Tag: Employment

Employment

  • PM Modi: ভারতে বিরাট অঙ্কের বিনিয়োগ করবে এয়ারট্রাঙ্ক, স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: ভারতে বিরাট অঙ্কের বিনিয়োগ করবে এয়ারট্রাঙ্ক, স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামো সম্প্রসারণে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করল ব্ল্যাকস্টোন-সমর্থিত ডেটা সেন্টার সংস্থা এয়ারট্রাঙ্ক। এই ঘোষণাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর মতে, এই বিনিয়োগ ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং দেশকে ক্লাউড কম্পিউটিং এবং এআইয়ের (AI) বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

    ডিজিটাল পরিকাঠামোর অগ্রগতি (PM Modi)

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামোর অগ্রগতি দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। এয়ারট্রাঙ্কের প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ এবং ৫ গিগাওয়াট ডেটা সেন্টার গড়ে তোলার পরিকল্পনা দেশের ডিজিটাল পরিকাঠামোয় অন্যতম বৃহৎ প্রস্তাবিত বিনিয়োগ। তিনি এও লেখেন, এই ধরনের বিনিয়োগ ভারতের ক্লাউড কম্পিউটিং এবং এআই খাতে বৈশ্বিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, স্থানীয় সরবরাহ শৃঙ্খল উন্নয়ন এবং উদ্ভাবননির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিরও সহায়ক হবে। তাঁর মতে, বিশ্বের ডিজিটাল অর্থনীতির ভবিষ্যৎ ক্রমশ ভারতের হাতেই গড়ে উঠছে।

    এয়ারট্রাঙ্কের বক্তব্য

    এয়ারট্রাঙ্ক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের প্রস্তাবিত বিনিয়োগ কর্মসূচি ভারতের এআই এবং ক্লাউড পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি শিল্পের বিকাশেও। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ভারতের বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে একাধিক প্রকল্পের মাধ্যমে এই বিনিয়োগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে, যা দেশকে বৈশ্বিক এআই ও ক্লাউড পরিকাঠামো বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্যে পরিণত করতে সাহায্য করবে।

    দীর্ঘমেয়াদি লগ্নি পরিকল্পনা

    চলতি বছরের এপ্রিল মাসে লুমিনা ক্লাউডইনফ্রা (Lumina CloudInfra) অধিগ্রহণের মাধ্যমে ভারতীয় বাজারে প্রবেশ করে এয়ারট্রাঙ্ক। বর্তমানে মুম্বই, চেন্নাই এবং হায়দরাবাদে প্রায় ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ডেটা সেন্টার উন্নয়ন প্রকল্প তাদের হাতে রয়েছে। এয়ারট্রাঙ্কের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান এক্সিকিউটিভ আধিকারিক রবিন খুদা জানান, কেন্দ্র ও বিভিন্ন রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার পর ভারতকে ঘিরে তাদের দীর্ঘমেয়াদি লগ্নি পরিকল্পনা আরও সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “মূলধন সবসময় এমন জায়গায় যায় যেখানে উন্নয়নের অনুকূল পরিবেশ থাকে, আর ভারত সেই পরিবেশ তৈরি করতে পেরেছে। সরকারের এআই-কেন্দ্রিক নীতি, দক্ষ মানবসম্পদ এবং বিপুল নবায়নযোগ্য শক্তির প্রাপ্যতা আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি বিনিয়োগকারীদের কাছে ভারতকে অত্যন্ত আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

    ডিজিটাল পরিকাঠামো প্রকল্প

    ভারত সফরকালে রবিন খুদা কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি ছাড়াও মহারাষ্ট্র ও অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার, জলসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং দ্রুত প্রকল্প অনুমোদনের মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে আরও সমন্বয়ের মাধ্যমে বৃহৎ ডিজিটাল পরিকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ কীভাবে সহজ করা যায়, সেই বিষয়েও মতামত বিনিময় হয়েছে।

    রবিন খুদার বক্তব্য

    খুদা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ডিজিটাল অর্থনীতির ভাবনা ভারতকে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় প্রযুক্তি বিনিয়োগের গন্তব্যে পরিণত করেছে।” তাঁর মতে, ভারতের পরিসর, প্রতিভা এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষা দেশটিকে ভবিষ্যতের বৈশ্বিক এআই শক্তিকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম। সেই লক্ষ্য পূরণে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এয়ারট্রাঙ্ক সহযোগিতা করতে আগ্রহী। সংস্থার দাবি, বিশ্বজুড়ে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যেসব দেশের শক্তিশালী ডিজিটাল পরিকাঠামো থাকবে, তারাই ভবিষ্যতে বেশি বিনিয়োগ, উদ্ভাবন এবং উচ্চমূল্যের কর্মসংস্থান আকর্ষণ করতে পারবে।

     

  • Modi Govt: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেহরুকে ছাপিয়ে গেলেন মোদি, জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন নেওয়ার পথে ভারত

    Modi Govt: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেহরুকে ছাপিয়ে গেলেন মোদি, জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন নেওয়ার পথে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা এক যুগ ধরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে জওহরলাল নেহরুর রেকর্ড ভাঙলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi Govt)। এই মাইলফলক শুধু রাজনৈতিক ইতিহাসের অংশ নয়, বরং গত ১২ বছরে ভারতের (India) অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিবর্তনের মূল্যায়নেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ।

    আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের গুরুত্ব (Modi Govt)

    গত এক দশকে ভারতের অর্থনীতি প্রায় ২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৭.৭ শতাংশ এবং বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার প্রায় ৬৮৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের গুরুত্বও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকৃত পরিবর্তন শুধু অর্থনীতির আকারে নয়, বরং দেশের প্রশাসনিক কাঠামো এবং ডিজিটাল পরিকাঠামোর আমূল পরিবর্তনে।

    মোদি সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য

    মোদি সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য হল ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার গড়ে তোলা। আধার, জনধন অ্যাকাউন্ট, ইউপিআই, জিএসটি এবং ডিবিটি (সরাসরি ভর্তুকি স্থানান্তর)-কে একত্রিত করে বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল প্রশাসনিক ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে জনধন অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ৫৮ কোটিরও বেশি, আয়ুষ্মান ভারত স্বাস্থ্য কার্ড ইস্যু হয়েছে প্রায় ৪৪ কোটি। ডিজিটাল মাধ্যমে সরাসরি ভর্তুকি পৌঁছে যাওয়ায় সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতি ও অপচয় অনেকটাই কমেছে। বিশেষ করে ইউপিআই (UPI) ভারতের অর্থনীতিতে বিরাট পরিবর্তন এনেছে। ২০২৬ সালের মে মাসে ইউপিআইয়ের মাধ্যমে ২৩.২ বিলিয়ন লেনদেন হয়েছে, যার মোট মূল্য প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা। ছোট দোকান থেকে বড় ব্যবসা—সব ক্ষেত্রেই ডিজিটাল পেমেন্ট এখন দৈনন্দিন বাস্তবতা (India)। বিশ্বের একাধিক দেশও এখন ভারতের এই ডিজিটাল পেমেন্ট পরিকাঠামো গ্রহণ করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ভারতের প্রযুক্তিগত সক্ষমতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি (Modi Govt)।

    পরিকাঠামো নির্মাণে ব্যাপক সরকারি বিনিয়োগ

    মোদি সরকারের আর একটি বড় নীতি হল পরিকাঠামো নির্মাণে ব্যাপক সরকারি বিনিয়োগ। ২০১৫ সালে যেখানে মূলধনী ব্যয় ছিল প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা, সেখানে ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে তা বেড়ে পৌঁছেছে ১২.২ লাখ কোটি টাকায়। জাতীয় সড়ক, রেলপথ, বন্দর, বিমানবন্দর এবং মালবাহী করিডর নির্মাণে গত এক দশকে নজিরবিহীন বিনিয়োগ হয়েছে। বর্তমানে ব্রডগেজ রেলপথের ৯৯ শতাংশেরও বেশি অংশে বিদ্যুতায়িত হয়েছে। দেশে চালু রয়েছে ১৬৪টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস পরিষেবা। সরকারের আশা, এই পরিকাঠামো উন্নয়ন ভবিষ্যতে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করবে। তবে উৎপাদন খাতে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এখনও অধরা। ২০১৪ সালে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল উৎপাদন শিল্পের অংশীদারিত্ব জিডিপির ২৫ শতাংশে উন্নীত করা। কিন্তু ১২ বছর পরেও তা ১৩ থেকে ১৭ শতাংশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে (Modi Govt)।

    ইলেকট্রনিক্স-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য

    চিন, ভিয়েতনাম কিংবা মালয়েশিয়ার তুলনায় ভারতের উৎপাদন খাত এখনও অনেক পিছিয়ে। যদিও প্রোডাকশন লিঙ্কড ইনসেনটিভ (PLI) প্রকল্পের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক্স-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য এসেছে, তবুও সামগ্রিক শিল্পায়নের গতি প্রত্যাশিত নয় (India)। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ২০৩৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় উৎপাদন মিশনের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও কর্মসংস্থানের প্রশ্নে উদ্বেগ রয়ে গিয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ বেকারত্বের হার ৩.১ শতাংশ হলেও, ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী যুবকদের মধ্যে সাপ্তাহিক ভিত্তিক বেকারত্বের হার প্রায় ১৪.৩ শতাংশ।

    উৎপাদন শিল্পে কর্মসংস্থান

    প্রতি বছর শ্রমবাজারে নতুন কয়েক মিলিয়ন মানুষ যুক্ত হলেও, সেই তুলনায় পর্যাপ্ত মানসম্পন্ন এবং স্থায়ী চাকরি তৈরি হয়নি। উৎপাদন শিল্পে কর্মসংস্থানের ঘাটতি অর্থনীতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Modi Govt)।অর্থনীতিবিদদের মতে, গত ১২ বছরে ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামো, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, ব্যাঙ্কিং সংস্কার এবং পরিকাঠামো উন্নয়নে বড় পরিবর্তন এসেছে। অবশ্য মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, উৎপাদন খাতের সম্প্রসারণ এবং বৃহৎ পরিসরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এখনও দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অসম্পূর্ণ লক্ষ্য (India)। আগামী দশকে যদি উৎপাদন ও কর্মসংস্থানে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্ভব হয়, তাহলে মোদি যুগকে ভারতের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক শক্তি হয়ে ওঠার ভিত্তি হিসেবেই দেখা হবে। অন্যথায় সম্ভাবনা ও বাস্তবতার ব্যবধানই ভারতের অর্থনীতির প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে থাকবে (Modi Govt)।

     

  • Rashmi Group: ‘পদ্মময়’ বাংলায় ৩৫,০০০ কোটি টাকার নয়া লগ্নির পরিকল্পনার ঘোষণা রশ্মি গ্রুপের

    Rashmi Group: ‘পদ্মময়’ বাংলায় ৩৫,০০০ কোটি টাকার নয়া লগ্নির পরিকল্পনার ঘোষণা রশ্মি গ্রুপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাবল ইঞ্জিন সরকার ক্ষমতায় আসতেই পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন শিল্পপতিরা। এবার ‘পদ্মময়’ বাংলায় ইস্পাত, বিদ্যুৎ এবং খনি খাতে ৩৫,০০০ কোটি টাকার নয়া বিনিয়োগ পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করল রশ্মি গ্রুপ (Rashmi Group)। শুক্রবার এই শিল্পগোষ্ঠীর তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রতিবছর লোহা ও ইস্পাত উৎপাদন ক্ষমতা আরও ৭ মিলিয়ন টন বাড়াতে ৩০,০০০ কোটিরও বেশি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। বীরভূম ও পশ্চিম বর্ধমান জেলায় অধিগৃহীত তিনটি কয়লাখনি চালু করার (Power Projects) জন্য আরও ৫,০০০ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।

    রশ্মি গ্রুপের পরিকল্পনা (Rashmi Group)

    চলতি বছরের জানুয়ারিতে, গ্রুপটি তেলঙ্গনা সরকারের সঙ্গে ১২,৫০০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য মউ (MoU) সই করেছিল। তবে এ রাজ্যে প্রস্তাবিত সম্প্রসারণ প্রকল্পগুলির বিস্তারিত তথ্য, নির্দিষ্ট অবস্থান, জমির প্রয়োজনীয়তা বা সংশোধিত বাস্তবায়ন পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করেনি ওই শিল্পগোষ্ঠী। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের অক্টোবরে রশ্মি গ্রুপ পুরুলিয়ায় ১০,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগে একটি ২.৮ মিলিয়ন টন ক্ষমতাসম্পন্ন ইস্পাত কারখানা এবং ৪০০ মেগাওয়াট ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছিল। সেই সময় রাজ্য সরকার প্রকল্পটির জন্য প্রায় ৯৩৮ একর জমি বরাদ্দ করেছিল।

    কর্মসংস্থান হবে ৫০ হাজারের

    তবে এদিনের ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়নি যে, পুরুলিয়ার আগের প্রকল্পটি নয়া  ৩৫,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত কি না, অথবা প্রকল্পের বিন্যাস, জমি বরাদ্দ কিংবা সময়সূচিতে কোনও পরিবর্তন আনা হয়েছে কি না। সংস্থাটি জানিয়েছে, নয়া লগ্নি পরিকল্পনায় জুড়বে পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা। কোম্পানির দাবি, শুধুমাত্র ইস্পাত উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধির প্রকল্প থেকেই প্রায় ৩৫,০০০ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। কয়লাখনি প্রকল্পগুলি থেকে আরও ১৫,০০০টি চাকরির সুযোগ তৈরি হতে পারে (Rashmi Group)।

     রশ্মি গ্রুপের বক্তব্য

    ওই শিল্পগোষ্ঠী জানিয়েছে, তারা ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ২৫,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। বর্তমানে রাজ্যে তারা ১০ মিলিয়ন টন প্রতি বছর (MTPA) ইস্পাত কারখানা, ৮৫০ মেগাওয়াট ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং ১.৪৫ মিলিয়ন টন প্রতি বছর সিমেন্ট উৎপাদন ইউনিট পরিচালনা করছে। রশ্মি গ্রুপের বাণিজ্য, খনি কৌশল ও কর্পোরেট পরিকল্পনা বিভাগের জয়েন্ট প্রেসিডেন্ট লাল বাবু চৌরাসিয়া জানান, পশ্চিমবঙ্গ ক্রমেই বৃহৎ শিল্প উৎপাদন ও পরিকাঠামো (Power Projects) উন্নয়নের জন্য একটি সম্ভাবনাময় শিল্প গন্তব্য হিসেবে উঠে আসছে। তিনি বলেন, “আমাদের প্রস্তাবিত বিনিয়োগ পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যতের প্রতি আমাদের গভীর আস্থা এবং মজবুত শিল্পোন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতি আমাদের অটল অঙ্গীকারের প্রতিফলন (Rashmi Group)।”

     

  • Union Budget: ‘এডুকেশন টু এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড এন্টারপ্রাইজেস স্ট্যান্ডিং কমিটি’ গঠনের কথা ঘোষণা মোদি সরকারের

    Union Budget: ‘এডুকেশন টু এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড এন্টারপ্রাইজেস স্ট্যান্ডিং কমিটি’ গঠনের কথা ঘোষণা মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘এডুকেশন টু এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড এন্টারপ্রাইজেস স্ট্যান্ডিং কমিটি’ নামে একটি নয়া উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা করল (Union Budget) কেন্দ্রীয় সরকার (Modi Govt)। রবিবার এই ঘোষণাটি করা হয়। কমিটির লক্ষ্য হল কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করা এবং ভবিষ্যতের জন্য ভারতীয় কর্মশক্তিকে প্রস্তুত করা। সংসদে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬ পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এই ঘোষণা করেন। তিনি জানান, এই কমিটি মূলত পরিষেবা খাতের ওপর গুরুত্ব দেবে, যাকে তিনি অর্থনৈতিক বৃদ্ধির একটি বড় চালিকাশক্তি হিসেবে দেখছেন।

    নতুন প্রযুক্তির প্রভাব (Union Budget)

    এই কমিটি কর্মসংস্থানের ফল উন্নত করা এবং এআই-সহ নতুন প্রযুক্তির প্রভাব ভারতের শ্রমবাজারে কীভাবে পড়ছে, তা বিশ্লেষণ করবে। তরুণদের জন্য শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থানে একটি মসৃণ রূপান্তর নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। বাজেট ভাষণে অর্থমন্ত্রী বলেন, “পরিষেবা খাত দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ চালক। নতুন স্ট্যান্ডিং কমিটি পরিষেবা খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সুপারিশ করবে, যা ভারতকে বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্বের আসনে পৌঁছতে সাহায্য করতে পারে। সীতারামন জানান, ২০৪৭ সালের মধ্যে বৈশ্বিক পরিষেবা বাজারে ভারতের অংশীদারিত্ব ১০ শতাংশে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। তাঁর মতে, কমিটি এমন ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করবে যেখানে প্রবৃদ্ধি বাড়ানো সম্ভব, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যাবে এবং রফতানি বৃদ্ধি করা যেতে পারে। এর ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ভারতের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে (Union Budget)।

    ডিজিটাল সরঞ্জাম

    কমিটির অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হবে এআই-সহ নতুন প্রযুক্তি শ্রমবাজারে কী ধরনের প্রভাব ফেলছে, তা মূল্যায়ন করা। অর্থমন্ত্রী বলেন, “স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা ও ডিজিটাল সরঞ্জাম কাজের ধরন বদলে দিচ্ছে। ফলে ভবিষ্যতে কোন ধরনের দক্ষতার প্রয়োজন হবে, তা বোঝা অত্যন্ত জরুরি।” এই বিশ্লেষণের ভিত্তিতে কমিটি সুপারিশ করবে, কীভাবে কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত করা যায়। অর্থমন্ত্রী বলেন, “এআই-সহ উদীয়মান প্রযুক্তির প্রভাব কর্মসংস্থান ও দক্ষতার চাহিদার ওপর কীভাবে পড়ছে, তা মূল্যায়ন করে সেই অনুযায়ী পদক্ষেপের প্রস্তাব দেওয়া হবে।” তিনি আরও (Modi Govt) বলেন, “তরুণদের জন্য বহুমুখী ও দক্ষ পেশাগত সুযোগ তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্যে সরকার শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচিকে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগের সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে লক্ষ্যভিত্তিক উদ্যোগ নেবে (Union Budget)।”

    সহায়ক স্বাস্থ্য পেশা

    এই উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হবে অ্যালায়েড হেলথ প্রফেশনস বা সহায়ক স্বাস্থ্য পেশা। অর্থমন্ত্রী জানান, এই খাতে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলিকে আধুনিকীকরণ করা হবে এবং সরকারি ও বেসরকারি উভয় ক্ষেত্রেই নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। এতে ১০টি নির্বাচিত ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে অপটোমেট্রি, রেডিওলজি, অ্যানেস্থেশিয়া, অপারেশন থিয়েটার টেকনোলজি, অ্যাপ্লায়েড সাইকোলজি ও বিহেভিয়ারাল হেলথ। অর্থমন্ত্রীর মতে, আগামী পাঁচ বছরে এর ফলে প্রায় এক লাখ নতুন সহায়ক স্বাস্থ্যকর্মী যুক্ত করা সম্ভব হবে। এতে একদিকে যেমন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, তেমনি দেশে ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্য পরিষেবার চাহিদাও মেটানো যাবে।

    পরিষেবা খাত, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির ওপর জোর দিয়ে সরকার আশা করছে, এই উদ্যোগ ভারতের এমন এক (Modi Govt) কর্মশক্তি গড়ে তুলবে, যা আগামী দিনের অর্থনীতির জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকবে (Union Budget)।

     

  • Maha Kumbh 2025: মহাকুম্ভে ৪০ কোটি ভক্ত-সমাগমের সম্ভাবনা, কর্মসংস্থান হতে পারে ১.২৫ লক্ষ মহিলার

    Maha Kumbh 2025: মহাকুম্ভে ৪০ কোটি ভক্ত-সমাগমের সম্ভাবনা, কর্মসংস্থান হতে পারে ১.২৫ লক্ষ মহিলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের সর্ববৃহৎ হিন্দু ধর্মের মহামিলন দেখা যাবে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভ মেলায় (Maha Kumbh 2025)। এই মেলাকে ঘিরে উত্তরপ্রদেশের রাজ্য প্রশাসন এবং মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ভীষণভাবে তৎপর। গত ২ বছর ধরে এই মেলার প্রস্তুতি চলছে। ত্রিবেণী সঙ্গমে সুবিশাল নগর বসানো হবে। দেশ-বিদেশ থেকে আনুমানিক ৪০ কোটি ভক্তদের সমাগম হবে মেলায়। একই ভাবে মেলার আয়োজন এবং প্রাচুর্যকে ঘিরে অভ্যন্তরীণ কর্মসংস্থানের বিরাট সুযোগ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মোট ৭ রাজ্য থেকে ১ লক্ষ ২৫ হাজার মহিলা কাজের (Employment) সুযোগ পাবেন।

    ১৪ হাজার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কাজ (Maha Kumbh 2025)

    ১২ বছর অন্তর বসে পূর্ণ কুম্ভমেলা। ১২টি পূর্ণকুম্ভ হলে একটি মহাকুম্ভ হয়। অর্থাৎ, প্রতি ১৪৪ বছরে একবার মহাকুম্ভের আয়োজন হয়। এই মহাযোগে ত্রিবেণীর ঘাটে স্নান করলে মেলে পুণ্য। আবার শাস্ত্র মতে, মানব জীবনের মুক্তির বাসনাও পূর্ণ হয় এই মহাকুম্ভে। জানা গিয়েছে, মেলার আয়োজনে পাতার প্লেট, কুলহার, পাটের ব্যাগ, কাপড়ের ব্যাগ, মাটির কাপ তৈরির বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিহার, মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, ছত্তিশগড়, উত্তরাখণ্ড এবং উত্তরপ্রদেশ সহ মোট ২৮টি জেলার মহিলাদের। উৎপাদিত পণ্য এই রাজ্যগুলির মোট ৮৬টি জেলার গ্রুপ দ্বারা প্রস্তুত করার কাজ করানো হয়েছে। মোট ১৪ হাজার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কাজে ১ লক্ষ ২৫ হাজার মহিলা প্রস্তুতির কাজে (Employment) নিযুক্ত হয়েছেন। এই বিরাট পরিমাণ কাজের ব্যবস্থা সত্যিই অভাবনীয় বলে অনেকে মনে করছেন।

    ৬০ কোটির বেশি প্লেট ও বাটি প্রস্তুত হবে

    জানা গিয়েছে, এই মহাকুম্ভ মেলায় (Maha Kumbh 2025) ৪০ কোটি সনাতনী দেশি-বিদেশি ভক্তদের সমাগম হবে। তাই ৬০ কোটির বেশি প্লেট এবং বাটি প্রস্তুত করার কাজ চলছে। জোর কদমে কাজ করছে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে মেলা কমিটিও। কাজ তদারকি করার জন্য দুই আইএএস অফিসার এবং ছয় পিসিএস অফিসারকে মোতায়েন করা হয়েছে। এই মহাকুম্ভের স্পেশাল এক্সিকিউটিভ অফিসার আকাঙ্ক্ষা রানা এবং সিডিও গৌরব কুমারকে নোডাল অফিসার করা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ‘মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড’ বেসরকারি সংস্থা, সরানো হোক ‘বোর্ড’ শব্দ, দাবি বিজেপি নেতার

    ২৫০টি দোকান খোলা হবে মেলায়

    তবে এবার মহাকুম্ভ মেলার (Maha Kumbh 2025) আখড়া, ভান্ডার এবং খাবারের এলাকায় কোনও রকম প্লাস্টিক জাতীয় জিনিসের ব্যবহার করতে নিষেধ করা হয়েছে। এই সমস্ত জায়গায় ন্যায্য মূল্যে পাতার প্লেট এবং কুলহার (মাটির ভাঁড়) সরবরাহ করা হবে। এ জন্য প্রত্যকে ক্ষেত্রে ১০টি করে দোকান খোলা হবে। মোট ২৫টি এলাকায় ২৫০টি দোকান খোলা হবে। সেই সঙ্গে স্পেশাল দোকানের সংখ্যা হবে ৫০টি। মেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রত্যেক জায়গায় গাড়িতে করে এই উপকরণগুলি পাঠানো হবে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Online Video Revenue: ৪ বছরে ভিডিও স্ট্রিমিং থেকে রাজস্ব এবং কর্মসংস্থান দ্বিগুণ হবে, বলছে রিপোর্ট

    Online Video Revenue: ৪ বছরে ভিডিও স্ট্রিমিং থেকে রাজস্ব এবং কর্মসংস্থান দ্বিগুণ হবে, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই মজবুত হচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতির ভিত (Employment)। দেশের ভিডিও এন্টারটেইনমেন্ট অর্থনীতির (Online Video Revenue) গড় বার্ষিক বৃদ্ধি ৮ শতাংশ হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০২৮ সালের মধ্যে এটা পৌঁছে যেতে পারে ১৩ বিলিয়ন (১৩০০ কোটি) মার্কিন ডলারে। সাম্প্রতিক এক রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে এই তথ্য। স্ট্রিমিং ভিডিও অন ডিমান্ড (ভিওডি)-র যা চাহিদা, তা থেকে যে রাজস্ব আদায় হয়েছে, তাতে এর অবদান নয়া রাজস্ব বৃদ্ধির অর্ধেক। এই ভিওডি এন্টারটেনমেন্ট অর্থনীতির মধ্যে রয়েছে পে টিভি, ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট এবং প্রিমিয়াম ভিওডি প্ল্যাটফর্মগুলো।

    কী বলছে রিপোর্ট? (Online Video Revenue)

    রিপোর্টের শিরোনাম, ‘বিয়ন্ড স্ক্রিনস: স্ট্রিমিং ভিওডি ইমপ্যাক্ট অন ইন্ডিয়া’জ ক্রিয়েটিভ ইকনোমিক’। এই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, প্রিমিয়াম অনলাইন ভিওডি রাজস্ব ২০২৩ সালে ছিল ১.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৮ সালের মধ্যেই সেটা গিয়ে দাঁড়াবে ৩.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। প্রিমিয়াম ভিওডি প্ল্যাটফর্মগুলোতে মেলে বিজ্ঞাপন, স্পোর্টস, সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে নিউজ কনটেন্ট এবং হাইব্রিড বিভিন্ন মডেল।

    লগ্নির পরিমাণও বাড়বে 

    গত বছর এই হাইব্রিড মডেলের সংখ্যা ছিল ৬০-এর কাছাকাছি। ওই বছর এই প্ল্যাটফর্মগুলো (Online Video Revenue) লোকাল কনটেন্টের পিছনে ব্যয় করেছিল ২.২ মার্কিন বিলিয়ন ডলার। ২০২৮ সালে এই ব্যয় পৌঁছবে ২.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে বলেই আশা বিশেষজ্ঞদের। ভিডিও ইন্ডাস্ট্রিতে কনটেন্ট ইনভেস্টমেন্টের সম্ভাব্য পরিমাণ হবে ৩০ শতাংশ। অরিজিনাল অনলাইন ভিওডিতে লগ্নির পরিমাণও বাড়বে। ২০২৮ সালের মধ্যে এর পরিমাণ দাঁড়াবে ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৩ সালে এর পরিমাণ ছিল ৪৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

    আরও পড়ুন: জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী, উঠবে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গ?

    ওই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, স্ট্রিমিং ভিওডিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৭৪ হাজার জনের। ’২৮ সালের মধ্যে এটাই হয়ে যাবে দ্বিগুণ। স্ট্রিমিং ভিওডি-র প্রভাবের বিস্তৃতি ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রি ছাড়িয়েও বহুদূর বিস্তৃত। এর মধ্যে রয়েছে অ্যানিমেশন, টেলিকম, ব্রডব্র্যান্ড, ট্যুরিজম এবং হসপিটালিটিও (Employment)। ভারতের ছ’টা স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম হল ডিজনি+হটস্টার, প্রাইম ভিডিও, নেটফ্লিক্স, সনি এলআইভি, জি৫ এবং ভুট/জিও সিনেমা (Online Video Revenue)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Budget 2024: বাজেটে কর্মসংস্থানে ৩ প্রকল্পের ঘোষণা সীতারামনের, জানুন বিশদে

    Budget 2024: বাজেটে কর্মসংস্থানে ৩ প্রকল্পের ঘোষণা সীতারামনের, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মসংস্থান (Employment) নিয়ে বড় ঘোষণা তৃতীয় মোদি সরকারের বাজেটে (Budget 2024)। মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ঘোষণা করেন, এক মাসের বেতন দিয়ে আর্থিক সহায়তা থেকে শুরু করে উৎপাদন ক্ষেত্রে নয়া কর্মসংস্থান এবং ভাতারও। প্রধানমন্ত্রীর প্যাকেজের অংশ হিসেবেই সরকার রূপায়ন করবে এই তিন প্রকল্প। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, প্রকল্পগুলি কী কীঃ

    স্কিম এ – ফার্স্ট টাইমার’ (Budget 2024)

    ‘ফার্স্ট টাইমার’ স্কিমটি হল, প্রথমবার যাঁরা চাকরি করতে আসবেন, তাঁদের জন্য। এই প্রকল্প অনুযায়ী, ইপিএফওতে নাম নথিভুক্ত হলেই এক মাসের বেতন বাবদ ১৫ হাজার টাকা দেওয়া হবে। বেতনের ওই টাকা দেওয়া হবে তিনটি কিস্তিতে। প্রতি মাসে যাঁদের বেতন এক লাখ কিংবা এক লাখ টাকার মধ্যে, তাঁরাও সুবিধা পাবেন এই প্রকল্পের। এতে ২১০ লাখ যুবক উপকৃত হবেন বলে আশাবাদী কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।

    স্কিম বি – উৎপাদন ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান

    সীতারামন (Budget 2024) বলেন, এই স্কিমটি প্রথমবারের কর্মীদের কর্ম সংস্থানের সঙ্গে যুক্ত উৎপাদন খাতে অতিরিক্ত কর্মসংস্থানকে উৎসাহিত করবে। কর্মজীবনের প্রথম চার বছর তাঁদের ইপিএফও কন্ট্রিবিউশনের ক্ষেত্রে কর্মী এবং তাঁর নিয়োগ কর্তা দু’পক্ষকেই একটি নির্দিষ্ট স্কেলে ইনসেনটিভ দেওয়া হবে। সীতারামনের আশা, এই প্রকল্পে উপকৃত হবেন প্রথমবার চাকরিতে যোগ দেওয়া ৩০ লাখ যুবক ও তাঁদের নিয়োগ কর্তারা।

    আরও পড়ুন: নামমাত্র সুদে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ, বাজেটে বিশেষ ঘোষণা নির্মলার

    স্কিম সি – সাপোর্ট টু এমপ্লয়ার্স

    এটি একটি এমপ্লয়ার-ফোকাসড স্কিম। সমস্ত ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কর্মসংস্থানে সহায়তা করবে এই প্রকল্প। এই প্রকল্পে সমস্ত অতিরিক্ত কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে, যাঁদের মাসিক বেতন এক লাখ টাকা কিংবা তার মধ্যে, তাঁরাই পাবেন এই প্রকল্পের সুবিধা। সরকার নিয়োগ কর্তাদের প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত দেবে। টাকা মিলবে দু’বছর পর্যন্ত। ইপিএফওতে তাঁদের কনট্রিবিউশনের জন্যই এই টাকাটা দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, “এই স্কিম (Budget 2024) ৫০ লাখ মানুষের অতিরিক্ত কর্মসংস্থানকে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা যায়।” দেশের তরুণ প্রজন্মকে কর্মদ্যোগী করাই অন্যতম মূল লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তাঁর সেই স্বপ্ন পূরণেই পদক্ষেপ (Employment) কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Kalyani AIIMS: ভুয়ো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতারণার ফাঁদ! সতর্ক করল কল্যাণী এইমস

    Kalyani AIIMS: ভুয়ো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতারণার ফাঁদ! সতর্ক করল কল্যাণী এইমস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কল্যাণী এইমস (Kalyani AIIMS) এবার ভুয়ো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে প্রতারণার ফাঁদে পা না দেওয়ার জন্য সতর্ক করল। একাধিক কর্মখালি নিয়ে ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। দেওয়া আছে শূন্যপদের বিবরণ সহ বেতনের তালিকা। অথচ্‌ এইমস কিছুই জানে না। ঘটনায় ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য আগেও একাধিকবার এই ভাবে মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে চাকরি দেওয়ার নাম করে একাধিক সময়ে টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছিল।

    ভুয়ো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে কী বলা হয়েছে (Kalyani AIIMS)?

    সামজিক মাধ্যমে এই ভুয়ো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কাজের সময়। বেতন আকর্ষণীয়। দশম শ্রেণি পাশ হলে মিলবে ১৭ হাজার, উচ্চ মাধ্যমিক পাশ হলে মিলবে ২০ হাজার, ডিপ্লমা থাকলে সাড়ে ২১ হাজার, ডিগ্রি থাকলে ২৬ হাজার মিলবে। আবেদনকারীদের বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে।” যোগাযোগ নম্বর দেওয়া রয়েছে। সেই সঙ্গে বিজ্ঞপ্তির মধ্যে রয়েছে অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স-এর (Kalyani AIIMS) লোগো। কয়েক দিন ধরে এই পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

    ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি দিলে জালিয়াতি হয়!

    জাল বিজ্ঞপ্তিতে (Kalyani AIIMS) দেওয়া নম্বরে ফোন করে জানা গিয়েছে, বিজয় গঙ্গোপাধ্যায় নামক এক ব্যক্তি ধরেছেন। তিনি বলেছেন, “চাকরি হয়ে গেলে বাড়ি থেকে এইমসে যাওয়া-আসা করতে গেলে যদি অসুবিধা হয়, তাহলে আমাদের কাছে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। নার্সিংয়ে শূন্যপদ রয়েছে চাইলে আবেদন করতে পারেন। ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি দিলে জালিয়াতি হয়, তাই এই ভাবে দেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ পানিহাটিতে তৃণমূলের ২ গোষ্ঠীর মধ্যে মারপিট! প্রতিবাদে থানা ঘেরাও, এলাকায় উত্তেজনা

    কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    এইমসের (Kalyani AIIMS) পক্ষ থেকে হাসপাতালের জনসংযোগ আধিকারিক চিকিৎসক সুকান্ত সরকার বলেছেন, “এই ধরনের কোনও বিজ্ঞপ্তি আমাদের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি। এখানে শূন্যপদে নিয়োগ হবে এমন কোনও খবর আমাদের কাছে এখনও পর্যন্ত নেই। চাকরিপ্রার্থীদের অনুরোধ করবো, তাঁরা যেন অবশ্যই কল্যাণী এইমসের নিজেস্ব ওয়েবসাইট থেকে তথ্য যাচাই করে নেন। প্রতারণার ফাঁদ থেকে সকলে সাবধান থাকবেন।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • 10 years of Modi: মোদি জমানায় দেশে বিপুল কর্মসংস্থান, সংখ্যা শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    10 years of Modi: মোদি জমানায় দেশে বিপুল কর্মসংস্থান, সংখ্যা শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্বতন কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের চেয়ে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার যে নানা দিক থেকে এগিয়ে, তা স্পষ্ট হয়েছে বিভিন্ন সমীক্ষার রিপোর্টে। এবার জানা গেল, কর্মসংস্থানেও আগের সরকারের চেয়ে কয়েক যোজন এগিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার (10 years of Modi)।

    কী বলছে ‘স্কচগ্রুপের রিপোর্ট?

    স্কচ (SKOCH) নামের এক সংস্থার করা রিপোর্টে জানা গিয়েছে, ২০১৪ থেকে ২০২৪ সালের (নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রিত্বের ১০ বছর (10 years of Modi)) মধ্যে কংর্মসংস্থান হয়েছে ৫১.৪ কোটি। এর মধ্যে ১৯.৭৯ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে গভর্নেন্স লেড ইন্টারভেনশনের মাধ্যমে। বাকি ৩১.৬১ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে ক্রেডিট-লেড ইন্টারভেনশনের মাধ্যমে। সোমবারই স্কচের তরফে প্রকাশ করা হয়েছে রিপোর্টটি। তাতেই উঠে এসেছে মোদি (10 years of Modi) জমানায় ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির কথা।

    পার্সন-ইয়ার কী?

    একজন ব্যক্তি এক বছরে যত সময় ধরে কাজ করেন, তাকে যদি ঘণ্টায় প্রকাশ করা হয়, এই সময় পরিমাপের একক হল ওয়ান পার্সন-ইয়ার, অর্থাৎ এক ব্যক্তি-বর্ষ। স্কচ গ্রুপ তাদের সমীক্ষায় ২৬০ ব্যক্তি-দিবসকে এক ব্যক্তি-বর্ষ হিসেবে ধরেছে। অর্থাৎ, একজন ব্যক্তি এক বছরে ২৬০ দিন কাজ করলে, তা এক ব্যক্তি-বর্ষ হিসেবে গণ্য হবে। মোদি (10 years of Modi) জমানার দশ বছরে এমন ৫১.৪ কোটি পার্সন-ইয়ার তৈরি হয়েছে। রিপোর্টটি তৈরি করা হয়েছে ৮০টি কেস স্টাডির ভিত্তিতে। এঁরা প্রত্যেকেই ঋণ গ্রহীতা। বিভিন্ন সময় ঋণ নিয়েছিলেন। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের খতিয়ান থেকেও উঠে এসেছে এই তথ্য। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “২০১৪-২৪ সালের মধ্যে মোট ৫১.৪ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে ১৯.৭০ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে গভর্ন্যান্স-লেড ইন্টারভেনশনের মাধ্যমে আর বাকি ৩১.৬১ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে ক্রেডিট-লেড ইন্টারভেনশনের মাধ্যমে।” উল্লেখ্য যে, স্কচ গ্রুপ হল ভারতের থিঙ্কট্যাঙ্ক। ১৯৯৭ সাল থেকে এই সংস্থা আর্থ-সমাজিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে কাজ করছে। দেশের উন্নতির ওপরও আলোকপাত করছে।

    আর পড়ুন: প্রবাসেও বিপন্ন ভারতীয়দের পাশে সরকার, আক্ষরিক অর্থেই সঙ্কটমোচক মোদি

    এই সংস্থা কেন্দ্রীয় সরকারের (10 years of Modi) ১২টি প্রকল্পের ওপর স্টাডি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি স্কিম’, ‘আত্মনির্ভর ভারত রোজগার যোজনা’, ‘প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনা’ এবং ‘প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনা’ও। এখান থেকেই দেখা গিয়েছে গত ৯ বছরে ক্রেডিট গ্যাপ কমে হয়েছে ১২.১ শতাংশ। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে ক্রেডিট গ্যাপ হ্রাস, মাল্টিমেন্সনাল পভার্টি হ্রাসের সঙ্গে ইতিবাচক সমন্বয় রয়েছে। রাষ্ট্রের নেট ডোমেস্টিক প্রোডাক্টও (NDP) বৃদ্ধি পেয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Employment: এমএ পাশ করেও মেলেনি চাকরি, অলংকার তৈরি করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টায় রিয়া!

    Employment: এমএ পাশ করেও মেলেনি চাকরি, অলংকার তৈরি করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টায় রিয়া!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া শিখে, বড় বড় ডিগ্রি নিয়ে চাকরির (Employment) জন্য হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, এরকম অসহায় যুবক-যুবতীর সংখ্যা এ রাজ্যে যত দিন যাচ্ছে, বেড়েই চলেছে। এঁদেরই মধ্যে কেউ কেউ মনের জোর নিয়ে নেমে পড়েছেন ব্যবসায়, খুলে ফেলেছেন চায়ের দোকান, হোটেল, এমনকি রাস্তার ধারে বসে সবজিও বেচছেন। রাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থা এবং চাকরির করুণ চিত্র একটা প্রজন্মকে ক্রমশ যেন হতাশার অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছে। তবুও মনের জোর এবং লেগে থাকার মানসিকতা নিয়ে যাঁরা নিজে কিছু করার জন্য জীবনযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন, তাঁদেরই একজন হলেন রিয়া। আসুন, জেনে নিই তাঁর লড়াইয়ের কাহিনি।

    কীভাবে এগিয়ে চলেছেন রিয়া?

    নদিয়ার কৃষ্ণনগর শক্তিনগরের বাসিন্দা রিয়া বিশ্বাস। বাংলায় এমএ পাশ করে আর পাঁচজন শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীর মতো তিনিও টিউশনকেই একমাত্র বেঁচে থাকার রসদ হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই বুঝলেন, শুধু এই দিয়ে সংসার চালানো কঠিন। তাই এর পাশাপাশি নিজের হাতে তৈরি করতে শুরু করলেন বিভিন্ন ধরনের জুয়েলারি। এমএ পাশ করার পর থেকেই চেষ্টা করছেন চাকরির (Employment)। কিন্তু ভাগ্য বিরূপ। তাই নিজের হাতে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি দিয়ে তৈরি করেন এই সমস্ত অলংকার। এখন ‌যে কোনও উৎসবের রঙে নিজেকে রাঙিয়ে তোলা ট্রেন্ড। তাই সামনেই স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশের পতাকার রঙের বিভিন্ন কারুকার্য এবং নকশা করা জুয়েলারি তৈরি করে বিক্রি করছেন তিনি। কোনও দোকানে নয়, সমস্ত জিনিসপত্র কিনে এনে বাড়িতে বসেই সেই সমস্ত জুয়েলারি বানিয়ে সরাসরি খরিদ্দারের কাছে বিক্রি করেন তিনি। শুধু স্বাধীনতা দিবসই নয়, আসন্ন বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো উপলক্ষেও বিভিন্ন ধরনের আধুনিক জুয়েলারি বানিয়ে বিক্রি করছেন। প্রথম দিকে সাধারণত শখের বসেই তিনি এই জুয়েলারি বানান। তবে ধীরে ধীরে তাঁর এই জুয়েলারির খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন জায়গায়। নিজের ইচ্ছাশক্তি ও অদম্য জেদ থেকেই নিজের সঙ্গে আরও মানুষকে কর্মসংস্থান করে দেওয়ার আশায় রয়েছেন তিনি। কম পুঁজিতে অধিক লাভ এই ব্যবসায়। তাই অন্যদেরও স্বাবলম্বী হওয়ার পথ দেখাচ্ছেন রিয়া।

    কী বলছেন রিয়া?

    এ বিষয়ে রিয়া বিশ্বাস বলেন, চাকরি (Employment) না পেয়ে প্রথমে নেশা হিসেবে কাজ শুরু করেছিলাম। কিন্তু পরবর্তীকালে বাবা মারা যাওয়ার পর আর্থিক সংকটের কারণে এটা পেশায় পরিণত হয়। বাড়িতে দাদা রয়েছে, তিনিও কাজ করেন। কিন্তু তাঁর নিজস্ব সংসার রয়েছে। সেই কারণে কিছুটা যদি সবাইকে সাহায্য করতে পারি আর্থিক দিক থেকে, তার প্রচেষ্টাই চালাচ্ছি আমি। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share