Tag: joe biden

joe biden

  • Radha Iyengar Plumb: মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের গুরুত্বপূর্ণ পদে ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাধা

    Radha Iyengar Plumb: মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের গুরুত্বপূর্ণ পদে ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও মার্কিন প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত। পেন্টাগনের গুরুত্বপূর্ণ পদে ভারতীয় বং‌শোদ্ভূত রাধা আয়েঙ্গার প্লাম্বকে (Radha Iyengar Plumb) মনোনীত করলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। বুধবার তাঁকে আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতরের ডেপুটি আন্ডার সেক্রেটারি (সামরিক ক্রয় এবং স্থিতিশীলতা) পদে নিয়োগ করা হয়েছে। আমেরিকার সামরিক ক্রয় এবং স্থিতিশীলতা সংক্রান্ত কাজের দায়িত্ব সামলাবেন তিনি।  গত কিছুদিন ধরেই ভারতীয় বংশোদ্ভুতদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসাচ্ছে আমেরিকার সরকার (USA Government)। 

    নিরাপত্তা বিশারদ হিসাবে বহুদিন ধরেই কাজ করছেন রাধা। কর্ম জীবনের শুরুতে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী রাধা লন্ডন স্কুল অফ ইকনমিক্সে শিক্ষকতা করতেন। পেন্টাগনের চিফ অফ স্টাফ হিসাবে নিয়োগের আগে তিনি গুগল-এ (ট্রাস্ট এবং সেফটি) গবেষণার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ব্যবসা সংক্রান্ত  ডেটা বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তিগত গবেষণায় গুগলের (Google) ক্রস-ফাংশনাল টিমের নেতৃত্ব দিয়েছেন এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত৷ এছাড়াও ফেসবুকের (Facebook) নীতি বিশ্লেষণ সংক্রান্ত বিভাগের গ্লোবাল হেড হিসাবেও দায়িত্ব সামলেছেন রাধা। রাধা ছাড়াও আরও কয়েকজন ভারতীয় বংশোদ্ভুতকে গুরুত্বপূর্ণ (USA Appoints Indians) পদে বসিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। গত মাসেই ইন্দো-আমেরিকান কূটনীতিক গৌতম রানাকে আমেরিকার বিশেষ দূত হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছিল। মালির রাষ্ট্রদূত হিসাবে ভারতীয় বংশোদ্ভুত রচনা সচদেব কোরহোনেনকে নিয়োগ করা হয়েছে। 

    অর্থনীতির ছাত্রী রাধা আয়েঙ্গার প্লাম্ব আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যা, অস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জাম সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক ব্যবসা এবং প্রতিরক্ষা বিষয়ক পরিসংখ্যান বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে ‘বিশেষজ্ঞ’ হিসাবে পরিচিত। সেই কারণেই তাঁকে বেছে নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছে মার্কিন কূটনৈতিক মহল। নিজের প্রোফাইলে রাধা নিজেকে একজন পলিসি রিসার্চার, ইকোনোমেট্রিক্স, ট্রাস্ট এবং সেফটি ইস্যু বিশেষজ্ঞ এবং প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্টে দক্ষ বলে দাবি করেছেন। ডেপুটি আন্ডার সেক্রেটারি পদে যোগ দেওয়ার আগে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের ডেপুটি সেক্রেটারির (US deputy secretary of defense) দফতরে ‘চিফ অফ স্টাফ’ পদে কর্মরত ছিলেন রাধা। সেই সঙ্গে ডিপার্টমেন্ট অফ এনার্জি, হোয়াইট হাউসের নিরাপত্তা কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন রাধা। এবার পেন্টাগনের অন্যতম শীর্ষ পদে বসতে চলেছেন তিনি। 

  • Russian Oil Import: ভারতকে না কেনার হুঁশিয়ারি দিয়ে যুদ্ধের মধ্যে রাশিয়া থেকে বেশি তেল কিনেছে আমেরিকা! 

    Russian Oil Import: ভারতকে না কেনার হুঁশিয়ারি দিয়ে যুদ্ধের মধ্যে রাশিয়া থেকে বেশি তেল কিনেছে আমেরিকা! 

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Ukraine Russia war) শুরু হওয়ার পর ভারত (India) সহ বিভিন্ন দেশকে মস্কো (Moscow) থেকে অশোধিত তেল (Crude Oil) কিনতে নিষেধ করছে যে আমেরিকা (USA), সেই তারাই এই একই সময়ে রাশিয়া থেকে ভারতের চেয়ে বেশি তেল কিনেছে। এমনই পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আসার পর আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। 

    রাশিয়া এবং ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে যখন আমেরিকা সহ গোটা ইউরোপের (EU) দেশগুলি রাশিয়ার সঙ্গে সমস্ত বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করে, সেই মুহূর্তে রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা নিয়ে প্রথম থেকেই ভারতের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় আক্রমণ করতে দেখা যায় আমেরিকাকে। 

    রাশিয়া থেকে সস্তায় তেল কেনা নিয়ে ভারতের সমালোচনা করতে বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট করেনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ। রাশিয়া থেকে তেল কিনলে তার ফল ভুগতে হবে বলেও ভারতকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। এমনকি নিজেদের প্রতিনিধি পাঠিয়েও এই কাজ করা থেকে বিরত থাকতে বলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। 

    যদিও, ভারত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, কাউকে তুষ্ট করতে বসে নেই, ভারত শুধু নিজের স্বার্থ দেখবে। সম্প্রতি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এদিন বলেন, “এবার থেকে আমরা শুধুমাত্র নিজেদের স্বার্থ দেখব। বিশ্বকে তুষ্ট করার কোনরকম চেষ্টা আমাদের দ্বারা হবে না।”

    আমেরিকার বিদেশ সচিবের সঙ্গে বৈঠক করেন জয়শঙ্কর। তারপরই বিদেশমন্ত্রী জানান, “ভারত এক মাসে রাশিয়ার থেকে যে পরিমাণ তেল আমদানি করে, ইউরোপের দেশগুলো একটা দুপুরে তার থেকেও বেশি পরিমাণ তেল কেনে তাদের থেকে। আর রাশিয়া থেকে তেল আমদানির পরিসংখ্যান যদি দেখা যায়, তাহলে আমি আমেরিকাকে ইউরোপের দেশগুলোর দিকেই নজর দিতে বলব।”

    [tw]


    [/tw]

    জয়শঙ্করের বক্তব্য যে কথার কথা নয়, তার প্রমাণ মিলেছে হাতেনাতে। সম্প্রতি, সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ার (CREA) একটি পরিসংখ্যান পেশ করে। সেখানে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর রাশিয়া থেকে কোন দেশ কত জ্বালানি আমদানি করেছে, তার একটা তালিকা দেওয়া হয়। 

    সেখানে দেখা যাচ্ছে, সকলের ওপরে রয়েছে জার্মানি। ভারতের অবস্থান তালিকার প্রায় শেষে। এমনকী, যে আমেরিকা ভারতকে এতদিন উপদেশ দিয়ে এসেছে রাশিয়া থেকে তেল না কেনার জন্য, তাদের অবস্থান ভারতের ওপরে। অর্থাৎ, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ভারতের তুলনায় রাশিয়া থেকে বেশি পরিমাণ তেল আমদানি করেছে বাইডেন প্রশাসন!

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়া ইস্তক মোট ৬৩ বিলিয়ন ইউরো মূল্যের খনিজ ও প্রাকৃতিক জ্বালানি রফতানি করেছে মস্কো। এর মধ্য়ে রয়েছে অশোধিত তেল, তেলজাত পণ্য, পাইপলাইন প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা ইত্যাদি। পরিসংখ্যান বলছে, ৭১ শতাংশ (প্রায় ৪৪ বিলিয়ন ইউরো) কিনেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন দেশগুলি। তার মধ্য়ে, সবেচেয়ে বেশি কিনেছে জার্মানি। এছাড়া বড় ক্রেতাদের মধ্য়ে রয়েছে ইতালি, নেদারল্যান্ডস, তুরস্ক, ফ্রান্স। 

    এই পরিসংখ্য়ানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দ্বিচারিতা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। গোটা বিশ্বকে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কিনতে নিষেধ করেও নিজেরা রুশ তেল কেনা এক দিনের জন্য বন্ধ তো করেইনি বরং সম্প্রতি তা লাফিয়ে বেড়ে গিয়েছে। 

     

LinkedIn
Share