Tag: Indian Railway

Indian Railway

  • Local Train: এবার তারকেশ্বর লাইনে ট্রেন ছুটবে ঘণ্টায় ১২০ কিমি বেগে, সফল ট্রায়াল রান

    Local Train: এবার তারকেশ্বর লাইনে ট্রেন ছুটবে ঘণ্টায় ১২০ কিমি বেগে, সফল ট্রায়াল রান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তারকেশ্বর লাইনের যাত্রীদের জন্য সুখবর দিল ভারতীয় রেল। এই লাইনে ট্রেনের গতিবেগ অনেকটাই বাড়তে চলেছে। বুধবার তার ট্রায়াল রানও (Local Train) সফল হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, এর ফলে যাতায়াতের সময় অনেকটাই কমে যাবে এবং যাত্রীদের সময় অনেকটাই বাঁচবে। অফিস টাইমের নিত্যযাত্রীরা এতে খুশি। তবে যাত্রী মহলের একাংশ তারকেশ্বর লাইনে ট্রেনের সংখ্যা আরও বাড়ানোর পক্ষে দাবি তুলেছেন।

    পরীক্ষামূলক ট্রেন ছোটে বুধবার

    রেল সূত্রে খবর মিলেছে, বর্তমানে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে শেওড়াফুলি-আরামবাগ লাইনে ছোটে লোকাল ট্রেন (Local Train)। ১৫টি স্টেশন চলতে দিতে সময় লাগে প্রায় দেড় ঘণ্টা মতো। ভবিষ্যতে এই পথেই ট্রেনের সর্বাধিক গতিবেগ হতে চলেছে ১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়। রেলের তরফে বুধবারই জানানো হয়েছে, পরীক্ষামূলক ভাবে তারকেশ্বর থেকে দুপুর ২টো নাগাদ চার কামরার একটি ট্রেন চালানো হয়েছে। বুধবার ট্রেনটি শেওড়াফুলি পৌঁছয় দুপুর ২টো বেজে ২৭ মিনিটে। অর্থাৎ, মাত্র ২৭ মিনিটে ট্রেনটি অতিক্রম করেছে ৩৪ কিলোমিটার পথ। রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বুধবার ট্রায়াল রানে ট্রেনের সর্বাধিক গতিবেগ ছিল ১২৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় অন্যদিকে গড় গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার। এই হিসাব অনুযায়ী, শেওড়াফুলি-আরামবাগ লাইনের ওই ১৫টি স্টেশন মাত্র এক ঘণ্টায় পাড়ি দেওয়া সম্ভব হবে।

    কী বলছেন শেওড়াফুলির স্টেশন ম্যানেজার

    শেওড়াফুলির স্টেশন ম্যানেজার রাম আধার প্রসাদ বলেন, ‘‘ট্রেনের (Local Train) গতি বাড়লে যাত্রীদের সুবিধা হবে। অনেক কম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছতে পারবেন যাত্রীরা। এখন ৮০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলে। ভবিষ্যতে গতিবেগ হতে পারে ১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়। আজ তার ট্রায়াল রান হয়েছে। সেটি সফলও হয়েছে। ওই গতিতে ট্রেন কবে থেকে ছুটবে, তা রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা ঠিক করবেন।’’

     

    আরও পড়ুন: আরও চাপে শাহজাহান! বিজেপি কর্মী খুনের মামলার কেস ডায়েরি চাইল হাইকোর্ট

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railways: মোদি জমানায় গত ৯ বছরে নিয়োগ ৫ লক্ষ! পরিসংখ্যান পেশ ভারতীয় রেলের

    Indian Railways: মোদি জমানায় গত ৯ বছরে নিয়োগ ৫ লক্ষ! পরিসংখ্যান পেশ ভারতীয় রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি জমানায় বেড়েছে কর্মসংস্থান। গত ৯ বছরে ৫ লাখ নিয়োগ করেছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। শুক্রবারই প্রেস বিবৃতি দিয়ে একথা জানিয়েছে পূর্ব রেল। ওই প্রেস বিবৃতিতে পূর্বতন ইউপিএ সরকারের সঙ্গে তুলনাও টানা হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত মনমোহন সরকার ১০ বছরে নিয়োগ করতে পেরেছিল ৪ লাখ ১১ হাজার প্রার্থীকে। অর্থাৎ কংগ্রেস জমানায় প্রতি বছর গড়ে নিয়োগ হয়েছিল ৪১ হাজার। অন্যদিকে মোদি জমানায় প্রতি বছর গড়ে নিয়োগ হয়েছে ৫২ হাজার।

    গত ১ বছরে রেলে নিয়োগ দেড় লাখ

    এর মধ্যে করোনার সময়কালে দেশে সব ধরনের নিয়োগ বন্ধ ছিল। তাই ২ বছর বাদ দিলে প্রতি বছর নিয়োগের গড় দাঁড়াচ্ছে ৬২ হাজার। যা মনমোহন জমানার থেকে অনেকটাই বেশি। শুক্রবার রেলের (Indian Railways) তরফ থেকে প্রকাশিত ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এও বলা হয়েছে, গত বছরে রেল রেকর্ড সংখ্যক নিয়োগ করতে পেরেছে। এই সংখ্যা দেড় লাখ। ৯ নভেম্বর প্রকাশিত ওই প্রেস বিবৃতিতে রেল জানিয়েছে, ৫ লাখ নিয়োগই হয়েছে স্বচ্ছভাবে। কোথাও কোনও দুর্নীতি হয়নি। পশ্চিমবঙ্গের একাধিক নিয়োগ দুর্নীতি যখন সামনে আসছে, সেই আবহে রেলের স্বচ্ছ নিয়োগ কেন্দ্র সরকারের প্রতি চাকরি প্রার্থীদের আস্থা আরও দৃঢ় করল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বছর ঘুরলেই রয়েছে লোকসভা ভোট।

    নতুন ৫,৬০০ কিমি রেলপথ সম্প্রসারণ ১ বছরে

    রেলে এই বিপুল কর্মসংস্থান মোদি সরকারকে অ্যাডভান্টেজ দেবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। রেলের তরফে বলা হয়েছে, করোনাকালে বিশ্বের সর্বত্র আর্থিক মন্দা চললেও রেলের (Indian Railways) নিয়োগের গড় প্রতি বছর ৫০ হাজারের নিচে নামেনি। এছাড়াও  গত ১ বছরে ৫,৬০০ কিমি নতুন রেলপথ সম্প্রসারণের কাজ হয়েছে বলে জানিয়েছে রেল। এর ফলে পরোক্ষভাবে ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেলপথ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিল কেন্দ্র, শুরু হল জমি জরিপের কাজ

    Nadia: কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেলপথ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিল কেন্দ্র, শুরু হল জমি জরিপের কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর খুব বেশিদিন নয়, নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর থেকে করিমপুর যেতে শুধু বাসের উপর জেলার মানুষকে নির্ভর করতে হবে না। কৃষ্ণনগর থেকে ট্রেনে চড়েই সোজা তেহট্ট, করিমপুর পৌঁছে যেতে পারবেন এই এলাকার মানুষ। করিমপুর, তেহট্ট এলাকার লক্ষ লক্ষ মানুষের দাবি মেনেই এবার কৃষ্ণনগর থেকে করিমপুর পর্যন্ত রেল লাইন সম্প্রসারণে উদ্যোগী হল কেন্দ্রীয় সরকার। রেল লাইন তৈরি প্রস্তাব দিয়েছে এমন নয়। চলতি বছরের অগাস্ট মাসেই রেল সম্প্রসারণের জন্য জমি জরিপের কাজ শুরু করেছে রেল মন্ত্রক। এতদিন এই রেল লাইন সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। রেল চলাচল শুরু হওয়ার দেড়শো বছর পরও করিমপুর, তেহট্ট রেল মানচিত্রের বাইরে রয়েছে।

    রেলপথ সম্প্রসারণে রেল কী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে? (Nadia)

    সিপাহী বিদ্রোহের পর পরই শিয়ালদা থেকে নদিয়ার (Nadia) গেদে হয়ে বাংলাদেশের কুষ্টিয়া পর্যন্ত ১৩৫ কিলোমিটার রেলপথ তৈরি করা হয়েছিল। আর ১৮৬২ সাল নাগাদ প্রথম এই রেল লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল করা শুরু করেছিল। পরবর্তীকালে রানাঘাট-কৃষ্ণনগর হয়ে লালগোলা পর্যন্ত রেল লাইন সম্প্রসারিত হয়। নদিয়ার বুকে রেল চলাচলের প্রায় দেড়শো বছরের বেশি সময় আগে রেল চলাচল শুরু হলেও করিমপুর আজও রেল মানচিত্রের বাইরে। করিমপুর, তেহট্ট, পলাশীপাড়া সহ এই এলাকার লক্ষ লক্ষ মানুষকে চলাচলের জন্য নির্ভর করতে হয় বাস কিংবা প্রাইভেট গাড়়ির উপর। এবার সেই করিমপুর, তেহট্টকে রেল মানচিত্রের মধ্যে আনতে চলেছে মোদি সরকার। করিমপুরের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের সুবিধার জন্য ৮০ কিলোমিটার সমীক্ষার অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই বছরের অগাস্টে ইতিমধ্যেই জমা দেওয়া ধারণাগত পরিকল্পনার সঙ্গে মাটি অনুসন্ধানের কাজ, টপোগ্রাফি জরিপ এবং ট্রাফিক জরিপ চলছে। অবিচ্ছিন্ন করিডোর সৃষ্টির লক্ষ্যে জমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা প্রস্তুত করার জন্য গ্রামের মানচিত্র সরবরাহ করে সাহায্যের জন্য রেলওয়ে বিভিন্ন মৌজা এবং ব্লক এলাকার ব্লক এবং সংস্কার অফিসারদের চিঠি পাঠিয়েছে রেল। অগাস্ট থেকে জরিপের কাজ শুরু করে রেলওয়ে ইতিমধ্যেই সমীক্ষার একটি অগ্রসর পর্যায়ে পৌঁছেছে। আশা করা হচ্ছে যে কৃষ্ণনগর-করিমপুর নতুন লাইনের জন্য সম্পূর্ণ জরিপ কাজ ছয় মাসের মধ্যে শেষ হবে। এরপর সম্ভাব্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, নদিয়া (Nadia) জেলায় তেহট্ট, করিমপুর, বেতাই, পলাশীপাড়া সব সময় অবহেলিত। এই সব এলাকার লক্ষ লক্ষ মানুষের গণ পরিবহণের ভরসা বাস। পলাশী বা কৃষ্ণনগর স্টেশনে পৌঁছাতেও এই সব এলাকার মানুষের ভরসা বাস। ফলে, দীর্ঘদিন ধরে কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেল লাইন চালু করার আমরা দাবি জানিয়েছি। এর আগে অনেক রাজনৈতিক দল এই রেল সম্প্রসারণের ইস্যুটিকে তুলে ধরে রাজনৈতির ফয়দা তুলেছে। কিন্তু, বাস্তবে কাজের কাজ কিছু হয়নি। এবার কেন্দ্রীয় সরকার এই রেলপথ সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়ায় ভাল লাগছে। রেলপথ তৈরি হলে এই এলাকার লক্ষ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন।

    রেল আধিকারিক কী বললেন?

    পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যন্ত অঞ্চলের এমনকী আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি করার লক্ষ্যে কেন্দ্র সরকারের লক্ষ্যের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য, রাজ্য সরকারের আধিকারিকদের কাছ থেকে সব ধরনের প্রত্যাশিত সহযোগিতা রেলওয়ে দ্বারা গ্রহণ করা হবে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: অন্ধ্রপ্রদেশে মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত ১৪, আহত অন্তত ৫০

    Train Accident: অন্ধ্রপ্রদেশে মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত ১৪, আহত অন্তত ৫০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের জুন মাসে ওড়িশার বালাসোরের ট্রেন দুর্ঘটনার স্মৃতি এখনও মুছে যায়নি। এরই মধ্যে রবিবার অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়নগরম জেলায় ফের ঘটল ট্রেন দুর্ঘটনা (Train Accident)। প্যাসেঞ্জার ট্রেনের সঙ্গে এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষে লাইনচ্যুত অন্তত তিনটি কোচ। শেষ খবর মেলা পর্যন্ত দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন ১৪ জন এবং আহতের সংখ্যা ৫০-এর বেশি। রেল সূত্রে খবর, কর্মীদের ভুলের জন্যই ঘটেছে এই দুর্ঘটনা। প্রাথমিক ভাবে রেল কর্তৃপক্ষের ধারণা, ‘ওভারশ্যুটিং’-এর কারণে দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। মৃতদের পরিবারের উদ্দেশে সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিহতদের পরিবারপিছু ২ লক্ষ টাকা ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী৷ পিএমও জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী দুর্ঘটনার বিষয়ে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত জেনেছেন৷

    ক্ষতিপূরণ ঘোষণা রেলের

    রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ট্যুইট করে বলেন, রেলের পক্ষ থেকে দুর্ঘটনায় (Train Accident) মৃতদের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা, গুরুতর জখমদের ২ লাখ টাকা এবং সামান্য যাঁরা আহত হয়েছেন তাঁদের ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এই ঘটনায় হেল্পলাইনও প্রকাশ করেছে রেল।

    ইস্ট কোস্ট রেলওয়ের তরফে হেল্পলাইন প্রকাশ করা হয়েছে। ভুবনেশ্বরের হেল্পলাইন নম্বর ০৬৭৪-২৩০১৬২৫, ২৩০১৫২৫, বিশাখাপত্তনমের হেল্পলাইন নম্বর ০৮৯১-২৮৮৫৯১৪।

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা

    জানা গিয়েছে, প্যাসেঞ্জার ট্রেনটি বিশাখাপত্তনম থেকে অন্ধ্রপ্রদেশের রায়গড়ার উদ্দেশে যাচ্ছিল। মাঝপথে ট্রেনের ওভারহেড তার ছিঁড়ে যাওয়ায় সেটি দাঁড়িয়ে পড়ে। তখনই ধাক্কা দেয় (Train Accident) পালাসা এক্সপ্রেস। এক্সপ্রেস ট্রেনটি বিশাখাপত্তনম থেকে পালাসার দিকে যাচ্ছিল। এই সংঘর্ষের ফলে প্যাসেঞ্জার ট্রেনের তিনটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে। দ্রুত উদ্ধার কাজ শুরু হয় স্থানীয়দের সহযোগিতায়। প্রসঙ্গত, গত জুন মাসেই করমণ্ডল এক্সপ্রেসের সঙ্গে মালগাড়ির সংঘর্ষে বালাসোরে ট্রেন দুর্ঘটনায় মারা যান ২৮০ জন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: ১০৫ বছরে রেল বোর্ডের চেয়ারপার্সন পদে প্রথম মহিলা, দায়িত্বে জয়া বর্মা সিংহ

    Indian Railway: ১০৫ বছরে রেল বোর্ডের চেয়ারপার্সন পদে প্রথম মহিলা, দায়িত্বে জয়া বর্মা সিংহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০৫ বছরের ইতিহাসের রেলওয়ে (Indian Railway) বোর্ডের চেয়ারপার্সন পদে বসলেন কোনও মহিলা। এই পদে কেন্দ্রীয় সরকার নিয়োগ করল জয়া বর্মা সিংহকে। জানা গিয়েছে, রেল (Indian Railway) বোর্ডের চেয়ারপার্সন হওয়ার আগে জয়া বর্মা সিংহ নর্দান রেল, সাউথ ইস্টার্ন রেল, ইস্টার্ন রেলে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছেন। তিনি ছিলেন রেল বোর্ডের (Indian Railway) সদস্য। জয়া বর্মা সিংহের পড়াশোনা এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

     ১ সেপ্টেম্বর থেকে দায়িত্বভার বুঝে নেবেন জয়া বর্মা সিংহ

    ১৯৮৮ সালে ইন্ডিয়ান রেলওয়ে (Indian Railway) ট্রাফিক সার্ভিসে জয়া বর্মা সিংহ যোগদান করেন। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানা গিয়েছে রেল বোর্ডের চেয়ারপার্সন এবং সিইও পদে জয়া বর্মা সিংহার নিয়োগ করেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিয়োগ কমিটি। জয়া বর্মা সিংহের আগে এই পদে ছিলেন অনিল কুমার লাহোতি। শনিবার ১ সেপ্টেম্বর থেকে নিজের দায়িত্বভার বুঝে নেবেন জয়া বর্মা সিংহ। আগামী ২০২৪ সালের ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত এই পদে বহাল থাকবেন তিনি। জয়া বর্মা সিংহের অবসর নেওয়ার কথা রয়েছে চলতি বছরের ১ অক্টোবর। তবে সেদিনই তাঁকে আবার নিজের পদে পুনর্বহাল করা হবে।

    আরও পড়ুুন: তৃণমূল সমাবেশে বেফাঁস মন্তব্য, চটে লাল রাজবংশী, মতুয়ারা, মমতাকে নিশানা শুভেন্দুরও

    বালাসোরের ট্রেন দুর্ঘটনার সময় থেকেই সামনে আসেন জয়া বর্মা সিংহ

    রেলের (Indian Railway) অত্যন্ত দক্ষ আধিকারিক বলে পরিচিত জয়া বর্মা সিংহ সামনে আসেন ওড়িশার করমন্ডল এক্সপ্রেস (Indian Railway) দুর্ঘটনার সময় থেকেই। বাংলাদেশের ভারতীয় হাই কমিশনেও তিনি কাজ করেছেন। কলকাতা-ঢাকা মৈত্রী এক্সপ্রেস পরিষেবাতেও ভূমিকা রয়েছে তাঁর। তাঁর দক্ষতা এতটাই ছিল যে রেলের যে কোনও জটিল সিগনাল সিস্টেমকে অত্যন্ত সহজ ভাবে তা সংবাদমাধ্যমের সামনে উপস্থাপনা করতে পারতেন তিনি। বালাসোরে ট্রেন দুর্ঘটনার সময়ে তাঁকে সাংবাদিক সম্মেলন করতে দেখা যেত। ৩৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারতীয় রেলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন জয়া বর্মা সিংহ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: নতুন রুটে ভারত-বাংলাদেশ ট্রেনের চাকা গড়াচ্ছে সেপ্টেম্বরেই

    Indian Railway: নতুন রুটে ভারত-বাংলাদেশ ট্রেনের চাকা গড়াচ্ছে সেপ্টেম্বরেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের সেপ্টেম্বরেই ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে নতুনরুটে ছুটবে ট্রেন (Indian Railway)। ভারতীয় রেলের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে আগামী মাসেই ট্রায়াল রান শুরু করা হবে। প্রসঙ্গত, নতুন রুটের এই ট্রেনে ত্রিপুরার নিশ্চিন্তপুর থেকে বাংলাদেশের গঙ্গাসাগর রেলস্টেশনের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করবে। তারপরেই শুরু হবে বাণিজ্যিকভাবে রেল পরিষেবা। এখনও পর্যন্ত যা জানা গেছে তাতে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সেপ্টেম্বর মাসের ৯ এবং ১০ তারিখে নিশ্চিন্তপুর-গঙ্গাসাগর রেলস্টেশনের মধ্যে ট্রায়াল রান শুরু করবে। পরবর্তীকালে, ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলার সঙ্গে এই রুট (Indian Railway) যুক্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    আগরতলা থেকে মাত্র ১০ ঘণ্টায় কলকাতা পৌঁছানো সম্ভব হবে

    রেল (Indian Railway) সূত্রে খবর, এই রেলপথটি চালু হলে ভারত-বাংলাদেশ দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক অনেকটাই উন্নত হবে। সেই সঙ্গে দুই দেশে কম সময়ে এবং কম খরচে আরও বেশি করে পণ্য আমদানি-রফতানি করা যাবে। যার ফলে ব্যবসা বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এই ট্রেনে চেপে আগরতলা থেকে মাত্র ১০ ঘণ্টায় কলকাতা পৌঁছানো সম্ভব হবে। রেল (Indian Railway) প্রকল্পটির বাংলাদেশ অংশের নির্মাণের ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪১ কোটি টাকা। ২০২০ সালের মধ্যেই এর কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু করোনার কারণে সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করা যায়নি। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে দিল্লিতে বসছে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন। সেখানে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের ফাঁকে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেখানে উঠতে পারে ভারত-বাংলাদেশ এই রেল (Indian Railway) প্রকল্পের কথা।

    কী বলছেন বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী?

    অন্যদিকে, বাংলাদেশের সঙ্গে আরও যোগাযোগ বাড়াতে চাইছে ত্রিপুরা। জানা গেছে আগরতলার বিমানবন্দর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিমান চালানোর উদ্যোগ নেওয়া শুরু হয়েছে। এরই সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তে ডাবল লাইন রেলপথ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্য নিয়ে আপাতত নতুন চারটি রুটও খুলে দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন সান্তনা চাকমা, ‘‘বাংলাদেশে পণ্য পরিবহণের জন্য ভারতীয় ব্যবসায়ীরা চট্টগ্রাম এবং মংলা বন্দর ব্যবহার করতে পারবেন। এই দুটি বন্দরে (Indian Railway) প্রবেশ করা এবং ব্যবহার করা অনুমতি দেওয়ার ব্যাপারে ভারত ও বাংলাদেশ একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। আমরা উত্তরপূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির সঙ্গে আরও বেশি বাণিজ্য করতে চাইছি। এই জন্য ত্রিপুরা ও উত্তর-পূর্বের অন্যান্য রাজ্য থেকে পণ্য স্থানান্তরের জন্য বাংলাদেশ সরকার চারটি রুট খুলে দিয়েছে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: সুকান্ত-রেলমন্ত্রী বৈঠক, বালুরঘাট-হিলি রেলপথ সম্প্রসারণে বরাদ্দ আরও ১৫৫ কোটি

    Sukanta Majumdar: সুকান্ত-রেলমন্ত্রী বৈঠক, বালুরঘাট-হিলি রেলপথ সম্প্রসারণে বরাদ্দ আরও ১৫৫ কোটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে দেখা করে কয়েক দিন আগেই উত্তর দিনাজপুর জেলার রেল প্রকল্পগুলি নিয়ে এক দফা আলোচনা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তার পরেই বালুরঘাট-হিলি রেললাইন সম্প্রসারণের কাজে মঞ্জুর হল আরও ১৫৫ কোটি টাকা। জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ার মুখে, এই খবর সামনে আসতেই জেলার কমবেশি সব মহলেই খুশির হাওয়া বইছে।

    নভেম্বর মাস থেকে ফের শুরু হয় বালুরঘাট-হিলি রেলপথ নির্মাণের কাজ

    জানা গিয়েছে, এই টাকা ইতিমধ্যে উত্তর পূর্ব রেলের তরফে পাঠানো হয়েছে জেলা প্রশাসনের দফতরে। এর আগে গত ৩১ জুলাই ৮৪ কোটি টাকা পাঠিয়েছিল কেন্দ্র। জেলার রেল প্রকল্পগুলির কাজ দ্রুত গতিতে শেষ করার জন্য কেন্দ্র সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে এতে স্বভাবতই খুশি বালুরঘাটের সাংসদ (Sukanta Majumdar)। ইতিমধ্যে এই নিয়ে তিনি রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, বালুরঘাট-হিলি রেলপথের কাজ বন্ধ ছিল, হাইকোর্টের নির্দেশে গত বছরের নভেম্বর মাস থেকে ফের শুরু হয় কাজ। ২০১৯ সালে এই প্রকল্পে ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করে রেল।

    আরও পড়ুন: ৩৫১ কোটির ব্যাঙ্ক জালিয়াতি! আলিপুরের অভিজাত আবাসনে হানা সিবিআইয়ের

    কী কী ছিল সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) দাবি?

    জানা গিয়েছে, শুধু বালুরঘাট-হিলি রেলপথ সম্প্রসারণ নয়, এর পাশাপাশি গাজোল থেকে গুঞ্জরিয়া ভায়া ইটাহার রেলপথ সম্প্রসারণ প্রকল্পটিরও কথা বলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)। পাশাপাশি প্রস্তাবিত বুনিয়াদপুর-কালিয়াগঞ্জ রেলপথের সম্প্রসারণের বিষয়ে রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয় তাঁর (Sukanta Majumdar)। এর সঙ্গে বালুরঘাট-শিয়ালদহ একটি নতুন রেলপথ চালুর কথাও বলেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। বালুরঘাট থেকে ভেলোর পর্যন্ত একটি নতুন ট্রেন চালুর দাবিও জানিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। জানা গিয়েছে বালুরঘাট-হিলি রেলপথ সম্প্রসারণের কাজে মোট বাজেট ধরা হয়েছে ২৯৯ কোটি টাকা। তার মধ্যে ২৪৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্র। বাকি এখনও ৫৫ কোটি টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: ১৫ অগাস্টের ছুটিতে গন্তব্য উত্তরবঙ্গ! স্পেশাল ট্রেন চালাচ্ছে রেল, জানেন তো?

    Indian Railway: ১৫ অগাস্টের ছুটিতে গন্তব্য উত্তরবঙ্গ! স্পেশাল ট্রেন চালাচ্ছে রেল, জানেন তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে স্পেশাল ট্রেন চালাবে ভারতীয় রেলওয়ে (Indian Railway)। ঘুরতে পেলে বাঙালি যে আর কিছুই চায় না! একথা ভারতীয় রেল নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছে। ভ্রমণপিপাসু বাঙালি স্বাধীনতা দিবসের ছুটি উপভোগ করতে পারবেন উত্তরবঙ্গের কোনও অরণ্য বা পার্বত্য নদীর কিনারায়। অন্তত ভারতীয় রেলের (Indian Railway) উদ্যোগ তেমনই। চলতি বছরের স্বাধীনতা দিবস পড়েছে মঙ্গলবার। সোমবার অবশ্য ১৪ অগাস্ট, কর্মক্ষেত্রে এই দিনটি ম্যানেজ করতে পারলেই আর চিন্তা নেই। কারণ ১২ ও ১৩ অগাস্ট হচ্ছে শনিবার ও রবিবার। আপনার যে কোনও ভাবে চারদিনের একটি ছোটখাট ট্যুর হয়ে যেতেই পারে।

    কবে ছাড়ছে স্পেশাল ট্রেন

    এই সমস্ত দিক বিবেচনা করে ০৩১০৩ শিয়ালদা-নিউ জলপাইগুড়ি এক্সপ্রেস স্পেশাল ট্রেন (Indian Railway) চালানোর বন্দোবস্ত করছে ভারতীয় রেল। রেলের তরফে জানা গিয়েছে, আগামী ১১ অগাস্ট শুক্রবার রাতে শিয়ালদহ থেকে ছাড়বে স্পেশাল ট্রেন। রাত ১১টা ৪০মিনিটে শিয়ালদহ স্টেশন ছেড়ে, এই ট্রেন নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনের উদ্দেশে রওনা দেবে। ভ্রমণপ্রিয় বাঙালিকে নিয়ে ছুটবে উত্তরবঙ্গের মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশের দিকে। ট্রেনের এই যাত্রাপথে নৈহাটি, ব্যান্ডেল কাটোয়া, আজিমগঞ্জ, জঙ্গিপুর, মালদা স্টেশনে দাঁড়াবে এই ট্রেন। শনিবার, ১২ অগাস্ট ঠিক বেলা ১০:৪৫ মিনিট নাগাদ এই ট্রেন পৌঁছাবে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে। তারপর নিজের মতো করে পর্যটকরা কেউ পৌঁছাবেন পার্বত্য দার্জিলিং, সিকিমে অথবা ডুয়ার্সের কোনও রিসর্টে।

    কবে কাটতে পারবেন স্পেশাল ট্রেনের টিকিট

    রেলের তরফে জানানো হয়েছে, আজ, বৃহস্পতিবার ১০ অগাস্ট সকাল আটটা থেকে যে কোনও সংরক্ষণের জন্য নির্ধারিত টিকিট কাউন্টার থেকে এই ট্রেনের (০৩১০৩ শিয়ালদা-নিউ জলপাইগুড়ি এক্সপ্রেস) জন্য টিকিট কাটা যাবে। তবে যাত্রীরা তৎকাল টিকিটের সুবিধা পাবেন না এই ট্রেনে। ট্রেনে এসি কোচের সুবিধাও মিলবে। তবে অন্যান্য ট্রেনের থেকে এই স্পেশাল ট্রেনের (Indian Railway) ভাড়া একটু বেশি পড়বে। তবে তাতে নিশ্চিতভাবেই হতাশ হবেন না ভ্রমণপ্রিয় বাঙালি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India-Bangladesh Trade: আগরতলা থেকে বাংলাদেশে ছুটবে ট্রেন, উন্নতি দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কে

    India-Bangladesh Trade: আগরতলা থেকে বাংলাদেশে ছুটবে ট্রেন, উন্নতি দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সপ্তাহেই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রুপিতে বাণিজ্য শুরু হয়েছে। এবার বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্ক (India-Bangladesh Trade) আরও নিবিড় করতে উদ্যোগ নিয়েছে দুই দেশই। সম্প্রতি, আগরতলা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিমান পরিষেবা চালু হবে বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে আগরতলা থেকে ঢাকা পর্যন্ত ট্রেনও চলতি বছরে চালানো হবে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে কলকাতা থেকে ত্রিপুরা সহজে পৌঁছানো যাবে। এছাড়াও বাংলাদেশ সীমানা লাগোয়া ত্রিপুরার সাব্রুম পর্যন্ত ডবল লাইন রেলপথও তৈরি করা হবে বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্য গুলির সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক (India-Bangladesh Trade) আরও মজবুত করার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশের সরকার। সফলভাবে বাণিজ্য যাতে চালু হয় সেজন্য চারটি রুট আপাতত খুলেছে বাংলাদেশ সরকার। এগুলি হল,চট্টগ্রাম বন্দর-আখাউরা-আগরতলা, মংলা বন্দর-আখাউরা-আগরতলা, চট্টগ্রাম-বিবিরবাজার-শ্রীমন্তপুর এবং মংলা বন্দর-বিবিরবাজার-শ্রীমন্তপুর।

    কী বলছেন বাংলাদেশের শিল্পমন্ত্রী? 

    এ বিষয়ে বাংলাদেশের শিল্পমন্ত্রী সান্তনা চাকমা বলেন, ‘‘ভারতের বাণিজ্যিক পণ্য যাতে সহজে আমদানি করা যায়, সেজন্য চারটি রুট চালু করা হল।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘বাংলাদেশের পণ্য পরিবহনের (India-Bangladesh Trade) জন্য ভারতীয় ব্যবসায়ীরা চট্টগ্রাম এবং মংলা বন্দর ব্যবহার করতে পারবেন।’’ এই দুটি বন্দরের ব্যবহার এবং প্রবেশ করার বিষয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।  এর পাশাপাশি দু’দেশের বাণিজ্যিক (India-Bangladesh Trade) সম্পর্ককে দৃঢ় করতে বাংলাদেশের সীমান্ত লাগোয়া অনেক স্থানে সীমান্ত হাট গড়ে তোলার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। ত্রিপুরা এবং বাংলাদেশের সীমান্তের জিরো পয়েন্টে ওই হাটগুলি নির্মিত হবে বলে জানা গিয়েছে।

    চলতি বছরেই শুরু হচ্ছে আগরতলা-বাংলাদেশ রেল যোগাযোগ 

    অন্যদিকে চলতি বছরেই  আগরতলা-বাংলাদেশ (India-Bangladesh Trade) রেল যোগাযোগ চালু হবে বলে জানিয়েছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। প্রসঙ্গত, ৫০৮টি রেলওয়ে স্টেশনকে আধুনিকীকরণের জন্য রবিবার ভার্চুয়ালিভাবে ভিত্তিপ্রস্থ স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই অনুষ্ঠানে হাজির থেকে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা বলেন,  ‘‘প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক প্রচেষ্টায় রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রভুত উন্নতি হয়েছে ত্রিপুরায়। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও রেল যোগাযোগ সম্প্রসারিত হচ্ছে। চলতি বছরেই আগরতলা হয়ে বাংলাদেশ রেল যোগাযোগ চালু হবে।’’ মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘এখন আগরতলা উদয়পুর হয়ে সাব্রুম পর্যন্ত রেল চালু হয়েছে। রেলওয়ে লাইন এখন আগরতলা হয়ে বাংলাদেশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। চলতি বছরেই আগরতলা থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত রেল যোগাযোগ চালু হবে। এতে মাত্র ১০ ঘণ্টায় বাংলাদেশ হয়ে কলকাতা পৌঁছানো যাবে, যা কোনওদিন ভাবা যায়নি। আর এটা একমাত্র সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর চিন্তা ভাবনার কারণে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: নতুন বছরে স্বল্প আয়ের লোকজনকে উপহার রেলের! বছরভর চলবে স্পেশাল ট্রেন, কেন জানেন?

    Indian Railway: নতুন বছরে স্বল্প আয়ের লোকজনকে উপহার রেলের! বছরভর চলবে স্পেশাল ট্রেন, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ভারতীয় রেলের (Indian Railway)। এবার স্বল্প আয়ের লোকজনের কথা ভেবে সাধারণ শ্রেণির নন-এসি ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। সচরাচর এই বিশেষ ধরনের ট্রেন চালানো হয় গ্রীষ্মকাল এবং উৎসবের মরশুমে। তবে নয়া এই যে ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে, তা চলবে বছরভর। সারা বছরই দেশের পরিযায়ী শ্রমিকরা বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াত করেন।

    বিশেষ ট্রেন চালানোর কারণ

    সাধারণ ট্রেনে টিকিটের চাহিদা বেশি থাকায় তাঁদের দীর্ঘ দিন অপেক্ষা করতে হয়। শুধু তাই নয়, ভাড়াও গুণতে হয় বেশি। মূলত তাঁদের কথা ভেবেই সাধারণ শ্রেণির নন-এসি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল বোর্ড। জানা গিয়েছে, যে সব রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা বেশি, সেই সব রাজ্যগুলিকে চিহ্নিত করে চালানো হবে এই স্পেশাল ট্রেন (Indian Railway)। রেল সূত্রে খবর, এক বিশেষ সমীক্ষার পরে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রেল কর্তৃপক্ষ। রেল বোর্ডের এক প্রবীণ আধিকারিক জানান, নতুন বছরের শুরু থেকেই চালানো হতে পারে নয়া ট্রেনগুলি।

    স্পেশাল ট্রেনগুলির বৈশিষ্ট্য 

    জানা গিয়েছে, নতুন যে স্পেশাল ট্রেনগুলি চালানো হবে, সেগুলিতে নন-এসি এলএইচবি কোচ থাকবে এবং পরিষেবা মিলবে কেবল স্লিপার ও সাধারণ বিভাগের। তবে এই ট্রেনগুলির কী নাম হবে, তা এখনও ঠিক হয়নি। প্রসঙ্গত, করোনা অতিমারির সময় পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়িতে ফেরাতে বিশেষ ট্রেন চালিয়েছিল ভারতীয় রেল।

    আরও পড়ুুন: ‘অষ্টলক্ষ্মী’র সঙ্গে মোদির বৈঠকে হরেক রকম! জানেন কী কী রয়েছে খাদ্য তালিকায়?

    রেল সূত্রে খবর, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ছত্তিশগড়, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ, পঞ্জাব, অসম, গুজরাট, দিল্লি, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু এবং অন্ধ্রপ্রদেশের জন্য ওই স্পেশাল ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। রেল আধিকারিকদের মতে, এই রাজ্যগুলির বিভিন্ন পেশার মানুষ কাজের খোঁজে ভিন রাজ্যের মেট্রো ও বড় শহরগুলিতে যান। মূলত তাঁদের জন্যই চালানো হবে এই স্পেশাল ট্রেন। এই ট্রেনে কেবল স্লিপার-জেনারেল ক্লাস কোচ ব্যবহার করা হবে। স্পেশাল এই ট্রেনগুলিতে ২২ থেকে ২৬টি কোচ থাকবে। ট্রেন চলবে বছরভর, স্থায়ীভাবে। রেল (Indian Railway) সূত্রে খবর, এই ট্রেনগুলি টাইম টেবিলের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। যাত্রীরা যাতে আগে থেকেই রিজার্ভেশন করতে পারেন, তাই এই ব্যবস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share