার নাম লিখে মহাসচিব শুধু মুখ্যমন্ত্রীকে জড়িয়েই নেননি, উল্টে পাল্টা চাপও তৈরি করেছেন। যার মোদ্দা কথা হল, শিক্ষক নিয়োগের কোটা পদ্ধতিতে টাকা তোলার সিদ্ধান্ত ছিল দলগত, তাই গ্রেফতারির নথিতেও সেই দাগ যেন রেখে গেলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। যদিও ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করে দিয়েছিলেন, জেনে বুঝে কেউ ভুল করলে শাস্তি পেতে হবে। তবে অজান্তে ভুল করলে শুধরে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত। অ্যারেস্ট মেমোয় মমতা জেনেবুঝে ভুল, নাকি অজান্তে ভুল তা ইডি যখন তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাবে তখনই স্পষ্ট হবে।

  • SSC Scam ED raids: পার্থ, পরেশের বাড়ি সহ ১৪ জায়গায় হানা ইডি-র, কী মিলল তল্লাশিতে?

    SSC Scam ED raids: পার্থ, পরেশের বাড়ি সহ ১৪ জায়গায় হানা ইডি-র, কী মিলল তল্লাশিতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি দুর্নীতিতে (SSC Scam) রাঘববোয়ালদের ধরতে এবার প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chaterjee) নাকতলার বাড়িতে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। ৮-ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তাঁর জিজ্ঞাসাবাদ-পর্ব চলেছে।  পাশাপাশি, পিংলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর আত্মীয়ের বাড়িতেও ইডি অফিসাররা। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামাইয়ের মামার বাড়িতে যান ইডির ৭ অফিসার। কৃষ্ণ প্রসাদ অধিকারীর খিরিন্দার বাড়িতে পৌঁছয় ইডি। 

    একইসঙ্গে ইডি (ED) হানা দিয়েছে তৃণমূলেরই (TMC) মন্ত্রিসভার আর এক সদস্য শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারির (Paresh Adhikary) বাড়িতেও। শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীকে ৯ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। পরেশ অধিকারীর স্ত্রীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডি অফিসাররা।

    এছাড়াও এসএসসির প্রাক্তন কর্তা শান্তি প্রসাদ সিনহার (Shantiprasad Sinha) বাড়িতেও হানা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। এই তিন জায়গা ছাড়াও রাজ্যের আরও দশ জায়গায় এদিন হানা দেয় ইডি। এর মধ্যে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়, টেট দুর্নীতি মামলায় অপসারিত পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যর যাদবপুরের বাড়ি এবং পর্ষদ সচিব রত্না চক্রবর্তী বাগচীর বাড়িতেও যান ইডি অফিসাররা। 

    আরও পড়ুন : এসএসসি-র বাজেয়াপ্ত কম্পিউটার থেকে গোছা গোছা ‘নকল’ নিয়োগপত্র, মাথা কে?

    রাজ্যে স্কুল সার্ভিস কমিশনে (School Service Commission) ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন চাকরি প্রার্থীদের কেউ কেউ। তার পরেই এই দুর্নীতি মামলায় তদন্তে নামে সিবিআই (CBI)। কীভাবে দুর্নীতি হয়েছিল তা খুঁজে বের করাই প্রধান লক্ষ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। তদন্তের গোড়ায় পৌঁছতে সিবিআই রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জেরা করেছে। জেরা করা হয়েছে বাম দল থেকে তৃণমূলের আসা রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারিকেও।

    এই মামলায় তদন্ত করছে আর এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডিও। তারা মূলত আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। এজন্য দুটি এফআইআর রুজুও করেছে ইডি। এ ব্যাপারে একাধিক আবেদনকারী ও সাক্ষীর বয়ানও রেকর্ড করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা। এ থেকেই ইডির ধারণা, এই মামলায় লেনদেন হয়েছে কোটি কোটি টাকা। এই বিপুল অঙ্কের টাকা কোথা থেকে এল, গেলই বা কোথায়, লাভের অঙ্ক কার ঘরেই বা উঠল, ঘটনার নেপথ্যে কোনও প্রভাবশালী যোগ রয়েছে কিনা এসবই খতিয়ে দেখছেন ইডির আধিকারিকরা। গত কয়েক দিনে এনিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিও সংগ্রহ করেছেন তাঁরা। তার পরেই এদিন রাজ্যের ১৩টি জায়গায় হানা দেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুন : এসএসসি দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের ডাকে ফের নিজাম প্যালেসে পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    জানা গিয়েছে, এদিন এসএসসি দুর্নীতি মামলার তদন্তে পার্থের নাকতলার বাড়িতে হাজির হন ইডির আধিকারিকরা। ইডিরই আর একটি দল গিয়ে হাজির হন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেখলিগঞ্জের বাড়িতেও। ইডি সূত্রে খবর, প্রায় ৯০ জন আধিকারিক দুর্নীতির শেকড়ে পৌঁছতে হানা দিয়েছেন রাজ্যের ১৩টি জায়গায়। শান্তিপ্রসাদ সিনহা সহ এসএসসির উপদেষ্টা কমিটির সদস্যদের বাড়িতেও এদিন হানা দেন তদন্তকারীরা। এদিন শান্তিপ্রসাদের বাড়িতে যান এক মহিলা সহ ইডির সাতজন আধিকারিক। শান্তি প্রসাদের কোথায় কত সম্পত্তি রয়েছে, সেটাই জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

     

  • Rahul Gandhi: হেরাল্ড কাণ্ডে তলব ইডির, আর কী কী মামলা রাহুলের বিরুদ্ধে?

    Rahul Gandhi: হেরাল্ড কাণ্ডে তলব ইডির, আর কী কী মামলা রাহুলের বিরুদ্ধে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ন্যাশনাল হেরাল্ড (Natiaonal Herald) মামলায় বেআইনি ভাবে অর্থ লেনদেনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছেল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। কিন্তু বিদেশে থাকার জন্য ২৪ ঘণ্টার নোটিসে তাঁর পক্ষে হাজিরা দেওয়া সম্ভব নয়, বলে জানিয়ে দেন রাহুল। শুক্রবার রাহুলকে নতুন নোটিস পাঠিয়েছে ইডি। আগামী ১৩ জুন তাঁকে ইডি-র দফতরে হাজির হতে বলা হয়েছে। বুধবার পাঠানো ইডি-র (ED) ওই নোটিসে আগামী ৮ জুন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছিল কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গাঁধীকে (Sonia Gandhi)। কিন্তু তিনি করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় আপাতত নোটিস পাঠানো হচ্ছে না বলে ইডি সূত্রের খবর।

    এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে কী কী মামলা রয়েছে—

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলা: 

    জওহরলাল নেহরু প্রতিষ্ঠিত ন্যাশনাল হেরাল্ড সংবাদপত্র নিয়ে ২০১৩ সালে, মনমোহন সিংয়ের সময় দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি। ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে জলঘোলা শুরু হয়। যার মূল হোতা ছিলেন বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। তাঁর অভিযোগ, ‘অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেড’ নামে যে সংস্থার হাতে সংবাদপত্রটির মালিকানা ছিল, বাজারে ৯০ কোটি টাকা দেনা ছিল তাদের। যার বেশিরভাগটাই কংগ্রেসের কাছ থেকে নেওয়া।

    ২০০৮ সালে সংবাদপত্রটির প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়। সেই অবস্থাতেই সংস্থাটি অধিগ্রহণ করে সোনিয়া, রাহুল এবং শীর্ষস্থানীয় কংগ্রেস নেতাদের ‘ইয়ং ইন্ডিয়ান প্রাইভেট লিমিটেড’ সংস্থা। যার পর ন্যাশনাল হেরাল্ডের কয়েক হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি ইয়ং ইন্ডিয়ানের দখলে চলে আসে। ৯০ কোটি টাকা দেনার বোঝাও চাপে তাদের ঘাড়ে। এর কিছু দিন পর ‘দেনার টাকা উদ্ধার করা সম্ভব নয়’ বলে কারণ দেখিয়ে কংগ্রেসের তরফে ঋণের টাকা মকুব করে দেওয়া হয়। এখানেই আপত্তি তোলে বিজেপি।

    তাঁর যুক্তি, কংগ্রেস রাজনৈতিক দল। তাদের কোনও কর দিতে হয় না। কোনও বাণিজ্যক সংস্থাকে ঋণ দেওয়াও তাদের এক্তিয়ারের বাইরে। ২০১৫-র গোড়ায় মামলার তদন্তের ভার যায় ইডি-র হাতে। যদিও কংগ্রেস নেতৃত্বের পাল্টা দাবি, ইয়ং ইন্ডিয়া অলাভজনক সংস্থা। এই সংস্থা কোনও মালিককে ডিভিডেন্ট (মুনাফার ভাগ) দিতে পারে না। কোনও সম্পত্তির হাতবদল বা আর্থিক লেনদেনও হয়নি। বস্তুত, প্রথম দফার তদন্তের পর ইডি কংগ্রেসের দাবিকেই মান্যতা দিয়ে মামলাটি বন্ধ করার সুপারিশ করেছিল। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত খারিজ করে তড়িঘড়ি ইডি-র তৎকালীন অধিকর্তা রাজন কাটোচকে সরিয়ে দেওয়া হয়। আবার তদন্ত শুরি করে ইডি।

    আরও পড়ুন: ৩২ বছর ধরে দেশসেবা, ‘অবসর’ অক্ষয়, নিশাঙ্কের

    ভিওয়ান্ডির আদালতে মামলা:

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলা ছাড়াও বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে রাহুল গান্ধীর নামে। মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যুর জন্য দায়ী রাষ্ট্রীয় সমাজসেবক সঙ্ঘ (RSS)! ২০১৪ সালে এক বক্তৃতায় এমনই অভিযোগ তুলেছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। যার জেরে তাঁর বিরুদ্ধে একটি মানহানি মামলা দায়ের করেন আরএসএস কর্মী রাজেশ কুন্তে। ভিওয়ান্ডি আদালতে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। যদিও সেই মামলাতে মামলাকারীকেই ১ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দেয় প্রথম শ্রেণির বিচার বিভাগীয় আদালত।

    সুরাট আদালতে মামলা:

    ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের আগে এপ্রিল মাসে কর্নাটকের একটি নির্বাচনী জনসভায় রাহুল গান্ধী মন্তব্য করেছিলেন যে, “সব চোরেদেরই পদবি মোদি”। তাঁর (Rahul Gandhi) মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সুরাট আদালতে কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধে একটি মানহানির মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলাতে (Modi surname) আদালতে হাজিরা দিয়ে নিজের পক্ষে যুক্তি দেন রাহুল গান্ধী। ২০১৯ সালের ভোটের প্রচার চলাকালীন তৎকালীন কংগ্রেস (Congress) সভাপতি কর্নাটকের কোলারের এক সভায় ছড়া কেটে বলেছিলেন, “নীরব মোদি, ললিত মোদি, নরেন্দ্র মোদি। এদের প্রত্যেকের নামেই মোদি আছে কেন? সব চোরেদের নামেই মোদি কেন থাকে?” কংগ্রেস নেতার সেই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেন একাধিক বিজেপি নেতা। তাঁদের বক্তব্য ছিল, এই মন্তব্য করে প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি গোটা মোদি (Modi) সম্প্রদায়কেই অপমান করেছেন। পাটনায় বিহারের তৎকালীন উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীল মোদি (Sushil Modi) এবং সুরাটে বিজেপি বিধায়ক পূর্ণেশ মোদি রাহুলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন।  কয়েক বছর ধরে সেই মামলা চলছে সুরাটের আদালতে।

    রাফাল (Rafale) চুক্তি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কটাক্ষ করে রাহুল গত লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে ‘চৌকিদার চোর হ্যায়’ স্লোগান তুলেছিলেন । রাহুলের এই স্লোগানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে মানহানির মামলা করেছিলেন BJP সাংসদ মীনাক্ষী লেখি । রাহুলকে এই ধরনের মন্তব্য করার ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়ার নির্দেশ দেয় দেশের শীর্ষ আদালত।

    আসানসোল আদালতে মামলা:

    ‘হিন্দু বনাম হিন্দুত্ববাদী’ মন্তব্যের জন্য সম্প্রতি বিপাকে পড়েছেন রাহুল গান্ধী। পীযূষকান্তি গোস্বামী নামক আসানসোলের এক আইনজীবী রাহুলের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।  পীযূষকান্তির অভিযোগ, গত ১২ এবং ১৯ ডিসেম্বর রাজস্থান ও উত্তর প্রদেশের দুটি সভায় হিন্দুত্ববাদীদের প্রসঙ্গ টেনে রাহুল বলেছিলেন, ক্ষমতার লোভে হিন্দুত্ববাদীরা সত্যকেও ভুলে যায়। দেশের দুর্দশার জন্য এরা দায়ী। ওয়েনাড়ের সাংসদের এই মন্তব্য ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করছে বলে অভিমত পীযূষের। আসানসোল আদালতে এই মামলাটি চলছে।

  • Arpita Mukherjee: মালিক-মালকিন ইডি জালে, সারমেয় বন্দি ‘চিলতে’ ফ্ল্যাটে!

    Arpita Mukherjee: মালিক-মালকিন ইডি জালে, সারমেয় বন্দি ‘চিলতে’ ফ্ল্যাটে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬০০ বর্গফুট জায়গা। সেখানেই মিলেমিশে রয়েছে ভিন্ন প্রজাতির ন’টি সারমেয় (Dogs)। এদের মালিক ও মালকিন এখন ইডির (ED) হাতে গ্রেফতার। তাই প্রশিক্ষকরাও (Trainer) আসেন না। বাইরে বেরনো হয় না। কেবল একজন এসে নিয়মিত খাবার দিয়ে যান। অগত্যা চিলতে ঘরেই আপাতত দিন কাটছে পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chaterjee) ও তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) সাধের কুকুরকুলের।

    টালিগঞ্জের ডায়মন্ড সিটি সাউথ আবাসনের ১৮ তলার একটি ঘরেই বাস অ-পার কুকুরগুলির। যে ন’টি কুকুর রয়েছে সেগুলির সবই উন্নত প্রজাতির। স্থানীয়দের বক্তব্য, কুকুরগুলির একটি রটওয়েলার, একটি ইংলিশ বুলডগ, একটি ফ্রেঞ্চ বুলডগ। রয়েছে একটি করে পাগ এবং বিগল প্রজাতির কুকুর। দুটি করে ল্যাব্রাডর ও গোল্ডেন রিট্রিভারও রয়েছে।উন্নত প্রজাতির এই কুকুরগুলির মূল্য চার লক্ষ টাকারও বেশি।

    আরও পড়ুন : টাকা আমার নয়, আমার নয়, আমার নয়, তিন সত্যি পার্থর!

    স্থানীয়রাই জানাচ্ছেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায় যখন ইডির হাতে গ্রেফতার হননি, যখন অর্পিতার ফ্ল্যাটে হদিশ মেলেনি সোনা-টাকার খনির, তখন সুদিন ছিল এই সারমেয়কুলের। প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে আসতেন প্রশিক্ষকরা। বিভিন্ন কুকুরের আলাদা আলাদা প্রশিক্ষক। রাস্তায় বের হলে হাঁ করে দেখতেন স্থানীয়রা। কুকুর প্রেমীরা এগিয়ে আসতেন দামী কুকুর একবার ছুঁয়ে দেখতে। নানা রঙের ও দামের এই কুকুরগুলি লিফ্টে করে নামত ফি বিকেলে। ট্রেনিং শেষে ফিরত এসি ফ্ল্যাটে। তার পরেই একপ্রস্ত ভূরিভোজ। লেজ নাড়িয়ে মালিক-মালকিনের আদর খাওয়া।

    মালিক-মালকিন গ্রেফতার হওয়ার পরেই বেমালুম হাওয়া সেসব আদর যত্ন। বদলেছে সারমেয়কুলের দৈনন্দিন রুটিনও। এখন আর প্রশিক্ষকরা আসেন না। তবে খাবার আসে। কুকুরগুলি বর্জ্য কে পরিষ্কার করে, ফ্ল্যাটে এসি চলে কিনা, তা জানেন না স্থানীয়রাও। 

    পার্থ-অর্পিতা গ্রেফতার হওয়ার পরেই একটি এনজিও সংস্থার তরফে ইডিকে অনুরোধ করা হয়েছিল, আপাতত কুকুরগুলিকে তাদের জিম্মায় দেওয়া হোক। এনজিওর এক কর্তা জানান, তারা আমাদের দেবে বলে আশ্বস্ত করেছিল। কিন্তু এখনও কিছুই করা হয়নি।

    আরও পড়ুন : বেনামি ফ্ল্যাটের ‘মালকিন’ অর্পিতা, ভিজিটরদের নাম-ধাম জানতে কেন নিষেধ ছিল নিরাপত্তাকর্মীদের?

    অতএব, ১৬০০ বর্গফুটের চিলতে ঘরেই মালিক-মালকিনের জন্য হা-পিত্যেশ করে বসে রয়েছে তাঁদের সাধের সারমেয়রা। মাঝে মধ্যে অবশ্য চিৎকার করে। হয়তো মালিক কিংবা মালকিনের খোঁজ করে। অবোলা পশুরা তো আর জানে না মালিক-মালকিন এখন ইডির জালে। যে জাল ছিঁড়ে বেরনো সহজ নয়, বাবা!

     

  • Abhishek Banerjee: শর্ত সাপেক্ষে অভিষেককে দুবাই যাওয়ার অনুমতি হাইকোর্টের 

    Abhishek Banerjee: শর্ত সাপেক্ষে অভিষেককে দুবাই যাওয়ার অনুমতি হাইকোর্টের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শর্ত সাপেক্ষে তৃণমূলের (tmc) সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) দুবাই যাওয়ার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta high court)। তাঁর স্ত্রী রুজিরাকেও তাঁর সঙ্গে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। মানবিকতার প্রেক্ষিতেই তাঁদের বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আদালত।  

    কয়লা পাচারকাণ্ডে নাম জড়ায় অভিষেক, তাঁর স্ত্রী ও শ্যালিকার। অভিষেক ও রুজিরাকে আগে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। অভিষেকের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে কেন্দ্রীয় ওই সংস্থা। চোখের চিকিৎসার জন্য দুবাই যাবেন বলে অনেক আগেই ইডিকে জানিয়েছিলেন অভিষেক। তার পরেও ইডির পক্ষ থেকে কোনও সাড়শব্দ মেলেনি বলে অভিযোগ। ৩ জুন, শুক্রবার দুবাই যাওয়ার কথা অভিষেকের। তার ঠিক আগের দিন তিনি দুবাই যেতে পারবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এর পরেই আদালতের দ্বারস্থ হন অভিষেক।

    আরও পড়ুন : এবার কয়লা পাচারকাণ্ডে তৃণমূল বিধায়ক সওকত মোল্লাকে তলব সিবিআইয়ের

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল সব ধরনের তদন্তে সহযোগিতা করবেন অভিষেক ও তাঁর স্ত্রী। সেই মতো ইডির তদন্তে অভিষেক সব রকম সহযোগিতা করছেন বলে দাবি অভিষেক ঘনিষ্ঠদের। এদিনের শুনানিতে ইডির তরফে আশঙ্কা করা হয়, অভিষেক ব্যানার্জি বিদেশ পালিয়ে যেতে পারেন। আদালত ইডির এই যুক্তি খারিজ করে মন্তব্য করে, অভিষেক ব্যানার্জি একজন সাংসদ। কয়লাকাণ্ডে তদন্ত শুরু হওয়ার পরেও তিনি একাধিকবার বিদেশ যাত্রা করেছেন। তাই ইডির এই আশঙ্কা ভিত্তিহীন।

    আরও পড়ুন : গরু পাচারকাণ্ডে সিবিআই দফতরে অনুব্রত মণ্ডল, কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    তবে আদালত অভিষেককে জানিয়েছে, মামলাকারীকে বিমানের টিকিট এবং দুবাইয়ের কোথায় তাঁরা থাকবেন, সেই ঠিকানা ইডির কাছে দিতে হবে। যে হাসপাতালে তিনি চিকিৎসার জন্য যাচ্ছেন, সেই হাসপাতাল এবং থাকার জায়গার ফোন নম্বরও জানাতে হবে। এর সাহায্যেই ইডি যাতে তাঁদের ওপর নজর রাখতে পারে, তাই এই ব্যবস্থা। ১০ জুনের মধ্যে তাঁকে ফেরত আসতে হবে বলেও শর্ত দেয় আদালত।  

    আদালত জানিয়েছে, রাইট টু লাইফ মানে রাইট টু গেট প্রপার ট্রিটমেন্ট পাওয়া। তিনি নিজের পছন্দ মতো চিকিৎসকের কাছে যেতে পারেন। সেটা থেকে তাঁকে আটকানো যায় না। নোটিস পাঠানোর পর যদি তিনি যেতেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অমান্য করার বিষয়টি আসত বলেও জানানো হয়েছে।

     

LinkedIn
Share