Tag: Enforcement Directorate

Enforcement Directorate

  • Partha-Arpita: শুধু এসএসসি নয়, পার্থ-অর্পিতা জড়িত প্রাথমিক টেট দুর্নীতিতেও! আদালতে দাবি ইডি-র

    Partha-Arpita: শুধু এসএসসি নয়, পার্থ-অর্পিতা জড়িত প্রাথমিক টেট দুর্নীতিতেও! আদালতে দাবি ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি কাণ্ডের (SSC scam) তদন্তে নেমে আদালতে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। তদন্তকারী সংস্থা আদালতে জানিয়েছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়  (Partha Chatterjee) ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) মধ্যে ‘যোগাযোগ’ ২০১২ সাল থেকে চলে আসছে। তখন থেকেই দুজন মিলে আর্থিক বোঝাপড়া তখন থেকেই চলছে বলেও দাবি তদন্তকারীদের। তদন্তকারীদের দাবি, শুধু এসএসসি নয়, পার্থ-অর্পিতা জড়িত প্রাথমিক টেট (Primary TET) দুর্নীতিতেও। 

    এসএসসি কাণ্ডে পার্থ-অর্পিতার হেফাজত চেয়ে আদালতে আবেদন করে ইডি (ED)। ভুবনেশ্বর এইমসে স্বাস্থ্য পরীক্ষা চলায় ভার্চুয়ালি পেশ করা হয় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা বর্তমান শিল্পমন্ত্রীকে। অন্যদিকে, ব্যাঙ্কশাল কোর্টের বিশেষ ইডি আদালতে সশরীরে হাজির ছিলেন অর্পিতা। সেখানে, পার্থ-অর্পিতার হেফাজতের আবেদন চেয়ে তদন্তকারী সংস্থার তরফে একের পর এক চাঞ্চল্যকর দাবি পেশ করা হয়।

    ইডি-র তরফে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল সূর্যপ্রকাশ ভি রাজু দাবি করেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ অর্পিতা। দু-জনের মধ্যে সম্পর্ক ছিল।  মন্ত্রীর বাড়ি থেকে অর্পিতার বেশকিছু নথি উদ্ধার হয়েছে। এমনকি পার্থ ও অর্পিতার এই ‘যুগলবন্দি’ যে ২০১২ সাল থেকে চলছিল, তাও আদালতে জানায় ইডি। তদন্তকারীদের পক্ষের আইনজীবী বলেন, তল্লাশি অভিযানে ২০১২ সালের একটি দলিল মিলেছে, যা থেকে জানা গেছে তাঁরা দু’জনে মিলে একটি জমি কিনেছিলেন।

    আরও পড়ুন: সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হল মন্ত্রীকে, আজই মুখোমুখি জেরা পার্থ-অর্পিতাকে?

    শুধু তাই নয়, ইডি-র তরফে আরও বলা হয়েছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে গ্রুপ-ডি কর্মীর প্রচুর পরিচয়পত্র এবং প্রাথমিক শিক্ষকদের নথি উদ্ধার করা হয়েছে। তা থেকেই স্পষ্ট হয়েছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায় শুধুমাত্র গ্রুপ-ডি ও এসএসসি-র নিয়োগ দুর্নীতিতে নন, প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতিতেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত। এর সঙ্গেই, ইডি-র তরফে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয় এই মর্মে যে, অবৈধভাবে চাকরি বিক্রির টাকা দিয়ে চলত বিভিন্ন ধরনের আর্থিক তছরুপ কর্মকাণ্ড। 

    ইডি জানিয়েছে, প্রথম থেকেই তদন্তে একেবারেই সহযোগিতা করছেন না মন্ত্রী। উল্টে, একবার ইডি-র তরফে এও দাবি করা হয়, এসএসকেএমে পৌঁছনোর পর একেবারে ‘ডন’-এর মতো আচরণ শুরু করেছিলেন পার্থ। ইডি আধিকারিকদের হুমকি দিচ্ছিলেন। ইডি-র দাবি, তৃণমূল মহাসচিব বলেছিলেন— ‘এটা আমার হাসপাতাল। এখানে আমি যা খুশি করব। যেমন খুশি রিপোর্ট বার করব।’

    আরও পড়ুন: ৩ অগাস্ট পর্যন্ত ইডি হেফাজতে পার্থ-অর্পিতা, ভুবনেশ্বর থেকে কলকাতায় ফিরলেন মন্ত্রী

  • Arpita Mukherjee: টালিগঞ্জের পর বেলঘরিয়া! অর্পিতার আরেকটি ফ্ল্যাটেও মিলল বিপুল টাকার হদিশ!

    Arpita Mukherjee: টালিগঞ্জের পর বেলঘরিয়া! অর্পিতার আরেকটি ফ্ল্যাটেও মিলল বিপুল টাকার হদিশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টালিগঞ্জের পর এবার বেলঘরিয়া। ফের ইডি-র হাতে এল ‘কুবেরের ধন’। এবার অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাট থেকে মিলল বিপুল টাকার হদিশ। টাকা গুনতে মেশিন সমেত এসেছেন ব্যাঙ্ককর্মীরা।

    মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অর্পিতার বিপুল সম্পত্তির খোঁজ পেতে কলকাতার একাধিক জায়গায় একযোগে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বেলঘরিয়ার অভিজাত ফ্ল্যাট থেকে কসবায় সংস্থার অফিস— সর্বত্র তল্লাশি চালায় তদন্তকারীরা।

    এদিন দুপুরে রথতলা এলাকায় অভিজাত ক্লাবটাউন হাইটসে পৌঁছে যায় ইডি তদন্তকারী দল। সেখানে রয়েছে অর্পিতার ২টি ফ্ল্যাট। একটি ১১০০ ও আরেকটি ১৪০০ স্কোয়ার ফিটের। ২টি ফ্ল্যাটের একটি রয়েছে ব্লক-২ তে, আরেকটি ব্লক-৫ তে। ২টি ফ্ল্যাটই ছিল  তালাবন্ধ। তালা ভেঙে সেখানে ঢুকে তল্লাশি শুরু করে ইডি আধিকারিকরা। 

    আরও পড়ুন: ঘরে টাকা থাকলেও তা ছোঁয়ার অধিকার ছিল না! জানুন ইডির জেরায় কী বললেন অর্পিতা

    সূত্রের খবর, দুটি ফ্ল্যাটে আলমারি থেকে শুরু করে একাধিক ওয়ার্ড্রোব ও লকারের সন্ধান পায় ইডি। সেগুলো খুলতেই বেরিয়ে পড়ে টাকার পাহাড়। এখনও পর্যন্ত ইডির তরফে জানানো হয়নি, ঠিক কত পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছে। তবে, চারটি নোট গোনার মেশিন আনা হয়েছে। ফলে, সহজেই অনুমেয়, টালিগঞ্জের মতো এখানেও ‘যক্ষের ধন’ রাখা ছিল। 

    এর আগে, গত শুক্রবার, টালিগঞ্জে অর্পিতার ডায়মন্ড সিটি সাউথের বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে হানা দিয়ে সেখান থেকে নগদ ২১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। পাশাপাশি বাজেয়াপ্ত করা হয় প্রায় ৭৯ লক্ষ টাকা মূল্যের সোনার গয়না। এছাড়া ৫৪ লক্ষ টাকার বিদেশি মুদ্রাও উদ্ধার হয় ফ্ল্যাট থেকে। একেবারে, ২ হাজার ও ৫০০-র নোটের ২ বস্তা ভর্তি বাণ্ডিল বাণ্ডিল টাকা উদ্ধার করা হয়। 

    আরও পড়ুন: জোকা ইএসআই-তে ফের স্বাস্থ্য পরীক্ষা পার্থ-অর্পিতার, কী খেতে দেওয়া হচ্ছে মন্ত্রীমশাইকে?

    ইডি সূত্রে খবর, জেরায় অর্পিতা জানিয়েছেন, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় তাঁর বাড়িটিকে ‘মিনি ব্যাঙ্ক’ হিসাবে ব্যবহার করতেন। কিন্তু ঘর ভর্তি টাকা থাকলেও সেই ঘরে যেতে পারতেন না তিনি। নিষেধ ছিল মন্ত্রীমশাইয়ের। অর্পিতার দাবি, প্রতি সপ্তাহে কিংবা প্রতি ১০ দিন অন্তর মন্ত্রী তাঁর বাড়িতে যেতেন। কিন্তু কোনদিনও পার্থ প্রকাশ করেননি যে ওই ঘরে কত টাকা রয়েছে। 

  • Partha Arpita: জোকা ইএসআই-তে ফের স্বাস্থ্য পরীক্ষা পার্থ-অর্পিতার, কী খেতে দেওয়া হচ্ছে মন্ত্রীমশাইকে?

    Partha Arpita: জোকা ইএসআই-তে ফের স্বাস্থ্য পরীক্ষা পার্থ-অর্পিতার, কী খেতে দেওয়া হচ্ছে মন্ত্রীমশাইকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের নির্দেশমতো ইডি (ED) হেফাজতে থাকা পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) আজ মেডিক্যাল চেক-আপ (Partha Arpita Medical checkup) করানো হচ্ছে। এর জন্য পার্থ-অর্পিতাকে জোকা ইএসআই হাসপাতালে (Joka ESI Hospital) নিয়ে গেছেন ইডি আধিকারিকরা। সেখানে বিভিন্ন রকম স্বাস্থ্য প্যারামিটার পরীক্ষা করা হবে। 

    আদালতের নির্দেশে এর আগে, সোমবার ভুবনেশ্বর এইমস-এ (Bhubaneswar AIIMS) স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয় বর্তমান শিল্প-বাণিজ্য মন্ত্রী তথা তৃণমূল মহাসচিবের। সেখানে মেডিক্যাল রিপোর্টে বলা হয়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ওজন এখন ১১১ কিলো। ক্রনিক সমস্যায় ভুগছেন পার্থ। মন্ত্রীমশাইয়ের রয়েছে ডায়াবেটিস, প্রেসার, থাইরয়েডের সমস্যা। তবে, অসুস্থতা তেমন গুরুতর নয়। ফলে হাসপাতালে ভর্তি করার কোনও প্রয়োজন নেই। বাড়ি থেকেই নিয়মিত ওষুধ খেতে হবে।

    আরও পড়ুন: বিধানসভায় ফিরল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গাড়ি, ছাড়তে চলেছেন মন্ত্রিত্ব? জল্পনা

    এরপরই সোমবার রাতে এসএসসি কাণ্ডে প্রাক্তন শিফামন্ত্রী পার্থ ও অর্পিতাকে ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। সেই সঙ্গে ইডি-কে নির্দেশ দেওয়া হয়, প্রতি ৪৮-ঘণ্টা অন্তর পার্থ ও অর্পিতার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে। আদালতের নির্দেশে অনুযায়ী, আজ বুধবার, পার্থ-অর্পিতার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। 

    ইডি সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নেবুলাইজার দেওয়া হয়। এর জন্য ইডি’র তদন্তকারী অফিসার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবীকে ফোন করে নেবুলাইজার এবং স্লিপ কার্ট ম্যাট্রেস চেয়ে পাঠান। এই বিশেষ ম্যাট্রেসেই ঘুমোন পার্থ।  সেগুলি রাতেই পৌঁছে যায় সিজিও কমপ্লেক্সে (CGO Complex)। ইডি সূত্রে খবর, ভুবনেশ্বরের এইমস নেবুলাইজার ও স্লিপ কার্ট মন্ত্রীর জন্য সুপারিশ করেছিল। সেই মতো মন্ত্রীর বাড়ি থেকে আনানো হয় নেবুলাইজার ও স্লিপ কার্ট।

    আরও পড়ুন: শুধু এসএসসি নয়, পার্থ-অর্পিতা জড়িত প্রাথমিক টেট দুর্নীতিতেও! আদালতে দাবি ইডি-র

    এদিকে, ভুবনেশ্বর এইমস থেকে পার্থকে ‘ডায়াবেটিক চার্ট’ (Diabetic Diet chart) তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী, ইডি হেফাজতে খেতে দেওয়া হচ্ছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে। ইডি সূত্রের খবর, সোমবার পার্থকে লাঞ্চে দেওয়া হয় রুটি, ডাল, সবজি, টকদই। সন্ধেয় লিকার চা। রাতে দেওয়া হয় রুটি, তরকারি।

  • Arpita Mukherjee: যকের ধন! অর্পিতার বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার ২৮ কোটি নগদ, ৪ কোটি মূল্যের সোনা

    Arpita Mukherjee: যকের ধন! অর্পিতার বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার ২৮ কোটি নগদ, ৪ কোটি মূল্যের সোনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee)  ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাটে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (Enforcement DIrectorate) ১৮-ঘণ্টার অভিযান শেষ। ৮টি ট্রাঙ্ক ভর্তি নগদ ও গয়না নিয়ে বেরোলেন তদন্তকারীরা। 

    বুধবার বেলায় এসএসসি-কাণ্ডে (SSC scam) ধৃত, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাটে হানা দেয় ইডি (ED)। তালা ভেঙে শুরু হয় তল্লাশি। তারপরই সেখানেও লেগে যায় জ্যাকপট। টালিগঞ্জে হরিদেবপুরের পরে অর্পিতার বেলঘরিয়ায় রথতলার ফ্ল্যাটেও টাকার পাহাড়ের হদিশ। ইডি সূত্রে খবর, ১৮ ঘণ্টার অপারেশনে ক্লাবটাউন হাইটসের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ২৮ কোটি নগদ। এছাড়াও, মিলেছে প্রায় ৬ কেজি বেশি সোনা। যার মূল্য প্রায় চার কোটি টাকা। উদ্ধার হয়েছে প্রচুর রুপোর কয়েনও। অর্পিতার ফ্ল্যাটে শোওয়ার ঘর ও শৌচাগার থেকে এই বিপুল পরিমাণ টাকা ও সোনা উদ্ধার হয়েছে বলে ইডি সূত্রে দাবি। 

    আরও পড়ুন: ঘরে টাকা থাকলেও তা ছোঁয়ার অধিকার ছিল না! জানুন ইডির জেরায় কী বললেন অর্পিতা

    এর আগে, অর্পিতার টালিগঞ্জের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছিল প্রায় ২২ কোটি নগদ। যা নিয়ে গতকাল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ট্যুইটে লিখেছিলেন, “টান টান উত্তেজনা। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর কে জিতবে, বেলঘরিয়া না টালিগঞ্জ?…” শেষ পর্যন্ত বাজিমাত করল বেলঘরিয়াই। এখানেও ২ হাজার ও ৫০০-র নোটে করা ছিল বাণ্ডিল। রাতভর গণনা শেষে বৃহস্পতিবার ভোরে ১০টি ট্রাঙ্ক নিয়ে যাওয়া হয় ফ্ল্যাটে। বৃহস্পতিবার সকালে নামিয়ে আনা হয় ট্রাঙ্কগুলি। মোট ৭টি ট্রাঙ্কে টাকা ও একটি ট্রাঙ্কে সোনা বোঝাই করে নিয়ে যাওয়া হয়।  সূত্রের খবর, উদ্ধার হওয়া টাকা ও নগদ রাখা হবে স্ট্র্যান্ড রোডে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার কলকাতা সদর দফতরে। 

    ইডি সূত্রে খবর, জেরায় অর্পিতা জানিয়েছেন, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় তাঁর বাড়িটিকে ‘মিনি ব্যাঙ্ক’ হিসাবে ব্যবহার করতেন। কিন্তু ঘর ভর্তি টাকা থাকলেও সেই ঘরে যেতে পারতেন না তিনি। নিষেধ ছিল মন্ত্রীমশাইয়ের। অর্পিতার দাবি, প্রতি সপ্তাহে কিংবা প্রতি ১০ দিন অন্তর মন্ত্রী তাঁর বাড়িতে যেতেন। কিন্তু কোনদিনও পার্থ প্রকাশ করেননি যে ওই ঘরে কত টাকা রয়েছে। বিরোধীদের দাবি, এটা স্রেফ হিমশৈলের চূড়া মাত্র। সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানাচ্ছে এই বাস্তব ঘটনা। শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির তদন্তে, ইডি একেকটা ফ্ল্যাটে হানা দিচ্ছে, আর উদ্ধার হচ্ছে পাহাড় প্রমাণ কোটি কোটি টাকা। 

    আরও পড়ুন: জোকা ইএসআই-তে ফের স্বাস্থ্য পরীক্ষা পার্থ-অর্পিতার, কী খেতে দেওয়া হচ্ছে মন্ত্রীমশাইকে?

    রথতলা এলাকায় অভিজাত ক্লাবটাউন হাইটসে পৌঁছে যায় ইডি তদন্তকারী দল। সেখানে রয়েছে অর্পিতার ২টি ফ্ল্যাট। একটি ১১০০ ও আরেকটি ১৪০০ স্কোয়ার ফিটের। ২টি ফ্ল্যাটের একটি রয়েছে ব্লক-২ তে, আরেকটি ব্লক-৫ তে। এদিন দ্বিতীয় ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালায় তদন্তকারী দল। ইডি সূত্রে দাবি, টালিগঞ্জের ফ্ল্যাটের মতো এই ফ্ল্যাটেও একটি ঘরে অনেক ওয়ার্ড্রোব ছিল। সেই ওয়ার্ড্রোবগুলি খুলতেই দেখা যায়, তার ভিতরে থরে থরে সাজানো দু’হাজার এবং পাঁচশো টাকার নোটের বান্ডিল।  ইডি সূত্রে দাবি, একটি-দু’টি ওয়ার্ড্রোব নয়, সবক’টি ওয়ার্ড্রোবেই ঠাসা ছিল নগদ টাকা! টাকা গুনতে নিয়ে আসা হয় ৫টি অত্যাধুনিক বড় মেশিন। এক-একটি মেশিনে মিনিটে ৪ হাজার নোট গোনা যায়।

  • Partha Chatterjee: বিধানসভায় ফিরল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গাড়ি, ছাড়তে চলেছেন মন্ত্রিত্ব? জল্পনা

    Partha Chatterjee: বিধানসভায় ফিরল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গাড়ি, ছাড়তে চলেছেন মন্ত্রিত্ব? জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্ত্রী নিজে ইডি হেফাজতে। অথচ, বিধানসভায় দাঁড়িয়ে তাঁর গাড়ি! সত্যিই তো, না কি চোখের ভুল? মঙ্গলবার এমন দৃশ্যের সাক্ষী থাকলেন গুটিকয়েক মানুষ। 

    ঠিক কী ঘটেছিল? ওইদিন বিকেলে আচমকা বিধানসভায় দেখা মেলে ডাব্লিউ বি ১০-০০০৬ নম্বর প্লেটের গাড়ির। বিধায়ক থেকে শুরু করে সাংবাদিককূল— যাঁরা বিধানসভায় নিয়মিত যাতায়াত করেন, তাঁরা সকলেই জানেন, এই গাড়ির সওয়ারি কে। কিন্তু তাঁর এখানে আসাটা কী করে সম্ভব? কারণ যিনি চড়েন, সেই পার্থ চট্টোপাধ্যায় তো এখন সিজিও কমপ্লেক্সে, ইডি হেফাজতে। 

    পরে জানা যায়, পরিষদীয় মন্ত্রী হিসাবে বিধানসভা থেকে তাঁকে যে গাড়ি দেওয়া হয়েছিল, তা ফেরত পাঠিয়েছেন পার্থ। ২০১১ সালের ২০ মে শপথগ্রহণের পর থেকে নিরবচ্ছিন্ন ভাবে পরিষদীয় দফতরের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন পার্থ। বিধানসভার দস্তুর অনুযায়ী, পরিষদীয় মন্ত্রীর গাড়ির ব্যবস্থা হয় বিধানসভা থেকে। সেই মতো, পার্থকে এই গাড়ি দিয়েছিল বিধানসভা।

    আরও পড়ুন: “বিচারব্যবস্থার মেরুদণ্ড এত নরম নয় যে…”, কী প্রেক্ষিতে বললেন বিচারপতি বিবেক চৌধুরী?

    সূত্রের খবর, সোমবার বিকেলেই পার্থর দফতর থেকে বিধানসভাকে জানানো হয়, মন্ত্রী গাড়ি ফেরত দিতে বলেছেন। সেই মতো, মঙ্গলবার বিকেলে সেই গাড়িই ফেরে বিধানসভার গ্যারাজে। গাড়ির চাবি তুলে দেওয়া হয় বিধানসভা কর্তৃপক্ষের হাতে। চালক গাড়িটি বিধানসভা চত্বরে রেখে বিধানসভার কেয়ারটেকারের হাতে চাবি ফেরত দেন।

    কিন্তু কেন গাড়ি ফেরত দিলেন পার্থ? এই প্রশ্ন ঘিরে বঙ্গ রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল জল্পনা। বর্তমানে পরিষদীয় দফতর ছাড়াও শিল্প ও বাণিজ্য এবং তথ্যপ্রযুক্তি দফতরের দায়িত্বে আছেন পার্থ। একাংশের মতে, হতে পারে মন্ত্রীমশাই বুঝে গিয়েছেন, তিনি এখন কবে বের হবেন, তা ঠিক নেই। তাই গাড়ি ফেরত দিয়ে দেওয়াই শ্রেয়। 

    আবার অন্য অংশের মতে, সম্ভবত দলের মনোভাব টের পেয়ে গিয়েছেন পার্থ। হতে পারে, তাঁকে পরিষদীয় নেতার পদ খোয়াতে হতে পারে। তা বুঝতে পেরেই হয়ত তিনি গাড়ি ফেরত দিয়েছেন। এমনও হতে পারে, সরানোর আগেই, তিনি নিজেই পদত্যাগ করবেন পার্থ। তাই আগেভাগে গাড়ি ফেরত পাঠিয়ে দিলেন।

    আরও পড়ুন: শুধু এসএসসি নয়, পার্থ-অর্পিতা জড়িত প্রাথমিক টেট দুর্নীতিতেও! আদালতে দাবি ইডি-র

  • Sanjay Raut: উদ্ধব ঘনিষ্ঠ শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউতের বাড়িতে ইডি-র হানা, কেন জানেন?  

    Sanjay Raut: উদ্ধব ঘনিষ্ঠ শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউতের বাড়িতে ইডি-র হানা, কেন জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সাতসকালে ইডির (ED) হানা শিবসেনা (Shiv Sena) মুখপাত্র প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray) ঘনিষ্ট সঞ্জয় রাউতের (Sanjay Raut) বাড়িতে। জমি-দুর্নীতির অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে ইডিকে, বলছেন বিরোধীরা।

    বেআইনি আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত মামলায় ফেব্রুয়ারি মাসে গ্রেফতার হন সঞ্জয় ঘনিষ্ঠ প্রবীণ রাউত। তখন থেকেই ইডির আতস কাচের তলায় ছিলেন সঞ্জয়। ইডি সূত্রে খবর, একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হলেও, একবারই হাজিরা দিয়েছেন সঞ্জয়। তাঁর স্ত্রী বর্ষাকেও একপ্রস্ত জেরা করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা। সেই সময় আলিবাগের ৮টি জমি ও দাদরের একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট বাজেয়াপ্ত করা হয়।

    আরও পড়ুন : এবার ইডি-র নজরে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন নামে থাকা পার্থ-অর্পিতার একাধিক জমি?

    জানা গিয়েছে, পয়লা জুলাই ওই মামলায় জেরা করার জন্য সঞ্জয়কে তলব করে ইডি। সেদিন ঘণ্টা দশেক ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। পরে ২০ জুলাই ও ২৭ জুলাই তাঁকে ফের তলব করে ইডি। এই দুবারই হাজিরা দেননি সঞ্জয়। আইনজীবী মারফত জানিয়ে দেন, সংসদ অধিবেশন চলায় এই মুহূর্তে হাজিরা দেওয়া সম্ভব নয় তাঁর পক্ষে। হাজিরা দিতে পারবেন ৭ আগস্টের পর। এর পরেই এদিন সাতসকালে সঞ্জয়ের বাড়িতে হাজির হন ইডির আধিকারিকরা।

    বাড়িতে ইডির অভিযান প্রসঙ্গে ট্যুইটবার্তায় সঞ্জয় বলেন, কোনও দুর্নীতির সঙ্গে আমার সম্পর্ক নেই। আমি শিবসেনা প্রধান বালাসাহেব ঠাকরের নামে শপথ নিয়ে এ কথা বলছি। বালাসাহেব আমাদের লড়াই করতে শিখিয়েছেন। আমি শিবসেনার জন্য লড়াই চালিয়ে যাব। আমি শিবসেনা ছাড়ব না। যদি মরেও যাই, তবুও আত্মসমর্পণ করব না। জয় মহারাষ্ট্র। বিজেপি বিধায়ক রাম কদমের প্রশ্ন, যদি উনি(সঞ্জয় রাউত) নির্দোষ হল, তবে ইডিকে ভয় পাচ্ছেন কেন? ওনার কাছে সাংবাদিক বৈঠক করার সময় রয়েছে, অথচ তদন্তকারী সংস্থার কাছে হাজিরা দেওয়ার সময় নেই?

    আরও পড়ুন : নির্বাচন কমিশনকে রুখতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মহারাষ্ট্রের উদ্ধব ঠাকরে শিবির

  • SSC Scam: ঘরে টাকা থাকলেও তা ছোঁয়ার অধিকার ছিল না! জানুন ইডির জেরায় কী বললেন অর্পিতা

    SSC Scam: ঘরে টাকা থাকলেও তা ছোঁয়ার অধিকার ছিল না! জানুন ইডির জেরায় কী বললেন অর্পিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর বাড়ি ছিল মিনি ব্যাঙ্ক। সেখানে টাকা জমা করে রাখা হত। কিন্তু সেই টাকায় হাত দেওয়ার অধিকার ছিল না তাঁর। ইডির জেরায় এমনই দাবি করলেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। ইডির জেরায় একথা জানান পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা। তিনি বলেন, “আমার বাড়িতে টাকা রাখা থাকলেও, সেই টাকায় হাত দেওয়ার অধিকার একমাত্র পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর সঙ্গী সাথীদেরই ছিল। আমার ফ্ল্যাটের একটি ঘরে থাকত ওই সমস্ত টাকা। কিন্তু ওই ঘরে প্রবেশের অধিকার আমার ছিল না।”

    ইডি সূত্রে খবর, ক্রমশ মুখ খুলছেন অর্পিতা। একে একে ইডি আধিকারিকদের তথ্য দিতে শুরু করেছেন তিনি। অর্পিতা মুখোপাধ্যায় ইডি আধিকারিকদের জানিয়েছেন, রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় তাঁর বাড়িটিকে ‘মিনি ব্যাঙ্ক’ হিসাবে ব্যবহার করতেন। কিন্তু ঘর ভর্তি টাকা থাকলেও সেই ঘরে যেতে পারতেন না তিনি। নিষেধ ছিল মন্ত্রীমশাইয়ের। অর্পিতার দাবি, প্রতি সপ্তাহে কিংবা প্রতি ১০ দিন অন্তর মন্ত্রী তাঁর বাড়িতে যেতেন। কিন্তু কোনদিনও পার্থ প্রকাশ করেননি যে ওই ঘরে কত টাকা রয়েছে। অর্পিতা জানিয়েছেন, ২০১৬ সাল থেকে পার্থ এবং অর্পিতার ঘনিষ্ঠতা। এক বাঙালি অভিনেতার মারফত পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল। তিনি আরও জানিয়েছেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় নিজের হাতে কখনওই কোনও টাকা ওই ফ্ল্যাটে নিয়ে আসেননি। সমস্ত টাকাই আসত তাঁর সঙ্গী-সাথীদের মারফত।

    আরও পড়ুন: ইডি দফতরে হাজির মানিক ভট্টাচার্য, পার্থ-অর্পিতার মুখোমুখি বসিয়ে জেরা?

    জানা গিয়েছে, অর্পিতার আইনজীবী এই সমস্ত তথ্যকে সামনে রেখেই আগামী শুনানিতে তাঁর জামিনের জন্য লড়াইয়ে নামবেন। প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকেই উদ্ধার হয়েছে প্রায় ২২ কোটি টাকা। ইডির আধিকারিকরা অর্পিতার বাড়ি থেকে একটি কালো ডাইরিও উদ্ধার করেছেন। ওই ডাইরিতে কী রয়েছে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তদন্ত। তবে তদন্তকারী অফিসারদের সন্দেহ, ওই ডায়েরিতেই দুর্নীতির টাকার বিস্তারিত হিসাব লিখে রাখতেন অর্পিতা। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার দাবি, এই টাকা এসএসসি দুর্নীতি (SSC Scam) মামলার টাকা এবং এই দুর্নীতির সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী তথা বর্তমান শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। এরপরেই পার্থ এবং অর্পিতাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। আপাতত ৩ অগাস্ট পর্যন্ত তাঁরা দুজনেই ইডির হেফাজতে থাকবেন। 

  • Partha Chatterjee: ৩ অগাস্ট পর্যন্ত ইডি হেফাজতে পার্থ-অর্পিতা, ভুবনেশ্বর থেকে কলকাতায় ফিরলেন মন্ত্রী

    Partha Chatterjee: ৩ অগাস্ট পর্যন্ত ইডি হেফাজতে পার্থ-অর্পিতা, ভুবনেশ্বর থেকে কলকাতায় ফিরলেন মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (SSC recruitment scam) শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে (Partha Chatterjee) আগামী ৩ অগাস্ট পর্যন্ত এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (Enforcement Directorate) হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। একইসঙ্গে একই সময় পর্যন্ত ইডি (ED) হেফাজতে পাঠানো হল তথা প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে (Arpita Mukherjee)। 

    এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডের (SSC scam) তদন্তে নেমে শুক্রবার অর্পিতার ফ্ল্যাটে হানা দিয়ে সেখান থেকে শিক্ষা দফতরের খামে মোড়া প্রায় নগদ ২২ কোটি টাকা উদ্ধার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। একইসঙ্গে উদ্ধার হয় বিদেশি মুদ্রা ও বিপুল পরিমাণ সোনা। এরপরই, এই কাণ্ডের তদন্তের স্বার্থে পার্থ ও অর্পিতাকে নিজেদের হেফাজতে চেয়ে আদালতে আবেদন করে ইডি।

    আরও পড়ুন: ক্রনিক সমস্যায় ভুগছেন পার্থ, হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন নেই, জানিয়ে দিল এইমস

    আদালতে ইডি দাবি করে, পার্থ ও অর্পিতার যৌথ সম্পত্তি রয়েছে। মন্ত্রীর বাড়ি থেকেও অর্পিতার নামে বিভিন্ন সংস্থার নথি ও সম্পত্তির দলিল উদ্ধার হয়েছে বলে তদন্ত রিপোর্টে জানিয়েছে ইডি। ইডি-র মতে, এই দুজন বেআইনি আর্থিক কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আরও দাবি, বেআইনি নিয়োগের এই দুর্নীতি-চক্রে বহু প্রভাবশালীই জড়িত। গোয়েন্দারা সন্দেহ করছেন যে, অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া ২২ কোটি টাকা কিছুই নয়, বরং এর থেকেও বিপুল পরিমাণ টাকা বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার সাহায্যে বাংলাদেশে হাওয়ালার মাধ্যমে ট্রান্সফার হয়ে গিয়েছে।

    ফলে, তদন্তের সুবিধার্থে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ১৪ দিনের তাদের হেফাজতে পাঠানো হোক। অর্পিতার জন্য ১৩ দিনের হেফাজতের আর্জি জানানো হয়। অন্যদিকে, জামিনের আবেদন করেছিলেন পার্থর আইনজীবী। সোমবার রাত ১১টা নাগাদ ব্যাঙ্কশাল কোর্টে ইডি-র বিশেষ আদালতে মামলার শুনানি শেষে পার্থর আবেদন খারিজ করেন বিচারক। মন্ত্রী ও তাঁর ঘনিষ্ঠকে ১০ দিনের জন্য ইডি হেফাজতে পাঠিয়ে দেয় আদালত। শুনানির সময় আদালতের লক-আপেই ছিলেন অর্পিতা। রায় বেরনোর পর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় সিজিও কমপ্লেক্সে। সেখানে ইডি লক-আপে রাখা হয় অর্পিতাকে। 

    আরও পড়ুন: অ্যারেস্ট মেমোয় মমতার নাম-নম্বর লিখলেন কেন পার্থ? জড়িয়ে দিতে নাকি বিপদের বন্ধু হিসাবে

    অন্যদিকে, আদালতের নির্দেশে ভুবনেশ্বর এইমসে (AIIMS Bhubaneswar) যাওয়া পার্থকে ভার্চুয়ালি হাজির করানো হয়েছিল। এদিনই, ভুবনেশ্বর এইমসে যাওয়া পার্থকে ‘ফিট’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে মেডিক্যাল রিপোর্টে। সেখানে বলা হয়েছে, মন্ত্রীর যা সমস্যা রয়েছে তা ক্রনিক। যে ওষুধ তিনি খাচ্ছেন তা চালিয়ে যেতে হবে। হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন নেই কারণ, ভর্তি করার মতো অবস্থা নয়। 

    হাসপাতালের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার কিছু পরেই কলকাতায় ইডির বিশেষ আদালতে মামলার শুনানি শুরু হয়। পার্থকে আজই ছেড়ে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, কলকাতায় বিশেষ আদালতের রায় বের হতে দেরি হওয়ায়, রাতে ভুবনেশ্বরেই থাকতে হয় পার্থকে। মঙ্গলবার, ভোরের বিমানে করে কলকাতায় ফিরেছেন তৃণমূল মহাসচিব। সাড়ে ৬টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নামে পার্থ-র বিমান। 

  • Primary TET Scam: ইডি দফতরে হাজির মানিক ভট্টাচার্য, পার্থ-অর্পিতার মুখোমুখি বসিয়ে জেরা?

    Primary TET Scam: ইডি দফতরে হাজির মানিক ভট্টাচার্য, পার্থ-অর্পিতার মুখোমুখি বসিয়ে জেরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Teacher Recruitment scam) পাশাপাশি প্রাথমিক টেট নিয়োগ দুর্নীতিতেও (primary teacher recruitment scam) পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) নাম উঠে আসায় এবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি তথা তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে (Manik Bhattacharya) তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। 

    আজ, বুধবার, মানিককে বেলা ১২ টায় সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি (ED) দফতরে হাজির হতে বলা হলেও তিনি সকাল পৌনে ১০টা নাগাদ পৌঁছে যান সিজিও কমপ্লেক্সে। এর আগে গত শুক্রবার, পার্থর বাড়িতে যে সময় তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা, সেই একই সময় মানিকের বাড়িতেও চলেছিল তল্লাশি। ইডি হানার তালিকায় ছিল মানিক ভট্টাচার্যের বাড়িও। 

    সেদিন মানিককে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। তৃণমূল বিধায়কের বাড়ি থেকে বেশ কিছু নথি ও সিডি উদ্ধার করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। সেই সূত্রেই মানিক ভট্টাচার্যকে তলব করা হয়েছে বুধবার। 

    আরও পড়ুন: বিধানসভায় ফিরল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গাড়ি, ছাড়তে চলেছেন মন্ত্রিত্ব? জল্পনা

    সূত্রের খবর, পার্থর বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া নথিতে মানিক ভট্টাচার্যের নোট ছিল। এদিন, মানিককে বেশ কিছু নির্দিষ্ট নথি, ব্যাঙ্কের নথিও আনতে বলা হয়েছে ইডি-র তরফে। আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে প্রাক্তন পর্ষদ সভাপতিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে ইডি সূত্রে খবর। 

    কিন্তু, কেন এখন তলব করা হল মানিককে? সূত্রের খবর, পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু নতুন তথ্য পাওয়া গিয়েছে। সেই তথ্য যাচাই করার জন্য মানিক ভট্টাচার্যকে তলব করেছেন তদন্তকারী। এমনকী, প্রয়োজনে পার্থ ও মানিককে মুখোমুখি বসিয়েও জেরা করতে হতে পারে। 

    এখানে বলে দেওয়া দরকার, মানিক ভট্টাচার্য হলেন নদিয়া জেলার পলাসীপাড়ার বিধায়ক। তিনি পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্যদের (West Bengal Primary Education Board)  প্রাক্তন সভাপতি। আদালতের নির্দেশেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল সভাপতির পদ থেকে। তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সূত্রের খবর তিনিও মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবেই পরিচিত। একটা সময় হাজরা ল কলেজের প্রিন্সিপাল ছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: শুধু এসএসসি নয়, পার্থ-অর্পিতা জড়িত প্রাথমিক টেট দুর্নীতিতেও! আদালতে দাবি ইডি-র

  • Partha-Arpita: সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হল মন্ত্রীকে, আজই মুখোমুখি জেরা পার্থ-অর্পিতাকে?

    Partha-Arpita: সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হল মন্ত্রীকে, আজই মুখোমুখি জেরা পার্থ-অর্পিতাকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোরেই ভুবনেশ্বর থেকে কলকাতায় ফিরেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তারপর কোনও সময় নষ্ট না করে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে সোজা সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছে যান ইডি তদন্তকারীরা। ফলে, এখন শিল্পমন্ত্রী ও তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায় দুজনেরই বর্তমান ঠিকানা সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি লক-আপ। পার্থ-অর্পিতাকে গতকাল রাতে ১০ দিনের জন্য ইডি হেফাজতে পাঠিয়ে দেন ব্যাঙ্কশাল কোর্টের বিশেষ ইডি বিচারক। তখনই, অর্পিতাকে হেফাজতে নিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সের লক-আপে চালান করে ইডি। আজ সকালে ভুবনেশ্বর থেকে ফিরলে পার্থকেও সোজা সেখানেই নিয়ে যান ইডি আধিকারিকরা। 

    সূত্রের খবর, সময় নষ্ট একেবারেই করতে চাইছে না কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। তাই, আজ থেকেই পার্থ ও অর্পিতার জেরা-পর্ব শুরু হচ্ছে বলে খবর। সেক্ষেত্রে পৃথক জেরার পাশাপাশি, দুজনকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করারও একটা সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে, সেটা নির্ভর করছে তদন্তকারীদের ওপর। এদিকে, পার্থ-অর্পিতা জেরা ঘিরে এখন সিজিও কমপ্লেক্স চত্বর জুড়ে কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনী। চারদিকে মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনী। জানা গিয়েছে, ভবনের সাত তলায় রাখা হয়েছে পার্থকে। সেখানেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন: ৩ অগাস্ট পর্যন্ত ইডি হেফাজতে পার্থ-অর্পিতা, ভুবনেশ্বর থেকে কলকাতায় ফিরলেন মন্ত্রী

    গতকাল পার্থর মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পরই, মন্ত্রী ও তাঁর ঘনিষ্ঠকে নিজেদের হেফাজতে চেয়ে আবেদন করে ইডি। আদালতে তদন্তকারী দল দাবি করে, পার্থ ও অর্পিতার যৌথ সম্পত্তি রয়েছে। মন্ত্রীর বাড়ি থেকেও অর্পিতার নামে বিভিন্ন সংস্থার নথি ও সম্পত্তির দলিল উদ্ধার হয়েছে বলে তদন্ত রিপোর্টে জানিয়েছে ইডি। তাদের মতে, এই দুজন বেআইনি আর্থিক কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত। গোয়েন্দারা সন্দেহ করছেন যে, অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া ২২ কোটি টাকা কিছুই নয়, বরং এর থেকেও বিপুল পরিমাণ টাকার হদিশ পাওয়া সম্ভব। 

    সেকারণে, দুজনকে হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন। তদন্তের সুবিধার্থে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ১৪ দিনের তাদের হেফাজতে পাঠানো হোক। একইসঙ্গে, অর্পিতার জন্য ১৩ দিনের হেফাজতের আর্জি জানানো হয়। অন্যদিকে, জামিনের আবেদন করেছিলেন পার্থর আইনজীবী। এরপর মন্ত্রী ও তাঁর ঘনিষ্ঠকে ১০ দিনের জন্য ইডি হেফাজতে পাঠিয়ে দেয় আদালত। 

    আরও পড়ুন: ক্রনিক সমস্যায় ভুগছেন পার্থ, হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন নেই, জানিয়ে দিল এইমস

LinkedIn
Share