Tag: Howrah

Howrah

  • Howrah Shibpur Violence: হাওড়ার শিবপুরের ঘটনায় উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল! মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা, কী বললেন শুভেন্দু?

    Howrah Shibpur Violence: হাওড়ার শিবপুরের ঘটনায় উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল! মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা, কী বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার শিবপুরে (Howrah Shibpur Violence) অশান্তির ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বললেন রাজ্যপাল সি.ভি আনন্দ বোস (C.V Anand Bose)। গোটা ঘটনার পর্যবেক্ষণে ‘স্পেশাল সেল’ তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। সেখান থেকে প্রতি মুহূর্তের খবর নেবেন রাজ্যপাল। রাজ্যে এই ধরনের ঘটনা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। হাওড়া-শিবপুরের ঘটনা নিয়ে রাজ্যপালের ভূমিকাকে স্বাগত জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    রাজভবনের বার্তা

    শুক্রবার বিকালে রাজভবনের (Raj Bhavan) তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, “শিবপুরে অশান্তির ঘটনায় রাজভবন কড়া নজর রেখেছে। হনুমান ধর্ম রক্ষা করতে লঙ্কায় আগুন লাগিয়েছিলেন। এখানে অধর্মের জন্য যাঁরা আগুন লাগিয়েছেন, তাঁরা নিজেদের বিপদ ডেকে এনেছেন।” এই ঘটনাটি (Howrah Shibpur Violence) ‘মানবতার বিরুদ্ধে জঘন্য অপরাধ’ বলেও রাজভবনের তরফে উল্লেখ করা হয়েছে। এই জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে সমগ্র বাংলাকে একজোট হওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে এই ঘটনায় পুলিশকে শান্তিপ্রিয় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সক্রিয়, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে বলেছে রাজভবন। হামলাকারীদের কড়া বার্তা দিয়ে রাজভবনের তরফে আরও জানানো হয়, সাধারণ মানুষের জীবন, সম্পদ, সম্মান রক্ষার জন্য রাজভবন চোখ কান খোলা রাখছে। 

    আরও পড়ুন: রাম নবমীর মিছিলে বিজেপির সঙ্গে পা মেলালেন তৃণমূল নেতারা! কোথায় জানেন?

    শুভেন্দুর বার্তা

    হাওড়া-শিবপুর প্রসঙ্গে (Howrah Shibpur Violence) রাজ্যপালের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু ট্যুইটে বলেছেন, ‘রাজভবন চোখ-কান খোলা রাখবে, এটা শুনে ভাল লাগছে। এবার দুষ্কৃতীদের ধরতে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ উল্লেখ্য, এই ধরনের অপরাধমূলক ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয়, তার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন। উল্লেখ্য, হাওড়া ও ডালখোলায় রাম নবমীর মিছিলের উপর হামলার অভিযোগে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই ঘটনার এনআইএ তদন্ত দাবি করেছেন তিনি। অশান্ত এলাকাগুলিতে অবিলম্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। আগামী সোমবার এই মামলার শুনানি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: হাওড়ায় গণ্ডগোলের জন্য দায়ী মুখ্যমন্ত্রী! ট্যুইটবার্তায় দাবি শুভেন্দু, অমিত মালব্যর

    Suvendu Adhikari: হাওড়ায় গণ্ডগোলের জন্য দায়ী মুখ্যমন্ত্রী! ট্যুইটবার্তায় দাবি শুভেন্দু, অমিত মালব্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনবমীর মিছিল ঘিরে হাওড়ায় গণ্ডগোলের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দায়ী করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শিবপুর এবং ডালখোলার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে উদ্বেগ প্রকাশ করে ট্যুইটও করেছেন শুভেন্দু।

    শুভেন্দুর ট্যুইট

    পুলিশের অনুমতি নিয়েই সমস্ত মিছিল হয়েছিল কিন্তু তারা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ বলে ট্যুইটবার্তায় দাবি করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তিনি লিখছেন, হাওড়ার ঘটনায় অবিলম্বে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাহায্য নেওয়া উচিৎ। রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছে আবেদন, যাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করে অবিলম্বে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। একই সঙ্গে তিনি লিখেছেন রাজ্য পুলিশ সঠিক ভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছে না। গোটা এলাকাতে হিংসা ছড়িয়ে পড়েছে বলেও দাবি বিরোধী দলনেতার। এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কে আছেন! পুলিশ সঠিক ব্যবস্থা করতে পারেনি যাতে সমস্ত মিছিল বিনা বাধায় এগিয়ে যেতে পারে।

    অমিত মালব্যর ট্যুইট

    এই ঘটনায় (Howrah Incident) সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেই দায় ঠেলছে পদ্ম শিবির। বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য ট্যুইটে দাবি করেছে, হিন্দু ভাবাবেগকে অবজ্ঞা করেন বলেই রামনবমীর দিন ধর্নায় বসেছেন মমতা। বিজেপি নেতার আরও দাবি, ”মুখ্যমন্ত্রী রামনবমীতে মুসলিম এলাকাগুলি এড়িয়ে যাওয়ার কথা বলেছিলেন যেহেতু রমজান চলছে। কিন্তু তিনি ভুলে গেছেন নবরাত্রির জন্য হিন্দুরাও উপবাসে রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে এই ঘটনার দায় সরাসরি মমতার। যখন ১০ হাজার মিছিল বের হচ্ছে, তখন তিনি ধরনায় ছিলেন। যখন তাঁর পুলিশি ব্যবস্থাপনা দেখার কথা তিনি তখন রাজনীতি করছিলেন।”

    মুখ্যমন্ত্রীর দাবি

    অন্যদিকে রামের দেশে রাম নবমীর শোভাযাত্রা আক্রান্তের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, হাওড়ায় গতবছর যে জায়গায় গন্ডগোল হয়েছে। এই বছরও ঠিক একই জায়গায় গন্ডগোল হয়েছে। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছে। যদিও অশান্তির ঘটনায় নাম না করে বিজেপির দিকেই আঙুল তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকী মিছিলের রুট পরিবর্তন করারও অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: রামনবমীর শোভাযাত্রায় বোমা, ধুন্ধুমার হাওড়ায়

    উল্লেখ্য, হাওড়ায় শিবপুরের ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনায় ১০ থেকে ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে খবর। রামনবমীর মিছিলে বোমা ছোঁড়ার অভিযোগ ওঠে। আর সেই অভিযোগ ঘিরেই একেবারে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে শিবপুর এলাকায়। একের পর এক গাড়ি এবং দোকানে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। শুধু তাই নয়, একাধিক গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয় বলেও অভিযোগ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami: রামনবমীর শোভাযাত্রায় বোমা, ধুন্ধুমার হাওড়ায়

    Ram Navami: রামনবমীর শোভাযাত্রায় বোমা, ধুন্ধুমার হাওড়ায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রাকে ঘিরে ধুন্ধুমার হাওড়ার (Howrah) কাজিপাড়ায়। শোভাযাত্রায় ছোড়া হল বোমা, পেট্রল বোমা। রাস্তার ধারের দোকান ভাঙচুর। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হল ফুটপাতের কয়েকটি দোকানেও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ছিল রামনবমী। এদিন সন্ধ্যায় হাওড়ার সন্ধ্যাবাজারের কাছে শোভাযাত্রায় আয়োজন করেছিল অঞ্জনীপুত্র সেনা। শোভাযাত্রা যখন কাজিপাড়া এলাকায় আসে তখন আচমকাই হামলা চালানো হয়। শোভাযাত্রা লক্ষ্য করে ছোড়া হয় বোমা, পেট্রল বোমা। বিয়ারের বোতল, কাচের বোতলও ছোড়া হয়। জখম হন প্রায় ১৫ জন।

    রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রাকে ঘিরে অশান্তি…

    ঘটনার জেরে মুহূর্তের মধ্যে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা তল্লাট। আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন অঞ্জনীপুত্র সেনারা। অভিযোগ, তাঁদের ওপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ। ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাসের সেল। আয়োজকদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রায় যারা হামলা চালাল, তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ।

    অঞ্জনীপুত্র সেনার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক সুরেন্দ্র বাবা বলেন, প্রশাসনের সুবিধার্থে এদিন অঞ্জনীপুত্র সেনা, বিশ্বহিন্দু পরিষদ সহ ৪২টি সংগঠন এক সঙ্গে এই শোভাযাত্রা (Ram Navami) বের করে। পুলিশ প্রশাসনকে এই শান্তিপূর্ণ মিছিলের সুরক্ষার জন্য আগাম জানানো হয়েছিল। যদিও গত বছরের মতো এবারও সন্ধ্যা বাজার এলাকায় মিছিল প্রবেশের পরেই হামলা হয়। তাঁর প্রশ্ন, হিন্দুরা শান্তিপূর্ণ মিছিল করলে কীসের সমস্যা আক্রমণকারীদের?

    আরও পড়ুুন: স্ল্যাব ভেঙে ৫০ ফুট গভীর কুয়োয় পড়লেন পুণ্যার্থীরা, মধ্যপ্রদেশে মৃত ১৩

    প্রসঙ্গত, গত বছরও এই সন্ধ্যাবাজার এলাকায় রামনবমীর শোভাযাত্রায় ইট ও কাচের বোতল ছোড়া হয়েছিল। বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, তৃণমূলের উসকানি আর পুলিশের অতিসক্রিতায় এই ঘটনা ঘটেছে। এদিন হাওড়া ময়দান ও শিবপুর সংলগ্ন এলাকায়ও বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর এসেছে। বিরাট পুলিশ বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    ঘটনার জেরে নাম না করে মুখ্যমন্ত্রীকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন উদ্যোক্তাদের একাংশ। রেড রোডের ধর্নামঞ্চ থেকে তিনি বলেছিলেন, রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রা নিয়ে কোনও আপত্তি নেই। সবার নিজের নিজের ধর্মাচরণের অধিকার রয়েছে। কিন্তু মিছিলের নামে একটাও মুসলিম এলাকায় হামলা হলে ছেড়ে কথা বলব না। এদিকে, এদিন হাওড়ার রামরাজাতলা এলাকায় রামনবমীর শোভাযাত্রায় যোগ দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, উনিই (মুখ্যমন্ত্রী) অশান্তির কারণ। এদিন গুজরাটের ভাদোদরার ফতেপুরার একটি শোভাযাত্রায়ও পাথর ছোড়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি! বিচারপতির নির্দেশে হাইকোর্টেই ইডির হাতে গ্রেফতার হাওড়ার দুই ব্যবসায়ী

    Calcutta High Court: কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি! বিচারপতির নির্দেশে হাইকোর্টেই ইডির হাতে গ্রেফতার হাওড়ার দুই ব্যবসায়ী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টে নজিরবিহীন ঘটনা। এজলাস থেকেই গ্রেফতার করা হল হাওড়ার দুই অভিযুক্ত ব্যবসায়ীকে। গত বছর অক্টোবর মাসে হাওড়ার দুই ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাট, অফিস, গাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছিল বিপুল পরিমাণ টাকা। সেই মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার বড় নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এদিন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি ইডিকে নির্দেশ দেন, ওই দুই ব্যবসায়ী শৈলেশ পান্ডে এবং প্রসেনজিৎ দাসকে বৃহস্পতিবারই গ্রেফতার করতে হবে। হাওড়ার এই দুই ব্যবসায়ীকে জামিন দিয়েছিল নিম্ন আদালত। কিন্তু আজ তা হাইকোর্টে খারিজ হয়ে গেল। ইতিমধ্যেই ইডি গ্রেফতার করেছে ওই দুই ব্যবসায়ীকে। বিচারপতি আরও নির্দেশ দেন যে, এই দুই ব্যবসায়ীকে বেলা তিনটের মধ্যে নিম্ন আদালতে পেশ করতে হবে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    গত বছর অক্টোবর মাসে শৈলেশ কুমার পান্ডে, প্রসেনজিৎ দাস নামে হাওড়ার শিবপুরের ওই ব্যবসায়ীর গাড়ি ও ফ্ল্যাট মিলিয়ে উদ্ধার হয় ৮ কোটি নগদ টাকা। সেই সঙ্গে সোনা, হীরের গয়নাও উদ্ধার করে কলকাতা পুলিশ। একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের নরেন্দ্রপুর শাখার লেনদেন নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় ব্যাঙ্কের তরফে হেয়ার স্ট্রিট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। এরপর ওই অ্যাকাউন্টের দুই হোল্ডারকে ডেকে পাঠায় পুলিশ। তাঁদের কথাবার্তায় অসঙ্গতি দেখেই শুরু হয় তদন্ত। এরপর কেঁচো খুড়তে কেউটের সন্ধান মেলে। ওই ব্যাঙ্কের নরেন্দ্রপুর শাখার দু’টি অ্যাকাউন্ট থেকে ৭৭ কোটি টাকার লেনদেনের হদিশ পায় পুলিশ।

    আরও পড়ুন: শিবপুরে টাকা উদ্ধার-কাণ্ডে তদন্ত শুরু করল ইডি! জানেন কী খুঁজছে তারা?

    এখানেই থেমে নেই, পরের তদন্তে আরও ১৭টি ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের খোঁজ মেলে। যার মধ্যে ছ’টি খতিয়ে দেখে প্রায় ৫৭ কোটি টাকা লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছিল কলকাতা পুলিশের আর্থিক দুর্নীতি দমন শাখা। লালবাজার সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ২০৭ কোটি টাকা লেনদেনের হদিশ মিলেছে। এর পর মোট চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তার মধ্যে ছিলেন পান্ডে ব্রাদার্স অর্থাৎ শৈলেশ পান্ডে, তাঁর দাদা অরবিন্দ পান্ডে ও ভাই রোহিত পান্ডে ও প্রসেনজিৎ দাস। তবে পরে তাঁদের জামিন হয়ে যায়। এর ফলেই ইডি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়।

    বিচারপতির নির্দেশ

    দীর্ঘ শুনানির পর আজ, বৃহস্পতিবার ওই মামলায় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ অভিযুক্তদের আদালত থেকেই গ্রেফতারের নির্দেশ দেন। সেই মত হাইকোর্ট থেকেই অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে ইডি। আবার বিচারপতি বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টের মধ্যে অভিযুক্তদের নিম্ন আদালতে হাজির করানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Vande Bharat: বঙ্গে ফের বন্দে ভারত! ফেব্রুয়ারিতেই ছুটবে হাওড়া পুরী রুটে?

    Vande Bharat: বঙ্গে ফের বন্দে ভারত! ফেব্রুয়ারিতেই ছুটবে হাওড়া পুরী রুটে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরের শিরোনামে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat)! তবে এবার ট্রেনে পাথর ছোড়ার ঘটনার জন্য নয়, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জয় শ্রীরাম ধ্বনি দেওয়ার জন্যও নয়, সম্পূর্ণ একটি ভিন্ন কারণে বঙ্গবাসীর চর্চায় চলে এসেছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। কারণটি হল, হাওড়া (Howrah) নিউ জলপাইগুড়ির পর এবার বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ছুটতে পারে হাওড়া পুরীর (Puri) মধ্যে। রেলের একটি সূত্রেই এ খবর মিলেছে। এও জানা গিয়েছে, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী মাস থেকেই হাওড়া থেকে নীলাচলের দিকে রওনা দিতে পারে সেমি হাইস্পিড এই ট্রেন।

    বন্দে ভারত…

    নববর্ষের প্রাক্কালে বঙ্গবাসীকে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস উপহার দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যদিও ট্রেনটি যাত্রা শুরু করে চলতি বছরের প্রথম দিকে, হাওড়া থেকে ছেড়ে ট্রেনটি পৌঁছায় নিউ জলপাইগুড়ি। উত্তরবঙ্গের জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখে চালু করা হয় ট্রেনটি। মাত্র আট ঘণ্টায় হাওড়া থেকে নিউ জলপাইগুড়ি পৌঁছায় এই ট্রেন। বোলপুরের পাশাপাশি ট্রেনটি দাঁড়াচ্ছে মালদহ টাউন ও বারসোই স্টেশনে। যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস বিশ্বমানের যে কোনও ট্রেনকে টক্কর দিতে প্রস্তুত। ট্রেনটির পুরোটাই এসি চেয়ারকার। প্রতিটি আসনই ঘোরে ৩৬০ ডিগ্রি। ট্রেনের মধ্যেই রয়েছে খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা।

    আরও পড়ুুন: বীরভূমে ফের বিক্ষোভের মুখে ‘দিদির দূত’! অস্বস্তি এড়াতে পাশ কাটিয়ে গেলেন বিধায়ক

    হাওড়া থেকে ট্রেনটি (Vande Bharat) কখন ছাড়বে, পুরীই বা পৌঁছবে ক’টায়, তা এখনও জানা যায়নি। তবে অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর, পাঁচ থেকে ছ ঘণ্টার মধ্যেই হাওড়া থেকে পুরী পৌঁছানো যাবে। হাওড়া থেকে ছেড়ে ট্রেনটির প্রথম স্টপেজ হতে পারে ভুবনেশ্বর। এছাড়াও আরও একটি স্টেশনে দাঁড়াতে পারে সেমি হাইস্পিড এই ট্রেন। বঙ্গবাসীর জগন্নাথ দর্শন আরও অনায়াস  করতেই এই ব্যবস্থা।

    এদিকে, শুক্রবার ফের হামলার শিকার হয় হাওড়া নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত (Vande Bharat) এক্সপ্রেস। এদিন সব মিলিয়ে মোট তিনবার হামলা হয়েছে ট্রেনটিতে। দুষ্কৃতীদের নাগাল পেতে তৎপর আরপিএফ। হাওড়া পুরী রুটের ট্রেনে যাতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে, সেদিকে রেল বিশেষ নজর দিচ্ছে বলেও সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুুন: মোষের গাড়িতে কয়লা পাচার! পুলিশ দেখেই অন্ধকারে মিলিয়ে গেল চালকরা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Terrorist: প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে হাওড়ায় এসটিএফের জালে ২ জঙ্গি , আইএস যোগ?

    Terrorist: প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে হাওড়ায় এসটিএফের জালে ২ জঙ্গি , আইএস যোগ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই প্রজাতন্ত্র দিবস। তার আগে আইএসআইএসের (ISIS) সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে সন্দেহে (Terrorist) দুজনকে গ্রেফতার করল স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)। শুক্রবার তাদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, যে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তারা হল বছর আঠাশের মহম্মদ সাদ্দাম এবং বছর তিরিশের সঈদ আহমেদ। হাওড়ার বিদ্যাসাগর সেতু থেকে গ্রেফতার করা হয় তাদের।

    সাদ্দাম ও আহমেদ…

    পুলিশের এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, সাদ্দাম এমটেক ছুট। সে গুরগাঁও ভিত্তিক এক সফটওয়্যার কোম্পানিতে কর্মরত। আর আহমেদ কাজ করে তার বাবার ফার্মে। জানা গিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২১ ও ১২২ নম্বর ধারায় মামলা করা হয়েছে। ধৃতদের আদালতে তোলা হলে ১২ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। পুলিশের অন্য এক আধিকারিক বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে ধৃতেরা তরুণদের নিয়োগ করার কাজে লিপ্ত ছিল। তারা অস্ত্র সংগ্রহ করত। জোগাড় করত বিস্ফোরক। সংগ্রহ করত অর্থও। তারা খলিফার শাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছিল।

    পুলিশ জানিয়েছে, ওই দুজনকে গ্রেফতারের পর তাদের ডেরায় (Terrorist) হানা দেওয়া হয়েছিল। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বেশ কিছু জিনিস। এর মধ্যে রয়েছে বেশ কয়েকটি ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, হার্ড ড্রাইভ, পেন ড্রাইভ, নোটবুক, ডেবিট কার্ড এবং একটি টু-হুইলার। জিহাদি সাহিত্য, কয়েকটি জিহাদি চ্যানেলের তালিকা এবং কয়েকটি কোম্পানির নাম লেখা কাগজপত্রও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তবে সাদ্দামকে কেন গ্রেফতার করা হয়েছে, তা জানেন না বলেই দাবি তাঁর পরিবারের। সাদ্দামের এক আত্মীয় বলেন, তারা (পুলিশ) এল, তার মোবাইল এবং কম্পিউটারটা নিয়ে চলে গেল। আমরা জানি না কেন তাকে গ্রেফতার করা হল।

    আরও পড়ুুন: অপরাধী ধরতে গিয়ে ফের আক্রান্ত পুলিশ, ছিনিয়ে নিয়ে গেল ২ অভিযুক্তকে

    এসটিএফ সূত্রে খবর, সাদ্দামের মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপে মিলেছে আইএস জঙ্গিদের নৃশংস খুনের ভিডিও। বিদেশ যাওয়ার ছক কষেছিল সাদ্দাম। সেই মতো তৈরি করেছিল পাসপোর্টও। এসটিএফের দাবি, সুইসাইড স্কোয়াড সম্পর্কে তথ্য অনুসন্ধান করছিল সাদ্দাম। মিলেছে পাকিস্তান-যোগও। পাকিস্তান এবং মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত সাদ্দাম। টেলিগ্রাম, সোশ্যাল মিডিয়ার চলত সাংকেতিক ভাষায় কথাবার্তা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Vande Bharat Express:  কোনও কথা বললেন না, কর্তব্যে অবিচল! সবুজ পতাকা নেড়ে বন্দে ভারতের সূচনা মোদির

    Vande Bharat Express: কোনও কথা বললেন না, কর্তব্যে অবিচল! সবুজ পতাকা নেড়ে বন্দে ভারতের সূচনা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুক্ষণ আগেই মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন করেছেন। স্থির, শান্ত, তবু কর্তব্যে অবিচল। মা-ই তো তাঁকে শিখিয়েছেন জাতির স্বার্থে কাজ করে যেতে। তাই মায়ের প্রয়াণে কাজের মধ্য দিয়েই মাকে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কোনও কথা বললেন না, সবুজ পতাকা নেড়ে হাওড়া থেকে নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা করলেন মোদি।

    একাধিক কর্মসূচি মোদির

    সদ্য মাকে হারিয়েছেন। চোখে-মুখে কষ্টের ছাপটা স্পষ্ট। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ভার্চুয়ালি  হাওড়া থেকে নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। হাওড়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে রেলের সবুজ পতাকা হাতে ট্রেন যাত্রার সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধানমন্ত্রীকে সম্মান দিয়ে মঞ্চের নীচেই দাঁড়িয়ে বক্তব্য রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর মায়ের প্রয়াণে সমবেদনা প্রকাশ করলেন। অনুষ্ঠান ছোটো করে নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। আজ ‘ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ওয়াটার অ্যান্ড স্যানিটেশন’-র উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যা জোকায় ১০০ কোটি টাকায় তৈরি করা হয়েছে। যা দেশে জল, নিকাশি ও পরিচ্ছন্নতার হাব হতে চলেছে। জাতীয় গঙ্গা পরিষদের বৈঠকেও যোগ দেবেন তিনি।

    আরও পড়ুন: শেষযাত্রায় মায়ের দেহ নিজের কাঁধে তুলে নিলেন, মুখাগ্নি করলেন মোদি

    বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা অনুষ্ঠানে হাওড়া স্টেশনে ছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। ফুল দিয়ে সাজানো ছিল গোটা ট্রেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন বাংলার রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসও। বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের উদ্বোধনের ফলে কলকাতা থেকে উত্তরবঙ্গে যাতায়াত আরও সহজ হবে। মাত্র সাত ঘণ্টার মধ্যে হাওড়া থেকে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে পৌঁছতে পারবেন যাত্রীরা। বন্দে ভারতের সর্বোচ্চ গতি হতে পারে প্রতি ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার। তবে হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি রুটে ট্রেনের গতি কতটা হবে, সেটা এখনও স্পষ্ট নয়। বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের স্টপেজ দেওয়া হয়েছে বোলপুরে। এর পাশাপাশি মালদহ টাউন এবং বারসোই স্টেশনেও দাঁড়াবে এই এক্সপ্রেস ট্রেন। যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যে বিশ্বমানের ট্রেনগুলিকে টক্কর দিতে তৈরি বন্দে ভারত। ট্রেনটি পুরোটাই এসি চেয়ার কার। প্রতিটি আসন ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরবে অর্থাৎ কোচে থাকবে রিভলবিং চেয়ার। খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে ট্রেনের ভিতরেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Santragachi: শেষ হল ভোগান্তির, বড়দিনের আগেই খুলে গেল সাঁতরাগাছি সেতু

    Santragachi: শেষ হল ভোগান্তির, বড়দিনের আগেই খুলে গেল সাঁতরাগাছি সেতু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খারাপ হয়ে গিয়েছিল সাঁতরাগাছি (Santragachi) সেতুর এক্সপ্যানসন জয়েন্টগুলি। সেই কারণে শুরু হয়েছিল সেতু সংস্কারের কাজ। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে হচ্ছিল কাজ। শেষমেশ শুক্রবার ভোরে খুলে দেওয়া হয় কলকাতায় (Calcutta) ঢোকার গুরুত্বপূর্ণ এই সেতু। এদিন ভোর পাঁচটা থেকে সেতুর দুই লেনেই গাড়ি চলাচল করতে শুরু করে। সেতু খুলে দেওয়ায় মাসাধিক কাল ধরে যে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল যাত্রীদের, তার অবসান হল এদিন কাকভোরে।

    সাঁতরাগাছি সেতু…

    চলতি বছরের নভেম্বরের ১৯ তারিখে শুরু হয়েছিল সাঁতরাগাছি সেতুর এক্সপ্যানসন জয়েন্টগুলি সংস্কারের কাজ। তার জেরে বন্ধ করে দেওয়া হয় পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল। সেতু সংস্কারের জন্য যান নিয়ন্ত্রণও করা হচ্ছিল। রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হচ্ছিল যান চলাচল। সাঁতরাগাছির এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৮০ হাজার গাড়ি চলাচল করে। এমন গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে সংস্কারের কাজ চলায় মাসাধিক কাল ধরে যানজট ছিল নিত্য সঙ্গী। শেষমেশ অবসান হল সেই যানজটেরই।

    আরও পড়ুন: চোখ রাঙাচ্ছে করোনা, কী কী বিধি জারি করল কেন্দ্র?

    প্রথমে ঠিক ছিল, সেতু খোলা হবে নতুন বছরের আগেই। তার বেশ কয়েকদিন আগেই শেষ হয়ে যায় কাজ। তাই খুলে দেওয়া হয়েছে সেতু। সেতু খোলা নিয়ে বৃহস্পতিবারই পূর্তমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, শেষ হয়েছে সেতু সংস্কারের কাজ। শুক্রবার থেকেই স্বাভাবিকভাবে সাঁতরাগাছি (Santragachi) সেতুতে যান চলাচল করবে। সেই মতো এদিন সকালেই খুলে গিয়েছে  সেতু। আপাতত ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালাচ্ছে হাওড়া সিটি পুলিশ। নজরদারি চলবে চলতি মাসের ৩১ তারিখ পর্যন্ত।

    ২০১৬ সালে একবার কোনা এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থাকা সাঁতরাগাছি সেতুর এক দিকের ২১টি এক্সপ্যানশন জয়েন্ট বদলানোর কাজ হয়েছিল। সেবারও সেতুর একটি দিকের লেন বন্ধ করে কাজ হয়েছিল। এবার ফের অন্য একটি দিকের লেনের কাজ হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই দফায় সেতুর একটি লেন বন্ধ রেখে ২০টি করে মোট ৪০টি এক্সপ্যানশন জয়েন্ট বদলানো হয়েছে। গাড়ি চলাচলের ভার, কম্পন, তাপমাত্রার তারতম্য নিয়ন্ত্রণ করে সেতুর ভারসাম্য বজায় রাখে এই এক্সপ্যানশন জয়েন্ট। এ জন্য খরচ হয়েছে প্রায় ৯০ লক্ষ টাকা। পূর্ত দফতর সূত্রে খবর, সেতুর রাস্তার উপরিভাগ আগের থেকে মসৃণ হয়েছে ঢের বেশি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Howrah: অভিযোগ, পাল্টা-অভিযোগ! বিতর্কিত পোস্টার ঘিরে উত্তেজনা হাওড়ার ডোমজুড়ে

    Howrah: অভিযোগ, পাল্টা-অভিযোগ! বিতর্কিত পোস্টার ঘিরে উত্তেজনা হাওড়ার ডোমজুড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিতর্কিত পোস্টার ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল হাওড়ার ডোমজুড়ে। হাওড়া জেলা তৃণমূল সভাপতি কল্যাণ ঘোষকে ‘চোর’ ও ‘তোলাবাজ’ বলে উল্লেখ করে তাঁরই নির্বাচনী কেন্দ্র ডোমজুড়ের বিভিন্ন জায়াগায় পোস্টার,ফেস্টুন টাঙিয়ে দেওয়া হয়। নীল রংয়ের এই ব্যানারে লেখা রয়েছে, ‘গলি গলি মে শোর হ্যায়, কল্যাণ ঘোষ সবসে বড়া চিটিংবাজ, ধান্দাবাজ, তোলাবাজ আর চোর হ্যায়।’ এরপরেই লেখা রয়েছে, ‘হাওড়ার মানুষ ডাক দিচ্ছে কল্যাণ ঘোষ নিপাত যাক।’ ব্যানারের একেবারে নিচে লেখা রয়েছে, তৃণমূল কর্মীবৃন্দের তরফে এই ব্যানার প্রচার করা হচ্ছে। ফেস্টুন-পোস্টারের নীচে ‘তৃণমূল কর্মীবৃন্দ’ লেখা থাকায় চাপানউতোর শুরু হয় শাসকদলের অন্দরেও।

    বিজেপি-তৃণমূল তরজা

    পঞ্চায়েত ভোটের আগে এই পোস্টার ঘিরে সরগরম হাওড়ার রাজনীতি। বিজেপির পক্ষে উমেশ রাই বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসে ব্যাপক দূর্নীতি আছে। তাই এইধরনের পোস্টার সাঁটানো হয়েছে। তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্বের অভিযোগ তুলেছেন তিনি। গোটা ঘটনার পেছনে স্বার্থান্বেষীদের একটি অংশ কাজ করছে বলে ডোমজুড় কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তাপস মাইতি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ২০২১ সালে যারা তৃণমূল থেকে বিজেপির দিকে চলে গিয়েছিল সেই লোকেরাই তৃণমূল কর্মীদের নাম করে এই ধরনের পোস্টার সাঁটাচ্ছে। তাঁর কথায়, এই লোকেদের ‘ধান্দাবাজি’ বন্ধ হয়ে যাওয়াতেই দল এবং দলের নামে বদনামের চেষ্টা করছে। 

    আরও পড়ুন: আসানসোলের ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ শুভেন্দুর, আহত-নিহতদের পরিবারের পাশে থাকার বার্তা

    এই ধরনের পোস্টার-ফেস্টুন ডোমজুড়ে নতুন নয়। গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে এলাকার তৎকালীন তৃণমূল বিধায়ক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে এ সব প্রায়ই হতো। কিন্তু রাজীব বর্তমানে তৃণমূলে। তার পরেও এই ঘটনা ফের ঘটায় এলাকার রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। তৃণমূলের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে ঘটনাটি ঘটিয়েছে বিজেপি। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। সকালে নজরে আসার পরই পোস্টার ও ফেস্টুনগুলি ছিঁড়ে ফেলা হয়। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Dhulagarh: ‘হিজাব বিতর্কে’ ভাঙচুর ধূলাগড়ের স্কুলে, বন্ধ হয়ে গেল পরীক্ষা  

    Dhulagarh: ‘হিজাব বিতর্কে’ ভাঙচুর ধূলাগড়ের স্কুলে, বন্ধ হয়ে গেল পরীক্ষা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার হিজাব বির্তক (Hijab Controversy) হাওড়ার (Howrah) স্কুলে। মঙ্গলবার ঘটনার জেরে পরীক্ষা বাতিল করতে হয় হাওড়ার সাঁকরাইলের ধূলাগড়ি আদর্শ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে। হিজাব বিতর্কে অশান্ত হয়েছিল কর্নাটক (Karnataka)। এবার সেই একই বিতর্ক দেখা গেল এ রাজ্যেও।

    ঠিক কী হয়েছিল?

    ঘটনার সূত্রপাত সোমবার। প্রতিদিনের মতো এদিনও সাঁকরাইলের ধূলাগড়ের (Dhulagarh) ওই স্কুলে দশম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীরা হিজাব পরে স্কুলে আসে। হিজাব পরে স্কুলে প্রবেশ করা যাবে না বলে আপত্তি তোলে দ্বাদশ শ্রেণির একদল ছাত্র। তাদের দাবি, যদি হিজাব পরে স্কুলে আসা যায়, তাহলে তারাও নামাবলী গায়ে দিয়ে স্কুলে আসবে। নামাবলী গায়ে দিয়ে স্কুলে এলে তাদের প্রবেশের অনুমতি দিতে হবে। সেই মতো মঙ্গলবার দ্বাদশ শ্রেণির পাঁচ ছাত্র নামাবলী গায়ে দিয়ে স্কুলে আসে। এবার প্রতিবাদ জানায় ওই স্কুলের দশম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির হিজাব পরা ছাত্রীরা।

    কেবল ওই ছাত্রীরাই নয়, নামাবলী গায়ে দিয়ে আসা পড়ুয়াদের নামাবলী খুলতে বলেন ধূলাগড়ের (Dhulagarh) ওই  স্কুল কর্তৃপক্ষও। স্কুলে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা চলছে। পরীক্ষা শেষে বৈঠকে বসে ম্যানেজিং কমিটি। সেখানেও সিদ্ধান্ত হয়, ইউনিফর্ম পরেই স্কুলে আসতে হবে ছাত্রছাত্রীদের। অন্য কোনও ধর্মীয় পোশাক পরে স্কুলে আসতে বারণ করা হয় পড়ুয়াদের। তার পরেও মঙ্গলবার থেকে তিন চারজন পড়ুয়া নামাবলী গায়ে দিয়ে স্কুলে আসে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি শুরু হয় পড়ুয়াদের মধ্যে। উত্তেজিত কয়েকজন ছাত্রছাত্রী স্কুলের চেয়ার টেবিল উল্টে দেয়। স্কুলের মধ্যে ভাঙচুরও চালায় তারা।

    আরও পড়ুন: হিজাব-আইনের বিরোধিতা, জ্বলছে ইরান! পুলিশের গুলিতে নিহত অন্তত ৫০জন প্রতিবাদী

    ধূলাগড়ের (Dhulagarh) ওই স্কুলের টিটার ইনচার্জ অরিন্দম মান্না বলেন, স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির বৈঠক হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কোনও ধর্মীয় পোশাক পরে স্কুলে আসতে পারবে না পড়ুয়ারা। কিন্তু কয়েকজন ছাত্র গায়ে নামাবলী জড়িয়ে এলে ঝামেলা শুরু হয়। প্রশাসনের নির্দেশে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে দু পক্ষের অভিভাবকদের ডাকা হবে এবং ফের ম্যানেজিং কমিটির বৈঠক ডাকা হবে। কর্নাটকে হিজাব বিতর্কের রেশ এখনও মেলায়নি। হাইকোর্ট হয়ে মামলা গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। হাইকোর্ট পরে জানিয়ে দেয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাব পরা মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share