Tag: Election Commission

Election Commission

  • Election Commission: ভোট ঘোষণার পরে বাংলায় উদ্ধার প্রায় ১৪০ কোটির সোনা-মাদক, জানাল কমিশন

    Election Commission: ভোট ঘোষণার পরে বাংলায় উদ্ধার প্রায় ১৪০ কোটির সোনা-মাদক, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে কমিশন ১৬ মার্চ। তারপর থেকেই পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় উদ্ধার হয়েছে সোনা, মাদক, অ্যালকোহল সমেত অন্যান্য সামগ্রী। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৪০ কোটি টাকা। এর পাশাপাশি ৭ কোটি টাকারও বেশি নগদ উদ্ধারের ঘটনাও সামনে এসেছে। শনিবারই এক বিবৃতিতে একথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)।

    ভোট ঘোষণার পর থেকেই চলছে পাচার রুখতে অভিযান

    ভোট ঘোষণার পরে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) ইতিমধ্যে ১২.৭ লাখ লিটার মদ উদ্ধার করেছে। যার বর্তমান কালের বাজার মূল্য হল ৩৩.৮৬ কোটি টাকা। এর পাশাপাশি কমিশন উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে সাড়ে ৩ কেজিরও বেশি মাদক যার বর্তমান বাজার মূল্য ১৮.২৮ কোটি টাকা। এছাড়াও ২৭.৩২ কোটি টাকার সোনা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশন আরও জানিয়েছে, ভোটের আগে অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে ৩৬ কোটি টাকার। প্রসঙ্গত, ভারতবর্ষে যে কোনও ভোটের অন্যতম কালো দিক হিসেবে সামনে আসে টাকা বিলি। এর পাশাপাশি ভোটের সময় ভোটারদেরকে বিনামূল্যে মদ সরবরাহ করে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে রাজনৈতিক দলগুলি। এমন অভিযোগও সামনে আসে। এবারে আগে থেকেই সে নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন।

    অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত ‘সেনসিটিভ’ পশ্চিমবঙ্গের ৬ লোকসভা

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission) ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ছটি লোকসভা কেন্দ্রকে অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত ‘সেনসিটিভ’ বলে ঘোষণা করেছে। তার মানে এই সমস্ত লোকসভাগুলিতে বেআইনি অর্থের কারবার খুব বেশি হয়। সাধারণভাবে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে বেআইনি অর্থের কারবার, গরু পাচার, মাদক পাচার, সোনা পাচারের অভিযোগ সারা বছর ধরেই আসে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় স্থানীয় শাসক দলের মদতে এই কারবার চালায় অপরাধীরা। ভোটের আগে এগুলিকে একেবারে বন্ধ করতে উদ্যোগী হয়েছে কমিশন। শুক্রবার কলকাতা পুলিশ নাকা চেকিং চালায় জোড়া বাগান সংলগ্ন অঞ্চলে। কলকাতার উত্তর দিকে অবস্থিত এই অঞ্চলে ১৫ কেজি সোনা বাজেয়াপ্ত (Election Commission) করতে সক্ষম হয় পুলিশ। যার আনুমানিক মূল্য ৮২ লাখ টাকা। এই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতারও করেছে কলকাতা পুলিশ। উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে এই সোনা পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে জানা গিয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: ভোট প্রচারে বিশ্বকাপের ছবি! ইউসুফের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ কমিশনের

    Election Commission: ভোট প্রচারে বিশ্বকাপের ছবি! ইউসুফের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে ২০১১ সালের বিশ্বকাপ জয়ের ছবি ব্যবহার। আর তাতেই বিতর্কে জড়ালেন বহরমপুর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী ইউসুফ পাঠান। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ( Election Commission) কাছে প্রার্থীর বিরুদ্ধে নালিশ জানায় বিরোধীরা। এবার সেই ঘটনায় কড়া পদক্ষেপও নিতে দেখা গেল কমিশনকে। বিশ্বকাপের ছবি ভোটের প্রচারে ব্যবহার করা যাবে না, এ কথা সাফ জানিয়েছে কমিশন।

    সচিন তেন্ডুলকরের ছবি ব্যবহারেরও অভিযোগ

    উল্লেখ্য, অধীর-গড় বলেই পরিচিত বহরমপুর। সেখানে তৃণমূলের বাজি ভারতীয় ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান। অন্যদিকে বিজেপিও নামিয়েছে জবরদস্ত প্রার্থী ডাক্তার নির্মলকুমার সাহাকে। বেশ কয়েকটি সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, বিজেপি ৩১ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে জিততে চলেছে ওই কেন্দ্র। অন্যদিকে ৩১ শতাংশ ভোট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকবে তৃণমূল। বহরমপুরের রবিনহুড অধীরের তৃতীয় স্থানে নেমে আসার প্রবল সম্ভাবনা। এই আবহে বহরমপুরে প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়েছে সব দলই। সম্প্রতি, ইউসুফের নির্বাচনী প্রচারের একটি ফ্লেক্সে ২০১১ সালের বিশ্বকাপ জয়ের বিভিন্ন মুহূর্ত তুলে ধরা হয়। বিশ্বকাপ ( Election Commission) হাতে ইউসুফের ছবি দেখা যায়, সচিন তেন্ডুলকরের সঙ্গে ইউসুফের ছবিও দেখা যায়।

    ব্যক্তিগত স্বার্থ পূরণের উদ্দেশেই বিশ্বকাপের ছবি ব্যবহার!

    আর এই ফ্লেক্সকে নিয়েই তীব্র আপত্তি জানিয়েছিল বিরোধীরা। অভিযোগ জানানো হয়েছিল নির্বাচন কমিশনের কাছে। বলা হয়, ব্যক্তিগত স্বার্থ পূরণের উদ্দেশেই বিশ্বকাপের ছবি ব্যবহার করছেন ইউসুফ পাঠান। সঙ্গে এটাও বলা হয়েছিল, ভারতরত্ন সচিন তেন্ডুলকরের নাম ও ছবি ব্যবহার করে সাধারণ ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই অভিযোগ পাওয়া মাত্রই সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপও করেছিল কমিশন ( Election Commission)। জেলাশাসকের থেকে রিপোর্ট তলব করা হয়েছিল। আর এবার কমিশনের থেকে জানিয়ে দেওয়া হল, কোনওভাবেই বিশ্বকাপের ওই ধরনের ছবি আর ব্যবহার করা যাবে না নির্বাচনী প্রচারে।

    ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে নিজের ইমেজ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন ইউসুফ!

    তবে পাল্টা বিবৃতি দিয়েছেন ইউসুফ পাঠানও। তাঁরও বক্তব্য, বিশ্বকাপের সঙ্গে তাঁর ছবি রয়েছে কারণ তিনি বিশ্বকাপ জিতেছেন। তবে ওয়াকিবহাল মহল বলছে, ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে নিজের ইমেজ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন ইউসুফ। কারণ বিশ্বকাপ জয় একার কৃতিত্ব নয়, তা দলগত প্রয়াস। ইউসুফকে এও বলতে শোনা গিয়েছে, তিনি নাকি পরিশ্রম করে এটা অর্জন করেছেন। প্রসঙ্গত নির্বাচন কমিশনে হাজার হাজার অভিযোগ জমা পড়লেও বহরমপুর কেন্দ্র নিয়ে এমন অভিযোগ প্রায় নতুনই। এমন অভিযোগ সাধারণত দেখা যায় না, এমনটাই মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেদের। খেলোয়াড়দের ছবি ব্যবহার নিয়ে এইরকম অভিযোগ আগে আসেনি কমিশনের কাছে। এটা নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ বলা যায় নাকি, সেই  বিষয়ে জানার জন্য দিল্লিতে রিপোর্ট পাঠায় সিইও দফতর। তারপরেই এমন নির্দেশ দেয় কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Central Force: রাজ্যের প্রথম দফার ভোটে সব বুথে নাও থাকতে পারে কেন্দ্রীয় বাহিনী, খবর কমিশন সূত্রে

    Central Force: রাজ্যের প্রথম দফার ভোটে সব বুথে নাও থাকতে পারে কেন্দ্রীয় বাহিনী, খবর কমিশন সূত্রে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রথম দফার ভোটে (Central Force) সব বুথে নাও থাকতে পারে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কমিশন সূত্রের খবর, প্রথম দফার রাজ্যের তিনটি আসনে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে প্রায় ৩৫০ কোম্পানি আধাসেনা প্রয়োজন, যা পাওয়া সম্ভব নয় বলে মনে করছে কমিশন। প্রসঙ্গত, প্রথম দফার ভোটে উত্তরবঙ্গের কোন জেলায় কত বাহিনী থাকবে তাও জানা গিয়েছে কমিশনের তরফে। কমিশন জানিয়েছে, কোচবিহারে থাকবে ১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ৬ কোম্পানি বাহিনী থাকবে আলিপুরদুয়ারে। জলপাইগুড়িতে মোতায়েন থাকবে ৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে গড়ে প্রয়োজন ১৬ কোম্পানি বাহিনী

    প্রসঙ্গত, ১৯ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোট। ওই দিন উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি আসনে ভোট রয়েছে। কমিশনের হিসাব বলছে, একটি বিধানসভা কেন্দ্রে  সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) দিতে হলে গড়ে কমপক্ষে ১৬ কোম্পানি বাহিনী প্রয়োজন। এর ফলে একটি লোকসভা কেন্দ্রের জন্য দরকার পড়বে ১১২ কোম্পানি বাহিনী। ওই হিসাব অনুযায়ী, ৩৩৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন পড়বে তিনটি আসনের জন্য।

    ২০১৯ সালেও প্রথম দফার ভোটে সব বুথে ছিল না বাহিনী 

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে প্রথম দফার দু’টি আসনে সব বুথে কেন্দ্রীয় দিতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। কমিশনের একটি সূত্র আবার এও জানিয়েছে, রাজ্যের প্রথম এবং দ্বিতীয় দফার ভোটেও সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়েন করা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কারণ, ওই দুই দফায় দেশের বাকি অংশ জুড়ে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন। কারণ প্রথম দফায় ২১ রাজ্যের ১০২ আসনে ভোট রয়েছে।

    এপ্রিলের শুরুতে আসছে আরও ২৭ কোম্পানি বাহিনী

    ইতিমধ্যেই দু’দফায় মোট ১৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে এসেছে। প্রথম দফায়, ১ মার্চ ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসে। ৭ মার্চ দ্বিতীয় দফায় এসেছিল আরও ৫০ বাহিনী (Central Force)। জেলায় জেলায় বাহিনী রুটমার্চও করছে। সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ নির্মাণ ও সাধারণ মানুষের মনোবল বৃদ্ধি করতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর এমন রুটমার্চ বলে জানা গিয়েছে। প্রশাসনের দাবি, ইতিমধ্যেই জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল শুরু হয়েছে। এপ্রিলের শুরুতে আসছে আরও ২৭ কোম্পানি বাহিনী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election: ভোটের সময় তাপপ্রবাহ! সতর্ক থাকার জন্য বিশেষ নির্দেশিকা নির্বাচন কমিশনের

    Lok Sabha Election: ভোটের সময় তাপপ্রবাহ! সতর্ক থাকার জন্য বিশেষ নির্দেশিকা নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election) চলাকালীন তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। যে সময় দেশজুড়ে ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রার পারদ,তখনই রয়েছে নির্বাচন। তাই ভোটকর্মী, ভোটার ও ভোটের প্রচারের সময় প্রার্থী বা কোনও রাজনৈতিক কর্মী যাতে অসুস্থ না হয়ে পড়ে তার জন্য বিশেষ সতর্ক থাকার কথা বলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এজন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন।

    কমিশনের নির্দেশিকা

    কোনও ভোটারের বাড়ি থেকে তাঁর ভোটকেন্দ্র ২ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে হবে না। পাশাপাশি ভোট (Lok Sabha Election) কেন্দ্রে রাখতে হবে প্রয়োজনীয় জলের ব্যবস্থা। ভোটকেন্দ্র যেকোনও ভবনের নীচের তলায় করতে হবে। সেখানে পোলিং এজেন্টদের জন্যও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রতিটি বুথে প্রবেশ ও বাহির দ্বার আলাদা রাখতে হবে ৷ যাতে ভোট কেন্দ্রের ভিতরে হাওয়া চলাচল স্বাভাবিক থাকে ৷ ভোটারদের মাথার উপর ছাউনির ব্যবস্থা করতে হবে। ভোটকেন্দ্রে টেবিল, চেয়ার এবং বেঞ্চ রাখতে হবে। প্রতিবন্ধী, অন্তঃসত্ত্বা মহিলা, প্রবীণদের বসার ব্যবস্থাও করতে হবে। ভোটকেন্দ্রে একজন করে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করতে হবে। কারও যদি সান স্ট্রোক হয়, সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। বেলা ১২টা থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত চড়া রোদ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভোটারদের পর্যাপ্ত জল খাওয়ার পাশাপাশি সঙ্গে ছাতা, চশমা ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে কমিশন।

    আরও পড়ুন: সব মরশুমেই যাতায়াত সহজ! চিনকে ঠেকাতে লাদাখে নতুন রাস্তা নির্মাণ করছে কেন্দ্র

    সেক্টর অফিসারদের নির্দেশ

    মৌসম ভবন জানিয়েছে, মার্চ-জুন দেশের প্রায় অধিকাংশ রাজ্যে তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তীব্র তাপপ্রবাহ শুরু হবে৷ আর এই সময় দেশজুড়ে চলবে লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election)৷ আগামী ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে লোকসভা ভোট। সাত দফায় নির্বাচন চলবে ১ জুন পর্যন্ত। ৪ জুন ফলঘোষণা। ভারতের নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, “কমিশন সিইও বা ডিইওদের নির্দেশ দিয়েছে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধাগুলি যাতে থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে ৷ পাকাপাকিভাবে সেগুলি ব্যবস্থা ভোট কেন্দ্রে রাখার জন্য রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে হবে ৷ এমনকী ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটদান করতে পারে, তার জন্য সবরকম ব্যবস্থা রাখতে হবে ৷ প্রত্যেক সেক্টর অফিসারদের নিজ নিজ আওতাধীন সবক’টি ভোট কেন্দ্রে পর্যবেক্ষণে যেতে হবে ৷ আর কোনও পরিষেবার অভাব থাকলে, তার ব্যবস্থা করতে হবে ৷”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: জেলা প্রশাসনের সঙ্গে তৃণমূল প্রার্থীর মিটিং! কমিশনে লিখিত অভিযোগ খগেন মুর্মুর

    Malda: জেলা প্রশাসনের সঙ্গে তৃণমূল প্রার্থীর মিটিং! কমিশনে লিখিত অভিযোগ খগেন মুর্মুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারের প্রশাসনিক পদে থেকে তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্বারস্থ হয়েছেন উত্তর মালদার (Malda) বিজেপি প্রার্থী খগেন মুর্মু। মালদা জেলার ১০ জন প্রশাসনিক কর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তিনি। এই ঘটনায় মালদা জেলায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের।

    খগেনের বক্তব্য (Malda)

    মালদা (Malda) উত্তরের তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, বুধবার এই লোকসভা কেন্দ্রে তিনি সরকারি প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই প্রশাসনিক কর্তাদের মধ্যে রয়েছেন জেলাশাসক নীতিন সিঙ্ঘানিয়া, জেলা পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব। জেলাশাসক এবং পুলিশ আধিকারিকদের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়া কতটা নিরপেক্ষ হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই বিষয়ে বিজেপি প্রার্থী খগেন মুর্মু বলেন, “জেলা প্রশাসনের আধিকারিকেরা তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে নির্বাচনে কাজ করছেন। এই সমস্ত আধিকারিকেরা নির্বাচনে যুক্ত থাকলে নির্বাচন একদম নিরপেক্ষ হবে না। তাই সকলের অপসারণ দাবি করি।”

    আর কী বললেন খগেন?

    তৃণমূল প্রার্থীর সঙ্গে নির্বাচনী আধিকারিকের বৈঠক প্রসঙ্গে উত্তর মালদার বিজেপি প্রার্থী খগেন (Malda) মুর্মু আরও বলেন, “নির্বাচন ঘোষণার পর একটি বেসরকারি হোটেলে মালদা উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের পুলিশ, ব্লক আধিকারিক এবং জেলা শাসক, জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেন তৃণমূল প্রার্থী। আর তাই এই সকল আধিকারিকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।”

    আরও পড়ুনঃ ওয়াশিং মেশিনে লুকনো কোটি কোটি টাকা! ভোটের মুখে বিরাট সাফল্য ইডির

    তৃণমূলের বক্তব্য

    মালদা (Malda) উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বিজেপির তোলা সমস্ত অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা। নির্বাচনের হতাশা থেকে এই অভিযোগ তুলেছেন।” উল্লেখ্য, এই কেন্দ্রের প্রাক্তন সাংসদ গনি খান চৌধুরীর পরিবারের মৌসম নুর বেনজিরের বিরুদ্ধে তৃণমূল প্রার্থীর প্রচারে খুব একটা অংশ গ্রহণ না করার অভিযোগ উঠেছে। সেই সঙ্গে জেলার স্থানীয় তৃণমূল নেতা-নেত্রীদের যোগদান না করার অভিযোগও রয়েছে। প্রার্থী নিজে বহিরাগত, এমন অভিযোগও উঠছে। ফলে জন সমর্থন এবং দলীয় সমর্থনের ভয়ে প্রশাসনকে কাজে লাগাতে চাইছেন না তো? ওয়াকিবহল মহল এমনটাই মনে করছেন বলা যায়।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: ব্যাঙ্কে ১ লাখের বেশি টাকা তুললেই তথ্য যাবে নির্বাচন কমিশনের কাছে

    Election Commission: ব্যাঙ্কে ১ লাখের বেশি টাকা তুললেই তথ্য যাবে নির্বাচন কমিশনের কাছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ১৬ মার্চ লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে কমিশন (Election Commission)। স্বচ্ছ এবং অবাধ ভোট করাতে আদর্শ আচরণবিধিকে কঠোরভাবে লাগু করার কথাও ঘোষণা করতে শোনা গিয়েছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে। ইতিমধ্যে নির্বাচনে যাতে কালো টাকা ব্যবহার না হতে পারে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রেখেছে কমিশন। ব্যাঙ্ক থেকে যেকোনও ব্যক্তি ১ লাখ টাকার বেশি তুললেই সরাসরি তথ্য চলে যাবে কমিশনের কাছে।

    ‘ইলেকশন সিজার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ অ্যাপে আসবে তথ্য

    কমিশন সূত্রে খবর, টাকা পাচার (Election Commission) রুখতে বেশ কিছু বিশেষ অ্যাপও চালু করা হয়েছে।  ইতিমধ্যে সেই অ্যাপগুলি কাজও শুরু করে দিয়েছে। জানা গিয়েছে দেশে যে কোনও ব্যাঙ্ক থেকে এক লাখ টাকার বেশি তোলা হলেই সঙ্গে সঙ্গে অ্যাপে তথ্য চলে আসবে। শুধু তাই নয়, কোন ব্যক্তি কোন ব্যাঙ্ক থেকে সেই টাকা তুললেন সে তথ্যও পেয়ে যাবে নির্বাচন কমিশন। এর পাশাপাশি যে সমস্ত গাড়িগুলিতে এটিএম মেশিনে টাকা ভরা অথবা অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়, সেগুলিতেও বিশেষ কিউআর কোড লাগিয়ে রাখবে কমিশন। পরবর্তীকালে সেই কিউআর কোড স্ক্যান করলেই গাড়ি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য চলে আসবে কমিশনের হাতে। এই অ্যাপটির নাম রাখা হয়েছে ‘ইলেকশন সিজার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’।

    ভোট এলেই কালো টাকার ব্যবহার বাড়তে থাকে

    ভোট এলেই কালো টাকার ব্যবহার বাড়তে থাকে বলে অভিযোগ। তার কারণ অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে টাকার বিনিময়ে ভোট কেনার। ভোটের আগের রাতে গোপনে টাকা বিলি করারও অভিযোগ সামনে আসে। কালো টাকার বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে ইতিমধ্যে কমিশন (Election Commission) নামিয়েছে, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর, আয়কর দফতর, শুল্ক দফতর সহ মোট ২২ এজেন্সিকে। প্রসঙ্গত, বোলপুরের তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার বাড়িতে ৪১ লাখ টাকা উদ্ধার হয়। গতকালই ইডি সেই তথ্য কমিশনকে জানিয়েছে। ১০ লাখের বেশি টাকা উদ্ধার হলেই তা কমিশনকে জানানোর নিয়ম রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ভোটে সন্ত্রাস রুখতে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিল কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: ভোটে সন্ত্রাস রুখতে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Election 2024) সন্ত্রাস রুখতে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিল নির্বাচন কমিশন। শনিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার জানিয়েছেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনা করতে বেশ কিছু বাধা তাঁদের পেরোতে হবে বলেও জানান রাজীব কুমার। তার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে, যারা ২৪ ঘণ্টাই দায়িত্ব পালন করবে। হিংসা বা রক্তক্ষয় কোনওভাবেই হতে দেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন রাজীব কুমার। তিনি আরও জানিয়েছেন, কারও কোনও অভিযোগ থাকলে সঙ্গে সঙ্গে কমিশনকে জানানো যাবে। সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ করবে কমিশন। ১৯৫০ নম্বরে ফোন করলেই ১০০ মিনিটের মধ্যে ব্যবস্থা নেবে কমিশন। কমিশন এদিন বার্তা দিয়েছে , 4M-এর। এগুলি হল- muscle, money, misinformation ও model Code violations. অর্থাৎ পেশিশক্তি, বেআইনি অর্থ, ভুল তথ্য ও আদর্শ আচরণ বিধি ভঙ্গকারী সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ কমিশনের। জেলাশাসকদের সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগও করা হয়েছে। কোনওরকম অস্থায়ী এবং চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ভোটের দায়িত্বে না রাখার সিদ্ধান্তও নিয়েছে কমিশন।

    ‘নো ইওর ক্যান্ডিডেট’ নামে নতুন একটি অ্যাপ চালু করা হচ্ছে 

    রাজীব কুমার এদিন আরও জানান, কয়েকটি রাজ্যে ভোটে টাকার ব্যবহার বেশি হয়। সেগুলির দিকেও কমিশন সর্বদা নজর রাখবে। টাকার অপব্যবহার কোনওভাবেই হতে দেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। এর জন্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে ইতিমধ্যে কথাও বলেছে কমিশন। ভোটের আগে কোনওরকম উপঢৌকন যাতে না দেওয়া হয়, সেবিষয়েও কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে নজর দিতে বলা হয়েছে। সমস্ত বিমানবন্দরগুলির দিকেও কড়া নজর রাখা হচ্ছে। একইসঙ্গে সকলকে ভোট দিতে আসার আবেদনও জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। তিনি আরও জানান, ‘নো ইওর ক্যান্ডিডেট’ নামে (Lok Sabha Election 2024) নতুন একটি অ্যাপ চালু করা হচ্ছে, যেখানে প্রার্থীদের বিষয়ে বিশদে জানা যাবে।

    কী কী পদক্ষেপ করা হচ্ছে?

    ১. মনিটরিংয়ের জন্য প্রতিটি জেলায় কন্ট্রোল রুম তৈরি হবে।
    ২. ড্রোনের মাধ্যমে কড়া নজরদারি চালানো হবে।
    ৩. চুক্তিভিত্তিক এবং অস্থায়ী কর্মীরা (Lok Sabha Election 2024) ভোটের কাজে ব্যবহার করা হবে না
    ৪. ভোটের আগে এবং ভোটের পরের কোনও সন্ত্রাস বরদাস্ত করা হবে না।
    ৫. যে কোনও অভিযোগ পেলেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে
    ৬. সন্ত্রাস-মুক্ত ভোট করাতে ডিএম এবং এসপি-দের দায়িত্ব নিতে হবে
    ৭. মোট ৩৪ হাজার কোটি টাকা ইতিমধ্যে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
    ৮. বিএসএফ, আইটি, নারকোটিক্স, জিএসটি সহ একাধিক এজেন্সিকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। অবৈধ সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হবে।
    ৯. ব্যাঙ্কের তরফে সমস্ত তথ্য নিয়মিত পাঠানো হচ্ছে।
    ১০. দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা বাড়ানো হচ্ছে।
    ১১. হেলিকপ্টার এবং ব্যক্তিগত বিমান নামলে ভিতরে থাকা সমস্ত সামগ্রী তল্লাশি করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Vote: রাজনৈতিক দলগুলি প্রতিশ্রুতি পূরণে আদৌ সক্ষম? জানার অধিকার রয়েছে ভোটারদের, বার্তা কমিশনের

    Lok Sabha Vote: রাজনৈতিক দলগুলি প্রতিশ্রুতি পূরণে আদৌ সক্ষম? জানার অধিকার রয়েছে ভোটারদের, বার্তা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন এগিয়ে এলেই যেন ভোটারদের কথা মনে পড়ে রাজনৈতিক দলগুলির নেতা-নেত্রীদের। ইস্তেহারগুলিতে এমন কিছু কথা রাখে রাজনৈতিক দলগুলি যা পূরণ করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ে। তবুও ভোটের স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলি এমন কাজ করে থাকে। ভোট (Lok Sabha Vote) মিটলে সেই সব প্রতিশ্রুতি বেমালুম ভুলে যান নেতা-নেত্রীরা। নির্বাচনী ইস্তেহারে রাজনৈতিক দলগুলির মিথ্যা প্রতিশ্রুতি আটকাতে দীর্ঘদিন ধরেই দাবি উঠছে। এনিয়ে মামলাও চলছে বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে। এবার এই বিষয়টি নিয়ে সাফ বার্তা দিতে দেখা গেল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমারকে। শনিবার রাজীব কুমার সাফ জানিয়েছেন, ভোটারদের (Lok Sabha Vote) জানার অধিকার রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিশ্রুতির বিষয়ে। এর পাশাপাশি তিনি এও জানিয়েছেন বর্তমানে বিষয়টি কোর্টের বিচারাধীন রয়েছে।

    কী বললেন রাজীব কুমার?

    শনিবার এ নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। এবং তিনি জানিয়েছেন যে কমিশন এ ব্যাপারে একটি প্রোফর্মা তৈরি করছে। যা প্রতিটি রাজনৈতিক দলকেই দেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘‘ভোটারদের জন্য কী কী করতে চায় রাজনৈতিক দলগুলি তা নির্বাচনী ইস্তেহারে (Lok Sabha Vote) জানানোর সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলির। সাধারণ ভোটারদের ঠিক করতে হবে তাঁরা রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিশ্রুতিতে ভরসা রাখবেন কিনা।’’

    উপঢৌকন আটকাতে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে এজেন্সিগুলিকে

    ভোটের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে দান-খয়রাতির রাজনীতির অভিযোগ ওঠে। ভোটারদের মন জোগাতে ও ভোট কিনতে উপঢৌকন বিলি করা হয়। তা রুখতে বিভিন্ন সংস্থাকে বাড়তি নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, ‘‘এনফোর্সমেন্ট এজেন্সিগুলোকে সতর্ক থাকতে এবং নগদ ও বিনামূল্যের বিতরণ রোধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ন্যাশনাল পেমেন্ট কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়াকেও অনলাইন লেনদেন নিরীক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’’

    গত দু’দিন ধরে আলোচনা রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে

    প্রসঙ্গত গত দু’দিন ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজীব কুমার। ভোটের (Lok Sabha Vote) আগে রাজনৈতিক দলগুলির এই উপঢৌকন তত্ত্ব নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিভিন্নভাবে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করে রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীরা। এর মধ্যে মদ এবং নগদ টাকা বিতরণ সবথেকে বেশি দেখা যায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: পিছিয়ে জম্মু-কাশ্মীরও! লোকসভা ভোটে বাংলায় সর্বাধিক বাহিনী চাইল কমিশন

    Election Commission: পিছিয়ে জম্মু-কাশ্মীরও! লোকসভা ভোটে বাংলায় সর্বাধিক বাহিনী চাইল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে (Loksabha Vote) সারা দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের জন্যই সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ইতিমধ্যে এবিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে চিঠিও পাঠিয়েছে কমিশন। লোকসভা ভোটে বাংলায় ৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে চায় কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের বেড়ে চলা রাজনৈতিক সন্ত্রাসকে এভাবেই সিলমোহর দিল কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্তে স্বাভাবিক ভাবেই খুশি হয়েছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। কমিশনের এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে রাজ্য বিজেপি।

    জম্মু ও কাশ্মীরের চেয়েও বাংলায় বেশি বাহিনী চাইল কমিশন

    কমিশনের (Election Commission) এদিনের সিদ্ধান্তে দেখা গিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরের চেয়েও বেশি বাহিনী চাওয়া হয়েছে বাংলার জন্য। অর্থাৎ বাংলায় শান্তিতে ভোট করানো যে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং তা আরও একবার বোঝা গেল কমিশনের সিদ্ধান্তে (Loksabha Vote)। উপত্যকায় সুষ্ঠু ভাবে নির্বাচন করানোর জন্য ৬৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যের জন্য কমিশন চেয়েছে ২৫২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিহার এবং ছত্তিসগড়ের জন্য যথাক্রমে ২৯৫ ও ৩৬০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর।

    লোকসভার সঙ্গেই চার রাজ্যে বিধানসভা ভোট

    ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের সঙ্গেই অন্ধ্রপ্রদেশ, অরুণাচল প্রদেশ, ওড়িশা এবং সিকিমে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার জন্য ২৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, অরুণাচল প্রদেশ ও সিকিমের জন্য যথাক্রমে ৭৫ ও ১৭ কোম্পানি বাহিনী (Loksabha Vote), ঝাড়খণ্ড ও পঞ্জাবের জন্য ২৫০ কোম্পানি বাহিনী চেয়েছে কমিশন (Election Commission)। মণিপুরের জন্য কমিশন চেয়েছে ২০০ কোম্পানি। গুজরাটে ভোট করাতে ২০০ কোম্পানি বাহিনীই চাওয়া হয়েছে।

    যত দফায় ভোট হোক, ৯২০ কোম্পানি বাহিনী সবসময়ই মোতায়েন থাকবে রাজ্যে

    কমিশনের তরফ থেকে কেন্দ্রকে যে চিঠি দেওয়া হয়েছে তাতে দেশ জুড়ে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচন করাতে অন্তত ৩ হাজার ৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে সব থেকে বেশি বাহিনী থাকছে। এখনও পর্যন্ত ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হয়নি। ফলে এ রাজ্যে কত দফায় ভোট হবে, তা এখনও অজানা। কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে, যত দফাতেই ভোট হোক না কেন, সব দফাতেই ওই ৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন (Loksabha Vote) থাকবে। গোটা ভোট পর্ব মিটলেই রাজ্য ছাড়বে তারা।

    কী বলছে বিজেপি?

    কমিশনের(Election Commission) এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, ‘‘স্বাভাবিক ভাবেই বাংলায় অন্য রাজ্যের তুলনায় বেশি বাহিনী লাগবে। কারণ বাংলা চালায় তৃণমূল। সেখানে আইনশৃঙ্খলার কী পরিস্থিতি, তা আমরা দেখতে পাচ্ছি। গত বিধানসভা ভোট মিটতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে যাওয়ার পর আমরা ভোট পরবর্তী হিংসা দেখেছি। রাজ্যের মানুষ যাতে সুষ্ঠু ভাবে নিজের ভোট (Loksabha Vote) নিজে দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বেশি বেশি বাহিনী প্রয়োজন।’’ বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, ‘‘পঞ্চায়েত ভোটে বাংলায় কী ঘটেছে গোটা দেশ দেখেছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনও দেখেছে। তবে এই বাহিনী শুধু মোতায়েন করলেই হবে না, বাহিনী যেন কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rajya Sabha Election: ১৫টি রাজ্যের ৫৬টি রাজ্যসভার আসনে ভোট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন

    Rajya Sabha Election: ১৫টি রাজ্যের ৫৬টি রাজ্যসভার আসনে ভোট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পাঁচ আসন সহ ১৫টি রাজ্যের রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election) মোট ৫৬টি আসনে ভোট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। এই ৫৬টি আসনের বর্তমান সাংসদের মধ্যে ৫০ জনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২ এপ্রিলেই। বাকি ৬ জনের মেয়াদ শেষ হবে ৩ এপ্রিল। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মোট ৫টি রাজ্যসভার আসনে ভোটগ্রহণ হবে। এছাড়াও অন্ধ্রপ্রদেশের ৩, বিহারের ৬, ছত্তিশগড়ের ১, গুজরাতের ৪, হরিয়ানার ১, হিমাচল প্রদেশের ১, কর্নাটকের ৪, মধ্যপ্রদেশের ৫, মহারাষ্ট্রের ৬, তেলঙ্গানার ৩, উত্তরপ্রদেশের ১০, উত্তরাখণ্ডের ১, ওড়িশার ৩ এবং রাজস্থানের ৩ আসনে ভোট হবে এই দফায়।

    নির্বাচন কমিশন বিজ্ঞপ্তিতে কী জানালো (Rajya Sabha Election) ?

    নির্বাচন কমিশন সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, রাজ্যসভার (Rajya Sabha Electoin) শূন্য হতে চলা আসনগুলির জন্য ভোটগ্রহণ করা হবে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ১৬ ফেব্রুয়ারি জমা পড়া মনোনয়নপত্রগুলিকে পরীক্ষা করে দেখা হবে এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষদিন ২০ ফেব্রুয়ারি। এরপর ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোট গণনা ও ফলপ্রকাশ করা হবে। বাংলার ক্ষেত্রে রাজ্যসভার যে ৫ টি আসনের সাংসদদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে , তাঁরা হলেন নাদিমুল হক, আবিররঞ্জন বিশ্বাস, সুভাশিষ চক্রবর্তী, শান্তনু সেন ও অভিষেক মনু সিংহভি।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর, ৪টি আসনের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের গোড়ায় রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election) প্রার্থী ঘোষণা করা হতে পারে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার নিরিখে তৃণমূলের ৪ প্রার্থীর জয় নিশ্চিত। পঞ্চম আসনটি নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা রয়েছে। গতবার ওই আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থনে বিজয়ী হয়েছিলেন অভিষেক মনু সিংভি। এবার প্রধান বিরোধী দল বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা বাড়ায় তারা পঞ্চম আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    বিধানসভার সাপেক্ষে জয় কতটা নিশ্চিত?

    বিধানসভা সূত্রের খবর, বর্তমানে খাতায়কলমে তৃণমূলের বিধায়ক সংখ্যা ২১৬। এছাড়া অন্য দল থেকে আসা বিধায়ক মিলিয়ে সেই সংখ্যা ২২৫। সেক্ষেত্রে বিধায়কের সংখ্যার নিরিখে রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election) চারটি আসনে তৃণমূল প্রার্থীর জয় নিশ্চিত। রাজ্যে বিজেপির যেহেতু ৬৭ জন বিধায়ক রয়েছে তাই একটি আসন বিজেপি প্রার্থী দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তাই প্রশ্ন উঠছে অভিষেক মনু সিংভিকে নিয়ে। গতবার কংগ্রেসের প্রার্থী সিংভিকে সমর্থন জানিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে কংগ্রেস ফের তাঁকে প্রার্থী করবে কিনা বা সেক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেস কী অবস্থান নেবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    কংগ্রেসকে কী ভোট দেবে তৃণমূল?

    লোকসভা ভোটের আসন ভাগাভাগি নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি প্রদেশ কংগ্রেস। তৃণমূল ইতিমধ্যে দুটি আসন ছেড়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছে। আসন ভাগাভাগি নিয়ে প্রদেশ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলতে রাজ্যে এসেছিল এআইসিসি প্রতিনিধি দল। অবশ্য বঙ্গ কংগ্রেস জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্যে কংগ্রেসে বাঁচিয়ে রাখতে হলে শাসকদলের হাত ধরলে চলবে না। তাই লোকসভা ভোটে যদি তৃণমূলের হাত না ধরে কংগ্রেস, তবে তার প্রভাব রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election) ভোটে পড়তে পারে। যদিও অভিষেক মনু সিংভির সঙ্গে তৃণমূলের সস্পর্ক ভালো। আইনজীবী সিংভি তৃণমূল হয়ে মামলাও লড়েন। এই পরিস্থিতিতে তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠাতে গররাজি হবে না দল। আবার দলের একাংশের মতে, অন্য দলের প্রার্থীকে সমর্থন না করে নিজের প্রার্থীদের সমর্থন দেওয়া উচিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share