Tag: Employment

Employment

  • 10 years of Modi: মোদি জমানায় দেশে বিপুল কর্মসংস্থান, সংখ্যা শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    10 years of Modi: মোদি জমানায় দেশে বিপুল কর্মসংস্থান, সংখ্যা শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্বতন কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের চেয়ে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার যে নানা দিক থেকে এগিয়ে, তা স্পষ্ট হয়েছে বিভিন্ন সমীক্ষার রিপোর্টে। এবার জানা গেল, কর্মসংস্থানেও আগের সরকারের চেয়ে কয়েক যোজন এগিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার (10 years of Modi)।

    কী বলছে ‘স্কচগ্রুপের রিপোর্ট?

    স্কচ (SKOCH) নামের এক সংস্থার করা রিপোর্টে জানা গিয়েছে, ২০১৪ থেকে ২০২৪ সালের (নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রিত্বের ১০ বছর (10 years of Modi)) মধ্যে কংর্মসংস্থান হয়েছে ৫১.৪ কোটি। এর মধ্যে ১৯.৭৯ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে গভর্নেন্স লেড ইন্টারভেনশনের মাধ্যমে। বাকি ৩১.৬১ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে ক্রেডিট-লেড ইন্টারভেনশনের মাধ্যমে। সোমবারই স্কচের তরফে প্রকাশ করা হয়েছে রিপোর্টটি। তাতেই উঠে এসেছে মোদি (10 years of Modi) জমানায় ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির কথা।

    পার্সন-ইয়ার কী?

    একজন ব্যক্তি এক বছরে যত সময় ধরে কাজ করেন, তাকে যদি ঘণ্টায় প্রকাশ করা হয়, এই সময় পরিমাপের একক হল ওয়ান পার্সন-ইয়ার, অর্থাৎ এক ব্যক্তি-বর্ষ। স্কচ গ্রুপ তাদের সমীক্ষায় ২৬০ ব্যক্তি-দিবসকে এক ব্যক্তি-বর্ষ হিসেবে ধরেছে। অর্থাৎ, একজন ব্যক্তি এক বছরে ২৬০ দিন কাজ করলে, তা এক ব্যক্তি-বর্ষ হিসেবে গণ্য হবে। মোদি (10 years of Modi) জমানার দশ বছরে এমন ৫১.৪ কোটি পার্সন-ইয়ার তৈরি হয়েছে। রিপোর্টটি তৈরি করা হয়েছে ৮০টি কেস স্টাডির ভিত্তিতে। এঁরা প্রত্যেকেই ঋণ গ্রহীতা। বিভিন্ন সময় ঋণ নিয়েছিলেন। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের খতিয়ান থেকেও উঠে এসেছে এই তথ্য। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “২০১৪-২৪ সালের মধ্যে মোট ৫১.৪ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে ১৯.৭০ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে গভর্ন্যান্স-লেড ইন্টারভেনশনের মাধ্যমে আর বাকি ৩১.৬১ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে ক্রেডিট-লেড ইন্টারভেনশনের মাধ্যমে।” উল্লেখ্য যে, স্কচ গ্রুপ হল ভারতের থিঙ্কট্যাঙ্ক। ১৯৯৭ সাল থেকে এই সংস্থা আর্থ-সমাজিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে কাজ করছে। দেশের উন্নতির ওপরও আলোকপাত করছে।

    আর পড়ুন: প্রবাসেও বিপন্ন ভারতীয়দের পাশে সরকার, আক্ষরিক অর্থেই সঙ্কটমোচক মোদি

    এই সংস্থা কেন্দ্রীয় সরকারের (10 years of Modi) ১২টি প্রকল্পের ওপর স্টাডি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি স্কিম’, ‘আত্মনির্ভর ভারত রোজগার যোজনা’, ‘প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনা’ এবং ‘প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনা’ও। এখান থেকেই দেখা গিয়েছে গত ৯ বছরে ক্রেডিট গ্যাপ কমে হয়েছে ১২.১ শতাংশ। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে ক্রেডিট গ্যাপ হ্রাস, মাল্টিমেন্সনাল পভার্টি হ্রাসের সঙ্গে ইতিবাচক সমন্বয় রয়েছে। রাষ্ট্রের নেট ডোমেস্টিক প্রোডাক্টও (NDP) বৃদ্ধি পেয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Employment: এমএ পাশ করেও মেলেনি চাকরি, অলংকার তৈরি করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টায় রিয়া!

    Employment: এমএ পাশ করেও মেলেনি চাকরি, অলংকার তৈরি করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টায় রিয়া!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া শিখে, বড় বড় ডিগ্রি নিয়ে চাকরির (Employment) জন্য হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, এরকম অসহায় যুবক-যুবতীর সংখ্যা এ রাজ্যে যত দিন যাচ্ছে, বেড়েই চলেছে। এঁদেরই মধ্যে কেউ কেউ মনের জোর নিয়ে নেমে পড়েছেন ব্যবসায়, খুলে ফেলেছেন চায়ের দোকান, হোটেল, এমনকি রাস্তার ধারে বসে সবজিও বেচছেন। রাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থা এবং চাকরির করুণ চিত্র একটা প্রজন্মকে ক্রমশ যেন হতাশার অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছে। তবুও মনের জোর এবং লেগে থাকার মানসিকতা নিয়ে যাঁরা নিজে কিছু করার জন্য জীবনযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন, তাঁদেরই একজন হলেন রিয়া। আসুন, জেনে নিই তাঁর লড়াইয়ের কাহিনি।

    কীভাবে এগিয়ে চলেছেন রিয়া?

    নদিয়ার কৃষ্ণনগর শক্তিনগরের বাসিন্দা রিয়া বিশ্বাস। বাংলায় এমএ পাশ করে আর পাঁচজন শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীর মতো তিনিও টিউশনকেই একমাত্র বেঁচে থাকার রসদ হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই বুঝলেন, শুধু এই দিয়ে সংসার চালানো কঠিন। তাই এর পাশাপাশি নিজের হাতে তৈরি করতে শুরু করলেন বিভিন্ন ধরনের জুয়েলারি। এমএ পাশ করার পর থেকেই চেষ্টা করছেন চাকরির (Employment)। কিন্তু ভাগ্য বিরূপ। তাই নিজের হাতে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি দিয়ে তৈরি করেন এই সমস্ত অলংকার। এখন ‌যে কোনও উৎসবের রঙে নিজেকে রাঙিয়ে তোলা ট্রেন্ড। তাই সামনেই স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশের পতাকার রঙের বিভিন্ন কারুকার্য এবং নকশা করা জুয়েলারি তৈরি করে বিক্রি করছেন তিনি। কোনও দোকানে নয়, সমস্ত জিনিসপত্র কিনে এনে বাড়িতে বসেই সেই সমস্ত জুয়েলারি বানিয়ে সরাসরি খরিদ্দারের কাছে বিক্রি করেন তিনি। শুধু স্বাধীনতা দিবসই নয়, আসন্ন বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো উপলক্ষেও বিভিন্ন ধরনের আধুনিক জুয়েলারি বানিয়ে বিক্রি করছেন। প্রথম দিকে সাধারণত শখের বসেই তিনি এই জুয়েলারি বানান। তবে ধীরে ধীরে তাঁর এই জুয়েলারির খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন জায়গায়। নিজের ইচ্ছাশক্তি ও অদম্য জেদ থেকেই নিজের সঙ্গে আরও মানুষকে কর্মসংস্থান করে দেওয়ার আশায় রয়েছেন তিনি। কম পুঁজিতে অধিক লাভ এই ব্যবসায়। তাই অন্যদেরও স্বাবলম্বী হওয়ার পথ দেখাচ্ছেন রিয়া।

    কী বলছেন রিয়া?

    এ বিষয়ে রিয়া বিশ্বাস বলেন, চাকরি (Employment) না পেয়ে প্রথমে নেশা হিসেবে কাজ শুরু করেছিলাম। কিন্তু পরবর্তীকালে বাবা মারা যাওয়ার পর আর্থিক সংকটের কারণে এটা পেশায় পরিণত হয়। বাড়িতে দাদা রয়েছে, তিনিও কাজ করেন। কিন্তু তাঁর নিজস্ব সংসার রয়েছে। সেই কারণে কিছুটা যদি সবাইকে সাহায্য করতে পারি আর্থিক দিক থেকে, তার প্রচেষ্টাই চালাচ্ছি আমি। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Migrant Labour: ফের মর্মান্তিক ঘটনা! বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হল তেলঙ্গানায় 

    Migrant Labour: ফের মর্মান্তিক ঘটনা! বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হল তেলঙ্গানায় 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মর্মান্তিক ঘটনা। ফের প্রকাশ্যে এল রাজ্যের কর্ম সংস্থানের কঙ্কালসার চেহারা। স্রেফ পেটের টানে ভিন রাজ্যে কত আসহায় যুবক (Migrant Labour) যে ছুটছেন, বিপদে পড়ছেন, তা একটি ঘটনা থেকে আরও একবার পরিষ্কার হয়ে গেল। তেলঙ্গানা রাজ্যের হায়দরাবাদ শহর থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূর। সেখানকার রাঙ্গারেড্ডি জেলার শাদনগরের বারগুলা এলাকায় একটি প্রাইভেট পলিমার সামগ্রী তৈরির কারখানায় কাজ করতেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুর থানার বেতুলিয়াচক লালপুর গ্রামের মনোজিৎ দাস। ভয়াবহ এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কারখানায় কর্মরত অবস্থায় দেহ ঝলসে যায় মনোজিতের। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, এইভাবে কতদিন আর রাজ্যের শিক্ষিত যুব সম্প্রদায়কে শুধুমাত্র সংসার প্রতিপালনে পড়ে থাকতে হবে বিদেশের মাটিতে, যেখানে পদে পদে বিপদের হাতছানি?

    কীভাবে অগ্নিকাণ্ড?

    জানা গেছে, ১৬ ই জুলাই রাতে কাজের সময় হঠাৎই আগুন লেগে যায় কারখানায়। মুহূর্তের মধ্যেই তাতে অগ্নিদগ্ধ হন ৯ জন শ্রমিক। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৪ জুলাই রাতে মৃত্যু হয় মনোজিৎ দাসের। মনোজিৎ সহ চার শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে এখনওপর্যন্ত। যাঁদের বাড়ি মহারাষ্ট্র, কর্নাটক ও পশ্চিমবঙ্গে। আশঙ্কাজনক পাঁচজন এখনও চিকিৎসাধীন। ২৬ জুলাই রাতে দেহ (Migrant Labour) এসে পৌঁছয় ভগবানপুরে, নিজের বাড়িতে। রাতেই সম্পন্ন হয়েছে শেষকৃত্য। ২৯ বছরের তরতাজা যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়েছে পুরো পরিবার।

    কী বললেন বাবা ও প্রতিবেশীরা?

    মনোজিতের (Migrant Labour) প্রতিবেশী দাদা পবিত্র কুমার দাস বলেন, মনোজিৎ ওই কোম্পানিতে পাঁচ বছর কাজ করেছিল। আমিও ওই কোম্পানিতে ৯ বছর কাজ করেছি। এর আগে কোনওদিন এমন ঘটনা ঘটেনি। খুবই মর্মান্তিক ঘটনা। কোম্পানি চিকিৎসা করিয়েছে, পরিবারের পুরো দায়িত্ব কোম্পানি নিয়েছে। ছেলেকে বিয়ে করানোর কথা আলোচনা চলছিল। বাড়ি তুলেছেন নতুন। মনোজিতের বাবা বাদল চন্দ্র দাস দোষ দিচ্ছেন নিজের কপালকে। ভারী গলায় তিনি বললেন, ছেলে কি আর ফিরবে! 

    তরতাজা যুবকের কাজের জন্য ভিন রাজ্যে গিয়ে মৃত্যুর খবরে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

  • Murshidabad: তৃণমূল নেতার সঙ্গে ছবি দেখিয়ে চাকরির নামে প্রতারণা, গ্রেফতার স্কুল শিক্ষক

    Murshidabad: তৃণমূল নেতার সঙ্গে ছবি দেখিয়ে চাকরির নামে প্রতারণা, গ্রেফতার স্কুল শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সরকারের আমলে টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগে রাজ্য রাজনীতি সরগরম। ইতিমধ্যে এই অভিযোগে রাজ্যের মন্ত্রী থেকে শুরু করে একাধিক নেতা গ্রেফতার হয়েছেন। সেরকমই মুর্শিদাবাদেও চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে ছবি দেখিয়ে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে প্রাইমারি স্কুলের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। চাকরি দেওয়ার নাম করে সাড়ে নয় লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শিক্ষককে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) লালবাগ থেকে গ্রেফতার করেছে ইসলামপুর থানার পুলিশ। ধৃতকে চার দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে লালবাগ মহকুমা আদালত।

    মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) চাকরি দেওয়ার নামে কী হয়েছে?

    গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগে পঙ্কজ মণ্ডল, শর্মিষ্ঠা মণ্ডল ও পাপন মণ্ডল নামে তিনজন এক স্থানীয় স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন ইসলামপুর (Murshidabad) থানায়। অভিযুক্ত স্কুল শিক্ষের নাম নবজ্যোতি মণ্ডল। তাঁর বাড়ি রায়পুর গ্রামে। পেশায় প্রাইমারি স্কুলের এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে চাকরি দেওয়ার নাম করে তিনি টাকা নিয়েছিলেন। আরও জানা যায়, ধৃত নবজ্যোতি মণ্ডল তৃণমূল কংগ্রেসের বিভিন্ন নেতাদের সঙ্গে এবং একাধিক উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে নিজের ছবি দেখিয়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে প্রচুর টাকা আত্মসাৎ করেন।

    গ্রেফতার অভিযুক্ত শিক্ষক

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার ইসলামপুর (Murshidabad) থানার পুলিশ মূল অভিযুক্ত নবজ্যোতি মণ্ডলকে গ্রেফতার করে। বুধবার তাঁকে লালবাগ মহকুমা আদালতে পেশ করে ইসলামপুর থানার পুলিশ। ধৃতের জামিন মেলেনি, লালবাগ মহকুমা আদালতের বিচারক পুলিশের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। যদিও একাধিকবার তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ডোমকলের দুই ব্যক্তিকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই মামলার শুনানি এখনও পর্যন্ত হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: প্রাথমিকে চাকরি হারিয়েও মিলেছে পুনর্বহালের নির্দেশ, নিয়োগ না পেয়ে বিক্ষোভ

    Recruitment Scam: প্রাথমিকে চাকরি হারিয়েও মিলেছে পুনর্বহালের নির্দেশ, নিয়োগ না পেয়ে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুনর্নিয়োগের দাবিতে রায়গঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের অফিসের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভ। চাকরি হারিয়ে পুনর্বহালের নির্দেশ পাওয়া শিক্ষকরাই এভাবে আন্দোলনে নেমেছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নিয়োগ-দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় প্রাথমিকে চাকরিহারা ২৬৯ জনকে পুনরায় বহালের নির্দেশ দিয়েছে বোর্ড। অন্যান্য জেলাতে বোর্ডের নির্দেশে শিক্ষকরা চাকরিতে যোগ দিলেও শুধুমাত্র উত্তর দিনাজপুরেই প্রশাসন তাদের পুনরায় নিয়োগ করছে না বলে অভিযোগ। প্রশাসনের দুয়ারে ঘুরেও কোনও সুরাহা না মেলায় সোমবার রাত থেকে অবস্থান-বিক্ষোভে বসে পড়েন তাঁরা। অবিলম্বে পুনরায় নিয়োগ না করা হলে এই বিক্ষোভ চলবে বলেই আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন।

    নিয়োগ না হলে অবস্থানে অনড়

    নিয়োগ-দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলা শুরু হতেই রাজ্যে প্রথম দফায় ২৬৯ জনকে চাকরি থেকে বরখাস্তের নির্দেশ দেয় কলকাতার উচ্চ আদালত। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে চাকরিহারারা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। এরপর সুপ্রিম কোর্ট তাঁদের চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ দেয় বলে দাবি। আর সেই মোতাবেক প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড প্রত্যেক জেলায় ডিপিএসসি ও প্রশাসনকে তাঁদের পুনরায় নিয়োগ করার নির্দেশ দিয়ে চিঠি দেয়। তার ভিত্তিতে রাজ্যের অন্যান্য জেলায় চাকরিতে ওই শিক্ষকদের পুনর্বহাল করা হলেও উত্তর দিনাজপুরের প্রায় ৩৭ জনকে নিয়োগে প্রশাসন টালবাহানা করছে বলে অভিযোগ। আর বেশ কয়েকদিন ধরে প্রশাসনের দুয়ারে গিয়েও নিয়োগ না পেয়ে অবশেষে তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন। খবর পেয়ে অনেক রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কর্নজোড়া ফাড়ির পুলিশ। আন্দোলনকারীদের বোঝানোর চেষ্টা করলেও তাঁদের আশ্বস্ত করতে পারেনি প্রশাসন। এদিকে মঙ্গলবার সকালেও তাঁরা একইভাবে ডিপিএসসি-র সামনে অবস্থানে বসে থাকেন।

    কী বলছেন বিক্ষোভকারীরা (Recruitment Scam)?

    বিক্ষোভকারী মানালি চক্রবর্তী বলেন, রাতে আমরা মেয়েরা ১১ টার পর চলে গিয়েছিলাম। তারপর ছেলেরা ছিল। আমরা আমাদের ন্যায্য যে দাবি, সেটা কিছুতেই পাচ্ছি না। তার জন্যই এখানে বসে আছি। যতক্ষণ না নিয়োগের আশ্বাস দিচ্ছে, ততক্ষণ আমরা বসে থাকবো। সবাই নিজের সংসার ফেলেই এখানে বসে আছি। কাল রাতে শাশুড়ি পড়ে গেছে, তবুও যেতে পারিনি। ফোন আসছে বারবার। না উঠতে পারছি, না যেতে পারছি। আমাদের অধিকার বুঝে না পাওয়া পর্যন্ত আমরা যাবো না।

    কী বললেন মহকুমা শাসক (Recruitment Scam)?

    যদিও এই বিষয়ে রায়গঞ্জের মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতি জানিয়েছেন, বিষয়টি (Recruitment Scam) আলোচনার মধ্যে আছে। খুব তাড়াতাড়ি সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলেই তিনি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা হয়েছে। আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পুরো বিষয়টি জানিয়েছি। ওদের যে অভাব-অভিযোগ রয়েছে, তা তাড়াতাড়িই মিটে যাবে। তবে যেভাবে অফিস চত্বরে তাঁরা অবস্থান করছেন, তা করতে বারণ করা হয়েছে। কারণ ওখানে ১৪৪ ধারা রয়েছে। সেখানে জমায়েত করাটা আইনসঙ্গত নয়। যদি কিছু দাবিদাওয়া থাকে, তা অফিস টাইমে এসে তাঁরা জানাতেই পারেন। কিন্তু অফিস শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও বসে থাকলে তা চলতে দেওয়া যাবে না। আশা করি, এটা তাঁরা বুঝেছেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Employment: সংসারের হাল ধরতে সাইকেল সারাইয়ের দোকান খুলেছেন অঞ্জলি!

    Employment: সংসারের হাল ধরতে সাইকেল সারাইয়ের দোকান খুলেছেন অঞ্জলি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারী এক হাতে সংসার সামলাচ্ছে, পরিবার-পরিজনের আবদার মেটাচ্ছে, সন্তান মানুষ করছে, আবার অন্য হাতে রোজগার করে রক্ষা করছে সংসার। তেমনই হলেন দক্ষিণ দিনাজপুরের এক লড়াকু মহিলা, যিনি সাইকেল সারাই (Employment) করে সংসারের হাল ধরেছেন। এ যেন এক হার না মানা গল্প। এ যেন অনেকর কাছেই নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন।

    কেন বেছে নিলেন সাইকেল মিস্ত্রির কাজ (Employment)?

    দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারী ব্লকের কুসুম্বা এলাকার বাসিন্দা অঞ্জলি বর্মন। দীর্ঘ চার বছর ধরে সংসারের হাল ধরতে তিনি সাইকেলের দোকান (Employment) চালাচ্ছেন গ্রামের রাস্তার পাশে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাতুড়ি-রেঞ্জ নিয়ে জীবন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন অঞ্জলি বর্মন। প্রত্যন্ত এলাকায় যেখানে অন্যান্য মহিলারা গৃহস্থালীর কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকেন, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে অঞ্জলি বর্মন যেন এলাকায় এক আলোচিত নাম। জানা গেছে, একটা সময় স্বামীই সংসার চালাতেন। যদিও স্বামী শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়ার কারণে বর্তমানে জীবন-জীবিকা হিসাবে সাইকেল মিস্ত্রির কাজ বেছে নিয়েছেন এই মহিলা। গ্রামের রাস্তার পাশে ছোট্ট দোকানে সাইকেল সারানোর পাশাপাশি মোটর সাইকেলেরও ছোটখাট কাজ করেন এই মহিলা।

    কী বলছেন অঞ্জলি?

    প্রথমদিকে একজন মহিলাকে সাইকেল সারানোর (Employment) কাজ করতে দেখে অবাক হতেন অনেকেই। পাশাপাশি নানান কটূক্তিও শুনতে হয়েছে একটা সময়। যদিও বর্তমানে এলাকার বহু মানুষজন তার দোকানে সাইকেল সহ মোটরসাইকেল সারাই করেন বলে জানা গেছে। জীবন যুদ্ধে হার না মানা অঞ্জলি বর্মন তার কাজ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সামনে বলেন, “ছেলেরা যদি সব কাজ করতে পারে, আমরা মেয়েরা কেন পারব না? যা উপার্জন হয় তাতে সংসার মোটামুটি চলে যায়।” বলাই বাহুল্য, অঞ্জলি বর্মনের মতো মহিলারাই সমাজের অন্যান্য মহিলাদের কাছে এক বড় লড়াইয়ের নিদর্শন।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bauris Community: বেকার যুবকদের চাকরির দাবিতে কারখানার গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ

    Bauris Community: বেকার যুবকদের চাকরির দাবিতে কারখানার গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সকাল থেকেই পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের ঝাঁজড়া গ্রামের অদূরে অবস্থিত একটি বেসরকারি কারখানার গেট বন্ধ করে বিক্ষোভে সামিল হলেন বাউরী সমাজের (Bauris Community) লোকজন। তাঁদের দাবি, পাণ্ডবেশ্বরে কারখানা কর্তৃপক্ষ প্রায় সব বিষয়েই বঞ্চিত রেখেছে বাউরী সম্প্রদায়কে। এই এলাকায় কারখানা তৈরি হওয়ার সময় কর্তৃপক্ষ কথা দিয়েছিল, এলাকার প্রত্যেক পাড়া থেকে কারখানার কাজের জন্য লোক নেওয়া হবে। কিন্তু, কাজ পায়নি বাউরী সমাজের (Bauris Community) লোকেরা। শুক্রবার সকাল সাতটা নাগাদ বাউরী সমাজের প্রচুর মহিলা ও পুরুষ মিছিল করে এসে গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখায়। বিক্ষোভ করে গেট বন্ধ করে দিলে কারখানার স্থায়ী কর্মীরা কারখানায় ঢুকতে না পেরে বিক্ষোভকারীদের সাথে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। বচসা হাতাহাতির স্তরে গিয়ে পৌঁছয়। সঙ্গে সঙ্গে চলে ছুটে আসে লাউদোহার ফরিদপুর থানার পুলিশ এবং পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    কারখানা কর্তৃপক্ষ কী জানাল?

    ঘটনা প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট কারখানার জেনারেল ম্যানেজার সুদীপ মজুমদার জানান, হঠাৎ করেই হচ্ছে এই ধরনের বিক্ষোভ। বাউরী সমাজের লোকেরা (Bauris Community) এর আগে তাঁর কাছে কোনও রকম আবেদন জানায়নি। তিনি বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষ সবসময় এলাকার মানুষের সুযোগ সুবিধার কথা ভাববেন। প্রয়োজনে কারখানা কর্তৃপক্ষ সদর্থক পদক্ষেপ নেবে।

    বাউরী সমাজের বিশেষ দাবি

    বাউরী সমাজের এই বিক্ষোভে সামিল হন পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ বাউরি। তিনি বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষ শুধু বাইরের লোকেদের এই সুযোগ দিচ্ছে। স্থানীয় বাউরী সমাজের লোকেরা (Bauris Community) এই কারখানা থেকে বঞ্চিত। 

    শাসকদলের ভূমিকা

    অবশেষে ঘটনাস্থলে আসেন দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের তৃণমূল ব্লক সভাপতি সুজিত মুখার্জি। তিনি বাউরী সমাজের (Bauris Community) পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতির সঙ্গে কথা বলে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। সুজিতবাবু জানান, এলাকায় মানুষের কষ্ট রয়েছে। তবে এইভাবে আর কারখানার গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ ঠিক নয়। আলোচনার মাধ্যমে সমস্ত সমস্যার সমাধান হবে। সভাপতির আশ্বাসে অবশেষে বিক্ষোভ তুলে নেয় বাউরী সমাজের লোকজন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: চাকরির জন্য বেঁধে দিতেন রেট! বড়ঞার তৃণমূল বিধায়কের সম্পত্তির পরিমাণ কত জানেন?

    CBI: চাকরির জন্য বেঁধে দিতেন রেট! বড়ঞার তৃণমূল বিধায়কের সম্পত্তির পরিমাণ কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ জেলার বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়িতে গত দুদিন ধরে চলছে সিবিআই (CBI) তল্লাশি। মোবাইলের খোঁজে পুকুরের জল তুলে চলছে তল্লাশি। ইতিমধ্যে একটি মোবাইল উদ্ধার হয়েছে। আরও একটি মোবাইলের খোঁজে তল্লাশি চলছে। সিবিআই (CBI) তল্লাশি চালানোর সময় বিধায়কের বাড়ি থেকে দুবস্তা অ্যাডমিট কার্ড উদ্ধার হয়। সেসবই চাকরিপ্রার্থীদের অ্যাডমিট। উদ্ধার হওয়া নথিতে পাঁচ জেলার চাকরিপ্রার্থীর তালিকা উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি করল সিবিআই (CBI)। সেই তালিকায় মুর্শিদাবাদ জেলা ছাড়াও মালদহ, দুই দিনাজপুর ও নদিয়া জেলার চাকরিপ্রার্থীদের নাম পাওয়া গিয়েছে। প্রার্থীদের নামের তালিকার ফটোকপি রয়েছে।

    তৃণমূল বিধায়কের কাছে বিভিন্ন চাকরির দর ঠিক করা ছিল, কত জানেন?

    কোন পদে চাকরির জন্য আবেদন করা হচ্ছে, তা দেখে নিয়ে সেইমতো টাকা নেওয়া হত। তৃণমূল বিধায়ক এর জন্য নির্দিষ্ট রেট ঠিক করে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। সিবিআই (CBI) সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া নথি থেকে মিলেছে কোন পদে চাকরির জন্য কত টাকা নিয়েছেন জীবন সাহা। জানা গিয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষক পদে চাকরির জন্য দর ছিল ১০-১২ লক্ষ টাকা। গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি-র ক্ষেত্রে দর ছিল ১০ ও ৮ লক্ষ টাকা। নবম ও দশম শ্রেণীর জন্য মাথপিছু নেওয়া হয়েছে ১৫-১৭ লক্ষ টাকা। আর একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর জন্য মাথাপিছু দর ধার্য ছিল ২০-২২ লক্ষ টাকা।

    বিধায়কের নামে কত সম্পত্তি আছে জানেন?

    মুর্শিদাবাদের একটি স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ করেন তৃণমূল বিধায়ক। এরপর ১৯৯২ সালে সিউড়ি বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে ইতিহাস নিয়ে স্নাতক হন। বিশ্বভারতী থেকে তিনি  স্নাতকোত্তর পাশ করেন। পৈতৃক সম্পত্তি প্রচুর থাকলেও, গত কয়েকবছরে বিধায়কের সম্পত্তির পরিমাণ ছিল চোখে পড়ার মতো। জীবনকৃষ্ণের বাবার বরাবরই প্রচুর সম্পত্তি ছিল। বিঘার পর বিঘা জমি, একাধিক বাড়ি, তেলের কল রয়েছে। তবে, দ্বিতীয় বিয়ে করার পর ছেলে জীবনকৃষ্ণের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের অবনতি ঘটে। আর বিধায়কের মায়ের সম্পত্তিও কিছু কম ছিল না। প্রায় তিন বিঘা জমির উপর বাড়ি,  ট্রান্সপোর্টের ব্যবসা সবই ছিল তাঁর মায়ের নামে। বর্তমানে একটি স্কুলের শিক্ষক জীবনকৃষ্ণ সাহা। তবে বিধায়ক হওয়ার পর স্কুলে যেতে হয় না। স্থানীয় সূত্রে খবর, ২০১৮ সাল থেকে ২০২২ পর্যন্ত প্রচুর সম্পত্তি কিনেছেন জীবনকৃষ্ণ। কান্দিতে রয়েছে একটি রাইস মিল। রয়েছে ৪ বিঘা জমি। কান্দি হাইস্কুলের পিছনে রয়েছে বিধায়কের একটি পুকুর ও গ্যাসের গোডাউন। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত মুর্শিদাবাদের কৌশিক ঘোষের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন জীবনকৃষ্ণ। তাঁর বাড়ির আশেপাশে কম করে ৩৫ বিঘা জমি রয়েছে বিধায়কের। শুধু মুর্শিদাবাদ নয়, বীরভূমেও প্রচুর সম্পত্তি কিনেছিলেন জীবনকৃষ্ণ। সাঁইথিয়া পুরসভা এলাকায় ৫ কাঠা জায়গা রয়েছে তাঁর। লাউতোর এলাকায় মোট ২৪ কাঠা জায়গা বিধায়কের নামে। সাঁইথিয়া তালতলা মোড়ে একটি রাইস মিল রয়েছে। এছাড়া সাঁইথিয়া শহরে পৈতৃক বাড়ি মিলিয়ে ৪ টি বাড়ি রয়েছে তাঁর। এখনও পর্যন্ত এই যা সম্পত্তির হদিশ পাওয়া গিয়েছে তাঁর মূল্য দুশো থেকে তিনশো কোটি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: চাকরির নামে পাঁচ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, এবার গ্রেফতার কাঁথির এক শিক্ষক

    Recruitment Scam: চাকরির নামে পাঁচ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, এবার গ্রেফতার কাঁথির এক শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারির  (Recruitment Scam) জট যেরকম জটিল হয়ে উঠছে, তার যেন খেই পাওয়া যাচ্ছে না। চাকরি দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে পুলিশ এবার গ্রেফতার করল কাঁথির এক শিক্ষককে। কাঁথির দেশপ্রাণ ব্লকের বিচুনিয়া হাইস্কুলের ইংরেজির শিক্ষক দীপক জানার বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাশে মামলা করা হয়েছে এই বছরের মার্চ মাসে। শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে কাঁথি শহরে অবস্থিত তাঁর শ্বশুরবাড়ি থেকে। তাঁর বিরুদ্ধে পাঁচ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

    কী বলেছিলেন অভিযুক্ত ওই শিক্ষক ?

    কলকাতা হাইকোর্টে অভিযোগ জমা পড়ার পর এই নিয়োগ-দুর্নীতি (Recruitment Scam) সম্পর্কে অভিযোগ নিয়ে ওই শিক্ষককে বেশ কিছু প্রশ্ন করা হয়েছিল। তার উত্তরে তিনি যা জানিয়েছিলেন, তার সারমর্ম হল, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার কারণে তার কাছে যে অনেকে চাকরির জন্য আসতেন, তদ্বির করতেন, সেকথা তিনি স্বীকার করেছেন। তবে তিনি নাকি তাদের পাত্তা দেননি। বরং অন্য কোথাও চাকরি খুঁজে নেওয়ার কথাই বলেছিলেন। তার আশঙ্কা, এই আক্রোশ থেকেই হয়তো কেউ তার পিছনে লেগেছে। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের স্বপক্ষে কোনও প্রমাণ থাকলে যে কোনও শাস্তি তিনি মাথা পেতে নিতে রাজি, একথাও তিনি জানিয়েছেন। তার বক্তব্য, টাকা নিলে তো হাতে নেব, না হয় কোনও অ্যাকাউন্টে নেব। প্রমাণ থাকলে দেখান।

    জড়াচ্ছেন একের পর এক তৃণমূল নেতা

    এই ঘটনার পিছনে তৃণমূল করার বিষয়টি একেবারেই নেই বলে তিনি মনে করেন। তার আশঙ্কা, এর পিছনে রয়েছে জ্ঞাতি কেউই। চাকরি না পেয়ে তারাই এখন পিছনে লেগেছে। তিনি যতই তৃণমূল করার বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চান না কেন, চাকরি দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) অভিযুক্ত শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তৃণমূল নেতা কুন্তল সহ অনেকে গ্রেফতার থাকা অবস্থায় তৃণমূল ঘনিষ্ঠ এই শিক্ষক নেতার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Employment: রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ, ক্যারাটেতে ব্ল্যাক বেল্ট,  তবুও রাজকুমারের পরিচয় ফেরিওয়ালা !

    Employment: রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ, ক্যারাটেতে ব্ল্যাক বেল্ট, তবুও রাজকুমারের পরিচয় ফেরিওয়ালা !

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেরি করেই জীবন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন উচ্চশিক্ষিত রাজকুমার। রায়গঞ্জ ব্লকের মণিপুর অঞ্চলের কান্তরের বাসিন্দা রাজকুমার মাহাতো। বয়স ২৫। পড়াশোনার জন্য রায়গঞ্জ শহরের উকিলপাড়ায় তাঁর বর্তমান অস্থায়ী বাসস্থান। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ এবং ক্যারাটেতে ব্লাকবেল্ট তিনি। ছোট্ট ফেরিগাড়িতে মণিহারি সামগ্রী সাজিয়ে গ্রামে গ্রামে ফেরি করে বেড়ান। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ফেরিগাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়ান গ্রামগঞ্জে। পরিবারের সদস্যদের সুখেশান্তিতে রাখার পাশাপাশি নিজের পায়ে দাঁড়াতে (Employment) কঠোর পরিশ্রম করে চলেছেন তিনি।

    নিজের পেশাকে পরিহাস বলতে নারাজ, কেন জানেন ?

    সপ্তাহে ৩ দিন রায়গঞ্জ শহর ও শহরতলি এলাকায় ক্যারাটের প্রশিক্ষণ দিতেও দেখা যায় তাঁকে। ফেরিওয়ালা রাজকুমারের পেশার সঙ্গে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা মোটেই মানানসই নয়। তবু জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে ফেরিওয়ালা পেশাকেই বেছে নিয়েছেন তিনি। বাবা পেশায় কৃষক। অনটনের সংসারে একটি সরকারি চাকরির (Employment) খুব প্রয়োজন থাকলেও নিজের পেশাকে পরিহাস বলতে মানতে নারাজ তিনি। রাজকুমার ২০১৫ সালে ভগিলতা হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ ও ২০১৭ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করার পর রায়গঞ্জ সুরেন্দ্রনাথ কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান অনার্স নিয়ে ভর্তি হন। এরপর রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ কমপ্লিট করেন। এম এ পড়ার সময় রায়গঞ্জে চলে আসেন তিনি। মেলায় মেলায় বেলুন বিক্রি করে নিজের পড়াশোনার খরচ জোগাড় করতেন রাজকুমার। কিছু টাকাপয়সা জোগাড় হতেই ভ্যানগাড়ি তৈরি করে মনিহারি সামগ্রী বিক্রি শুরু করেন। পাশাপাশি চালিয়ে যান ক্যারাটে প্রশিক্ষণ।

    ইচ্ছে শিক্ষক হওয়া আর অলিম্পিকে সোনা নিয়ে আসা

    ক্যারাটেতে ব্ল্যাক বেল্ট পাওয়ার পর গ্রামের ছাত্র-ছাত্রীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য মহারাজা মোড়ে একটি স্কুলও চালু করেছেন। এত পরিশ্রমের পরেও হাসিখুশি  রাজকুমারের ইচ্ছে অলিম্পিকে অংশ নেওয়া। তার বিশ্বাস, অংশ নিলে সোনা আনবেনই। গত ২০ মার্চ রাজকুমার রায়গঞ্জ থেকে কলকাতার উদ্দেশে পায়ে হেঁটে রওনা দিয়েছিলেন এবং ৬ দিনে কলকাতায় পৌঁছন। ইচ্ছে ছিল মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে গ্রামেগঞ্জে ছেলেমেয়েদের মোবাইল ফোনের অত্যাধিক ব্যবহার বন্ধের জন্য গ্রাম্য খেলাধুলোর পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানাবেন। কিন্তু দেখা করার সুযোগ পাননি। রাজকুমার জানান, ফেরি করে যে আয় হয়, তা দিয়ে চাকরির জন্য পড়াশোনার খরচ এবং সংসারের খরচটুকু ওঠে। কঠিন লড়াই করতে হয়। নেট ও স্লেটের জন্য চেষ্টা করছি। বাবা রামদেব মাহাতো গ্রামেই থাকেন। অন্যের জমিতে কাজ করেন। মা মিনাদেবী মাহাতো অসুস্থ। মা, বাবা ও চার ভাইবোন নিয়ে কোনও রকমে চলে তাঁদের সংসার। উকিলপাড়ার এক বাসিন্দা রাজকুমারকে থাকতে দিয়েছেন, এজন্য কোনও ভাড়া নেন না। রাজকুমার জানান, ইচ্ছে শিক্ষক হওয়ার। কিন্তু আমাদের মতো গরিব মানুষের কাছে চাকরি (Employment) স্বপ্নের মতো। কারণ, এখন যোগ্যতার দাম নেই, টাকা দিলেই চাকরি মেলে। 

    ঘরে এত মেডেল, কিন্তু সম্মান নেই, আক্ষেপ রাজকুমারের

    রাজকুমারের ঘরে গিয়ে দেখা গেল, দেওয়ালে ঝোলানো রয়েছে অনেক মেডেল। জাতীয়, রাজ্য ও জেলাস্তরে ক্যারাটেতে অংশ নিয়ে কোনওবার প্রথম, আবার কোনওবার দ্বিতীয় হয়েছেন। তাঁর আক্ষেপ, এত মেডেল রয়েছে, কিন্তু কোনও সম্মান নেই। প্রতিবেশীদের কাছে অত্যন্ত নম্র, ভদ্র এবং গুণী ছেলে রাজকুমার। প্রতিবেশি লক্ষ্মী চৌহান বলেন, উচ্চশিক্ষিত হয়েও সে যেভাবে ফেরি করে নিজের পড়াশোনার পাশাপাশি সংসার চালায়, সত্যি ভাবা যায় না। এমন ছেলে দেখা যায় না। ওর একটা চাকরি (Employment) দরকার। পাড়ার ছেলেমেয়েরা খুব ভালোবাসে ওকে। সোনিয়া চৌহান নামে পাড়ার এক ছাত্রী জানায়, দাদা খুব ভালো মানুষ। আমাদের সঙ্গে খেলাধুলো করে।আমাদের খুব সাহায্য করে। দাদার একটা চাকরি দরকার। প্রাথমিক, মাধ্যমিক, গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি  সকল ক্ষেত্রেই রাজ্য সরকার দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত। ঠিক এইরকমই এক সময়ে রাজকুমারের লড়াই কি কর্মসংস্থান প্রশ্নে রাজ্য সরকারের ভূমিকার দিকে আঙুল তুলছে না?
    এই প্রশ্নই ঘুরছে বিশেষজ্ঞ মহলে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share