Tag: health tips

health tips

  • Thyroid Problem: থাইরয়েডের সমস্যা? জানুন কী কী রোগ দেখা দিতে পারে

    Thyroid Problem: থাইরয়েডের সমস্যা? জানুন কী কী রোগ দেখা দিতে পারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজকের দিনে থাইরয়েডের সমস্যা (Thyroid Problem) একটি সাধারণ রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। থাইরয়েডে (Thyroid) আক্রান্তদের প্রায় ৬৬ শতাংশই জানেন না যে তাঁদের এটি আছে এবং এটি খুবই চিন্তার বিষয়।

    কিন্তু যদি আপনি জানেন যে আপনার থাইরয়েড আছে তাহলে আপনাকে অবশ্যই থাইরয়েডের মাত্রা ঠিক রাখতে আপনার খাদ্য তালিকাতেও  কিছু পরিবর্তন আনা দরকার। থাইরয়েড সম্পর্কে আপনার কিছু জেনে নেওয়া দরকার।

    থাইরয়েড হল গলার সামনে অবস্থিত প্রজাপতি আকৃতির গ্রন্থি। এটি খাবার থেকে আয়োডিন নিয়ে থাইরয়েড হরমোন উৎপাদন করে। থাইরয়েড হরমোন শরীরের প্রায় সকল কার্যক্রমে সহযোগিতা করে যেমন- হার্ট রেট, লিভার ফাংশন, সার্কুলেশন, মেটাবলিজম ও ইন্টার্নাল ক্লক।

    থাইরয়েড এমন একটি সমস্যা যা কোনও রোগ নয় বরং পুরো জীবনের জন্য একটি ব্যাধিও। তবে হাইপারথাইরয়েডিজম (Hyperthyroidism) এবং হাইপোথাইরয়েডিজমের (Hypothyroidism) মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। হাইপারথাইরয়েডিজম হল এমন একটি সমস্যা যেখানে থাইরয়েড গ্রন্থি থাইরয়েড হরমোন বেশি পরিমাণে উৎপাদন করে।

    আরও পড়ুন: থাইরয়েডের সমস্যা? তাহলে খাদ্যতালিকায় অবশ্যই রাখুন এই খাবারগুলি

    অন্যদিকে হাইপোথাইরয়েডিজমে থাইরয়েড গ্রন্থির হরমোন উৎপাদনের পরিমাণ কমে যায়। হাইপারথাইরয়েডিজম আক্রান্ত ব্যক্তির ওজন বাড়তে থাকে, যখন হাইপোথাইরয়েডিজমে আক্রান্ত ব্যক্তির ওজন অনেক বেশি কমে যায়। থাইরয়েডের সমস্যার ফলে কি কি সমস্যা দেখা দিতে পারে তা হল—

    • থাইরয়েড নডুলাস- থাইরয়েড গ্রন্থির অনিয়ম।
    • থাইরয়েডাইটিস- থাইরয়েড গ্রন্থি বড় হয়ে যায়।
    • হাইপোথাইরয়েডিজম- যখন থাইরয়েড গ্রন্থি পর্যাপ্ত পরিমাণে হরমোন তৈরি করতে পারে না।
    • হাইপারথাইরয়েডিজম- যখন থাইরয়েড গ্রন্থি প্রয়োজনের বেশি হরমোন তৈরি করে।
    • গলগন্ড- থাইরয়েড গ্রন্থির বৃদ্ধি।
    • থাইরয়েড ক্যান্সার। 

    আয়ুর্বেদ অনুসারে, অত্যাধিক মানসিক চাপ, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া আপনার মেটাবলিজম কে নষ্ট করে দিতে পারে, যার ফলে থাইরয়েড হতে পারে। টক্সিন যখন থাইরয়েডে জমা হতে থাকে তখন সেলুলার গঠনে পরিবর্তন দেখা যায়। এটি থাইরয়েডের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি উৎপন্ন করে ফলে দেহে ইমিউনিটি সিস্টেম নষ্ট হতে থাকে।

    আরও পড়ুন: হঠাতই ওজন কমছে বা বাড়ছে! হতে পারে আপনি অজানা রোগে আক্রান্ত

    ফলে থাইরয়েডের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খুবই দরকার। কারণ প্রথমদিকে অত বেশি সমস্যা না দেখা দিলেও ভবিষ্যতে গুরুতর সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন আপনি। তাই সময়মত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত দরকার।

  • Health Tips: ব্যায়াম শুরুর আগে ব্যাস এক চিমটে নুন, তাতেই কেল্লা ফতে!

    Health Tips: ব্যায়াম শুরুর আগে ব্যাস এক চিমটে নুন, তাতেই কেল্লা ফতে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জানেন কি ওজন (weight) কমানোর ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে লবণ বা নুন (salt)। দেহের অতিরিক্ত ওজনের ফলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের রোগ হয়ে থাকে। ফলে ওজন কমাতে লবণ বিশেষ উপকারী। অতিরিক্ত ওজন কমাতে পরিমাণমতো লবণ খেতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, লবণ শুধুমাত্র ওজন কমানোর ক্ষেত্রেই নয় এটি রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এবং শরীরে জল ধরে রাখার পক্ষেও সহায়ক। হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক থাকলে অনেকক্ষণ এনার্জিও ধরে রাখা যায়। ক্লান্তি আসে না সহজে। ফলে অনেক সময় ধরে ব্যায়াম করা যেতে পারে ।

    তবে এখন প্রশ্ন হলো– কতটুকু লবণ খাবেন বা কখন খাবেন? বিশেষজ্ঞদের মতে,  ব্যায়াম করার আগে একচিমটে লবণ বা লবণ মিশ্রিত জল খেলে তা বেশী কার্যকর। ব্যায়াম করার আগে লবণ খাওয়ার কয়েকটি প্রধান কারণ হল-

    আরও পড়ুন: ভাত খেয়েও ওজন কমাতে চান? জেনে নিন এই পাঁচটি টিপস

    ১) যেহেতু লবণ শরীরে লবণ ধরে রাখতে পারে তার জন্য ব্যায়াম করার সময়ে ঘাম ঝড়লেও শরীরে জলের শূন্যতা হয় না।

    ২) লবণ শরীরে রক্ত সঞ্চালন নিয়ন্ত্রন করতে সাহায্য করে। ফলে ব্যায়াম করার সময়ে হৃদস্পন্দন বেড়ে গেলে রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

    ৩) ব্যায়াম করার সময়ে পেশীতে ব্যথা হওয়ার প্রবণতাকে কমিয়ে দেয়।

    ৪) লবণ শরীরে এনার্জি ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে দীর্ঘসময় ধরে এনার্জি থাকার ফলে অনেক সময় ধরে ব্যায়াম করা যায়। 

    ৫) লবণ যেহেতু রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এবং শরীরে জল ধরে রাখার পক্ষেও সহায়ক, সেই কারণে দেহের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে সহায়তা করে।

    ৬) ব্যায়াম করার সময়ে হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রন রাখতে সাহায্য করে লবণ ফলে ব্যায়াম করার সময়ে এনার্জির কমতি হয় না।

    ৭) রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকায় হৃদযন্ত্রও সুস্থ থাকে। ব্যায়াম করার সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

    ৮) লবণ খাওয়ার ফলে ব্যায়াম করার সময় ক্লান্তি কম হয়, তাই দেহের ধৈর্যশক্তিও বৃদ্ধি পায়। ফলে অনেকক্ষণ ধরে ব্যায়াম করা যায় ও ওজনও কমানো যায়।

    আরও পড়ুন: গ্রীষ্মের এই ৫ ফল যা খেলে কমতে পারে ওজন, দেখুন

     

  • Summer Health Tips: বদহজমের সমস্যা? জেনে নিন ৫টি ঘরোয়া টোটকা

    Summer Health Tips: বদহজমের সমস্যা? জেনে নিন ৫টি ঘরোয়া টোটকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রীষ্মকালে সবারই কোনও না কোনও সমস্যা দেখা যায়। একদিকে যেমন শারীরিক ক্লান্তি থেকে শুরু করে শক্তির অভাব, মাথা ব্যথা, স্ফীতভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয় তেমনি অ্যাসিডিটি বা বদহজম প্রায়ই অস্বস্তি তৈরি করে। গরমকালে খাবার হজম করা খুবই কঠিন, ফলে হজমের গোলমাল বেশিই দেখা যায়।

    ছোটবেলায় আপনার যখন হজমের সমস্যা দেখা যেত, মনে করে দেখুন তো, আপনার মা দ্রুত স্বস্তির জন্য কী কী করতেন। সাধারণত খাবারে দই-ভাত, খিচুড়ি খেতে দিতেন। আপেল, কলা কেন স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল, তা নিয়ে বলতেন। সম্ভবত ঠাকুরমা কিছু আয়ুর্বেদিক ওষুধ দিতেন। সেইসঙ্গে বাবাও ফাস্টফুড না খাওয়ার পরামর্শ দিতেন।

    এবারে জেনে নেওয়া যাক আপনার খাদ্যতালিকায় কোন কোন খাবার থাকলে বদহজম থেকে আপনি মুক্তি পাবেন। এখানে কিছু টিপস দেওয়া হচ্ছে যা আপনার গ্যাসের সমস্যা, স্ফীতভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, অ্য়াসিডিটি, বদহজম ইত্যাদি সবরকমের সমস্যা দূর করে সুস্বাস্থ্য গঠনে সাহায্য করবে।

    ১) যেসব ফলে কম পরিমাণ ফ্রুক্টোজ রয়েছে সেসব ফল খাওয়া উচিত। যেমন- আঙুর, আপেল, ব্ল্যাকবেরি, স্ট্রবেরি ইত্যাদি। কারণ কম ফ্রুক্টোজ যুক্ত ফল গ্যাস, স্ফীতভাবের সমস্যার প্রবণতাকে কম করে। বেশি ফ্রুক্টোজ যুক্ত ফলগুলি হল- আম, তরমুজ, চেরি, কলা ইত্যাদি।

    ২) উপযুক্ত পরিমাণে শস্য জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত। একটি সমীক্ষায় বলা হয়েছে- দিনে তিনবার শস্যজাতীয় খাবার খেলে অল্প বয়সে মৃত্যুর সম্ভাবনা ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। 

    ৩) বেশি করে সবুজ শাকসবজি যেমন- পালং শাক,বাঁধাকপি খাওয়া উচিত। এই ধরণের শাকে ভিটামিন-সি, ভিটামিন-কে আছে যা খাবার হজমে সহায়তা করে ও অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম ভালো রাখতে উপকারি ব্যাকটেরিয়াকে সাহায্য করে। সুতরাং ব্যাকটেরিয়াগুলি কীভাবে কাজ করবে তা আমাদের খাবারের উপর নির্ভর করে।

    ৪) খাদ্যে প্রোবায়োটিক যা কার্যকরী খাদ্য নামে পরিচিত সেগুলি বৃহদান্ত্রের জন্য উপকারী। প্রোবায়োটিক খাবার যেমন- দই, চিজ ইত্যাদি। 

    দই- বাড়িতে তৈরি দই, বাটারমিল্ক খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত।

    কেফির – কেফিরে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি,অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল আছে যা স্বাস্থ্যের জন্যে উপকারী।
     
    চিজ-খাদ্যতালিকায় চিজ রাখা উচিত কারণ এর প্রোবায়োটিক শুধুমাত্র অন্ত্রের জন্য নয়, স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।

    ৫) শেষে যার কথা না বললেই নয়, তা হল জল। জল ছাড়া সুস্বাস্থ্য গড়ে তোলা কখনই সম্ভব নয়। জল শরীর থেকে সমস্ত টক্সিন বের করে দিতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রবণতাকে কমিয়ে দিতে সাহায্য করে।  তাই বিশেষজ্ঞরা বলেন, একজন প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতিদিন প্রায় ৬-৮ গ্লাস জল খাওয়া উচিত।

    এছাড়াও পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমনো উচিত। পুষ্টিকর খাদ্য় খাওয়া উচিত। সঙ্গে ব্যায়ামও করা উচিত। আবার সময়মত ডাক্তারের পরামর্শও নেওয়া উচিত।

     

  • Superfoods: বয়স ৫০ পেরিয়েছে? হার্ট সতেজ রাখতে খাদ্যতালিকায় রাখুন এই সুপারফুডগুলো

    Superfoods: বয়স ৫০ পেরিয়েছে? হার্ট সতেজ রাখতে খাদ্যতালিকায় রাখুন এই সুপারফুডগুলো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোও দুর্বল হয়ে পড়ে। আর বর্তমানে হৃদরোগ, হার্ট অ্যাটাক হওয়ার ক্ষেত্রে কোনও বয়সেরও দরকার পড়ে না। যেই গতিতে হার্টের রোগ বাড়ছে, তাতে প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। বিশেষত, এমন খাবার পাতে রাখার চেষ্টা করুন যা খেলে হার্ট ভালো থাকতে পারে। পুষ্টিবিদদের মতে, এমন কয়েকটি সুপারফুডের বিষয়ে বলা হল যা হার্টের ক্ষেত্রে উপকারী, বিশেষ করে যারা ৫০ বছর পেরিয়ে গিয়েছেন তাদের ডায়েটে এই খাবারগুলো রাখা উচিত।

    দানা শস্য

    পরিশোধিত শস্যের বিপরীতে,  গোটা শস্য শরীরে, বিশেষ করে হার্টের জন্য অনেক বেশি সুবিধা প্রদান করে। পরিশ্রুত খাবার হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়,  কিন্তু গোটা শস্য হার্টোর স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

    ডার্ক চকোলেট

    অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার আপনার শরীর এবং হার্টকে আমাদের চারপাশে উপস্থিত টক্সিন থেকে সুরক্ষিত রাখে। ডার্ক চকোলেট প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ যা হার্টের কার্যকারিতা উন্নত করে।

    ক্রুসিফেরাস সবজি

    ক্রুসিফেরাস শাকসবজি যা সবুজ শাক সবজি নামে পরিচিত তার মধ্যে রয়েছে লেটুস, বাঁধাকপি, পালং শাক, ব্রকলি, ফুলকপি ইত্যাদি। এই সবজি ফাইবার এবং অন্যান্য বিভিন্ন পুষ্টি সমৃদ্ধ এবং হার্টের জন্য ভালো।

    চর্বিযুক্ত মাছ

    চর্বিযুক্ত মাছ যেমন স্যামন, টুনা ইত্যাদি প্রোটিন এবং উপকারী ফ্যাটের একটি বড় উৎস। শরীরের বিভিন্ন কাজের জন্য প্রোটিনের প্রয়োজন হয়। এর পাশাপাশি, স্বাস্থ্যকর চর্বি শরীরের সঠিকভাবে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য ভিটামিন শোষণ করতে সাহায্য করে।

    আরও পড়ুন: পুরুষের তুলনায় বাঙালি মহিলারা নিরাপদ যৌন সংসর্গে বেশি আগ্রহী, বলছে কেন্দ্রীয় রিপোর্ট

    বাদাম

    বাদাম সবচেয়ে পুষ্টিকর সুপারফুডগুলির মধ্যে একটি। এগুলি পুষ্টিতে ভরপুর এবং শরীরের বিভিন্ন কার্যকারিতা উন্নত করে। গবেষণায় দেখা গেছে, আখরোট অনেক করোনারি রোগ থেকে রক্ষা করতে পারে।

    টমেটো

    টমেটো প্রদাহ কমায় এবং বিভিন্ন করোনারি রোগের উপসর্গ কমাতে সাহায্য করে।

    অলিভ ওয়েল

    অলিভ অয়েল হল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ আরেকটি খাবার। বিভিন্ন তেল করোনারি রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায় যেখানে জলপাই তেল এটি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

    লেগুম

    ৫০ বছরের বেশি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ হৃদরোগের মধ্যে একটি হল কোলেস্টেরল। মুসুর ডাল, মটরশুটি এবং ছোলার মত লেগুম কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এগুলি প্রয়োজনীয় খনিজ লৌহ, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়াম সমৃদ্ধ যা আমাদের দেহের কার্যকারিতায় সহায়তা করে।

    বেরি

    ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার হল বেরি। এই উপাদানগুলি আমাদের হৃদয়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখে এবং উন্নত করে। ৪০-এর পরে আপনার ডায়েট সম্পর্কে খুব সতর্ক হওয়া উচিত।

  • Health tips: ব্লাড সুগার থাকবে নিয়ন্ত্রণে, খাদ্য তালিকায় অবশ্যই রাখুন এই চারটি খাবার

    Health tips: ব্লাড সুগার থাকবে নিয়ন্ত্রণে, খাদ্য তালিকায় অবশ্যই রাখুন এই চারটি খাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদের ডায়াবেটিস আছে, তারা তো জানেনই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা কতটা প্রয়োজনীয়।  আর যাদের ডায়াবেটিস নেই, তাদেরও উচিৎ ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা। এতে পরবর্তীতে টাইপ টু ডায়াবেটিস হবার ঝুঁকি কম থাকে। আর ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকলে শরীরটাও ভালো থাকে। বর্তমানে ডায়াবেটিস রোগী ঘরে ঘরেই দেখা যায়। আর ডায়াবেটিসের মূল কারণই হল সঠিক লাইফস্টাইল মেনে না চলা। আর তার ফলেই জীবনধারায় পরিবর্তন আনাটা খুবই জরুরী। কোন খাবার কতটা পরিমাণে খাবেন তা এই ক্ষেত্রে খুব জরুরি। এমনও কিছু খাবার রয়েছে যা খেলে আপনার রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে। সেগুলো কোনগুলি চলুন দেখে নেওয়া যাক।

    ডিম

    ডিম প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। এতে কোনও কার্বোহাইড্রেট নেই। পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিন একটি করে ডিম খেলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

    ব্রকলি

    ক্রুসিফেরাস সবজি ব্রকলিতে কার্বের পরিমাণ কম এবং এই সবজি ভিটামিন, মিনারেলসএ সমৃদ্ধ। এই সবজি খেলে রক্তে সুগারের মাত্রা বৃদ্ধি পায় না। বরং সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে থাকে।

    আরও পড়ুন: ব্রেকফাস্টে ভুল করেও খাবেন না এই খাবারগুলো, নয়তো হতে পারে বিপদ

    ব্রাউন রাইস

    ব্রাউ সুগারে কার্বস আছে তবে তা ক্ষতিকারক নয়, ফলে ব্রাউ রাইস খেলে ডায়াবেটিস রোগীরা সহজেই তাঁদের রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবে। এছাড়াও এতে ম্যাঙ্গানিজ রয়েছে যা শরীরের অন্য কাজ করতে সাহায্য করে থাকে।

    সয়বীন

    পুষ্টিবিদদের মতে, টোফু ও সয়বীনে অল্প পরিমণে কারবস থাকে যা ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষতি করে না। এতে প্রোটিন ও উপকারী ফ্যাটে সমৃদ্ধ। এই জাতীয় খাবার রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

    আরও পড়ুন: সারাক্ষণ খেতে ইচ্ছে করে? এই পাঁচটি খাবার খেলে কমবে খিদে 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Fibre-Rich Vegetables: ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার থেকেও কমতে পারে ওজন! খাদ্যতালিকায় রাখুন এই ৭টি সবজি

    Fibre-Rich Vegetables: ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার থেকেও কমতে পারে ওজন! খাদ্যতালিকায় রাখুন এই ৭টি সবজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যখনই ওজন কমানের কথা আসে তখনই বিভিন্ন ব্যক্তি বিভিন্ন রকমের কথা বলে থাকেন। কেউ বলেন কম ক্যালোরি যুক্ত খাবার খাওয়া উচিত আবার কেও বলেন প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার প্রতিদিন আমাদের ডায়েটে রাখা উচিত। সুতরাং ওজন কমানোর ক্ষেত্রে এক-একজনের এক-একরকমের মতামত। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ থাকতে ডায়েটে সবসময় ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার রাখা উচিত।

    বিশেষ করে ওজন কমানোর জন্য ডায়েটে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার রাখা জরুরি। শস্য, ফল এবং সবজিতে উপস্থিত দ্রবণীয় ফাইবার উপকারী ব্যাকটেরিয়া বাড়াতে সাহায্য করে এবং এর ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়,  ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে। কিছু ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার যা ওজন কমাতেও সাহায্য করে সেগুলো হল-

    ব্রকলি

    ডায়েটারি ফাইবার এবং ভিটামিন সি উভয়ই ব্রকলিতে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। গবেষণা অনুসারে, ব্রকলিতে প্রতি কাপে পাঁচ গ্রাম ফাইবার থাকে। এই সবজি ওজন কমাতেও সাহায্য করে।

    পালং শাক

    এই শাক চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে পারে এবং রক্তচাপ কমাতে পারে। পালং শাক স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারী।

    সবুজ মটর

    সবুজ মটর সুস্বাদু, পুষ্টিকর এবং ফাইবার, আয়রন এবং ভিটামিন এ এবং সি এর একটি চমৎকার উৎস। এছাড়াও, সবুজ মটর দিয়ে রান্না করাও সহজ।

    আরও পড়ুন: কম ঘুমোলেই বাড়তে পারে ওজন! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    ঢেঁড়শ

    এটি একটি পুষ্টিসমৃদ্ধ সবজি। এতে ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ভিটামিন, এনজাইম এবং বিভিন্ন ধরণের খনিজ উপাদান রয়েছে। উচ্চ ফাইবার সামগ্রীর কারণে, লেডিফিঙ্গার অন্ত্র পরিষ্কার করতে সাহায্য করতে পারে।

    কুমড়ো

    এটি ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এ এবং কে এর একটি ভাল উৎস। এটি মিষ্টি এবং স্বাদযুক্ত উভয় জিনিস তৈরি করতে ব্যবহার করা যেতে পারে। কুমড়ো ওজন কমাতেও সাহায্য করতে পারে।

    ফুলকপি

    এটি ভারতের একটি জনপ্রিয় সবজি এবং বিভিন্ন জিনিস তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এই সবজিটি পুষ্টিগুণেও ভরপুর।

    বেগুন

    দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ফাইবারের পাওয়ার হাউস হল বেগুন। বেগুনের খোসা অদ্রবণীয় ফাইবার ও বেগুনের ভেতরের অংশ দ্রবণীয়। এটি স্বাস্থ্যের পক্ষেও ভালো ও ওজন কমাতেও সাহায্য করে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Heart Attack: কেন অল্প বয়স্কদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    Heart Attack: কেন অল্প বয়স্কদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে হার্ট অ্যাটাকের মত অনেক দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা সামনে এসেছে। ভারতে হার্ট অ্যাটাকের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। তাই কিছু চিকিৎসকদের মতে,  ভারত ধীরে ধীরে “diabetes capital”-এ পরিণত হয়ে যাচ্ছে। ভারতে যে কী পরিমাণে হার্ট অ্যাটাকের পরিমাণ বেড়েছে, তার প্রমাণ কিছুদিন আগেই দেখা গেল।

    সদ্যই প্রয়াত হয়েছেন জনপ্রিয় গায়ক কে কে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে জানা গিয়েছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েও তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই ঘটনা নতুন নয়, এর আগেও এর আগেও বেশ কিছু তারকা যেমন সিদ্ধার্থ শুক্লা, পুনীত রাজকুমাক, অমিত মিস্ত্রি হৃদরোগে (Heart Disease) আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছেন। জনপ্রিয় কমেডিয়ান রাজু শ্রীবাস্তবও হার্ট রোগে আক্রান্ত হয়েই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।  

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনও বয়স লাগে না, বরং দেখা গিয়েছে দেশের কমবয়সীদের মধ্যেই এই ঘটনা সবথেকে বেশি দেখা যাচ্ছে। তবে এমনটা হওয়ার কারণ কী তা নিয়ে বিস্তারিত জানালেন বিশেষজ্ঞরা।

    আরও পড়ুন: এখন যেকোনও বয়সেই রয়েছে হৃদরোগের ঝুঁকি, কোন লক্ষণগুলি দেখে বুঝবেন?

    হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম কারণ হল ধূমপান। ধূমপান, মদ্যপানের ফলেই রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা, উচ্চ রক্ততাপ, ডায়াবেটিসের প্রবণতা বেড়ে যাচ্ছে। এছাড়াও পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, লাইফস্টাইলে পরিবর্তন, পুষ্টিকর খাবার না খাওয়া, এক্সারসাইজ না করা ইত্যাদি অন্যতম কারণ হার্ট অ্যাটাকের।

    হার্ট অ্যাটাকের আরও এক অন্যতম কারণ হল স্ট্রেস। বর্তমান প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা একটু বেশিই স্ট্রেসের মধ্যে ভোগে। করোনা আবহেও মানুষের মধ্যে স্ট্রেসের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছে। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। নানা কারণে স্ট্রেস দেখা দেয় তাদের মধ্যে। ব্যক্তিগত জীবন, পেশাগত জীবন, কাজের চাপ, পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি এসবই স্ট্রেসের কারণ হতে পারে।

    এর পাশাপাশি হার্ট অ্যাটাকের কারণ হিসেবে লাইফস্টাইলকেও দায়ী করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, বর্তমান প্রজন্মের লাইফস্টাইল একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়। শরীরচর্চা না করার ফলে নানা অসুখের মাত্রাও বেড়ে যাচ্ছে। ফলে বাড়ছে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি।

    এছাড়া হৃদরোগের ক্ষেত্রে পরিবারেরও কিছু ভূমিকা থাকে। যদি আপনার পরিবারের কোনও সদস্যের হৃদরোগ থেকে থাকে, তবে সেক্ষেত্রেও হার্টের সমস্যা আপনার মধ্যেও দেখা দিতে পারে।

     

LinkedIn
Share