Tag: Indian Railway

Indian Railway

  • Indian Railway: ‘অমৃত ভারত’ প্রকল্পে বাংলার ৩৭ স্টেশন হবে বিশ্বমানের, রবিবার উদ্বোধনে মোদি

    Indian Railway: ‘অমৃত ভারত’ প্রকল্পে বাংলার ৩৭ স্টেশন হবে বিশ্বমানের, রবিবার উদ্বোধনে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলকে (Indian Railway) বলা হয় দেশের লাইফ লাইন। তাই যাত্রী সাধারণের কথা মাথায় রেখে ভারতের রেলওয়ে স্টেশনগুলোকে বিশ্বমানের গড়ে তুলতে উদ্যোগী হয়েছে মোদি সরকার। জানা গিয়েছে ১ হাজার ৩৯টি রেল স্টেশনকে নতুন ভাবে গড়ে তোলা হবে। এভাবেই হবে অমৃত ভারত রেল স্টেশনের (Indian Railway) সূচনা। জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে পশ্চিমবঙ্গের ৩৭টি স্টেশন রয়েছে এবং সারাদেশে ৫০৮ টি রেলস্টেশন কে বেছে নেওয়া হয়েছে। রেল স্টেশনে এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকারকে পাঠানো অশ্বিনী বৈষ্ণবের চিঠি সামনে এসেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, বাংলা বর্তমানে প্রায় ৫১ হাজার কোটি টাকার রেল প্রকল্পের কাজ চলছে। মোট ৯৮টি স্টেশনকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলিকে বিশ্বমানের গড়ে তোলা হবে। ওই চিঠিতে এও জানানো হয়েছে প্রথম পর্যায়ে কাজ চলবে ৩৭ স্টেশনের।

    কী বলছেন পূর্ব রেলের জেলারেল ম্যানেজার

    এ বিষয়ে পূর্ব রেলের (Indian Railway) জেনারেল ম্যানেজার অমরপ্রকাশ ত্রিবেদী বলেন, ‘‘আধুনিকীকরণের পথে ভারতীয় রেলওয়ে। দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে সারা দেশে এর কাজ। রেলস্টেশনের পুনঃনির্মাণের কাজ চলছে। প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির যোগ্য দিশা নির্দেশে আমাদের দেশ অমৃত কালের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় রেলওয়ে নেটওয়ার্কের স্টেশনগুলির বিকাশের যে স্বপ্ন দেখেছেন তা প্রতিটা ভারতীয় স্বপ্ন।’’

    রবিবার অমৃত ভারত প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন মোদি 

    অমৃত ভারত প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৬ অগাস্ট, বেলা ১১:০০ টায়।  পূর্ব রেলের (Indian Railway) অধীনে থাকা ২৮ টি স্টেশনে লাগবে আধুনিকতার ছোঁয়া। যার মধ্যে আসানসোল ডিভিশনের পাঁচটি স্টেশন। হাওড়া ডিভিশনের ন’টি স্টেশন। মালদা ডিভিশনের ৭ টি স্টেশন এবং শিয়ালদহ ডিভিশনের ৭ টি স্টেশন। এই ২৮ টি স্টেশন এর মধ্যে ২১টি পশ্চিমবঙ্গে, ৫টি বিহারে, ২টি স্টেশন ঝাড়খণ্ডে পড়েছে। মোট খরচ হবে এর জন্য ১১৮৭ কোটি টাকা। পূর্ব রেলের অধীনে সবথেকে বেশি ব্যয় হবে আসানসোল স্টেশনের জন্য। ৪৩১ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে আসানসোলের জন্য। অন্যদিকে বর্ধমানের জন্য ব্যয় করা হচ্ছে ৬৪.২ কোটি টাকা। মালদার জন্য ব্যয় হবে ৪৩ কোটি টাকা রামপুরহাট জংশন স্টেশনের জন্য ব্যয় হবে ৩৮.৬ কোটি টাকা কাটোয়া জংশনের জন্য ২০ কোটি টাকা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railways: জেনারেল বগির যাত্রীদের জন্য ২০ টাকার ‘ইকোনমি মিল’ চালু রেলের

    Indian Railways: জেনারেল বগির যাত্রীদের জন্য ২০ টাকার ‘ইকোনমি মিল’ চালু রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেল (Indian Railways) হল দেশের লাইফ লাইন। উড়ানের খরচ অনেকাংশে কমলেও রেলের গুরুত্ব অটুট থেকেছে। প্রতিদিন দেশের লাখ লাখ নিত্যযাত্রী ট্রেনে করে যাতায়াত করেন। কেউ অফিস, তো কেউ গন্তব্যস্থলে যান। ভ্রমণের জন্য রেল বেশ পছন্দের। বাইরের দৃশ্য, জানলার ধার, সঙ্গে ট্রেনের খাবার। তথ্য বলছে, দেশের বহু ট্রেনেই প্যান্ট্রি কারের ব্যবস্থা আছে। এর ফলে দূরপাল্লার যাত্রীরা খাবার পান ট্রেনেই। কিন্তু জেনারেল কামরার জন্য নেই এই সুবিধা। সুবিধা মেলে শুধুমাত্র এসি এবং স্লিপার কোচের যাত্রীদের জন্য। জেনারেল কোচের যাত্রীদের জংশন স্টেশনে নেমে খুঁজতে হয় মিল। তবে আর খুঁজতে হবে না! ট্রেনের জেনারেল কামরায় ‘ইকোনমি মিল’ দিতে শুরু করেছে রেল (Indian Railways)।

    মাত্র ২০ টাকায় মিলবে খাবার

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ট্রেনের এই নতুন ব্যবস্থায় জেনারেল কোচের যাত্রীরা ২০ টাকায় খাবার পাবেন। জল কোথায় পাবেন? না স্টেশনে নেমে ভরতে হবে না। ২০০ মিলি জলও মিলবে মাত্র ৩ টাকায়। পকেট সাশ্রয়ী এই জল পেয়ে খুশি হবেন যাত্রীরা। কারণ এক বোতল এতদিন ২০ টাকায় কিনে খেতে হত। ফলে কিছুটা খরচ বাঁচবে জেনারেল কামরার যাত্রীদের। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে উত্তর-পশ্চিম রেলের (Indian Railways) উদয়পুর, আজমির এবং আবু রোড স্টেশনে এই খাবার মিলছে। এই তিনটি স্টেশনের এক নম্বর প্ল্যাটফর্মেই এই খাবার পাওয়া যাচ্ছে। রেলের আধিকারিকদের মতে, উদয়পুর, আজমির এবং আবু রোড স্টেশনের যেখানে জেনারেল বগি থামে, ঠিক তার সামনেই রয়েছে কাউন্টার।

    ২০ টাকার ডিশে থাকছে কী কী পদ?

    জেনারেল বগির যাত্রীদের জন্য আপ্যায়নে ত্রুটি রাখতে চাইছে না রেল। জানা গিয়েছে, ২০ টাকার এই প্লেটে থাকবে ৭টি পুরি, আলু-সবজি ও আচার। তবে ভবিষ্যতে এই স্টলে স্ন্যাকস/কম্বো খাবারও পাওয়া যাবে, যার জন্য গুনতে হবে ৫০ টাকা। রাজমা-চাল, খিচুড়ি, ছোলা-বাটুরে, ধোসা ইত্যাদি পাওয়া যাবে কম্বো খাবারে। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, দূরপাল্লার ট্রেনে জেনারেল কামরার যাত্রীদের খাবার নিয়ে নানা সমস্যায় পড়তে হয়। তাই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। কারণ, জেনারেল কামরা ভিড়ে ঠাসা থাকে। কোথাও ট্রেন থামলে খাবার কিনতে গিয়ে তাড়াহুড়ো করেন যাত্রীরা, যার জেরে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: পুজোর ষষ্ঠী-সপ্তমীর বুকিং-এর কী পরিস্থিতি? কী ব্যবস্থা নিল রেল? 

    Indian Railway: পুজোর ষষ্ঠী-সপ্তমীর বুকিং-এর কী পরিস্থিতি? কী ব্যবস্থা নিল রেল? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোয় ভ্রমণের তালিকায় পুরী যাওয়ার ট্রেনগুলিতে (Indian Railway) টিকিটের চাহিদা ভালোই। তবে পুজোয় গন্তব্য হিসেবে পর্যটকরা বেছে নিচ্ছেন মূলত এ রাজ্যের উত্তরবঙ্গকে। কারণ উত্তরবঙ্গে যাওয়ার অনেকগুলি ট্রেন রয়েছে। সেইসব ট্রেনের মধ্যে হাওড়া-এনজেপি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, দার্জিলিং মেল বা পদাতিক এক্সপ্রেসে টিকিটের চাহিদা রয়েছে তুঙ্গে। উত্তরবঙ্গের পর দ্বিতীয় গন্তব্য হিসেবে পর্যটকরা বেছে নিচ্ছেন দিল্লি ও সিমলাকে। দিল্লি ও সিমলার ট্রেনেও টিকিটের চাহিদা যথেষ্ট রয়েছে। উত্তরবঙ্গের ট্রেনগুলিতে টিকিট এখনও পর্যন্ত কনফার্ম পাওয়া গেলেও সিমলাগামী কালকা মেল বা নেতাজি এক্সপ্রেসে এখন থেকেই টিকিট ওয়েটিং লিস্ট চলছে বলে জানিয়েছেন ট্রাভেল এজেন্টরা।

    রিজার্ভেশন  কাউন্টারগুলি (Indian Railway) আগামী চারটি রবিবার খোলা

    পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, উত্তরবঙ্গ এবং দিল্লি ও সিমলার টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে। তাই যাত্রীদের কথা ভেবে রবিবারেও রিজার্ভেশন কাউন্টার খুলে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আসন্ন শারদীয়া উৎসবে যাত্রীদের সুবিধার্থে পূর্ব রেলের শিয়ালদহ ও হাওড়া ডিভিশনের রিজার্ভেশন  কাউন্টারগুলি (Indian Railway) আগামী চারটি রবিবার ২৫ জুন, ২, ৯, ও ১৬ ই জুলাই সকাল ৮ টা থেকে দুপুর দুটো পর্যন্ত খোলা থাকবে। বারাকপুর, নৈহাটি, যাদবপুর, সোনারপুর, বারাসত, বারুইপুর, টালিগঞ্জ সহ শিয়ালদহ ডিভিশনের ৩৪ টি রিজার্ভেশন কাউন্টার এবং হাওড়া ডিভিশনের সমস্ত রিজার্ভেশন কাউন্টার এই সময়ে খোলা থাকবে। তিনি বলেন, ষষ্ঠীর বুকিং বৃহস্পতিবার থেকেই শুরু হয়েছে।

    কী জানাচ্ছেন ট্রাভেল এজেন্ট ও যাত্রীরা?

    উত্তর হাওড়ার এক ট্রাভেল এজেন্ট অভিজিৎ মণ্ডল জানান, উত্তরবঙ্গের মধ্যে দার্জিলিং রয়েছে বাঙালির পুজোয় ভ্রমণের তালিকায় প্রথম স্থানে। তারপরে রয়েছে অন্যান্য পর্যটন স্থলগুলি। তবে দিল্লি ও সিমলার ক্ষেত্রেও টিকিটের চাহিদা বেশি। কিন্তু সিমলার ক্ষেত্রে তাঁরা টিকিট পাচ্ছেন না। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে ষষ্ঠীর বুকিং শুরু হলেও একদিনের মধ্যেই দার্জিলিংয়ের সমস্ত রিজার্ভেশন টিকিট বিক্রি হয়ে যায়। যাতে ট্রেনগুলিতে অতিরিক্ত যাত্রী উঠতে না পারে এবং কোনও ধরনের বড় দুর্ঘটনা এড়িয়ে যাওয়া যায়, তাই শুক্রবারই ষষ্ঠী ও সপ্তমীর বুকিং ক্লোজ করে দেওয়া হয়। এর ফলে তাঁরা ওয়েটিং লিস্ট টিকিটও কাটতে পারছেন না। হাওড়ার এক বাসিন্দা নয়না সাহা জানান, সম্প্রতি দক্ষিণের ট্রেনগুলিতে (Indian Railway) কয়েক মাস ধরেই ট্রেন বাতিল ও ট্রেন লেট হওয়ার ঘটনা ঘটছে। সর্বোপরি ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার স্মৃতি এখনও তাঁদের তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। কোনও ধরনের ঝুঁকি নিতে চাইছেন না তাঁরা। তাই এবারের পুজোর গন্তব্য হিসেবে তাঁরা উত্তরবঙ্গকেই বেছে নিয়েছেন। এদিকে পুজোর বুকিং চাহিদার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে টিকিটের কালোবাজারিও। আরপিএফ বৃহস্পতিবারই এক টিকিট দালালকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে। আরপিএফ সূত্রে জানানো হয়েছে, যাত্রীরা যাতে সুষ্ঠুভাবে টিকিট কাটতে পারে্‌ তার জন্য রেল পুলিশ যথেষ্ট তৎপর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৮): থমকে রয়েছে কালিয়াগঞ্জ বুনিয়াদপুর রেলপ্রকল্প

    Indian Railway: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৮): থমকে রয়েছে কালিয়াগঞ্জ বুনিয়াদপুর রেলপ্রকল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি জটের কারণেই আটকে রয়েছে রাজ্যের ৪৪টি প্রকল্প। রাজ্য সরকার জমি দিতে পারছেনা তাই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হচ্ছে না, এমনই অভিযোগ রেলের (Indian Railways)। এনিয়ে চলছে দুপক্ষের টানাপোড়েন। রাজ্যের ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর বলছে, রাজ্য সরকারের ঘোষিত নীতি হল কোনও প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা যাবে না। অবশ্য বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ সর্বত্র এক চিত্র। বাজেট প্রস্তুত। পরিকল্পনা তো অনেক আগেই হয়ে গেছে। শুধুমাত্র জমি জটের কারণে আটকে রয়েছে রেলের প্রকল্পগুলি। এরমধ্যে কয়েকটি প্রকল্পের শিলান্যাস করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন।

    একদশকেরও বেশি সময় ধরে আটকে রয়েছে কালিয়াগঞ্জ থেকে বুনিয়াদপুর রেলপ্রকল্প

    ২০১০ সালে অনুমোদন পায় কালিয়াগঞ্জ থেকে বুনিয়াদপুর অবধি ৩৩ কিমি রেলপথ সম্প্রসারণের কাজ। জানা গেছে, রেলমন্ত্রক এই প্রকল্পের জন্য মোট বাজেট ধরে ৩৮০ কোটি টাকা, যার মধ্যে ৭৬ কোটি টাকার কাজও শুরু করে রেল। কিন্তু এখন অথৈ জলে সমগ্র প্রকল্প। রেল বলছে রাজ্য সরকারের জমি নীতির কারণেই এমনটা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন,  ‘১২ বছর থেকে বুনিয়াদপুর কালিয়াগঞ্জ রেল প্রকল্পটি থমকে রয়েছে। ওই প্রকল্পের বাস্তবায়ন হলে হিলি ও রধিকাপুরে দ্বিপাক্ষিক স্তরে বাণিজ্যিক লাভ হবে। দক্ষিণ দিনাজপুরের সঙ্গে শিলিগুড়ির দূরত্ব ৫০ কিলোমিটার হ্রাস পাবে। উত্তরপূর্ব ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে। রেল যোগাযোগ সুগম হবে। অর্থনৈতিক উন্নতি হবে। যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

     জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৭): তেরো বছরেও সম্পূর্ণ হয়নি বালুরঘাট-হিলি রেলপ্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৬): একযুগ অতিক্রান্ত! বিশ বাঁও জলে হাসনাবাদ-হিঙ্গলগঞ্জ রেলপ্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৫): দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় বিশ বাঁও জলে ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৪): থমকে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ৪ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৩): প্রায় ৪০ বছরেও সম্পূর্ণ হল না উত্তর দিনাজপুর জেলার ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-২): প্রায় ৫০ বছরেও শেষ হলনা হুগলির ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১): ১৩ বছরের প্রাপ্তি ৮টি স্তম্ভ! জমি জটে বিশ বাঁও জলে আমতা-বাগনান রেল প্রকল্প

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Indian Railway: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৬): একযুগ অতিক্রান্ত! বিশ বাঁও জলে হাসনাবাদ-হিঙ্গলগঞ্জ রেলপ্রকল্প

    Indian Railway: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৬): একযুগ অতিক্রান্ত! বিশ বাঁও জলে হাসনাবাদ-হিঙ্গলগঞ্জ রেলপ্রকল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে রেলের অভিযোগ দীর্ঘদিনের, বাজেট বরাদ্দ করা সত্ত্বেও শুধুমাত্র জমি জটের কারণেই নাকি প্রকল্পগুলি আটকে থাকছে। কয়েকদিন আগেও রেল (Indian Railway) রীতিমতো সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্যের বিরুদ্ধে এই অসহযোগিতার অভিযোগ তোলে। এমন প্রকল্পও রয়েছে রাজ্যে যেগুলো গত ৫০ বছর ধরে আটকে রয়েছে। কোনও সুরাহা হয়নি। এরমধ্যে কতগুলি প্রকল্পের শিলান্যাস করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন। সেগুলিও আপাতত বিশ বাঁও জলে। রাজ্যের ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের আধিকারিকরা বলছেন, রাজ্যের ঘোষিত নীতিই হল কোনও প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা যাবেনা। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে নাকি ছাড়ও রয়েছে বলছেন ভূমি দফতরের আধিকারিকরা। সেই বিশেষ ক্ষেত্র রেল কেন নয়? এমন প্রশ্নও উঠছে কোনও কোনও মহল থেকে।

    দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে হাসনাবাদ-হিঙ্গলগঞ্জ রেল প্রকল্প

    ২০১০-২০১১ সালে অনুমোদন পেয়েছিল হাসনাবাদ থেকে হিঙ্গলগঞ্জ পর্যন্ত রেল প্রকল্প। এলাকার বাসিন্দারাও যথেষ্ট উচ্ছ্বসিত হয়েছিলেন নতুন এই রেল প্রকল্পের কথা ভেবে। কিন্তু এক যুগ অতিক্রান্ত হলেও এখনও শুরু করা যায়নি হিঙ্গলগঞ্জ থেকে হাসনাবাদ পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার রেলপথ। রেলের Indian Railway)  বাজেট প্রস্তুত, রেলের পরিকল্পনা প্রস্তুত কিন্তু সমস্যা জমি অধিগ্রহন।

    প্রকল্পের জন্য সে সময় ২৬০ কোটি টাকা বাজেটও বরাদ্দ করে রেল। মনে করা হয় যে হিঙ্গলগঞ্জের সঙ্গে হাসনাবাদকে জুড়ে দিলে সুন্দরবনের সঙ্গে কলকাতা বা শহরতলির যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে, এবং সেখানকার কৃষক থেকে আরম্ভ করে মাছ ব্যবসায়ীরা খুব সহজেই মাছ এবং সবজির ব্যবসা করতে পারবেন। এলাকার আর্থিক মানচিত্রে পরিবর্তন আসবে। কিন্তু এই প্রকল্প এখন বিশ বাঁও জলে।

    কী বলছেন এলাকার মানুষ

    হিঙ্গলগঞ্জের বাসিন্দা সুব্রত মাইতি বলেন, অনেকদিন ধরেই শুনছি এই প্রকল্প হবে কিন্তু জমি-জটের কারণেই তা আটকে রয়েছে। হিঙ্গলগঞ্জ থেকে হাসনাবাদ পর্যন্ত রেলপথ (Indian Railway)  চালু হলে এখানকার স্থানীয় কৃষক এবং মাছ ব্যবসায়ীরা খুবই উপকৃত হবেন এবং সুন্দরবনের মানুষের কলকাতায় যাতায়ত আরও সুগম হবে।

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৫): দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় বিশ বাঁও জলে ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৪): থমকে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ৪ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৩): প্রায় ৪০ বছরেও সম্পূর্ণ হল না উত্তর দিনাজপুর জেলার ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-২): প্রায় ৫০ বছরেও শেষ হলনা হুগলির ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১): ১৩ বছরের প্রাপ্তি ৮টি স্তম্ভ! জমি জটে বিশ বাঁও জলে আমতা-বাগনান রেল প্রকল্প

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Indian Railways: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৪): থমকে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ৪ প্রকল্প

    Indian Railways: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৪): থমকে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ৪ প্রকল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে রেলের অভিযোগ দীর্ঘদিনের, বাজেট বরাদ্দ করা সত্ত্বেও শুধুমাত্র জমি জটের কারণেই নাকি প্রকল্পগুলি আটকে থাকছে। কয়েকদিন আগেও রেল (Indian Railways) রীতিমতো সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্যের বিরুদ্ধে এই অসহযোগিতার অভিযোগ তোলে। এমন প্রকল্পও রয়েছে রাজ্যে যেগুলো গত ৫০ বছর ধরে আটকে রয়েছে। কোনও সুরাহা হয়নি। এরমধ্যে কতগুলি প্রকল্পের শিলান্যাস করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন। সেগুলিও আপাতত বিশ বাঁও জলে। রাজ্যের ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের আধিকারিকরা বলছেন, রাজ্যের ঘোষিত নীতিই হল কোনও প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা যাবেনা। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে নাকি ছাড়ও রয়েছে বলছেন ভূমি দফতরের আধিকারিকরা। সেই বিশেষ ক্ষেত্র রেল কেন নয়? এমন প্রশ্নও উঠছে কোনও কোনও মহল থেকে।

     
    জমি জটের কারণেই আটকে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ৪ প্রকল্প

    রেল (Indian Railways) সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৪-৮৫ সাল নাগাদ প্রস্তাবিত হয়েছিল এই প্রকল্পগুলি। পরবর্তী কালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন কয়েকটি প্রকল্পের শিলান্যাসও হয়। তারপর আর এগোয়নি! হতাশ এলাকার মানুষজন। জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পের অন্তর্গত তমলুক -দীঘা রেলপথ (Indian Railways) চালু হয়েছে। যার দৈর্ঘ্য ৮৮.৯০ কিমি। প্রকল্প অনুযায়ী মোট ১৬৮.৬৮ কিমি নতুন রেলপথ নির্মানের কথা ছিল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা জুড়ে কিন্তু কাজ হয়েছে ওই তমলুক-দীঘা। এখনও বাকি রয়েছে, দেশপ্রাণ-নন্দীগ্রাম (১৮.৫ কিমি), কাঁথি-এগরা (২৬ কিমি), নন্দকুমার-বোলাইপান্ডা (২৮ কিমি), নন্দীগ্রাম-কান্ধিমারি (৭ কিমি)। জানা যাচ্ছে মূলত জমি জটের কারণে হচ্ছেনা এই প্রকল্পগুলি। জানা গিয়েছে, পূর্বমেদিনীপুর জেলার এই সমস্ত প্রকল্পগুলির বাজেট ধরা হয়েছিল ১৪২৮ কোটি টাকা। কিন্তু জমি অধিগ্রহণ করতে পারেনি রাজ্য, তাই কাজ শুরু হয়নি। অন্তত রেল (Indian Railways) তাই বলছে।

    কী বলছেন পূর্বমেদিনীপুরের বাসিন্দারা

    প্রকল্পের বাস্তবায়ন না হওয়ায় হতাশ ওই এলাকার মানুষজন। কাঁথির বাসিন্দা অসীম মিশ্র বলেন, রেলপথ নির্মান হলে শুধুমাত্র যে কতগুলো জায়গাকে জোড়া যাবে তাই নয়, বরং এই বিস্তীর্ণ অঞ্চলের অর্থনৈতিক চেহারাটাও উন্নত হবে। চাষী এবং মৎস্যজীবীরা খরচ সাশ্রয়ীভাবে এবং কম সময়ে একজায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাতায়ত করতে পারবেন। রেল প্রস্তুত কিন্তু জমি জটের কারণেই আটকে রয়েছে প্রকল্পগুলি।

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৩): প্রায় ৪০ বছরেও সম্পূর্ণ হল না উত্তর দিনাজপুর জেলার ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-২): প্রায় ৫০ বছরেও শেষ হলনা হুগলির ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১): ১৩ বছরের প্রাপ্তি ৮টি স্তম্ভ! জমি জটে বিশ বাঁও জলে আমতা-বাগনান রেল প্রকল্প

     

      
     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Indian Railway: স্টেশন চত্বরে এবার থেকে পাওয়া যাবে রেলের হোটেল! পোশাকি নাম স্লিপিং পড

    Indian Railway: স্টেশন চত্বরে এবার থেকে পাওয়া যাবে রেলের হোটেল! পোশাকি নাম স্লিপিং পড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ি থেকে দূরে কোথাও কাজে গেছেন, এমন সময় যদি বিরতি নিতে হয় তাহলে আলাদা করে আপনাকে আর হোটেল খুঁজতে হবে না। এরজন্য আপনাকে কোন অতিরিক্ত টাকাও দিতে হবে না। রেলওয়ে (Indian Railway) তার যাত্রীদের জন্য হোটেল পরিষেবা শুরু করতে চলেছে বলে জানা গেছে।

    কী কী সুবিধা থাকবে রেলের (Indian Railway) এই হোটেলগুলিতে

    জানা গিয়েছে, এবার থেকে মুম্বাই সেন্ট্রাল এবং ছত্রপতি শিবাজি টার্মিনাস, দিল্লীর রেল স্টেশনগুলির মতো স্টেশনে এই ধরনের হোটেল চালু হতে চলেছে। এগুলির নাম অবশ্য স্লিপিং পড। এই সুবিধা সর্বপ্রথম শুরু হওয়ার কথা পুরানো দিল্লী রেলওয়ে স্টেশনে। ভারতীয় রেলের এই ব্যবস্থা যথেষ্ট পকেট সাশ্রয়ী বলেও শোনা যাচ্ছে। স্টেশন প্রাঙ্গণেই বিশ্রাম নেওয়ার সুবিধা পাবেন যাত্রীরা। ভারতীয় রেল (Indian Railway) সূত্রে খবর স্লিপিং প্যাডে এক থেকে দুইজন যাত্রী থাকতে পারবেন। যাত্রীরা সুবিধাও অনেককিছু পাবেন, যেমন ইন্টারনেট, ফোন চার্জিং, টয়লেট ইত্যাদি। তবে খাবারের জন্য তাঁদের বাইরে যেতে হবে অথবা অনলাইনেও খাবার অর্ডার করতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: যুদ্ধের সরঞ্জাম তৈরিতে ভারত সুপারপাওয়ার হবে: সিডিএস অনিল চৌহান

     আপাতত এই নয়া ব্যবস্থাটি চালু করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, এমনটাই বলছেন রেলের (Indian Railway) আধিকারিকরা। আগামী সপ্তাহ নাগাদ জানা যাবে এই স্লিপিং পডগুলিতে কত টাকা ভাড়া নেওয়া হবে। তবে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এটি খুবই সস্তা এবং সবচেয়ে সুবিধাজনক হবে বলেই জানিয়েছে ভারতীয় রেল।

    আরও পড়ুন: তামিলনাড়ুতে গর্ভবতী গাভির সাধভক্ষণ! সাজানো হয় অলঙ্কারে, দেওয়া হয় ২৪ রকমের খাবার 

    প্রসঙ্গত, দিল্লির স্টেশনগুলির আশেপাশে OYO-এর হোটেলগুলি নিয়ে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। দালালদের কাছে হয়রানির শিকারও হয়েছেন অনেক যাত্রী। অভিযোগ দালালচক্রের কারণে রুম পেতে খুবই অসুবিধা হয় যাত্রীদের। ফলে স্টেশন থেকে দূরে হোটেল খুঁজতে হয়। এবার সেসব থেকে মুক্তি!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Indian Railways: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১): ১৩ বছরের প্রাপ্তি ৮টি স্তম্ভ! জমি জটে বিশ বাঁও জলে আমতা-বাগনান রেল প্রকল্প

    Indian Railways: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১): ১৩ বছরের প্রাপ্তি ৮টি স্তম্ভ! জমি জটে বিশ বাঁও জলে আমতা-বাগনান রেল প্রকল্প

    মাধ্যম নিউজ জেস্ক: ২০১০ সালে ইউপিএ সরকারের রেলমন্ত্রী তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই বছরের ১০ জানুয়ারি শিলান্যাস করেন আমতা-বাগনান রেল প্রকল্পের (Indian Railway)। এরমধ্যে কেটে গিয়েছে ১৩টা বছর। প্রকল্পের কাজে নির্মিত আটটি স্তম্ভ দাঁড়িয়ে রয়েছে। শিলান্যাসের পরেই রেল অবশ্য কিছুটা কাজ করতে পেরেছিল পুরনো অধিগৃহীত জমিতে। ব্যস ওইটুকুই। পরে আর জমি মেলেনি, তাই থমকে রয়েছে কাজ। 

    রেল (Indian Railway) কী বলছে?

    রেল (Indian Railway) দফতর বলছে, আটের দশক নাগাদ এই প্রকল্পের প্রথম পরিকল্পনা করেছিলেন তৎকালীন রেলমন্ত্রী গনি খান চৌধুরী।  তার অনেক পরে ২০০৯-১০ আর্থিক বছরে প্রকল্পটিতে অনুমোদন দেয় রেল। প্রকল্প অনুযায়ী, আমতা থেকে বাগনান পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণের কথা। ঠিক হয় এরমাঝে ফতেপুর এবং হারোপে হবে দুটি স্টেশন। প্রকল্পের মোট বাজেট ধরা হয় ১৯৫ কোটি টাকা। 

    রেল (Indian Railway) আরও বলছে, প্রকল্পটির বাস্তবায়নের জন্য মোট ১৬৮ একর জমির প্রয়োজন পড়ে কিন্তু শিলান্যাসের দিন অবধি অবধি রেল কোনও জমি পায়নি। কাজ শুরু হয়, রেলের (Indian Railway) হাতে থাকা সামান্য জমির ওপর। ওই জমিতে মোরাম ফেলা হয়। প্রকল্পের অংশ হিসাবে দামোদরের ওপর সেতু তৈরি করার জন্য সেচ দফতরের কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া হয়। তখনই নির্মাণ করা হয় আটটি স্তম্ভ। শিলান্যাসের পর থেকে ছয় মাস অবধি এইটুকু কাজই করতে সক্ষম হয় রেল। প্রকল্পের মোট বাজেটের ৩ শতাংশ ব্যয় হয় তখনই, টাকার অঙ্কে প্রায় ৬ কোটি। তারপর থেকেই বন্ধ কাজ।

    জমি জটের কারণ কী?

    জানা গিয়েছে প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় ১৬৮ একর জমির পুরোটা ৮২৯টি ছোট ছোট প্লটে বিভক্ত। জমির মালিকানা নিয়েও রয়েছে ব্যাপক জটিলতা। সমস্যার সমাধানের জন্য ২০১২ সালের ১৭ অক্টোবর এবং ২৩ নভেম্বর এই দুটি তারিখে জমি সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য তুলে দেওয়া হয় রাজ্যের ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের হাতে। রেলের (Indian Railway) আক্ষেপ, জমি সমস্যার সমাধানে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি রাজ্যের ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর। রেল (Indian Railway) সূত্রে জানা গিয়েছে, এই প্রকল্প এখনও বাতিল হয়নি, পুরো জমি হাতে পেলে আবারও শুরু হবে কাজ।

    রাজ্যের ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর কী বলছে 

    রাজ্যের ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর বলছে, রাজ্য সরকারের ঘোষিত নীতি হল, জমি অধিগ্রহণ করা যাবে না। তবে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এর ছাড় রয়েছে। যতদিন না পর্যন্ত রাজ্য সরকারের অনুমোদন পাওয়া যাচ্ছে, ততদিন অবধি জমি অধিগ্রহণ করা যাবেনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Indian Railway: আটকে থাকা হিলি রেলপথ সম্প্রসারণের জন্য অর্থ বরাদ্দ কেন্দ্রের

    Indian Railway: আটকে থাকা হিলি রেলপথ সম্প্রসারণের জন্য অর্থ বরাদ্দ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের বাজেটে হিলি রেল প্রকল্পের জন্য বিপুল অর্থ বরাদ্দ করল কেন্দ্রের মোদি সরকার। জানা গিয়েছে উত্তর-পূর্ব সীমান্তের এই প্রকল্পের জন্য ১৯০ কোটি টাকার প্রস্তাব পাশ করেছে। শুক্রবার রাতে রেলের (Indian Railway) তরফে এই বাজেটের ঘোষণা হতেই উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে মানুষজন। ১৩ বছর পরে আবার চালু হতে চলেছে প্রকল্পের কাজ।

    মাঝপথেই বন্ধ হয়ে যায় কাজ

    প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ সালে যখন দেশভাগ হয় তখন তৎকালীন হিলি রেল পূর্ব পাকিস্তানে চলে যায়। ১৯৫০ সালে একলাখি থেকে হিলি পর্যন্ত রেলপথ সম্প্রসারণের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়। ২০০৪ সালে বালুরঘাট পর্যন্ত রেলপথ সম্প্রসারণ করা হয়। কিন্তু, বালুরঘাট থেকে হিলি পর্যন্ত রেলপথ সম্প্রসারণ আটকে যায়। দীর্ঘ আন্দোলনের পরে ২০১০ তৎকালীন রেলমন্ত্রী বালুরঘাট থেকে হিলি পর্যন্ত রেলপথ (Indian Railway) সম্প্রসারণ প্রকল্পের ঘোষণা করেন। ২০১৪ সালের মধ্যে ওই প্রকল্পের ৪০ শতাংশ কাজ বাস্তবায়িত হয়। কিন্তু প্রকল্পে অর্থাভাব এবং কেন্দ্র রাজ্যের টানাপোড়েন এবং জমিজটে প্রকল্প থমকে যায়।

    জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালের বাজেটে হিলি রেল প্রকল্পের জন্য ২১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করে তৎকালীন রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। তারপরে জমি অধিগ্রহণের কাজ পুনরায় শুরু হয়। কিন্তু কেন্দ্র রাজ্যের টানাপোড়েন শুরু হলে প্রকল্পের কাজ আবারও থমকে যায়৷ ওই প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ অর্থ ফেরত চলে যায় রেলের কাছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরেই ওই প্রকল্পের বাস্তবায়নের দাবিতে আবারও আন্দোলন শুরু করেন হিলির বাসিন্দারা। ২০২২ সালের বাজেটে ওই প্রকল্পের জন্য ২০ কোটি ১ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়। 

    এবারের বাজেটে……

    গত বুধবার সংসদে ২০২৩ ও ২০২৪ সালের অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। তারপরেই শুক্রবার রাতে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলের তরফে বালুরঘাট হিলি রেল প্রকল্পের বাজেট  সম্পর্কে জানা যায়। ২৯.৭ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথের (Indian Railway) জন্য গতবছর ২০ কোটি ১ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। চলতি বছর ফের ১৯০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সবমিলিয়ে ২১০ কোটি টাকার বাজেট। প্রকল্পের বাকি ৬০ শতাংশ কাজ ওই তহবিল থেকে সম্পন্ন হয়ে যাবে বলে মনে করছেন রেলের আধিকারিকরা।

    বালুরঘাটের বিধায়ক কী বলছেন

    বালুরঘাটের বিধায়ক অশোক কুমার লাহিড়ি এবিষয়ে সংবাদ মাধ্যমে বলেন, ‘দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মানুষের স্বপ্ন পূরণ হল। রূপসী হিলির যোগাযোগ ব্যবস্থার অনেক উন্নতি হবে। প্রত্যেকের সম্মিলিত প্রচেষ্টা সফল হয়েছে। এখন বালুরঘাট থেকে হিলি পর্যন্ত রেলে কবে বসব তাই ভাবছি।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

     

  • IRMS: ভারতীয় রেলের এই বিশেষ পরীক্ষা এবার ইউপিএসসি নেবে, জানুন বিস্তারিত

    IRMS: ভারতীয় রেলের এই বিশেষ পরীক্ষা এবার ইউপিএসসি নেবে, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেলওয়ে ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসে নিয়োগ, ২০২৩ সাল থেকে UPSC পরিচালনা করবে। পরীক্ষাটির নাম হবে ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ম্যানেজমেন্ট সার্ভিস এক্সামিনেশন (IRMSE)। দুটি ধাপে হবে এই পরীক্ষা (IRMS)। একটি প্রিলিমিনারি স্ক্রিনিং টেস্ট , স্ক্রিনিং টেস্টের পরে হবে একটি  লিখিত পরীক্ষা এবং সবশেষে ইন্টারভিউ।
    পরীক্ষার দ্বিতীয় পর্যায়ে অর্থাৎ IRMS (মেন)লিখিত পরীক্ষার জন্য, প্রার্থীদের সিভিল সার্ভিসের (প্রিলিমিনারি) পরীক্ষায় পাশ করতে হবে, রেল মন্ত্রক শুক্রবার এক বিবৃতিতে একথা জানিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ইন্টারভিউ-এর প্রস্তুতির জন্য, জানুন সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি

    IRMS ২০২৩ মেন পরীক্ষার বিবরণ

         -আইআরএমএস (মেন) পরীক্ষায় প্রবন্ধমূলক চারটি প্রশ্ন থাকবে।

         -প্রথমটিতে ৩০০ নম্বরের দুটি পেপার থাকবে — প্রার্থীর দ্বারা নির্বাচিত ভারতের যে কোনও ভাষার একটি পেপার এ এবং অপরটি ইংরেজি, পেপার বি।
         
         -২৫০ নম্বরের জন্য ঐচ্ছিক বিষয়ে দুটি পেপার থাকবে। ১০০ নম্বরের একটি পার্সোনালিটি টেস্টও নেওয়া হবে।
         
         -ঐচ্ছিক বিষয়গুলি হল সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কমার্স অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেন্সি।
          
         -প্রিলিমিনারি এবং মেন পরীক্ষার বিষয়গুলির সিলেবাস সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার (CSE) মতোই হবে।
     
         -পরীক্ষার ভাষা সিভিল সার্ভিসের মতোই হবে।

    আরও পড়ুন: ইসরোর বিভিন্ন পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, জেনে নিন যোগ্যতা কী

    IRMS ২০২৩ বয়স সীমা

    বয়সসীমার ক্ষেত্রে সিভিল সার্ভিসকেই অনুসরণ করা হবে।

    IRMS ২০২৩ পরীক্ষার যোগ্যতা

    IRMSE-এর জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হবে ইঞ্জিনিয়ারিং, কমার্স বা চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্সিতে ডিগ্রি।

    আরও পড়ুন: স্পোর্টস সাইকোলজি কোর্সের চাহিদা বাড়ছে ভারতজুড়ে, মিলবে মোটা অঙ্কের বেতন

    ২০২৩ সালের UPSC পরীক্ষার (প্রিলিম) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে ১ ফেব্রুয়ারি এবং পরীক্ষা হবে ২৮ মে তারিখে। UPSC সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share