Tag: Howrah

Howrah

  • Howrah: প্রোমোটারের সঙ্গে গ্রামবাসীদের গন্ডগোলে রণক্ষেত্র জগৎবল্লভপুর, গুলিবিদ্ধ মহিলা

    Howrah: প্রোমোটারের সঙ্গে গ্রামবাসীদের গন্ডগোলে রণক্ষেত্র জগৎবল্লভপুর, গুলিবিদ্ধ মহিলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঠের ধারে একটি নবনির্মিত ভবনের জানালা রাখা নিয়ে প্রোমোটারের সঙ্গে গন্ডগোলের জেরে গুলি চলল হাওড়ার (Howrah) জগৎবল্লভপুরের পোলগুস্তিয়া এলাকায়। কয়েকদিন আগে থেকে গণ্ডগোল চলছিল। মঙ্গলবার সকাল থেকে নতুন করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, বহিরাগত দুষ্কৃতীদের নিয়ে এলাকাবাসীদের মধ্যে ভয় দেখাতে আসেন দিলীপ চোংদার নামে এক প্রোমোটার। দুষ্কৃতীরা এলাকায় ঢুকে বোমাবাজি করতে থাকে বলে অভিযোগ। পরে, অভিযুক্ত প্রোমোটার সহ ৬ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়ার (Howrah) পোলগুস্তিয়া এলাকায় একটি জমি দখলের অভিযোগ ঘিরে সমস্যার সূত্রপাত। অভিযোগ, দিলীপ চোংদার নামে এক প্রোমোটার জোর করে গ্রামের একটি জমি দখল করে আবাসন তৈরি করছিলেন। এই মাঠেই গ্রামের ছেলেমেয়েরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খেলাধুলো করে। সেই জমি দখলের অভিযোগ ওঠে ওই প্রোমোটারের বিরুদ্ধে। বেশ কয়েক মাস ধরে এলাকায় উত্তেজনা ছিল। মঙ্গলবার সকাল থেকে নতুন করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, বহিরাগত দুষ্কৃতীদের নিয়ে এলাকাবাসীদের মধ্যে ভয় দেখাতে আসেন ওই প্রোমোটার। দুষ্কৃতীরা এলাকায় ঢুকে বোমাবাজি করতে থাকে বলে অভিযোগ। রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়েছিলেন কয়েকজন মহিলা। অভিযোগ, আচমকা গুলি চলায় এক মহিলা জখম হন। তাঁর পায়ে এসে লাগে গুলি। এরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিরোধ গড়়ে তোলেন। তখনই দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। গ্রামবাসীদের তরফ থেকেও ইট ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। রীতিমতো অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয় এলাকায়। পরে, দুষ্কৃতীরা এলাকা ছাড়ে। আপাতত এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হন। ঘটনাস্থলে বিশাল বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। এলাকায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট।

    কী বললেন অভিযুক্ত প্রোমোটার?

    হামলার প্রসঙ্গে প্রোমোটার দিলীপ চোংদার বলেন, আমার নিজের জমি। সমস্ত অনুমতি নিয়েই আমি বিল্ডিংটা তৈরি করছি। থানাকে জানানো আছে। জেলা পরিষদের অনুমতি নিয়েছি। কিন্তু, স্থানীয় যুবক সমিতি ক্লাবের কিছু ছেলে আমার কাছে চার লক্ষ টাকা চেয়েছিল। আমি তা দিইনি। এটাই অপরাধ। তার জন্য ওরা মাঠের দিকে আমাকে জানালা রাখতে দেবে না। তাই নিয়েই বিবাদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: দুর্গাপুজোর বৈঠকে নাক গলাতে না পেরে হামলা, জখম ৪, অভিযুক্ত তৃণমূল

    TMC: দুর্গাপুজোর বৈঠকে নাক গলাতে না পেরে হামলা, জখম ৪, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজো কমিটিতে নাক গলানোর চেষ্টা শাসক দলের। আর সেখানে বাধা পেয়ে পুজো কমিটির সদস্যদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার জগদীশপুরে। হামলার জেরে চার জন গ্রামবাসী জখম হন। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    রবিবার বিকেলে জগদীশপুর মাঝেরহাট এলাকায় দীর্ঘদিনের পুরানো দুর্গাপুজোর প্রস্তুতির জন্য মাঝেরহাট দুর্গা উৎসব কমিটির বৈঠক ডাকেন গ্রামবাসীরা। এলাকার মানুষের অভিযোগ, গত দুবছর ধরে বাইরের বেশ কয়েকজন তৃণমূলের (TMC) নেতা ও কর্মী পুজো কমিটি দখল করে পুজোর ব্যবস্থা করছেন। এলাকার মানুষ নিজেদের পুজোয় ঠিক মতো অংশগ্রহণ করতে পারছিলেন না। এই নিয়ে গ্রামবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছিল। এবছর বহিরাগত তৃণমূলদের বাদ দিয়ে গ্রামবাসীরা জোট বেঁধে পুজো করবেন বলে ঠিক করেন। সেইমতো রবিবার বিকেলে ক্লাবের মধ্যে গ্রামবাসীরা বৈঠক ডাকেন। ওই বৈঠকে মহিলারাও অংশগ্রহণ করেন। অভিযোগ, বৈঠক চলাকালীন বেশ কিছু বহিরাগত তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী আসেন। তাঁদের সঙ্গে পুজো কমিটির সদস্যদের প্রথমে বচসা বাধে। পরে, তৃণমূলের লোকজন হামলা চালায়। গ্রামবাসীদের বেধড়ক পেটায় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় চার জন গ্রামবাসী জখম হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে লিলুয়া থানার পুলিশ। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে গ্রামবাসীরা পথ অবরোধ করেন। পরে, পুলিশ তাদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) নেতা তাপস আইন বলেন, এটা পুরোপুরি গ্রামবাসীদের মিটিং ছিল পুজো নিয়ে। সেখানে গ্রামবাসীদের একাংশ বাইরে থেকে লোক এনে কমিটি দখল করতে চাইছিল। এনিয়ে দুপক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছে। এখানে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও ব্যাপার নেই। ওরা আমাদের দলের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: আমতায় ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের সদস্যরা, শুনলেন ক্ষতিগ্রস্তদের কথা

    BJP: আমতায় ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের সদস্যরা, শুনলেন ক্ষতিগ্রস্তদের কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার আমতা সহ বিভিন্ন জেলায় পঞ্চায়েত ভোটে গোলমালের কারণ খুঁজতে একের পর এক ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম রাজ্যে পাঠাচ্ছে বিজেপি (BJP)। দলীয় সাংসদদের প্রতিনিধি দলের পর সম্প্রতি গেরুয়া শিবিরের মহিলা সাংসদদের প্রতিনিধিরা ঘুরে গিয়েছেন বাংলা থেকে। এ বার তফশিলি সাংসদদের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম এল আমতায়। আমতার কাঁকরোলে ভোটের পর বিজেপি কর্মীদের বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তা খতিয়ে দেখতে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলেন তফশিলি সাংসদ দলের সদস্যরা। যদিও এই প্রতিনিধি দল আসার আগে আমতায় রাস্তা আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরে, তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছন।

    কী বললেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা?

    বিজেপির (BJP) তফশিলি সাংসদদের এই দলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মনোজ রাজরি, এস মুনিস্বামী। তাঁরা বলেন, ‘পঞ্চায়েত ভোটকে কেন্দ্র করে রাজ্যে তফশিলি সম্প্রদায়ের ২৮ জন মানুষ খুন হয়েছেন। বিজেপির যে ১০ জন মারা গিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ৮জন তফশিলি।’ মনোজের অভিযোগ, ‘বাংলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে। পুলিশ রাজ্য সরকারের হয়ে কাজ করছে। আমতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের সঙ্গে কথা বলে সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁরা জানান,  এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী গণতন্ত্র নিয়ে কথা বলেন। অথচ এই রাজ্যে গণতন্ত্রকে কিভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে তা আপনারা (সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন) সারা দেশের সামনে তুলে ধরুন। একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর রাজ্যেই মহিলাদের উপর সব থেকে বেশি নির্যাতন চলছে। গরিব ও দলিত মানুষদের উপর সব থেকে বেশি অত্যাচার হয়েছে। তাদের অভিযোগ, পুলিশ ঠিক মতো তাদের দায়িত্ব পালন করেনি। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে সব ঘটনার পুনরায় তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেবে।

    প্রতিনিধি দলের সদস্যদের সামনে কী বললেন ক্ষতিগ্রস্তরা?

    প্রতিনিধি দলের সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের নিয়ে সাংবাদিকদের সামনে যখন বক্তব্য রাখছিলেন তখন ক্ষতিগ্রস্ত মহিলারা কান্নায় ভেঙে পড়েন। প্রতিনিধি দলের সদস্যদের সামনে তাঁরা বলেন, আমাদের ঘরবাড়ি, দোকান ঘর সবকিছু ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন আমরা কোথায় থাকব তা ভেবে পাচ্ছি না। মনোজ রাজরি তখন তাদের শান্ত্বনা দিয়ে বলেন, আপনারা চিন্তা করবেন না। সব অপরাধীরা সাজা পাবে। তিনি বলেন, এই বোনেদের চোখের জল মমতা দিদির সরকারকে ডোবাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Botanical Garden: শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনের প্রবেশ মূল্য ১০ টাকা থেকে বেড়ে হচ্ছে ৩০ টাকা

    Botanical Garden: শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনের প্রবেশ মূল্য ১০ টাকা থেকে বেড়ে হচ্ছে ৩০ টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার এ জে সি বোস ইন্ডিয়ান বোটানিক গার্ডেনের (Botanical Garden) প্রবেশ মূল্য বাড়ছে। ভারতীয় নাগরিকদের জন্য এই প্রবেশ মূল্য আগে ছিল ১০ টাকা। তা বেড়ে হচ্ছে ৩০ টাকা। একই ভাবে বিদেশি নাগরিকদের জন্য এই প্রবেশ মূল্য ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০০ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া বাগানে ফটোগ্রাফির চার্জ ২০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ টাকা হচ্ছে। হাওড়ার শিবপুরে বোটানিক্যাল গার্ডেন কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই প্রবেশ মূল্য বৃদ্ধির নোটিস বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজি ভাষায় টাঙিয়ে দিয়েছে গার্ডেনের প্রবেশ দ্বারে। ১ অগাস্ট থেকে এই নতুন হারে প্রবেশ মূল্য নেওয়া হবে বলে কর্তৃপক্ষ নোটিসে জানিয়েছে।

    কী বললেন গার্ডেনের (Botanical Garden) জয়েন্ট ডিরেক্টর?

    বোট্যানিক্যাল গার্ডেনের জয়েন্ট ডিরেক্টর দেবেন্দর সিং জানিয়েছেন, বাগানের যে ম্যানেজমেন্ট কমিটি আছে, সেই কমিটির প্রধান রাজ্যের চিফ সেক্রেটারি। গত মাসে সেই ম্যানেজমেন্ট কমিটির বৈঠকেই এই টিকিট মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাব পাশ হয়। তিনি বলেন, যাঁরা বাগানে (Botanical Garden) প্রাতঃভ্রমণে আসেন, তাঁদের প্রবেশ মূল্য কিছুটা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেটা বাড়ানোর কোনও সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। তিনি বলেন, গবেষণার কাজে বা স্কুল পড়ুয়ারা একসঙ্গে বাগানে এলে স্কুল থেকে চিঠি দিলে তাদের জন্য কোনও প্রবেশ মূল্য লাগবে না। বাকিদের প্রবেশ মূল্য দিয়েই বাগানে ঢুকতে হবে। দেবেন্দর সিং বলেন, বহু জায়গা থেকে ওয়েডিং ফটোগ্রাফি, ডকুমেন্টেশন ফটোগ্রাফি ও সিনেমাটোগ্রাফির জন্যও আবেদন আসছে। ম্যানেজমেন্ট কমিটির বৈঠকে সেই বিষয়টিও উত্থাপন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে তা অনুমোদন এলেও বোটানিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার অধিকর্তার কাছ থেকে আলাদা করে অনুমোদন নিয়ে তবেই সেই সুযোগ দেওয়া হবে।

    কী প্রতিক্রিয়া প্রাতঃভ্রমণকারীদের (Botanical Garden)? 

    বি গার্ডেনে প্রতিদিন প্রাতঃভ্রমণে আসা ব্যক্তিদের সংগঠন বোটানিক্যাল গার্ডেন (Botanical Garden) ডেইলি ওয়াকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক তাপস দাস বলেন, এটা একটা গবেষণার বাগান। প্রতিদিন বহু ছাত্র-ছাত্রী গবেষণার কাজেও এই বাগানে প্রবেশ করেন। এখানে এক ধাপে এতটা প্রবেশ মূল্য বাড়ানো ঠিক হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Howrah: মহিলা বিজেপি প্রার্থীর শ্লীলতাহানি করে নগ্ন করে নির্যাতন তৃণমূলের, তোলপাড় হাওড়ায়

    Howrah: মহিলা বিজেপি প্রার্থীর শ্লীলতাহানি করে নগ্ন করে নির্যাতন তৃণমূলের, তোলপাড় হাওড়ায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের দিন ৮ জুলাই হাওড়ার পাঁচলায় (Howrah) এক মহিলা বিজেপি প্রার্থীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল। শুধু তাই নয়, এই প্রার্থীকে কাপড় খুলে নগ্ন করে অসম্মানিত করার অভিযোগও করা হয়েছে। মণিপুরের ছায়া কি বাংলাতেও! প্রশ্ন তুললেন বিজেপি নেতারা। বর্তমানে ওই পরিবার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

    নিপীড়িত মহিলার বক্তব্য

    আক্রান্ত মহিলা (Howrah) জানিয়েছেন, পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। গত ৮ ই জুলাই পঞ্চায়েত ভোটের দিনে সকাল ১১ টা নাগাদ স্থানীয় বুথে তিনি যখন ভোট দিতে যান, তখন তাঁকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয়। এরপর তাঁর কাপড় ধরে টানাটানি করা হয়। ঠিক তারপরেই ওই মহিলা দৌড়ে বুথ থেকে বেরিয়ে আসেন। তারপর তাঁকে নগ্ন করে নির্যাতন চালানো হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা এবং তাঁর স্বামী তাঁকে উদ্ধার করেন। পরিবারের অভিযোগ, বুথ থেকে সব ভোট লুট করেছিল তৃণমূল। তাঁর উপর যে নির্যাতন হয়, তাতে অভিযোগের তীর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার পর গোটা পরিবার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। ঘটনার এক সপ্তাহ পর মেল করে পাঁচলা থানার ওসির কাছে অভিযোগ জানায় পরিবার। এরপরই তদন্তে নামে হাওড়া জেলা গ্রামীণ পুলিশ। মহিলার বেশি চোট না থাকায় তিনি মেডিক্যাল পরীক্ষা করতে অস্বীকার করেন। গোটা পরিবার এখন শান্তিতে বসবাস করতে চাইছে। এই বিষয়ে বিজেপি নেতা অমিত মালব্য ট্যুইট করে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।

    স্বামীর বক্তব্য

    আক্রান্ত মহিলার (Howrah) স্বামী জানিয়েছেন, তিনি পরপর দুটি পঞ্চায়েত নির্বাচন দেখলেন। বিজেপি করার জন্য তাঁর স্ত্রীকে নৃশংস ভাবে নগ্ন করে যেভাবে অত্যাচার চালিয়েছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা, সেই ঘটনার স্মৃতি মনে পড়লে তাঁরা আঁতকে উঠেছেন। তাই তাঁরা আর এই ধরনের ঘটনার সম্মুখীন হতে চান না। তাঁদের পরিবার চায় বিজেপি এই রাজ্যে ক্ষমতায় এসে রাজ্য জুড়ে এই নারী সমাজের উপর অত্যাচার, হিংসা এবং অরাজকতার অবসান ঘটাক।

    আজকেই দিল্লিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মুজমদার এবং সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিক সম্মলেন করে পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজেপির কর্মী-সমর্থক এবং প্রার্থীদের উপর অত্যাচারের কথায় সরব হয়েছেন। সেই সঙ্গে হাওড়ার পাঁচলায় নারী নির্যাতনের কথাকে তুলে ধরে শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন।

    পুলিশের বক্তব্য

    রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্য যথারীতি বলেন, পাঁচলায় এমন ঘটনা ঘটছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়নি।  

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: হাওড়ার মঙ্গলাহাট তুলে দেওয়ার চক্রান্ত হচ্ছে, অগ্নিকাণ্ডের পর সরব বিজেপি নেতৃত্ব

    BJP: হাওড়ার মঙ্গলাহাট তুলে দেওয়ার চক্রান্ত হচ্ছে, অগ্নিকাণ্ডের পর সরব বিজেপি নেতৃত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়া ময়দানের মঙ্গলাহাটে চক্রান্ত করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন ব্যাবসায়ীরা। ইতিমধ্যেই পোড়া মঙ্গলাহাটের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। শুক্রবার দুপুরে বিজেপির (BJP) হাওড়া জেলা সদরের সভাপতি মনিমোহন ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে একদল বিজেপি নেতা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপির (BJP) রাজ্য সম্পাদক উমেশ রায় বলেন, এই হাটে ব্যবসায়ীদের থেকে মোটা টাকা তোলা হয়। আর ব্যবসায়ীদের কোনও স্বার্থ দেখা হয় না। এই হাটে কোনও অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নেই। যার ফলে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দলের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য আমরা ক্ষতিপূরণের দাবি জানাচ্ছি। এর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের  ব্যবসা করার জায়গা দিতে হবে। বিজেপির হাওড়া জেলা সদরের সভাপতি মনিমোহন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন, মঙ্গলাহাটের বেচাকেনার দিন বদল করা হচ্ছে। এই হাটকে তুলে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে। তিনি এর জন্য সরাসরি তৃণমূলকে দায়ী করেন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এদিন সকালে দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু এবং রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় আলাদাভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁরা জানিয়েছেন, কী কারণে আগুন লাগল তা নিয়ে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা তদন্ত করবেন। তাতে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তোলাবাজির অভিযোগ নিয়ে অরূপ রায়ের বক্তব্য, কোনও অভিযোগ থাকলে পুলিশ তদন্ত করে দেখবে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    কী বললেন মঙ্গলহাটের মালিক?

     মঙ্গলহাটের মালিক শান্তিরঞ্জন দে বলেন, এই হাট নিয়ে অনেকগুলি মামলা চলছে। আমার বিরুদ্ধে যে আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি এই ধরনের কোনও কাজ করিনি। এর পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, শট সার্কিট থেকেও আগুন লাগতে পারে।

    ব্যবসায়ীদের কী বক্তব্য?

    ব্যাবিসায়ীদের অভিযোগ,এই হাটের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গণ্ডগোল চলছিল। ৩৬ বছর আগে একবার এই হাটে আগুন ধরে যায়। তারপর থেকে এটিকে পোড়া হাট নামেই চেনেন সকলে। এই পোড়া হাট ছাড়াও আরও প্রায় ১১ টি হাট ভবন আছে এখানে। সেই সব ভবনেও আগুন নেভানোর কোনও পরিকাঠামো নেই। এসব নিয়ে বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব সরব হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ২১ জুলাইয়ের গুঁতোয় অবরুদ্ধ হাওড়া ব্রিজ, বন্ধ লঞ্চ পরিষেবা, দুর্ভোগ চরমে

    TMC: ২১ জুলাইয়ের গুঁতোয় অবরুদ্ধ হাওড়া ব্রিজ, বন্ধ লঞ্চ পরিষেবা, দুর্ভোগ চরমে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মতলায় তৃণমূলের (TMC) ২১ জুলাইয়ের সভা শুরু হয়ে গিয়েছে। সভা শুরুর ৪-৫ ঘণ্টা আগে থেকেই রাস্তার মোড়ে মোড়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ শুরু করে দেয় হাওড়া ও কলকাতা পুলিশ। এর জেরে সকাল ১০ টার পর থেকেই তীব্র যানজট লেগে যায় হাওড়া ব্রিজে। এমনিতেই ব্রিজের উপর গাড়ি পার্কিং করার কথা নয়। কিন্তু, বৃহস্পতিবার রাত থেকেই কলকাতা পুলিশের বিভিন্ন গাড়ি ও ভ্যান পার্কিং করে রাখা হয় হাওড়া ব্রিজের উপর। তার উপর বিভিন্ন জেলা থেকে হাওড়া স্টেশন হয়ে আসা মানুষের ভিড়।

    তৃণমূলের মিছিল নেমে পড়ে হাওড়া ব্রিজের রাস্তায়, বন্ধ হয়ে যায় লঞ্চ পরিষেবা

    তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সমর্থকরা ব্রিজের ফুটপাথ দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে ব্রিজের রাস্তায় নেমে পড়েন। এর জেরে তীব্র যানজট লেগে যায় হাওড়া ব্রিজের উপর। মিছিল যাওয়ার পর হাওড়া ব্রিজের যানজট আরও বড় আকার নেয়। আটকে পড়ে বিভিন্ন যাত্রীবাহী বাস ও প্রাইভেট গাড়ি। শুক্রবার অফিস টাইমে বহু মানুষ এদিন ভিড় উপেক্ষা করেই অফিস বেরিয়েছিলেন। অনেকেই ভিড় এড়াতে সময়ের অনেক আগে অফিস চলে আসেন। কিন্তু, রাস্তার মোড়ে মোড়ে পুলিশি নিয়ন্ত্রণ ও মিছিলের  জন্যে হাওড়া ব্রিজের মুখে গাড়ির জ্যাম লেগে যায়। ফলে অনেক যাত্রীকেই দীর্ঘ পথ হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে হয়। এরপর উত্তর হাওড়া ও হাওড়া ময়দান থেকে আসা মিছিলের জেরে সেতু একরকম অবরুদ্ধ হয়ে যায়। অন্যদিকে, দূরের জেলাগুলি থেকে আসা পার্টি কর্মীরা লঞ্চ পেরিয়ে কলকাতায় সভাস্থলে আসে। লঞ্চগুলিতেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার্টি কর্মীরা উঠে পড়েন। এর ফলে অতিরিক্ত চাপে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় লঞ্চ পরিষেবা বন্ধ করে দিতে হয়।

    কী বললেন অফিস যাত্রী?

    তৃণমূলের (TMC) মিটিংয়ের জন্য সরকারি বাস আগেই তুলে নেওয়া হয়েছিল। এদিন সকাল থেকেই বেসরকারি বাসের সংখ্যাও অনেক কমে যায়। বিশেষ করে ধর্মতলা এড়িয়ে বাসগুলি গন্তব্যের উদ্দশে রওনা দেয়। এর ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েন অফিস যাত্রী থেকে সাধারণ মানুষ। এক অফিস যাত্রীর বক্তব্য, অফিস আসার জন্য কয়েক ঘণ্টা আগেই আমি বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলাম। কিন্তু, মিছিলের দাপটে রাস্তায় এতটাই যানজট সময়ে অফিস ঢুকতে পারিনি। রাস্তাতেই ফেঁসে গিয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • English Channel: ২৬ বছর পর বিশেষভাবে সক্ষম হিসেবে টু ওয়ে ইংলিশ চ্যানেল পার করলেন হাওড়ার রিমো

    English Channel: ২৬ বছর পর বিশেষভাবে সক্ষম হিসেবে টু ওয়ে ইংলিশ চ্যানেল পার করলেন হাওড়ার রিমো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ২৬ বছর পর আরও এক বিশেষভাবে সক্ষম বাঙালি সাঁতারু উত্তর হাওড়ার সালকিয়ার এস বি লেনের বাসিন্দা ৩২ বছরের রিমো সাহা সাঁতরে ইংলিশ চ্যানেল (English Channel) জয় করলেন। বাঙালি এই সাঁতারু বিশেষভাবে সক্ষম হওয়া সত্ত্বেও সমস্ত প্রতিবন্ধকতা কাটিয়েই তিনি লক্ষ্যপূরণ করলেন। তাঁর এই সাফল্যকে কুর্ণিশ জানিয়েছেন রাজ্যবাসী। এর আগে নর্থ চ্যানেল পার করেছিলেন তিনি। মনের জোর আর দৃঢ়সংকল্প থাকলে যে সবই সম্ভব সেটাই তিনি প্রমাণ করে দেখালেন। রিমোর সঙ্গেই উত্তর-পূর্বাঞ্চলের এলিভিস আলি হাজারিকা টু ওয়ে ইংলিশ চ্যানেল পারাপার করেছেন বলে জানা গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও অসম থেকে এই দুই সাঁতারুর সাফল্যে খুশি দেশবাসী।

    কবে ইংলিশ চ্যানেল (English Channel) অভিযানে নামেন তিনি?

    নতুন ইংলিশ চ্যানেল জয়ী রিমো সাহার আগে ১৯৯৭ সালে উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা মাসুদুর রহমান বৈদ্য এশিয়ার প্রথম বিশেষভাবে সক্ষম সাঁতারু হিসেবে ইংলিশ চ্যানেল (English Channel) জয় করেছিলেন। পরে, জিব্রাল্টার প্রণালী অতিক্রম করেন তিনি। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রিমো ইংলিশ চ্যানেল পার করেছিলেন আগেই। এ বার তাঁর অভিযানের লক্ষ্য ছিল ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে আবার ফিরে আসা। সাঁতারের পরিভাষায় যাকে বলে ‘টু ওয়ে’। এ জন্য গত ৮ জুলাই রওনা দেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন অসম, মধ্যপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, তেলঙ্গানা এবং মহারাষ্ট্রের পাঁচজন সাঁতারুও। ইংল্যান্ডে পৌঁছে তাঁরা অনুশীলন করেন। প্রথমে সেখানকার আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য। এর পর, মঙ্গলবার রিমো-সহ বাকি পাঁচ সাঁতারু মিলে রিলে পদ্ধতিতে ইংলিশ চ্যানেলে নামেন। মঙ্গলবার ভারতীয় সময় সকাল ৮টায় শুরু হয় অভিযান। বুধবার দুপুর সাড়ে ৩টেয় তাঁরা অভিযান সফল করেন।

    কী বললেন ইংলিশ চ্যানেল জয়ী সাঁতারু (English Channel)?

    ইংলিশ চ্যানেল (English Channel) জয়ী সাঁতারু রিমো সাহা বলেন, সাঁতারের সময় আবহাওয়া ছিল প্রতিকূল। ছিল ঝোড়ো হাওয়া এবং প্রচণ্ড স্রোত ছিল। সেই সঙ্গে জলে প্রচুর জেলিফিশও ছিল। সেই সব প্রতিকূলতা দূর করে সাফল্য পাওয়ায় খুব ভালো লাগছে তাঁর।

    কী বললেন প্রতিবেশীরা?

    রিমোর এই সাফল্যে খুশি হাওড়ার সালকিয়ায় তাঁর প্রতিবেশী ও আত্মীয়রাও। প্রতিবেশীর বক্তব্য, রিমোর জন্য আমাদের গর্ব হচ্ছে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে রিমো ফিরে এলে বড়ো করে সাফল্য উদযাপন করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: ভোটে হেরে গেলেন একই পরিবারের ৩ বৌমা, বোসবাড়িতে বিষাদের সুর

    Panchayat Election 2023: ভোটে হেরে গেলেন একই পরিবারের ৩ বৌমা, বোসবাড়িতে বিষাদের সুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) তিন দলের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন হাওড়ার থানামাকুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের একই বাড়ির তিন বৌমা। তিনজনেই নিশ্চিত ছিলেন যে তাঁরাই ভোটে জিতবেন। ভোটে জিতলে এলাকার যে প্রধান সমস্যা, সেই পানীয় জল ও নিকাশির সমস্যার সমাধান করবেন বলে আশ্বাসও দিয়েছিলেন। এলাকার মানুষেরও আশা ছিল যে তাঁদের কেউ ভোটে জিতবে। কিন্তু ফল প্রকাশ হতে দেখা গেল, তাঁরা কেউই জেতেননি। বরং জিতেছেন একজন নির্দল মহিলা প্রার্থী।

    কে কোন দলে দাঁড়িয়েছিলেন (Panchayat Election 2023)?

    স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, হাওড়ার সাঁকরাইল বিধানসভা কেন্দ্রের থানামাকুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ১১৩ নং বুথে দাঁড়িয়েছিলেন এই তিন বৌমা। তিন বৌমাই হেরে যাওয়ায় এখন বোসবাড়িতে বিষাদের সুর। তিন বৌমা কাকলি বোস, নীলিমা বোস ও পিঙ্কি বোস। তিনজনই দাঁড়িয়েছিলেন (Panchayat Election 2023) তিন দলের টিকিটে। কাকলি তৃণমূলের হয়ে, নীলিমা কংগ্রেসের টিকিটে এবং পিঙ্কি বিজেপির হয়ে। পরিবারের আশা ছিল, তিন বৌমার যেই  জিতুক না কেন, আদতে জয় আসবে বোস পরিবারেই। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না

    কে কীভাবে হারলেন (Panchayat Election 2023)?

    পরিবার ও স্থানীয় কিছু মানুষের আশা ভঙ্গ করে ভোটের ফলাফল (Panchayat Election 2023) প্রকাশিত হতেই দেখা গেল, প্রধান প্রধান দল থেকে দাঁড়ানো তিন বৌমার বদলে ভোটে জিতেছেন আম চিহ্নে দাঁড়ানো নির্দল প্রার্থী লতা যাদব। তিনি ২৬ ভোটে হারিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী কাকলি বোসকে। ভোটে হেরে নিজের দলের বিরুদ্ধেই অন্তর্ঘাতের অভিযোগ তুলেছেন কাকলি। তবে বাকিরা এই ফলাফলকে মানুষের রায় হিসাবে মাথা পেতে মেনে নিয়েছেন।

    শেষ হাসি হাসলেন কে (Panchayat Election 2023) ?

    স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, জয়ী নির্দল প্রার্থী লতা যাদব বিজেপি করতেন। বিজেপি থেকে টিকিট না পেয়ে তিনি আম চিহ্নে নির্দল হয়ে ভোটে দাঁড়ান। আর তিন বৌমাকে পিছনে ফেলে শেষ হাসি হাসেন তিনিই (Panchayat Election 2023)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বিজয় মিছিলে হামলা! আতঙ্কিত এলাকাবাসী

    Howrah: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বিজয় মিছিলে হামলা! আতঙ্কিত এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফলাফলের পরেই রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাসের আবহ। তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয় মিছিলে হামলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল হাওড়ার (Howrah) ডোমজুড়ের কলোড়া দু’নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের লস্কর পাড়ায়। তৃণমূলের বিজয়ী প্রার্থীর স্বামীর বক্তব্য, মিছিলে ইট-বোতল যারা ছুড়ে হামলা করেছে, তারাও তৃণমূল। এলাকায় তীব্র উত্তেজনা।

    কী ঘটেছে ডোমজুড়ে (Howrah)?

    বুধবার সন্ধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা স্থানীয় সদ্য বিজয়ী পঞ্চায়েত সদস্যের নেতৃত্বে বিজয় মিছিল বের করেন। পাড়ার (Howrah) মধ্যে দিয়ে যখন মিছিল এগোতে থাকে, সেই সময় বেশ কিছু দুষ্কৃতী মিছিলকে লক্ষ্য করে বড় বড় ইট এবং বোতল ছোড়ে বলে অভিযোগ। এমনকী রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি অ্যাম্বুলেন্স এবং একটি বাইকেও ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ডোমজুড় থানার পুলিশ।

    তৃণমূলের প্রাক্তন উপপ্রধানের বক্তব্য

    স্থানীয় (Howrah) তৃণমূল পঞ্চায়েতের প্রাক্তন উপপ্রধান অভিযোগ করেন, সিপিএম আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ভোটের আগে থেকেই গন্ডগোল পাকানোর চেষ্টা করছিল। গতকাল বিজয় মিছিলে যেমন হামলা হয়, তেমনি মিছিলের পর সন্ধ্যায় তৃণমূল কর্মীরা যখন রাস্তার ধারে বসে চা খাচ্ছিলেন, সেই সময় সিপিএম কর্মীরা পরিকল্পনামাফিক গন্ডগোল সংগঠিত করে। এরপর ইট দিয়ে আঘাত করে বেশ কয়েক জনকে। এরপরে বেশ কিছু তৃণমূল কর্মী আহত হন। তিনি আরও বলেন, দোষীদের বিরুদ্ধে যাতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তার জন্য পুলিশের দ্বারস্থ হবে তৃণমূল।

    বিজয়ী তৃণমূল প্রার্থীর স্বামীর বক্তব্য

    স্থানীয় (Howrah) তৃণমূল পঞ্চায়েতের বিজয়ী সদস্যের স্বামী অবশ্য স্বীকার করেছেন, মিছিলে হামলা করে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরাই। এর পিছনে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কাজ করছে। ঘটনাস্থলে দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। চাপা উত্তেজনা থাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এলাকায়।

    সিপিএমের বক্তব্য

    এদিকে সিপিএমের পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী (Howrah) তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমি জিতলেও জোর করে তৃণমূল হারিয়ে দেওয়া দিয়েছে। চোরেরা ভোট চুরি করেছে। তিনি আরও বলেন, সিপিএম কেন হামলা করবে! এই ঘটনার পেছনে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share