Tag: Indian Railway

Indian Railway

  • Southern Railway: দক্ষিণ রেলে স্পোর্টস কোটায় বিভিন্ন পদে নিয়োগ

    Southern Railway: দক্ষিণ রেলে স্পোর্টস কোটায় বিভিন্ন পদে নিয়োগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্পোর্টস কোটার ভিত্তিতে দক্ষিণ রেলে (Southern Railway) নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা দক্ষিণ রেলের (Southern Railway) অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, rrcmas.in-এ RRC-এর মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারেন। দক্ষিণ রেলের স্পোর্টস কোটা পোস্টের জন্য আবেদন করার শেষ তারিখ ২ জানুয়ারী, ২০২৩। মোট শূন্যপদ ২১টি।

    আরও পড়ুন: ইসরোর বিভিন্ন পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, জেনে নিন যোগ্যতা কী

    আবেদনের খুঁটিনাটি

    -অনলাইন আবেদন শুরু হয়েছে ০৩-১২-২০২২ থেকে।
    -আবেদন করার  শেষ তারিখ  ০২-০১-২০২৩ অবধি।
    -আসাম, মেঘালয়, অরুণাচল প্রদেশ, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড,
    ত্রিপুরা, সিকিম, জম্মু কাশ্মীরের লাহৌল ও স্পিতি জেলা
    এবং হিমাচল প্রদেশের চম্পা জেলার পাঙ্গি মহকুমা আন্দামান ও নিকোবর, লাক্ষাদ্বীপ এবং বিদেশে বসবাসকারী প্রার্থীদের জন্য আবেদনের শেষ তারিখ ১৭-০১-২০২৩।

    শিক্ষাগত যোগ্যতা

    -post in Level 2 / 3 of 7thC P C Pay Matrix এর ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে অবশ্যই উচ্চমাধ্যমিক বা তার সমতুল পাশ করতে হবে।

    – post in Level 4 / 5 of 7thC P C Pay Matrix এর ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে যেকোন শাখায় স্নাতক হতে হবে।

    বেতন 

    সপ্তম পে কমিশন অনুসারে প্রারম্ভিক বেতন দেওয়া হবে।

    -Level-2 এর জন্য ১৯,৯৯৯ টাকা

    -Level-3 এর জন্য ২১,৭০০ টাকা

    -Level-4 এর জন্য ২৫,৫০০ টাকা

    -Level-5 এর জন্য ২৯,২০০ টাকা

    আরও পড়ুন: ভারতীয় রেলের এই বিশেষ পরীক্ষা এবার ইউপিএসসি নেবে, জানুন বিস্তারিত

    আবেদন ফি

    সাধারণ প্রার্থীদের জন্য আবেদনের ফি হল ৫০০ টাকা এবং SC/ST/Women/ex-Service Man/ শারিরীক ভাবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি/সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থী এবং অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসর শ্রেণীর প্রার্থীরদের ক্ষেত্রে অনলাইন ফি মাত্র ২৫০ টাকা। পেমেন্ট ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং বা ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে করা যেতে পারে।

    গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা

    – নথি যাচাইয়ের দিনে প্রার্থীদের জন্মের প্রমাণপত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট, বিভিন্ন Sports Achievments সঙ্গে আনতে হবে।

    -প্রার্থীকে নির্দিষ্ট তারিখ,সময় এবং স্থানে ট্রায়াল/ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশনে অংশগ্রহণ করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • PM Modi News: ‘‘এটা ট্রেলার দেখছেন, আমাকে আরও অনেক দূর যেতে হবে’’, গুজরাটে মোদি

    PM Modi News: ‘‘এটা ট্রেলার দেখছেন, আমাকে আরও অনেক দূর যেতে হবে’’, গুজরাটে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘এটা আপনারা ট্রেলার দেখছেন, আমাকে আরও অনেক দূর যেতে হবে।’’ আমেদাবাদে ১ লাখ কোটি টাকার প্রকল্পের ঘোষণা করে এমনই তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi News)। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ‘‘বিগত ১০ বছরে মোদি সরকার একাধিক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৩৭০ ধারা সরানো, দেশকে অর্থনীতিতে পঞ্চম স্থানে নিয়ে যাওয়া, রাম মন্দির নির্মাণ সমেত সর্বশেষ সংযোজন সিএএ লাগু করা। এর বাইরেও তাঁর অনেক কিছু করা বাকি আছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে, সেটাই মঙ্গলবার গুজরাটে বোঝাতে চাইলেন তিনি।’’

    ‘‘আমাদের কাছে উন্নয়ন মানে দেশ গঠন’’

    গুজরাটে ১ লাখ কোটি টাকার প্রকল্পের ঘোষণার মধ্যে ছিল রেলওয়ে, পেট্রোকেমিক্যাল সংক্রান্ত নানা প্রজেক্ট। এদিনই নরেন্দ্র মোদি দশটি আরও বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের উদ্বোধন করেন। তিনি জানান, দেশে বন্দে ভারতের সংখ্যা বর্তমানে ১০০-তে পৌঁছে গেল। প্রধানমন্ত্রীর মতে, ‘‘আমাদের কাছে উন্নয়ন বলতে আবার একবার সরকার গঠন নয়, আমাদের কাছে উন্নয়ন মানে দেশগঠন।’’ এদিন প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi News) বলতে শোনা যায়, ‘‘আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি আগামী পাঁচ বছরে যুবকরা দেখবে, ভারতীয় রেলের কীভাবে পরিবর্তন হচ্ছে। যেটা তাঁরা কল্পনাও করতে পারবেন না। যুবকরা সিদ্ধান্ত নেবেন, কেমন ধরনের দেশ তাঁরা চান। এটা আপনারা ট্রেলার দেখছেন, আমাকে আরও অনেক দূর যেতে হবে।’’ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের ঘোষণার মধ্যে ছিল ২০ হাজার কোটি টাকার ‘পেট্রোন্যাট এলএনজি’র উদ্বোধনও। এদিন প্রধানমন্ত্রীকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘‘এই প্রকল্পগুলি ভারতের যুবসমাজের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎকেই গ্যারান্টি দিচ্ছে। স্বাধীনতার পর থেকে প্রত্যেকটি সরকারই তাদের রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধিকে প্রাধান্য দিত এবং এর প্রভাব পড়তো ভারতের রেলের উপরে।’’

    মারুতি-সুজুকি গাড়ি কারখানার ভিতর পর্যন্ত রেল লাইন

    গুজরাটের হনসলপুরের একটি গুরুত্বপূর্ণ রেল প্রকল্পেরও এদিন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi News)। ওই প্রকল্পে মারুতি-সুজুকি গাড়ি কারখানার ভিতর পর্যন্ত রেল লাইন নির্মাণ করা হবে। মূল রেললাইন থেকে আলাদা হয়ে এই লাইন চলে যাবে। সেই লাইন দিয়ে কেবলমাত্র সংস্থার গাড়ি মালগাড়িতে তোলার কাজই হবে। আবার গাড়ি তোলা হয়ে গেলে, ওই লাইন দিয়ে গিয়ে মূল লাইনে যুক্ত হয়ে মালগাড়ি বিভিন্ন দিকে বেরিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যাবে। দেশের প্রথম কোনও গাড়ি কারখানায় এমন ডেডিকেটেড ‘ইন প্ল্যান্ট রেলওয়ে সাইডিং’ প্রকল্প হল। রাস্তা দিয়ে ট্রাকে চাপিয়ে গাড়ি পাঠানোর ফলে যে জ্বালানি লাগত, তা প্রয়োজন হবে না। এরফলে কার্বন নিঃসরণ কমবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে। সড়কে যানজট কমবে। মোট ৯৭৬ কোটি টাকার এই রেল প্রকল্পের মধ্যে মারুতি-সুজুকি বিনিয়োগ করছে ৩৫৯ কোটি টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: রাজ্যে এসে ৭২০০ কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পের সূচনা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Modi: রাজ্যে এসে ৭২০০ কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পের সূচনা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার রাজ্যে এসে ৭ হাজার ২০০ কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কেন্দ্রীয় সরকারের এই কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে একই মঞ্চে হাজির ছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও। এ ছাড়াও কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর, বিজেপি সাংসদ তথা রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ওই মঞ্চে ছিলেন।

    কোন কোন প্রকল্পের উদ্বোধন 

    নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) এদিনের সরকারি কর্মসূচির তালিকায় ছিল সিলিন্ডারে এলপিজি গ্যাস ভরার প্রকল্প (এলপিজি বটলিং প্ল্যান্ট), কলকাতা বন্দরের নতুন বেশ কয়েকটি প্রকল্প, কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের আধুনিকীকরণের প্রকল্প। এদিন রাজ্যের তিনটি রেল প্রকল্পেরও সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    সরকারি প্রকল্প উদ্বোধন করার পরে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ‘‘বাংলায় রেলের উন্নয়ন এমন হওয়া দরকার, যেমনটা দেশের অন্য রাজ্যে হয়েছে।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘বিকশিত ভারত গড়ার যে পরিকল্পনা রয়েছে তাতে গরিব, মহিলা এবং যুবদের সবচেয়ে বড় ভূমিকা থাকবে। দেশের ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্র সীমার উপরে উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গের বিকাশের জন্য সাত হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস হয়েছে। এর ফলে রেল, পেট্রল এবং জলশক্তির উন্নতি হবে।’’

    বিপুল কর্মসংস্থান তৈরি হবে বাংলায়

    পশ্চিম মেদিনীপুরে এলপিজি বটলিং প্ল্যান্ট চালু হলে রাজ্যে বিপুল কর্মসংস্থান হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। হাওড়া, হুগলি, কামারহাটি, বরানগর প্রভৃতি এলাকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে কেন্দ্রের উদ্যোগে চালু হতে চলা প্রকল্পগুলিতে। এমনটাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। রেলের উন্নয়ন সম্পর্কে মোদি বলেন, ‘‘বিভিন্ন ক্ষেত্রে বরাদ্দ অতীতের তুলনায় তিন গুণ বেড়েছে। বাংলায় ১০০ স্টেশনকে নতুন করে সাজানো হচ্ছে।’’ পশ্চিমবঙ্গ পাঁচটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস পেয়েছে বলেও নিজের ভাষণে উল্লেখ করেন মোদি। তিনি বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের মানুষের সহযোগিতায় বিকশিত ভারত গড়ার লক্ষ্য পূর্ণ হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Hooghly: ৫৫৪টি অমৃত ভারত রেল স্টেশনের শিলান্যাস করলেন মোদি, ব্যান্ডেলে রাজ্যপাল

    Hooghly: ৫৫৪টি অমৃত ভারত রেল স্টেশনের শিলান্যাস করলেন মোদি, ব্যান্ডেলে রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গোটা দেশজুড়ে ৫৫৪টি রেল স্টেশন এবং ১৫৮৫টি রোড ওভারব্রিজ বা আন্ডারপাশের পুনর্বিকাশ-এর জন্য ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন। প্রধানমন্ত্রীর ‘অমৃত ভারত’ (Amrit Bharat Rail Station) প্রকল্পের অধীনেই স্টেশনগুলি তৈরি হবে। পুনর্বিকাশ কর্মসূচির মধ্যে এই রাজ্যে মোট ৪৫টি স্টেশন রয়েছে। তার মধ্যে হুগলির (Hooghly) ব্যান্ডেল জংশনের জন্য সবচেয়ে বেশি মোট ৩০৭ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে জানা গিয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সোমবার ব্যান্ডেলে যান রাজ্যের রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস।

    পূর্ব রেলের ২৮টি স্টেশনের সার্বিক উন্নয়ন (Amrit Bharat Rail Station)

    অমৃত ভারত স্টেশন (Amrit Bharat Rail Station) প্রকল্পে গোটা দেশে ১২৭৫টি স্টেশন আধুনিকীকরণরের পরিকল্পনা নিয়েছে রেলমন্ত্রক। সোমবার ৫৫০টি অমৃত ভারত স্টেশন নির্মাণ ভিস্তিপ্রস্তর স্থাপন ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পূর্ব রেলের ২৮টি স্টেশনের সার্বিক উন্নয়ন হবে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পে। তার মধ্যে হাওড়া মেইন শাখার ব্যান্ডেল-সহ ৮টি স্টেশন এই প্রকল্পের আওতায়। এদিন ব্যান্ডেল শরৎচন্দ্র রেলওয়ে ইনস্টিটিউট-এ রেলের তরফে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন ডিজিটাল মাধ্যমে দেখানো হয়। পূর্ব রেলের ২৮টি স্টেশন অমৃত ভারত প্রকল্পে উন্নয়নে বরাদ্দ করা হয়েছে মোট ৭০৪ কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রীর শিলান্যাস অনুষ্ঠান শুরুর আগে ব্যান্ডেল স্টেশনে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    বাংলায় আর কোন কোন স্টেশন তালিকায় (Hooghly) 

    বাংলার যে গুরুত্বপূর্ণ রেল স্টেশনগুলি অমৃত ভারতের (Amrit Bharat Rail Station) আওতায় আসবে তা হল, চন্দননগর, ডানকুনি, নৈহাটি, গেদে, বনগাঁ, বালুরঘাট, সহ একাধিক স্টেশন। সবকটি স্টেশনকে আধুনিকতার মোড়কে মুড়ে ফেলা হবে। হুগলির (Hooghly) চন্দননগর স্টেশনের আধুনিকীকরণের খরচ হবে ১৮ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা। ডানকুনি স্টেশন নতুন করে সাজাতে খরচ হবে ১৫ কোটি ৬ লক্ষ টাকা। আবার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় নদিয়ার গেদে স্টেশনকে সাজিয়ে তোলা হবে। এই স্টেশনের জন্য খরচ হবে ১৮ কোটি ৫ লক্ষ টাকা। একই ভাবে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বনগাঁ স্টেশনের জন্য সাজিয়ে তুলতে খরচ করা হবে মোট ২৮ কোটি টাকা। আবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট স্টেশন সাজাতে খরচ হবে ২৪ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা। স্টেশনে থাকবে চলমান সিড়ি থেকে শুরু করে ফুড কোর্ট, স্টেশন চত্বরে ঢোকা বেরনোর জন্য আলাদা যাতায়াতের পথ-সহ বিভিন্ন ব্যবস্থা রাখা হবে। এর পাশাপাশি উন্নতমানের পার্কিং-এর ব্যবস্থাও থাকবে।

    কী বললেন রাজ্যপাল

    অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সোমবার সকালেই কলকাতা থেকে ‘স্পেশাল ট্রেন’-এ ব্যান্ডেলে (Hooghly) যান রাজ্যপাল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব রেলের জিএম মিলিন্দ কে দেওস্কর। অমৃত ভারত স্টেশন (Amrit Bharat Rail Station) প্রকল্পে সেজে উঠবে ব্যান্ডেল স্টেশন। রাজ্যপাল আগে কলকাতা থেকে দার্জিলিংয়ের রাজভবনে অতিথিদের নিয়ে যাতায়াতের জন্য ‘শান্তি এবং সম্প্রীতি’ ট্রেন চালু করার আবেদন করেছিলেন। ব্যান্ডেলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যপাল বলেন, ‘‘প্রতি বছর দার্জিলিংয়ে চা উৎসব হয়। সেই উপলক্ষে সেখানে শিশু, যুবক, মহিলা খেলোয়াড় থেকে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ কলকাতার রাজভবন থেকে দার্জিলিং রাজভবনের অতিথি হন। তাঁদের জন্য প্রতি বছর একটি বিশেষ ট্রেন দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি রেল কর্তৃপক্ষকে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: এবার ছুটবে বালুরঘাট-শিয়ালদা নয়া ট্রেন, রেলমন্ত্রীকে ধন্যবাদ সুকান্তর

    Indian Railway: এবার ছুটবে বালুরঘাট-শিয়ালদা নয়া ট্রেন, রেলমন্ত্রীকে ধন্যবাদ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগেই রেলমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। কথা রাখল ভারতীয় রেল। উত্তরবঙ্গ থেকে কলকাতা আসার জন্য পাওয়া গেল নতুন ট্রেন। শুক্রবারই শিয়ালদা থেকে বালুরঘাট পর্যন্ত নতুন এই ট্রেনের ঘোষণা করেছে রেল (Indian Railway)। কবে থেকে তা চালু হবে সেটা অবশ্য বলা হয়নি এখনও পর্যন্ত। তবে রেল সুত্রে জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই নতুন এই ট্রেনের মাধ্যমে উত্তরবঙ্গ থেকে মানুষদের কলকাতা আসার পথ খুলে যাবে।

    কোন কোন স্টেশনে দাঁড়াবে ট্রেনটি?

    রেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে ইতিমধ্যে ট্রেনটি (Indian Railway) ঠিক কোন কোন স্টেশনে দাঁড়াবে? প্রতিদিনই শিয়ালদা স্টেশন থেকে নতুন এই ট্রেন ছাড়বে রাত্রি সাড়ে দশটায়। বালুরঘাট পৌঁছাবে পরের দিন ঠিক সকাল আটটায়। ভোর পাঁচটা চল্লিশ মিনিটে মালদা স্টেশনে থামবে। দক্ষিণবঙ্গে আরও স্টেশনে থামবে ট্রেনটি। যাত্রা পথে নৈহাটি, ব্যান্ডেল, নবদ্বীপ ধাম, কাটোয়া আজিমগঞ্জ, জঙ্গিপুর রোড, নিউ ফারাক্কা, মালদা টাউন, একালাখি, গাজোল, বুনিয়াদপুর, গঙ্গারামপুর, রামপুর স্টেশনে ট্রেনটি থামবে বলে জানা গিয়েছে। বালুরঘাট পর্যন্ত ট্রেন অবশ্য সেভাবে কিছু চালু নেই। গৌড় এক্সপ্রেস ট্রেনও (Indian Railway) সরাসরি বালুরঘাট পর্যন্ত যায় না। লিঙ্ক ট্রেন হিসেবে অন্য ট্রেন যায়। অনেকে আবার বাসেও চলে যান মালদা টাউন থেকে। এতে অনেকের সময়ও খরচ হয়। কিন্তু নতুন এই ট্রেন সরাসরি বালুরঘাট থেকে কলকাতা পর্যন্ত যাতায়াত করবে। 

    কী বলছেন সুকান্ত মজুমদার?

    নতুন এই ট্রেন (Indian Railway) পাওয়ার বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন যে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বাসিন্দাদের বহুদিনের দাবি হল একটা ট্রেন। সেটা সত্যি হতে চলেছে। কলকাতা এর ফলে দক্ষিণ দিনাজপুরের মানুষদের আরও কাছে চলে আসবে বলে মন্তব্য বালুরঘাটের সাংসদের। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘‘বালুরঘাটের সাংসদ এবং বাসিন্দা হিসাবে আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রেলমন্ত্রী অশ্বিন বৈষ্ণবকে জানাই ধন্যবাদ।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘এটা দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মানুষের জন্য একটি খুশির খবর। অবশেষে দীর্ঘ দিনের দাবি পূরণ হল। সেই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারায় আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: রেল দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের অঙ্ক ১০ গুণ বাড়াল মোদি সরকার

    Indian Railway: রেল দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের অঙ্ক ১০ গুণ বাড়াল মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রেন দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে ভারতীয় রেলের পক্ষ থেকে এবার ক্ষতিপূরণের পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে গেল। এ সংক্রান্ত ক্ষতিপূরণ বাড়ানোর প্রস্তাব রেল মন্ত্রকের (Indian Railway) কাছে পাঠিয়েছিল রেলবোর্ড। রেলমন্ত্রকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ক্ষতিপূরণের অঙ্ক প্রায় ১০ গুণ বাড়তে চলেছে। জখম, গুরুতর জখম এবং মৃত্যু সবকিছুতেই এবার থেকে বাড়তি ক্ষতিপূরণ দেবে রেল। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জুন মাসে করমণ্ডল এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনা (Indian Railway) কেড়ে নিয়েছিল বহু মানুষের প্রাণ। এতদিন পর্যন্ত রেলওয়ে আইনের ১২৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হত। তবে ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন ক্ষতিপূরণে নিয়ম কার্যকর হয়েছে। রেল সূত্রে খবর, এর আগে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ সংক্রান্ত পরিবর্তন করা হয়েছিল ২০১২ এবং ২০১৩ সালে।

    ক্ষতিপূরণের অঙ্ক

    নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী রেল দুর্ঘটনায় কারও মৃত্যু হলে সেই পরিবারকে দেওয়া হবে ৫ লাখ টাকা। আগে রেলের তরফ থেকে দেওয়া হতো ৫০ হাজার টাকা। শুধুমাত্র বড়সড়ো রেল দুর্ঘটনার ক্ষেত্রেই এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে এমন নয়, রেলের লেভেল (Indian Railway) ক্রসিংয়ের কারও মৃত্যু হলেও ক্ষতিপূরণের একই অঙ্ক বজায় থাকবে। অন্যদিকে গুরুতর জখমদের আগে রেলের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হতো ২৫ হাজার টাকা। বর্তমানে দশ গুণ বাড়িয়ে করা হয়েছে আড়াই লাখ টাকা। আবার অল্প জখমদের ক্ষেত্রে পাওয়া যেত ৫ হাজার টাকা, এবার সেটাও ১০ গুণ বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। এর পাশাপাশি যে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনায় কারও মৃত্যু হলে ১৫,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দিত রেল এবার থেকে সেই অঙ্কের পরিমাণ করা হয়েছে দেড় লাখ টাকা।

    কোন কোন ক্ষেত্রে নিয়ম কার্যকর হবে না

    এইসব নিয়মগুলোই কার্যকর থাকবে রেলে দুর্ঘটনার (Indian Railway) ক্ষেত্রে। তবে কোনও ব্যক্তি যদি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন রেলওয়ে ট্রাকে তাহলে মিলবে না ক্ষতিপূরণ। আবার অবৈধভাবে লাইন পার হওয়ার সময় ওভারহেডের বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে মৃত্যু হলে ক্ষতিপূরণ দেবে না রেল। ট্রেনের মধ্যে স্বাভাবিক মৃত্যু হলেও সে ক্ষেত্রে রেল কোন ক্ষতিপূরণ দেয় না। এর পাশাপাশি জখমদের চিকিৎসার খরচেও এগিয়ে এসেছে রেল। জানা গিয়েছে আগে প্রতিদিনের চিকিৎসা খরচ চালানোর জন্য ৩০০ টাকা করে দেওয়া হত। এখন থেকে ৩০ দিন পর্যন্ত হাসপাতালের যাবতীয় চিকিৎসার খরচ বহন করবে রেল এবং প্রতিদিন ৩,০০০ টাকা করে পাওয়া যাবে। এই টাকার পরিমাণ প্রতি ১০ দিন অন্তর অ্যাকাউন্টে ঢুকবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: মধ্যবিত্তের কথা ভেবে আসছে পকেট সাশ্রয়ী বন্দে ভারত! কবে গড়াবে চাকা?

    Indian Railway: মধ্যবিত্তের কথা ভেবে আসছে পকেট সাশ্রয়ী বন্দে ভারত! কবে গড়াবে চাকা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বমানের সুবিধা, হাতের নাগালে সমস্ত পরিষেবা, এবং গতির দৌলতে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। বাংলা থেকেও ছুটছে দু’দুটি বন্দে ভারত। বন্দে ভারতকে এখন মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যে রেল (Indian Railway), এমনটাই অন্তত জানা গিয়েছে। মধ্যবিত্তের বিমান চড়াকে আরও সুলভ করেছে মোদি সরকারের উড়ান প্রকল্প। ঠিক তেমনই মোদি সরকারের নয়া পরিকল্পনা হল, বন্দে ভারত-এর সমস্ত সুবিধা সহ একটি নন-এসি ট্রেন (Indian Railway) চালু করা। যেখানে চড়তে মধ্যবিত্তের পকেটে টান পড়বে না। যদিও বিষয়টি এখনও পরিকল্পনা স্তরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    কবে থেকে ছুটবে এই ট্রেন (Indian Railway)

    রেলের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, চলতি বছরের শেষের দিকেই ট্রাকে ছুটতে পারে এই ট্রেন। প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালেও এন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। রেল অন্ত্যোদয় এক্সপ্রেসও চালু করা হয়েছিল সেসময়। তবে রেল সূত্রে খবর মিলেছে, এই নয়া ট্রেনে আগের থেকে অনেক বেশি সুবিধা থাকবে। তবে সমস্ত বিষয়টি এখনও পরিকল্পনা স্তরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, লোকোমোটিভের সাহায্যে চলবে এই নতুন ট্রেন। ভারতীয় রেলে সাধারণত একটি লোকোমোটিভ থাকে, এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এই নতুন ট্রেনের দুই দিকেই লোকোমোটিভ থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এরফলে ট্রেনের (Indian Railway) গতি বেশ বাড়বে।

    কী কী সুবিধা মিলবে ট্রেনে

     জানা গিয়েছে নতুন এই ট্রেনে (Indian Railway) ২টি লাগেজ, গার্ড এবং দিব্যাং কোচ থাকবে। এছাড়া থাকবে ৮টি সেকেন্ড ক্লাসের জেনারেল কোচ ও ১২ টি স্লিপার কোচ। তবে ভাড়া সাশ্রয়ী এই ট্রেনে সব কোচগুলিই হবে নন এসি। তবে এখনও ট্রেনের নামকরণ ঠিক করা হয়নি। চিত্তরঞ্জন লোকোমোটিভ ওয়ার্কসে নতুন ট্রেনের লোকোমোটিভ তৈরির কাজ চলছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, বগি তৈরি হচ্ছে চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে। এই ট্রেন খুবই নিরাপদ, এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। চলতি সপ্তাহের সোমবারই মধ্যপ্রদেশে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের ব্যাটারি বক্সে আগুন লেগে যায়। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। রেলওয়ে আধিকারিকদের মতে, এই ট্রেনে (Indian Railway) ইউরোপীয় প্রযুক্তির কারণে বড় ধরনের আগুন লাগতে পারে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Falaknuma Express: হাওড়া-সেকেন্দ্রাবাদ ফলকনুমা এক্সপ্রেসে আগুন, আতঙ্কে যাত্রীরা

    Falaknuma Express: হাওড়া-সেকেন্দ্রাবাদ ফলকনুমা এক্সপ্রেসে আগুন, আতঙ্কে যাত্রীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও ট্রেন দুর্ঘটনা। আগুন লাগল হাওড়া থেকে সেকেন্দ্রাবাদগামী ফলকনুমা এক্সপ্রেসে (Falaknuma Express)। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে শর্ট সার্কিটের জেরে চলন্ত ট্রেনে আগুন লেগে যায়। তবে দ্রুততার সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। ফলে সমস্ত রেলযাত্রীকেই নিরাপদে ট্রেন থেকে বের করে আনা গিয়েছে। যদিও পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে ফলকনুমা এক্সপ্রেসের চারটি কামরা। আগুন ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে ট্রেনের এসি কোচগুলিতেও।

    কীভাবে দুর্ঘটনা

    শুক্রবার তেলঙ্গানায় মুম্মইপল্লি এবং পাগিড়িপল্লির মধ্যে ট্রেনটিতে আগুন লাগে। তার পরই দাঁড়িয়ে পড়ে ট্রেনটি। গলগল করে ধোঁয়া বেরোতে দেখা গিয়েছে। বালেশ্বর ট্রেন দুর্ঘটনার ভয়াবহ স্মৃতি এখনও সকলের মনে তাজা। তার মধ্যেই এই ফলকনুমা এক্সপ্রেসে (Falaknuma Express) অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ফলকনুমা এক্সপ্রেসের যাত্রীরা। ভয়ে হুড়োহুড়ি পড়ে যায় যাত্রীদের মধ্যে। চারটি (S4, S5, S6, S7) কামরা সম্পূর্ণরূপে জ্বলে গিয়েছে বলে খবর। দ্রুত খবর পৌঁছয় রেল কর্তৃপক্ষের কাছে। সঙ্গে সঙ্গে অ্যালার্ট জারি করা হয়। রেল সূত্রে খবর, তড়িঘড়ি এক্সপ্রেস থেকে যাত্রীদের নিরাপদে নামানো হয়েছে। হতাহতের কোনও খবর নেই। কী কারণে আগুন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সমস্ত যাত্রীরা সুরক্ষিত রয়েছেন। অন্য ট্রেনে করে তাঁদের হায়দরাবাদে নিয়ে যাওয়া হবে। ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন জেনারেল ম্যানেজার অরুণ কুমার জৈন।

    আরও পড়ুন: জটিলতা এড়াতে ত্রিস্তরে ৩ রঙের ব্যালট পেপার, কী কী সেই রং?

    বার বার ট্রেনে এমন বিপত্তির ঘটনায় সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে যাত্রীদের মধ্যে। উল্লেখ্য, এর আগেও ২০১৯ সালে হাওড়া-সেকেন্দ্রাবাদ ফলকনুমা এক্সপ্রেসে (Falaknuma Express) আগুন ধরে গিয়েছিল। সাঁতরাগাছি স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকার সময়েই আগুন লাগে এই এক্সপ্রেস ট্রেনে। ভস্মীভূত হয়ে যায় ট্রেনের রেক। হায়দ্রাবাদ যাওয়ার সবচেয়ে ভাল ট্রেন ফলকনুমা এক্সপ্রেস। হাওড়া স্টেশন থেকে ভোরে ছাড়ে এবং পরের দিন সকালে সেকেন্দ্রাবাদে পৌঁছে যায়। রাজ্যের একাধিক বাসিন্দা এই ট্রেনেই যান। ভরসার এই ট্রেনে হঠাৎ করে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগ বেড়েছে যাত্রীদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: ১০ ঘণ্টায় কলকাতা থেকে আগরতলা! বাংলাদেশ হয়ে উত্তর-পূর্বে পৌঁছবে ভারতীয় রেল?

    Indian Railway: ১০ ঘণ্টায় কলকাতা থেকে আগরতলা! বাংলাদেশ হয়ে উত্তর-পূর্বে পৌঁছবে ভারতীয় রেল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাতৃভাষা বাংলা এমন দুটি অঙ্গরাজ্য রয়েছে আমাদের দেশে। একটি পশ্চিমবঙ্গ, অপরটি ত্রিপুরা। অথচ কলকাতা থেকে আগরতলা ট্রেনপথে যেতে সময় লাগে ৩১ ঘণ্টা অর্থাৎ ১ দিনেরও বেশি। কারণ, বর্তমান ত্রিপুরা সহ উত্তর-পূর্বগামী সব ট্রেনকে উত্তরবঙ্গ হয়ে, অসম হয়ে যেতে হয়। তবে, অদূর ভবিষ্যতে এই চিত্র পাল্টাতে চলেছে। ভারতীয় রেলের উদ্যোগে, শীঘ্রই কলকাতা ও আগরতলার রেলযাত্রার সময় ১০ ঘণ্টায় নেমে আসতে চলেছে। হ্যাঁ, মাত্র ১০-ঘণ্টায় কলকাতা থেকে সরাসরি আগরতলা যাওয়া সম্ভব। কারণ, এবার নতুন উদ্যোগ অনুযায়ী, ভারতীয় রেলপথ সোজা বাংলাদেশ হয়ে সোজা পৌঁছে যাবে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে। 

    কোন রুটে চলবে এই ট্রেন?

    কোন রুটে এই ট্রেন চলাচল করবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে, রেল সূত্রে জানা যাচ্ছে, বর্তমান কলকাতা-ঢাকা রুটকেই বাড়িয়ে আখাউড়া করিডর হয়ে ত্রিপুরায় ট্রেন প্রবেশ করবে। বর্তমানে কলকাতা-ঢাকা মৈত্রী এক্সপ্রেস রয়েছে। সূত্রের খবর, কলকাতা-আগরতলা রুটও ভায়া ঢাকা হবে। অর্থাৎ, কলকাতা থেকে শুরু হয়ে ঢাকা। সেখান থেকে সীমান্তের আখাউড়া হয়ে আগরতলা। জানা গিয়েছে, চলতি বছরেই বা আগামী বছরের শুরুতে ত্রিপুরার নিশ্চিন্তপুরের ইন্টারন্যাশনাল ইমিগ্রেশন স্টেশন থেকে বাংলাদেশের আখাউড়া জংশন পর্যন্ত ট্রেন চালাতে চাইছে রেল। এই কারণে ত্রিপুরা থেকে আখাউড়া পর্যন্ত রেল লাইনের কাজ দ্রুত শেষ করতে আরও টাকা বরাদ্দ করল রেল (Indian Railway)। রেলসূত্রে খবর, এই প্রকল্পে ১৫৩.৮৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। 

    এই প্রকল্প অনুমোদন পায় ২০০৩ সালে

    জানা গিয়েছে, দুই দেশের মধ্য রেলপথ নির্মাণের এই প্রকল্প অনুমোদন পায় ২০০৩ সালে। ১৫ কিমি এই রেল প্রকল্পে দুই দেশ স্বাক্ষর করে ২০১৩ সালে। প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন হয় ২০১৬ সালে। এই বিশেষ প্রকল্পের ১৫ কিমি সংযোগের মধ্যে ৫.০৫ কিমি ভারতে ও বাকি ১০.০১৪ কিমি বাংলাদেশে রয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, প্রকল্পটি ২০২০ সালের মধ্যেই শেষ হওয়ার কথা ছিল কিন্তু করোনার কারণে কাজ পিছিয়ে যায়। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে যে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে ভারতীয় অংশের ৮৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। অপরদিকে, বাংলাদেশের দিকে প্রায় ৭৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্পটি ভারতের “অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি” এর অংশ বলে জানা গিয়েছে। এই অ্যাক্ট ইস্ট পলিসির লক্ষ্য হল অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশগুলির সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তোলা। উত্তর-পূর্ব ভারত এক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    কী বলছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা?

    ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা বলেন, ‘‘এই কাজ শেষ হলে এবং ওই রুটে ট্রেন (Indian Railway) চলাচল শুরু হলে বাণিজ্য ক্ষেত্রে উন্নয়ন হবে। ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে যোগাযোগ আরও দৃঢ় হবে। একই সঙ্গে উত্তরপূর্ব ভারতের পর্যটন ক্ষেত্রে আরও গতি আসবে।’’ এই আন্তর্জাতিক স্টেশনটি যাত্রী ও পণ্য বিনিময় উভয়ের জন্য একটি ডুয়েল গেজ স্টেশন হিসাবে কাজ করবে।

    কী বলছেন রেলের আধিকারিকরা?

    রেলের আধিকারিকরা বলেন, ‘‘এই রেলপথের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে জিনিসপত্র আমদানি এবং রফতানি আরও সহজ হবে। ফলে সেখানের এবং বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরাও লাভবান হবেন। রেল মন্ত্রক জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী উত্তর পূর্ব ভারতের উন্নয়নের দিকে জোর দিয়েছেন।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • One Station One Product: দেশের ৭২৮ রেল প্ল্যাটফর্মে চালু ‘এক স্টেশন এক পণ্য’ স্কিম! কী এই প্রকল্প? 

    One Station One Product: দেশের ৭২৮ রেল প্ল্যাটফর্মে চালু ‘এক স্টেশন এক পণ্য’ স্কিম! কী এই প্রকল্প? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকার লকডাউনের সময়ই ঘোষণা করেছিল ‘ভোকাল ফর লোকাল’ প্রকল্প। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্যকে জনপ্রিয় করে তুলতেই এই প্রয়াস ছিল মোদি সরকারের। এবার এই প্রকল্পেরই অংশ হিসেবে সারা দেশ জুড়ে শুরু হল ‘এক স্টেশন এক পণ্য’ (One Station One Product) স্কিম। প্রসঙ্গত, গত বছরের মার্চ মাসে এই প্রকল্প শুরু করে রেল। সোমবার ভারতীয় রেল জানায়, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের রোজকারের সুবিধা দিতেই এই প্রকল্প শুরু হয়েছে। ‘এক স্টেশন এক পণ্য’ (One Station One Product) এর স্কিমে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সামগ্রী রেলওয়ে প্ল্যাটফর্মে বিক্রি করা যায়। 

    এই প্রকল্পে কোন কোন জিনিস পাওয়া যাবে?

    রেল সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে ৭২৮ টি স্টেশনে ৭৮৫ ‘এক স্টেশন এক পণ্য’এর আউটলেট খোলা হয়েছে। দেশের ২১ টি রাজ্যে এবং ৩টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে শুরু হয়েছে এই স্কিম। এই প্রকল্পের আওতায় যে স্টেশন যে পণ্যের জন্য বিখ্যাত, সেখানে সেই সমস্ত সামগ্রী বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে।  হাতে তৈরি নানা জিনিসপত্র, হ্যান্ডলুম, সুতির পোশাক, কাপড়ের তৈরি ব্যাগ, স্থানীয়ভাবে কৃষিতে উৎপাদিত ফসল, প্রক্রিয়াজাত খাবার, কাঠের তৈরি জিনিসপত্র থেকে মশলা, চা, কফি সমস্ত কিছুই এই স্কিমের অংশ বলে জানিয়েছে রেল। যেমন পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে তাঁতের শাড়ি বিহারের ক্ষেত্রে ভাগলপুরের সিল্ক, টেরাকোটা, বাঁশের তৈরি জিনিসপত্র, অসমের ক্ষেত্রে গামছা ইত্যাদি।

    আরও খুঁটিনাটি…

    রেল সূত্রে আরও জানানো হয়েছে ২০২২ সালের মার্চ মাস থেকে ২০২৩ সালের ১ মে পর্যন্ত এই স্কিমের মাধ্যমে সুবিধা পেয়েছেন প্রায় ২৫ হাজারের উপর মানুষ। এই মুহূর্তে পূর্ব রেলের ৫৭টি স্টল চলছে বিভিন্ন ডিভিশনে। যেমন ২১ টি স্টল চলছে হাওড়া ডিভিশনে, ৭টি চলছে মালদা ডিভিশনে, ৭ টি আসানসোল ডিভিশনে ২২ টি স্টল চলছে শিয়ালদা ডিভিশনে।

    কী বলছেন রেল আধিকারিকরা?

    এ বিষয়ে রেলের উচ্চপদস্থ এক আধিকারিক বলেন, ‘‘প্রতিদিন হাজার হাজার সংখ্যায় মানুষ ভিড় করেন প্রতিটি রেলওয়ে স্টেশনে এবং শুধুমাত্র দেশের মানুষ নয় বিদেশীদেরও ওই ভিড় করতে দেখা যায়। স্বাভাবিকভাবেই এতে স্থানীয় পণ্যের গ্লোবাল মার্কেটিং হবে।’’ এক্ষেত্রে রেলের আধিকারিকরা উদাহরণ দিচ্ছেন যাদবপুরের ‘এক স্টেশন এক পণ্য’ (One Station One Product) এর স্টলকে। যেখানে প্রতিমাসে ৬০,০০০ টাকার টেক্সটাইল জুয়েলারি বিক্রি করেন এক মহিলা। এতে তাঁর জীবন জীবিকা ভালভাবেই চলে যায় বলে জানিয়েছে রেল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share