Tag: India Bangladesh border

India Bangladesh border

  • Bangladesh Crisis: অশান্ত বাংলাদেশ, অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা প্রবল! জল-স্থল সীমান্তে সতর্ক বিএসএফ

    Bangladesh Crisis: অশান্ত বাংলাদেশ, অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা প্রবল! জল-স্থল সীমান্তে সতর্ক বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। চারিদিকে শুধুই হাহাকার আর কান্নার রোল। অন্যদিকে, একদলের উন্মত্ত উল্লাস। সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার সীমাহীন। সোনার বাংলা ভূলুণ্ঠিত। শুধু সংখ্যালঘুরাই নয়, আক্রান্ত হচ্ছেন আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মীরাও। প্রাণভয়ে অনেকে পালিয়ে আসছেন সীমান্তপারে। বাংলাদেশের এই চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষিতে তাই ভারতীয় সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা নিল বিএসএফ। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে জলসীমানা অনেকটা। তাই কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে জলসীমায়। বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর ডাঙাতেও হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। বিএসএফের (BSF) পক্ষ থেকে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। কাঁটাতার ঘেরা সীমান্তে রাত-টহলের জন্য নাইট ভিশন ক্যামেরার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। বেড়েছে জওয়ানের সংখ্যাও।

    সুন্দরবনে জলসীমায় কড়া পাহাড়া

    বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) বর্তমান পরিস্থিতিতে সুন্দরবনের ভারত-বাংলাদেশ জলসীমানায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুন্দরবনের নদী ও সমুদ্রে হাই অ্যলার্ট জারি করা হয়েছে। এখন বাংলাদেশ ও ভারতের জলসীমানায় ২৪ ঘণ্টা টহল দিচ্ছে জলে-স্থলে চলতে পারা ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর হোভারক্রাফ্ট। এদিন বেলায় ফ্রেজারগঞ্জ ঘাঁটিতে পৌঁছে গিয়েছে বিশেষ এই হোভারক্রাফ্ট। উপকূলরক্ষী বাহিনীর জওয়ানরা হোভারক্রাফ্টে চেপে বঙ্গোপসাগরে ভারত-বাংলাদেশ জলসীমানায় টহলদারি শুরু করেছেন। অনেক সময়ে বাংলাদেশ থেকে জলদস্যু বা মৎস্যজীবীরা জলসীমানা পেরিয়ে চলে আসে এ পারে‌। ট্রলারে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ আটকাতে এই হোভারক্রাফ্ট অনেকটাই কাজে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। উপকূলরক্ষী বাহিনীর পাশাপাশি সুন্দরবনের উপকূল এলাকার প্রতিটি থানাই জলপথে পেট্রোলিং চালাচ্ছে। এ দিন সকাল থেকে ফ্রেজারগঞ্জ উপকূল থানার স্পিডবোট এবং এফআইবি বোট নদী এবং সমুদ্রে টহল দিয়েছে।

    গ্রামবাসীদের দল

    সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ রুখতে এবার একজোট হলেন গ্রামবাসীরাও। গ্রামে গ্রামে টিম করে সচেতনতা প্রচার চালাচ্ছে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স। জেল ভাঙা জামাত জঙ্গিরা যে কোনও সময় সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকতে পারে, এমন প্রচারও চালাচ্ছে বিএসএফ (BSF)। মূলত বাংলাদেশের এই পরিস্থিতির মধ্যে যাতে কোনও ভাবে অনুপ্রবেশ না ঘটে সেই বিষয়ে গুরুত্ব দিতেই, নদিয়া,  জলপাইগুড়ি, কোচবিহারের সীমান্তবর্তী এলাকায় গ্রামবাসীদের সঙ্গে বৈঠক করে বিএসএফ। গেদে ৩২ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের উদ্যোগে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে নদিয়ায় বৈঠকে বসেন পঞ্চায়েত প্রধান সদস্য-সহ অন্যান্য প্রতিনিধিরা। কোনও অপরিচিত মানুষ দেখলে গ্রামবাসীদের কী কর্তব্য সেটাও বুঝিয়ে দিয়েছে সেনা-আধিকারিকরা।

    গ্রামবাসীদের করণীয়

    বুধবার সীমান্তবর্তী একাধিক গ্রামে গিয়ে অনুপ্রবেশ (Bangladesh Crisis) রুখতে গ্রামবাসীদের কী করণীয় তা বুঝিয়ে বলেন বিএসএফ (BSF) আধিকারিকরা। গ্রামবাসীদের তাঁরা বলেন, ‘‘অচেনা কাউকে গ্রামে দেখলে বিএসএফ বা পুলিশকে জানাবেন। রাতে খুব দরকার না হলে বাড়ির বাইরে বেরোবেন না। আর বেরোলেও সীমান্তের কাটাতারের দিকে যাবেন না।’’ তবে বাংলাদেশের পরিস্থিতির কোনও প্রভাব সীমান্তের এপারে পড়ার সম্ভাবনা দেখছেন না গ্রামগুলির বাসিন্দারা। তাঁরা জানিয়েছেন, বিএসএফ ও পুলিশের পাহারায় নিরাপদে রয়েছেন তাঁরা।

    উত্তরবঙ্গে সতর্কতা

    উত্তরবঙ্গের ফুলবাড়ি সীমান্তে সরদারপাড়া, ধদাগছ, লক্ষ্মীস্থান, নারায়ণজোতসহ প্রায় ১২টি সীমান্তবর্তী গ্রাম রয়েছে। সেখান থেকে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা করছে বিএসএফ (BSF)। এব্যাপারে গ্রামবাসীদের সতর্ক করেছেন বিএসএফ আধিকারিকরা। বুধবার গ্রামে গ্রামে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। বিএসএফের নর্থবেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের আইজি সুর্যকান্ত শর্মা বলেন, “সম্প্রতি বাংলাদেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। অনুপ্রবেশ, অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি। সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকাতেও গ্রামবাসীদের সতর্ক করা হচ্ছে যাতে কোনও সন্দেহজনক কাওকে বা অপরিচিত কাউকে দেখলে সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বা পুলিশকে জানানো হয়।” দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে কোচবিহার পর্যন্ত উত্তরের পাঁচ জেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের প্রায় চার হাজার কিলোমিটার সীমান্তের মধ্যে ৯৩৬ কিলোমিটার নর্থবেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের অধীনে। সীমান্তে নজরদারির জন্য চারটি সেক্টরে মোট ১৮টি বিএসএফ ব্যাটেলিয়ন মোতায়েন করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, ভারতের উদ্বেগের একাধিক কারণ

    সীমান্তের কাছেই সেনা

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গে ১০৯ কিলোমিটার খোলা সীমান্ত রয়েছে। সেই ফাঁকা সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দাদের অনেকে। বিএসএফের তরফে ফাঁকা সীমান্তে জওয়ানদের নজরদারি দ্বিগুণ করা হয়েছে। চ্যাংরাবান্ধা এবং ফুলবাড়ির মতো সীমান্ত থেকে এক দেড় কিলোমিটার দূরে রাখা হয়েছে সেনাবাহিনীকে। সীমান্ত পরিস্থিতির অবনতি হলে তড়িঘড়ি যাতে সেনাকে কাজে লাগানো যেতে পারে, সেজন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে বিএসএফের উত্তরবঙ্গের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক (পিআরও) অমিত ত্যাগী জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘নিয়ম মেনে অনেকেই ওপার বাংলা থেকে ভারতে আসছেন। অনিয়মে কাউকেই ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রয়োজনে সেনাবাহিনীকেও নামানো হবে। তবে কাঁটাতারহীন কিছু এলাকায় জওয়ানদের তরফেই অস্থায়ী বেড়া দেওয়া রয়েছে।’’

    সতর্ক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

    সোমবার বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে চূড়ান্ত নৈরাজ্য শুরু হয়েছে সীমান্তের ওপারে। বিদায়ী শাসকদল আওয়ামি লিগ নেতা ও হিন্দুসহ অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর পাশবিক অত্যাচার চলছে সীমান্তের ওপারে। এই পরিস্থিতিতে সীমান্তে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সতর্কতা জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সীমান্ত পাহারায় মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি বিএসএফ জওয়ান। তবে তাতেও জল – জঙ্গলে ভরা সীমান্তে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। টহলদারির পাশাপাশি সীমান্তে নজরদারির জন্য ড্রোন ওড়াচ্ছে বিএসএফ (BSF)। অনুপ্রবেশ রুখতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত সেনা জওয়ান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Hasina: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, দেশ ছেড়েছেন হাসিনা, সীমান্তে নজরদারি বাড়াল ভারত

    Sheikh Hasina: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, দেশ ছেড়েছেন হাসিনা, সীমান্তে নজরদারি বাড়াল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছেড়েছেন বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। বাংলাদেশ এখন অগ্নিগর্ভ। সারা দেশের আন্দোলন এখন হিংসাত্মক এবং সাম্প্রদায়িক রূপ নিয়েছে। ঢাকার গণভবনে চলছে ব্যাপক লুটপাট। একাধিক জায়গায় ভাঙা হয়েছে শেখ মজিবুর রহমানের মূর্তি, হামলা করা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাড়িতেও। আওয়ামী লিগের অবশ্য দাবি, সবটাই জামাত-এ-ইসলামির ইন্ধনে হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান ঘোষণা করেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করে দেশ চালানো হবে। তাই এই আবহে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। ভারতের পূর্বাঞ্চলের সীমান্তে ইতিমধ্যে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। কলকাতা থেকে এডিজি ইস্টার্ন কমান্ড বাহিনীকে সবরকম প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সীমান্তে। বিএসএফের ডিজি ইতিমধ্যে কলকাতায় পৌঁছে গিয়েছেন।

    হাসিনার সুরক্ষার দায়িত্ব নেবে বিএসএফ (Sheikh Hasina)

    সূত্রের খরব, শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) ভারতের আগরতলায় অবতরণ করে সেখান থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন বলে খবর। ভারতে শেখ হাসিনা পদার্পণ করা পর্যন্ত তাঁর যাবতীয় নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার দায়িত্ব নেয় বিএসএফ। ভারতীয় সেনা সবটা দেখলেও মূল পরিচালনার কাজ করবে বিএসএফ। হাসিনা এবং তাঁর পরিজনরা যাতে ভারতে সুরক্ষিত ভাবে প্রবেশ করতে পারেন, সেই দিকে নজর রাখা হয়েছে। একই ভাবে আন্দোলনকারীরা যাতে ভারতে প্রবেশ করে অশান্তি না করতে পারে, সেই দিকেও খেয়াল রাখছে বিএসএফ।

    আরও পড়ুনঃ নেতার পর এবার সাংবাদিক! অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে হিন্দু নিধন হয়েই চলছে

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সম্পূর্ণ দখল নিয়েছে বিএসএফ

    উল্লেখ্য, শেখ হাসিনার বিষয়ে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক এখনও কোনও সরকারি বিবৃতি প্রকাশ করেনি। কারণ বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি (Sheikh Hasina) একটি আভ্যন্তরীণ বিষয়। তাই আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এই বিষয়ে ভারত মন্তব্য করেনি। কিন্তু সে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তীব্র সঙ্কটে। যার প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশের সীমান্ত লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গ, অসম এবং ত্রিপুরায়। এই জন্য সীমান্তে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে বিএসএফ। জারি করা হয়েছে চূড়ান্ত সতর্কতা। এদিকে, বাংলাদেশের এই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে দিল্লির নর্থ ব্লক এবং সাউথ ব্লকে চরম তৎপরতা দেখা দিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, বিদেশমন্ত্রক, প্রতিরক্ষামন্ত্রক, প্রধানমন্ত্রীর দফতর সবগুলিই এই এলাকায়। তবে কী ধরনের তৎপরতা রয়েছে তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট হয়নি। সীমান্তে যদি বাংলাদেশিরা প্রবেশ করতে চায় তাহলে কী ব্যবস্থা গ্রহণ হতে পারে, তা ভারত সরকারের সিদ্ধান্তের পরই জানা যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: পাচারের আগেই সীমান্তের গ্রামে হানা দিয়ে উদ্ধার সাপের বিষ, বাজারমূল্য ১২ কোটি!

    BSF: পাচারের আগেই সীমান্তের গ্রামে হানা দিয়ে উদ্ধার সাপের বিষ, বাজারমূল্য ১২ কোটি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঁটাতার পার করে পাচারের আগে ফের সাপের বিষভর্তি জার উদ্ধার করল বিএসএফ (BSF)। উদ্ধার হওয়া সাপের বিষের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য ১২ কোটি বলে বিএসএফের তরফে জানানো হয়েছে। এই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতারও করেছে বন দফতর। এদিন হিলি থানার ভীমপুর বিওপির উত্তর জামালপুর এলাকায় কাঁটাতারের ওপারের ভারতীয় গ্রামে এদেশের নাগরিক মমিনুল মণ্ডলের বাড়ি থেকে সাপের বিষভর্তি জার উদ্ধার করেন বিএসএফের ৬১ নম্বর ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা। ধৃতের নাম তপন অধিকারী (৫০)। বাড়ি হিলির ত্রিমোহিনীতে। তবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মমিনুলের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। বিএসএফ সূত্রে খবর, ধৃত ব্যক্তি সাপের বিষ দেখাশোনার দায়িত্বে ছিলেন। বিএসএফের তরফে উদ্ধার হওয়া সাপের বিষ ও আটক ব্যক্তিকে বালুরঘাট বন দফতরের হাতে তুলে দেওয়া হয়। প্রায় ছ’মাসের ব্যবধানে আবারও হিলিতে উদ্ধার হল সাপের বিষ। তবে এবার উদ্ধার হওয়া সাপের বিষ তরল প্রকৃতির ছিল।

    কোন প্রজাতির সাপের বিষ? (BSF)

    বিএসএফের ৬১ নম্বর ব্যাটালিয়নের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে, হিলির উত্তর জামালপুরে কাঁটাতারের ওপারে এক ভারতীয়র বাড়িতে রাখা রয়েছে সাপের বিষ। যে কোনও সময় তা কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে ঢুকবে। সেই খবর পেয়ে এদিন মমিনুল মণ্ডলের বাড়িতে হানা দেন বিএসএফ জওয়ানরা। সেই খবর পেয়ে পালিয়ে যান বাড়ির মালিক। তবে ধরা পড়ে যান সাপের বিষ দেখভাল করার দায়িত্বে থাকা তপন অধিকারী। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বাড়ির খড়ির মাচার নীচে লুকিয়ে রাখা সাপের বিষের জার উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান বন দফতরের আধিকারিকরা।বিএসএফের তরফে জানানো হয়েছে, ২৮ সেমি উচ্চতাবিশিষ্ট জারটি ফ্রান্সে নির্মিত। সেখান থেকে চোরাপথে বাংলাদেশ হয়ে ভারতে পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। যার ওজন ২ কেজি ৩৫০ গ্রাম। ওই সাপের বিষভর্তি জারের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য ১২ কোটি টাকা। তবে ওই জারে কোন প্রজাতির সাপের বিষ রয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত করতে পারেননি বিএসএফ (BSF) কর্তারা।

    কী বললেন বন দফতরের রেঞ্জার?

    বালুরঘাট বন দফতরের রেঞ্জার সুকান্ত ওঝা বলেন, ‘বিএসএফের (BSF) ৬১ নম্বর ব্যাটালিয়নের তরফে সাপের বিষভর্তি একটি জার আমাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত এক ব্যক্তিকেও আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে বিএসএফ। ধৃত ব্যক্তি ও সাপের বিষ বালুরঘাট জেলা আদালতে তোলা হবে। আদালতের নির্দেশ পেলে সাপের বিষের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য মুম্বইয়ে পাঠানো হবে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ এদিকে তপন অধিকারীর দাবি, তিনি সাপের বিষ পাচারের সঙ্গে যুক্ত নন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Onion: ভারত-বাংলাদেশে সীমান্তে বস্তা-বস্তা পেঁয়াজের চোরাচালান, তৎপর বিএসএফ

    Onion: ভারত-বাংলাদেশে সীমান্তে বস্তা-বস্তা পেঁয়াজের চোরাচালান, তৎপর বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনা, গরু, মাদক নয় এবারে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাকারবারীদের পছন্দের জিনিস হল পেঁয়াজ (Onion)। সন্ধ্যে নামতেই সীমান্তে বস্তা-বস্তা পেঁয়াজ পারপার চলছে বলে অভিযোগ উঠছে। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত লাগোয়া আড়ত থেকে বেশি পরিমাণে পেঁয়াজের বস্তা কেনার হিড়িক পড়ে গিয়েছে। বস্তা পিছু বাংলাদেশে পাচার করতে পারলেই নগদ ২৪০০ থেকে ২৫০০ টাকা লাভ। ফলে চোরাকারবারীদের রমরমা পেঁয়াজ পাচারে। পাশাপাশি পাচার ঠেকাতে তৎপর বিএসএফ।

    কেন পিঁয়াজের চোরাকারবার (Onion)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে পেঁয়াজের (Onion) দাম এখন অগ্নিমূল্য। কোথাও ১৫০ আবার কোথাও দাম ২০০ টাকা। ভারত থেকে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে পেঁয়াজের রফতানি বন্ধ করা হয়েছে। ফলে পাচারকারীদের কাছে উত্তম জিনিস হল পেঁয়াজ। সোনা, গরু, মাদক পাচার করতে গেলে যদি ধরা পড়ে সেই ক্ষেত্রে প্রচুর টাকা লোকাসান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অপরে পেঁয়াজ ধরা পড়লেও আর্থিক ক্ষতি কম। তাই পাচারকারীদের কাছে শীতের রাতে চোরা চালানের উত্তম জিনিস হল পেঁয়াজ। মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জের এক বাসিন্দা বলেন, “সবাইকে সব কিছু দিয়ে ম্যানেজ করতে পারলে বস্তা পিছু দশ হাজার টাকা অতিরিক্ত আয় হচ্ছে। অপর দিকে সোনা, গরু, মাদক পাচারের থেকে কম কিছু নয়।” আবার দিকে নদিয়ার আরও এক পাচারকারী বলেছেন, “বিএসএফ নতুন পাচার নিয়ে বেশ সতর্ক। আমাদেরও ফাঁক বুঝে কাজ করতে হচ্ছে।”

    বিএসএফের বক্তব্য

    দক্ষিণবঙ্গের ফ্রন্টইয়ারের বিএসএফ ডিআইজি কে আর্য বলেন, “সীমান্তে যে কোনও পাচার আটকাতে আমরা অত্যন্ত তৎপর। বাংলাদেশে যেকোনও জিনিসের দাম বৃদ্ধি পেলে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাকারবারীরা সক্রিয় হয়ে যায়। এখন সেই দেশে পেঁয়াজের (Onion) দাম অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে, তাই চাহিদা মেটাতে পাচারকারীদের সক্রিয়তা বেড়ে গিয়েছে। এর ফলে পাচার আটকাতে আমাদেরও আরও সক্রিয় হয়ে থাকতে হচ্ছে।”

    সেই সঙ্গে ডিরেক্টর জেনারেল অফ ফরেন ট্রেড (ডিজিএফটি) একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন, “আগামী ৩১ শে মার্চ পর্যন্ত ভারত থেকে বাংলাদেশে কোনও পেঁয়াজ পাঠানো হবে না। অভ্যন্তরীণ বাজারের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতেই এই সিদ্ধান্ত।”

    ব্যবসায়ীদের বক্তব্য

    নদিয়ার করিমপুরের এক পাইকারি আড়তদার রমেশ মণ্ডল বলেন, “সন্ধ্যা হলেই পেঁয়াজের (Onion) বিক্রি ব্যাপক বেড়ে গিয়েছে। তবে কে কেন নিয়ে যাচ্ছে জানিনা। আমাদের বিক্রি ভালো হচ্ছে।” আবার ঢাকার এক ব্যবসায়ী আমিরুল কবিরাজ জানান, “ভারত থেকে পেঁয়াজে আসা বন্ধ হওয়ায় আমাদের এখানে দাম এখন অগ্নিমূল্য। যদিও চিনের পেঁয়াজ আসছে, তবে স্বাদে ভারতের পেঁয়াজের চাহিদা অনেক বেশি।” আবার মেহেরপুরের আরও এক ব্যবসায়ী বলেন, “ভারতের পেঁয়াজ বন্ধ হওয়ায় এখানে সঙ্কটে পড়েছেন মানুষ। খোলা বাজারে পেঁয়াজ নেই বললেই চলে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BSF: সীমান্তে বিএসএফের তৎপরতা! পাচারের আগেই ১০ কোটি টাকার সোনার বিস্কুট বাজেয়াপ্ত

    BSF: সীমান্তে বিএসএফের তৎপরতা! পাচারের আগেই ১০ কোটি টাকার সোনার বিস্কুট বাজেয়াপ্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে সোনা পাচারচক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে, বিএসএফের কড়া নজরদারির কারণে বার বারই পাচারকারীরা ধরা পড়ছে। এবারও ৬ কেজি ৭০০ গ্রাম সোনার বিস্কুট সহ এক দুষ্কৃতীকে পাকড়াও করল বিএসএফ (BSF)। ধৃতের নাম আজর মণ্ডল। তার বাড়ি বাগদার রাজকোল এলাকায়। উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা থানার রণঘাট এলাকা থেকে তাকে ধরা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BSF)

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে, পাচারকারী আজর একটি  বাইকে চেপে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দিক থেকে রণঘাট এলাকায় আসছিল। তার কোমরে কাপড়ে বাঁধা ছিল সোনার বিস্কুট। বাগদায় এক ব্যক্তির কাছে সেগুলি তার পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব ছিল। বাগদার রণঘাট ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কর্তব্যরত জওয়ানরা আগেই খবর পেয়েছিলেন, ওই রাস্তা দিয়ে রাতে বিপুল অঙ্কের সোনা পাচার হবে। স্বাভাবিকভাবে রাস্তায় বাড়ানো হয় নজরদারি। ওই পাচারকারীকে নিরাপত্তা দিতে আরও একটি মোটরবাইকে একজন পিছু নিয়েছিল। রাত ১১টা নাগাদ ওই যুবক রণঘাটের রাস্তা দিয়ে বাগদা রোডের কাছে পৌঁছয়। তখন জওয়ানরা মোটরবাইকটি ঘিরে ফেলেন। ওই যুবক পালানোর চেষ্টা করছিল। রিভলভার বের করতেই সে ধরা দিতে বাধ্য হয়। তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে সোনার বিস্কুটগুলি উদ্ধার করা হয়। তারপর তল্লাশি করতেই যুবকের কোমরে বাঁধা কাপড়ের বেল্ট থেকে ১৭টি সোনার বার উদ্ধার হয়। প্রসঙ্গত, বুধবার রাতেও পেট্রাপোল সীমান্তে খালি ট্রাক থেকে ছোট্ট মাপের ৬০টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার হয়। যার বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা। গ্রেফতার করা হয়েছিল ওই ট্রাকের চালককে। কিন্তু তাতেও সোনা পাচার কমছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রশ্ন উঠেছে সীমান্তবর্তী থানাগুলির ভূমিকা নিয়েও।

    বিএসএফের আধিকারিক কী বললেন?

    বিএসএফের (BSF) ৬৮ নম্বর ব্যাটালিয়নের এক আধিকারিক বলেন, ‘সোনা পাচারের সময় একজনকে ধরা হয়েছে। তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ সোনা উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সোনার বিস্কুটের বাজারমূল্য প্রায় ১০ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা। পাচারকারীর মোটরবাইকটি আটক করা হয়েছে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: চ্যালেঞ্জ করতেই হাঁসুয়া নিয়ে আক্রমণ, বিএসএফের গুলিতে ঝাঁঝরা বাংলাদেশি চোরাচালানকারী

    Nadia: চ্যালেঞ্জ করতেই হাঁসুয়া নিয়ে আক্রমণ, বিএসএফের গুলিতে ঝাঁঝরা বাংলাদেশি চোরাচালানকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিএসএফের গুলিতে মৃত্যু হল বাংলাদেশি এক চোরাচালানকারীর। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার মধ্য রাতে নদিয়ার (Nadia) ভীমপুর থানার অন্তর্গত রাঙিয়াপোতা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে। মৃতের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। বয়স আনুমানিক ৪০ বছর। বিএসএফ রাতেই গুলিবিদ্ধ দেহটি কৃষ্ণনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসে। চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    বাধা পেয়েই গুলি (Nadia)

    সূত্রের খবর, বুধবার রাতে একদল বাংলাদেশি এদেশে ভীমপুর থানার (Nadia) রানিয়াপোতা বিওপি’র অধীনস্থ এলাকা দিয়ে প্রবেশ করতে যাচ্ছিল। তখন ওই এলাকায় কর্মরত এক বিএসএফ কর্মী বাধা দিতে গেলে তাকে ঘিরে ফেলে এবং ধারালো হাসুয়া দিয়ে তার ওপর আক্রমণ চালাতে যায়। এরপর ওই বিএসএফ কর্মী গুলি চালাতে শুরু করে। পালাবার সময় গুলিতে জখম হয় একজন। পরে আরও বিএসএফ কর্মী ঘটনাস্থলে জমায়েত হয়ে ওই এলাকায় তল্লাশি করার সময় একটি ঝোপের মধ্যে ওই ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখে। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে বিএসএফ কর্মীরা এবং সেখানে তল্লাশি করার সময় উদ্ধার হয় এক বস্তা নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ। তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় জেলা হাসপাতালে। চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে জানান। গুলি তার পায়ে লাগে। তার পর মৃতদেহ পুলিশমর্গে রাখা হয় ময়নাতদন্ত জন্য। বিএসএফের পক্ষ থেকে ভীমপুর থানায় সীমান্ত দিয়ে নিষিদ্ধ মাদক পাচারকারী হিসেবে একটি মামলা রুজু করা হয়। ওই ব্যক্তির পরিচয় কী এবং সঙ্গে কারা কারা ছিল, সমস্তটা জানার চেষ্টা করছে ভীমপুর থানা পুলিশ।

    একের পর এক ঘটনা

    উল্লেখ্য, সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা বারবার রুখে দিয়েছে বিএসএফ। কয়েকদিন আগেও বিএসএফের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছিল এক পাচারকারীর। ঘটনাটি ঘটেছিল নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ থানার নোনাগঞ্জ বর্ডার এলাকার (Nadia)। গভীর রাতে নোনাগঞ্জ বর্ডার এলাকায় এক পাচারকারী সীমান্তে থাকা কাঁটাতার কাটছিল। তখন বিএসএফের তরফ থেকে তাকে আটকানোর চেষ্টা করা হয়। অভিযোগ, ঠিক তখনই ওই পাচারকারী বিএসএফকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এরপর বিএসএফের তরফ থেকেও তাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। ওই পাচারকারীর গায়ে গুলি লেগে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। যদিও পরবর্তীকালে তাকে উদ্ধার করে কৃষ্ণগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    তারও আগে ধানতলা থানার (Nadia) দত্তপুলিয়ায় ফেন্সিং না থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ইছামতী নদীর ব্রিজের নিচ দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে ৬ থেকে ১০ টি গরু পাচার করার চেষ্টা করেছিল পাচারকারীরা। অভিযোগ, বিএসফের জওয়ানরা গরু পাচারকারীদের আটকাতে গেলে পাচারকারীরা বিএসএফকে লক্ষ্য করে পাথর ও বোমা ছোড়ে। পরে বিএসএফ কাউন্টার ফায়ার করলে বেশ কয়েকজন গরু পাচারকারী আহত হয়। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশ পালিয়ে গেলেও ধরা পড়ে যায় এক গরু পাচারকারী। তাকে পরবর্তীকাল ধানতলা পুলিসের হাতে তুলে দেয় বিএসএফ।

    পিছনে বড় বড় গাং

    বিএসএফের পাচারকারীদের এটা কোনও প্রথম ঘটনা নয়। গরু পাচার থেকে শুরু করে সোনার বিস্কুট সহ একাধিক জিনিস কখনও বাংলাদেশ থেকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে (Nadia), আবার কখনও ভারতের বর্ডার পার করে বাংলাদেশে পাচার হয়। বড় বড় গ্যাং কাজ করে এইসব পাচার চক্রের পিছনে। এর আগেও বিএসএফের তরফ থেকে পাচার চক্র রোধে একাধিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তা আরও বাড়িয়ে তোলার চেষ্টা চালানো হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hili Land Port: ট্রাকে জুলুমবাজি ও টাকা তোলার অভিযোগ, উত্তাল স্থলবন্দর, পরিবহণ দফতর ঘেরাও

    Hili Land Port: ট্রাকে জুলুমবাজি ও টাকা তোলার অভিযোগ, উত্তাল স্থলবন্দর, পরিবহণ দফতর ঘেরাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিলি স্থলবন্দর (Hili Land Port) দিয়ে বাংলাদেশে রফতানির কাজে যুক্ত ট্রাক থেকে অবৈধভাবে টাকা তুলছেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার আঞ্চলিক পরিবহণ দফতরের আধিকারিক, এমটাই অভিযোগ ট্রাক মালিকদের। এনিয়ে জেলাশাসকের দ্বারস্থ হন দক্ষিণ দিনাজপুর ট্রাক ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা। পাশাপাশি জেলাশাসককে তাঁরা একটি লিখিত অভিযোগপত্রও দেন। এমনকী আরটিও এবং এমভিআই ট্রাক মালিকদের উপর জুলুমবাজি না থামালে গাড়ির কাগজপত্র সরকারের কাছে জমা করে তারা ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ওই সংগঠন। এই নিয়ে মঙ্গলবার জেলা পরিবহণ দফতর ঘেরাও করে বিক্ষোভও দেখান ট্রাক মালিকরা।

    কী লেখা হয়েছে ট্রাক মালিকদের অভিযোগপত্রে?

    দক্ষিণ দিনাজপুর ট্রাক ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের অভিযোগপত্রে লেখা রয়েছে, আমদানি-রফতানি ব্যবসায় (Hili Land Port) স্লট বুকিং সিস্টেম চালু হওয়ার পর থেকেই কিছুটা বেকায়দায় পড়েছেন লরি মালিকরা। বিগত ছয় মাস ধরে তাঁদের ব্যবসা না থাকায় চরম দুরবস্থায় পড়ে অনেকেই ইতিমধ্যে লরি বিক্রি করে ফেলেছেন। সেইসব লরি চালকদের উপর যেন মরার উপর খাঁড়ার ঘা চাপিয়ে দিয়েছে আরটিও এবং এমভিআই। “আরটিও ও এমভিআই অফিসারের অত্যাচার ও তাদের টাকা আদায়ের চাপে জীবন ওষ্ঠাগত। পণ্যবাহী ট্রাক পিছু ৩০০০ এবং স্টোনচিপস-এর ট্রাক পিছু ১২০০ টাকা করে টাকা আদায় করা হচ্ছে। এজেন্টের কাছে অগ্রিম এন্ট্রি না করালে রাস্তায় ট্রাক আটকে জরিমানার ভয় দেখিয়ে নগদে অনেক বেশি পরিমাণ টাকা আদায় করা হয়। এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে ট্রাক মালিকরা প্রতিবাদ স্বরূপ সই সংগ্রহ করে অভিযোগপত্রের সঙ্গে দিয়েছেন।

    কী জানালেন জেলাশাসক?

    সোমবার এই ঘটনা (Hili Land Port) প্রকাশ্যে আসতেই রীতিমতো হইচই পড়েছে গোটা জেলাতে। অভিযোগপত্র পেয়ে সুনির্দিষ্ট দফতরে বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে জানান জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা। তিনি বলেন, আরটিও-র বিরুদ্ধে এমন একটি লিখিত অভিযোগ তাঁর কাছে জমা পড়েছে। ঘটনার তদন্তের জন্য ইতিমধ্যে বিষয়টি ট্রান্সপোর্ট ডিপার্টমেন্টকে জানানো হয়েছে। তারাই এই বিষয়টি দেখবে এবং যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Border: বাংলাদেশ যাওয়ার নতুন একটি রুট চালু হতে চলেছে, কোথায় জানেন?

    India Bangladesh Border: বাংলাদেশ যাওয়ার নতুন একটি রুট চালু হতে চলেছে, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই দেশের বন্ধুত্বের সম্পর্কের আরও এক ঐতিহাসিক স্বীকৃতি ও আন্তর্জাতিক মর্যাদা লাভ করতে চলেছে ভারত-বাংলাদেশের নতুন যোগাযোগ স্থাপনের মধ্য দিয়ে। খুব শিগগিরই চালু করা হবে ভারত- বাংলাদেশ সীমান্তে (India Bangladesh Border) হৃদয়পুর চেকপোস্ট। প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ প্রায় সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি এই চেকপোস্টে যাতায়াতের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক আরও নিবিড় হয়ে উঠবে।

    কী বললেন বাংলাদেশের হাই কমিশনার?

    সম্প্রতি, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে (India Bangladesh Border)  নদীয়ার হৃদয়পুর চেকপোস্ট পরিদর্শনে এসেছিলেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার আন্দালিপ ইলিয়াস। নদীয়ার চাপড়া ব্লকের হৃদয়পুর সীমান্ত এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি। তিনি বলেন, “এদেশ থেকে আমাদের দেশে যাতায়াত করার রাস্তা খুব শীঘ্রই চালু হবে। এই যোগাযোগ সড়ক স্থাপনের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ইস্যুকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। দুই দেশের মধ্যে অসম্ভব ভালো যে বন্ধুত্ব রয়েছে তা আরও একবার আন্তর্জাতিক মর্যাদা পাবে। এই চেকপোস্ট চালু হয়ে গেলে নদীয়ার কৃষ্ণনগর এবং বাংলাদেশের মুজিবনগরের মানুষের যাতায়াতের সুবিধা হবে। ভারত -বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াতের জন্য  এই চেকপোস্ট বড় ভূমিকা নেবে।” এতদিন এই সব এলাকার মানুষদের অনেক ঘুরে সীমান্ত পার হতে হত। এখন বাড়ির কাছেই চেকপোস্ট গড়ে ওঠায় দুই দেশের হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত আরও সুগম হবে। তিনি আরও বলেন, ” ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণ সহায়তা পেয়েছে ভারত সরকারের কাছ থেকে। এটাই একটি তার স্মারক। তাই এই রাস্তাটির নাম দেওয়া হয়েছে স্বাধীনতা সড়ক। বাঙালির হৃদয়ে যে আবেগ রয়েছে, এই রাস্তাটি যখন তৈরি হয়ে যাবে বা চালু হয়ে যাবে তখন আমরা সেই আবেগকে বাস্তবে রূপ দিতে পারব। এই রাস্তার মধ্যে দিয়ে দুই দেশের বন্ধুত্ব আরও গভীর হবে। তবে, এই রাস্তা দিয়ে পন্য পরিবহণ করা সম্ভব নয়। কারণ, রাস্তার পরিকাঠামো এখনও তৈরি হয়নি। আশা করি, আগামীদিনে তা হয়ে যাবে”।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Hasina: ভাষা আন্দোলনই স্বাধীনতার পথ দেখায়! ভারত সফরে এসে বাংলার  প্রতি গভীর অনুরাগ প্রকাশ হাসিনার

    Sheikh Hasina: ভাষা আন্দোলনই স্বাধীনতার পথ দেখায়! ভারত সফরে এসে বাংলার প্রতি গভীর অনুরাগ প্রকাশ হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচ দশক আগে  বাংলা ভাষাই পাকিস্তান (Pakistan) থেকে বাংলাদেশকে (Bangladesh) আলাদা হতে সাহায্য করেছিল। ভারত (India) সফরে এসে এমনই দাবি করলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলা ভাষার প্রতি নিজের গভীর ভালবাসা ব্যক্ত করে হাসিনা ( sheikh hasina) জানান, “আমার মাতৃভাষা বাংলা। যখন পাকিস্তান তৈরি হয়, ঠিক সেই সময় থেকে আমাদের উপর উর্দু ভাষা চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা দেখা দিয়েছিল। সারা দেশ জুড়ে শুরু হয়েছিল ভাষা আন্দোলন। বাংলা ভাষাকে জাতীয় ভাষার মর্যাদা দিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন বহু মানুষ। ভাষা আন্দোলনই আমাদের স্বাধীনতার পথ দেখায়। তৈরি হয় বাংলাদেশ।”

    ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে সুসম্পর্ক আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের ভারত সফর। আজ, মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা। পাশাপাশি দু’দেশের শীর্ষ প্রতিনিধি দলের বৈঠক এবং প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, জলসম্পদ, যোগাযোগ-সহ বিভিন্ন বিষয়ে একাধিক চুক্তিপত্র সই হওয়ার কথা আজকে। 

    আরও পড়ুন: চারদিনের সফরে ভারতে শেখ হাসিনা, মোদির সঙ্গে বৈঠকে নজরে জলবণ্টন

    সোমবার এক সাক্ষাৎকারে বঙ্গবন্ধুর কন্যা জানান, যে কোনও সম্প্রদায়ের কাছে তার ভাষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ এমন একটা দেশ, যা ভাষার অস্তিত্ব রক্ষার্থেই তৈরি হয়েছিল। তিনি বলেন, “আমি ইংলিশ বলি, কিন্তু স্বচ্ছন্দ নই। এটা আমার কাছে কোনও বিষয় নয় কারণ ইংলিশ বিদেশি ভাষা, আমি আমার ভাষা বাংলাতেই স্বচ্ছন্দ। আমরা কোনও ভাষাকে ছোট করছি না। কোনও ভাষার সঙ্গে আমাদের বৈরিতা নেই। তবে আমাদের কাছে বাংলা ভাষা ভালবাসার এবং গর্বের।”

    নৈশভোজে এ দিন বেশ হাসিখুশি ছিলেন শেখ হাসিনা। জানান, ইলিশ রফতানির ছাড়পত্র দিয়েই তিনি দিল্লি সফরে এসেছ‌েন। পুজোর সময়ে এ দেশের মানুষকে এটা তাঁর উপহার। এ দেশের বাঙালিদের বিশেষ করে রাজ্যবাসীর সঙ্গে তাঁর মধুর সম্পর্কের কথাও জানান হাসিনা। বাংলা ও বাঙালি তাঁর কাছে বড়ই প্রিয়। হাসিনা বলেন, “যে কোনও নতুন ভাষা শিখতে ভাল লাগে। সব ভাষার নিজস্ব মাধুর্য্য আছে কিন্তু আমার কাছে বাংলাই শ্রেষ্ঠ।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • insas rifle snatched: “বাংলা জেহাদিদের আঁতুড়ঘর”, বিএসএফের রাইফেল ছিনতাইকাণ্ডে ট্যুইট সুকান্তর

    insas rifle snatched: “বাংলা জেহাদিদের আঁতুড়ঘর”, বিএসএফের রাইফেল ছিনতাইকাণ্ডে ট্যুইট সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃণমূলের রাজত্বে বাংলা হয়েছে জেহাদিদের (jihadi) আঁতুড়ঘর। রাজ্যটি জেহাদিদের প্রিয় জায়গা হয়ে উঠেছে।” এমনটাই মনে করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (sukanta majumder)। মঙ্গলবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার ঘোজাডাঙা স্থলবন্দরের কাছে বিএসএফের (BSF) কর্তব্যরত এক মহিলা কনস্টেবলের কাছ থেকে ইনস্যাস (Insas) রাইফেল ছিনতাই প্রসঙ্গে এমন ট্যুইট করেন সুকান্ত।

    বিএসএফ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার গভীর রাতে ১৫৩ ব্যাটেলিয়নের এক মহিলা কনস্টেবল পাহারা দিচ্ছিলেন ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে (India Bangladesh border) ঘোজাডাঙা স্থলবন্দরের কাছে। আচমকাই কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁর কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয় ইনসাস অ্যাসল্ট রাইফেল (Assault rifle) ও ২০ রাউন্ড গুলি। বিএসএফের এক আধিকারিক জানান, প্রহরারত মহিলা কনস্টেবলকে মারধর করে দুষ্কৃতীরা তাঁর সঙ্গে থাকা রাইফেল ও গুলি ছিনিয়ে নিয়ে চম্পট দেয়।  

    এরপরই এলাকায় চিরুনি-তল্লাশি শুরু করে বিএসএফ। আটক করা হয় এক ডজনেরও বেশি সন্দেহভাজনকে। তবে বুধবার সন্ধে পর্যন্ত হদিশ মেলেনি খোয়া যাওয়া রাইফেলের। শেষমেশ বিএসএফের তরফে অভিযোগ দায়ের হয়েছে বসিরহাট থানায়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    বসিরহাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার জোবি টমাস কে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, তাদের একটি ইনসাস রাইফেল (insas rifle) চুরি গিয়েছে বলে আমরা বিএসএফের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। সেই অনুযায়ী, আমরা মামলা শুরু করেছি। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। তদন্ত চলছে। আমরা সব দিক খতিয়ে দেখছি। পুলিশের একটি অংশের মতে, রাইফেলটি ছিনিয়ে নিয়ে দুষ্কৃতীরা বাংলাদেশে গা-ঢাকা দিতে পারে।

    বিএসএফের এক মহিলা কনস্টেবলকে মারধর করে রাইফেল ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় যারপরনাই বিস্মিত বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ঘটনার প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে ট্যুইট করেন তিনি। লেখেন, “তৃণমূলের শাসনে পশ্চিমবঙ্গ জেহাদিদের আঁতুড়ঘরে পরিণত হয়েছে। ঘোজাডাঙার এই ঘটনাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল এ রাজ্য জিহাদিদের প্রিয় জায়গায় পরিণত হয়েছে।”

    [tw]


    [/tw]

    বিজেপির রাজ্য সভাপতির এই ট্যুইটের প্রেক্ষিতে তৃণমূলের তরফে অবশ্য কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

     

LinkedIn
Share