Tag: hindu

hindu

  • Iskcon: বাংলাদেশে বিপন্ন হিন্দু! নিরাপত্তার দাবিতে বিশ্বের ১৫০ দেশের ৮০০ মন্দিরে শান্তিপ্রার্থনা ইসকনের

    Iskcon: বাংলাদেশে বিপন্ন হিন্দু! নিরাপত্তার দাবিতে বিশ্বের ১৫০ দেশের ৮০০ মন্দিরে শান্তিপ্রার্থনা ইসকনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) আক্রান্ত একের পর এক ইসকন মন্দির। সে দেশে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন হিন্দুরা। গ্রেফতার করা হয়েছে ইসকনের একাধিক সন্ন্যাসীকে (Iskcon)। এই আবহে গতকাল রবিবারই বিশ্বের দেড়শোটি দেশে প্রার্থনা-কীর্তনের মাধ্যমে প্রতিবাদের আয়োজন করেছিল ইসকন। আমেরিকা, আফ্রিকা, ইউরোপ মহাদেশের ১৫০টি দেশে ইসকনের প্রায় ৮০০-এরও বেশি মন্দিরে স্থানীয় সময় অনুসারে বাংলাদেশ ইস্য়ুতে কর্মসূচির আয়োজন করা হয় রবিবার। কোথাও শান্তিপ্রার্থনা কোথাও আবার কীর্তনের আয়োজন করেন ইসকন ভক্তরা। একটাই প্রার্থনা করা হয় সর্বত্র, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা।

    রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রার্থনার মাধ্যমে প্রতিবাদ (Iskcon)

    রবিবার এদেশেরও একাধিক বড় শহরে প্রতিবাদ জানায় ইসকন (Iskcon)। রাজ্যের মধ্য়ে কলকাতা, শিলিগুড়ি, মায়াপুর, রাজস্থানের জয়পুর, অসমের গুয়াহাটি, ওড়িশার ভুবনেশ্বর, কর্নাটকের বেঙ্গালুরু সহ দেশের একাধিক জায়গাতে ইসকনের মন্দিরগুলিতে প্রার্থনা ও কীর্তনের মাধ্যমে শান্তি প্রার্থনা করা হয়। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপরে অত্যাচার চলছে সেই অত্যাচারের প্রতিবাদ জানানো হয়। ইসকনের সন্ন্যাসীদের হাতে পোস্টার দেখা যায়, ‘আমরা সন্ত্রাসী নই’, ‘আমাদের মন্দিরকে রক্ষা করো বাংলাদেশে’। একইসঙ্গে গ্রেফতার হওয়া সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের নিঃস্বার্থ মুক্তির দাবিও জানান তাঁরা। পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলে পথে নেমে প্রতিবাদ জানান ইসকনের ভক্তরা। রবিবারে আসানসোলের বার্নপুরে ত্রিবেণী মোড় থেকে এক পদযাত্রা করা হয়। ইসকনের ওই পদযাত্রায় সামিল হতে দেখা গিয়েছে আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পলকে। প্রসঙ্গত, একইভাবে প্রতিবাদ দেখা গেছে এ রাজ্যের দুর্গাপুরেও। সেখানে প্রতিবাদ জানায় বিশ্ব সনাতনী হিন্দু একতা সঙ্ঘ নামের একটি সংগঠন।

    মায়াপুরের প্রধান কার্যালয়ে প্রতিবাদ

    অন্যদিকে, ইসকনের (Iskcon) মায়াপুর আন্তর্জাতিক প্রধান কার্যালয়ে বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তার দাবি নিয়ে প্রার্থনা সভা কীর্তন হয়। রবিবার সকাল সাতটা থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত ইসকনের এই প্রার্থনা চলে। ইসকনের জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস জানিয়েছে, অশান্ত বাংলাদেশে শান্তি ফেরাতেই এমন আয়োজন। মায়াপুরের চন্দ্রোদয় মন্দিরে রাধামাধব বিগ্রহের সামনে অসংখ্য কৃষ্ণ ভক্তরা জমায়েত হন রবিবার এবং বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর ক্রমাগত নির্যাতনের প্রতিবাদে তাঁরা নাম সংকীর্তন শুরু করেন। প্রসঙ্গত, ইসকনের সন্ন্যাসীর মুক্তির দাবিতে মায়াপুরেও প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে বিক্ষোভ দেখায় বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চ নামের একটি সংগঠন। এরপরে তারা বিক্ষোভ সভাও করে সেখানে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: এবার চিন্ময়কৃষ্ণের আইনজীবীদের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা খুনের মামলা’ ইউনূস প্রশাসনের!

    Bangladesh: এবার চিন্ময়কৃষ্ণের আইনজীবীদের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা খুনের মামলা’ ইউনূস প্রশাসনের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) হিন্দু ধর্মগুরু চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুকে ‘মিথ্যা মামলা’ দিয়ে ইউনূস সরকারের প্রশাসন গ্রেফতার করার পর থেকেই উত্তাল হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। চট্টগ্রামের হিন্দু নিপীড়ন, মন্দির ভাঙচুর-লুটপাট এবং ধর্মগুরুর নিঃশর্তে মুক্তি-সহ একাধিক দাবিতে আন্দোলনে নেমেছিলেন সনাতনীরা। নিরাপত্তা এবং শান্তি চেয়েছে আপামর হিন্দু সমাজ। পাল্টা ওই দেশের অন্তর্বর্তী সরকার মোট ১১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। উল্লেখ্য, এইসব মামলায় ৭০ জন আইনজীবী এবং দুজন সাংবাদিকও রয়েছেন, যদিও প্রত্যেকেই তাঁরা হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুর (Chinmoy Krishnas Das) আইনজীবী ছিলেন।

    অনেকেই বলছেন, শান্তিতে নোবেল পাওয়া মহম্মদ ইউনূস তাঁর দেশে হিন্দুদের সঙ্গে কতটা অভব্য আচরণ করছেন, তা অনুমেয়। এই বিষয়ে ভারত সহ বিশ্বের একাধিক দেশ ওই দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতনের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছে। 

    হিন্দুপক্ষের আইনজীবী মনে করে পিটিয়ে খুন হয় সাইফুল (Bangladesh)

    ঢাকায় (Bangladesh) হিন্দু ধর্মগুরু চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে (Chinmoy Krishnas Das) গত ২৫ নভেম্বর গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরদিন যখন চট্টগ্রামে তাঁকে আদালতে তোলা হবে সেই সময় এই প্রভুর ভক্তরা আদালত চত্বরে গেলে উগ্র জনতা এবং সেনা-প্রশাসন ব্যাপক মারধর করে। হিন্দুদের লক্ষ্য করে লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড চার্জ এবং কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটানো হয়েছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং বাংলাদেশ সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, এই সময়েই হিন্দুপক্ষের আইনজীবী মনে করে পিটিয়ে খুন করা হয় সাইফুলকে। বর্তমানে পুলিশ এই খুনের মামলার তদন্ত করছে। এই মামলায় হিন্দুদের ফাঁসনোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ তুলেছে চট্টগ্রামের হিন্দু পক্ষ।

    আরও পড়ুনঃ চিন্ময়কৃষ্ণের পরে শ্যামদাস প্রভু, আরও এক ইসকন সন্ন্যাসী গ্রেফতার বাংলাদেশে

    হিন্দুদের টার্গেট করতে খুনের মামলা আইনজীবীদের বিরুদ্ধে

    মৃত সাইফুলের ভাই খানে আলম চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুর আইনজীবীদের নামে খুনের মামলা দায়ের করেছেন। হত্যা নিয়ে মোট ৫টি মামলা করা হয়েছে। এদিকে চট্টগ্রামের (Bangladesh) হিন্দু আইনজীবীদের দাবি, মূলত হিন্দুদের টার্গেট করতে খুনের মামলায় হিন্দু আইনজীবীদের নাম দেওয়া হয়েছে। এরপর গত ৩০ নভেম্বর চট্টগ্রাম শহরের কোতয়ালি থানায় মামলা দায়ের হয়। মামলায় নিহত সাইফুলের বাবা জামালউদ্দিন বাদী হয়ে ৩১ জনের বিরুদ্ধে হত্যার মামলা করেছেন। আবার থানার ওসি আবদুল করিম সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “নিহত সাইফুলের ভাই বাদী হয়ে ১১৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচিতি আরও ৫০০ জনকে আসামি করে বিস্ফোরক আইনে মামলা করেছেন। মামলার আসামিরা হলেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক তথা আইনজীবী নিতাইপ্রসাদ ঘোষ, মহানগর পূজা পরিষদের সভাপতি চন্দন কুমার তালুকদার, আইনজীবী নিখিলকুমার নাথ, আইনজীবী চন্দন দাস, রুবেল পাল, সুমন আচার্য, আশীর্বাদ কুমার বিশ্বাস এবং আরও অনেকে।”

    হিন্দু আইনজীবীদের বক্তব্য

    চট্টগ্রামের (Bangladesh) আইনজীবী নিতাইপ্রসাদ ঘোষ বলেন, “মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে হিন্দু আইনজীবীদের। আদালত চত্বরে কোনও বিস্ফোরণ হয়নি। সেখানে বিস্ফোরক রাখার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। চট্টগ্রাম আদালতে নয় হাজার আইনজীবীর মধ্যে নয়শো জন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। তাঁদের মধ্যে যাঁরা সংখ্যালঘুদের স্বার্থ নিয়ে কাজ করেন, বেছে বেছে তাঁদেরকে মামলায় জড়ানো হয়েছে। সবটাই বৃহৎ হিন্দুশূন্য করার ষড়যন্ত্র।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ব্যাপক অত্যাচার, বাংলাদেশ কি হিন্দু শূন্য হয়ে যাবে?

    Bangladesh Crisis: ব্যাপক অত্যাচার, বাংলাদেশ কি হিন্দু শূন্য হয়ে যাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) কি হিন্দ শূন্য হয়ে যাবে? সম্প্রতি দেশটিতে যেভাবে (ISKCON) হিন্দুদের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে, যেভাবে হিন্দু সন্ন্যাসীদের (ISKCON) মিথ্যে অভিযোগে গ্রেফতার করা হচ্ছে, তার পরে স্বভাবিকভাবেই উঠছে এই প্রশ্ন। দিন কয়েক আগে গ্রেফতার করা হয়েছে বিশিষ্ট হিন্দু নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস মহারাজকে। রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। ন্যায় বিচারের দাবিতে হিন্দু সম্প্রদায় সমাবেশ করছে। তবে তারাও নির্মম দমন-পীড়ন ও হামলার মুখোমুখি হচ্ছে।

    চিন্ময় মহারাজ (Bangladesh Crisis)

    জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল পর্যন্তও চিন্ময় মহারাজকে আটকে রাখা হয়েছে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে। সেখানে তাঁকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও সনাতনী খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে না। তাঁর আইনজীবীরা উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করতে গিয়েও বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছেন বলে অভিযোগ। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছে বিভিন্ন ইসলামী জঙ্গি সংগঠন যেমন হিজবুত তাহরির, জামাআতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ, হরকা তুল জিহাদ (হুজি), আনসার আল ইসলাম এবং হেফাজতে ইসলাম (হেই)-এর মতো উগ্রপন্থী ইসলামী গোষ্ঠীর সাজাপ্রাপ্ত জিহাদিরা। এই পরিস্থিতিতে চিন্ময় মহারাজের প্রাণ সংশয় হতে পারে বলে আশঙ্কা সনাতনীদের। চিন্ময় মহারাজ সম্মিলিত সনাতন জাগরণ জোটের নেতা। তাঁর বিরুদ্ধে যিনি রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ করেছেন, তিনি বিএনপির নেতা। ২৫ নভেম্বর গ্রেফতার করার পর পরের দিনই তাঁকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় কারাগারে।

    হিন্দু আন্দোলনের মেরুদণ্ড ভেঙে ফেলার চেষ্টা

    চিন্ময় মহারাজ ছিলেন বাংলাদেশে নিপীড়িত হিন্দুদের মুখ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তাঁকে গ্রেফতার করে হিন্দু আন্দোলনের মেরুদণ্ডটাই ভেঙে দিতে চেয়েছে বাংলাদেশের মৌলবাদীরা। সোশ্যাল মিডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসলামপন্থী ও হিন্দু-বিরোধী এলিমেন্টরা চট্টগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে হিন্দুদের বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মন্দিরে হামলা চালাচ্ছে। ২৭ নভেম্বর ভোরের দিকে চট্টগ্রাম শহরের মেথরপট্টি এলাকায় মনসা মায়ের মন্দিরে দুষ্কৃতীরা আগুন লাগিয়ে দেয়। হজারিগলিতে কালী মন্দিরেও আগুন লাগিয়ে দেয় ইসলামপন্থী জনতা। হরিজন সম্প্রদায়ের মালিকানাধীন বহু হিন্দু বাড়িতেও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, উগ্রপন্থীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় মুসলমানদের “ছুরি ধারালো করার” আহ্বান (ISKCON) জানাচ্ছে। তারা যাতে ইসকনের সদস্যদের হত্যা করতে পারে, তাই ছুরি ধারালো করার আহ্বান। চট্টগ্রাম শহরের হিন্দুরা এক অসহনীয় অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন বলে খবর (Bangladesh Crisis)। এবারের অত্যাচার ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ও তাদের স্থানীয় সহযোগীদের দ্বারা সংঘটিত নির্যাতনের কথা মনে করিয়ে দেয়।

    আরও পড়ুন: “মোদি অনেক ভালো কাজ করেছেন”, বললেন আন্তর্জাতিক লগ্নিকারী জিম রজার্স

    চরমে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মহম্মদ ইউনূসের তদারকি সরকার যদি এই হিংসা বন্ধ করতে না পারে, তাহলে বহু হিন্দু খুন হতে পারেন। শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে পারেন হিন্দু মহিলারা। চলতি বছরের অগাস্ট মাস থেকে (পড়ুন প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর) বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার তুঙ্গে। নির্বিচারে ভাঙচুর করা হচ্ছে হিন্দুদের বাড়ি এবং মন্দির। লুটতরাজ চালানো হচ্ছে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে। হামলা চালনো হচ্ছে হিন্দুদের বাড়িতে। রাতের অন্ধকারে লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে আগুনও। স্থানীয় মিডিয়াকে এই ঘটনাগুলো প্রচার করতে বাধা দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক মিডিয়ার বেশিরভাগই কোনও এক অজানা কারণে নৃশংসতার এই ছবি তুলে ধরা থেকে বিরত থেকেছে।

    বিহারিদের অত্যাচার!

    ‘স্ট্র্যান্ডেড পাকিস্তানিজ’ কমিউনিটির সদস্যরা, যারা বিহারি নামেও পরিচিত, তারাও হিন্দুদের বিরুদ্ধে এই হিংসাত্মক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। এই অপরাধগুলো গুরুতর হওয়া সত্ত্বেও, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতো মানবাধিকার সংগঠনগুলি অদ্ভুতভাবে নীরব রয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এর কারণ সম্ভবত ইউনূসের প্রভাব এবং বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে তাঁর কানেকশনের কারণে (ISKCON)।

    ক্লিন্টনের কারবার

    দেশে লাগাতার হিন্দু নিধন যজ্ঞ চললেও, চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার জন্য আমেরিকা সফরের সময় ইউনূসকে ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ দ্বারা সম্মানিত করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে, বিল ক্লিনটন নিষিদ্ধ ইসলামপন্থী সংগঠন হিজব-উত-তাহরির-এর নেতা মাহফুজ আলমের প্রশংসা করেন। এই সংগঠন খিলাফত প্রতিষ্ঠার পক্ষে কাজ করে। সেই সংগঠনেরই হয়ে সাফাই গাইতে দেখা যায় বিল ক্লিনটনকে। হিন্দুদের (Bangladesh Crisis) পীড়ন করার পাশাপাশি বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করাও শুরু করে দিয়েছে ইউনূস সরকার। অক্টোবরে আওয়ামি লিগের ছাত্র সংগঠনের গায়ে জঙ্গি সংগঠনের তকমা সেঁটে দিয়ে তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। রিপোর্টে বলা হচ্ছে যে, সরকার আওয়ামি লিগকে রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার কথা ভাবছে।

    এতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে প্রতিষ্ঠিত হবে ইসলামি শক্তির আধিপত্য। হিন্দু ও খ্রিষ্টান-সহ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য তেমন কোনও প্রতিনিধিত্ব থাকবে না। তাই সমালোচনাও হবে না। মৌলবাদীদের পাশাপাশি করেকম্মে (ISKCON) খাবে জঙ্গিরাও (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • ISKCON: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুদের পাশে ইসকন, সুরক্ষার দবিতে রবিবার বিশ্বজুড়ে প্রার্থনাসভার ডাক

    ISKCON: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুদের পাশে ইসকন, সুরক্ষার দবিতে রবিবার বিশ্বজুড়ে প্রার্থনাসভার ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৫ অগাস্ট থেকেই বাংলাদেশে লাগাতার হিন্দু ধর্মের মানুষের উপর ব্যাপক অত্যাচার করছে ওই দেশের উগ্র মুসলিম এবং ইউনূস প্রশাসন। এবার হিন্দুদের নিরাপত্তা চেয়ে ১ ডিসেম্বর, রবিবার বিশ্ব জুড়ে ইসকনের (ISKCON) পক্ষ থেকে শান্তি এবং সুরক্ষার দবিতে কীর্তন করে প্রতিবাদের ডাক দিয়েছেন কলকাতা ইসকন কার্যালয়ের মুখপাত্র রাধারমণ দাস। তিনি নিজের এক্স হ্যান্ডলে এই বার্তা দিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেছেন। উল্লেখ্য হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করেছে ইউনূস প্রশাসন। এরপর থেকে ভারত সহ সারা বিশ্বে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্বে মুখ পুড়েছে নোবেল জয়ী ইউনূসের।

    ১৫০টিরও বেশি দেশের অগুনিত শহরে ধর্ম সভা (ISKCON)

    এদিন ইসকনের পক্ষ থেকে বলা হয়, “সারা বিশ্বজুড়ে ১৫০টিরও বেশি দেশের অগুনিত শহরে লক্ষ লক্ষ ইসকন ভক্ত এই প্রতিবাদ প্রার্থনা সভায় যোগদান করবেন। এই সভার একটাই দাবি, বাংলাদেশের হিন্দুদের ধর্ম পালনের নিরাপত্তা চাই। তাই সকল ভক্তদের আবেদন করা হচ্ছে সকলে আসুন। নিজ নিজ ইসকন (ISKCON) মন্দিরে বা ধর্মসভায় যোগদান করে সম্মিলিত ভাবে সংকীর্তনে যোগদান করুন।” আবার ইসকন সম্প্রতি মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার চিন্ময় কৃষ্ণ দাস সম্পর্কে বলেছে, “বাংলাদেশে হিন্দুদের অধিকার এবং তাঁদের ধর্মীয় স্থানগুলি রক্ষার জন্য চিন্ময় কৃষ্ণের প্রচেষ্টাকে ইসকন সমর্থন করে। তাঁর থেকে দূরত্ব তৈরি করা হয়নি।”

    আরও পড়ুনঃ ১১৫ বছরের কলেজ ওয়াকফ সম্পত্তি! বারাণসীতে উত্তেজনা, বসল পুলিশ ক্যাম্প

    শুক্রবার ৩টি মন্দির ভেঙেছে জামাত-বিএনপি

    অপরদিকে, শুক্রবারও বাংলাদেশের চট্টগ্রামে তিনটি হিন্দু মন্দির ভাঙচুর করা হয়। এরপর আতঙ্কিত হিন্দুরা বাড়ি-ঘর ছেড়ে অন্যত্র পালাতে শুরু করেন। শুধু মন্দির নয়, একই ভাবে হিন্দু জনতার দোকান এবং ব্যবসায়িক ক্ষেত্রগুলিকেও ভাঙচুর করা হয়। স্থানীয় হিন্দু জনতার অভিযোগ, জামাতে-ইসলামি এবং বিএনপির মিছিল থেকে আচমকা মন্দিরে হামলা চালানো হয়। ইসকনকে (ISKCON) নিষিদ্ধ করার জন্য দাবিও তোলা হয় ওই মিছিলে। এই এলাকায় প্রায় ৯০ শতাংশ হিন্দু। হিন্দু জনতাকে ভয় দেখিয়ে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনেকেই প্রাণের ভয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দু নিধনের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দু নিধনের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর লাগাতার কট্টরপন্থী মুসলমানদের আক্রমণের ফলে সাধারণ জনজীবন অত্যন্ত সঙ্কটের মুখে। ওই দেশের অন্তর্বর্তী ইউনূস সরকারের প্রশাসন এবং সেনা শাসন যৌথ ভাবে হিন্দু নিধনে আগ্রাসী হয়ে উঠেছে। হিন্দুদের সুরক্ষার জন্য প্রতিবাদ জানিয়ে সারা ভারত জুড়ে আন্দোলনে নেমেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (Vishva Hindu Parishad)। বাংলাদেশে ক্রমাগত হিন্দুদের বাড়ি ঘর ভাঙচুর, সম্পত্তি দখল, মঠ-মন্দির ভাঙচুর, ধর্মগুরুদের মিথ্যা মামলায় জেলে বন্দি করা, খুন-ধর্ষণ হত্যার কথা তুলে ধরে বিরাট কর্মসূচির আয়োজন করেছে এই হিন্দু সংগঠন। একই ভাবে সেখানে হিন্দুদের জন্য ন্যায় বিচার এবং আঞ্চলিক স্বার্থকে সুনিশ্চিত করার দাবিও তোলা হয়েছে।

    আমরা হিন্দুদের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ (Bangladesh)

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (Vishva Hindu Parishad) জাতীয় মুখপাত্র বিনোদ বানসাল বাংলাদেশের হিন্দুদের স্বার্থ সুরক্ষার প্রসঙ্গ তুলে এক্স হ্যান্ডেলে বলেন, “বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং বজরং দল লাগাতার বাংলাদেশে হওয়া হিন্দু নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে রাজপথে অবতরণ করবে। বাংলাদেশে মুসলমানরা হিন্দুদের ধন-সম্পত্তি, মঠ-মন্দির, মূর্তি নিরন্তর ভেঙে চলেছে। হিন্দুধর্মের মা-বোনরা কেউ সুরক্ষিত নন। বাংলাদেশের হিন্দু সাধু-সন্তদের টার্গেট করে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হচ্ছে। আগামিকাল সারা ভারতে বিক্ষোভে নামব জেহাদি মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে। ভারতীয় বংশ উদ্ভূত, মানবিক মূল্যবোধ এবং নৈতিকতার জায়গায় থেকে আমরা হিন্দুদের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সকলে হিন্দু আমরা সকলে এক। সকল মানুষকে একত্রিত হয়ে আমাদের বিক্ষোভে যোগদানের আহ্বান জানাই।”

    ভিএইচপি এবং বজরং দলের দাবি

    বাংলাদেশের (Bangladesh) সংখ্যালঘু নিপীড়নের বিরুদ্ধে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (Vishva Hindu Parishad) পক্ষ থেকে বলা হয়-

    ১> বাংলাদেশে (Bangladesh) নৃশংস অত্যাচারের নিন্দা করা দরকার। উগ্র মুসলমান কট্টরপন্থীরা যে ভাবে হিন্দু জনজীবনকে নিধন করছে, তা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই অবিলম্বে পাশবিক অত্যাচার বন্ধ করতে হবে।

    ২> বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তাকে সুনিশ্চিত করতে হবে। হিন্দু সুরক্ষার বিষয় তুলে ধরে লাগাতার বাংলাদেশের উপর চাপবৃদ্ধি করতে হবে ভারত সরকারকে।

    ৩> ভারতের মধ্যে হিন্দু সমাজের সুরক্ষাকে সুনিশ্চিত করতে সকলকে একত্রিত হতে হবে। বাংলাদেশের দুর্দশাকে তুলে ধরে আন্তর্জাতিক বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হবে।

    গত ৫ অগাস্ট থেকে বাংলাদেশের (Bangladesh) রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে। ‘কোটা’ বিরোধিতার নামে আন্দোলন করে জামাত শিবির এবং বিএনপি হাসিনার গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত করেছে। এরপর ওই দেশের অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করেছেন মহম্মদ ইউনূস। তারপর থেকেই ওই দেশে হিন্দুদের উপর লাগাতার আক্রমণ চলছে মৌলবাদীদের। সম্প্রতি হিন্দু ধর্মগুরু চিন্ময় কৃষ্ণ মহারাজকে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করেছে এই সরকার। এরপর থেকে পরিস্থিতি আরও উত্তাল হয়ে উঠছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ১৯৭৪ সালের আইন দিয়ে বাংলাদেশে হিন্দু মন্দির, সনাতনীদের জমি হাতাচ্ছে ইসলামি মৌলবাদীরা

    Bangladesh Crisis: ১৯৭৪ সালের আইন দিয়ে বাংলাদেশে হিন্দু মন্দির, সনাতনীদের জমি হাতাচ্ছে ইসলামি মৌলবাদীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা ও বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতন জাগরণ নোটের মুখপাত্র (Bangladesh Crisis) চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের অযৌক্তিক গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা করেছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। ভারতে নিন্দার ঝড় উঠলেও, চট্টগ্রামে তিনটি হিন্দু মন্দিরে হামলা চালানো হয়েছে। এগুলি হল, ফরাসি বাজারের লোকনাথ মন্দির, মানসা মাতা মন্দির এবং হাজারি লেনের কালী মন্দির।

    সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার (Bangladesh Crisis)

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার, বিশেষ করে হিন্দুদের বিরুদ্ধে অত্যাচার একটি রুটিন বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি দীর্ঘকাল ধরে চলে এলেও, হাসিনা-উত্তর জমানায় আরও খারাপ হয়েছে। বাংলাদেশে ৯১ শতাংশ জনগণ মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, আহমদিয়া এবং খ্রিস্টান মিলিয়ে ৮.৯৫ শতাংশ। বছরের পর বছর ধরে এই সম্প্রদায়গুলি নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছে। বঞ্চিত হয়ে আসছে ন্যায়বিচার থেকেও। আইন থাকলেও, তা প্রয়োগ হয় না বলেই অভিযোগ। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের জন্য আইনগুলিতে (Vested Property Act) সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকলেও, সেগুলি কখনই বাস্তবায়িত করা হয় না। ফলে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার বেড়েই চলেছে।

    আরও পড়ুন: ইউনূস সরকারের বুকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছেন ঊনচল্লিশের সন্ন্যাসী চিন্ময়, তাই কি গ্রেফতার?

    কী বলছে সংবিধান

    বাংলাদেশের সংবিধান এবং অন্যান্য আইন বলে যে সব ধর্মকে সুরক্ষিত করতে হবে, সম্মান করতে হবে ধর্মীয় স্বাধীনতাকে। সরকারের যে এটি বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব, সংবিধানও বলে সে কথা। সংবিধানটি এও বলে, সব মানুষের উচিত আইন, জনশৃঙ্খলা এবং নীতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সকল ধর্মে বিশ্বাস করা, চর্চা করা বা প্রচার করার অধিকার দেওয়া। সংবিধানটি ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। তবে ২০১০ সালে সুপ্রিম কোর্টের একটি (Bangladesh Crisis) রায় ১৯৭৫ সালের সংশোধনী বাতিল করে দিয়ে বলে, ধর্মনিরপেক্ষতা হল সংবিধানের মৌলিক নীতি।

    সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা

    এই নীতি অনুসরণ করে, সরকারকে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে, সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত ছিল এবং ২০০৯ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে তা বৃদ্ধি পায় (Vested Property Act)। এর মূল কারণ হল, সে দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা সমাজের নিম্নস্তরের দিকে অবস্থান করে। তাদের সঠিক রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বও সেই অর্থে নেই। যে কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে পড়ে। সংখ্যালঘুদের সংখ্যা হ্রাসের কারণে পেয়ে বসে সংখ্যাগুরুরা। তার জেরে বাংলাদেশের হিন্দু মন্দির ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের উপাসনাস্থলগুলিতে বারবার হামলা চালিয়েছে মুসলমানরা। তার পরেও সরকার থেকেছে হাত গুটিয়ে। যে ধর্মের মানুষের  উপাসনাস্থল আক্রমণের শিকার হয়েছে, তাদের পাশে দাঁড়ানোর লোক মেলেনি। সরকারও দেয়নি আইনি সহায়তা।

    ভেস্টেড প্রপার্টি অ্যাক্ট (Vested Property Act) 

    ১৯৭৪ সালের ভেস্টেড প্রপার্টি অ্যাক্ট সমালোচিত করা হয়েছে। এই আইন হিন্দু এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত সমস্ত আইনের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী এবং সবচেয়ে ক্ষতিকারক বলে বর্ণনা করা হয়েছে। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর শত্রু সম্পত্তি আইন প্রণীত হয়। এটি বাংলাদেশ সরকারকে পাকিস্তান থেকে ভারতে চলে যাওয়া মানুষের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার অনুমতি দেয়। এই পর্বে যারা সবচেয়ে বেশি অনুপ্রবেশ করেছে, তারা ছিলেন পূর্ব পাকিস্তান (অধুনা বাংলাদেশ) থেকে আসা হিন্দু। ১৯৭৪ সালে ভেস্টেড প্রপার্টি অ্যাক্ট (Vested Property Act) প্রণীত হয়, যা শত্রু সম্পত্তিকে বাংলাদেশের সরকারের (Bangladesh Crisis) অধীনে স্থানান্তরিত করার অনুমতি দেয়।

    জমি দখল

    এটিই সবচেয়ে বেশি অপব্যবহৃত আইন (Vested Property Act)। এটি প্রায়ই সে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মালিকানাধীন বড় আয়তনের জমি দখল করতে ব্যবহৃত হয়েছে। সম্পত্তি বাজেয়াপ্তর সঙ্গে সম্পর্কিত বেশিরভাগ মামলা করেছে রাজনৈতিক নেতা বা জমি হাঙররা। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা আইনি সাহায্য চাইলে জমি দখলকারীরা সেটিকে অধিকারী সম্পত্তি হিসেবে দেখায়। প্রতিষ্ঠানের সমর্থনে এই দুর্বৃত্তরা সবসময় পার পেয়ে যায়। ফলে সম্পত্তি তাদের হাতেই থেকে যায়। মামলা আদালত পর্যন্ত গড়ালে মীমাংসা হতে কয়েক দশক লেগে যায়। মামলার ফয়সালা হওয়ার আগেই ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি নিঃস্ব হয়ে পথে বসেন। শেষমেশ ছেড়ে দেন সেই সম্পত্তির দাবি (Vested Property Act)। লাভবান হয় জমি হাঙর। এ বছর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে সেন্টার ফর অলটারনেটিভস এবং বাংলাদেশ পিস অবজারভেটরি জানিয়েছে, দেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হিংসার ঘটনা প্রায় ৭০ শতাংশই ভূমি সংক্রান্ত। এই হিংসা সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি বা তাদের উপাসনালয়ে হামলার মাধ্যমে সংঘটিত হয়।

    হিংসা এবং হিংসা

    তথ্য অনুযায়ী, হিংসার ৫৯ শতাংশ ঘটনা সংখ্যালঘুদের মালিকানাধীন সম্পত্তি (Vested Property Act) ও উপাসনালয় ধ্বংসের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছে। এগুলির ১১ শতাংশ সরাসরি ভূমি সংক্রান্ত বিরোধে জড়িত। প্রায় ২৭ শতাংশ ক্ষেত্রে শারীরিক আক্রমণ বা হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ২ শতাংশ ঘটনা লিঙ্গভিত্তিক হিংসা এবং ১ শতাংশ ঘটনা নির্বাচনকেন্দ্রিক। অধিকাংশ হিংসার উৎস হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা তথ্য প্রচার। অপরাধ করেও ১০০টির মধ্যে ৯৯টি ক্ষেত্রে পার পেয়ে যায় অপরাধীরা। তার জেরে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা।

    এর থেকে মুক্তি কীভাবে (Vested Property Act)? উত্তর হাতড়ে বেড়াচ্ছেন বাংলাদেশের হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানরা (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
  • Chinmoy Krishna Das: ইউনূস সরকারের বুকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছেন ঊনচল্লিশের সন্ন্যাসী চিন্ময়, তাই কি গ্রেফতার?

    Chinmoy Krishna Das: ইউনূস সরকারের বুকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছেন ঊনচল্লিশের সন্ন্যাসী চিন্ময়, তাই কি গ্রেফতার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্রই ঊনচল্লিশ। পরিচয় সনাতনী, বাংলাদেশের এক ইসকন মন্দিরের দায়িত্বে। তাঁর প্রতিপক্ষ যিনি, তিনি বয়সে প্রবীণ। বাংলাদেশের তদারকি সরকারের প্রধান। দুজনের ধর্ম পরিচয়ও আলাদা। প্রথম জন হিন্দু, অন্যজন ধর্মে মুসলমান (Muhammad Yunus)। ঊনচল্লিশ বছরের এই সনাতনিই ভয় ধরিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের বুকে। তাঁর একটা ডাকে জমায়েত হন বাংলাদেশের লাখো হিন্দু। মন দিয়ে শোনেন তাঁর কথা। এহেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ওরফে চিন্ময় প্রভুকে (Chinmoy Krishna Das) গ্রেফতার করে সাপের ছুঁচো গেলার দশা হয়েছে মহম্মদ ইউনূস সরকারের। তাঁরা না পারছেন চিন্ময়কে ছেড়ে দিতে, না পারছেন যাদের ‘বুদ্ধি’তে গ্রেফতার করা হল তাঁকে, তাদের চটাতে।

    ক্ষোভে ফুঁসছেন সনাতনীরা

    ফেরা যাক খবরে। দিন কয়েক আগে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় ইসকনের চিন্ময়কে। তাঁর মুক্তির দাবিতে কয়েক ঘণ্টার জন্য ঢাকা অচল করে দেন সে দেশের সনাতনীরা। কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়ে, লাঠিচার্জ করে চিন্ময়কে কোনওরকমে নিয়ে যাওয়া হয় জেলে। তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা হয়। যারে জেরে বাংলাদেশ তো বটেই, ক্ষোভে ফুঁসছেন ভারত তথা তামাম বিশ্বের সনাতনীরা।

    নির্ভীক চিন্ময় (Chinmoy Krishna Das) 

    চিন্ময় প্রভুর নির্ভীকতাকে কুর্নিশ করতে হয়। পুলিশ যথন তাঁকে প্রিজন ভ্যানে করে জেলের কুঠুরিতে নিয়ে যাচ্ছেন, তখনও অকুতোভয় চিন্ময় ভিক্ট্রি সাইন দেখাচ্ছেন। সনাতনীদের উদ্দেশে বলছেন, “ঐক্যবদ্ধ থাকুন।” চট্টগ্রামের জনসমাবেশে সংখ্যালঘুদের জন্য যে আট দফা দাবি তিনি জানিয়েছিলেন, সেই কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা বলে মনে করেন তিনি। চিন্ময় বলেন, “বিদ্রোহ মামলাটি আমাদের সংখ্যালঘুদের জন্য আট দফা দাবির বিরুদ্ধে। এটি আন্দোলনের নেতৃত্বকে শেষ করে দেওয়ার একটি প্রচেষ্টা।” যে চিন্ময়কে নিয়ে এত হইচই, মাস কয়েক আগেও তাঁকে বিশেষ চিনতেন না বাংলাদেশের সিংহভাগ মানুষ। হাসিনা সরকারের পতনের পর হিন্দুদের এক ছাতার তলায় নিয়ে আসার মহান কাজটি করে তিনি চলে আসেন খবরের শিরোনামে, নজরে পড়ে যান ইউনূস সরকারের (Muhammad Yunus)। এখন চিন্ময়ের নামে বাংলাদেশের যে কোনও জায়গায় নিমেষেই জড়ো করা যায় কয়েক হাজার হিন্দুকে।

    সুর চড়িয়েছেন চিন্ময় (Chinmoy Krishna Das) 

    হাসিনা সরকারের পতনের পর সবাই যখন মুখে কুলুপ এঁটেছেন, তখন গলা চড়িয়েছেন চিন্ময়। ঢাকার এক কমেন্টেটর বলেন, “যখন সবাই ভয়ে চুপ করে গিয়েছিলেন, তখন সুর চড়িয়েছিলেন চিন্ময়। সঙ্কটের সেই সময়ে তিনি আত্মপ্রকাশ করেন নেতা হিসেবে। সময়টা তাঁর অনুকূলে ছিল। সে-ই চিন্ময়কে মাইলেজ দিয়েছে।” সেই কারণেই যে তিনি মুসলমানদের রোষের মুখে পড়েছেন, তা মনে করছেন সে দেশের সনাতনীরা। পূর্বাশ্রমে তাঁর নাম ছিল চন্দন কুমার ধর। সন্ন্যাস দীক্ষা নেওয়ার পর তাঁর নাম হয় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস (Chinmoy Krishna Das)। বাংলাদেশের নিপীড়িত সংখ্যালঘুদের মুখ হয়ে ওঠেন তিনিই। তার জেরে চিন্ময়ের সঙ্গে হাত মেলান বাংলাদেশের ইস্কনের সন্ন্যাসীরা। তাঁরা চিন্ময়ের মুক্তির দাবিতে সোচ্চার হন।

    কী বলছেন কমেন্টেটর

    ঢাকার ওই কমেন্টেটর বলেন, “তিনি তাঁর বয়সের তুলনায় জ্ঞানী এবং পরিণত। আর এটি পরিস্থিতিরই একটি ফসল।” চট্টগ্রামের এক সন্ন্যাসী বলেন, “চিন্ময় ১৯৮৫ সালের মে মাসে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কারিয়ানগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শিশু বয়স থেকেই ধর্মীয় ক্ষেত্রে একজন জনপ্রিয় বক্তা ছিলেন (Chinmoy Krishna Das)। তিনি ১৯৯৭ সালে, মাত্র ১২ বছর বয়সে দীক্ষা গ্রহণ করেন এবং ইসকনের ব্রহ্মচারী হন।” বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোট ৮ দফা দাবি আদায়ের জন্য ২৫ অক্টোবর চট্টগ্রামে একটি বিশাল সমাবেশের আয়োজন করেছিল। হিন্দুদের এই শক্তি প্রদর্শন বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি অংশের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। চিন্ময়-সহ ১৭ জন হিন্দু নেতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়ের করে তারাই। সেই মামলার ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয় চিন্ময়কে।

    চিন্ময়কে রোখার চেষ্টা (Chinmoy Krishna Das)

    ২২ নভেম্বর রংপুরে জনসমাবেশের ডাক দেন চিন্ময়। সেই সমাবেশ আটকাতে চেষ্টার কসুর করেনি বাংলাদেশ সরকার। আগাম বুকিং করা থাকলেও, পরে কোনও কারণ ছাড়াই বাতিল করে দেওয়া হয় বুকিং। চিন্ময় বলেন, “বাংলাদেশে সনাতনীদের দুর্দশার কথা আপনি এই ঘটনাটি থেকেই অনুমান করতে পারেন। তাঁদের ওপর চলা দমন-পীড়নের প্রমাণের জন্য আর কিছুর প্রয়োজন নেই।” খুলনা এবং সিলেটেও দুটি বড় সমাবেশের আয়োজন করার পরিকল্পনা করেছিলেন চিন্ময় (Chinmoy Krishna Das)। তার আগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয় ঢাকা থেকে।

    আরও পড়ুন: আজমের শরিফ দরগা আদতে একটি শিব মন্দির, হিন্দু সেনার আর্জি গ্রহণ করল আদালত

    বিপাকে ইউনূস সরকার

    বাংলাদেশের ওই কমেন্টেটর বলেন, “বাংলাদেশের হিন্দু জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ তরুণ এবং প্রযুক্তি-সচেতন। এই তরুণরা দেখেছে যে সারা বিশ্বে সংখ্যালঘুদের নিজেদের জন্মভূমিতে টিকে থাকার জন্য লড়াই করতে হয়।” জানা গিয়েছে, ১৯৬৪ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে বাংলাদেশ ছেড়ে গিয়েছেন ১ কোটির বেশি হিন্দু ধর্মাবলম্বী। এই নিপীড়িতদেরই মুখ হয়ে উঠেছিলেন চিন্ময় (Chinmoy Krishna Das)। তাঁকে গ্রেফতার করেই বিপাকে বাংলাদেশ সরকার। কারণ এই মুহূর্তে চিন্ময়ের সঙ্গে রয়েছে তামাম বিশ্বের সহানুভূতির ঝড়। যার বড় মূল্য চোকাতে হতে পারে ইউনূসের (Muhammad Yunus) অন্তর্বর্তী সরকারকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ajmer Sharif Dargah: আজমের শরিফ দরগা আদতে একটি শিব মন্দির, হিন্দু সেনার আর্জি গ্রহণ করল আদালত

    Ajmer Sharif Dargah: আজমের শরিফ দরগা আদতে একটি শিব মন্দির, হিন্দু সেনার আর্জি গ্রহণ করল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজমের শরিফ দরগা (Ajmer Sharif Dargah) আদতে একটি হিন্দু মন্দির ছিল। এই মর্মে আবেদনপত্র জমা পড়েছিল রাজস্থানের আদালতে (Rajasthan Court)। সেই আবেদনের শুনানিতে সম্মতি দিয়েছে আদালত। হিন্দু সেনার দায়ের করা আবেদনে দাবি করা হয়েছে, সুফি সাধক খাজা মইনুদ্দিন চিশতির মাজার আসলে একটি শিব মন্দির। এই আবেদন গ্রহণ করেছে আজমেরের নিম্ন আদালত।

    তলব নোটিশ জারি করার নির্দেশ (Ajmer Sharif Dargah)

    আজমের পশ্চিম সিভিল জজ (সিনিয়র ডিভিশন) মনমোহন চন্ডেল হিন্দু সেনার সভাপতি বিষ্ণু গুপ্তের দ্বারা দায়ের করা আবেদনের শুনানি গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই মামলার শুনানি হবে ২০ ডিসেম্বর। আজমের শরিফ দরগা কমিটি, সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রক এবং ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (ASI)-কে তলব নোটিশ জারি করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    হিন্দু সেনার দাবি

    গত সেপ্টেম্বরে হিন্দু সেনা আজমের সিভিল কোর্টে একটি আবেদন দায়ের করে। তাতে দাবি করা হয়, খোয়াজা মইনউদ্দিন চিশতির দরগাকে ‘ভগবান শ্রী সঙ্কটমোচন মহাদেব বিরাজমান মন্দির’ ঘোষণা করা হোক। আবেদনে দাবি করা হয়েছে, দরগাটি একটি শিব মন্দিরের ওপর নির্মিত হয়েছে। প্রামাণিক উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই দাবি করা হয়েছে। সুফি দরগাটি (Ajmer Sharif Dargah) ওই জায়গা থেকে অপসারণের দাবিও জানানো হয়েছে। হিন্দু সেনার দাবি, ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণকে নির্দেশ দেওয়া হোক যাতে জ্ঞানবাপি মামলার মতোই এই জায়গায় সমীক্ষা করা হয় এবং তারপর সেখানে শিব মন্দির পুননির্মাণ করা হয়।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে ‘বিহার মডেল’ নয়, সাফ জানাল বিজেপি

    পিটিশনে বলা হয়েছে (Ajmer Sharif Dargah), খোয়াজা মইনউদ্দিন চিশতি মহম্মদ ঘোরির সঙ্গে আজমেরে এসেছিলেন। ঘোরি বহু হিন্দু মন্দির ধ্বংস করেছিলেন। এর মধ্যে রয়েছে আজমেরের সঙ্কট মোচন মহাদেব মন্দিরও। হিন্দু সেনার দাবি, আজমের শরিফ দরগার প্রধান প্রবেশদ্বারের নকশা হিন্দু স্থাপত্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। ঐতিহাসিক নথিতে সেই জায়গায় একটি শিব মন্দিরের অস্তিত্বের উল্লেখ রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই উত্তরপ্রদেশের সম্ভলে আদালতের নির্দেশে শাহি জামা মসজিদে সমীক্ষা করতে গেলে শুরু হয় অশান্তি। সেখানেও (Rajasthan Court) স্থানীয়দের একাংশ দাবি করেন, হিন্দু মন্দির ভেঙে গড়ে উঠেছে মসজিদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Tulsi Gabbard: তুলসী গ্যাবার্ডের হিন্দু প্রেম, কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্য, ভারত প্রেমের বড় প্রমাণ

    Tulsi Gabbard: তুলসী গ্যাবার্ডের হিন্দু প্রেম, কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্য, ভারত প্রেমের বড় প্রমাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ধর্মকে ভালোবেসে তাঁর মা হিন্দু হয়েছিলেন। সন্তানদের নাম দিয়েছিলেন হিন্দুদের নামে। এহেন এক মার্কিন মহিলার এক সন্তান তুলসি গ্যাবার্ড (Tulsi Gabbard) বর্তমানে খবরের শিরোনামে। অবশ্য এই প্রথম নয়, এর আগেও তিনি এসেছিলেন খবরের হেডলাইনে। সেবার মার্কিন দেশে সফর করাকালীন (Donald Trump) ভারতের প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিয়েছিলেন গীতা। তখনই প্রকাশ পেয়েছিল তুলসীর গীতা-প্রেম। তিনি বলেছিলেন, “হিন্দু ধর্ম শ্রেষ্ঠ ধর্ম, গীতা শ্রেষ্ঠ ধর্মগ্রন্থ।”

    তুলসীই প্রথম হিন্দু মার্কিন কংগ্রেসে (Tulsi Gabbard)

    এক সময় তুলসী ছিলেন ডেমোক্র্যাট পার্টির প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী। পরে যোগ দেন ট্রাম্পের দল রিপাবলিকানে। সদ্য সমাপ্ত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি প্রচার করেছেন ট্রাম্পের হয়ে। তার জেরে জুটেছে পুরস্কারও। ট্রাম্প তাঁকে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ পদে বসিয়ে দিয়েছেন। তুলসী প্রথম হিন্দু হিসেবে মার্কিন কংগ্রেসে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন। সারা জীবন নিরামিষ খেয়ে আসছেন। শপথগ্রহণ করেছিলেন পবিত্র হিন্দু ধর্মগ্রন্থ ভাগবত গীতায় হাত রেখে। হিন্দু ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তাঁর মা হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। তুলসীকেও বড় করেছিলেন সেই ধর্মের আদর্শেই। সেই কারণেই তুলসীও মনে-প্রাণে মায় ধর্মেও হিন্দু (Tulsi Gabbard)। হাওয়াইয়ের প্রতিনিধিত্ব করেছেন তুলসী। তিনি কেবল হাউজের প্রথম হিন্দু সদস্যই হননি, কংগ্রেসে প্রতিনিধিত্বকারী প্রথম আমেরিকান সামোয়ানও হয়েছিলেন। তুলসি (Tulsi Gabbard) সেনাবাহিনীর এক অভিজ্ঞ সদস্য। দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে মার্কিন সেনাবাহিনীতে কাজ করেছেন। তিনি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রতিনিধিত্ব করেছেন। আর্মি ন্যাশনাল গার্ডে কাজ করার সুবাদে ইরাক ও কুয়েতে মোতায়েন ছিলেন তুলসি। দু’বছর ধরে হাউস হোমল্যান্ড সিকিউরিটি কমিটিতেও কাজ করেছেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘‘ওপারে ইউনূস আর এপারে মমতা, দুই-ই এক’’, শ্যামপুরের সভা থেকে তোপ শুভেন্দুর

    তুলসীর জনপ্রিয়তা

    ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান-দুই দলেই তুলসীর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। সে কথা স্বীকারও করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, “ডেমেক্র্যাট প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে, একজন প্রাক্তন প্রার্থী হিসেবে তাঁর উভয় দলের মধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে–তিনি এখন গর্বিত রিপাবলিকান।” তুলসীর ভারত-প্রেম বেশ পুরানো। ২০১৪ সালে প্রথম হিন্দু-আমেরিকান কংগ্রেসওম্যান তুলসী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আন্তর্জাতিক যোগ দিবস প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে সমর্থনের অঙ্গীকার করেছিলেন। এক বিবৃতিতে তুলসী বলেছিলেন, “আমি প্রধানমন্ত্রী মোদির রাষ্ট্রসঙ্ঘে আহ্বানকে সমর্থন করার জন্য একটি প্রস্তাব পাশ করার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। তুলসী এবং মোদি-দুজনেই একমত হন যে যোগব্যায়াম শুধুমাত্র শারীরিক অনুশীলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একটি জীবনধারা সচেতনতা এবং বিশ্বদৃষ্টি, যা স্বাস্থ্যের উন্নতি, শান্তির প্রচার এবং (Donald Trump) বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলির সমাধান প্রদান করতে পারে।” তিনি এও বলেছিলেন, “প্রাচীন বৈদিক গ্রন্থগুলিতে আধুনিক বিশ্বের জন্য যে বিশাল জ্ঞান রয়েছে, তা পশ্চিমি বিশ্বকে বিস্মিত করবে।” আন্তর্জাতিক যোগ দিবস প্রতিষ্ঠায় মোদির প্রস্তাবের পক্ষে জোরালো সওয়ালও করেছিলেন তুলসী।

    কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্য

    কাশ্মীর নিয়েও তুলসী সুন্দর মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “কাশ্মীরের জটিল ইতিহাস বোঝা আমাদের মতো বাইরের লোকদের পক্ষে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি বলেন, “অনেক পরিবার তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে এবং এখনও ফিরে আসতে পারেনি। অঞ্চলটির নীতিগুলি ঐতিহাসিকভাবে অধিকার, বিশেষ করে নারীদের অধিকার সীমিত করেছিল।” তুলসীর মতে, সাম্প্রতিক পরিবর্তনগুলো নতুন আশা এবং উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে মানবাধিকার ও নাগরিক স্বাধীনতার ক্ষেত্রে। তিনি বলেন, “এই সমস্যার চূড়ান্ত সমাধান ভারতের অভ্যন্তর থেকেই আসা উচিত। এটি একটি সার্বভৌম দেশের পরিস্থিতি… যা সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের দ্বারা সমাধান করতে হবে, যাদের নিজেদের ভবিষ্যৎ এখানে নির্ভর করছে।”

    কী বললেন তুলসী

    তুলসী (Tulsi Gabbard) বলেন, “আজ হিন্দু আমেরিকানদের প্রোফাইলিং এবং লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে… আগামীকাল কি মুসলিম বা ইহুদি আমেরিকানদের পালা আসবে?” তিনি বলেন, “এটি ধর্মীয় এবং জাতিগত প্রোফাইলিংয়ের ক্ষেত্রে একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে। অতীতের নির্বাচনে আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা আমার ধর্মবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে ভীতি সঞ্চারের চেষ্টা করেছে।” তিনি মনে করিয়ে দেন, তাঁর রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বীরা হিন্দুধর্মকে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে দাবি করেছিলেন। এই ধরনের বিভাজনমূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে সতর্ক করে তুলসী বলেন, “ধর্মীয় বিদ্বেষ এবং হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘু ধর্মগুলোর প্রতি ভীতি সঞ্চারের প্রচেষ্টা এখনও রয়ে গেছে।”

    হিন্দু নিধনযজ্ঞ নিয়ে মন্তব্য

    বাংলাদেশে হিন্দু নিধনযজ্ঞ দেখে তুলসী বলেছিলেন, “এই ধরনের ঘৃণা ও হিংসা দেখে আমার হৃদয় ভেঙে গিয়েছে।” বাংলাদেশের সরকারকে হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ-সহ সকল ধর্মীয় সংখ্যালঘুকে ঘৃণার জিহাদি শক্তি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি। তুলসী বলেন, “এই ধরনের হিংসা বিশ্বাসের মৌলিক নীতিগুলির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে। ঈশ্বর হলেন ভালোবাসা এবং তাঁর প্রকৃত সেবকরা সেই ভালোবাসা পৃথিবীতে (Donald Trump) ধারণ ও প্রকাশ করে (Tulsi Gabbard)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Vivek Ramaswamy: মার্কিন ক্যাবিনেটের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসছেন বিবেক রামস্বামী, কেন তাঁকে বাছলেন ট্রাম্প?

    Vivek Ramaswamy: মার্কিন ক্যাবিনেটের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসছেন বিবেক রামস্বামী, কেন তাঁকে বাছলেন ট্রাম্প?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টিম ট্রাম্পে (Donald Trump) জায়গা পাচ্ছেন ‘গর্বিত হিন্দু’ বিবেক রামস্বামী (Vivek Ramaswamy)। আগামী ২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাই ইতিমধ্যেই ঘুঁটি সাজাতে শুরু করেছেন তিনি। তাঁর মন্ত্রিসভায় কারা ঠাঁই পাবেন, তা ঠিক করতে শুরু করে দিয়েছেন রিপাবলিকান এই নেতা। শপথ গ্রহণের জন্য অপেক্ষা না করেই মন্ত্রিসভার সদস্যদের বাছাই করার কাজ শুরু করে দিয়েছেন ট্রাম্প।

    টিম ট্রাম্পে জায়গা (Vivek Ramaswamy)

    তখনই জানা গিয়েছে, টিম ট্রাম্পে জায়গা পেয়েছেন ‘গর্বিত হিন্দু’ বিবেক রামস্বামী। প্রথমে রিপাবলিকান পার্টিতে প্রেসিডন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার দৌড়ে ছিলেন রামস্বামী। পরে সরে দাঁড়িয়ে সমর্থন করেন ট্রাম্পকে (Donald Trump)। তার পর থেকে সময় যত গড়িয়েছে ট্রাম্পের সঙ্গে রামস্বামীর সম্পর্কের গাঁটছড়া ততই মজবুত হয়েছে। রামস্বামীকে (Vivek Ramaswamy) দেশপ্রেমিক আখ্যা দিয়েছেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের মতো তিনিও বলেছিলেন, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে অবৈধ অভিবাসীদের স্বদেশে ফেরত পাঠাবেন। তিনি বলেছিলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাসকারীদের প্রতি কোনও ধরনের নমনীয়তা দেখানো হবে না। তাদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানো হবে। আমরা এই অবৈধ বসবাসকারীদের এ দেশে থাকতে দেব না। তাদের সন্তানদের মার্কিন নাগরিকত্বও বাতিল করব।”

    ‘গর্বিত হিন্দু’

    নিউ হ্যাম্পশায়ারের এক ভোটার রামস্বামীর (Vivek Ramaswamy) ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়েছিলেন। রামস্বামীর স্পষ্ট জবাব, “আমি হিন্দু। হিন্দু ধর্ম নিয়ে আমি গর্বিত। নিজের ধর্মীয় পরিচয় লুকোতে রাজি নই। আমার মতে, এতে ধর্মীয় স্বাধীনতার লড়াইয়ে আমি আরও বেশি করে তৎপর হতে পারব। কেরিয়ারের জন্য মিথ্যে কথা বলব না।” হার্ভার্ড ও ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক রামস্বামীর বয়স মাত্রই ৩৯। এই অল্প বয়সেই তিনি বিলিয়নেয়ার। তিনি ট্রাম্পের (Donald Trump) অন্যতম প্রধান সমর্থক। মনেপ্রাণে কট্টর পুঁজিবাদী। ভারতীয় অভিবাসী পিতামাতার সন্তান হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেন রামস্বামী। তিনি তাঁর বায়োটেক কোম্পানি রোভ্যান্ট সায়েন্সেসের মাধ্যমে প্রচুর সম্পদ অর্জন করেছেন। প্রযুক্তি, ক্রিপ্টোকারেন্সি, ও সম্পদ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করেছেন। ‘এক্সেলেন্স ক্যাপিটালিজম’ শব্দটিকে জনপ্রিয় করেছেন তিনি। এই ধারণা সামাজিক ও রাজনৈতিক লক্ষ্যগুলির চেয়ে ব্যবসায়িক অগ্রাধিকারকে উৎসাহিত করে।

    আরও পড়ুন: ইউনূসের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মামলা দায়ের আওয়ামি লিগের

    রামস্বামীর বায়োটেক থেকে রাজনীতিতে স্থানান্তর শুরু হয় ২০২১ সালে। এ বছরই প্রকাশিত হয় তাঁর বই— ওক, ইঙ্ক (ইনকর্পোরেশন)। এই বইতে তিনি কর্পোরেট আমেরিকার সামাজিক ইস্যুতে মনোযোগ দেওয়ার প্রবণতার সমালোচনা করেন। কট্টর পুঁজিবাদের সমর্থক হলেও রামস্বামী (Vivek Ramaswamy) যাপন করেন অতি সাধারণ মানের জীবন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

     
     
LinkedIn
Share