Tag: India

India

  • Akshay Kumar: ঘুচল কানাডিয়ান পরিচয়! দেশের নাগরিক হিসেবে প্রথম ভোটদান অক্ষয়ের

    Akshay Kumar: ঘুচল কানাডিয়ান পরিচয়! দেশের নাগরিক হিসেবে প্রথম ভোটদান অক্ষয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে ঘুচল কানাডিয়ান পরিচয়। দেশের নাগরিক হিসেবে এই প্রথম ভোট দিলেন অক্ষয় কুমার (Akshay Kumar)। শুধু তাই নয়, একেবারে আমজনতার মতোই পাঁচ-ছয়শো লোকের ভিড়ে বুথে লাইন দিয়ে ভোট দিতে দেখা গেল তাঁকে। সোমবার ২০ মে পঞ্চম দফায় দেশের অন্যান্য রাজ্যের সঙ্গে মুম্বইয়ের ১৩টি আসনেও ভোটগ্রহণ (Lok Sabha elections 2024) প্রক্রিয়া চলছে। আর এরই মধ্যে সকাল সকাল জুহুর একটি বুথে গিয়ে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে নিজের প্রথম ভোট দিলেন অক্ষয়। 

    আম জনতার সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ

    রীতিমতো লাইন দিয়ে ভোট (Lok Sabha elections 2024) দিতে দেখা যায় অক্ষয় কুমারকে (Akshay Kumar)। তিনি বলেন, “বুথ খুলতেই সকাল ৭টার সময় চলে আসি আমি। তখনই দেখলাম বুথের বাইরে প্রায় ৫০০-৬০০ মানুষ দাঁড়িয়ে।” এরপর অক্ষয়কে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, তাঁকেও কি ভোটদানের জন্য লাইন দিতে হয়েছে? উত্তরে হেসে অভিনেতার জবাব, “নয়তো আর কী করব? লাইন ভেঙে এগিয়ে যেতাম নাকি?”  

    গণতন্ত্রের উৎসবে যোগ দিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত অক্ষয়। বুথ থেকে বেরনোর সময়ে তাঁর মুখের হাসি দেখেই বোঝা গেল সেটা। ভোটদানের পর সংবাদমাধ্যমকে অভিনেতা বলেন, “আমি (Akshay Kumar) চাই আমার দেশ আরও শক্তিশালী হোক। সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই ভোট দিয়েছি। ভোট দিতে পেরে আমার খুব ভালো লেগেছে। খুব ভালো বোধ করছি।” একই সঙ্গে আঙুলে ভোটের কালি ছাপ দেখিয়ে বেশ গর্বই অনুভব করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: কীভাবে এক পর্তুগিজ নাবিক জলপথে প্রথম ভারতের সন্ধান পেলেন?

    ঘুচল কানাডিয়ান পরিচয়

    এতদিন কানাডার নাগরিক ছিলেন অক্ষয় (Akshay Kumar)। ২০১৯ সালে ভারতের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছিলেন বলিউড অভিনেতা। এরপর ২০২৩ সালে স্বাধীন ভারতের নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন তিনি। তবে ভারতীয় ছবিতে অভিনয় করলেও, ১৯৯০ সালে কানাডার নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি। তাই এতদিন কানাডার নাগরিক ছিলেন বলে ভোট (Lok Sabha elections 2024) দিতেন না অভিনেতা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vasco da Gama: কীভাবে ভাস্কো দা গামা জলপথে প্রথম ভারতের সন্ধান পেয়েছিলেন? ফিরে দেখা ইতিহাস

    Vasco da Gama: কীভাবে ভাস্কো দা গামা জলপথে প্রথম ভারতের সন্ধান পেয়েছিলেন? ফিরে দেখা ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ইতিহাস বলতে প্রথমেই মাথায় আসে ভাস্কো দা গামার (Vasco da Gama) নাম। ভাস্কো দা গামা-এই নামটির সঙ্গে পরিচিত নন এমন মানুষ ভারতীয় উপমহাদেশে খুঁজে পাওয়া কঠিন। ভাস্কো দা গামা ছিলেন একজন পর্তুগিজ নাবিক। যিনি পঞ্চদশ শতাব্দীতে সমুদ্রপথে ভারতে আসেন। পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে আফ্রিকা মহাদেশে এসে পৌঁছান এবং পুরো আফ্রিকা মহাদেশ ঘুরে দক্ষিণ দিক থেকে তিনি ১৪৯৮ সালের আজকেরই দিনে অর্থাৎ ২০ মে তাঁর জাহাজ নিয়ে দক্ষিণ ভারতে (India) কালিকটের কাছে কাপ্পাডুতে পা রাখেন। 

    ইতিহাস

    কলম্বাস যখন ভারতের খোঁজে বেরিয়ে আমেরিকায় পৌঁছে গেলেন, তখন পর্তুগালের রাজা জন ভারতে পৌঁছানোর জন্য নতুন সমুদ্রপথ খুঁজতে শুরু করেছিলেন। একই সঙ্গে তিনি তিনটি বড় জাহাজ তৈরিরও নির্দেশ দেন। কিন্তু সেই সময়েই অসুস্থ হয়ে পড়েন রাজা জন। ভারতে পৌঁছানোর সে ইচ্ছা পূরণ হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়। তবে তার উত্তরাধিকারী এমানুয়েলের মনেও ভারতে পৌঁছানোর দৃঢ় সংকল্প ছিল। সেই যাত্রার কমান্ডার হিসাবে তিনি ভাস্কো দা গামাকে (Vasco da Gama) বেছে নিয়েছিলেন।

    কীভাবে পৌঁছলেন ভারতে? (Vasco da Gama) 

    ২৫ মার্চ ১৪৯৭ সাল, রবিবার সকালবেলায় লিসবনের রাস্তা লোকে লোকারণ্য হয়ে গিয়েছিল। সবাই বুঝতে পারছিলেন সেদিন একটা বড় ঘটনা হতে চলেছে। এরপর শুরু হল যাত্রা। ভাস্কো দা গামা রওনা হলেন তার ৩টি জাহাজ ও সহযাত্রীদের নিয়ে। কিন্তু মাঝপথে জাহাজ যখন কনারি দ্বীপ ছাড়ালো, তখনই তাঁরা মুখমুখি হল এক ভয়াবহ ঝড়ের। সেই ঝড় কাটিয়ে এরপর বেশ কয়েক মাস ধরে চলার পরে ভাস্কো দা গামা আর তার সহযাত্রীরা সেন্ট হেলেনায় পৌঁছলেন। প্রবল ঝড়ে জাহাজের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। দিন দশেক পরে ভাস্কো দা গামার দল জাহাজগুলি নিয়ে একটা বড় নদীর মোহনায় পৌঁছান। সেখানেই তিনি নোঙর করার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর মার্চ মাসের শেষ নাগাদ ভাস্কো দা গামা আফ্রিকার মোজাম্বিক বন্দরে পৌঁছান। সেখান থেকে সমুদ্র তীর ধরে চলতে চলতে পৌঁছান মালিন্ডির উপকূলে। এরপর ৬ অগাস্ট ভাস্কো দা গামা মালিন্ডি থেকে রওনা হয়েছিলেন। এর প্রায় ১৯ দিন পরে অবশেষে ভারতের তটরেখা দেখতে পান তাঁরা। 

    আরও পড়ুন: কীভাবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করেছিলেন মোদি? মনে করালেন জয়শঙ্কর

    এই দিনটির গুরুত্ব

    উল্লেখ্য তিনিই (Vasco da Gama) প্ৰথম ইউরোপীয় যিনি সাগর পথ পাড়ি দিয়ে আজকের এই দিনে ভারতে (India) এসে উপস্থিত হন। তাঁর এ ভ্ৰমণ এশিয়া ও ইউরোপকে সংযোগ করার পাশাপাশি আটলান্টিক মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগরের মাঝে সেতুবন্ধনের কাজ করেছিল। এ দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে পাশ্চাত্য দুনিয়ার সংযোগ স্থাপনের অন্যতম কারিগর হিসেবে তাঁকে স্বীকৃতি দেওয়া যেতে পারে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: উন্নততর ভারত গড়তে কী করণীয়, ‘ফাঁস’ করলেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: উন্নততর ভারত গড়তে কী করণীয়, ‘ফাঁস’ করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে উন্নততর করতে কী করণীয়, সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তা ফাঁস করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “আজকাল আমার মন্ত্রিসভায় একটা ট্র্যাডিশন শুরু হয়েছে। যখনই কোনও বিল সংসদে পেশ হয়, তার আগেই সেটি আসে মন্ত্রিসভায়। এর সঙ্গে আসে একটা গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড নোট। এই নোটে উল্লেখ করা থাকে বিলটি যে বিষয়ে, সেই বিশেষ ক্ষেত্রটিতে বিশ্বের কোন দেশ সব চেয়ে ভালো পারফর্ম করছে। সেখানে কী নিয়ম আছে, আমরা কীভাবে সেখানে পৌঁছতে পারি। তাই আমাদের মন্ত্রিসভায় প্রত্যেকবারই গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড ম্যাচ করতে হয়।” 

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটা (এই নোট দেওয়া) এখন আমলাতন্ত্রের অভ্যাসে পরিণত হয়ে গিয়েছে। কেবল বললাম, আমাদেরটাই বিশ্বে শ্রেষ্ঠ, এটাই যথেষ্ট নয়। বলতে হবে, বিশ্বের কোন দেশ এই ক্ষেত্রে সর্বোত্তম পারফর্ম করছে, আমাদের অবস্থান ঠিক কোথায়, আমরা কীভাবে সর্বোত্তম স্থানটিতে পৌঁছতে পারি।”

    চার ‘এস’ মন্ত্র

    চলতি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি যে রেকর্ড গড়তে চলেছে, সে বিষয়েও প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী। সাত দফায় হবে লোকসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে চতুর্থ দফার ভোট। এই চার দফায়ও বিজেপি বিপুল সংখ্যক আসনে জিতবে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এবাবের নির্বাচনের সুর যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএর পক্ষেই বাঁধা হয়ে গিয়েছে, তা সবাই জানেন।” দেশের উন্নতির জন্য চার ‘এস’ মন্ত্রের উল্লেখও করেন প্রধানমন্ত্রী।

    আর পড়ুন: মুসলিম কট্টরপন্থীদের চাপে এবং ভোট পেতেই সাধুদের অপমান করছেন মমতা, তোপ মোদির

    তিনি বলেন, “সুযোগটা খুব বড় হওয়া উচিত। এটা ভেঙে ভেঙে হলে হবে না। দ্বিতীয় মন্ত্রটি হল স্কেল। এটাও বড় হওয়া উচিত। এই দুয়ের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে স্পিড বা গতি। সুতরাং, প্রথম তিনটি মন্ত্র হল স্কোপ, স্কেল এবং স্পিড। এই তিনটির সঙ্গে থাকা উচিত স্কিল বা দক্ষতা। আমরা যদি এই চারটিকে এক সঙ্গে পাই, আমি বিশ্বাস করি আমরা অনেক কিছুই লাভ করতে পারব।” প্রসঙ্গত, এবার বিজেপি একাই ৩৭০টি আসন নিয়ে ফিরতে চাইছে কেন্দ্রে। সব মিলিয়ে এনডিএ পেতে চাইছে ৪০০টি আসন (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Indian Railways: ‘দশ বছরে ৩১ হাজার কিলোমিটার রেলপথ তৈরি হয়েছে’, দাবি রেলমন্ত্রীর

    Indian Railways: ‘দশ বছরে ৩১ হাজার কিলোমিটার রেলপথ তৈরি হয়েছে’, দাবি রেলমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপাট মাত্র দশ বছরের। তার মধ্যেই দেশের ৩১ হাজার কিলোমিটার রেলপথ তৈরি করে ফেলেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। অঙ্কের হিসেবে দেখলে, মোদি জমানায় যে রেলপথ পাতা হয়েছে, তা গোটা জার্মানির সমান। এই তথ্য জানিয়েছেন রেলওয়েজ, কমিউনিকেশনস এবং আইটি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Indian Railways)। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের আমলে রেল উপেক্ষিত ছিল বলেও দাবি করেন মন্ত্রী।

    কংগ্রেস জমানায় রেল ছিল উপেক্ষিতই (Indian Railways) 

    মুম্বইয়ে বিকশিত ভারত অ্যাম্বাসাডর ইভেন্টে যোগ দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সেখানেই তিনি অভিযোগ করেন, ভারতীয় রেল ‘দুগ্ধবতী গাভি’ হলেও, পূর্বতন কংগ্রেস জমানায় উপেক্ষিতই ছিল। রেলের উন্নতি যা কিছু হয়েছে, তা মোদির আমলে। রীতিমতো পরিসংখ্যান দিয়ে মন্ত্রী দেখিয়ে দেন, নরেন্দ্র মোদির সরকারের আমলে কত নয়া রেলপথ পাতা হয়েছে, কত কিলোমিটার রেলপথে হয়েছে বৈদ্যুতিকরণের কাজ, দেশের অর্থনীতিরই বা কী উন্নতি হয়েছে। বিকশিত ভারত অ্যাম্বাসাডরদের মন্ত্রী (Indian Railways) বলেন, “আজ দেশে প্রতিদিন চার কিলোমিটার করে রেলপথ নির্মাণ হচ্ছে। কেবল গত অর্থনৈতিক বর্ষেই আমরা ৫ হাজার ৩০০ কিমি রেল নেটওয়ার্ক নির্মাণ করেছি। এটা সুইজারল্যান্ডের গোটা ট্রেন নেটওয়ার্কের সমান।”

    নয়া রেলপথ কত হয়েছে জানেন?

    এর পরেই তিনি বলেন, “গত দশ বছরে ৩১ হাজার কিলোমিটার রেলওয়ে ট্র্যাক তৈরি হয়েছে। এটা জার্মানির পুরো নেটওয়ার্কের সমান।” মোদি জমানায় যে রেলে বৈদ্যুতিকরণও বেশি হয়েছে, সেই পরিসংখ্যানও দেন রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, “মোদি জমানার দশ বছরে ৪৪ হাজার কিলোমিটার রেলপথে বৈদ্যুতিকরণ করা হয়েছে। আর গত ৬০ বছরে কংগ্রেসের জমানায় বৈদ্যুতিকরণের কাজ হয়েছিল মাত্র ২০ হাজার কিলোমিটার।” তিনি বলেন, “আজ আমরা ভারতীয় রেলপথের একশো শতাংশই বৈদ্যুতিকরণের পথে এগোচ্ছি।”

    আর পড়ুন: “মমতার শেষ দেখে ছাড়ব”, জেলমুক্ত হয়েই হুঙ্কার সন্দেশখালির মাম্পির

    তিনি জানান, ভারতে গণপরিবহণের প্রধান মাধ্যম রেল। অথচ আগের সরকার একে উপেক্ষা করেছিল। পাঁচ-ছয়ের দশকে মিটার গেজ থেকে ব্রড গেজে করা উচিত ছিল রেলপথকে। এই কাজটাই হয়েছে এনডিএ সরকারের আমলে। মোদি জমানায় যে রেলের স্টেশনগুলির সংস্কার হচ্ছে, দেশেই অত্যাধুনিক ট্রেন তৈরি হচ্ছে, তাও মনে করিয়ে দেন রেলমন্ত্রী (Indian Railways)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Indias Nuclear Test: পোখরানে ভারতের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার ৫০ বছর, জানেন দিনটির গুরুত্ব?

    Indias Nuclear Test: পোখরানে ভারতের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার ৫০ বছর, জানেন দিনটির গুরুত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পায়ে পায়ে পেরিয়ে এসেছি পঞ্চাশ বছর। ১৯৭৪ সালের ১৮ মে রাজস্থানের পোখরানে প্রথম পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করে ভারত (Indias Nuclear Test)। অপারেশনের নাম ছিল ‘স্মাইলিং বুদ্ধ’। পারমাণবিক এই অস্ত্র পরীক্ষার আগে পর্যন্ত এ ব্যাপারে কাকপক্ষীতেও টের পায়নি। পরীক্ষার পরে পরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ঘটনাটিকে “শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক বিস্ফোরণ” বলে অভিহিত করেছিলেন। এই পরীক্ষার সঙ্গে সঙ্গেই ভারত ‘নিউক্লিয়ার ক্যাপাবিলিটির লিগ অফ নেশনসে’র তালিকায় ঢুকে পড়েছিল।

    পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার খবর (Indias Nuclear Test)

    পোখরানে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার (Indias Nuclear Test) ঠিক পরের দিনই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সংবাদপত্রে ফলাও করে বেরিয়েছিল ভারতের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার সেই খবর। খবরে এও বলা হয়েছিল, মাটির নীচে এই পরীক্ষা হয়েছে। প্লুটোনিয়ামের এই ডিভাইসের রেঞ্জ ১০-১৫ কিলোটন। খবরে এও বলা হয়েছিল, ভারতের অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যান ড: এইচএন শেটনা এবং ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টারের ডিরেক্টর ড: আর রামান্না যাঁরা পরীক্ষার তদারকি করেছিলেন, বিস্ফোরণের পরেই দ্রুত উড়ে গিয়েছিলেন দিল্লিতে।

    ‘স্মাইলিং বুদ্ধ’

    ‘স্মাইলিং বুদ্ধ’ অপারেশনের পর ভারতই প্রথম দেশ যারা রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্যের সঙ্গে এক সারিতে বসার যোগ্যতা অর্জন করেছিল। নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হল আমেরিকা, চিন, ফ্রান্স, রাশিয়া এবং ব্রিটেন। পোখরানে পারমাণবিক পরীক্ষার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে ভারত। সমালোচকদের বক্তব্য ছিল, ১৯৭০ সালে দেশের অর্থনৈতিক সমস্যা থেকে মানুষের নজর ঘোরাতেই পোখরানে পারমাণবিক পরীক্ষা ভারতের। যদিও অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যান বলেছিলেন, “এই পরীক্ষার নেপথ্যে কোনও রাজনৈতিক চাল নেই। যা রয়েছে, তা হল আমার নিজস্ব সিদ্ধান্ত।”

    আর পড়ুন: “কংগ্রেসের মাওবাদী ইস্তাহার রূপায়িত হলে দেউলিয়া হয়ে যাবে দেশ”, বললেন মোদি

    ১৯৪৫ সালে শেষ হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। এই যুদ্ধে নিহত হন লক্ষাধিক মানুষ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তৎকালীন রাশিয়ার ঠান্ডা লড়াইয়ের জেরেই অকালে প্রাণ হারাতে হয়েছিল বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ওই মানুষদের। ১৯৬৮ সালে ন্যূনতম শান্তি বজায় রাখার উদ্দেশে স্বাক্ষরিত হয় ‘পারমাণবিক অস্ত্র সম্প্রসারণ চুক্তি’ (এনপিটি)। এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল পারমাণবিক অস্ত্রধারী বিভিন্ন দেশ। এর ঠিক ছ’বছর পরেই পোখরানে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করে ভারত। এই পরীক্ষার পরে দীর্ঘদিন কার্যত হাত গুটিয়ে বসেছিল ভারত। ১৯৯৮ সালে ফের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করে নয়াদিল্লি। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ী। এই অপারেশনের নাম ছিল ‘শক্তি’ (Indias Nuclear Test)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Kyrgyzstan Violence: ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে’, বলছে কিরঘিজ সরকার, ভারতীয় পড়ুয়াদের ঘরবন্দি থাকার নির্দেশ

    Kyrgyzstan Violence: ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে’, বলছে কিরঘিজ সরকার, ভারতীয় পড়ুয়াদের ঘরবন্দি থাকার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে।” শনিবার জানিয়ে দিল কিরঘিজ বিদেশমন্ত্রক। দ্রোহকালে (Kyrgyzstan Violence) ভারতের তরফে কিরঘিজস্তানে থাকা পড়ুয়াদের ঘরবন্দি থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশকেকে বিদেশি পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে জনবিদ্রোহ হতে পারে, এমন রিপোর্ট পাওয়ার পরেই সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে সে দেশে থাকা ভারতীয় পড়ুয়াদের।

    কী বলছে কিরঘিজ সরকার? (Kyrgyzstan Violence)

    কিরঘিজ সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ১৫ জনের মেডিক্যাল চেক-আপ হয়েছে। বিদেশি পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেনি। সে দেশের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “যে মুহূর্তে ঘটনার রিপোর্ট পাওয়া গিয়েছে, কিরঘিজ রিপাবলিকের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলি দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে। আটক করা হয়েছে ঘটনায় যুক্ত দেশের পাশাপাশি কয়েকজন বিদেশিকেও।”

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে

    কিরঘিজ সরকার (Kyrgyzstan Violence) জানিয়েছে, পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “নাগরিকদের এবং প্রবাসীদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঘটনায় যাঁরা যুক্ত ছিলেন, তাঁদের কেউ গুরুতর জখম হননি। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ১৫ জনকে।” কিরঘিজ সরকারের তরফে মিথ্যা এবং যাচাই না করা সংবাদ পরিবেশন না করতে অনুরোধ করা হয়েছে সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের।

    আর পড়ুন: “কংগ্রেসের মাওবাদী ইস্তাহার রূপায়িত হলে দেউলিয়া হয়ে যাবে দেশ”, বললেন মোদি

    এক্স হ্যান্ডেলে কিরঘিজ রিপাবলিকের ইন্ডিয়ান মিশনের তরফে লেখা হয়েছে, “আমরা আমাদের ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত। তবে এই মুহূর্তে পড়ুয়াদের ঘরবন্দি থাকতে বলা হয়েছে। কোনও সমস্যায় পড়লে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হচ্ছে। চব্বিশ ঘণ্টাই যে নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে, সেটি হল ০৫৫৫৭১১০০৪১।” বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, “বিশকেকে থাকা ভারতীয় পড়ুয়াদের ওপর নজর রাখা হচ্ছে।”

    তিনি বলেন, “পরিস্থিতি বর্তমানে উল্লেখযোগ্যভাবে শান্ত। যে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে ভারতীয় ছাত্রদের নিয়মিত দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে বলা হচ্ছে।” শুক্রবার রাতে আচমকাই বিশকেকে কিছু পাকিস্তানি পড়ুয়া পড়ে যান স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে। কয়েকজন জখমও হন। বিদেশি পড়ুয়াদের সঙ্গে ঝগড়ার জেরেই এই ঘটনা বলে সূত্রের খবর (Kyrgyzstan Violence)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • India US Relation: ইউ টার্ন আমেরিকার! “ভারতে রয়েছে ভাইব্র্যান্ট ডেমোক্রেসি”, বললেন মার্কিন কর্তা  

    India US Relation: ইউ টার্ন আমেরিকার! “ভারতে রয়েছে ভাইব্র্যান্ট ডেমোক্রেসি”, বললেন মার্কিন কর্তা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউ টার্ন আমেরিকার! দিন কয়েক আগেই যে দেশ ভারতকে চিনের সঙ্গে এক পঙতিতে বসিয়ে ‘জেনোফোবিক’ (বিদেশিদের ভয় পায় যারা) তকমা দিয়েছিল, সেই দেশের মুখেই কিনা ভারত-প্রশস্তি! ফিরে আসা যাক খবরে। সম্প্রতি ভারতে শেষ হয়েছে চতুর্থ দফার নির্বাচন। রাত পোহালেই সোমবার হবে পঞ্চম দফার ভোট গ্রহণ-পর্ব।

    কী বললেন মার্কিন কর্তা? (India US Relation)

    তার আগে হোয়াইট হাউসের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কমিউনিকেশনস অ্যাডভাইসার জন কিরবি বলেন, “ভারতের চেয়ে বেশি ভাইব্র্যান্ট ডেমোক্রেসি আর কোথাও নেই। আপনারা জানেন, গণতন্ত্রের উৎসবে ভারতীয় জনগণের অংশগ্রহণকে আমরা প্রশংসা করি। তাদের ভোটদানের উদ্যম, ভবিষ্যতের সরকার নিয়ে তাদের আলোচনাও প্রশস্তি-যোগ্য। অবশ্যই, পুরো প্রক্রিয়াটিকে আমরা শুভেচ্ছা জানাই।” ভারতে চলতি লোকসভা নির্বাচন নিয়ে (India US Relation) এক প্রশ্নের উত্তরেই এমন মন্তব্য করেন কিরবি। এদিন কিরবির মুখে মোদি-স্তুতিও শোনা যায়। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমলে বিশেষ করে বাইডেন প্রশাসনের গত তিন বছরে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক আরও পোক্ত হয়েছে।”

    ‘জেনোফোবিক’ তকমা সেঁটে দিয়েছিল আমেরিকা

    এরই কয়েক দিন আগে ভারতের গায়ে ‘জেনোফোবিক’ তকমা সেঁটে দিয়েছিল আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জাপান এবং ভারতকে ‘জেনোফোবিক’ আখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, “এরা (ভারত ও জাপান) বিদেশিদের স্বাগত জানায় না। চিন এবং রাশিয়াও তা-ই করে। এই চার দেশের তুলনায় আমেরিকায় ইমিগ্রেশন বেশি।” মার্কিন প্রেসিডেন্টের যুক্তি ছিল, সেই কারণেই আমেরিকার অর্থনীতির ভিত এত পোক্ত। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এহেন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিল ভারত। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সেই মন্তব্যের ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ারও চেষ্টা করেছেন কিরবি।

    আর পড়ুন: চিনের সঙ্গে ব্যবসা! ‘জাতীয় নিরাপত্তা’ মাথায় রাখতে উদ্যোগপতিদের ‘প্রস্তাব’ জয়শঙ্করের

    বলেন, “গত সফরে আমরা বিভিন্ন ধরনের নতুন উদ্যোগ নিয়েছি, জটিল এবং বর্তমানে চলছে এমন প্রযুক্তি নিয়ে আমরা একযোগে কাজ করছি, ইন্দো-প্যাসিফিক কোয়াডের প্রাসঙ্গিকতা নিয়েও আমরা আলাপ-আলোচনা চালাচ্ছি। ভারতও এর অংশীদার। আমরা মুখোমুখি আলোচনাও করছি। দুই দেশের বাহিনীর মধ্যেও আমরা বিভিন্ন বিষয় শেয়ার করি।” এর পরেই তিনি বলেন, “এটি (ভারত) খুবই ভাইব্র্যান্ট, আমাদের অংশীদারিত্বও খুবই সক্রিয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ (India US Relation)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nirmala Sitharaman: “বড় শিল্প তো আসেই না”- ব্যর্থতার অভিযোগে সরকারকে বিঁধলেন নির্মলা

    Nirmala Sitharaman: “বড় শিল্প তো আসেই না”- ব্যর্থতার অভিযোগে সরকারকে বিঁধলেন নির্মলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আবহে কলকাতায় দাঁড়িয়ে সরকারকে ব্যর্থতার অভিযোগে বিঁধলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। বৃহস্পতিবার বিকেলে কলকাতায় দাঁড়িয়ে শিল্পায়নের প্রসঙ্গ তুলে পূর্বতন বাম এবং বর্তমান তৃণমূল সরকারকে একাধারে ব্যর্থতার অভিযোগে বিঁধলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। 

    সীতারামনের মন্তব্য  (Nirmala Sitharaman)

    এদিন এক সংগঠনের আয়োজিত নাগরিক সম্মেলনে যোগ দিতে কলকাতায় আসেন নির্মলা। সেখানেই সীতারামনের দাবি করেন, এক সময় বাংলা শিল্পের নিরিখে দেশের প্রথম সারির রাজ্যগুলির অন্যতম হিসেবে গণ্য হত। কিন্তু গত ৫০ বছরে পরিস্থিতি লাগাতার অবনতির দিকে অগ্রসর হয়েছে। যদিও বর্তমান সরকারকে একটু বেশি দুষলেন নির্মলা। তিনি বলেন, “শিল্পের হাল এখন বামফ্রন্ট জমানার থেকেও অনেক বেশি খারাপ হয়েছে। বড় শিল্প তো আসেই না। বরং যারা ছিল তাদের অনেকে রাজ্য ছেড়ে চলে যাচ্ছে।” এছাড়াও এদিন  তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, তোলাবাজি এবং গুন্ডাগিরির অভিযোগ তুলে তাঁর মন্তব্য, এই সব কারণেই বড় সংস্থা থাকছে না। শিল্প তৈরির অনুকূল পরিবেশই নেই। 

    সন্দেশখালি ইস্যুতেও আক্রমণ  

    এবারের লোকসভা ভোটে বিজেপির অন্যতম অস্ত্র সন্দেশখালি (Sandeshkhali Issues)। নারী নির্যাতনের অভিযোগ থেকে ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বারবার শিরোনামে উঠে এসেছে এই এলাকার নাম। বৃহস্পতিবার সন্দেশখালি ইস্যুতেও আক্রমণ শানান নির্মলা। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman) বলেন, “সন্দেশখালিতে ভিক্টিম শেমিং করছে তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেও করেছেন। পার্ক স্ট্রিটের সময়।’’

    মূলধন তৈরির নিরিখেও পিছিয়ে রাজ্য 

    মূলধন তৈরির নিরিখেও রাজ্য পিছিয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন নির্মলা (Nirmala Sitharaman)। তাঁর দাবি, এখানে এক সময়ে মূলধন সৃষ্টির হার ছিল ৬.৭%। এখন তা ২.৬%। এ প্রসঙ্গে তাঁর অভিযোগ রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা বৃদ্ধির এটি অন্যতম কারণ। 

    আরও পড়ুন: ১৫ দিনে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যু উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে, চিকিৎসার গাফিলতি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    কুণাল ঘোষের মন্তব্য

    নির্মলার মন্তব্যের প্রসঙ্গে তৃণমূলের নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, ‘‘নির্মলা সীতারামন যে পরিবেশে থাকেন, সেখান থেকে পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি বোঝা সম্ভব নয়। এখানে গত ১০ বছরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি বিকল্প অর্থনৈতিক ভাবনা প্রতিষ্ঠা করেছেন। শুধু শিল্প লগ্নি হয়নি, তার বিকেন্দ্রীকরণ হয়েছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে বহু মানুষ যুক্ত হয়েছেন।’’  কুণালের দাবি, পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতিকে মূল্যায়ন করতে করোনার সময় লকডাউন চলাকালীন দেশের বিভিন্ন রাজ্যের আর্থিক অবস্থার সঙ্গে এ রাজ্যের তুলনা করলেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman) তা বুঝতে পারতেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pak Refugees in Delhi: ‘‘এখন থেকে আমরা ভারতীয়’’, নাগরিকত্ব পেয়ে মোদিকে ধন্যবাদ পাক শরণার্থীদের

    Pak Refugees in Delhi: ‘‘এখন থেকে আমরা ভারতীয়’’, নাগরিকত্ব পেয়ে মোদিকে ধন্যবাদ পাক শরণার্থীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখন থেকে ভারতীয় শরনার্থীদের (Pak Refugees in Delhi) আর পাকিস্তানি বলা যাবে না। অর্থাৎ পাকিস্তান থেকে আসা দিল্লিতে বসবাসকারী শরণার্থীরা এখন থেকে ভারতের নাগরিক। সম্প্রতি পাকিস্তান থেকে আসা শরণার্থীদের নাগরিকত্বের শংসাপত্রের প্রথম সেট জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাই পাকিস্তান থেকে আসা শরণার্থীরা বৃহস্পতিবার নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের মাধ্যমে তাদের ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রদানের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার সিএএ-র অধীনে নিয়মগুলি ঘোষণা করার পর দুই মাসের মধ্যে নাগরিকত্বের শংসাপত্রের এই প্রথম সেট জারি করেছে। 

    শরণার্থীদের বক্তব্য 

    এই প্রসঙ্গে শরণার্থীরা (Pak refugees in Delhi) বলেছেন, “আমরা ৫ অক্টোবর ২০১৩ সালে পাকিস্তান থেকে দিল্লিতে আসি। যখন সিএএ বিল পাস হয়েছিল তখন আমরা খুব খুশি হয়েছিলাম। এরপরে আমরা নাগরিকত্ব পাওয়ার চেষ্টা করেছি যাতে আমরা কিছু কাজও শুরু করতে পারি। আমরা একমাস আগে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছিলাম এবং আমরা তা ১৫ মে পেয়েছি। এখন আমাদের ভবিষ্যতও উজ্জ্বল হবে। তাই আমরা ভারত সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ।” একই সঙ্গে আরও এক শরণার্থী বলেন, “আমরা যখন ১০ বছর আগে এখানে এসেছি, তখন আমাদের নাগরিকত্ব ছিল না। নাগরিকত্ব পেয়ে আমরা খুব খুশি। আগে আমাদের সন্তানদের স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে অসুবিধার সম্মুখীন হতাম। কিন্তু এখন আমাদের শিশুরা সঠিক শিক্ষা পাবে এবং তাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে। এতদিন ধরে আমাদের পাকিস্তানি বলা হতো। এখন থেকে আমরা ভারতীয়।” 

    আরও পড়ুন: রাহুল গান্ধীর ভাইরাল বক্তৃতার জবাব মোদির

    অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন 

    জানা গিয়েছে, সিনিয়র সুপারেনটেন্ডেন্টদের সভাপতিত্বে জেলা স্তরের কমিটিগুলি নথিগুলির সঠিক যাচাই করে আবেদনকারীদের নাগরিকত্বের (Pak refugees in Delhi) শংসাপত্রের প্রথম সেট জারি করেছে। নিয়ম অনুযায়ী, যাচাই এর পরে আবেদন গুলি ডিরেক্টরের নেতৃত্বে রাজ্য স্তরের ক্ষমতা প্রাপ্ত কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। এই আবেদনের প্রক্রিয়াকরণ সম্পূর্ণভাবে অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘‘৪ জুনের পর ইন্ডি জোট ভেঙে যাবে খটাখট…’’, রাহুলের মন্তব্যের জবাব মোদির

    PM Modi: ‘‘৪ জুনের পর ইন্ডি জোট ভেঙে যাবে খটাখট…’’, রাহুলের মন্তব্যের জবাব মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর বক্তৃতার পাল্টা জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। উত্তরপ্রদেশের প্রতাপগড়ে একটি নির্বাচনী সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কটাক্ষ করেন কংগ্রেস নেতাকে। 

    রাহুল গান্ধীর মন্তব্য 

    গত বৃহস্পতিবার কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী দাবি (Rahul Gandhi’s Viral Speech) করেছিলেন যে একবার তার দল কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পরে, দেশ থেকে দারিদ্র্য দূর করবে। এদিন রাজস্থানে তার নির্বাচনী সমাবেশের সময়, কংগ্রেস নেতা বলেছিলেন যে তার দল ‘খটাখট’ দারিদ্র্যপীড়িত পরিবারের একজন মহিলার অ্যাকাউন্টে ১ লাখ টাকা স্থানান্তর করে দেশ থেকে দারিদ্র্য দূর করবে।    

    আরও পড়ুন: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের পর এবার বিহারে সীতার মন্দির! নির্বাচনের মধ্যেই বড় ঘোষণা শাহের

    প্রধানমন্ত্রীর জবাব (PM Modi) 

    এবার রাহুল গান্ধীর সেই ভাইরাল বক্তৃতা (Rahul Gandhi’s Viral Speech) প্রসঙ্গে মোদি বলেন, “সমাজবাদী পার্টি এবং কংগ্রেসের (Congress) ‘শেহজাদারা’ উন্নয়নকে ‘গুলিডান্ডা খেলার’ মত মনে করেন। কংগ্রেস এবং সমাজবাদী পার্টির দুই ‘শেহজাদা’ প্রাসাদে জন্মেছেন। তাই ওঁরা কঠিন কাজ করতে পারেন না। সেই কারণে উন্নয়ন ‘খটাখট’ হয় বলেই মনে করেন অখিলেশ যাদব, রাহুল গান্ধীরা। শুধু তাই নয়, যারা রুপোর চামচ নিয়ে জন্মেছে তারা দেশ চালাতে পারে না। রাহুল গান্ধী, অখিলেশ যাদবরা মনে করেন, দেশের উন্নয়ন এমনি এমনি হয়ে যায়। দেশ থেকে তাঁরা ‘খটাখট’ গরীবিও মুছে ফেলবেন বলে মনে করেন।”

    তাই ওঁরা যেমনই মনে করুন না কেন, ৪ জুনের পর যারা বলেছে তারা দারিদ্র্য দূর করবে, উন্নয়ন নিয়ে আসবে, রায়বেরিলির মানুষও ওঁদের ‘খটাখট’ বাড়িতে পাঠিয়ে দেবেন বলে কাটক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী। কারণ, কেরলের ওয়েনাড়ের পাশাপাশি এবার উত্তরপ্রদেশের রায়বেরিলি থেকেও মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। আর আগামী ৪ জুন রয়েছে এবছরের লোকসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশ। এই প্রসঙ্গেই মোদি বলেন, ‘‘অমেঠি থেকে চলে গিয়েছেন। এবার রায় বরেলি থেকেও চলবে যাবেন। ৪ জুনের পর ইন্ডি জোট ভেঙে যাবে খটাখট খটাখট।’’
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share