Tag: hindu traditions

  • World Indigenous Day: প্রকৃতিই প্রথম পবিত্র স্থান! বিশ্ব আদিবাসী দিবসে উঠে আসুক জনজাতি ঐতিহ্যের কথা

    World Indigenous Day: প্রকৃতিই প্রথম পবিত্র স্থান! বিশ্ব আদিবাসী দিবসে উঠে আসুক জনজাতি ঐতিহ্যের কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছর ৯ অগাস্ট পালিত হয় বিশ্ব আদিবাসী দিবস (World Indigenous Day)। বিশ্বের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও স্বাতন্ত্র্যকে তুলে ধরাই এই দিনের মূল উদ্দেশ্য। ভারতের ক্ষেত্রেও এই দিনটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশের জনজাতি সম্প্রদায়গুলি বহন করে চলেছে বহু প্রাচীন সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্য। ভারতের জনজাতি বা তফসিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের সঙ্গে বৃহত্তর হিন্দু ঐতিহ্যের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই ইতিহাস, নৃতত্ত্ব ও রাজনীতির আলোচনার বিষয়। এই সম্পর্কের মধ্যে রয়েছে সাংস্কৃতিক আদানপ্রদান, পারস্পরিক প্রভাব এবং বহু অভিন্ন পবিত্র ঐতিহ্য। মধ্য, পূর্ব, পশ্চিম ও হিমালয়-সংলগ্ন ভারতের বহু জনজাতি ঐতিহাসিকভাবে মহাদেব বা শিব, শক্তির স্থানীয় রূপ, গ্রামদেবতা, পূর্বপুরুষের আত্মা, পাহাড়, বন, নদী ও পবিত্র বনভূমির আরাধনা করে এসেছে।

    প্রকৃতিই প্রথম পবিত্র স্থান

    ভারতের প্রাচীনতম জীবন্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি বড় অংশ জনজাতি সমাজে (Janajatiya Culture) সংরক্ষিত রয়েছে। বন, পাহাড়, নদী উপত্যকা ও মালভূমিতে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বসবাস করতে গিয়ে তাঁরা প্রকৃতি, পূর্বপুরুষ ও স্থানীয় দেবতাকে কেন্দ্র করে নিজস্ব ধর্মীয় পরম্পরা গড়ে তুলেছেন। সংগঠিত মন্দির সংস্কৃতি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার বহু আগে থেকেই পবিত্র বন, পাহাড়, নদী, গুহা ও প্রাচীন গাছ ছিল উপাসনার স্থান। প্রকৃতি তাঁদের কাছে শুধু জীবিকার উৎস নয়, আধ্যাত্মিক বিশ্বাসেরও কেন্দ্র।

    পবিত্র ভূদৃশ্য ও প্রকৃতির প্রতীক

    বিভিন্ন জনজাতি অঞ্চলের পাহাড়, নদী, বন ও উপত্যকার সঙ্গে স্থানীয় দেবতা, পূর্বপুরুষ এবং ধর্মীয় কাহিনি জড়িয়ে রয়েছে। গাছ, পশুপাখি, সূর্য, চাঁদ, মাটি ও নদীর মতো প্রাকৃতিক উপাদানও অনেক সম্প্রদায়ের কাছে পবিত্র প্রতীক। পবিত্র বন বা ‘সেক্রেড গ্রোভ’-কে ঘিরে উপাসনা ও নানা আচার আজও বহু জায়গায় প্রচলিত। একইসঙ্গে এই বনগুলি স্থানীয় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

    জনজাতি ঐতিহ্যে মহাদেব

    শিবকে শুধু মহাজাগতিক দেবতা নয়, বন, পাহাড়, পশু, সাধক, শিকারি ও জনজাতি মানুষের সঙ্গেও যুক্ত দেবতা হিসেবে দেখা হয়। ‘মহাদেব’, ‘পশুপতি’, ‘গিরিশ’, ‘কিরাত’ ও ‘ভূতেশ্বর’-এর মতো উপাধিতে তাঁর সঙ্গে জঙ্গল, পাহাড়, পশুজগৎ ও জনবসতির প্রান্তবর্তী জীবনের সম্পর্কের প্রতিফলন পাওয়া যায়। বিভিন্ন অঞ্চলে স্থানীয় দেবতা ও প্রকৃতি-কেন্দ্রিক বিশ্বাসের সঙ্গে শিব-আরাধনার সাংস্কৃতিক সংযোগ তৈরি হয়েছে। তবে এই সম্পর্ক সব সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে একরকম নয়, প্রত্যেকের নিজস্ব ঐতিহ্য রয়েছে।

    শক্তির স্থানীয় রূপ

    শক্তি বা দেবী-উপাসনাতেও জনজাতি সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ ছাপ রয়েছে। বহু স্থানীয় দেবীকে উর্বরতা, কৃষি, বন, নদী, রোগ থেকে সুরক্ষা, মাটি ও জীবনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। কোথাও তাঁরা গ্রামরক্ষাকারী, কোথাও ফসলের রক্ষক, আবার কোথাও পাহাড় বা অরণ্যের অধিষ্ঠাত্রী শক্তি। এই স্থানীয় দেবী-পরম্পরার সঙ্গে বৃহত্তর শক্তি-উপাসনার বিভিন্ন ধারারও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ তৈরি হয়েছে।

    নিজস্ব ঐতিহ্যের স্বাতন্ত্র্য

    তবে জনজাতি সংস্কৃতিকে শুধুমাত্র বৃহত্তর কোনও ধর্মীয় কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ করা যায় না। প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব ভাষা, দেবতা, লোককথা, আচার, উৎসব ও সামাজিক রীতি রয়েছে। কোথাও প্রকৃতি ও পূর্বপুরুষের উপাসনা প্রধান, কোথাও স্থানীয় দেবতার গুরুত্ব বেশি, আবার কোথাও শিব-শক্তির সঙ্গে স্থানীয় বিশ্বাসের মেলবন্ধন ঘটেছে। এই বৈচিত্র্যের মধ্যেই রয়েছে ভারতের জনজাতি সংস্কৃতির নিজস্ব পরিচয়।

    ঔপনিবেশিক শ্রেণিবিন্যাস ও ভিন্ন বয়ান

    ঔপনিবেশিক আমলে ব্রিটিশ প্রশাসন ভারতের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীকে সামাজিক ও ধর্মীয় শ্রেণিতে ভাগ করার চেষ্টা করে। বহু জটিল স্থানীয় বিশ্বাসকে তখন নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণির মধ্যে ব্যাখ্যা করা হয়েছিল। বিভিন্ন ঔপনিবেশিক নথি ও গবেষণায় কখনও জনজাতি সমাজকে মূলধারার ভারতীয় সংস্কৃতি থেকে পৃথক হিসেবে দেখানো হয়েছে, আবার কখনও বৃহত্তর সাংস্কৃতিক পরিসরের সঙ্গে তাদের যোগাযোগের কথাও উঠে এসেছে। ফলে জনজাতি পরিচয় নিয়ে একাধিক বয়ান তৈরি হয়।

    গবেষণা ও পরিচয়ের প্রশ্ন

    আধুনিক ইতিহাস ও নৃতত্ত্বের গবেষণায় জনজাতি ধর্মীয় ঐতিহ্যকে প্রকৃতি, পূর্বপুরুষ, স্থানীয় দেবতা, সামাজিক কাঠামো এবং বৃহত্তর ভারতীয় সংস্কৃতির পারস্পরিক সম্পর্কের মধ্য দিয়ে দেখার চেষ্টা করা হয়। আধুনিক ভারতেও জনজাতি পরিচয়, ধর্মীয় পরিচয় ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য নিয়ে আলোচনা রয়েছে। নিজস্ব ভাষা, আচার ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের দাবি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই বৃহত্তর ভারতীয় সাংস্কৃতিক পরিসরের সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পর্কের প্রশ্নও আলোচিত।

    সংবিধানে স্বীকৃতি

    ভারতের সংবিধান তফসিলি উপজাতি (Tribal Culture India) সম্প্রদায়গুলির জন্য বিশেষ সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সুরক্ষার ব্যবস্থা করেছে। তাঁদের সামাজিক, শিক্ষাগত ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য রক্ষার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা রয়েছে। বিশ্ব আদিবাসী দিবস তাই শুধু অধিকার ও পরিচয়ের কথা বলার দিন নয়; এটি বিশ্বের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রাচীন সংস্কৃতি, প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্ক এবং পবিত্র ঐতিহ্যকে স্মরণ করারও দিন। ভারতের জনজাতি সমাজের প্রকৃতি-কেন্দ্রিক জীবনদর্শন, পবিত্র বন, স্থানীয় দেবদেবী, পূর্বপুরুষের স্মরণ, লোকাচার ও উৎসব দেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বৃহত্তর ভারতীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে তাঁদের দীর্ঘ সাংস্কৃতিক যোগাযোগ যেমন এই ইতিহাসের একটি দিক, তেমনই প্রতিটি জনজাতি সম্প্রদায়ের নিজস্ব পরিচয় ও স্বাতন্ত্র্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ। অভিন্ন বিশ্বাস ও পবিত্র ঐতিহ্যের এই বহুস্বরই ভারতের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

  • Navratri Fasting: নবরাত্রিতে উপবাস! শুধু ঐতিহ্য নয়, এই রীতি কতখানি স্বাস্থ্যসম্মত জানেন?

    Navratri Fasting: নবরাত্রিতে উপবাস! শুধু ঐতিহ্য নয়, এই রীতি কতখানি স্বাস্থ্যসম্মত জানেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দেশ জুড়ে শুরু হয়েছে নবরাত্রি। উত্তর থেকে দক্ষিণ, ভারতের বিভিন্ন প্রদেশেই বছরের এই সময়ে নবরাত্রির উৎসব পালন হয়। হিন্দু শাস্ত্র (Hindu Traditions) মতে, নবরাত্রি অর্থাৎ নয় রাত ধরে মা দুর্গার আরাধনা করা হয়। পবিত্রতা, শান্তির প্রতি আস্থা রাখার পাশপাশি দুষ্টের দমন এবং শুভ শক্তির পালন, এই আর্জি নিয়েই দেশ জুড়ে মা দুর্গার আরাধনা চলে। তবে হিন্দু শাস্ত্রের এই নবরাত্রি উদযাপনের (Navratri Fasting) এই পাঠ, শুধুই ধর্মীয় রীতি নয়। বরং এর তাৎপর্য আরও গভীর।‌ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নয় রাতের এই ব্রত সুন্দর জীবন যাপনের (Healthy Lifestyle) পথ আরও সুগম করে। তাই নবরাত্রি উদযাপনের গভীরতা আরও বেশি।

    নবরাত্রি পালন কীভাবে সুস্থ জীবন যাপনের সঙ্গে সম্পর্ক যুক্ত?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নবরাত্রি উদযাপন শুধুই উপোস আর প্রার্থনা নয়। এই ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে আছে এক গভীর জীবন‌বোধ এবং জীবন‌ যাপনের পদ্ধতি। যা খুবই স্বাস্থ্যকর! তাঁরা জানাচ্ছেন, নবরাত্রি পালনের সময় সকালে নির্দিষ্ট সময় ঘুম থেকে ওঠা, যোগাসন করা, ধ্যান করার মতো নিয়ম পালনের কথা বলা হয়। সকলের কল্যাণের কথা চিন্তা করে ঈশ্বরের প্রার্থনার, নবরাত্রির অন্যতম আচার। অর্থাৎ একটি নিয়ম শৃঙ্খলার মধ্যে জীবন যাপনের দিকে এই উৎসব সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়।

    পজিটিভ এনার্জি আসে

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আধুনিক জীবনে ডায়াবেটিস থেকে স্থূলতা, রক্তচাপ কিংবা হৃদরোগের মতো জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা, মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। মানসিক চাপ কমাতে, অবসাদ, উদ্বেগের মতো সমস্যা কমাতে ধ্যানের অভ্যাস অত্যন্ত জরুরি। নবরাত্রি পালনের (Navratri Fasting) জন্য সেই অভ্যাস জীবনে স্থায়ী হয়। ঈশ্বরের কাছে কল্যাণ প্রার্থনার মাধ্যমে মনে পজিটিভ এনার্জি বা ইতিবাচক শক্তি তৈরি হয়। যার ফলে নানান ভালো কাজের ইচ্ছে হয়। নানান নেতিবাচক ভাবনা দূর হয়। মানসিক শান্তি বজায় থাকে। এর ফলে অবসাদ, মানসিক চাপ ও উদ্বেগের মতো সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

    হজমের গোলমাল কমায়

    নবরাত্রি পালনের সময় উপোস করতে হয়। কিন্তু ঐতিহ্য মেনে এই উদযাপনে সম্পূর্ণ অভুক্ত থাকার রীতি (Hindu Traditions) নেই। নবরাত্রির সময় পুষ্টিকর অথচ সহজপাচ্য সাত্ত্বিক খাবার খাওয়ার রীতি রয়েছে। প্রাণীজ প্রোটিন নয়। পরিমিত আহার শরীরের জন্য উপকারি এই ভাবনা বোঝানোর জন্য নবরাত্রি রীতি (Navratri Fasting) খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হরমোনের ভারসাম্যের অভাব, স্থূলতা, বন্ধ্যাত্ব, কোলেস্টেরলের সমস্যা কিংবা হৃদরোগের মতো জটিল অসুখের অন্যতম কারণ অতিরিক্ত খাদ্যাভ্যাস। তরুণ প্রজন্মের একাংশের অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় প্রাণীজ প্রোটিন খাওয়ার অভ্যাস, নির্দিষ্ট সময়ে খাবার না খাওয়া, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত মাংসের পদ খাওয়ার অভ্যাস অসুখ বাড়াচ্ছে। নবরাত্রি পালনের সময়ে দিনের নির্দিষ্ট সময়ে সাত্ত্বিক খাবার খাওয়ার রেওয়াজ খুবই স্বাস্থ্যকর। পাশপাশি, পরিমিত খাবারের অভ্যাস হজমের গোলমাল কমায়। দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে। তাই নবরাত্রি পালন অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর অভ্যাস বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    মানসিক চাপ কমে

    নবরাত্রি (Navratri Fasting) উদযাপনের সময়ে সামাজিক যোগাযোগ নিবিড় হয়। প্রতিবেশি, আত্মীয় ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ হয়। আধুনিক ব্যস্ত জীবনে একাকিত্ব বাড়ছে। আর একাকিত্বের হাত ধরেই শরীর ও মনে বাসা বাঁধছে নানান রোগ।‌ নিয়মিত কথা বলা, পারিবারিক সম্পর্ককে আরও গভীর করতে পারলে নানান সঙ্কট সহজেই কাটানো যায়। তাই নবরাত্রি উদযাপনের মতো ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করলে মানসিক চাপ কমে।

    রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে

    তবে, এর পাশপাশি নবরাত্রি যে সময়ে পালন হয়, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মত বিশেষজ্ঞ মহলের। তাঁরা জানাচ্ছেন, বছরে দু’বার নবরাত্রি (Navratri Fasting) পালন হয়। একটি চৈত্র মাসে অর্থাৎ বসন্ত ঋতুতে। আরেকটি শরৎ ঋতুতে।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, বছরের এই দুই সময়েই ঋতু পরিবর্তনের সময়ে আবহাওয়ায় বড়সড় পরিবর্তন দেখা যায়। অর্থাৎ তাপমাত্রার রদবদল হয়। বাতাসে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার দাপট বাড়ে। ফলে নানান সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়। এই সময়ে শরীর সুস্থ রাখতে বাড়তি নজরদারি জরুরি। পরিমিত খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত যোগাভ্যাস, পর্যাপ্ত ঘুম দেহের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আবার অন্যান্য রোগের ঝুঁকিও কমায়। তাই নবরাত্রি পালন করলে শরীর সুস্থ থাকবে। শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে। এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Suvendu Adhikari: পিতৃপক্ষেই দুর্গাপুজোর প্যান্ডেলের উদ্বোধন, মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: পিতৃপক্ষেই দুর্গাপুজোর প্যান্ডেলের উদ্বোধন, মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সস্তা জনপ্রিয়তা কুড়োতে পিতৃপক্ষেই দুর্গাপুজোর প্যান্ডেলের উদ্বোধন করে ফেললেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। পিতৃপক্ষে প্যান্ডেলের উদ্বোধন করায় মমতাকে নিশানা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবারই একাধিক প্যান্ডেলের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর অভিযোগ, পিতৃপক্ষ চলাকালীন দুর্গাপুজোর প্যান্ডেল উদ্বোধন করে হিন্দুদের প্রথায় আঘাত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পিতৃপক্ষ হিন্দু চান্দ্র ক্যালেন্ডারের ১৫ বা ১৬ দিনের একটি সময়কাল। এই সময় পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে তর্পণ করা হয়। শ্রাদ্ধ ও পিণ্ডদানের মাধ্যমেও অনেকে স্মরণ ও সম্মান জানান পিতৃপুরুষদের। এই পিতৃপক্ষ শেষ হয় মহালয়ায়। পরের দিন থেকে শুরু হয় দেবীপক্ষ। এদিনই শুরু হয় নবরাত্রি উৎসবের।

    রাজনৈতিক লাভের জন্য ধর্মীয় অনুভূতি কাজে লাগাচ্ছেন (Suvendu Adhikari)

    পিতৃপক্ষে মুখ্যমন্ত্রীর প্যান্ডেল উদ্বোধন প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “এটি হিন্দু প্রথার ওপর আক্রমণ। আজ পিতৃপক্ষের শেষ দিন। পিতৃপক্ষ চলাকালীন কোনও শুভ কাজ করা হয় না।” তাঁর অভিযোগ, ছ’মাস পরে নির্বাচন। একে সামনে রেখেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক লাভের জন্য ধর্মীয় অনুভূতি কাজে লাগাচ্ছেন। বিজেপির এই নেতার দাবি, মমতার প্রশাসন সংখ্যালঘু ভোটারদের প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, “তারা (সংখ্যালঘুরা) চাকরি, স্বাস্থ্যসেবা বা শিক্ষা কিছুই পাননি। তিনি তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারছেন না। তাই তিনি ধর্মীয় আবেগকে ব্যবহার করছেন। তিনি দুর্গাপূজার মতো হিন্দু উৎসবকে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হিসেবে তুলে ধরতে চাইছেন, যা মোটেই ঠিক নয়।”

    ‘হিজাব’ নিয়ে তোপ

    এদিন মমতা উদ্বোধন করেন হাতিবাগান, টালা প্রত্যয় এবং শ্রীভূমির প্যান্ডেলের। হাতিবাগান সর্বজনীন মাতৃ মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন করতে যাওয়ার সময় টিপটিপ করে বৃষ্টি পড়তে শুরু করে। ছাতা না নিয়ে সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী একটি চাদর নিয়ে হিজাবের মতো করে পরে নেন। তৃণমূল নেত্রীর এহেন আচরণেও ক্ষুব্ধ শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। বলেন, “হিজাব পরে উনি একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে বার্তা দিচ্ছেন। এটা সরাসরি হিন্দু আস্থা, হিন্দু রীতিনীতি এবং পরম্পরায় আঘাত।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “হিন্দুরা যেহেতু বিভক্ত, সবাই যেহেতু ভোট দিতে যান না, ভোট দিতে গেলেও, অনেকে অনেকভাবে ভোট দেন, ভাগ করেন, একটা বিশেষ মেসেজ দিচ্ছেন (Mamata Banerjee) ৩২-৩৩ শতাংশ ভোটারকে যে, আমি সম্পূর্ণভাবে ধর্মনিরপেক্ষ, আমি নাস্তিক, নাস্তিক নয়, আমি প্রো-মুসলিম লিগ। ভোটব্যাংককে একজোট করতে গিয়ে স্পষ্ট বার্তা (Suvendu Adhikari)।”

LinkedIn
Share