Tag: India vs Pakistan

India vs Pakistan

  • ICC Champions Trophy: ভারতের জয়ে ক্ষতির মুখে পিসিবি! চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালও পাকিস্তানের বাইরে

    ICC Champions Trophy: ভারতের জয়ে ক্ষতির মুখে পিসিবি! চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালও পাকিস্তানের বাইরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy) আয়োজক দেশ হয়েও ফাইনাল আয়োজন করতে পারল না পাকিস্তান। পাক দল আগেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিরে বাইরে চলে গেছিল। এবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও দেশের বাইরে চলে গেল। তাও ভারতের সৌজন্যে। এবারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হাইব্রিড মডেলে খেলা হচ্ছে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত আপত্তির জেরে পাকিস্তানে খেলতে অস্বীকার করে বিসিসিআই। ঠিক হয়, ভারত তাদের গ্রুপ ও নকআউট, এমনকী ফাইনালে উঠলে সেই ম্যাচও দুবাইয়ে খেলবে। সেই মতো এবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল হবে দুবাইয়ে।

    গদ্দাফি নয় দুবাইতেই ফাইনাল

    ভারত আগেই জানিয়ে দিয়েছিল এই টুর্নামেন্টের প্রতিটা ম্যাচই তারা খেলবে দুবাইতে। ভারত সেমিফাইনাল বা ফাইনালে না উঠলে ম্যাচগুলি হতো পাকিস্তানেই। কিন্তু সেটা হয়নি। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভারত ফাইনাল খেলবে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামেই। লাহোরে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নিউ জিল্যান্ডের মধ্যে দ্বিতীয় সেমিফাইনালের বিজয়ী দল ফাইনাল খেলতে উড়ে যাবে দুবাই। ফলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। গতকাল অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে এক অর্থে পাকিস্তানেরও ছুটি করেন রোহিতরা। আর এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় বইতে শুরু করে মিমের প্লাবন।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় মিমের বন্যা

    ভারত হারলে ফাইনাল (ICC Champions Trophy) আয়োজিত হতো লাহোরের গদ্দাফি স্টেডিয়ামে। সে ক্ষেত্রে টিকিট বিক্রি এবং বিজ্ঞাপন থেকে আরও বেশি উপার্জন করতে পারত পিসিবি। তা হলো না শেষ পর্যন্ত। সেমিফাইনাল আয়োজন করেই সন্তুষ্ট থাকতে হলো। একজন তাঁর এক্স-হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘গদ্দাফি স্টেডিয়াম চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে বিদায় নিল’। সুমিত কাড়েল নামে অন্য একজনের সরস টিপ্পনি—‘ভারতের হাতে দুবাই থেকে ছুটি হল আয়োজক দল পাকিস্তানের। তিনটি ম্যাচ পাকিস্তানের সেরা তিনটি স্টেডিয়ামে বৃষ্টির জন্য ভেস্তে গেল। একটি সেমিফাইনাল পাকিস্তানের বাইরে খেলা হল। এখন ফাইনালও আয়োজিত হবে দুবাইয়ে। এর চেয়ে চরম অসম্মান ও আর্থিক লোকসান আর কিছুই হতে পারে না। আয়োজক হয়েও পাকিস্তান আয়োজক নয়।’

    চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি পাকিস্তানের বাইরে

    আরেকজন নেটিজেন মজার ছলে লেখেন—‘তাহলে এটা চূড়ান্ত—২৩ ফেব্রুয়ারি: পাকিস্তান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির বাইরে। ৪ মার্চ: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি পাকিস্তানের বাইরে।’ রাহুলের ছক্কা মারার ভিডিও পোস্ট করে লেখা হয়, ‘এই শট বলে দিচ্ছে কীভাবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি পাকিস্তান থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।’ বাবর-রিজওয়ানদের সমালোচনার পর এবার পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকেও কটূক্তি। একজন সমর্থক লেখেন, ‘৩০ বছর পর একটা আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজনের সুযোগ পেয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু তার ফাইনালও দেশের বাইরে হবে। মহসিন নকভির অযোগ্যতার প্রমাণ।’

    সমস্যায় পাকিস্তান ক্রিকেট

    ২৯ বছর পরে আইসিসি প্রতিযোগিতা আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে পাকিস্তান। কিন্তু শুরুতেই বিদায় নিয়েছে তারা। এই পরিস্থিতিতে পাক বোর্ডের সামনে তিন বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে। এক) স্পনসরের সমস্যা। দুই) ভবিষ্যতে আইসিসি প্রতিযোগিতা আয়োজনের দায়িত্ব পাওয়ার সমস্যা। তিন) পাকিস্তান ক্রিকেটের খোলনলচে বদলে ফেলার দাবি।

    আগ্রহ হারাচ্ছে স্পনসররা

    চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy) হাত ধরে আর্থিক ভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করেছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এই প্রতিযোগিতার জন্য নিজেদের তিনটি মাঠ সংস্কারে ১৮০ কোটি টাকা খরচ করেছে তারা। প্রতিটি দলের নিরাপত্তায় জোর দেওয়া হয়েছে। বিদেশি সমর্থকদের থাকা-খাওয়ার দিকে নজর রাখা হয়েছে। কিন্তু আসল বিষয় হল ক্রিকেটে দর্শকদের আগ্রহ তৈরি করা। যে ভাবে পাকিস্তানে একের পর এক আইসিসি প্রতিযোগিতায় ব্যর্থ হচ্ছে, তাতে এই আগ্রহ ক্রমশ কমছে। বড় প্রতিযোগিতাগুলিতে টানা ব্যর্থতায় হতাশ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত বাণিজ্যিক সংস্থাগুলিও। পিসিবি কর্তারা স্পনসর হারানোর আশঙ্কা করছেন।

    আইসিসি প্রতিযোগিতা আয়োজনে ভাবতে হবে

    ১৯৯৬ সালের পর থেকে পাকিস্তানে কোনও আইসিসি প্রতিযোগিতা হয়নি। তার একটি কারণ সেখানকার নিরাপত্তা। এ বার প্রতিযোগিতা হচ্ছে। কিন্তু আইসিসি চায়, যে দেশে প্রতিযোগিতা হবে সেই দেশে গ্যালারি ভর্তি থাকুক। দর্শকদের উৎসাহ থাকুক। আয়োজক দেশ যদি ভাল খেলতে না পারে, তা হলে উৎসাহ কমবে। পাকিস্তানের দর্শকেরা যে ভাবে ক্রিকেটে আগ্রহ হারাচ্ছেন, তাতে ভবিষ্যতে এই দেশকে কোনও আইসিসি প্রতিযোগিতা আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়ার আগে অনেক ভাবতে হবে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থাকে।

    পিসিবিকে গোল দিল বিসিসিআই

    চ্য়াম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy) শুরুর দিন সাতেকের মধ্যেই পাকিস্তান দল প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে গিয়েছে। আট দল নিয়ে হওয়া প্রতিযোগিতার প্রথম চার দলের মধ্যেও ঠাই হয়নি আয়োজক দেশের। যা অত্যন্ত লজ্জার বিষয় নিঃসন্দেহে। এই আবহেই এবার আরও বড় সমস্যায় পড়তে চলেছে পাকিস্তান ক্রিকেট। সেমিফাইনালে ভারতের জয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে শুধুমাত্র বিদায় নেয়নি অস্ট্রেলিয়া, ছিটকে গিয়েছে গাদ্দাফি স্টেডিয়ামও। বুধবার দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্জের মধ্যে ম্যাচই পাকিস্তানে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শেষ ম্যাচ। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পাকিস্তানকে ট্রোল করে ভারতীয় ফ্যানরা।‌ মাঠ এবং মাঠের বাইরে পাকিস্তানকে একরাশ লজ্জা উপহার দিল ভারত। মাঠে রিজওয়ান-বাবরদের হেলায় হারাল রোহিত-বিরাটরা আর মাঠের বাইরেও পিসিবিকে গোল দিল বিসিসিআই।

  • ICC Champions Trophy: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থাকে কার্যত বিদায় পাকিস্তানের, ভারতের জয়ে উৎসব বারামুলায়

    ICC Champions Trophy: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থাকে কার্যত বিদায় পাকিস্তানের, ভারতের জয়ে উৎসব বারামুলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোহলির শট বাউন্ডারি পেরোতেই উচ্ছ্বসিত উপত্যকা। কলকাতা, দিল্লি, মুম্বইয়ের মতোই আকাশে আতশবাজির রোশনাই বারামুলায়। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (ICC Champions Trophy) পাকিস্তানকে ৬ উইকেটে হারিয়ে দিয়েছে ভারত। প্রথমবারের মতো, আর্টিকেল ৩৭০ বাতিলের পর,ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখল উপত্যকাবাসী। ভারত জিততেই বারামুলা শহর উৎসবের সুরে ভরে ওঠে, যা জম্মু এবং অন্যান্য অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ে। এই জয় শুধুমাত্র ভারতের ক্রিকেট দক্ষতার নয়, বরং আর্টিকেল ৩৭০ বাতিলের পর কাশ্মির উপত্যকায় পরিবর্তিত মনোভাবের প্রতীকও হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    চির প্রতিদ্বন্দ্বি পাকিস্তান

    ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই উত্তেজনা তুঙ্গে। শুরুতে দুবাইয়ের গ্যালারির কিছু অংশ ফাঁকা থাকলেও পরে তা ভরে যায়। ২৯ বছর পরে কোনও আইসিসি (ICC Champions Trophy) টুনার্মেন্ট পাকিস্তানে, অথচ ‘চিরশত্রু’ প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে ম্যাচটাই করাচি বা লাহোরের বদলে দুবাইয়ে। এতেই শেষ হচ্ছে না দুর্ভোগ। করাচিতে প্রথম ম্যাচে নিউ জিল্যান্ডের কাছে হারের পরে, রবিবারও রোহিতদের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকেই ছুটি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা মহম্মদ রিজওয়ানদের। লাহোর থেকে করাচি, ক্ষোভের আগুন জ্বলছে ধিকিধিকি। অন্যদিকে ওয়াঘার এপারে খুশির হাওয়া। আট বছর আগে ইংল্যান্ডের মাটিতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ওভালে ভারতকে হারিয়ে জিতেছিল পাকিস্তান। ২০১৭ সালের সেই ম্যাচের বদলা নিল ভারত। এ বারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকেই প্রায় ছিটকে যাওয়ার অবস্থা পাকিস্তানের। প্রথমে ব্যাট করে ২৪১ রান করেছিল পাকিস্তান। বিরাট কোহলির শতরানে ৪৫ বল বাকি থাকতে ৬ উইকেটে জিতল ভারত।

    ভারতের জয়েই খুশি উপত্যকা

    বারামুলায় এদিন জয় উদযাপন ছিল এক উজ্জ্বল প্রদর্শন। বিশেষত যুবক-যুবতীদের মধ্যে জাতীয় গর্ব এবং উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। যখন আকাশে রঙিন আতশবাজি ফোটে এবং চারপাশে আতশবাজির শব্দ ভেসে আসে, তখন শহরটা জীবন্ত হয়ে ওঠে। বারামুলার মানুষের জন্য, এই জয় শুধু ভারতীয় ক্রিকেট দলের মাঠে সাফল্য নয়, বরং এক বৃহত্তর গর্ব এবং ঐক্যের প্রতীক। “এটি এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত, বন্ধুদের সঙ্গে উদযাপন করতে পারা এক বিশেষ অনুভূতি,” বলেন এক স্থানীয় যুবক, যার মুখ আলোয় ঝলমল করছে। “ক্রিকেট আমাদের জন্য শুধু খেলা নয়; এটি আমাদের একসাথে নিয়ে আসে।”

    কিং কোহলিতে মুগ্ধ

    এক দিনের ক্রিকেটে ৫১ নম্বর শতরান করে ফেললেন কোহলি। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তাঁর ১১১ বলে করা শতরান বুঝিয়ে দিল কেন তিনি বড় ম্যাচের খেলোয়াড়। ম্যাচ জেতানো বাউন্ডারিতেই শতরান পূর্ণ কোহলির। সেই শতরান করে হাত নেড়ে বুঝিয়ে দিলেন, তিনি আছেন, স্বমহিমাতেই আছেন। কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীর সারা দেশ রাজকীয় এই ইনিংসকে তাড়িয়ে উপভোগ করে। যে কাশ্মীরকে এতদিন ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন বলে মনে করা হত। প্রধানমন্ত্রী মোদির জমানায় সেই কাশ্মীরে দাঁড়িয়েই বিরাট-রোহিতদের জয় উদযাপন করল উপত্যকাবাসী। এই জয় আর্টিকেল ৩৭০ বাতিলের পর উপত্যকাবাসীর মনের অবস্থা পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিল।

    ক্রিকেটই মেলবন্ধন, পরিবর্তিত কাশ্মীরের ছবি

    ভারতীয় সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০ অনুসারে জম্মু ও কাশ্মীর যে বিশেষ মর্যাদা পেত, ২০১৯ সালের ৫ অগস্ট তার বিলোপ ঘটায় কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। তারপর থেকেই কাশ্মীরে এসেছে পরিবর্তনের জোয়ার। পরিবর্তিত কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতা নয় মেলবন্ধনই প্রাধান্য পায়। তৈরি হয়েছে নয়া রেলপথ। যা জম্মুকে যুক্ত করেছে বারামুলার সঙ্গে। এখন কাশ্মীরে ভারতের পতাকা ওড়ানো অপরাধ নয়। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে এখন রোহিত-বিরাটদের হয়েই গলা ফাটায় কাশ্মীর। যার প্রতিফলন ঘটেছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (ICC Champions Trophy) ভারতের জয়ের পর বারামুলার উচ্ছ্বাসে। ক্রিকেটকে কেন্দ্র করেই কাশ্মীরের স্থানীয় যুবকদের মধ্যে যে নতুন এক সম্প্রদায়ভিত্তিক অনুভূতি গড়ে উঠেছে। এটি মুহূর্তের উৎসব নয়, বরং কাশ্মীরের রাজনৈতিক-সামাজিক পরিবর্তনের একটি চিহ্ন।

  • Virat Kohli: পাক-বধে কিং কোহলি! বিরাটের শতরানে কার্যত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শেষ চারে ভারত

    Virat Kohli: পাক-বধে কিং কোহলি! বিরাটের শতরানে কার্যত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শেষ চারে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয়ের জন্য ভারতের দরকার ২ রান, আর চার রান পেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (ICC Champions Trophy) প্রথম শতরান হবে কোহলির (Virat Kohli)। গ্যালারি তখন পিন ড্রপ সাইলেন্ট, ডাগ আউটে অধিনায়ক রোহিতের গালে হাত! কিসের চিন্তা? ভারত তো জিতেই গিয়েছে, শুধু সময়ের অপেক্ষা। না অপেক্ষা শতরানের, বিরাট ইনিংসের রাজকীয় সমাপন। গ্যালারির তখন একটাই প্রার্থনা বাউন্ডারি। এল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। খুশদিল শাহকে কভারের উপর দিয়ে চার মেরে দেশকে জেতানোর পর বুকে বার বার হাত ঠেকিয়ে বিশেষ একটি ভঙ্গি করতে দেখা গেল তাঁকে। যেন গ্যালারির দিকে তাকিয়ে বলতে চাইছেন, “ম‍্যায় হুঁ না!”

    পাকিস্তানের বিপক্ষে বিরাট ইনিংস

    পাকিস্তানকে দেখলেই যেন বাড়তি এনার্জি পান বিরাট কোহলি (Virat Kohli)। ২০১২ এশিয়া কাপে ১৮৩। ২০১৫ এক দিনের বিশ্বকাপে ১০৭। ২০২৩ এশিয়া কাপে ১২২। ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অপরাজিত ১০০। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত খেলতে নামবে আর তাঁর ব্যাটে রান দেখা যাবে না, এমন খুব কমই হয়েছে। ফর্ম, অবসর, শেষ আইসিসি প্রতিযোগিতা ইত্যাদি আলোচনায় জল ঢেলে কোহলি আরও এক বার বুঝিয়ে দিলেন, তিনি ফুরিয়ে যাননি। তিনি আছেন। আর বিপক্ষে পাকিস্তান হলে, তাঁর ব্যাট কথা বলবেই।এদিন শুরু থেকে সতর্ক ব্যাটিং করেন। লেগ স্পিনার আবরার আহমেদের বোলিংয়ে অতিরিক্ত ঝুঁকি নেননি। বরং নিজের ইনিংসটাকে হিসেব করে সাজিয়েছিলেন। অবশেষে ১১১ ডেলিভারিতে সেঞ্চুরি। ওয়ান ডে কেরিয়ারে সেঞ্চুরির নিরিখে মাস্টার ব্লাস্টার সচিন তেন্ডুলকরকে গত ওয়ানডে বিশ্বকাপেই ছাপিয়ে গিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। এদিন ওডিআইতে ৫১তম সেঞ্চুরি করলেন কিং কোহলি।

    কার্যত বিদায় পাকিস্তানের

    তারকারা বড় মঞ্চেই জ্বলে ওঠেন। বিরাট কোহলি (Virat Kohli) তা আবার প্রমাণ করলেন। দুবাইয়ে রবিবাসরীয় ভারত-পাক মহারণে ভিকে সত্যিই ভেরি ভেরি স্পেশাল। তাঁর দুরন্ত শতরানে ভর করেই পাকিস্তান বধ রোহিত ব্রিগেডের। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীকে শুধু হারানো নয়, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকেই কার্যত ছিটকে দিলেন মহাতারকা। ভারতের সেমি-ফাইনালে জায়গাও প্রায় নিশ্চিত করলেন বিরাট। কিন্তু ম্যাচের নায়ককে আবেগে ভাসতে দেখা গেল না। বললেন, “সত্যি বলতে, যে ভাবে খেলেছি সেটা এই ধরনের ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। রোহিতকে শুরুতেই হারানোর পর ম্যাচ জেতানোর পিছনে নিজে অবদান রাখতে পেরে ভালো লাগছে। আগের ম্যাচ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। আমি নিজের খেলার ধরন জানি। তাই বাইরের কোনও আওয়াজ শুনি না। নিজের মতো থাকি, নিজের শক্তি এবং ভাবনাচিন্তার খেয়াল রাখি। প্রত্যাশার চাপে মাথা ঘুরে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক। তাই আমি বর্তমানে বাঁচতে ভালবাসি এবং প্রতিটা সুযোগে দলের জন্য কিছু করতে চাই। প্রতিটা বলে ১০০ শতাংশ দেওয়াই আমার লক্ষ্য।”

  • ICC Champions Trophy: ফেবারিট ভারত, মরণ-বাঁচন ম্যাচ পাকিস্তানের! চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে এগিয়ে কোন দল?

    ICC Champions Trophy: ফেবারিট ভারত, মরণ-বাঁচন ম্যাচ পাকিস্তানের! চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে এগিয়ে কোন দল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপার সানডে। আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (ICC Champions Trophy) আাগমী কাল ২৩ ফেব্রুয়ারি ভারত খেলতে নামবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। প্রথম ম্যাচে ৬ উইকেটে জিতে এগিয়ে রয়েছে ভারত। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে হারায় রবিবার মরণ-বাঁচন‌ ম্যাচ পাকিস্তানের। তবে, বাংলাদেশ ম্যাচে জয় পেলেও ভারতীয় দল কিন্তু পয়েন্ট তালিকায় ২ নম্বরে। তাই পাকিস্তানকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষ স্থানে ওঠাই লক্ষ্য ভারতের।

    কে কোন ম্যাচে এগিয়ে

    সাম্প্রতিক সময় আইসিসি (ICC Champions Trophy) ইভেন্টে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দাপট দেখিয়েছে ভারত। ওডিআই বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে যখনই খেলতে নেমেছে তখনই হারের মুখ দেখেছে পাকিস্তান। কিন্তু আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে আবার এগিয়ে পাকিস্তানই। মিনি বিশ্বকাপে এই দুই দল ৫ বার মুখোমুখি হয়েছে। এরমধ্যে তিনবার জয় পেয়েছে পাকিস্তান, দুবার জিতেছে ভারত। ২০০৪ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে প্রথমবার মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান। সেই ম্যাচে পাকিস্তান সহজেই জিতে যায়। ২০০৯ সালে সেঞ্চুরিয়ানে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দ্বিতীয়বার মুখোমুখি হয় ভারত পাক। শোয়েব মালিকের শতরানে ভর করে সেই ম্যাচেও জয় পায় পাকিস্তান। ২০১৩ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে প্রথমবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জয়ের মুখ দেখে ভারত। ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে পাকিস্তানকে হেলায় হারায় ভারত। কিন্তু ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে হেরেই ট্রফি জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হয় ভারতের।

    চালকের আসনে ভারতই

    চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy) ফলাফল যাই-হোক না কেন গত দেড় দু’দশক ধরে ভারতই পাকিস্তানের উপর কর্তৃত্ব করছে ৷ এবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতের দল পাকিস্তানের থেকেও শক্তিশালী ৷ রবিবার দুবাইয়ে রোহতরাই ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামবেন। এই ম্যাচকে ঘিরে গোটা বিশ্ব অপেক্ষা করে রয়েছে। ২২ গজে আরও একবার মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও পাকিস্তান। মেগা ম্যাচ ঘিরে চড়তে শুরু করেছে পারদ। দুই দলের সমর্থকরা ভিড় জমাচ্ছেন। ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা ইতিমধ্যেই বলেছেন, ‘‘ব্যাটিং অর্ডারে আমাদের প্রথম চার জন অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। সেখানে কোনও বদল হবে না। তার মধ্যে অন্তত একজনকে সেঞ্চুরি করতে হবে। বিশ্বকাপে আমরা খুব বেশি সেঞ্চুরি না করেও বড় স্কোর করেছি। প্রত্যেকেই ব্যক্তিগত সাফল্যের দিকে না তাকিয়ে দলগত প্রচেষ্টায় এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে। এখানেও যদি আমাদের ৭-৮ জন সেই ভাবে চেষ্টাটা চালাতে পারে, তবে আমরা ভালো কিছু করতে পারব।’’

    ভারতীয় দল: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শুভমন গিল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়স আইয়ার, কেএল রাহুল, ঋষভ পন্ত, হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর, কুলদীপ যাদব, হর্ষিত রানা, মহম্মদ শামি, আর্শদীপ সিং, রবীন্দ্র জাদেজা, বরুণ চক্রবর্তী।

    পাকিস্তান দল: মহম্মদ রিজওয়ান (অধিনায়ক), বাবর আজম, ইমাম-উল-হক, কামরান গুলাম, সউদ শাকিল, তায়েব তাহির, ফাহিম আশরাফ, খুশদিল শাহ, সলমন আলি আঘা, উসমান খান, আবরার আহমেদ, হ্যারিস রউফ, মহম্মদ হাসনাইন, নাসিম শাহ, শাহিন শাহ আফ্রিদি।

  • ICC Champions Trophy: মিলছে না ভিসা, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখতে সমস্যায় পাক সমর্থকরা

    ICC Champions Trophy: মিলছে না ভিসা, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখতে সমস্যায় পাক সমর্থকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেট জ্বরে কাঁপছে দুবাই। ভারত-পাকিস্তান (India vs Pakistan) ম্যাচ দেখতে ভিড় উপচে পড়ছে দুবাইয়ের হোটেলে। রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy) ম্যাচে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান। দুবাই-এর রাস্তায় এখন নীল ঢেউ। ভারতীয় সমর্থকরা মরু শহরে ভিড় জমিয়েছেন। অন্যদিকে ভিসা সমস্যার জন্য সমর্থক কমেছে পাকিস্তানের।

    কেন ভিসা মিলছে না পাকিস্তানিদের

    সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী সহ একাধিক দেশ বারবার পাকিস্তান (ICC Champions Trophy) সরকারের কাছে চিঠি লিখেছে অধিবাসীদের না পাঠানোর জন্য। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর অভিযোগ, পাকিস্তান থেকে সেখানকার বাসিন্দারা কাজের জন্য ভিসা নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে গিয়ে ভিক্ষে করে সংসার চালায়। এতে মধ্যপ্রাচ্যের নাম খারাপ হচ্ছে। তাই পাকিস্তানের পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসার নিয়মে কড়াকড়ি করে সৌদি আরব সহ মধ্যপ্রাচ্যের বহু দেশ। সেই নিয়মের জাঁতাকলে পড়েছে পাকিস্তানের ক্রিকেট সমর্থকরা। পাকিস্তানিরা অতীতে ইউএইতে অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িত ছিল। তাদের মধ্যে কিছু অপরাধ যেমন, হুল্লোড় করা, বাজে স্লোগান দেওয়া, অথবা ভিক্ষাবৃত্তি, যা ইউএই কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিতে অগ্রহণযোগ্য। এর ফলস্বরূপ, ইউএই কর্তৃপক্ষ পাকিস্তানি সমর্থকদের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে আরও কঠোর পদ্ধতি অনুসরণ করতে শুরু করেছে। গত বছর ডিসেম্বর ২০২৪-এ, পাকিস্তানি সিনেটে একটি প্যানেল জানিয়েছিল যে, ইউএইতে যাওয়ার জন্য পাকিস্তানিদের পুলিশ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর ফলে, পাকিস্তানি সমর্থকদের জন্য ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

    ভারতীয় সমর্থকদের নিয়ে সমস্যা নেই

    পাকিস্তানের একাধিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, ২৩ ফেব্রুয়ারি দুবাইতে আয়োজিত হতে চলা ভারত পাকিস্তান ম্যাচের জন্য পাকিস্তানের (ICC Champions Trophy) সমর্থকরা দুবাই যাওয়ার টিকিট কেটে ফেলেছে। কিন্তু দুবাইতে প্রবেশের জন্য ভিসার আবেদন করলেও তাদের আবেদনে সাড়া দিচ্ছে না সে দেশের প্রশাসন। এক্ষেত্রে বেশি সমস্যায় পড়ছে যারা প্রথমবার দুবাইতে যাবে। অনেকে দুবাইতে অতীতে একাধিকবার গিয়েছে। তাদের ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা নেই। তারা দুবাইয়ের ভিসা পাচ্ছে। কিন্তু যারা প্রথমবার যাচ্ছে তাদের কড়া স্ক্রুটিনির মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে। অন্যদিকে, ভারতের সমর্থকদের ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও কঠিন নিয়ম নেই। তাদের আবেদনের দ্রুত নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।

  • ICC Champions Trophy: ভুল সংশোধনে বাধ্য হল পাকিস্তান, করাচির স্টেডিয়ামে উড়ল ভারতের পতাকা

    ICC Champions Trophy: ভুল সংশোধনে বাধ্য হল পাকিস্তান, করাচির স্টেডিয়ামে উড়ল ভারতের পতাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুল শুধরে নিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ছবি ঘুরছে, তাতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য দেশের সঙ্গে রয়েছে ভারতের পতাকাও। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy) মাঠে ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের (India vs Pakistan) মহারণ। তার আগে বিসিসিআই-এর দাবি মেনে নিতে বাধ্য হল পিসিবি।

    ভুল স্বীকার পিসিবির

    আইসিসির (ICC Champions Trophy) নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি আয়োজক দেশকে তাদের মাটিতে খেলা প্রতিটি দলের পতাকা ওড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রথম দু’দিন পাকিস্তানের করাচি স্টেডিয়ামে ভারতের পতাকা দেখা যায়নি। এই ঘটনা নিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় পিসিবির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করতে শুরু করেন। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এই পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে বলেছিল যে দলের খেলোয়াড়রা পাকিস্তানে খেলবেন, শুধুমাত্র তাদের পতাকা উড়বে। তবে ভারতের ক্ষেত্রে যেহেতু তারা দুবাইয়ে খেলা চালিয়ে যাবে, তাই পাকিস্তানের স্টেডিয়ামে ভারতীয় পতাকা রাখা হয়নি। কিন্তু পিসিবির এই যুক্তি শেষমেশ বাস্তবে কার্যকর হয়নি। বিসিআই-এর দাবি মেনে তড়িঘড়ি উদ্যোগ নিয়ে সমস্যা মিটিয়ে ফেলতে বাধ্য হয় পিসিবি। এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ছবি শেয়ার করা হয়েছে, তাতে ভারত সহ আট দেশের পতাকাই রয়েছে।

    পাকভূমে উড়ল ভারতের পতাকা

    বিসিসিআইয়ের ভাইস-চেয়ারম্যান রাজীব শুক্লা বিষয়টি নিয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে নিশ্চিত করতে হবে, যাতে অন্যান্য দেশের পতাকার সঙ্গে ভারতের তেরঙ্গাও ওড়ে। রাজীব শুক্লার এই ‘হুঙ্কারে’ পিসিবি বাধ্য হয় সিদ্ধান্ত বদলাতে। মঙ্গলবার রাতেই সেই ‘ফয়সালা’ আসে এবং টুর্নামেন্ট শুরুর দিন পাকিস্তানে ভারতের পতাকা ওড়ানো হয়। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে ভারতের সঙ্গে টেক্কা নিতে গিয়ে বারবারই মুখ থুবড়ে পড়ছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। টুর্নামেন্ট শুরুর দিনও একইভাবে নিজের ভুল শুধরে নিতে বাধ্য হল পিসিবি। পাকভূমে ভারতীয় পতাকা না রাখার যে ‘স্পর্ধা’ তারা দেখিয়েছিল, হাজারো বিতর্কের পর সেই ইস্যুতে নতিস্বীকার করে নিলেন নাকভিরা। বুধবার অন্যান্য দেশের পতাকার পাশাপাশি বাবর আজমদের দেশে উড়ল তেরঙ্গাও। এবার লড়াই বাইশ গজে। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি, রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় পাকিস্তানকে টেক্কা দেওয়ার পালা বিরাট-রোহিতদের।

  • ICC Champions Trophy: হাইব্রিড মডেলেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি! ভারতের দাবি না মানলে কত ক্ষতি হত আইসিসির? 

    ICC Champions Trophy: হাইব্রিড মডেলেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি! ভারতের দাবি না মানলে কত ক্ষতি হত আইসিসির? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইব্রিড মডেলেই হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy)। সরকারি ঘোষণা না করা হলেও আইসিসি সূত্রে খবর, সব বোর্ডের কর্তারাই হাইব্রিড মডেল মেনে নিয়েছে। যে কারণে পাকিস্তান এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হবে। ভারত নিজেদের সব ম্যাচ দুবাইতে খেলবে। ইতিমধ্যেই, ভারত না খেললে আইসিসির কতটা ক্ষতি হবে তা দেখিয়ে দিয়েছে সম্প্রচারকারী সংস্থা স্টার ইন্ডিয়া। এই প্রতিযোগিতা থেকে মোট আয়ের ৯০ শতাংশ ভারতের বাজার থেকে পাবে তারা। ফলে ভারতকে (India vs Pakistan) ছাড়া যে কোনও ভাবেই প্রতিযোগিতা সম্ভব নয় তা পরিষ্কার জানিয়েছিল আইসিসি। ফলে শেষ পর্যন্ত ভারতের কথা মতো নিরপেক্ষ ভেন্যুতেই খেলা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

    কোন নিয়মে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি

    আগামী বছর ফেব্রুয়ারি এবং মার্চে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy) হওয়ার কথা। পাকিস্তানে (India vs Pakistan) প্রতিযোগিতা না হলে নাম তুলে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিল সে দেশের ক্রিকেট বোর্ড। কিন্তু তারা নিজেদের দাবি থেকে পিছিয়ে এসে হাইব্রিড মডেল মেনে নিয়ছে, এমনই খবর। কিন্তু ২০৩১ সাল পর্যন্ত ভারতে খেলতে না গিয়ে তাদেরও হাইব্রিড মডেলে নিরপেক্ষ দেশে খেলা আয়োজনের সুযোগ দিতে হবে বলে দাবি করেছিল পিসিবি। সেটা ২০২৭ সাল পর্যন্ত মানা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ভারত মেয়েদের এক দিনের বিশ্বকাপ এবং ছেলেদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করবে। এই নিয়ম মেনে ওই দু’টি প্রতিযোগিতায় পাকিস্তান ভারতে খেলতে আসবে না। ছেলেদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের সঙ্গে আয়োজক দেশ হিসাবে রয়েছে শ্রীলঙ্কা। ফলে পাকিস্তানের ম্যাচগুলি সে দেশে দেওয়া হতে পারে। মেয়েদের বিশ্বকাপে হয়তো পাকিস্তান অন্য কোনও নিরপেক্ষ দেশে ম্যাচগুলি খেলবে। 

    আরও পড়ুন: ‘‘ওপেনার হিসেবে রাহুলই যোগ্য’’, অ্যাডিলেড টেস্টের আগে অধিনায়কোচিত সিদ্ধান্ত রোহিতের

    ভারত না খেললে ক্ষতির পরিমাণ

    চার বছরের জন্য স্টার ইন্ডিয়াকে সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রি করেছে আইসিসি। এই প্রথম বার ভারতে আলাদা করে সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রি করা হয়েছে। সেই কথা আইসিসিকে মনে করিয়ে দিয়েছে স্টার ইন্ডিয়া। তারা জানিয়েছে, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy) সম্প্রচারের জন্য আইসিসিকে ৬৩৫২ কোটি টাকা দিয়েছে তারা। ১৫টি ম্যাচ সম্প্রচারের জন্য এই টাকা দেওয়া হয়েছে। যদি ভারত না খেলে তা হলে এই টাকার ৯০ শতাংশ তাদেরকে ক্ষতিপূরণ হিসাবে দিতে হবে। অর্থাৎ, রোহিত শর্মারা না খেললে আইসিসির ৫৭১৬ কোটি টাকা ক্ষতি হবে। তুলনায় পাকিস্তান যদি এই প্রতিযোগিতায় না খেলে তা হলে আইসিসির ক্ষতি হবে ৬৩৪ কোটি টাকা, যা অনেকটাই কম। তাই ভারতের (India vs Pakistan) দাবি মেনেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনে আইসিসি-কে জোর দিয়েছে সম্প্রচারকারী সংস্থা। আইসিসি প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এখনও অবশ্য চ্যম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি জয় শাহ। তবে বিসিসিআই সচিব হিসাবে তাঁর দেওয়া যুক্তি সুবিধাজনক জায়গায় রেখেছে ভারতকে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।
     

  • Junior Asia Cup Hockey 2024: পঞ্চম বার খেতাব জয়! পাকিস্তানকে হারিয়ে জুনিয়র এশিয়া কাপ হকি চ্যাম্পিয়ন ভারত

    Junior Asia Cup Hockey 2024: পঞ্চম বার খেতাব জয়! পাকিস্তানকে হারিয়ে জুনিয়র এশিয়া কাপ হকি চ্যাম্পিয়ন ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হকির টার্ফে পাকিস্তানকে হারিয়ে ফের একবার এশিয়া চ্যাম্পিয়ন ভারতের ছোটরা (Junior Asia Cup Hockey 2024)। বুধবার, জুনিয়র এশিয়া কাপের ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ৫-৩ গোলে হারাল ভারত। এই টুর্নামেন্টে জয়ের ফলে পঞ্চম বার চ্যাম্পিয়ন হল ভারতের জুনিয়র হকি দল।

    একে অপরকে টেক্কা দেওয়ার লড়াই

    অরিজিত সিং হুন্ডাই জয়ের নায়ক। চার-চারটি গোল করেন তিনি। দিলরাজ সিং করেন অপর গোল। পাকিস্তানের (India beats Pakistan) হয়ে সুফিয়ান খান দুটি  এবং হান্নান শাহিদ একটি গোল করেন। প্রায় গোটা ম্যাচেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হল দু’দলের মধ্যে। ম্যাচের শেষ ১০ মিনিট আগ্রাসী খেলে এক তরফা ভাবে ম্যাচ বের করে নেয় ভারত। 

    তবে ভারত পাঁচ-পাঁচটি গোল দিলেও ফাইনালের শুরুটা ভাল করতে পারেনি। ম্যাচের ৪ মিনিটে হান্নান শহিদের গোলে এগিয়ে যায় পাকিস্তান। যদিও তারা বেশি ক্ষণ লিড ধরে রাখতে পারেনি। গোল খাওয়ার পর আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় ভারত। ৬ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরান অরিজিত। কিন্তু গোল হজম করার এক মিনিটের মধ্যেই ভারত ম্যাচে ফিরে আসে দুর্দান্ত ভাবে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ভারত ব্যবধান বাড়িয়ে করে ফেলে ৩-১। তৃতীয় কোয়ার্টারে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে পাকিস্তান। ভারতের রক্ষণকে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করেন পাকিস্তানের আক্রমণ ভাগের খেলোয়াড়েরা। শুরু হয় কিছুটা গা জোয়ারি হকি। এ সময় দু’দলের মধ্যে কিছুটা উত্তেজনা তৈরি হয়। ম্যাচের ৩৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরায় পাকিস্তান। চতুর্থ কোয়ার্টারে ম্যাজিক দেখান অরিজিৎ সিং। দুটি গোল করে কাপ নিয়ে আসেন নিজেদের সাজঘরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ICC Champions Trophy: হাইব্রিড মডেলেই চ্যাম্পিয়ন্স  ট্রফি! কবে, কোথায় ভারত-পাক ম্যাচ?

    ICC Champions Trophy: হাইব্রিড মডেলেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি! কবে, কোথায় ভারত-পাক ম্যাচ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইব্রিড মডেলেই আয়োজিত হতে চলেছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy)। রবিবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন জয় শাহ। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন নিয়ে এবার পাকিস্তানের সঙ্গে তিনিই কথা বলবেন। এই অবস্থায় কিছুটা হলেও নিজেদের অনড় অবস্থান থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়েছে পিসিবি। শোনা যাচ্ছে ভারতের ম্যাচগুলি দুবাইতে আয়োজনের কথা ভাবছে তারা। সেই মতো ভারত-পাকিস্তান মহারণও হবে মরু শহরে।

    পিসিবির শর্ত

    হাইব্রিড মডেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy) আয়োজন করতে রাজি হলেও আইসিসি সূত্রে খবর, একগুচ্ছ শর্ত দিয়েছে পিসিবি। তার মধ্যে অন্যতম হল ২০২৭ অবধি কোনো বহুদেশীয় টুর্নামেন্টের কোনো ম্যাচ ভারতে এসে যাতে না খেলতে হয় সে বিষয়ে আইসিসি’র সবুজ সংকেত চেয়েছে পাক বোর্ড (PCB)। আসন্ন টুর্নামেন্ট গুলির মধ্যে ২০২৬-এর টি-২০ বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2026) রয়েছে ভারতের মাটিতে। যদিও সেখানে কো-হোস্ট হিসেবে থাকার কথা শ্রীলঙ্কার। ফলে পাকিস্তান চাইলে দ্বীপরাষ্ট্রে খেলতেই পারে ম্যাচগুলি। সমস্যা দেখা যেতে পারে আগামী বছরে মহিলাদের ওডিআই বিশ্বকাপ (Women’s World Cup 2025) ও পুরুষদের এশিয়া কাপ (Asia Cup 2025) নিয়ে। দুটি টুর্নামেন্টেরই একমাত্র হোস্ট ভারত। পাকিস্তান না এলে তাদের ম্যাচগুলি মধ্যপ্রাচ্য বা অন্য কোথাও আয়োজনের কথা ভাবতে হবে বিসিসিআই-কে। শোনা যাচ্ছে প্রতিটি টুর্নামেন্টের ফাইনালের জন্যও নাকি নিরপেক্ষ ভেন্যু চেয়েছে পিসিবি, তা আদৌ মানা হবে কিনা তা নিয়ে যদিও সংশয় রয়েছে। আইসিসি সূত্রে খবর, সোমবার চেয়ারম্যান হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে আইসিসির সদস্য দেশগুলির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন জয় শাহ। তবে আইসিসি-র তরফে এখনও চূড়ান্ত কিছু জানানো হয়নি।

    ভারত-পাক ম্যাচ 

    আইসিসি সূত্রে খবর, সব ঠিক থাকলে দুবাইয়ে খেলা হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy) ভারত-পাক হাইভোল্টেজ ম্যাচ। সাধারণত মেগা টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার প্রথম সপ্তাহের রবিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ রাখা হয়। সম্প্রচারের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেয় আইসিসি। আসন্ন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ক্ষেত্রেও সেই প্রথাই মানা হবে। সম্ভবত ২৩ ফেব্রুয়ারি মুখোমুখি হতে চলেছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Women’s T20 WC 2024: রেকর্ড সংখ্যক দর্শক, বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারিয়েও সেমির পথ সহজ নয় ভারতের

    Women’s T20 WC 2024: রেকর্ড সংখ্যক দর্শক, বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারিয়েও সেমির পথ সহজ নয় ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়েদের টি২০ বিশ্বকাপে (Women’s T20 WC 2024) পাকিস্তানকে হারিয়েও শেষ চারের লড়াই সহজ নয় ভারতের (India vs Pakistan)। পরবর্তী দুটো ম্যাচে ভারতকে বড় ব্যবধানে জিতলে তবেই সেমির টিকিট পাকা করতে পারবেন হরমনপ্রীতরা। ভারতের বাকি দুটো ম্যাচ রয়েছে শ্রীলঙ্কা ও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। শ্রীলঙ্কা ছন্দে না থাকলেও অস্ট্রেলিয়া কিন্তু কঠিন প্রতিপক্ষ।

    কঠিন অঙ্কের সামনে টিম ইন্ডিয়া

    মেয়েদের টি২০ বিশ্বকাপে (Women’s T20 WC 2024) পরবর্তী দুটো ম্যাচে জিতলে ভারতের পয়েন্ট হবে ৬। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড তাদের বাকি ম্যাচগুলো জিতলে মোট ৬ পয়েন্টের মালিক হবে। তাই, বাকি ম্যাচগুলোতে ভারতকে জিততে হবে এবং বড় ব্যবধানে জিততে হবে। তাহলে নেট রান রেটের দিক থেকে পজিটিভ হবে। গ্রুপ এ-তে ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে রয়েছে শ্রীলঙ্কা, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। শ্রীলঙ্কা একটিও ম্যাচে জেতেনি। বাকি প্রতিটা দল একটি করে ম্যাচ জিতেছে। ভারতের নেট রান রেট -১.২১৭। নেগেটিভ নেট রান রেট একমাত্র রয়েছে ভারত ও শ্রীলঙ্কার। ৯ তারিখ পরের ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে বড় ব্যবধানে হারানোই এখন ভারতের পরবর্তী লক্ষ্য।

    জয়ের রেকর্ড অব্যাহত

    মেয়েদের টি২০ বিশ্বকাপে (Women’s T20 WC 2024) পাকিস্তানকে হারিয়ে জয়ের রেকর্ড ধরে রেখেছে টিম ইন্ডিয়া। নিউজিল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর পাকিস্তানকে হারিয়ে জয়ে ফিরেছে ভারত। রবিবার দুবাইয়ে চলতি টি২০ বিশ্বকাপের এ-গ্রুপের ম্যাচে টস জিতে শুরুতে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান। তারা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটের বিনিময়ে ১০৫ রান সংগ্রহ করে। নিদা দার দলের হয়ে সব থেকে বেশি ২৮ রান করেন। এছাড়া মুনিবা আলি ১৭, ফতিমা সানা ১৩ ও সায়েদা আরুব শাহ ১৪ রানের যোগদান রাখেন। ভারতের হয়ে ৪ ওভারে ১৯ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট নেন অরুন্ধতী রেড্ডি। ৪ ওভারে মাত্র ১২ রান খরচ করে ২টি উইকেট নেন শ্রেয়াঙ্কা পাতিল। এছাড়া ১টি করে উইকেট সংগ্রহ করেন রেনুকা সিং, দীপ্তি শর্মা ও আশা শোভনা। পালটা ব্যাট করতে নেমে ভারত ১৮.৫ ওভারে ৪ উইকেটের বিনিময়ে ১০৮ রান তুলে ম্যাচ জিতে যায়। অর্থাৎ ৭ বল বাকি থাকতে ৬ উইকেটে ম্যাচ জেতে ভারতীয় দল। শেফালি বর্মা ৩২, জেমিমা রডরিগেজ ২৩ ও হরমনপ্রীত কৌর ২৯ রান করেন।

    রেকর্ড দর্শক

    ক্রিকেটের ময়দানে ভারত-পাকিস্তানের (India vs Pakistan) সম্মুখসমর সর্বদাই হটকেক। ক্রিকেটপ্রেমীরা কার্যত হামলে পড়েন ভারত-পাক ম্য়াচের উত্তেজনায় গা ভাসাতে। ব্যতিক্রমী ছিল না রবিবারের দুবাইয়ের ম্যাচও। মাঠে ভিড় জমান প্রচুর সংখ্যক দর্শক। তাতেই তৈরি হয় মেয়েদের টি-২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন এক রেকর্ড। এর আগে মেয়েদের টি-২০ বিশ্বকাপের কোনও গ্রুপ লিগের ম্যাচে এত দর্শক হয়নি। এদিন ভারত-পাক ম্যাচের সময় গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন ১৫৯৩৫ জন দর্শক, যা গ্রুপ পর্যায়ে সর্বকালীন রেকর্ড।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share