Tag: joe biden

joe biden

  • Trump: ফের মুখ ফসকে ভুল! প্রতিপক্ষকে কটাক্ষ করতে গিয়ে এবার নিজেই বিদ্রুপের নিশানায় ট্রাম্প

    Trump: ফের মুখ ফসকে ভুল! প্রতিপক্ষকে কটাক্ষ করতে গিয়ে এবার নিজেই বিদ্রুপের নিশানায় ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ভুলত্রুটি তুলে ধরে জনসমর্থন আদায় করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trump)। প্রতিপক্ষের সামান্য ভুল বা বিতর্কিত মন্তব্যকেও তিনি রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছেন বহুবার (Leon Musk)। অবশ্য সম্প্রতি উল্টে গিয়েছে পাশা! একের পর এক বক্তব্যে ট্রাম্প নিজেই একাধিক তথ্যগত বিভ্রান্তি ও মুখ ফসকে ভুল মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন। তাঁর এই ধারাবাহিক ভুলই এখন রাজনৈতিক মহলে জন্ম দিয়েছে নয়া বিতর্কের।

    ভুল নিয়ে বিরোধীদের করতেন কটাক্ষ (Trump)

    নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে ট্রাম্প জো বাইডেনের বিভিন্ন ভুলের একটি সংকলিত ভিডিও পর্যন্ত দেখিয়েছিলেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে বাইডেন একবার ট্রাম্প ও কমলা হ্যারিসের নাম গুলিয়ে ফেললে ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, “দারুণ কাজ, জো!” আবার ওবামা একবার ভুল করে বলেছিলেন তিনি ৫৭টি অঙ্গরাজ্য সফর করেছেন। সেই সময় ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন, “আমি যদি এমন কথা বলতাম, সেটাই বছরের সবচেয়ে বড় খবর হয়ে যেত।”

    একাধিক ভুলের জন্য খবরে ট্রাম্প

    এবার সেই একই ধরনের একাধিক ভুলের জন্য আলোচনায় উঠে এসেছেন ট্রাম্প নিজেই। সম্প্রতি ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির পাশে বসে মাত্র দশ মিনিটের মধ্যেই তিনি তিনটি উল্লেখযোগ্য ভুল করেন। ইরানের প্রসঙ্গ তুলতে গিয়ে দেশটিকে “জাপানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র” বলে উল্লেখ করেন। এরপর ইরানের পরমাণু চুক্তির সংক্ষিপ্ত রূপও ভুল উচ্চারণ করেন। সবশেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, “প্রেসিডেন্ট পুতিনের জন্য কোনও প্রশ্ন আছে?” অথচ তাঁর পাশেই বসে ছিলেন জেলেনস্কি। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৪ সালের ন্যাটো সম্মেলনে বাইডেনও জেলেনস্কি এবং পুতিনের নাম গুলিয়ে ফেলেছিলেন। সেই ঘটনায় তখন সব চেয়ে বেশি সমালোচনা করেছিলেন ট্রাম্পই।

    ট্রাম্পের ভুল

    এর আগেও একাধিক অনুষ্ঠানে একই ধরনের ভুল করতে দেখা গিয়েছে ট্রাম্পকে। জুনে সংস্কার হওয়া রাষ্ট্রপতির বিশেষ বিমান পরিদর্শনের সময় শিল্পপতি ইলন মাস্ককে ভুল করে “লিয়ন” বলে ফেলেছিলেন ট্রাম্প। যদিও কিছুক্ষণ পরেই ভুল শুধরে নেন। ন্যাটো সম্মেলনের কয়েক দিন আগে হোয়াইট হাউসের এক অনুষ্ঠানে তিনি ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রশাসনের প্রধান কেলি লফলারকে পরিচয় করাতে গিয়ে দু’বার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নিকি মিনাজের নাম উচ্চারণ করেন। একবার ভুলবশত এবং পরে আবার যেন ইচ্ছাকৃতভাবেই সেই নাম ব্যবহার করেন। মে মাসে ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল দলের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ট্রাম্প জানতে চান দলের প্রধান প্রশিক্ষক কার্ট সিগনেটি কোথায়। অথচ সিগনেটি তখন তাঁর একেবারে পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন (Trump)। ওই মাসে আফগানিস্তান থেকে ২০২১ সালে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং কাবুল বিমানবন্দরে ১৩ জন মার্কিন সেনার মৃত্যুর জন্য তিনি প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে দায়ী করেন। যদিও ওবামা সরে গিয়েছিলেন ২০১৭ সালেই, সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছিল বাইডেনের আমলে (Leon Musk)।

    ভুল, আরও ভুল

    মে মাসেই তাইওয়ানকে ঘিরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মন্তব্য সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প সেটিকে ইরান সংক্রান্ত প্রশ্ন ভেবে উত্তর দেন এবং “তাদের (হরমুজ) প্রণালী” নিয়ে মন্তব্য করেন। এপ্রিলে এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, “ইউক্রেন সামরিকভাবে পরাজিত।” কিন্তু পরে বক্তব্যের প্রেক্ষাপট থেকে স্পষ্ট হয়, তিনি আসলে ইরানের নৌবাহিনী ও যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা নিয়ে কিছু বলতে চেয়েছিলেন (Trump)। ওই মাসেই নারী ইতিহাস মাস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লেভিটকে পরিচয় করাতে গিয়ে তাঁর পরিবর্তে কেলিয়ান কনওয়ের নাম বলেছিলেন ট্রাম্প। জানুয়ারিতে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের দাভোস বৈঠকে ট্রাম্প বারবার গ্রিনল্যান্ডের পরিবর্তে আইসল্যান্ডের নাম উচ্চারণ করেন। অথচ গ্রিনল্যান্ড নিয়েই তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিজের ভূ-রাজনৈতিক পরিকল্পনার কথা বলে আসছেন। গত নভেম্বরে মায়ামিতে এক ভাষণে ট্রাম্প শহরটিকে “দক্ষিণ আফ্রিকা” থেকে পালিয়ে আসা মানুষের আশ্রয়স্থল বলে উল্লেখ করেছিলেন। পরে অবশ্য নিজেকে শুধরে নিয়ে “দক্ষিণ আমেরিকা” বললেও, আবারও ফিরে যান “দক্ষিণ আফ্রিকা” প্রসঙ্গে।

    প্রতিপক্ষকেই অস্ত্র তুলে দিচ্ছেন ট্রাম্প!

    গত বছরই দু’বার ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, আজারবাইজান ও আলবেনিয়ার মধ্যে সংঘাত মেটানোর কৃতিত্ব তাঁর। যদিও ওই দুই দেশের মধ্যে এমন কোনও যুদ্ধই হয়নি। বাস্তবে তিনি যে সংঘাতের কথা বলতে চেয়েছিলেন, সেটি হয়েছিল আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে (Trump)। এদিকে, এই অগাস্টেই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের আগে ট্রাম্প দু’বার প্রকাশ্যে বলেন, তিনি রাশিয়ায় যাচ্ছেন। যদিও বৈঠকটি হওয়ার কথা আলাস্কায়, যা উনিশ শতকের ছয়ের দশক থেকে আর রাশিয়ার অংশ নয় (Leon Musk)। ট্রাম্প অতীতে প্রতিপক্ষদের একই ধরনের ভুল নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করলেও, সাম্প্রতিক ধারাবাহিক এই বিভ্রান্তিকর মন্তব্য ও নাম গুলিয়ে ফেলার ঘটনাগুলি এখন নতুন নতুন অস্ত্র তুলে দিচ্ছে তাঁর রাজনৈতিক সমালোচকদের হাতেই (Trump)।

     

  • PM Modi: জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ মোদির, কী কথা হল?

    PM Modi: জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ মোদির, কী কথা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে জি২০ শীর্ষ বৈঠকে আমেরিকার বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। সাক্ষাতের মুহূর্তের ছবি শেয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘‘ওঁর (বাইডেন) সঙ্গে দেখা করে আমি সব সময়েই খুশি!’’

    নিজেদের মধ্যে কুশল বিনিময়ের পর উষ্ণ করমর্দনও করেন দুই রাষ্ট্রনেতা 

    প্রসঙ্গত, ১৮-১৯ নভেম্বর ব্রাজিলে (Brazil G20 Summit) আয়োজিত জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে শনিবারই দেশ থেকে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। রবিবার প্রথমে তিনি যান নাইজেরিয়া। সোমবার পৌঁছেছেন ব্রাজিলে। জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে রয়েছেন আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, চিন, আমেরিকা, ফ্রান্স-সহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতারা। সেখানেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় মোদির। নিজেদের মধ্যে কুশল বিনিময়ের পর উষ্ণ করমর্দনও করেন দুই রাষ্ট্রনেতা।

    চলতি বছরে তিনবার সাক্ষাৎ হল মার্কিন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে

    উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বর মাসেও আমেরিকায় আয়োজিত চতুর্দেশীয় অক্ষ বা ‘কোয়াড’ সদস্য রাষ্ট্রগুলির বৈঠকেও মোদি-বাইডেন সাক্ষাৎ হয়েছিল। তার আগে চলতি বছরের জুন মাসে ইতালিতে আয়োজিত জি৭ শীর্ষ সম্মেলনেও মুখোমুখি হয়েছিলেন তাঁরা। তবে প্রেসিডেন্ট হিসেবে এই শেষ বারের মতো মোদির মুখোমুখি হলেন বাইডেন এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    গত বছর প্রথা মতো ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের হাতে ‘গাভেল’ তুলে দেন মোদি

    সোমবার রিও ডি জেনিরোতে পৌঁছনোর পর বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে তাঁকে (প্রধানমন্ত্রী মোদি) উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান প্রবাসীরা। সংস্কৃত শ্লোক সুর করে পাঠ করেন কয়েক জন নারী-পুরুষ। প্রত্যেকের পরনে ছিল ভারতীয় পোশাক। গুজরাটের ঐতিহ্যবাহী ডান্ডিয়া নৃত্যও প্রদর্শন করা হয়। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে জি২০ শীর্ষ (Brazil G20 Summit) বৈঠকের আয়োজন দেশ ছিল ভারত। দিল্লিতে গত বছরের ১০ নভেম্বর সেই বৈঠকের শেষে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলার হাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে সভাপতিত্বের ‘গাভেল’ তুলে দেন। প্রথা মেনে এ বারের শীর্ষ বৈঠকের আয়োজক দেশ ব্রাজিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • White House: হোয়াইট হাউসের ব্যান্ডে বাজল ‘ওম জয় জগদীশ হরে’, মোহিত হয়ে শুনলেন মার্কিনরা

    White House: হোয়াইট হাউসের ব্যান্ডে বাজল ‘ওম জয় জগদীশ হরে’, মোহিত হয়ে শুনলেন মার্কিনরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির সন্ধে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউসে (White House) পালিত হচ্ছে দীপাবলি। হাউসের সামরিক ব্যান্ডে বাজছে ‘ওম জয় জগদীশ হরে’। মগ্ন হয়ে গান শুনছেন এই বাড়ির বাসিন্দারা। আইএমএফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর গীতা গোপীনাথ শেয়ার করেছেন (Joe Biden) ভিডিওটি।

    ব্যান্ডে বাজছে ভজন (White House)

    তাতে দেখা যাচ্ছে, ব্যান্ডের চারজন সদস্য পিয়ানো, বেহালা, সেলো এবং ড্রাম বাজিয়ে ভজনটি গাইছেন। গোপীনাথ লিখেছেন, “দীপাবলির জন্য হোয়াইট হাউসের সামরিক ব্যান্ডের ‘ওম জয় জগদীশ হরে’ বাজানোটা দারুণ। শুভ দীপাবলি।” ভিডিওটি ইতিমধ্যেই চার হাজারের বেশি লাইক পেয়েছে। ভারতীয়দের কাছ থেকে প্রচুর প্রশংসাও কুড়িয়েছে ভিডিওটি। ভজনটি পরিবেশনা সুন্দর হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইন্দো-মার্কিন সুরকার তথা তিনবারের গ্র্যামি অ্যাওায়র্ড বিজয়ী রিকি কেজ বলেন, “গানটি সুন্দরভাবে পরিবেশন করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “চমৎকার সুরারোপ এবং বেহালাবাদক গ্লিস্যান্ডোগুলি বেশ ভালোভাবে করেছেন।”

    মহাকাশ থেকে অংশ নিলেন সুনীতা

    ৫ নভেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট (White House) নির্বাচন। এবার প্রার্থী হননি হোয়াইট হাউসের বর্তমান বাসিন্দা জো বাইডেন। এবার তিনি হোয়াইট হাউসেই দীপাবলি উৎসবের আয়োজন করেছিলেন। এই অনুষ্ঠানে মার্কিন কংগ্রেস সদস্য এবং কর্মকর্তা-সহ প্রায় ৬০০ ইন্দো-মার্কিন নাগরিক উপস্থিত ছিলেন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস, যিনি বর্তমানে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে রয়েছেন, ভিডিও বার্তার মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনিও। তবে নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত থাকায় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেননি ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস এবং ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন।

    আরও পড়ুন: নিশানায় শহুরে নকশালরা, “অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা প্রয়োজন”, বললেন মোদি

    এদিন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী তথা ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের ভূয়সী প্রশংসা করেন বাইডেন। পাশাপাশি ভারত থেকে যাওয়া যেসব মানুষ মার্কিন প্রশাসনে রয়েছেন, তাঁদের অবদানও তুলে ধরেন বাইডেন। তিনি বলেন, “প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমি হোয়াইট হাউসে সব চেয়ে বড় দীপাবলি উৎসবে (Joe Biden) যোগ দিতে পেরে সম্মানিত। এটা আমার কাছে খুব বড় বিষয় (White House)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: আমেরিকার পথে প্রধানমন্ত্রী মোদি, যোগ দেবেন কোয়াড বৈঠকে, সাক্ষাৎ ট্রাম্পের সঙ্গেও

    PM Modi: আমেরিকার পথে প্রধানমন্ত্রী মোদি, যোগ দেবেন কোয়াড বৈঠকে, সাক্ষাৎ ট্রাম্পের সঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিনের জন্য আমেরিকা উড়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। কোয়াড সামিটে যোগদান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে বৈঠক, রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভায় বিশেষ সম্মেলনে ভাষণ, প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে আলাপচারিতা-সহ ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। শনিবার সকালে আমেরিকা সফরের জন্য রওনা দেন মোদি। মোদিকে স্বাগত জানাতে আমেরিকায় প্রস্তুতি তুঙ্গে। সেজে উঠেছে নিউ ইয়র্ক।

    কোথায় কখন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    এএনআই সূত্রে খবর, ২১ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আমেরিকায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সফরসূচি অনুযায়ী আজ, ২১ সেপ্টেম্বর তিনি ষষ্ঠ কোয়াড সামিটে অংশ নেবেন। ২২ সেপ্টেম্বর আমেরিকায় ভারতীয় সম্প্রদায়ের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। যার জন্য বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠান নিয়ে উদগ্রীব মোদি নিজে। তিনি বলেছেন, ‘‘আমেরিকায় ভারতীয় প্রবাসীদের সঙ্গে দেখা করার জন্য আমি মুখিয়ে আছি। সেই সঙ্গে সে দেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও দেখা হবে আমার। তাঁরাই দুই দেশের মধ্যেকার সম্পর্কে স্বচ্ছতা প্রদান করেন।’’ এর পর ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভায় বিশেষ সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন মোদি। এই বৈঠকের নাম ‘সামিট অফ দ্য ফিউচার’। 

    কোয়াড বৈঠকে যোগদান

    আমেরিকায় গিয়ে তিনি চতুর্দেশীয় কোয়াড বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন। বৈঠকে থাকবেন কোয়াডের অন্য সদস্য দেশগুলির রাষ্ট্রপ্রধানেরাও। ভারত ছাড়াও কোয়াডে রয়েছে আমেরিকা, জাপান এবং অস্ট্রেলিয়া। এ বছর কোয়াডের চতুর্থ বৈঠক আয়োজন করেছে আমেরিকা। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চিনের চোখ রাঙানি রুখতে হাতে হাত রেখেছে এই দেশগুলো। নিজের শহর উইলমিংটনে কোয়াড বৈঠকের আয়োজন করেছেন বাইডেন। তবে শুধু বাইডেনই নয় মোদি সাক্ষাৎ করবেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গেও। ‘বন্ধু’ মোদির (PM Modi) সঙ্গে দেখা করতে উচ্ছ্বসিত রিপাবলিকান নেতা। 

    রওনার সময় কী বললেন মোদি?

    আমেরিকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে এদিন মোদি (PM Modi) বলেন, ‘‘আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি অ্যালবানিজ এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিয়ো কিশিদার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছি। যোগ দেব কোয়াড সামিটে। ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি, সংহতি এবং অগ্রগতির কথা চিন্তা করে, চার দেশের সংগঠন হিসাবে কোয়াড উঠে এসেছে। বাইডেনের সঙ্গে আমার বৈঠকে আমেরিকা এবং ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে আমি আশা করছি।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: ২৩ তারিখ রাষ্ট্রসঙ্ঘের ‘সামিট অফ দ্য ফিউচার’ সম্মেলনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: ২৩ তারিখ রাষ্ট্রসঙ্ঘের ‘সামিট অফ দ্য ফিউচার’ সম্মেলনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সামিট অফ দ্য ফিউচার’ সম্মেলনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ২৩ সেপ্টেম্বর ভাষণ (UN Summit) দেওয়ার কথা তাঁর। তিনি রাষ্ট্রসঙ্ঘের বার্ষিক সাধারণ সভায় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে ভাষণ দেবেন না। রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাম্প্রতিক শিডিউল থেকেই জানা গিয়েছে একথা। রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভায় ২৬ সেপ্টেম্বরের অধিবেশনে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বক্তৃতা দেওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। কিন্তু এই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না তিনি। প্রধানমন্ত্রী যোগ দেবেন ‘সামিট অফ দ্য ফিউচার’ সম্মেলনে। সেপ্টেম্বরের ২৪ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত হবে ওই সম্মেলন। প্রধানমন্ত্রীর জায়গায় বার্ষিক সাধারণ সভায় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে ২৮ তারিখ ভাষণ দেবেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

    কোয়াড সামিট

    শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে তাঁর নিজের রাজ্য ডেলাওয়্যারে কোয়াড সামিটে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার তিনি ভাষণ দেবেন নিউইয়র্ক শহরতলির ইউনিয়নডেলে ‘মোদি অ্যান্ড ইউএস, প্রোগ্রেস টুগেদার’ শীর্ষক সমাবেশে। উদ্যোক্তাদের দাবি, এই ইভেন্টে যোগ দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষ টিকিটের জন্য আবেদন করেছেন। সমাবেশ শেষ প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সাক্ষাৎ করবেন ব্যবসায়ী ও বিশ্বনেতাদের সঙ্গে।

    বাইডেনের বিদায়ী বৈঠক

    বিশ্বে মোদির জনপ্রিয়তা ক্রমবর্ধমান। তাই বহু রাষ্ট্রনেতাই তাঁর সঙ্গে বৈঠক করতে মুখিয়ে রয়েছেন। এখান থেকে কোয়াড বৈঠকও যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এই বৈঠকে যোগ দেবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও। এটি তাঁর বিদায়ী বৈঠক। কারণ ডিসেম্বরেই রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এই নির্বাচনে লড়ছেন না বাইডেন। কোয়াডের বৈঠকে যোগ দেবেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবেনিজও। জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদাও যোগ দেবেন এই বৈঠকে। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেওয়ার কথা তাঁর। প্রসঙ্গত, একটি শান্তিপূর্ণ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল নিশ্চিত করতে এবং এলাকার উন্নয়নমূলক প্রচেষ্টায় সাহায্য করতে যৌথভাবে কাজ করে এই চার দেশ।

    আরও পড়ুন: দুর্নীতি তদন্তে তৃণমূলের চিকিৎসক-নেতা সুদীপ্ত রায়ের বাড়ি, নার্সিংহোমে অভিযান ইডির

    সামিট অফ দ্য ফিউচার-এ ভাষণ দেবেন মোট ৭২ জন বক্তা। এই তালিকায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নাম রয়েছে ৩৫ নম্বরে। এই সামিটে বিশ্বনেতারা ‘প্যাক্ট অফ দ্য ফিউচার’ গ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এটি একটি ভিশনারি ডকুমেন্ট যার মধ্যে রয়েছে (UN Summit) গ্লোবাল ডিজিটাল কমপ্যাক্ট। এই ডিজিটাল কমপ্যাক্ট প্রযুক্তির সুযোগ এবং বিপদ নিয়ে ডিল করে (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে কথা হয়েছে মোদি-বাইডেনের, স্বীকার আমেরিকার

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে কথা হয়েছে মোদি-বাইডেনের, স্বীকার আমেরিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের মানুষের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। নয়াদিল্লির বক্তব্যকে মান্যতা দিয়ে এ কথা জানাল আমেরিকা। বুধবার আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত অন্যতম উপদেষ্টা জন কিরবি সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বাংলাদেশের পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis) নিয়েও কথা বলেছিলেন বাইডেন।

    কী বললেন কিরবি (Bangladesh Crisis)

    আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত অন্যতম উপদেষ্টা বলেন, “প্রেসিডেন্ট (বাইডেন) বাংলাদেশের মানুষের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে নিজের ধারাবাহিক উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। সে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়েও নিজের মনোভাব জানিয়েছেন।” ২৬ অগাস্ট মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রেও জানানো হয়েছিল, বাংলাদেশ প্রসঙ্গ নিয়েও আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে।

    কী লিখেছিলেন মোদি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, “বাইডেনের সঙ্গে আজ ফোনে কথা হয়েছে। ইউক্রেন পরিস্থিতি-সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে আমাদের বিশদে মত বিনিময় হয়েছে। আমরা বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেছি। দ্রুত স্বাভাবিক পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছি। জোর দিয়েছি, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর।”

    আরও পড়ুন: ত্রিপুরায় দুই জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর, ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’, বললেন শাহ

    হোয়াইট হাউসের তরফেও জারি করা হয়েছিল বিবৃতি (Bangladesh Crisis)। তাতে বলা হয়েছিল, “প্রেসিডেন্ট জোসেফ আর বাইডেন আজ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক পোল্যান্ড এবং ইউক্রেন সফরের পাশাপাশি আলোচনায় এসেছে সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের প্রসঙ্গও।” এই বিবৃতিতে বাংলাদেশের প্রসঙ্গ ছিল না। তা নিয়ে চড়ে জল্পনার পারদ। সেই জল্পনায়ই জল ঢেলে দিল কিরবির বিবৃতি।

    সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। অশান্তির সুযোগে শুরু হয় হিন্দু নিধন যজ্ঞ। হিন্দু পদাধিকারীদের জোর করে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হয়। হিন্দু নারীদের জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও ওঠে। ধর্ষণের অভিযোগেও তপ্ত হয় বাংলাদেশ। ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তারপর পরিস্থিতি চরমে ওঠে। এই ঘটনায় মোদির পাশাপাশি (Bangladesh Crisis) উদ্বেগ প্রকাশ করেন বাইডেনও (Joe Biden)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় জোর দিয়েছি”, বাংলাদেশ ইস্যুতে বাইডেনকে বলেন মোদি

    PM Modi: “হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় জোর দিয়েছি”, বাংলাদেশ ইস্যুতে বাইডেনকে বলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরে জোর দিয়েছি।” মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে আলোচনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একথা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “আমরা বাংলাদেশের পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis) নিয়েও আলোচনা করেছি এবং দ্রুত স্বাভাবিকতা পুনরুদ্ধারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়েছি।” এর পরেই তিনি লিখেছেন, “বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরে।”

    মোদির শিরঃপীড়ার কারণ হিন্দু নিপীড়ন (PM Modi)

    সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে হিংসার আগুন জ্বলছে বাংলাদেশে। বেছে বেছে আক্রমণ করা হচ্ছে হিন্দুদের। ঘরবাড়ি জ্বালানোর পাশাপাশি করা হয় খুন। হিন্দু মহিলাদের জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া এবং ধর্ষণের অভিযোগও উঠেছে। জোর করে পদত্যাগে বাধ্য করা হয় হিন্দু পদাধিকারিদের। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর হিংসা ওঠে চরমে। পড়শি দেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শিরঃপীড়ার কারণ, তার আঁচ মিলেছিল ১৫ অগাস্ট, ৭৮তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে। এদিন দিল্লির লালকেল্লায় দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “১৪০ কোটি ভারতীয় হিন্দু বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। ভারত সর্বদাই বাংলাদেশের শুভাকাঙ্খী। ভারত বাংলাদেশের অগ্রগতি চায়। আমরা আশা রাখি, বাংলাদেশের পরিস্থিতি শীঘ্রই স্বাভাবিক হবে। ভারতীয়রা চায়, বাংলাদেশে হিন্দু-সহ সমস্ত সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হোক।”

    আরও পড়ুন: ভারত-বিরোধী জঙ্গি জসিমউদ্দিনকে মুক্ত করল বাংলাদেশ সরকার

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    বাইডেনকে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারত সব সময় শান্তি বজায় রাখার পক্ষে। আমেরিকা ও ভারত দুই দেশই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর।” ইউক্রেন ইস্যুতেও কথা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “ইউক্রেনের পরিস্থিতি-সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে আমাদের বিশদ মত বিনিময় হয়েছে।” প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই ইউক্রেন সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি বৈঠক করেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে। বর্তমান (Bangladesh Crisis) যুগে যুদ্ধে যে কোনও সুফল মেলে না, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে তাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kamala Harris: প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার দৌড়ে আত্মবিশ্বাসী কমলা! উৎসবের প্রস্তুতি শুরু তামিলনাড়ুতে

    Kamala Harris: প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার দৌড়ে আত্মবিশ্বাসী কমলা! উৎসবের প্রস্তুতি শুরু তামিলনাড়ুতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চড়ছিল উত্তেজনা। কে হতে চলেছেন ডেমোক্র্যাটদের তরফে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী, রবিবার থেকেই এ সব নিয়ে জল্পনা ছিল তুঙ্গে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড় থেকে জো বাইডেন সরে দাঁড়ানোয় ডেমোক্র্যাট শিবিরের নতুন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসাবে তিনি প্রস্তাব করেছেন বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের (Kamala Harris) নাম। এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী (Us President Candidate) হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সমর্থন অর্জন করে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে বলেন, ”আমাদের দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ সমর্থন অর্জন করতে পেরে আমি গর্বিত।” 

    কমলা হ্যারিসের প্রতিশ্রুতি (Kamala Harris) 

    কমলা হ্যারিসের নাম দীর্ঘদিন ধরেই জল্পনায় উঠে আসছিল। অবশেষে এই নিয়ে মুখ খুললেন এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন রাজনীতিবিদ। তাঁর প্রতিশ্রুতি, ”আগামী কয়েকমাসের মধ্যে আমেরিকার বিভিন্ন শহরে পৌঁছে যাব। সকলের সঙ্গে কথা বলব। দল এবং দেশকে এককাট্টা করতে উদ্যোগ নেব। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরাজিত করবই।” 

    আরও পড়ুন: প্রথম ত্রৈমাসিকে ভারতের রফতানি ছাড়াল ২০০ বিলিয়ন! ৮০০ বিলিয়ন বার্ষিক লক্ষ্যে পৌঁছাতে আত্মবিশ্বাসী সরকার

    কমলার জন্য তামিলনাড়ুতে শুরু উৎসব 

    যদিও দলের তরফে এখনও পর্যন্ত সিলমোহর পড়েনি, তবে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলার (Kamala Harris) ‘দেশের বাড়ি’ তামিলনাড়ুর তুলাসেন্দ্রপুরমে বাঁধ ভাঙতে শুরু করেছে উচ্ছ্বাস। বাইডেনের সরে দাঁড়ানো ও কমলার নাম প্রস্তাব হতেই ওয়াশিংটন থেকে প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার দূরের এই প্রত্যন্ত গ্রাম কোমর বাঁধছে আসন্ন ‘উৎসবের’ জন্য। সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, যদি কমলা নির্বাচনে জিতে যান এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট (Us President Candidate) হন, তা হলে আরও বড় করে উদ্‌যাপন করা হবে। 
    উল্লেখ্য, আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলার দাদুর জন্ম এই গ্রামে। কমলার (Kamala Harris) যখন পাঁচ বছর বয়স, তখন এক বার এই গ্রামে এসেছিলেন তিনি। দাদুর হাত ধরে ঘুরেছেন চেন্নাইয়ের সমুদ্র সৈকতেও। যদিও আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তিনি আর এই গ্রামে পা রাখেননি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • US Presidential Election: প্রেসিডেন্ট পদের দৌড় থেকে সরলেন বাইডেন, পরবর্তী প্রার্থী কি কমলা?

    US Presidential Election: প্রেসিডেন্ট পদের দৌড় থেকে সরলেন বাইডেন, পরবর্তী প্রার্থী কি কমলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের (US Presidential Election) দৌড় থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন জো বাইডেন (Joe Biden)। মাত্র চার মাস পরেই নির্বাচন আমেরিকায়। ডেমোক্র্যাট দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ছিলেন বাইডেন। নভেম্বরের নির্বাচনে তাঁরই লড়ার কথা ছিল রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। তবে তার আগেই  রবিবার সমাজ মাধ্যমে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। দেশ ও দলের স্বার্থে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত বলে জানান বাইডেন। একই সঙ্গে সমাজ মাধ্যমে আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে কাজের অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নিয়েছেন বাইডেন। যা থেকে বাইডেনের ইঙ্গিত স্পষ্ট, নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের নতুন পদপ্রার্থী হিসেবে কমলা হ্যারিসকেই তাঁর পছন্দ। 

    বাইডেনের বার্তা (Joe Biden)

    নিজের এক্স হ্যান্ডলে বাইডেন (Joe Biden) লিখেছেন, “দেশের স্বার্থে এবং দলের স্বার্থে আমার সরে দাঁড়ানো প্রয়োজন। আমার মেয়াদের বাকি সময়টুকু একনিষ্ঠ ভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করে যেতে চাই।” এর পাশাপাশি ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা এবং তাঁর সঙ্গে কাজ করা সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাইডেন। আগামী সপ্তাহে দেশবাসীকে বিস্তারিত ভাবে তাঁর এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানাবেন বলেও জানিয়েছেন বাইডেন। ৮১ বছর বয়সি বাইডেনের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ ছিলই। তা সত্ত্বেও এবারে তাঁকেই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী করা হয়েছিল। তবে কিছু দিন আগে আমেরিকার প্রেসিডেন্সিয়াল (US Presidential Election) বিতর্কে অংশ নেওয়ার পরেই তাঁকে প্রার্থিপদ থেকে সরানোর দাবি জোরালো হয়। ওই বিতর্কসভায় বাইডেনের আচরণ অসংলগ্ন ছিল বলে দাবি।

    কমলার কথা (Kamala Harris)

    প্রেসিডেন্ট হিসাবে (US President Election) তাঁর নাম সামনে আনায় বাইডেনের (Joe Biden) প্রশংসা করেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিস (Kamala Harris)। হ্যারিস জানিয়েছেন, আগামী নভেম্বরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন রয়েছে। সেই নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনয়ন পেলে জিততে বদ্ধপরিকর তিনি। শুধু তাই নয়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই’য়ের কথাও বলেন হ্যারিস। এই প্রসঙ্গে জো বাইডেনের অসাধারণ নেতৃত্বের প্রসঙ্গ তুলে প্রশংসাও করেন। বলেন, নতুন আমেরিকা তৈরি করতে বাইডেন যেভাবে কাজ করেছেন তা অবশ্যই প্রশংসনীয়। একই সঙ্গে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে আমেরিকার সেবা করা একটা বড় সম্মান বলেও উল্লেখ করেছেন কমলা। 

    পরবর্তী প্রার্থী (US Presidential Election) 

    বাইডেন (Joe Biden) ভাইস প্রেসিডেন্ট (US Presidential Election) কমলা হ্যারিসকে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য উপযুক্ত বলে ইঙ্গিত দিলেও দলের তরফ থেকে এখনও কোনও ঘোষণা করা হয়নি। কমলা ছাড়াও দৌড়ে রয়েছেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার স্ত্রী মিশেল ওবামা এবং ক্যালিফর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসমও। তবে ডেমোক্র্যাটরা যদি কমলা হ্যারিসকে প্রেসিডেন্ট হিসাবে মনোনয়ন দেয় তাহলে দেশে তৈরি হবে নয়া ইতিহাস। প্রথমবার কোনও কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা প্রেসিডেন্ট পদের জন্য লড়বেন। শুধু তাই নয়, ভারতের সঙ্গেও তাঁর যোগ রয়েছে। তৎকালীন মাদ্রাজে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিসের জন্ম। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যদি কমলা জয়ী হন, তবে ইতিহাস গড়বেন তিনি। আমেরিকার ইতিহাসে প্রথমবার প্রেসিডেন্ট পদে বসতে পারেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Joe Biden: কোভিড আক্রান্ত জো বাইডেন, প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়া নিয়ে সংশয়

    Joe Biden: কোভিড আক্রান্ত জো বাইডেন, প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়া নিয়ে সংশয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কোভিড আক্রান্ত হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন । বুধবার তাঁর কোভিড ১৯ (Joe Biden Covid-19) রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে বলে সূত্রের খবর। বর্তমানে তিনি সেলফ আইসোলেশনে আছেন। হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়ে ডেলাওয়ারের বাড়িতে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এমনিতেই দীর্ঘ দিন ধরেই শারীরিকভাবে  অসুস্থ রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বিভিন্ন নির্বাচনী প্রচারে তাঁর শারীরিক অসুস্থতার লক্ষণ ধরা পড়েছে। কখনও তিনি (Joe Biden) ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসাবে সম্মোধন করেছেন, কখনও কমলা হ্যারিসকে ট্রাম্প হিসাবে। তিনি নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন, ক্লান্তির জেরে বিকেলের পর চোখ খুলে রাখাও কষ্টসাধ্য হয়ে উঠছে। আর এই অসুস্থতাকেই হাতিয়ার করছে বিরোধীরা। এমনকী, ডেমোক্র্যাট দলের অন্দরেও বাইডেনকে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী করা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, অগস্ট মাসের আগে বাইডেনকে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের পদপ্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করা হবে না।

    অসুস্থতা দীর্ঘতর হলে নির্বাচনে লড়া নিয়ে সংশয় (Joe Biden Covid-19)

    প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে অসুস্থতা দীর্ঘতর হলে আদৌ নির্বাচনে লড়তে পারবে কিনা? তাঁর বয়স ৮১ বছর। ফলে অসুস্থতা দীর্ঘস্থায়ী হলে তিনি যদি নির্বাচনে না লড়তে পারেন, সে ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটারদের অসুবিধে হতে পারে। বুধবার লাস ভেগাসে নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত হয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানেই তাঁর অসুস্থতা বোধ হওয়ায় করোনা পরীক্ষা করা হয় এবং ৮১ বছরের মার্কিন প্রেসিডেন্টের (Joe Biden) রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এর পর তাঁর সমস্ত প্রচার কর্মসূচি বাতিল ঘোষণা করা হয়। আপাতদৃষ্টিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের অসুস্থতা (Joe Biden Covid-19) খুব গুরুতর না হলেও, তাঁর বয়স বেশি হওয়ায় চিন্তার কারণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    আরও পড়ুন: হিন্দু স্ত্রীই অনুপ্রেরণা, স্বীকারোক্তি মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের চিকিৎসক কেভিন ও’কনার জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের গলায় সংক্রমণ সর্দি কাশির মত কিছু সমস্যা ছিল। কোভিড নাইন্টিন পরীক্ষা করার পর তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ আসায় এন্টিবায়োটিক ডোজের উপর রাখা হয়েছে।  

    আইসোলেশনে আছেন জো বাইডেন (Joe Biden)

    আমেরিকার প্রেস সচিব কেরিন জঁ পিয়েরি জানিয়েছেন, বাইডেনকে (Joe Biden) ডেলায়েরের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে কিছুদিন তাঁকে আইসোলেশনে রাখা হবে। গুরুতর অসুস্থতা বোধ হলে তবে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। আপাতত বাড়ি থেকেই প্রেসিডেন্ট হিসেবে যাবতীয় দায়িত্ব-কর্তব্য পালন করবেন তিনি। আগামী নভেম্বরেই আমেরিকায় নির্বাচন। তাঁরই প্রচারে গত বুধবার দুপুরে হিসপ্যানিক ভোটারদের সামনে বক্তৃতার উদ্দেশে লাস ভেগাস যাচ্ছিলেন বাইডেন। এমনকি, স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁয় ঢুকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগও সারেন তিনি।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share