Tag: health tips

health tips

  • Vitamin D: আমাদের শরীরে কতটা ভিটামিন-ডি প্রয়োজন? এর উৎস কী কী?

    Vitamin D: আমাদের শরীরে কতটা ভিটামিন-ডি প্রয়োজন? এর উৎস কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে ভিটামিন-ডি (Vitamin D) এর অভাবজনিত সমস্যায় অনেক মানুষই ভোগেন। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ভিটামিন-ডি মূলত ক্যালসিয়ামকে শরীরে শোষণ করতে প্রয়োজন হয়। আমরা সবাই জানি, ক্যালসিয়াম হাড়কে শক্ত করে। এ ছাড়া ক্যালসিয়ামের আরও অনেক কাজ মানবদেহে রয়েছে। ভিটামিন-ডি (Vitamin D) এর অভাবে শিশুদের রিকেট রোগ হয়। শিশুদের পা ধনুকের মতো বেঁকে যায় এবং মাথার খুলি বড় হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন এই রোগে ভুগলে দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধিও ব্যাহত হয়। এর পাশাপাশি শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কমে যায়। দেহে ভিটামিন-ডি এর অভাবে চোয়ালের গঠনও ঠিকঠাক হয় না, অসময়ে দাঁত পড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা যায়। বড়দের অস্টিওম্যালেসিয়া নামের এক প্রকার রোগ হয় ভিটামিন-ডি এর অভাবে। এই রোগে বয়স্কদের হাড় থেকে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস ক্ষয় হয়ে পড়ে। কখনও কখনও কোমরে ও মেরুদণ্ডে বাতের ব্যথার মতো ব্যথা অনুভূত হয়। অনেক ক্ষেত্রে মেরুদণ্ডও বেঁকে যায়।

    চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন, দৈনিক ছোট ছোট ভিটামিন-ডি এর ডোজ আপনারা নিতেই পারেন

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ১৯ থেকে ৭০ বছর বয়সি প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতিদিন নিয়মিত (Health Tips) করে ১৫ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন-ডি গ্রহণ করা উচিত। বিভিন্ন খাদ্যের মাধ্যমে, পিলের মাধ্যমে ভিটামিন-ডি নেওয়া যেতেই পারে। এর পাশাপাশি রোদেও প্রচুর ভিটামিন-ডি থাকে। তবে ভিটামিন-ডি এর পরিমাণ শরীরে বেড়ে যাওয়াও ঠিক নয়, এমনটাই বলছেন চিকিৎসকরা। কারণ এর প্রভাবে হাইপারক্যালসেমিয়া রোগ হতে পারে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন, দৈনিক ছোট ছোট ভিটামিন-ডি এর ডোজ আপনারা নিতেই পারেন। ডি-২, ডি-৩ সাপ্লিমেন্ট নেওয়া যেতেই পারে। কিন্তু অবশ্যই তা যে কোনও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিতে হবে। কারণ এর সঙ্গে অনেক কিছু ফ্যাক্টর কাজ করে, যেমন আপনার শরীরের অবস্থা কেমন, আপনি কোন পরিবেশে থাকেন- এ সমস্ত কিছুই। তবে শরীরে মারাত্মক পরিমাণে ভিটামিন-ডি এর ঘাটতি হলে সাপ্তাহিক বড় ডোজ নেওয়া যেতে পারে।

    উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন-ডি (Vitamin D) নিলে হাইপারক্যালসেমিয়া হতে পারে

    ২০২৩ সালের একটি গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তিদের মৃত্যুহার কমিয়ে দিয়েছে ভিটামিন-ডি এর বড় পরিমাণের সাপ্তাহিক ডোজ (Health Tips)। অন্যদিকে, সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দেখা যাচ্ছে যে বেশিরভাগ আমেরিকার নাগরিকই ভিটামিন-ডি (Vitamin D) এর অভাবে ভোগেন বা পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন-ডি তাঁরা পান না। ২০২২ সালে এই সমীক্ষাটি হয়। যেখানে দেখা যাচ্ছে ৪১ শতাংশ আমেরিকার নাগরিকের শরীরে ভিটামিন-ডি এর অভাব রয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ জনেরই বয়স ২০ থেকে ২৯ বছরের মধ্যে। ভিটামিন-ডি এর অভাবে ক্লান্তি দেখা যায় শরীরে, কাজে অনীহা থাকে, হাড়ের ব্যথার মতো নানা রকমের উপসর্গও দেখা যায়। তবে কখনও আপনি বুঝতে পারবেন না যে আপনার ভিটামিন-ডি এর অভাবের জন্য শরীরে এইগুলি রোগগুলি হচ্ছে। আপনার শরীরে ভিটামিন-ডি এর অভাব রয়েছে কিনা তা জানতে আপনাকে রক্ত পরীক্ষা করতেই হবে। তবে প্রতিবেদনে শুরুতেই যেমন বলা হয়েছে, শরীরে উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন-ডি নিলে হাইপারক্যালসেমিয়া হতে পারে। এই হাইপারক্যালসেমিয়া রোগে ঘনঘন প্রস্রাব, দুর্বলতা ভাব, বমি বমি ভাব ইত্যাদি দেখা যায়।  ভিটামিন-ডি এর অত্যধিক পরিমাণের ফলে কিডনিতে পাথরও হতে পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। এর পাশাপাশি নানা রকমের কিডনির জটিলতাও হতে পারে।

    ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ অনেক খাবারই রয়েছে

    ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ অনেক খাবারই রয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে আপনি নিতে পারেন পনির, ডিমের কুসুম, চর্বিযুক্ত যে কোনও মাছ, যেমন ম্যাকরাল, স্যামন, টুনা ইত্যাদি। এর পাশাপাশি প্রাতঃরাশের টেবিল আপনি রাখতে পারেন দুধ, কমলার রস, মাশরুম ইত্যাদি। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, অ্যাভোকাডো এবং বাদামেও ভরপুর পরিমাণে ভিটামিন-ডি থাকে। অনেক মানুষই সকালে ঘুম থেকে উঠে অথবা রাতে শোবার আগে ভিটামিন-ডি সাপ্লিমেন্ট নিতে বেশি পছন্দ করেন। তবে এর ফলে ভিটামিন-ডি এর কার্যকারিতা বাড়ে নাকি, তা নিয়ে চিকিৎসকরা কিছু বলতে পারছেন না।

    সূর্যালোক থেকে কীভাবে নেবেন ভিটামিন-ডি

    ১) চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, রোদে আপনার ছায়া আপনার তুলনায় যখন ছোট হেব সেসময়ই আপনার ত্বক সবচেয়ে বেশি ভিটামিন ‘ডি’ তৈরি করতে পারবে। 

    ২) অতিবেগুনি রশ্মি কাচ ভেদ করতে পারে না। তাই গাড়ি বা ঘরের ভেতর জানালা বন্ধ অবস্থায় রোদ এলেও লাভ নেই, পর্যাপ্ত ভিটামিন-ডি মিলবে না।

    ৩) পোশাক ও সানস্ক্রিন ত্বকে সরাসরি ভিটামিন-ডি লাগতে বাধা দেয়। তাই আপাদমস্তক ঢেকে বাইরে বের হয়ে লাভ নেই। অন্তত হাত-পা বা মুখের কিছু অংশ খোলা রাখুন।

    ৪) বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে  ত্বকের ভিটামিন-ডি তৈরি করার ক্ষমতা কমতে থাকে। তাই বয়স্কদের বেশি পরিমাণে ভিটামিন-ডি এর প্রয়োজন হয়। সূর্যালোকে দিনে অন্তত ২০ মিনিট কাটাতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Good Sleep Benefits: বসে কাজ নয়! প্রতিদিন ব্যায়াম ও পর্যাপ্ত ঘুমই সুস্থ থাকার রসায়ন

    Good Sleep Benefits: বসে কাজ নয়! প্রতিদিন ব্যায়াম ও পর্যাপ্ত ঘুমই সুস্থ থাকার রসায়ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরীর ও মনের সার্বিক সুস্থতায় পর্যাপ্ত ঘুমের গুরুত্ব (Good Sleep Benefits) অপরিসীম। এক জন পূর্ণবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে প্রতি দিন অন্তত ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা নিরবিচ্ছিন্ন ঘুমের প্রয়োজন। ঘুম অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়া। প্রতিটি মানুষের সুস্থ জীবন ও দীর্ঘ জীবনীশক্তির জন্য পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজন অনস্বীকার্য। বলা হয়ে থাকে ঘুম আর ব্যায়াম যথার্থ শয্যাসঙ্গী। ভালো ঘুম শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়াতে পারে। আর ব্যায়াম শরীর এবং পেশী মজবুত রাখে। ঘুম কম হলে একজনের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হতে পারে।

    ঘুম ও ব্যায়াম

    ব্রেন বা মস্তিষ্কে বেশি পরিমাণে অ্যাডনোসিন তৈরির ক্ষেত্রে ব্যায়ামের একটি রাসায়নিক প্রভাব রয়েছে, আর অ্যাডেনোসিন আমাদের মধ্যে  ঘুমের ভাব (Good Sleep Benefits) তৈরি করে। কয়েকটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে উচ্চ-তীব্রতার (হাই ইনটেনসিটি)ব্যায়ামের ফলে ঘুমবর্ধনকারী হরমোন অ্যাডেনোসিন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। গবেষণায় প্রমাণিত, ব্যায়াম শরীরকে ক্লান্ত করে দেয় আর ঘুম বাড়ায়। শরীর সক্রিয় থাকলে সারাদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে ওয়ার্কআউট করলে আর পরিমিত ঘুমোলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিও কমে যায়।

    বসে থেকে কাজ নয়

    দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার অভ্যাস এখন সবার মধ্যেই তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে কর্মজীবীরা বাধ্য হয়েই বসে কাজ করেন। শুধু অফিসের কারণেই নয়, অনেক তরুণরাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে ল্যাপটপ বা কম্পিউটার ব্যবহার করেন। একটানা বা দিনের বেশিরভাগ সময় বসে থাকার ফলে নিজের অজান্তেই নানা রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছেন অনেকেই। জানলে অবাক হবেন, মাত্রাতিরিক্ত বসে থাকার কারণে আয়ু কমে যেতে পারে। এ ছাড়াও আক্রান্ত হতে পারেন হৃদরোগ, ডায়াবেটি-সহ স্থূলতায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত বসে থাকার কারণে আয়ু অনেকখানি কমে যায়। এর মূল কারণ হলো কঠিন ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত হওয়া। এটা ঠিক নয় যে, ওয়ার্ক আউট বা এক্সারসাইজ করলে আয়ু বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে শরীর সুস্থ রাখতে অনেকখানি সাহায্য করে শরীরচর্চা। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, টানা বসে থাকার কারণে অনেকেরই ডিমেনশিয়া বা ভুলে যাওয়ার রোগ দেখা দেয়। এ ছাড়া হার্টের অসুখ, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস এসব রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই দীর্ঘক্ষণ না বসে একটু হাঁটাচলা করুন। টানা বসে থাকায় আপনার মেরুদণ্ড, পিঠ ও ঘাড়ে চাপ পড়ে। তাই পিঠ ও কোমরে ব্যথা শুরু হয়। এক্ষেত্রে যতো আরামদায়ক চেয়ারই বেছে নেওয়া হোক না কেন, দিন শেষে এই ব্যথা থাকবেই। তাই চেষ্টা করুন টানা বসে না থেকে আধা ঘণ্টা পরপর উঠে হাঁটাচলা করা।

    কতক্ষণ ওয়ার্কআউট করবেন

     সারা দিনে আপনার ঘুমনোর সময়, বসে থাকার সময় হিসেব করে সেই অনুপাতে ওয়ার্কআউট করুন। বর্তমানে অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে সবার মধ্যেই ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ছে। সেই সঙ্গে একটানা বসে থাকার ফলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। এর কারণ হলো শরীর থেকে কোনো ক্যালরি বা ফ্যাট না ঝরানো। যে কারণে ইনসুলিন হরমোন ক্ষরণ কম হয় ও রক্তে চিনি ও কোলেস্টেরল এর মাত্রা বেড়ে যায়। তাই পর্যাপ্ত ঘুম ও ব্যায়াম প্রয়োজন। আপনার যদি টানা বসে থাকেন; তাহলে ওজন বেড়ে যেতে পারে। এ ছাড়াও শরীরের নিম্নাঙ্গে মেদ জমে। এজন্য অতিরিক্ত ওজন যাতে না বেড়ে যায়, এজন্য নিয়মিত ওয়ার্ক আউট করুন। পাশাপাশি বসে থাকার পরিমাণ কমাতে হবে। মাত্রাতিরিক্ত বসে কাজ করার কারণে অনেকেরই ঠিকমতো ঘুম হয় না। এক্ষেত্রে ঘুমের ব্যাঘাতের কারণে দুশ্চিন্তার মাত্রা বেড়ে যায়। নিয়মিত শরীরচর্চা বার্ধক্য ঠেকাতে পারে।

    আরও পড়ুন: শিক্ষকদের আদর্শ আচরণবিধি নিয়ে নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    কতক্ষণ ঘুমোবেন

    যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন বলছে, বয়স অনুযায়ী মানুষের ঘুমের (Good Sleep Benefits) সময়টাও ভিন্ন হবে। শৈশবে, কৈশোরে, তারুণ্যে, যৌবনে আর বার্ধক্যে ঘুমের চাহিদাও আলাদা আলাদা। যেমন শিশুদের একটু বেশি ঘুমাতে হয় প্রবীণ ও প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায়। শূন্য থেকে ৩ মাস বয়সি শিশুদের ১৪ থেকে ১৭ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। ৪ মাস থেকে ১১ মাস বয়সি শিশুদের জন্য ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা ঘুম দরকার হয়।  ১ থেকে ২ বছর বয়সি শিশুদের দরকার হয় ১১ থেকে ১৪ ঘণ্টার ঘুম। ৩ থেকে ৫ বছর বয়সিদের জন্য ১০ থেকে ১৩ ঘণ্টা। ৬ থেকে ১৩ বছর বয়সি শিশুদের রাতে অন্তত ৯-১১ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। তবে নিয়মিত ৭-৮ ঘণ্টা ঠিকঠাক ঘুমাতে পারলেও ওরা নিজেকে চালিয়ে নিতে পারে।  ৮-১০ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন ১৪ থেকে ১৭ বছর বয়সিদের। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সি মানুষের রাতে ৭-৯ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। ২৬ থেকে ৬৪ বছর বয়সি মানুষের রাতে ৭-৯ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। ৬৫ বছরের চেয়ে বেশি বয়সিদের জন্য ঘুমানো প্রয়োজন ৭-৮ ঘণ্টা। স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বলছে, অনশনে মানুষ ১৪ দিন বাঁচতে পারে। না ঘুমিয়ে ১০ দিনের বেশি বাঁচা যায় না। তাই শরীর সুস্থ রাখতে, কাজ ভালো করতে ও মগজকে রিচার্জ করতে ঘুম অত্যন্ত জরুরি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “আত্মোৎসর্গ থেকেই শক্তি পাই”, গেটসের কাছে ‘রহস্য’ ফাঁস করলেন মোদি

    PM Modi: “আত্মোৎসর্গ থেকেই শক্তি পাই”, গেটসের কাছে ‘রহস্য’ ফাঁস করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অল্প বিশ্রামেই চাঙা হয়ে যাই। আমার শরীর তৈরি এভাবেই।” হাসতে হাসতে জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। যাঁকে জবাবটা দিলেন, তিনিও বিশ্বখ্যাত ব্যক্তিত্ব, মাইক্রেসফটের সহ প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস।

    ফিট থাকার কৌশল (PM Modi)

    বিশ্বের সব চেয়ে পরিশ্রমী নেতাদের একজন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিল গেটসের সঙ্গে সাক্ষাৎকার পর্বে প্রধানমন্ত্রীর ফিট থাকার কৌশল জানতে চান মাইক্রেসফট কর্তা। এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি অটোপাইলট মোডে বিশ্রাম নিয়ে নিই। শারীরিক শক্তি থেকে এই এনার্জি আসে না। আত্মোৎসর্গ ও আবেগ থেকে আসে এই এনার্জি। আমার কাজই আমাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আমার শরীর সেই ভাবেই তৈরি হয়ে গিয়েছে। গভীর রাত পর্যন্ত পড়াশোনা করি। তারপর ভোরে উঠে পড়ি। বিশ্রামের জন্য আলাদা করে আর সময় বের করতে হয় না।” এর পরেই তিনি (PM Modi) বলেন, “অটোপাইলট মোডেই বিশ্রাম হয়ে যায়।”

    প্রধানমন্ত্রীর ডেইলি রুটিন

    শরীরের ফিটনেস প্রসঙ্গে তাঁর হিমালয়ে কাটানো দিনগুলির কথা স্মরণ করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “হিমালয়ে কাটানোর সময় ব্রাহ্ম মুহূর্তে স্নান করতাম আমি। এখনও সেই অভ্যাসই রয়ে গিয়েছে আমার। ভোর ৩টে ২০ থেকে ৩টে ৪০ মিনিটের মধ্যে স্নান করে সারাদিনের জন্য তৈরি হয়ে যাই। এই নিয়মানুবর্তিতাই আমার শরীরকে মজবুত করেছে।” প্রধানমন্ত্রীর কথায় উঠে এসেছে মিলেট প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, “মিলেট স্বাস্থ্যগুণে ভরপুর। আন্তর্জাতিক মানের সংস্থাও এই ধরনের শস্য দিয়ে তৈরি খাবার বিক্রি করছে। মিলেট জাতীয় শস্য শুষ্ক মাটিতেও চাষ করা যায়। এজন্য সার লাগে না। ফলে চাষের দিক থেকেও সুবিধাজনক মিলেট।”

    আরও পড়ুুন: “দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই, প্রতিপক্ষ হিসাবে কাউকে ভাবছি না”, বললেন অমৃতা রায়

    কৃত্রিম বুদ্ধমত্তা (এআই) নিয়েও কথা হয় মোদি ও গেটসের মধ্যে। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে জি২০ সম্মেলনে তাঁর বক্তৃতাকে বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করায় সুবিধা হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। এআইয়ের সাহায্যে ডিপফেক ছবি তৈরি করা হচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। এই প্রযুক্তির অপব্যবহারের মোকাবিলায় উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি। বিশ্বে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করার জন্য কিছু নিয়ম নির্ধারণ করা উচিত বলেও মনে করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

       

  • Monsoon Stomach Problem: বর্ষায় পেটের রোগ! রেহাই পেতে কোন কোন বিধি মেনে চলবেন?

    Monsoon Stomach Problem: বর্ষায় পেটের রোগ! রেহাই পেতে কোন কোন বিধি মেনে চলবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষাকালে স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশে হানা দেয় পেটের অসুখ (Monsoon Stomach Problem)। এছাড়া জলবাহিত রোগের আশঙ্কাও থেকে যায়। এ সময় বৃষ্টির কারণে চারদিকেই জমতে থাকে জল। বর্ষাকালেই শরীরে সবথেকে বেশি ব্যাকটেরিয়া (Monsoon Stomach Problem) বা ভাইরাস প্রবেশ করে, যা খাদ্যনালিতে সংক্রমণ ঘটায়। পেটের অসুখ, লিভারে সংক্রমণ সব কিছুই হয় বর্ষাকালে। গ্রামাঞ্চলে ভোট যায় ভোট আসে। কিন্তু পানীয় জলের সমস্যার সমাধান যেন কোনওভাবেই হয় না। এখনও পর্যন্ত পুকুর, নদীর দূষিত জল (Monsoon Stomach Problem) অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার করেন গ্রামের বাসিন্দারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে জনসাধারণের ব্যবহার করার জন্য যে টিউবয়েলগুলি বসানো হয় সেগুলি অন্তত ২০০ মিটার গভীরতা পর্যন্ত থাকা উচিত। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই এই বিধি মানা হয় না। যার ফলে গ্রামের সাধারণ মানুষ থেকে আরম্ভ করে বেশিরভাগ বাসিন্দা আজ অপরিশোধ পানীয় জল খাচ্ছেন। এর ফলে তাঁদের শরীরে প্রবেশ করছে ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাস (Monsoon Stomach Problem)।

    পেটের রোগ (Monsoon Stomach Problem) হলে কী করবেন?

    বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, বর্ষাকালে পেটের রোগ হলেই বাড়িতে বসে না থেকে একেবারে চিকিৎসকের কাছে চলে যান। বর্ষাকালে ইঁদুর, ছুঁচো বেজি ইত্যাদি প্রাণীর বর্জ্য পদার্থ থেকেও রোগ ছড়ায়। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই জাতীয় প্রাণীগুলি মাটিতে থাকে এবং বর্ষাকালে এই প্রাণীগুলির ত্যাগ করা বর্জ্য পদার্থ জলে (Monsoon Stomach Problem) মিশে যায় এবং সেই জমা জল থেকেই ছড়ায় নানা রকমের রোগ। যদি জল জমে যায় রাস্তাঘাটে তাহলে খালি পায়ে যেন কখনও সেই জলের ছোঁয়া (Monsoon Stomach Problem) না লাগে। সর্বদাই বর্ষাকালে জুতো পরতে পরামর্শ দিচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। গ্রামাঞ্চলের থালা-বাসন ধোয়ার জন্য বাসিন্দারা পুকুরের জল ব্যবহার করেন। বদ্ধ পুকুরের জল বর্ষাকালে আরও বেশি দূষিত হয়ে ওঠে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন বেসিলারি এবং অ্যামিবার্ড নামক জীবাণু থেকে আমাশয় হয়। অন্যদিকে সালমানেলা টাইফি নামে জীবাণু সংক্রমণে হয় টাইফয়েড।

    কোন কোন খাবার ডায়েটে রাখবেন বর্ষাকালে (Monsoon Stomach Problem)?

    বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, এই সময় খুব বেশি সতর্ক থাকতে হবে এবং পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। ডায়েটে (Monsoon Stomach Problem) রাখতে হবে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডও রাখতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। আবার বর্ষাকালে ঈষদুষ্ণ গরম জল খেতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কোন কোন বিধি মেনে চলবেন?

    ১) কাঁচা খাবারে সংক্রমণের (Monsoon Stomach Problem) ঝুঁকি বেশি থাকে। এজন্য খাবার রান্না করে খেতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা

    ২) রাস্তার ধারের খাবার (Monsoon Stomach Problem) বর্ষাকালে একেবারেই এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ খাবারের জীবাণু তথা ছত্রাকের সংক্রমণ খুব বেড়ে যায়।

    ৩) খাবার আগে যেমন হাত ভালো করে ধোয়া উচিত, ঠিক একইভাবে সবজি, মাছ, মাংস এগুলো ভাল করে ধুয়ে নেবেন (Monsoon Stomach Problem)।

    ৫) নিজের চারপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করুন। কারণ জমা জলে সব থেকে বেশি মশার বংশবৃদ্ধি হয়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।
  • Yoga for Asthma: যোগব্যায়ামে সারতে পারে হাঁপানি, বলছে গবেষণা

    Yoga for Asthma: যোগব্যায়ামে সারতে পারে হাঁপানি, বলছে গবেষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি আজকালকার জীবনে একটি দৈনন্দিন সমস্যা। দূষণ যত বাড়ছে, একই হারে বাড়ছে শ্বাসজনিত সমস্যা। আধুনিক চিকিৎসা শাস্ত্রে হাঁপানি, সিওপিডি এবং শ্বাসকষ্ট থেকে রেহাই পেতে নানা ওষুধ পত্তর দিয়ে থাকেন ডাক্তাররা। সেসবের পরেও দীর্ঘমেয়াদী সুস্থ জীবনের জন্য যোগাসনের (Yoga for Asthma) ওপর জোর দিতে বলছেন চিকিৎসকেরাই। প্রাণায়ামের সঠিক নিয়ম  না জেনে করবেন না। একজন উপযুক্ত প্রশিক্ষকের কাছ থেকে শিখুন। অনুলোম-বিলোম বা কপাল-ভাতি যে কোনও ধরনের প্রাণায়াম আপনাকে আপনার শ্বাস-প্রশ্বাসে মনোনিবেশ করতে সাহায্য করবে। এটি দীর্ঘ দিন অভ্যাস করলে ভবিষ্যতে হাঁপানি থেকে বাঁচার সম্ভাবনা বাড়বে। এমনটাই দাবি গবেষকদের।

    কী বলছে গবেষণা?

    গবেষণায় দেখা গিয়েছে হাঁপানি সারানোর (Yoga for Asthma) সবথেকে ভাল উপায় হল ব্রেথিং এক্সারসাইজ এবং যোগব্যায়াম। বিশেষজ্ঞরা বলছেন সম্প্রতি একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে মেডিসিন জার্নালে। সেখানে হাঁপানি সারিয়ে তোলার নানা রকম উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে যে হাঁপানি (Yoga for Asthma) থেকে সেরে ওঠার জন্য ঠিক কোন কোন পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।  হেনান নরমাল ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ ফিজিক্যাল এডুকেশনের সহকারী অধ্যাপক শুয়াংতাও জিং এই গবেষণার অন্যতম গবেষক। তিনি বলছেন, ‘‘ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ানোর সবথেকে ভাল উপায় হল যোগ ব্যায়াম।’’

    ৩০ কোটিরও বেশি হাঁপানি রোগী রয়েছে বিশ্বজুড়ে

    বিশ্বজুড়ে এই সংস্থা এনিয়ে সমীক্ষাও চালিয়েছে এবং তাতে দেখা গিয়েছে প্রায় ৩০ কোটির বেশি মানুষ বর্তমানে হাঁপানিতে ভুগছেন। এই রোগ হল ফুসফুসের অসুস্থতা যেখানে কাশি, শ্বাসকষ্ট, বুক শক্ত হয়ে যাওয়া এ সমস্ত লক্ষণগুলি দেখা যায়। আগে আগে মনে করা হতো যে ব্যায়াম হয়তো হাঁপানির প্রবণতাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে সঠিক পদ্ধতিতে ব্যায়াম (Yoga for Asthma) শ্বাসযন্ত্রের কার্যকারিতাকে বাড়ায়। মোট ২,১৫৫ জন হাঁপানি রোগীর ওপর এই সমীক্ষা চালানো হয়। এবং সেখানে দেখা যায় শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, যোগব্যায়াম এ সমস্ত ফুসফুসের কার্যকারিতা কে উন্নত করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • High Uric Acid: ইউরিক অ্যাসিড কমাতে ডায়েটে রাখুন এই ৫ ধরনের খাবার

    High Uric Acid: ইউরিক অ্যাসিড কমাতে ডায়েটে রাখুন এই ৫ ধরনের খাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরীরের মধ্যে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে (High Uric Acid) যাওয়ার সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। চিকিৎসকরা বলছেন, ‘‘শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের  স্বাভাবিক মাত্রা হল ৬.৮ mg/dl’’ এর থেকে যখন মাত্রা বেড়ে যায় তখন নানা রকমের রোগ শরীরে বাসা বাঁধে। রয়েছে ক্যান্সারে ঝুঁকিও। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও দেখা যায়। এছাড়া কিডনির সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

    আজকে আমরা আলোচনা করব এমন পাঁচটি খাবার নিয়ে যা আপনার প্রতিদিনের ডায়েটে রাখা উচিত ইউরিক অ্যাসিডের ভারসাম্য রক্ষায়

    ১) নিয়মিত কলা খেলে কমতে পারে ইউরিক অ্যাসিড (High Uric Acid) 

    প্রথমেই আসে কলা। চিকিৎসকদের মতে, কলা হল এক ধরনের কম পিউরাইন ফুড। এছাড়াও কলাতে ভরপুর পরিমাণে থাকে ভিটামিন সি যা ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রাকে কম করতে সাহায্য করে।

    ২) কম ফ্যাটের দুধ রাখুন ডায়েটে

    এরপরে আসে কম ফ্যাটের দুধ। যা ইউরিক অ্যাসিড কমানোর মোক্ষম ঔষধ, এমনটাই বলছেন চিকিৎসকরা। টক দইও ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রাকে ঠিকঠাক রাখে শরীরে।

    ৩) নিয়মিত কফি খান 

    কাজ করতে করতে কফির নেশা তো অনেকেরই আছে। সকালে তরতাজা থাকতেও কফি অনেকেই খান। চিকিৎসকরা বলছেন কফির মধ্যে এক ধরনের এনজাইম থাকে যা ইউরিক অ্যাসিডের (High Uric Acid) উৎপাদনকে শরীরে কম করে দেয়।

    ৪) সাইট্রাস জাতীয় ফল খান

    সাইট্রাস জাতীয় যেকোনও ফল যেমন, আমলা,পাতিলেবু, কমলালেবু এই ফলগুলি ভিটামিন সি এ ভরপুর। চিকিৎসকরা বলছেন, এই জাতীয় ফলগুলো খেলে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ স্বাভাবিক থাকে শরীরে।

    ৫) ফাইবার জাতীয় খাবার খান

     ফাইবারে ভরপুর থাকে যেমন ওটস, চেরি, আপেল, স্ট্রবেরি ব্লুবেরী, শসা, বার্লি। এই জাতীয় খাবারগুলি শরীরের মধ্যে ইউরিক অ্যাসিডের (High Uric Acid) মাত্রাকে স্বাভাবিক রাখে, এমনটাই বলছেন চিকিৎসকরা।

    আরও পড়ুন: ব্রেকফাস্টে এগুলো ভুলেও খাবেন না! নিষেধ করছেন পুষ্টিবিদরা

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Breakfast Mistakes: ব্রেকফাস্টে এগুলো ভুলেও খাবেন না! নিষেধ করছেন পুষ্টিবিদরা 

    Breakfast Mistakes: ব্রেকফাস্টে এগুলো ভুলেও খাবেন না! নিষেধ করছেন পুষ্টিবিদরা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশেষজ্ঞরা বলছেন ব্রেকফাস্টের (Breakfast Mistakes) পুষ্টিগুণে সারাদিন সক্রিয় থাকার শক্তি মেলে। রাতের ডিনার যেমন স্বল্প পরিমাণে করতে হয় তেমনি ব্রেকফাস্টে ভারী খাবারই খেতে হয়। ব্যস্ততার জীবনে অনেকে একেবারে দুপুরের মধ্যাহ্নভোজ সারেন। বিশেষত হোস্টেল এবং মেসে থাকা ছাত্ররা তো জানেই না ব্রেকফাস্ট (Breakfast Mistakes) কী জিনিস! শরীর সুস্থ রাখার জন্য ব্রেকফাস্ট যেমন অপরিহার্য তেমনি কিছু খাদ্য উপাদান আছে যেগুলিকে ব্রেকফাস্টে রাখতে নিষেধ করছেন পুষ্টিবিদরা।

    আরও পড়ুন: হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কাদের বেশি? কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

    কোন কোন খাবার ব্রেকফাস্ট (Breakfast Mistakes) এড়িয়ে যাবেন?

    ১) অত্যধিক চিনিযুক্ত খাবার ব্রেকফাস্টে নিষেধ করছেন পুষ্টিবিদরা

    চিনির পরিমাণ অনেকটা আছে এমন খাবার খেতে ব্রেকফাস্টে নিষেধ করছেন বিশেষজ্ঞরা। পুষ্টিবিদদের মতে, এই খাবারগুলি ওজন বৃদ্ধির প্রবণতা তৈরি করে এবং বাড়তি ওজন যে কোন রোগকে ডেকে আনে। এছাড়া চিনিযুক্ত অত্যধিক খাবারে খিদেও নষ্ট হয়ে যায়।

    ২) ফ্যাটযুক্ত খাবার বর্জন করুন

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফ্যাটযুক্ত খাবার ব্রেকফাস্টে বর্জন করতে। তার পরিবর্তে প্রোটিন জাতীয় খাবার বেশি পরিমাণে রাখতে বলছেন।

    ৩) ব্রেকফাস্টে ভাজাভুজি একেবারেই চলবে না

    চিকিৎসকদের মতে, ব্রেকফাস্টে ভাজাভুজি খেলে উচ্চ রক্তচাপের সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে এবং বাড়তে পারে ক্যান্সারে ঝুঁকিও।

    ৪) প্যাকেট করা জুস একেবারেই খাবেন না

    পুষ্টিবিদদের মতে বোতলবন্দী এই জুস শরীরে অত্যধিক ক্ষতি করে। কারণ এই জাতীয় পানীয়গুলোতে মেশানো থাকে কৃত্রিম চিনি যা ডায়াবেটিসের কারণ হতে পারে।

    ৫) ফুলকো লুচিতেও না করছেন পুষ্টিবিদরা

    ফুলকো লুচি, আলুর দম জলখাবারে পেলে তো কথাই নেই! জমে যায় সকালটা। কিন্তু এমন খাবার খেতে বারণ করছেন পুষ্টিবিদরা। কারণ এতে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়তে পারে।

    ৬) সাম্বার বড়াও চলবে না ব্রেকফাস্টে (Breakfast Mistakes)

    এটি এক ধরনের দক্ষিণ ভারতীয় খাবার। এখন আমাদের রাজ্যেও বহুল প্রচলিত। মুখের স্বাদ বদলাতে অনেকেই মাঝে মধ্যে দোকান থেকে এই খাবার কিনে খান। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই জাতীয় খাবার ডিপ ফ্রাই করা হয়। তাই সহজে হজম হয় না।

    ৭)  ব্রেকফাস্টে (Breakfast Mistakes) কর্নফ্লেক্সও খেতে নিষেধ করছেন বিশেষজ্ঞরা

    পুষ্টিবিদরা বলছেন, কর্নফ্লেক্সকে উপকারী মনে হলেও এতে দ্রুত সুগার বাড়ে। তাই ব্রেকফাস্টে এই খাবার এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

    ৮) সাদা পাউরুটিতেও না করছেন পুষ্টিবিদরা

    সকালে বাটার মেশানো পাউরুটি খেতে তো অনেকেই ভালোবাসেন। কিন্তু পুষ্টিবিদরা বলছেন, এতে গুরুতর অনেক স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি হয়। তাই এগুলোকে এড়িয়ে যেতে হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Omega-3: দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখে, হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও কমায়! কোন কোন খাবারে মেলে ওমেগা-৩?  

    Omega-3: দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখে, হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও কমায়! কোন কোন খাবারে মেলে ওমেগা-৩?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশেষজ্ঞরা বলছেন ওমেগা-৩ (Omega-3) এর অভাবে শরীরে বাসা বাঁধে নানা রোগ। ঝুঁকি দেখা যায় হার্ট অ্যাটাকের। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে চোখের জল শুকিয়ে যাচ্ছে, দৃষ্টিশক্তি কমে যাচ্ছে, হাড়ের জয়েন্টের ব্যথায় কষ্ট পাওয়া এসবই হল ওমেগা-৩ এর ঘাটতির লক্ষণ। চিকিৎসকরা বলছেন, নিয়মিত ভাবে যদি শরীরে ওমেগা-৩ প্রবেশ করানো যায়, তবে ব্রেস্ট ক্যান্সারকেও প্রতিহত করা যায়। যে কোনও শিশু স্বাস্থ্যের জন্য ওমেগা-৩ খুব প্রয়োজনীয়। দৈনন্দিন অনেক খাবারেই ওমেগা-৩ থাকে। এর জন্য বাইরে থেকে সাপ্লিমেন্ট এর কোন প্রয়োজন নেই।

    আরও পড়ুন: হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কাদের বেশি? কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

    আজকে আমরা আলোচনা করব কিছু খাবার নিয়ে যেগুলি ওমেগা-৩ তে ভরপুর থাকে

    ১) কড লিভার তেল

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাঙরের যকৃত নিঃসৃত তেল হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ এখানে ভরপুর পরিমাণে থাকে ওমেগা-৩ (Omega-3)।

    ২) স্যামন মাছ

    পুষ্টিবিদদের মতে, ১০০ গ্রামের একটি স্যামন মাছের পিসে চার গ্রাম ওমেগা-৩ (Omega-3) ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যায়। বাজারে খোঁজ করলেই মিলতে পারে এই মাছ। এতে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়ামের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

    ৩) সার্ডিন মাছ

    আকারে ছোট এই মাছ ওমেগা-৩ তে ভরপুর। পুষ্টিবিদরা বলছেন, আটলান্টিক সার্ডিন নামের এই ধরনের দেড়শ গ্রাম মাছে, আড়াই গ্রাম ওমেগা-৩ (Omega-3) থাকে।

    ৪) আখরোট

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ওমেগা-৩ (Omega-3) এর একটি ভালো উৎস হল আখরোট। যাঁরা মাছ খান না, তাঁরা আখরোট বেছে নিতেই পারেন। ম্যাঙ্গানিজ, কপারও এতে ভরপুর পরিমাণে থাকে।

    ৫) সামুদ্রিক মাছের ডিম

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামুদ্রিক মাছ হল ওমেগা-৩ এর ভাণ্ডার। ঠিক তেমনই সামুদ্রিক মাছের ডিমেও প্রচুর ওমেগা-৩ থাকে।

    ৬) সয়াবিন 

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সয়াবিন একটি ফাইবারসম্মত খাবার যাতে ওমেগা-৩ অতি প্রয়োজনীয় উপাদানটি পাওয়া যায়। ৮৬ গ্রাম সয়াবিনে দেড় গ্রাম মতো ওমেগা-৩ পাওয়া যায়।

    ৭) ম্যাকেরেল মাছ

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ম্যাকেরেল মাছে ভরপুর পরিমাণে থাকে ওমেগা-৩।

    ৮) চিয়া বীজ

    পুষ্টিবিদদের মতে, চিয়া বীজ হল পুষ্টিতে ভরপুর। এতে ওমেগা-৩ ছাড়াও থাকে সেলেনিয়াম এবং ৮ রকমের প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Health Tips: তারুণ্যকে ধরে রাখতে মেনে চলুন এই ৭টি পরামর্শ

    Health Tips: তারুণ্যকে ধরে রাখতে মেনে চলুন এই ৭টি পরামর্শ

    মাধ্যম নিউজ: ডেস্ক বয়সকে ধরে রাখা (Age Control) যায় না। এটা সম্ভবও নয়। কারণ আমরা সময়কে বেঁধে রাখতে পারি না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সবকিছু ক্ষয় হয়ে যায়। কিন্তু আমরা যেটি করতে পারি প্রক্রিয়াটিকে ধীর করতে পারি। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন বর্তমানে দৈনন্দিন ব্যস্ততম জীবনযাত্রার ফলে মানুষ সহজেই বুড়িয়ে যাচ্ছে। ব্যস্ততার জন্য রেস্টুরেন্টের জাঙ্ক ফুড দৈনন্দিন খাদ্যাভাসের অঙ্গ হয়ে উঠেছে। সারাদিনের ক্লান্তির পর বিছানায় যখন শুতে যাওয়া হচ্ছে তখন ঘুম আসছে না। যার ফলে পরের দিনেও শরীরে ক্লান্তি থেকেই যাচ্ছে। দৈনন্দিন যতোই ব্যস্ততা থাকুক শারিরীক পরিশ্রম না থাকায় শরীরে কোলেস্টেরল, সুগার এমনকি ক্যান্সারের মতো মারণ রোগ বাসা বাঁধছে শরীরে। আর এই সকল খারাপ অভ্যাসের ফলে বয়স দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে।

    তবে নিম্নোক্ত এই নির্দেশগুলি (Health Tips) পালন করলে বয়স বাড়লেও তারুন্য ধরে রাখা যাবে-

    ১)পর্যাপ্ত পরিমাণে জলপান করা প্রয়োজন-

    আজকালকার জীবনে এত ব্যস্ততার মধ্যে আমরা জলপান (Drinking Water) করতেই ভুলে যাই। আবার অনেকে রয়েছেন যাঁরা জলপান করতেই চান না। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শরীরে জলের ঘাটতি হলে দ্রুত দেখা দিতে পারে সমস্যা। সেক্ষেত্রে আপনার উচিত পর্যাপ্ত পরিমাণ জলপান করা। এই শীতেও কিন্তু আপনাকে জলপান করে যেতে হবে। মোটামুটি ২ লিটার জলপান করতেই হবে। এবার এখানে একটা বিষয় বলে রাখি, কার কতটা জলপান করা দরকার তা ঠিক হয় তিনি কী কাজ করেন দেখে। এই যেমন ধরুন, কেউ রোদে দাঁড়িয়ে কাজ করেন আবার কেউ এসিতে। এবার এসিতে থাকা মানুষের জলের চাহিদা বাইরে রোদে কাজ করা মানুষের তুলনায় হবে কম।

    ​২)এক্সারসাইজ

    শরীরকে সুস্থ রাখার কাজে এক্সারসাইজের (Exercise) থেকে ভালো কোনও পথ নেই। তাই আলস্যকে গুলি মারুন। চলে আসুন এক্সারসাইজ করতে। এক্সারসাইজ আপনার শরীরকে এনে দিতে পারে যৌবনের ক্ষমতা। এছাড়া বয়স ধরে রাখতেও এক্সারসাইজের কোনও জুরি নেই। তাই দিনে অন্ততপক্ষে ৩০ মিনিট এক্সারসাইজ হল মাস্ট। এক্ষেত্রে কোন ধরনের এক্সারসাইজ করবেন, তা ঠিক করবেন একজন বিশেষজ্ঞ। নিজের থেকে করতে চাইলে দৌড়াতে পারেন, হাঁটতে পারেন।

    ৩)ঘুম

    ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে প্রথমেই প্রয়োজন পর্যাপ্ত ঘুম বা বিশ্রামের। পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে। কারণ ঘুম শরীর সুস্থ রাখে। যৌবনকে ধরে রাখতে ও সুস্থ থাকতে রোজ রাতে ১০টা থেকে ১০টা ৩০-এর মধ্যে ঘুমাতে যান।

    ​৪)দুশ্চিন্তা দূর করুন

    দুশ্চিন্তা (Stress) দূর করতেই হবে। কারণ এই দুশ্চিন্তা ডেকে আনতে পারে নানা ধরনের সমস্যা। বিশেষত, আপনাকে বুড়িয়ে দিতে পারে এই দুশ্চিন্তা। সেক্ষেত্রে প্রথমেই আপনি দুশ্চিন্তা দূর করায় জোর দিন। দুশ্চিন্তা দূর করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই প্রাণায়াম বা মাইন্ডফুলনেস করতে হবে।

    ৫)জাঙ্কফুড বা তেলে ভাজা জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন

    যৌবনকে ধরে রাখতে জাঙ্কফুড বা তেলে ভাজা জাতীয় খাবার, বাইরের ফাস্টফুড ও বেশি মসলাযুক্ত খাবার খাবেন না। অল্প মসলা ও তেল দিয়ে রান্না করা খাবার খান। এ ছাড়া টাটকা সবজি, টিফিন হিসেবে খান সবজির স্যুপ ও সামুদ্রিক মাছ। 

    ৬)মাছের তেল

    সপ্তাহে ৩-৪ দিন খান মাছের তেল। কারণ মাছের তেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, যা দেহে বয়সের ছাপ রুখতে সাহায্য করে। 

    ৭)ত্বক ও চুলের যত্ন

    বেশি বয়সেও তারুণ্যতা বজায় রাখতে অবশ্যই ত্বক ও চুলের যত্ন নিতে হবে। কারণ কোঁচকানো ত্বক ও পেকে যাওয়া চুল বার্ধক্যের চিহ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Camphor Benefits: বাস্তু দোষ তাড়ায় আবার রোগও নিরাময় করে! জানুন কর্পূরের গুণাগুণ

    Camphor Benefits: বাস্তু দোষ তাড়ায় আবার রোগও নিরাময় করে! জানুন কর্পূরের গুণাগুণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্পূরের ব্যবহার ভারতবর্ষে অনেক প্রাচীন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই কর্পূর প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন হয়। এছাড়া রাসায়নিকভাবেও তৈরি করা যায় কর্পূর (Camphor Benefits)। কীটপতঙ্গ দূর করা থেকে পরিবেশকে বিশুদ্ধ রাখা এবং সর্বোপরি ঠাকুর দেবতার আরতির কাজেও কর্পূর (Camphor Benefits) ব্যবহার হয়। তবে সতর্কবাণী হিসেবে চিকিৎসকরা বলে দিচ্ছেন যে এই কর্পূর যেন কোনভাবে মুখে না যায় তাহলে মারাত্মক বিষক্রিয়া হতে পারে। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী কর্পূর ব্যবহার করে জীবনের নানা সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, ইতিবাচক শক্তির আগমন ঘটে বাড়িতে। আর্থিক সংকট দূর হয়। কর্পূর দিয়ে আরতি করলে সেই বাড়ির মঙ্গল হয়।

    বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী কর্পূরের ব্যবহার

    ১) পরিবারের কলহ মেটায় কর্পূর

    পরিবারে নিত্য অশান্তি লেগে থাকলে বাড়ির কোনে এক টুকরো কর্পূর রেখে দিন। এর প্রভাবে বাড়ির বাস্তু দোষ দূর হবে।

    ২) বিবাহে বাধা দূর করে কর্পূর

    বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, বিবাহে বাধা এলে তা দূর করার জন্য কর্পূর ব্যবহৃত হয়। ৬টি কর্পূরের টুকরো এবং ৩৬ টি লবঙ্গ একসঙ্গে নিয়ে হলুদ, চাল মিশিয়ে দুর্গাকে এর আহুতি দিতে হয়। এর ফলে শীঘ্র বিবাহ সম্ভব হয়।

    ৩) রোগ মুক্তিতে কর্পূর

    বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, কোনও পরিবারে কেউ অসুস্থ হয়ে থাকলে সন্ধ্যেবেলা কর্পূর জ্বালানো উচিত এর প্রভাবে বাড়ির নেতিবাচক শক্তি দূর হয় এবং রোগমুক্তি ঘটে।

    ৪) গ্রহ শান্তির জন্য কর্পূর

    বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী গ্রহ শান্তির জন্য কর্পূর ব্যবহার শুভ ফল দেয়।

    ৫) আর্থিক শ্রীবৃদ্ধির কাজে কর্পূর

    বাস্তুশাস্ত্র মতে প্রদীপে কর্পূর রেখে, সেটা সন্ধ্যেবেলায় যদি জ্বালানো হয় এবং ইষ্টদেবতার আরতি করা হয়, তাহলে ঘরে আর্থিক স্থায়িত্ব দেখা যায়।

    ৬) দাম্পত্য জীবন মধুর হয়

    বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী জীবন সঙ্গীর সঙ্গে মনোমালিন্য চলতে থাকলে শয়ন কক্ষে কর্পূর রেখে ঘুমানো উচিত এর ফলে দাম্পত্য সম্পর্কে মাধুর্য আসে।

    ৭) কালসর্প দোষ নিবারণ করে কর্পূর

    জ্যোতিষীদের মতে, কালসর্প দোষ কেটে যায় যদি বাড়িতে কর্পূরের একটি টুকরো রেখে দেওয়া হয়।

    ৮) পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন না করতে পারলে কর্পূর গৃহে রাখুন

    বাস্তুশাস্ত্র মতে, লাল গোলাপের সঙ্গে একটি কর্পূর টুকরো জ্বালিয়ে দেবী দুর্গার আরতি করলে ধনলাভ হয়।

    রোগ প্রতিরোধে কর্পূরের ভূমিকা

    ১) মশার কামড় থেকে রক্ষা করে কর্পূর

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘরে যদি কর্পূর টুকরো রেখে দেন তাহলে মশা উৎপাত করবে না। এতে মশাবাহিত রোগ এড়ানো সম্ভব।

    ২) ব্রণ মেটাতে কর্পূর

    চিকিৎসকদের মতে কয়েক ফোঁটা কর্পূর ব্রণ আক্রান্ত স্থানে লাগালে উপকার মেলে। 

    ৩) চুলঝড়া প্রতিরোধে কর্পূর 

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত মাথায় যে তেল ব্যবহার করেন তার সঙ্গে কর্পূর মিশিয়ে দিলে চুল পড়া কমে যাবে।

    ৪) পিঁপড়ে তাড়াতে কর্পূর (Camphor Benefits)

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘরে এক টুকরো কর্পূর রেখে দিলে পিঁপড়ে ঘর ছেড়ে পালাবে।

    ৫) শিশুর ঠান্ডা লাগলে কর্পূরে নিরাময়

    চিকিৎসকরা বলছেন কর্পূরের সঙ্গে সরষের তেল মিশিয়ে গরম করে তা শিশুর বুকে পিঠে মালিশ করলে ঠান্ডা দ্রুত সেরে যায়

    ৬) ত্বক ভাল রাখে কর্পূর

    চিকিৎসকরা বলছেন, ত্বকের চুলকানির সমস্যায় ভেজা কাপড়ে কর্পূর জড়িয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগালে তা সেরে যাবে।

    ৭) হজম ও বিপাক ক্রিয়া উন্নত করে কর্পূর

    গবেষণায় দেখা গেছে যে প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন কর্পূর অল্প পরিমাণে খেলে হজম ও বিপাক ক্রিয়া উন্নত হয়। তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি/ডায়েট পরামর্শস্বরূপ। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলুন ও সেই মতো পরামর্শ মেনে চলুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share