Tag: Employment

Employment

  • Employment: সংসারের হাল ধরতে সাইকেল সারাইয়ের দোকান খুলেছেন অঞ্জলি!

    Employment: সংসারের হাল ধরতে সাইকেল সারাইয়ের দোকান খুলেছেন অঞ্জলি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারী এক হাতে সংসার সামলাচ্ছে, পরিবার-পরিজনের আবদার মেটাচ্ছে, সন্তান মানুষ করছে, আবার অন্য হাতে রোজগার করে রক্ষা করছে সংসার। তেমনই হলেন দক্ষিণ দিনাজপুরের এক লড়াকু মহিলা, যিনি সাইকেল সারাই (Employment) করে সংসারের হাল ধরেছেন। এ যেন এক হার না মানা গল্প। এ যেন অনেকর কাছেই নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন।

    কেন বেছে নিলেন সাইকেল মিস্ত্রির কাজ (Employment)?

    দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারী ব্লকের কুসুম্বা এলাকার বাসিন্দা অঞ্জলি বর্মন। দীর্ঘ চার বছর ধরে সংসারের হাল ধরতে তিনি সাইকেলের দোকান (Employment) চালাচ্ছেন গ্রামের রাস্তার পাশে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাতুড়ি-রেঞ্জ নিয়ে জীবন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন অঞ্জলি বর্মন। প্রত্যন্ত এলাকায় যেখানে অন্যান্য মহিলারা গৃহস্থালীর কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকেন, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে অঞ্জলি বর্মন যেন এলাকায় এক আলোচিত নাম। জানা গেছে, একটা সময় স্বামীই সংসার চালাতেন। যদিও স্বামী শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়ার কারণে বর্তমানে জীবন-জীবিকা হিসাবে সাইকেল মিস্ত্রির কাজ বেছে নিয়েছেন এই মহিলা। গ্রামের রাস্তার পাশে ছোট্ট দোকানে সাইকেল সারানোর পাশাপাশি মোটর সাইকেলেরও ছোটখাট কাজ করেন এই মহিলা।

    কী বলছেন অঞ্জলি?

    প্রথমদিকে একজন মহিলাকে সাইকেল সারানোর (Employment) কাজ করতে দেখে অবাক হতেন অনেকেই। পাশাপাশি নানান কটূক্তিও শুনতে হয়েছে একটা সময়। যদিও বর্তমানে এলাকার বহু মানুষজন তার দোকানে সাইকেল সহ মোটরসাইকেল সারাই করেন বলে জানা গেছে। জীবন যুদ্ধে হার না মানা অঞ্জলি বর্মন তার কাজ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সামনে বলেন, “ছেলেরা যদি সব কাজ করতে পারে, আমরা মেয়েরা কেন পারব না? যা উপার্জন হয় তাতে সংসার মোটামুটি চলে যায়।” বলাই বাহুল্য, অঞ্জলি বর্মনের মতো মহিলারাই সমাজের অন্যান্য মহিলাদের কাছে এক বড় লড়াইয়ের নিদর্শন।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bauris Community: বেকার যুবকদের চাকরির দাবিতে কারখানার গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ

    Bauris Community: বেকার যুবকদের চাকরির দাবিতে কারখানার গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সকাল থেকেই পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের ঝাঁজড়া গ্রামের অদূরে অবস্থিত একটি বেসরকারি কারখানার গেট বন্ধ করে বিক্ষোভে সামিল হলেন বাউরী সমাজের (Bauris Community) লোকজন। তাঁদের দাবি, পাণ্ডবেশ্বরে কারখানা কর্তৃপক্ষ প্রায় সব বিষয়েই বঞ্চিত রেখেছে বাউরী সম্প্রদায়কে। এই এলাকায় কারখানা তৈরি হওয়ার সময় কর্তৃপক্ষ কথা দিয়েছিল, এলাকার প্রত্যেক পাড়া থেকে কারখানার কাজের জন্য লোক নেওয়া হবে। কিন্তু, কাজ পায়নি বাউরী সমাজের (Bauris Community) লোকেরা। শুক্রবার সকাল সাতটা নাগাদ বাউরী সমাজের প্রচুর মহিলা ও পুরুষ মিছিল করে এসে গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখায়। বিক্ষোভ করে গেট বন্ধ করে দিলে কারখানার স্থায়ী কর্মীরা কারখানায় ঢুকতে না পেরে বিক্ষোভকারীদের সাথে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। বচসা হাতাহাতির স্তরে গিয়ে পৌঁছয়। সঙ্গে সঙ্গে চলে ছুটে আসে লাউদোহার ফরিদপুর থানার পুলিশ এবং পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    কারখানা কর্তৃপক্ষ কী জানাল?

    ঘটনা প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট কারখানার জেনারেল ম্যানেজার সুদীপ মজুমদার জানান, হঠাৎ করেই হচ্ছে এই ধরনের বিক্ষোভ। বাউরী সমাজের লোকেরা (Bauris Community) এর আগে তাঁর কাছে কোনও রকম আবেদন জানায়নি। তিনি বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষ সবসময় এলাকার মানুষের সুযোগ সুবিধার কথা ভাববেন। প্রয়োজনে কারখানা কর্তৃপক্ষ সদর্থক পদক্ষেপ নেবে।

    বাউরী সমাজের বিশেষ দাবি

    বাউরী সমাজের এই বিক্ষোভে সামিল হন পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ বাউরি। তিনি বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষ শুধু বাইরের লোকেদের এই সুযোগ দিচ্ছে। স্থানীয় বাউরী সমাজের লোকেরা (Bauris Community) এই কারখানা থেকে বঞ্চিত। 

    শাসকদলের ভূমিকা

    অবশেষে ঘটনাস্থলে আসেন দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের তৃণমূল ব্লক সভাপতি সুজিত মুখার্জি। তিনি বাউরী সমাজের (Bauris Community) পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতির সঙ্গে কথা বলে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। সুজিতবাবু জানান, এলাকায় মানুষের কষ্ট রয়েছে। তবে এইভাবে আর কারখানার গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ ঠিক নয়। আলোচনার মাধ্যমে সমস্ত সমস্যার সমাধান হবে। সভাপতির আশ্বাসে অবশেষে বিক্ষোভ তুলে নেয় বাউরী সমাজের লোকজন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: চাকরির জন্য বেঁধে দিতেন রেট! বড়ঞার তৃণমূল বিধায়কের সম্পত্তির পরিমাণ কত জানেন?

    CBI: চাকরির জন্য বেঁধে দিতেন রেট! বড়ঞার তৃণমূল বিধায়কের সম্পত্তির পরিমাণ কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ জেলার বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়িতে গত দুদিন ধরে চলছে সিবিআই (CBI) তল্লাশি। মোবাইলের খোঁজে পুকুরের জল তুলে চলছে তল্লাশি। ইতিমধ্যে একটি মোবাইল উদ্ধার হয়েছে। আরও একটি মোবাইলের খোঁজে তল্লাশি চলছে। সিবিআই (CBI) তল্লাশি চালানোর সময় বিধায়কের বাড়ি থেকে দুবস্তা অ্যাডমিট কার্ড উদ্ধার হয়। সেসবই চাকরিপ্রার্থীদের অ্যাডমিট। উদ্ধার হওয়া নথিতে পাঁচ জেলার চাকরিপ্রার্থীর তালিকা উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি করল সিবিআই (CBI)। সেই তালিকায় মুর্শিদাবাদ জেলা ছাড়াও মালদহ, দুই দিনাজপুর ও নদিয়া জেলার চাকরিপ্রার্থীদের নাম পাওয়া গিয়েছে। প্রার্থীদের নামের তালিকার ফটোকপি রয়েছে।

    তৃণমূল বিধায়কের কাছে বিভিন্ন চাকরির দর ঠিক করা ছিল, কত জানেন?

    কোন পদে চাকরির জন্য আবেদন করা হচ্ছে, তা দেখে নিয়ে সেইমতো টাকা নেওয়া হত। তৃণমূল বিধায়ক এর জন্য নির্দিষ্ট রেট ঠিক করে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। সিবিআই (CBI) সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া নথি থেকে মিলেছে কোন পদে চাকরির জন্য কত টাকা নিয়েছেন জীবন সাহা। জানা গিয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষক পদে চাকরির জন্য দর ছিল ১০-১২ লক্ষ টাকা। গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি-র ক্ষেত্রে দর ছিল ১০ ও ৮ লক্ষ টাকা। নবম ও দশম শ্রেণীর জন্য মাথপিছু নেওয়া হয়েছে ১৫-১৭ লক্ষ টাকা। আর একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর জন্য মাথাপিছু দর ধার্য ছিল ২০-২২ লক্ষ টাকা।

    বিধায়কের নামে কত সম্পত্তি আছে জানেন?

    মুর্শিদাবাদের একটি স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ করেন তৃণমূল বিধায়ক। এরপর ১৯৯২ সালে সিউড়ি বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে ইতিহাস নিয়ে স্নাতক হন। বিশ্বভারতী থেকে তিনি  স্নাতকোত্তর পাশ করেন। পৈতৃক সম্পত্তি প্রচুর থাকলেও, গত কয়েকবছরে বিধায়কের সম্পত্তির পরিমাণ ছিল চোখে পড়ার মতো। জীবনকৃষ্ণের বাবার বরাবরই প্রচুর সম্পত্তি ছিল। বিঘার পর বিঘা জমি, একাধিক বাড়ি, তেলের কল রয়েছে। তবে, দ্বিতীয় বিয়ে করার পর ছেলে জীবনকৃষ্ণের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের অবনতি ঘটে। আর বিধায়কের মায়ের সম্পত্তিও কিছু কম ছিল না। প্রায় তিন বিঘা জমির উপর বাড়ি,  ট্রান্সপোর্টের ব্যবসা সবই ছিল তাঁর মায়ের নামে। বর্তমানে একটি স্কুলের শিক্ষক জীবনকৃষ্ণ সাহা। তবে বিধায়ক হওয়ার পর স্কুলে যেতে হয় না। স্থানীয় সূত্রে খবর, ২০১৮ সাল থেকে ২০২২ পর্যন্ত প্রচুর সম্পত্তি কিনেছেন জীবনকৃষ্ণ। কান্দিতে রয়েছে একটি রাইস মিল। রয়েছে ৪ বিঘা জমি। কান্দি হাইস্কুলের পিছনে রয়েছে বিধায়কের একটি পুকুর ও গ্যাসের গোডাউন। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত মুর্শিদাবাদের কৌশিক ঘোষের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন জীবনকৃষ্ণ। তাঁর বাড়ির আশেপাশে কম করে ৩৫ বিঘা জমি রয়েছে বিধায়কের। শুধু মুর্শিদাবাদ নয়, বীরভূমেও প্রচুর সম্পত্তি কিনেছিলেন জীবনকৃষ্ণ। সাঁইথিয়া পুরসভা এলাকায় ৫ কাঠা জায়গা রয়েছে তাঁর। লাউতোর এলাকায় মোট ২৪ কাঠা জায়গা বিধায়কের নামে। সাঁইথিয়া তালতলা মোড়ে একটি রাইস মিল রয়েছে। এছাড়া সাঁইথিয়া শহরে পৈতৃক বাড়ি মিলিয়ে ৪ টি বাড়ি রয়েছে তাঁর। এখনও পর্যন্ত এই যা সম্পত্তির হদিশ পাওয়া গিয়েছে তাঁর মূল্য দুশো থেকে তিনশো কোটি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: চাকরির নামে পাঁচ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, এবার গ্রেফতার কাঁথির এক শিক্ষক

    Recruitment Scam: চাকরির নামে পাঁচ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, এবার গ্রেফতার কাঁথির এক শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারির  (Recruitment Scam) জট যেরকম জটিল হয়ে উঠছে, তার যেন খেই পাওয়া যাচ্ছে না। চাকরি দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে পুলিশ এবার গ্রেফতার করল কাঁথির এক শিক্ষককে। কাঁথির দেশপ্রাণ ব্লকের বিচুনিয়া হাইস্কুলের ইংরেজির শিক্ষক দীপক জানার বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাশে মামলা করা হয়েছে এই বছরের মার্চ মাসে। শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে কাঁথি শহরে অবস্থিত তাঁর শ্বশুরবাড়ি থেকে। তাঁর বিরুদ্ধে পাঁচ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

    কী বলেছিলেন অভিযুক্ত ওই শিক্ষক ?

    কলকাতা হাইকোর্টে অভিযোগ জমা পড়ার পর এই নিয়োগ-দুর্নীতি (Recruitment Scam) সম্পর্কে অভিযোগ নিয়ে ওই শিক্ষককে বেশ কিছু প্রশ্ন করা হয়েছিল। তার উত্তরে তিনি যা জানিয়েছিলেন, তার সারমর্ম হল, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার কারণে তার কাছে যে অনেকে চাকরির জন্য আসতেন, তদ্বির করতেন, সেকথা তিনি স্বীকার করেছেন। তবে তিনি নাকি তাদের পাত্তা দেননি। বরং অন্য কোথাও চাকরি খুঁজে নেওয়ার কথাই বলেছিলেন। তার আশঙ্কা, এই আক্রোশ থেকেই হয়তো কেউ তার পিছনে লেগেছে। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের স্বপক্ষে কোনও প্রমাণ থাকলে যে কোনও শাস্তি তিনি মাথা পেতে নিতে রাজি, একথাও তিনি জানিয়েছেন। তার বক্তব্য, টাকা নিলে তো হাতে নেব, না হয় কোনও অ্যাকাউন্টে নেব। প্রমাণ থাকলে দেখান।

    জড়াচ্ছেন একের পর এক তৃণমূল নেতা

    এই ঘটনার পিছনে তৃণমূল করার বিষয়টি একেবারেই নেই বলে তিনি মনে করেন। তার আশঙ্কা, এর পিছনে রয়েছে জ্ঞাতি কেউই। চাকরি না পেয়ে তারাই এখন পিছনে লেগেছে। তিনি যতই তৃণমূল করার বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চান না কেন, চাকরি দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) অভিযুক্ত শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তৃণমূল নেতা কুন্তল সহ অনেকে গ্রেফতার থাকা অবস্থায় তৃণমূল ঘনিষ্ঠ এই শিক্ষক নেতার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Employment: রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ, ক্যারাটেতে ব্ল্যাক বেল্ট,  তবুও রাজকুমারের পরিচয় ফেরিওয়ালা !

    Employment: রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ, ক্যারাটেতে ব্ল্যাক বেল্ট, তবুও রাজকুমারের পরিচয় ফেরিওয়ালা !

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেরি করেই জীবন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন উচ্চশিক্ষিত রাজকুমার। রায়গঞ্জ ব্লকের মণিপুর অঞ্চলের কান্তরের বাসিন্দা রাজকুমার মাহাতো। বয়স ২৫। পড়াশোনার জন্য রায়গঞ্জ শহরের উকিলপাড়ায় তাঁর বর্তমান অস্থায়ী বাসস্থান। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ এবং ক্যারাটেতে ব্লাকবেল্ট তিনি। ছোট্ট ফেরিগাড়িতে মণিহারি সামগ্রী সাজিয়ে গ্রামে গ্রামে ফেরি করে বেড়ান। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ফেরিগাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়ান গ্রামগঞ্জে। পরিবারের সদস্যদের সুখেশান্তিতে রাখার পাশাপাশি নিজের পায়ে দাঁড়াতে (Employment) কঠোর পরিশ্রম করে চলেছেন তিনি।

    নিজের পেশাকে পরিহাস বলতে নারাজ, কেন জানেন ?

    সপ্তাহে ৩ দিন রায়গঞ্জ শহর ও শহরতলি এলাকায় ক্যারাটের প্রশিক্ষণ দিতেও দেখা যায় তাঁকে। ফেরিওয়ালা রাজকুমারের পেশার সঙ্গে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা মোটেই মানানসই নয়। তবু জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে ফেরিওয়ালা পেশাকেই বেছে নিয়েছেন তিনি। বাবা পেশায় কৃষক। অনটনের সংসারে একটি সরকারি চাকরির (Employment) খুব প্রয়োজন থাকলেও নিজের পেশাকে পরিহাস বলতে মানতে নারাজ তিনি। রাজকুমার ২০১৫ সালে ভগিলতা হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ ও ২০১৭ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করার পর রায়গঞ্জ সুরেন্দ্রনাথ কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান অনার্স নিয়ে ভর্তি হন। এরপর রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ কমপ্লিট করেন। এম এ পড়ার সময় রায়গঞ্জে চলে আসেন তিনি। মেলায় মেলায় বেলুন বিক্রি করে নিজের পড়াশোনার খরচ জোগাড় করতেন রাজকুমার। কিছু টাকাপয়সা জোগাড় হতেই ভ্যানগাড়ি তৈরি করে মনিহারি সামগ্রী বিক্রি শুরু করেন। পাশাপাশি চালিয়ে যান ক্যারাটে প্রশিক্ষণ।

    ইচ্ছে শিক্ষক হওয়া আর অলিম্পিকে সোনা নিয়ে আসা

    ক্যারাটেতে ব্ল্যাক বেল্ট পাওয়ার পর গ্রামের ছাত্র-ছাত্রীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য মহারাজা মোড়ে একটি স্কুলও চালু করেছেন। এত পরিশ্রমের পরেও হাসিখুশি  রাজকুমারের ইচ্ছে অলিম্পিকে অংশ নেওয়া। তার বিশ্বাস, অংশ নিলে সোনা আনবেনই। গত ২০ মার্চ রাজকুমার রায়গঞ্জ থেকে কলকাতার উদ্দেশে পায়ে হেঁটে রওনা দিয়েছিলেন এবং ৬ দিনে কলকাতায় পৌঁছন। ইচ্ছে ছিল মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে গ্রামেগঞ্জে ছেলেমেয়েদের মোবাইল ফোনের অত্যাধিক ব্যবহার বন্ধের জন্য গ্রাম্য খেলাধুলোর পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানাবেন। কিন্তু দেখা করার সুযোগ পাননি। রাজকুমার জানান, ফেরি করে যে আয় হয়, তা দিয়ে চাকরির জন্য পড়াশোনার খরচ এবং সংসারের খরচটুকু ওঠে। কঠিন লড়াই করতে হয়। নেট ও স্লেটের জন্য চেষ্টা করছি। বাবা রামদেব মাহাতো গ্রামেই থাকেন। অন্যের জমিতে কাজ করেন। মা মিনাদেবী মাহাতো অসুস্থ। মা, বাবা ও চার ভাইবোন নিয়ে কোনও রকমে চলে তাঁদের সংসার। উকিলপাড়ার এক বাসিন্দা রাজকুমারকে থাকতে দিয়েছেন, এজন্য কোনও ভাড়া নেন না। রাজকুমার জানান, ইচ্ছে শিক্ষক হওয়ার। কিন্তু আমাদের মতো গরিব মানুষের কাছে চাকরি (Employment) স্বপ্নের মতো। কারণ, এখন যোগ্যতার দাম নেই, টাকা দিলেই চাকরি মেলে। 

    ঘরে এত মেডেল, কিন্তু সম্মান নেই, আক্ষেপ রাজকুমারের

    রাজকুমারের ঘরে গিয়ে দেখা গেল, দেওয়ালে ঝোলানো রয়েছে অনেক মেডেল। জাতীয়, রাজ্য ও জেলাস্তরে ক্যারাটেতে অংশ নিয়ে কোনওবার প্রথম, আবার কোনওবার দ্বিতীয় হয়েছেন। তাঁর আক্ষেপ, এত মেডেল রয়েছে, কিন্তু কোনও সম্মান নেই। প্রতিবেশীদের কাছে অত্যন্ত নম্র, ভদ্র এবং গুণী ছেলে রাজকুমার। প্রতিবেশি লক্ষ্মী চৌহান বলেন, উচ্চশিক্ষিত হয়েও সে যেভাবে ফেরি করে নিজের পড়াশোনার পাশাপাশি সংসার চালায়, সত্যি ভাবা যায় না। এমন ছেলে দেখা যায় না। ওর একটা চাকরি (Employment) দরকার। পাড়ার ছেলেমেয়েরা খুব ভালোবাসে ওকে। সোনিয়া চৌহান নামে পাড়ার এক ছাত্রী জানায়, দাদা খুব ভালো মানুষ। আমাদের সঙ্গে খেলাধুলো করে।আমাদের খুব সাহায্য করে। দাদার একটা চাকরি দরকার। প্রাথমিক, মাধ্যমিক, গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি  সকল ক্ষেত্রেই রাজ্য সরকার দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত। ঠিক এইরকমই এক সময়ে রাজকুমারের লড়াই কি কর্মসংস্থান প্রশ্নে রাজ্য সরকারের ভূমিকার দিকে আঙুল তুলছে না?
    এই প্রশ্নই ঘুরছে বিশেষজ্ঞ মহলে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Scam: দুর্নীতিকাণ্ডে আদালতের নির্দেশে চাকরি হারিয়ে তৃণমূলের জেলা পরিষদের সদস্যা আবার কী পদক্ষেপ নিচ্ছেন?

    Scam: দুর্নীতিকাণ্ডে আদালতের নির্দেশে চাকরি হারিয়ে তৃণমূলের জেলা পরিষদের সদস্যা আবার কী পদক্ষেপ নিচ্ছেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ শিক্ষক দুর্নীতিকাণ্ডে (Scam) জেরবার তৃণমূল। আদালতের নির্দেশে গ্রুপ সি-র যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে তাতে একাধিক তৃণমূলের নেতা কর্মী পরিবারের লোকজন বা তাঁর ঘনিষ্ঠদের নাম সামনে এসেছে। খোদ মুখ্যমন্ত্রীর ভাইঝিও আদালতের নির্দেশে চাকরি হারিয়েছেন। একইসঙ্গে হুগলি জেলা পরিষদের তৃণমূলের সদস্যা টুম্পা মেটে (বাকুলি) চাকরিও বাতিল হয়ে গিয়েছে। তাঁর বাড়ি রিষড়ার বামুনারি এলাকায়। ২০১৮ সালে শ্রীরামপুর নেতাজি বয়েজ স্কুলে তিনি চাকরি পান। পাঁচ বছর সেখানে ক্লার্ক হিসাবে তিনি চাকরি করেছেন। হাইকোর্টের নির্দেশে ৮৪২ জন গ্রুপ সির চাকরি বাতিল হয়।সেই তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে। এই বিষয়ে তিনি বলেন, ২০১৬ সালে আমি পরীক্ষা দিই।তারপর কয়েকটি পরীক্ষা দিয়ে চাকরিতে যোগ দিই। মিডিয়ার মাধ্যমে দেখছি, এই চাকরিতে অনেক টাকা পয়সার লেনদেন হয়েছে।আমি টাকা লেনদেনে যুক্ত নই। এটা সিবিআই, ইডি জিজ্ঞাসা করলেও বলব। চাকরির জন্য কাউকে এক টাকা ঘুষ (Scam)   দিইনি। এমনকি মিষ্টির প্যাকেট পর্যন্ত কাউকে দিতে হয়নি। তাহলে কী করে আমার চাকরি গেল তা আমি বুঝতে পারছি না। বিরোধীরা এটা নিয়ে হয়ত আমাকে, আমার দলকে কালিমালিপ্ত করতে চাইবে। আমি এর বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হব। কারণ, এটা আমি মেনে নিতে পারছি না।

    স্ত্রীর চাকরি চলে যাওয়া নিয়ে কী বললেন টুম্পা মেটের স্বামী? Scam

    টুম্পার স্বামীর নাম মৃত্যুঞ্জয় মেটে। তিনিও স্থানীয় তৃণমূল নেতা। বর্তমানে রিষড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। স্ত্রীর চাকরি যাওয়া প্রসঙ্গে মৃত্যুঞ্জয়বাবু বলেন,চাকরির প্রয়োজন আমাদের মত মধ্যবিত্ত পরিবারের সকলের আছে।কিন্তু স্ত্রীর চাকরির জন্য কাউকে কোনও টাকা দিইনি।এস এস সি পরীক্ষা দিয়ে চাকরি পেয়েছিল আমার স্ত্রী। ও এম আর শিটে কিছু হয়ে থাকলে সেটা মধ্য শিক্ষা পর্ষদ বলতে পারবে।আমাদের জানা নেই।আমরা দুজনেই তৃণমূল করি। তাই, স্ত্রীর এভাবে চাকরি চলে যাওয়ায়  সামাজিক সম্মান নষ্ট হয়েছে। পাঁচ বছর ওই স্কুলে চাকরি করল, তারপর কি করে কি হল আমার মাথায় কিছু ঢুকছে না। টুম্পা পরাশোনায় খুব ভালো ছিল আমি নিজে ওকে পড়াতাম। এখন এই বিষয়টি নিয়ে বিরোধীরা অপপ্রচার করবে।

    বিজেপি  শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি মোহন আদক বলেন, যে ভাবে গোটা রাজ্যে শিক্ষায় দুর্নীতি (Scam)  হয়েছে তা তৃণমূল অস্বীকার করতে পারবে না।হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছে, সেটা যুক্তি সংগত এবং গুরুত্বপূর্ণ।টুম্পা মেটে যতই অস্বীকার করুন আদালত বিবেচনা করেই এই রায় দিয়েছে। এটা প্রমাণিত হয়ে গেল,তৃণমূল আর দুর্নীতি (Scam) সমার্থক।।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gerbera Flower: জারবেরা ফুলের চাষ করে মাসে লক্ষ টাকা আয়ের দিশা দেখাচ্ছেন নদিয়ার যুবক

    Gerbera Flower: জারবেরা ফুলের চাষ করে মাসে লক্ষ টাকা আয়ের দিশা দেখাচ্ছেন নদিয়ার যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃত্রিম উপায়ে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে জারবেরা ফুলের (Gerbera Flower) চাষ করে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয়ের দিশা দেখাচ্ছেন নদিয়ার যুবক উজ্জ্বল দেবনাথ। নিজের জমিতে হাজার বর্গফুট জায়গায় জারবেরা ফুলের চাষ করেছেন তিনি। দিন দিন হু হু করে বাড়ছে বেকার যুবক-যুবতীর সংখ্যা। হাতে শিক্ষার ডিগ্রি নিয়ে বর্তমানে কী কাজ করবেন, তা ভেবেই দিশাহারা যুবক-যুবতীরা। অনেকে আবার পড়াশোনা করে কৃষিকাজ করবেন, এটা ভাবতেই পারেন না। কিন্তু কৃষি মানেই ধান-পাট চাষ নয়, কৃত্রিম উপায়ে আরও অন্য কিছু চাষ করেও যে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করা যায়, তার উদাহরণ নদিয়ার এই যুবক।

    কীভাবে ওই যুবক এই চাষে এলেন?

    নদিয়ার শান্তিপুর থানার চাঁদড়া এলাকার যুবক উজ্জ্বল। তিনিও উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার পর কোনও কাজ না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। অবশেষে জারবেরা ফুলের (Gerbera Flower) চাষের সন্ধান পান। এ বিষয়ে চর্চাও শুরু করে দেন। অবশেষে পুনে থেকে জারবেরা ফুলের চারা এনে নিজের জমিতেই হাজার বর্গফুট এলাকায় চাষ করতে শুরু করেন। তৈরি করেন গ্রিন হাউস। এরপরই শুরু করেন জারবেরা ফুলের চাষ।

    গ্রিন হাউস তৈরিতে খরচ কত?

    এই জারবেরা (Gerbera Flower) ফুলের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে মূলত বেঙ্গালুরুতে। সেখানে হাজার হাজার বিঘা জমিতে জারবেরা ফুলের চাষ হয়। এবার সেই অনুকূল পরিবেশ কৃত্রিম উপায়ে তৈরি করে নদিয়াতেও চাষ হচ্ছে। উজ্জ্বল বলেন, এই চাষে কৃত্রিম গ্রিন হাউস তৈরি করতে মূলত ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা খরচ হয়েছিল। সেই গ্রিন হাউস কুড়ি বছর পর্যন্ত চালানো যেতে পারে। তবে এই ফুলের যত্ন এবং চর্চা খুব ভালোভাবে করতে হয়। গ্রিন হাউসের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে জল দিতে হয়। পাশাপাশি গরমে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে পাইপে করে জল দিতে হয় ফুল গাছে। পাশাপাশি কীটনাশক তো রয়েছেই। বিভিন্ন সময় রাসায়নিক ও জৈবসারও প্রয়োগ করতে হয়। উজ্জ্বল আরও বলেন, আগামী দিনে বেকার যুবক-যুবতীরা এই কাজ করে ভালোই আয় করতে পারবেন।

    কীভাবে খুলতে পারে আয়ের পথ?

    এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, রাসায়নিক এবং কীটনাশক সার প্রয়োগ সহ অন্যান্য যে বাহ্যিক খরচ রয়েছে, তা সব মিলিয়ে এক একটি ফুলে (Gerbera Flower) এক থেকে দেড় টাকা করে পড়ে। প্রতিদিন গড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ ফুল তোলা যায়। বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং বিয়ের মরশুম থাকলে এক একটা ফুল পাঁচ থেকে ছয় টাকা করে বিক্রি করা যায়। যার মাসিক আয় প্রায় লক্ষ টাকা ছাড়াতে পারে বলে দাবি তাঁর। সেখানে যদি একটু বেশি চাহিদা থাকে এবং ফুলের দাম চার থেকে পাঁচ টাকা থাকে, তাহলেও মাসে আয় হতে পারে প্রায় লক্ষ টাকা। যদিও তিনি বলেন, কোনও কোনও সময় অনুষ্ঠান কিংবা মরশুম না থাকলে ফুলের দাম একটু কমে যায়। তখন লাভের অংশটাও কমে যেতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নিচ্ছেন তৃণমূল নেতা! ভাইরাল ভিডিও, জেলা জুড়ে শোরগোল

    TMC: চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নিচ্ছেন তৃণমূল নেতা! ভাইরাল ভিডিও, জেলা জুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার তৃণমূলের (TMC) নবজোয়ার কর্মসূচিতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেন। তার ঠিক আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এক তৃণমূল নেতার টাকা নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল হওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। জানা গিয়েছে, ওই তৃণমূল নেতার নাম অনাদি লাহিড়ী। তিনি তপন বিধানসভার গঙ্গারামপুর ব্লক তৃণমূলের সভাপতি। যদিও ভাইরাল হওয়া ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে কী দেখা যাচ্ছে?

    একটি ঘরের মধ্যেই ওই তৃণমূল (TMC) নেতাকে টাকা দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূল (TMC) নেতা দাঁড়িয়ে ফোনে একজনের সঙ্গে কথা বলছেন। আর যে ব্যক্তি ওই তৃণমূল নেতাকে টাকা দিতে এসেছেন, তিনি খাটে বসে রয়েছেন। আর তিনিই সমস্ত ভিডিওটি তুলছেন। তৃণমূল নেতা ফোন রাখার পর একজন ব্যাগ থেকে ৫০০ টাকার কয়েকটি বাণ্ডিল বের করে তৃণমূল (TMC) নেতার হাতে তুলে দেন। এরপর ওই ব্যক্তি তৃণমূল নেতার কাছে জানতে চান, পঞ্চায়েত ভোটের পর ছাড়া হবে। তৃণমূল নেতা বলেন, পঞ্চায়েতের আগেও হয়ে যেতে পারে। কত টাকা আর পাবেন ওই তৃণমূল নেতা জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, সাড়ে চার পেয়েছি। এখনও আরও দুই পাব। তবে, পরিমাণ কত সেটা তিনি বলেননি। পাশ থেকে একজন বলেন, এখন চাকরি নিয়ে যা হচ্ছে ভয়ে কেউ টাকা দিচ্ছে না। কনস্টেবলের চাকরি কেউ টাকা দিয়ে ভয়ে নিতে চাইছে না। তৃণমূল নেতা তাঁকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, কিছু সমস্যা হলেও অরিজিনাল চাকরিও হচ্ছে। এদিকে ভাইরাল ওই ভিডিও নিয়ে ট্যুইট করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, আজ জেলায় অভিষেক এসেছে। আর তার আগেই দলের নেতার তোলাবাজি ভিডিও ভাইরাল হচ্ছে। বোঝা যাচ্ছে, অভিষেক তাঁর দলের লোকেদের বলে রেখেছেন, চাকরির নাম করে টাকা তোলার জন্য। দলীয় নেতারা সেই কাজই করছে।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    এ ধরনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় অস্বস্তিতে পড়েছে জেলা তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব। তৃণমূলের জেলা সভাপতি মৃণাল সরকার বলেন, একটি ভিডিও দেখেছি তবে তার সত্যতা যাচাই করে দেখতে হবে। যদি সত্যতা থাকে তবে দল উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। সংবাদমাধ্যম ওই তৃণমূল নেতা অনাদি লাহিড়ীকে ফোন করা হলে তিনি ফোন না ধরায় এই বিষয়ে তাঁর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Police: আবগারি দফতরে চাকরি দেওয়ার নাম করেও লক্ষ লক্ষ টাকা তুলেছেন কলকাতা পুলিশের সেই অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার

    Kolkata Police: আবগারি দফতরে চাকরি দেওয়ার নাম করেও লক্ষ লক্ষ টাকা তুলেছেন কলকাতা পুলিশের সেই অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু বারের লাইসেন্সই নয়, আবগারি দফতরে চাকরি করে দেওয়ার নাম করেও লক্ষ লক্ষ টাকা তুলেছেন কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার সোমনাথ ভট্টাচার্য। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এমনই তথ্য জানতে পেরেছেন বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কর্তারা। এমনিতেই সঞ্জয় বসু নামে উত্তরপাড়ার এক বাসিন্দার কাছ থেকে বারের লাইসেন্সের জন্য ৩০ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন তিনি। আর একজনের কাছ থেকে নিয়েছিলেন ৩৬ লক্ষ টাকা। সঞ্জয়বাবুকে চালানও দিয়েছিলেন ওই পুলিশ অফিসার (Kolkata Police)। আবগারি দফতরের সেই চালান যে ভুয়ো, তা পুলিশ তদন্তে জানতে পারে।  সব মিলিয়ে তিনি প্রায় কোটি টাকা তুলেছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান।

    আবগারি দফতরে চাকরি দেওয়ার জন্য কতজনের থেকে টাকা নিয়েছিলেন ওই পুলিশ অফিসার?

    ধৃত পুলিশ অফিসারের বাড়ি থেকে আবগারি দফতরের কিছু নিয়োগপত্র পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছিল। পরে সেই নিয়োগপত্রগুলি খতিয়ে দেখে পুলিশ জানতে পারে, সবই ভুয়ো। আবগারি দফতরে চাকরি দেওয়ার নাম করে ওই পুলিশ অফিসার (Kolkata Police) টাকা তুলেছেন বলে তদন্তকারী আধিকারিকরা মনে করছেন। সেইমতো ধৃত পুলিশ অফিসারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা শুরু হয়। তাতে নতুন তথ্য পুলিশের হাতে আসে। জানা যায়, পুলিশের চোখে ধুলো দিতেই কারও কাছ থেকে চেক বা অ্যাকাউন্টে কোনও টাকা নিতেন না। সমস্ত টাকা নগদে নিতেন। মূলত বরানগরে বনহুগলির বাড়িতে বসেই এই কারবার চালাতেন। পুলিশ অফিসারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারী অফিসাররা জানতে পেরেছেন, আবগারি দফতরে চাকরি দেওয়ার জন্য তিনি মাথাপিছু ৪ লক্ষ টাকা করে নিতেন। এইভাবে আটজনের কাছ থেকে মোট ৩২ লক্ষ টাকা তিনি তুলেছেন। উত্তরপাড়া এলাকায় এরকম বেশ কয়েকজন প্রার্থীর কাছ থেকে তিনি টাকা নিয়েছিলেন। এমনকী বারের লাইসেন্স দেওয়ার নাম করে যে সঞ্জয় বসুর কাছে থেকে ৩০ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন, তাঁর স্ত্রীকে আবগারি দফতরে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন তিনি। এজন্য তাঁর কাছ থেকেও টাকা নিয়েছিলেন। কলকাতা এবং দক্ষিণেশ্বর এলাকাতেও অনেকের কাছ থেকে তিনি টাকা তুলেছিলেন। আর কার কাছ থেকে তিনি টাকা তুলেছিলেন, তা তদন্তকারী আধিকারিকরা জানার চেষ্টা করছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rozgar Mela: ‘বিরোধিতা নয়, প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করুন’, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা নিশীথের

    Rozgar Mela: ‘বিরোধিতা নয়, প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করুন’, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা নিশীথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধিতা নয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অনুসরণ করুন। বেকার যুবকদের পুলিশের লাঠির বাড়ি নয়, চাকরি দিন। যুবরাই দেশের ভবিষ্যৎ। বৃহস্পতিবার এনজেপি-তে রোজগার মেলা (Rozgar Mela) অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি এই আবেদনই জানালেন কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। এদিন কাশ্মীর কলোনিতে রেলের ভিআইপি গেস্ট হাউসে এই রোজগার মেলায় মোট ২৫৬ জনের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়। এর মধ্যে ২১২ জন রেলের। এদিন একই সময়ে দেশের অন্যান্য স্থানেও এই রোজগার মেলার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন দফতরে মোট ৭১ হাজার ৫০৬ জনের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়। ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। 

    পশ্চিমবঙ্গে বেকার ছেলেমেয়েদের নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী?

    নিশীথ প্রামাণিক বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশকে সমৃদ্ধ করতে প্রতিশ্রুতিমতো যুবদের চাকরি (Rozgar Mela) দিয়ে চলেছেন। সেখানে পশ্চিমবঙ্গে বেকার ছেলেমেয়েরা চাকরির জন্য রাস্তায় ধর্না দিচ্ছে। ন্যায্য দাবির সেই কন্ঠকে রোধ করতে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পুলিশ দিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের পেটাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রীকে বলবো, প্রধানমন্ত্রীর বিরোধিতা না করে তাঁকে অনুসরণ করুন। বেকার ছেলেমেয়েদের পুলিশের লাঠির বাড়ি নয়, চাকরি দিন। তাঁরাই দেশের ভবিষ্যৎ। এক প্রশ্নের উত্তরে নিশীথ প্রামাণিক বলেন, যোগ্য প্রার্থীদের চাকরি না দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী চাকরি চুরি করছেন। এক যুগ ধরে এরাজ্যে সরকারি দফতরে নিয়োগ নেই, শিল্প নেই। বেকার ছেলেমেয়েরা রাস্তায় কাঁদছে। সরকারি চাকরিজীবীরা ন্যায্য ডিএ’র জন্য ধর্না দিচ্ছেন। এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর সরকার সবদিকেই  চূড়ান্ত ব্যর্থ। আইন-শৃঙ্খলা, উন্নয়ন সবেতেই ব্যর্থ। অর্থনৈতিক দিক থেকেও বেহাল অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে এই রাজ্য। তবু এদের দুর্নীতি থেমে নেই। একের পর এক তদন্তে সরকারের মন্ত্রী থেকে শুরু করে তৃণমূলের নেতারা ধরা পড়ছেন। আগামীতে আরও রাঘববোয়াল ধরা পড়বে। 

    ‘খেলো ইন্ডিয়া’ নিয়ে রাজ্যকে তোপ

    রোজগার মেলায় (Rozgar Mela) এক প্রশ্নের উত্তরে নিশীথ প্রামাণিক বলেন, দুঃখ লাগে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একসময় কেন্দ্রের ক্রীড়ামন্ত্রী ছিলেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রী হয়ে এরাজ্যের খেলাধুলোর উন্নয়নে কোনও উদ্যোগ নেননি। খেলো ইন্ডিয়া কেন্দ্র তৈরির জন্য সব রাজ্যের কাছে প্রস্তাব চেয়ে আবেদন জানিয়েছিল কেন্দ্র সরকার। সবাই সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে একাধিক খেলো ইন্ডিয়া কেন্দ্র তৈরি করে ফেলেছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ কোনও প্রস্তাব পাঠায়নি, বারবার বলা সত্ত্বেও। তাই রাজ্যের অন্যান্য জায়গার মতো উত্তরবঙ্গ খেলো ইন্ডিয়া কেন্দ্র থেকে বঞ্চিত হয়েছে। অথচ উত্তরবঙ্গে ফুটবল-ক্রিকেট, অ্যাথলেটিক্স-এর প্রচুর প্রতিভা রয়েছে। এদের আত্মপ্রকাশের জন্য রাজ্য সরকার কোনও উদ্যোগ নিচ্ছে না। শিলিগুড়িতে ক্রিকেট স্টেডিয়ামের প্রয়োজন রয়েছে। সে ব্যাপারেও মুখ্যমন্ত্রী কোনও উদ্যোগ নিচ্ছেন না। তাঁরা যদি প্রস্তাব দেন, তাহলে কেন্দ্র সরকার শিলিগুড়িতে ক্রিকেটের জন্য স্টেডিয়াম তৈরি করে দেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share