Tag: Election Commission

Election Commission

  • SIR: ২০১০ সালের আগে দেওয়া ওবিসি শংসাপত্রই এসআইআর শুনানিতে গ্রাহ্য হবে, সাফ নির্দেশ কমিশনের

    SIR: ২০১০ সালের আগে দেওয়া ওবিসি শংসাপত্রই এসআইআর শুনানিতে গ্রাহ্য হবে, সাফ নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর (SIR) আবহে চলছে শুনানি পর্ব। আর এই শুনানিতে কেবলমাত্র ২০১০ সালের আগে দেওয়া ওবিসি শংসাপত্রই গ্রহণযোগ্য হবে বলে নির্দেশিকা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১০ থেকে জারি হওয়া ওবিসি সার্টিফিকেট এসআইআরের কাজে ব্যবহার করা যাবে না। এই মর্মে ইতিমধ্যে জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিক ডিইও-দের নির্দেশিকাও (Election Commission) পাঠানো হয়েছে।

    গ্রাহ্য হবে না ২০১০-২০২৪ সার্টিফিকেট (SIR)

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) বক্তব্য, ২০১০ সালের পর থেকে ২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত দেওয়া সব ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। তারই জেরে এই সিদ্ধান্ত বলে এই খবর। চলতি বছর ১২ জুন রাজ্য ওবিসির যে তালিকা প্রকাশ করেছে সেই তালিকাও এই নির্দেশিকার আওতায় পড়বে। ২০২৪ সালের ২২ মে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপব্রোত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ ২০১০ সালের পরে দেওয়া সমস্ত ওবিসি শংসাপত্র বাতিল করে দিয়েছিল। ২০১০ সালের আগে পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে মোট ৬৬টি জনগোষ্ঠী ওবিসি বলে ধরা হত। ২০১০ সালে তৎকালীন বাম সরকারের আমলে আরও ৪২টি এবং ২০১২ সালে তৃণমূল সরকারের আমলে ৩৫টি জনগোষ্ঠীকে নতুন করে ওবিসি বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই সব শংসাপত্র বাতিল করে দিয়েছে হাইকোর্ট। এসআইআর (SIR) শুনানিতে গ্রাহ্য হবে না এই সার্টিফিকেট।

    তবে ওই রায়ে হাইকোর্টের স্পষ্ট কথা ছিল, সামাজিক, আর্থিক এবং পেশাগত ভাবে সব জনগোষ্ঠীর মধ্যে সমীক্ষা করতে হবে। তারপর নতুন করে ওবিসি তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। চাকরি এবং কলেজের পরীক্ষায় ২০১০ সালের আগে পর্যন্ত যে ৬৬টি জনগোষ্ঠী অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির অংশ ছিল, তাঁদের শংসাপত্রই গ্রাহ্য হবে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর তালিকার অংশ হিসেবে।

    ১১টি নথির মধ্যে বাদ ওবিসি সার্টিফিকেট

    ২০১০ সাল থেকে যাঁদের ওবিসিতে নথিভুক্ত করা হয়েছে, হাইকোর্টের রায়ে ওই শংসাপত্র বাতিল হবে। রাজ্যে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বা এসআইআর শুরু হয়েছে। প্রাথমিক খসড়া প্রকাশিত হওয়ার পর শুনানি পর্ব চলছে রাজ্যে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় যে ১১টি নথিকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে ওবিসি সার্টিফিকেটের ক্ষেত্রে কমিশন (Election Commission) স্পষ্ট করে বলেছে, ২০১০ সালের আগে যারা সার্টিফিকেট পেয়ে তালিকাভুক্ত হয়েছে তাঁদের এই শংসাপত্র এসআইআর-এ (SIR) গ্রাহ্য হবে।

  • SIR: নথি না থাকলে একতরফাভাবে বাতিল নয় আশ্রমিক-আদিবাসীদের নাম, স্পষ্ট করল কমিশন

    SIR: নথি না থাকলে একতরফাভাবে বাতিল নয় আশ্রমিক-আদিবাসীদের নাম, স্পষ্ট করল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যৌনকর্মী, আদিবাসী, আশ্রমের বাসিন্দা এবং দুর্বল-প্রান্তিক মানুষদের নাম একতরফাভাবে ভোটার তালিকা (SIR) থেকে বাদ দেওয়া যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ভোটার লিস্টের নিবিড় তালিকা সংশোধনে কোনও যোগ্য ভোটারের নাম যাতে বাদ না যায় সেই দিকে যেমন নজর রাখতে হবে, একইভাবে অবৈধ ভোটারের নাম যাতে লিস্টে না থাকে সেই দিকেও স্পষ্ট নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।

    প্রান্তিক এবং দুর্বলদের ডাকা যাবে না (SIR)

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে, সমাজের মধ্যে যাঁরা প্রান্তিক এবং দুর্বল যেমন-যৌনকর্মী, আদিবাসী গোষ্ঠী, আশ্রমের বাসিন্দা— এমন অনেক মানুষ রয়েছেন যাঁদের নাম হয়তো ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নেই, তাঁদের কোনও রকম নথির (SIR) প্রয়োজন নেই। শুধু নথির অভাবে তাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার আশঙ্কা থাকলে তাঁদের নাম লিস্ট থেকে বাদ দেওয়া যাবে না। কমিশনের এই বিষয়ে সাফ কথা, কোনও যোগ্য ব্যক্তি বৈধ বা বাস্তব কারণে প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে না পারেন, তাহলে তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া যাবে না।

    বাড়িতে গিয়ে শুনানি করতে হবে

    পাশাপাশি বিএলও-কে সতর্ক করে কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে, ৮৫ বছরের ঊর্ধ্ব এমন কাউকে শুনানি (SIR) কেন্দ্রে দেখা গেলে শাস্তি পেতে হবে। একইভাবে শুনানিতে ছাড় দেওয়া হয়েছে অসুস্থ এবং বিশেষ ভাবে সক্ষমদেরও। ইতিমধ্যে শুনানিতে অনেক অসুস্থ, প্রতিবন্ধী এবং বৃদ্ধ ভোটারকে দেখা গিয়েছে। যদিও কমিশনের তরফে আগে থেকে কোনও এই বিষয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়নি। ফলে শুনানির লাইনে অনেক অসুস্থ প্রতিবন্ধী এবং বৃদ্ধ ভোটারকে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে। আর তাতেই নানা মহলে এই নিয়ে বিতর্কও শুরু হয়েছে। এরপর মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে বিজ্ঞপ্তি করে জানানো হয়েছে যে, ৮৫ বছরের ঊর্ধ্ব ভোটারদের শুনানিতে ডাকা যাবে না, তাঁদের বাড়িতে গিয়ে শুনানি করতে হবে। কোনও ভোটারকে যদি শুনানির নোটিশ পাঠানো হয়ে গিয়ে থাকে, তবে তাঁদের সঙ্গে আলাদা করে যোগাযোগ করতে হবে আধিকারিকদের। শুনানিতে যেন না আসেন তার অনুরোধ করতে হবে। তাঁদের নথি যাচাই করতে হবে বাড়িতে গিয়ে। এই বিষয়টি নিয়ে বিশেষ ভাবে খেয়াল রাখাতে হবে বিএলও, ইআরও এবং এইআরও-দের। আর যদি শুনানিতে যেতে বাধ্য করা হয় তাহলে সংশ্লিষ্ট বিএলও এবং বিএলও সুপারভাইজারকে দায়ী করা হবে।

  • Bengal Assembly Election: ‘আমি আমার কাজ করতে এসেছি’: বিএলএ ইস্যুতে অচল শুনানি, নির্বাচনী আধিকারিকের গাড়িতে হামলা

    Bengal Assembly Election: ‘আমি আমার কাজ করতে এসেছি’: বিএলএ ইস্যুতে অচল শুনানি, নির্বাচনী আধিকারিকের গাড়িতে হামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুথ-লেভেল এজেন্টদের (BLA) শুনানিতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তকে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে সোমবার পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) সংক্রান্ত শুনানি বন্ধ রাখতে হয়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাটে বিশেষ রোল অবজারভার সি মুরুগানের গাড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও কলকাতা দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রের এসআইআর পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা আইএএস অফিসার সি মুরুগান মগরাহাট ১ ও ২ ব্লকে পরিদর্শনে গেলে বিক্ষোভের মুখে পড়েন। বিক্ষোভকারীরা তাঁর গাড়িতে ধাক্কা দেয় এবং একটি দরজার হাতল ভেঙে যায়। ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন মুরুগানকে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে।

    ভয় পাওয়ার কিছু নেই

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়াল জানান, এই ঘটনার বিষয়ে রাজ্যের ডিজিপি রাজীব কুমার এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককেও রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। বিশেষ রোল অবজারভার সুব্রত গুপ্ত জানান, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তা নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হবে। এই উত্তেজনার সূত্রপাত নির্বাচন কমিশনের একটি সিদ্ধান্ত থেকে। যেখানে কমিসন সূত্রে বলা হয় এসআইআর শুনানিতে রাজনৈতিক দল মনোনীত বিএলএদের উপস্থিতি অনুমোদিত নয়। বিক্ষোভ সত্ত্বেও নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন মুরুগান। তিনি বলেন, “আমি আমার কাজ করতে এসেছি এবং তা করবই। আমার ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমি একজন আইএএস অফিসার এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশেই এখানে এসেছি। আমাকে নিরাপত্তা দেওয়া প্রশাসনের দায়িত্ব।”

    শুনানি হতে দেব না

    একই সময়ে হুগলি ও মেদিনীপুরেও অনুরূপ পরিস্থিতি তৈরি হয়। হুগলির চুঁচুড়া-মগরা ব্লক অফিসে তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার বিএলএদের বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তে আপত্তি জানালে শুনানি সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। তিনি বলেন, “বিএলএদের অনুমতি না দিলে বা লিখিতভাবে জানানো না হলে আমরা শুনানি হতে দেব না।” এরপর ব্লক অফিসের গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপে জেলাশাসক ও অন্যান্য আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে শুনানি পুনরায় চালু করেন। মেদিনীপুরে জেলাশাসকের দফতরে শুনানির সময় বিএলএরা ঢুকে পড়ে এবং ভিতরে থাকার দাবি জানায়। তাঁদের সরানো সম্ভব না হওয়ায় প্রায় ৪০ মিনিটের জন্য শুনানি বন্ধ রাখতে হয়।

    নিজের অবস্থানে অনড় কমিশন

    তবে নির্বাচন কমিশন নিজের অবস্থানে অনড়। সিইও মনোজ আগরওয়াল বলেন, “শুনানি কক্ষে বিএলএদের প্রবেশাধিকার নেই। বিহার বা অন্যান্য রাজ্যেও এসআইআর চলাকালীন এই নিয়মই মানা হয়েছে।” তিনি আরও জানান, শুধুমাত্র ইআরও, এইআরও, বিএলও, বিএলও সুপারভাইজার, মাইক্রো অবজারভার এবং সংশ্লিষ্ট ভোটারই শুনানি কক্ষে থাকতে পারবেন। ভার্চুয়াল শুনানির কোনও বিধানও নেই বলে স্পষ্ট করেন তিনি। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন প্রসঙ্গে আগরওয়াল বলেন, প্রয়োজন হলে রাজ্য সরকারই সেই অনুরোধ জানাবে।

  • West Bengal SIR: মাইক্রো-অবজার্ভার নিয়োগ কমিশনের, এসআইআর-শুনানিতে তথ্য যাচাইয়ে কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিকরা

    West Bengal SIR: মাইক্রো-অবজার্ভার নিয়োগ কমিশনের, এসআইআর-শুনানিতে তথ্য যাচাইয়ে কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার (এসআইআর) শুনানি পর্বের তদারকি করবেন কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিকেরা। নির্বাচন কমিশনের নয়া নির্দেশিকা অনুয়ায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিকদের বিভিন্ন শুনানিকেন্দ্রে মাইক্রো অবজার্ভার হিসাবে নিয়োগ করা হবে। এই দায়িত্ব পাবেন মূলত কেন্দ্রের গ্রুপ বি বা তার ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা।

    সিইও দফতরের আবেদনে মান্যতা

    চলতি মাসের ১২ তারিখ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে মাইক্রো অবজার্ভার চাওয়া হয়েছিল। এসআইআর-এর কাজের জন্য মাইক্রো অবজার্ভার চেয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে (ECI) চিঠি পাঠিয়েছিল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। এবার সেই আবেদনে সম্মতি দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন৷ শুক্রবার সেই আবেদনে সম্মতি দিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশন বিজ্ঞপ্তি জারি করল। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সব জেলার সব বিধানসভার জন্য মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করা হবে।

    ৩০ হাজার টাকা সাম্মানিক

    মূলত যতগুলো জায়গার যতগুলো রুমে শুনানি হবে, সেই হিসাবে প্রতি রুম পিছু একজন করে মাইক্রো রোল অবজার্ভার নিয়োগ করতে হবে। শুনানি-পর্বে ইআরও এবং এইআরও-দের সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন মাইক্রো অবজার্ভাররা। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ইআরও এবং এইআরও-দের কাজকে সহজ করে দেবেন মাইক্রো অবজার্ভাররা৷ কমিশন জানিয়েছে, বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে আধিকারিক এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের আধিকারিকদের এই কাজের জন্য নিয়োগ করা হবে। শুনানি পর্বে কাজ করার জন্য তাঁরা ৩০ হাজার টাকা সাম্মানিক পাবেন।

    কী দায়িত্ব পালন?

    মাইক্রো অবজার্ভারদের কোন দায়িত্ব পালন করতে হবে? জানা গেছে— ১)এসআইআর শুনানি পর্বে ইআরও এবং এইআরও-র কাজে নজর রাখা। ২) ত্রুটিমুক্ত ভোটার তালিকা তৈরি এবং সংশোধনে সহযোগিতা করা। ৩) এনুমারেশন ফর্ম, ভোটারদের জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্র এবং শুনানির জন্য আসা ভোটাদের নথি যাচাই করা। ৪) ভোটার তালিকার অসঙ্গতি চিহ্নিত করা এবং পরিসংখ্যানগত বিশ্লেষণও করা। কমিশেনর নির্দেশিকা অনুযায়ী, জেলা নির্বাচনী আধিকারিকরা (DEO) কেন্দ্রের এই আধিকারিকদের নিরাপত্তা ও যাতায়াতের বন্দোবস্ত করবেন।

  • SIR: প্রবীণ ভোটারদের হয়রানি কমাতে বাড়িতেই হবে হেয়ারিং, জানাল নির্বাচন কমিশন

    SIR: প্রবীণ ভোটারদের হয়রানি কমাতে বাড়িতেই হবে হেয়ারিং, জানাল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স্কদের এখন আর চিন্তা নেই। প্রবীণ ভোটারদের হয়রানি কমাতে বাড়িতেই হবে হেয়ারিং। এই কাজে সাহায্য করবেন নির্বাচন কমিশনের বিএলও এবং এইআরও-রা (SIR)। ৮৫ বছর বা তার বেশি ঊর্ধ্বে যাঁদের বয়স, তাঁরা যদি শুনানির আওতায় পড়েন, তাঁদের ক্ষেত্রে হেয়ারিং-এর জন্য দফতরে যেতে হবে না। বাড়িতে হেয়ারিং করার ক্ষেত্রে ইআরও এবং নির্বাচন আধিকারিক এইআরও এবং বুথ লেভেল অফিসাররা (বিএলও) সহযোগিতা করবেন। বয়স্ক ভোটারদের যাতে কোনও ভাবেই হয়রানির মুখে না পড়তে হয় তাই কমিশনের (Election Commission) এই সিদ্ধান্ত। খসড়া তালিকায় ইতিমধ্যে বাদ গিয়েছে ৫৮ লক্ষের বেশি নাম। দেড় কোটির বেশি নামে তথ্যের ভুল রয়েছে। তবে সব মিলিয়ে এক লক্ষের বেশি হেয়ারিং হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ওয়েবসাইটে তথ্য আপলোডে একাধিক অভিযোগ আসছে বিভিন্ন জেলা থেকে।

    বেশ কিছুই এলাকায় গড়মিল (SIR)

    এসআইআর-এর (SIR) খসড়া তালিকায় একাধিক ভুল ধরা পড়ায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিএলওদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে শোকজ নোটিস জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। শিলিগুড়ি, দার্জিলিং জেলার বিভিন্ন বিএলও-দের বিরুদ্ধে শোকজ করা হয়েছে। একই ভাবে হুগলির চণ্ডীতলা, মাটিগাড়া, নকশালবাড়ি, এবং কোচবিহারের দক্ষিণ বিধানসভার মোট তিনজন বিএলওকেও শোকজ করা হয়েছে। কমিশন (Election Commission) ইতিমধ্যে এই কেন্দ্রগুলিতে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট ইআরও-দের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।

    খসড়া তালিকায় জীবিত ব্যক্তি মৃত

    ডানকুনির এক কাউন্সিলরের নিজের নাম খসড়া তালিকায় (SIR) মৃত দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। কমিশনের তরফে ইতিমধ্যে বিলওকে শোকজ করা হয়েছে। এই ঘটনায় কমিশন এলাকার বিডিও এবং এইআরওদের কাজের হিসেব চেয়ে নোটশ পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আপডেট এবং কপির সঙ্গে যুক্ত করার কথাও বলা হয়েছে। শিলিগুড়িতে এক মৃত ভোটারের নামে গোলমাল হওয়ায় বিএলওকে শোকজ করা হয়েছে। আবার কোচবিহারের দক্ষিণ বিধানসভা ক্ষেত্রেও একই ভাবে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। কমিশনের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী এই দুই ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃত ভুল করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে কমিশনের (Election Commission) সাফ কথা যেহেতু ভুল হয়েছে তাই ভোটারদের দিয়ে বিএলওকে ফর্ম ৬ পূরণ করতেই হবে।

    বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা ঠিক করে হয়নি

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বেলেঘাটা বিধানসভার মোট সাতটি বুথের বিএলও কে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যে কমিশন নোটিশ ধরিয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি উত্তর না পাওয়া যায় তাহলে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আরও অভিযোগ রয়েছে ফর্ম বিতরণ, তালিকা সংশোধন, বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা এবং নথি যাচাই-এর কাজ ঠিক মতো হয়নি। ফর্ম (SIR) জমা পড়লেও তার তথ্য ঠিক করে আপডেট হয়নি। ঠিকানা বা নম্বর সংশোধন ঠিক করে করা হয়নি। আবার বেশকিছু বুথে নিয়মিত পরিদর্শনও করা হয়নি।

    গাফিলতি প্রমাণে বরখাস্ত

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) অবশ্য বক্তব্য, সমানেই বিধানসভা নির্বাচন তাই ভোটার তালিকা সংশোধন হওয়া একান্ত জরুরি। নতুন নাম যুক্ত করা, মৃতদের নাম বাদ দেওয়া, ঠিকানা বদল হয়েছে এমন নাম চিহ্নিত করা, একাধিক জায়গায় নাম রয়েছে এবং ভুয়ো ভোটারদের নাম তালিকা (SIR) থেকে বাদ দেওয়া একান্ত দরকার। বৈধ ভোটারদের নাম তালিকায় অবশ্যই থাকতে হবে। কমিশন এই সংক্রান্ত কাজের কোনও রকম আপোষ করবে না। তবে যদি কাজে গাফিলতি প্রমাণিত হয় তাহলে বরখাস্ত অবধারিত। ভোটের কাজে কোনও রকম আলস্য ভাব দেখালে চলবে না। কাজে গাফিলতি পেলেই কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    শুনানি নিয়ে কমিশনের নির্দেশিকা

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, শুনানির জন্য দুটি নোটিস ইস্যু করা হবে। একটি নোটিস সংশ্লিষ্ট ভোটারকে দেওয়া হবে। আর একটি নোটিস বিএলও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে স্বাক্ষর করে নিজের কাছে রাখবেন। নোটিশ পাওয়ার পর শুনানিতে যাওয়ার জন্য এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হবে। জেলাশাসক, মহকুমা শাসক, বিডিও-র অফিস তথা সরকারি অফিসে এই শুনানি কেন্দ্র হবে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০০ জনকে নিয়ে শুনানি করতে পারবেন আধিকারিকরা। উপস্থিত থাকবেন ইআরও, এইআরও-রা। কেন্দ্রে রাখতে হবে বসার জায়গা, জেরক্স করার জায়গা, জলের ব্যবস্থা। সংশ্লিষ্ট ভোটারকেই হিয়ারিং-এর সময় উপস্থিত থাকতে হবে। যদি কোনও কারণে নির্দিষ্ট দিনে তিনি উপস্থিত থাকতে না পারেন, তাহলে সেই তারিখ বদলানো যেতে পারে।

  • EC: এসআইআর-এর শুনানি পর্বে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে বাড়তি নজর কমিশনের! কেন জানেন?

    EC: এসআইআর-এর শুনানি পর্বে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে বাড়তি নজর কমিশনের! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ার পর যে প্রাথমিক পর্বের খসড়া তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে বাদ পড়েছে ৫৮ লাখের কাছাকাছি ভোটারের নাম (Suspicious Voters)। এবার শুরু হবে শুনানি প্রক্রিয়া (EC)। এই প্রক্রিয়া শুরু হলে প্রাথমিকভাবে ডাক পেতে পারেন এনিউমারেশন ফর্মে কোনও ম্যাপিং না দেখানো কমবেশি ৩০ লাখ ভোটার। এর বাইরেও শুনানিতে ডাকা হবে বিভিন্ন জেলার সন্দেহজনক তালিকায় থাকা ভোটারদের। বাবা-মা, দাদু-দিদা, ঠাকুর্দা-ঠার্কুমার সঙ্গে যাঁদের বয়সের ফারাক অনেক বেশি কিংবা একই ব্যক্তিকে অনেকে বাবা-মা-দাদু-দিদা হিসেবে দেখিয়েছেন, এমন সন্দেহজনক ভোটারের তালিকা আপাতত ঝাড়াই-বাছাই করছে কমিশন। প্রথমে এই সংখ্যাটা ১ কোটি ৬৭ লাখের মতো থাকলেও, আপাতত তা খানিক কমে হয়েছে ১ কোটি ৩৭ লাখ। তার মধ্যে থেকেই ডাক পাবেন সন্দেহজনক ম্যাপিং করা ভোটাররা।

    ঝাড়াই-বাছাই পর্ব (EC)

    এই তালিকা ঝাড়াই-বাছাই পর্বে কমিশন বাড়তি নজর দিচ্ছে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে। সূত্রের খবর, দাদু-দিদা অথবা ঠাকুর্দা-ঠাকুর্মার নাম ব্যবহার করে প্রোজেনি ম্যাপিংয়ের ক্ষেত্রে সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন শুধু মুর্শিদাবাদেই ৪ লাখ ৭ হাজার ৬৫ ভোটার। রাজ্যের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে এই জেলা। এর পরেই রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। এই দক্ষিণ পরগনারই ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র থেকে প্রায় ৭ লাখ ভোটে জিতে সাংসদ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই জেলায় সন্দেহজনক প্রোজেনি ম্যাপিংয়ের তালিকায় রয়েছেন ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৯১০ জন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এখানে সন্দেহজনক প্রোজেনি ম্যাপিংয়ের তালিকায় রয়েছেন ২ লাখেরও বেশি ভোটার।

    খসড়া ভোটার

    কমিশনের তালিকা অনুযায়ী (EC), খসড়া ভোটার তালিকায় সব চেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে (Suspicious Voters) দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়। এখানে বাদ পড়েছে ৮ লাখ ১৮ হাজার ৪৩২ জন ভোটার। উত্তর ২৪ পরগনায় বাদ পড়েছে ৭ লাখ ৯২ হাজার ১৩৩ জন ভোটার। কমিশন সূত্রে খবর, শুধু দুই ২৪ পরগনায়ই এখনও পর্যন্ত হদিশ মিলেছে ছ’লাখেরও বেশি মৃত ভোটারের। নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মানুষ। উত্তর ২৪ পরগনার নোয়াপাড়া, বারাকপুর, দমদম উত্তর, খড়দা, রাজারহাট, গোপালপুর, বিধাননগর এবং দক্ষিণ পরগনার যাদবপুর ও কসবা কেন্দ্রের অনেকের নামও বাদ পড়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, এর মধ্যে শুনানির জন্য ডাক পেতে পারেন ১ কোটির মতো ভোটার।

    সন্দেহজনক ভোটারের তালিকায় কারা?

    সন্দেহজনক ভোটারের তালিকায় রয়েছেন কারা? কমিশন জানিয়েছে, এনুমারেশন ফর্ম খতিয়ে দেখা গিয়েছে বহু ভোটারের সঙ্গে তাঁর বাবা-মায়ের বয়সের ফারাক ১৫ বছর বা তারও কম। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় এই সংখ্যাটা ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭০২ জন। এর পরেই রয়েছে আর এক ২৪ পরগনা। কমিশনের মতে, কিছু ক্ষেত্রে তথ্য ও প্রযুক্তিগত ভুল (Suspicious Voters) হয়ে থাকতে পারে। তবে একটা বড় অংশের ক্ষেত্রে অবশ্যই জালিয়াতি হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। খসড়া তালিকা ঝাড়াই-বাছাই হলে এসবই ধরা পড়বে ছাঁকনিতে (EC)।

  • West Bengal SIR: এসআইআর হিয়ারিংয়ে আপনাকে ডাকা হয়েছে কীভাবে জানবেন? সঙ্গে কী কী নথি রাখবেন?

    West Bengal SIR: এসআইআর হিয়ারিংয়ে আপনাকে ডাকা হয়েছে কীভাবে জানবেন? সঙ্গে কী কী নথি রাখবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর প্রকাশিত হয়েছে খসড়া ভোটার তালিকা। আপাতত সেই তালিকায় রয়েছে ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩১ জনের নাম। একইসঙ্গে প্রকাশিত হয়েছে রাজ্যজুড়ে বাদের তালিকা। যাতে রয়েছে ৫৮,২০,৮৮৯ নাম। এবার শুরু হতে চলেছে বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর-এর দ্বিতীয় ধাপ— হিয়ারিং। এখন প্রশ্ন হল, খসড়া তালিকায় আপনার নাম থাকা মানেই কি চূড়ান্ত তালিকাতেও আপনার নাম থাকবে? একেবারেই তা নয়। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, এখন প্রায় ২ মাস ধরে চলবে চুলচেরা বিশ্লেষণ। ১৭ ডিসেম্বর থেকে ২২ বা ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে নোটিস পাঠানোর কাজ। তারপরই শুরু হবে হিয়ারিং। অন্যদিকে, যদি আপনার নাম খসড়া ভোটার তালিকায় না থাকে, তাহলে আপনাকে নির্বাচন কমিশনের কাছে নতুন আবেদন করতে হবে। আপনাকে প্রমাণ করতে হবে যে আপনি একজন ভারতীয় নাগরিক এবং যোগ্য ভোটার।

    সমন আসলে দিতে হবে হাজিরা

    কমিশন সূত্রে খবর, খসড়া ভোটার তালিকা ম্যাপিং হয়েছে ৩ ভাগে— প্রোজেনি ম্যাপিং, সেল্ফ ম্যাপিং ও নো-ম্যাপিং। কমিশন সূত্রে খবর, প্রোজেনি ম্যাপিং ও সেল্ফ ম্যাপিংয়ে নাম থাকা ভোটারদের হিয়ারিংয়ে ডাকার সম্ভাবনা কম। কিন্তু, যাঁদের নো-ম্যাপিং হয়েছে, তাঁদের ডাক পড়ার সম্ভাবনা বেশি। খসড়া তালিকায় নাম ওঠা ভোটারদের মধ্যে যাঁদের ২০০২ সালের তালিকার সঙ্গে সঠিক ম্যাপিং হয়নি, অথবা যাঁদের তথ্যে গরমিল বা সংশয় রয়েছে, তাঁদের শুনানির জন্য ডাকা হতে পারে। অর্থাৎ, আপনার কোনও তথ্য নিয়ে কমিশনের যদি সন্দেহ হয়, আপনার কাছে চলে আসবে সমন। আপনার দিতে হবে হাজিরা। কমিশন সূত্রে খবর, অসঙ্গতি রয়েছে প্রায় দেড় কোটিরও বেশি মানুষের নামে। হিয়ারিংয়ে ডাকা হতে পারে ফর্মে অসঙ্গতি থাকা ভোটারদের।

    কীভাবে জানা যাবে?

    উল্লেখ্য, আপনাকে নোটিস আকারে সমন পাঠাবে নির্বাচন কমিশন। আর সেই নোটিস নিয়ে আপনার কাছে আসবেন বিএলওরা। অর্থাৎ, আপনার বিএলওই আপনাকে জানাবে আপনাকে কোথায় যেতে হবে হিয়ারিংয়ের জন্য। এ ছাড়াও আপনার মোবাইল নম্বরে মেসেজ করে আপনাকে জানাতে পারে ইলেকশন কমিশন। তবে এই হিয়ারিং কোথায় হবে, তা এখনও নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি। ডিইও-দের থেকে রিপোর্ট চেয়েছে রাজ্যের সিইও দফতর। প্রতিটি বিধানসভার জন্য একজন করে ইআরও, ১০ জন এইআরও রয়েছেন। এই ১১ জন আধিকারিক হিয়ারিং টেবিলে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে। প্রতিদিন ১০০ জনকে হিয়ারিংয়ে ডাকা হতে পারে।

    হিয়ারিংয়ের দিন হাজির না হলে…

    এসআইআরে হিয়ারিং পর্ব চলবে আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। এর মধ্যেই সব ভোটারকে শুনানিতে ডাকা হবে। হিয়ারিংয়ে থাকবেন ইআরও বা এইআরও। শুনানির ক্ষেত্রে ভোটারদের স্বার্থ দেখা হবে বলে জানিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানান, উল্লেখিত দিনে কোনও ভোটার যদি শুনানিতে হাজির হতে না পারেন, তা হলে সঙ্গত কারণ দেখালে তাঁকে পরবর্তীতে ফের সময় দেওয়া হবে। শুনানির দিন পাল্টানোর জন্য ইআরও-র কাছে আবেদন করতে হবে। শারীরিক অসুস্থতা বা অন্য কোনও কারণে শুনানিতে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি না থাকলে প্রয়োজনে ভার্চুয়াল শুনানির ব্য়বস্থাও করতে পারে।

    হিয়ারিংয়ে লাগতে পারে কী কী নথি?

    ১) রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী অথবা পেনশনভোগী হিসেবে পরিচয়পত্র

    ২) ১৯৮৭ সালের আগে পোস্ট অফিস, ব্যাংক, এলআইসি বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নথি

    ৩) জন্ম শংসাপত্র

    ৪) পাসপোর্ট

    ৫) মাধ্যমিক বা অন্য যে কোনও শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র

    ৬) রাজ্য সরকারের অধীন কোনও সংস্থার দেওয়া আবাসিক শংসাপত্র

    ৭) ফরেস্ট রাইটসের শংসাপত্র

    ৮) জাতিগত শংসাপত্র বা কাস্ট সার্টিফিকেট

    ৯) ন্যাশনাল রেজিস্টার অব সিটিজেনস (NRC) — শুধুমাত্র আসামের ক্ষেত্রে

    ১০) স্থানীয় প্রশাসনের জারি করা পারিবারিক রেজিস্টার

    ১১) সরকারের দেওয়া জমি লিজ বা বাড়ি লিজ সংক্রান্ত শংসাপত্র

    — উপরে উল্লিখিত নথিগুলির সঙ্গে আধার পরিচয়পত্রও রাখবেন।

     

    খসড়া ভোটার তালিকাতে নেই নাম, ডাকা হয়নি শুনানির জন্যও, কী করবেন?

    এ ক্ষেত্রে ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য ফর্ম ৬ পূরণ করতে হবে। এর সঙ্গে জমা দিতে হবে অ্যানেক্সচার-৪ এবং অন্যান্য নথিও।

    কেউ যদি ভুয়ো নথি জমা দেন, তাহলে…

    ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা ৩৩৭ অনুযায়ী, কেউ নথি জাল করলে তার সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত জেল এবং জরিমানা হতে পারে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, প্রতিটি ফর্ম কমিশনের নিজস্ব অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে ভোটারের দেওয়া সমস্ত তথ্য খুঁটিয়ে পরীক্ষা করে তবেই ঠিক করা হবে যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে শুনানির জন্য ডাকা হবে কি না। আগে প্রতি বিধানসভা কেন্দ্রে দিনে সর্বোচ্চ ৫০টি শুনানি নির্ধারিত ছিল। কিন্তু এখন কমিশন সূত্রে খবর, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শুনানি শেষ করতে প্রয়োজনে দিনে একশোর বেশিও শুনানি হতে পারে।

  • SIR: খসড়া তালিকায় নাম থাকা দেড় কোটি ভোটারের তথ্যে অসঙ্গতি! প্রত্যেককেই কি নোটিশ পাঠাবে কমিশন?

    SIR: খসড়া তালিকায় নাম থাকা দেড় কোটি ভোটারের তথ্যে অসঙ্গতি! প্রত্যেককেই কি নোটিশ পাঠাবে কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়েছে এসআইআর-এর (SIR) খসড়া তালিকা। কমিশনের (Election Commission) তরফে বলা হয়েছে তালিকায় প্রকাশিত মোট ১ কোটি ৬৩ লক্ষ ৫১ হাজার ১৭৩ জনের ক্ষেত্রে তথ্যে গোলমাল রয়েছে। ফলে তালিকায় অসঙ্গতি থাকলেই যে আবার হিয়ারিংয়ে ডাকা হবে এমনটাও নয়। কমিশনের আবার জানিয়েছে, অসঙ্গতি থাকলেই নোটিশ যে পাঠানো হবে এমনটাও নয়। তবে অসঙ্গতির প্রেক্ষিত এবং পর্যাপ্ত তথ্য না পাওয়ার কারণে হিয়ারিংয়ে ডাকা হবে।

    কী কী ক্ষেত্রে অসঙ্গতি (SIR)?

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট সংখ্যা ১ কোটি ৬৩ লক্ষ ৫১ হাজার ১৭৩ জনের প্রকাশ (SIR) করা হলেও সংখ্যাটা শেষ পর্যন্ত ১ লক্ষ ৩৬ হাজারের আশেপাশে থাকতে পারে। তবে চেক হওয়ার পর কিছুটা কমতে পারে। ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে যাদের নাম নেই, এমন ২৩ লক্ষ ৬৪ হাজার ৩০ জনের নামে অসঙ্গতি রয়েছে। যাদের বয়স ৪৫ বছরের বেশি এমন ১৯ লক্ষ ৩৯ হাজার ২৫০ জনের ক্ষেত্রেও অসঙ্গতি রয়েছে। বাবার নামে অসঙ্গতি রয়েছে এমন ৮৫ লক্ষ ১ হাজার ৪৮৬ জনের ক্ষেত্রে গোলমাল রয়েছে। বাবার বয়স নিয়ে ধন্দ রয়েছে এমন ভোটারের সংখ্যা ১৯ লক্ষের বেশি। তার মধ্যে ১০ লক্ষ ৭৬ হাজার ৯৮১ জন ভোটারের ক্ষেত্রে বাবার সঙ্গে বয়সের ফারাক মাত্র ১৫ বছর। একই ভাবে বাবার সঙ্গে বয়সের ফারাক ৫০ বছর এমন ভোটারের সংখ্যা ৮ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৭৫। এগুলিকে তথ্য দিয়ে যাচাই করবে কমিশন।

    সবচেয়ে বেশি কোথায় বাদ পড়েছে?

    কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে হেয়ারিংয়ে (SIR) ডাকা মানে নাম বাদ পড়বে এমন বিষয় নয়। যাদের ডাকা হবে তাদের ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল সমস্যার জন্য ডাকা হচ্ছে। যাদের নথি সংক্রান্ত সমস্যা থাকবে এবং প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দিতে পারবে না তাদের নাম বাদ যাবে। একইভাবে যদি কেউ ভুয়ো তথ্য দিয়ে থাকে তাহলে শাস্তির মুখে পড়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ জনের নাম খসড়ায় ভোটার তালিকায় বাতিল হয়েছে। শতাংশের হারে সব থেকে কম বাদ গেছে পূর্ব মেদিনীপুরের। যার শতাংশ ৩.৩১ শতাংশ। আর সব থেকে বেশি নাম বাদ গেছে উত্তর কলকাতায়। যার শতাংশের হার ২৫.৯২ শতাংশ।

  • ECI ASD List: ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৮! খসড়া তালিকার সঙ্গে বাদ পড়া নামের তালিকা প্রকাশ কমিশনের

    ECI ASD List: ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৮! খসড়া তালিকার সঙ্গে বাদ পড়া নামের তালিকা প্রকাশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার নির্ধারিত দিনেই খসড়া তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের কত ভোটারের নাম প্রথম তালিকায় জায়গা পেল না, তা জানাতে খসড়া তালিকার আগে কমিশন নাম বাদের তালিকা প্রকাশ করেছে। কমিশন প্রদত্ত ওয়েবসাইট- ceowestbengal.wb.gov.in/asd_SIR –এ গেলেই দেখা যাচ্ছে নাম বাদের তালিকা। রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা এবং বুথভিত্তিক কত নাম বাদ পড়ল সেই সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে এই ‘বাদের খাতায়’। ওয়েবসাইটে ক্লিক করলেই ডাউনলোড করা যাচ্ছে সেই তালিকা।

    কীভাবে দেখবেন?

    প্রথমেই ক্লিক করে চলে যান এই ওয়েবসাইটে। তারপর আপনার চোখের সামনে ভেসে উঠবে তিনটি অপশন –

    এপিক নম্বর সার্চ

    বিধানসভা ভিত্তিক এএসডি তালিকা

    বিএলও-বিএলএ-র তালিকা

    এপিক নম্বর অপশনে ক্লিক করলে আপনাকে দিতে হবে আপনার ভোটার কার্ডে উল্লেখিত এপিক নম্বর। যদি আপনার নাম বাদ না যায়, তা হলে এই সার্চের পর কোনও কিছু পাবেন না। কিন্তু কোনও নাম বাদ গেলে, তা উঠে আসতে পারে।

    সার্চ বাই এপিক নম্বরের পাশে রয়েছে নাম বাদের তালিকা অর্থাৎ বিধানসভা-ভিত্তিক এএসডি তালিকা। এই অপশনে ক্লিক করার পর ভোটারকে দু’টি তথ্য দিতে হবে। প্রথম জেলা, দ্বিতীয় তাঁর বিধানসভা কেন্দ্র। তারপর সেই অনুযায়ী চলে আসবে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের অধীনস্থ ভোটকেন্দ্রগুলি। তার পাশেই থাকবে ডাউনলোড অপশন। তাতে ক্লিক করলেই ভেসে উঠবে নাম বাদের তালিকা। সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্র থেকে কাদের নাম বাদ গেল, কেন বাদ গেল, সবটাই লেখা রয়েছে এই তালিকায়।

    কতজন বাদ গেলেন?

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুসারে, ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৮ জনের নাম বাদ পড়েছে। এর মধ্যে মৃত ভোটারের নাম, ২৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৮৫২। নিখোঁজ ভোটার ১২ লক্ষ ২০ হাজার ৩৮ জন। স্থানান্তরিত ভোটার ১৯ লক্ষ ৮৮ হাজার ৭৬ জন। ডুপ্লিকেট ভোটার ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৩২৮। অন্যান্য কারণে ৫৭ হাজার ৬০৪ নাম বাদ গিয়েছে। এছাড়া কমিশন জানাচ্ছে, ৩০ লক্ষ আনম্যাপড- তাদের শুনানিতে ডাকা হবে। এদের ২০০২-এ কারও সঙ্গে কোনও লিঙ্ক হয়নি।

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুসারে, ১ কোটি ৬৭ লক্ষের মতো এরকম ভোটার ছিল, যাদের তথ্যগত কিছু অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছিল। নাম, বয়স, মা-বাবার সঙ্গে বয়সের ফারাক, একাধিক জনের সঙ্গে ম্যাপিং, এরকম নানা অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছিল। এদের হিয়ারিংয়ে ডাকা হতে পারে। সেক্ষেত্রে কাকে শুনানিতে ডাকা হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও। মঙ্গলবার থেকেই বিএলও-রা বাড়ি বাড়ি যাবেন। ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত শুনানি চলবে। সে সব পর্যালোচনা করা হবে। ১৪ ফেব্রুয়ারি তারিখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এছাড়া, আর যে ৩০ লক্ষের মতো ব্যক্তি আনম্যাপড, তাঁদেরও ইআরও, এইআরও হিয়ারিং পর্বে ডাকবেন।

    শুনানির প্রস্তুতি শুরু কমিশনের

    খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর এবার শুনানির প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে কমিশন। শুনানির জন্য বুথে বাধ্যতামূলকভাবে বসতে হবে বিএলও-দের। মঙ্গলবার থেকে ১৫ জানুয়ারি এক মাস বিএলও-দের বসতে হবে সংশ্লিষ্ট বুথে। জেলায় জেলায় স্কুলের রুম চেয়ে চিঠি জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের চিঠি দিচ্ছে কমিশন। সেইসব স্কুলের রুমেই অভিযোগ বা আপত্তি বিএলও-কে জানাতে পারবেন ভোটাররা।

    কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, নাম না থাকলেও পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এবার ডাকা হবে শুনানিতে। ফর্ম ৬ পূরণ করতে হবে। অনলাইনেই ওই ফর্ম পূরণ করতে পারবেন। অফলাইনেও জেলাশাসকের দফতর থেকেও সংগ্রহ করা যাবে ফর্ম ৬। খসড়া তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর ৪ থেকে ৭ দিনের মধ্যে নোটিস যাবে নাম না থাকা ভোটারের কাছে। একদিনে অন্তত ১০০ জনের শুনানি হবে। প্রয়োজনে বাড়ানো হতে পারে সংখ্যাটা।

  • SIR: খসড়া তালিকায় নাম না থাকলে কোনও চিন্তা নেই, কী কী করবেন জেনে নিন

    SIR: খসড়া তালিকায় নাম না থাকলে কোনও চিন্তা নেই, কী কী করবেন জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর-এর (SIR) খসড়া তালিকায় নাম না থকালে কোনও চিন্তা নেই। কী কী করবেন আগেই জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। মঙ্গলবার বের হচ্ছে খসড়া তালিকা। প্রত্যকের মনে মনে একটা চিন্তা ঘুরছে নাম থাকবে তো। আর নাম না থাকলে কী হবে? খসড়া তালিকা প্রকাশের আগেই নির্বাচন কমিশনের স্পেশাল অবজারভার সুব্রত গুপ্ত একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বেসরকারি সংবাদ মাধ্যমকে। তিনি সাফ জানান, “খসড়া তালিকায় যদি নিজেদের নাম না দেখেন তাহলে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। অনলাইনেই ফর্ম ৬-এ আবেদন করতে পারেন। আবেদনের পর আপনাকে হেয়ারিং-এ ডাকা হবে। এরপর উপযুক্ত কাগজ দেখিয়ে সঙ্গে সঙ্গে রোলে তুলে দিতে হবে। যদি কেউ এখানকার নাগরিক হন তাহলে ভয়ের কিছু নেই। উপযুক্ত কাগজ দেখালেই নাম উঠে যাবে ভোটার লিস্টে।”

    ৮১ হাজার বুথের ৫৮ লক্ষ নাম বাদ (SIR)

    সুব্রত গুপ্ত বলেন, “এসআইআর (SIR) হল নির্বাচনী ভোটার তালিকার (Election Commission) নিবিড় সংশোধনের কাজ। যে কোনও কাজ অল্প সময়ের মধ্যে করতে হলে সেখানে চাপ একটু বেশিই থাকে। এই রকম চাপে আমরাও আছি। সাধারণ একজন সরকারি কর্মচারি যে রকম চাপে থাকে এই চাপ অনেকটাই বেশি। তবে আবার এটাও নয় যে কাজ চাপের কারণে থমকে গিয়েছে। আর যদি তাই হতো তাহলে ৮১ হাজার বুথের ৫৮ লক্ষ নাম বাদ দিতে হতো না। এই কাজ করতে তো হয়েছে।”

    সুব্রত গুপ্ত আরও বলেন, “কমিশন যখন আমাকে নিয়োগ করেছে তখন সাফ নির্দেশ ছিল, কোনও অবৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকায় না থাকে। আর অপর দিকে কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকার বাইরে না থাকে। আমাদের কাজ এটাই, এই কাজটাই দায়িত্ব নিয়ে করছি। এই জন্যই বিএলওরা বাড়ি বাড়ি গিয়েছেন। দুই মাস খসড়া তালিকা থাকবে পোর্টালে। একই সময়ে শুনানিও চলবে। লোকে আবেদন করতে পারবেন। এর মধ্যে যদি কোনও ভুল ভ্রান্তি ধরা পড়ে তাহলে মানুষ আবেদন করতে পারবেন। তারপর তাঁর নাম আসবে বলে আমার বিশ্বাস। তবে হেয়ারিং-এ কতজনকে ডাকা হবে তা নিয়ে এখনও কোনও নাম ঠিক হয়নি। ৩০ লক্ষ মানুষের নাম ২০০২ সালের তালিকায় নেই, নিঃসন্দেহে তাঁদের শুনানিতে ডাকা হবে। বাকি আর কাদের ডাকা হবে সেই নির্দেশের অপেক্ষা করছি। কমিশনের নির্দেশ ছাড়া তা বলা সম্ভবপর নয়।”

    কীভাবে চেনা যাবে বাংলাদেশি

    সুব্রত গুপ্ত অবৈধ বাংলাদেশি ভোটার বা জাল ভোটারদের ক্ষেত্রে বলেছেন, “কেউ অবৈধ ভোটারের লেবেল মাথায় লাগিয়ে ঘুরছে এমনটা নয়। আমি বলতে পারি ১ কোটির বেশি ভুলভ্রান্তি মিলে মিশে রয়েছে। আরও অন্য রকম কিছু ভুলভ্রান্তিও রয়েছে। তবে অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে শুনানি না হলে আপাতত কিছু বলা সম্ভবপর নয়। কেউ বাংলাদেশি তা হেয়ারিং-এ বলা সম্ভব। কমিশন (Election Commission) উপযুক্ত তথ্যের ভিত্তিতে কাজ করবে।”

    শুনানি পর্ব শুরু হবে আগামী সপ্তাহে

    আবার কমিশন (Election Commission) সূত্রে বলা হয়েছে, খসড়া তালিকায় (SIR) নাম থাকলেই যে চূড়ান্ত হবে এমনটা নয়, যদি কোনও অসঙ্গগতি থাকে তাহলে সকলকেই ডাকা হবে। আনম্যাপড থাকা সকলকেই শুনানিতে ডাকা হবে। খসড়া তালিকায় নাম থাকলেই সব গেল এমনটাও নয়। সব নথি থাকা সত্ত্বেও তালিকায় যদি নাম না ওঠে তাহলেও ভয় নেই। ৬ নম্বর ফর্ম জমা দিতে হবে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর শুনানি পর্ব শুরু হতে আগামী সপ্তাহ লাগবে। ইতিমধ্যেই সব বুথে এএসডি তালিকা টাঙিয়ে দেওয়া হবে। সিইও ওয়েবসাইডে এই তথ্য পাওয়া যাবে।

    ৫৮,২০,৮৯৮ জনের নাম বাদ

    গত ২৭ অক্টোবর এই রাজ্যে এসআইআরের ঘোষণা করেছিল কমিশন। ওই নির্ধারিত সময় পর্যন্ত রাজ্যে মোট ভোটার ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। কমিশন জানিয়েছে মোট ভোটারের নামেই এনুমারেশন ফর্ম ছাপানো হয়েছিল। প্রত্যেকের কাছেই ফর্ম নিয়ে গিয়েছিলেন বুথ স্তরের অফিসাররা। রবিবার পর্যন্ত মোট ভোটার থেকে নাম বাদ পড়েছে ৫৮,২০,৮৯৮ জনের। বাকিদের নাম খসড়া তালিকায় ওঠার কথা। আজ খসড়া লিস্ট বের হলেই সব স্পষ্ট হবে।

LinkedIn
Share