Tag: Howrah

Howrah

  • Howrah: ফের শিশুচোর সন্দেহে এক যুবককে গণপিটুনির ঘটনায় শোরগোল হাওড়ায়

    Howrah: ফের শিশুচোর সন্দেহে এক যুবককে গণপিটুনির ঘটনায় শোরগোল হাওড়ায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিশুচোর সন্দেহে ফের গণপিটুনির ঘটনায় শোরগোল পড়েছে হাওড়ায় (Howrah)। জানা গিয়েছে, বাঁকড়ার ফকিরবাগান এলাকায় এক যুবককে ঘিরে ধরে ব্যাপক মারধর করে স্থানীয় কিছু লোকজন। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। তবে মারমুখী জনতার কাছ থেকে যুবককে ছাড়াতে নাকাল হতে হয় পুলিশকে। যদিও এখনও পর্যন্ত কাউকেই গ্রেফতার করেনি পুলিশ।

    পুলিশের সামনেই চলে মারধর (Howrah)

    শনিবার রাতে হাওড়ার (Howrah) ফকির বাগান এলাকায় এক যুবককে অহেতুক ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। এরপর এলাকার কয়েকজন, ওই যুবককে দেখতেই সন্দেহ প্রকাশ করেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, এই যুবক একটি শিশুকে চুরি করে পালানোর চেষ্টা করেছিল। ঠিক সেই সময় তাকে ধরে ফেলি আমরা। এরপর শুরু হয় যুবককে ঘিরে উত্তেজিত জনতার মারধর। এই মারধরের (Beaten up) ঘটনার ভিডিও করা হয় এবং তা সামজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। যদিও এই ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। তবে ভিডিওতে দেখা যায়, ওই যুবককে ধরে কিল-চড় মারা হচ্ছে। কিন্তু ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হলেও পুলিশের সামনেই চলে মারধর এবং ধাক্কাধাক্কি। কিছুক্ষণ পরেই নিগৃহীত যুবককে উদ্ধার করে পুলিশ গাড়িতে তুলে নিয়ে চলে যায়। তবে পুলিশের কাছে এখনও কেউ লিখিত অভিযোগ জানাননি। পুলিশ নিজে থেকেই ঘটনার তদন্তে নেমেছে।

    আরও পড়ুনঃ“মমতা না পারলে আমি দেখে নেব”, অবৈধ নির্মাণ ভাঙা নিয়ে তোপ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    লাগাতার গণপিটুনি!

    রাজ্যে গত একমাস ধরে জেলায় জেলায় একাধিক জায়গায় চোর সন্দেহে প্রকাশ্যে গণপিটুনির ঘটনা ঘটে চলছে। কোথাও শিশু চুরি, কোথাও মোবাইল চুরি আবার কোথাও গাড়ি চুরির অভিযোগে মারধরের ঘটনা ঘটে চলেছে। প্রশাসন এই ঘটনাগুলিতে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। শুধু সন্দেহের বশে চোর মনে করে এই ভাবে পেটানোর ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। পুলিশ-প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক বার প্রচারও করা হচ্ছে, কিন্তু তবুও একের পর এক গণপিটুনির (Beaten up) ঘটনা ঘটেই চলছে। ইতিমধ্যে বউবাজার, সল্টলেক, পাণ্ডুয়া, তারকেশ্বর, ঝাড়গ্রামে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে বেশ কয়েক জনের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। এবার হাওড়ায় (Howrah) আরেক বার কেবলমাত্র সন্দেহের বশে গণপিটুনির ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mangla Haat: মঙ্গলাহাটে প্রকাশ্যেই চলছে অবাধে ‘তোলাবাজি’, অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে

    Mangla Haat: মঙ্গলাহাটে প্রকাশ্যেই চলছে অবাধে ‘তোলাবাজি’, অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলাহাটে (Mangla Haat) প্রকাশ্যেই চলছে অবাধে ‘তোলাবাজি’। অভিযোগ তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, হাটে বসার জন্য জায়গা বাবদ টাকা দিতে হচ্ছে। আবার, হাটের দিনগুলিতে ফুটপাতের উপর বসার জন্য তৃণমূলের নেতাদের দাবি অনুসারে ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা দিতে হয়। প্রকাশ্যে এইরকম তোলাবাজির অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    খাতায় নাম লিখে নেওয়া হচ্ছে টাকা (Mangla Haat)!

    তখন সকাল ৬টা ২০ মিনিট, হাওড়া নগরপালের কার্যালয়ের সামনে রাস্তায়, সবুজ রঙের গোল গলা গেঞ্জি পরনে হাফ প্যান্টে এক যুবককে দেখা গেল, হাত পেতে ফুটের উপরে বসা এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা চাইছেন। ব্যবসায়ীও কথা না বাড়িয়ে যুবকের দাবি অনুযায়ী হাতে টাকা গুঁজে দিলেন। মুহূর্তে এক এক করে সমস্ত ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা আদায় করে যুবক। আবার সকাল ৭টায় দেখা গেল, হাওড়া থানার সামনে বঙ্কিম সেতুর নিচে ফাঁসিতলা মোড় পর্যন্ত যখন ব্যবসায়ীদের (Mangla Haat) বিক্রিবাট্টা চলছিল, সেই সময় কাঁধে সবুজ শার্ট আর নীল জিন্‌স পরা এক ব্যক্তি হাতে খাতা ও দলবল নিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছে যাচ্ছেন। এরপর খাতায় নাম লিখে টাকা নেওয়া শুরু করেন। টাকা তুলে দ্রুত এলাকা থেকে চম্পট দেন। এক ব্যবসায়ীকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “আমরা অন্য জেলা থেকে এসে দুদিনের জন্য ব্যবসা করি। তার মধ্যে ঝামেলা করতে ভালো লাগে না। তৃণমূলের লোকজন এই টাকা তোলেন। পুলিশকে জানিয়েও কোনও লাভ নেই।”

    ব্যবসায়ীদের অভিযোগ

    মঙ্গলাহাটের (Mangla Haat) ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, “হাটে বসার জন্য জায়গা বাবদ ভাড়া দিতে হয়, কিন্তু হাটের দিন ফুটপাতে বসার অনুমতি পেতে ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে। হাটে আগুন লাগার পর থেকে এই জুলুম বেশি করে শুরু হয়েছে। শাসক দল (TMC) ঘনিষ্ঠ হকার ইউনিয়ানের নেতৃত্বে এই তোলাবাজি চলছে।”

    আরও পড়ুনঃ রূপনারায়ণ নদে চলছে দেদার বালি চুরি! ফাটল রেলের সেতুতে, শোরগোল

    মঙ্গলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির বক্তব্য

    মঙ্গলাহাট (Mangla Haat) ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে রাজকুমার সাহা বলেছেন, “আমরা জানি, এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তবে, আমাদের কাছে লিখিত কোনও অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবসায়ীদের জন্য যা উপযুক্ত তাই করব। প্রশাসনের উচিত কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করা।” আবার পশ্চিমবঙ্গ প্রগতিশীল হকার ইউনিয়ানের সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা (TMC) সমর মুখোপাধ্যায় বলেছেন, “আমাদের কোনও লোক তোলাবাজির সঙ্গে যুক্ত নন। টাকা নেওয়া কোনও ভাবেই উচিত নয়। পুলিশের কাছে আমরা অভিযোগ করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Howrah: হাওড়ায় সালিশি সভার নামে ব্যবসায়ীকে মারধর, বাড়ি লুট, অভিযুক্ত তৃণমূলের উপপ্রধান

    Howrah: হাওড়ায় সালিশি সভার নামে ব্যবসায়ীকে মারধর, বাড়ি লুট, অভিযুক্ত তৃণমূলের উপপ্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বামী-স্ত্রীর দাম্পত্য কলহ মেটাতে সালিশি সভা (Trinamool kangaroo court meeting)। আর সেই সভা থেকে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে তাণ্ডব, লুটপাট কোনও কিছুই বাদ গেল না। ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়া (Howrah) জেলার সাঁকরাইলের কান্দুয়াতে। চোপড়ার মত এই সালিশি সভাতেও কাঠগড়ায় রয়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসছে পাঁচলার জুজুর সাহা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান শেখ খলিল আহমেদের। তাঁরই নেতৃত্বে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। তাণ্ডবের সময় আলমারি ভেঙে নগদ ৪০ হাজার টাকা লুট করা হয়। এর পাশাপাশি সোনার গয়না, দামি মোবাইল সেটও লুট হয়। তবে কাউকে এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এখানেই প্রশ্ন উঠছে, শাসক দলের নেতা হওয়ার জন্যই কি অভিযুক্তদের গায়ে হাত দিতে পারছে না পুলিশ?

    ঘটনার বিবরণ (Howrah)

    জানা গিয়েছে, পাঁচলার এক ব্যবসায়ীর নাম শাহাবুদ্দিন সেপাই। তাঁরই মেয়ের বিয়ে নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে মনোমালিন্য (Trinamool kangaroo court meeting) হয় শাহাবুদ্দিনের। সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী রাগ করে মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে যান। সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার জন্য শাহাবুদ্দিনের বাড়িতে একটি সালিশি সভা ডাকা হয়। অভিযোগ ঠিক সেই সময়ে পাঁচলার জুজুরসাহা গ্রাম পঞ্চায়েতের (Howrah) উপপ্রধান খলিল আহমদের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন যুবকের একটি দল আসে। আলোচনার মাঝে শাহাবুদ্দিনকে ব্যাপক (Howrah) গালিগালাজ ও মারধর করা হয়। এরপরে ফের একবার খলিল ফোন করে তাঁর দলকে ডাকেন। ৫০টি বাইক ও দুটি ম্যাটাডোরে করে দেড়শোর ওপর ছেলে সেই সময় বাড়িতে উপস্থিত হয়। তাঁদের অধিকাংশ জনের হাতে ছিল লাঠি, রড ছুরি ভোজালি। তখন কোনওভাবে শাহাবুদ্দিন পালিয়ে যায়। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় না, খলিলের দলবল শাহবুদ্দিনের পিছু নেয়। বেশ কিছুটা দূরে শাহাবুদ্দিনের ভাইপোর বাড়িতে তিনি লুকিয়ে পড়েন। এই সময় শাহবুদ্দিনের ভাইপোর বাড়িতে ভাঙচুর চালায় খলিলের দল।

    আক্রান্ত শাহাবুদ্দিনের বক্তব্য

    শাহাবুদ্দিনের বক্তব্য, “আমার মেয়ের এক জায়গায় পাকা দেখা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আমার স্ত্রীয়ের এক আত্মীয়ের সঙ্গে মেয়ের সম্পর্ক ছিল। তার সঙ্গেই মেয়েকে পাঠিয়ে দেয় আমার স্ত্রী। তারপর ভয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। এরপর আমাকে ওদের তরফেই বলা হয়  সভা হবে। বাড়ির লোক কথা বলবে। তাই একাই গিয়েছিলাম। কিন্তু দেখি খলিলের দল এসেছে। তারপর তো এই কাণ্ড।” পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি (Howrah)। তবে খলিল আহমেদের নামে একাধিক অসামাজিক কাজের অভিযোগ রয়েছে। এখানেই প্রশ্ন উঠছে একাধিক অসামাজিক কাজের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও পুলিশ কেন কোনও ব্যবস্থা নিতে পারেনি?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: হাওড়ার উন্নতি ও চন্দননগরের দীপ্তানুর কাছে এসে পৌঁছল প্রধানমন্ত্রী মোদির চিঠি

    Narendra Modi: হাওড়ার উন্নতি ও চন্দননগরের দীপ্তানুর কাছে এসে পৌঁছল প্রধানমন্ত্রী মোদির চিঠি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দননগরের দীপ্তানু এবং হাওড়ার উন্নতির কাছে এসে পৌঁছল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) চিঠি। দুই জনের আঁকা ছবির প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এতে উচ্ছ্বসিত পরিবারের সদস্যরা। মঙ্গলবার ডাকযোগে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে চিঠি এসে পৌঁছেছে দুই পরিবারে হাতে। তাঁদেরকে এই ভাবে চিঠি পাঠিয়ে অভিনন্দন জানানো হবে, তা স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি। এলাকায় খুশির আবহ।

    হাতে এঁকে মোদির ছবি দিয়েছিলেন (Narendra Modi)

    গত ১২ মে সাঁকরাইলে লোকসভা ভোটের প্রচারে নির্বাচনী জনসভা করতে এসেছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। কিন্তু নির্বাচন, রাজনীতি ওঁরা বোঝেন না। মোদিকে দেখবে বলে বাবা-মায়ের হাত ধরে জনসভায় গিয়েছিলেন দুই বোন। তাঁদের হাতে আঁকা ছিল নরেন্দ্র মোদির ছবি, একই সঙ্গে তাঁদের হাতে ছিল ‘বেটি পড়াও বেটি বাঁচাও’ পোস্টার। হাজার হাজার ভিড়ে নজর কেড়ে নিয়েছিলেন দুই বোন। প্রধানমন্ত্রী দুই বোনের সঙ্গে কোথাও বলেন এবং উপহার হিসেবে ছবিও গ্রহণ করেন। সেই দিন আপ্লুত হয়েছিলেন হাওড়া ক্যারি রোডের বাসিন্দা অবিনাশ শর্মার দুই মেয়ে বাণী শর্মা এবং উন্নতি শর্মা। তাঁদের প্রতিভার কথা ভুলে যাননি, প্রধানমন্ত্রী মোদি কথা রেখেছেন।

    প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা মোদি

    উন্নতির বাবা অবিনাশ শর্মা বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) চিঠি (Letter) এসে পৌঁছেছে আমাদের বাড়িতে। আমরা স্বপ্নেও কোনও দিন ভাবতে পারিনি এইভাবে তিনি আমাদের মনে রাখবেন। আমার দুই সন্তানরা খুব উন্নতি করবে বলে আশীর্বাদ দিয়েছেন। তিনি আগামী প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা।”

    আরও পড়ুনঃ গণপিটুনির নায়ক তৃণমূল নেতা জয়ন্ত সিং, জুয়া-সাট্টা, মধুচক্র কোনটায় নেই তিনি

    আপ্লুত দীপ্তানু

    চন্দননগরের দীপ্তানু মুখোপাধ্যায় আইটি সেক্টরে কাজ করেন। তিনিও রিষড়ার জনসভায় প্রধানমন্ত্রী মোদির (Narendra Modi) ছবি এঁকে উপহার হিসাবে দিয়েছিলেন। তাঁকেও এদিন প্রধানমন্ত্রী চিঠি (Letter) পাঠিয়েছেন। মোদির চিঠি পেয়ে দীপ্তানু বলেছেন, “আমি আপ্লুত, আমার কল্পনার অতীত! আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আদর্শে অনুপ্রাণিত। তিনি যখন এসেছিলেন তাঁকে উপহার দেওয়ার চেষ্টা করি, সাদরে তিনি গ্রহণ করেছিলেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Terrorist Arrest: হাবিবুল্লার পর এবার হেরাজ, হাওড়া স্টেশন চত্বর থেকে ফের গ্রেফতার জঙ্গি

    Terrorist Arrest: হাবিবুল্লার পর এবার হেরাজ, হাওড়া স্টেশন চত্বর থেকে ফের গ্রেফতার জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুরের কাঁকসার মহম্মদ হাবিবুল্লার পর এবার নদিয়ার মায়াপুরের হেরাজ শেখ। ফের রাজ্যে আরও একজন জঙ্গিকে গ্রেফতার করল এসটিএফ। হাওড়া স্টেশন চত্বর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাংলাদেশি ‘শাহাদাত’ মডিউলের হিসাবে সে কাজ করত। তবে, এই রাজ্যে হেরাজের কী ভূমিকা ছিল তা গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছে।

    কীভাবে খোঁজ মিলল হেরাজের? (Terrorist Arrest)

    গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের নিষিদ্ধ সংগঠন (Terrorist Arrest) আনসার-আল-ইসলাম এর একটি মডিউল বাংলাদেশ ও বাংলায় সক্রিয়। শাহাদত নামে সেই মডিউলের প্রধান বা আমীর হিসাবে কাজ করতেন হাবিবুল্লা। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, এই মডিউলের সদস্যরা নিজেদের মধ্যে বিশেষভাবে সুরক্ষিত বা এনক্রিপটিক মেসেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে কথাবার্তা বলত। সন্ত্রাসবাদী সংগঠন আল কায়দা-র সঙ্গে যোগাযোগে থাকা আনসার আল ইসলামের মডিউল ভারত ও বাংলাদেশে কাজ করছে। হাবিবুল্লার কাজ ছিল শিক্ষিত যুবক-যুবতীদের মগজধোলাই করে নিয়োগ করা। হাবিবুল্লাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই খোঁজ মিলেছে হেরাজের। এরপরই এসটিএফের অভিযানে পাকড়াও হয় এই সন্দেহভাজন।

    আরও পড়ুন: সীমান্তে গরু পাচারে বাধা, বিএসএফের ওপর পাচারকারীদের হামলা, চলল গুলি

    হাবিবুল্লার সঙ্গী হিসাবে আরও ৩ জনের হদিশ!

    এসটিএফ সূত্রে খবর, সম্প্রতি ‘শাহাদাত’ নামে এক নতুন জঙ্গি (Terrorist Arrest) গোষ্ঠী গজিয়ে উঠেছে। বাংলাদেশেও এই জঙ্গি গোষ্ঠী বেশ সক্রিয়। বাংলাদেশে নিষিদ্ধ কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠন ‘আনসার-আল-ইসলামের’ সঙ্গেও এই সদ্য গজিয়ে ওঠা জঙ্গি সংগঠন ‘শাহাদাতের’ যোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, ঘুর পথে আল-কায়দার সঙ্গে এদের যোগ রয়েছে সন্দেহ গোয়েন্দাদের। তবে, হাবিবুল্লার সঙ্গে হেরাজের কী সম্পর্ক তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সূত্রের খবর, জেরায় হাবিবুল্লা জানিয়েছেন, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ডার্ক নেটে জিহাদ নিয়ে পড়াশুনা করে নিজেই অনলাইনে সংগঠন তৈরি করেন। তিনি অন্য কারও কাছ থেকে নির্দেশ পেতেন না বলেই দাবি করেছেন বলে জানা গিয়েছে। হাবিবুল্লার সঙ্গী হিসাবে আরও ৩ জনের হদিশ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। তাদের এখন চিহ্নিত করার কাজ চলছে। এরপর এদিন হাওড়া স্টেশন চত্বর থেকে পাকড়াও করা হল একজনকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mountaineer: হিমাচলের শৃঙ্গে বরফে ‘দানবাকৃতি’ পায়ের ছাপ! পর্বত আরোহীদের অদ্ভুত অভিজ্ঞতা

    Mountaineer: হিমাচলের শৃঙ্গে বরফে ‘দানবাকৃতি’ পায়ের ছাপ! পর্বত আরোহীদের অদ্ভুত অভিজ্ঞতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গল্পের বইতে ইয়েতি-র কথা অনেকেই শুনেছেন। দানবাকৃতি, অনেকটা গেরিলার মতো দেখতে। তুষারমানব নামেও পরিচিত। তবে বাস্তবে তার অস্তিত্ব রয়েছে কিনা এই নিয়ে সংশয় রয়েছে। তবে কয়েক জন বাঙালি হিমাচলে পর্বতে আরোহণ (Mountaineer) করতে গিয়ে এই দানবের পায়ের ছাপ দেখে জল্পনা উস্কে দিয়েছেন। রীতিমতো দানবাকৃতি পায়ের ছাপ দেখেছেন তাঁরা।

    পর্বত আরোহীর বক্তব্য

    পর্বত আরোহীদের (Mountaineer) সদস্য দেবাশিষ বিশ্বাস বলেছেন, “দেওটিব্বা অভিযানে ক্যাম্প ওয়ান থেকে ক্যাম্প টু-তে যাওয়ার সময় আমরা বরফের উপর অদ্ভুত পায়ের ছাপ দেখতে পাই। তবে অভিযাত্রীদের মধ্যে কেউ বুঝতে পারছিলেন না ঠিক কিসের এই পায়ের ছাপ। তবে পায়ের ছাপগুলি বেশ লম্বা। প্রায় সাড়ে ছয় ইঞ্চি চওড়া, বরফের উপর দিয়ে ক্রমেই এগিয়ে গিয়েছে উপরের দিকে। আমি ছাপগুলিকে ক্যামেরায় বন্দি করেছি। শেরপাকে প্রশ্ন করতে তারা জানায় এই ছাপ ভালুকের। কিন্তু তাদের মুখের কথা এবং হাবেভাবে বোঝা গিয়েছে, দৃঢ় বিশ্বাস ছাপ নিছক ভালুকের নয়। এটি ইয়েতির পায়ের ছাপ! ওত উপরে গাছপালা নেই, ফলের খোঁজও নেই। ভালুক কীভাবে থাকবে? তাছাড়া পায়ের ছাপের সঙ্গে ভালুকের পায়ের ছাপের তেমন মিল নেই। তবে দেওটিব্বা এবং ইন্দ্রাসন আরোহন সেরে ফেরার সময় এই ছাপ তুষারপাতের কারণে আর দেখা যায়নি।”

    আরও পড়ুনঃ খড়্গপুর ডিভিশনে টানা ১০ দিন তিনশোর বেশি ট্রেন বাতিল, ঘোষণা রেলের

    ১২ জনের দল ছিল (Mountaineer)

    হাওড়া ডিস্ট্রিক্ট মাউন্টেনার্স এন্ড ট্রেকার্স অ্যাসোসিয়েশন’ ও ‘হিমালয়ান অ্যাসোসিয়েশন’-এর যৌথ উদ্যোগে হিমাচলপ্রদেশের ইন্দ্রাসন শৃঙ্গ (৬২২১ মিটার) ও পড়শি দেওটিব্বা (৬০০১ মিটার) শৃঙ্গে অভিযান চালাতে গিয়েছিল দু’টি অভিযাত্রী দল। তাঁদের বিশেষ নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এভারেস্টজয়ী (Mountaineer) মলয় মুখোপাধ্যায় এবং দেবাশিষ বিশ্বাস। হিমাচলের পীরপঞ্চাল হিমালয়ের সবচেয়ে কঠিন শৃঙ্গ ইন্দ্রাসন বরাবর পর্বতারোহীদের পছন্দের জায়গা। পথ অত্যন্ত বিপজ্জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ। এই বাধাকে অতিক্রম করে হাওড়ার ১২ জনের দলকে নিয়ে হিমাচলে গিয়েছিলেন মলয়। গত ১৫ জুন সকালে মলইয়-সহ দলের ৯জন সদস্য ডেওটিব্বার শীর্ষে পৌঁছে ছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Howrah: ব্যাঙ্কে লোন করে দেওয়ার বিনিময়ে গৃহবধূকে দিঘার হোটেলে রাত কাটানোর প্রস্তাব তৃণমূল নেতার!

    Howrah: ব্যাঙ্কে লোন করে দেওয়ার বিনিময়ে গৃহবধূকে দিঘার হোটেলে রাত কাটানোর প্রস্তাব তৃণমূল নেতার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বামীর কাজ ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য দুর্গাপুরে এক গৃহবধূকে তিন তৃণমূল নেতার সঙ্গে রাত্রিবাস করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই হাওড়ার (Howrah) জগৎবল্লভপুরে আরও এক কীর্তিমান তৃণমূল নেতার হদিশ মিলল। ওই তৃণমূল নেতা ব্যাঙ্কে লোন করে দেওয়ার বিনিময়ে এক গৃহবধূকে শয্যাসঙ্গিনী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। বিষয়টি জানাজানি হতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Howrah)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জগৎবল্লভপুরের (Howrah) পাতিয়াল গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য কাজি সাবির আহমেদ এক মহিলাকে ব্যাঙ্ক থেকে ৫ লক্ষ টাকা লোন পাইয়ে দেওয়ার নামে ৩০,০০০ টাকা প্রতারণা করেন বলে অভিযোগ। ওই গৃহবধূ বলেন, মাস ছয়েক আগে আমাকে ব্যাঙ্ক থেকে লোন করে দেবেন বলে ওই তৃণমূল নেতা প্রতিশ্রুতি দেন। এর জন্য কয়েক দফায় মোট ৩০০০০ টাকা আমি তাঁকে দিই। তাতেও কোন কাজ হয়নি। এরপর কাজি সাবির আহমেদ আমাকে ফোনে দিঘার হোটেলে রাত কাটানোর প্রস্তাব দেন। তাতে আমি রাজি হইনি। আমার সঙ্গে মোবাইলে রেকর্ডিং কথাবার্তাও প্রকাশ্যে এনেছি। সকলকে সমস্ত বিষয়টি জানিয়েছি। জানা গিয়েছে, রবিবার  জগৎবল্লভপুর থানায় গ্রামবাসীদের সঙ্গে ওই মহিলা আসেন। ওই তৃণমূল সদস্যের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশকে যাবতীয় মোবাইল রেকর্ডিং ক্লিপ জমা দেন। এর প্রেক্ষিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। জগৎবল্লভপুর ব্লকের তৃণমূলের নেতাদের বক্তব্য, দলের কাছে অভিযোগ এসেছে। দল গোটা ঘটনার নজর রাখছে। যদি ঘটনা সত্যি প্রমাণিত হয়, দল ওই সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

    আরও পড়ুন: কাঁকসায় তৃণমূল সমর্থকের ছেলে জঙ্গি! গ্রেফতার করল এসটিএফ

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা কাজি সাবির আহমেদ বলেন, “এটা সিপিএম আইএসএফের রাজনৈতিক চক্রান্ত। ভোটের আগে ওই পঞ্চায়েত এলাকা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ভালো ভোটে এগিয়ে থাকার কারণে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আমার গলার আওয়াজকে কম্পিউটারে কারসাজি করে বানানো হয়েছে। এই ঘটনায় আমি জড়িত নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Howrah: রানিগঞ্জের পর এবার ডোমজুড়ে বন্দুক দেখিয়ে সোনার দোকানে ডাকাতি!

    Howrah: রানিগঞ্জের পর এবার ডোমজুড়ে বন্দুক দেখিয়ে সোনার দোকানে ডাকাতি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রানিগঞ্জের পর এবার হাওড়ার ডোমজুড়ে (Howrah) সোনার দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটল। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ চার দুষ্কৃতী প্রথমে সোনার দোকানে ঢোকে। এরপর বন্দুকের কুঁদো দিয়ে মারধর করে দোকানের কর্মচারীদের। ঠিক তার পরে পরেই সকলকে বেঁধে দোকানে চলে দেদার লুটপাট। ইতিমধ্যেই পুলিশ এই ডাকাতির ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।

    দোকানের কর্মচারীর বক্তব্য (Howrah)

    হাওড়ার (Howrah) ডোমজুড়ের এই সোনার দোকানের কর্মী শ্রেয়া সামন্ত বলেন, “প্রথমে ওরা দুজন দোকানের ভিতরে ঢুকেছিল। তখন আমি গয়না দেখাচ্ছিলাম। এরপর আরও দুজন দোকানে ঢোকে। ঠিক তারপরেই আচমকা হামলা শুরু হয়ে যায়। চারজনের হাতেই ছিল পিস্তল। ক্রেতা হিসাবে ঢুকে দুষ্কৃতীরা তাণ্ডব চালায়। মুখে বলছিল, চুপ করে থাক, নইলে মেরে দেবো। যা যা প্রদর্শনীর জন্য গয়না রাখা হয়েছিল সব তুলে নিয়ে গিয়েছে। দাদা প্রতিবাদ করতে গেলে ব্যাপক মারধর করে। এমনকী মারে তাঁর রক্ত ঝরতে শুরু করে। সেই মুহূর্তে আমরা সকলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম।”

    পুলিশের ভূমিকা

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে (Howrah) পুলিশ এসে পৌঁছায়। তবে ঠিক কত টাকার সোনা ছিল দোকানে, তা এখনও হিসাব করা যায়নি। ইতিমধ্যে এই ডাকাতদের ধরতে বিভিন্ন এলাকায় নাকা চেকিং করা হয়েছে। গ্রেফতার করতে সবরকম চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু এই ঘটনায় আশেপাশের মানুষ এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এমনকী অনেকেই বলছেন, আইনের শাসন এবং সামজিক নিরপাত্তা-সুরক্ষা বলে কিছুই নেই রাজ্যে।

    আরও পড়ুন: বাগদায় উপনির্বাচন ঘোষণা হতেই দেওয়াল লিখন শুরু বিজেপির, জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী

    আগেও হয়েছে ডাকাতি

    গত রবিবার রানিগঞ্জের একটি সোনার দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সাতজন ডাকাত মিলে অস্ত্র দেখিয়ে দোকানের মালপত্র লুট করেছিল। কিন্তু লুট করে ফেরার পথে এক পুলিশের আধিকারিকের সামনে পড়ে যায় ডাকাতেরা। পুলিশের ছোড়া গুলিতে আহত হয় এক ডাকাত। বাকিরা দ্রুত পালাতে সক্ষম হয়। ইতিমধ্যে ২ জন ধরা পড়েছে। বাকীদের তল্লাশি চলছে। উল্লেখ্য এই ভাবেই মালদা, রানাঘাট এবং পুরুলিয়াতে আগেও সোনার দোকানে ডাকাতি হয়েছিল। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছিল রাজ্যজুড়ে। আজ হাওড়ায় (Howrah) ফের হয় ডাকাতি।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Remal Cyclone: রেমালে বিপর্যস্ত হাওড়া, জলমগ্ন নিচু এলাকা, বেহাল জনজীবন! নামখানায় মৃত ১

    Remal Cyclone: রেমালে বিপর্যস্ত হাওড়া, জলমগ্ন নিচু এলাকা, বেহাল জনজীবন! নামখানায় মৃত ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেমাল (Remal Cyclone) ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে চূড়ান্ত বিপর্যস্ত হাওড়ার একাধিক এলাকা। নিচু এলাকাগুলিতে জল জমে গিয়েছে। রবিবার রাত থেকেই ঝড় এবং বৃষ্টির প্রভাবে হাওড়া পুরসভার একাধিক জায়গায় জল জমে জনজীবন সঙ্কটের মধ্যে পড়েছে। সালকিয়া, বেলগাছিয়া, টিকিয়াপাড়া, রামরাজাতলা, ঘুসুড়ি, কোনা এক্সপ্রেস এবং লিলুয়ার একাধিক জায়গায় জলমগ্ন হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যে এলাকার মানুষ পড়েছেন দুর্ভোগে। অপর দিকে নামখানার মৌসিুনি দ্বীপে এক ৮০ বছরের বৃদ্ধা ঝড়ের কবলে গাছ চাপা পড়ে মারা গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। অপর দিকে কলকাতায় বিপজ্জনক বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়ায় মারা গিয়েছেন আরও এক ব্যক্তি।

    হাওড়া পুরসভার বক্তব্য (Remal Cyclone)

    রেমাল (Remal Cyclone) ঝড় এবং বৃষ্টির কারণে জলমগ্ন হয়ে সমস্যায় পড়েছেন হাওড়া সদর এলাকার মানুষ। হাওড়া পুরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১১টি পাম্পের মাধ্যমে জল নামানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়াও আরও সাতটি মোবাইল ভ্রাম্যমান পাম্পের মাধ্যমে জল নামানোর কাজ করা হচ্ছে। নিচু এলাকা থেকে জল নামানোই এখন প্রধান কাজ। ঝড়ের দাপটে মধ্যহাওড়া হালদারপাড়া সেকেন্ড বাই লেন-সহ কয়েকটি বাড়িতে গাছ ভেঙে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুরসভার পক্ষ থেকে বিপর্যয় মোকাবেলা বাহিনী কাজ করে চলেছে। তবে ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই।

    হাওড়ায় ট্রেন চলাচল মোটের উপর স্বাভবিক

    হাওড়া স্টেশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মোটের উপর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, রেমালের কারণে ঘূর্ণিঝড়ে সোমবার হাওড়া-দিঘা এবং ডাউন তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস বন্ধ রাখা হয়েছে। চালু হয়েছে অন্য কিছু ট্রেন। যোগাযোগ সচল করার জন্য প্রয়োজনীয় সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে হাওড়া-কলকাতায় ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। আবহাওয়ার (Remal Cyclone) উন্নতি না ঘটলে নদীপথে পরিবহণ স্বাভাবিক করা যাবে না।

    আরও পড়ুন:রেমালের প্রকোপে প্রায় দশ ঘণ্টা পর শিয়ালদা দক্ষিণ শাখায় চলল ট্রেন

    নামখানায় মৃত ১

    রেমালের (Remal Cyclone) দাপটে গাছ ভেঙে ঘরের উপর পড়লে ৮০ বছরের এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে। টিনের ছাউনি দেওয়া ঘরের মধ্যে রান্না করছিলেন রেণুকা মণ্ডল নামের ওঁই বৃদ্ধা। কিন্তু আচমকা ঝড়ে গাছ ভেঙে পড়লে চাপা পড়ে মারা যান বৃদ্ধা। কিন্তু দ্রুত তাঁকে হাসপাতলে নিয়ে গেলে শেষ রক্ষা হয়নি। ডাক্তাররা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ইতিমধ্যে সেখানে গিয়ে পৌঁছেছেন ফেজারগঞ্জের পুলিশ। তাঁর দেহ এরপর ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়। এই ঝড়ের দাপটে বহু কাঁচা বাড়ি ভেঙে গিয়েছে। অনেক গাছপালা ভেঙে গিয়েছে। ইতিমধ্যে সুন্দরবনের উপকূল এলাকার ১ লক্ষ ১০ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Howrah: ভোট পরবর্তী হিংসা! হাওড়ায় ঘরছাড়া ২০০ বিজেপি কর্মী, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Howrah: ভোট পরবর্তী হিংসা! হাওড়ায় ঘরছাড়া ২০০ বিজেপি কর্মী, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  হাওড়া (Howrah) লোকসভা কেন্দ্রে ভোট শেষ হতেই লাগাতার সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।  এমনিতেই ভোট গ্রহণ পর্ব থেকেই হাওড়া লোকসভার বিভিন্ন জায়গায় উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। ভোট পর্ব মিটতেই হাওড়ার পাঁচলা বিধানসভা এলাকায় বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভাঙচুর করা হয় একাধিক বিজেপি কর্মীর বাড়ি। তৃণমূল এতটাই বেশি সন্ত্রাস চালিয়েছে যে পাঁচলার বেলডুবি গ্রাম কার্যত পুরুষ শূন্য হয়ে গিয়েছে। আতঙ্কে এই গ্রামের প্রায় ২০০ জন বিজেপি কর্মী সমর্থক ভোট পরবর্তী হিংসায় ঘরছাড়া বলে অভিযোগ উঠেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Howrah)

    পঞ্চম দফায় হাওড়ার (Howrah) বেলডুবি গ্রামের উত্তর পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬৯ এবং ৭০ নম্বর বুথে ভোট গ্রহণ হয়েছিল। তবে ভোটগ্রহণের মাঝপথে অশান্তি ছড়ায়। অভিযোগ, ওই বুথে ছাপ্পা ভোটের চেষ্টা করছিল তৃণমূলের কর্মীরা। তাতে বাধা দিয়েছিলেন বিজেপির দুজন এজেন্ট। এর পরেই তাদের বুথের মধ্যে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাদের সরিয়ে দিলেও রাস্তায় বের হলে তাদের প্রাণে মারার হুমকি দেয় তৃণমূল কর্মীরা। আরও অভিযোগ, ভোট শেষ হওয়ার পরেই গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান শেখ রুহুল আমিন এবং তাঁর দলবল বিজেপির এজেন্টদের পাশাপাশি সমর্থকদের বাড়িতে চড়াও হয় এবং বাড়ির পুরুষদের মারধর করে। এছাড়াও বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এলাকায় বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার পরে প্রাণভয়ে ঘরছাড়া হয়ে পড়েন বহু বিজেপির কর্মী সমর্থক। সবমিলিয়ে ২০০ জন বিজেপির কর্মী সমর্থক এখনও পর্যন্ত ঘরছাড়া। এই মুহূর্তে তারা জঙ্গলের মধ্যে আশ্রয় নিয়েছেন বলে দাবি করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। সেখানে অভুক্ত অবস্থায় তাদের দিন কাটছে।

    আরও পড়ুন: ভূপতিনগরকাণ্ডে এনআইএ আধিকারিক ধনরামের বদলি চেয়েছিল তৃণমূল! হস্তক্ষেপ করল না হাইকোর্ট

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূল প্রধান শেখ রুহুল আমিন বলেন, ভোটের দিন বুথে ঝামেলা হয়েছিল। তাও সেরকম কিছু নয়। ঝামেলা মিটে গিয়েছে। উলটে বিজেপি কর্মীরা রাতে আমার বাড়িতে হামলা চালায়। আমরা কোনও হামলা করিনি। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, এলাকাকে সন্দেশখালি করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে তৃণমূল। তৃণমূলের সন্ত্রাসের কারণে ২০০ কর্মী ঘরছাড়া হয়ে জঙ্গলে রয়েছেন। চরম আতঙ্কে রয়েছেন তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share