Tag: Enforcement Directorate

Enforcement Directorate

  • Pooja Singhal: আর্থিক অনিয়ম আমলার! ৫ দিনের ইডি হেফাজতে আইএএস পূজা সিঙ্ঘল

    Pooja Singhal: আর্থিক অনিয়ম আমলার! ৫ দিনের ইডি হেফাজতে আইএএস পূজা সিঙ্ঘল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) খনিজ দফতরের সচিব তথা আইএএস (IAS) পূজা সিঙ্ঘলকে (Pooja Singhal) গ্রেফতার করল এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। কেন্দ্রের মনরেগা (MGNREGA) তহবিলের টাকা তছরুপের অভিযোগ ছিল ঝাড়খণ্ডের খনিসচিব পূজার বিরুদ্ধে। মামলাটির তদন্তের দায়িত্বে ছিল ইডি। বুধবার দীর্ঘক্ষণ জেরার পর গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। আপাতত পাঁচ দিন ইডি-র হেফাজতে থাকবেন তিনি।

    মনরেগা প্রকল্পের তহবিলে আর্থিক অনিয়মের এই মামলায় পূজা ছাড়াও অভিযুক্ত তাঁর স্বামী অভিষেক ঝা এবং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট সুমন কুমার। গত শুক্রবারই সুমনকে গ্রেফতার করেছে ইডি। বুধবার গ্রেফতার হল পূজাও।  

    মনরেগা প্রকল্পের অর্থ তছরুপ মামলায় গত ২০১২ সাল থেকেই তদন্ত চলছে। তবে পূজার সঙ্গে এই মামলার যোগ সম্প্রতিই প্রকাশ্যে আসে। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলাকালীন পূজার ১৫০কোটি টাকার হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তির সন্ধান পায় ইডি। পরবর্তীতে পশ্চিমবঙ্গ, পঞ্জাব, ঝাড়খণ্ড, দিল্লি-সহ দেশের ১৮টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে নগদ ১৯ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয় পূজা, তাঁর স্বামী এবং তাঁর চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যোন্ট সুমনের বাড়ি থেকে। শুধু সুমনের বাড়ি এবং অফিসে থেকেই ১৭ কোটি ৭৯ লক্ষ নগদ টাকা পায় ইডি। ইডি জানিয়েছে, বিভিন্ন জেলায় জেলাশাসকের পদে থাকাকালীন পূজা এবং তাঁর স্বামী অভিষেকের অ্যাকাউন্টে বেতন ছাড়াও প্রায় ১ কোটি ৪৩ লক্ষ টাকা জমা পড়ে। 
      
    খুঁটি জেলায় মনরেগা প্রকল্পের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগে ২০২০ সালে ঝাড়খণ্ড সরকারের প্রাক্তন জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার রামবিনোদ প্রসাদ সিন্‌হার গ্রেফতারি দিয়ে মামলাটি শুরু হয়। পরে পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেফতার হওয়ার পরে রামবিনোদ জানান, নয়ছয় হওয়া টাকার পাঁচ শতাংশ সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনকে কমিশন হিসেবে দিতে হয়েছিল তাঁকে। পুলিশ পুরনো রেকর্ড দেখে জানতে পারে, ঘটনাটি যখন ঘটে তখন খুঁটির ডেপুটি কমিশনার ছিলেন পূজা। এর পরই গোয়েন্দা সংস্থাটি পূজার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে।

     

  • Rujira Banerjee: অভিষেক-জায়া রুজিরার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি দিল্লির আদালতের

    Rujira Banerjee: অভিষেক-জায়া রুজিরার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি দিল্লির আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার (coal smuggling) কাণ্ডে নয়া মোড়। তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সাংসদ অভিষেক (Abhishek) বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরার (Rujira Banerjee) বিরুদ্ধে এবার গ্রেফতারি পরোয়ানা (Arrest warrant) জারি করল দিল্লির একটি আদালত। এর আগে কয়লা পাচার কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দফায় দফায় সমন পাঠিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। প্রতিবারই নানা অজুহাতে, ইডির (ED) জিজ্ঞাসাবাদ এড়িয়ে গেছেন রুজিরা। এরপরই জামিনযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্ট। এবার জিজ্ঞাসাবাদ এড়াতে চাইলে পরে কঠোর ধারাও যুক্ত করা হতে পারে। ফলে এবার বিপাকে পড়লেন অভিষেক জায়া রুজিরা।

    এর আগে দু’দফার তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড-ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কয়লা কাণ্ডে জেরা করেছে ইডি। মার্চের ২১-২২ তারিখে দিল্লিতে অভিষেক ও তার স্ত্রী রুজিরাকে ইডি অফিসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়। ইডির সমনের বিরোধিতা করে দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করেন অভিষেক। কিন্তু অভিষেকের আবেদন খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। তৃণমূল সাংসদ একাধিকবার দাবি করেন তাঁকে ও তাঁর স্ত্রীকে দিল্লিতে নয় কলকাতায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। না মঞ্জুর হয় সেই আবেদনও। এরপর টানা ৮ ঘণ্টা ইডির জেরার মুখোমুখি হতে হয় তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকে। যদিও মার্চেও ইডির জেরা এড়িয়ে যান অভিষেক জায়া। এর আগেও দফায় দফায় ইডির সমন এড়িয়ে গেছেন রুজিরা। গতবছর সেপ্টেম্বরেও কয়লা পাচার কাণ্ডে ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়েছিল রুজিরাকে। তখন কোভিড অতিমারীর অজুহাতে জেরা এড়িয়ে গেছিলেন রুজিরা। যদিও সে সময় তিনি দিল্লিতেই ঘুরতে গেছিলেন।

    কয়লা পাচার কেস

    কয়লা-পাচার কাণ্ডে সিবিআই অনুপ মাঝি, ইস্টার্ন কোলফিল্ড লিমিটেড (ECL) ও ‘কয়েকজন অচেনা’ ব্যাক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) করে। অভিযোগ, দুর্গাপুর-আসানসোল বেল্ট, ঝাড়খণ্ডের কয়লা খনি থেকে অবৈধ কয়লা তোলা ও বিক্রি করার সঙ্গে এরা যুক্ত। অভিযোগ, কয়েক কোটি টাকার কয়লা এভাবে পাচার হয়ে গেছে। উঠে আসে, এর সঙ্গে সরকারি আধিকারিক ও রাজনৈতিক নেতারা যুক্ত ছিলেন। রাজস্ব বাবদ কোটি কোটি হারিয়েছে দেশের সরকার।

    ইডি তদন্ত

    তদন্তে ইডি দুটি কোম্পানির খোঁজ পেয়েছে। যার একটির নাম লিপস এন্ড বাউন্ডস লিমিটেড। অন্যটি লিপস এন্ড বাউন্ড ম্যানেজমেন্ট সার্ভিস এলএলপি। যে দুটি কোম্পানিরই ডিরেক্টর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের দুই গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। একজন তাঁর বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যজন তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি নির্মাণ সংস্থার পক্ষ থেকে ‘প্রোটেকশন ফান্ড’ বাবদ ৪.৩৭ কোটি টাকা এই দুই কোম্পানি পেয়েছে। এক ব্যবসায়িক সংস্থা থেকে দুই কোম্পানিই মোটা অঙ্কের অর্থ পায় স্থানীয় স্তরে সিন্ডিকেট সমস্যা সমাধানের জন্য। ইডির দাবি, ২০২০ মার্চে কয়লা পাচার চক্রের মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝির নির্দেশেই পুলিশকর্তা অশোক মিশ্রর কাছে নিয়মিত বিপুল অঙ্কের টাকার যেত ট্রাঙ্কে করে। সেই বিশাল অঙ্কের টাকা দ্রুত চলে যেত অন্য কিছু অ্যাকাউন্টে। পুলিশকর্তা অশোক মিশ্রকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে ইডি।

  • PFI: পিএফআই-এর সব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    PFI: পিএফআই-এর সব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্থিক তছরুপ (Money laundering) মামলায় পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (Popular Front of India) ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। বুধবার পিএফআই (PFI) এবং তার সহযোগী সংগঠন রিহ্যাব ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের (Rehab India Foundation) মোট ৩৩টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি (ED)। এর মধ্যে পিএফআই-এর ২৩টি অ্যাকাউন্টে প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা এবং রিহ্যাব ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের ১০টি অ্যাকাউন্টের প্রায় সাড়ে ন’লক্ষ টাকা রয়েছে।   

    একটি ট্যুইটে ইডি জানিয়েছে, “পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া এবং রিহ্যাব ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের বাজেয়াপ্ত অ্যাকাউন্টগুলি থেকে মোট ৬৮,৬২,৮১ টাকা উদ্ধার হয়েছে।”

    [tw]


    [/tw]

    রাজ্য পুলিশ এবং জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (NIA) অভিযোগের ভিত্তিতে পিএফআই-এর বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করেছে ইডি। তদন্তে উঠে এসেছে যে এই টাকা ব্যবহার করে বিভিন্ন সময় পিএফআই-এর কর্মীরা বেআইনি কার্যকলাপ করেছে। ‘মুন্নার ভ্যালি প্রজেক্ট’, ‘বার ইন মিডল ইস্ট’ এরই অংশ। 

    ইডি জানিয়েছে, যেহেতু এই অ্যাকাউন্টের টাকা ব্যবহার করে অপরাধমূলক কাজ করা হয়েছে, তাই মামলাটি আর্থিক তছরুপ রোধ আইনের (PMLA) আওতায় পড়বে। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (CAA) বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল যে সংগঠনগুলি, তাদের মধ্যে ‘পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়া’ অন্যতম। সাম্প্রতিক দিল্লি হিংসাতেও ওই ইসলামিক সংগঠনের যোগের কথা জানিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। এবার পিএফআই-এর বিরুদ্ধে বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে সক্রিয় হল ইডি।  

    এর আগে অন্য মামলায় পিএফআই-এর কিছু কর্মীকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। ২০১৮ সালে মামলাটি দায়ের করে ইডি। ২০২০ সালে ওই সংগঠনের যোগ আছে এমন বেশ কিছু জায়গায় হানা দেয় ইডি। ওই একই বছর পিএফআইকে নিষিদ্ধ করার ডাক দেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী (Yogi) আদিত্যনাথ। বিজেপি সরকারের দাবি, সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি অফ ইন্ডিয়া সিএএ এবং এনআরসির (NRC) বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলনের টাকার যোগান দিয়েছে।  

    পিএফআইকে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব দিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাও। সূত্রের মতে, এবার সেই পথেই হাঁটতে চলেছে মোদি (Modi) সরকার। 

     

  • ED raid: রাজ্যে ভুয়ো পরিচয়পত্র বানাচ্ছে বাংলাদেশিরা! কলকাতা সহ ১০ জায়গায় হানা ইডি-র

    ED raid: রাজ্যে ভুয়ো পরিচয়পত্র বানাচ্ছে বাংলাদেশিরা! কলকাতা সহ ১০ জায়গায় হানা ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে রাজ্যে এসে ভুয়ো পরিচয়পত্র বানিয়ে বসবাস করছে এমন ব্যক্তিদের সন্ধানে তল্লাশি চালাল ইডি (ED)। শুক্রবার কলকাতা-সহ দুই ২৪ পরগণার আট থেকে দশটি জায়গায় তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অশোকনগরের তিনটি জায়গায়, দমদমের একটি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার দু’টি জায়গা মিলিয়ে মোট ১০টি জায়গায় তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তকারী অফিসারেরা। এদিন সকাল থেকে ইডি-র প্রায় ৬০-৭০ জন আধিকারিক একাধিক দলে ভাগ হয়ে তল্লাশি অভিযান চালান। 

    ইডি সূত্রে দাবি, বাংলাদেশের তদন্তকারী সংস্থার দেওয়া খবরের ভিত্তিতে তল্লাশি চালানো হয়। এক আন্তর্জাতিক টাকা পাচার চক্রের মাথা প্রশান্তকুমার হালদার। বাংলাদেশে তাঁর বিরুদ্ধে বিপুল অঙ্কের টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। বাংলাদেশি হলেও, এপার বাংলায় ঢুকে নিজেকে ভারতীয় বলে পরিচয় দেন প্রশান্তকুমার পাল। তিনি নিজেকে পরিচয় দেন শিবশঙ্কর হালদার বলে। এমনকী, এদেশে ভুয়ো আধার কার্ড, রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড তৈরি করেন তিনি। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, সেইসব জাল নথি ব্যবহার করে এদেশে প্রশান্ত কুমার পাল ও তাঁর সহযোগীরা প্রায় হাজার কোটি টাকা পাচার করেন। প্রশান্তকুমার হালদারের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। বেআইনি টাকার হদিশ পেতে তল্লাশি অভিযান শুরু করে ইডি দেখে এদেশে ভুয়ো পরিচয়পত্রই বানিয়ে ফেলেছে অভিযুক্তেরা। শুধু তাই নয়, ভুয়ো পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে এরাজ্যে বাংলাদেশিরা রীতিমতো ব্যবসা খুলে বসেছে। বিপুল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বানিয়েছে। 

     স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অশোকনগরের মাছ ব্যবসায়ী সুকুমার মৃধাও এই চক্রের সঙ্গে জড়িত। তদন্তে জানা গিয়েছে, সুকুমার মাছ ব্যবসার আড়ালে হাওয়ালার কারবারে যুক্ত। বিভিন্ন অঞ্চলে জমি জায়গা কিনে ব্যবসা করেন তিনি। অশোকনগরে তাঁর একাধিক বাড়ি ও দোকান রয়েছে। এর সঙ্গে উঠে আসছে প্রশান্ত হালদার নামে এক ব্যক্তির নাম। প্রশান্ত মারফৎ এদেশে টাকা নিয়ে আসেন সুকুমার। শুক্রবার অশোকনগরে সুকুমার মৃধা-সহ প্রণব হালদার ও স্বপন মিশ্রর বাড়িতে একযোগে হানা দেন ইডির আধিকারিকরা। ইডির এক আধিকারিক জানান, রাজ্যে হালদারের এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন মৃধা। মনে করা হচ্ছে, শহরের বিভিন্ন জায়গায় বেনামে জমি কিনেছে তারা। মৃধা এবং হালদারের পরিবারের লোকজনদের থেকে খোঁজখবর নিচ্ছে ইডি।

  • Primary TET Scam:চাকরির বিনিময়ে সোনা! প্রাথমিক টেট দুর্নীতি মামলায় প্রকাশ্যে আরেক ‘রঞ্জন’

    Primary TET Scam:চাকরির বিনিময়ে সোনা! প্রাথমিক টেট দুর্নীতি মামলায় প্রকাশ্যে আরেক ‘রঞ্জন’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা দেশের নজর যেন কেন্দ্রীভূত হয়েছে বাংলার দিকে। না না কোনও ভালো কারণে নয়। সামনে আসছে তৃণমূল সরকারের একের পর এক দুর্নীতির ঘটনা। ইতিমধ্যেই দুর্নীতির দায়ে গ্রেফতার হয়েছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখার্জী (Arpita Mukherjee)। তাঁদের একাধিক বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। এখনও শেষ হয়নি সেই বিশাল গুপ্তধনের উদ্ধার কাজ। জায়গায় জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। আর এর মাঝেই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে (Primary TET Scam) প্রকাশ্যে এল আরও এক ‘রঞ্জন’ (New Ranjan) – এর নাম। শুক্রবার এই রঞ্জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নদিয়ার বাসিন্দা এই ‘রঞ্জন’ – এর আসল নাম সুমন চট্টোপাধ্যায়। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কথা বলে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এলাকা থেকে তিনি তিন কোটি টাকা তুলেছেন বলে অভিযোগ। আর এই অভিযোগ করেছেন খোদ চাকরি প্রার্থীরাই। 

    আরও পড়ুন: ষড়যন্ত্রের শিকার! দাবি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের, কেন এমনটা বললেন তিনি?

    এদিন আদালতে সুমন চট্টোপাধ্যায়ের নামে নদিয়ার সুপর্ণা দাস রায় নামের এক চাকরিপ্রার্থী অভিযোগ করে বলেন, জেলায় বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে বেকার ছেলে মেয়েদের থেকে টাকা তুলতেন তিনি। নিজেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুদীপ্ত আচার্য ও দিব্যেন্দু বিশ্বাসের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করে টাকা তুলতেন। প্রতিটি চাকরির জন্য নিতেন ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা। এমনকি কেউ নগদ টাকা দিতে না পারলে তাঁর কাছ থেকে সোনার গয়নাও নিতেন ওই অভিযুক্ত। প্রসঙ্গত, সুমন চট্টোপাধ্যায় নিজেও পেশায় একজন শিক্ষক। 

    অভিযোগ পাওয়ার পরেই নদিয়ার এই নতুন ‘রঞ্জন’ – এর  বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। 

    এর আগে উপেন বিশ্বাস বাগদার নামের এক ব্যক্তি এক রঞ্জনের নাম করেছিলেন আদালতে। তিনিও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলার দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন। 

    আরও পড়ুন: বেনামি ফ্ল্যাটের ‘মালকিন’ অর্পিতা, ভিজিটরদের নাম-ধাম জানতে কেন নিষেধ ছিল নিরাপত্তাকর্মীদের?

    এএসসি কাণ্ডের পরতে পরতে জড়িয়ে রয়েছে দুর্নীতি। একের পর এক কাণ্ড প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতির মামলার হাত ধরেই প্রকাশ্যে আসে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির বিষয়টি। তারপরেই সামনে আসে গ্রুপ-ডি নিয়োগ দুর্নীতি। তাতেও শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীদের নাম জড়িয়েছে। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশেই এসএসসির একাধিক মামলার সিবিআই তদন্ত শুরু হয়েছে। তারপরেই সেটা ইডির হাতে চলে যায়। আর ঝোলা থেকে বেরিয়ে পড়ে বেড়াল। থুরি টাকা।        
     

  • Arpita Mukherjee: বেনামি ফ্ল্যাটের ‘মালকিন’ অর্পিতা, ভিজিটরদের নাম-ধাম জানতে কেন নিষেধ ছিল নিরাপত্তাকর্মীদের?

    Arpita Mukherjee: বেনামি ফ্ল্যাটের ‘মালকিন’ অর্পিতা, ভিজিটরদের নাম-ধাম জানতে কেন নিষেধ ছিল নিরাপত্তাকর্মীদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটি আবাসনেই চারটি ফ্ল্যাট। প্রত্যেকটিই বেনামি (Benaami)। কিন্তু আবাসনের সকলেই জানতেন চারটি ফ্ল্যাটের মালকিনই অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee)। ইডির তদন্তে সব তথ্যই জমা পড়েছে। যাঁদের নামে ওই ফ্ল্যাটগুলি কেনা হয়েছে বা নথিভূক্ত রয়েছে তাঁদের সঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) যোগসূত্র কী তা খতিয়ে দেখা শুরু করেছে তদন্তকারী সংস্থা। 

    সবচেয়ে রহস্যের বিষয়, পুরো আবাসনে একমাত্র এই চারটি ফ্ল্যাটে কারা আসছেন, কোনও গাড়ি ঢুকছে, কতক্ষণ থাকছে তা নিরাপত্তা রক্ষীরা রেকর্ড রাখতে পারতেন না। কোনও এক অজানা হাত আবাসনের নিরাপত্তা সুপারভাইজারকে তেমনই নির্দেশ দিয়েছিলেন। ফলে ‘মাই গেট’ অ্যাপ (My Gate App) থেকে এই চারটি ফ্ল্যাটকে বাদ রাখা হয়েছিল। ইডির তদন্তে সেই প্রসঙ্গটিও আতসকাচের নীচে চলে এসেছে।

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের খবর, ডায়মন্ড সিটি আবাসনে অর্পিতার নিয়ন্ত্রণে চারটি ফ্ল্যাট ছিল। টাওয়ার-২’তে ১এ নম্বরের ফ্ল্যাটটি রয়েছে সেন্ট্রি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রাইভেট লিমিটেড এবং কল্যাণ ধরের নামে। টাওয়ার-২তে ১৮ডি এবং ১৮ই ফ্ল্যাট দুটি রয়েছে অ্যালকোভ রিয়েলটি প্রজেক্টসের নামে। একই টাওয়ারে ১৯আই নম্বরের ফ্ল্যাটটি আশুতোষ শি এবং শর্মিষ্ঠা চৌধুরির নামে নথিভূক্ত রয়েছে। 

    আরও পড়ুন: পার্থকে সরালেও এখনও কেন বহাল পরেশ? মমতাকে আক্রমণ বিজেপির

    ইডি (ED) জেনেছে, বিভিন্ন জনের নামে ফ্ল্যাটগুলি কেনা থাকলেও আসলে সেগুলির নিয়ন্ত্রক ছিলেন অর্পিতা। তদন্তকারীদের সামনে তিনি অবশ্য জানিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কথা। বেনামি মালিকদের সূত্র ধরেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নিয়ন্ত্রণে থাকা আরও কিছু ফ্ল্যাটের সন্ধান মিলেছে। সেই সূত্রেই বেলঘরিয়া, চিনার পার্কসহ আরও কয়েকটি স্থানে লুকনো ঠিকানার সন্ধান পেয়েছে ইডি।

    তদন্তকারীদের একাংশ জানাচ্ছেন, বেনামি ফ্ল্যাট কেনা টাকা ঘোরানোর সহজ পথ। কিন্তু আবাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে ফ্ল্যাট রাখার মধ্যে অপরাধমূলক মানসিকতা রয়েছে। ইডির দাবি, বহুতল আবাসনের সুরক্ষার জন্য ‘মাই গেট’ নামে অ্যাপ খুবই উপযোগী এবং জনপ্রিয়। এই অ্যাপ আবাসিকদের কাছে থাকে। কোনও ভিজিটর ফ্ল্যাটে আসতে চাইলে মাই গেট অ্যাপের মাধ্যমেই আবাসনের গেট থেকে নিরাপত্তারক্ষীরা অনুমতি চান। এটা অনেকটা ব্যাঙ্কিং ওটিপি পাঠানোর মতো। ফ্ল্যাটের বাসিন্দা অনুমতি দিলে তবেই আবাসনের ভিতর কোনও ভিজিটর প্রবেশ করতে পারেন বা গাড়ি ঢুকতে পারে।

    ষড়যন্ত্রের শিকার! দাবি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের, কেন এমনটা বললেন তিনি?
     
    তদন্তে নেমে ইডি যখন মাই গেট অ্যাপে অর্পিতার চারটি ফ্ল্যাটে ভিজিটরদের রেকর্ড চান, তখন নিরাপত্তা সুপাইভাইজার জানান, ওই চারটি ফ্ল্যাটে কে আসছেন, কে যাচ্ছেন, কোন গাড়িতে আসছেন তা রেকর্ড রাখা বা জানার অধিকার তাঁদের ছিল না। অর্পিতার বিলাসবহুল ফ্ল্যাট বলে আসলে যা বলা হচ্ছে তা যে আসলে বেনামি তা এবার স্পষ্ট। ইডির তদন্ত শুরু এখান থেকেই। এসএসসি দুর্নীতির (SSC scam) টাকা নাকি তৃণমূলের (TMC) দলীয় তহবিলের কিছু অংশ মিলেছে ডায়মন্ড সিটির (Diamond City) ফ্ল্যাট থেকে। তা হলে পার্থ-অর্পিতাতেই (Partha-Arpita) তদন্ত থামছে না। আরও উপরে উঠবে সেই তদন্ত, এমনই আভাস।

  • Rana Kapoor: প্রিয়াঙ্কার থেকে ২ কোটি টাকা দিয়ে হুসেনের ছবি কিনতে বাধ্য হয়েছিলেন, দাবি ইয়েস ব্যাঙ্ক কর্তার

    Rana Kapoor: প্রিয়াঙ্কার থেকে ২ কোটি টাকা দিয়ে হুসেনের ছবি কিনতে বাধ্য হয়েছিলেন, দাবি ইয়েস ব্যাঙ্ক কর্তার

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরার (priyanka gandhi) কাছ থেকে এমএফ হুসেনের পেইন্টিং (MF Hussain painting) কিনতে বাধ্য করা হয়েছিল তাঁকে। কংগ্রেস নেত্রীর  বিরুদ্ধে এবার গুরুতর অভিযোগ তুললেন আর্থিক তছরুপ মামলায় (money laundering case) অভিযুক্ত ইয়েস ব্যাঙ্কের (Yes bank) সহ-প্রতিষ্ঠাতা রাণা কাপুর (Rana Kapoor)। চার্জশিটে এমনটাই দাখিল করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate) বা ইডি।

    বর্তমানে রাণা কাপুর রয়েছেন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে। ইডির কাছে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি জানিয়েছেন, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর কাছ থেকে মকবুল ফিদা হুসেনের একটি ছবি জোর করে কেনানো হয়েছিল তাঁকে দিয়ে। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, তাঁর কাছ থেকে পাওয়া দু কোটি টাকা ব্যবহার হয়েছিল নিউইয়র্কে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) চিকিৎসায়। 

    আর্থিক তছরুপ মামলায় মুম্বইয়ের বিশেষ আদালতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দাখিল করা চার্জশিটে বলা হয়েছে, ইয়েস ব্যাঙ্কের কর্ণধার জানিয়েছেন, তৎকালীন পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী মুরলী দেওরা ও আহমেদ পটেল তাঁকে নির্দেশ দিয়েছিলেন ছবি না কিনলে তাঁর সঙ্গে গান্ধী পরিবারের সম্পর্ক গড়ে উঠবে না এবং এর ফলে তাঁর ‘পদ্মভূষণ’ পাওয়া আটকে যাবে। 

    যদিও, কংগ্রেসের তরফে দাবি খারিজ করে বলা হয়েছে, ৫ হাজার কোটির কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত একজনের কাছ থেকে এর থেকে বেশি কী আর আশা করা যেতে পারে। আর ওই ব্যক্তি এমন সব লোকেদের কথা বলছেন, যাঁরা বেঁচে নেই।

     

LinkedIn
Share