Tag: Jantar Mantar

Jantar Mantar

  • Jantar Mantar Protest: জন্তর-মন্তর বিক্ষোভে পাক-যোগ! পুলিশের নজরে ৪০০-র বেশি সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট

    Jantar Mantar Protest: জন্তর-মন্তর বিক্ষোভে পাক-যোগ! পুলিশের নজরে ৪০০-র বেশি সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুলাই মাসে দিল্লির জন্তর-মন্তরে অনুষ্ঠিত ছাত্র বিক্ষোভকে (Jantar Mantar Protest) ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে পরিকল্পিত ডিজিটাল প্রচার চালানো হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। তদন্তে শুধু সোশাল মিডিয়ার কার্যকলাপই নয়, আর্থিক লেনদেন এবং বিদেশি যোগের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, প্রায় ১৮০টি ইনফ্লুয়েন্সার ও ইউটিউব চ্যানেল, তিনটি বেসরকারি ডিজিটাল মার্কেটিং সংস্থা এবং পাকিস্তান-যোগের অভিযোগ থাকা ৪০০-র বেশি সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেল পুলিশের নজরে রয়েছে। পুলিশের সন্দেহ, জন্তর-মন্তরের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সমন্বিতভাবে নির্দিষ্ট কিছু কনটেন্ট ছড়িয়ে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা হয়েছিল, যাতে ঘটনাটি বাস্তবের তুলনায় অনেক বড় জাতীয় সংকট হিসেবে প্রতীয়মান হয়।

    কী খতিয়ে দেখছে পুলিশ?

    তদন্তকারীরা ১৯ ও ২০ জুলাই জন্তর-মন্তরে হওয়া বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে অনলাইনে একই ধরনের বার্তা কীভাবে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল, তা বিশ্লেষণ করছেন। পুলিশের দাবি, বিদেশে পরিচালিত কিছু সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট অতীতেও ‘অপারেশন সিঁদুর’-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সময় সক্রিয় ছিল। সেই একই ধরনের অ্যাকাউন্ট জন্তর-মন্তর বিক্ষোভের সময়ও সক্রিয় হয়ে ওঠায় বিদেশি প্রভাব বা দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত প্রচারের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। দিল্লি পুলিশ এখনও পর্যন্ত কোনও ইনফ্লুয়েন্সার, সংস্থা বা সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের নাম প্রকাশ করেনি। তদন্তকারীদের বক্তব্য, আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত এগুলি কেবল তদন্তের অংশমাত্র।

    আর্থিক লেনদেনও তদন্তের আওতায়

    ডিজিটাল প্রচারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি বা সংস্থাগুলি কোনও গোপন আর্থিক সুবিধা পেয়েছিল কি না, তাও তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা বিশেষভাবে নজর দিচ্ছেন— পিয়ার-টু-পিয়ার ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন, অ্যাফিলিয়েট বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অর্থপ্রাপ্তি, তৃতীয় পক্ষের মার্কেটিং কনসালটেন্সি চুক্তি এবং এমন অন্যান্য ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতি, যেগুলির প্রচলিত ব্যাংকিং নথি থাকে না।

    সোশাল মিডিয়া অ্যালগরিদমের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে

    তদন্তে উঠে এসেছে, বিভ্রান্তিকর দাবি, সম্পাদিত ভিডিও, ডিপফেক বা অতিরঞ্জিত তথ্য প্রথমে অল্প কয়েকটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে লাইক, শেয়ার, কমেন্ট ও ভিউ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের অ্যালগরিদম সেই কনটেন্টকে আরও বৃহৎ পরিসরে পৌঁছে দেয়। পুলিশ খতিয়ে দেখছে, জন্তর-মন্তরের বিক্ষোভের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রক্রিয়া কাজ করেছিল কি না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে একই ধরনের বার্তার একাধিক সংস্করণ তৈরি করে ইনস্টাগ্রাম, এক্স (সাবেক টুইটার), ইউটিউব-সহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে অল্প সময়ের ব্যবধানে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দিচ্ছে তদন্তকারীরা।

    তদন্তের মূল লক্ষ্য

    দিল্লি পুলিশের বক্তব্য, তদন্তের উদ্দেশ্য শুধু ভুয়ো তথ্য শনাক্ত করা নয়। বরং জন্তর-মন্তরের তুলনামূলকভাবে সীমিত পরিসরের বিক্ষোভকে পরিকল্পিতভাবে বৃহত্তর অনলাইন আন্দোলনে রূপ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল কি না এবং তার মাধ্যমে জনমনে উদ্বেগ, বিভ্রান্তি ও সামাজিক উত্তেজনা সৃষ্টি করা হয়েছিল কি না, সেটাই এখন তদন্তের মূল বিষয়। এখনও পর্যন্ত এই মামলায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি এবং কোনও চার্জশিটও দাখিল হয়নি। ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ, আর্থিক নথি এবং সোশাল মিডিয়ার কার্যকলাপ বিশ্লেষণ করে দেশীয় বা বিদেশি কোনও সংগঠিত চক্র জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে দিল্লি পুলিশ।

  • Hindus Under Attack: ভারত ও বিদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা নিয়ে সাপ্তাহিক প্রতিবেদন, একাধিক ঘটনায় উদ্বেগ

    Hindus Under Attack: ভারত ও বিদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা নিয়ে সাপ্তাহিক প্রতিবেদন, একাধিক ঘটনায় উদ্বেগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর হামলার ঘটনা ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে (Hindus Under Attack)। হত্যাকাণ্ড, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি অপবিত্র করা, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—বিভিন্ন ধরনের ঘটনার উল্লেখ রয়েছে সাপ্তাহিক এক প্রতিবেদনে (Roundup Week)। ২৬ জুলাই থেকে ১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের ঘটনাগুলিকে তুলে ধরে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বিশ্বের বহু অঞ্চলে হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন ধীরে ধীরে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, এর পেছনে হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ, ধর্মীয় মতাদর্শ এবং রাজনৈতিক অবস্থানের ভূমিকা রয়েছে।

    ভারতে একাধিক ঘটনা নিয়ে অভিযোগ (Hindus Under Attack)

    কর্নাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কে ছাত্রদের একটি বিক্ষোভ চলাকালীন জেলে থাকা ইসলামপন্থী উগ্রপন্থী উমর খালিদ ও শারজিল ইমামের প্রশংসাসূচক লেখা-সহ উসকানিমূলক প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে অজ্ঞাতপরিচয় এক মহিলার বিরুদ্ধে। পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভের আড়ালে দেশবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগও তোলা হয়েছে। বিবিসির ভারতীয় সংবাদকর্মী গীতা পাণ্ডের বিরুদ্ধে ভারতের হিন্দু ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপনের অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মহাকুম্ভকে “দৃশ্য প্রদর্শনী”, রামমন্দিরকে “ধ্বংস করা মসজিদ” এবং “জয় শ্রী রাম”-কে “হত্যার স্লোগান” হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

    অবৈধ ধর্মান্তর

    উত্তরপ্রদেশে অবৈধ খ্রিস্টান ধর্মান্তর কার্যকলাপের অভিযোগে একটি আন্তঃরাজ্য চক্রের সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছে পুলিশ। লখনউয়ের মোহনলালগঞ্জ এলাকা থেকে পরিচালিত ওই চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে (Hindus Under Attack)। ধৃতদের মধ্যে মূল অভিযুক্ত যাজক ড্যানিয়েল এবং তাঁর স্ত্রীও রয়েছেন। তামিলনাড়ু থেকে উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জেলায় এই নেটওয়ার্কের যোগাযোগ ছিল এবং প্রলোভন ও সংগঠিত প্রার্থনাসভার মাধ্যমে গ্রামীণ মানুষকে ধর্মান্তরের জন্য নিশানা করা হত বলে দাবি পুলিশের। শিক্ষা সংস্কার এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত অনিয়মের প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলন-উত্তর সময়ে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিতর্কের রূপ নেয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনের অভিযোগ, আন্দোলনে অংশ নেওয়া কিছু ব্যক্তির বক্তব্য ছিল হিন্দু-বিরোধী এবং মুসলিমপন্থী। হিন্দু-বিরোধী বক্তব্য আন্দোলনের মঞ্চ থেকে ছড়িয়ে পড়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

    হিন্দু ধর্ম অবমাননা!

    দিল্লির যন্তর মন্তরের ছাত্র বিক্ষোভ পাকিস্তান থেকে পরিচালিত বলে সন্দেহ করা ৪০০-রও বেশি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করে বন্ধ করে দেওয়ার দাবি করেছে দিল্লি পুলিশ। উপ-পুলিশ কমিশনার রোহিত রাজবীর সিংয়ের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। এআই দিয়ে তৈরি ভুয়ো ভিডিও, বিকৃত ছবি এবং এডিটেড সরকারি বিবৃতি ব্যবহার করে জনমত বিভ্রান্ত ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার জন্য একটি আন্তঃসীমান্ত অপপ্রচার চালানো হচ্ছিল বলে পুলিশের অভিযোগ। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের বিরুদ্ধে হিন্দু ধর্ম অবমাননা করার অভিযোগ তুলেছেন প্রতিবেদকরা। বিজেপির সমালোচনার আড়ালে তিনি ধারাবাহিকভাবে হিন্দু-বিরোধী মন্তব্য করছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনায় প্রধান বিচারপতির সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত অভিজিৎ দীপকেকে ভগবান বিষ্ণুর অবতার হিসেবে উল্লেখ করে তিনি হিন্দু ধর্মকে অপমান করেছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

    হিন্দু ‘সেজে’ বিপাকে মনোয়ার আনসারি

    ঝাড়খণ্ডের সাহিবগঞ্জ জেলার বারহেটের বাসিন্দা মনোয়ার আনসারির বিরুদ্ধে ধর্মীয় পরিচয় গোপন করে রাঙ্গার এক নাবালিকা হিন্দু মেয়েকে প্রলোভিত করার অভিযোগ উঠেছে। মেয়েটির মায়ের দায়ের করা এফআইআরে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত নিজেকে মনোহর বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ তাঁকে জেলে পাঠিয়েছে। আদালতে রেকর্ড করা হয়েছে মেয়েটির বয়ানও (Roundup Week)। এক হিন্দু কিশোরীকে ধর্ষণ, নির্যাতন এবং তাঁর আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে ভয়াবহ এক ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। শোয়েব, সালমান এবং আরও এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। হোটেল থেকে আতঙ্কিত অবস্থায় বেরিয়ে আসার সময় জনৈক হিমাংশু পটেল, দেবেন্দ্র পটেল এবং নির্দোষ রাঠোর তাঁর ছবি তুলে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেন বলে (Hindus Under Attack) অভিযোগ। শারীরিক ও মানসিক আঘাতে জর্জরিত নবম শ্রেণির ওই ছাত্রী শেষমেশ আত্মহত্যা করেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

    বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ

    জাতীয় পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে লোকসভায় আলোচনার সময় আইআইটি মাদ্রাজের অধিকর্তা ভি কামাকোটিকে উদ্দেশ করে কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরার মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক ও শিক্ষামহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি “গোমূত্র” শব্দ ব্যবহার করে কটাক্ষ করেছেন। উত্তরপ্রদেশের মিরাটে এক তরুণীকে ভুয়ো পরিচয়ে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তের মা ও মাসির হুমকির পর ওই তরুণী বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত আরমান, তাঁর মা ও মাসির বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মামলা করেছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। কর্নাটকে হিন্দু জনজাগৃতি সমিতির গুরু পূর্ণিমা মহোৎসব নিয়ে এসডিপিআই নেতা আশরাফের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বান্টওয়াল থানায় অভিযোগ দায়ের করে তিনি আয়োজকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এবং গুরু পূর্ণিমার অনুষ্ঠানকে “দেশ-বিরোধী” বলে অভিহিত করেন। ঘটনায় ক্ষুব্ধ বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন ও ভক্তরা।

    হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ ও বৈষম্যের অভিযোগ

    প্রতিবেদনটির দাবি, অধিকাংশ হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষমূলক অপরাধের পেছনে নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রভাব রয়েছে। ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট হলেও, নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ বলে দাবি করা দেশগুলির প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও আরও সূক্ষ্ম ধরনের হিন্দু-বিরোধী মনোভাব রয়েছে বলে প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে। এই ধরনের দৈনন্দিন বৈষম্য অনেক সময় সরাসরি চোখে পড়ে না। আইন, সরকারি নীতি এবং সামাজিক আচরণের দীর্ঘমেয়াদি ধারা বিশ্লেষণ করলে এর উপস্থিতি বোঝা যায় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি ব্যবহারের ওপর ধীরে ধীরে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণের যুক্তিতে এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও, বৃহত্তর পরিসরে হিন্দু ধর্মীয় উৎসবের ওপর আরোপিত বিভিন্ন বিধিনিষেধ এবং সেগুলির যুক্তির (Roundup Week) মধ্যে অসামঞ্জস্য রয়েছে।প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়েছে, হিন্দুদের ওপর আক্রমণ ও বৈষম্যের ঘটনাগুলিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে না দেখে (Hindus Under Attack) বৃহত্তর মানবাধিকার সঙ্কটের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

     

  • PM Modi: যন্তর মন্তরে গালিগালাজ করা পড়ুয়াদের ক্ষমা করলেন প্রধানমন্ত্রী, শাস্তির বদলে ‘পথ দেখানোর’ বার্তা

    PM Modi: যন্তর মন্তরে গালিগালাজ করা পড়ুয়াদের ক্ষমা করলেন প্রধানমন্ত্রী, শাস্তির বদলে ‘পথ দেখানোর’ বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির যন্তর মন্তরে সাম্প্রতিক বিক্ষোভ চলাকালীন তাঁকে এবং তাঁর প্রয়াত মাকে গালিগালাজ করার অভিযোগ ওঠা (PM Modi) পড়ুয়াদের ক্ষমা করে দেওয়ার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত (Bharat) এক ভিডিয়ো বার্তায় তিনি জানান, ভুলের জন্য পড়ুয়াদের দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে ঠেলে না দিয়ে তাঁদের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত। শাস্তির পরিবর্তে তাঁদের সঠিক পথ দেখানোর জন্য সমাজের কাছে আবেদন জানান তিনি।

    অত্যন্ত কুরুচিকর ভাষা (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী জানান, যন্তর মন্তরের ঘটনায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কয়েকজন পড়ুয়া অত্যন্ত কুরুচিকর ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। তাঁকে এবং তাঁর প্রয়াত মাকে উদ্দেশ্য করে যে ধরনের মন্তব্য করা হয়েছিল, তা তাঁকে গভীরভাবে আঘাত করেছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “যন্তর মন্তরে যা ঘটেছে… দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কিছু পড়ুয়া অত্যন্ত কুরুচিকর ভাষা ব্যবহার করেছে। তারা আমাকে গালিগালাজ করেছে, এমনকি আমার প্রয়াত মাকেও গালিগালাজ করেছে। বিষয়টি অত্যন্ত কষ্টদায়ক ছিল।” তবে একই সঙ্গে পড়ুয়াদের ভুল শুধরে নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেন তিনি। তাঁর কথায়, “শিশুরা ভুল করে। আর শৈশব এমন একটি সময়, যখন তাদের সেই ভুল সংশোধনের সুযোগ দেওয়া উচিত।”

    ‘শাস্তি নয়, পথ দেখান’

    অভিযুক্ত পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বা দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে গেলে সমস্যার সমাধান হবে না বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “যারা আমাকে গালিগালাজ করেছে, আমি তাদের ক্ষমা করে দিতে চাই। আমার এই সিদ্ধান্ত সমাজ মেনে নিক—এটাই আমার আবেদন।” নিজের বক্তব্য বোঝাতে একটি উদাহরণও দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কখনও কখনও আমরা নিজের দাঁত দিয়ে অসাবধানতাবশত নিজের জিভ কামড়ে ফেলি এবং রক্ত বের হয়। কিন্তু আমরা দাঁত ভেঙে ফেলি না। কারণ দাঁত এবং জিভ—দু’টিই আমাদের নিজের।” অভিযুক্ত পড়ুয়াদের সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন না করে তাঁদের আপন করে নেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “তারা ভুল পথে পরিচালিত হয়েছিল। তাদের সঠিক পথ দেখানো আমাদের দায়িত্ব। তাদের শাস্তি দেওয়া, আদালতের চক্করে ঘোরানো বা সামাজিকভাবে হেনস্থা করা—কোনও কিছুতেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে না।”

    জিরো এফআইআর

    প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের মধ্যেই ঘটনাটি ঘিরে আইনি পদক্ষেপের বিষয়টিও সামনে এসেছে। দিল্লির যন্তর মন্তরে নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে আয়োজিত বিক্ষোভের সময় প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে নয়ডার এক মহিলার বিরুদ্ধে জিরো এফআইআর দায়ের করা হয়েছে (PM Modi)। গাজিয়াবাদের এক বাসিন্দার অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের করা এফআইআরে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে “অশালীন ও আপত্তিকর” ভাষা ব্যবহার করেছেন। এর ফলে জনমনে বিরোধ তৈরি করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার উদ্দেশ্য ছিল বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৫২ নম্বর ধারা—শান্তিভঙ্গের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত অপমান, ৩৫৩(১) নম্বর ধারা—জনমনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে এমন বক্তব্য এবং ৩৫৬(১) নম্বর ধারা—মানহানির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্তের জন্য মামলাটি সংসদ মার্গ থানায় পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের ফলের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ করা হবে। অভিযোগের ঘটনাস্থল যে থানার আওতায়ই পড়ুক না কেন, দেশের যে কোনও থানায় জিরো এফআইআর দায়ের করা যায়। পরে সেটি সংশ্লিষ্ট এলাকার এক্তিয়ারভুক্ত থানায় তদন্তের জন্য পাঠানো হয়। এই ক্ষেত্রেও সেই প্রক্রিয়াই অনুসরণ করে মামলাটি সংসদ মার্গ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    ‘ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ গড়ো’

    পড়ুয়াদের উদ্দেশে সরাসরি বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তাঁদের দেশের অগ্রগতির সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। বলেন, “আসুন, দেশের জন্য আমরা একসঙ্গে এগিয়ে যাই। নিজেদের ভুল থেকে শিক্ষা নিই এবং নিজেদের স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে চলি (Bharat)। ভারত দ্রুত এগিয়ে চলেছে। আমি চাই, আপনাদের প্রত্যেকেও একইভাবে এগিয়ে যান।”  ভিডিয়োর শেষে তিনি বলেন, “গালিগালাজ কখনও কোনও সমস্যার সমাধান করে না। যারা ভুল পথে পরিচালিত হয়েছে, তাদের সঠিক পথ দেখাই। একসঙ্গে কাজ করি। ভারতের জন্য কাজ করি।”

    নিট বিক্ষোভের অবসান

    দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চলা বিক্ষোভ ২৫ জুলাই শেষ হয়। প্রায় পাঁচ সপ্তাহ ধরে চলা এই আন্দোলনে হাজার হাজার পড়ুয়া অংশ নেন। উদ্ভাবক-সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকও ২৬ দিনের অনশনের সময় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়ম এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদেই এই আন্দোলন সংগঠিত হয়েছিল (PM Modi)। আন্দোলনের সময় পুলিশের সঙ্গে একাধিকবার বিক্ষোভকারীদের সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়। ২০ জুলাই ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিও পালন করা হয়েছিল। পরে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর পরিস্থিতি আরও তীব্র হয়। পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানো-সহ একাধিক (Bharat) গুরুত্বপূর্ণ দাবিতে কেন্দ্র সরকার সম্মতি জানালে আন্দোলন প্রত্যাহার করে (PM Modi) নেয় ককরোচ জনতা পার্টি।

     

  • PM Modi: ‘আরশোলা’ পার্টির বিক্ষোভে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করে পোস্ট, সোশ্যাল মিডিয়া কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য চাইল দিল্লি পুলিশ

    PM Modi: ‘আরশোলা’ পার্টির বিক্ষোভে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করে পোস্ট, সোশ্যাল মিডিয়া কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য চাইল দিল্লি পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া (Derogatory Posts) আপত্তিকর ও অবমাননাকর পোস্টের ঘটনায় এফআইআর দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ। সরকারি অভিযোগে বলা হয়েছে, দেশের একটি সাংবিধানিক পদাধিকারীকে উদ্দেশ্য করে “অপমানজনক, বিদ্বেষমূলক এবং মানহানিকর” বিষয়বস্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

    বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের পরিচয় জানাও (PM Modi)

    এই ঘটনার তদন্তে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সকে সংশ্লিষ্ট পোস্টগুলি আপলোড করা অ্যাকাউন্টগুলির পরিচয় জানাতে এবং দ্রুত ছবি ও ভিডিওগুলি সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। পাশাপাশি, যেসব এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে আপত্তিকর পোস্ট করা হয়েছে, সেগুলির পুরো নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর এবং ই-মেল আইডি-সহ বিস্তারিত তথ্যও চেয়েছে পুলিশ। এছাড়াও, সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টগুলির লগ-ইন ও লগ-আউট সংক্রান্ত তথ্য, তারিখ ও সময়ের বিবরণ এবং তদন্তে সহায়ক হতে পারে এমন অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়মের ৬৩(৪) ধারার অধীনে একটি শংসাপত্র জমা দিতে এবং ভবিষ্যৎ তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট পোস্ট এবং ভিডিওগুলির সমস্ত তথ্য সংরক্ষণ করতেও এক্স-কে নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ। উল্লেখ্য, গত ২৭ জুলাই যন্তর মন্তরে অনুষ্ঠিত সিজেপির বিক্ষোভ এবং চলো সংসদ কর্মসূচিকে ঘিরে সংঘটিত অশান্তির সময় প্রকাশিত একাধিক ভিডিও ও পোস্ট সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ, ওই পোস্টগুলিতে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে উদ্দেশ্য করে অবমাননাকর ও আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছিল।

    সোশ্যাল মিডিয়া নজরদারি

    দিল্লি পুলিশের দাবি, বিক্ষোভ ও অশান্তির সময় বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে অশালীন ভাষায় একাধিক বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তাদের সোশ্যাল মিডিয়া নজরদারি দল নিয়মিতভাবে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নজরদারি চালাচ্ছে। কোথাও আপত্তিকর বা উসকানিমূলক বিষয়বস্তু নজরে এলেই সংশ্লিষ্ট সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাকে তা সরিয়ে নিতে বলে নোটিশ পাঠানো হচ্ছে।পুলিশের দাবি, ইতিমধ্যেই নোটিশ পাঠানোর পর প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে করা একাধিক অশালীন মন্তব্য ও ভিডিও সরিয়ে ফেলা হয়েছে। সাইবার শাখা এবং সোশ্যাল মিডিয়া নজরদারি দল বিক্ষোভ সংক্রান্ত সমস্ত অনলাইন কার্যকলাপের ওপর নজর রাখছে (PM Modi), যাতে কোনও উসকানিমূলক বা আইনভঙ্গকারী বিষয়বস্তু দ্রুত চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এর আগে দিল্লি পুলিশের দাবি ছিল, পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত ৪০০-রও বেশি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলি (Derogatory Posts) সিজেপির বিক্ষোভকে সমর্থন করে ভুয়ো তথ্য, ডিপফেক ভিডিও এবং বিভ্রান্তিকর প্রচার চালাচ্ছিল (PM Modi)।

     

  • CJP Protest: যন্তর-মন্তরে ৬০ মেট্রিক টন আবর্জনা ফেলে চলে গেল সিজেপি! রাতভর পরিষ্কার করল দিল্লি পুরসভা

    CJP Protest: যন্তর-মন্তরে ৬০ মেট্রিক টন আবর্জনা ফেলে চলে গেল সিজেপি! রাতভর পরিষ্কার করল দিল্লি পুরসভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র আন্দোলন শেষ হওয়ার পর রাজধানীর যন্তর-মন্তরে শুরু হয়েছে এক বিশাল পরিচ্ছন্নতা অভিযান। আন্দোলনকারীরা সরে যাওয়ার পর প্রায় ৬০ মেট্রিক টন আবর্জনা পরিষ্কার করতে রাতভর কাজ চালিয়েছে নিউ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল (NDMC)। শতাধিক সাফাইকর্মী, প্রকৌশলী এবং ভারী যন্ত্রপাতি নামিয়ে যন্তর-মন্তর-সহ আশপাশের এলাকা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই গোটা অভিযানের ব্যয়ভার শেষ পর্যন্ত বহন করতে হচ্ছে করদাতাদের অর্থ থেকেই।

    রাতভর চলল পুনরুদ্ধারের কাজ

    শনিবার শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর সিজেপি-র আন্দোলন শেষ হতেই নিউ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিলের সহ-সভাপতি কুলজিৎ সিং চাহাল এবং ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিচ্ছন্নতা ফিরিয়ে আনার কাজ তদারকি করেন। স্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং হর্টিকালচার বিভাগের ৫০০-রও বেশি কর্মী ও আধিকারিক এই অভিযানে অংশ নেন। শুধু আবর্জনা সরানোই নয়, রাস্তা ধোয়া, দেওয়ালে লেখা স্লোগান মুছে ফেলা, ক্ষতিগ্রস্ত ফুটপাত ও কার্বস্টোন মেরামত, সবুজ এলাকা পুনর্গঠন এবং ল্যান্ডস্কেপিংয়ের কাজও করা হয়। যন্তর-মন্তরের পাশাপাশি টলস্টয় মার্গ, সংসদ মার্গ, জয় সিং মার্গ এবং কনট প্লেসের কিছু অংশেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চালানো হয়।

    পাহাড়প্রমাণ আবর্জনা

    নিউ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল সূত্রে জানা গিয়েছে, আন্দোলনস্থল ও আশপাশ থেকে প্রায় ৬০ মেট্রিক টন মিশ্র বর্জ্য অপসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ রাতেই সরিয়ে ফেলা হয়। আবর্জনার মধ্যে ছিল ফেলে দেওয়া খাবারের প্যাকেট, প্লাস্টিকের বোতল, কাগজের কাপ, ব্যানার, কাপড়, নির্মাণসামগ্রীর ধ্বংসাবশেষ, পাথর এবং অন্যান্য কঠিন বর্জ্য। ২৪ জুলাই একদিনেই প্রায় ২৭ মেট্রিক টন আবর্জনা সংগ্রহ করা হয়, যা আগের দিনের প্রায় ১৫ মেট্রিক টনের তুলনায় অনেক বেশি। এই বিপুল বর্জ্য সরাতে নিউ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল নামায় ৮টি অটো-টিপার, ২টি ভারী ট্রাক, ১টি এক্সকাভেটর, ৩টি প্রেসার জেটিং মেশিন, মেকানিক্যাল রোড সুইপার। বহু সাফাইকর্মী, যারা রাতভর শিফটে কাজ করেন।

    করদাতাদের অর্থে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা

    বৃহৎ জনসমাবেশের পর এই ধরনের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বিপুল সরকারি অর্থ ব্যয় হয়। শুধু আবর্জনা সরানো নয়, ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা, ফুটপাত, পার্ক, সবুজ এলাকা এবং সরকারি সম্পত্তি মেরামতের জন্যও অতিরিক্ত অর্থ ও জনবল ব্যয় করতে হয়। ফলে শহরের অন্য এলাকাগুলিতে নিয়মিত নাগরিক পরিষেবাও সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এই অতিরিক্ত ব্যয়ের ভার শেষ পর্যন্ত বহন করেন সাধারণ করদাতারাই, যদি না সংশ্লিষ্ট আয়োজকদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের কোনও ব্যবস্থা থাকে।

    আন্দোলন চলাকালীনই আবর্জনার পাহাড়

    যন্তর মন্তরে আন্দোলন চলাকালীনও চোখে পড়েছিল আবর্জনার পাহাড়। প্রতিবাদস্থল জুড়ে প্লাস্টিকের বোতল, কাগজের প্লেট ও ​​খাবারের প্যাকেট পড়ে আছে, সাথে ছিল অবিরাম দুর্গন্ধ। ওই অঞ্চলের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা নয়াদিল্লি পৌর কর্পোরেশন (এনডিএমসি)-এর এক কর্মকর্তা বলেন, “যেখানে প্রতিদিন ৫,০০০-এর বেশি মানুষ জড়ো হয়েছিল, সেখানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কোনো নির্দিষ্ট নিয়মকানুন ছিল না। আগে আমরা টলস্টয় মার্গ, সংসদ মার্গ এবং জন্তর মন্তর রোড থেকে প্রায় ৫০০-৬০০ কেজি বর্জ্য সংগ্রহ করতাম। আন্দোলন চলাকালীন আমরা প্রতিদিন প্রায় ১৫,০০০ কেজি বর্জ্য অপসারণ করি। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য এনডিএমসি তিনটি শিফটে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েন করে। সকালে প্রায় ৫০ জন, বিকেলে ১৫ জন এবং সন্ধ্যায় ২০ জন কর্মী এলাকাটি পরিষ্কার করেন। আমরা ব্যাটারিচালিত ও পরিবেশবান্ধব আবর্জনা সংগ্রহকারী যন্ত্র ‘গবলার’ এবং দ্রুত কঠিন বর্জ্য সংগ্রহের জন্য তৈরি ভ্যাকুয়াম ডিভাইসও ব্যবহার করি। নিয়মিত বিরতিতে ফগিং মেশিন এবং জীবাণুনাশক স্প্রেও ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও, পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতিবাদস্থলে অটো-টিপার এবং আবর্জনার ট্রাক আসে।” তবুও, গত কয়েকদিন ধরে আবর্জনা জমে উঠেছে, বিশেষ করে কেরালা হাউসের বিপরীতে একটি পরিত্যক্ত ভবনের পাশে।

    নতুন করে উঠছে জবাবদিহির প্রশ্ন

    যন্তর-মন্তরের এই ঘটনা আবারও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনে দিয়েছে। বৃহৎ জনসমাবেশের আগে কি আয়োজকদের বাধ্যতামূলকভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা জমা দেওয়া উচিত? আন্দোলনের ফলে সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি বা অতিরিক্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার খরচ হলে তার দায় কি আয়োজকদেরই বহন করা উচিত? আন্দোলন শেষে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে কি সংগঠকদের স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে? এই প্রশ্নগুলির উত্তর শুধু একটি নির্দিষ্ট আন্দোলনের জন্য নয়, ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অনুষ্ঠিত বৃহৎ গণআন্দোলনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

    নেপথ্যের নায়ক পৌরকর্মীরা

    প্রতিবাদের ছবি যেমন সংবাদ শিরোনামে জায়গা করে নেয়, তেমনই আন্দোলনের পরে শহরকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে রাতভর কাজ করা সাফাইকর্মী, প্রকৌশলী, যন্ত্রচালক এবং উদ্যান বিভাগের কর্মীদের অবদান অনেক সময়ই আড়ালেই থেকে যায়। তাঁদের নিরবচ্ছিন্ন পরিশ্রমেই অল্প সময়ের মধ্যে যন্তর-মন্তর এবং আশপাশের এলাকা আবার সাধারণ মানুষের ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা সম্ভব হয়েছে। যন্তর-মন্তরের এই ঘটনার পর এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—বৃহৎ রাজনৈতিক বা সামাজিক আন্দোলনের পর জনপরিসর পরিষ্কার ও পুনরুদ্ধারের সম্পূর্ণ দায়িত্ব কি শুধুই পুরসভা এবং করদাতাদের উপর বর্তাবে, নাকি ভবিষ্যতে আয়োজকদেরও এই দায়বদ্ধতার আওতায় আনার সময় এসেছে?

  • BJP: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে প্রথম দিনই ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, দাবি কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের

    BJP: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে প্রথম দিনই ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, দাবি কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিক্ষোভ (Student Protest) শুরু হওয়ার প্রথম দিনেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদে ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। অন্তত এমনই দাবি করলেন মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রী কৈলাস বিজয়বর্গীয় (BJP)। তাঁর বক্তব্য, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশেই তখন ইস্তফা দেননি প্রধান। পরে দল সিদ্ধান্ত নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি পদত্যাগ করেন।

    কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের দাবি (BJP)

    শনিবার ইন্দোরে সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিজয়বর্গীয় বলেন, “ছাত্র আন্দোলন শুরু হওয়ার প্রথম দিনেই ধর্মেন্দ্র প্রধান বিজেপি সভাপতিকে জানিয়েছিলেন, যদি দলের মনে হয় তাঁর ইস্তফা দেওয়া প্রয়োজন, তাহলে তিনি শিক্ষামন্ত্রীর পদ ছাড়তে প্রস্তুত।” বিজয়বর্গীয়র দাবি, সেই সময় বিজেপি সভাপতি প্রধানকে ইস্তফা দিতে বারণ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এ বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে আর আলোচনা না করাই ভালো। মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রীর দাবি, পরে যখন দল সিদ্ধান্ত নেয় যে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা দেওয়া উচিত, তখন তিনি এক মুহূর্ত দেরি না করে পদত্যাগ করেন। ধর্মেন্দ্র প্রধানের প্রশংসা করে বিজয়বর্গীয় বলেন, তাঁর ওপর অর্পিত প্রতিটি দায়িত্ব তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন।

    “বিদেশি শক্তির” পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছে

    একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ফলে সেই সব “বিদেশি শক্তির” পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছে, যারা বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মতো পরিস্থিতি তৈরি করে ভারতে অস্থিরতা ছড়াতে চেয়েছিল। তাঁর কথায়, “ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা সেই বিদেশি শক্তির ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছে, যারা হিংসা ছড়িয়ে ভারতকে অস্থিতিশীল করতে চেয়েছিল। তিনি যা করেছেন, তার জন্য আমি তাঁকে অভিনন্দন জানাই।” শনিবার নিট-ইউজি ২০২৬ প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে নৈতিক দায় স্বীকার করে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। এরপরই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়ম এবং (BJP) নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে টানা ৩৬ দিন ধরে চলা আন্দোলন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করে ককরোচ জনতা পার্টি। এই আন্দোলনে লক্ষাধিক মানুষ অংশ নিয়েছিল বলে দাবি উদ্যোক্তাদের।

    দায়িত্বে প্রহ্লাদ জোশী

    ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রবীণ বিজেপি নেতা প্রহ্লাদ জোশীকে। বর্তমানে তিনি ভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও গণবণ্টন এবং নব ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি মন্ত্রকের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন। শিক্ষামন্ত্রকের দায়িত্বের পাশাপাশি ওই মন্ত্রকগুলির দায়িত্বও তাঁর কাছেই থাকবে। নিট বিতর্কের পর পরীক্ষা ব্যবস্থায় একাধিক সংস্কার কার্যকর করার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই দায়িত্ব পেলেন জোশী। দায়িত্ব নিয়ে জোশী বলেন, “আমি কর্তব্যবোধ এবং বিনয়ের সঙ্গে এই দায়িত্ব নিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। গত চার থেকে (Student Protest) পাঁচ বছরে ধর্মেন্দ্র প্রধান জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমি আমার সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে নিষ্ঠার সঙ্গে এই দায়িত্ব পালন করব (BJP)।”

     

  • Journalists Attack: ছাত্র সমাবেশে দুষ্কৃতীদের ভিড়! সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১১

    Journalists Attack: ছাত্র সমাবেশে দুষ্কৃতীদের ভিড়! সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় ছাত্র সমাবেশ চলাকালীন হিংসা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার (Journalists Attack) ঘটনায় ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। গত ২৪ জুলাই হামলা হয় সাংবাদিকদের ওপর (Rally Violence)। শনিবার গ্রেফতারির খবর জানিয়েছেন পুলিশ কর্তারা। কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) কুণাল আগরওয়াল জানান, যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা কেউই ছাত্র নন।

    সাংবাদিক পিটিয়ে গ্রেফতার ১১ (Journalists Attack)

    তিনি বলেন, “হিংসা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরা কেউই ছাত্র নয়। তারা সকলেই গোলমাল সৃষ্টি করেছিল। ছাত্র সংগঠনের সমাবেশে উপস্থিত থেকে তারা ভাঙচুর ও হিংসাত্মক ঘটনায় জড়িয়ে পড়েছিল।” গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— ইরফান খুরশেদ (৩০), আরশাদ আলি ওরফে সাজিদ (৫০), মহম্মদ মইনুদ্দিন (২৬), মহম্মদ আলমগীর ওরফে রাজু (৪৮), ইমরান আহমেদ ওরফে গোপী (১৯), খালিদ রেজা ওরফে রিঙ্কু (৪৭), জামির আহমেদ ওরফে মিনকু (৪২), মহসিন খান (৩০) এবং দীপক ভৌমিক ওরফে ভিকি (৩৮)। এছাড়াও গ্রেফতার করা হয়েছে জনৈক মহম্মদ আজাদ ও মহম্মদ আফরোজকে। পুলিশের দাবি, “মহম্মদ আজাদ ও মহম্মদ আফরোজ পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছিল। দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়েতে অন্ডালের কাছে তাদের আটক করা হয়।”

    কী বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

    এর আগে শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কলকাতায় নিট আন্দোলনের সময় পুলিশকর্মী ও সাংবাদিকদের ওপর “নৃশংস হামলা”র তীব্র নিন্দা করেন। কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে গিয়ে জখম হওয়া সাংবাদিকদের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তায় তিনি জানান, আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন এবং তাঁদের সর্বোত্তম চিকিৎসার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন (Journalists Attack)। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আজ কলকাতায় দুষ্কৃতীদের হাতে পুলিশকর্মী ও সাংবাদিকদের ওপর নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। একাধিক আহত সাংবাদিক বর্তমানে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আমি হাসপাতালে গিয়ে তাঁদের সঙ্গে দেখা করেছি এবং শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছি। তাঁদের সর্বোত্তম চিকিৎসার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছি। ঘটনায় জড়িত প্রত্যেক দোষীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কলকাতা পুলিশের কমিশনারকে দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।”

    উল্লেখ্য, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের বিরুদ্ধে দিল্লির যন্তর মন্তরে চলা আন্দোলনের সমর্থনে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। অল ইন্ডিয়া ডেমোক্র্যাটিক স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশনের ব্যানারে আয়োজিত এক (Rally Violence) বিক্ষোভে কয়েকজন আন্দোলনকারীকে বোতল ছুড়তেও দেখা গিয়েছে বলে অভিযোগ (Journalists Attack)।

     

  • JP Nadda: পরীক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন প্রত্যাহার ককরোচ জনতা পার্টির, দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস কেন্দ্রের

    JP Nadda: পরীক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন প্রত্যাহার ককরোচ জনতা পার্টির, দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা পরীক্ষাব্যবস্থার সংস্কার-সহ বিভিন্ন দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সঙ্গে বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় সরকার তাদের দাবিগুলি নীতিগতভাবে বিবেচনা ও গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। শনিবার সংবিধান ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান (CJP), পরীক্ষা সংস্কার সংক্রান্ত সংগঠনের পাঁচ দফা দাবিপত্র সরকার গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখবে এবং প্রতিনিধিদের সঙ্গে আরও আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে।

    সরকার সহানুভূতিশীল (JP Nadda)

    নাড্ডা বলেন, “আপনারা যে পাঁচ দফা দাবিপত্র আমাকে দিয়েছেন, তা শিক্ষা পরীক্ষাব্যবস্থার সংস্কার সংক্রান্ত। এই প্রস্তাবগুলি আমরা গভীরভাবে বিবেচনা করব এবং আপনাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে যতটা সম্ভব তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করব। সরকার আপনাদের সমস্ত দাবির প্রতি সহানুভূতিশীল মনোভাব দেখিয়েছে এবং সেগুলি গ্রহণ করেছে।” আন্দোলনের সময় দায়ের হওয়া মামলাগুলি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। নাড্ডা বলেন, “আন্দোলনকারীদের সংশ্লিষ্ট এফআইআরগুলির অনুলিপি দেওয়া হবে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।” ক্ষতিপূরণের দাবি প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির প্রতি সহানুভূতিশীল। প্রচলিত নিয়ম ও বিধি অনুযায়ী তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে এবং যতটা সম্ভব সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।”

    সরকারের আশ্বাস

    তিনি এও বলেন, “আজ দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। আন্দোলন চলাকালীন দায়ের হওয়া মামলাগুলি নিয়ে তারা লিখিতভাবে চার দফা প্রস্তাব দিয়েছে। পাশাপাশি আরও দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে—কোনও প্রতিহিংসামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে এবং তাদের পাঁচ দফা দাবিপত্র বিবেচনা করা হবে। আমরা এফআইআরের অনুলিপি দেব এবং কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। ক্ষতিপূরণের বিষয়েও সরকার স্পষ্ট করেছে যে আমরা সহানুভূতিশীল এবং নিয়ম অনুযায়ী তাদের সর্বোচ্চ সম্ভব ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে (JP Nadda)।” বৈঠক শেষে ককরোচ জনতা পার্টি জানিয়েছে, সরকারের আশ্বাসের ভিত্তিতে “সদিচ্ছার সঙ্গে” তারা যন্তর মন্তরে চলা টানা ৩৭ দিনের আন্দোলন প্রত্যাহার করছে। সংগঠনের প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, “ককরোচ জনতা পার্টি সদিচ্ছার সঙ্গে আন্দোলন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করছে। সরকারের সঙ্গে যে বিষয়গুলিতে ঐকমত্য হয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সেগুলি কার্যকর হবে—এই বিশ্বাস থেকেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

    মৃতদের পরিবারকেও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ

    সংগঠনের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার নিট পরীক্ষার্থীদের আত্মহত্যায় মৃতদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হয়েছে। পাশাপাশি, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর প্রত্যাহারেরও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সিজেপি সরকারকে পাঁচ দফা দাবিপত্র দিয়েছে। চার সপ্তাহ পর উভয় পক্ষের মধ্যে পরবর্তী দফার বৈঠক হবে বলেও জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে টানা বিক্ষোভের জেরে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। পরীক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং (CJP) সংস্কারের দাবিতে ছাত্রদের আন্দোলন ক্রমশ জোরদার হওয়ার পর তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। প্রধানের (JP Nadda) দাবি, ছাত্রদের স্বার্থে এবং চলমান আন্দোলনকে “দেশবিরোধী শক্তি” যেন কাজে লাগাতে না পারে, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

     

  • Elderly Man Confronts: যন্তর মন্তরে ‘আরশোলা’দের বিক্ষোভের তাল কেটে দিলেন প্রবীণ, সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়ার বদলে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রবীণ

    Elderly Man Confronts: যন্তর মন্তরে ‘আরশোলা’দের বিক্ষোভের তাল কেটে দিলেন প্রবীণ, সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়ার বদলে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রবীণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে অনুষ্ঠিত ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে এক অপ্রত্যাশিত ঘটনার জেরে (CJP) ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে (Elderly Man Confronts)। বিক্ষোভ মঞ্চে সরকারবিরোধী বার্তা তুলে ধরতে এক প্রবীণ ব্যক্তিকে সামনে আনা হয়েছিল। তবে তিনি সরকার-বিরোধী কিছু না বলে, উল্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হওয়ায় পুরো পরিস্থিতি নেয় নাটকীয় মোড়। ঘটনায় সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে এবং তাঁর সমর্থকরা অস্বস্তিতে পড়ে যান।

    ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে হাজির প্রবীণ (Elderly Man Confronts)

    জানা গিয়েছে, যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ চলাকালীন হুইলচেয়ারে করে এক প্রবীণ ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত হন। তাঁকে দেখে বিক্ষোভকারীদের একাংশ মনে করেন, তিনি সম্ভবত সরকারের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখবেন। সেই প্রত্যাশা থেকেই সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ নিজেই মঞ্চ থেকে নেমে এসে ওই প্রবীণকে স্বাগত জানান এবং তাঁকে বিক্ষোভকারীদের কাছে নিয়ে আসেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ওই প্রবীণ ব্যক্তিকে মঞ্চের সামনে আনার পর বিক্ষোভকারীদের একাংশ তাঁকে ঘিরে সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে শুরু করেন। অভিযোগ, তাঁরা সরাসরি “মোদি চোর” বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন, এবং ওই প্রবীণ ব্যক্তিকেও সেই স্লোগানে গলা মেলাতে পীড়াপীড়ি করছিলেন।

    চুপ!

    ঘটনার মোড় ঘুরে যায় ঠিক সেই মুহূর্তেই। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সুর মেলানোর পরিবর্তে ওই প্রবীণ ব্যক্তি তাঁদের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি উপস্থিত বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “একদম চুপ করে থাকুন। প্রধানমন্ত্রী মোদি চোর নন।” তিনি (Elderly Man Confronts) আরও বলেন, “নরেন্দ্র মোদি তোমাদের বয়সের থেকেও বেশি সময় ধরে দেশের সেবা করে চলেছেন। তিনি বারো বছর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তারপর থেকে টানা দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাজ করছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি একজন সৎ মানুষ।” প্রবীণ ব্যক্তির এই মন্তব্যে বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত লোকজন হকচকিয়ে যান। মুহূর্তের মধ্যেই বিক্ষোভের পরিবেশ বদলে যায়। যাঁরা তাঁর কাছ থেকে সরকারবিরোধী বক্তব্য প্রত্যাশা করেছিলেন, তাঁদের সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায় বলেই খবর। শুধু প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায়ই থেমে থাকেননি তিনি। দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “ব্যবস্থার ভেতরে বসে থাকা কিছু মানুষের কারণেই নরেন্দ্র মোদির নাম খারাপ হচ্ছে। তোমরা এই ধরনের কথা বলে বোকামি করছ।” এই মন্তব্যের পর বিক্ষোভ মঞ্চে কিছু সময়ের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, অভিজিৎ এবং তাঁর সমর্থকেরা কার্যত নীরব হয়ে যান। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতেও দেখা যায়, প্রবীণ ব্যক্তির বক্তব্যের সময় উপস্থিত অনেকেই হাঁ করে তাঁর কথা শুনছেন।

    ভাইরাল ভিডিওয় ইউজারদের প্রতিক্রিয়া

    এমন ‘অপ্রীতিকর’ ঘটনার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইউজারদের একাংশের দাবি, ওই প্রবীণ ব্যক্তি নিজের মত স্বাধীনভাবে প্রকাশ করেছেন, এবং রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করেননি। আর একাংশের বক্তব্য, একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বা বিচ্ছিন্ন ঘটনার ভিত্তিতে গোটা বিক্ষোভ কর্মসূচি সম্পর্কে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো উচিত নয়। প্রসঙ্গত, যন্তর মন্তর দীর্ঘদিন (Elderly Man Confronts) ধরেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন এবং নাগরিক আন্দোলনের অন্যতম প্রতিবাদস্থল হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন সময়ে নানা দাবিতে সেখানে বিক্ষোভ হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় নয়া সংযোজন ককরোচ জনতা পার্টির কর্মসূচি পালনও। অবশ্য ভাইরাল হওয়া ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ওই প্রবীণ ব্যক্তির পরিচয়, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ভিডিও এবং ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়াও মেলেনি।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সময়ে কোনও জনসমাবেশ বা বিক্ষোভে ঘটে যাওয়া এমন ঘটনাগুলি মুহূর্তের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় এবং তা জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে (CJP) সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট না জেনে শুধুমাত্র ভাইরাল ভিডিওর ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকার পরামর্শও দিচ্ছেন তাঁরা।

     

  • Indresh Kumar: ‘নিট আন্দোলনের নেপথ্যে দেশি-বিদেশি শক্তি’, বিস্ফোরক দাবি প্রবীণ আরএসএস নেতার

    Indresh Kumar: ‘নিট আন্দোলনের নেপথ্যে দেশি-বিদেশি শক্তি’, বিস্ফোরক দাবি প্রবীণ আরএসএস নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: NEET ইস্যু নিয়ে আন্দোলনে এবার সরব হলেন আরএসএসের (RSS) প্রবীণ নেতা ইন্দ্রেশ কুমার (Indresh Kumar)। ‘‘এই আন্দোলনের পিছনে দেশীয় ও বিদেশি- উভয় ধরনের শক্তির মদত রয়েছে, এই শক্তিগুলি চায় না ভারত একটি উন্নত, শক্তিশালী ও শিক্ষিত দেশে পরিণত হোক।’’ বিস্ফোরক অভিযোগ প্রবীণ নেতার।

    নিটকে হাতিয়ার করে রাজনীতি

    আরএসএসের (RSS) প্রবীণ নেতা ইন্দ্রেশ কুমার (Indresh Kumar) বলেন, ‘‘প্রথমে বিরোধী দলগুলি নিট পরীক্ষার অনিয়মের প্রসঙ্গ তুলেছিল। কিন্তু পরে তারা মূল বিষয় থেকে সরে গিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার চেষ্টা শুরু করে। দেশে ইতিবাচক রাজনীতির পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা চলছে।’’

    ‘ভারতকে দুর্বল করার চেষ্টা’

    আরএসএসের (RSS) এই প্রবীণ নেতার (Indresh Kumar) অভিযোগ, দেশের ভিতরে ও বাইরে এমন কিছু শক্তি সক্রিয় রয়েছে, যারা ভারতের অগ্রগতি চায় না। যুব সমাজের বোঝা উচিত, এই আন্দোলনের পিছনে এমন কিছু দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শক্তি রয়েছে, যারা চায় না ভারত উন্নত, শক্তিশালী ও শিক্ষিত জাতি হয়ে উঠুক। বরং তারা ভারতের ক্ষতি করতে চায়।

    যুব সমাজের প্রতি বার্তা

    আন্দোলনরত যুবকদের উদ্দেশে ইতিবাচক ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান ইন্দ্রেশ কুমারের (Indresh Kumar)। তিনি বলেন, ‘‘দেশের উন্নয়নের কাজে অংশ নেওয়াই হওয়া উচিত যুব সমাজের লক্ষ্য। যদি ভালো কিছু করতে না পারেন, অন্তত ক্ষতি করবেন না। অন্য কেউ ভালো কাজ করলে তাকে নষ্ট করার চেষ্টা করবেন না। এ ধরনের মানসিকতা দুর্ভাগ্যজনক। আজ ভারত উন্নয়ন, উদ্ভাবন এবং স্টার্টআপ সংস্কৃতির মাধ্যমে বিশ্বের কাছে একটি উদাহরণ হয়ে উঠছে। সেই অগ্রগতির পথে যুব সমাজের সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া উচিত।’’

    স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আদর্শ অনুসরণের আহ্বান

    যুবকদের ভগত সিং, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, বিনায়ক দামোদর সাভারকর, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মতো জাতীয় নেতাদের আদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে দেশ গঠনের কাজে অংশ নেওয়ার আহ্বানও জানান আরএসএসের (RSS) প্রবীণ এই নেতা (Indresh Kumar)।

    সরকারের বার্তা: দ্রুত বিচার হবে

    এদিকে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল জানিয়েছেন, প্রশ্নফাঁস সংক্রান্ত মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতে প্রতিদিন শুনানির ব্যবস্থা করা হবে। তাঁর দাবি, এর ফলে দ্রুত বিচার নিশ্চিত হবে এবং পরীক্ষার্থীরা সময়মতো ন্যায়বিচার পাবেন। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবও বিরোধীদের সমালোচনা করে বলেন, অযথা রাজনৈতিক সংঘাত না বাড়িয়ে সংসদে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের পথ খোঁজা উচিত।

LinkedIn
Share