Tag: imran khan

imran khan

  • Imran Khan: ১৫ কোটি টাকার সরকারি গাড়ি নিজের সঙ্গে নিয়ে গিয়েছেন ইমরান, দাবি পাক মন্ত্রীর

    Imran Khan: ১৫ কোটি টাকার সরকারি গাড়ি নিজের সঙ্গে নিয়ে গিয়েছেন ইমরান, দাবি পাক মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর কয়েক কোটি টাকার বিলাসবহুল সরকারি গাড়ি নিজের কব্জায় রেখে দিয়েছেন ইমরান খান (Imran Khan)। এমনই অভিযোগ করলেন পাকিস্তানের (Pakistan) তথ্যমন্ত্রী মারিয়ম ঔরঙ্গজেব।

    অনাস্থা ভোটে (No confidence vote) হেরে গতমাসে গদি হারান প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী (Former Pakistan PM) ইমরান। এর ফলে, তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনও ছেড়ে দিতে হয়। মন্ত্রীর অভিযোগ, বেরনোর সময় বিদেশি অতিথিদের জন্য রাখা একটি সরকারি গাড়ি করে বের হন “কাপ্তান”। তারপর থেকে সেই গাড়ি তিনি আর ফেরত দেননি। নিজের কাছেই রেখে দিয়েছেন।

    ৬ বছর আগে ৩ কোটি পাকিস্তানি টাকায় কেনা হয়েছিল ওই বুলেটপ্রুফ ও বম্ব-রোধক গাড়িটি। বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় পাঁচগুণ বেশি, অর্থাৎ ১৫ কোটি টাকা। পাক মন্ত্রী বলেন, ‘প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ছাড়ার সময় একটি BMW X5 সঙ্গে করে নিয়ে গেছেন। গাড়িটি মূলত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গাড়ি। বিদেশি প্রতিনিধিদের জন্যে ব্যবহার করা হত।’  

    তিনি আরও জানান, গাড়িটি নিজের কাছে জোর করেই রাখতে চেয়েছিলেন ইমরান খান। যদিও আগের প্রধানমন্ত্রীদের বাড়িতে দামী গাড়ি রাখা নিয়ে পূর্ববর্তী সরকারগুলির সমালোচনা করেছিলেন ইমরান। পাক মন্ত্রী আরও দাবি করেছেন, ইমরান খান এক বিদেশি কূটনীতিকের দেওয়া হ্যান্ডগানও নিজের সঙ্গে নিয়ে গিয়েছেন। যদিও পাকিস্তান আইন অনুযায়ী, বিদেশি প্রতিনিধিদের দেওয়া উপহার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর তোশাখানায় জমা করা উচিৎ ছিল।

    [tw]


    [/tw]

    গতমাসে অনাস্থা প্রস্তাবে পরাজিত হওয়ার পরই ইমরান খানকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তারপর থেকেই ইমরানের কার্যকলাপে বার বার অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে তাঁর দল তেহরিক-ই-ইনসাফকে (Pakistan Tehreek-i-Insaf)। 
    বিদেশি প্রতিনিধিদের থেকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কী কী উপহার পেয়েছেন, সেই তালিকা প্রকাশ করতে সম্প্রতি শেহবাজ (Pak PM Shehbaz) শরিফের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারকে নির্দেশ দেয় ইসলামাবাদ হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে হাইকোর্টের তরফে এ-ও বলা হয় যে, বিদেশি প্রতিনিধিদের দেওয়া উপহার কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, দেশের সম্পত্তি। এর উত্তরে ইমরান খান বলেন, ‘আমার উপহার আমার মর্জি।’ বিদেশি উপহার নিজের কাছে রাখার জন্যে তোশাখানার নিয়মেও বদল করেছিলেন ইমরান, বলে দাবি করেন পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী।

     

     

  • New Pak PM Shehbaz Sharif: গদি রাখতে গেলে শেহবাজকে জিইয়ে রাখতেই হবে কাশ্মীর ইস্যু

    New Pak PM Shehbaz Sharif: গদি রাখতে গেলে শেহবাজকে জিইয়ে রাখতেই হবে কাশ্মীর ইস্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই শান্তির বুলি আওড়েছেন পাকিস্তানের (pakistan) নয়া প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ (prime minister shehbaz sharif)। তবে আদতে তা কতটা কার্যকরী হবে, তা নিয়ে সন্দিহান কূটনৈতিক মহল। কারণ প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। পাল্টা টুইটে তিনিও মোদির সাফল্য কামনা করেছেন। এর পরেই শান্তির বার্তা দিয়েছেন শেহবাজ। যদিও উসকে দিয়েছেন কাশ্মীর ইস্যু। 

    পাক পার্লামেন্টে (Pakistan National Assembly) বিরোধীদের আনা অনাস্থায় (no confidence or trust vote) গোহারা হেরে যান পাকিস্তানের তারকা ক্রিকেটার প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Former Pak PM Imran khan)। তার পরেই প্রধানমন্ত্রী পদে বসেন শেহবাজ। তিনি পাকিস্তানের ২৩ তম প্রধানমন্ত্রী। ১১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পরে পরেই তাঁকে টুইট করে শুভেচ্ছা জানান মোদি। তিনি লেখেন, ভারত চায় সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশে শান্তি এবং স্থায়িত্ব, যাতে করে আমরা উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে পারি। দেশবাসীর উন্নতি এবং সমৃদ্ধিও নিশ্চিত করতে পারি।
    মোদিকে পাল্টা টুইট করেছেন পাক প্রধানমন্ত্রীও। তিনি লেখেন, জম্মু-কাশ্মীরের মতো বিতর্কিত ইস্যুগুলির শান্তিপূর্ণ সমাধানও অপরিহার্য। দেশবাসীর উন্নতি ও সমৃদ্ধিও যে নয়া পাক প্রধানমন্ত্রীর মূল ফোকাস, টুইটে তাও জানিয়ে দিয়েছেন শেহবাজ।

    [tw]


    [/tw]

    বস্তুত, কাশ্মীর ইস্যুই যে শেহবাজের মূল হাতিয়ার হবে, প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পরেই তিনি তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন। এর কারণও রয়েছে। পাকিস্তানের সরকার ব-কলমে চালনা ও পরিচালনা করে সে দেশের সেনাবাহিনী এবং গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। শেহবাজ যে পাক প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেছেন, তার পেছনেও সেনার একটা অদৃশ্য হাত রয়েছে। এই সেনাই জিইয়ে রাখতে চায় কাশ্মীর ইস্যু।

    কাশ্মীর ইস্যু জিইয়ে রাখতে পারলে আদতে লাভ সরকারেরই। কারণ, তখন দারিদ্র, অশিক্ষা, অপুষ্টির মতো জ্বলন্ত ইস্যুগুলির দিক থেকে পাক নাগরিকদের অভিমুখ ঘুরিয়ে দেওয়া যাবে। তখন সরকার চলবে মসৃণ গতিতে। সেই কারণেই কাশ্মীর ইস্যুকেই হাতিয়ার করেন পাকিস্তানের সব প্রধানমন্ত্রীই। সেই কারণেই মুখে শান্তির বার্তা দিলেও, তলায় তলায় মদত দিতে থাকে লস্কর-ই-তৈবা (lashkar-e-taiba) সহ বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলিকে। তার জন্য কনকনে ঠান্ডায়ও হিংসার তাপে পোড়ে ভূস্বর্গ। বাতাস ভারী হয় বারুদের গন্ধে। আচমকাই লাশ হয়ে যান জলজ্যান্ত কোনও কাশ্মীরি।

     

LinkedIn
Share