Tag: Gujarat

Gujarat

  • Gujarat Election: দোরগোড়ায় গুজরাট ভোট, রণকৌশল স্থির করতে বৈঠকে মোদি-শাহ

    Gujarat Election: দোরগোড়ায় গুজরাট ভোট, রণকৌশল স্থির করতে বৈঠকে মোদি-শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় গুজরাট বিধানসভার নির্বাচন (Gujarat Election)। রণকৌশল স্থির করতে শুক্রবার রাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভুপেন্দ্র প্যাটেল এবং দলের রাজ্য ইউনিটের প্রধান সিআর পাটিল। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দিল্লির বাসভবনে ঘণ্টা পাঁচেক ধরে চলেছে ওই বৈঠক। গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনে কীভাবে বিরোধীদের মাত দেওয়া যায়, মূলত তা নিয়েই আলোচনা হয়েছে বিজেপির এই তিন নেতার।

    রাজনৈতিক মহলের মতে, এই বৈঠকের গুরুত্ব কম নয়। কারণ বৈঠকটি এমন একটি সময় অনুষ্ঠিত হয়েছে, যার ঠিক আগে আগেই হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। নভেম্বরের ১২ তারিখে হবে হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার নির্বাচন। আশা করা যায়, এ মাসেরই পরের দিকে ঘোষণা হয়ে যাবে গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের (Gujarat Election) নির্ঘণ্ট। প্রসঙ্গত, এর আগে গুজরাট বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের প্রথম দিকে। এবারও তেমনই হওয়ার সম্ভাবনা। 

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে জোর ধাক্কা গুজরাট কংগ্রেসে, ৬ মাসের কারাদণ্ডের সাজা জিগনেশ মেবানির

    গুজরাটে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে বিজেপি (BJP)। এই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জিতেছে ছ বার। সব মিলিয়ে ক্ষমতায় ছিল ২৭ বছর। এ রাজ্যে পদ্ম শিবিরের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এতদিন ছিল কংগ্রেস। এবার লড়াইয়ের ময়দানে হাজির অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টি। দিল্লি দখলের পর ইতিমধ্যেই এই দল কংগ্রেসের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে পাঞ্জাবের রশি। এবার তারা হানা দিতে চাইছে মোদির রাজ্যে। দ্রুত গতিতে চলছে সংগঠন গড়ার কাজ। বিজেপির হাত থেকে রাজ্যের রশি কেড়ে নিয়ে গুজরাটের তখতে বসতে চাইছে কেজরিওয়ালের দল। তবে সেটা যে সহজ নয়, তা বলছেন গুজরাটের রাজনীতির কারবারিরাই। এদিন হিমাচল প্রদেশের সঙ্গে সঙ্গে গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের (Gujarat Election)  নির্ঘণ্টও নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করবে বলে আশাবাদী ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। শেষমেশ ঘোষণা হয় কেবল হিমাচল প্রদেশে বিধানসভার ভোটের দিনক্ষণ। এখন দেখার, মোদির রাজ্যে কবে বাজে বিধানসভা ভোটের ঘণ্টা!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Gujarat Election: হিমাচলে লাগু আদর্শ আচরণ বিধি, প্রার্থী কত টাকা খরচ করতে পারবেন জানেন?  

    Gujarat Election: হিমাচলে লাগু আদর্শ আচরণ বিধি, প্রার্থী কত টাকা খরচ করতে পারবেন জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমাচল প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হলেও, ঘোষণা হয়নি গুজরাট ভোটের (Gujarat Election) নির্ঘণ্ট। অথচ দুটি বিধানসভারই মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে ছ মাসের মধ্যে। এই জাতীয় ক্ষেত্রে সচরাচর ভোট ঘোষণা হয় একই সঙ্গে। এদিকে, শুক্রবার থেকেই হিমাচল প্রদেশে লাগু হয়েছে মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট। প্রসঙ্গত, হিমাচল প্রদেশে ভোট হবে ১২ নভেম্বর। ফল ঘোষণা হবে প্রায় একমাস পর, ৮ ডিসেম্বর।

    শুক্রবার থেকেই হিমাচল প্রদেশে লাগু হয়ে গিয়েছে মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট (Model Code of Conduct)। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনীশ গর্গ বলেন, হিমাচল প্রদেশে ভোট হবে ১২ নভেম্বর। বিধানসভার ৬৮টি আসনেই ভোট হবে একদিনে। এর মধ্যে ১৭টি আসন তফশিলি জাতি এবং ৩টি আসন তফশিলি উপজাতির জন্য সংরক্ষিত। তিনি জানান, প্রার্থীর ব্যয়ের পরিমাণ এবার বাড়িয়ে করা হয়েছে ৪০ লক্ষ টাকা। আগে এর পরিমাণ ছিল ২৮ লক্ষ টাকা। মনীশ জানান, রাজ্যের ভোটার সংখ্যা ৫৫ লক্ষ ৭ হাজার ৫৩২জন। এর মধ্যে তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩৭জন। প্রসঙ্গত, সচরাচর মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট লাগু হয় ৭০ দিন আগে। হিমাচল প্রদেশে এটা কমে হয়েছে ৫৭দিন।

    আরও পড়ুন: দোরগোড়ায় গুজরাট ভোট, রণকৌশল স্থির করতে বৈঠকে মোদি-শাহ

    এদিকে, জানা গিয়েছে, গুজরাট বিধানসভার মেয়াদ শেষ হবে ১৮ ফেব্রুয়ারি। আর হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার মেয়াদ শেষ হবে ৪ জানুয়ারি। এই দুই রাজ্যেরই রশি রয়েছে বিজেপির (BJP) হাতে। একটি রাজ্যে নির্বাচন ঘোষণা হলেও, অন্যটায় হয়নি। এদিন সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার বলেন, এতে কোনও নিয়ম ভঙ্গ হয়নি। হিমাচল প্রদেশ ও গুজরাট এই দুই বিধানসভার মেয়াদ শেষ হবে ৪০ দিনের ব্যবধানে। নিয়ম অনুযায়ী, ভোট ঘোষণার ক্ষেত্রে ব্যবধান থাকা উচিত অন্তত ৩০ দিনের। যাতে একটি রাজ্যের বিধানসভার ফলের প্রভাব পড়তে না পারে অন্য রাজ্যের বিধানসভার ফলের ওপর। রাজীব কুমার বলেন, ভোট ঘোষণার সময় আবহাওয়ার মতো বিভিন্ন বিষয় মাথায় রাখতে হয়েছে। তুষারপাত শুরু হওয়ার আগেই আমরা হিমাচল প্রদেশে ভোট করিয়ে নিতে চাইছি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Gujarat: বিয়ের আট বছর পর স্ত্রী জানলেন স্বামী আদতে মহিলা ছিলেন 

    Gujarat: বিয়ের আট বছর পর স্ত্রী জানলেন স্বামী আদতে মহিলা ছিলেন 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিয়ে হয়েছে সেই আট বছর আগে। মাঝে কেটে গিয়েছে বহু সময়। কিন্তু এতদিন পরে জানতে পারেন তিনি ছলনার শিকার। স্বামীর পূর্ব পরিচয় জানতে পেরে মাথায় হাত গুজরাটের (Gujarat) ভদোদরার (Vadodara) এক মহিলার। যাকে আট বছর ধরে স্বামী হিসেবে জেনে এসেছেন, তিনি আদতে মহিলা হয়ে জন্মেছিলেন! এতদিন পরে বিষয়টি জানতে পেরেই ভদোদরার গোত্রী থানায়  অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বিয়ের সময় নিজের লিঙ্গ পরিচয় লুকিয়ে গিয়েছিলেন স্বামী। গত আট বছরে বহুবার বিকৃত যৌনতার শিকার হয়েছেন বলেও পুলিশকে জানিয়েছেন ওই মহিলা। দিল্লির বাসিন্দা ওই অভিযুক্তকে আটক করেছে গুজরাটের গোত্রী থানার পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ৭০ দশক পর চিতা ফিরল দেশে, ছাড়া হল কুনো জাতীয় উদ্যানে  

    ওই মহিলা জানিয়েছেন, ২০১৪ সালে বিয়ে হয় তাঁদের। একটি ম্যাট্রিমনি সাইটে পরিচয় হয় তাঁর । সেই সময় স্বামীর অতীত নিয়ে কিছুই জানতেন না বলে পুলিশকে জানিয়েছেন ওই মহিলা। পরিবারের উপস্থিতিতে আট বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর মধুচন্দ্রিমায় কাশ্মীরেও যান দুজনে। তবে কিছুদিন পরেই ছন্দ কাটে! মহিলার দাবি স্বামী বিয়ের পর থেকেই শারীরিক সম্পর্কে তেমন উৎসাহ দেখাতেন না। নানা অছিলায় এড়িয়ে যেতেন অন্তরঙ্গতা। মহিলার দাবি, শেষে জোরাজুরি করায় বিরাজ তাঁকে জানান রাশিয়াতে (Russia) একটি দুর্ঘটনার কারণে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে তিনি অক্ষম। বছর চল্লিশের ওই মহিলার এটা দ্বিতীয় বিয়ে। ২০১১ সালে তাঁর প্রথম স্বামীর মৃত্যু হয়। তাঁর একটি মেয়েও রয়েছে।                               

    কিন্তু এত কিছুর পরেও স্বামীর আসল পরিচয় জানতে পারেননি তিনি। বরং স্বামী তাঁকে আশ্বাস দেন ছোট একটি অস্ত্রোপচারের পর সব ঠিক হয়ে যাবে। এতদিন সেই আশাতেই দিন কাটিয়েছেন ওই মহিলা। পুলিশকে মহিলা জানিয়েছেন, ২০২০ সালে ওজন কমানোর সার্জারির নামে কলকাতায় যান তাঁর স্বামী। পরে মহিল জানতে পারেন ওজন কমানো নয়, লিঙ্গ বদলের অস্ত্রোপচার করিয়েছেন তিনি!

    আরও পড়ুন: মোদির জন্মদিনে পুজো বা কেক কাটা নয় আজ থেকে সেবাপক্ষ শুরু বিজেপির 
     
    ভদোদরার গোত্রী থানায় স্বামীর বিরুদ্ধে বিকৃত যৌনতা এবং জালিয়াতির অভিযোগ দায়ের করেছেন মহিলা। তাঁর দাবি, বিষয়টি প্রকাশ্যে আনলে ভয়ঙ্কর পরিণতি হবে বলেও হুমকি দেওয়া হত ওই মহিলাকে। পুলিশ জানিয়েছেন অভিযুক্ত বিরাজ বর্ধনের আসল নাম বিজয়েতা। স্ত্রীর নামে ৯০ লাখ টাকা ধার নিয়ে এক ফ্ল্যাট কেনারও অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Man Removes Thumb Skin: স্যানিটাইজার হাতে দিতেই খসে পড়ল ত্বক! নিজের বুড়ো আঙ্গুলের চামড়া  বন্ধুর আঙ্গুলে জুড়ে পরীক্ষায় বসল ছাত্র

    Man Removes Thumb Skin: স্যানিটাইজার হাতে দিতেই খসে পড়ল ত্বক! নিজের বুড়ো আঙ্গুলের চামড়া বন্ধুর আঙ্গুলে জুড়ে পরীক্ষায় বসল ছাত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরি চাই। যে কোনও মূল্যে। পরীক্ষায় ফল কেমন হবে তা নিয়ে রয়েছে সংশয়। তাই মেধাবী বন্ধুর সাহায্য প্রার্থনা। অবশেষে অভিনব পন্থা অবলম্বন। বন্ধুকে দিয়ে রেলের পরীক্ষা দেওয়ানোর জন্য নিজের বুড়ো আঙ্গুলের চামড়া তুলে বন্ধুর আঙ্গুলে জুড়ে দিয়েছিলেন এক পরীক্ষার্থী। তবে শেষরক্ষা হল না। ভুয়ো পরীক্ষার্থীর কাণ্ড দেখে চক্ষু চড়কগাছ সুপারভাইজারের! তাঁর তৎপরতায় হাতেনাতে ধরা পড়লেন ওই যুবক। ঘটনাটি ঘটে গুজরাটের ভাদোদরাতে। অভিযুক্তরা দুজনেই বিহারের মুঙ্গেরের বাসিন্দা। ইতিমধ্যেই তাদেরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    ভাদোদরার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এস এম বারোতারিয়া জানান, গত সোমবার রেলের গ্রুপ ডি পদে নিয়োগের জন্য একটি পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখান থেকে রাজ্যগুরু গুপ্তা নামে এক ভুয়ো পরীক্ষার্থীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে যার হয়ে পরীক্ষা দিতে এসেছিল, সেই মণীশ কুমারকেও আটক করা হয়। একসঙ্গে দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা পাশ করেছিল তারা। রাজ্যগুরু পড়াশোনায় অত্যন্ত ভালো। তাই চাকরির পরীক্ষার বৈতরণি পেরতে তাকেই আশ্রয় করে মণীশ। উভয়ের বয়স ২০ বছর।

    আরও পড়ুন: আর্টেমিস-১ মুন মিশনে ভারতীয় যোগ, প্রকল্পে যুক্ত হলেন বিজ্ঞানী অমিত পাণ্ডে

    রেলের পরীক্ষাতে নকল আটকাতে বুড়ো আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়ে থাকে। আধার কার্ডের সাথে সেটা মিলিয়ে দেখা হয়। মণীশের আঙুলের ছাপ নিতে গেলে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে তা নথিভুক্ত হয় না। যিনি পরীক্ষার দায়িত্বে ছিলেন বিষয়টি তাঁর নজরে আসে। তিনি দেখেন রাজ্যগুরু কিছু লুকিয়ে ফেলার চেষ্টা করছে। তিনি সঙ্গে সঙ্গে ওই পরীক্ষার্থীর হাতে স্যানিটাইজার স্প্রে করে দেন। আর তাতেই ওই ভুয়ো পরীক্ষার্থীর আঙুল থেকে খসে পড়ে চামড়াটি। প্রশ্ন করতেই আসল তথ্য বেরিয়ে আসে। তাকে তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে।

    পুলিসের জেরায় রাজ্যগুরু জানিয়েছে, পরীক্ষার আগের দিন মণীশ বাঁ হাতের বুড়ো আঙুলটি একটি গরম প্যানে ঠেকায়। এর ফলে আঙুলে যে ফোস্কা পড়ে, সেই চামড়াটি ব্লেড দিয়ে কেটে তাকে দিয়ে দেয়। বায়োমেট্রিক দেওয়ার সময় ওই কাটা চামড়াটি নিজের আঙুলে লাগিয়ে ছাপ দিতে যায় সে। কিন্তু ধরা পড়ে যাওয়ায় আর কাজ এগোতে পারেনি। এই অভিনব কৌশল চমকে দিয়েছে সবাইকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Election Commission: গুজরাট, হিমাচল প্রদেশের সঙ্গেই নভেম্বরে ভোট হবে জম্মু-কাশ্মীরেও?

    Election Commission: গুজরাট, হিমাচল প্রদেশের সঙ্গেই নভেম্বরে ভোট হবে জম্মু-কাশ্মীরেও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নভেম্বর মাসেই ভোট হতে চলেছে জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu-Kashmir)? অন্তত নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) জারি করা এক নির্দেশিকায়ই এমন ইঙ্গিত মিলেছে। কেবল জম্মু-কাশ্মীর নয়, একই সঙ্গে ভোট হবে গুজরাট (Gujrat) এবং হিমাচল প্রদেশেও (Himachal Pradesh)।

    জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন যে দোরগোড়ায় তার ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। মাসখানেক আগে রাজস্থানের জয়পুরে বিজেপির কর্মকর্তাদের বৈঠকে এমনই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বিজেপির জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের জন্য বিপুল জনাদেশ নিয়ে দিল্লির দরবারে ফেরে বিজেপি। এর পরেই জম্মু-কাশ্মীরে শান্তি ফেরানোর উদ্যোগ নেয় নরেন্দ্র মোদির সরকার। কাশ্মীর থেকে রদ করা হয় ৩৭০ ধারা। উপত্যকায় শান্তি ফেরাতে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে পরিণত করা হয় কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে। শুরু হয় উন্নয়নযজ্ঞ। যার জেরে ক্রমেই শান্তি ফিরছে ভূস্বর্গে।

    আরও পড়ুন : বছর শেষেই ভোট ভূস্বর্গে? কাশ্মীরে নির্বাচন নিয়ে বড় মন্তব্য রাজনাথের

    জম্মু-কাশ্মীরে নরেন্দ্র মোদির সরকার যে বিধানসভা নির্বাচন করতে বদ্ধপরিকর, বিভিন্ন সময় তা জানিয়ে দিয়েছেন মোদি এবং অমিত শাহ। সেই মতো উপত্যকায় শান্তি ফিরতেই শুরু হয় ডিলিমিটেশনের কাজ। ডিলিমিটেশন কমিশন কাশ্মীরে ৪৭টি ও জম্মুতে ৪৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের সুপারিশ করে। সুপারিশ করা হয় পাঁচটি লোকসভা কেন্দ্রেরও। পাকিস্তান অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের উদ্বাস্তুদের প্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি বিধানসভায় দুই কাশ্মীরি অভিবাসীকেও মনোনীত করার সুপারিশও করে ওই কমিশন।

    আরও পড়ুন : জম্মু-কাশ্মীর থেকে কাউকে বিতাড়িত হতে দেব না, আশ্বাস রাজনাথের

    সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন আঠারো বছর বয়সী নয়া ভোটারদের নাম তোলার নির্দেশ দিয়েছে। পয়লা  জানুয়ারি থেকে পয়লা অক্টোবরের মধ্যে যাঁরা আঠারোয় পা দেবেন, দ্রুত তাঁদের নাম তোলার কাজ শেষ করতে হবে। ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম নেই, তাঁদেরও নামও দ্রুত তুলতে হবে তালিকায়। নির্বাচন কমিশনের শিডিউল অনুযায়ী, ১২ অগস্টের মধ্যে গুজরাট এবং হিমাচল প্রদেশে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ শেষ করতে হবে। আর জম্মু-কাশ্মীরের ক্ষেত্রে এই সময় সীমা ধার্য করা হয়েছে পয়লা সেপ্টেম্বর। সাধারণত ভোট এগিয়ে এলেই শুরু হয় ভোটার তালিকা সংশোধন সহ নানা কাজ। সক্রিয় হয়ে ওঠে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের এই ভোটার তালিকা প্রকাশের নির্দেশের পরেই এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে গুজরাট এবং হিমাচল প্রদেশের সঙ্গে সঙ্গেই ভোট হতে চলেছে জম্মু-কাশ্মীরে। জানা গিয়েছে, গত তিন বছর ধরে জম্মু-কাশ্মীরে সংশোধন হয়নি ভোটারতালিকা। কমিশনের নির্দেশে  শুরু হয়ে গিয়েছে সেই কাজ। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে নতুন ভোটারদের নাম দ্রুত নথিভুক্ত করতে হবে তালিকায়।

    ভূস্বর্গ তাহলে দ্রুত ফিরে পেতে চলেছে রাজ্যের মর্যাদা?

     

  • Gujarat: গ্রেফতার তিস্তা, জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্রের মামলা রুজু

    Gujarat: গ্রেফতার তিস্তা, জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্রের মামলা রুজু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রেফতার গুজরাটের (Gujarat) সমাজকর্মী তিস্তা শেতলবাদ (Teesta Setalvad)। রবিবারই তাঁকে আমেদাবাদ ক্রাইম ব্রাঞ্চের হাতে তুলে দেয় গুজরাট পুলিশের অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড (Anti Terrorist Squad )। তাঁর বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মামলা রুজু হয়েছে। মুম্বইয়ের জুহু থেকে প্রথমে তাঁকে আটক করে গুজরাটের অপরাধ দমন শাখা (ATS)।  নিয়ে যাওয়া হয় সান্তাক্রুজ থানায়। জিজ্ঞাসাবাদের পর আমেদাবাদে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। গুজরাট হিংসা মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে ভুয়ো তথ্য দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের। তিস্তার বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে এফআইআর। কেবল তিস্তা নন, ভুয়ো তথ্য দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে গুজরাটের প্রাক্তন ডিজিপি আরবি শ্রীকুমারকেও। 

    আরও পড়ুন : গুজরাট হিংসায় মোদির ক্লিনচিট বহাল সুপ্রিম কোর্টের, বিরোধীদের নিশানা বিজেপির
    ২০০২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি গুজরাটের গোধরা রেল স্টেশনে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল ৫৮ জন পুণ্যার্থীকে। তার পরেই হিংসা ছড়িয়ে পড়ে গোটা রাজ্যে। মারা যান হাজারেরও বেশি মানুষ। সেই সময় গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নরেন্দ্র মোদি। মোদিকে কালিমালিপ্ত করতে আসরে নেমে পড়ে বিরোধীরা। মামলা গড়ায় আদালতে। তদন্তের জন্য তৈরি হয় সিট (SIT)। ২০০২ এর ওই হিংসায় মোদিকে পুরোপুরি ক্লিনচিট দেয় বিশেষ তদন্তকারী দল। ক্লিনচিট দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টও। 
    এর পরেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, মোদিজীকে দীর্ঘদিন এই নিয়ে যন্ত্রণা সহ্য করতে দেখেছি। আজ তিনি সূর্যের মতোই কলঙ্কমুক্ত। সেদিন গুজরাট সরকার হিংসা রুখতে সচেষ্ট ছিল। মুখ্যমন্ত্রী বারবার শান্তির আবেদন করেছিলেন। নরেন্দ্র মোদি সর্বদা আইনের পক্ষে ছিলেন। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে ক্রমাগত অপপ্রচার চলছিল।  একশ্রেণীর সংবাদকর্মীও আর এনজিও এই কাজ করেছে। তিস্তা শেতলবাদের এনজিও এর পিছনে ছিল। অমিত শাহের দাবি, গোধরার পরে যে হিংসা হয়,তা মোকাবিলায় সেনা নামাতে দেরি করেনি গুজরাট সরকার। আদালতের রায় কংগ্রেসের অপপ্রচারের জবাব বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, যারা অভিযোগ করেছিল, তাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত প্রধানমন্ত্রীর কাছে। 

    আরও পড়ুন : ‘শিবের মতো বিষপান করেছেন মোদি’, গুজরাট হিংসা প্রসঙ্গে অমিত শাহ
    দেশের শীর্ষ আদালত প্রধানমন্ত্রীকে ক্লিনচিট দেওয়ার পরেই আটক করা হয় তিস্তাকে। পরে করা হয় গ্রেফতার। তাঁর এনজিও সংক্রান্ত একটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করতেই তাঁকে প্রথমে আটক করা হয় বলে সূত্রের খবর। তিস্তার দাবি, অবৈধভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে।  
    আমেদাবাদ ক্রাইম ব্রাঞ্চের তরফে দায়ের করা এফআইআরে তিস্তার পাশাপাশি নাম রয়েছে প্রাক্তন আইপিএস অফিসার সঞ্জীব ভাটেরও। 
    এদিকে, গুজরাট হিংসার ঘটনায় এদিন ফের একবার কংগ্রেসকে আক্রমণ করল কেন্দ্রের শাসক দল। বিজেপির দাবি, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তিস্তা শেতলাবাদ যে ভুয়ো অভিযোগ করেছেন,তার নেপথ্যে ছিল কংগ্রেসই। 

  • Modi in Pavagadh temple: হাজার বছর পুরনো পওয়াগড় কালীমন্দিরে পুজো মোদির, জানেন এখানকার ইতিহাস?

    Modi in Pavagadh temple: হাজার বছর পুরনো পওয়াগড় কালীমন্দিরে পুজো মোদির, জানেন এখানকার ইতিহাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চমহল জেলার প্রসিদ্ধ পওয়াগড় কালী মন্দিরের (Pavagadh temple) ধর্ম-ধ্বজা ওড়ালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)।  আড়াইশোটি সিঁড়ি ভেঙে পাহাড়ের উপর অবস্থিত ওই মন্দিরে শনিবার বিশেষ পুজোয় অংশ নেন তিনি।  অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল। 

    এদিন পওয়াগড় কালী মন্দিরে মোদির প্রার্থনাকে ঐতিহাসিক অ্যাখ্যা দিচ্ছেন অনেকে।  মন্দিরটি এই অঞ্চলের প্রাচীনতম মন্দিরগুলির মধ্যে একটি। প্রতিদিন এখানে প্রচুর দর্শনার্থী ভিড় করেন। কিন্তু গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন কখনও এই মহাকালী মন্দিরে আসেননি মোদি। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, জরাজীর্ণ মাতৃ মন্দির দেখতে রাজি ছিলেন না তিনি। আবার কারওর মতে, মন্দিরের ওপর দরগা থাকায় তিনি এতদিন দর্শন করেননি। এখন তাই সংস্কার ও দরগা সরে যাওয়ার পর এই মন্দিরে গেলেন মোদি। পূজো দিলেন এবং ওড়ালেন মন্দিরের ধ্বজা। 

    গুজরাট সরকার সূত্রে খবর, পঞ্চদশ শতাব্দী থেকে এই মন্দিরটি জরাজীর্ণ ছিল। এটিকে নতুন রূপে সাজানো হয়েছে। সরকারের তরফে পুরো মন্দিরটি পুনর্নির্মাণ করা হলেও মূল গর্ভগৃহটি অক্ষত রাখা হয়েছে। গর্ভগৃহ পরিবর্তন না করে প্রথমে পাহাড়ের চূড়া প্রশস্ত করে একটি বড় মন্দির গঠনের জন্য ভিত তৈরি করা হয়। তারপর নির্মিত হয় মন্দিরের প্রথম ও দ্বিতীয় তল। 

    আরও পড়ুন: ১৮৬২টি মন্দির ভেঙে বদলে দেওয়া হয়েছে মসজিদে! তালিকা প্রকাশ হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের

    কথিত আছে, পওয়াগড়ে পাহাড়ের চূড়ায় এই কালী মন্দিরটি একাদশ শতাব্দীতে তৈরি হয়েছিল। পঞ্চদশ শতাব্দীতে সুলতান মাহমুদ বেগদার চাম্পানের আক্রমণের সময় মন্দিরের চূড়াটি ভেঙে ফেলা হয়। সেখানে নির্মাণ করা হয় পীর সাদানশাহের মাজার। মন্দিরের উপরের অংশ এতদিন দরগা কর্তৃপক্ষের দখলে ছিল। কয়েক দফা আলোচনার পর দরগা কমিটির কর্মকর্তারা মন্দিরের উপরের অংশ খালি করে দেন। তাঁদেরকে অন্যত্র জায়গা দেওয়া হয়। এরপরই পতাকা উত্তোলনের জন্য নতুন স্তম্ভ স্থাপন করা হয়, বলে সরকারি সূত্রে খবর। ইতিমধ্যেই ইউনেস্কো (UNESCO) মন্দিরটিকে সারা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলির মধ্যে একটি বলে বর্ণণা করেছে।

    মন্দিরের শীর্ষে ধ্বজা উড়িয়ে মোদি বলেন, “এই মুহূর্ত আমার হৃদয়কে বিশেষ আনন্দে ভরিয়ে দিয়েছে। এই শেখর পতাকাটি আমাদের বিশ্বাস এবং আধ্যাত্মিকতার প্রতীক। এটা প্রমাণ করে শতাব্দী বদলায়,সময় বদলায় কিন্তু বিশ্বাসের শিখর চিরন্তন।”

  • Hiraben Modi: শতবর্ষে পদার্পণ হিরাবেনের, মায়ের সঙ্গে দেখা করবেন মোদি

    Hiraben Modi: শতবর্ষে পদার্পণ হিরাবেনের, মায়ের সঙ্গে দেখা করবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১৮ জন ১০০-য় পা দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) মা হিরাবেন মোদি (Hiraben Modi)। মা-এর জীবনের এই বিশেষ দিনে মায়ের পাশেই থাকতে চান তাঁর প্রধানমন্ত্রী ছেলে। তাই সেদিন মেয়ের সাথে দেখা করতে গুজরাট যাবেন মোদি। এমনটাই জানিয়েছে মোদি পরিবার। 

    গান্ধীনগরে মায়ের সঙ্গে দেখা করার পাশাপাশি ওইদিন প্রভাগড় মন্দির দর্শন এবং ভদোদরাতে একটি পদযাত্রায় অংশ নেবেন তিনি।

    আরও পড়ুন: “জ্ঞান, কর্ম এবং ভক্তির একটি নিখুঁত সংমিশ্রণ”, যোগ সাধনা প্রসঙ্গে মোদি  

    ১৯২৩ সালে ১৮ জুন জন্ম হিরাবেন মোদির। এই বছর ১০০ বছরে পা। গান্ধীনগরে ছোট ছেলে পঙ্কজ মোদির সঙ্গে থাকেন হিরাবেন, সেখানেই দেখা হতে পারে মা-ছেলের। ওই দিন আহমেদাবাদের জগন্নাথ মন্দিরে একটি ‘ভাণ্ডারো’ বা গণআহারের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে মোদির পরিবার। পাশাপাশি হটকেশ্বর মহাদেব মন্দিরে সেদিন হিরাবেনের দীর্ঘায়ু কামনায় সারাদিন ধরে চলবে পুজো ও যজ্ঞ। সেখানে ভজন সঙ্গীতের অনুষ্ঠান হবে, শিব আরাধনাও হবে। এমনটাই জানিয়েছেন মোদির ভাই পঙ্কজ মোদি। গত মার্চ মাসে শেষ বার মায়ের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।   

    আরও পড়ুন: মাতৃপ্রেম! মা হীরাবেনের সঙ্গে মোদির আবেগঘন মুহূর্ত

    এর আগে, দু’দিনের গুজরাট সফরে গিয়ে গত ১১ মার্চ আমেদাবাদে হিরাবেনের সঙ্গে দেখা করেন মোদি। করোনা দুবছর পর মায়ের সঙ্গে দেখা করেন তিনি।  

    গান্ধীনগর (Gandhinagar) প্রশাসনও মোদি জননীর জন্মদিনকে স্মরণীয় করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। হিরাবেনের নামে এ বার সেখানে একটি রাস্তার নামকরণের সিদ্ধান্ত নিল তারা। রায়সান পেট্রোল পাম্প থেকে ৬০ মিটার দূরত্ব পর্যন্ত রাস্তার নাম রাখা হচ্ছে ‘পূজ্য হীরাবা মার্গ’। সব ব্যবস্থা সেরে রেখেছে গান্ধীনগর পুরসংস্থা। শুরুতে এই দিনই রাস্তার নামকরণের কথা থাকলেও পরবর্তীতে পিছিয়ে দেয় গান্ধীনগর প্রশাসন। পুরসংস্থার তরফে বলা হয়েছে কিছু সরকারি কাজ বাকি থাকায় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে রাস্তার নামকরণের তারিখ।  

     

     

     

  • Gujarat: জন্মাষ্টমী উপলক্ষে গোপালকে ২৫ লক্ষ টাকার দোলনা উপহার গুজরাটের মন্দিরে 

    Gujarat: জন্মাষ্টমী উপলক্ষে গোপালকে ২৫ লক্ষ টাকার দোলনা উপহার গুজরাটের মন্দিরে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা দেশেই বিভিন্নভাবে পালিত হচ্ছে জন্মাষ্টমী। শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিনের এই শুভ তিথিতে উৎসবে মেতেছেন সকলেই। এরই মধ্যে এক বিশেষভাবে এই তিথি পালন করতে দেখা গেল গুজরাটের বদোদরায়। এক মন্দিরে গোপালের জন্মদিনস্বরূপ তাঁকে উপহার দেওয়া হল সোনা-রূপো দিয়ে তৈরি ২৫ লক্ষ টাকার দোলনা (Swing)। 

    জানা গিয়েছে দোলনাটি ৭ কিলোগ্রাম রূপো এবং ২০০ গ্রামের বেশি সোনা দিয়ে তৈরি। মূলত ভক্তদের দেওয়া টাকা দিয়ে বানানো হয়েছে এই দোলনা। এই মুহূর্তে সোনারূপো খচিত দোলনা দেখতে মন্দিরে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়েছে।  

    গুজরাটে খুব ধুমধাম করে পালিত হয় জন্মাষ্টমী। এখানে বিভিন্ন জায়গায় এই সময় শ্রীকৃষ্ণের রাসলীলার আয়োজনও করা হয়। এই রাজ্যেই রয়েছে বিখ্যাত দ্বারকাধিশ মন্দির। 

    আরও পড়ুন: চিকিৎসকদের হাজার কোটির উপহার ওষুধ সংস্থার ! শীর্ষ আদালতে জানাল মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের সং

    জন্মাষ্টমী (Janmashtami 2022) উপলক্ষে সমস্ত দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। টুইটে তিনি লেখেন, “ভক্তি এবং আনন্দের এই উৎসব সবার জীবনে সুখ, সমৃদ্ধি এবং সৌভাগ্য বয়ে আনুক।” 

     

    দেশবাসীকে শুভেচ্ছে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। 

    আরও পড়ুন: “করোনা ভাইরাস ক্লান্ত নয়, আগামী মাসে ফের বাড়বে আক্রান্তের সংখ্যা”, সতর্কবার্তা ‘হু’ প্রধানের

     

  • PM Shri School: বদলে যাচ্ছে পঠন-পাঠনের ধারণা? মডেল স্কুল তৈরির ভাবনা কেন্দ্রের

    PM Shri School: বদলে যাচ্ছে পঠন-পাঠনের ধারণা? মডেল স্কুল তৈরির ভাবনা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলে যাচ্ছে পঠন-পাঠনের হাল হকিকত। ভবিষ্যতের পড়ুয়াদের জন্যে মডেল স্কুল তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্র। নাম ‘পিএম শ্রী স্কুল’ (PM Shri School)।

    গুজরাতে আয়োজিত দুদিন ব্যাপী জাতীয়স্তরের শিক্ষামন্ত্রী সম্মেলনে (National School Education Ministers’ Conference) বৃহস্পতিবার এমনই ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী (Union Education Minister) ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। তিনি বলেন, “নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে (National Education Policy) পরীক্ষাগার হিসেবে দেখা হচ্ছে এধরনের স্কুলগুলিকে।” তিনি আরও বলেন, “স্কুল শিক্ষা হল শিশুদের ভিত্তি। যার উপর ভিত্তি করে ভারত আগামীতে জ্ঞান-ভিত্তিক অর্থনীতিতে পরিণত হবে। আমরা ‘প্রধানমন্ত্রী শ্রী স্কুল’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছি। যা ভবিষ্যতের পড়ুয়াদের সব রকমের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করবে।”

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রের সঙ্গে ফের ‘সংঘাতে’ রাজ্য, জাতীয় শিক্ষানীতি পর্যালোচনায় গঠিত ১০ সদস্যের কমিটি 

    এদিনের অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ছাড়াও বিভিন্ন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষামন্ত্রী জানান, “এই স্কুলগুলি জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০-র ল্যাবরেটরি হিসেবেও ব্যবহার করা হবে। একবিংশ শতকে দাঁড়িয়ে, প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকতে সকলের যে দক্ষতা ও জ্ঞানের প্রয়োজন রয়েছে, তা প্রদান করবে স্কুলগুলি।”   

    তাই শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে এবং পিএম শ্রী স্কুলগুলিকে মডেল হিসেবে তুলে  ধরতে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের কাছ থেকে পরামর্শও চান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। নয়া জাতীয় শিক্ষা নীতির গুরুত্ব বর্ণনা করতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “প্রি-স্কুল থেকে মাধ্যমিক স্তরের ক্ষেত্রে ৫+৩+৩+৪ নীতি অনুসরণ করে চলা হচ্ছে। যেখানে কম বয়স্কদের শিক্ষা, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও প্রাপ্তবয়স্কদের শিক্ষা, এই তিন দিকেই সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে মাতৃভাষায় শিক্ষা অর্জনের ওপরেও জোর দেওয়া হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: প্রকাশিত ‘নীট-পিজি ২০২২’-এর ফল, জেনে নিন কীভাবে দেখবেন

    ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, “আগামী ২৫ বছর আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ের মধ্যেই ভারতকে জ্ঞান ভিত্তিক অর্থনীতিতে পরিণত করতে হবে। এই লক্ষ্যে আমাদের মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। একে অপরের অভিজ্ঞতা ও সাফল্য থেকে শিক্ষা নিয়ে শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও উন্নত করে তুলতে হবে।”  

    বুধবার গুজরাতের গান্ধীনগরে জাতীয় শিক্ষামন্ত্রীদের সম্মেলন শুরু হয়েছে। সেখানে নতুন শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের উপরই বেশি করে জোর দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী এদিন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) প্রয়োজন অনুভব করে ৩৪ বছরের পুরোনো শিক্ষানীতিতে বদল এনেছেন। শিক্ষাই দেশের সব থেকে বড় সম্পদ। জাতীয় শিক্ষা নীতির (NEP 2020) প্রয়োজন উপলব্ধি করে বিভিন্ন রাজ্য নরেন্দ্র মোদির ভাবনার সাথে এক মত হয়েছে।”

     

LinkedIn
Share