Tag: Gujrat

Gujrat

  • Ayodhya Ram Mandir: ১০৮ ফুট! ভদোদরা থেকে অযোধ্যার উদ্দেশে রওনা দিচ্ছে বিশাল ধূপকাঠি

    Ayodhya Ram Mandir: ১০৮ ফুট! ভদোদরা থেকে অযোধ্যার উদ্দেশে রওনা দিচ্ছে বিশাল ধূপকাঠি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) জন্য ১০৮ ফুট লম্বা এবং সাড়ে ৩ ফুট চওড়া একটি ধূপকাঠি তৈরি করা হয়েছে। এই ধূপকাঠি তৈরি হয়েছে গুজরাটের ভাদোদরায়। এই বিশাল মাপের ধূপকাঠি অর্পণ করা হবে ২২ জানুয়রি রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিনেই। প্রভু শ্রীরাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার জন্য এই ৩৫০০ গ্রাম ওজনের এই ধূপকাঠিকে গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। এই ধূপকাঠি বিশ্ববাসীর মঙ্গল কামানায় তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্মাণকারী। ভক্ত মহলে এই অভিনব ধূপকাঠিকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা।

    এই ধূপকাঠির নির্মাতা কে?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বিশাল আকৃতির ধূপকাঠি নির্মাণের শিল্পী হলেন গুজরাটের ভাদোদরা তালশালি এলাকার ভিহাভাই ভারওয়াদ নামের এক ব্যক্তি। আরও জানা গিয়েছে, তিনি গত ছয় মাস ধরে পরিশ্রম করে এই ধূপকাঠি তৈরি করেছেন। তবে এই মাসের শেষেই এর কাজ সম্পন্ন হবে। রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) জন্য নিবেদন করা হবে এই ধূপকাঠি। এর আগেও তিনি ১১১ ফুটের আরও একটি বিশাল ধূপকাঠি তৈরি করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। 

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by DeshGujarat (@deshgujaratinsta)

    নির্মাণে কী কী ব্যবহার করা হয়েছে?

    জানা গিয়েছে এই বৃহৎ ধূপকাঠি নির্মাণের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে ৩০০ কেজি গোবর, ৯১ কেজি গব্য ঘি, ২৮০ কেজি দেবদারু গাছের কাঠ, ৩৭৬ কেজি গুগল, ২৮০ কেজি তেল, ২৮০ কেজি জাব, ৩৭০ কেজি কোপারা গুঁড়ো এবং ৪২৫ কেজি হবন বা আহুতির মশলা। এই কাজে বিশেষ ভাবে সহযোগিতা করেছেন স্থানীয় সাংসদ সদস্য রঞ্জাবেন ভট্ট। তিনি প্রত্যেক দিন এই কাজে দুই থেকে তিন ঘণ্টা করে সময় ব্যয় করেছেন। সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ধূপকাঠিকে নিয়ে মন্দিরের প্রচার করা হবে।

    কেমন হবে যাত্রা পথ?

    ভাদোদরা থেকে অযোধ্যা (Ayodhya Ram Mandir) প্রায় ১৮০০ কিমি দূরত্ব। এই বিশাল আকৃতির ধূপ কাঠি লম্বা ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হবে অযোধ্যায়। ধুপকাঠি নিয়ে যাওয়ার যাত্রাপথ হবে, ভাদোদরা হয়ে হালোল, কালোল, গোধরা, শহেরা, আরাবল্লি, মোদাসা, শামলাজি, খেরওয়াদা, উদয়পুর, মালভাদা, সাভারিয়া শেঠ মন্দির, চিত্তোর, ভিলওয়ারা, দাদিয়া, কিষাণগড়, জয়পুর, ঘোসা মেহেন্দিপুর, বালাজি চোরায়া হয়ে ভরতপুর। এরপর আবার আগরা থেকে লখনউ, ইটাভা, কানপুর, উনাও, বরাবাঁকি হয়ে পৌঁছাবে অযোধ্যায়। ভক্ত মহলে এই নিয়ে তীব্র উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Heavy Rainfall: অতিভারী বৃষ্টির জেরে কেরলে বন্ধ স্কুল! গুজরাটে কমলা সতর্কতা

    Heavy Rainfall: অতিভারী বৃষ্টির জেরে কেরলে বন্ধ স্কুল! গুজরাটে কমলা সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অতি ভারী বৃষ্টিতে কয়েক সপ্তাহ আগেই নাজেহাল হয়েছিল উত্তর ভারতে জনজীবন। তার রেশ এখনও চলছে। বেশ কয়েক জায়গায় বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও জল জমেই রয়েছে। কিন্তু উত্তর ভারতের বাসিন্দাদের চিন্তা এবং উদ্বেগ বাড়িয়েছে হাওয়া অফিসের ঘোষণা। ভারতের আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, মঙ্গলবার থেকে উত্তর ভারতে ফের ভারী বৃষ্টির (Heavy Rainfall) সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে রবিবার ফের বিপদসীমা অতিক্রম করেছে যমুনার জল। অন্যদিকে, বন্যায় হিমাচলে রবিবারে ৫ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। পশ্চিম ও দক্ষিণ ভারতেও রয়েছে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। মৌসম ভবন, গুজরাট ও কেরলে ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করেছে।

    গুজরাটে জারি কমলা সর্তকতা…

    গুজরাটে ভারী বৃষ্টির (Heavy Rainfall) কারণে দ্বারকার সিনহন এবং ঘি ড্যামে জলস্তর ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, জুনাগড়, সৌরাষ্ট্র অঞ্চলের বন্যার জলস্তর নামতে শুরু করেছে। প্রশাসন দুর্গতদের উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে গেছে। এখনও পর্যন্ত ৩ হাজারের বেশি মানুষকে সরানো হয়েছে বলে খবর। এরই মাঝে রবিবার গুজরাটের মানুষের উদ্বেগ বাড়িয়ে হাওয়া অফিসের ঘোষণা, ‘‘২৪ জুলাই ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হবে গুজরাটে। পশ্চিম ভারতের এই রাজ্যের দ্বারকা, রাজকোট, ভাবনগর প্রভৃতি জেলায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় ব্যাপক বৃষ্টি হবে।’’ গুজরাটের পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সেরাজ্য়ের মুখ্যমন্ত্রীর কথা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জুনাগড়ের এলাকায় জলস্তর প্রতিটি বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছেছে বলে খবর।   

    ভারী বৃষ্টির (Heavy Rainfall) জেরে কেরলে বন্ধ স্কুল

    সোমবার অতিভারী বৃষ্টির (Heavy Rainfall) পূর্বাভাস রয়েছে কেরলে। এর জেরে কেরলের কুন্নুর, ওয়ানাদ, কোঝিকোড় জেলায় স্কুলগুলিকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কেরলের এই জেলাগুলিতে যেমন কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে তেমনি হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এর্নাকুলাম, পালাক্কাদ, ত্রিশূর, মালাপ্পুরাম জেলায়। ত্রিশূর জেলায় পিএসসি পরীক্ষার সূচি অপরিবর্তিত থাকবে বলেই জানিয়েছে প্রশাসন। কেরলের এই পরিস্থিতির কারণে মৎস্যজীবীদের আগামী ২৭ জুলাই পর্যন্ত সমুদ্র যাত্রায় নিষেধ করা হয়েছে। মৌসম ভবন বলছে, ‘‘ ২৪ থেকে ২৭ জুলাই অতিভারী বৃষ্টি হবে কেরলে। পাশাপাশি উপকূল এলাকায় ৪০-৫০ কিমি/ঘণ্টায় ঝোড়ো হাওয়া বইবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • National Unity Day: যারা ভারতের ঐক্য ভাঙার চেষ্টা করছে, তাদের থেকে সাবধান, বললেন মোদি

    National Unity Day: যারা ভারতের ঐক্য ভাঙার চেষ্টা করছে, তাদের থেকে সাবধান, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শত্রুরা ভারতের (India) ঐক্য ভাঙার চেষ্টা করে চলেছে। এরকম চেষ্টার বিরুদ্ধে গোটা দেশের রুখে দাঁড়ানো উচিত। সোমবার একতা দিবসের (National Unity Day) অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মবার্ষিকী। এই দিনটিকেই একতা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। এদিন গুজরাটের (Gujrat) কেভাদিয়ায় সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানান মোদি। ওই সভায়ই শত্রুদের সম্পর্কে দেশবাসীকে সতর্ক করে দেন প্রধানমন্ত্রী।

    জাতীয় একতা দিবসের এই অনুষ্ঠানে (National Unity Day) মোরবি ব্রিজ দুর্ঘটনার প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে খানিকটা আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি কেবাদিয়ায় রয়েছি। কিন্তু আমার হৃদয় পড়ে রয়েছে মোরবিতে। যেখানে রবিবার সন্ধ্যায় ব্রিজ দুর্ঘটনায় ১৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    আবেগ বিহ্বল দশা কাটিয়ে ফের ছন্দে ফেরেন মোদি। বলেন, ভারতে কোনও দিনই ঐক্যের প্রয়োজন ছিল না। এটা ছিলই। এটাই এর স্বাতন্ত্র্য। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের এই ঐক্যটাই শত্রুদের চক্ষুশূল। না না, আজ নয়, হাজার হাজার বছর ধরে। এমনকী আমরা যখন দাসত্বের শৃঙ্খলে বাঁধা ছিলাম, তখনও। সব বিদেশি ভারত আক্রমণকারীর দল আমাদের দেশের এই ঐক্য ভাঙতে সমস্ত ধরনের চেষ্টা করেছে।

    আরও পড়ুন: সশস্ত্র ও কলমধারী দুই ধরনের নকশালকেই নির্মূল করতে হবে, জানালেন মোদি

    বহিঃশত্রুদের এই ঐক্য ভাঙার চেষ্টা যে ক্রমেই বিষবৃক্ষে পরিণত হয়েছে, এদিনের অনুষ্ঠানে তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, দীর্ঘকাল ধরে যে বিষ ছড়ানো হয়েছিল, তার ফল আজও ভুগছে দেশ। আমরা দেখেছিলাম দেশ ভাগ। এবং এর থেকে সুযোগ নিচ্ছে শত্রুরা। প্রধানমন্ত্রীর মতে, শত্রুরা এখনও রয়েছে। তারা জাতপাত, অঞ্চল, ভাষা ইত্যাদির ভিত্তিতে মানুষকে লড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ইতিহাসও এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যার জেরে মানুষ একে অপরের পাশে দাঁড়ান না। মোদি বলেন, এই শক্তি যে কেবল বাইরে থেকে আসছে তা নয়, আমাদের দাসত্বের মানসিকতাও ঐক্যে পথে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এদের জবাব দিতে হবে। তাদের বলতে হবে, আমরা এই দেশের সন্তান। আমাদের এক থাকতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Uniform Civil Code: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতে কমিটি, সিদ্ধান্ত নিল গুজরাট সরকার

    Uniform Civil Code: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতে কমিটি, সিদ্ধান্ত নিল গুজরাট সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিসেম্বরেই বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে গুজরাটে (Gujrat)। প্রত্যাশিতভাবেই মাঠে নেমে পড়ছে সব দল। ক্ষমতায় ফিরতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে বিজেপি (BJP)। কংগ্রেস (Congress) এখনও সেভাবে ঘর গুছিয়ে উঠতে পারেনি। তবে কোমর কষে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি (AAP)। এমতাবস্থায় বিরোধীদের মাত দিতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু করার সিদ্ধান্ত নিল গুজরাট সরকার। গুজরাটে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল। শনিবার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতে একটি কমিটি গঠনের কথা ঘোষণার কথা বলেছেন তিনিই। কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত এক বিচারপতি।

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) লাগু প্রসঙ্গে গুজরাটের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হর্ষ সাংগাভি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকে একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতে একটি কমিটি গঠন করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) হল দেশের সব নাগরিকের জন্য এক আইন। দেশের সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ব্যক্তিগত ক্ষেত্রেও একই আইন কার্যকর হবে। উত্তরাধিকার, বিবাহ, বিবাহ বিচ্ছেদ এবং সন্তান দত্তক নেওয়ার ক্ষেত্রেও দেশের সব নাগরিককেই একই আইন মেনে চলতে হবে। ভারতীয় সংবিধানের ৪৪ নম্বর অনুচ্ছেদে এর উল্লেখ রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ভারতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু করতে উদ্যোগ নিতে হবে রাষ্ট্রকে।

    আরও পড়ুন: দোরগোড়ায় গুজরাট ভোট, রণকৌশল স্থির করতে বৈঠকে মোদি-শাহ

    প্রসঙ্গত, ১৮ অক্টোবর দেশের শীর্ষ আদালতকে কেন্দ্র জানিয়েছিল দেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) প্রয়োজন। এজন্য প্রয়োজন একটি আইন প্রণয়ন করা। সরকারের যুক্তি ছিল, ধর্মভিত্তিক ব্যক্তিগত বিভিন্ন আইন জাতীয় ঐক্যের অবমাননা। অভিন্ন দেওয়ানি বিধিই বিভিন্ন সম্প্রদায়কে একটি ছাতার তলায় নিয়ে আসবে এবং নিশ্চিত করবে ভারতের একীকরণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Solar Powered Village: দেশের প্রথম সৌরশক্তির গ্রাম হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে গুজরাটের সূর্য মন্দিরের গ্রাম!

    Solar Powered Village: দেশের প্রথম সৌরশক্তির গ্রাম হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে গুজরাটের সূর্য মন্দিরের গ্রাম!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ গ্রাম বিখ্যাত ছিল সূর্য মন্দিরের জন্য। এবার নয়া পরিচিতি পাচ্ছে গুজরাটের মেহসানা জেলার মধেরা গ্রাম। আজ, শুক্রবার থেকে এ গ্রামকে দেশবাসী চিনবে সৌরশক্তির গ্রাম (Solar Powered Village)  হিসেবে। আজ্ঞে, হ্যাঁ। এটিই দেশের প্রথম সৌরশক্তির গ্রাম। এ গ্রামের সব কিছুই চলবে সৌরশক্তির সাহায্যে। মধেরা গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে পুষ্পবতী নদী। এই গ্রামেই রয়েছে সূর্য মন্দির। প্রধানমন্ত্রীর অফিস সূত্রে খবর, শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধন করবেন সৌরশক্তির গ্রামের (Solar Powered Village)। আরও কয়েকটি প্রকল্পের শিলান্যাসও করবেন তিনি।

    মধেরাকে সৌরশক্তির গ্রামে (Solar Powered Village) রূপান্তরিত করতে গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে বসানো হয়েছে হাজারেরও বেশি সৌর প্যানেল। গুজরাট সরকারের দাবি, এর ফলে গ্রামবাসীদের আর বিদ্যুৎ কষ্টে ভুগতে হবে না। গ্রামে সৌর বিদ্যুৎ থাকবে ২৪ ঘণ্টাই। গ্রামবাসীরা নিখরচায় ভোগ করবেন সৌর বিদ্যুৎ। বৃহস্পতিবার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল এক বিবৃতিতে জানিয়েছিলেন, আমি জানাতে খুশি হচ্ছি ক্লিন এনার্জি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নপূরণে গুজরাট আরও একবার নেতৃত্ব দিচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির মাধ্যমে ভারতের শক্তির চাহিদার ৫০ শতাংশ উৎপাদন করতে তাঁর সঙ্কল্প পূরণে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    আরও পড়ুন : ভোটের মুখে জোর ধাক্কা গুজরাট কংগ্রেসে, ৬ মাসের কারাদণ্ডের সাজা জিগনেশ মেবানির

    ছবির মতো সাজানো গ্রাম মধেরা। শেষ জনগণনা অনুযায়ী, গ্রামে বাস করেন ৬ হাজার ৭৩৮ জন। এই সৌরশক্তি প্রকল্পের জন্য গুজরাট সরকার বরাদ্দ করেছে ১২ হেক্টর জায়গা। কেন্দ্র ও রাজ্য মিলিয়ে প্রকল্পের কাজে খরচ করেছে মোট ৮০ কোটি ৬৬ লক্ষ টাকা। জানা গিয়েছে, সৌরশক্তির এই গ্রামে (Solar Powered Village) দিনের বেলায় শক্তি সরবরাহ করবে সৌর প্যানেল। সন্ধেয় সেই শক্তি বাড়িতে সরবরাহ করবে বিইএসএস। এই গ্রামেই প্রথম বৈদ্যুতিক যানের চার্জিং স্টেশনও স্থাপন করা হয়েছে। এদিকে, প্রধানমন্ত্রী গুজরাটে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে মধেরার সূর্য মন্দিরে হবে স্পেকট্যাকুলার লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো। এই শোয়ে থ্রি-ডি প্রজেকশনের মাধ্যমে তুলে ধরা হবে মধেরার ইতিহাস। এই শো-ও হবে সৌরশক্তির সাহায্যে। এখনও যে গ্রামের মন্দিরে নিত্য পুজো হয় সূর্যদেবের, সেই গ্রামেই দিবানিশি আলো দেবেন দিবাকর!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Urban Naxal: ভোল বদলে ঢোকার চেষ্টা করছে শহুরে নকশালরা, গুজরাটবাসীকে সতর্ক করলেন মোদি  

    Urban Naxal: ভোল বদলে ঢোকার চেষ্টা করছে শহুরে নকশালরা, গুজরাটবাসীকে সতর্ক করলেন মোদি  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোল বদলেছে। নয়া রূপে গুজরাটে ঢোকার চেষ্টা করছে শহুরে নকশালরা (Urban Naxal)।  কিন্তু রাজ্য সরকার যুবকদের জীবন ধ্বংস করার সুযোগ তাদের দেবে না। গুজরাটের (Gujrat) ভারুচে বাল্ক ড্রাগ পার্কের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেখানেই শহুরে নকশালদের নিশানা করেন তিনি।

    এদিনের অনুষ্ঠানে মোদি শহুরে নকশালদের (Urban Naxal) ব্যাপারে স্থানীয়দের সতর্ক করে দেন। তিনি বলেন, রাজ্যে ফের ঢোকার চেষ্টা করছে শহুরে নকশালরা। তারা তাদের পোশাকটাই কেবল বদলেছে। তাদের অনুসরণ করতে বলে আসলে তারা সরল সাধাসিধে এবং জীবনশক্তিতে ভরপুর তরুণদের ভুল পথে চালিত করছে। চলতি বছরেই রয়েছে গুজরাট বিধানসভার নির্বাচন। এই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টির। রাজনৈতিক মহলের মতে, এদিন নাম না করে মোদি আসলে কেজরিওয়ালের দলকেই আক্রমণ শানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন : ভারতের উন্নয়নে বাধা দিচ্ছেন শহুরে নকশালরা, বললেন মোদি

    মোদি বলেন, শহুরে নকশালরা (Urban Naxal) বাইরে থেকে এসে এ রাজ্যে পা রাখতে চাইছে। আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করতে তাদের দেব না আমরা। এর পরেই শ্রোতাদের সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের উচিত আমাদের ছেলেমেয়েদের শহুরে নকশালদের ব্যাপারে সতর্ক করে দেওয়া। এই শহুরে নকশালরা গোটা দেশকে ধ্বংস করার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। মোদি বলেন, শহুরে নকশালরা বিদেশি শক্তির এজেন্ট। তাঁদের কাছে মাথা নত করবে না গুজরাট। গুজরাট তাদের ধ্বংস করে দেবে। ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালে আমি যখন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিই, তখন গোটা বিশ্বে ভারতীয় অর্থনীতির স্থান ছিল ১০ নম্বরে। বর্তমানে এ দেশের স্থান হয়েছে ৫ নম্বরে। প্রসঙ্গত, এতদিন পাঁচ নম্বরে ছিল ব্রিটেন। চলতি বছর ব্রিটেনকে সরিয়ে ওই জায়গা দখল করে ভারত। অর্থনীতিবিদদের একাংশের মতে, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই ভারত জায়গা করে নেবে ৩ নম্বরে। কিছু দিন আগে এ কথা জানিয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • AAP Gujarat: ‘হীরাবেনকে আক্রমণ করা হয়েছে, কারণ তিনি প্রধানমন্ত্রীর মা…’

    AAP Gujarat: ‘হীরাবেনকে আক্রমণ করা হয়েছে, কারণ তিনি প্রধানমন্ত্রীর মা…’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) শতবর্ষীয়া মাকে কটাক্ষ করা হয়েছিল আম আদমি পার্টির (AAP) তরফে। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে সেই ভিডিও। এর পরেই অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দলকে একহাত নিল বিজেপি (BJP)। সাফ জানাল, তাঁর (প্রধানমন্ত্রীর মায়ের) একমাত্র অপরাধ তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্ম দিয়েছিলেন।

    আপের গুজরাট (AAP Gujarat) শাখার প্রধান গোপাল ইটালিয়া প্রধানমন্ত্রীর মা হীরাবেন মোদিকে কটাক্ষ করেছিলেন। সম্প্রতি এমনই একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। কটাক্ষ করার পাশাপাশি তাঁকে অভিসম্পাত দিতেও দেখা গিয়েছে। তার পরেই ফুঁসে উঠেছে কেন্দ্রের শাসক দল। বিজেপির তরফে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে নিশানা করে বলেন, আপনারা যদি মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর মাকে কটু কথা বলে আপনারা গুজরাটে রাজনৈতিক লাভের কড়ি ঘরে তুলবেন, তাহলে আপনারা ভুল করছেন। আসন্ন নির্বাচনে এজন্য আপনাদের মূল্য চোকাতে হবে। গুজরাট এবং গুজরাটিরাই তা দেবেন। তাঁর মতে, আপের গুজরাট শাখার (AAP Gujarat) প্রধান ইটালিয়ার মন্তব্য হিন্দু সমাজকে এবং হিন্দু মহিলা যাঁরা মন্দিরে যান তাঁদের পক্ষেও অপমানজনক। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, আপ নেতাদের এই মন্তব্য নিদারুনভাবে ক্ষমার অযোগ্য। কারণ তাঁরা অপমান করেছেন শতবর্ষীয়া এক মহিলাকে, যাঁর সঙ্গে নির্বাচনের কোনও সম্পর্কই নেই। এর পরেই স্মৃতি ইরানি বলেন, তাঁর এক মাত্র অপরাধ যে তিনি রাজনীতিতে নেই, তিনি জন্ম দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদির। যিনি আপনার (কেজরিওয়াল) রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ব্যর্থ করে দিচ্ছেন।

    ইটালিয়ার দাবি, তিনি পতিদার সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি বলে বিজেপি তাঁকে টার্গেট করছে। এ প্রসঙ্গে স্মৃতি ইরানি বলেন, তিনি নয়া অজুহাত খুঁজে বের করছেন। এ থেকে বোঝা যায়, আসন্ন নির্বাচনে আপ সম্প্রদায়িক ও জেন্ডার কার্ডকে হাতিয়ার করবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, তারা বুঝতে পারছে না, গুজরাটিরা মাকে কত সম্মান করেন! এদিকে, অন্য একটি ভিডিওতে ইটালিয়াকে বলতে শোনা যায়, মহিলারা যেন মন্দিরে না যান, সেখানে মহিলাদের হেনস্থা করা হয়। একে হাতিয়ার করে স্মৃতি ইরানি বলেন, রাজনৈতিক দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এসব বলছেন উনি। বিজেপি নেতা অমিত মালব্যও বলেন, আপের গুজরাট প্রেসিডেন্ট গোপাল ইটালিয়া যিনি কেজরিওয়ালের খুব কাছের, তিনি মহিলাদের অবমাননা করেছেন, লিঙ্গ বৈষম্য করেছেন।

    আরও পড়ুন: ‘সত্যি বিস্ময়’, মোদি সরকারের সরাসরি ব্যাংকে নগদ হস্তান্তর প্রকল্পের প্রশংসা আইএমএফের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Narendra Modi: মানবিক মোদি! রাত ১০টায় সভায় এসে চাইলেন ক্ষমা, অ্যাম্বুল্যান্সের জন্য ছাড়লেন রাস্তা

    Narendra Modi: মানবিক মোদি! রাত ১০টায় সভায় এসে চাইলেন ক্ষমা, অ্যাম্বুল্যান্সের জন্য ছাড়লেন রাস্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি নিয়মের বাইরে নন। দেশের প্রধান হলেও নিয়ম তার জন্যও প্রযোজ্য। তাই রাত ১০টায় জনসভায় পৌঁছে মাইক ব্যবহার করলেন না। দেরিতে সভায় পৌঁছনোর জন্য চাইলেন ক্ষমা। সকলের সামনে আদর্শ স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। শুক্রবার রাজস্থানের সিরোহির আবু রোডের একটি সভায় পৌঁছতে দেরি হয়ে যায় তাঁর। তাই সভায় বক্তব্য না রেখে মাইক ছাড়াই সমাবেশে উপস্থিত সকলের কাছে ক্ষমা চাইলেন মোদি। সকলের উদ্দেশে মোদি বলেন, ‘আমার পৌঁছতে দেরি হয়ে গিয়েছে। এখন রাত ১০ টা বাজে। আমার বিবেক বলে, আমার নিয়ম নীতি মেনে চলা উচিত। তাই আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা চাইছি।’

    পুনরায় ওখানে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মোদি আরও বলেন, ‘কিন্তু আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি, আবার আসব আমি এখানে এবং আমাকে দেওয়া আপনাদের সব ভালবাসা সুদ সমেত ফিরিয়ে দেব।’ এই স্বল্প দৈর্ঘ্যের বক্তৃতাই এখন সোশ্যাল সাইটে ভাইরাল। এরপরই মঞ্চে হাঁটু গেড়ে বসে ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান তোলেন মোদি। তাঁর সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত জনতাও স্লোগান দিয়ে ওঠেন। একাধিক বিজেপি নেতা এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা প্রধানমন্ত্রীকে ব্যবহারের প্রশংসা করেছেন। তাঁর মাইক্রোফোন এবং লাউডস্পিকারের নিয়ম অনুসরণ করার জন্য তাঁকে বাহবা দিয়েছেন।

    এর আগেও এদিন মোদির মানবিক রূপ দেখেন দেশবাসী। অ্যাম্বুল্যান্সকে জায়গা দেওয়ার জন্য থেমে যায় প্রধানমন্ত্রীর কনভয়। শুক্রবার আমেদাবাদ থেকে গান্ধীনগরে (Gujarat) যাচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ধীরে ধীরে বাঁদিকে সরে গিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সকে পথ করে দিচ্ছে মোদির কনভয়। প্রধানমন্ত্রীর ভিডিয়ো পোস্ট করে গুজরাটের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হর্ষ সাংভি লিখেছেন, ‘জনগণের সরকার। আমেদাবাদ থেকে গান্ধীনগর যাওয়ার পথে অ্যাম্বুল্যান্সকে পথ দিতে থামল প্রধানমন্ত্রীর কনভয়।’আর কিছু দিন বাদেই গুজরাটে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে নবরাত্রী উৎসবের মধ্যে নিজের রাজ্যে গিয়েছেন মোদি। গুজরাটে প্রায় ২৯ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন করছেন তিনি। শুক্রবার বন্দে ভারত এক্সপ্রেসেরও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। 

  • Teesta Setalvad: মোদির যাতে ফাঁসি হয়, তার ছক কষেছিলেন তিস্তা শেতলবাদ? চার্জশিটে শিট

    Teesta Setalvad: মোদির যাতে ফাঁসি হয়, তার ছক কষেছিলেন তিস্তা শেতলবাদ? চার্জশিটে শিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাট (Gujrat) সরকারের ভাবমূর্তিতে কালি লাগাতে চেয়েছিলেন তিস্তা শেতলবাদ (Teesta Setalvad)। গুজরাটের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ছকও কষেছিলেন তিনি। ২০০২ সালে গোধরা পরবর্তী হিংসায় মোদির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল বলে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম, সংক্ষেপে সিটের (SIT) চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সম্প্রতি তিস্তা শেতলবাদ, পুলিশের প্রাক্তন ডিজি আরবি শ্রীকুমার এবং প্রাক্তন আইপিএস অফিসার সঞ্জীব ভাটের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করা হয়েছে। আহমেদাবাদ মেট্রো কোর্টে ওই চার্জশিট পেশ করা হয়েছে। সিটের জমা দেওয়া চার্জশিটে বলা হয়েছে, গুজরাটের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হিংসার ঘটনার জেরে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ছক কষেছিলেন অভিযুক্তরা। আরও মারাত্মক অভিযোগ হল, সরকারের অংশ হওয়া সত্ত্বেও আরবি শ্রীকুমার ও সঞ্জীব ভাট তিস্তার জন্য জাল নথিপত্র বানিয়েছিলেন। পরে সেগুলিকে সরকারি নথির সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়।

    কেন তাঁরা এরকম করেছিলেন? চার্জশিটে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক কেরিয়ার শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন। চেয়েছিলেন তাঁর ভাবমূর্তিতে কালি লাগাতে। এজন্য একদল আইনজীবীকে ভাড়া করা হয়েছিল যাঁরা জাল নথিপত্র ও হলফনামা তৈরি করেন। সিটের দাবি, গোধরা পরবর্তী ওই হিংসার শিকার বলে যাঁদের বলা হচ্ছে, তাঁদের প্রভাবিত করা হয়েছে। জোর করে স্বাক্ষর করানো হয়েছে মনগড়া বিবৃতিতে। যেহেতু ওই বিবৃতির পুরোটাই ইংরেজিতে, তাই হিংসার শিকার বলে যাঁদের বলা হচ্ছে, তাঁরা বুঝতে পারেননি কোথায় স্বাক্ষর করছেন তাঁরা। তাঁকে যদি সমর্থন না করেন, তাহলে বিপদ হবে বলেও হিংসার সাক্ষীদের হুমকি দিয়েছিলেন তিস্তা শেতলবাদ।

    আরও পড়ুন : আহমেদ প্যাটেলের নির্দেশেই মোদির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিলেন তিস্তা! দাবি সিটের

    সিটের আরও দাবি, তিস্তার সঙ্গে আরও যে আইপিএস অফিসাররা জড়িত তাঁরাও তিস্তাকে এ ব্যাপারে নির্দেশ দিয়েছেন। একবার আরবি শ্রীকুমার এক সাক্ষীকে হুমকিও দিয়েছিলেন। শ্রীকুমার এক সাক্ষীকে বলেছেন, আপনি যদি তিস্তাকে সমর্থন না করেন, মুসলমানেরা আপনার বিরুদ্ধে চলে যাবে এবং আপনি সন্ত্রাসবাদীদের টার্গেট হয়ে যাবেন। আমরা যদি আমাদের মধ্যে লড়াই করি, শত্রুরা লাভবান হবে। একইভাবে উপকৃত হবেন মোদিও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • PM Modi: ভারতের উন্নয়নে বাধা দিচ্ছেন শহুরে নকশালরা, বললেন মোদি

    PM Modi: ভারতের উন্নয়নে বাধা দিচ্ছেন শহুরে নকশালরা, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) উন্নয়নে বাধা দিচ্ছেন শহুরে নকশালরা (Urban Naxals)। এমনই অভিযোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ থেকে কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে ভারতের উন্নয়নে বাধা দিচ্ছেন তাঁরা। শুক্রবার গুজরাটের (Gujrat) নর্মদা জেলার একতা নগরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ন্যাশনাল কনফারেন্স অফ এনভায়রনমেন্ট মিনিস্টার অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সময়ই তিনি নিশানা করেন শহুরে নকশালদের।

    গুজরাটের সর্দার সরোবর বাঁধ তৈরিতে প্রথম পদক্ষেপ করেছিলেন জওহরলাল নেহরু, ১৯৬১ সালে। এদিন সে  প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, নর্মদা নদীর ওপর এই সর্দার সরোবর বাঁধ প্রকল্প দীর্ঘ সময় আটকে রেখেছিলেন শহুরে নকশালরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন উন্নয়ন বিরোধী কিছু মানুষ। যার জেরে বাঁধ তৈরিতে নষ্ট হয়েছে বেশ কয়েকটা দশক। এই শহুরে নকশাল ও উন্নয়ন বিরোধী কিছু মানুষের বাধার জেরে বাঁধ উঁচু করতে ঋণ দিতেও অস্বীকার করেছিল বিশ্বব্যাংক। মোদি বলেন, এই ষড়যন্ত্র বুঝতে কিছু সময় লেগেছিল। তবে শেষমেশ জয়ী হয়েছেন গুজরাটের বাসিন্দারা। বলা হয়েছিল, এই বাঁধ পরিবেশের পক্ষে ক্ষতিকর। আজ সেই একই বাঁধ পরিবেশ রক্ষা করছে। এই শহুরে নকশালদের থেকে সতর্ক থাকতে বলেন মোদি।

    আরও পড়ুন : ‘‘ঠিক কথাই তো বলেছেন…’’, ফ্রান্সের পর এবার মোদি-স্তুতি ব্রিটেন, আমেরিকার মুখেও

    তিনি বলেন, শহুরে নকশালদের মতো গোষ্ঠীর থেকে প্রত্যেকের সতর্ক থাকতে হবে। জানা গিয়েছে, বিভিন্ন রাজ্যের ছ হাজারেরও বেশি পরিবেশ সংক্রান্ত ছাড়পত্র এবং সাড়ে ছ হাজারের বেশি জঙ্গল সংক্রান্ত ছাড়পত্র পড়ে রয়েছে। সে প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, এই প্রস্তাবগুলিকে তাড়াতাড়ি ছাড়পত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। যদি ঠিকঠাক থাকে। ব্যাকলগ থাকলে কোটি কোটি টাকা মূল্যের প্রোজেক্ট আটকে যাবে। মোদি বলেন, এটা অর্থনীতি এবং পরিবেশের পক্ষে একটা উইন-উইন পরিস্থিতি। অযথা পরিবেশের দোহাই দিয়ে কোনও প্রকল্প আটকে রাখা ঠিক নয়। জীবনকে সহজ করতে যা করণীয়, তা করা হবে। তিনি বলেন, যত তাড়াতাড়ি পরিবেশের ছাড়পত্র মিলবে, তত তাড়াতাড়ি হবে উন্নয়ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share