Tag: India

India

  • Bengal SIR: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার, অথচ পাসপোর্ট বাংলাদেশের!

    Bengal SIR: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার, অথচ পাসপোর্ট বাংলাদেশের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর (Bengal SIR) চলছে। তাতেই উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। রাজ্যের সিইওর দফতর সূত্রে খবর, অন্তত ১৪ জন ব্যক্তি একই সঙ্গে ভারতীয় ভোটার পরিচয়পত্র (Indian Epic Cards) এবং বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করছে। অনুমান, ওই ১৪ জনই আদতে বাংলাদেশের নাগরিক। এই তথ্যের ভিত্তিতেই রাজ্যের সিইও দফতর কলকাতার ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসের কাছে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে।

    বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট (Bengal SIR)

    সম্প্রতি এফআরআরও, কলকাতা সিইও দফতরকে লিখিতভাবে জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট ১৪ জনের প্রত্যেকের কাছেই বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট রয়েছে। তারা সকলেই বৈধ ভিসায় পশ্চিমবঙ্গে এসেছিল। কিন্তু ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর আর বাংলাদেশে ফিরে যায়নি।পরবর্তীকালে তারা বেআইনিভাবে বিভিন্ন ভারতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে, যার মধ্যে অন্যতম হল ভোটার পরিচয়পত্র। সিইও দফতরের এক সূত্রের খবর, এই ১৪ জনের নাম ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিতব্য চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হয়েছে।

    ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ

    ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার পাশাপাশি, আইন অনুযায়ী এই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেবে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, এই ১৪ জনকে রাজ্যের তিনটি জেলায় চিহ্নিত করা হয়েছে। এই জেলাগুলি হল উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া এবং পূর্ব মেদিনীপুর। এর মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়া জেলা বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া। যার জেরে বিষয়টি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। ঘটনাটি সামনে আসার পর নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত নজরদারি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে (Bengal SIR)।

    জাল ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরির কারবার

    গত এক বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গজুড়ে ভুয়ো পাসপোর্ট ও জাল ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরির একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং ইডি। তদন্তকারীদের দাবি, এই চক্রের মূল লক্ষ্য ছিল অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করা বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভারতীয় নাগরিকত্বের নকল নথি তৈরি করে দেওয়া (Indian Epic Cards)। তদন্তে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এই চক্রটি সক্রিয়ভাবে কাজ করছিল এবং অত্যন্ত পরিকল্পিত চার ধাপের মাধ্যমে ভুয়ো পরিচয়পত্র তৈরি করা হচ্ছিল (Bengal SIR)। প্রথম ধাপে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে ঢোকার পর অনুপ্রবেশকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হত ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া বিভিন্ন গ্রামে। স্থানীয় দালালদের মাধ্যমে তাদের গোপনে রাখা হত।

    কীভাবে চলত কারবার?

    দ্বিতীয় ধাপে স্থানীয় প্রশাসনের একাংশের সঙ্গে যোগসাজশে এই অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র এবং রেশন কার্ড বানানো হত। তৃতীয় ধাপে ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র ও রেশন কার্ডের ভিত্তিতে তৈরি করা হত আধার কার্ড ও প্যান কার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভারতীয় পরিচয়পত্র (Bengal SIR)। চতুর্থ তথা শেষ ধাপে এই সব নকল নথির ভিত্তিতে শেষ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ভুয়ো ভারতীয় পাসপোর্ট জোগাড় করে দেওয়া হত, যার মাধ্যমে তারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অবাধে যাতায়াত করতে পারত বা বিদেশেও যাওয়ার চেষ্টা করত (Indian Epic Cards)। তদন্তকারী আধিকারিকদের মতে, এই ধরনের চক্র দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে এই ধরনের চক্র সক্রিয় থাকাটা উদ্বেগজনক বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (Bengal SIR)। ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন দালাল ও নথি জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে এবং আগামী দিনে আরও বড়সড় নাম সামনে আসতে পারে বলে ইডি ও রাজ্য পুলিশ সূত্রে খবর (Indian Epic Cards)।

  • Manipur: ভারত-মায়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া তৈরির সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    Manipur: ভারত-মায়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া তৈরির সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার স্বার্থে ভারত-মায়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া তৈরি এবং ফ্রি মুভমেন্ট রেজিম (FMR) বাতিলের সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় সরকার (Manipur)। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কুকি, জোমি ও হামার সম্প্রদায়ভুক্ত একাধিক জঙ্গি সংগঠন এবং তাদের সমর্থনকারী খ্রিস্টান সংগঠনগুলোর তীব্র আপত্তির নেপথ্যে রয়েছে গভীর নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণ (Indian Passport)।

    জঙ্গি সংগঠনের জোটের শীর্ষ নেতা (Manipur)

    নিরাপত্তা সংস্থা সূত্রের দাবি, বহু বছর ধরে খোলা ভারত-মায়ানমার সীমান্ত জঙ্গিদের অবাধ যাতায়াতের করিডর হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সীমান্তে কড়াকড়ি না থাকায় দুই দেশের জঙ্গিরা অনায়াসেই সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে ঢুকে নাশকতামূলক কার্যকলাপ চালাচ্ছে। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হল, মণিপুরে সক্রিয় ৮টি কুকি জঙ্গি সংগঠনের জোটের বর্তমান শীর্ষ নেতা মায়ানমারের নাগরিক। তিনি অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করছেন, ভারতবিরোধী কার্যকলাপেও যুক্ত রয়েছেন বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, তিনি কীভাবে ভারতীয় পাসপোর্ট পেলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    পাসপোর্ট পেলেন কীভাবে

    সূত্রের খবর, থাংগালিয়ানপাউ গুইটে, যিনি জোমি রিইউনিফিকেশন অর্গানাইজেশন (ZRO) ও তার সশস্ত্র শাখা জোমি রেভল্যুশনারি আর্মি (ZRA)–এর সভাপতি, তিনি আদতে মায়ানমারের নাগরিক। এই সংগঠনটি বর্তমানে ইউনাইটেড পিপলস ফ্রন্ট (UPF)–এর অন্তর্ভুক্ত, যেখানে কুকি, জোমি ও হামার সম্প্রদায়ের মোট ৮টি জঙ্গি সংগঠন রয়েছে। এই সংগঠনগুলি বর্তমানে ‘সাসপেনশন অফ অপারেশনস (SoO)’ চুক্তির আওতায় রয়েছে (Manipur)। মণিপুরের মুখ্য সচিবকে পাঠানো এক নোটিশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানতে চেয়েছে, কীভাবে একজন মায়ানমারের নাগরিক ভারতীয় পাসপোর্ট পেলেন, কীভাবেই বা তিনি বছরের পর বছর ভারতে বসবাস করছেন (Indian Passport)।

    মায়ানমারের চিন রাজ্যের বাসিন্দা

    নোটিশে বলা হয়েছে, “থাংগালিয়ানপাউ গুইটে মায়ানমারের চিন রাজ্যের টনজাং টাউনশিপের পাংমুয়াল গ্রামের বাসিন্দা। ১৯৯০ সালে তিনি জোমি ন্যাশনাল কংগ্রেস (ZNC) দলের প্রার্থী হিসেবে মায়ানমারের এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরে গ্রেফতারের আশঙ্কায় মায়ানমার থেকে পালিয়ে যান।” বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারত–মায়ানমার সীমান্তে বেড়া নির্মাণ এবং এফএমআর বাতিল করা কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন। সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ জোরদার না হলে উত্তর–পূর্ব ভারতের নিরাপত্তা আরও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে মত নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের।

    চূড়াচাঁদপুর জেলায় বসবাস করছেন

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, থাঙ্গালিয়ানপাউ গুইটে ১৯৯৫ সাল থেকে মণিপুরের চূড়াচাঁদপুর জেলায় বসবাস করছেন। এর পর তিনি আর জন্মভূমি মায়ানমারে যাননি। বর্তমানে তাঁর কাছে বৈধ ভারতীয় পাসপোর্ট এবং ভোটার আইডি রয়েছে (Manipur)। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, থাঙ্গালিয়ানপাউ গুইটে এবং তাঁর পরিবারের সকল সদস্য মণিপুরের ভোটার। এর অর্থ হল, তিনি শুধু দীর্ঘদিন ভারতে বসবাসই করছেন না, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায়ও অংশ নিয়েছেন (Indian Passport)। এদিকে, ভারত সরকার মায়ানমার সীমান্ত ঘিরে কাঁটাতার বসানোর কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। মোট ১,৬৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ভারত-মায়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্তে আগামী ১০ বছরের মধ্যে ‘নো কাট, নো ক্লাইম্ব’ ধরনের নিরাপত্তা বেড়া বসানো হবে (Manipur)।

    ৪২ হাজার মায়ানমারের নাগরিক চিহ্নিত

    ২০২৪ সালের মার্চ মাসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটি ভারত-মায়ানমার সীমান্তে কাঁটাতার বসানো এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় রাস্তা নির্মাণের জন্য ৩১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের অনুমোদন দেয়। এদিকে, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৪২ হাজার মায়ানমারের নাগরিককে চিহ্নিত করেছে। এদের অধিকাংশই বর্তমানে মিজোরাম এবং মণিপুরের পার্বত্য জেলাগুলিতে বসবাস করছেন বলে খবর (Indian Passport)। সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতেই এই পদক্ষেপগুলি করা হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে (Manipur)।

  • PM Modi: খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তারেক রহমানকে সমবেদনা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তারেক রহমানকে সমবেদনা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তথা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে (Tarique Rahman) শোকবার্তা পাঠিয়েছেন। তাতে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, এই শোকের সময়ে তাঁর চিন্তা বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে রয়েছে। খালেদা জিয়ার মৃত্যু এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি করলেও তাঁর রাজনৈতিক দর্শন ও উত্তরাধিকার ভবিষ্যতেও স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তারেককে পাঠানো শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “আপনার মা, বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপার্সন, মহামান্য বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণের সংবাদে আমি গভীরভাবে শোকাহত। এই গভীর ব্যক্তিগত ক্ষতির সময়ে আমার আন্তরিক সমবেদনা গ্রহণ করুন। ঈশ্বর তাঁর আত্মাকে চিরশান্তি দান করুন।”

    বাংলাদেশে জয়শঙ্কর (PM Modi)

    এরই মধ্যে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বুধবার খালেদা জিয়ার জানাজায় ভারতের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাঠানো শোকবার্তাটি সরাসরি তারেকের হাতে তুলে দেন। খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশটির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর নেতৃত্ব, রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচিত তারেককে পাঠানো চিঠিতে খালেদার অবদান ও নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসাও করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। ওই চিঠিতে তিনি ২০১৫ সালের জুন মাসে ঢাকা সফরের সময় খালেদার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ ও আলোচনার কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন অসাধারণ দৃঢ়তা ও অটল বিশ্বাসসম্পন্ন এক নেত্রী, যাঁর নেতৃত্ব দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে (Tarique Rahman)। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর মঙ্গলবার প্রয়াত হন খালেদা। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি শক্তিশালী ও প্রভাবশালী নাম। তাঁরই পুত্র তারেক বর্তমানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন (PM Modi)।

    মোদির স্মৃতিচারণ

    প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে খালেদা জিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করতেও তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছেন। চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে জানান, খালেদার আদর্শ ও মূল্যবোধ তাঁর পুত্র রহমানের হাত ধরেই এগিয়ে যাবে। সেই আদর্শ ভারত ও বাংলাদেশের গভীর, ঐতিহাসিক অংশীদারিত্বকে আরও সমৃদ্ধ করবে এবং দু’দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন ভবিষ্যতেও দুই দেশের জনগণের জন্য একটি দিশা হিসেবে কাজ করবে (PM Modi)। শোকবার্তায় তিনি খালেদা জিয়াকে দৃঢ় সংকল্প ও অটল বিশ্বাসের বিরল নেতৃত্বের প্রতীকও বলে উল্লেখ করেন (Tarique Rahman)।

    প্রধানমন্ত্রী যা বললেন

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০১৫ সালের জুন মাসে ঢাকায় বেগম সাহেবার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ ও আলোচনা আমি উষ্ণতার সঙ্গে স্মরণ করি। তিনি ছিলেন এক বিরল দৃঢ়তা ও প্রত্যয়ের অধিকারী নেত্রী। বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর একটি বিশেষ জায়গা রয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।” শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, খালেদার প্রয়াণে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। তবে তাঁর আদর্শ ও রাজনৈতিক উত্তরাধিকার চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিএনপির বর্তমান নেতৃত্বের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার আদর্শ আগামী দিনেও বহন করা হবে (Tarique Rahman)।প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, “আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আপনার দক্ষ নেতৃত্বে তাঁর আদর্শ এগিয়ে যাবে এবং ভারত ও বাংলাদেশের গভীর ও ঐতিহাসিক অংশীদারিত্বকে আরও সমৃদ্ধ করতে পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে। এটি দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন দিশার সূচনা করবে।” খালেদার রাজনৈতিক জীবন, তাঁর নেতৃত্ব এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা দুই দেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেও মনে করছে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক মহল।

    রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

    এদিকে, বুধবার ঢাকার শেরেবাংলা নগরে স্বামী প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে খালেদাকে। দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর মঙ্গলবার ৮০ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন খালেদা। তাঁর প্রয়াণে দেশজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। শেষ বিদায়ে শ্রদ্ধা জানাতে শেরেবাংলা নগরে জড়ো হন হাজার হাজার মানুষ। এঁদের মধ্যে যেমন ছিলেন রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, তেমনই ছিলেন সাধারণ মানুষ (Tarique Rahman)। বাংলাদেশের রাজনৈতিক (PM Modi) ইতিহাসে এক প্রভাবশালী ও শক্তিশালী নেতৃত্ব হিসেবে খালেদা তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সামরিক শাসনের পর গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক। তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে অন্যতম প্রভাবশালী মহিলা নেত্রী।

    বাংলাদেশিদের পাশে মোদি

    অন্যদিকে, খালেদার মৃত্যুতে বাংলাদেশিদের উদ্দেশেও শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ওই শোকবার্তায় তিনি বলেন, “এই জাতীয় শোকের মুহূর্তে আমার সহানুভূতি বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে রয়েছে। ইতিহাসজুড়ে তারা অসাধারণ শক্তি ও মর্যাদার পরিচয় দিয়েছে। আমি নিশ্চিত, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ঐতিহ্য এবং জাতীয় ঐক্যের শক্তিতে তারা শান্তি ও সম্প্রীতির পথে এগিয়ে যাবে।” শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদি আরও বলেন (PM Modi), “দয়া করে আমার আন্তরিক সমবেদনা গ্রহণ করুন। আমি সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন এই কঠিন সময়ে আপনাদের পরিবারকে শক্তি ও ধৈর্য দান করেন। ভবিষ্যতের সকল উদ্যোগে আমি আপনাদের সাফল্য কামনা করি।” প্রসঙ্গত, খালেদার মৃত্যু শুধু একটি রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়, বরং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বন্ধ হয়ে গেল বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের (Tarique Rahman)।

  • PM Modi: সমৃদ্ধ ভারত গঠনের আহ্বান, দেশবাসীর সুস্থ জীবন প্রার্থনা করলেন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি

    PM Modi: সমৃদ্ধ ভারত গঠনের আহ্বান, দেশবাসীর সুস্থ জীবন প্রার্থনা করলেন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাগত ২০২৬! নতুন বছরে পা রাখল বিশ্ব। পৃথিবীর নানা প্রান্তে যখন নতুন বর্ষবরণের আনন্দ, সেই সময়ে দেশের মানুষকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi Wishing New Year) ও রাষ্ট্রপতি (President of India) দ্রৌপদী মুর্মু। দেশকে আরও শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করার বার্তা দিলেন। দেশবাসীর উন্নতিতে প্রার্থনা করলেন। আহ্বান জানালেন সমৃদ্ধ ভারত গঠনের।

    প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতির বার্তা

    নতুন বছরের শুভেচ্ছা বার্তায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu) ভারতে এবং ভারতের বাইরে বসবাসকারী সকল ভারতীয়কে (Indian) শুভেচ্ছা জানান। তিনি জানান, “নতুন বছর শক্তির পুণর্নবীকরণ এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতীক। একই সঙ্গে এটি আত্ম দর্শনের এবং নতুন সংকল্পেরও সুযোগ এনে দেয়। এই অবসরে জাতির উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি এবং প্রকৃতির রক্ষায় আমাদের প্রতিশ্রুতিকে আমরা আরও শক্তিশালী করি।” নতুন বছরের শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীর জন্য প্রার্থনা করেন, যেন আগামী বছর প্রত্যেকের সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসে। সেই সঙ্গে সকল প্রচেষ্টায় সফলতা ও সকল কার্যপূরণ হয়। তিনি বলেন, “আমাদের সমাজের শান্তি এবং সুখ প্রতিষ্ঠার প্রার্থনা করি। আশা রাখি ২০২৬ আমাদের জীবনে শান্তি, সুখ, সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক এবং আমাদের মধ্যে নতুন শক্তি সঞ্চারিত করুক যাতে আমরা আরও শক্তিশালী এবং সমৃদ্ধ ভারত গড়ে তুলতে পারি। “

    বিশ্বজুড়ে বর্ষবরণ

    নববর্ষের আগের রাত শুরু হতেই বিশ্বজুড়ে মানুষ আতশবাজি, পারিবারিক জমায়েত এবং নতুন বছরের সংকল্পের মাধ্যমে আগামী বছরকে স্বাগত জানানো শুরু করেছিলেন সকলে। পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দের মুহূর্ত ভাগ করে নিয়ে সবাই উদযাপনে মেতে উঠেছিলেন। এই বিশ্বব্যাপী উদযাপনের সূচনা করে প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র কিরিবাতি, যা ক্রিসমাস আইল্যান্ড নামেও পরিচিত। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে এখানেই আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬ সালকে স্বাগত জানানো হয়েছে। মধ্যরাত যত এগিয়ে আসছে, ততই উৎসবের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত হয়ে উঠছে ভারতের নানা শহরও। বড় শহর থেকে শুরু করে ছোট শহর—সর্বত্রই পার্টি, আলোর সাজ, আতশবাজি এবং পারিবারিক ও বন্ধুমহলের জমায়েতে উচ্ছ্বাসের আবহ। হোটেল, রেস্তোরাঁ, ক্লাব ও খোলা প্রাঙ্গণে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। অনেকেই আবার বাড়িতেই প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর পরিকল্পনা করছেন। মন্দিরে প্রার্থনা, বাড়িতে বিশেষ রান্না এবং শুভেচ্ছা বার্তা আদানপ্রদানের মধ্য দিয়ে অনেক পরিবার নতুন বছরের সূচনা করতে চান।

  • India Surpasses Japan: জাপানকে ছাড়িয়ে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হল ভারত

    India Surpasses Japan: জাপানকে ছাড়িয়ে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাপানকে পেছনে ফেলে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়েছে ভারত (India Surpasses Japan)। বর্তমানে ভারতের অর্থনীতির আকার ৪.১৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, আগামী ২.৫ থেকে ৩ বছরের মধ্যেই, অর্থাৎ ২০৩০ সালের মধ্যে, জার্মানিকে ছাড়িয়ে ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে উঠতে চলেছে (Largest Economy)। সরকারের তরফে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ধারাবাহিকভাবে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির ফলে ভারত এখন বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল বড় অর্থনীতির দেশ।

    ভারতের প্রকৃত জিডিপি (India Surpasses Japan)

    চলতি অর্থবর্ষ ২০২৫-২৬-এর দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ভারতের প্রকৃত জিডিপি বৃদ্ধি পেয়েছে ৮.২ শতাংশ, যা প্রথম ত্রৈমাসিকের ৭.৮ শতাংশ এবং আগের অর্থবর্ষের শেষ ত্রৈমাসিকের ৭.৪ শতাংশ বৃদ্ধির হারকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। সরকার প্রকাশিত ২০২৫ সালের সংস্কার-সংক্রান্ত এক পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, “৪.১৮ ট্রিলিয়ন ডলারের জিডিপি নিয়ে ভারত জাপানকে ছাড়িয়ে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। বর্তমান প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে, ২০৩০ সালের মধ্যেই ভারতের জিডিপি ৭.৩ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছতে পারে এবং তখন জার্মানিকে পিছনে ফেলে তৃতীয় স্থানে উঠে আসবে।” বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চিন।

    প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি

    বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিক অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনৈতিক গতি আরও চমকপ্রদ হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি পৌঁছেছে গত ছয় ত্রৈমাসিকের সর্বোচ্চ স্তরে, যা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ভারতের অর্থনৈতিক দৃঢ়তার প্রতিফলন বলে মনে করছে সরকার (India Surpasses Japan)। এই প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে উঠে এসেছে দেশীয় চাহিদা, বিশেষ করে শক্তিশালী বেসরকারি ভোগব্যয় (Largest Economy)। সরকারি বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থাও ভারতের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী। বিশ্বব্যাঙ্ক ২০২৬ সালে ভারতের প্রবৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। এদিকে মুডিজ জানিয়েছে, ভারত ২০২৬ সালে ৬.৪ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ৬.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে জি-২০ দেশগুলির মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হিসেবেই থাকবে।

    আইএমএফের বক্তব্য

    আইএমএফ (আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল) ২০২৫ সালের জন্য ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৬.৬ শতাংশ এবং ২০২৬ সালের জন্য ৬.২ শতাংশ করেছে। অন্যদিকে, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা ২০২৫ সালে ৬.৭ শতাংশ এবং ২০২৬ সালে ৬.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে। এছাড়াও, স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড পুওরস চলতি অর্থবর্ষে ৬.৫ শতাংশ এবং আগামী অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাঙ্ক (ADB) ২০২৫ সালের জন্য ভারতের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.২ শতাংশ করেছে। শক্তিশালী ভোক্তা চাহিদার কারণে ফিচ (Fitch) ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.৪ শতাংশ করেছে।

    সরকারি বিবৃতি

    সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বড় অর্থনীতিগুলির অন্যতম এবং এই গতি বজায় রাখার জন্য দেশটি যথেষ্ট শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। ২০৪৭ সালে, স্বাধীনতার শতবর্ষে, উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে ভারত অর্থনৈতিক (Largest Economy) প্রবৃদ্ধি, কাঠামোগত সংস্কার এবং সামাজিক উন্নয়নের শক্ত ভিত্তির ওপর এগিয়ে চলেছে ((India Surpasses Japan))।” বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, মূল্যস্ফীতি বর্তমানে সহনশীলতার নিম্ন সীমার নীচে রয়েছে, বেকারত্ব ক্রমহ্রাসমান ধারায় রয়েছে এবং রফতানি খাতে পারফরম্যান্সের ধারাবাহিক উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এছাড়া, অনুকূল রয়েছে আর্থিক পরিস্থিতি। বাণিজ্যিক খাতে ঋণপ্রবাহ শক্তিশালী রয়েছে এবং শহুরে ভোগব্যয় আরও জোরদার হওয়ায় সামগ্রিক চাহিদাও রয়েছে স্থিতিশীল।

  • Filmmakers: ‘ব্যাটল অব গালওয়ান’ নিয়ে বিতর্ক, কী বলল ভারত?

    Filmmakers: ‘ব্যাটল অব গালওয়ান’ নিয়ে বিতর্ক, কী বলল ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনা সংবাদমাধ্যমের তরফে সালমান খান অভিনীত (Filmmakers) চলচ্চিত্র ব্যাটল অব গালওয়ান’কে (Galwan Film) “তথ্য বিকৃতি”র অভিযোগ তোলা হয়েছে। তার পরেই ভারত সাফ জানিয়ে দিল, দেশে শিল্পীসত্তার স্বাধীনতা রয়েছে এবং সেই স্বাধীনতা প্রয়োগ করেই চলচ্চিত্র নির্মাতাদের ছবি বানানোর অধিকার আছে। উল্লেখ্য, ছবিটির পটভূমি ২০২০ সালের গালওয়ান উপত্যকায় প্রথমে বোলা সংসা নেল সংঘর্ষ। সেই ঘটনায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর ১৬ বিহার রেজিমেন্টের জওয়ানদের সঙ্গে চিনা সেনার ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়। ছবিটি সাংবাদিক শিব অরুর ও রাহুল সিংহের লেখা ‘ইন্ডিয়াজ মোস্ট ফিয়ারলেস ৩’  বইয়ের একটি গল্প অবলম্বনে নির্মিত।

    মতপ্রকাশের স্বাধীনতাসম্পন্ন দেশ (Filmmakers)

    এই ছবিতে সালমান খান অভিনয় করেছেন কর্নেল বিক্কুমল্লা সন্তোষ বাবুর ভূমিকায়। তিনি ছিলেন ১৬ বিহার রেজিমেন্টের কমান্ডিং অফিসার। গালওয়ান সংঘর্ষে অনুপ্রবেশকারী পিপলস লিবারেশন আর্মি (PLA)-র সেনাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে শহিদ হন। ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেছে যে, ওই নৃশংস সংঘর্ষে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ২০ জন জওয়ানের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে, চিন প্রথমে কোনও প্রাণহানির কথা অস্বীকার করলেও, পরে দাবি করে যে, তাদের চারজন সেনা নিহত হয়েছেন – যা প্রকৃত সংখ্যাকে গুরুতরভাবে খাটো করে দেখানোর অভিযোগ রয়েছে (Filmmakers)। ভারত একটি মতপ্রকাশের স্বাধীনতাসম্পন্ন দেশ এবং সেই স্বাধীনতার অবিচ্ছেদ্য অংশ হল চলচ্চিত্রের মাধ্যমে (Galwan Film) শিল্পীসত্তার প্রকাশ। ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতারা তাঁদের শিল্পীসত্তার স্বাধীনতা অনুযায়ী ছবি নির্মাণে সম্পূর্ণ স্বাধীন – এমনটাই জানিয়েছে একটি সূত্র।

    শিল্পীসত্তার স্বাধীনতা

    ওই সূত্র জানিয়েছে, “ভারত এমন একটি দেশ যেখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে এবং সিনেমার মাধ্যমে প্রকাশ সেই স্বাধীনতারই অঙ্গ। ভারতীয় নির্মাতারা এই শিল্পীসত্তার স্বাধীনতার ভিত্তিতেই চলচ্চিত্র তৈরি করতে পারেন।” সূত্রটি আরও জানিয়েছে, “এই নির্দিষ্ট ছবিটি নিয়ে কারও যদি কোনও আপত্তি বা প্রশ্ন থাকে, তবে তাঁরা ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা চাইতে পারেন। এই ছবির সঙ্গে সরকারের কোনও ভূমিকা নেই (Filmmakers)।” এদিকে, সংঘর্ষের ঘটনার পর ভারত ও চিনের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। লাদাখের লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC) বরাবর গালওয়ান উপত্যকার কাছে সেনা মোতায়েন করে ভারতীয় সেনাবাহিনী (Galwan Film)। পাশাপাশি সম্ভাব্য চিনা আগ্রাসন ঠেকাতে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও সমীক্ষামূলক কার্যকলাপও জোরদার করা হয়।

    গ্লোবাল টাইমসের প্রতিবেদন

    চিনের রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত সংবাদপত্র গ্লোবাল টাইমসে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০২০ সালের জুন মাসে গালওয়ান সংঘর্ষের যে চিত্র চলচ্চিত্রে দেখানো হয়েছে, তা বাস্তব ঘটনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “বলিউডের ছবিগুলি মূলত বিনোদননির্ভর এবং আবেগপ্রবণ উপস্থাপনা করে। কিন্তু কোনও মাত্রার সিনেম্যাটিক অতিরঞ্জন ইতিহাসকে বদলাতে পারে না, কিংবা চিনের সার্বভৌম ভূখণ্ড রক্ষায় পিপলস লিবারেশন আর্মি (PLA)-এর দৃঢ় সংকল্পকে টলাতে পারে না।”তবে গ্লোবাল টাইমসের ওই প্রতিবেদনে ভুলভাবে দাবি করা হয়েছে যে গালওয়ান উপত্যকা লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলের চিনা অংশে অবস্থিত (Galwan Film)। পাশাপাশি, ২০২০ সালের জুনের সংঘর্ষের জন্য ভারতের ওপর দায় চাপিয়ে বলা হয়েছে যে ভারতীয় সেনারাই এলএসি অতিক্রম করে সংঘর্ষে উসকানি দেয়—যা ভারত বারবার অস্বীকার করে এসেছে (Filmmakers)।

  • Saudi Aramco: দক্ষিণ ভারতে বড় বিনিয়োগের প্রস্তুতি সৌদি আরামকোর

    Saudi Aramco: দক্ষিণ ভারতে বড় বিনিয়োগের প্রস্তুতি সৌদি আরামকোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ভারতে বড় বিনিয়োগের প্রস্তুতি সৌদি আরামকোর। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কর্পোরেট সংস্থা এবং সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থা সৌদি আরামকো (Saudi Aramco) দক্ষিণ ভারতে একটি বড় বিনিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মাধ্যমে ভারতের বাজারে (BPCL) দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ নিতে চলেছে সংস্থাটি। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি বিপণন সংস্থা ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (BPCL)-এর একটি নতুন রিফাইনারি প্রকল্পে ২০ শতাংশ অংশীদারি কিনতে চলেছে সৌদি আরামকো। এই বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। এছাড়াও, অয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেড এবং একাধিক ব্যাঙ্কের একটি কনসোর্টিয়ামও এই প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

    বিপিসিএল (Saudi Aramco)

    বিপিসিএল অন্ধ্রপ্রদেশের নেল্লোর জেলার রামায়্যাপত্তনম বন্দরের কাছে একটি বৃহৎ রিফাইনারি ও পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স গড়ে তুলছে। এই প্রকল্পের প্রাথমিক বিনিয়োগ ধরা হয়েছে প্রায় ৯৬ হাজার কোটি টাকা, যদিও মোট নির্মাণ ব্যয় ১ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে অনুমান। যদিও সৌদি আরামকো বা বিপিসিএল – কেউই এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেনি, তবে সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার ইতিমধ্যেই প্রায় ৬,০০০ একর জমি প্রকল্পটির জন্য হস্তান্তর করেছে (BPCL)।

    জ্বালানির চাহিদা পূরণ

    এই রিফাইনারি প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হল ভারতের ক্রমবর্ধমান দেশীয় জ্বালানির চাহিদা পূরণ করার পাশাপাশি পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের রফতানি বৃদ্ধি করা। প্রস্তাবিত এই রিফাইনারিটির বার্ষিক (Saudi Aramco) প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা হবে ৯ থেকে ১২ মিলিয়ন টন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, অয়েল ইন্ডিয়া এই প্রকল্পে ১০ শতাংশ অংশীদারি রাখবে, আর ব্যাঙ্কগুলির সম্মিলিত অংশীদারি হতে পারে ৪ থেকে ৫ শতাংশ। অন্যদিকে, বিপিসিএল কৌশলগত ও আর্থিক বিনিয়োগকারীদের কাছে মোট ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ শেয়ার বিক্রির পরিকল্পনা করছে বলে সূত্রের খবর।

    সৌদি আরামকো

    জানা গিয়েছে, সৌদি আরামকো গুজরাটে অয়েল অ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস কর্পোরেশন (ONGC)-এর উদ্যোগে গড়ে উঠতে চলা একটি নতুন রিফাইনারি প্রকল্পে বিনিয়োগের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে। এই উদ্যোগটি ভারতে সৌদি আরামকোর দীর্ঘমেয়াদি ও বিস্তৃত বিনিয়োগ পরিকল্পনারই একটি অংশ (BPCL)। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি সংস্থা সৌদি আরামকো ঘোষণা করেছিল, তারা ধাপে ধাপে ভারতে সর্বোচ্চ ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার  বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। সেই ঘোষণার ধারাবাহিকতায় এই নতুন বিনিয়োগ সম্ভাবনাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল (Saudi Aramco)।

    জ্বালানি সহযোগিতা জোরদার করা

    প্রসঙ্গত, গত বছরের এপ্রিল মাসে সৌদি আরব সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জ্বালানি সহযোগিতা জোরদার করা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছিলেন। বহু দশক ধরে সৌদি আরামকো ভারতের অন্যতম প্রধান অপরিশোধিত তেল সরবরাহকারী হিসেবে কাজ করে আসছে। সংস্থাটির অত্যাধুনিক পরিশোধন প্রযুক্তি ভারতের অংশীদারদের জন্য উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তিগত ও পরিচালনাগত সুবিধা এনে দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে (BPCL)।

    অন্যদিকে, ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (BPCL) বর্তমানে ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল বিপণন সংস্থা। গত অর্থবর্ষের হিসেব অনুযায়ী সংস্থাটির দখলে রয়েছে ২৭.৪৪ শতাংশ বাজার। চলতি অর্থবর্ষের সেপ্টেম্বর মাসে শেষ হওয়া দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে বিপিসিএল ৬,৪৪৩ কোটি টাকা মুনাফা লুটেছে। সংস্থাটি কেরলের কোচি, মহারাষ্ট্রের মুম্বই এবং মধ্যপ্রদেশের বিনা – এই তিনটি বড় পরিশোধনাগার পরিচালনা করে (Saudi Aramco)।

  • Amit Shah: “ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার কুর্সিতে বসবে বিজেপি”, প্রত্যয়ী শাহ

    Amit Shah: “ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার কুর্সিতে বসবে বিজেপি”, প্রত্যয়ী শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার কুর্সিতে বসবে বিজেপি।” মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনদিনের সফরে সোমবার রাতেই কলকাতায় (TMC) এসেছেন তিনি। বছর ঘুরলেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার নির্বাচন। তার আগে এ রাজ্যে দলের সাংগঠনিক হালহকিকত বুঝতে বঙ্গ সফরে এসেছেন তিনি। এই সফরে মঙ্গলবার বাংলায় যে এবার বিজেপি আসছে, তা জানিয়ে দিলেন শাহ। তাঁর গলায় ঝরে পড়ল প্রত্যয়।

    জমি দিচ্ছে না রাজ্য (Amit Shah)

    কেন্দ্রীয় সরকার কী কী উন্নয়ন করেছে, এদিন তারও ফিরিস্তি দেন শাহ। তবে তার সবগুলিরই যে রাজ্যের তৃণমূল সরকার বিরোধিতা করেছে, তাও জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অনুপ্রবেশকারীদের রুখতে রাজ্য সরকার জমি দিচ্ছে না বলেও অনুযোগ করেন শাহ। তাঁর মতে, সেই কারণেই শেষ করা যাচ্ছে না সীমান্তে বেড়া দেওয়ার কাজ। তাই বেনো জলের মতো এ রাজ্যে ঢুকে পড়ছে অনুপ্রবেশকারীরা। পুলিশ-প্রশাসন দেখেও নিশ্চুপ। আর বিএসএফ কী করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। তিনি বলেন, “অসম এবং ত্রিপুরায় অনুপ্রবেশ বন্ধ হলেও, এ রাজ্যে কেন হচ্ছে না? আসলে বাংলার জনবিন্যাসে বদল আনতেই সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য রাজ্যের তরফে জমি দেওয়া হচ্ছে না।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বাংলার সীমান্ত দিয়ে যে অনুপ্রবেশ হচ্ছে, তা শুধু বাংলার বিষয় নয়। এটি পুরো দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্ন। এমন (Amit Shah) মজবুত সরকার এখানে আনুন, যারা এখানে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করে দেবে।”

    তোলাবাজির প্রসঙ্গ

    তিনি বলেন, “আগে সমস্ত উন্নয়নমূলক কাজের সূচনা হত এই বাংলা থেকেই। আজ তোলাবাজির কারণে এ রাজ্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন শিল্পপতিরা (TMC)।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “কামানোর অধিকার এখানে রয়েছে একমাত্র ভাইপোর। আর কারও অধিকার নেই। শিল্প ক্ষেত্রে বাংলা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। তা আপনার আমলে হয়েছে। বামেরা অর্ধেক শেষ করে গিয়েছিল। আপনি পুরোটা শেষ করে দিয়েছেন।” তিনি বলেন, “আজ মমতার নেতৃত্বে পুরো বাংলার বিকাশ থমকে গিয়েছে। মোদির সব যোজনা পুরো দেশে গরিবের উন্নয়ন করছে, এখানে সিন্ডিকেট চলছে। ১৪ বছর ধরে ভয় ও দুর্নীতি বাংলার পরিচয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিজেপি সরকারের সঙ্কল্প, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ এর পর যখন বিজেপির সরকার হবে, তখন বাংলার সংস্কৃতি ফেরানোর চেষ্টা করব (Amit Shah)।” তিনি বলেন, “দেশের যেখানে যেখানে এনডিএ, বিজেপির সরকার রয়েছে, সেখানে গরিবদের উন্নয়নকে প্রাথমিকভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এখানেও দেব। বন্ধ করব অনুপ্রবেশ। শুধু তাই নয়, অনুপ্রবেশকারীদের ধরে একে একে দেশ থেকে বের করে দেবে বিজেপি (TMC)।”

    কংগ্রেস বিগ জিরো

    বিজেপির সেকেন্ড ইন কমান্ড শাহ বলেন, “ছাব্বিশের বাংলায় বিজেপিরই সরকার হবে। এর মজবুত আধার বিজেপির কাছে রয়েছে। ২০১৪ সালে ১৭ শতাংশ ভোট ও মাত্র ২টি আসন পেয়েছিলাম। পাঁচ বছর পরে আমরাই ৭৭টি আসনে জিতেছি। আর কংগ্রেস বিগ জিরো হয়েছে। বামফ্রন্টও একটাও আসন পায়নি। এ রাজ্যে আমরা প্রধান বিরোধী দল হয়েছি, শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী দলনেতা (Amit Shah)। ২০২৪ সালে ১২টি আসন পেয়েছি। আর ছাব্বিশে প্রচণ্ড বহুমতের সঙ্গে বিজেপির সরকার হবে। ২৪ সালে টানা তৃতীয়বারের জন্য মোদি প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, বিহার এবং দিল্লিতে বিজেপির সরকার হয়েছে। ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশেও বিজেপি বা এনডিএর সরকার হয়েছে। আমার বিশ্বাস, ছাব্বিশের ভোটেও বাংলায় বিজেপির সরকার হবে।”

    মতুয়াদেরও আশ্বাস

    মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরকে পাশে নিয়েই শাহ বলেন, “মতুয়াদের ভয়ের কোনও কারণ নেই। যাঁরা শরণার্থী হয়ে বাংলায় এসেছেন, তাঁদের ক্ষতি কেউ করতে পারবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও পারবেন না (TMC)। তাঁদের সকলকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।” শাহ বলেন, “ছাব্বিশ সালের ভোট হবে মূলত অনুপ্রবেশ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ভোট।” দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “তৃণমূলের একাধিক নেতা ও মন্ত্রীর বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। আপনারা বলছেন বাংলায় দুর্নীতি নেই? নিয়োগ দুর্নীতি থেকে পুরসভা পর্যন্ত সর্বত্রই কেলেঙ্কারির ছায়া।”

    মন্দির-মসজিদ রাজনীতি

    মন্দির-মসজিদ রাজনীতির প্রসঙ্গ টেনে শাহ বলেন, “বাংলায় মন্দির-মসজিদের রাজনীতি করছে কে? তৃণমূল থেকে বেরিয়ে যাওয়া এক বিধায়ক এবং তৃণমূল নিজে (Amit Shah)।” তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় এটা যে করা ঠিক হয়নি, বাংলার মানুষকে তা বুঝতে হবে।মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়েও রাজ্য সরকারকে তোপ দাগেন শাহ। আরজি কর, দুর্গাপুর মেডিক্যাল কলেজ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নারী নির্যাতনের ঘটনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “তৃণমূল সরকার বাংলার মানুষকে (TMC) সুশাসন দিতে ব্যর্থ (Amit Shah)।”

  • Santhali Language: ঝাড়খণ্ডে অলচিকি লিপির শতবর্ষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    Santhali Language: ঝাড়খণ্ডে অলচিকি লিপির শতবর্ষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) জামশেদপুরে অনুষ্ঠিত হল ২২তম পারসি মহা সম্মেলনের সমাপ্তি অনুষ্ঠান। একই সঙ্গে পালিত হল সাঁওতালি ভাষার (Santhali Language) ‘অলচিকি’ লিপির শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠান। উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ভাষণ দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি মাতৃভাষার গুরুত্বের ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি বলেন, অন্যান্য ভাষা শেখা অবশ্যই প্রয়োজনীয়। তবে নিজের মাতৃভাষা শেখা এবং তা চর্চা করা প্রত্যেক মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    মাতৃভাষার গুরুত্ব (Santhali Language)

    রাষ্ট্রপতি সাঁওতালি ভাষায় বক্তব্য রাখেন। বলেন, “সব ভাষা শেখায় কোনও ক্ষতি নেই। কিন্তু কখনওই নিজের মাতৃভাষাকে ভুলে যাওয়া উচিত নয়। নিজের মানুষের সঙ্গে কথা বলার সময় সব সময় মাতৃভাষায়ই কথা বলার চেষ্টা করা উচিত।” রাষ্ট্রপতি সাঁওতালি ভাষার অলচিকি লিপির স্রষ্টা পণ্ডিত রঘুনাথ মুর্মুকেও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, সাঁওতালিদের নিজস্ব ভাষা থাকা সত্ত্বেও ১৯২৫ সালের আগে উপযুক্ত লিপির অভাবে বিভিন্ন লিপি ব্যবহার করতে হত। এর ফলে অলচিকি ব্যতীত অন্য লিপিতে বহু সাঁওতালি শব্দের সঠিক উচ্চারণ করা সম্ভব হত না। তিনি বলেন, অলচিকি লিপি শুধু একটি লিখন পদ্ধতি নয়, এটি সাঁওতালি সমাজের সাংস্কৃতিক পরিচয় ও আত্মমর্যাদার প্রতীক। এই লিপির শতবর্ষ উদযাপন সাঁওতালি ভাষা ও সংস্কৃতির সংরক্ষণে এক গুরুত্বপূর্ণ (Santhali Language)  মাইলফলক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    আদিবাসী সমাজের জাগরণ

    রাষ্ট্রপতি বলেন, অলচিকি লিপি চালু হওয়ার পর থেকে এটি সাঁওতালি জনগোষ্ঠীর পরিচয়ের এক শক্তিশালী প্রতীকে পরিণত হয়েছে। সাঁওতালি ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে এই লিপির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Jharkhand)। তিনি জানান, সম্প্রতি তিনি অলচিকি লিপিতে লেখা সাঁওতালি ভাষায় ভারতের সংবিধান প্রকাশ করার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এর ফলে সাঁওতালি ভাষাভাষী মানুষরা এবার তাঁদের মাতৃভাষায় ভারতের সংবিধান পড়তে ও বুঝতে পারবেন, যা গণতান্ত্রিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিশেষ সহায়ক (Santhali Language) হবে। আদিবাসী সমাজের জাগরণকে একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এই সম্প্রদায়গুলিকে সচেতন করার ক্ষেত্রে লেখক ও সাহিত্যিকদের বড় ভূমিকা রয়েছে। তিনি লেখকদের তাঁদের লেখনীর মাধ্যমে আদিবাসী সমাজকে জাগ্রত করার আহ্বানও জানান (Jharkhand)।

    আদিবাসী সমাজের প্রশংসায় পঞ্চমুখ

    রাষ্ট্রপতি জানান, কেন্দ্রীয় সরকার বিশেষভাবে সংবেদনশীল আদিবাসী গোষ্ঠীর উন্নয়নের জন্য ২৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এই অর্থ আদিবাসী সমাজের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেই আশা তাঁর (Santhali Language)। পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনের জন্য আদিবাসী সমাজের প্রশংসায়ও পঞ্চমুখ রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে হবে ঠিকই, তবে সেই সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টিকেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল সন্তোষ কুমার গঙ্গওয়ার এবং মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে পণ্ডিত রঘুনাথ মুর্মু ১৯২৫ সালে শুরু করা ঐতিহাসিক অল চিকি আন্দোলনের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন করা হয় (Santhali Language)। দিনের পরবর্তী পর্বে রাষ্ট্রপতি জামশেদপুরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির ১৫তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানেও যোগ দেন।

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে তিন দিনের ঝাড়খণ্ড সফরে রয়েছেন রাষ্ট্রপতি। রবিবার তিনি পৌঁছন ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচিতে। সফরের শেষ দিন (Jharkhand), আজ মঙ্গলবারে গুমলায় আন্তঃরাজ্য জনসাংস্কৃতিক সমাগম সমারোহ–কার্তিক যাত্রা অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার কথা (Santhali Language) রয়েছে তাঁর।

  • Rajasthan: ভারতেই মিলল লিথিয়ামের বৃহত্তম ভাণ্ডারের খোঁজ, পরিমাণ কত জানেন?

    Rajasthan: ভারতেই মিলল লিথিয়ামের বৃহত্তম ভাণ্ডারের খোঁজ, পরিমাণ কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের খনিজ মানচিত্রে যুক্ত হল এক ঐতিহাসিক মাইল ফলক। রাজস্থানের (Rajasthan) নাগৌর জেলার দেগানা অঞ্চলে বিপুল পরিমাণ লিথিয়ামের (Lithium) সন্ধান মিলেছে। এই আবিষ্কার ভারতের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই অভিমত বিশেষজ্ঞদের। কারণ, এর ফলে লিথিয়ামের জন্য চিনের ওপর ভারতের দীর্ঘদিনের নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে।লিথিয়াম ভাণ্ডারের খবর প্রকাশ্যে আসতেই দ্রুত পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্রীয় খনিমন্ত্রক। ইতিমধ্যেই ওই অঞ্চলে খনিজ উত্তোলনের জন্য নিলাম প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। সরকারি সূত্রের অনুমান, এটি হতে পারে ভারতে এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে বড় লিথিয়াম ভাণ্ডার।

    কত লিথিয়াম মিলেছে দেগানায়?

    ভারতীয় ভূতাত্ত্বিক সমীক্ষা সংস্থা (GSI)-এর তথ্য অনুযায়ী, দেগানা অঞ্চলে আনুমানিক ১ কোটি ৪০ লাখ টন লিথিয়াম মজুত রয়েছে। এই ভাণ্ডার ভারতের মোট লিথিয়াম চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশ পূরণ করতে সক্ষম হতে পারে বলে অনুমান। বর্তমানে ৭০–৮০ শতাংশ লিথিয়াম আমদানির জন্য চিনের ওপর নির্ভর করতে হয় ভারতকে। দেগানার এই ভাণ্ডার যদি বাণিজ্যিকভাবে সফলভাবে উন্নয়ন করা যায়, তাহলে তা ভারতের খনিজ ও শক্তি নিরাপত্তায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে।

    কেন এত গুরুত্বপূর্ণ লিথিয়াম?

    লিথিয়াম আধুনিক প্রযুক্তির একটি অপরিহার্য কাঁচামাল। বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যাটারি উৎপাদন, শক্তি সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র-সহ বিভিন্ন উচ্চপ্রযুক্তি শিল্পে এই খনিজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতের পরিচ্ছন্ন শক্তি রূপান্তরের ক্ষেত্রে লিথিয়ামকে ‘স্ট্র্যাটেজিক মিনারেল’ হিসেবেই ধরা হয় (Rajasthan)। বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, ডেগানা অঞ্চলে প্রায় ২৬,০০০ মিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত ড্রিলিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এই সমীক্ষা শুধু লিথিয়ামেই সীমাবদ্ধ ছিল না, একই সঙ্গে টাংস্টেন, বিসমাথ, টিন এবং কোবাল্টের মতো অন্যান্য মূল্যবান খনিজের উপস্থিতিও পরীক্ষা করা হয়েছে। এর ফলে রাজস্থানের সামগ্রিক খনিজ সম্ভাবনা নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আবিষ্কার ভারতের খনিজ নিরাপত্তা, বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যাটারি শিল্প এবং ভবিষ্যৎ শক্তি পরিকল্পনার ক্ষেত্রে একটি বড় মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে (Lithium)। রাজস্থানের ডেগানা অঞ্চলের রেভান্ত পাহাড়ে খনিজ অনুসন্ধানের ইতিহাস নতুন নয়। ব্রিটিশ রাজত্বে ১৯১৪ সালে এখানে প্রথম টাংস্টেনের সন্ধান মিলেছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় এই টাংস্টেন ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর কাজে (Rajasthan) ব্যবহৃত হয়। পরবর্তী কয়েক দশক ধরে এলাকাটিতে খনন কার্য চললেও এক পর্যায়ে এসে তা বন্ধ হয়ে যায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে লিথিয়ামের সম্ভাব্য সন্ধান আবারও ডেগানাকে জাতীয় পর্যায়ে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। ডেগানা শুধু রাজস্থানের জন্য নয়, বরং ভারতের ক্রমবর্ধমান খনিজ কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, লিথিয়ামের মজুত পাওয়া গেলে এটি রাজ্যের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।

    দেশের একাধিক রাজ্যেও লিথিয়ামের ভাণ্ডার

    রাজস্থান ছাড়াও দেশের একাধিক রাজ্যে লিথিয়ামের ভাণ্ডার চিহ্নিত হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের রিয়াসি জেলার সালাল-হামানা এলাকায় প্রায় ৫.৯ মিলিয়ন টন লিথিয়াম মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে, যা এখনও পর্যন্ত ভারতের সবচেয়ে বড় সম্ভাব্য ভাণ্ডার হিসেবে বিবেচিত হয়।ছত্তিশগড়ের কোরবা জেলায় ইতিমধ্যেই দেশের প্রথম লিথিয়াম ব্লকের নিলাম সম্পন্ন হয়েছে এবং শীঘ্রই সেখানে খনন কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কর্নাটকের মান্ড্যা জেলায় তুলনামূলকভাবে ছোট হলেও প্রায় ১৪,১০০ টন লিথিয়ামের ভাণ্ডার চিহ্নিত হয়েছে (Rajasthan)।বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ (Lithium) এবং গুজরাটেও লিথিয়ামের সম্ভাবনা রয়েছে বলে ভূতাত্ত্বিক সমীক্ষায় ইঙ্গিত মিলেছে, যদিও এসব রাজ্যে এখনও বাণিজ্যিকভাবে খনন কার্য শুরু হয়নি।

    লিথিয়ামের অভ্যন্তরীণ চাহিদা

    ভারতে বৈদ্যুতিক যান বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হওয়ায় লিথিয়ামের অভ্যন্তরীণ চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গিয়েছে। ব্যাটারি উৎপাদনে লিথিয়াম একটি অপরিহার্য কাঁচামাল হওয়ায় ভবিষ্যতের জ্বালানি কৌশলে এই খনিজের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে (Rajasthan)। ডেগানায় লিথিয়াম খনন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে রাজস্থানের জন্য উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয়ের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলেও আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এই প্রকল্প দেশের আমদানি নির্ভরতা কমাতে, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং বৈশ্বিক লিথিয়াম বাজারে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হতে পারে (Lithium)। বিশেষজ্ঞদের মতে, উৎপাদন শুরু হলে ডেগানার এই প্রকল্প শুধু একটি রাজ্যের নয়, বরং গোটা দেশের খনিজ ও জ্বালানি নীতিতে এক রূপান্তরকারী অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে (Rajasthan)।

LinkedIn
Share