Tag: India

India

  • DRDO: লক্ষ্য যৌথভাবে জেট ইঞ্জিন তৈরি! ফ্রান্সে অফিস খুলছে ডিআরডিও, ঘোষণা যৌথ বিবৃতিতে

    DRDO: লক্ষ্য যৌথভাবে জেট ইঞ্জিন তৈরি! ফ্রান্সে অফিস খুলছে ডিআরডিও, ঘোষণা যৌথ বিবৃতিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু দিনের ফ্রান্স সফর সেরে সংযুক্ত আরব আমির শাহির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবারের ফ্রান্স সফরে এক গুচ্ছ ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, ফান্সেই সুবিধা মিলবে ইউপিআইয়ের। ইউরো ভাঙানোর ঝামেলা পোহাতে হবে না ফ্রান্সে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের। এছাড়াও আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন মোদি। সেটি হল, ফ্রান্সে যে ভারতীয় দূতাবাস রয়েছে, সেখানেই টেকনিক্যাল অফিস চালু হবে ডিআরডিওর (DRDO)। 

    কী রয়েছে যৌথ বিবৃতিতে?

    ভারত-ফ্রান্স যৌথ বিবৃতিতে বলাও হয়েছে সে কথা। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারত যে ৩৬টি রাফাল অর্ডার দিয়েছে, তা সময়ে ডেলিভারি করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছে ভারত ও ফ্রান্স। ভবিষ্যতে তাদের গ্রাউন্ড ব্রেকিং কো-অপারেশনকে প্রসারিত করবে। এও জানানো হয়েছে, ভারত ও ফ্রান্স শুক্রবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অ্যাডভান্সড অ্যারোনটিক্যাল টেকনোলজির ক্ষেত্রে গ্রাউন্ড ব্রেকিং ডিফেন্স কো-অপারেশনকে প্রসারিত করবে। এটা করা হবে যৌথভাবে যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন তৈরির মাধ্যমে।

    সাফরান ও ডিআরডিও

    চলতি বছর শেষের আগেই ফ্রান্সের কোম্পানি সাফরান ও ডিআরডিও এই প্রজেক্টের একটি রোডম্যাপ তৈরি করবে। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের আলোচনায় এদিন এই সিদ্ধান্তও হয়েছে যে, ইন্ডিয়ান মাল্টি রোল হেলিকপ্টারের অধীনে হেভিলিফ্ট হেলিকপ্টার তৈরিতে ভারতকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল সহযোগিতা করা হবে। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারত ও ফ্রান্স এই প্রতিজ্ঞা করছে যে অ্যাডভান্সড ডিফেন্স টেকনোলজির (DRDO) ক্ষেত্রে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে দুই দেশই। তৃতীয় দেশের স্বার্থ বজায় রেখেই এটা করা হবে। তাছাড়া ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল কো-অপারেশনের রোডম্যাপ তৈরিতে একযোগে কাজ করছে দুই দেশই।

    আরও পড়ুুন: ‘ভারত-ফ্রান্স বন্ধুত্ব দীর্ঘজীবী হোক’, মোদির সঙ্গে সেলফি পোস্ট আপ্লুত মাক্রঁর

    শুক্রবারই দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ভারত-ফ্রান্স কৌশলগত অংশীদারিত্বের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘হরাইজন ২০৪৭’ গ্রহণ করেছে। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যেহেতু দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক ১৯৪৭ সাল থেকে, ১৯৯৮ সালে যা আরও মজবুত করা হয়েছিল, সেই থেকে আমরা দুই দেশই নিরবচ্ছিন্নভাবে এক সঙ্গে কাজ করে চলেছি। একটা উচ্চস্তরের বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে তুলছি। প্রসঙ্গত, বাস্তিল দিবস উপলক্ষে ফরাসি সরকারের আহ্বানে দু দিনের (DRDO) ফ্রান্স সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সে দেশের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত করা হয় ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi: ‘ভারত-ফ্রান্স বন্ধুত্ব দীর্ঘজীবী হোক’, মোদির সঙ্গে সেলফি পোস্ট আপ্লুত মাক্রঁর

    PM Modi: ‘ভারত-ফ্রান্স বন্ধুত্ব দীর্ঘজীবী হোক’, মোদির সঙ্গে সেলফি পোস্ট আপ্লুত মাক্রঁর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভারত-ফ্রান্স বন্ধুত্ব দীর্ঘজীবী হোক।’ শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় সেলফি পোস্ট করে এমনই লিখলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ (Emmanuel Macron)। শুধু তাই নয়, পোস্ট করা ছবির নীচে ফরাসি, ইংরেজি এবং হিন্দিতে লেখা হয়েছে ওই ক্যাপশন।

    যৌথ বিবৃতি

    এদিকে, এদিন মাক্রঁর সঙ্গে যৌথ বিবৃতিতে অংশ নেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা আমাদের কৌশলগত অংশীদারিত্বের ২৫ বছর উদযাপন করছি। এর আগের ২৫ বছরের মজবুত ভিত্তির ওপর ভিত্তি করে আগামী ২৫ বছরের রোডম্যাপ তৈরি করছি।” তিনি বলেন, “এজন্য সাহসী ও উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করা হচ্ছে। ভারতের মানুষ নিজেদেরকে একটি উন্নত জাতি হিসেবে গড়ে তোলার সংকল্প নিয়েছে। এই যাত্রায় আমরা ফ্রান্সকে একটি প্রাকৃতিক অংশীদার মনে করি।”

    আত্মনির্ভর ভারত

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রতিরক্ষা বিষয়ক সম্পর্ক অনেকটাই বড়সড় ভূমিকা নিয়েছে। আত্মনির্ভর ভারত ও মেক ইন ইন্ডিয়ার ক্ষেত্রে ফ্রান্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী।” তিনি বলেন, “সাবমেরিন হোক বা ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ, এক সঙ্গে আমরা শুরু আমাদের নয়, অন্যান্য বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের চাহিদাও পূরণ করতে চাই। আমি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রফতানির জন্য ইন্ডিয়ান অয়েল ও ফ্রান্সের টোটাল কোম্পানির মধ্যে দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তিকে স্বাগত জানাই। এটি আমাদের পরিচ্ছন্ন শক্তি পরিবর্তনের লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করবে।”

    ফ্রান্সে ইউপিআই চালুর কথা ঘোষণা করেছে ভারত। এর পাশাপাশি ফ্রান্সে ভারতীয় দূতাবাসে চালু হচ্ছে ডিআরডিওর টেকনিক্যাল অফিস। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারত যে ৩৬টি রাফাল অর্ডার দিয়েছে, তা সময়ে ডেলিভারি করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছে ভারত ও ফ্রান্স। ভবিষ্যতে তাদের গ্রাউন্ড ব্রেকিং কো-অপারেশনকে প্রসারিত করবে।

    দুদিনের ফ্রান্স সফর শেষে শনিবার প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) রওনা দেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহির উদ্দেশে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে এ ব্যাপারে একটি ট্যুইটও করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ভারত-ফ্রান্স সম্পর্কের একটি নয়া অধ্যায় শুরু করে ফ্রান্সকে বিদায় জানালেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী এদিনই আবুধাবির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।

    আরও পড়ুুন: ভারতীয় নৌসেনার জন্য আসছে ২৬টি ‘রাফাল এম’ যুদ্ধবিমান! ঘোষণা কেন্দ্রের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arunachal Pradesh: ‘অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ’, প্রস্তাব পাশ মার্কিন সেনেটে

    Arunachal Pradesh: ‘অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ’, প্রস্তাব পাশ মার্কিন সেনেটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অরুণাচল প্রদেশ (Arunachal Pradesh) ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ’, বৃহস্পতিবার এই মর্মে প্রস্তাব পাশ করল ইউনাইটেড কংগ্রেসনাল সেনেটরিয়ার কমিটি। অরুণাচলে চিনা আগ্রাসনের নিন্দাও করা হয়েছে প্রস্তাবে। এদিন মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষে প্রস্তাবটি পেশ করেন ওরেগেনের ডেমোক্র্যাটিক সেনেটর জেফ মার্কলে, টেক্সাসের রিপাবলিকান সেনেটর জন করনিন এবং টেনেসির রিপাবলিকান সেনেটর বিল হ্যাগার্টি।

    ম্যাকমোহন লাইনকেই মান্যতা

    প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ‘ভারত ও চিনের সীমান্তে থাকা ম্যাকমোহন লাইনকেই মান্যতা দেয় আমেরিকায়। তাই অরুণাচল প্রদেশ ভারতেই।’ চিনের দাবিকে নস্যাৎ করে দিয়েছে এই প্রস্তাব। তাতে বলা হয়েছে, ‘অরুণাচল প্রদেশের একটা বিরাট অংশ তাদের (ভারতে) ভূখণ্ড। ভারতের সেই ভূখণ্ডে ক্রমাগত আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে চিন।’ প্রস্তাবে এও বলা হয়েছে, ‘আমেরিকা সব সময় স্বাধীনতাকেই সমর্থন করে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমেরিকা প্রতিটি দেশের অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বকে মান্যতা দেয়। কিন্তু চিন ঠিক এর উল্টো পথে হাঁটছে।‘

    অরুণাচল চিনের নয়, ভারতের

    সেনেটে চিন বিষয়ক কমিটির প্রধান জেফ মার্কলেও বলেন, “অরুণাচল প্রদেশ (Arunachal Pradesh) ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কমিটি এই প্রস্তাব পাশ করেছে এটা বোঝাতে যে অরুণাচল প্রদেশ যে ভারত সাধারণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ, এটা বোঝাতে। এই ভূখণ্ড পিপলস রিপাবলিক অফ চায়নার নয়। এবং এই প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আমেরিকা এ ব্যাপারে ভারতকে সমর্থন ও প্রয়োজনীয় সাহায্য করবে, যেমনটা আমেরিকা করে সমমনস্ক আন্তর্জাতিক সব দেশের ক্ষেত্রেই।”  

    সেনেটর জন করনিন বলেন, “সীমান্তে ভারত এবং চিনের মধ্যে উত্তেজনা রয়েছে। আমেরিকা সব সময় গণতন্ত্র রক্ষা করতে শক্তিশালী অবস্থান নেবে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশগুলির সাহায্যেই এটা করা হবে।” তিনি বলেন, “অরুণাচল প্রদেশ যে ভারতেরই, চিনের নয়, তা বোঝাতেই পাশ করা হয়েছে প্রস্তাব।” হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি করিনে জিন পিয়ারে বলেন, “অরুণাচল প্রদেশকে (Arunachal Pradesh) দীর্ঘ দিন ধরেই ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে মেনে আসছে আমেরিকা। তাই সেখানে আগ্রাসনের কোনও চেষ্টাই আমরা মেনে নেব না।”

    আরও পড়ুুন: মণিপুর নিয়ে প্রস্তাব পাশ ইইউ পার্লামেন্টে, “ঔপনিবেশিক মানসিকতার প্রতিফলন”, বলল বিদেশমন্ত্রক

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ‘‘বাদ বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র’’! নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদের পক্ষে সওয়াল মোদির

    Narendra Modi: ‘‘বাদ বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র’’! নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদের পক্ষে সওয়াল মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিতে সওয়াল করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র ভারত (India)। কিন্তু রাষ্ট্রসংঘের (United Nations) নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যের তালিকায় নেই তারা। তাহলে তো রাষ্ট্রসংঘের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই মানুষের মনে প্রশ্ন উঠতে পারে!ফরাসি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মন্তব্য মোদির।

    রাষ্ট্রসংঘে স্থায়ী সদস্যপদের দাবি

    ফ্রান্স (France) সফরের আগে সেদেশের প্রথম অর্থনৈতিক সংবাদপত্র ‘লেজেকো’-কে সাক্ষাৎকার দিলেন মোদি (Narendra Modi)। ফরাসি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকরে বিশ্ব রাজনীতিতে ভারতের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে যুদ্ধ নয়, যোগ ও আয়ুর্বেদ চর্চার উপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।  সন্ত্রাস মুক্ত বিশ্বই ভারতের প্রধান লক্ষ্য বলে জানান। দীর্ঘদিন ধরেই রাষ্ট্রসংঘের স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ার দাবি জানিয়েছে ভারত। এবার সরাসরি এই প্রসঙ্গে সরব হলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ভারত। অথচ রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (United Nations Security Council) ভারতের স্থায়ী সদস্যপদ নেই। এখানেই প্রশ্ন থেকে যায়। নিরাপত্তা পরিষদের দাবি, গোটা বিশ্বের হয়েই তারা কথা বলে। কিন্তু সেখানে যদি বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রই না থাকে, তাহলে কি এই দাবিকে যুক্তিসঙ্গত বলা যায়? শুধু বিশ্বাসযোগ্যতা নয়, আরও বড় প্রশ্ন ওঠে রাষ্ট্রসংঘের এহেন আচরণে।”

    বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র ভারত

    বর্তমানে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যভুক্ত দেশগুলি হল আমেরিকা, চিন, রাশিয়া, ফ্রান্স এবং ব্রিটেন। ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য একমাত্র চিন ছাড়া বাকি দেশগুলি সম্মতি দিয়েছে। স্থায়ী সদস্যগুলির মধ্যে যে কোনও একজনের ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা থাকায়, চিনের আপত্তিতে স্থায়ী সদস্যপদ পাইনি ভারত। তবে, ফ্রান্স সফরের আগে প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) স্থায়ী সদস্যপদের সওয়াল, যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র রয়েছে ভারতে। সামাজিক ও আর্থিক ক্ষেত্রে ব্যাপক বৈষম্য থাকা সত্ত্বেও ভারতে গণতন্ত্র বজায় রাখতে পেরেছি আমরা। বৈচিত্র্যের মধ্যেও ঐক্য বজায় রাখা যায়, সেটাই দেখাতে পারে ভারত। সেই কারণেই আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে যোগ্য স্থান দিতে হবে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রকে।”

    আরও পড়ুন: ফ্রান্সের উদ্দেশে রওনা দিলেন নরেন্দ্র মোদি, দুদিনের সফরে কী কী কর্মসূচি রয়েছে?

    সাক্ষাৎকারে ‘পশ্চিমী মূল্যবোধের সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা’ নিয়ে সতর্কতা প্রকাশ করেছেন মোদি (Narendra Modi)। এই নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের প্রতিটি কোণায় দর্শন ও সংস্কৃতির কথা বিবেচনা করতে হবে। পুরনো ধারণা ত্যাগ না করলে পৃথিবী কখনই দ্রুত গতিতে এগিয়ে যেতে পারবে না। পৃথিবী একটাই। কিন্তু এখানে অনেক দর্শন ও দৃষ্টিভঙ্গি আছে।’ পাশাপাশি যোগ ও আয়ুর্বেদের পক্ষেও সওয়াল করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, যোগ আজ একটি পারিবারিক শব্দ। তিনি বলেন, প্রাচীন কাল থেকে ভারতে আয়ুর্বেদ চর্চা হয়েছে আসছে। বিশ্ব জুড়ে যোগ ও আয়ুর্বেদ চর্চাকে ছড়িয়ে দেওয়ার আবেদন জানান তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • UN Report: ভারতে দ্রুত কমছে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা, বলছে রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট

    UN Report: ভারতে দ্রুত কমছে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা, বলছে রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India) দ্রুত কমছে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা। গত ১৫ বছরে দারিদ্র্য-মুক্তি ঘটেছে ৪১.৫ কোটি ভারতবাসীর। মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়েছে রাষ্ট্রসংঘের একটি রিপোর্ট (UN Report)। সেখানেই উঠে এসেছে এই আশার আলোর খবর। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে গ্লোবাল মাল্টি ডাইমেনশনাল পোভার্টি ইনডেক্স। এটি প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রসংঘের ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অক্সফোর্ড পোভার্টি অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ। সেখানেই জানা গিয়েছে ভারতে দ্রুত কমছে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা।

    কমছে দারিদ্র্য

    রাষ্ট্রসংঘের (UN Report) প্রকাশিত রিপোর্টে জানা গিয়েছে, গত ১৫ বছরে ভারত সহ ২৫টি দেশে কমেছে দারিদ্র্য। এর মধ্যে চিন, কম্বোডিয়া, কঙ্গো, হন্ডুরাস, ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, সার্বিয়া এবং ভিয়েতনামও রয়েছে। রাষ্ট্রসংঘের ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম থেকে জানা গিয়েছে, ভারতে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে দারিদ্র্যের হার। মাত্র ১৫ বছরে এ দেশে দারিদ্র্য-মুক্তি ঘটেছে ৪১.৫ কোটি মানুষের। চিন এবং ইন্দোনেশিয়াতেও বিরাট সংখ্যক মানুষের দারিদ্র্য ঘুচেছে।

    উন্নতি হচ্ছে দ্রুত

    রিপোর্ট (UN Report) থেকে জানা গিয়েছে, ২০০৫/২০০৬ অর্থবর্ষ থেকে ২০১৯/২০২০ অর্থবর্ষ পর্যন্ত দারিদ্র্য-মুক্তি ঘটেছে ৪১.৫ কোটি ভারতবাসীর। ৫৫.১ শতাংশ থেকে তা কমে হয়েছে ১৬.৪ শতাংশ। রিপোর্টেই উঠে এসেছে, ভারতের দরিদ্রতম রাজ্য এবং গোষ্ঠীগুলি দ্রুত উন্নতি করেছে। এর মধ্যে শিশু এবং পিছিয়ে পড়া জাতিগোষ্ঠীও রয়েছে।

    রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট (UN Report) থেকে জানা গিয়েছে, ভারত দারিদ্র্য দূরীকরণে সফল হলেও, এখনও ২৩ কোটি মানুষকে দারিদ্র্যের করাল গ্রাস থেকে বের করা যায়নি। বছর দুয়েক ধরে অতিমারির জেরে এই সংখ্যাটা কমানো চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। ভারতের কিছু অঞ্চলে জাতীয় গড়ের চেয়েও দ্রুত হারে দারিদ্র্য কমেছে। এই রাজ্যগুলি হল, বিহার, উত্তরপ্রদেশ এবং ঝাড়খণ্ড। প্রসঙ্গত, ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ পর্যন্ত দেশের ভার ছিল কংগ্রেসের নেতৃত্বে ইউপিএ সরকারের হাতে। তার পর থেকে এ পর্যন্ত চলছে নরেন্দ্র মোদির সরকার।

    আরও পড়ুুন: ‘‘পাথর ছোড়ার ঘটনা অতীত, ছন্দে ফিরেছে কাশ্মীর’’, সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা কেন্দ্রের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Most Powerful Military 2023: বিশ্বে সবচেয়ে শক্তিশালী মার্কিন সেনা! জানেন ভারতের স্থান?

    Most Powerful Military 2023: বিশ্বে সবচেয়ে শক্তিশালী মার্কিন সেনা! জানেন ভারতের স্থান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামরিক শক্তির দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশের (Most Powerful Military 2023) তকমা পেয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে থেকে আমেরিকার ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে রাশিয়া ও চিন। গত বছরের সঙ্গে তুলনায় তালিকায় স্থান অপরিবর্তিত রইল এই তিন দেশের। প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ব়্যাঙ্কিংয়ে স্থান অপরিবর্তিত রয়েছে ভারতেরও। গত বছরের মতো এবারও চতুর্থ স্থানে রয়েছে নয়াদিল্লি।

    ব়্যাঙ্কিংয়ে কে কোথায়

    বর্তমানে বিশ্বের প্রায় সবকটি দেশই সামরিক শক্তি (Military Strength) বাড়াতে তৎপর। বলা যায়, কোন দেশ সামরিক শক্তিতে কতটা শক্তিশালী (Most Powerful Military 2023), সে ব্যাপারে ভিতরে-ভিতরে প্রতিযোগিতাও শুরু হয়েছে। সাধারণভাবে যে দেশের পারমাণবিক শক্তি যত বেশি, সেই দেশ সামরিক দিক থেকে ততটা শক্তিশালী বলে মনে করা হয়। পাশাপাশি স্থল, জল ও নৌ বাহিনীর শক্তিও তুলনীয়। প্রতি বছর এই সংক্রান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার (GFP) অন্তত ৬০টি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে সামরিক শক্তির ব়্যাঙ্কিং দেয়। চলতি বছরে ১৪৫টি দেশের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ব়্যাঙ্কিংয়ের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

    চিন ও পাকিস্তানকে রুখতে গত কয়েক বছর ধরে সামরিক শক্তি বাড়িয়ে চলেছে ভারত। ফলে আগামী দিনে চিনকে পিছনে ফেলে তৃতীয় স্থানে উঠে আসতে পারে ভারত, বলে দাবি প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের। সামরিক শক্তির দিক থেকে গত বছর অষ্টম স্থানে ছিল ব্রিটেন। এবার পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে এই দেশ।

    আরও পড়ুন: ফ্রান্স থেকে ফের রাফাল, সাবমেরিন কিনবে ভারত!

    অন্যদিকে ব়্যাঙ্কিং (Most Powerful Military 2023) খারাপ হয়েছে জাপান ও ফ্রান্সের। গত বছরের তালিকায় পঞ্চম স্থানে ছিল জাপান। এবার তিন ধাপ নেমে অষ্টম স্থানে চলে এসেছে প্রশান্ত মহাসাগরের এই দ্বীপরাষ্ট্র। সপ্তম থেকে নবম স্থানে নেমেছে ফ্রান্সও। প্রথম দশে জায়গা পেয়েছে পাকিস্তানও। সপ্তম স্থানে রয়েছে পাকিস্তান। পাশাপাশি কম শক্তিশালী ১০টি দেশর তালিকাও প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ভুটানের নাম। হিমালয়ের কোলের দেশটি ছাড়াও তালিকায় জায়গা পেয়েছে সোমালিয়া, মলডোভা, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ও আইসল্যান্ড।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lakshya Sen: চিনকে হারিয়ে জয়ী ভারত! কানাডা ওপেন চ্যাম্পিয়ন লক্ষ্য সেন

    Lakshya Sen: চিনকে হারিয়ে জয়ী ভারত! কানাডা ওপেন চ্যাম্পিয়ন লক্ষ্য সেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) কাছে হার মানল চিন (China)। লক্ষ্য সেনের (Lakshya Sen) র‍্যাকেটের উপর ভর করে চিনকে হারিয়ে কানাডায় (Canada) উড়ল ভারতীয় পতাকা। মেগা ফাইনালে অল ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন (All England Champion) লি শি ফেংকে (Li Shi Feng) স্ট্রেট গেমে হারালেন লক্ষ্য। খেলার ফল লক্ষ্যের পক্ষে ২১-১৮, ২২-২০। জিতলেন কানাডা ওপেন সুপার ৫০০ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট (Canada Open 2023)।

    লক্ষ্যের লক্ষ্যভেদ

    ফাইনাল জেতা সহজ ছিল না লক্ষ্যের (Lakshya Sen)। নিজের থেকে ন’ধাপ (ক্রমতালিকায় ফেং ১৯, লক্ষ্য ১০) এগিয়ে থাকা ব্যাডমিন্টন তারকার বিরুদ্ধে শুরু থেকেই আক্রমণের নীতি নিয়েছিলেন তিনি। ঠিক যে ভাবে সেমিফাইনাল খেলেছিলেন, সে ভাবেই ফাইনাল শুরু করেন তিনি। শুরুতেই ৬-২ এগিয়ে যান লক্ষ্য। বিদ্যুৎ গতিতে শট মারছিলেন দুই খেলোয়াড়। ফেংয়ের দু’টি শটের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৩৯০ কিলোমিটার। আবার লক্ষ্যের কয়েকটি শট ঘণ্টায় ৪০০ কিলোমিটার গতিবেগে আছড়ে পড়ে। ফলে সমানে সমানে লড়াই চলছিল।  ২১-১৮ প্রথম গেম জিতে যান লক্ষ্য। দ্বিতীয় গেমেও একই ছবি। তবে এই গেমে  একটা সময় খেলার ফল ছিল লক্ষ্যের বিপক্ষে ১৩-১৪। কিন্তু হার মানেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত ২২-২০ শেষ হয় খেলা। পর পর দু’টি পয়েন্ট দু’টি জোরালো স্ম্যাশে জিতে যান লক্ষ্য। মাত্র ৫০ মিনিটেই লক্ষ্যভেদ করে ফেলেন লক্ষ্য।

    আরও পড়ুন: দলে নেই রিঙ্কু! ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টি২০-র স্কোয়াড ঘোষণা ভারতের

    লক্ষ্য এশিয়ান গেমস ও প্যারিস অলিম্পিক্স

    চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর লক্ষ্য (Lakshya Sen) বলেন, “গত কয়েকটা প্রতিযোগিতায় ছন্দ পাচ্ছিলাম না। তাই এই জয় আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটা ম্যাচের পরিস্থিতি আলাদা ছিল। পরিস্থিতির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিয়েছি। তাই জিততে পেরেছি।” গত বছর কমনওয়েলথ গেমসে সিঙ্গলসে সোনা জেতার পর থেকে কোনও প্রতিযোগিতা জিততে পারেননি লক্ষ্য। কানাডা ওপেন জেতায় লক্ষ্যকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (সাই)।

    ট্যুইট করেছেন লক্ষ্য নিজেও। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘‘কখনও কখনও সব থেকে কঠিন লড়াইয়ের ফল সব থেকে মিষ্টি হয়। অপেক্ষা শেষ হল। কানাডা ওপেন চ্যাম্পিয়ন হতে পেরে খুব খুশি।’’ এবার তাঁর ‘লক্ষ্য’ এশিয়ান গেমস ও প্যারিস অলিম্পিক্স। এই দুই মেগা টুর্নামেন্টের জন্য তৈরি হচ্ছেন ভারতের ব্যাডমিন্টন তারকা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক রাজনাথের, কি নিয়ে আলোচনা হল জানেন?

    Rajnath Singh: মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক রাজনাথের, কি নিয়ে আলোচনা হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালয়েশিয়া (Malaysia) সফরে গিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ (Rajnath Singh)। সোমবার সে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকও করেন তিনি। বৈঠক হয় কুয়ালালামপুরে। ইন্ডিয়া-মালয়েশিয়ান কো-অপারেশনের রোডম্যাপ নিয়ে রাজনাথের সঙ্গে আলোচনা হয় মহম্মদ হাজি হাসানের। বৈঠকের আগে রাজনাথকে জানানো হয় উষ্ণ অভ্যর্থনা। রয়্যাল মালয় সোলজার রেজিমেন্টের ফার্স্ট ব্যাটেলিয়নের তরফে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে দেওয়া হয় মেইন গার্ড অফ অনার। 

    সিংহ-হাসান বৈঠক

    সিংহ-হাসান বৈঠকে আলোচনা হয় বিভিন্ন এক্সটেনসিভ দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা এনগেজমেন্ট নিয়ে। ইন্ডিয়া-মালয়েশিয়ান ডিফেন্স কো-অপারেশনের চার দশকের রোডম্যাপ নিয়েও আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে ট্যুইট-বার্তায় হাসান লেখেন, ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহের (Rajnath Singh) সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছিলাম। তাঁকে রয়্যাল মালয় সোলজার রেজিমেন্টের ফার্স্ট ব্যাটেলিয়নের তরফে দেওয়া হয় মেইন গার্ড অফ অনার। রাজনাথের সঙ্গে বৈঠক অর্থপূর্ণ বলেও দাবি করেছেন মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

    লেটার অফ এক্সচেঞ্জ

    তিনি জানান, রাজনাথ সিংহ দুই দেশের সরকারের লেটার অফ এক্সচেঞ্জের সিঙ্গিং সেরিমনি চাক্ষুষ করেছেন। মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ভারত ও মালয়েশিয়া দুই দেশের সরকারের লেটার অফ এক্সচেঞ্জের সিঙ্গিং সেরিমনি চাক্ষুষ করেছি আমরা।

    ১৯৯৩ সালে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে যে মউ স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তাকে সংশোধন করতেই এটা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ভারত ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে এই বৈঠক খুবই অর্থপূর্ণ।

    আরও পড়ুুন: তেরঙ্গায় ছাইল আকাশ! কানাডার দূতাবাসে খালিস্তানিদের আটকাল প্রবাসীরা

    বৈঠককে এক্সেলেন্ট আখ্যা দিয়েছেন রাজনাথও (Rajnath Singh)। তিনি বলেন, আজ কুয়ালালামপুরে মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে যে বৈঠক হয়েছে, তা এক কথায় এক্সেলেন্ট। আমরা প্রতিরক্ষার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছি। ফোর্থ ডিকেড অফ ইন্ডিয়া-মালয়েশিয়া ডিফেন্স কো-অপারেশনের রোডম্যাপ নিয়েও আলোচনা করেছি। প্রসঙ্গত, ভারত এবং মালয়েশিয়ার সম্পর্ক বেশ ভাল। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ভারত ও মালয়েশিয়া ভারতীয় মুদ্রায় ব্যবসা করতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Global Peace Index 2023: বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ আইসল্যান্ড, জানেন কোথায় ভারত? 

    Global Peace Index 2023: বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ আইসল্যান্ড, জানেন কোথায় ভারত? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশগুলির বার্ষিক র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করল গ্লোবাল পিস ইনডেক্স (Global Peace Index – GPI)। ১৬৩টি দেশের উপর সমীক্ষা চালিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে এই তালিকা। তালিকায় একেবারে শীর্ষে রয়েছে আইসল্যান্ডের নাম। ২০০৮ থেকে বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশের তকমা পেয়ে আসছে ইউরোপের এই দেশ। তালিকায় ভারতের স্থান ১২৬।

    উন্নতি করেছে ভারত

    ২০২৩ জিআইপি অনুসারে, আইসল্যান্ড (Iceland)  বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ। এই দেশটির পরই শীর্ষে রয়েছে ডেনমার্ক, আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রিয়া ৷ অন্যদিকে সর্বাধিক অশান্ত দেশ হিসেবে অষ্টম বারের জন্য তালিকার একেবার শেষে এবারও রয়েছে আফগানিস্তান। এর ঠিক উপরে রয়েছে চারটি রাষ্ট্র। সেগুলির হল ইয়েমেন, সিরিয়া, দক্ষিণ সুদান ও গণতান্ত্রিক-প্রজাতন্ত্র কঙ্গো।

    গত বছর সামগ্রিক ভাবে দেখতে গেলে শান্তির ক্ষেত্রে ৩.৫ শতাংশ উন্নতি করেছে ভারত। যার জেরে গত বছরের তুলনায় দু’ধাপ উপরে উঠে এসেছে নয়াদিল্লি। এই প্রসঙ্গে চিন ও পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত সংঘর্ষের কথাও উল্লেখ করেছে জিপিআই। তালিকা প্রকাশকারী সংস্থার দাবি, গত বছর থেকেই দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গেই সেভাবে সীমান্ত সংঘাতে জড়ায়নি ভারত। শান্তিপূর্ণ দেশের তালিকায় ১৬৩-র মধ্যে ১২৬ তম স্থানে রয়েছে ভারত। শান্তিপূর্ণ দেশের তালিকায় ১৬৩-র মধ্যে ১২৬ তম স্থানে রয়েছে ভারত। 

    আরও পড়ুন: ‘অপহরণ করে ইসলামে ধর্মান্তকরণ’! হাইকোর্টের নির্দেশে এফআইআর সিবিআই-এর

    ১০টি শান্তিপূর্ণ দেশ

    সিডনি-ভিত্তিক ইন্সটিটিউট ফর ইকোনমিক্স অ্যান্ড পিস থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সংঘাত, নিরাপত্তা এবং সামরিকীকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর ভিত্তি করে বার্ষিক শান্তিপূর্ণ দেশের তালিকা প্রকাশ করে। ওই তালিকা অনুযায়ী, প্রথম দশটি দেশ হল আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, সিঙ্গাপুর, পর্তুগাল, স্লোভেনিয়া, জাপান, সুইজারল্যান্ড

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Emerging Asia Cup 2023: জুলাইয়েই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ! দেখে নিন এমার্জিং এশিয়া কাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি

    Emerging Asia Cup 2023: জুলাইয়েই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ! দেখে নিন এমার্জিং এশিয়া কাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই উত্তেজনা। তা সে ফুটবল হোক বা ক্রিকেট কিংবা হকি। যখন যেখানেই ভারত বনাম পাকিস্তান খেলা হয় আম-জনতা লুটে নেয় সেই ম্যাচের মজা। আর বাইশ গজে দুই দল মুখোমুখি হলে তো কথাই নেই। সেই ম্যাচে নজর থাকে সব ক্রিকেটপ্রেমীদের৷ দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই সব সময়েই একইরকম উত্তেজনা ও উন্মাদনা তৈরি করে৷ এশিয়া কাপ ও একদিনের ক্রিকেটের বিশ্বকাপ এই বছরেই৷ কিন্তু এই দুই মেগা টুর্নামেন্টের আগেও ভারত বনাম পাকিস্তান হতে চলেছে৷  দুই দলই মুখোমুখি হতে যাচ্ছে এমার্জিং এশিয়া কাপে (Emerging Asia Cup 2023)। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল এই সিরিজের সূচি প্রকাশ করেছে যেখানে ভারত ও পাকিস্তান গ্রুপ পর্বেই একে অপরের মুখোমুখি হবে।

    টুর্নামেন্টে কয়টি দল

    আগামী ১৩ থেকে ২৩ জুলাই শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হবে পুরুষদের এমার্জিং এশিয়া কাপের (Emerging Asia Cup 2023) পঞ্চম আসর। এশিয়ার আটটি দল এই টুর্নামেন্টে অংশ নেবে, যার মধ্যে সাতটি তাদের নিজ নিজ দেশের ‘এ’ দল পাঠাবে। ভারত এর আগে ২০১৩ সালে পুরুষদের এমার্জিং এশিয়া কাপ জিতেছে, শ্রীলঙ্কা দুইবার এবং পাকিস্তান একবার জিতেছে।

    কোন ফরম্যাটে খেলা

    আটটি দলকে চারটি করে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। ‘গ্রুপ লিগে প্রতিটি দল নিজেদের মধ্যে ১টি করে ম্যাচ খেলবে। প্রতি গ্রুপের প্রথম ২টি দল সেমিফাইনালের যোগ্যতা অর্জন করবে। এ-গ্রুপের এক নম্বর দল সেমিফাইনালে মাঠে নামবে বি-গ্রুপের দুই নম্বর দলের বিরুদ্ধে। বি-গ্রুপে এক নম্বর দল দ্বিতীয় সেমিফাইনালে লড়াই চালাবে এ-গ্রুপের দুই নম্বর দলের বিরুদ্ধে। দুই সেমিফাইনালের জয়ী দল খেতাবি লড়াইয়ে সম্মুখসমরে নামবে।

    আরও পড়ুন: চোখের জলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবালের

    কোন গ্রুপে কারা

    এ-গ্রুপ: শ্রীলঙ্কা-এ, বাংলাদেশ-এ, আফগানিস্তান-এ ও ওমান-এ

    বি-গ্রুপ: ভারত-এ, পাকিস্তান-এ, নেপাল-এ, আমিরশাহি-এ

    কবে কবে ভারতের ম্যাচ

    ১৪ জুলাই- ভারত ‘এ’ বনাম সংযুক্ত আরব এমিরেট ‘এ’ সকাল ১০টায়।

    ১৭ জুলাই- ভারত ‘এ’ বনাম নেপাল দুপুর ২টোয়।

    ১৯ জুলাই- ভারত ‘এ’ বনাম পাকিস্তান ‘এ’ দুপুর ২টোয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share