Tag: Income Tax Department

Income Tax Department

  • ITR Refund: ঘরে বসে কীভাবে দেখবেন নিজের আইটিআর রিফান্ডের স্ট্যাটাস? জেনে নিন

    ITR Refund: ঘরে বসে কীভাবে দেখবেন নিজের আইটিআর রিফান্ডের স্ট্যাটাস? জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করদাতাদের (ITR Refund) জন্য জুলাই মাস খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৩১ জুলাই পর্যন্ত কোনওরকম পেনাল্টি ছাড়া আইটিআর (ITR Refund) জমা করার সুযোগ রয়েছে। ২০২২-২৩ এবং ২০২৩-২৪ আর্থিক বর্ষের আইটিআর পূরণের কাজ চলছে। যাঁরা এখনও পর্যন্ত নিজেদের আয়কর জমা দিতে পারেননি, তাঁরা কী করবেন! সে নিয়েই আমাদের প্রতিবেদন।  আবার অন্যদিকে, যাঁরা আয়কর জমা করেছেন এবং তার স্ট্যাটাস দেখে নিতে চান, তাঁরাও সহজেই তা দেখতে পারবেন। এবং এই স্ট্যাটাস দেখতে আপনাকে অন্য কোথাও যেতে হবে না। আজকের দিনে ঘরে বসেই দেখে নিতে পারবেন, আয়কর জমার (ITR Refund) ক্ষেত্রে আপনার বর্তমান স্ট্যাটাস।

    আরও পড়ুুন: তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা জোর করে মুচলেকা লিখিয়েছে, বাড়ি ফিরে বললেন অপহৃতরা

    করদাতাদের জন্য নতুন কিছু সুবিধা

    করদাতাদের কথা মাথায় রেখে নতুন পরিষেবা এনেছে আয়কর দফতর। এতে মিলছে দারুণ সুবিধা। সহজ হয়ে করদানের প্রক্রিয়া। আয়কর দফতরের পোর্টালে মিলছে এই নতুন সুবিধা। এই সুবিধার দরুন যেকোনও করদাতা ঘরে বসেই তাদের রিফান্ড স্ট্যাটাস চেক করতে পারেন। এই রিফান্ডের চেক করদাতারা করতে পারেন TIN-NSDL ওয়েবসাইটের দৌলতে। আয়কর দফতর জানিয়েছে, যদি কোনও করদাতা তাঁর করের পরিমাণের চেয়ে বেশি টাকা কর দিয়ে থাকেন, তবে অতিরিক্ত টাকা তিনি রিফান্ড হিসাবে পেয়ে যাবেন। যে সমস্ত করদাতারা আয়কর জমা (ITR Refund) করেছেন তাঁরা নিম্নলিখিত প্রক্রিয়ায় তা চেক করে নিতে পারেন।   

    কীভাবে দেখবেন নিজের স্ট্যাটাস

    প্রথমে আয়কর দফতরের e-filing portal-এ যেতে হবে। 

    এখানে নীচের দিকে দেখা যাবে ‘Your Refund Status’, এতে ক্লিক করুন।

    এরপর নিজের প্যান নম্বর, আর্থিক বছর এসব দিন।

    এবার আপনি একটি ওটিপি পাবেন। এটা ওয়েবসাইটে দিতে হবে।

    এরপরেই আপনার বর্তমান স্ট্যাটাস (ITR Refund) দেখা যাবে সহজেই।  
        
    যদি আপনার আয়কর জমায় কোনও সমস্যা না থাকে, তখন স্রিনে উঠবে  ‘Record Not Found’

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Congress News: কংগ্রেসের ৪ ব্যাঙ্ক আকাউন্ট ফ্রিজ করেছিল আয়কর বিভাগ, সিদ্ধান্ত বহাল রাখল ট্রাইবুনাল

    Congress News: কংগ্রেসের ৪ ব্যাঙ্ক আকাউন্ট ফ্রিজ করেছিল আয়কর বিভাগ, সিদ্ধান্ত বহাল রাখল ট্রাইবুনাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে ফের অস্বস্তিতে কংগ্রেস (Congress News)। কংগ্রেসের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলির বিরুদ্ধে আয়কর বিভাগের যে পদক্ষেপ, তারই উপর স্থগিতাদেশের আবেদন জানানো হয়েছিল, শুক্রবার সেই আপিল ট্রাইবুনাল খারিজ করে দিয়েছে। এতে বহাল থাকছে চারটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ এবং জরিমানার মতো পদক্ষেপগুলি। যা আয়কর বিভাগ নিয়েছিল। কংগ্রেসের আইনজীবী বিবেক তানঙ্খা এদিন ট্রাইবুনালের কাছে, আয়কর দফতরের নির্দেশের ওপর ১০ দিনের স্থগিতাদেশ চান। যাতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে পারে কংগ্রেস। কিন্তু সেই আর্জি খারিজ করে দিয়েছে ট্রাইবুনাল (Congress News)। ট্রাইবুনালের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে সেরকম কোনও নিয়ম নেই।

    ঠিক কী ঘটনা?

    প্রসঙ্গত, কংগ্রেস সূত্রে গত ফেব্রুয়ারি মাসের ১৬ তারিখে জানানো হয়েছিল, আয়কর রিটার্ন সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগে তাদেরকে জরিমানা করা হয়েছে এবং এই জরিমানার পরিমাণ ২১০ কোটি টাকা। এই সময়ের মধ্যেই কংগ্রেসের চারটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে আয়কর দফতর। এর পাশাপাশি ৬৫ কোটি টাকা জরিমানাও করে আয়কর বিভাগ। এর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে যায় কংগ্রেস (Congress News)। কিন্তু কংগ্রেসের সেই আর্জি খারিজ করে দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। আয়কর দফতর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ২০১৮-১৯ বর্ষের আয়কর সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগে মোট ১৩৫ কোটি টাকা কংগ্রেসের কাছে প্রাপ্য। লোকসভা ভোটের আগে এতে বেশ সমস্যার মুখে পড়ল কংগ্রেস, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    শুক্রবার প্রকাশ পেয়েছে কংগ্রেসের ৩৯ জনের প্রার্থী তালিকা

    শুক্রবার সন্ধ্যায় লোকসভা ভোটের (Congress News) প্রথম পর্যায়ের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল কংগ্রেস। এদিন কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকায় ৩৯ জনের নাম রয়েছে। দলের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী, শশী থারুর এবং ভূপেশ বাঘেলের মতো কংগ্রেস নেতাদের নাম দেখা যাচ্ছে ওই তালিকায়। রাহুল গান্ধী কেরালার ওয়েনাড থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ২০১৯ সালে উত্তরপ্রদেশের একমাত্র আসন রায়বেরিলি কেন্দ্র থেকে জয়ী হন সোনিয়া গান্ধী। তবে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকায় রায়বেরিলির প্রার্থী ঘোষণা করেনি কংগ্রেস। সোনিয়া গান্ধী নিজেকে বর্তমানে রাজ্যসভায় সরিয়ে নিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, পরিবারতন্ত্র বজায় থাকবেই রায়বেরিলিতে এবং সেক্ষেত্রে ২০২৪ সালের ভোটে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেকের ‘শ্রদ্ধার্ঘ্য’ কর্মসূচিতে খরচ কোটি-কোটি, উৎস কী? আয়করকে চিঠি শুভেন্দুর

    Abhishek Banerjee: অভিষেকের ‘শ্রদ্ধার্ঘ্য’ কর্মসূচিতে খরচ কোটি-কোটি, উৎস কী? আয়করকে চিঠি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি প্রকল্প হিসেবে বার্ধক্য ভাতা চালু রয়েছে। তবে তাঁর নিজের লোকসভা কেন্দ্রের জন্য চলতি জানুয়ারি মাস থেকে আলাদাভাবে আলাদা বার্ধক্য ভাতা চালুর কথা বলেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রকল্পের নাম রাখা হয়েছিল ‘শ্রদ্ধার্ঘ্য’। যে সমস্ত প্রবীণ ব্যক্তি বার্ধক্য ভাতা পাচ্ছেন না, তাঁদের প্রতি মাসে হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। তিনি যে বিপুল সংখ্যক মানুষকে বার্ধক্য ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন, তাতে দেখা যাচ্ছে প্রতি মাসে খরচ হবে সাড়ে ৭ কোটিরও বেশি। এ নিয়েই প্রশ্ন তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের বিধায়কের অভিযোগ, এই কর্মসূচির নাম করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের চুরির টাকা বিলি করছেন। তিনি এ নিয়ে ইতিমধ্যে আয়কর দফতরের গোয়েন্দা এবং ফৌজদারি বিভাগে চিঠিও পাঠিয়েছেন।

    চিঠিতে কী লিখলেন শুভেন্দু?

    আয়কর দফতরে লেখা চিঠিতে বিরোধী দলনেতা জানিয়েছেন, সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ১৬ হাজার ৩৮০ জন বড় হৃদয়ের স্বেচ্ছাসেবককে পেয়েছেন, যাঁরা প্রতি মাসে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা ডোনেশন দিতে সম্মত হয়েছেন অনির্দিষ্টকালের জন্য। প্রসঙ্গত, ১৬ হাজার ৩৮০ জন স্বেচ্ছাসেবকের ওপর ভার ছিল প্রবীণদের খুঁজে বের করার। ওই চিঠিতে শুভেন্দু আরও জানিয়েছেন, কয়লা পাচার এবং শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডি এবং সিবিআইয়ের তদন্তের আওতায় রয়েছেন ওই সাংসদ। মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো হওয়ার সুবাদে তিনি রাজ্য প্রশাসনের উপর প্রভাব বিস্তার করার ক্ষমতা রাখেন।

    উঠছে প্রশ্ন

    বিভিন্ন মহলের মতে, বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতার মতো প্রকল্পগুলি সরকারি প্রকল্প, এসব বাদ দিয়ে কোনও জনপ্রতিনিধি কীভাবে মানুষকে টাকা বিলি করতে পারেন। এভাবে টাকা বিল করা যায় না। নির্বাচনের সময়ে টাকা বিলি করাকে আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘনের তালিকায় ফেলা হয়। অথচ অভিষেকে বলছেন তাঁর কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতি মাসেই মিলবে টাকা। এই টাকার উৎস নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন বিরোধী নেতৃত্বরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: আয়কর দফতরের নজরে এবার পটাশপুরের তৃণমূল বিধায়ক

    Purba Medinipur: আয়কর দফতরের নজরে এবার পটাশপুরের তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তির হদিশ মেলায় আয়কর দফতরের নজরে এবার পটাশপুর (Purba Medinipur) তৃণমূল বিধায়ক। সূত্রে জানা গিয়েছে, গত দুই বছরের আয়ব্যয়ের হিসেব চাওয়া হয়েছে তাঁর কাছ থেকে। উল্লেখ্য, রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, রেশন দুর্নীতি, পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি ইত্যাদি নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা শাসক দল তৃণমূলের একাধিক মন্ত্রী, বিধায়ক, নেতাকে গ্রেফতার করেছে। আবার কয়লা, গরু পাচারকাণ্ডে ইতিমধ্যে তৃণমূলের যুব নেতৃত্বের মধ্যে বিনয় মিশ্র দেশ ছেড়ে পালিয়াছেন। তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইডি তলব করেছে বেশ কয়েকবার। সম্প্রতি ইডি, হাইকোর্টে মুখবন্ধ খামে জমা দিয়েছে তাঁর সম্পত্তির হিসাব। ফলে ফের একবার পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) তৃণমূল বিধায়ককে আয়কর দফতরে হিসাব চাইলে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা ছড়ায়।

    আয়করের রিটার্ন জমা দেননি (Purba Medinipur)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) পটাশপুরের তৃণমূল বিধায়ক উত্তম বারিকের আয়ব্যয় সংক্রান্ত বিষয়ে গোলমাল পাওয়া গিয়েছে। তিনি গত তিন বছর ধরে রিটার্ন জমা দেননি বলে জানা গিয়েছে। আর এই জন্যই আয়কর দফতর তাঁকে নোটিশ দিয়েছে। আগামী জানুয়ারির ৮ তারিখ তাঁকে আয়ব্যয় সংক্রান্ত নথি পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আয়কর দফতর। উল্লেখ্য, স্বশরীরে হাজিরার কথা বলা হয়নি তাঁকে। তবে নোটিশ যে তিনি পেয়েছেন সেই বিষয়ে তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন। বিধায়ক অবশ্য জানিয়েছেন যে গত দুই বছরে আয়ব্যয় সংক্রান্ত রিপোর্ট বিষয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে দফতরে পাঠাবেন।

    সাগর দিঘিরবিধায়কেও তাল্লাশি চালায় আয়কর

    কংগ্রেসের হয়ে সাগরদিঘিতে জয়লাভ করেছিলেন বায়রন বিশ্বাস। এরপর তিনি নবজোয়ার যাত্রায় অভিষেকের হাত ধরে তৃণমূলের যোগদান করে ছিলেন। কয়েকদিন আগেই বাড়িতে তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। তৃণমূল অবশ্য এই তাল্লশিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কথা বলে ছিল। একই ভাবে পটাশপুরের (Purba Medinipur) বিধায়কে তলবের বিষয়কেও পালটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কথাই বলা হয়। প্রতিক্রিয়া দিয়ে বিজেপি জানিয়েছে, একদিন তৃণমূলের গোটা দলটাই জেলের ভিতরে ঢুকে যাবে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Income Tax Raid: ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডে আয়কর হানায় উদ্ধার ৩০০ কোটি, টাকা গুনতে বিগড়ে গেল মেশিন!

    Income Tax Raid: ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডে আয়কর হানায় উদ্ধার ৩০০ কোটি, টাকা গুনতে বিগড়ে গেল মেশিন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগের বৃহস্পতিবারই ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডের বেশ কয়েকটি জায়গায় আয়কর দফতরের হানা (Income Tax Raid) চলল। জানা গিয়েছে, আয়কর দফতরের এই অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ৩০০ কোটি টাকা নগদ। এত বেশি পরিমাণ টাকা উদ্ধার হওয়াতে টাকা গণনা করতে আনা হয় মেশিন। একটা সময় করে সেই মেশিনও কাজ বন্ধ করে দেয়। ওড়িশার মধ্যে তল্লাশি চলে বালাঙ্গীর এবং সম্বলপুরে। অন্যদিকে, ঝাড়খণ্ডের রাঁচি ও লোহারদাগাতেও চলে এই তল্লাশি। আয়কর দফতরের এই অভিযান চলেছে কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ ধীরজ শাহুর বাড়িতেও।

    ১২ সদস্যের আয়কর দল হানা দেয় ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন জায়গায়

    ১২ সদস্যের একটি দল, কয়েকটি গ্রুপে ভাগ হয়ে সিআইএসএফ জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে এই অভিযান চালায়। বৌধ ডিস্টিলারিজ প্রাইভেট লিমিটেড (বিডিপিএল) এস শিব গঙ্গা অ্যান্ড কোম্পানি, এবং রানীসাটি প্যাডি প্রসেসিং প্রাইভেট লিমিটেড-এর অফিসে চলে এই হানা (Income Tax Raid)। এই বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধারের পরে আয়কর দফতরের আধিকারিকরা তা স্টেট ব্যাঙ্কের বুলাঙ্গীর শাখায়  নিয়ে আসেন একটি ট্রাকে করে।

    ১৫০ কোটি বাজেয়াপ্ত বৌধ ডিস্টিলারিজ প্রাইভেট লিমিটেড থেকে

    জানা গিয়েছে, মোট ১৫০ কোটি টাকায় বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বৌধ ডিস্টিলারিজ প্রাইভেট লিমিটেড (বিডিপিএল) এর বিভিন্ন শাখা থেকে। এই বিডিপিএল-ই হল দেশের মধ্যে সবথেকে বড় মদ তৈরির কারখানা। এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে ওড়িশার বাইরেও এই সংস্থা দেশি মদ বিক্রি করছে কোনও রকম বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই। আয়কর হানায় (Income Tax Raid) রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। বিজেপির সুন্দরগড়ের এমএলএ কুসুম তেতে অভিযোগ এনেছেন যে, ওড়িশার শাসক দল বিজু জনতা দলের নেতা যোগেশ সিং জড়িত রয়েছেন এই কোম্পানির সঙ্গে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Krishna Kalyani: ২০-ঘণ্টা জেরার পর ভোররাতে কৃষ্ণ কল্যাণীকে নিয়ে রওনা গোয়েন্দাদের! কোথায় গেলেন?

    Krishna Kalyani: ২০-ঘণ্টা জেরার পর ভোররাতে কৃষ্ণ কল্যাণীকে নিয়ে রওনা গোয়েন্দাদের! কোথায় গেলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর (Krishna Kalyani) বাড়িতে আয়কর-ইডির জোড়া হানার ২৪ ঘণ্টা পার। সূত্রের খবর, রাতভর তল্লাশির পরে বৃহস্পতিবার ভোরে বিধায়ককে নিয়ে তাঁর সুদর্শনপুরের অফিসে যান আয়কর আধিকারিকরা। এখনও চলছে তল্লাশি। জানা গিয়েছে, তাঁর বাড়ি থেকে ইতিমধ্যে বেশ কিছু নথি বাজেয়াপ্ত করেছেন গোয়েন্দারা। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, ম্যারাথন তল্লাশি যখন চলছে তখন অভিযোগ বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বিজেপির একাংশের দাবি, অনিয়ম ও দুর্নীতিতে ডুবে রয়েছেন কৃষ্ণ কল্যাণী (Krishna Kalyani), তাঁর গ্রেফতারি সময়ের অপেক্ষা।

    বুধবার সকালেই বিধায়কের বাড়িতে কড়া নাড়েন তদন্তকারী আধিকারিকরা 

    প্রসঙ্গত, বুধবার সাত সকালেই কৃষ্ণ কল্যাণীর (Krishna Kalyani) রায়গঞ্জের বাড়িতে কড়া নাড়েন আয়কর ও ইডি আধিকারিকরা। বাড়ি ও অফিস দুই জায়গা ঘিরে ফেলে ৪ গাড়ি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিধায়কের বিভিন্ন ব্যবসা রয়েছে বলে খবর। তাঁর ব্যবসায়িক পার্টনার হেমন্ত শর্মার বাড়িতেও এরপর যান গোয়েন্দারা। মালদার সাংসদ মৌসম নূরের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত হেমন্ত শর্মার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সূত্রের খবর, এখনও তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চলছে। রায়গঞ্জের স্থানীয় মানুষজনের দাবি, সামান্য ব্যবসা থেকে আচমকা উত্থান হয় কৃষ্ণ কল্যাণীর (Krishna Kalyani)। বিজেপি বলছে, এটাই তো শাসক দলের আশীর্বাদ। বাংলো স্টাইল বাড়ি, বহুতল অফিস। আচমকাই গড়ে ওঠে সব ২০১৬-২০১৭ সালের পর। এখন সেই উত্থানের পিছনে কোনও রকম অসঙ্গতি রয়েছে কিনা, সেটাই এবার আয়কর ও ইডি আধিকারিকরা খতিয়ে দেখছেন। একই কথা হেমন্ত শর্মার ক্ষেত্রেও, মালদায় কোটি কোটি টাকা খরচ করে তিনি বাড়ি করেছেন। শোনা যাচ্ছে, কলকাতাতেও একাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে তাঁর।

    কৃষ্ণ কল্যাণীর (Krishna Kalyani) বাড়িতে ইডি-আয়কর হানা নিয়ে তৃণমূলের কটাক্ষকে মোক্ষম জবাব সুকান্তর…

    অন্যদিকে রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর বাড়িতে আয়কর হানা নিয়ে তৃণমূলের কটাক্ষকে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই মোকাবিলা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তৃণমূলের তরফ থেকে এই ঘটনায় বিবৃতি দেওয়া হয়, ‘‘ওদের (বিজেপি) থেকে হয়ত দূরত্ব তৈরি হয়েছে কৃষ্ণ কল্যাণীর। তার জন্যই হয়ত এই হানা। তবে বারবার প্রমাণ হয়েছে যে, কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে নিয়ন্ত্রণ করছে কেন্দ্র।’’ এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য বিজেপির সভাপতি বলেছেন, ‘‘স্পিকার তো বলেই দিয়েছেন কৃষ্ণকল্যাণী বিজেপির বিধায়ক। তাহলে কেন্দ্রীয় এজেন্সি তো শুধু তৃণমূলকে টার্গেট করে না, বিজেপি বিধায়কের বাড়িতেও তল্লাশি চালায়।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: মালদার সাংসদ মৌসম ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বাড়িতে আয়কর হানা

    TMC: মালদার সাংসদ মৌসম ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বাড়িতে আয়কর হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর বাড়ির পাশাপাশি তৃণমূল সাংসদ মৌসম নূরের ঘনিষ্ঠ তৃণমূল (TMC) নেতার বাড়িতেও এদিন চলল আয়কর দফতরের হানা। বুধবার সকালে মালদার তৃণমূল নেতা হেমন্ত শর্মার বাড়িতে আয়কর দফতরের আধিকারিকরা তল্লাশি চালান। জানা গেছে, প্রথমে তাঁর হবিবপুর ব্লকের বুলবুলচন্ডীর বাড়িতে হানা দেয় আয়কর দপ্তর। পরে তাঁরা পৌঁছে যান তৃণমূল (TMC) নেতার মালদা শহরের সর্বমঙ্গলাপল্লীর বাড়িতে। তল্লাশির সময় দুটি বাড়িই ঘিরে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। যদিও কেন এই হানা, তা এখনও জানা যায়নি, তবে সূত্র মারফত জানা গেছে, গত কয়েক বছরে শাসক দলের বদান্যতায় ফুলে ফেঁপে উঠেছে হেমন্ত শর্মার সম্পত্তি, তাই এদিন তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফে অবশ্য এখনও অবধি কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি মেলেনি। প্রসঙ্গত, রাজনৈতিক কর্মসূচি বাদ দিয়েও মৌসম নূরের সফর সঙ্গী হতে দেখা যায় হেমন্ত শর্মাকে। শোনা যায়,  জঙ্গল থেকে পাহাড় যখনই ঘুরতে গেছেন মৌসম নূর, তখনই তাঁর সফর সঙ্গী হয়েছেন এই হেমন্ত শর্মা। এবার মৌসম ঘনিষ্ঠ হেমন্ত শর্মার বাড়িতে আয়কর দফতরের হানার ঘটনায় রীতিমতো সরগরম মালদার রাজনীতি। 

    কী বলছে বিরোধীরা?

    বিরোধীদের অভিযোগ এই হেমন্ত শর্মার অবস্থা সাধারণ আর পাঁচটা লোকের মতোই ছিল! প্রথম থেকেই তিনি তৎকালীন কংগ্রেস নেত্রী মৌসম নূরের ঘনিষ্ঠ। কংগ্রেসে থাকাকালীন তিনি দলের হবিবপুর ব্লকের দায়িত্বে ছিলেন। মৌসম তৃণমূলে যোগদান করার পরেই হেমন্ত শর্মাকে দেখা যায় জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদকের পদে। আর এরপর থেকেই হেমন্ত শর্মার উত্থান চোখে পড়ার মতো। বিরোধীদের আরও অভিযোগ, উল্কার গতিতে আর্থিক শ্রী বৃদ্ধি হতে থাকে হেমন্তর। তাঁর এলাকায় কান পাতলে শোনা যায়, হবিবপুর ব্লকের বাড়ি বাদ দিয়েও মালদা শহরে প্রায় কয়েক কোটি টাকা খরচ করে বাড়ি নিয়েছেন তিনি। তবে শুধু মালদা নয়, হেমন্তর সাম্রাজ্য গড়িয়েছে কলকাতা অবধি। শোনা যাচ্ছে, কলকাতাতেও একাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে এই হেমন্ত শর্মার নামে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আয় বহির্ভূত সম্পত্তির খোঁজেই এদিন হেমন্তর বাড়িতে আয়কর দফতরের আধিকারিকরা হানা দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Krishna Kalyani: রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর বাড়িতে ইডি-আয়করের জোড়া হানা!

    Krishna Kalyani: রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর বাড়িতে ইডি-আয়করের জোড়া হানা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরবঙ্গ সফরের মধ্যেই, এবার রায়গঞ্জের বিধায়ক তথা পিএসি চেয়ারম্যান কৃষ্ণ কল্যাণীর (Krishna Kalyani) বাড়িতে ইডি ও আয়কর দফতরের জোড়া হানা। বুধবার সকালে কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘিরে ফেলে বিধায়কের বাড়ি ও অফিস। প্রায় তিরিশ থেকে চল্লিশ জনের আয়কর আধিকারিকদের একটি দল এই তল্লাশিতে রয়েছেন বলে খবর। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, আর্থিক বেনিয়ম ও আয়কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বিধায়কের বিরুদ্ধে। কৃষ্ণ কল্যাণীর (Krishna Kalyani) পরিবার সূত্রে খবর, আজ খুব ভোরেই বিধায়কের বাড়ি ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে যায় ইডি। জানা গেছে, কৃষ্ণ কল্যাণীর (Krishna Kalyani) বাড়ি, রয়্যাল এনফিল্ড শো রুম, বিধায়কের কার্যালয়, কল্যাণী সলভেন্ট, ওয়া-বাজার সহ সমস্ত প্রতিষ্ঠানে হানা দিয়েছে ইডি এবং আয়কর দফতর। সূত্রের খবর, বিধায়ককে বাড়ি থেকে বের হতে দেওয়া হচ্ছেনা। তৃণমূল কংগ্রেসের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কো অর্ডিনেটর প্রদীপ কল্যাণী, যিনি সম্পর্কে বিধায়কের ভাই, তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, আচমকাই বিধায়কের বাড়িতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা ঢুকে পড়ে। বাড়ি থেকে কাউকেই বের হতে দেওয়া হচ্ছে না।

    ঠিক কী অভিযোগ রয়েছে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে?

    সূত্রের খবর, রায়গঞ্জের বিধায়কের একাধিক সংস্থা রয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে কল্যাণী সলভেক্স নামে কোম্পানি। সেই সংস্থার আর্থিক লেনদেন নিয়ে আগেই সন্দেহ প্রকাশ করেছিল ইডি। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার ধারণা, ওই কোম্পানির মাধ্যমে বেশ কয়েক কোটি টাকা পাচার হয়েছে। সেই সূ্ত্র ধরে এর আগে ২০১৮ সালে ২৫ জুলাই কলকাতা জোন ওয়ান ইডি মামলা দায়ের করেছিল। সেই মোতাবেক গত বছর জুলাই মাসে কল্যাণী সলভেক্সকে নোটিশ পাঠায় ইডি। সেখানে জানতে চাওয়া হয়েছে ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ওই কোম্পানি টিভি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য কত টাকা ব্যয় করেছে। কিন্তু সন্তোষজনক উত্তর না মেলায় এরপর আরও দু’দফা নথি চাওয়া হয়। কিন্তু তাতেও সন্দেহ দূর হয়নি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। তাই আজকের এই তল্লাশি বলেই জানা যাচ্ছে।

     

    পর্ব ১: গলায় সিসিটিভি-র তার পেঁচিয়ে, পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন করা হয়েছিল অভিজিৎ সরকারকে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BBC Office: বিদেশি মুদ্রার অনিয়মিত ট্রান্সফারের অভিযোগ! রাতভর বিবিসির অফিসে আয়কর দফতরের তল্লাশি

    BBC Office: বিদেশি মুদ্রার অনিয়মিত ট্রান্সফারের অভিযোগ! রাতভর বিবিসির অফিসে আয়কর দফতরের তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিবিসির মুম্বই ও দিল্লির অফিসে রাতভর চলল তল্লাশি। বিবিসির ব্যবসায় বিদেশি মুদ্রার অনিয়মিত ট্রান্সফার ও লাভের হিসাবে গরমিল সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করতেই মঙ্গলবার সকালে বিবিসির অফিসে হানা দেয় আয়কর বিভাগের আধিকারিকরা। সকালেই বিবিসির দিল্লি ও মুম্বইয়ের অফিস সিল করে দেওয়া হয়। দিনভর চলে সমীক্ষা। বিবিসির মুম্বই ও দিল্লির অফিস থেকে এখনও বের হননি আয়কর দফতরের আধিকারিকরা।

    বাজেয়াপ্ত ফোন-ল্যাপটপ

    আয়কর দফতর সূত্রে খবর, ‘সার্ভে’ চলাকালীন বেশ কিছু ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।  সংস্থার অফিসে থাকা সব কম্পিউটার এবং ল্যাপটপ নাকি স্ক্যান করছেন আধিকারিকরা। বহু পুরনো নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ২০১২ সাল থেকে বিবিসির আর্থিক লেনদেন ও লাভের হিসাব খতিয়ে দেখছেন আয়কর আধিকারিকরা। আজ দিনভর সার্ভে চলার কথা। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ দিল্লি এবং মুম্বইয়ে বিবিসি-র দফতরে পৌঁছে গিয়েছিলেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। অফিসে ঢুকেই বিবিসির সমস্ত সাংবাদিক এবং সংবাদকর্মীদের মোবাইল ফোন এবং ল্যাপটপ জমা করতে বলেন আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুুন: ‘আমাদের সম্পদ চুরি করলে হামলা হবে’, কাশ্মীরে লিথিয়াম ভাণ্ডার নিয়ে হুমকি পাফের

    বিবিসির ট্যুইট

    বিবিসির তরফে ইতিমধ্যেই ট্যুইট করে জানানো হয়, নয়া দিল্লি ও মুম্বইয়ের অফিসে আয়কর বিভাগের আধিকারিকরা উপস্থিত রয়েছেন। বিবিসির তরফে পূর্ণ সহযোগিতা করা হচ্ছে। দ্রুত এই পরিস্থিতির সমাধান হবে বলেই উল্লেখ করা হয়। বিবিসির যে সমস্ত কর্মীরা সেই মুহূর্তে অফিসে ছিলেন না, তাদের অফিসে আসতে বারণ করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও কাউকে মন্তব্য করতে বারণ করা হয়েছে। গভীর রাতে আরও একটি ট্যুইট করে ব্রিটিশ সংস্থার তরফে বলা হয়, ‘দিল্লি এবং মুম্বইয়ে বিবিসির অফিসে এখনও রয়েছেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। অনেক কর্মী তাদের বাড়িতে চলে গিয়েছেন। অনেক কর্মচারী অফিসেই রয়েছেন আয়কর দফতরের আধিকারিকদের সাহায্য করার জন্য। এই পরিস্থিতিতে আমরা আমাদের কর্মচারীদের যথাসম্ভব সাহায্য করার চেষ্টা করছি। আমাদের সাংবাদিকতা জারি রয়েছে। ভারতে আমাদের দর্শকদের সামনে আমরা খবর পরিবেশন জারি রাখব।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Gaming Apps: তিনবছরে বিজয়ীদের আয় ৫৮ হাজার কোটি টাকা, সিবিডিটির নজরে গেমিং অ্যাপ

    Gaming Apps: তিনবছরে বিজয়ীদের আয় ৫৮ হাজার কোটি টাকা, সিবিডিটির নজরে গেমিং অ্যাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ডাইরেক্ট ট্যাক্সেস (CBDT) – এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ভারতীয় গেমিং অ্যাপের খেলোয়াড়রা গত তিন বছরে ৫৮ হাজার কোটি টাকা জিতেছে। আয়কর দফতরের (Income Tax Department) জন্যে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। 

    সিবিডিটি চেয়ারম্যান নীতিন গুপ্ত কোম্পানির নাম না করে বলেন, “যারা টাকা জিতেছেন আমরা তাদের আয়কর রিটার্ন (Income Tax Return) জমা করার মাধ্যমে আয়কর জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে বলেছি। যদি তারা স্বেচ্ছায় তা না করে তবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    আরও পড়ুন: বঞ্চনার অভিযোগ মিথ্যা, ফের রাজ্যকে টাকা দিল কেন্দ্র

    তিনি আরও বলেন, “জরিমানা এবং ৩০ শতাংশ কর মিলিয়ে বিজয়ীদের প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা দিতে হবে। ২০১৯-২০, ২০২০-২১, ২০২১-২২ এই অর্থবর্ষগুলির জন্যে এখন কর দিতে হবে।”

    নীতিন গুপ্ত আরও বলেন, “আমরা সব তথ্য খতিয়ে দেখছি। বড় অঙ্কের কর ফাঁকি দেওয়া হয়েছে। বিজয়ীদের কেউ হয়তো বেশি আর কেউ কম উপার্জন করেছেন। আমাদের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য আছে।”  

    তিনি আরও বলেন, “লটারির মতো এখান থেকেও প্রতিটি জয় বাবদ কর নেওয়া হবে। লটারি, ক্রসওয়ার্ড পাজল, ঘোড়দৌড়, তাস খেলা, এবং যেকোনো ধরণের অন্যান্য খেলা, জুয়া বা বাজি সহ লটারি থেকে জেতা টাকার উপর ৩০% কর নেওয়া হয়। এখানে কোনও ছাড় পাওয়া যায় না।” 

    আরও পড়ুন: বিনোদন জগতে সর্বোচ্চ ‘করদাতা’ বলিউডের ‘খিলাড়ি’! সম্মানিত করল আয়কর বিভাগ

    এই ক্ষেত্রে মূলত জেতা টাকার থেকে আগেই কর কেটে বাকি টাকা বিজয়ীকে দেওয়া হয়। 

    নীতিন গুপ্ত বলেন, “এই গেমিং অ্যাপগুলি কর ফাঁকি দিচ্ছে কী না তা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই তদন্ত চালানো হচ্ছিল। আমাদের বিভাগ নিজেদেরকে আর রিয়েল এস্টেড এবং ডেভলপারসের মধ্যেই সীমাবদ্ধা রাখছি না। আমরা নতুন ক্ষেত্রেও কাজ করছি। স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে ওষুধ, ডেভলপার থেকে ইন্ডাস্ট্রি, সব ক্ষেত্রেই কাজ করছি আমরা। এখন আমরা আরও কিছু নতুন জায়গায় কাজ করছি। যেমন গেমিং অ্যাপ, অ্যাসেট রিকনস্ট্রাকশন কোম্পানি ইত্যাদি।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share