Tag: joe biden

joe biden

  • Joe Biden: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ‘পুতিন’, কমলা হলেন ‘ট্রাম্প’! কী বললেন বাইডেন?

    Joe Biden: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ‘পুতিন’, কমলা হলেন ‘ট্রাম্প’! কী বললেন বাইডেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার বক্তব্য-বিভ্রাট বাইডেনের (Joe Biden)। ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে ‘পুতিন’ বলে ডাকলেন। আবার কথায় কথায় কমলা হ্যারিসের কথা বলতে গিয়ে নিজের ভাইস প্রেসিডেন্টকে ডোনাল্ড ট্রাম্প বানিয়ে দিলেন। স্বভাবতই মার্কিন প্রেসিডেন্ট (US President) বাইডেনের শারীরিক সক্ষমতা, বয়স নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

    জেলেনস্কি হলেন ‘পুতিন’

    আমেরিকায় নেটো গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে বৈঠক চলছে। বৃহস্পতিবার সেই বৈঠকেই বক্তব্য রাখতে ওঠেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট (US President) জো বাইডেন (Joe Biden)। তাঁর পরের বক্তা ছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। বাইডেনকে বলতে শোনা যায়, “আমি এ বার মঞ্চ ছেড়ে দিতে চাই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে। যাঁর আছে সাহস, আছে কিছু করে দেখানোর ইচ্ছা। আমি প্রেসিডেন্ট পুতিনকে স্বাগত জানাচ্ছি।” নেটোর বৈঠকে পুতিন এলেন কোথা থেকে, তা ভেবেই হতচকিত হয়ে যায় বৈঠকে উপস্থিত অতিথিরা। অপ্রস্তুত দেখায় জেলেনস্কিকেও। ভুল হয়েছে বুঝতে পেরে তা সংশোধন করে নেন বাইডেনও। বলেন, “জেলেনস্কি পুতিনকে হারাবেন।”

    হ্যারিস হলেন ‘ট্রাম্প’

    শুধু একবারই নয়, বাইডেন (Joe Biden) আরও একবার মুখ ফস্কান। ওই বৈঠকেই। তিনি বলেন, “দেখুন, আমি ট্রাম্পকে ভাইস প্রেসিডেন্ট করতামই না, যদি তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্য না হতেন।” বাইডেন যখন এই মন্তব্য করছেন, তখন দর্শকাসনে বসে আমেরিকার শীর্ষ পদাধিকারীরা। অনেকেই মনে করছেন, দেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের সঙ্গে গুলিয়েছেন বাইডেন।

    আরও পড়ুন: বাজেটের আগে বিশেষ বৈঠক, অর্থনীতিবিদদের থেকে পরামর্শ নিলেন মোদি

    পরপর ভুল বাইডেনের (Joe Biden)

    প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক ‘ভুল’ করেছেন জো বাইডেন (Joe Biden)। সাক্ষাৎকার থেকে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ডিবেটে জড়িয়েছে তাঁর কথা। এরই মাঝে কয়েকদিন আগেই এক রিপোর্টে দাবি করা হয়, গত জানুয়ারি মাসে হোয়াই হাউজে এসেছিলেন পার্কিনসন রোগ বিশেষজ্ঞ। এই আবহে বাইডেনের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আরও জল্পনা বেড়েছে। এরই মাঝে এবার আন্তর্জাতিক মঞ্চেও ‘হোঁচট’ খেলেন বাইডেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নির্বাচনের প্রচারে দাঁড়িয়ে বাইডেন বলেন, ‘২০২০ সালে ট্রাম্পকে আবারও হারাব’। আর তাঁর সেই মুখ ফসকে বেরিয়ে যাওয়া কথা নিয়ে তোলপাড় নেটপাড়া। বাইডেনের পরপর ‘হোঁচট’ দেখে ইতিমধ্যেই ডেমোক্র্যাটদের প্রার্থী বদলের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে নিজের অবস্থানে অনড় থেকেছেন বাইডেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: উষ্ণ আলিঙ্গন বাইডেনকে, খালিস্তানি সমস্যার মধ্যেও ট্রুডোর হাতে হাত রেখে সৌজন্য মোদির

    PM Modi: উষ্ণ আলিঙ্গন বাইডেনকে, খালিস্তানি সমস্যার মধ্যেও ট্রুডোর হাতে হাত রেখে সৌজন্য মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছর সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত জি-২০ সম্মেলনের পর ফের মুখোমুখি মোদি-ট্রুডো। খলিস্তানি ইস্যুতে সংঘাতের মধ্যেই কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে দেখা হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। তাঁদের মধ্যে কী কথা হয়েছে, তা নিয়ে আপাতত বিদেশ মন্ত্রকের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ইটালিতে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে (G7 Summit) যোগ দিয়েছেন মোদি। এখানেই সকলের সঙ্গে খোশ মেজাজে ধরা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। পোপ ফ্রান্সিস থেকে শুরু করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মতো অনেক রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে কথা বলেন তিনি। 

    ট্রুডো -মোদি সাক্ষাত

    তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) আসনে বসার পর এটাই মোদির প্রথম বিদেশ সফর। ইটালির প্রধানমন্ত্রীর জর্জিয়া মেলোনির আমন্ত্রণে বিশেষ অতিথি হিসাবে ৫০তম জি-৭ সামিটে যোগ দিয়েছেন তিনি। এই সম্মেলনের ফাঁকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর হাতে হাত রেখে কথা বলতে দেখা গেল মোদিকে। তবে তার মধ্যে ছিল শীতলতার ছোঁয়া। অন্য রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক এবং ব্যক্তিগত রসায়ন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখেন মোদি। কিন্তু ট্রুডোর ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শুধু লেখেন, ‘জি৭ সম্মেলনে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে দেখা হল।’  

    খালিস্তানি ইস্যু নিয়ে বিরোধ

    কানাডার সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক বিরোধ গত বছরের মাঝামাঝি সময় তীব্র হয়েছে। কানাডার বাসিন্দা খালিস্তানপন্থী হরদীপ সিং গুজ্জরের হত্যাকাণ্ড নিয়ে ভারতের দিকে আঙুল তোলেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী। দেশের সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি অভিযোগ করেন, নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতীয় এজেন্টরা যুক্ত। ট্রুডোর এই মন্তব্যের পর দুই দেশই কূটনৈতিক সম্পর্কে রাশ টানে। কানাডা কয়েকজন শীর্ষ স্থানীয় ভারতীয় কূটনীতিককে দেশ থেকে বের করে দেয়। ভারতও নয়াদিল্লিতে অবস্থিত কানাডার দূতাবাসের ৪০ জন অফিসারকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করে। দুই দেশই ভিসা প্রদান বন্ধ করে দিলেও পরে তা চালু হয়। নয়াদিল্লির অভিযোগ, কানাডার মাটি ভারত বিরোধী শক্তি ব্যবহার করছে। বিশেষ করে পাঞ্জাবের খলিস্থানপন্থীরা ওই দেশকে আশ্রয় করে গোটা বিশ্বে ভারত বিরোধী কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। তথ্যপ্রমাণ-সহ বলা সত্ত্বেও ট্রুডো সরকার কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। 

    মোদি-বাইডেন সাক্ষাৎ

    জি-৭ সম্মেলনের (G7 Summit) মাঝেই শুক্রবার বাইডেনের সঙ্গে দেখা করেন মোদি (PM Modi)। দীর্ঘদিন পর বন্ধুকে দেখে জড়িয়ে ধরেন তিনি। এর পর বৈঠকে বসেন দুজনে। যা নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ সবসময়ই খুব আনন্দের। আগামী দিনে দুদেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করতে ও বিশ্বের উন্নতি সাধনে আমরা একযোগে কাজ করব।’ প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে হাসিমুখে দেখা যায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনকেও।

    প্রযুক্তিকে সৃজনশীল করার আহ্বান

    এদিন  জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের একটি অধিবেশনে সারা বিশ্বের  প্রযুক্তি ক্ষেত্রে একচেটিয়া আধিপত্যের অবসানের কথা বলেন মোদি। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের ভিত্তি স্থাপনের জন্য প্রযুক্তিকে সৃজনশীল করার আহ্বান জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপরও বিশেষ জোর দেন। মোদি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিষয়ে জাতীয় কৌশল তৈরি করা প্রথম কয়েকটি দেশের মধ্যে ভারত রয়েছে। শনিবারই দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: ভারত জেনোফোবিক! মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুখের মতো জবাব দিলেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: ভারত জেনোফোবিক! মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুখের মতো জবাব দিলেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত জেনোফোবিক (যারা বিদেশিদের ভয় পায়)। কারণ তারা অভিবাসীদের স্বাগত জানায় না।” দিন কয়েক আগে একথা বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, “সমাজের সর্বস্তরের মানুষের জন্যই খোলা রয়েছে ভারতের দ্বার।”

    জয়শঙ্করের জবাব (S Jaishankar)

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট এও বলেছিলেন, “ভারতের অর্থনীতির ভিত নড়বড়ে। খুব ভালো করছে না। যদিও মার্কিন অর্থনীতির নিত্য শ্রীবৃদ্ধি হচ্ছে।” এরও উত্তর দিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “প্রথমত, আমাদের অর্থনীতি বিপর্যস্ত হচ্ছে না। ভারত সব সময়ই একটি অনন্য দেশ। তার আতিথেয়তার জন্য পরিচিত। বিশ্বের ইতিহাসে ভারতই এমন একটি দেশ, যা সর্বদা অভিবাসীদের সাহায্য করেছে। বিভিন্ন সমাজের মানুষ ভারতে আসেন।” ভারত যে বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির অন্যতম প্রধান দেশ, তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, “গত কয়েক বছর ধরে ভারতের অর্থনীতি দ্রুত বর্ধনশীল। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারতের ঠাঁই হয়েছে পঞ্চম স্থানে। এই দশকের শেষের মধ্যেই ভারত উঠে আসবে এই তালিকার তিন নম্বরে।”

    কী বলেছিলেন বাইডেন?

    ২ মে এক নির্বাচনী জনসভায় আমেরিকার অর্থনৈতিক বিকাশ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বাইডেন বলেছিলেন, “আমাদের অর্থনীতির বিকাশের অন্যতম কারণ হলেন আপনারা এবং আরও অনেকে। কেন? কারণ আমরা বিদেশিদের স্বাগত জানাই। আমরা এটা নিয়ে ভাবি। কিন্ত চিনের অর্থনীতি কেন এভাবে থমকে গেল? কেন জাপান সমস্যার মুখে পড়ছে? কেন রাশিয়া? কেন ভারত? কারণ তারা জেনোফোবিক। তারা বিদেশিদের চায় না।”

    আরও পড়ুুন: ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি কোথায়, কখন জানেন?

    মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সপাটে এরই উত্তর দিয়েছেন জয়শঙ্কর। বলেন, “তামাম বিশ্বে ভারতীয় সমাজ এমন একটি সমাজ, যেটা ভীষণ মুক্তমনা। ভিন্ন ভিন্ন সমাজ থেকে মানুষ ভারতে আসেন।” সিএএ-র প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছেন জয়শঙ্কর। বলেন, “এই আইনের মাধ্যমে পাকিস্তান, আফগানিস্তান কিংবা বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ এবং পারসিদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।” বিদেশিদের এ দেশে স্বাগত জানাতেই যে এহেন বড় পদক্ষেপ, তাও মনে করিয়ে দেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Israel Iran Conflict: ইজরায়েলে ব্যর্থ ইরান, ড্রোন হামলা রুখল আমেরিকা, কাঁধ মেলাল ব্রিটেনও

    Israel Iran Conflict: ইজরায়েলে ব্যর্থ ইরান, ড্রোন হামলা রুখল আমেরিকা, কাঁধ মেলাল ব্রিটেনও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথা দিয়েছিল আগেই। সেই মতো ইজরায়েলের পাশে দাঁড়াল আমেরিকা। ইরান থেকে ছোড়া প্রায় সব ড্রোনই গুলি করে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Israel Iran Conflict)। বাইডেন জানান, আমেরিকার সাহায্যে ইরানের ড্রোন হামলার মোকাবিলায় সফল হয়েছে তেল আভিভ (ইজরায়েলের রাজধানী)।

    ইরানিয়ান ড্রোন ধ্বংস (Israel Iran Conflict)

    রবিবার ইজরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ২০০টি ড্রোন দিয়ে মিসাইল হামলা চালায় ইরান। ইরানিয়ান ড্রোনগুলি ধ্বংস করতে গুলি ছোড়ে মার্কিন সেনা। ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছে ব্রিটেনও। তেল আভিভকে সাহায্য করেছে তারাও। প্রত্যাশিতভাবেই ব্যর্থ হয়েছে ইহুদি রাষ্ট্র ইজরায়েলে ইসলামি রাষ্ট্র ইরানের হামলার পরিকল্পনা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জারি করা এক বিবৃতিতে বাইডেন বলেন, “ইজরায়েলের বাহিনীকে সাহায্য করতে আমার নির্দেশে আমেরিকার সেনা গত সপ্তাহেই ওই এলাকায় একাধিক যুদ্ধ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী বিমান পাঠিয়েছে। এই অত্যাধুনিক বিমান ও আমাদের সেনাবাহিনীর অসাধারণ দক্ষতায় আমরা ইরানের ছোড়া প্রায় সব ক’টি ড্রোন ও মিসাইল ধ্বংস করতে ইজরায়েলকে সাহায্য করতে পেরেছি।”

    নেতানিয়াহুকে ফোন বাইডেনের

    ইরানের (Israel Iran Conflict) হামলার পরেই ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন বাইডেন। প্রতিশ্রুতি দেন পাশে থাকার। ইরানের হামলা প্রসঙ্গে নেতানিয়াহু বলেন, “আমাদের ওপর যারা হামলা চালাবে, আমরাও তাদের ওপর হামলা করব। যে কোনওরকম হুমকির বিরুদ্ধে আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াব। এটাই ইজরায়েলের নীতি।” এদিকে, ইরান-ইজারায়েলের আকাশে যুদ্ধের মেঘ ঘনাতেই উদ্বেগে ভারত। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ইরান-ইজরায়েলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত। ভারতীয়েদর অযথা উদ্বিগ্ন না হতে ও সুরক্ষা প্রোটোকল অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

    বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আমরা অবিলম্বে শান্তি ফেরানো ও হিংসা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি। দুই দেশকেই কূটনীতির পথে ফিরতে বলা হচ্ছে। ওখানে আমাদের দূতাবাস ভারতীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। ওখানে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় থাকা অত্যন্ত জরুরি। আমরা পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছি।” প্রসঙ্গত, ইরান-ইজরায়েলের এই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ক্রমেই বাড়ছে অপরিশোধিত জ্বালানির দাম। জ্বালানির সঙ্কটও দেখা দিতে পারে মধ্য প্রাচ্যে (Israel Iran Conflict)।

    আরও পড়ুুন: “কংগ্রেস দুর্নীতির আখড়া, ওদের অবস্থা বিগবসের মতো”, তোপ রাজনাথের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Joe Biden: হোলির রঙিন শুভেচ্ছা বাইডেনের, টাইমস স্কোয়্যারও মাতল রঙের উৎসবে

    Joe Biden: হোলির রঙিন শুভেচ্ছা বাইডেনের, টাইমস স্কোয়্যারও মাতল রঙের উৎসবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোলি উপলক্ষে রঙিন শুভেচ্ছা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। এক্স হ্যান্ডেলে এই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, “আজ, বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ মানুষ রঙের উৎসবে মাতবেন।

    বাইডেন-বার্তা (Joe Biden)

    এই উৎসব ঘোষণা করে বসন্তের আগমনী বার্তা। আবির ও ভাইব্রান্ট রঙের উৎসব এটি। যাঁরা আজকের রঙের উৎসবে মেতেছেন জিল এবং আমি তাঁদের শুভেচ্ছা জানাই।” হোলির শুভেচ্ছা জানিয়ে ব্যানার টাঙানো হয়েছে নিউ ইয়র্ক শহরের (Joe Biden) টাইমস স্কোয়্যারে। ভারতীয় দূতাবাসের তরফে ওই ব্যানার টাঙানো হয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে ভারতীয় দূতাবাসের তরফে লেখা হয়েছে, “নিউ ইয়র্ক শহরের হৃদয় থেকে প্রত্যেককে রঙিন ও আনন্দময় হোলির শুভেচ্ছা জানাই। রঙের এই উৎসব আপনার জীবনে সুখ, ভালোবাসা এবং শান্তি আনুক।”

    হোলির শুভেচ্ছা গারসেট্টিরও

    ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেট্টিও হোলির শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ভিডিও-বার্তায় তিনি বলেছেন, “আমি প্রত্যেককে হোলির শুভেচ্ছা জানাই। আমাদেরও বিস্ময়কর গুজিয়া রয়েছে। তাতে রয়েছে মার্কিন মোচড়। খেলা হয় গোলাপ জলে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে হোলি উৎসব পালনের সমতুল আর কিছুই নেই।”

    রঙিন টাইমস স্কোয়্যারও

    হোলি উপলক্ষে নিউ ইয়র্ক শহরের বিখ্যাত টাইমস স্কোয়্যার সাজানো হয়েছিল রঙিন আলোয়। হোলির শুভেচ্ছা জানিয়ে ব্যানারে ব্যানারে ছয়লাপ করা হয়েছিল টাইমস স্কোয়্যার। আমেরিকায় নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। তাতে ডু-পন্ট সার্কেলের ছবি তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে লোকজন মেতেছেন রঙের উৎসব। নাচছেন, গাইছেন, নানা রঙে রঙিন হচ্ছেন, রাঙিয়ে দিচ্ছেন একে অন্যকে (Joe Biden)।

    আরও পড়ুুন: “আমেঠির মতো রাহুলের পরিণতি হবে এখানেও”, বললেন ওয়েনাড়ের বিজেপি প্রার্থী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • US Airstrike: জঙ্গি হামলায় ৩ মার্কিন সেনার মৃত্যু, ইরাক-সিরিয়ার ৮৫ ঘাঁটিতে প্রত্যাঘাত আমেরিকার

    US Airstrike: জঙ্গি হামলায় ৩ মার্কিন সেনার মৃত্যু, ইরাক-সিরিয়ার ৮৫ ঘাঁটিতে প্রত্যাঘাত আমেরিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরাক এবং সিরিয়ার ৮৫টি স্থানে এয়ারস্ট্রাইক (US Airstrike) চালাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই জর্ডনে জঙ্গি হামলায় তিন মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়। তার প্রত্যাঘাত ছিল এদিনের এয়ারস্ট্রাইক।

    গতকালই মার্কিন প্রেসিডেন্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ‘‘যদি তোমরা আমেরিকার ক্ষতি করো, তাহলে তার ফল ভুগতে হবে।’’ এরপরেই প্রত্যাঘাতের খবর প্রকাশ্যে আসে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই এয়ারস্ট্রাইকের নিন্দা জানিয়েছে ইরাক। তাদের মতে, ‘‘এটি হল সার্বভৌমত্বের উপর হামলা।’’ জানা গিয়েছে, ইরাক সীমান্তে গজিয়ে ওঠা ইরান সমর্থিত সন্ত্রাসবাদীদের ঘাঁটিগুলিকে গুঁড়িয়ে দিতে এই এয়ারস্ট্রাইকে (US Airstrike) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ব্যবহার করে বি-ওয়ান বোমারু বিমান।

    মার্কিন সেনা কী জানাল?

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনার তরফ থেকে বিবৃতি সামনে এসেছে। সেখানে তারা জানিয়েছে, ইরাক ও সিরিয়ায় অবস্থিত ইরানের ইসলামিক রিভোলিউশনারি গার্ড কোর কুর্দ বাহিনী ও তার সহযোগীদের ঘাঁটি লক্ষ্য করে এয়ারস্ট্রাইক (US Airstrike) চালানো হয়েছে। জঙ্গি কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রিত হত এবং মিসাইল, রকেট সমেত অস্ত্রসামগ্রী মজুদ রাখা হত এমন ৮৫টি ঘাঁটিতে এই হামলা হয়েছে। যার মধ্যে সিরিয়ার চারটি স্থানে বেছে নেওয়া হয়েছিল এবং ইরাকের তিনটি স্থান অর্থাৎ মোট সাতটি অঞ্চলে এই এয়ারস্ট্রাইক চলেছে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও চলবে এমন এয়ার স্ট্রাইক

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেফটেন্যান্ট জেনারেল ডগলাস সিম জানিয়েছেন যে, এই এয়ারস্ট্রাইক সফল হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি এই এয়ার স্ট্রাইকের ফলে ঠিক কতজন জঙ্গি মারা গিয়েছে। অন্যদিকে, সিরিয়ার সংবাদ মাধ্যমগুলির মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে শুরু করেছে এবং তারা জানিয়েছে যে, মরুভূমি অঞ্চলে (US Airstrike) ইরাক-সিরিয়ার বর্ডারে অসংখ্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মার্কিন হামলায়। পেন্টাগনের তরফ থেকে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে তাতে জানানো হয়েছে যে, ইরাকের সঙ্গে আমেরিকা যুদ্ধ চায় না, তবে আগামী দিনে জঙ্গিঘাঁটি লক্ষ্য করে এই ধরনের এয়ারস্ট্রাইক আরও চলবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • International Relations: মধ্যপ্রাচ্যে সংকটের মধ্যেই বাইডেন-শি জিনপিং বৈঠক, লক্ষ্য সম্পর্কের স্থিতিশীলতা?

    International Relations: মধ্যপ্রাচ্যে সংকটের মধ্যেই বাইডেন-শি জিনপিং বৈঠক, লক্ষ্য সম্পর্কের স্থিতিশীলতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন এবং চিনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং মধ্যপ্রাচ্যে সংকট এবং তাইওয়ানের উত্তেজনার মধ্যেই সান ফ্রান্সিসকোতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে চলেছেন। সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বৈঠকে উভয় দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে (International Relation) স্থিতিশীল করার বিষয় প্রাধান্য পাবে। সেই সঙ্গে ইজারায়েল-হামাস যুদ্ধকে প্রশমিত করার বিষয়ও আলোচানা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

    মার্কিন-চিনের সম্পর্কের স্থিতিশীলতা (International Relation)

    ভূ-রাজনীতির প্রেক্ষাপটে এটাও অনুমান করা হচ্ছে যে হামাসে বনাম ইজরায়েল যুদ্ধের বিষয় নিয়েও আলোচনা হতে পারে। উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইজরায়েলকে সমর্থন করেছে। আবার রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ প্রসঙ্গে তাইওয়ানের সীমান্ত রেখায় চিনের গতিবিধি প্রবল হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্নায়ু যুদ্ধ ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি করেছে। তাই মার্কিন-চিনের বৈঠক কী বার্তা দেয় সেই দিকেই তাকিয়ে গোটা বিশ্ব। এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (এপেক) শীর্ষ সম্মেলনের আগে এই বছর দুই নেতার সাক্ষাৎ হয়েছিল। এরপর ইন্দনেশিয়ার বালিতে জি-২০ সস্মলনে এই দুই রাষ্ট্র প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। বিগত মাসগুলিতে মার্কিন বিদেশমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন এবং মার্কিন অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন বেজিংয়ে গিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল চিনের সঙ্গে সংবাদের মাধ্যমে দুই দেশের উত্তেজনাকে (International Relation) প্রশমিত করা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চাইবে চিনের সঙ্গে সামরিক বাহিনীর যৌথ সম্পর্কের অস্থিরতার দ্বন্দ্ব যেন ক্রমশ কেটে যায়। 

    আর্থিক সম্পর্কের গতি বাড়বে

    বেজিং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের স্থিতিশীলতা (International Relation) চায়, কারণ মার্কিন বিনিয়োগকারী এবং ব্যবসাকে চিনে আকৃষ্ট করতে আগ্রহী। দুই দেশের উত্তেজনা সত্ত্বেও, দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৭৮৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি। ২০২২ সাল পর্যন্ত, চিনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এফডিআই ছিল ১২৬.১ বিলিয়ন ডলার, যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিনা বিনিয়োগ ছিল ২৬.৮৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র চিনকে আশ্বস্ত করেছে যে আমেরিকা তার জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা করতে চায়। পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্পর্ককে ছিন্ন করতে চায় না।

    মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কট কী কাটবে?

    মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কটকে কাটাতে বাইডেন কি চিনের মধ্যস্থতা চাইবেন ইরানকে বোঝাতে? কারণ ইজরায়েল-হামাসের যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পুরোপুরি উল্টো অবস্থানে মত পোষণ করে ইরান। সম্প্রতি চিনের সঙ্গে ইরানের বাণিজ্যিক সম্পর্ক (International Relation) অনেকটাই ভালো বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে এই মধ্য প্রাচ্যের সঙ্কটকে মোচন করতে বাইডেন-শি জিনপিং-এর বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন ওয়াকিবহলের একাংশ।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Israel-Hamas War: গাজার দখল নিল ইহুদি সেনা, ১৬ বছর পর ক্ষমতাচ্যুত হামাস, দাবি নেতানিয়াহুর মন্ত্রীর

    Israel-Hamas War: গাজার দখল নিল ইহুদি সেনা, ১৬ বছর পর ক্ষমতাচ্যুত হামাস, দাবি নেতানিয়াহুর মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাজার দখল নিল ইজরায়েলের সেনাবাহিনী। অন্তত এমনটাই দাবি নেতানিয়াহু সরকারের। ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জোয়াভ গ্যালান্ট জানিয়েছেন, ১৬ বছর ধরে যে হামাস (Israel-Hamas War) জঙ্গিরা গাজা শহরকে দখল করে রেখেছিল, তাদেরকে ক্ষমতারচ্যুত করা হয়েছে। জানা গিয়েছে ইজরায়েলের সেনাবাহিনীর দাপটে হামাস জঙ্গিরা গাজার দক্ষিণ দিক দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। হামাসের সমস্ত জঙ্গি ঘাঁটিগুলিকে বর্তমানে দখল নিচ্ছে ইজরায়েলের সেনাবাহিনী। জানা গিয়েছে, গাজা দখলের পরে আপাতত ইজরায়েলের সেনাবাহিনীর লক্ষ্য হল, হামাস জঙ্গিদের হাতে পণবন্দী থাকা ইজরায়েলের নাগরিকদের দ্রুত মুক্ত করা। কীভাবে পণবন্দীদের মুক্ত করা যায় তারই পরিকল্পনায় ব্যস্ত রয়েছে নেতানিয়াহুর সরকার।

    কী বলছেন হামাসের মুখপাত্র?

    অন্যদিকে, ইজরায়েল এবং হামাসের (Israel-Hamas War) মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে কাতার। কাতারের প্রতিনিধির মাধ্যমেই এক পক্ষের বার্তা অন্য পক্ষে যাচ্ছে বলে খবর। ইজরায়েলের মারে বেসামাল হামাস এখন যুদ্ধ বিরতি চাইছে। হামাসের তরফে মুখপাত্র আবু ওবেদিয়া বলেন, ‘‘আমরা মধ্যস্থতাকারীকে (কাতার) জানিয়েছি যে, পাঁচ দিনের যুদ্ধবিরতি পেলে আমরা কিছু পণবন্দিকে মুক্তি দিতে রাজি। ওই পাঁচ দিনে আমরা আহতদের চিকিৎসা করব এবং ত্রাণ বিতরণ করব। কিন্তু শত্রুপক্ষ গড়িমসি করছে।’’ জানা গিয়েছে, ৫ দিনের যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা যদি ইজরায়েল করে সেক্ষেত্রে ৭০জন পণবন্দীকে ছাড়তে রাজি হয়েছে হামাস জঙ্গিরা (Israel-Hamas War)। অন্যদিকে, ইজরায়েল ১০০ জন পণবন্দীর মুক্তির দাবি জানিয়েছে। এখন দেখার যুদ্ধ পরিস্থিতি কোন দিকে যায়।

    উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি

    গত ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয় হামাস-ইজরায়েলের (Israel-Hamas War) যুদ্ধ। প্রথমেই ইজরায়েলের ওপরে পাঁচ হাজার রকেট হামলা চালায় হামাস জঙ্গিরা। ইহুদি ভূখণ্ডে ঢুকে অনেক নাগরিককে পণবন্দি করে নিয়ে যায় তারা। এরপরই পাল্টা প্রত্যাঘাত শুরু করে ইজরায়েল। মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ পরিস্থিতি এখন আর দুটো দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। হামাসের সমর্থনে এগিয়ে এসেছে ইরানপন্থী লেবাননের জঙ্গি গোষ্ঠী হিজবুল্লা। তারা রকেট হামলা চালায় ইজরায়েলে। পাল্টা প্রত্যাঘাত করে ইজরায়েলও। কয়েকদিন আগে সিরিয়াতে ইরানপন্থী অন্য একটি জঙ্গি সংগঠনের অস্ত্রঘাঁটিতে এয়ার স্ট্রাইক চালিয়েছে আমেরিকা। অভিযোগ ওই অস্ত্র সরবরাহ করা হতো হামাস জঙ্গিদের। বেশ উত্তপ্ত রয়েছে মধ্য প্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি। প্রসঙ্গত, যুদ্ধ শুরুর পরে ইজরায়েল সফর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Israel-Hamas War: ‘‘রাশিয়া ও হামাস দুই শক্তিই গণতন্ত্র বিরোধী’’, ইজরায়েল ঘুরে বললেন বাইডেন

    Israel-Hamas War: ‘‘রাশিয়া ও হামাস দুই শক্তিই গণতন্ত্র বিরোধী’’, ইজরায়েল ঘুরে বললেন বাইডেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হামাস (Israel-Hamas War) এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে একই গোত্রে ফেললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। মার্কিন দেশের রাষ্ট্রপতির মতে, ‘‘হামাস এবং পুতিন দুই শক্তিই গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে কাজ করে। তাই আমেরিকার কর্তব্য হল এই দুই শক্তিকে পরাস্ত করা।’’ প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই ইজরায়েল সফরে যান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। মার্কিন নাগরিকদের উদ্দেশে এরপর ওভাল অফিস থেকে এক ভাষণও দিতে শোনা যায় প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে। সেখানেই তিনি মন্তব্য করেন, ‘‘ইউক্রেন এবং ইজরায়েলকে সাহায্য করাটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’’

    নিশানা রাশিয়া ও হামাসকে 

    বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘‘হামাস (Israel-Hamas War) এবং রুশ রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের হুমকির ধরনটা আলাদা, তবে তাদের উদ্দেশ্য এক। উভয়েই তাদের এক প্রতিবেশী রাষ্ট্রের গণতন্ত্রকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করতে চায়। এক মহান দেশ হিসেবে আমাদের দায়িত্ব, হামাসের মতো সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী এবং পুতিনের মতো একনায়কদের জয়ী হতে না দেওয়া। আমরা তা হতে দেবও না। এই পথে আমরা ক্ষুদ্র পক্ষপাতমূলক রাজনীতিকে বাধা হতে দিতে পারি না।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘গোটা বিশ্ব আজকে ইজরায়েলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। আমেরিকা ও অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশগুলোর মতো একটা মূল্যবোধ ও আদর্শ রয়েছে ইজরায়েলের। আমরা কী করতে যাচ্ছি সেটা তারা দেখতে চাইছে।’’

    ইজরায়েলে বাইডেন

    প্রসঙ্গত, ইজরায়েল-হামাস (Israel-Hamas War) যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুর দেশে পৌঁছান জো বাইডেন। সেখানে ইহুদি দেশের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন তিনি। এর পাশাপাশি ইজরায়েলের হয়েও বিবৃতি দিতে শোনা যায় তাঁকে। গাজার হাসপাতালে বিস্ফোরণের ঘটনায় কড়া নিন্দাও করতে শোনা যায় মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। তিনি বলেন, ‘‘গাজার হাসপাতালে যেভাবে বিস্ফোরণ হয়েছে তাতে একদিকে আমি শোকাহত এবং অন্যদিকে আমি ক্ষুদ্ধ। আমি নিশ্চিত ভাবে মনে করি এই কাজ ইজরায়েলের পক্ষ থেকে করা হয়নি। এর পিছনে অন্য কোন শক্তি রয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Republic Day Parade: আগামী বছরে প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি জো বাইডেন!

    Republic Day Parade: আগামী বছরে প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি জো বাইডেন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২০২৪ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day Parade) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার, এমনটাই জানা গিয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে কোনও বিবৃতি সামনে আসেনি। বুধবার ২০ সেপ্টেম্বর ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের মুখে শোনা গিয়েছে এই খবরটি। প্রসঙ্গত, চলতি মাসেই ৯ এবং ১০ তারিখে দিল্লিতে বসেছিল জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন। সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গার্সেটি এই খবরটি জানিয়েছেন।

    ২০১৫ সালের প্রধান অতিথি ছিলেন বারাক ওবামা  

    তবে সম্প্রতিক অতীতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির হওয়াটা নতুন কিছু নয়। ২০১৫ সালে প্রথম কোনও মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রজাতন্ত্র দিবসের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। সে বছর হাজির (Republic Day Parade) ছিলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। আবার পরবর্তীকালে ২০১৮ সালে নয়া দিল্লিতে আমন্ত্রিত ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিন্তু নিজের দেশের কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকায় তিনি সে বছর উপস্থিত হতে পারেননি। তবে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের মুখে একথা (Republic Day Parade) শোনা গেলেও হোয়াইট হাউসের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি এখনও দেওয়া হয়নি।

    কোয়াডভুক্ত দেশগুলি আমন্ত্রিত থাকবে

    জানা গিয়েছে, প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day Parade) কোয়াডভুক্ত দেশগুলির সমস্ত নেতাদেরই আমন্ত্রণ জানাতে চলেছে নয়া দিল্লি। কোয়াডের মধ্যে থাকা দেশগুলি হল আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপান।  তাই সে ক্ষেত্রে আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথি হিসেবে দেখা যেতে পারে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি অ্যাল্বানিজ, এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদাকে। কূটনৈতিক মহল মনে করছে কোয়াডভুক্ত দেশগুলির সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতা বাড়লে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের দাদাগিরি কমবে।

    আরও পড়ুুন: হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে চলে এলেন প্রধানমন্ত্রী, ফলোয়ারের সংখ্যা ছাড়াল ১০ লাখ 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share