Tag: Election Commission

Election Commission

  • Suvendu Adhikari: বিজেপি করায় নাম নেই ভোটার তালিকায়! নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: বিজেপি করায় নাম নেই ভোটার তালিকায়! নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি করায় নাম নেই ভোটার তালিকায়! ভোটার লিস্টেও দুর্নীতির অভিযোগে সরব হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন, “ডায়মন্ড হারবার, আলিপুর সহ গোটা রাজ্যের অনেক এসডিও এই ধরনের অপকর্মে লিপ্ত হয়েছেন।” সামনেই লোকসভার ভোট, আর কেবলমাত্র বিজেপি করার জন্য নাম বাদ পড়ল! তাঁর এই অভিযোগে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

    কয়লা পাচার, গরু পাচার, বালি পাচার, মাটি পাচার, রেশন বণ্টন দুর্নীতি, স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, পুর নিয়োগ দুর্নীতি, মিড-ডে-মিল এবং আবাস দুর্নীতির পর এবার রাজ্যের ভোটার তালিকায় ব্যাপক দুর্নীতির কথায় আরও একবার সরব হল বিজেপি।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    রাজ্যের বিরোধী দলের সমর্থক-কর্মীদের রাজনৈতিক মতপ্রকাশ এবং গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার বিষয়ে একাধিকবার সরব হয়েছে বিজেপি। এবার ভোটার লিস্ট থেকে বিজেপি কর্মীদের নাম বাদ দিয়ে কারচুপির অভিযোগ তুলে শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের অফিসে গিয়ে অভিযোগ করেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তালিকায় নাম না থাকা ২৫ জন বিজেপি কর্মী। তিনি বলেন, “ভোটার লিস্টে বাদ যাওয়া সকলেই ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের বাসিন্দা। প্রত্যেক বিজেপি কর্মীর নাম উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই কাজ বিডিও, এসডিও এবং জেলা শাসকের প্রত্যক্ষ মদতে সম্ভব হয়েছে। তাই আজ নির্বাচন কমিশনে জানিয়ে গেলাম। রাজ্যের শাসক দলের নির্দেশে এই কাজ  হয়েছে।”

    আর কী বললেন?

    রাজ্যে ভোটার তালিকায় কারচুপি নিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকায় এবার যে ধরনের কারচুপি ঘটেছে তাতে রাজ্য সরকারের বিডিও, চুক্তি ভিত্তিককর্মী, ডেটা এন্ট্রি অপারেটের একসঙ্গে মিলে গভীর চক্রান্ত করেছে। এটা পরিকল্পিত সংগঠিত অপরাধ। ভারতের কোথাও এমন ঘটনা ঘটেনি। এটাই হল ডায়মন্ড হারবার মডেল। রাজ্যের ৪২টি লোকসভার আসনের মধ্যে সব জায়গায় এমন ঘটনা ঘটেছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এইভাবে কোনও ভোটারদের নাম বাতিল করা যায় না। তাই যাঁদের নাম বাদ পড়েছে তাঁদের নাম লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য কমিশননের কাছে আবেদন করেছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Voter List: ২০২৪ ভোটার তালিকা প্রকাশ নির্বাচন কমিশনের, রাজ্যে ভোটার সংখ্যা সাড়ে ৭ কোটি

    Voter List: ২০২৪ ভোটার তালিকা প্রকাশ নির্বাচন কমিশনের, রাজ্যে ভোটার সংখ্যা সাড়ে ৭ কোটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার ২২ জানুয়ারি প্রকাশিত হল ২০২৪ সালের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (Voter List)। সোমবার প্রকাশিত এই তালিকা অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে বর্তমানে রাজ্যের মোট ভোটারের সংখ্যা ৭ কোটি ৫৮ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭৮ জন। প্রসঙ্গত, ২৫ জানুয়ারি সারাদেশ জুড়ে পালিত হয় জাতীয় ভোটার দিবস। তার আগেই প্রস্তুত হয় সেই বছরের তালিকা। তালিকা অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, নতুন ভোটারের সংখ্যা ১১,৩৩,৯৩৬ জন। নতুন ভোটারের মধ্যে ৫ লাখ ৬৩ হাজার ৫২১ জন পুরুষ, ৫ লাখ ৭০ হাজার ৩৪১ জন মহিলা ও ৭৪ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার। পাশাপাশি এই মুহূর্তে রাজ্যে মোট পুরুষ ভোটারের (Voter List) সংখ্যা ৩,৮৫,৩০,৯৮১ জন, মহিলা ভোটারের সংখ্যা ৩,৭৩,০৪,৯৬০ জন ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারের সংখ্যা ১৮৩৭ জন।

    মৃত ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫,৪৭,৭৫৭ জন

    ভোটার তালিকা (Voter List) অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে মৃত ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫,৪৭,৭৫৭ জন। গতবারের তুলনায় এবার সবমিলিয়ে ৪,৫১,৭০৬ জন ভোটার বাড়ল এই রাজ্যে। তালিকা অনুযায়ী বাংলায় পুরুষ ও মহিলার আনুপাতিক হার ১০০০:৯৫৬।  ২০১৯ সালের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুযায়ী পুরুষ-মহিলার অনুপাত ১০০০:৯৪৯। ২০১৮-য় ১০০০:৯৪২। শেষ তিন বছরে এই বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ। আবার এই প্রথমবারের জন্য রাজ্যে সংখ্যার দিক থেকে পুরুষ ভোটারদের ছাপিয়ে গেল মহিলা ভোটারের (Voter List) সংখ্যা। ২০১৭, ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে জনসংখ্যার নিরিখে ভোটার বৃদ্ধির হার ছিল ০.৬৯%। পরিসংখ্যান বলছে, তিন বছরে এই হার আরও বেড়ে হল ০.৭০%। ২০১৬-য় এই হার ছিল ০.৬৮%।

    ৫ জানুয়ারি ভোটার তালিকা প্রকাশ হয় কিন্তু এবার পিছিয়ে গেল

    সাধারণভাবে প্রতিবছর ভোটার তালিকা প্রকাশ পায় ৫ জানুয়ারি কিন্তু নির্বাচন কমিশনের কাছে বিভিন্ন অভিযোগ জমা পড়ার কারণে, নতুন ভোটার তালিকা চলতি বছরে ২২ জানুয়ারি প্রকাশিত হল বলে জানা গিয়েছে। ভোটার তালিকায় নানা জালিয়াতি নিয়ে সরব হয় রাজ্য বিজেপি। দফায় দফায় বিজেপির প্রতিনিধি দল যায় নির্বাচন কমিশনের কাছে। নির্বাচন কমিশনের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে চলতি বছরের এই ভোটার তালিকা একশো শতাংশই নির্ভুল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে কেন্দ্রের নতুন আইনে স্থগিতাদেশ দিল না শীর্ষ আদালত

    Election Commission: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে কেন্দ্রের নতুন আইনে স্থগিতাদেশ দিল না শীর্ষ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের নতুন আইনে নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) নিয়োগ সংক্রান্ত প্যানেলে দেশের প্রধান বিচারপতিকে রাখা হয়নি।  কেন্দ্রের এই আইনকে চ্যালেঞ্জ করে একাধিক আবেদন জমা পড়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সেই আইনে স্থগিতাদেশ দেওয়ার আর্জি জানিয়ে মামলা হয়েছিল। তবে শুক্রবার ওই আইনে স্থগিতাদেশ দিল না শীর্ষ আদালত। এ বিষয়ে কেন্দ্রের বক্তব্য জানতে চেয়েছে শীর্ষ আদালত।

    শীর্ষ আদালতের অভিমত

    বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত’র বেঞ্চ শুক্রবার প্রাথমিক শুনানি শেষে বলে আইনটির উপর স্থগিতাদেশ জারি জরুরি বলে আদালত মনে করে না। তবে মামলাকারীদের উত্থাপিত বিষয়গুলি নিয়ে আদালত কেন্দ্রীয় সরকারে বক্তব্য জানতে আগ্রহী। সেই মতো শুক্রবারই কেন্দ্রীয় সরকারকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। মামলাটির পরবর্তী শুনানি হবে ২০ এপ্রিল।  

    কী এই আইন

    কেন্দ্রের নতুন আইনে বলা হয়েছে, দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের বাছাই করতে যে তিন সদস্যের প্যানেল আছে, তার সদস্য হবেন প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং প্রধানমন্ত্রীর দ্বারা মনোনীত এক জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এই কমিটি যে নাম কিংবা নামগুলি প্রস্তাব করবে, তাঁকে বা তাঁদের নিয়োগ করবেন দেশের রাষ্ট্রপতি। 

    আরও পড়ুন: কনকনে কলকাতা! পৌষের শেষে ঝোড়ো ব্যাটিং শীতের, কত নামবে তাপমাত্রা?

    স্থগিতাদেশ নয়

    জানা গিয়েছে, কংগ্রেস নেত্রী জয়া ঠাকুর কেন্দ্রের আনা এই আইনের উপরে স্থগিতাদেশ জারির আর্জি জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। তাঁর তরফে উপস্থিত আইনজীবী বিকাশ সিং বলেন, “এই আইন ক্ষমতার বিভাজনের ভাবনার সম্পূর্ণ বিরুদ্ধ”। তবে বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চের তরফে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের (Election Commission) এই আইনের উপরে স্থগিতাদেশ জারি করতে অস্বীকার করে। শীর্ষ আদালতের তরফে বলা হয়, এই আইনে স্থগিতাদেশ জাকি করা যাবে না। পিটিশনের একটি কপি কেন্দ্রের কাউন্সিলকে পাঠানো হচ্ছে। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না বলেন, “আমরা সংশোধিত আইনের উপরে স্থগিতাদেশ জারি করতে পারি না। কেন্দ্রকে নোটিস দেওয়া হচ্ছে। এপ্রিল মাসের মধ্যে এই নোটিসের জবাব দিতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • EC issues Guidelines: কল্যাণকাণ্ডের পর রাজনৈতিক দলগুলিকে নির্দেশিকা কমিশনের, কী লেখা তাতে?

    EC issues Guidelines: কল্যাণকাণ্ডের পর রাজনৈতিক দলগুলিকে নির্দেশিকা কমিশনের, কী লেখা তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকা ব্যক্তিদের প্রতি সদয় ও সম্মান প্রদান করতে প্রকাশিত নির্দেশিকার মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলিকে পরামর্শ দিল নির্বাচন কমিশন (EC issues Guidelines)। কল্যাণকাণ্ডের পর কমিশনের এই নির্দেশিকা নিয়ে জোর চর্চা রাজধানীর রাজনৈতিক মহলে।

    কল্যাণকাণ্ডে জোর চর্চা

    সম্প্রতি, সংসদের বাইরে প্রতিবাদ চলাকালীন দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড়কে মিমিক করেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কল্যাণের সেই মিমিক্রির ভিডিও নিজের ফোনে বন্দি করতে দেখা যায় কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে। এই ঘটনায় তুমুল শোরগোল পড়ে যায়। কল্যাণের এই আচরণের তীব্র নিন্দা করে বিজেপি। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ ধনখড়কে ফোন করে সমবেদনা জানান খোদ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও কল্যাণের উদ্দেশে ধেয়ে আসে কটাক্ষের বন্যা। 

    এই প্রেক্ষিতে, বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক দলগুলির উদ্দেশে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করে নির্বাচন কমিশন (EC issues Guidelines)। ওই নির্দেশিকায় সরাসরি কল্যাণকাণ্ডের উল্লেখ না করা হলেও, নির্দেশিকার সময় ও বিষয়বস্তু নিয়ে বর্তমানে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা। ঠিক কী বলা হয়েছে ওই নির্দেশিকায়?

    কী আছে নির্দেশিকায়?

    কমিশনের পাঠানো নির্দেশিকায় বলা হয়েছে— প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ভোটগ্রহণে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য করতে ও সকলকে অন্তর্ভুক্ত করে তুলতে কোনও প্রকার আপস করে না নির্বাচন কমিশন। সফল গণতন্ত্রের ভিতে রয়েছে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকল গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ। কমিশন আরও জানিয়েছে (EC issues Guidelines), সকলের সমান অংশগ্রহণের অন্যতম লক্ষ্য হল প্রতিবন্ধী ও বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা ও তাঁদের যোগ্য সম্মান প্রদান করা। যে কোনও জনসমাবেশ, লেখা, রাজনৈতির প্রচারের সময় রাজনৈতিক দল এবং তাদের প্রতিনিধিদের উচিত শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দুর্বলতা সংক্রান্ত ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য বা কটাক্ষ করা থেকে বিরত থাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panauti Jibe: প্রধানমন্ত্রীকে করা ‘পনৌতি’ মন্তব্যে পদক্ষেপ, রাহুলকে নোটিশ নির্বাচন কমিশনের

    Panauti Jibe: প্রধানমন্ত্রীকে করা ‘পনৌতি’ মন্তব্যে পদক্ষেপ, রাহুলকে নোটিশ নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বিপাকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। ‘পনৌতি’ (অপয়া) ইস্যুতে (Panauti Jibe) রাহুলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি। তার প্রেক্ষিতে পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। ২৫ নভেম্বরের মধ্যে রাহুলকে তাঁর বক্তব্য জানানোর নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

    রাহুলের বেফাঁস মন্তব্য

    বিশ্বকাপের সবক’টি ম্যাচ জিতে ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে যায় টিম ইন্ডিয়া। কাপ হাতছাড়া হওয়ায় ভেঙে পড়েছিলেন ওই দলের সদস্যরা। ড্রেসিংরুমে গিয়ে তাঁদের সান্ত্বনা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার রাজস্থানের জালোরে এক জনসভায় ভারতের হার প্রসঙ্গে রাহুল বলেন, “আমাদের ছেলেরা ভালই খেলছিল। বিশ্বকাপও জিতে যেত। কিন্তু এই অপয়া (পনৌতি) সব শেষ করে দিল।” রাহুলের নিশানায় যে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    প্রধানমন্ত্রীকে পকেটমার আখ্যা!

    ওই সভায় রাহুল এও বলেছিলেন, “পকেটমাররা একা একা আসে না। সেখানে তিনজন থাকে। একজন সামনে থাকে, অন্যজন থাকে পিছনে। অন্য একজন থাকেন একটু দূরে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাজটা হল আপনার মনযোগটা অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার। তিনি টিভিতে আসেন, সামনে থাকেন। হিন্দু-মুসলিম, জিএসটি এবং নোটবন্দির মতো (Panauti Jibe) বিষয় তুলে তিনি জনগণের দৃষ্টি অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেন। এই সময়ের মধ্যে পিছন থেকে চলে আসেন আদানি, টাকা নিয়ে নেন।

    আরও পড়ুুন: নূপুর শর্মার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, সেই গির্ট ওয়াইল্ডার্স হতে চলেছেন নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী!

    রাহুলের এহেন মন্তব্যে তাঁকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করে বিজেপি। দ্বারস্থ হয় নির্বাচন কমিশনের। নির্বাচন কমিশনকে লেখা চিঠিতে বিজেপি লিখেছে, “একজন প্রধানমন্ত্রীকে পকেটমার ও পনৌতি বলাটা গ্রহণযোগ্য নয়। এটা রাজনৈতিক সৌজন্যের অবনমন। কাউকে পকেটমার বলাটা নিছক গালাগালি দেওয়া নয়, তাঁর সামাজিক সম্মান নষ্ট করা। যাঁর সম্পর্কে এই শব্দবন্ধ প্রয়োগ করা হচ্ছে, তাঁকে সমাজের চোখে হেয় করা (Panauti Jibe)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Assembly Elections 2023: পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোট কবে? নির্ঘণ্ট ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

    Assembly Elections 2023: পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোট কবে? নির্ঘণ্ট ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির মোকাবিলায় এখনও সেভাবে জোট বাঁধতে পারেনি ‘ইন্ডি’ জোটের সদস্য রাজনৈতিক দলগুলি। এমতাবস্থায় পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Elections 2023) দিনক্ষণ ঘোষণা করে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সোমবার দিল্লির নির্বাচন সদনে সাংবাদিক বৈঠক করে নির্ঘণ্ট জানিয়ে দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার।

    নির্বাচনের নির্ঘণ্ট

    যে পাঁচটি রাজ্যে এদিন নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে, সেগুলি হল রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তীসগড়, তেলঙ্গনা এবং মিজোরাম। এর মধ্যে মিজোরাম বিধানসভার মেয়াদ শেষ হবে ডিসেম্বরে। বাকি চারটি রাজ্যের বিধানসভার মেয়াদ শেষ হবে জানুয়ারিতে। মধ্যপ্রদেশে নির্বাচন (Assembly Elections 2023) হবে ১৭ নভেম্বর। রাজস্থানে নির্বাচন হবে ২৩ নভেম্বর। ৩০ নভেম্বর নির্বাচন হবে তেলঙ্গনায়। ৭ নভেম্বর নির্বাচন হবে মিজোরামে। এই চার রাজ্যে এক দফায় নির্বাচন হলেও, ছত্তিশগড়ে হবে দু’ দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ৭ নভেম্বর, পরের দফায় হবে ১৭ নভেম্বর।

    ফল ঘোষণা কবে?

    পাঁচটি রাজ্যে আলাদা আলাদা দিনে নির্বাচন হলেও, ফল ঘোষণা হবে একই দিনে, ৩ ডিসেম্বর। ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে নির্বাচন-পর্ব। আগামী বছর রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। তার আগে দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দলই এই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনকে অ্যাসিড টেস্ট হিসেবেই দেখছে।

    ভোটমুখী এই পাঁচ রাজ্যের মধ্যে ছত্তীশগড় ও রাজস্থানে ক্ষমতায় রয়েছে কংগ্রেস। এখানে বিজেপির সঙ্গে সরাসরি লড়াই হবে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির। গত বিধানসভা নির্বাচনে মধ্যপ্রদেশের রাশ যায় কংগ্রেসের হাতে। পরে দুই বিধায়ক বিজেপিকে সমর্থন করায় রাজ্যের কুর্সিতে বসে বিজেপি। তেলঙ্গনায় ক্ষমতায় রয়েছে ভারত রাষ্ট্র সমিতি। এ রাজ্যে হতে পারে ত্রিমুখী লড়াই। আর পাহাড়ি রাজ্য মিজোরামে লড়াই হবে মূলত কংগ্রেস বনাম মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্টের।

    আরও পড়ুুন: নিজ্জর খুনে হাত রয়েছে বেজিংয়ের! দাবি চিনা বংশোদ্ভূত ইউটিউবারের

    নির্বাচন কমিশনের (Assembly Elections 2023) তরফে জানানো হয়েছে পাঁচ রাজ্যের মোট ৬৭৯টি বিধানসভা কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ। নতুন ভোটারের সংখ্যা ৬০ লক্ষ। মোট ভোটারের সংখ্যা ১৬.১ কোটি। মোট বুথ ১.৭৭ লক্ষ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sachin Tendulkar: নয়া ভূমিকায়! নির্বাচন কমিশনের ন্যাশনাল আইকন হচ্ছেন সচিন

    Sachin Tendulkar: নয়া ভূমিকায়! নির্বাচন কমিশনের ন্যাশনাল আইকন হচ্ছেন সচিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া ভূমিকায় ক্রিকেটের ঈশ্বর সচিন তেন্ডুলকর (Sachin Tendulkar)। তবে ক্রিকেট মাঠে নয়, তিনি এবার দূত হলেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনে। মাস্টার ব্লাস্টারকে কমিশনের ‘ন্যাশনাল আইকন’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। কিংবদন্তী ক্রিকেটারের সঙ্গে বুধবার এই মর্মে একটি মৌ চুক্তি স্বাক্ষরিত করা হবে। মঙ্গলবার এ কথা ঘোষণা করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। আগামী বছর লোকসভা ভোট। তার আগে সচিনকে সামনে রেখে প্রচার করতে চায় নির্বাচন কমিশন। সকলে যাতে ভোট দেওয়ার জন্য উৎসাহ পায়, সেই কারণেই সচিনকে এই দায়িত্ব দেওয়া হবে।

    জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ট্যুইট-বার্তা

    ভারতীয় ক্রিকেটে তথা বিশ্ব ক্রিকেটে সচিন তেন্ডুলকরের (Sachin Tendulkar) অবদান অনস্বীকার্য। সচিনের অবসরের পর কেটে গিয়েছে এক দশক। কিন্তু এখনও তাঁর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। অবসরের পর নানা সামাজিক কাজে নিজেকে লিপ্ত রেখেছেন। ভারতরত্নও পেয়েছেন। এবার তাঁকে জাতীয় আইকনের স্বীকৃতি দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)।

    বুধবার থেকেই নির্বাচন কমিশনের ‘জাতীয় আইকন’ হিসাবে কাজ করবেন সচিন। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের মুখপত্রের ট্যুইটারে এই খবর জানানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: জোহানেসবার্গে বসেই ‘চন্দ্রযান ৩’-এর ঐতিহাসিক ল্যান্ডিং দেখবেন প্রধানমন্ত্রী

    তরুণ প্রজন্মকে প্রেরণা দেবেন সচিন

    বুধবার, ২৩ অগাস্ট রাজধানী নয়াদিল্লির রং ভবন অডিটোরিয়ামে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেই অনুষ্ঠানেই সচিনকে (Sachin Tendulkar) জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে জাতীয় আইকনের স্বীকৃতি দেওয়া হবে। সেখানেই তিনি নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) সঙ্গে একটি মৌ স্বাক্ষর করবেন। তিন বছরের জন্য তিনি চুক্তিবদ্ধ হচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সম্মিলিতভাবে দেশের নাগরিকদের ভোট দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতন করতে দেখা যাবে সচিনকে। এই অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের প্রধান শ্রী রাজীব কুমার, নির্বাচন কমিশনার শ্রী অনুপ চন্দ্র পাণ্ডে এবং শ্রী অরুণ গোয়েল এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, “তরুণদের উপর সচিনের প্রভাব দেশের ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। আগামী বছর লোকসভা নির্বাচন রয়েছে। তার আগে তরুণদের ভোট দেওয়ার প্রতি আগ্রহ বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: রাজীব সিনহার নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা খারিজ হাইকোর্টে

    Calcutta High Court: রাজীব সিনহার নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা খারিজ হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে রাজীব সিনহার নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে যে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল, সোমবার তা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। একইসঙ্গে এদিন পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচন বাতিল করতে চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) দায়ের করা জনস্বার্থ মামলাও খারিজ হয়ে গেল।

    রাজীব সিনহার নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ

    রাজীবের নিয়োগের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের করেছিলেন নব্যেন্দুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। মামলকারীর বক্তব্য, ‘‘গত ৭ জুন রাজীবকে নিয়োগ করেন রাজ্যপাল। রাজ্য সঠিক পদ্ধতিতে এই নিয়োগ করেনি।’’ এদিন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি খারিজ করে দেয়। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যসচিব রাজীবের নাম প্রথম প্রস্তাব করেছিল নবান্ন। তবে সেই প্রস্তাবে প্রথমে সিলমোহর দেয়নি রাজভবন। আরও দু’টি নাম পাঠায় রাজ্য। পরে অবশ্য রাজীবকেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনার হিসাবে নিয়োগে সম্মতি দেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।

    আরও পড়ুন: ‘রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কোর্টে যাচ্ছে বিজেপি’, কেন বললেন সুকান্ত?

    পঞ্চায়েত নির্বাচন বন্ধের আবেদন

    অপর একটি মামলায় এদিন মামলাকারীর আইনজীবী শ্রীধর চন্দ্র বাগাড়িয়া জানান, পঞ্চায়েত নির্বাচনকে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্র করে অনেক প্রাণহানি হয়েছে। তাই ভোট অবিলম্বে বন্ধ করে দেওয়া উচিত। রাজ্যের পরিস্থিতি বিবেচনা করে রাষ্ট্রপতি শাসনও জারি করা উচিত। এ প্রসঙ্গে বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ, পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত মামলায় এর আগে হাইকোর্ট (Calcutta High Court) রায় দিয়েছে। এমনকি, সুপ্রিম কোর্টেও এই সংক্রান্ত মামলা উঠেছিল। রায় শুনিয়েছে শীর্ষ আদালতও। সুপ্রিম কোর্ট থেকে নির্বাচন কমিশনকেও পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভোট বাতিল করতে চেয়ে মামলা গ্রহণযোগ্য বলে মনে করছে না আদালত। রাষ্ট্রপতি শাসন জারির জন্য কেন্দ্রের কাছে রিপোর্ট চাওয়ার প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি জানান, এ বিষয়ে হাইকোর্ট হস্তক্ষেপ করতে পারে না। কারণ সংবিধানের ৩৫৬ ধারাটি রাষ্ট্রপতির বিষয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Panchayat Election 2023: আইনি চাপে কমিশন! আজ কি সুপ্রিম কোর্টে পঞ্চায়েত মামলার শুনানি?

    Panchayat Election 2023: আইনি চাপে কমিশন! আজ কি সুপ্রিম কোর্টে পঞ্চায়েত মামলার শুনানি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবাধ-শান্তিপূর্ণ পঞ্চায়েত  নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) জন্য গোটা রাজ্যের সব জেলাতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে স্পর্শকাতর জেলাগুলিকে দ্রুত চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) মামলা করেছে রাজ্য সরকার এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কমিশন (Election Commission) সূত্রের খবর, সোমবার শীর্ষ আদালতের অবকাশকালীন বেঞ্চে মামলাটির দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হতে পারে। যদিও ওই দিন মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে উঠবে কি না, তা নিয়ে ধন্দ রয়েই গিয়েছে। অন্যদিকে, একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই ভোট করতে হবে, মূলত এই দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। সোমবার,  ওই মামলারও দ্রুত শুনানির আবেদন করতে পারে যৌথ মঞ্চ। 

    আদালত অবমাননা কমিশনের

    পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শনিবার সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সোমবার এই মামলার শুনানি না হলে আইনি চাপে পড়তে পারে কমিশন। গত বৃহস্পতিবার মোটামুটি রাত ৮টা নাগাদ হাই কোর্ট কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে বাহিনী চেয়ে আবেদন করতে হবে। এই নির্দেশের পর ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গিয়েছে শনিবারই। এখনও কমিশনের তরফে বাহিনীর ‘রিক্যুইজিশন’ কেন্দ্রের কাছে পৌঁছয়নি। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রের কাছে বাহিনী-আর্জি না জানিয়ে আদালত অবমাননা করেছে কমিশন, ধারণা আইনজীবীদের। 

    আরও পড়ুুন: “২৫ জুন ভারতের ইতিহাসে কালো অধ্যায়”, মন কি বাতের অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর  দাবি সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে (Sangrami Joutho Mancha)। কেন্দ্রীয় বাহিনী না পেলে ভোটের কাজ করবেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। সোমবার এ নিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করা হবে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই নিজেদের অবস্থানের কথা জানিয়ে নির্বাচন কমিশনকে মেল করতে চলেছেন ভোট কর্মীরা। কয়েক লক্ষ মেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর। একইসঙ্গে তাঁরা রাজ্য়পালেরও দ্বারস্থ হতে চলেছেন বলে খবর। মনোনয়ন জমার প্রথম পাঁচ দিনে হিংসার ঘটনাক্রম দেখে গত বৃহস্পতিবার সকালেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের ‘হুঁশিয়ারি’ দিয়েছিল হাই কোর্ট। তার পরেও মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিনে ভোটজনিত গোলমালেই দুষ্কৃতীদের হামলায় রাজ্যে কয়েক জনের মৃত্যু হয়। বেশ কয়েক জন গুরুতর জখমও হন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Panchayat Election 2023: প্রচার সংক্রান্ত বিধি-নিষেধ জারি, নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ কমিশনের

    Panchayat Election 2023: প্রচার সংক্রান্ত বিধি-নিষেধ জারি, নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৮ জুলাই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023)। শুক্রবারই শুরু হয়ে গিয়েছে মনোনয়নপত্র পেশ-পর্ব। এই আবহে শনিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে জারি করা হয়েছে একাধিক বিধি-নিষেধ। মিটিং-মিছিলের অনুমতি পেতে হলে রাজনৈতিক দলগুলিকে কী কী শর্ত মানতে হবে, পুলিশ কমিশনার ও পুলিশ সুপারদের সে সংক্রান্ত নির্দেশও পাঠানো হয়েছে।

    বিধির গেরো

    কমিশনের তরফে সাফ জানানো হয়েছে, মোটরবাইক ও সাইকেল মিছিল করা যাবে না। আপত্তিকর কোনও সামগ্রী নিয়ে শামিল হওয়া যাবে না সভা ও মিছিলে। একটি থানা এলাকায় কোনও একটি রাজনৈতিক দল বা তাদের প্রার্থী দিনে সর্বাধিক তিনটি সভা করতে পারবেন। কোনও এলাকায় সভা ও মিছিল করতে হলে অনুমতি চেয়ে অন্তত তিন দিন আগে আবেদন করতে হবে থানায়। আবেদনপত্র জমা দেওয়া যাবে সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে। যে দল আগে আবেদন করবে, অগ্রাধিকার পাবে তারাই। এ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য রেজিস্টারে নথিবদ্ধ করবেন ওসি। কেবল আবেদনপত্র জমা দিলেই হবে না, ওসির অনুমতি মিললে তবেই করা যাবে সভা ও মিছিল।

    ভার্চুয়াল বৈঠক

    এদিকে, শুক্রবার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন নির্বাচন (Panchayat Election 2023) কমিশনার রাজীব সিনহা। সেখানে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে হবে। বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকাতে হবে। এ ক্ষেত্রে কমিশন যে কোনও গাফিলতি বরদাস্ত করবে না, তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: সিভিককে উর্দি পরিয়ে পুলিশ করার ছক রাজ্যের! বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    এক দফায় পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়েছিল ২০১৮ সালেও। সেবার ঝরেছিল রক্ত। খোয়াতে হয়েছিল বহু প্রাণ। জেলায় জেলায় উঠে এসেছিল অশান্তির ছবি। সংবাদমাধ্যমে ভেসে উঠেছিল বুথ জ্যাম, ছাপ্পা ভোটের কাহিনি। শাসক দলের স্থানীয় নেতাদের দাদাগিরির ছবিও দেখা গিয়েছিল। আর দেখা গিয়েছিল, কীভাবে হচ্ছে ভোট চুরি। শাসক দলের (Panchayat Election 2023) নেতাদের দাপাদাপির কাছে বড্ড অসহায় দেখাচ্ছিল বিরোধী নেতাদের। পাঁচ বছর পর ফের হচ্ছে পঞ্চায়েত নির্বাচন। আবার হয়তো ঝরবে রক্ত। তাই কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচনের দাবিতে সোচ্চার বাম-বিজেপি-কংগ্রেস। কিন্তু শাসক দল তাতে রাজি হবে কি? প্রশ্ন সেটাই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share