Tag: Election Commission

Election Commission

  • West Bengal Assembly Election: দিল্লিতে কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বঙ্গ বিজেপি, কী নিয়ে আলোচনা?

    West Bengal Assembly Election: দিল্লিতে কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বঙ্গ বিজেপি, কী নিয়ে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় ভোটের (West Bengal Assembly Election) বাদ্যি বেজে গিয়েছে। এখন সবার মুখে শুধুই ভোট-ঘোষণা ও প্রার্থী বাছাইয়ের কথা। রাজ্য নেতৃত্বরাও তাদের ভোট প্রচারে ব্যস্ত। এই আবহে আজ, বুধবারই বঙ্গ বিজেপি (Bengal Bjp) নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটি (BJP Central Committee)। দিল্লির বিজেপির সদর দফতরে এই বৈঠক বসতে চলেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটি। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সহ রাজ্য সংগঠনের একাধিক পদস্থ নেতৃত্ব। নির্বাচনী রণকৌশল সহ কথা হতে পারে প্রার্থী তালিকা নিয়েও।

    প্রার্থী তালিকা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা

    মঙ্গলবারই পরিবর্তন যাত্রার সমাপ্তির ঘোষণা করা হয়েছে। ১৪ তারিখ শনিবার ব্রিগেডে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারই মধ্যে বুধবার বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বিজেপি-র কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি। দলীয় সূত্রে খবর, বিধানসভা নির্বাচনে রণকৌশল নির্ধারণই এই বৈঠকের অন্যতম লক্ষ্য। দলীয় সংগঠকে আরও শক্তিশালী করতে বুথস্তরে কর্মসূচি জোরদার করা ও বিরোধী রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ-সব কিছু নিয়ে আলোচনা হবে। সেইসঙ্গে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়েও প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা হতে পারে। মার্চ মাসের শেষের দিকেই রাজ্যের নির্বাচনেই নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে ২৯৪ জন প্রার্থী বাছাই করে মার্চের শেষ থেকেই রাজ্য জুড়ে প্রচার পর্বে ঝাঁপিয়ে পড়তে তৎপর বঙ্গ বিজেপি শিবির। তারই রূপরেখা তৈরি হয়ে যেতে পারে বুধবারের বৈঠক।

    জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা

    রাজ্য নেতৃত্বের কাছ থেকে জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সংগঠনের প্রস্তুতি সম্পর্কের রিপোর্ট চাইতে পারে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কোথায় প্রচার জোরদার করতে হবে, কোন আসনে কোন দল শক্তিশালী তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে। সেই বুঝেই প্রাথমিক ভাবে স্থির করা হতে পদ্ম শিবিরের প্রার্থীর নামও। রাজ্যে ‘পরিবর্তন যাত্রা’র ফল নিয়েও আলোচনা হতে পারে। সূত্রের খবর, নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে করা ‘পরিবর্তন যাত্রা’র ফল নিয়ে আলোচনা হতে পারে এই বৈঠকে। প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরেই বিকেল ৩টে নাগাদ এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন রাজ্য বিজেপির সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য-সহ রাজ্য সংগঠনের একাধিক পদাধিকারীরা। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় কমিটির থেকে উপস্থিত থাকবেন নিতিন নবীন, অমিত শাহের মতো বিজেপির শীর্ষ কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

    ‘পরিবর্তন যাত্রা’ কর্মসূচি

    মার্চ মাসের শুরু থেকেই জেলায় জেলায় জনসংযোগে বাড়তি নজর দিয়েছিল পদ্ম শিবির। রাজ্যের শীর্ষ বিজেপি নেতারা তো ছিলেনই, বাইরের রাজ্যের বিধায়ক, মন্ত্রীদের নিয়ে এসে রাজ্য জুড়ে চলল ‘পরিবর্তন যাত্রা’ কর্মসূচি। রাজ্যে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার আগেই পরিবর্তন যাত্রার মধ্য দিয়ে নেতারা গোটা রাজ্য একবার চষে ফেলেছেন এবং কর্মীদের সঙ্গে একদফা দেখাসাক্ষাৎ, আলাপ-আলোচনা সেরে নিয়েছেন। যা ‘ফাইনাল ম্যাচ’ শুরুর আগে ‘ওয়ার্ম-আপ’ হিসাবে কাজ করবে। প্রত্যেকটি জেলা তো বটেই, ‘যাত্রা’য় অধিকাংশ বিধানসভা কেন্দ্রও ছুঁয়ে ফেলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। জমায়েত বা কর্মসূচির চেহারা যেমনই হোক, সর্বত্র দলের কর্মীদের অন্তত রাস্তায় নামাতে পেরেছেন তাঁরা। ভোটের আগে কর্মীদের মধ্যে যে উৎসাহ জাগানো জরুরি ছিল, ‘পরিবর্তন যাত্রা’ তা পেরেছে বলে বিজেপি নেতৃত্ব মনে করছেন।

    রাজ্যে পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কিত

    ইতিমধ্যেই কলকাতায় জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করে গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে রাজ্য বিজেপি। বিজেপি চাইছে ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন যেন তিনটির বেশি দফায় না হয়। পাশাপাশি, রাজ্যে একটি হিংসাত্মক কার্যকলাপমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশনকে উপযুক্ত পদক্ষেপ করার কথাও বলা হয়েছে। বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিজেপি একটি ১৬-দফা দাবি সনদ জমা দিয়েছে। বিজেপি প্রতিনিধি দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগ ছিল রাজ্যে বর্তমানে মোতায়েন প্রায় ৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহার এবং পরিচালনা নিয়ে। দলের পক্ষ থেকে এসব বাহিনীর সদ্ব্যবহারের ক্ষেত্রে রাজ্য পুলিশের ভূমিকার সমালোচনাও করা হয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, রাজ্য পুলিশ যেভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করছে, তাতে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব অসন্তুষ্ট। একটি সহিংসতামুক্ত ও নির্ভীক পরিবেশ তৈরি করতে চাইলে, ভোটারদের ভোটদানে বাধাদানকারী রাজ্য পুলিশ ও সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কমিশনকে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে। রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, স্পর্শকাতর এলাকার পরিবর্তে ইচ্ছাকৃতভাবে তুলনামূলক শান্ত এলাকায় রুট মার্চ চালানো হচ্ছে।

    তৎপরতা বাড়াচ্ছে গেরু শিবির

    সম্প্রতি দুদিনের রাজ্য সফরে এসে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) বুঝিয়ে দিয়ে গিয়েছে সুষ্ঠু, অবাধ ভোট হবে বাংলায়। তার জন্য প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Chief Election Commissioner Gyanesh Kumar)। এবার শুধু নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণার পালা। ভোটমুখী এই বঙ্গে আরও তৎপরতা বাড়াতে চলেছে বিজেপিও (Bjp)। বিশেষজ্ঞমহলের মতে, এখনও ভোট ঘোষণা হয়নি। সবে মাত্র একগুচ্ছ নির্দেশ দিয়ে আর বাংলার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দিল্লি পাড়ি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোট ঘোষণার আগে নিজেদের আরেকটু ঝালাই করে নিচ্ছে গেরুয়া শিবির। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা নির্বাচনের এখনও কিছুটা সময় থাকলেও বিজেপি এখন থেকেই সংগঠনকে প্রস্তুত করার কৌশল নিচ্ছে। সেই কারণেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে এই বৈঠককে ভবিষ্যৎ নির্বাচনী প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বৈঠকের পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন বার্তা বা কৌশলের ইঙ্গিত মিলতে পারে।

  • SIR in Bengal: রাজ্যে আসছেন আরও ২০০ জুডিশিয়াল অফিসার, অমীমাংসিত নামের নিষ্পত্তি কতদিনে?

    SIR in Bengal: রাজ্যে আসছেন আরও ২০০ জুডিশিয়াল অফিসার, অমীমাংসিত নামের নিষ্পত্তি কতদিনে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্চের শেষেও এসআইআর প্রক্রিয়ায় (SIR in Bengal) অমীমাংসিতের তালিকায় থাকা ৬০ লক্ষ ৬ হাজারের নাম নিষ্পত্তি হওয়া সম্ভব নয়। অর্থাৎ মার্চে ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হলে, তার আগে কোনওভাবেই বিবেচনাধীন লিস্ট প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এমনই মনে করছে নির্বাচন কমিশন। তাই আজ, শনিবার ৭ মার্চ ঝাড়খণ্ড থেকে রাজ্যে আসছেন ১০০ জুডিশিয়াল অফিসার আসছেন। ওড়িশা থেকেও আসবেন আরও ১০০ জুডিশিয়াল অফিসার। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, হুগলি, হাওড়া, নদিয়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং পূর্ব বর্ধমান- এই আটটি জেলার বিবেচনাধীনের তালিকার নিষ্পত্তি করবেন তাঁরা।

    ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড থেকে আসছেন বিচারকরা

    রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-পর্বে এখনও পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৭ লক্ষ ভোটারের তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তি করেছেন বিচারকেরা। শুক্রবার এ কথা জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজকুমার আগরওয়াল। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘শনিবার ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড থেকে বিচারকরা আসবেন তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তির কাজের জন্য।’’ রাজ্য এসআইআর প্রক্রিয়ায় জীবিত কয়েক জন ভোটারকে ‘মৃত’ বলে চিহ্নিত করে নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ প্রসঙ্গে সিইও মনোজ বলেন, ‘‘যদি কোনও জীবিতকে, মৃত ভোটার হিসাবে দেখানো হয়, তবে আমাদের কাছে অভিযোগ জানান। অভিযোগ জানালে আমরা পদক্ষেপ করব। দেখা হবে কার গাফিলতিতে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে? কেন করা হয়েছে? ইচ্ছাকৃত কেউ নাম বাদ দিয়েছেন কি না? কমিশন কি জীবিত কারও নাম বাদ দিতে পারে?’’

    কতদিনে কাজ শেষ হওয়ার আশা

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। সেখানে ৬০ লক্ষের নাম অমীমাংসিতের তালিকায় থাকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে জুডিশিয়াল অফিসাররা ওই অমীমাংসিতদের নথি খতিয়ে দেখছেন। এই মুহূর্তে কাজ করছেন ৫০১ জন জুডিশিয়াল অফিসার। হিসেব বলছে, গড়ে ১ লক্ষ ৪০ হাজার একদিনে নিষ্পত্তি হলেও এক থেকে দেড় মাস সময় লেগে যাবে। যাঁরা শনিবার রাজ্যে আসছেন, তাঁদের কাজ শুরু করতে আগামী সপ্তাহ সময় লেগে যাবে। তাঁরা কাজে যোগ দিলে বাছাই এবং নিষ্পত্তির গতি বেড়ে যাবে। অন্যদিকে রাজ্যে আসছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। ৯ মার্চ আটটি স্বীকৃত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করবে। রাজনৈতিক দলগুলির দাবি, অমীমাংসিতের তালিকার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত যাতে ভোট ঘোষণা না হয়। তারা এই বিষয়টা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সামনে তুলে ধরবেন বলেই মনে করা হচ্ছে। ফুল বেঞ্চ আসার কয়েকদিনের মধ্যেই নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার নিয়ম রয়েছে। তা যদি হয়, তাহলে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে ৬০ লক্ষের নিষ্পত্তি কোনওমতেই সম্ভব নয় বলেই মনে করছে কমিশন।

  • Election Commission: বুথের ভেতরে ও বাইরে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক, ভোটমুখী বাংলায় নির্বাচন কমিশনের কড়া নির্দেশ

    Election Commission: বুথের ভেতরে ও বাইরে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক, ভোটমুখী বাংলায় নির্বাচন কমিশনের কড়া নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এসএইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। এবার ভোটের চূড়ান্ত প্রস্তুতি দেখতে জ্ঞানেশ কুমারের ফুল বেঞ্চ আগামী ৯ মার্চ রাজ্যে আসছে। এই অবস্থায় নির্বাচনকে অবাদ এবং শান্তিপূর্ণ করতে কমিশন (Election Commission) আরও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আসন্ন নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারতের নির্বাচন কমিশন একগুচ্ছ কঠোর নির্দেশিকা জারি করেছে। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের (Polling Booth) ভেতরে এবং বাইরে সিসিটিভি ক্যামেরার (CCTV) নজরদারি এখন থেকে বাধ্যতামূলক।

    নিশ্ছিদ্র নজরদারি (Election Commission)

    শুধুমাত্র বুথের প্রবেশপথ নয়, বুথের অভ্যন্তরেও ক্যামেরা বসাতে হবে। এর মূল উদ্দেশ্য হল, ভোটগ্রহণের সময় কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা বা অনিয়ম ঘটছে কি না, তা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা। সোমবার সব জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, পুলিশ কমিশনার–সহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী। আর সেখানেই রাজ্যে ভোটের প্রাক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। এদিন বুথে নজরদারি জোরদার করার জন্য সিসিটিভি ফুটেজের কথা বলা হয়। সেই সঙ্গে বুথের বাইরে পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন মাইক্রো অভজারভাররা। বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রস্তুতিতে স্পষ্ট এবার কোমর বেঁধেই নামতে চলেছে কমিশন (Election Commission)। তাই বাহিনী বৈঠকে কড়া বার্তার কথা বলা হয়েছে।

    ওয়েবকাস্টিং (Webcasting)

    প্রতিবার ভোটে বুথের ভিতরে বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি দেখা যায়। বুথের ভিতরে ভোটারদের বিশেষ দলের হয়ে ভোট দেওয়াকে বাধ্যতা মূলক করা হয়। এই ঘটনা যাতে এই বার না ঘটে তাই কমিশনের তরফে করা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বুথে কেউ অভাব্য আচরণ করলে এবার থেকে সরাসরি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংবেদনশীল বুথগুলোতে সরাসরি ওয়েবকাস্টিং-এর ব্যবস্থা থাকবে, যার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) আধিকারিকরা দূর থেকেই পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে পারবেন। সিসিটিভি ফুটেজগুলো নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সংরক্ষিত রাখতে হবে, যাতে প্রয়োজনে যে কোনও অভিযোগের তদন্তে সেগুলোকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ক্যামেরা এমনভাবে স্থাপন করতে হবে যাতে কারচুপির সুযোগ না থাকে, তবে একইসঙ্গে ভোটারের গোপনীয়তা অর্থাৎ তিনি কাকে ভোট দিচ্ছেন যেন কোনওভাবেই লঙ্ঘিত না হয়।

    কেন এই সিদ্ধান্ত?

    বিগত নির্বাচনগুলোতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে ভোট লুঠ বা বুথ দখলের যে অভিযোগগুলো উঠেছিল, তা মোকাবিলা করতেই কমিশনের এই কড়া অবস্থান। এই ব্যবস্থার ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়া আরও বেশি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) বিশেষ রোল পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, ঝাড়গ্রাম-ওড়িশা থেকে একশো জন করে মোট দু’শো জন জুডিশিয়াল অফিসার আসছেন আগামী ৬ মার্চ। যে সব জায়গায় বিবেচনাধীন কেস রয়েছে সেখানে জুডিশিয়াল অফিসার থাকবেন। একই ভাবে যে যে জায়গায় বুথ তৈরি করা হয়েছে সেখানকার প্রস্তুতি এখনও পর্যন্ত সন্তোষজনক নয়। বুথগুলিতে জল ও বিদ্যুৎ-এর সঙ্কট রয়েছে। ফলত, সবটা খতিয়ে দেখতে হবে এবং তার রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

  • Election Commission: দ্বিতীয় দফায় রাজ্যে আসছে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি মোতায়েন

    Election Commission: দ্বিতীয় দফায় রাজ্যে আসছে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি মোতায়েন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন (Election Commission) ২০২৬-এর নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং ভোটারদের মনে আস্থা জোগাতে রাজ্যে ৪৮০ কোম্পানি আধাসামরিক আগামী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, দুই দফায় মোট ৪৮০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। সেই অনুযায়ী, প্রথম দফায় ১ মার্চের মধ্যে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী ঢুকেছে। নির্ধারিত জেলায় পৌঁছে গিয়েছে প্রথম দফায় রাজ্যে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনী। এবার ১০ মার্চের মধ্যে রাজ্যে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF) এসে পৌঁছাবে। জেলায় জেলায় চালানো হবে কঠোর নজরদারি (Election Security)।দ্বিতীয় দফায় আসা ২৪০ কোম্পানি আগামী ১০ মার্চের মধ্যে রাজ্যে তাদের দায়িত্বভার গ্রহণ করবে।

     

    জেলা ভিত্তিক মোতায়েন পরিকল্পনা (Election Commission)

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে রয়েছে সিআরপিএফ (CRPF), বিএসএফ (BSF), সিআইএসএফ, আইটিবিপি ও এসএসবি। নির্বাচনে (Election Commission) তাঁদের দ্বারা ইভিএম ও স্ট্রংরুম পাহারা, ভোটের দিন (Election Security) নিরাপত্তা, এলাকা দখলমুক্ত রাখা এবং আস্থা ফেরানোর কাজ করানো হবে। সব দায়িত্বের মূলে হল এলাকাকে ভয়মুক্ত করা। প্রত্যেক কোম্পানির ৯টি সেকশনের (Election Security) মধ্যে ৮টি সেকশন সরাসরি বুথ ও আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবে আর বাকি ১টি কিউআরটি ও তদারকির কাজে থাকবে।

     

    কোথায় কত বাহিনী

    ১০ মার্চের মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবথেকে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এই জেলায় আসছে ৩৩ কোম্পানি। বারুইপুর পুলিশ জেলায় ১৩, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় ১১ ও সুন্দরবন পুলিশ জেলায় বাহিনী মোতায়েন থাকছে ৯ কোম্পানি। জেলা পূর্ব মেদিনীপুরে ২৮ কোম্পানি, পূর্ব বর্ধমানে ২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Election Commission) মোতায়েন করা হচ্ছে। পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ২০, ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ১৯, মালদায় ১৮, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় ১৫, হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ১০ কোম্পানি মোতায়েন (Election Security) করা হচ্ছে।

    বাহিনী কোন কোন কাজ করবে?

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, এই বাহিনী (Election Commission) মূলত নিম্নলিখিত কাজগুলো সম্পন্ন করবে।

    • ১>এরিয়া ডমিনেশন: নিয়মিত টহলদারির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা।
    • ২>আস্থা বৃদ্ধি (Election Security): সাধারণ ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটদানের পরিবেশ তৈরি করা।
    • ৩>নজরদারি: বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য জিপিএস (GPS) এবং বডি ক্যাম ব্যবহার করা হবে।

    সম্প্রতি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় সহ বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক অশান্তির খবরের পরিপ্রেক্ষিতে এই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ১০ মার্চের মধ্যে আসা এই বাহিনীর একটি বড় অংশ এই জেলার ডায়মন্ড হারবার, বারুইপুর এবং সুন্দরবন পুলিশ জেলায় মোতায়েন করা হবে। নির্বাচনকে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

  • Election Commission: ৭৮টি বহুতলে ভোটকেন্দ্র করবে নির্বাচন কমিশন, রাজ্যে মোট কতগুলো বুথ হবে?

    Election Commission: ৭৮টি বহুতলে ভোটকেন্দ্র করবে নির্বাচন কমিশন, রাজ্যে মোট কতগুলো বুথ হবে?

    মাধম নিউজ ডেস্ক: প্রবীণ নাগরিকদের কথা ভেবে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে বহুতল আবাসনে ভোটকেন্দ্র গড়ার পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। সব মিলিয়ে ৭৮টি কেন্দ্র গড়া হবে। কমিশন সূত্রে খবর, উত্তর ২৪ পরগনায় ১৬টি বহুতলে নেওয়া হবে ভোট। দক্ষিণ ২৪ পরগনা পঁচিশ বহুতলে হবে বুথ, দক্ষিণ কলকাতার আরও একটি বহুতলে বুথ হবে। উত্তর কলকাতার পাঁচটি বহুতলে বুথ হবে। হাওড়ায় চারটি বহুতলে হবে ভোট। পূর্ব বর্ধমানে তিনটি বহুতলে হবে বুথ (Booth Centar), হুগলিতে তিনটি বহুতলে হবে বুথ।

    কত হবে বুথ সংখ্যা (Election Commission)

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, গোটা রাজ্যে এখনও ৭ লক্ষ ৫০ হাজার ভোটকর্মীর ডেটা ব্যাঙ্ক তৈরি করা হয়েছে। যেদিন এসআইআর বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে সেদিন পর্যন্ত রাজ্যে বুথের সংখ্যা ছিল ৮০,৬৮১টি। কিন্তু ২০২৫ সালের অগাস্ট মাসে রাজ্যে কালীগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচন থেকে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে গোটা দেশে এবার প্রতিবুথে ১২০০-র বেশি ভোটার থাকবে না। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই বুথের সংখ্যা বাড়ছে। অপর দিকে হাইরাইস বিল্ডিং— বুথের (Polling Booths) সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৮। এসআইআরে রাজ্যের বুথের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়ে ৯৫ হাজার। তবে প্রথম খসড়া তালিকায় যেহেতু ৫৮ হাজার নাম বাদ গিয়েছে তাই বুথের সংখ্যা কমে ৯০ হাজারে দাঁড়াতে পারে।

    মোট ভোটকর্মী

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (Election Commission) দফতর এই ৯০ হাজার বুথের সংখ্যাকে ধরে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতির সব কাজ সেরে ফেলেছে। ৯০ হাজার বুথের জন্য রিসার্ভ নিয়ে মোট ৫,০৮,০০০ জন ভোটকর্মী লাগবে। যার মধ্যে ৬০ শতাংশ পুরুষ অর্থাৎ ৩,০২,৪০০ জন পুরুষ এবং ৪০ শতাংশ মহিলা অর্থাৎ ২,০১,৬০০ জন মহিলা ভোট কর্মী থাকছেন। অন্যদিকে ৩০ শতাংশ রিসার্ভ নিয়ে ব্যালট ও কন্ট্রোল ইউনিট মিলিয়ে মোট ইভিএম ২,২৫,০০০টি। তবে ভিভিপ্যাট থাকছে ৩৫ শতাংশ অর্থাৎ ১,২১,৫০০টি।

    ভোট ভিন রাজ্যে থেকে আনা হবে বাস

    বুথ (Polling Booths) নিয়ে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) যে নির্দেশ ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছিল সেই মোতাবেক সব বুথ প্রয়োজন অনুসারে ঠিক করা হয়েছে। বয়স্ক বা প্রবীণ নাগরিকরা যাতে ঠিক করে ভোট দিতে পারেন তার ব্যবস্থা সঠিক ভাবে করা হয়েছে। নির্বাচনের কাজে কত সংখ্যা বাস লাগবে তার জন্য সমীক্ষা করা হয়েছে। রাজ্যের কত সংখ্যার সরকারি এবং বেসরকারি বাস আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে প্রয়োজনে ভিন রাজ্য থেকেও বাস আনার জন্য সমীক্ষা করা হচ্ছে। কমিশন নির্বাচনকে সুষ্ঠ ভাবে হিংসা মুক্ত করতে কমিশন অত্যন্ত তৎপর।

  • Election Commission: মনোনয়ন পর্ব থেকেই বিধানসভা ভিত্তিক অবজারভার নজরদারি করবে, জানাল কমিশন

    Election Commission: মনোনয়ন পর্ব থেকেই বিধানসভা ভিত্তিক অবজারভার নজরদারি করবে, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যেক বিধানসভার জন্য অবজারভার নিয়োগ করা হবে। ভোটের বিজ্ঞপ্তির দিন থেকেই বেশ কিছু কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক (Central Observers) এই রাজ্যে আসবেন। প্রত্যকে বিধানসভায় চূড়ান্ত নজরদারিতে অন্ততপক্ষে একজন করে পর্যবেক্ষক থাকতে চলেছে। বিধানসভা ভোটে মনোনয়ন প্রক্রিয়াও চলবে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের নজরদারিতেই। বাংলা-সহ ৫ রাজ্যেই ফর্মুলা নির্বাচন কমিশনের। দেশে মোট ১ হাজার ৪৪৪ জন অফিসারকে ট্রেনিং দিচ্ছে কমিশন (Election Commission)।

    ২৯৪ টি কেন্দ্রেই বিধানসভা ভিত্তিক পর্যবেক্ষক

    পুরনো অভিজ্ঞার ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) দেখেছে, মনোনয়ন পর্ব থেকে বাংলার একাধিক জায়গা থেকে অভিযোগ, অশান্তি, বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে। শাসকদলের বিরুদ্ধে জোর করে মনোনয়নপত্র প্রত্যহার করা শুরু থেকে রাজনৈতিক হিংসারও অভিযোগ ওঠে। গত বিধানসভা নির্বাচনে মনোনয়ন পর্ব থেকেই বিরোধীদের ব্যাপক ভাবে টার্গেট করেছিল দুষ্কৃতীরা। মনোনয়ন জমা, ভোট গ্রহণ এবং ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত  হিংসা-সন্ত্রাসের বাতাবরণ পর্যন্ত ব্যাপক হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। এবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিজ্ঞপ্তি যেদিন জারি করা হবে, সেদিন থেকেই প্রায় ২৯৪ টি কেন্দ্রেই বিধানসভা ভিত্তিক আলাদা আলাদা করে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা (Central Observers)  থাকবেন। নির্বাচনকে হিংসা মুক্ত করাই নির্বাচন কমিশনের প্রধান কাজ বলে জানিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

    তামিলনাড়ু, কেরল,  অসম, পুদুচেরিতেও পর্যবেক্ষক

    কামিশনের (Election Commission) সাফ কথা, সিদ্ধান্ত যে কেবল পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে কার্যকর হচ্ছে, তেমনটা নয়। মোট ১৪৪৪ জন আইপিএস, আইএএস,  আইআরএস অফিসারদের গত কয়েকদিন ধরে ক্রমাগত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের তামিলনাড়ু, কেরল,  অসম, পুদুচেরিতে নিয়োগ করা হবে। এই আধিকারিকদের মধ্যে আইপিএস অফিসারদের পুলিশ অবজারভার হিসাবে ব্যবহার করা হবে বলে জানা গিয়েছে। আইএএস পর্যমর্যাদার আধিকারিকদের (Central Observers) জেনারেল অফিসার হিসাবে ব্যবহার করা হবে। কমিশন আরও জানিয়েছে, রেভিনিউ অর্থাৎ আর্থিক ক্ষেত্রে নজরদারির জন্য আইআরএস অফিসারদের ব্যবহার করা হবে। মনোনয়ন পর্ব থেকে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যন্ত গোটা প্রক্রিয়ায় নজরদারি রাখবেন বলে জানা গিয়েছে।

  • West Bengal Assembly Election: চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ঘোষণা! কী বলল কমিশন?

    West Bengal Assembly Election: চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ঘোষণা! কী বলল কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর প্রক্রিয়া শেষে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি বের হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। তবে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ভোটার যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন কি পিছিয়ে যাবে? তা নিয়ে রাজনৈতিক তরজা এখন শিরোনামে। চূড়ান্ত তালিকার পর সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট কীভাবে বের হবে, তাতে নাম না থাকলে কি করবে, তা নিয়েও কমিশন (West Bengal Assembly Election) মত প্রকাশ করেছে। তবে এসআইআর কাজ শেষ হওয়ার মধ্যেই কি বিধানসভার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে তা নিয়েও কমিশন (Election Commission) কী জানাচ্ছে আসুন এক নজরে দেখে নিই।

    ২৮ ফেব্রুয়ারিই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ (West Bengal Assembly Election)

    এসআইআর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত মিশ্রের বেঞ্চ মঙ্গলবার বলেছে, “২৮ ফেব্রুয়ারিই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (West Bengal Assembly Election) প্রকাশের শেষ দিন। যদি ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ কিংবা ‘আনম্যাপড ক্যাটেগরি’ যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হয়, সেক্ষেত্রে এই ভোটার তালিকা ধাপে ধাপে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করা যেতে পারে।” শুক্রবার ভোটার তালিকা সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ না হলে ঠিক কত নাম বাদ হতে চলেছে তা-ও সম্পূর্ণরূপে ওইদিন বোঝা যাবে না। ২৮ তারিখের পরেও ধাপে ধাপে তালিকা প্রকাশ করতে পারবে কমিশন (Election Commission)। ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ হওয়া সেই তালিকাগুলিতে বাদ ভোটারের পরিসংখ্যান পাওয়া যাবে।

    মনোনয়ন পর্যন্ত লিস্ট বের হবে

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশিত হওয়ার আগেই ভোট ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকার বলেছেন, পূর্ণাঙ্গ ভোটার তালিকা প্রকাশের আগেই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election) নির্ঘণ্ট ঘোষণা করতে অসুবিধা নেই। শুক্রবার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হলেও এখনই ভোটারদের নাম বাদের হিসাবে মিলবে না। মনোনয়ন পর্যন্ত যে কটি লিস্ট বের হবে তা নিয়েই বিধানসভার নির্বাচন হবে। কমিশন (Election Commission) আরও জানিয়েছে, নতুন করে বুথের বিন্যাস হবে না। ৮০ হাজার ৬৮১ বুথে ভোট হবে। যদি আগে বলা হয়েছিল একটি বুথে ১ হাজার ২০০ জনের বেশি ভোটার থাকবে না। বুথ বিন্যাসের পর রাজ্যে ১৩ হাজার ৮১৬ বুথ বেড়ে ছিল। ফলে বুথের সংখ্যা ৯৪ হাজার ৪৯৭টি। তবে এসআইআর-এর কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুন করে বুথের বিন্যাস সম্ভব নয়। তবে বহু তলের জন্য ৬০ থেকে ৭০টি অতিরিক্ত বুথ যুক্ত হতে পারবে।

    মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহেই ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা

    খসড়া তালিকা (West Bengal Assembly Election) প্রকাশের সময় ভোটার তালিকা থেকে ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ পড়েছিল। শুনানি পর্বে বাদ গিয়েছে প্রায় আরও প্রায় ৮ লক্ষ নাম। ১ মার্চ থেকে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। দুই দফায় ১০ তারিখের মধ্যে মোট ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন (Election Commission)। তবে সূত্রের খবর, মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহেই সম্ভবত বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করে দেবে কমিশন। দোল ও হোলি মিটলেই নির্ঘণ্ট প্রকাশ করা হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ২০২১ সালে ৮ দফা বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে।

  • West Bengal Elections 2026: কোনও এজেন্সি বা বাহিনী নয়, নিজের কায়দায় লড়বো, হুঙ্কার শমীকের

    West Bengal Elections 2026: কোনও এজেন্সি বা বাহিনী নয়, নিজের কায়দায় লড়বো, হুঙ্কার শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কোনও এজেন্সি বা বাহিনী নয়, এবারের ভোট আমরা নিজেদের কায়দায় লড়ব।” বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) বিজেপির জয় নিশ্চিত করতে বিজেপি জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আগামী ১ মার্চ থেকে জোরদার প্রচার করতে ময়দানে নামবে বিজেপি। এই ভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন এবং তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়ে বিশেষ ইঙ্গিত দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)।

    নিজের সামর্থ দিয়ে লড়বে (West Bengal Elections 2026)

    রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) বলেন, “কেউ যদি বিজেপিকে ভোট না দিতে চান, তা তাঁদের সিদ্ধান্ত। তাতেও রাজ্যে বিজেপির ক্ষমতায় (West Bengal Elections 2026) আসা আটকানো যাবে না। এসআইআর তালিকা প্রকাশ,  কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন বা কত দফায় ভোট, এই সব নিয়ে আমাদের চিন্তা নেই। বিজেপি নিজেদের কৌশলেই শান্তিপূর্ণভাবে মানুষের কাছে পৌঁছবে এবং ভোটের হার বাড়ানোর চেষ্টা করবে। সবটাই এবার নিজের সামর্থ দিয়ে লড়বো।”

    বিজেপি এক দিকে যেমন জেলায় জেলায় আরও শক্তিশালী সংগঠন করতে পেরেছে, তেমনি তৃণমূলের সীমাহীন দুর্নীতি, মানুষের মনে তৃণমূলের সম্পর্কে ব্যাপক বিদ্বেষ তৈরি করেছে। এই ভাবনাকে মাথায় রেখে বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে জোর কদমে ময়দানে নামতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে।

    আটকানো যাবে না বিজেপিকে

    সংখালঘু ভোট প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) বলেন, “সংখ্যালঘুরা যদি ভোট দিতে না চান, তাহলে সেটা তাঁদের নিজেদের সিদ্ধান্ত। তবে তার উপর নির্ভর করে বিজেপির ক্ষমতায় (West Bengal Elections 2026) আসাকে আটকানো যাবে না।” নির্বাচন কমিশন (ECI) ইতিমধ্যে স্পষ্ট করেছে, ভোটের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনী এলে তাদের নিষ্ক্রিয় রাখা হবে না। অতীতে বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছিল, তা এ বার আর যাতে না হয়, সেদিকেই নজর দেওয়া হবে।

    দুর্নীতি, নারী নির্যাতন, বেকারত্বের মতো ইস্যুর কারণে তৃণমূল সরকার ব্যাপক চাপের মধ্যে। অপর দিকে বিজেপি এই বিষয়কে হাতিয়ার করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক জনমত গড়তে ময়দানে নেমেছে।  বিজেপি নিজেদের জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী।

  • Election Commission: “কোন ভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বসিয়ে রাখা যাবে না”, কড়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    Election Commission: “কোন ভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বসিয়ে রাখা যাবে না”, কড়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরাসরি কাজে পাঠাতে হবে। কোন ভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে (Central Force) বসিয়ে রাখা যাবে না। রাজ্যকে কড়া বার্তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ভোটের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর  ভূমিকা নিয়ে নানা ভাবে প্রশ্ন ওঠে। অনেকবার আবার কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিষ্ক্রিয় রাখার কথাও বলা হয়। তাই নির্বাচন  কমিশন এবার সাফ নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের প্রশাসনকে।

    নির্বাচন কমিশনের হাতে বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ (Election Commission)

    রাজ্যে ভোটের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়নের প্রেক্ষিতে শাসক বিরোধীদের মধ্যে ব্যাপক তরজা শুরু হয়েছে। বিজেপির বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) হাতে যদি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ থাকে, তাহলে কাজ হবে। আর বাহিনী (Central Force) রাজ্যের নিয়ন্ত্রণে থাকলে, কোনও দিনই কাজ করতে পারবে না। অন্যদিকে, তৃণমূলের দাবি, বাহিনী এনে মানুষকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে বিজেপি। যদিও শাসক দল লোকসভার ভোট হোক আর বিধানসভার ভোট সবেতেই বরাবর আপত্তি করে থাকে। তৃণমূলের অভিযোগ বিজেপির হয়ে কাজ করে নির্বাচন কমিশন। কখনও কখনও ভোট কর্মীরাও কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া ভোট করাতে নারাজ। বাহিনীকে কীভাবে কমিশন কাজে লাগাবে তাই নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠছে।

    কোথায় কত বাহিনী

    মার্চেই প্রথম সপ্তাহে রাজ্যে আসছে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force)। দুই দফায় বাহিনী আসবে রাজ্যে। ১ মার্চ রাজ্যে আসছে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী। ১০ মার্চ বাকি ২৪০ কোম্পানি বাহিনী আসবে। ৪৮০ কোম্পানি বাহিনীর মধ্যে থাকছে সিআরপিএফ ২৩০ কোম্পানি, বিএসএফ ১২০ কোম্পানি, সিআইএসএফ ৩৭ কোম্পানি, আইটিবিপি ৪৭ কোম্পানি ও এসএসবি ৪৬ কোম্পানি।

    স্পর্শকাতর জায়গায় বাহিনী মোতায়েন করতেই হবে

    সোমবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission) ও রাজ্য পুলিশ প্রশাসন।  বৈঠকেই নির্বাচন কমিশন প্রশ্ন তুলেছে ভোটের কাজে বাহিনী এসে কি বসে থাকবে? তাই  কমিশনের নির্দেশ দিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সরাসরি জায়গায় পাঠিয়ে কাজে লাগাতে হবে। এখন কোথায়, কত বাহিনী মোতায়েন করা হবে তা নিয়ে অবশ্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্পর্শকাতর জায়গায় বাহিনী মোতায়েন করতেই হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়িতে জিপিএস থাকবে। সেই সঙ্গে কমিশন আরও নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই কাজ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজ্য প্রশাসন সবটাতেই পর্যবেক্ষণ করবে। বৈঠকের পর রাজ্য পুলিশের ডিজি জানিয়েছেন, আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। নির্বাচন ভালোভাবেই হবে।

    বাহিনী হাজারদুয়ারি দেখবে, ভাগীরথী দেখবে

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) বাহিনী মোতায়েন নিয়ে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “প্রথম কথা হল কমিশনের যদি আজও চোখ না ফোটে, তাহলে কোনওদিনই চোখ ফুটবে না। রাজ্য সুপ্রিম কোর্টেরই নির্দেশ মানছে না, তাহলে কমিশনের কথা কেন শুনবে? একটা বিষয় খুব স্পষ্ট, কেন্দ্রীয় বাহিনীর পরিচালনার দায়িত্ব যদি রাজ্য সরকারের কোনও মন্ত্রকের হাতে থাকে, তাহলে সেই বাহিনী হাজারদুয়ারি দেখবে, ভাগীরথী দেখবে। কোনও কাজ হবে না। বাহিনীকে (Central Force) নির্বাচন কমিশনের হাতে রেখে কাজ করাতে হবে।” অপর দিকে বিজেপির সমালোচনা করে তৃণমূল নেতা জয় প্রকাশ মজুমদার বলেছেন, “ মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য যত মিলিটারি, আধাসামরিক বাহিনী (Central Force) নিয়ে আসা হয়েছে। এখন সৈন্য নামিয়ে মানুষকে সন্ত্রস্ত করার চেষ্টা করছে বিজেপি।

  • West Bengal SIR: তৈরি ২০২ লগ ইন আইডি, প্রায় ৫০ লক্ষের নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু বিচারকদের

    West Bengal SIR: তৈরি ২০২ লগ ইন আইডি, প্রায় ৫০ লক্ষের নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু বিচারকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রযুক্তিগত সমস্যা কাটিয়ে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় তথ্যগত অসঙ্গতির নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু করে দিল কলকাতা হাইকোর্টের নিযুক্ত বিচারকরা। সোমবার থেকেই শুরু হয়েছে এই কাজ। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে হাইকোর্ট নিযুক্ত বিচারকরা ভোটারদের তথ্যগত অসঙ্গতির (Logical Discrepancy) বিষয়গুলি খতিয়ে দেখে তা নিষ্পত্তি করবেন। কাজ শুরুর সময়ে ওটিপি সংক্রান্ত কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তা অনেকটাই এখন মিটিয়ে নেওয়া হয়েছে। মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল (Election Commission) এবং পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল।

    বিচারকদের বুঝিয়ে দিয়েছে কমিশন (SIR)

    কমিশন সূত্রে খবর, বিচারকদের জন্য এখনও পর্যন্ত ২০২ লগ-ইন আইডি তৈরি করা হয়েছে। এদিকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। হাতে সময় মাত্র চারদিন। এখন ৭০ লক্ষ মানুষের তথ্য কীভাবে যাচাই করা হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রধান বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিদিনের কাজে এসআইআর সম্পর্কে অগ্রগতির রিপোর্ট দিতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ আসার পর থেকেই দফায় দফায় মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক, মুখ্যসচিব-সহ শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক সেরেছেন প্রধান বিচারপতি। রবিবারও ভার্চুয়াল বৈঠক হয়েছে। কী কী কাজ (SIR) করতে হবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশমতো কোন কোন নথি যাচাই করতে হবে এই সব তথ্য বিচারকদের বুঝিয়ে দিয়েছে কমিশন (Election Commission)। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জুডিশিয়াল অফিসাররাও।

    ২৪০ জন বিচারককে নিয়োগ

    হাইকোর্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, সময় নষ্ট না করে নথি যাচাই এবং নিস্পত্তি করণের কাজ দ্রুত করতে হবে। এখনও পর্যন্ত অনেক কাজ বাকি রয়েছে। এই সময়ে সময় নষ্ট করা উচিত নয়। সময়ে কাজ শেষ করা কঠিন। নাগরিকত্ব আদালত ঠিক করবে না কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ কাজ হবে। ইতিমধ্যে বিধানসভা-ভিত্তিক দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে বিচারকদের। ভোটার তালিকা (Election Commission) থেকে কাদের নাম বাদ যাবে, কাদের নাম থাকবে-সেই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত যাবতীয় নথি ‘বিচার’ করে দেখবেন তাঁরা। ২১ ফেব্রুয়ারি ওই কাজের জন্য প্রাথমিক ভাবে ২৪০ জন বিচারককে নিয়োগ করেছে কলকাতা হাইকোর্ট।

    ৫০ লক্ষ যাচাইকরণ বাকি

    কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ৫০ লক্ষের কাছাকাছি ভোটারের তথ্য যাচাই এবং নিষ্পত্তির কাজ বাকি রয়েছে। সেগুলোই করবেন বিচারকেরা (SIR)। রাজ্যের অ্যাডভকেট জেনারেল বলছেন, ‘‘অন্য রাজ্যে বাংলার বাড়ি সমগোত্রের তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এই রাজ্যে তা অবৈধ বলা হয়েছে। এসআইআরে কমিশনের নির্ধারিত ১৩টি নথির বাইরে অন্য নথি গ্রহণ না করলে অনেক যোগ্য ভোটারের নাম বাদ চলে যাবে। এটা সঠিক পদ্ধতি নয়। এই সব ভোটারদের আরও সুযোগ দেওয়া হোক।’’ অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অশোক চক্রবর্তী বলেন, “অন্য রাজ্যের সঙ্গে এই রাজ্যের তুলনা ঠিক নয়। এখানকার পরিস্থিতি আলাদা। বাংলার বাড়ি সহ ওই ধরনের নথি গ্রহণ করা সঠিক কাজ হবে না।”

    মুর্শিদাবাদে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার

    অপর দিকে জুডিশিয়াল অফিসারদের অনেকে মালদা, মুর্শিদাবাদ জেলায় কতটা ভয় মুক্ত পরিবেশে কাজ করতে পারবে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কমিশনের সূত্রে জানানো হয়েছে, স্পর্শকাতর এলাকায় প্রয়োজনে নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রধান বিচারপতি বলেন, “মুর্শিদাবাদে ইতিমধ্যে কয়েক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে। তাদের ব্যবহার করা যেতে পারে।” মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (Election Commission) মনোজ আগরওয়াল বলেছেন, “সোমবার বৈঠকে সকল বিচার বিভাগীয় অফিসারদের অনলাইন পোর্টাল (SIR) নিয়ে প্রশিক্ষণ শেষ হয়ে গিয়েছে। ওটিপি নিয়ে কিছু সমস্যা ছিল, তাও মিটে গিয়েছে।”

    তৃণমূল অবৈধ ভোটারদের পক্ষে

    রাজ্যে এসআইআরকে নিয়ে প্রথম থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচন কমিশনকে অসহযোগিতা করছে বলে  অভিযোগ করছে বিজেপি। পর্যাপ্ত পরিমাণে সরকারি বি-গ্রুপের আধিকারিকদের দেওয়ার ব্যবস্থা করেনি মমতা সরকার। অন্যদিকে, বিএলও-দের নানা সময়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল সরকার অবৈধ ভোটার, অনুপ্রবেশকারী, বাংলাদেশি মুসলমান, রোহিঙ্গাদের পক্ষে কাজ করছে। তাই ভোট ব্যাঙ্কে যাতে কোপ না পরে তাই নিয়ে তৃণমূল সাংবিধান এবং দেশকে বিপদের দিকে ঢেলে দিচ্ছে।

LinkedIn
Share