Tag: Howrah

Howrah

  • Howrah: বাড়িতেই না, ব্যাংকেও হয়েছে ৭৭ কোটি টাকার লেনদেন! হাওড়া কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে

    Howrah: বাড়িতেই না, ব্যাংকেও হয়েছে ৭৭ কোটি টাকার লেনদেন! হাওড়া কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শুধুই টাকার পাহাড়! গতকালই উদ্ধার হয়েছে ২৮ কোটি টাকা সহ সোনা রুপো এমনকি হিরের গয়নাও। কিন্তু এবার কোনও হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীর বাড়ি থেকে নয় বরং এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ এবং গয়না। ব্যবসায়ীর নাম শৈলেশ পাণ্ডে। পুলিশের অভিযানের আগে থেকেই খোঁজ নেই হাওড়ার পাণ্ডে ব্রাদার্সের। হাওড়ার শিবপুর টাকা উদ্ধার কাণ্ডে এবারে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, আরও টাকার হদিশ পাওয়া গিয়েছে। শুধুমাত্র নগদ অর্থই নয়, ব্যাংকের দুটি অ্যাকাউন্টে প্রায় ৭৭ কোটি টাকার লেনদেনের খবর সামনে এসেছে। ফলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে যে, এত টাকার উৎস কী?

    এই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ জানিয়েছে যে, লোক ঠকানোর কারবারের জন্য খোলা হয়েছিল আইএক্স গ্লোবাল নামক অ্যাপ। এই অ্যাপের মাধ্যমে বিদেশ থেকে অনলাইনে টাকা রোজগারের ব‌্যাপারে প্রশিক্ষণ বা শিক্ষা দেওয়া হত। এই প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য ৮০ ডলার থেকে শুরু করে ১২৫ ডলার নেওয়া হত আর এরই মাধ্যমে অনেক বেশি টাকা রোজগার করা হত। এখানেই শেষ নয়, যারা ট্রেনিং নিত তাদের লোভ দেখানো হত যে, এই অ্যাপে আরও বেশি লোক নিয়ে আসলে তাদের কমিশন দেওয়া হবে। এরপর তাদের প্রথম কমিশন দেওয়া হলেও সেটি দশ হাজার ডলার ছাড়িয়ে গেলেই তাদের অ‌্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হত। আর এভাবেই পাণ্ডে ব্রাদার্সের অ্যাকাউন্টে জমা হত টাকা।

    আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর বিজয়া সম্মিলনীতে হাজির করাতে হবে ক্লাবকে, জেলাশাসকদের নির্দেশ নিয়ে সরব শুভেন্দু

    আরও জানা গিয়েছে, এভাবে মোট ৩৪টি বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও অ‌্যাপ থেকে টাকা আসতে শুরু করে আইএক্স গ্লোবাল অ‌্যাপে, যা নিয়ন্ত্রণ করত টি পি গ্লোবাল নামে একটি সংস্থা। এরপর এই নিয়ে প্রথম অভিযোগ জমা পড়েছিল চলতি বছরের অগাস্ট মাসে। অভিযোগ জানিয়েছিল একটি রাষ্টায়ত্ত ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। ১৬, স্ট্র্যান্ড রোডের ঠিকানা দিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল। দুটি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল অগাস্টে।

    চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে দেখা যায় বিশাল পরিমাণে টাকার লেনদেন হয়েছে ওই অ্যাকাউন্টে। এক মাসে প্রায় ৭৭ কোটি টাকার লেনদেন। আর এত টাকার লেনদেনের ফলেই সেটির উপর বিশেষ নজর রাখা হয়। ওই সংস্থা থেকে আরও কয়েকটি সংস্থায় ভাগ হয়ে টাকা জমা পড়ছে দু’টি অ‌্যাকাউন্টে। এক মাসে ওই দুই অ‌্যাকাউন্ট থেকে ৭৭ কোটি টাকার লেনদেন হওয়ায় গোয়েন্দাদের সন্দেহ হয়। এরপর পুলিশ সূত্র ধরে সেই জায়গায় পৌঁছলে শৈলেশ পাণ্ডের নাম সামনে আসে। আরও জানা গিয়েছে, শৈলেশ চার্টার্ড অ‌্যাকাউন্ট‌্যান্টও ছিলেন ও এর সুযোগ নিয়ে বহু মানুষের পরিচয়পত্রের কপি ও ছবি জোগাড় করে ভুয়ো অ‌্যাকাউন্টও খুলতেন। আর এভাবেই চিট ফান্ডের মতই প্রতারণা করে এত পরিমাণের সম্পত্তি বানিয়েছে তারা।

  • Bank Fraud Case: বক্স খাটের ভিতর থেকে মিলল ৬কোটি টাকা! ব্যাঙ্ক জালিয়াতি কাণ্ডে শিবপুরের শৈলেশকে খুঁজছে পুলিশ

    Bank Fraud Case: বক্স খাটের ভিতর থেকে মিলল ৬কোটি টাকা! ব্যাঙ্ক জালিয়াতি কাণ্ডে শিবপুরের শৈলেশকে খুঁজছে পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে হাওয়ায় ভাসছে টাকা। কখনও গাড়ি থেকে তো কখনও বাড়ি থেকে মিলছে কোটি কোটি টাকা। ব্যাঙ্ক জালিয়াতি কাণ্ডে (Bank Fraud Case) এবার শিবপুরের (Shinpur) একটি ফ্ল্যাটের ভিতর থাকা বক্স খাট থেকে প্রায় ৬ কোটি টাকা উদ্ধার হল। রবিবার রাতে  শিবপুরের ৩৫ নম্বর অপ্রকাশ মুখার্জি লেনে তল্লাশি চালিয়ে এই টাকা উদ্ধার করে লালবাজারের ব্যাঙ্ক জালিয়াতি দমন শাখার গোয়েন্দারা।

    জানা গিয়েছে, একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিপুল টাকার লেনদেন নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। বিষয়টি লালবাজারের নজরে আনা হয়। তদন্তে নেমে হাওড়ার শৈলেশ পাণ্ডে নামক এক ব্যক্তির নাম উঠে আসে। গত ১৪ তারিখ হেয়ার স্ট্রিট থানায় এই নিয়ে অভিযোগ দায়ের হয়। শনিবার রাতে হাওড়া শিবপুরে শৈলেশ পাণ্ডের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখানে একটি আবাসনের সামনে রাখা গাড়ি থেকে দুই কোটি কুড়ি লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। মেলে সোনার গয়নাও। পুলিশ সূত্রে খবর, যে গাড়ি থেকে সোনা এবং গয়নাগুলি উদ্ধার হয়েছে তা শৈলেশ পান্ডের ভাই অরবিন্দ পান্ডের।

    আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর সফর, সরকারি টাকায় সাজছে তৃণমূল নেতার রিসর্ট! সত্য ফাঁস শুভেন্দুর

    এরপরই শৈলেশের ভাই রোহিত পান্ডের  ফ্ল্যাটে হানা দেয় পুলিশ। রবিবার বিকেলে পুলিশ আধিকারিকেরা ফ্ল্যাটে দেখেন, দরজা তালাবন্ধ। তদন্তকারীদের সূত্রে খবর, পরে নকল চাবি দিয়ে তালা খুলে ওই ফ্ল্যাটে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়।  গভীর রাতে তল্লাশি শেষ হয়। টাকা উদ্ধারের পর ফ্ল্যাটটি সিল করে দেওয়া হয়েছে।  আবাসনের অন্যান্য বাসিন্দারা জানান, এই ফ্ল্যাটেই শৈলেশের পরিবার থাকত। রোহিত মাঝে মধ্যে আসত সেখানে। জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া টাকার অধিকাংশই ৫০০ টাকার নোট। 

    পুলিশ সূত্রে খবর, শৈলেশ ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা করত। নরেন্দ্রপুরে ব্যাঙ্কের শাখার একটি অ্যাকাউন্টে বিপুল টাকার লেনদেন নিয়ে সন্দেহ তৈরি হতেই কানাড়া ব্যাঙ্কের তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয়। শৈলেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, একাধিক লোককে ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে প্রতারণা করেছেন তিনি। ঋণ না পেয়ে প্রতারিত কয়েকজন ওই রাষ্ট্রয়ত্ত ব্যাঙ্কের ম্যানেজারের কাছে অভিযোগ জানান। এরপরই ওই ব্যাংকের তরফ থেকে শৈলেশের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করা হয় ও তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। শৈলেশের দুই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২০ কোটি টাকা রয়েছে বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। সেই অর্থ ফ্রিজ করা হয়েছে। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শৈলেশ পাণ্ডে এখনও পলাতক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Dengue: রাজ্যে চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি, দিনের পর দিন বাড়ছে সংক্রমণ

    Dengue: রাজ্যে চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি, দিনের পর দিন বাড়ছে সংক্রমণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার সেই অর্থে বঙ্গে (West Bengal) বর্ষার বৃষ্টি হয়নি। তাতে কি? পুজোর মুখে ডেঙ্গি (Dengue) এসে হাজির। কেবল হাজির নয়, রীতিমতো চোখ রাঙাচ্ছে মশাবাহিত এই রোগ। জানা গিয়েছে, গত দু সপ্তাহে এ রাজ্যে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন দু হাজার ২৪০ জন। গোটা রাজ্যের ছবিটাও চোখ কপালে তোলার পক্ষে যথেষ্ট। সংক্রমিতের সংখ্যা ছ হাজার ৪২৪ জন। গত এক সপ্তাহে কেবল সরকারি হাসপাতালেই ভর্তি হয়েছেন ছশোর কাছাকাছি ডেঙ্গি সংক্রমিত রোগী।

    ফি বৃহস্পতিবার ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে হয় সাপ্তাহিক আলোচনা। সেখানকার একটি সূত্র থেকেই জানা গিয়েছে, গোটা রাজ্যে ডেঙ্গি চোখ রাঙালেও, সংক্রমণ সব চেয়ে বেশি হাওড়া (Howrah), জলপাইগুড়ি এবং উত্তর ২৪ পরগনায় (North 24 Pargana)। সম্প্রতি হাওড়ায় ডেঙ্গি সংক্রমিত হয়ে মৃত্যু হয়েছে বছর এগারোর শুভম সরকারের। শনিবার এনআরএস (NRS) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। কিছু দিন আগে হাওড়া পুরসভারই আট নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গিতে মৃত্যু হয়েছিল এক যুবকের। 

    আরও পড়ুন : প্রাণঘাতী রোগ থেকে মুক্তি পেতে চান? প্রতিদিনের ডায়েটে রাখুন দানা শস্য বা হোল গ্রেন

    প্রাণঘাতী ডেঙ্গিতে মৃত্যু হয়েছে বছর সাঁইত্রিশের সন্দীপকুমার মুখোপাধ্যায়ের। উত্তরপাড়া পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন তিনি। দিন কয়েক আগেও এই ওয়ার্ডেরই এক যুবকের মৃত্যু হয়েছিল ডেঙ্গিতে। ডেঙ্গি মারণ থাবা বসিয়েছে লাগোয়া শহর শ্রীরামপুরেও। কিছু দিন আগে এখানেও মৃত্যু হয় ডেঙ্গি সংক্রমিত এক মহিলার। জানা গিয়েছে, গত এক সপ্তাহে কলকাতা পুরসভায় ডেঙ্গি সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়েছে ১৪২ জন। যমজ শহর হাওড়ায় ৬৪ জন। বালি পুরসভায় ৬৩ জন।আর উত্তরপাড়ায় ৩৭ জন। উত্তর ২৪ পরগনায়ও দিন দিন বাড়ছে ডেঙ্গি সংক্রমিতের সংখ্যা।

    ডেঙ্গি সংক্রমণ যে ক্রমেই বাড়ছে, সে ছবি ধরা পড়ছে রোগ পরীক্ষায়ও। কলকাতায় ডেঙ্গির এনএস-১ পরীক্ষা করিয়েছিলেন ৪২৪০ জন। তাঁদের মধ্যে পজিটিভ কেস ২৯৬। আইজিএম টেস্ট করিয়েছিলেন ১৫৭১ জন। তাঁদের মধ্যে পজিটিভ ১৩৩। হাওড়ায় এনএস-১ টেস্ট করিয়েছিলেন ২৯৮১। তার মধ্যে পজিটিভ রোগীর সংখ্য ৪৬১। উত্তর ২৪ পরগনায় ওই টেস্ট করিয়েছেন ৫৭৭১। পজিটিভ ৪৬৭।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jharkhand MLA Arrested: গাড়ি ভর্তি টাকা! হাওড়ায় আটক ঝাড়খণ্ডের তিন বিধায়কের ১০ দিনের পুলিশ হেফাজত

    Jharkhand MLA Arrested: গাড়ি ভর্তি টাকা! হাওড়ায় আটক ঝাড়খণ্ডের তিন বিধায়কের ১০ দিনের পুলিশ হেফাজত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ায় বিপুল টাকাসহ আটক ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) তিন বিধায়ক (MLA)। ১০ দিনের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ (Police Custody)। শনিবার হাওড়ার (Howrah)পাঁচলায় ঝাড়খণ্ডের ৩ বিধায়কের গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ৪৯ লক্ষ টাকা। সেই ঘটনার পর রবিবার কংগ্রেসের (Congress) ওই ৩ বিধায়ককে গ্রেফতার করে হাওড়া পুলিশ। টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর কংগ্রেসের ৩ বিধায়ক রাজেশ কাচ্ছপ, নমন বিকসল ও ইরফান আনসারিকে গ্রেফতার করেছে পাঁচলা থানার পুলিশ।    

    যদিও তিন বিধায়কই দাবি এক আদিবাসী উৎসবের জন্যে বড়বাজার থেকে শাড়ি কিনতেই তাঁরা ওই টাকা ঝাড়খণ্ড থেকে নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু এই দাবির সপক্ষে কোনও প্রমাণ দিতে পারেননি তাঁরা। ওই ৩ বিধায়ককে ইতিমধ্য়েই সাসপেন্ড করেছে ঝাড়খণ্ড কংগ্রেস।  

    আরও পড়ুন: হরিয়ানার পর এবার ঝাড়খণ্ডে মাফিয়াদের হাতে খুন পুলিশকর্মী

    পুলিশ সূত্রে খবর, বিধায়করা জানিয়েছেন, বড়বাজার থেকে শাড়ি কেনার জন্যে টাকা নিয়ে আসা হয়েছিল। সেই শাড়ি আদিবাসী দিবস উপলক্ষে ঝাড়খণ্ডের গ্রামীণ অঞ্চলে বিলি করার কথা ছিল। 

     

    শনিবার বিকেলে সাঁকরাইলের নামঘর মুম্বই রোড থেকে ঝাড়খণ্ডের জামতারার কংগ্রেস বিধায়ক ইরফান আনসারির গাড়ি আটকায় পুলিশ। ওই গাড়িতেই ছিলেন রাজেশ কাচ্ছপ ও নমন বিকসল নামের আরও ২ কংগ্রেস বিধায়ক। গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ব্যাগভর্তি টাকা। তাঁদের পাকড়াও করে পাঁচলা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। টাকা গুনতে আনা হয় মেশিন। রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে ঝাড়খন্ডের বিধায়কদের। তদন্তের ভার ইতিমধ্যেই গিয়েছে সিআইডির হাতে। 

    এই টাকা উদ্ধার নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে। তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “কংগ্রেসের বিধায়কদের কাছ থেকে গুচ্ছ গুচ্ছ টাকা পাওয়া গিয়েছে। এতদিন তো কংগ্রেসের নেতার প্রচুর কথা বলছিলেন, এবার তারা বুঝুক কী করবেন।”

    আরও পড়ুন: রবিবার নয় ছুটি শুক্রবার! ঝাড়খণ্ডের দুমকায় ৩৩টি সরকারি স্কুলে আজব নিয়ম

    বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “তদন্ত হওয়া উচিত। কোথায় যাচ্ছিল টাকা, সোনিয়া গান্ধীকে ধরে এসএসসি দুর্নীতিতে উদ্ধার হওয়া টাকা পাচার হচ্ছিল কিনা, এ বিষয়ে তদন্ত হওয়া উচিত।” 

    যদিও কংগ্রেসের বক্তব্য, “সরকার ফেলতে বিধায়ক কেনার চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি।” 

     

  • Cash Recovered: ফের উদ্ধার মোটা অঙ্কের টাকা, পুলিশ হেফাজতে ঝাড়খণ্ডের ৩ কংগ্রেস বিধায়ক

    Cash Recovered: ফের উদ্ধার মোটা অঙ্কের টাকা, পুলিশ হেফাজতে ঝাড়খণ্ডের ৩ কংগ্রেস বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার পর এবার হাওড়া (Howrah)। ফের উদ্ধার প্রচুর নগদ টাকা (Cash)। পুলিশের (Police) জালে ভিন রাজ্যের তিন কংগ্রেস (Congress) বিধায়ক। তাঁদের গাড়ি থেকেই বাজেয়াপ্ত হয়েছে বান্ডিল বান্ডিল নোট। কার টাকা, নিয়েই বা যাওয়া হচ্ছিল কোথায়, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    শনিবারই এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (SSC Scam) পার্থ-অর্পিতা ইস্যুতে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীর (Adhir Ranjan Chowdhury) নেতৃত্বে পথে নেমেছিল কংগ্রেস। এদিন রাতে তাঁদেরই দলের তিন বিধায়কের কাছ থেকে উদ্ধার হল বিপুল নগদ অর্থ। এ নিয়ে টুইটে সরব বাংলার শাসকদল তৃণমূল। তাদের প্রশ্ন,  ঝাড়খণ্ডে সরকার ফেলা ও ঘোড়া কেনাবেচার গুঞ্জনের মধ্যেই বাংলায় তিন কংগ্রেস বিধায়কের কাছ থেকে বিপুল নগদ উদ্ধার হল। এই টাকার উৎস কি খতিয়ে দেখবে ইডি? স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করবে?  নাকি এই তৎপরতা শুধুমাত্র বাছাই করা কয়েকজনের জন্যই?

    পুলিশ সূত্রে খবর, কলকাতা থেকে জামতাড়াগামী একটি কালো গাড়িতে করে টাকা পাচার হচ্ছিল বলে সূত্র মারফত খবর পেয়েছিল হাওড়া পুলিশ। সেই সূত্রেই ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন পাঁচলার রানিহাটি মোড়ের কাছে তল্লাশি চালায় পাঁচলা ও সাঁকরাইল থানার পুলিশ। ঝাড়খণ্ডের বিধায়কের স্টিকার লাগানো একটি কালো গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি চালাতেই পুলিশের চক্ষু চড়কগাছ। গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় নোট ভরতি দু’টি কালো ব্যাগ। সেই গাড়িতে ছিলেন ঝাড়খণ্ডের তিন কংগ্রেস বিধায়ক- রাজেশ কচ্ছপ, নমন বিকসাল এবং ইরফান আনসারি। পুলিশ সূত্রে খবর, চালক-সহ মোট ৫ জন ছিলেন গাড়িতে। এত নগদ কোথায়, কী উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তার স্বপক্ষে কোনও নথি দেখাতে পারেননি তাঁরা। এরপরেই তিন কংগ্রেস বিধায়ককে আটক করা হয়।

    আরও পড়ুন :এসএসসি-দুর্নীতির টাকা পাচার বাংলাদেশে? হাওয়ালা-যোগ খতিয়ে দেখছে ইডি

    জানা গিয়েছে, এদিনই দমদম বিমানবন্দরে নেমে সড়কপথে ঝাড়খণ্ডের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন তাঁরা। আপাতত পাঁচলা থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ওই বিধায়কদের। তাঁদের কাছে উদ্ধার হওয়ার টাকার পরিমাণ জানতে আনা হয়েছে চারটি কারেন্সি কাউন্টিং মেশিন। দু’টি ব্যাগে এখনও পর্যন্ত ৪৯ লক্ষ টাকা মিলেছে বলে পুলিশের একটি সূত্রের খবর। হাওড়া জেলার পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) স্বাতী ভাঙারিয়া জানান, আমাদের কাছে আগাম খবর ছিল। সেই সূত্র ধরেই কালো গাড়িটি আটক করা হয়। 

    এদিন টাকা উদ্ধারের ঘটনায় সরব তৃণমূল। গাড়ির ডিকিতে থাকা নোটের বান্ডিলের ভিডিও পোস্ট করে তৃণমূলের প্রশ্ন, ইডি কি শুধুমাত্র কয়েকজন ব্যক্তির ক্ষেত্রেই তৎপর?  বিষয়টি ইডির নজরে এনে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। এদিকে ঝাড়খণ্ডের বিরোধী দল বিজেপির তরফে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন : এসএসসি-র বাজেয়াপ্ত কম্পিউটার থেকে গোছা গোছা ‘নকল’ নিয়োগপত্র, মাথা কে?

  • Howrah Violence: বিজেপিকে রুখতে অতিসক্রিয় পুলিশ! হাওড়া যাওয়ার আগেই ‘গৃহবন্দি’ সুকান্ত 

    Howrah Violence: বিজেপিকে রুখতে অতিসক্রিয় পুলিশ! হাওড়া যাওয়ার আগেই ‘গৃহবন্দি’ সুকান্ত 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্তি হল টানা দু’দিন। সড়ক অবরোধ, টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়াছুড়ি, বিজেপির পার্টি অফিস ভাঙচুর। তার পরেও ঢাল-তরোয়াল নিয়ে পুলিশ রইল দাঁড়িয়ে। এহেন ‘নিধিরাম সর্দার’ পুলিশই অতিসক্রিয় হয়ে উঠল শনিবার। ভাঙচুর হওয়া পার্টি অফিসের হাল দেখতে যখন পথে নামলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar), বাহাদুরি কুড়নোর আশায় তখন তাঁর পথ আগলাল সেই পুলিশই। পুলিশের বিরুদ্ধে গৃহবন্দি করে রাখার অভিযোগ সুকান্তর।

    আরও পড়ুন :”ফের বাংলার মানুষকে বোকা বানালেন মুখ্যমন্ত্রী!” কী প্রসঙ্গে বললেন সুকান্ত?

    অগ্নিগর্ভ হাওড়া। বিক্ষোভকারীদের রোষের আগুনে পুড়েছে দোকান, পুলিশের কিয়স্ক। ভাঙচুর করা হয়েছে বিজেপির পার্টি অফিস। দু’দিন ধরে প্রতিবাদীদের তাণ্ডব চললেও, প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ করেনি বলে অভিযোগ। হাওড়ার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শনিবার সকালে বাড়ি থেকে রওনা দেওয়ার তোড়জোড় শুরু করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি যখন নিউটাউনের বাড়ি থেকে বের হচ্ছিলেন, তখনই তাঁকে আটকে দেয় পুলিশ। তড়িঘড়ি তাঁর বাড়ির সামনে বসিয়ে দেওয়া হয় গার্ড রেল। মোতায়েন করা হয় পুলিশ। পুলিশের এই অতিসক্রিয়তায় ক্ষোভ উগরে দেন সুকান্ত। বলেন, “পদাধিকারী হিসেবে হাওড়ায় ভাঙচুর হওয়া পার্টি অফিসে যাওয়া আমার কর্তব্য। কিন্তু কোনও কাগজপত্র ছাড়াই আমাকে আটকে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, পুলিশ কোনও কারণ দেখাতে পারেনি। বলেছে, হাওড়ায় ১৪৪ ধারা জারি। কিন্তু হাওড়া আমার বাড়ি থেকে অনেক দূর। ১১টা নাগাদ যখন আমি বাড়ি থেকে বেরতে গিয়েছিলাম, তখনই আমাকে আটকে দেওয়া হয়। কেন আমাকে বাড়ির মধ্যে বন্দি করে রাখা হল, বুঝতে পারছি না।”

    [tw]


    [/tw]

    হাওড়ার ঘটনায় রাজ্য সরকারকে আক্রমণ শানান সুকান্ত। বলেন, “মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায় তিন দিন ধরে বসে আছেন। কোনও পদক্ষেপ করেনি। তিনি তাঁর প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি কোনও পদক্ষেপ করলে আজ এই পরিস্থিতি তৈরি হত না। ঝাড়খণ্ডে প্রতিবাদ হয়েছে। কিন্তু পুলিশ ব্যবস্থা নিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের উচিত ছিল লাঠিচার্জ করা।

    সুকান্তকে আটকানো হলেও, এদিন পাঁচলা গিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। ভাঙচুর হওয়া পার্টি অফিস ঘুরে দেখেন তিনি। হাওড়ার (Howrah) অশান্তির জন্য মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনিও। দিলীপের অভিযোগ, হাওড়া থেকে মালদহ-মুর্শিদাবাদ পর্যন্ত বিভিন্ন জেলায় যে অশান্তি হচ্ছে, সরকার তা থামানোর চেষ্টা করছে না। এ রাজ্যের বিরাট এলাকার মানুষ অ-সুরক্ষিত। তাঁর অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে হিংসা চালানো হচ্ছে হাওড়ায়। তার পরেও পুলিশ তা আটকায়নি।

    সুকান্তের মতোই এদিন পাঁচলা যাওয়ার পথে আটকে দেওয়া হয়েছে বিজেপি নেত্রী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়ালের (Priyanka Tibrewal) গাড়ি। কিছুক্ষণ পরেই অবশ্য ছেড়ে দেওয়া হয়। ১৪৪ ধারা জারির কথা বলে পাঁচলায় তাঁকে ফের আটকায় পুলিশ। এলাকার একটি ক্লাবঘরে বসে পড়েন প্রিয়ঙ্কা। প্রসঙ্গত, এই প্রিয়ঙ্কাই ভবানীপুর উপনির্বাচনে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বাজি ছিলেন বিজেপির। এদিকে, রবিবার ভাঙচুর হওয়া পার্টি অফিস পরিদর্শনে যাবেন শুভেন্দু (Suvendu) অধিকারী। এদিন নিজেই ট্যুইট করে এ কথা জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। 

    [tw]


    [/tw]

     

  • Howrah Violence: হাওড়ায় ‘ফেল’ দুই পুলিশকর্তার কলকাতায় ‘প্রোমোশন পোস্টিং’!

    Howrah Violence: হাওড়ায় ‘ফেল’ দুই পুলিশকর্তার কলকাতায় ‘প্রোমোশন পোস্টিং’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) সাসপেন্ডেড নেত্রী নূপুর শর্মার (Nupur Sharma) মন্তব্যের জেরে হাওড়ার অগ্নিগর্ভ (Howrah violence) পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হওয়ায় মমতা (Mamata) প্রশাসনের দিকে উঠতে শুরু করেছে অভিযোগের আঙুল। এই পরিস্থিতিতে, শনিবার বিকেলে নবান্নতে (Nabanna) উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে নেওয়া হয় ‘গুরুত্বপূর্ণ’ সিদ্ধান্ত। রাজ্য প্রশাসনের হেডকোয়ার্টার থেকে জানিয়ে দেওয়া হল যে, হাওড়া শহর (Howrah City) ও হাওড়া গ্রামীণ (Howrah Rural)— এই দুই এলাকার শীর্ষ পুলিশকর্তাকে সরানো হচ্ছে।

    প্রথমদিকে হয়ত মনে হয়েছিল, হয়ত প্রশাসন কড়া হাতে বিষয়টিকে দমন করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু, ভুল ভাঙে কিছুক্ষণের মধ্যেই। কারণ, দুই এলাকার পুলিশকর্তাকে সরিয়ে যে নতুন পদে বসানো হয়েছে, তা রীতিমতো চমকে দেওয়ার মতো। সাধারণত, এক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রুখতে ব্যর্থ পুলিশকর্তাদের ‘পানিশমেন্ট পোস্টিং’ দেওয়া হয়ে থাকে। অর্থাৎ, আগের থেকে কম গুরুত্বপূর্ণ পদে অথবা কম গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়। কিন্তু, এক্ষেত্রে, ঘটনা ঠিক উল্টো।

    হাওড়ায় (Howrah) ব্যর্থ দুই পুলিশ কর্তাকেই আখেরে বদলি করে কলকাতায় এনে যাকে বলে রীতিমতো ‘প্রাইজ পোষ্টিং’ দেওয়া হয়েছে। যেমন, হাওড়ায় ‘ফেল’ পুলিশকর্তা তথা হাওড়া (শহর) পুলিশ কমিশনার সি সুধাকরকে (C Sudhakar) আনা হয়েছে কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার পদে। যে পদে আসার জন্য অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়। অন্যদিকে, হাওড়ায় আরেক ব্যর্থ পুলিশকর্তা তথা হাওড়া (গ্রামীণ) পুলিশ সুপার সৌম্য রায়কে (Saumya Roy) আনা হয়েছে কলকাতা পুলিশের সাউথ ওয়েস্টের ডেপুটি কমিশনার পদে আনা হয়েছে।

    ব্যর্থতার জন্য তো শাস্তি হয় বলেই শোনা যায়। আইনকানুন সামলাতে না পারলে, পানিশমেন্ট পোস্টিং হয় বলেই এতদিন সকলেই জানেন। কিন্তু, ব্যর্থ হওয়ার জন্য ‘পানিশমেন্ট পদোন্নতি’ বা ‘প্রাইজ পোস্টিং’ দেওয়া হল— এমন কাণ্ড একমাত্র মমতা প্রশাসনের পক্ষেই সম্ভব। আর এখান থেকেই উঠছে একাধিক প্রশ্ন। প্রথমত, তাহলে কি পুলিশ কর্তাদের আদৌ কোন দোষ ছিল না? তাঁরা সেটাই করেছেন, যা তাঁদের করতে বলা হয়েছিল? তাই যদি না হবে, তাহলে কেন বদলি করা হল অধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে? 

    যেমন ধরা যাক, হাওড়া গ্রামীণ ক্ষেত্রটি। গত তিনদিন ধরে ডোমজুড়, পাঁচলা ও সলপে একাধিক হিংসা ঘটেছে। এসবকটি এলাকা হাওড়া গ্রামীণ এলাকার আওতাধীন। সেখানকার পুলিশ সুপার ছিলেন সৌম্য রায়। যিনি কিনা আবার সোনারপুর দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক লাভলি মৈত্রর স্বামী। অতীতে, একুশের বিধানসভা নির্বাচনের সময় লাভলির প্রার্থিপদ ঘোষণার পরেই বিতর্কে জড়ান এই আইপিএস অফিসার। বিরোধীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্ত্রী লাভলি ভোটে প্রার্থী হওয়ায় সৌম্যকে পুলিশের উচ্চপদ থেকে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।

    সাম্প্রতিক অতীতে, হাওড়ার আমতার বাসিন্দা ছাত্রনেতা আনিস খানের (Anees Khan) অস্বাভাবিক মৃত্যুর সময়ই এই আইপিএস অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল উঠেছিল। পুলিশের বিরুদ্ধে ‘পক্ষপাতিত্বের’ অভিযোগ ওঠে। অনেকেই দাবি করেছিলেন, আনিসের মৃত্যুর ঘটনা ‘ধামাচাপা’ দিতে চাইছেন সৌম্য। সেই সময়ও, সৌম্যর বদলির জোরালো দাবি উঠেছিল। কিন্তু, তাঁকে সরানো হয়নি। 

    বিরোধীদের মতে, এই বদলি আখেরে স্রেফ একটা ‘আইওয়াশ’ ছাড়া কিছুই নয়। পুলিশকর্তা বদলের সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র তাহলে কি লোক দেখানোর প্রক্রিয়া মাত্র? প্রশাসনের দাবি, এটা নাকি রুটিল বদলি! কাকতালীয়ভাবে, রুটিন বদলিতে এমন দুজনকে সরানো হল, যেখানে এখন গত তিনদিন ধরে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে রয়েছে। বিরোধীদের দাবি, সৌম্যকে ‘আড়ালে রাখতেই’ তাঁকে হাওড়ার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে কলকাতা পুলিশে নিয়ে আসা হল।

  • Howrah Violence: হাওড়ায় হিংসার জের, বদল শহর ও গ্রামীণের পুলিশপ্রধান

    Howrah Violence: হাওড়ায় হিংসার জের, বদল শহর ও গ্রামীণের পুলিশপ্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনদিন হলেও হাওড়ার অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি এখনও সামাল দিতে ব্যর্থ মমতা প্রশাসন। এই পরিস্থিতি প্রচণ্ড চাপের মুখে অবশেষে জেলা পুলিশের শীর্ষস্তরে রদবদলের সিদ্ধান্ত নিল নবান্ন। হাওড়ার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আজই নবান্নে জরুরি বৈঠকে বসেন মুখ্যসচিব এইচ কে দ্বিবেদী৷ বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব বি পি গোপালিকা এবং এডিজি আইনশৃঙ্খলা জাভেদ শামিম৷ সেখানেই দুই পুলিশকর্তাকে বদলির সিদ্ধান্ত নেওযা হয়।

    হাওড়া শহরের নতুন পুলিশ কমিশনার হচ্ছেন প্রবীণ ত্রিপাঠী। সেইসঙ্গে গ্রামীণ জেলার নতুন পুলিশ সুপারের দায়িত্ব নিতে চলেছেন স্বাতি ভাঙ্গালিয়া। এই মুহূর্তে কলকাতা পুলিশের অ্যাডিশানাল কমিশনার পদে কর্মরত আছেন প্রবীণ ত্রিপাঠী। স্বাতি ভাঙ্গালিয়া আছেন ডিসি সাউথ ওয়েস্ট পদে। হাওড়া জেলার বর্তমান পুলিশ কমিশনার সি সুধাকর হচ্ছেন কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপি এবং গ্রামীণ জেলার পুলিশ সুপার সৌম্য রায় হচ্ছেন কলকাতা পুলিশের ডিসি সাউথ ওয়েস্ট।

    আরও পড়ুন: হাওড়া যাওয়ার পথে গ্রেফতার সুকান্ত, রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ বিজেপির

    হজরত মহম্মদকে (Prophet) নিয়ে করা দিল্লিতে সদ্য দল থেকে সাসপেন্ড হওয়া বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মার একটি মন্তব্যের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের জেরে কার্যত উত্তপ্ত হাওড়ার বিভিন্ন এলাকা। বৃহস্পতিবার ডোমজুড়ের অঙ্করহাটির কাছে ১১৬ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধের পর শুক্রবার গোটা দিন ধরেই পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ ছিল বহু এলাকায়। জেলার উলুবেড়িয়া, ডোমজুর সহ একাধিক এলাকায় গত কয়েকদিনে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। 

    জাতীয় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে টানা চলে অবরোধ। চেঙ্গাইল সহ একাধিক স্টেশনে হয় রেল অবরোধ। স্তব্ধ হয়ে যায় সড়ক ও রেল যোগাযোগ। পাঁচলায় অগ্নিসংযোগ এবং এটিএম ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটে। শনিবারও পরিস্থিতির তেমন কোনও উন্নতি হয়নি। এদিন পরিস্থিতি সামাল দিতে গেলে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়। 

    আরও পড়ুন: “আপনার পাপের ফলে ভুগতে হচ্ছে জনগণকে”, মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    সতর্কতা হিসেবে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আগামী ১৩ জুন সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত হাওড়ার বেশ কিছু জায়গায় ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিকে, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে হাওড়ার পর এবার মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বেলডাঙাতেও অশান্তির আঁচ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।  ১৪ জুন সকাল ৬টা পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • Sukanta Majumdar Arrest: হাওড়া যাওয়ার পথে গ্রেফতার সুকান্ত, রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ বিজেপির

    Sukanta Majumdar Arrest: হাওড়া যাওয়ার পথে গ্রেফতার সুকান্ত, রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়া যাওয়ার আগে গ্রেফতার বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। দ্বিতীয় হুগলি ব্রিজের টোল প্লাজার কাছে গ্রেফতার সুকান্ত মজুমদার। 

    [tw]


    [/tw]

    গতকাল হাওড়ায় বিজেপির যে সমস্ত পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে, সেগুলি আজ পরিদর্শনে যাওয়ার কথা ছিল বিজেপি রাজ্য সভাপতির  (BJP State President)। সকালে, নিউটাউনের বাড়িতে আটকে দেওয়া হয় বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে। জোর করে বেরনোর চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের বচসা, ধস্তাধস্তি শুরু হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গেও পুলিশের হাতাহাতি শুরু হয়। বাড়ির সামনে বসানো হয় গার্ড রেল। 

    আরও পড়ুন: “আপনার পাপের ফলে ভুগতে হচ্ছে জনগণকে”, মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    সেই গার্ড রেল ভেঙে দেন বিজেপি কর্মীরা। পুলিশের সঙ্গে তুমুল তর্কাতর্কির পর বাড়ি থেকে বেরোন সুকান্ত মজুমদার। এসএসকেএমের কাছে আটকে দেওয়া হয় বিজেপিরাজ্য সভাপতির গাড়ি। গাড়ি আটকানোয় রাস্তায় হাঁটতে থাকেন সুকান্ত। পরে গাড়িতে করে হাওড়া যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। দ্বিতীয় হুগলি ব্রিজের টোল প্লাজার কাছে যখন আসেন, তখন গ্রেফতার করা হয় সুকান্ত মজুমদারক। এর পর লালবাজারে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়। 

    [tw]


    [/tw]

    এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন সুকান্ত। হাওড়া সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হওয়া হিংসায় মুখ্যমন্ত্রীর প্রচ্ছন্ন মদত রয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। বিজেপি রাজ্য সভাপতির দাবি, মুখ্যমন্ত্রী পদে বসে হিংসার পরামর্শ মমতা দেওয়ার পরই হাওড়ার বিভিন্ন এলাকায় তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতীরা।

    আরও পড়ুন: অগ্নিগর্ভ হাওড়া, রাজ্যপালকে চিঠি শুভেন্দুর, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি রাজ্য বিজেপির

    এদিকে, সুকান্ত মজুমদারকে গ্রেফতারির প্রতিবাদে লালবাজারের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে বিজেপি। অগ্নিমিত্রা পাল সহ দুই বিজেপি বিধায়কের নেতৃত্বে বিক্ষোভ প্রতিবাদ শুরু করে গেরুয়া শিবির। পুলিশের সঙ্গে বচসা হয় প্রতিবাদীদের। ধর্মতলায় ডিসি সেন্ট্রালের অফিসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন চলে। ঘটনার প্রতিবাদে রায়গঞ্জে বিক্ষোভ, কোচবিহারেও রাস্তা অবরোধ করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা।

  • Suvendu Sukanta: হাওড়ায় যেতে কেন বাধা? সুকান্ত-শুভেন্দুকে মামলায় অনুমতি হাইকোর্টের

    Suvendu Sukanta: হাওড়ায় যেতে কেন বাধা? সুকান্ত-শুভেন্দুকে মামলায় অনুমতি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়া (Howrah) ঢোকার চেষ্টা করলে বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে (BJP State President) গ্রেফতার এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে (Leader of Opposition) বাধা কেন দেওয়া হয়েছে, এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা করার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। 

    রাজ্যের পুলিশ, প্রশাসন ও সরকারের বিরুদ্ধে অতি সক্রিয়তার অভিযোগ তুলে হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu) এবং বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)৷ বিষয়টি নিয়ে মামলার অনুমতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দুই নেতা৷ কলকাতা হাইকোর্ট তাঁদের সেই আবেদন মেনে নিয়ে মামলা রুজু করার অনুমতি দিয়েছে৷

    পয়গম্বরকে (Prophet Row) নিয়ে বিজেপির নিলম্বিত জাতীয় মুখপাত্র নূপুর শর্মার আপত্তিকর মন্তব্যের জেরে গত কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত হাওড়ার বিস্তীর্ণ এলাকা (Howrah Violence)৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শুক্রবার থেকে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ ছিল হাওড়ায়। সোমবার তা পুনরায় চালু করা হয়। উলুবেড়িয়া সহ বেশ কিছু এলাকায় জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। 

    আরও পড়ুন: “দিদিমনি অবসর নিলেও আচার্য হতে পারবেন না”, মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে শুক্রবার রাতে বিজেপি-র কার্যালয় ভাঙচুর ও কর্মীদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে৷ তারপরই হাওড়া যাওয়ার উদ্যোগ নেন শুভেন্দু ও সুকান্ত৷ কিন্তু, তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ৷ শনিবার সেই পার্টি অফিসে যেতে চেয়েছিলেন সুকান্ত। কিন্তু, তাঁদের আটকে দেওয়া হয়।

    নিউ টাউনের বাড়িতে বেরোতেই পুলিশ আটকায় সুকান্ত মজুমদারকে। কিন্তু পুলিশের বাধা উপেক্ষা করেই গাড়ি করে রওনা দেন হাওড়ার উদ্দেশে। কিন্তু মাঝ পথেই তাঁর গাড়ি আটকে দেয় পুলিশ। তখন পায়ে হেঁটে যাওয়ার চেষ্টা করায় তাঁকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয় লালবাজারে।

    অন্যদিকে, রবিবার একইভাবে কাঁথি থেকে হাওড়ায় যেতে চেয়েছিলেন শুভেন্দু। কিন্তু পুলিশ হাওড়ায় যেতে দেয়নি তাঁকেও। নন্দীগ্রামে দীর্ঘক্ষণ পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হওয়ার পর শুভেন্দু হাওড়া না গিয়ে কলকাতায় এসে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেন শুভেন্দু। একই সঙ্গে তাঁকে ‘বেআইনি ভাবে’ হাওড়া যাওয়ায় বাধা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে রাজ্যের মুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ ত্রিবেদীকেও চিঠি দেন শুভেন্দু। 

    আরও পড়ুন: বেথুয়াডহরি স্টেশনে ভাঙচুর বিক্ষোভকারীদের, প্রতিবাদে ৭২-ঘণ্টা ব্যবসা বন‍্‍ধ

    শুভেন্দু আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, হাওড়ায় ঢুকতে তাঁকে বাধা দেওয়া হলে, তিনি আদালতের দ্বারস্থ হবেন। এই দুই ঘটনায় পুলিশের অতি সক্রিয়তার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করার অনুমতি চান সুকান্ত-শুভেন্দু। সোমবার, তাঁদের সেই আবেদন মঞ্জুর করে উচ্চ আদালত।

LinkedIn
Share