Tag: Indian Railway

Indian Railway

  • Railway Jobs: মোদি জমানায় ইউপিএ-র তুলনায় অনেক বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে রেলে, দাবি অশ্বিনী বৈষ্ণবের

    Railway Jobs: মোদি জমানায় ইউপিএ-র তুলনায় অনেক বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে রেলে, দাবি অশ্বিনী বৈষ্ণবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ১০ বছরে মোদি সরকার ইউপিএ-র তুলনায় অনেক বেশি কর্মসংস্থান করেছে রেলে। সম্প্রতি সংসদে বক্তৃতা দেওয়ার সময় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) দাবি করেছেন, এনডিএ আমলে ইউপিএর তুলনায় ভারতীয় রেলে অনেক বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে। সংসদে ভারতীয় রেলওয়ের দেওয়া তথ্য অনুসারে, নরেন্দ্র মোদি সরকার ২০১৪ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ৫.০২ লক্ষ কর্মসংস্থান  (Railway Jobs) করেছে।

    রেলমন্ত্রীর দাবি (Ashwini Vaishnaw) 

    এদিন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব উল্লেখ করেছেন যে, ইউপিএ সরকার ২০০৪ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ৪.১১ লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি করেছিল, যা বর্তমান সরকারের চেয়ে ৯১ হাজার কম। চাকরি নিয়োগের ক্ষেত্রে (Railway Jobs) অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেছেন যে, আগস্ট ২০২২ থেকে অক্টোবর ২০২২ পর্যন্ত, ১.১ কোটিরও বেশি প্রার্থী আরআরবি (RRB) পরীক্ষা দিয়েছে। এর মধ্যে রেলওয়ে দ্বারা ১,৩০,৫৮১ জন প্রার্থী নিয়োগ করা হয়েছে। একইসঙ্গে রেলমন্ত্রী আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন যে, এই প্রক্রিয়া চলাকালীন প্রশ্নপত্র ফাঁস বা অনুরূপ সমস্যার কোনও ঘটনা ঘটেনি, স্বচ্ছ ভাবে পরীক্ষার মাধ্যমেই নিয়োগ ঘটেছে। এছাড়াও এদিন তিনি উল্লেখ করেছেন যে, রেল দুর্ঘটনা ২০১৩-১৪ সালে ১১৮ থেকে ২০২৩-২৪ সালে ৪০-এ নেমে এসেছে। 
    এছাড়াও অন্য একটি প্রশ্নের উত্তরে, তিনি জানিয়েছেন, রেল মন্ত্রকের তথ্য অনুসারে, ২০০৪-২০১৪ সাল পর্যন্ত ১,৭১১টি দুর্ঘটনা রিপোর্ট হয়েছে, যার ফলে ৯০৪ জন মারা গেছে। কিন্তু অন্যদিকে এনডিএ ক্ষমতায় আসার পর গত ১০ বছরে, ৬৭৮টি দুর্ঘটনা ঘটেছে এবং ৭৪৮টি প্রাণহানি ঘটেছে। ফলে দুর্ঘটনার সংখ্যা ৬০ শতাংশ এবং প্রাণহানির সংখ্যা ১৭ শতাংশ কমেছে।

    আরও পড়ুন: জঙ্গি অনুপ্রবেশের জের! বিএসএফের প্রধান এবং উপপ্রধানকে অপসারণ করল কেন্দ্র

    রেল নিরাপত্তায় শীর্ষ অগ্রাধিকার (Railway Jobs) 

    অন্যদিকে এই প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী (Ashwini Vaishnaw) জানিয়েছেন যে মোদি সরকার আসার পরেই রেল মন্ত্রক রেল নিরাপত্তাকে শীর্ষ অগ্রাধিকার দিয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য ২০২২-২৩ সালে ব্যয় করেছিল ৮৭,৭৩৬ কোটি টাকা এবং ২০২৪-২৫ সালে সেই টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,০৮,৭৯৫ কোটিতে। এখনও পর্যন্ত ৯,৫৭২ টিরও বেশি কোচে সিসিটিভি লাগানো হয়েছে। শিশু সুরক্ষার ক্ষেত্রে মেল কোচে দুটি নিম্ন বার্থের সঙ্গে দুটি শিশুর বার্থ সংযুক্ত করা হয়েছে, যাতে যাত্রার সময় শিশু সহ মায়েদের ভ্রমণ সহজ হয়। এ বিষয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া ইতিবাচকই ছিল। 
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: ট্রেনে উপচে পড়া ভিড়! তৈরি হচ্ছে ২,৫০০ কোচ, অনুমোদন আরও ১০ হাজার, জানাল রেল

    Indian Railway: ট্রেনে উপচে পড়া ভিড়! তৈরি হচ্ছে ২,৫০০ কোচ, অনুমোদন আরও ১০ হাজার, জানাল রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ২,৫০০ ট্রেনের (Indian Railway) কোচ তৈরি হচ্ছে। এর পাশাপাশি ১০ হাজারেরও বেশি নতুন কোচ তৈরি করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার একথা জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। উদ্দেশ্য হিসেবে তিনি জানান, এমন উদ্যোগ কেন্দ্র সরকার নিয়েছে রেলের পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্যই। সারাদেশে যাতে যাত্রীরা সুবিধা পান। শুক্রবারই রাজধানী দিল্লিতে রেলমন্ত্রী (Indian Railway) হাজির ছিলেন একটি অনুষ্ঠানে এবং সেখানেই তিনি এই কথাগুলি বলেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ৫০টি নতুন অমৃত ভারত ট্রেনের কাজ শুরু হয়েছে। গত বছরে এমন দুটো ট্রেনের উদ্বোধনও করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একটি মালদাতে অপরটি দ্বারভাঙ্গাতে।

    গত বছরেই ৫,৩০০ কিলোমিটার নতুন রেল লাইন পাতার কাজও শেষ হয়েছে

    রেলমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, যাত্রী পরিষেবা (Non AC Coaches), যাত্রী নিরাপত্তার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, সারা দেশজুড়ে ঢেলে সাজানো হচ্ছে রেলের পরিকাঠামোকে। গত বছরেই ৫,৩০০ কিলোমিটার নতুন রেল লাইন পাতার কাজও শেষ হয়েছে। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত ৮০০ কিলোমিটার রেল লাইন পাতা হয়েছে বলে জানান তিনি। এর পাশাপাশি যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে কবচ সিস্টেমকে আরও অত্যাধুনিক করা হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

    তৈরি হচ্ছে ৫ হাজার ৩০০ মালগাড়ির কোচ (Indian Railway) 

    জানা গিয়েছে, মালবহনের জন্য আরও ৫ হাজার ৩০০টি কোচ তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চাপ বাড়ছে ভারতীয় রেলের। প্রায় প্রতিদিনই বাড়ছে যাত্রীদের সংখ্যা। একইভাবে পণ্য পরিবহনের জন্যও অতিরিক্ত মালগাড়ি তৈরির দাবি রয়েছে। চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ২০২৪-২৫ এবং ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে এই ১৫ হাজার ৩০০ নতুন কোচ তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন রেলের এক শীর্ষ কর্তা। জানা গিয়েছে, ২ হাজার ৬০৫টি কোচ (Non AC Coaches) তৈরি করা হবে অমৃত ভারতের সাধারণ কোচের আদলে। বাকিগুলির মধ্যে ১ হাজার ৪৭০টি নন-এসি স্লিপার কোচ এবং ৩২৩টি এসএলআর (সিটিং-কাম-লাগেজ রেক) কোচ তৈরি করা হবে। এছাড়াও ৩২টি উচ্চ-ক্ষমতার পার্সেল ভ্যান এবং ৫৫টি প্যান্ট্রি কার তৈরি করা হচ্ছে, যা যাত্রীদের (Indian Railway) বিভিন্ন চাহিদা মেটাতে এবং লজিস্টিক প্রয়োজনীয়তা মেটাতে সাহায্য করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: ৮ বছর আগে যাত্রীর ব্যাগ চুরি, রেলকে লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ কমিশনের

    Indian Railway: ৮ বছর আগে যাত্রীর ব্যাগ চুরি, রেলকে লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রেনে লাগেজ নিয়ে যাওয়ার সময় চুরির ঘটনায় (Indian Railway) রেলকে জরিমানা করল কনজিউমার কমিশন। ২০১৬ সালে এক মহিলা যাত্রীর ব্যাগ চুরি হয়ে যায়। যাতে ৮০ হাজার টাকা জিনিস ছিল। সেই চুরি যাওয়া ব্যাগ উদ্ধার করে না দিতে পারা এবং যাত্রীর হয়রানির জন্য এবার ওই মহিলা যাত্রীকে ১ লক্ষ ৮ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হল রেল কর্তৃপক্ষকে।

    যাত্রীকে হেনস্থার অভিযোগ (Indian Railway)

    জানা গিয়েছে ঝাঁসি ও গোয়ালিয়ার স্টেশনের মাঝে ২০১৬ সালে ওই ব্যাগ চুরি হয়েছিল। ঘটনাটি ঘটেছিল মালওয়া এক্সপ্রেসে। যাত্রীর অভিযোগ ছিল (Indian Railway) রেল তাঁদের সুরক্ষার দায়িত্ব নেয়নি। এমনকি কোন স্টেশনে অভিযোগ জানাতে হবে তা নিয়ে রেল পুলিশ কর্তৃপক্ষ যাত্রীকে সঠিক নির্দেশ দিতে পারেনি। ওই মহিলা নিউ দিল্লী স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠেছিলেন এবং নেমেছিলেন ইন্দোর স্টেশনে। রেল পাল্টা দাবি করে ওই যাত্রীর অবহেলাই ছিল চুরির কারণ। কিন্তু সে কথায় আমল দেয় নি কমিশন।

    চুরির জন্য রেলকেই দায়ী করল কমিশন

    কমিশনের সভাপতি জীত সিং এবং রশ্মি বনসল চুরি এবং যাত্রীর হয়রানির জন্য রেলের কর্মীদের দায়ী করেছেন। এদিকে যাত্রীর অভিযোগ ছিল তিনি এফ আই আর করার জন্য বিভিন্ন স্টেশনে ঘুরেছেন। কিন্তু কোন লাভ হয়নি। কোন স্টেশনের কত দূরে এবং কত নম্বর পিলারের কাছে তাঁর ব্যাগ খোয়া যায় তা জানতে এবং সেখানে গিয়ে খুঁজে দেখতে নির্দেশ দেওয়া হয়। অর্থাৎ সব রকম ভাবে রেল পুলিশ তাঁকে হয়রান করে বলে অভিযোগ। পরে অবশ্য গড়িমসি করে তদন্ত শুরু হয়। কিন্তু সেই ব্যাগ আর ফেরত পাওয়া যায়নি। রেলের (Indian Railway)  বিরুদ্ধে পরিষেবায় ঘাটতি এবং অবহেলার অভিযোগ তোলেন ওই যাত্রী।

    লক্ষাধিক টাকা জরিমানা মেটাল রেল

    দুপক্ষের শুনানির পর কমিশনের নির্দেশ, পরিষেবা বা সুরক্ষায় খামতির অভাবে চুরির ঘটনায় অবিলম্বে ৮০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে (Indian Railway) রেলকে। এছাড়াও মামলা চালাবার খরচ বাবদ ৮ হাজার টাকা দিতে হবে। অতিরিক্ত ২০ হাজার দিতে হবে ক্ষতিপূরণ বাবদ। প্রসঙ্গত রেলের চুরির ঘটনা নতুন কিছু নয়। রেল কর্তৃপক্ষের দাবি আগের তুলনায় চুরি

    আরও পড়ুন: বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম থানায় ৪৭টি অভিযোগ, কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না, জানাল হাইকোর্ট

    ছিনতাইয়ের ঘটনা অনেকটাই কমেছে। কিন্তু এখনও চুরি যে হয় তা মেনে নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। তবে রেলের ডাকাতির ঘটনা অনেকটাই কমেছে আগের তুলনায়। এমন কি এখনও ছোটখাটো চুরির ঘটনায় রেল পুলিশ এফআইআর নিতে গড়িমসি করে বলে অভিযোগ।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Eastern Railway: বিনা টিকিটে ট্রেনে যাত্রা করেন? সাবধান! বিশেষ অভিযানে নামছে পূর্ব রেল

    Eastern Railway: বিনা টিকিটে ট্রেনে যাত্রা করেন? সাবধান! বিশেষ অভিযানে নামছে পূর্ব রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিনা টিকিটে ট্রেন যাত্রা রুখতে বেশ কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে ভারতীয় রেল (Eastern Railway)। জানা গিয়েছে, এক শ্রেণির যাত্রীদের মধ্যে বিনা টিকিটে যাতায়াত করার প্রবণতা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। এই মতো অবস্থায় তা আটকাতেই বেশ কড়া হল ভারতীয় রেল। পূর্ব রেলের তরফ এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এবার সারপ্রাইজ টিকিট চেকিং শুরু হতে চলেছে। যে কোনও অচেনা স্টেশন থেকেই তারা অভিযানে নামতে পারে।

    বিনা টিকিটে ধরা পড়লে মান সম্মান চলে যাবে 

    এ বিষয়ে পূর্ব রেলের তরফে মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, যাঁরা রোজ বিনা টিকিটে (Eastern Railway) যাতায়াত করাকে নিজেদের অভ্যাস করে ফেলেছেন, তাঁদের কিন্তু এবার সতর্ক হওয়ার সময় এসেছে। প্রসঙ্গত, বাসের থেকে ট্রেনের ভাড়া অনেক কম হলেও এক শ্রেণির যাত্রী টিকিটই কাটতে চাননা। কৌশিক মিত্র আরও জানিয়েছেন, টিকিট চেক করতে হঠাৎ ট্রেনের রুটের মাঝ পথে যে কোনও স্টেশন থেকে উঠে পড়তে পারেন তাঁরা। ওই স্টেশন বড় জংশন নাও হতে পারে। কৌশিক মিত্র সতর্ক করে বলেছেন, বিনা টিকিটে ধরা পড়লে মান সম্মান নিয়েও টানাপোড়েন শুরু হবে।

    সচেতন হয়ে টিকিট কেটে নেওয়াই ন্যায্য কাজ

    কৌশিক মিত্রর মতে, ‘‘এই স্কোয়াড সন্ধেয় হঠাৎ উঠে পড়তে পারে তালদি থেকে বা আরামবাগ থেকে বা আর যে কোনও স্টেশন থেকে। এমন একটা লোকেশন থেকে হয়ত স্কোয়াড (Eastern Railway) উঠে পড়বে, যেখান থেকে কেউ আশাই করেননি টিকিট চেকিং হবে। সেই সময় সকলের সামনে মাথা হেঁট হয়ে যেতে পারে বিনা টিকিটের যাত্রীদের।’’ কৌশিক মিত্রর কথায়, ‘‘এতে করে রেল যে বিশাল লাভ করবে এমন নয়, কিন্তু এটা একটু বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা যে, বাসের থেকে রেলের ভাড়া অনেক কম, তাছাড়াও রেল টিকিট কাটার অনেক ব্যবস্থা করেছে। তাই একটু সচেতন হয়ে টিকিট কেটে নেওয়াই ন্যায্য কাজ।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: এবার থেকে ওয়েটিং লিস্টের ঝামেলা থেকে মুক্তি! ট্রেনের টিকিটে বড় বদল

    Indian Railway: এবার থেকে ওয়েটিং লিস্টের ঝামেলা থেকে মুক্তি! ট্রেনের টিকিটে বড় বদল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দূরপাল্লার ট্রেনের যাত্রীদের জন্য এবার দারুণ খুশির খবর দিল ভারতীয় রেল (Indian Railway)। এবার থেকে আর ওয়েটিং লিস্টে থাকবে না টিকিট। প্রথমবারেই একেবারে হাতে পাওয়া যাবে কনফার্ম ট্রেনের টিকিট। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সম্প্রতি একটি ঘোষণা করে জানিয়েছেন, ভারত জুড়ে রেলপথ ভ্রমণে একটি নতুন যুগের সূচনা হতে চলেছে। এবার থেকে আর ওয়েটিং লিস্টের চিন্তা থাকবে না। প্রতিটি যাত্রী টিকিট কাটার সময় তাঁর যাত্রায় নির্দিষ্ট কনফার্ম বার্থ পাবেন। এদিন তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারতীয় রেলের (Railway Announcement) অসাধারণ বিবর্তন তুলে ধরে জনসাধারণকে জানান আগামী পাঁচ থেকে ছয় বছরের মধ্যে ভারতীয় রেল ওয়েটিং লিস্টের সমস্যা দূর করার লক্ষ্য নিয়েছে।

    যাত্রী সুবিধার্থে নতুন অ্যাপ লঞ্চ (Indian Railway) 

    বর্তমানে যাত্রী সুবিধার্থে ভারতীয় রেল (Railway Announcement) রেলওয়ে সুপার অ্যাপ নামে একটি নতুন অ্যাপ লঞ্চ করতে চলেছে। যেই অ্যাপের মাধ্যমে যাত্রীরা সহজেই টিকিট কাটা থেকে শুরু করে ভ্রমণ পরিষেবাগুলিকে স্ট্রিমলাইন করা ও রিয়েল টাইম তথ্য নজরে রাখতে পারবেন। রেলওয়ে সুপার অ্যাপ লঞ্চের ফলে যাত্রীরা তাদের রেল যাত্রায় একটি দৃষ্টান্ত পরিবর্তন লক্ষ্য করতে পারবেন। এই অ্যাপটি টিকিট বুকিং থেকে শুরু করে ভ্রমণ পরিকল্পনা পর্যন্ত বিস্তৃত পরিসেবাকে অন্তর্ভুক্ত করবে। যা ভারতীয় রেলের (Indian Railway) ক্ষেত্রে একটি বিপ্লব ঘটাবে।  

    আরও পড়ুন: হঠাৎ বিস্ফোরণ! জগন্নাথ দেবের চন্দন যাত্রায় ঝলসে গেলেন একাধিক ভক্ত

    ওয়েটিং লিস্ট সিস্টেম বন্ধের পরিকল্পনা 

    জানা গিয়েছে ওয়েটিং লিস্ট সিস্টেম বন্ধ করার জন্য ভারতীয় রেল (Indian Railway) প্রতিদিন ৩০০০ ট্রেন চালাতে পারে। বাজেট সেই মতো বরাদ্দ করা হয়েছে। ১ লক্ষ কোটি টাকা বাজেট। ৭ থেকে ৮ হাজার পুরনো ট্রেন পাল্টে ফেলা হবে। ট্রেনের গতি কমপক্ষে ৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বাড়ানোর ব্যবস্থাও করছে রেল। ২৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে ছুটতে পারে এমন ১০০০টি ট্রেন চালানো হবে বলেও জানা যাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UTS: থাকতে হবে না ২০ মিটার দূরে, এবার প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়েও ইউটিএস অ্যাপের মাধ্যমে টিকিট বুক করতে পারবেন

    UTS: থাকতে হবে না ২০ মিটার দূরে, এবার প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়েও ইউটিএস অ্যাপের মাধ্যমে টিকিট বুক করতে পারবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাইন দিয়ে টিকিট কাটা এক বড় ঝক্কির বিষয়! তারপর আবার তাড়াহুড়োর মাথায় ট্রেন মিস হওয়ার ভয়ও থাকে। এসব কিছু থেকে বাঁচতে রেলওয়ে নিয়ে এসেছিল অনেক আগেই ইউটিএস অ্যাপ (UTS)। এবার সেই ইউটিএস অ্যাপেই বিরাট বদল আনল ভারতীয় রেল। প্রসঙ্গত, ভারতবর্ষে প্রতিদিন লোকাল ট্রেনে সফর করেন এমন যাত্রী সংখ্যা হয়তো কোটিতে পৌঁছে যাবে। এই যাত্রীদের সুবিধার্থেই ইউটিএস অ্যাপের পরিষেবাতে পরিবর্তন আনল রেল। এতদিন পর্যন্ত ইউটিএস অ্যাপের টিকিট কাটার নিয়ম ছিল যে স্টেশন থেকে আপনাকে কুড়ি মিটার দূরে থাকতে হবে এবং এভাবেই টিকিট কাটতে পারতেন যে কোনও যাত্রী। কিন্তু কিন্তু এইবারে শূন্য মিটার দূরত্ব থেকেও টিকিট কাটা যাবে। লোকাল ট্রেনের পাশাপাশি এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিটও কাটা যাবে এবার থেকে।

    ২০ মিটার দূরত্বে থাকতে হবে না

    অর্থাৎ দূরত্ব আর কোনও বাধা থাকছে না। কুড়ি মিটার দূরে থাকতে হবে না প্লাটফর্ম থেকে টিকিট কাটতে। প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকলেও ইউটিএস অ্যাপের (UTS) মাধ্যমে টিকিট কাটা যাবে। সাধারণভাবে সাধারণভাবে এই নিয়ম চালু করা হয়েছিল যে, যদি কোনও যাত্রী টিকিট ছাড়া ট্রেনে উঠে পড়েন তাহলে তিনি যেন টিটিকে দেখে টিকিট কেটে নিতে না পারেন। তবে সেই দূরত্বে এবার শূন্য হয়ে গেল। এক্ষেত্রে পূর্ব রেলে জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, বর্তমানে ইউটিএস অ্যাপ এর ক্ষেত্রে জিও ফেন্সিং তুলে নেওয়া হয়েছে।

    ইউটিএস অ্যাপ (UTS)

    আপনাদের মধ্যে যাদের এখন ইউটিএস অ্যাপ (UTS) নেই, তাঁরা অ্যাপটি ইন্সটল করে নিতে পারেন নিজেদের মোবাইলে। তারপরে সাইন আপ করে লগ-ইন করে রাখতে হবে। এখানে দু ধরনের টিকিট কাটতে পারেন। পেপারলেস টিকিট এবং পেপারবিহীন টিকিট। আপনার যাত্রা শুরুর স্টেশন এবং গন্তব্য স্টেশন ইউটিএস অ্যাপের মাধ্যমে দিতে হবে এবং এর পরেই টিকিট বুকিং করতে হবে। তারপরে আর ওয়ালেট অথবা যেকোনও ধরনের ইউপিআই-এর মাধ্যমে আপনার ফোন থেকে টিকিটের টাকা কেটে নেবে ভারতীয় রেল।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: রেল মানচিত্রে জুড়ল কাশ্মীর ও জম্মু, দেশের দীর্ঘতম সুড়ঙ্গের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: রেল মানচিত্রে জুড়ল কাশ্মীর ও জম্মু, দেশের দীর্ঘতম সুড়ঙ্গের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের দীর্ঘতম রেলপথ-সুড়ঙ্গের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। হিমালয়ের পীর পঞ্জাল পর্বতশ্রেণির ভিতরের সুড়ঙ্গ দিয়ে ছুটবে ট্রেন। শ্রীনগর-উধমপুর-বারামুলা রেলপথের মাধ্যমের জুড়ে গেল জম্মু ও কাশ্মীর। মঙ্গলবারই এই প্রকল্পের ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    কী জানিয়েছে রেল?

    রেলের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) মঙ্গলবার জম্মুতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি দু’টি বিদ্যুৎচালিত ট্রেনকে একযোগে ‘ফ্ল্যাগ অফ’ (পতাকা নাড়িয়ে যাত্রার উদ্বোধন) করেছেন। একটি শ্রীনগর থেকে সাঙ্গলদান পর্যন্ত নীচের দিকে এবং অন্যটি সাঙ্গলদান থেকে শ্রীনগর পর্যন্ত উপরের দিক থেকে।’’ রেলের তরফে আরও জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এদিন ৪৮.১ কিলোমিটার দীর্ঘ বানিহাল-খারি-সাম্বার-সাঙ্গলদান অংশেরও উদ্বোধন করেন। প্রসঙ্গত, এর মধ্যেই রয়েছে দেশের দীর্ঘতম রেল-সুড়ঙ্গ, যা ১২.৭৭ কিলোমিটার দীর্ঘ। প্রসঙ্গত, এনডিএ জমানায় ২০০২ সালেই জাতীয় প্রকল্পের মর্যাদা পায় এই প্রকল্পটি। মোট দৈর্ঘ্য ২৭২ কিলোমিটার।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    এদিন রেল প্রকল্পের উদ্বোধনের পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) তাঁর বক্তব্যে বলেন,‘‘ সারা দেশ জুড়ে উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ চলছে। আগের সরকার জম্মু-কাশ্মীরের মানুষদের জন্য কিছুই করেনি, তাঁদের বঞ্চিত করে রেখেছিল। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিমান বন্দর নির্মাণ এবং আধুনিকীকরণের কাজ চলছে। জম্মু-কাশ্মীরও এর বাইরে নয়।’’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এদিন আরও বলেন, ‘‘কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী রেলপথের স্বপ্ন অচিরেই পূরণ হবে। আজ এই স্বপ্ন ৪৮.১ কিমি রেলপথের উদ্বোধন দিয়ে শুরু হল।’’

    মোদির গ্যারান্টি

    প্রধানমন্ত্রী এদিন আরও বলেন, “মোদির গ্যারান্টি চলতেই থাকবে। দেশে উন্নতি হতে থাকবে। যেভাবে কংগ্রেস কাশ্মীরকে নিয়ে রাজনীতি করেছিল, তা থেকে কাশ্মীরবাসীকে মুক্তি দিয়েছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। বিকশিত ভারতের টার্গেট বজায় রাখতে কাশ্মীরকে সঙ্গে নিয়েই চলবে বিজেপি।” তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরে গত ১০ বছরে যে হারে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে, তা নজির সৃষ্টি করেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Local Train: এবার তারকেশ্বর লাইনে ট্রেন ছুটবে ঘণ্টায় ১২০ কিমি বেগে, সফল ট্রায়াল রান

    Local Train: এবার তারকেশ্বর লাইনে ট্রেন ছুটবে ঘণ্টায় ১২০ কিমি বেগে, সফল ট্রায়াল রান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তারকেশ্বর লাইনের যাত্রীদের জন্য সুখবর দিল ভারতীয় রেল। এই লাইনে ট্রেনের গতিবেগ অনেকটাই বাড়তে চলেছে। বুধবার তার ট্রায়াল রানও (Local Train) সফল হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, এর ফলে যাতায়াতের সময় অনেকটাই কমে যাবে এবং যাত্রীদের সময় অনেকটাই বাঁচবে। অফিস টাইমের নিত্যযাত্রীরা এতে খুশি। তবে যাত্রী মহলের একাংশ তারকেশ্বর লাইনে ট্রেনের সংখ্যা আরও বাড়ানোর পক্ষে দাবি তুলেছেন।

    পরীক্ষামূলক ট্রেন ছোটে বুধবার

    রেল সূত্রে খবর মিলেছে, বর্তমানে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে শেওড়াফুলি-আরামবাগ লাইনে ছোটে লোকাল ট্রেন (Local Train)। ১৫টি স্টেশন চলতে দিতে সময় লাগে প্রায় দেড় ঘণ্টা মতো। ভবিষ্যতে এই পথেই ট্রেনের সর্বাধিক গতিবেগ হতে চলেছে ১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়। রেলের তরফে বুধবারই জানানো হয়েছে, পরীক্ষামূলক ভাবে তারকেশ্বর থেকে দুপুর ২টো নাগাদ চার কামরার একটি ট্রেন চালানো হয়েছে। বুধবার ট্রেনটি শেওড়াফুলি পৌঁছয় দুপুর ২টো বেজে ২৭ মিনিটে। অর্থাৎ, মাত্র ২৭ মিনিটে ট্রেনটি অতিক্রম করেছে ৩৪ কিলোমিটার পথ। রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বুধবার ট্রায়াল রানে ট্রেনের সর্বাধিক গতিবেগ ছিল ১২৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় অন্যদিকে গড় গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার। এই হিসাব অনুযায়ী, শেওড়াফুলি-আরামবাগ লাইনের ওই ১৫টি স্টেশন মাত্র এক ঘণ্টায় পাড়ি দেওয়া সম্ভব হবে।

    কী বলছেন শেওড়াফুলির স্টেশন ম্যানেজার

    শেওড়াফুলির স্টেশন ম্যানেজার রাম আধার প্রসাদ বলেন, ‘‘ট্রেনের (Local Train) গতি বাড়লে যাত্রীদের সুবিধা হবে। অনেক কম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছতে পারবেন যাত্রীরা। এখন ৮০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলে। ভবিষ্যতে গতিবেগ হতে পারে ১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়। আজ তার ট্রায়াল রান হয়েছে। সেটি সফলও হয়েছে। ওই গতিতে ট্রেন কবে থেকে ছুটবে, তা রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা ঠিক করবেন।’’

     

    আরও পড়ুন: আরও চাপে শাহজাহান! বিজেপি কর্মী খুনের মামলার কেস ডায়েরি চাইল হাইকোর্ট

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railways: মোদি জমানায় গত ৯ বছরে নিয়োগ ৫ লক্ষ! পরিসংখ্যান পেশ ভারতীয় রেলের

    Indian Railways: মোদি জমানায় গত ৯ বছরে নিয়োগ ৫ লক্ষ! পরিসংখ্যান পেশ ভারতীয় রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি জমানায় বেড়েছে কর্মসংস্থান। গত ৯ বছরে ৫ লাখ নিয়োগ করেছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। শুক্রবারই প্রেস বিবৃতি দিয়ে একথা জানিয়েছে পূর্ব রেল। ওই প্রেস বিবৃতিতে পূর্বতন ইউপিএ সরকারের সঙ্গে তুলনাও টানা হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত মনমোহন সরকার ১০ বছরে নিয়োগ করতে পেরেছিল ৪ লাখ ১১ হাজার প্রার্থীকে। অর্থাৎ কংগ্রেস জমানায় প্রতি বছর গড়ে নিয়োগ হয়েছিল ৪১ হাজার। অন্যদিকে মোদি জমানায় প্রতি বছর গড়ে নিয়োগ হয়েছে ৫২ হাজার।

    গত ১ বছরে রেলে নিয়োগ দেড় লাখ

    এর মধ্যে করোনার সময়কালে দেশে সব ধরনের নিয়োগ বন্ধ ছিল। তাই ২ বছর বাদ দিলে প্রতি বছর নিয়োগের গড় দাঁড়াচ্ছে ৬২ হাজার। যা মনমোহন জমানার থেকে অনেকটাই বেশি। শুক্রবার রেলের (Indian Railways) তরফ থেকে প্রকাশিত ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এও বলা হয়েছে, গত বছরে রেল রেকর্ড সংখ্যক নিয়োগ করতে পেরেছে। এই সংখ্যা দেড় লাখ। ৯ নভেম্বর প্রকাশিত ওই প্রেস বিবৃতিতে রেল জানিয়েছে, ৫ লাখ নিয়োগই হয়েছে স্বচ্ছভাবে। কোথাও কোনও দুর্নীতি হয়নি। পশ্চিমবঙ্গের একাধিক নিয়োগ দুর্নীতি যখন সামনে আসছে, সেই আবহে রেলের স্বচ্ছ নিয়োগ কেন্দ্র সরকারের প্রতি চাকরি প্রার্থীদের আস্থা আরও দৃঢ় করল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বছর ঘুরলেই রয়েছে লোকসভা ভোট।

    নতুন ৫,৬০০ কিমি রেলপথ সম্প্রসারণ ১ বছরে

    রেলে এই বিপুল কর্মসংস্থান মোদি সরকারকে অ্যাডভান্টেজ দেবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। রেলের তরফে বলা হয়েছে, করোনাকালে বিশ্বের সর্বত্র আর্থিক মন্দা চললেও রেলের (Indian Railways) নিয়োগের গড় প্রতি বছর ৫০ হাজারের নিচে নামেনি। এছাড়াও  গত ১ বছরে ৫,৬০০ কিমি নতুন রেলপথ সম্প্রসারণের কাজ হয়েছে বলে জানিয়েছে রেল। এর ফলে পরোক্ষভাবে ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেলপথ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিল কেন্দ্র, শুরু হল জমি জরিপের কাজ

    Nadia: কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেলপথ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিল কেন্দ্র, শুরু হল জমি জরিপের কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর খুব বেশিদিন নয়, নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর থেকে করিমপুর যেতে শুধু বাসের উপর জেলার মানুষকে নির্ভর করতে হবে না। কৃষ্ণনগর থেকে ট্রেনে চড়েই সোজা তেহট্ট, করিমপুর পৌঁছে যেতে পারবেন এই এলাকার মানুষ। করিমপুর, তেহট্ট এলাকার লক্ষ লক্ষ মানুষের দাবি মেনেই এবার কৃষ্ণনগর থেকে করিমপুর পর্যন্ত রেল লাইন সম্প্রসারণে উদ্যোগী হল কেন্দ্রীয় সরকার। রেল লাইন তৈরি প্রস্তাব দিয়েছে এমন নয়। চলতি বছরের অগাস্ট মাসেই রেল সম্প্রসারণের জন্য জমি জরিপের কাজ শুরু করেছে রেল মন্ত্রক। এতদিন এই রেল লাইন সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। রেল চলাচল শুরু হওয়ার দেড়শো বছর পরও করিমপুর, তেহট্ট রেল মানচিত্রের বাইরে রয়েছে।

    রেলপথ সম্প্রসারণে রেল কী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে? (Nadia)

    সিপাহী বিদ্রোহের পর পরই শিয়ালদা থেকে নদিয়ার (Nadia) গেদে হয়ে বাংলাদেশের কুষ্টিয়া পর্যন্ত ১৩৫ কিলোমিটার রেলপথ তৈরি করা হয়েছিল। আর ১৮৬২ সাল নাগাদ প্রথম এই রেল লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল করা শুরু করেছিল। পরবর্তীকালে রানাঘাট-কৃষ্ণনগর হয়ে লালগোলা পর্যন্ত রেল লাইন সম্প্রসারিত হয়। নদিয়ার বুকে রেল চলাচলের প্রায় দেড়শো বছরের বেশি সময় আগে রেল চলাচল শুরু হলেও করিমপুর আজও রেল মানচিত্রের বাইরে। করিমপুর, তেহট্ট, পলাশীপাড়া সহ এই এলাকার লক্ষ লক্ষ মানুষকে চলাচলের জন্য নির্ভর করতে হয় বাস কিংবা প্রাইভেট গাড়়ির উপর। এবার সেই করিমপুর, তেহট্টকে রেল মানচিত্রের মধ্যে আনতে চলেছে মোদি সরকার। করিমপুরের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের সুবিধার জন্য ৮০ কিলোমিটার সমীক্ষার অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই বছরের অগাস্টে ইতিমধ্যেই জমা দেওয়া ধারণাগত পরিকল্পনার সঙ্গে মাটি অনুসন্ধানের কাজ, টপোগ্রাফি জরিপ এবং ট্রাফিক জরিপ চলছে। অবিচ্ছিন্ন করিডোর সৃষ্টির লক্ষ্যে জমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা প্রস্তুত করার জন্য গ্রামের মানচিত্র সরবরাহ করে সাহায্যের জন্য রেলওয়ে বিভিন্ন মৌজা এবং ব্লক এলাকার ব্লক এবং সংস্কার অফিসারদের চিঠি পাঠিয়েছে রেল। অগাস্ট থেকে জরিপের কাজ শুরু করে রেলওয়ে ইতিমধ্যেই সমীক্ষার একটি অগ্রসর পর্যায়ে পৌঁছেছে। আশা করা হচ্ছে যে কৃষ্ণনগর-করিমপুর নতুন লাইনের জন্য সম্পূর্ণ জরিপ কাজ ছয় মাসের মধ্যে শেষ হবে। এরপর সম্ভাব্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, নদিয়া (Nadia) জেলায় তেহট্ট, করিমপুর, বেতাই, পলাশীপাড়া সব সময় অবহেলিত। এই সব এলাকার লক্ষ লক্ষ মানুষের গণ পরিবহণের ভরসা বাস। পলাশী বা কৃষ্ণনগর স্টেশনে পৌঁছাতেও এই সব এলাকার মানুষের ভরসা বাস। ফলে, দীর্ঘদিন ধরে কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেল লাইন চালু করার আমরা দাবি জানিয়েছি। এর আগে অনেক রাজনৈতিক দল এই রেল সম্প্রসারণের ইস্যুটিকে তুলে ধরে রাজনৈতির ফয়দা তুলেছে। কিন্তু, বাস্তবে কাজের কাজ কিছু হয়নি। এবার কেন্দ্রীয় সরকার এই রেলপথ সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়ায় ভাল লাগছে। রেলপথ তৈরি হলে এই এলাকার লক্ষ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন।

    রেল আধিকারিক কী বললেন?

    পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যন্ত অঞ্চলের এমনকী আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি করার লক্ষ্যে কেন্দ্র সরকারের লক্ষ্যের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য, রাজ্য সরকারের আধিকারিকদের কাছ থেকে সব ধরনের প্রত্যাশিত সহযোগিতা রেলওয়ে দ্বারা গ্রহণ করা হবে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share