Tag: election

election

  • Delhi Election: “‘ইন্ডি’ ব্লকের অন্ধকার দশা চলছে,” বিরোধীদের নিশানা প্রকাশ রেড্ডির

    Delhi Election: “‘ইন্ডি’ ব্লকের অন্ধকার দশা চলছে,” বিরোধীদের নিশানা প্রকাশ রেড্ডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “‘ইন্ডি’ ব্লকের (INDIA Block) অন্ধকার দশা চলছে।” দিল্লি নির্বাচনে (Delhi Election) আপ দুর্গে ধস নামানোর পর মঙ্গলবার এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা প্রকাশ রেড্ডি। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে মুখোমুখি লড়াই হয়েছিল আপ এবং কংগ্রেসের। অথচ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে হারাতে কংগ্রেসের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল ‘ইন্ডি’ জোট। এই জোটে রয়েছে আপও।

    মুখোমুখি লড়াই (Delhi Election)

    সেই আপের সঙ্গে মুখোমুখি লড়াইয়ের জেরে বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে বিজেপি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আপ এবং কংগ্রেস ঐক্যবদ্ধ হলে দিল্লি বিধানসভার অন্তত ১৩টি আসনের ফল অন্যরকম হত। তিনি জানান, জম্মু-কাশ্মীর, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র এবং দিল্লি চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনেই ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করতে ব্যর্থ হয়েছে ‘ইন্ডি’ ব্লক। প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ বলেন, “দিল্লি নির্বাচনের পর রাজনৈতিক মহল বিশ্লেষণ করছে যে ভারতের রাজনীতিতে আর কোনও নির্বাচনের জন্য ইন্ডি জোট থাকবে না। সংসদ নির্বাচনের পর ইন্ডি জোট জম্মু ও কাশ্মীর, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র এবং এখন দিল্লিতে এক সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেনি।” এর পরেই তিনি বলেন, “ইন্ডি জোটের এখন অন্ধকার দশা চলছে (Delhi Election)।”

    বিজেপি নেতার বক্তব্য

    এই বিজেপি নেতা বলেন, “এই ঘটনাগুলোই জোটের অন্দরে যে ফাটল দেখা দিয়েছে, তা প্রমাণ করে। উদাহরণস্বরূপ, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মন্তব্য। তিনি বলেছেন, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গে স্বাধীনভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে, কোনও জোটের সঙ্গে যুক্ত হবে না।” ইন্ডি জোটের অন্দরে এই কোন্দলের জন্য রেড্ডি দায়ী করেছেন কংগ্রেসকে। তাঁর দাবি, “আঞ্চলিক দলগুলি এখন নিজেদের শক্তির ওপর নির্ভর করে নির্বাচনে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, জোটের অংশ হিসেবে নয়। এসবই ইঙ্গিত করে ইন্ডি জোট ভেঙে গিয়েছে। কংগ্রেসের হাল দেখে সব দল একা একা লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, বিশেষ করে আঞ্চলিক দলগুলি।”

    প্রসঙ্গত, দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হওয়ার পর ইন্ডি জোটের দুই সদস্য দল কংগ্রেস এবং আপকে নিশানা করেছিলেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। ইন্ডি জোটের (INDIA Block) প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মহারাষ্ট্রের শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে গোষ্ঠীও (Delhi Election)।

  • Delhi Election: “ইন্ডি জোটের আদৌ প্রয়োজন আছে কি?”, মোক্ষম প্রশ্ন উদ্ধব ঠাকরের

    Delhi Election: “ইন্ডি জোটের আদৌ প্রয়োজন আছে কি?”, মোক্ষম প্রশ্ন উদ্ধব ঠাকরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “‘ইন্ডি’ জোটের (INDIA Bloc) সদস্যরা যদি নিজেদের মধ্যে সংঘাত চালিয়ে যায় এবং বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ না হয়, তাহলে এই জোটের আদৌ কোনও প্রয়োজন আছে কি?” মোক্ষম প্রশ্নটি তুলে দিলেন শিবসেনা (ইউবিটি) সুপ্রিমো উদ্ধব ঠাকরে স্বয়ং।

    দিল্লিতে সংঘাত (Delhi Election)

    দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে (Delhi Election) আলাদা করে লড়াই করেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি এবং রাহুল গান্ধীর কংগ্রেস। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের আগে এই কংগ্রেসের নেতৃত্বেই জোটবদ্ধ হয়েছিল বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম হয়েছিল ‘ইন্ডিয়া’। জন্মলগ্ন থেকেই ‘ইন্ডি’ জোটের অন্দরে ভিন্নমতের স্রোত প্রবল। তার জেরে লোকসভা তো বটেই, তার পরবর্তীকালের বিভিন্ন নির্বাচনেও দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছেন ইন্ডি জোটের বেহাল দশা। নতুন বছরের প্রথম ভোটটি হয় ৫ ফেব্রুয়ারি, দিল্লি বিধানসভার নির্বাচন।

    জয়জয়কার বিজেপির

    এই নির্বাচনে সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ হন আপ এবং কংগ্রেস নেতারা। এতে আদতে সুবিধা হয়ে যায় বিজেপির। ৭০ আসন বিশিষ্ট দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে ৪৮টিতে জেতে পদ্ম-পার্টি। বাকি ২২টি কেন্দ্রের রাশ যায় কেজরিওয়ালের দলের হাতে। কংগ্রেস একটি আসনও পায়নি। অথচ ভোট বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, ‘ইন্ডি’ জোটের (এক্ষেত্রে আপ এবং কংগ্রেস) সদস্যরা যদি একজোট হয় লড়াই করত, তাহলে দিল্লির রাশ এবারও থাকত বিজেপি বিরোধীদের হাতেই (Delhi Election)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বিরোধী ভোট ভাগ হয়ে যাওয়ার সুফল কুড়িয়েছে গেরুয়া শিবির।

    এর পরেই ‘ইন্ডি’ জোটের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে উদ্ধবের দল। শিবসেনা (ইউবিটি)-র মুখপত্র ‘সামনা’র সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছে, “দিল্লি ও মহারাষ্ট্রে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে অনৈক্য ও বিভাজন সরাসরি বিজেপির জয়কে সহজ করে দিয়েছে। দিল্লিতে আপ ও কংগ্রেস একে অপরকে ধ্বংস করতে লড়াই করেছে। ফলে বিজেপির জয় আরও সহজ হয়েছে। যদি এই পরিস্থিতি চলতেই থাকে, তাহলে জোট গঠনের কোনও দরকার নেই। মন খুলে লড়াই করুন… নিজেদের মধ্যেই লড়াই চালিয়ে যান।” আরও লেখা হয়েছে, “যদি এই নির্বাচনের ফল থেকে কেউ কোনও শিক্ষা না নেয়, তাহলে তাদেরই স্বীকার করে নেওয়া উচিত যে তারা স্বৈরাচারী শাসনকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য (INDIA Bloc) দায়ী। এ ধরনের মহান কাজের জন্য গঙ্গায় গিয়ে স্নান করারও আর কোনও দরকার নেই (Delhi Election)।”

  • Delhi Election: দিল্লি বিধানসভার কুর্সিতে এবার পদ্ম, বলছে জনমত সমীক্ষা

    Delhi Election: দিল্লি বিধানসভার কুর্সিতে এবার পদ্ম, বলছে জনমত সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক দল আপকে নির্বাসনে পাঠাচ্ছেন দিল্লিবাসী (Delhi Election)! অন্তত একাধিক জনমত সমীক্ষায় (Exit Poll) উঠে এসেছে এমনই তথ্য। ৫ ফেব্রুয়ারি এক দফায় হয়েছে দিল্লির ৭০ আসনে নির্বাচন। নির্বাচনের ফল বের হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। তার আগে বিভিন্ন জনমত সমীক্ষায় প্রকাশ, দিল্লিতে এবার ফুটছে পদ্ম।

    জনমত সমীক্ষার ফল (Delhi Election)

    জেভিসির এক্সিট পোল বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৩৯ থেকে ৪৫টি আসন। আপের ঝুলিতে যেতে পারে ২২ থেকে ৩১টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ০ থেকে ২টি আসন। পি মার্কের জনমত সমীক্ষা বলছে দিল্লিতে বিজেপি পেতে পারে ৩৯ থেকে ৪৯টি আসন। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আপ পেতে পারে ২১ থেকে ৩১টি আসন। কংগ্রেসের অবস্থা শোচনীয়। সোনিয়া-রাহুল গান্ধীর দল পেতে পারে ০ থেকে ১টি আসন।

    দিল্লি পদ্মময়

    পিপলস ইনসাইটের এক্সিট পোলের (Delhi Election) রিপোর্ট অনুযায়ী, বিজেপি পেতে পারে ৪০ থেকে ৪৪টি আসন। আপ পেতে পারে ২৫ থেকে ২৯টি আসন। আর কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ০ থেকে ১টি আসন। পিপলস প্লাসের জনমত সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৫১ থেকে ৬০টি আসন। কেজরিওয়ালের দল পেতে পারে ১০ থেকে ১৯টি আসন।

    চাণক্যস স্ট্র্যাটেজি বলছে, পদ্ম পার্টির ঝুলিতে যেতে পারে ৩৯ থেকে ৪৪টি আসন। আপ পেতে পারে ২৫ থেকে ২৮টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ২ থেকে ৩টি আসন। ম্যাট্রিজের জনমত সমীক্ষা বলছে, দিল্লিতে বিজেপি পেতে পারে ৩৫ থেকে ৪০টি আসন। আপের ঝুলিতে যেতে পারে ৩২ থেকে ৩৭টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে মাত্র ১টি আসন।

    জনমত সমীক্ষার ইঙ্গিত বাস্তবায়িত হলে এবার দিল্লি হবে পদ্মময়। অবসান হবে আপ জমানার। তবে সাতটি জনমত সমীক্ষার ফল বলছে, খাস দিল্লিতেই কংগ্রেসের অবস্থা করুণ। তারা বড়জোর পাবে ১ থেকে ৩টি আসন। উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এদিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিল্লিতে (Exit Poll) ভোট পড়েছে ৫৭.৭০ শতাংশ (Delhi Election)।

  • Amit Shah: “এবার অবশ্যই দিল্লিতে বিজেপি সরকার গঠিত হবে”, প্রত্যয়ী শাহ

    Amit Shah: “এবার অবশ্যই দিল্লিতে বিজেপি সরকার গঠিত হবে”, প্রত্যয়ী শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এবার অবশ্যই দিল্লিতে বিজেপির নির্বাসন শেষ হবে এবং বিজেপি সরকার গঠিত হবে।” মঙ্গলবার সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। গত ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে দিল্লিতে (Delhi Election) ক্ষমতার বাইরে রয়েছে বিজেপি। এই পর্বে দিল্লি শাসন করেছে কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টি। শেষ দু’বারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির পারফরম্যান্স ছিল মোটামুটি। ৭০টি আসনের দিল্লি বিধানসভায় ক্ষমতায় আসে আপ। বিধানসভায় ফল খারাপ হলেও, লোকসভা নির্বাচনে দিল্লিতে ব্যাপক ভালো ফল করেছে পদ্ম শিবির। গত বছর সাতটি আসনেই জয়লাভ করেছে গেরুয়া পার্টি।

    কী বললেন শাহ

    শাহ বলেন, “আপ হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি করেছে। তারা আন্না হাজারের দুর্নীতি-বিরোধী আন্দোলনের ওপর ভর করে ক্ষমতায় এসেছিল।” তিনি বলেন, “মিথ্যারও একটি আয়ু আছে। এখানে মিথ্যা বহুদিন ধরে চলছে। ১০ বছর হয়ে গেছে। জনগণ সব জানতে পেরেছে। তাই এবার পরিবর্তন আসবে।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “কিছু প্রতিশ্রুতি একই রকম হতে পারে। তারা সেগুলো পূরণ করেনি। কিন্তু জনগণ জানে যে মোদিজি সেগুলো পূরণ করবেন।” প্রসঙ্গত, ৫ ফেব্রুয়ারি দিল্লি বিধানসভার নির্বাচন। এবার লড়াই হবে ত্রিমুখী। নির্বাচনী ময়দানে রয়েছে শাসক দল আপ, বিজেপি এবং কংগ্রেস।

    মদ কেলেঙ্কারিই বড় ইস্যু

    দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে মদ কেলেঙ্কারিই বড় ইস্যু। ক্যাগ রিপোর্টের প্রসঙ্গ তুলে আপকে নিশানা করেছে বিজেপি। পদ্ম শিবিরের দাবি, মদ কেলেঙ্কারির ঘটনায় দিল্লিতে দুহাজার কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। তাদের দাবি, টাকা ঢুকেছে আম আদমি পার্টির নেতাদের পকেটে। ক্যাগের লিক হওয়া রিপোর্ট পেশ করেছে বিজেপি। বিজেপি দিল্লি সরকারের ওপর এক্সপার্ট প্যানেলের সুপারিশ না মানার অভিযোগও করেছে। বিজেপির দাবি, ক্যাগের রিপোর্টে চমকে দেওয়ার মতো তথ্য সামনে এসেছে। মদ কেলেঙ্কারিতে সরকারি তহবিলের ২০২৬ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে (Amit Shah)। বিজেপির দাবি, পলিসি লাগু করতেও ব্যর্থ হয়েছে (Delhi Election) আপ। আপ নেতাদের পকেটে মোটা টাকা ঘুষও ঢুকেছে।

  • One Nation One Election: এবার এক দেশ, এক নির্বাচনের পক্ষে সওয়াল করলেন রাষ্ট্রপতিও

    One Nation One Election: এবার এক দেশ, এক নির্বাচনের পক্ষে সওয়াল করলেন রাষ্ট্রপতিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার এক দেশ, এক নির্বাচনের (One Nation One Election) পক্ষে সওয়াল করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও (Draupadi Murmu)। প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক-সন্ধ্যায় তিনি বলেন, “নীতিপঙ্গুত্ব এড়াতে এ ধরনের সাহসী পদক্ষেপের প্রয়োজন রয়েছে।” প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এক দেশ, এক নির্বাচনের পক্ষে সুর চড়িয়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর যুক্তি, লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন এক সঙ্গে করা হলে এক দিকে যেমন কমবে নির্বাচনী ব্যয়, তেমনি অন্যদিকে বার বার ভোটের জন্য আদর্শ আচরণ বিধি লাগু হওয়ার দরুণ যে উন্নয়নমূলক কাজকর্ম ব্যাহত হয়, তা আর হবে না। প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন এক সঙ্গে করানোর ব্যাপারে কেন্দ্র যে উদ্যোগী হয়েছে, তার প্রশংসা করলেন রাষ্ট্রপতি।

    কেন্দ্রের উদ্যোগের প্রশংসা (One Nation One Election)

    কেন্দ্রের উদ্যোগের প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, “এ ধাঁচের বড় মাপের সংস্কারমুখী পদক্ষেপ করার জন্য সাহসী ও দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন হয়।” তিনি বলেন, “এই উদ্যোগ সুসাসনকে নতুন মাত্রা দিতে সক্ষম। এক দেশ, এক নির্বাচন (One Nation One Election) ব্যবস্থা কার্যকর হলে এক দিকে যেমন অর্থের অপচয় রোখা সম্ভব হবে, আর্থিক বোঝা হ্রাস হবে, অন্যদিকে তেমনই নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে যে জড়তা সৃষ্টি হয়, তা দূর হতে পারে।” রাষ্ট্রপতি পুরনো ফৌজদারি আইন প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্তেরও প্রশংসা করেছেন। গত বছরের জুলাই মাসে কার্যকর হয়েছে এই নয়া আইনগুলি।

    কী বললেন রাষ্ট্রপতি?

    তিনি বলেন, “আমরা ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা অর্জন করেছি, কিন্তু ঔপনিবেশিক মানসিকতার অনেক নিদর্শন দীর্ঘদিন ধরে আমাদের মধ্যে রয়ে গিয়েছিল। সম্প্রতি, আমরা সেই মানসিকতা পরিবর্তনের জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রত্যক্ষ করছি। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টাগুলির মধ্যে ছিল ভারতীয় দণ্ডবিধি, ফৌজদারি কার্যবিধি এবং ভারতীয় প্রমাণ আইনকে যথাক্রমে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা এবং ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়ম দ্বারা প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত।”

    সংবিধানের ৭৫ বছরের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি (Draupadi Murmu) বলেন, “এটি আমাদের অগ্রগতির পথকে পথনির্দেশ করেছে। “আমাদের গণপরিষদের গঠনও আমাদের প্রজাতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রমাণ (One Nation One Election)।”

  • Rajiv Kumar: ফের একবার ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

    Rajiv Kumar: ফের একবার ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার ইভিএমে (EVM) কারচুপির অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার (Rajiv Kumar)। মঙ্গলবার তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট এই যন্ত্রগুলির বিশ্বাসযোগ্যতার পক্ষে সাফাই দিয়েছে।”

    কী বললেন রাজীব কুমার? (Rajiv Kumar)

    এদিন সাংবাদিক বৈঠকে রাজীব কুমার বলেন, “ইভিএম-এ কোনও অবিশ্বাসযোগ্যতা বা কোনও ত্রুটির প্রমাণ নেই। ইভিএমে ভাইরাস বা বাগ আনার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। ইভিএমে অবৈধ ভোটের কোনও সুযোগ নেই। কারচুপি অসম্ভব।” তিনি বলেন, “বিভিন্ন রায়ে উচ্চ আদালত এবং সুপ্রিম কোর্ট বারবার এ কথা বলেছে। এর বাইরে আর কী বলা যায়? গণনার জন্য ইভিএম সম্পূর্ণ নিরাপদ। কারচুপির অভিযোগ ভিত্তিহীন।”

    ব্যালট সিস্টেমে ফেরা হবে না

    ইভিএমে কারচুপি করা হয় এই অভিযোগ তুলে ব্যালট সিস্টেমে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন তৃণমূল-সহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। এদিন সেই পরামর্শও উড়িয়ে দিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Rajiv Kumar) বলেন, “পুরনো কাগজের ব্যালট পদ্ধতিতে ফিরে যাওয়া অপ্রয়োজনীয় এবং পশ্চাৎমুখী। এটি নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার একটি প্রচেষ্টা।” ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগও অস্বীকার করেন রাজীব কুমার। বলেন, “যে কোনও অভিযোগ এবং আপত্তি যা ওঠে – তা সমস্ত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে শেয়ার করা হয়। ভারতীয় ভোটাররা অত্যন্ত সচেতন। ভোটার তালিকা নিয়ে অনেক গল্প ছড়াচ্ছে, এমনকি এখনও। প্রায় ৭০টি ধাপ রয়েছে, যেখানে রাজনৈতিক দল এবং প্রার্থীরা আমাদের সঙ্গে থাকেন। ফর্ম ৭ ছাড়া কোনও নাম বাদ দেওয়া সম্ভব নয়।”

    আরও পড়ুন: ট্রুডোর পরে কানাডার প্রধানমন্ত্রী পদের অন্যতম দাবিদার অনিতা আনন্দ, চেনেন তাঁকে?

    তিনি বলেন, “যাঁরা মহিলাদের বিরুদ্ধে অপ্রীতিকর মন্তব্য করেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, “লোকেরা এমন পর্যায়ে চলে যায় যে তারা নির্বাচনী কর্তাদের হুমকি দেয়। কিন্তু আমরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করি। তারকা প্রচারক ও যাঁরা রাজনৈতিক প্রচারের সঙ্গে জড়িত, তাঁদের কর্তব্যই হল শিষ্টাচার বজায় (EVM) রাখা।” এর পরেই তিনি (Rajiv Kumar) বলেন, “যদি কেউ মহিলাদের সম্পর্কে কিছু বলেন, আমরা খুব, খুব কঠোর হব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • One Nation One Election: ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ নিয়ে যৌথ সংসদীয় কমিটির বৈঠক ৮ জানুয়ারি

    One Nation One Election: ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ নিয়ে যৌথ সংসদীয় কমিটির বৈঠক ৮ জানুয়ারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ (One Nation One Election) নিয়ে যৌথ সংসদীয় কমিটির (JPC) বৈঠক হবে ৮ জানুয়ারি। মঙ্গলবার কংগ্রেস নেতা সলমন খুরশিদ বলেন, “এক দেশ, এক নির্বাচন পরিচালনা করা সহজ কাজ নয়। যৌথ সংসদীয় কমিটি সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে।” তিনি বলেন, “যখন সংসদীয় কমিটি বসবে, তখন সব বিষয় তাদের সামনে উপস্থাপন করা হবে এবং আলোচনা করা হবে।”

    যৌথ বিবৃতি (One Nation One Election)

    বামপন্থী দলগুলো সরকারের ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করেছে। সেই কারণেই লোকসভায় দুটি বিল উত্থাপন করা হয়েছে। বামপন্থীদের বক্তব্য, এটি যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ও রাজ্য বিধানসভাগুলির অধিকারগুলির ওপর সরাসরি আক্রমণ। যৌথ বিবৃতিতে ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি, ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী), ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী-লেনিনবাদী) মুক্তি, বিপ্লবী সোশ্যালিস্ট পার্টি এবং অল ইন্ডিয়া ফরওয়ার্ড ব্লকের নেতারা বলেন, “সংবিধানে প্রস্তাবিত সংশোধনী যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো এবং রাজ্য আইনসভা ও তাদের নির্বাচিত জনগণের অধিকারগুলির ওপর সরাসরি আক্রমণ। এটি কেন্দ্রীকরণের একটি রেসিপি এবং আইনসভাগুলির পাঁচ বছরের মেয়াদকে অযৌক্তিকভাবে কমিয়ে জনগণের ইচ্ছাকে সংকুচিত করার চেষ্টা।”

    আরও পড়ুন: দেশবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি থেকে প্রধানমন্ত্রী, কে কী লিখলেন?

    ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’

    প্রসঙ্গত, সংসদের শীতকালীন (One Nation One Election) অধিবেশনেই লোকসভায় পেশ হয়েছে ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ সংক্রান্ত দুটি বিল। ওই বিলে ভারতের সর্বত্র লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভার জন্য এক সঙ্গে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তাব করেছে। এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনার স্বার্থে বিল পাঠানো হয়েছে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে। ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ বিলটি পর্যালোচনার জন্য ৩১ সদস্য বিশিষ্ট যৌথ সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে ২১ জন সদস্য লোকসভার। এর মধ্যে রয়েছেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা এবং মণীষ তিওয়ারি, এনসিপির সুপ্রিয়া সুলে, তৃণমূল কংগ্রেসের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপির পিপি চৌধুরী, বাঁসুরি স্বরাজ এবং অনুরাগ সিং ঠাকুর। রাজ্যসভার দশজন সদস্যকেও প্যানেলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিরোধী দলের সদস্যরা সংশোধনীগুলোর বিরোধিতা করেছেন। তাঁদের যুক্তি, প্রস্তাবিত পরিবর্তনটি শাসক দলকে অযথা সুবিধা দিতে পারে। যার ফলে রাজ্যগুলিতে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় তার অতিরিক্ত প্রভাব পড়বে। ক্ষুণ্ণ হবে আঞ্চলিক দলের স্বায়ত্তশাসন (One Nation One Election)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • One Nation One Election: ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ বিল গেল যৌথ কমিটিতে, ৯০ দিনে সিদ্ধান্ত নেবেন ৩১ সাংসদ

    One Nation One Election: ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ বিল গেল যৌথ কমিটিতে, ৯০ দিনে সিদ্ধান্ত নেবেন ৩১ সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলেই লোকসভায় (Lok Sabha) পেশ হয়েছে ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ (One Nation One Election) বিল। বিলের ওপর হয় ভোটাভুটি। সরকারপক্ষের ঝুলিতে পড়েছে ২৬৮টি ভোট। বিরোধীরা পেয়েছেন ঢের কম ভোট। তবে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ বেশি ভোট পেলেও, এদিন সভায় পাশ করানো যায়নি বিলটি। তাই বিল দুটি (১২৯তম সংবিধান সংশোধনী বিল ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন সংশোধনী) কবে আইনে পরিণত হবে, কবে থেকেই বা কার্যকর হবে, তা নিয়ে ধন্দ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আলোচনার জন্য সংশোধনী বিলটি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে।

    যৌথ সংসদীয় কমিটি (One Nation One Election)

    এই যৌথ কমিটিতে থাকতে পারেন সর্বাধিক ৩১ জন সদস্য। এর মধ্যে ২১ জনই লোকসভার সদস্য। থাকবেন রাজ্যসভার সদস্যরাও। যৌথ কমিটিতে কোন দলের কতজন সদস্য থাকবেন, তা নির্ভর করে ওই দলের মোট সাংসদ সংখ্যার ওপর। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। শুক্রবারই শেষ হয়ে যাচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। রাজনৈতিক দলগুলিকে তাদের সদস্যদের নাম প্রস্তাব করতে বলা হয়েছে। তবে যেহেতু লোকসভায় বিজেপিই একক বৃহত্তম দল, তাই কমিটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকবে পদ্ম শিবিরেরই। কমিটির সভাপতি পদেও বসবেন বিজেপির কোনও এক সাংসদ।

    কমিটির মেয়াদ

    সংসদীয় যৌথ কমিটির মেয়াদ থাকতে পারে ৯০ দিন। প্রয়োজনে তা বাড়ানোও যেতে পারে। এই কমিটির কাজ হল, বিল দুটিতে কোথাও কোনও সংশোধন, সংযোজন, বিয়োজনের প্রয়োজন রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা। কমিটি থেকে বেরিয়ে বিল দুটি পাঠানো হবে লোকসভায়। সেখানে পাশ হওয়ার পর (One Nation One Election) ফের যাবে রাজ্যসভায়। সংসদের উভয় কক্ষে পাশ হওয়ার পর বিল দুটি পাঠানো হবে রাষ্ট্রপতির কাছে। সংবিধান সংশোধনী সংক্রান্ত এই বিল পাশ করাতে সংসদের উভয় কক্ষেই দুই তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার প্রয়োজন বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের।

    আরও পড়ুন: রবীন্দ্র ঘোষকে সংবর্ধনা বিজেপির, “এক পাও পিছু হঠব না”, বললেন চিন্ময়কৃষ্ণের আইনজীবী

    সূত্রের খবর, বিলটি নিয়ে তাড়াহুড়ো করতে চাইছে না মোদি সরকার। তাই কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি, সাংসদ, দেশের আইনি ও সাংবিধানিক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শও নেওয়া হতে পারে। আলোচনা করা হতে পারে নির্বাচন কমিশনের প্রাক্তন সদস্যদের সঙ্গেও। মতামত নেওয়া হতে পারে বিধানসভার স্পিকারদেরও। শোনা হবে সাধারণ মানুষের কথাও। সব দিক থেকে সমর্থন মিললে, ২০৩৪ সালে এক সঙ্গে হবে লোকসভা (Lok Sabha) ও বিধানসভার ভোট (One Nation One Election)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

       

  • One Nation One Election: ভোটাভুটির পর লোকসভায় পেশ হল ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ বিল, কী বললেন অমিত শাহ?

    One Nation One Election: ভোটাভুটির পর লোকসভায় পেশ হল ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ বিল, কী বললেন অমিত শাহ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সলতে পাকানোর কাজ চলছিল দীর্ঘ দিন ধরেই। শেষমেশ মঙ্গলবার সংসদে পেশ হল ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ (One Nation One Election) সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিল। বিলটি পেশ করেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। তাঁর প্রস্তাব, বিলগুলি যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো উচিত (Lok Sabha)। এদিন যে বিল দুটি পেশ করা হয়েছে, সেগুলি হল সংবিধান (১১৯ সংশোধনী) বিল, ২০২৪ এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন সংশোধন বিল, ২০২৪। লোকসভায় বিল দুটি পেশ হতেই সরব হন কংগ্রেস, তৃণমূল এবং সমাজবাদী পার্টির সাংসদরা। বিলের বিরোধিতা করে শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে শিবিরও।

    বিলের পক্ষে ব্যাপক সমর্থন (One Nation One Election)

    তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়, প্রস্তাবিত বিলটি আঘাত করেছে সংবিধানের মৌলিক কাঠামোকে। কংগ্রেসের দাবি, বিলটি গণতন্ত্রের পরিপন্থী। বিলটি নিয়ে ভোটাভুটি হয়। দেখা যায়, বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ২৬৯ জন সাংসদ। বিরোধীরা পেয়েছেন ১৯৮টি ভোট। ব্যাপক হইচইয়ের জেরে এদিন বিকেল ৩টে পর্যন্ত ঘণ্টাখানেকের জন্য মুলতুবি রাখা হয় সভার কার্যক্রম। প্রসঙ্গত, এই প্রথম নতুন সংসদ ভবনের লোকসভায় ব্যবহার হল ইলেকট্রনিক ভোটিং ব্যবস্থা।

    কী বললেন শাহ

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লোকসভায় জানান, সরকার ‘ওয়ান নেশন ওয়ান ইলেকশন’ বিলগুলোকে আলোচনার জন্য যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠাতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, “এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেই প্রস্তাব করেছিলেন।” শাহ বলেন, “যখন এক দেশ এক নির্বাচন বিল মন্ত্রিসভায় উঠেছিল, প্রধানমন্ত্রী মোদি স্বয়ং বলেছিলেন, এটি (One Nation One Election) সংসদের যৌথ কমিটিতে পাঠানো উচিত। এই বিষয়ে প্রতিটি স্তরে বিশদ আলোচনা হওয়া উচিত।” বিলের স্বপক্ষে ছিল ৩২টি রাজনৈতিক দল। বিরোধিতা করেছে ১৫টি দল। জগন মোহন রেড্ডির ওয়াইএসআরসিপি-ও ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ বিলকে সমর্থন করেছেন।

    আরও পড়ুন: ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেওয়া কীভাবে অপরাধ হতে পারে? প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট

    প্রশ্ন হল, বিলটি আইনে পরিণত হলে কবে এক সঙ্গে হবে লোকসভা ও বিধানসভার নির্বাচন? জানা গিয়েছে, যদি কোনও পরিবর্তন বা সংশোধনী ছাড়াই বিলগুলি সংসদে পাশ হয়ে যায়, তাহলে ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ কার্যকর করা যেতে পারে (Lok Sabha) ২০৩৪ সাল থেকেই (One Nation One Election)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • One Nation One Election: লোকসভায় পেশ হল ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ বিল, কবে থেকে ভোট একযোগে?

    One Nation One Election: লোকসভায় পেশ হল ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ বিল, কবে থেকে ভোট একযোগে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, মঙ্গলবার লোকসভায় পেশ হল এক দেশ, এক নির্বাচন (One Nation One Election) সংক্রান্ত বিল। বিলগুলি কবে আইনে পরিণত হবে, তা নিয়ে কৌতূহল দেশজুড়ে (Joint Polls)। সবারই প্রশ্ন, এই বিল আইনে পরিণত হলে কবে এক সঙ্গে হবে লোকসভা ও বিধানসভার নির্বাচন? জানা গিয়েছে, যদি কোনও পরিবর্তন বা সংশোধনী ছাড়াই বিলগুলি সংসদে পাশ হয়ে যায়, তাহলে ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ কার্যকর করা যেতে পারে ২০৩৪ সাল থেকে।

    মোদি সরকারের পদক্ষেপ (One Nation One Election)

    ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ কার্যকর করতে অনেক দিন ধরেই একটু একটু করে পদক্ষেপ করছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদির সরকার। এক দেশ এক নির্বাচন ব্যবস্থা এ দেশে চালু হলে, তা কতটা বাস্তবসম্মত হবে – সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়। মার্চ মাসে সেই কমিটি রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে একটি রিপোর্ট জমা দেয়। ওই কমিটির সুপারিশের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বিলগুলি তৈরি করা হয়েছে।

    বিল পাশের পদ্ধতি

    বিলগুলি লোকসভায় পেশ হওয়ার পর এবার তা পাঠানো হবে সংসদীয় যৌথ কমিটিতে। সেই কমিটি বিবেচনা করে দেখবে বিলগুলি। বিলগুলিতে কোথাও সংশোধন, সংযোজন, বিয়োজনের প্রয়োজন রয়েছে কি না, তা বিবেচনা করে দেখবে সংসদীয় যৌথ কমিটি। এর পরে বিলগুলি নিয়ে ভোটাভুটি হবে লোকসভায়। পাশ হলে (One Nation One Election) রাজ্যসভায় পাঠানো হবে। সেখানে পাশ হলে, পাঠানো হবে রাষ্ট্রপতির কাছে।

    আরও পড়ুন: ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেওয়া কীভাবে অপরাধ হতে পারে? প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট

    এক দেশ এক ভোট বিষয়ক মোট দুটি বিল রয়েছে। সেগুলি হল – সংবিধান ১২৯তম সংশোধনী বিল এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন (সংশোধনী) বিল। জানা গিয়েছে, বিলগুলিতে যে সংশোধনীর কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে একটি হল রাজ্য বিধানসভাগুলির মেয়াদ এবং লোকসভার মেয়াদকে একই সময়ের মধ্যে নিয়ে আসা। এই বিষয়গুলি ২০৩৪ সালের আগে কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা কমই। খসড়া বিলের প্রস্তাব অনুযায়ী, লোকসভা নির্বাচনের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি এক দেশ,এক নির্বাচনের তারিখ নির্দিষ্ট করে বিজ্ঞপ্তি জারি করবেন (Joint Polls)। ২০২৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের পর নয়া সরকার গঠন হলেই তা সম্ভব (One Nation One Election)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share